রূপপুরে ফুয়েল লোডিং শুরু: পারমাণবিক যুগে বাংলাদেশ

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ২৩ ১২:৩৯:২৭
রূপপুরে ফুয়েল লোডিং শুরু: পারমাণবিক যুগে বাংলাদেশ
ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশের জ্বালানি খাতের ইতিহাসে এক সোনালী অধ্যায়ের সূচনা হতে যাচ্ছে। পাবনার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে ‘ফুয়েল লোডিং’ বা পারমাণবিক জ্বালানি স্থাপনের জন্য ‘কমিশনিং লাইসেন্স’ প্রদান করেছে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ। এর মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদনের চূড়ান্ত ধাপে প্রবেশ করল দেশের সবচেয়ে ব্যয়বহুল এই মেগা প্রকল্পটি। সরকারের লক্ষ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের শেষ নাগাদ রূপপুর থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম জানিয়েছেন, চলতি মাসের শেষদিকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রথম ইউনিটের ফুয়েল লোডিং কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন। এই ঐতিহাসিক অনুষ্ঠানে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ভার্চুয়ালি যোগ দিতে পারেন। পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে ফুয়েল লোডিং একটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর প্রক্রিয়া।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিউক্লিয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক মো. শফিকুল ইসলাম জানান, চুল্লিতে ইউরেনিয়াম স্থাপন করতে প্রায় ৪০ থেকে ৪৫ দিন সময় লাগতে পারে। তবে জ্বালানি স্থাপন মানেই বাণিজ্যিক উৎপাদন নয়; এর পর কয়েক ধাপে নিরাপত্তা পরীক্ষা ও ‘পাইলট অপারেশন’ চালানো হবে। বাণিজ্যিকভাবে পূর্ণাঙ্গ উৎপাদনে যেতে আরও ৬ মাস থেকে এক বছর সময় লাগতে পারে। একবার বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু হলে প্ল্যান্টটি টানা ১৮ মাস নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ করবে।

রূপপুরের বিদ্যুৎ সঞ্চালন নিয়ে দীর্ঘদিন উদ্বেগ থাকলেও পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ (পিজিসিবি) ইতিবাচক খবর দিয়েছে। পিজিসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুর রশিদ খান জানান, প্রথম ইউনিটের জন্য প্রয়োজনীয় সঞ্চালন লাইনের কাজ গত মে মাসেই সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে রূপপুর-বাঘাবাড়ি, রূপপুর-বগুড়া ও রূপপুর-গোপালগঞ্জ লাইনের মাধ্যমে প্রথম ইউনিটের বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে পৌঁছানো সম্ভব। দ্বিতীয় ইউনিটের কাজও ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

রাশিয়ার কারিগরি ও আর্থিক সহায়তায় প্রায় ১ লাখ ১৩ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই প্রকল্প ‘নিউক্লিয়ার ফিশন’ প্রক্রিয়ায় বিদ্যুৎ উৎপন্ন করবে। জ্বালানি সংকটের এই সময়ে রূপপুর কেন্দ্রটি চালু হলে তা দেশের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণে বৈপ্লবিক ভূমিকা রাখবে। তবে উৎপাদনের পাশাপাশি বিদ্যুতের দাম নির্ধারণ এবং দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই এখন সরকারের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ।

তথ্যসূত্র : বিবিসি বাংলা


আসছে শ্বেতপত্র! আওয়ামী লীগ আমলের দুর্নীতির স্বরূপ উন্মোচন করবেন প্রধানমন্ত্রী

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ২২ ২১:১৮:২০
আসছে শ্বেতপত্র! আওয়ামী লীগ আমলের দুর্নীতির স্বরূপ উন্মোচন করবেন প্রধানমন্ত্রী
ছবি : সংগৃহীত

বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দেশ থেকে পাচার হওয়া বিপুল অর্থ পুনরুদ্ধার এবং দুর্নীতির প্রকৃত চিত্র জনসমক্ষে আনতে একটি পূর্ণাঙ্গ ‘শ্বেতপত্র’ প্রকাশের ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (২২ এপ্রিল ২০২৬) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এই কঠোর অবস্থানের কথা জানান। প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেন যে, বিদেশে পাচার হওয়া সম্পদ ফিরিয়ে আনা এবং এই প্রক্রিয়ায় জড়িতদের বিচারের মুখোমুখি করা বর্তমান সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।

সংসদে দেওয়া তথ্যানুযায়ী, অর্থ পাচারের গন্তব্য হিসেবে প্রাথমিকভাবে ১০টি দেশকে চিহ্নিত করা হয়েছে। এই তালিকায় রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, সুইজারল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, থাইল্যান্ড, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া ও হংকং-চায়না।

প্রধানমন্ত্রী জানান যে ইতিমধ্যে মালয়েশিয়া, হংকং ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় চুক্তি স্বাক্ষরের সম্মতি পাওয়া গেছে এবং বাকি দেশগুলোর সঙ্গে প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। পাচার হওয়া অর্থ উদ্ধারে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের নেতৃত্বে একটি আন্তঃসংস্থা টাস্কফোর্স বর্তমানে নিরলসভাবে কাজ করছে।

প্রধানমন্ত্রী সংসদে ১১টি অতি-গুরুত্বপূর্ণ মামলার তালিকা তুলে ধরেন, যা সরকারের আইনি প্রক্রিয়ার মূল কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। এই তালিকায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তাঁর পরিবারের পাশাপাশি দেশের বড় বড় বেশ কিছু শিল্প গ্রুপের নাম উঠে এসেছে।

তালিকায় রয়েছেন সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী, এস আলম গ্রুপ, বেক্সিমকো গ্রুপ, সিকদার গ্রুপ, বসুন্ধরা গ্রুপ, নাসা গ্রুপ, ওরিয়ন গ্রুপ, নাবিল গ্রুপ, এইচ বি এম ইকবাল ও তাঁর পরিবার এবং সামিট গ্রুপ। এসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের পাচার করা অর্থ যে কোনো মূল্যে উদ্ধারে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ বলে তিনি উল্লেখ করেন।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটির বরাতে প্রধানমন্ত্রী জানান যে ২০০৯ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে বাংলাদেশ থেকে আনুমানিক ২৩৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার পাচার হয়েছে। এটি বাংলাদেশি মুদ্রায় বছরে গড়ে প্রায় ১ দশমিক ৮ লাখ কোটি টাকার সমান।

পাচার করা এই বিশাল অর্থ বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে থাকায় তা উদ্ধারে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে নিবিড়ভাবে তথ্য বিনিময় এবং পারস্পরিক আইনগত সহায়তা চুক্তি সম্পাদনের কাজ চলছে। দুর্নীতি ও অর্থ পাচারের বিরুদ্ধে সরকারের এই অবস্থান সংসদ সদস্যদের মধ্যে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।

/আশিক


পুরো সংসদ একমত, ডিলারদের সরানো হবেই: সংসদে তারেক রহমানের কড়া বার্তা

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ২২ ১৯:৪৯:২৩
পুরো সংসদ একমত, ডিলারদের সরানো হবেই: সংসদে তারেক রহমানের কড়া বার্তা
ছবি : সংগৃহীত

ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে নিয়োগকৃত ডিলারদের সিন্ডিকেট ভাঙতে বড় ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (২২ এপ্রিল ২০২৬) বিকেলে জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্ব শেষে চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনির এক প্রস্তাবের জবাবে তিনি জানান, বিতর্কিত এসব ডিলারদের বাদ দেওয়ার বিষয়ে সরকার খুব দ্রুতই কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

সংসদ অধিবেশনে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি অভিযোগ করেন যে, বর্তমানে রেশনিং ও সার বিতরণের দায়িত্বে থাকা ডিলাররা সাধারণ মানুষকে চরম হয়রানি করছেন। এই ডিলাররা পরিকল্পিতভাবে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে কৃষকদের ভোগান্তি বাড়াচ্ছেন।

কৃষকরা যাতে ন্যায্যমূল্যে সার পায় এবং ফ্যাসিস্টরা যাতে বাজার ব্যবস্থা থেকে বিতাড়িত হয়, সেজন্য পুরাতন ডিলার নিয়োগ বাতিল করে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় নতুন ডিলার নিয়োগ দেওয়া জরুরি বলে তিনি প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

চিফ হুইপের এই বক্তব্যের সময় উপস্থিত সংসদ সদস্যরা টেবিল চাপড়ে সেটিকে জোরালোভাবে সমর্থন জানান। সংসদ সদস্যদের এমন স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিক্রিয়া দেখে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের অনুমতি নিয়ে ফ্লোর নেন সংসদ নেতা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

তিনি বলেন, চিফ হুইপ যখন বক্তব্যটি উপস্থাপন করছিলেন, তখন আমি খেয়াল করেছি যে পুরো সংসদ বিষয়টিকে স্বাগত জানিয়েছে। যেহেতু এ বিষয়ে সংসদের সকল সদস্যের ঐক্যমত ও সম্মতি রয়েছে, তাই সরকার এই ডিলারদের বাদ দিয়ে নতুন নিয়োগের বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেবে। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে এই অধিবেশনটি অনুষ্ঠিত হয়।

/আশিক


ট্যাক্স ফ্রি গাড়ি ও প্লট চাই না! সংসদে কুমিল্লা-৪ এর এমপির নজিরবিহীন প্রস্তাব

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ২২ ১৯:০১:২১
ট্যাক্স ফ্রি গাড়ি ও প্লট চাই না! সংসদে কুমিল্লা-৪ এর এমপির নজিরবিহীন প্রস্তাব
ছবি : সংগৃহীত

ট্যাক্স ফ্রি গাড়ি বা প্লট নেওয়ার বিলাসিতা ছেড়ে দিয়ে এক অনন্য ও ব্যতিক্রমী প্রস্তাব তুলে ধরেছেন কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। বুধবার (২২ এপ্রিল ২০২৬) জাতীয় সংসদ অধিবেশনের ১৯তম দিনে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে তিনি সংসদ সদস্যদের জন্য ব্যক্তিগত মালিকানাধীন গাড়ির পরিবর্তে সরকারি মালিকানাধীন গাড়ি ব্যবহারের এই প্রস্তাব দেন।

হাসনাত আবদুল্লাহ স্পষ্ট করে বলেন যে দেশের সংসদ সদস্যরা এখন আর ট্যাক্স ফ্রি গাড়ি বা প্লটের মতো বিশেষ সুবিধা নিতে চান না এবং এ বিষয়ে তারা সবাই একটি ঐক্যমতে পৌঁছেছেন। তার মতে সংসদ সদস্যরা জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালনের সুবিধার্থে নির্দিষ্ট সরকারি গাড়ি ব্যবহার করতে পারেন যা হবে সম্পূর্ণ সরকারি মালিকানাধীন।

সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ তাঁর যুক্তিতে বলেন যে বর্তমানে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, উপজেলা চেয়ারম্যান, পৌর মেয়র এবং জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তারা যেভাবে দাপ্তরিক কাজে সরকারি গাড়ি ব্যবহার করেন একইভাবে সংসদ সদস্যদের জন্যও এই সুযোগ তৈরি করা উচিত।

প্রস্তাব অনুযায়ী একজন সংসদ সদস্য যতদিন ক্ষমতায় বা দায়িত্বে থাকবেন ততদিনই তিনি ওই সরকারি গাড়িটি ব্যবহার করার সুযোগ পাবেন এবং দায়িত্ব শেষ হওয়ার সাথে সাথে গাড়িটি সরকারি দপ্তরে বুঝিয়ে দেবেন। হাসনাত আবদুল্লাহ দাবি করেন যে এই ব্যবস্থা চালু করলে সরকারের অতিরিক্ত কোনো ব্যয়ের প্রয়োজন হবে না বরং এটি হবে একটি সুশৃঙ্খল পদ্ধতি।

তিনি আরও উল্লেখ করেন যে বর্তমানে সংসদ সদস্যদের নিজস্ব কোনো সরকারি গাড়ি না থাকলেও তাদের ব্যক্তিগত গাড়ি রক্ষণাবেক্ষণের জন্য প্রতি মাসে সরকার থেকে প্রায় ৭০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। অথচ নির্দিষ্ট সরকারি গাড়ি থাকলে এই অর্থ সাশ্রয় হতে পারে এবং জনসেবার কাজেও অধিক গতিশীলতা আসবে।

বিলাসিতা ত্যাগ করে সরকারি সম্পদে দায়িত্ব পালনের এই প্রস্তাবটি সংসদে উত্থাপনের পর সাধারণ মানুষের মধ্যেও ইতিবাচক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন যদি এই প্রস্তাব বাস্তবায়ন হয় তবে তা বাংলাদেশের সংসদীয় ইতিহাসে এক নতুন ও অনুকরণীয় নজির স্থাপন করবে।

/আশিক


তরুণদের জন্য সুখবর! এআই ও পেপ্যাল নিয়ে সরকারের যুগান্তকারী পদক্ষেপ

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ২২ ১৮:৫১:৫১
তরুণদের জন্য সুখবর! এআই ও পেপ্যাল নিয়ে সরকারের যুগান্তকারী পদক্ষেপ
ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশে ফ্রিল্যান্সার ও তরুণ প্রজন্মের দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্ন পূরণের পথে বড় এক ধাপ এগিয়েছে সরকার। দেশে আন্তর্জাতিক পেমেন্ট গেটওয়ে ‘পেপ্যাল’ (PayPal) চালুর লক্ষ্যে সরকার অত্যন্ত কার্যকর এবং জোরালো উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। বুধবার (২২ এপ্রিল ২০২৬) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই যুগান্তকারী তথ্য নিশ্চিত করেন।

প্রধানমন্ত্রী জানান যে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সম্প্রসারণের মাধ্যমে দেশে ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টির মহাপরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে আগামী ৫ বছরে ২ লাখ ফ্রিল্যান্সারকে স্মার্ট আইডি কার্ড প্রদান করা হবে এবং কয়েক হাজার তরুণকে প্রশিক্ষিত করে গড়ে তোলা হবে। ইতোমধ্যে ৭ হাজার ৫০০ জন ফ্রিল্যান্সারকে আইডি কার্ড প্রদান করা হয়েছে এবং এই প্রক্রিয়া বর্তমানে চলমান রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন যে নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের লক্ষে হাই-টেক ও সফটওয়্যার পার্কগুলোকে কার্যকরভাবে পরিচালনা করা হচ্ছে। বাংলাদেশে পেপ্যালের কার্যক্রম দ্রুত শুরু করার জন্য একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে যা বর্তমানে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। এছাড়া ২০২৬ সালের মধ্যে ২ হাজার ৪০০ জনকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), মেশিন লার্নিং (ML) এবং ভার্চুয়াল রিয়েলিটির মতো অত্যাধুনিক প্রযুক্তিতে বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান ত্বরান্বিত করতে বর্তমানে ৮৩টি সেবা অনলাইনে প্রদান করা হচ্ছে এবং আগামী এক বছরে আরও ১০টি নতুন ডিজিটাল সেবা যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

প্রযুক্তির এই আধুনিকায়নে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলও বড় ভূমিকা রাখছে। আগামী ৫ বছরে প্রায় ৫ হাজার ২০ জন চাকরিপ্রার্থী ও শিক্ষার্থীকে এআই, সাইবার সিকিউরিটি এবং ডাটা অ্যানালাইটিক্স বিষয়ে স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদী প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন জনগোষ্ঠী এবং নারী উদ্যোক্তাদের স্বাবলম্বী করতেও নেওয়া হয়েছে বিশেষ প্রকল্প।

এর আওতায় ৭০০ জন বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিকে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ এবং ৭০০ জন নারীকে আইসিটি ফ্রন্টিয়ার ইনিশিয়েটিভের মাধ্যমে প্রশিক্ষিত করে চাকরির ক্ষেত্র তৈরি করা হচ্ছে। বর্তমানে ১৫টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩০০ জন শিক্ষার্থীর উচ্চতর আইটি প্রশিক্ষণ চলমান রয়েছে বলে প্রধানমন্ত্রী সংসদকে অবহিত করেন।

/আশিক


ধান-চালের নতুন দাম ঘোষণা সরকারের

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ২২ ১৪:২২:৩৯
ধান-চালের নতুন দাম ঘোষণা সরকারের
ছবি: সংগৃহীত

চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বোরো মৌসুমে কৃষকদের কাছ থেকে ধান, চাল ও গম সংগ্রহের নতুন মূল্য নির্ধারণ করেছে সরকার। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতি কেজি ধান ৩৬ টাকা, সিদ্ধ চাল ৪৯ টাকা, আতপ চাল ৪৮ টাকা এবং গম ৩৬ টাকা দরে কেনা হবে। সরকারের এই মূল্য নির্ধারণকে আসন্ন বোরো মৌসুমে খাদ্য মজুত শক্তিশালী করার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বুধবার রাজধানীর সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ কমিটির (এফপিএমসি) সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ নতুন সংগ্রহমূল্য ও সরকারি খাদ্য সংগ্রহ পরিকল্পনার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।

সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ৩ মে থেকে ধান সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু হবে। অন্যদিকে সিদ্ধ ও আতপ চাল সংগ্রহ শুরু হবে ১৫ মে থেকে। পুরো সংগ্রহ অভিযান চলবে আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত। খাদ্য অধিদপ্তর মাঠপর্যায়ে কৃষকদের কাছ থেকে সরাসরি ধান সংগ্রহের পাশাপাশি মিলারদের কাছ থেকেও চাল সংগ্রহ করবে বলে জানা গেছে।

খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, এ বছরের মূল্য নির্ধারণে উৎপাদন ব্যয়, সার ও সেচ খরচ, শ্রমিক মজুরি, বাজার পরিস্থিতি এবং কৃষকদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করার বিষয়গুলো বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে সাম্প্রতিক সময়ে কৃষি উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়ায় কৃষকদের স্বার্থ রক্ষায় তুলনামূলক প্রতিযোগিতামূলক দর নির্ধারণের চেষ্টা করা হয়েছে।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, সরকারি সংগ্রহমূল্য সরাসরি বাজারদরকে প্রভাবিত করে। কারণ সরকার যখন বড় পরিসরে ধান ও চাল কিনতে মাঠে নামে, তখন কৃষকরা বেসরকারি ব্যবসায়ীদের কাছ থেকেও তুলনামূলক ভালো দাম পাওয়ার সুযোগ পান। ফলে কৃষকের হাতে নগদ অর্থপ্রবাহ বাড়ে এবং বাজারে মধ্যস্বত্বভোগীদের অতিরিক্ত প্রভাব কিছুটা কমে।

এদিকে দেশে খাদ্যশস্যের কৌশলগত মজুত শক্তিশালী করতে সরকার বিদেশ থেকেও গম আমদানির উদ্যোগ অব্যাহত রেখেছে। এ প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, সরকারি পর্যায়ে যুক্তরাষ্ট্র থেকে গম আমদানির বিষয়ে আলোচনা চলছে। নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পরিমাণ গম আমদানি সম্ভব না হলে বাকি অংশ আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে সংগ্রহ করা হবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বৈশ্বিক বাজারে খাদ্যশস্যের দাম ওঠানামা, ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা এবং আন্তর্জাতিক সরবরাহ ব্যবস্থার অনিশ্চয়তার কারণে বাংলাদেশ এখন আগেভাগেই খাদ্য মজুত বাড়ানোর কৌশল নিচ্ছে। বিশেষ করে গমের আন্তর্জাতিক বাজার এখনও অস্থির থাকায় সরকার বিকল্প উৎস নিশ্চিত করার চেষ্টা করছে।

কৃষি অর্থনীতিবিদদের ভাষ্য অনুযায়ী, বোরো মৌসুম বাংলাদেশের খাদ্য নিরাপত্তার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। দেশের মোট চাল উৎপাদনের বড় অংশ আসে এই মৌসুম থেকেই। ফলে সরকার যদি কার্যকরভাবে ধান ও চাল সংগ্রহ করতে পারে, তাহলে আগামী মাসগুলোতে বাজার স্থিতিশীল রাখা সহজ হবে এবং খাদ্য মূল্যস্ফীতির চাপও কিছুটা নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হবে।

-রফিক


এক লাখ শিক্ষার্থী পাচ্ছে বিশেষ উপহার: জুলাই থেকে শুরু হচ্ছে বিতরণ

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ২২ ১২:৪৫:১৩
এক লাখ শিক্ষার্থী পাচ্ছে বিশেষ উপহার: জুলাই থেকে শুরু হচ্ছে বিতরণ
ছবি : সংগৃহীত

শিক্ষার্থীদের জন্য এক চমৎকার উদ্যোগ নিয়ে আসছে সরকার। আগামী জুলাই মাস থেকে দেশের খুদে শিক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছে দেওয়া হবে পাটের তৈরি টেকসই স্কুল ব্যাগ এবং বিশেষ স্কুল ড্রেস। বুধবার (২২ এপ্রিল ২০২৬) সকালে সচিবালয়ে এই মেগা প্রজেক্ট নিয়ে সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক শেষে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র ও শিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা, বস্ত্র ও পাট এবং স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। বৈঠক শেষে জানানো হয়, প্রথম ধাপে সারাদেশে প্রথম শ্রেণির এক লাখ শিক্ষার্থীর হাতে এই নতুন ব্যাগ ও পোশাক তুলে দেওয়া হবে। পর্যায়ক্রমে এই কর্মসূচির আওতা আরও বাড়ানো হবে।

এসময় শিক্ষা উপদেষ্টা জানান, এই কার্যক্রমের জন্য প্রতিটি উপজেলা থেকে দুটি করে স্কুল নির্বাচন করা হবে এবং এই বাছাই প্রক্রিয়ার দায়িত্বে থাকবে স্থানীয় প্রশাসন। অন্যদিকে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম পোশাকের বিষয়ে একটি নতুন তথ্য দিয়েছেন। তিনি জানান, দেশের সব বিদ্যালয়ের ছাত্রদের জন্য নির্দিষ্ট এক রকম পোশাক এবং ছাত্রীদের জন্যও অভিন্ন নকশার পোশাক নির্ধারণ করা হবে। শিক্ষা, বস্ত্র ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এই বিশাল কর্মযজ্ঞ জুলাই মাস থেকেই মাঠ পর্যায়ে বাস্তবায়ন শুরু হবে।

/আশিক


মোবাইল ডাটা আর নষ্ট হবে না! গ্রাহক স্বার্থে বড় পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ২২ ১২:০৯:৫৭
মোবাইল ডাটা আর নষ্ট হবে না! গ্রাহক স্বার্থে বড় পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার
ছবি : সংগৃহীত

মোবাইল গ্রাহকদের দীর্ঘদিনের দাবি ও ভোগান্তির মুখে এবার বড় সুখবর দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। মোবাইলে কেনা ইন্টারনেটের অব্যবহৃত ডাটার মেয়াদ আনলিমিটেড করার বিষয়ে সব পক্ষ ও অংশীজনের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানিয়েছেন।

গতকাল মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল ২০২৬) জাতীয় সংসদে বাগেরহাট-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. আব্দুল আলীমের এক প্রশ্নের জবাবে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য-প্রযুক্তিমন্ত্রীর পক্ষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ কথা বলেন। মন্ত্রী স্বীকার করেন যে, মেয়াদ শেষে অব্যবহৃত ডাটা বাতিল হয়ে যাওয়ার বিষয়টি সরকারের নজরে এসেছে এবং গ্রাহক স্বার্থ সুরক্ষায় এ সমস্যা সমাধানে সরকার সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।

সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, বর্তমানে দেশে প্রায় ১১ কোটি ৩৫ লাখ মোবাইল ইন্টারনেট গ্রাহক রয়েছে, যাদের প্রত্যেকের ব্যবহারের ধরন ভিন্ন। অপারেটররা মূলত উচ্চ স্থাপন ও পরিচালন ব্যয় সামাল দিতে এবং সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার কথা মাথায় রেখে ছোট ছোট মেয়াদী প্যাকেজ অফার করে। তবে বিটিআরসির নির্দেশনায় বর্তমানে একই প্যাকেজ অটো-রিনিউ করলে ডাটা ‘ক্যারি ফরওয়ার্ড’ বা পরবর্তী মেয়াদে যোগ হওয়ার সুবিধা রয়েছে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, অনেক অপারেটরের এখন সুদীর্ঘ ১০ বছর মেয়াদী ডাটা প্যাকেজ রয়েছে, যা কার্যত আনলিমিটেড মেয়াদেরই সমান। তবে সাধারণ স্বল্প মেয়াদী প্যাকেজের ডাটা যাতে নষ্ট না হয়, সে বিষয়ে টেকনিক্যাল ও অর্থনৈতিক দিকগুলো বিবেচনা করে একটি স্থায়ী সমাধানের পথে হাঁটছে সরকার।

/আশিক


তীব্র গরমে হাঁসফাঁস দশা! কতদিন স্থায়ী হবে এই তাপপ্রবাহ?

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ২১ ২১:৫৫:২৮
তীব্র গরমে হাঁসফাঁস দশা! কতদিন স্থায়ী হবে এই তাপপ্রবাহ?
ছবি : সংগৃহীত

বৈশাখের দ্বিতীয় সপ্তাহে এসেই আগুনের হল্কা ছড়াচ্ছে প্রকৃতি। দেশের ১৪ জেলার ওপর দিয়ে বর্তমানে মৃদু থেকে মাঝারি তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল ২০২৬) এক বিশেষ বুলেটিনে জানানো হয়, টাঙ্গাইল, ফরিদপুর, লক্ষ্মীপুর, খুলনা, যশোর ও কুষ্টিয়া জেলাসহ পুরো রাজশাহী বিভাগের ওপর দিয়ে এই দাবদাহ বয়ে যাচ্ছে।

আবহাওয়াবিদ মো. তরিফুল নেওয়াজ কবির জানিয়েছেন, এই হাঁসফাঁস করা গরম আগামী শুক্রবার পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। তবে স্বস্তির খবর হলো, শনিবার থেকে সারাদেশে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বাড়তে পারে, যার ফলে কমতে শুরু করবে দিনের তাপমাত্রা। মজার ব্যাপার হলো, গত তিন বছর শতাব্দীর উষ্ণতম গ্রীষ্মকাল পার করলেও সেই তুলনায় এ বছরের আবহাওয়া এখনও যথেষ্ট সহনশীল বলে মনে করছে আবহাওয়া অফিস।

তাপমাত্রার পরিমাপ অনুযায়ী, ৩৬ থেকে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসকে মৃদু এবং ৩৮ থেকে ৪০ ডিগ্রিকে মাঝারি তাপপ্রবাহ বলা হয়। মঙ্গলবার রাজশাহীতে দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৯.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা মাঝারি তাপপ্রবাহের অন্তর্ভুক্ত। অন্যদিকে রাজধানী ঢাকাতেও ছিল প্রখর রোদ, যেখানে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা উঠেছিল ৩৫.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। বিপরীত চিত্র দেখা গেছে সিলেটে, সেখানে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আবহাওয়া অধিদপ্তর আরও জানিয়েছে, বুধবার ও বৃহস্পতিবার দেশের কিছু এলাকায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে ময়মনসিংহ, বরিশাল, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় দমকা হাওয়া ও বজ্রসহ বৃষ্টির সাথে শিলাবৃষ্টি হতে পারে। তবে দেশের বাকি অংশে আকাশ মেঘলা থাকলেও আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকবে এবং গরমের তীব্রতা বজায় থাকবে।

/আশিক


জ্বালানির দাম কমান, মানুষ বাঁচান: আখতার হোসেন

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ২১ ২১:১৬:৩২
জ্বালানির দাম কমান, মানুষ বাঁচান: আখতার হোসেন
ছবি : সংগৃহীত

জাতীয় সংসদে এলপিজি ও জ্বালানি তেলের ‘মাত্রাতিরিক্ত’ মূল্যবৃদ্ধির কড়া সমালোচনা করে সরকারের প্রতি তোপ দেগেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সংসদ সদস্য আখতার হোসেন। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল ২০২৬) সংসদের অধিবেশনে জরুরি জনগুরুত্বসম্পন্ন নোটিশের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি বলেন, জ্বালানির এই অস্বাভাবিক দাম জনজীবনে চরম নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে এবং সাধারণ মানুষের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে।

আখতার হোসেন তাঁর বক্তব্যে সরকারের প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের দিকে ইঙ্গিত করে বলেন, "সরকার বলেছিল তারা দাম বাড়াবে না, কিন্তু এখন যে হারে দাম বাড়ানো হয়েছে তা কোনোভাবেই কাম্য নয়। আমরা মনে করি, এই মাত্রাতিরিক্ত দাম কমিয়ে দ্রুত জনজীবনে স্বস্তি ফিরিয়ে আনা উচিত।"

তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, বর্তমান বৈশ্বিক সংকট ও যুদ্ধের পরিস্থিতিতে জ্বালানি সংকট থাকা স্বাভাবিক, তবে বাংলাদেশে এই সংকটের পেছনে ‘কৃত্রিম’ কিছু কারণও রয়েছে। তেলের বাজারে কৃত্রিম সংকট রোধে সরকারের ভূমিকা স্পষ্ট নয় বলেও তিনি অভিযোগ করেন।

বিশেষ করে এলপিজির মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে এনসিপির এই সংসদ সদস্য বলেন, "হঠাৎ করে এলপিজির দাম বাড়িয়ে দেওয়ার ফলে সাধারণ মানুষের রান্নাবান্না থেকে শুরু করে উৎপাদনমুখী কাজগুলো স্থবির হয়ে পড়েছে। রান্নার কাজে যারা এলপিজি ব্যবহার করেন, তাদের পক্ষে এই বাড়তি খরচ বহন করা অসম্ভব হয়ে পড়ছে।" তিনি অবিলম্বে অভ্যন্তরীণ মজুতদারি ও ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা চিহ্নিত করে আন্তর্জাতিক বাজারের সাথে সামঞ্জস্য রেখে দাম কমিয়ে সহনীয় পর্যায়ে আনার জোর দাবি জানান।

/আশিক

পাঠকের মতামত: