জ্বালানি তেলের মেগা চালান নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে চীনা ট্যাংকার শিং তং ৭৯৯

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ২৬ ১৭:৪২:৩০
 জ্বালানি তেলের মেগা চালান নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে চীনা ট্যাংকার শিং তং ৭৯৯
ছবি : সংগৃহীত

চীনের পতাকাবাহী বিশাল ট্যাংকার ‘শিং তং ৭৯৯’ ৩৪ হাজার টন জেট ফুয়েল (বিমানের জ্বালানি) নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছেছে। শনিবার (২৫ এপ্রিল ২০২৬) বিকেলে জাহাজটি নোঙর করার পর কুতুবদিয়া সংলগ্ন গভীর সমুদ্রে লাইটার জাহাজের মাধ্যমে তেল খালাস কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ১৮২.৫ মিটার দীর্ঘ এই জাহাজটির ড্রাফট অনেক বেশি হওয়ায় এটি সরাসরি জেটিতে ভিড়তে পারেনি।

জাহাজটির স্থানীয় এজেন্ট প্রাইড শিপিং লাইনস-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক নজরুল ইসলাম জানিয়েছেন, প্রাথমিকভাবে কিছু জ্বালানি খালাস করে জাহাজের ওজন বা ড্রাফট কমিয়ে আনা হচ্ছে। এরপর জাহাজটিকে বন্দরের মূল জেটিতে নিয়ে আসা হবে। এর আগে গত ১৪ এপ্রিলও সিঙ্গাপুর থেকে ১১ হাজার টন জেট ফুয়েল নিয়ে ‘এমটি গ্রেট প্রিন্সেস’ নামের আরেকটি ট্যাংকার চট্টগ্রাম বন্দরে এসেছিল।

জেট ফুয়েলের পাশাপাশি দেশের ডিজেল সরবরাহেও গতি ফিরেছে। শনিবার ভোরে দুবাই থেকে ৩৫ হাজার ৫৫ টন ডিজেল নিয়ে পানামার পতাকাবাহী ট্যাংকার ‘প্রিভে অ্যাঞ্জেল’ সরাসরি বন্দরে ভিড়েছে। এছাড়া শুক্রবার তাইওয়ান থেকে ৩৩ হাজার ৪০০ টন ডিজেল নিয়ে পাকিস্তানের পতাকাবাহী ট্যাংকার ‘এমটি কোয়েটা’ বহির্নোঙরে পৌঁছেছে। চট্টগ্রাম বন্দরে একের পর এক জ্বালানি তেলবাহী জাহাজ আসায় দেশের জ্বালানি সংকট মোকাবিলা ও সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

/আশিক


ইউনূস সরকারের ‘লোকসানের ফরমুলা’? ধুঁকছে বাটা, সিঙ্গার ও ইউনিলিভার

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ২৬ ১২:৪২:০৩
ইউনূস সরকারের ‘লোকসানের ফরমুলা’? ধুঁকছে বাটা, সিঙ্গার ও ইউনিলিভার
ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান শক্তি হিসেবে পরিচিত বহুজাতিক কোম্পানিগুলো এখন এক নজিরবিহীন সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ৩৫ বছর ধরে দাপটের সাথে ব্যবসা করার পর প্রক্টর অ্যান্ড গ্যাম্বল (P&G) হঠাৎ বাংলাদেশ থেকে তাদের ব্যবসা গুটিয়ে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। অন্যদিকে, দেশের জুতা ও স্যান্ডেলের বাজারে একসময় একচেটিয়া রাজত্ব করা বাটা এখন বিশাল অংকের লোকসানের মুখে পড়েছে।

সিঙ্গার এবং লাফার্জের মতো জায়ান্ট কোম্পানিগুলোর অবস্থাও এখন বিপর্যয়ের মুখে। টয়োটা গাড়ি থেকে শুরু করে সাধারণ বাটা স্যান্ডেল—দেশের প্রায় সব বড় কোম্পানি কেন ড. মুহাম্মদ ইউনূসের শাসনকাল চলাকালে একসাথে লোকসানের মুখে পড়ল, তা নিয়ে এখন বড় প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

ড. ইউনূস সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর একের পর এক অর্থনৈতিক পদক্ষেপ নিয়েছেন যা অনেকের কাছে একটি সুপরিকল্পিত মাস্টারপ্ল্যান মনে হয়েছিল। তবে এর ফলাফল কী দাঁড়াচ্ছে তা নিয়ে এখন বিতর্ক তুঙ্গে। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, ড. ইউনূসের এই অর্থনৈতিক পরিকল্পনা কি আসলে এক প্রকার বাধ্যতামূলক লোকসানের ফর্মুলা? সরকারের নেওয়া সংকোচনমূলক মুদ্রানীতির অংশ হিসেবে নতুন করে টাকা না ছাপানো এবং ব্যাংক ঋণের সুদের হার অস্বাভাবিকভাবে বাড়ানো হয়েছে।

২০২৪ সালের প্রথমার্ধে সুদের হার যেখানে মাত্র ৬ থেকে ৭ শতাংশ ছিল, ২০২৫ সালের শেষ দিকে তা ১০ শতাংশ ছাড়িয়ে গেছে। এর ফলে সরাসরি প্রভাব পড়েছে উৎপাদন খাতে। সিঙ্গার বাংলাদেশ তাদের লোকসানের প্রধান কারণ হিসেবে এই ঋণের সুদের হার বৃদ্ধিকেই দায়ী করেছে।

জ্বালানি খাতে সরকারের নেওয়া কিছু সিদ্ধান্তও ব্যবসায়িক বিপর্যয়কে ত্বরান্বিত করেছে। কাতারভিত্তিক এলএনজি কোম্পানি কাতার এনার্জি ট্রেডিংয়ের সঙ্গে ১৫ বছরের সাশ্রয়ী চুক্তি থাকা সত্ত্বেও বর্তমান সরকার পিটার হাসের সংশ্লিষ্টতা থাকা এক্সিলারেট এনার্জি থেকে এলএনজি কেনার সিদ্ধান্ত নেয়। যেখানে কাতার থেকে ৯-১১ ডলারে গ্যাস পাওয়ার কথা ছিল, সেখানে এখন চারগুণ বেশি দামে গ্যাস কিনতে হচ্ছে, যার খেসারত দিচ্ছে শিল্প কারখানাগুলো।

বাটা কোম্পানি জানিয়েছে, ২০২৫ সালের তৃতীয় প্রান্তিকে তাদের সাড়ে ১৪ কোটি টাকা লোকসান হয়েছে। এর পেছনে প্রশাসনিক ও বিপণন খরচ বাড়ার পাশাপাশি ডলারের বিপরীতে টাকার মানের অস্থিরতা কাঁচামালের ব্যয় বাড়িয়ে দিয়েছে। বাটা মনে করছে, সরকারের নীতিগত অস্থিরতা এবং উচ্চ ব্যয় কোম্পানির কাঁধে এক বিশাল বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আশ্চর্যজনক বিষয় হলো, সিঙ্গার বাংলাদেশের বিক্রি চলতি বছরের প্রথম ৬ মাসে ১৫ শতাংশ বাড়লেও দিনশেষে তাদের ৬৬ কোটি টাকা লোকসান গুনতে হয়েছে। অর্থনীতিতে সাধারণত বিক্রি বাড়লে মুনাফা বাড়ে, কিন্তু এখানে উচ্চ পরিবহন ও উৎপাদন খরচের কারণে উল্টো ঘটনা ঘটেছে। ডলারের দাম নিয়ন্ত্রণ করতে না পারা এবং হঠাৎ সুদের হার বাড়ানোই এর মূল কারণ। একইভাবে ইউনিলিভার জানিয়েছে তাদের মুনাফা ১২ শতাংশ কমেছে এবং বিক্রি কমেছে ৮ শতাংশ।

এমনকি ৩০ বছর ধরে ব্যবসা করা প্রক্টর অ্যান্ড গ্যাম্বল বাংলাদেশ ছাড়ার কারণ হিসেবে ক্রমবর্ধমান কর এবং ভোক্তার ক্রয়ক্ষমতা কমে যাওয়াকে দায়ী করেছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, সরকারের বর্তমান নীতি নির্মাণ খাতেও ধস নামিয়েছে, যার ফলে সিমেন্ট ও রডের চাহিদাও তলানিতে ঠেকেছে। যদি এই পরিস্থিতির দ্রুত উন্নতি না হয় এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরি না করা যায়, তবে দেশে বেকারত্ব আরও ভয়াবহ রূপ নেবে।

/আশিক


আজকের মুদ্রার বিনিময় হার: ২৬ এপ্রিল কোন দেশের কত দাম?

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ২৬ ১২:০৪:৫৫
আজকের মুদ্রার বিনিময় হার: ২৬ এপ্রিল কোন দেশের কত দাম?
ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশের সঙ্গে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক যেমন বাড়ছে, তেমনি প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স আমাদের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে বড় ভূমিকা রাখছে। ব্যবসা-বাণিজ্য বা বিদেশ থেকে টাকা পাঠানোর প্রয়োজনে প্রতিদিন অসংখ্য মানুষকে বৈদেশিক মুদ্রার সঠিক বিনিময় হার জানতে হয়। আন্তর্জাতিক বাজারের পরিস্থিতির সঙ্গে সঙ্গতি রেখে আজ রোববার (২৬ এপ্রিল ২০২৬) বিভিন্ন দেশের মুদ্রার বিপরীতে বাংলাদেশি টাকার সর্বশেষ দর প্রকাশ করা হয়েছে।

প্রবাসী ও সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে আজকের মুদ্রার বিনিময় হার নিচে বিস্তারিত তুলে ধরা হলো।

আজ মার্কিন ডলারের বিনিময় হার নির্ধারণ করা হয়েছে ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা।

ইউরোপীয় একক মুদ্রা ইউরোর দাম দাঁড়িয়েছে ১৪৩ টাকা ৬৫ পয়সা এবং ব্রিটিশ পাউন্ডের দর ১৬৫ টাকা ৭২ পয়সা।

প্রতিবেশী দেশ ভারতের ১ রুপির বিপরীতে বাংলাদেশি ১ টাকা ৩০ পয়সা পাওয়া যাচ্ছে।

এছাড়া এশিয়ার অন্যান্য দেশের মধ্যে মালয়েশিয়ান রিঙ্গিতের বিনিময় হার ৩০ টাকা ৯০ পয়সা এবং সিঙ্গাপুরি ডলারের দাম ৯৬ টাকা ১৯ পয়সা।

মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মধ্যে সৌদি রিয়ালের দর আজ ৩২ টাকা ৭১ পয়সা এবং কুয়েতি দিনার ৩৯৮ টাকা ৯৪ পয়সায় লেনদেন হচ্ছে।

অন্যদিকে অস্ট্রেলিয়ান ডলারের বিনিময় হার দাঁড়িয়েছে ৮৭ টাকা ৮৬ পয়সা।

তবে মনে রাখতে হবে, আন্তর্জাতিক বাজারের ওঠানামার কারণে যেকোনো সময় এই বিনিময় হার পরিবর্তিত হতে পারে।

/আশিক


সোনার বাজারে খুশির আমেজ; বাজুসের নতুন মূল্যে বড় ছাড়

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ২৬ ১০:২৩:৪৯
সোনার বাজারে খুশির আমেজ; বাজুসের নতুন মূল্যে বড় ছাড়
ছবি : সংগৃহীত

দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমিয়ে নতুন মূল্য নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। বিশ্ববাজারে দামের অস্থিরতা এবং স্থানীয় বাজারে তেজাবি (বিশুদ্ধ) স্বর্ণের দাম কমে যাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে ভরিতে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংগঠনটি। নতুন এই সিদ্ধান্তের ফলে সবচেয়ে ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম এখন ২ লাখ ৪৬ হাজার ৯২৭ টাকা।

গত বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল ২০২৬) সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হওয়া এই নতুন দাম আজ রবিবারও (২৬ এপ্রিল) বহাল থাকছে। বাজুসের তথ্য অনুযায়ী, শুধু ২২ ক্যারেটই নয়, অন্য মানের স্বর্ণের দামও কমেছে। বর্তমানে প্রতি ভরি ২১ ক্যারেট স্বর্ণ ২ লাখ ৩৫ হাজার ৬৭১ টাকা, ১৮ ক্যারেট ২ লাখ ২ হাজার ২০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণ ১ লাখ ৬৪ হাজার ৫২১ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

স্বর্ণের পাশাপাশি রুপার দামেও বড় ছাড় দেওয়া হয়েছে। ২২ ক্যারেট রুপার দাম ভরিতে ৩৫০ টাকা কমিয়ে ৫ হাজার ৭১৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া মানভেদে ২১ ক্যারেট রুপা ৫ হাজার ৪২৪ টাকা এবং ১৮ ক্যারেট ৪ হাজার ৬৬৬ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে।

উল্লেখ্য যে, চলতি ২০২৬ সালে এখন পর্যন্ত ৫৬ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছে বাজুস, যার মধ্যে ২৪ বার দাম কমানো হয়েছে। গত ১৫ এপ্রিল দাম বাড়লেও এক সপ্তাহের ব্যবধানে এই কমানোর সিদ্ধান্তে সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

/আশিক


বিশ্ববাজারে সোনার দামে অস্থিরতা: ৫ সপ্তাহ পর সাপ্তাহিক দরে বড় পতন

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ২৫ ২১:৩৯:১৯
বিশ্ববাজারে সোনার দামে অস্থিরতা: ৫ সপ্তাহ পর সাপ্তাহিক দরে বড় পতন
ছবি : সংগৃহীত

বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমলেও ঊর্ধ্বমুখী ধারায় রয়েছে স্বর্ণের বাজার। তবে টানা পাঁচ সপ্তাহ দাম বাড়ার পর সাপ্তাহিক হিসাবে এই প্রথম মূল্যবান এই ধাতুটি দরপতনের মুখে পড়েছে। মূলত যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধের অস্থিরতা, বৈশ্বিক অনিশ্চয়তা এবং মুদ্রাস্ফীতি নিয়ে উদ্বেগ বিনিয়োগকারীদের মধ্যে চাপ সৃষ্টি করায় বাজারে এই প্রভাব লক্ষ করা যাচ্ছে।

রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, শুক্রবার আন্তর্জাতিক স্পট মার্কেটে স্বর্ণের দাম ০.৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে প্রতি আউন্স ৪,৭২১.১৫ ডলারে দাঁড়িয়েছে। সেশন চলাকালে দাম ১ শতাংশের বেশি বাড়লেও সপ্তাহজুড়ে সামগ্রিক হিসেবে এখন পর্যন্ত ২ শতাংশের বেশি দরপতন হয়েছে। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের ফিউচার মার্কেটে জুন ডেলিভারির জন্য স্বর্ণের দাম ০.৪ শতাংশ বেড়ে ৪,৭৪০.৯০ ডলারে থিতু হয়েছে।

আন্তর্জাতিক বাজারের এই অস্থিরতার মধ্যেই দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। গত বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল ২০২৬) থেকে কার্যকর হওয়া নতুন দাম অনুযায়ী, সবচেয়ে ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ভরিতে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমানো হয়েছে। বর্তমানে প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৪৬ হাজার ৯২৭ টাকা। স্বর্ণের পাশাপাশি রুপার দামও কমেছে; ২২ ক্যারেট রুপার দাম ভরিতে ৩৫০ টাকা কমিয়ে ৫,৭১৫ টাকা করা হয়েছে।

/আশিক


টাকার মান কি বাড়ল না কমল? দেখে নিন আজকের সর্বশেষ মুদ্রার রেট

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ২৫ ১৩:০৫:৪৯
টাকার মান কি বাড়ল না কমল? দেখে নিন আজকের সর্বশেষ মুদ্রার রেট
ছবি : সংগৃহীত

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্য ও প্রবাসী আয়ের পরিধি প্রতিনিয়ত বাড়ছে।

এই অর্থনৈতিক লেনদেন সচল রাখতে মুদ্রার বিনিময় হার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আজ শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে বিভিন্ন দেশের মুদ্রার বিপরীতে বাংলাদেশি টাকার নতুন বিনিময় হার নির্ধারিত হয়েছে।

লেনদেনের সুবিধার জন্য প্রবাসীদের এবং ব্যবসায়ীদের এই আপডেট জেনে রাখা জরুরি।

আজকের বাজার দর অনুযায়ী, এক মার্কিন ডলারের বিপরীতে বাংলাদেশি ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা পাওয়া যাচ্ছে।

ইউরোপীয় মুদ্রা ইউরোর দাম দাঁড়িয়েছে ১৪২ টাকা ২৪ পয়সায় এবং ব্রিটিশ পাউন্ডের মান আজ ১৬৩ টাকা ৩০ পয়সা।

প্রবাসী ভাইদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কুয়েতি দিনারের দাম আজ ৩৯৫ টাকা ৭৭ পয়সা এবং সৌদি রিয়ালের মান ৩২ টাকা ৬১ পয়সা নির্ধারিত হয়েছে।

মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত আজ ৩০ টাকা ৩৮ পয়সায় লেনদেন হচ্ছে।

এছাড়া সিঙ্গাপুরি ডলারের বিনিময় হার আজ ৯৫ টাকা ৬১ পয়সা এবং অস্ট্রেলিয়ান ডলার ৮৫ টাকা ০১ পয়সা।

প্রতিবেশী দেশ ভারতের রুপির বিপরীতে বাংলাদেশি টাকার মান আজ ১ টাকা ৩১ পয়সা।

মুদ্রার এই বিনিময় হার যেকোনো সময় পরিবর্তন হতে পারে, তাই বড় লেনদেনের আগে ব্যাংকের সর্বশেষ রেট যাচাই করে নেওয়া ভালো।

(সূত্র: গুগল)

*যে কোনো সময় মুদ্রার বিনিময় হার পরিবর্তন হতে পারে।


স্বর্ণের দামে বড় ধস! এক ধাক্কায় অনেকটা কমল স্বর্ণ ও রুপার দাম 

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ২৫ ১১:২৮:১৩
স্বর্ণের দামে বড় ধস! এক ধাক্কায় অনেকটা কমল স্বর্ণ ও রুপার দাম 
ছবি : সংগৃহীত

দেশের বাজারে স্বর্ণ ও রুপার দামে বড় দরপতনের খবর দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম কমার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে স্থানীয় বাজারেও এই দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নতুন এই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেট প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৪৬ হাজার ৯২৭ টাকা। গত বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল ২০২৬) সকাল ১০টা থেকেই সারা দেশে এই নতুন দাম কার্যকর করা হয়েছে।

স্বর্ণের পাশাপাশি রুপার দামও সাধারণ ক্রেতাদের নাগালে আনতে উল্লেখযোগ্য হারে কমানো হয়েছে। ২২ ক্যারেট প্রতি ভরি রুপার দাম ৩৫০ টাকা কমিয়ে নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৫,৭১৫ টাকা। বাজুস জানিয়েছে, বিশ্ববাজারের অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে গত কয়েক দিন স্বর্ণের দাম যে উচ্চপর্যায়ে ছিল, তা কিছুটা থিতু হওয়ায় দেশের বাজারেও এই সমন্বয় করা সম্ভব হয়েছে।

এর ফলে বিয়ের মৌসুমের এই সময়ে সাধারণ ক্রেতা ও গয়না ব্যবসায়ীদের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি ফিরবে বলে আশা করা হচ্ছে।

/আশিক


দক্ষিণ এশিয়া ও আসিয়ান অঞ্চলে জ্বালানি তেলের দাম: বাংলাদেশের অবস্থান কোথায়?

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ২৪ ১৭:২৬:১৪
দক্ষিণ এশিয়া ও আসিয়ান অঞ্চলে জ্বালানি তেলের দাম: বাংলাদেশের অবস্থান কোথায়?

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান অস্থিরতা এবং হরমুজ প্রণালি ঘিরে উত্তেজনার সরাসরি প্রভাব এখন বিশ্বজুড়ে জ্বালানি বাজারে পড়তে শুরু করেছে। আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম বৃদ্ধি, ডলার সংকট, পরিবহন ব্যয় এবং বীমা খরচ বেড়ে যাওয়ায় দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোকে জ্বালানি মূল্য সমন্বয় করতে হচ্ছে। এই বাস্তবতায় বাংলাদেশ-ও অভ্যন্তরীণ বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বাড়িয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশে অকটেনের দাম লিটারপ্রতি ১৪০ টাকা, পেট্রোল ১৩৫ টাকা, ডিজেল ১১৫ টাকা এবং কেরোসিন ১৩০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে সার্ক ও আসিয়ানভুক্ত দেশগুলোর সঙ্গে তুলনা করলে দেখা যায়, বাংলাদেশ এখন মাঝামাঝি অবস্থানে থাকলেও কিছু দেশে জ্বালানি মূল্য আরও বেশি, আবার কিছু দেশে সরকারি ভর্তুকির কারণে অনেক কম।

সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে ভারত ও নেপাল-এ কর কাঠামো ও অভ্যন্তরীণ শুল্ক বেশি হওয়ায় জ্বালানির দাম তুলনামূলকভাবে উচ্চ। ভারতে অকটেনের দাম বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ১৫৫ থেকে ১৬০ টাকা, পেট্রোল ১৪৫ থেকে ১৫০ টাকা এবং ডিজেল ১৩৫ থেকে ১৪০ টাকার মধ্যে রয়েছে। তবে ভারতের কেরোসিন এখনো ভর্তুকিপ্রাপ্ত হওয়ায় এর দাম বাংলাদেশের তুলনায় কম, প্রায় ৯২ থেকে ৯৫ টাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ। অন্যদিকে নেপালে জ্বালানির দাম পুরো অঞ্চলের মধ্যে অন্যতম বেশি। সেখানে অকটেনের দাম ১৮৫ থেকে ১৯৫ টাকা, পেট্রোল ১৮০ থেকে ১৮৫ টাকা, ডিজেল ১৭০ থেকে ১৭৫ টাকা এবং কেরোসিন ১৬০ থেকে ১৬৫ টাকার মধ্যে রয়েছে।

শ্রীলঙ্কা-তেও অর্থনৈতিক সংকটের দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব এখনো পুরোপুরি কাটেনি। ফলে সেখানে অকটেনের দাম ১৭৫ থেকে ১৮০ টাকা, পেট্রোল ১৬৫ থেকে ১৭০ টাকা এবং ডিজেল ১৫০ থেকে ১৫৫ টাকার মধ্যে রয়েছে। অন্যদিকে পাকিস্তান তুলনামূলকভাবে বাজার স্থিতিশীল রাখার চেষ্টা করছে। সেখানে অকটেনের দাম ১৩৫ থেকে ১৩৮ টাকা, পেট্রোল ১২৫ থেকে ১৩০ টাকা, ডিজেল ১১৫ থেকে ১২০ টাকা এবং কেরোসিন ১২০ থেকে ১২৫ টাকার মধ্যে রয়েছে। অর্থাৎ ডিজেলের ক্ষেত্রে পাকিস্তানের বাজারমূল্য বর্তমানে বাংলাদেশের প্রায় কাছাকাছি অবস্থানে রয়েছে।

আসিয়ানভুক্ত দেশগুলোর চিত্র আরও বৈচিত্র্যময়। যেসব দেশের নিজস্ব তেলক্ষেত্র ও শোধনাগার রয়েছে, তারা এখনো তুলনামূলকভাবে কম দামে জ্বালানি সরবরাহ করতে পারছে। এর সবচেয়ে বড় উদাহরণ মালয়েশিয়া। দেশটিতে সরকারি ভর্তুকির কারণে অকটেনের দাম মাত্র ৮২ টাকা, পেট্রোল ৬৫ টাকা এবং ডিজেলের দাম ৭৪ টাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ, যা পুরো এশিয়ার মধ্যে অন্যতম সর্বনিম্ন। ইন্দোনেশিয়া-তেও সরকারি নিয়ন্ত্রণের কারণে জ্বালানির দাম তুলনামূলকভাবে সহনীয় পর্যায়ে রয়েছে। সেখানে অকটেনের দাম প্রায় ১১৮ টাকা, পেট্রোল ১০৫ টাকা এবং ডিজেল ১১২ টাকা।

অন্যদিকে ভিয়েতনাম-এ জ্বালানি মূল্য বাংলাদেশের কাছাকাছি অবস্থানে রয়েছে। দেশটিতে অকটেনের দাম প্রায় ১৩৮ টাকা, পেট্রোল ১২৮ টাকা এবং ডিজেল ১১৮ টাকার মধ্যে রয়েছে। তবে থাইল্যান্ড ও সিঙ্গাপুর-এর মতো আমদানিনির্ভর এবং উচ্চ কর কাঠামোর দেশগুলোতে জ্বালানির মূল্য অনেক বেশি। থাইল্যান্ডে অকটেনের দাম প্রায় ১৯৫ টাকা, পেট্রোল ১৮৫ টাকা এবং ডিজেল ১৪৮ টাকা। আর সিঙ্গাপুরে অকটেনের দাম ৩১০ টাকা, পেট্রোল ২৮০ টাকা এবং ডিজেল ২৪৫ টাকার কাছাকাছি পৌঁছেছে, যা পুরো অঞ্চলের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ের একটি।

বিশ্লেষকদের মতে, এই তুলনামূলক চিত্র থেকে স্পষ্ট হয় যে বাংলাদেশের জ্বালানি বাজার এখন এক জটিল বাস্তবতার মুখোমুখি। একদিকে আন্তর্জাতিক বাজারের ওপর উচ্চ নির্ভরতা, অন্যদিকে অভ্যন্তরীণ ভর্তুকি সীমিত হয়ে আসায় ভবিষ্যতে জ্বালানির দাম আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। বিশেষ করে ডিজেল ও কেরোসিনের মূল্যবৃদ্ধি পরিবহন, কৃষি, শিল্প এবং নিত্যপণ্যের বাজারে সরাসরি প্রভাব ফেলতে পারে। ফলে জ্বালানি নিরাপত্তা এখন শুধু অর্থনৈতিক বিষয় নয়; বরং এটি বাংলাদেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, সামাজিক নিরাপত্তা এবং কৌশলগত পরিকল্পনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে পরিণত হয়েছে।


রেকর্ড পতন স্বর্ণের দামে, বাজুসের নতুন ঘোষণা

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ২৪ ১০:৩২:০২
রেকর্ড পতন স্বর্ণের দামে, বাজুসের নতুন ঘোষণা
ছবি: সংগৃহীত

দেশের স্বর্ণবাজারে আবারও দামের বড় সমন্বয় করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দর নিম্নমুখী হওয়া এবং স্থানীয় পর্যায়ে তেজাবি বা বিশুদ্ধ স্বর্ণের মূল্য কমে যাওয়ায় দেশের বাজারেও স্বর্ণের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম সর্বোচ্চ ৩ হাজার ২৬৬ টাকা পর্যন্ত কমেছে।

বাজুস জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সকাল ১০টা থেকে নতুন মূল্য কার্যকর হয়েছে। সংশোধিত দামে এখন ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ৪৬ হাজার ৯২৭ টাকায়, যা আগের দামের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম।

নতুন মূল্যতালিকা অনুযায়ী, ২১ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩৫ হাজার ৬৭১ টাকা। এছাড়া ১৮ ক্যারেটের দাম রাখা হয়েছে ২ লাখ ২ হাজার ২০ টাকা। অন্যদিকে সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ১ লাখ ৬৪ হাজার ৫২১ টাকায়।

শুধু স্বর্ণ নয়, রুপার বাজারেও দাম কমিয়েছে বাজুস। প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট রুপার দাম ৩৫০ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ হাজার ৭১৫ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেট রুপা বিক্রি হচ্ছে ৫ হাজার ৪২৪ টাকায় এবং ১৮ ক্যারেট রুপার নতুন মূল্য ৪ হাজার ৬৬৬ টাকা। সনাতন পদ্ধতির রুপার ভরি বিক্রি হচ্ছে ৩ হাজার ৪৯৯ টাকায়।

বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে সাম্প্রতিক সময়ে স্বর্ণের দামে ওঠানামা এবং ডলারের বিনিময় হারের পরিবর্তনের প্রভাব সরাসরি দেশের বাজারেও পড়ছে। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্য ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা কমে আসায় নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে স্বর্ণের ওপর চাপ কিছুটা হ্রাস পেয়েছে। এর ফলেই বিশ্ববাজারে দর কিছুটা নেমে এসেছে।

বাজুসের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে এখন পর্যন্ত ৫৬ বার স্বর্ণের দাম পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩২ বার দাম বাড়ানো হয়েছে এবং ২৪ বার কমানো হয়েছে। একই সময়ে রুপার দামও ৩৫ বার সমন্বয় করা হয়েছে, যা দেশের মূল্যবান ধাতুর বাজারে অস্বাভাবিক অস্থিরতার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

গত ১৫ এপ্রিল স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছিল। তবে মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে আবারও দাম কমানোর ঘোষণায় সাধারণ ক্রেতা ও স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের মধ্যে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, সামনে বিয়ে ও উৎসব মৌসুমকে কেন্দ্র করে বাজারে স্বর্ণের চাহিদা বাড়লেও দাম কিছুটা সহনীয় পর্যায়ে আসায় ক্রেতাদের আগ্রহ বাড়তে পারে।

-রাফসান


ডলারের দাপটে কোণঠাসা স্বর্ণ! বিশ্ববাজারে কেন কমছে দামী এই ধাতুর দাম?

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ২৩ ১৭:৪৬:০৭
ডলারের দাপটে কোণঠাসা স্বর্ণ! বিশ্ববাজারে কেন কমছে দামী এই ধাতুর দাম?
ছবি : সংগৃহীত

বৈশ্বিক বাজারে স্বর্ণের দামে বড় ধরনের দরপতন লক্ষ্য করা গেছে। শক্তিশালী মার্কিন ডলারের অবস্থান এবং জ্বালানি তেলের উচ্চমূল্য আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের এই দরপতনের পেছনে প্রধান কারণ হিসেবে কাজ করছে। একইসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার কূটনৈতিক আলোচনা স্থবির হয়ে পড়ায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে তৈরি হওয়া অনিশ্চয়তা স্বর্ণের বাজারকে আরও নিম্নমুখী করে তুলেছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল ২০২৬) আন্তর্জাতিক বাজারে স্পট গোল্ডের দাম ০.৮ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪,৬৯৯.৮৫ ডলারে নেমে এসেছে। পাশাপাশি জুন ডেলিভারির জন্য মার্কিন স্বর্ণ ফিউচারের দামও সমপরিমাণ অর্থাৎ ০.৮ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৪,৭১৬.২০ ডলারে। বাজার বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন, বিশ্ববাজারে তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ১০০ ডলারের কাছাকাছি থাকায় মুদ্রাস্ফীতির ঝুঁকি বেড়েছে। এর ফলে সুদের হার দীর্ঘ সময় উচ্চ পর্যায়ে থাকতে পারে—এমন ধারণা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে জোরালো হচ্ছে।

স্বাভাবিকভাবেই সুদের হার বেশি থাকলে স্বর্ণের মতো সুদবিহীন সম্পদের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ কমে যায়। এছাড়া শক্তিশালী ডলারের কারণে বিশ্বের অন্যান্য মুদ্রার ক্রেতাদের জন্য স্বর্ণ কেনা এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি ব্যয়বহুল হয়ে পড়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীল পরিস্থিতি এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনার পরবর্তী অগ্রগতির ওপরই নির্ভর করছে আগামী দিনগুলোতে স্বর্ণের বাজার কোন দিকে মোড় নেবে।

সূত্র: খবর রয়টার্স

পাঠকের মতামত: