রোজকার শেয়ারবাজার

১৯ আগস্ট ডিএসইতে দর বৃদ্ধির শীর্ষ দশ শেয়ার

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ আগস্ট ১৯ ১৫:৫০:৩৪
১৯ আগস্ট ডিএসইতে দর বৃদ্ধির শীর্ষ দশ শেয়ার

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) আজ মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট ২০২৫) শীর্ষ দশ লাভজনক কোম্পানির তালিকা প্রকাশিত হয়েছে। বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, ক্লোজ প্রাইস (Closing Price) ও ইয়েস্টারডে ক্লোজ প্রাইস (YCP) এবং ওপেন প্রাইস (Opening Price) ও লাস্ট ট্রেডেড প্রাইস (LTP) অনুযায়ী গেইনার তালিকায় একাধিক কোম্পানি উল্লেখযোগ্য উত্থান দেখিয়েছে।

ক্লোজ প্রাইস ও YCP অনুসারে শীর্ষ দশ গেইনার:

ক্রম ট্রেডিং কোড ক্লোজ প্রাইস সর্বোচ্চ সর্বনিম্ন আগের দিনের ক্লোজ পরিবর্তন %
1 MEGHNACEM 46.4 46.4 42.3 42.2 9.95%
2 BEACHHATCH 53.2 53.2 48.6 48.4 9.92%
3 ISNLTD 60 60 56.1 54.6 9.89%
4 AIL 51.5 51.8 48.5 48.1 7.07%
5 SHARPIND 18.7 18.9 17.8 17.6 6.25%
6 MONNOFABR 15.5 15.7 14.5 14.6 6.16%
7 HAKKANIPUL 84.8 87.3 79 80.1 5.87%
8 SALVOCHEM 27.5 28.2 25.7 26 5.77%
9 SONARGAON 37 37.5 35.4 35.1 5.41%
10 BXPHARMA 129.7 132.9 123.7 123.7 4.85%

ওপেন প্রাইস ও LTP অনুসারে শীর্ষ দশ গেইনার:

ক্রম ট্রেডিং কোড ওপেন প্রাইস সর্বোচ্চ সর্বনিম্ন সর্বশেষ দর (LTP) বিচ্যুতি %
1 MEGHNACEM 42.3 46.4 42.3 46.4 9.69%
2 BEACHHATCH 48.6 53.2 48.6 53.2 9.47%
3 HAKKANIPUL 79 87.3 79 84.8 7.34%
4 RELIANCE1 15 16.3 15 16.1 7.33%
5 SALVOCHEM 25.7 28.2 25.7 27.5 7.00%
6 AIL 48.6 51.8 48.5 51.5 5.97%
7 MONNOFABR 14.7 15.7 14.5 15.5 5.44%
8 SHARPIND 17.8 18.9 17.8 18.7 5.06%
9 WATACHEM 143 154 143 150.2 5.04%
10 DOMINAGE 15.9 16.9 15.7 16.7 5.03%

আজকের বাজারে MEGHNACEM ও BEACHHATCH শেয়ার সর্বোচ্চ উত্থান দেখিয়েছে উভয় সূচকেই (ক্লোজ প্রাইস ভিত্তিক ও ওপেন প্রাইস ভিত্তিক)।বিশেষ করে সিমেন্ট, হ্যাচারি, কেমিক্যাল এবং ফার্মাসিউটিক্যাল খাতের শেয়ারগুলোতে উল্লেখযোগ্য চাহিদা দেখা গেছে।এটি বিনিয়োগকারীদের আস্থার ইতিবাচক ইঙ্গিত দিলেও বাজারে অস্থিরতা থাকতে পারে। তাই বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে পুঙ্খানুপুঙ্খ বিশ্লেষণের প্রয়োজন।

/আশিক


৭ এপ্রিল: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০৭ ১৫:১৪:৩২
৭ এপ্রিল: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মঙ্গলবারের লেনদেনে শক্তিশালী উত্থান লক্ষ্য করা গেছে, যেখানে অধিকাংশ শেয়ার ইতিবাচক প্রবণতা প্রদর্শন করেছে। দিনের শেষে মোট ৩৯৩টি লেনদেনযোগ্য কোম্পানির মধ্যে ২৭৫টির শেয়ারদর বৃদ্ধি পেয়েছে, যা বাজারে ব্যাপক আশাবাদের ইঙ্গিত দেয়। বিপরীতে দরপতন হয়েছে মাত্র ৭০টি শেয়ারের এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৪৮টি।

এ ক্যাটাগরির কোম্পানিগুলোর মধ্যেও ইতিবাচক প্রবণতা স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়েছে। এ ক্যাটাগরিতে ১২৬টি কোম্পানির শেয়ারদর বেড়েছে, যেখানে পতন হয়েছে ৪৪টির। একইভাবে বি ক্যাটাগরিতে ৬৯টি কোম্পানি মূল্যবৃদ্ধি অর্জন করেছে, যা বিনিয়োগকারীদের আস্থার পুনরুদ্ধারের একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

জেড ক্যাটাগরিতেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক কোম্পানির দর বৃদ্ধি পেয়েছে, যেখানে ৮০টি শেয়ার বাড়ার বিপরীতে কমেছে মাত্র ১৯টি। এটি নির্দেশ করে যে দুর্বল বা ঝুঁকিপূর্ণ শেয়ারগুলোতেও সাময়িক ক্রয়চাপ তৈরি হয়েছে।

লেনদেনের পরিসংখ্যানও বাজারের গতি বৃদ্ধির প্রমাণ দিয়েছে। এদিন মোট লেনদেন হয়েছে প্রায় ৫,৯৭০ কোটি টাকার, যা আগের দিনের তুলনায় উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি নির্দেশ করে। একই সঙ্গে মোট লেনদেনের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৬৮ হাজারের বেশি এবং শেয়ার লেনদেনের পরিমাণ ২৪ কোটিরও বেশি ইউনিট অতিক্রম করেছে।

বাজার মূলধনেও ইতিবাচক পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে। দিনশেষে মোট বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬.৮২ লাখ কোটি টাকার বেশি, যা সামগ্রিকভাবে বাজারের শক্তিশালী অবস্থানকে প্রতিফলিত করে।

ব্লক ট্রেড সেগমেন্টেও উল্লেখযোগ্য কার্যক্রম দেখা গেছে। এপেক্স স্পিনিং, সিটি জেনারেল ইন্স্যুরেন্স এবং স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের মতো কোম্পানিগুলোর শেয়ারে বড় অঙ্কের লেনদেন হয়েছে। বিশেষ করে সিটি জেনারেল ইন্স্যুরেন্সে ১১০ মিলিয়ন টাকার বেশি ব্লক ট্রেড হয়েছে, যা প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণের ইঙ্গিত দেয়।

বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে বাজারে তারল্য প্রবাহ বৃদ্ধি, স্বল্পমেয়াদি বিনিয়োগ প্রবণতা এবং নির্দিষ্ট খাতে আগ্রহ বৃদ্ধির কারণে এই উত্থান দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে মাঝারি ও ক্ষুদ্র মূলধনের শেয়ারগুলোতে ক্রয়চাপ বেশি থাকায় বাজারে দ্রুত ইতিবাচক গতি তৈরি হয়েছে।

তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলছেন, এই উত্থান দীর্ঘমেয়াদে টেকসই হবে কি না তা নির্ভর করবে কোম্পানির মৌলভিত্তি, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং নীতিগত ধারাবাহিকতার ওপর। তাই বিনিয়োগকারীদের উচিত আবেগের পরিবর্তে বিশ্লেষণভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা।

-রাফসান


শেয়ারবাজারে কমেছে ১০ কোম্পানির দর

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০৭ ১৫:১০:৩৩
শেয়ারবাজারে কমেছে ১০ কোম্পানির দর
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মঙ্গলবারের লেনদেনে কিছু শেয়ারে দরপতনের প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে, যেখানে শীর্ষ লুজার তালিকায় উঠে এসেছে ব্যাংক, বিমা এবং আর্থিক খাতের বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান। দিনের শেষে আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক সবচেয়ে বেশি দর হারানো কোম্পানি হিসেবে তালিকার শীর্ষে অবস্থান করে। প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারদর ৫.০৬ শতাংশ কমে ১৫ টাকায় নেমে এসেছে।

এরপরের অবস্থানে রয়েছে পদ্মা লাইফ ইন্স্যুরেন্স, যার শেয়ারদর ৩.৫১ শতাংশ কমে ১৬.৫ টাকায় দাঁড়িয়েছে। একইভাবে উত্তরা ফাইন্যান্স ৩.০৫ শতাংশ হ্রাস পেয়ে ১২.৭ টাকায় লেনদেন শেষ করেছে, যা আর্থিক খাতে দুর্বল প্রবণতার প্রতিফলন।

বিমা খাতের আরেকটি কোম্পানি সানলাইফ ইন্স্যুরেন্সের শেয়ারদর ২.৫৬ শতাংশ কমে ৬০.৯ টাকায় নেমে এসেছে। পাশাপাশি এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজ ২.৫৪ শতাংশ এবং আইএফআইসি শরিয়াহভিত্তিক মিউচ্যুয়াল ফান্ড ২.৫০ শতাংশ দর হারিয়েছে।

উল্লেখযোগ্যভাবে বহুজাতিক কোম্পানি ইউনিলিভার কনজিউমার কেয়ারের শেয়ারদরও ২.৪৮ শতাংশ কমে ২ হাজার ১০৯.৯ টাকায় নেমে এসেছে। বড় মূলধনী এই শেয়ারের পতন বাজারে বিনিয়োগকারীদের মনোভাবেও প্রভাব ফেলেছে।

এ ছাড়া এসিএফএল, ন্যাশনাল ব্যাংক এবং ডিবিএইচ ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ডসহ আরও কয়েকটি শেয়ার ২ শতাংশের বেশি দর হারিয়ে শীর্ষ লুজার তালিকায় স্থান করে নিয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক বাজারে মুনাফা তুলে নেওয়ার প্রবণতা, খাতভিত্তিক সংশোধন এবং বিনিয়োগকারীদের স্বল্পমেয়াদি কৌশলগত অবস্থান পরিবর্তনের কারণে এই দরপতন দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে ব্যাংক ও আর্থিক খাতে চাপ বেশি থাকায় এ খাতের শেয়ারগুলো বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

তবে সামগ্রিকভাবে বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা দেখা না যাওয়ায় এটিকে স্বাভাবিক সংশোধন হিসেবে দেখছেন বাজার বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, দীর্ঘমেয়াদে বিনিয়োগকারীদের উচিত কোম্পানির মৌলভিত্তি ও আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া।

-রাফসান


শেয়ারবাজারে চাঙ্গা দিন, লাভের শীর্ষে ১০ কোম্পানি

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০৭ ১৪:৫৪:৪৫
শেয়ারবাজারে চাঙ্গা দিন, লাভের শীর্ষে ১০ কোম্পানি
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মঙ্গলবারের লেনদেনে শীর্ষ গেইনার তালিকায় উল্লেখযোগ্য উত্থান দেখা গেছে, যেখানে বেশ কয়েকটি কোম্পানি প্রায় ১০ শতাংশ পর্যন্ত মূল্যবৃদ্ধি অর্জন করেছে। দিনের লেনদেন শেষে শীর্ষে উঠে এসেছে লাভেলো আইসক্রিম প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান লাভেলো, যার শেয়ারদর প্রায় ৯.৯৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৭৪.৯ টাকায় পৌঁছেছে।

দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে বিডি অটোমোবাইলস খাতের প্রতিষ্ঠান বিডিএ অটোকার, যার শেয়ার ৯.৯৪ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২০১.৩ টাকায়। একইভাবে এসিএমই পিএলসি প্রায় ৯.৯১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ২৩.৩ টাকায় অবস্থান নিয়েছে, যা বিনিয়োগকারীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।

অটোমোবাইল খাতের আরেকটি প্রতিষ্ঠান রানার অটোও উল্লেখযোগ্য পারফরম্যান্স দেখিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারদর ৯.৮০ শতাংশ বেড়ে ৪০.৩ টাকায় পৌঁছেছে। এছাড়া কেডিএস অ্যাক্সেসরিজ ৯.৩২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৪৬.৯ টাকায় লেনদেন শেষ করেছে।

খাদ্য ও ভোগ্যপণ্য খাতেও ইতিবাচক প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে। বিডি থাই অ্যালুমিনিয়াম এবং বিডি থাই ফুড উভয় প্রতিষ্ঠানই যথাক্রমে ৮.৫৫ শতাংশ এবং ৭.৮৩ শতাংশ হারে মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। এ ছাড়া লেগেসি ফুটওয়্যার ৭.২৫ শতাংশ এবং টেকনোড্রাগ ৬.২৬ শতাংশ বাড়ার মাধ্যমে শীর্ষ তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে নির্দিষ্ট কিছু খাতে বিনিয়োগ প্রবাহ বৃদ্ধি, স্বল্পমেয়াদি ট্রেডিং প্রবণতা এবং বাজারে আস্থার আংশিক পুনরুদ্ধার এই উত্থানের পেছনে ভূমিকা রেখেছে। বিশেষ করে ক্ষুদ্র ও মাঝারি মূলধনের কোম্পানিগুলোর প্রতি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বাড়ায় এ ধরনের দ্রুত মূল্যবৃদ্ধি দেখা যাচ্ছে।

তবে বাজার বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, এই ধরনের দ্রুত উত্থান দীর্ঘমেয়াদে টেকসই না-ও হতে পারে। তাই বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে মৌলভিত্তি, আর্থিক সক্ষমতা এবং বাজার ঝুঁকি বিবেচনা করা জরুরি।

-রাফসান


আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০৬ ১৫:০৫:৫৬
আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ৬ এপ্রিল ২০২৬ তারিখের লেনদেনে একটি মিশ্র প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে, যেখানে টানা দরপতনের ধারার মধ্যে কিছুটা ভারসাম্য ফেরার ইঙ্গিত মিলেছে। দিনের শেষে মোট ৩৮৯টি কোম্পানির মধ্যে ১৪৯টির শেয়ারদর বেড়েছে, বিপরীতে ১৭২টির দর কমেছে এবং ৬৮টি অপরিবর্তিত রয়েছে। এই পরিসংখ্যান বাজারে ধীরে ধীরে স্থিতিশীলতা ফিরে আসার সম্ভাবনা নির্দেশ করে।

এ ক্যাটাগরির শেয়ারগুলোর মধ্যে ইতিবাচক প্রবণতা তুলনামূলকভাবে বেশি ছিল। ২০১টি লেনদেন হওয়া কোম্পানির মধ্যে ৮৭টি বেড়েছে এবং ৭৬টি কমেছে, যা বড় মূলধনী কোম্পানিগুলোর মধ্যে আংশিক আস্থা ফেরার ইঙ্গিত দেয়।

বি ক্যাটাগরিতে ৮১টি শেয়ারের মধ্যে ২৬টি বেড়েছে এবং ৪১টি কমেছে, যা এখনও দুর্বলতার উপস্থিতি থাকলেও কিছুটা ভারসাম্য তৈরি হয়েছে বলে বোঝা যায়। জেড ক্যাটাগরিতে ১০৭টি শেয়ারের মধ্যে ৩৬টি বেড়েছে এবং ৫৫টি কমেছে, যা ঝুঁকিপূর্ণ শেয়ারগুলোর ক্ষেত্রে সীমিত পুনরুদ্ধারের ইঙ্গিত দেয়।

মিউচুয়াল ফান্ড খাতে ইতিবাচক প্রবণতা তুলনামূলকভাবে স্পষ্ট হয়েছে। ৩৪টি ফান্ডের মধ্যে ১৩টির দর বেড়েছে এবং মাত্র ৬টির দর কমেছে। এটি এই খাতে বিনিয়োগকারীদের আস্থা কিছুটা ফিরে আসার প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

লেনদেনের পরিমাণ আগের দিনের তুলনায় কমেছে। মোট লেনদেন মূল্য দাঁড়িয়েছে প্রায় ৪,৭০৭ কোটি টাকায়, যা বাজারে অপেক্ষাকৃত কম সক্রিয়তার ইঙ্গিত দেয়। একই সঙ্গে মোট শেয়ার লেনদেন হয়েছে প্রায় ১৮ কোটি ৮০ লাখের বেশি।

বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬৮ লাখ কোটি টাকার কিছু বেশি, যা সামগ্রিকভাবে স্থিতিশীল থাকলেও বড় ধরনের উত্থান এখনো দেখা যায়নি।

ব্লক ট্রানজেকশনে কিছু নির্দিষ্ট শেয়ারে উল্লেখযোগ্য লেনদেন হয়েছে। বিশেষ করে গ্লোবাল কিউ বলপেন, ডমিনেজ স্টিল এবং স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের শেয়ারে বড় অঙ্কের লেনদেন বাজারে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের সক্রিয়তার ইঙ্গিত দেয়।

বিশ্লেষকদের মতে, বাজারে এই মিশ্র প্রবণতা একটি ট্রানজিশনাল ফেজ নির্দেশ করে, যেখানে টানা পতনের পর বিনিয়োগকারীরা ধীরে ধীরে পুনরায় অবস্থান নিচ্ছেন। তবে স্থায়ী ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা নিশ্চিত করতে বাজারে তারল্য বৃদ্ধি ও আস্থার পুনর্গঠন জরুরি।

-রাফসান


আজকের শেয়ারবাজারে কারা সবচেয়ে বেশি লোকসানে

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০৬ ১৪:৫৮:৫২
আজকের শেয়ারবাজারে কারা সবচেয়ে বেশি লোকসানে
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ৬ এপ্রিল ২০২৬ তারিখের লেনদেনে কিছু শেয়ারে উত্থান দেখা গেলেও, বাজারের একটি বড় অংশে এখনও বিক্রির চাপ অব্যাহত রয়েছে। বিশেষ করে নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠান (এনবিএফআই) খাতের শেয়ারগুলোতে উল্লেখযোগ্য দরপতন বিনিয়োগকারীদের উদ্বেগ বাড়িয়েছে।

আজকের শীর্ষ লুজার তালিকার শীর্ষে রয়েছে প্রাইম ফাইন্যান্স, যার শেয়ারদর প্রায় ৯.৫২ শতাংশ কমে ৩.৮ টাকায় নেমে এসেছে। আর্থিক খাতের এই পতন বিনিয়োগকারীদের ঝুঁকি এড়ানোর প্রবণতা ও আস্থাহীনতার প্রতিফলন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

এরপরের অবস্থানগুলোতেও একই খাতের কোম্পানির আধিপত্য দেখা গেছে। ফারইস্ট ফাইন্যান্স, ফাস ফাইন্যান্স এবং পিপিএল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস—এই তিনটি কোম্পানির শেয়ারদর প্রায় ৮.৭ শতাংশ করে কমেছে। একই প্রবণতা দেখা গেছে জিএসপি ফাইন্যান্স এবং আইএলএফএসএল-এর ক্ষেত্রেও, যেগুলোর দরপতন ৮ শতাংশের আশেপাশে অবস্থান করছে।

এনবিএফআই খাতে ধারাবাহিক এই পতন সাধারণত তারল্য সংকট, ঋণমানের ঝুঁকি এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থার ঘাটতির ইঙ্গিত বহন করে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

এদিকে, প্রিমিয়ার লিজিং কোম্পানির শেয়ারদরও ৮ শতাংশ কমেছে, যা আর্থিক খাতের সার্বিক দুর্বলতাকে আরও স্পষ্ট করে তুলেছে।

শুধু আর্থিক খাত নয়, অন্যান্য খাতেও কিছু চাপ লক্ষ্য করা গেছে। পায়োনিয়ার ইন্স্যুরেন্স, মিরাকল ইন্ডাস্ট্রিজ এবং জাহিন টেক্সটাইলের শেয়ারদর ৪ থেকে ৫ শতাংশ পর্যন্ত কমেছে। এটি নির্দেশ করে যে বাজারের দুর্বলতা নির্দিষ্ট খাতে সীমাবদ্ধ নয়, বরং বিস্তৃত পরিসরে ছড়িয়ে পড়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সেশনগুলোতে যে আংশিক রিকভারি দেখা যাচ্ছে, তার মধ্যেও দুর্বল মৌলভিত্তির শেয়ারগুলোতে বিক্রির চাপ বজায় রয়েছে। বিশেষ করে আর্থিক খাতের কোম্পানিগুলোর ক্ষেত্রে বিনিয়োগকারীরা এখনও সতর্ক অবস্থান নিচ্ছেন।

-রাফসান


আজকের বাজারে কারা এগিয়ে, দেখুন শীর্ষ তালিকা

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০৬ ১৪:৫৩:১৯
আজকের বাজারে কারা এগিয়ে, দেখুন শীর্ষ তালিকা
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ৬ এপ্রিল ২০২৬ তারিখের লেনদেনে সাম্প্রতিক ধারাবাহিক পতনের পর আংশিক ইতিবাচক প্রবণতার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। দিনের লেনদেন শেষে শীর্ষ গেইনার তালিকায় থাকা কোম্পানিগুলোর উল্লেখযোগ্য মূল্যবৃদ্ধি বাজারে স্বল্পমেয়াদি আস্থার পুনরুদ্ধারের সংকেত দিচ্ছে।

আজকের তালিকার শীর্ষে উঠে এসেছে বিডি অটোকার লিমিটেড, যার শেয়ারদর প্রায় ৮.৯২ শতাংশ বেড়ে ১৮৩.১ টাকায় পৌঁছেছে। অটোমোবাইল খাতের এই উত্থান বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বৃদ্ধির প্রতিফলন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা ডমিনেজ স্টিল বিল্ডিং সিস্টেমস লিমিটেডের শেয়ারদর ৭.৩৪ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৮.২ টাকায়। অবকাঠামো ও নির্মাণ সংশ্লিষ্ট খাতে এই ধরনের উত্থান অর্থনৈতিক কার্যক্রমের প্রত্যাশিত গতিশীলতার ইঙ্গিত বহন করে।

মিউচুয়াল ফান্ড খাত থেকেও ইতিবাচক প্রবণতা দেখা গেছে। ট্রাস্ট ব্যাংক ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড প্রায় ৬.৯ শতাংশ বেড়ে ৩.১ টাকায় লেনদেন শেষ করেছে, যা বিনিয়োগকারীদের আংশিক আস্থা ফেরার প্রতিফলন।

টেক্সটাইল ও শিল্প খাতের কোম্পানি অ্যাপেক্স স্পিনিং এবং লাভেলো আইসক্রিমও উল্লেখযোগ্য হারে মূল্যবৃদ্ধি পেয়েছে। অ্যাপেক্স স্পিনিংয়ের শেয়ারদর ৬ শতাংশের বেশি এবং লাভেলোর শেয়ারদর ৫.২৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এটি ভোক্তা পণ্য ও রপ্তানিমুখী খাতে নতুন করে আগ্রহের ইঙ্গিত দেয়।

একই সঙ্গে ফার্মাসিউটিক্যাল ও ব্যাংকিং খাতেও কিছু ইতিবাচক সংকেত দেখা গেছে। টেকনোড্রাগ, এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজ এবং প্রাইম ব্যাংকের শেয়ারদর ৪ শতাংশের বেশি বেড়েছে, যা বহুমুখী খাতজুড়ে সীমিত পুনরুদ্ধারের ইঙ্গিত দেয়।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, এই উত্থান এখনো স্থায়ী ট্রেন্ড নয়, বরং সাম্প্রতিক দরপতনের পর স্বল্পমেয়াদি কারেকশন বা প্রফিট রিকভারি হতে পারে। তবে একাধিক খাতে একযোগে মূল্যবৃদ্ধি বাজারে স্থিতিশীলতার সম্ভাবনা তৈরি করছে।

-রাফসান


 আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০৫ ১৫:৫২:১৪
 আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ৫ এপ্রিল ২০২৬ তারিখের লেনদেনে বাজারজুড়ে তীব্র দরপতন লক্ষ্য করা গেছে, যা সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম বড় নেতিবাচক সেশনের ইঙ্গিত দেয়। দিনের লেনদেন শেষে দেখা যায়, মোট লেনদেন হওয়া ৩৯০টি কোম্পানির মধ্যে মাত্র ২৫টির শেয়ারদর বেড়েছে, বিপরীতে ৩৫৪টির দর কমেছে এবং ১১টি অপরিবর্তিত রয়েছে। এই পরিসংখ্যান বাজারে একতরফা বিক্রির প্রবণতা স্পষ্টভাবে তুলে ধরে।

এ ক্যাটাগরির শেয়ারগুলোর মধ্যেও একই চিত্র দেখা গেছে। ২০৩টি লেনদেন হওয়া কোম্পানির মধ্যে ১৭টি বেড়েছে, বিপরীতে ১৭৮টি কমেছে। যা মূলধনী ও তুলনামূলক স্থিতিশীল কোম্পানিগুলোর ওপরও বিক্রির চাপ তৈরি হয়েছে বলে নির্দেশ করে।

বি ক্যাটাগরিতে ৮০টি শেয়ারের মধ্যে মাত্র ৪টি বেড়েছে, আর ৭৫টি কমেছে। জেড ক্যাটাগরিতে পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক, যেখানে ১০৭টি শেয়ারের মধ্যে ১০১টির দরপতন হয়েছে। এটি দুর্বল মৌলভিত্তির কোম্পানিগুলোর ওপর বাড়তি চাপের প্রতিফলন।

মিউচুয়াল ফান্ড খাতেও নেতিবাচক প্রবণতা স্পষ্ট হয়েছে। ৩৪টি ফান্ডের মধ্যে মাত্র একটি বেড়েছে, বিপরীতে ৩০টির দর কমেছে। বিনিয়োগকারীদের আস্থাহীনতা ও স্বল্পমেয়াদি মুনাফা তোলার প্রবণতা এই পতনের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

লেনদেনের পরিমাণও কিছুটা কমেছে। দিনের মোট লেনদেন মূল্য দাঁড়িয়েছে প্রায় ৫,১১৯ কোটি টাকায়, যা আগের সেশনের তুলনায় কম সক্রিয়তার ইঙ্গিত দেয়। একই সঙ্গে মোট শেয়ার লেনদেন হয়েছে প্রায় ২১ কোটি ৬০ লাখের বেশি।

বাজার মূলধন কমে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬৮ লাখ কোটি টাকার কিছু বেশি, যা বাজারের সামগ্রিক মূল্যমান হ্রাসের প্রতিফলন।

বিশ্লেষকদের মতে, এই ধরনের ব্যাপক দরপতন সাধারণত বিনিয়োগকারীদের আস্থাহীনতা, তারল্য সংকট, প্রফিট বুকিং এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার সম্মিলিত প্রভাবের ফল। বিশেষ করে সাম্প্রতিক বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক অর্থনৈতিক চাপ এবং বিনিয়োগকারীদের ঝুঁকি এড়ানোর প্রবণতা বাজারে বিক্রির চাপ বাড়িয়ে দিয়েছে।

-রাফসান


আজকের শেয়ারবাজারে বেশি লোকসানে যেসব কোম্পানি

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০৫ ১৫:৪৯:৪৮
আজকের শেয়ারবাজারে বেশি লোকসানে যেসব কোম্পানি
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) আজকের লেনদেনে বেশ কিছু কোম্পানির শেয়ারে উল্লেখযোগ্য দরপতন লক্ষ্য করা গেছে, যা বাজারে স্বল্পমেয়াদি নেতিবাচক প্রবণতার ইঙ্গিত দিচ্ছে। ক্লোজিং প্রাইস ও আগের দিনের মূল্যের তুলনায় বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, তালিকার বেশিরভাগ শেয়ারই প্রায় ৯ থেকে ১০ শতাংশ পর্যন্ত মূল্য হারিয়েছে।

আজকের শীর্ষ লুজার তালিকায় রয়েছে নিউলাইন ক্লথিংস, যার শেয়ারদর প্রায় ৯.৮৩ শতাংশ কমে ৫.৫ টাকায় নেমে এসেছে। টেক্সটাইল খাতে এই পতন বিনিয়োগকারীদের আস্থার দুর্বলতার প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা ফ্যামিলি টেক্স ইন্ডাস্ট্রিজের শেয়ারদর ৯.৬৭ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ২.৮ টাকায়। একই খাতের অন্যান্য কোম্পানির মধ্যেও চাপ লক্ষণীয়, যা সামগ্রিকভাবে টেক্সটাইল সেক্টরে দুর্বলতার ইঙ্গিত দেয়।

তৃতীয় অবস্থানে থাকা জিএসপি ফাইন্যান্স কোম্পানির শেয়ারদর ৯.৪৩ শতাংশ কমেছে। আর্থিক খাতের এই দরপতন বাজারে ঝুঁকি-বিমুখ মনোভাবের প্রতিফলন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

এছাড়া মিউচুয়াল ফান্ড খাতেও উল্লেখযোগ্য দরপতন দেখা গেছে। ইবিএল এনআরবি মিউচুয়াল ফান্ড, ট্রাস্ট ব্যাংক ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড, আইএফআইসি ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড এবং পপুলার ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড—সবগুলোতেই প্রায় ৯ শতাংশের বেশি মূল্যহ্রাস হয়েছে। এটি মিউচুয়াল ফান্ড খাতে বিনিয়োগকারীদের আস্থার সাময়িক দুর্বলতা নির্দেশ করে।

ইউনিয়ন ক্যাপিটাল, নুরানি ডাইং এবং তুং হাই নিটিংয়ের মতো কোম্পানিগুলোর শেয়ারদরও উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে, যা ক্ষুদ্র ও মাঝারি মূলধনী শেয়ারের ওপর বিক্রির চাপ বাড়ার ইঙ্গিত দেয়।

বিশ্লেষকদের মতে, এই ধরনের সমন্বিত দরপতন সাধারণত প্রফিট বুকিং, বাজারে তারল্য সংকট কিংবা বিনিয়োগকারীদের স্বল্পমেয়াদি কৌশল পরিবর্তনের ফল হতে পারে। বিশেষ করে মিউচুয়াল ফান্ড খাতে একযোগে পতন বাজারের মনস্তাত্ত্বিক অবস্থাকেও প্রতিফলিত করে।

-রাফসান


আজকের শেয়ারবাজারে এগিয়ে কোন শেয়ারগুলো

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০৫ ১৫:৩৫:১৯
আজকের শেয়ারবাজারে এগিয়ে কোন শেয়ারগুলো
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) আজকের লেনদেনে বেশ কিছু শেয়ারের দামে ইতিবাচক প্রবণতা দেখা গেছে, যেখানে বিভিন্ন খাতের কোম্পানিগুলো গেইনার তালিকায় স্থান করে নিয়েছে। সমাপনী মূল্য ও আগের দিনের মূল্যের তুলনায় বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, বাজারে আংশিক পুনরুদ্ধারের ইঙ্গিত মিলছে।

আজকের লেনদেনে শীর্ষে উঠে এসেছে র‍্যান ফাউন্ড্রি লিমিটেড, যার শেয়ারদর প্রায় ৭.০৩ শতাংশ বেড়ে ১৫৮.৩ টাকায় পৌঁছেছে। এই উত্থান মূলত শিল্প ও প্রকৌশল খাতে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বৃদ্ধির প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ড্যাফোডিল কম্পিউটার্স, যার শেয়ারদর ৫.৭৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৯০ টাকায় দাঁড়িয়েছে। তথ্যপ্রযুক্তি খাতের কোম্পানিগুলোর প্রতি বাজারে আগ্রহ বাড়ছে—এই প্রবণতারই একটি প্রতিফলন এটি।

তৃতীয় অবস্থানে থাকা বিএনআইসিএল (বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি) প্রায় ৪.৫৫ শতাংশ দর বৃদ্ধি পেয়ে বিনিয়োগকারীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। একইভাবে এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজ এবং জনতা ইন্স্যুরেন্সও যথাক্রমে ৪.৫১ ও ৩.৮৯ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে।

খাতভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, বীমা, ওষুধ, প্রকৌশল এবং তথ্যপ্রযুক্তি খাতের কোম্পানিগুলোই আজকের বাজারে এগিয়ে ছিল। কেডিএস অ্যাকসেসরিজ, অ্যাপেক্স ট্যানারি এবং অ্যাপেক্স স্পিনিংয়ের মতো কোম্পানিগুলোর শেয়ারেও স্থিতিশীল উত্থান লক্ষ্য করা গেছে।

এছাড়া ব্যাংকিং খাতেও কিছু ইতিবাচক প্রবণতা দেখা যায়। আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের শেয়ারদর প্রায় ১.৯১ শতাংশ বেড়েছে, যা বাজারে ব্যাংকিং খাতের প্রতি আস্থার ইঙ্গিত দেয়।

ডোরিন পাওয়ার জেনারেশন অ্যান্ড সিস্টেমস লিমিটেডের শেয়ারদরও ১.৮৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে বিদ্যুৎ খাতে বিনিয়োগের আগ্রহের প্রতিফলন তুলে ধরে।

-রাফসান

পাঠকের মতামত: