ট্রাম্প বেশি কথা বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্টের হুমকির মুখে বিস্ফোরক ইরান!

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক হুঁশিয়ারি ও বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করেছেন ইরানের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী সাইদ খাতিবজাদে। শনিবার (১৮ এপ্রিল ২০২৬) তুরস্কের আন্তালিয়ায় আয়োজিত এক কূটনৈতিক ফোরামে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি সোজাসাপ্টা মন্তব্য করেন যে, ট্রাম্প ‘বেশি কথা বলেন’। খাতিবজাদে বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট অনেক টুইট করেন এবং অনেক কথা বলেন। তার বক্তব্যগুলো সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না, তা মার্কিন জনগণের ওপরই ছেড়ে দেওয়া উচিত।”
আগামী বুধবারের মধ্যে সমঝোতা না হলে ইরানে আবারও বোমা হামলার যে হুমকি ট্রাম্প দিয়েছেন, সে প্রসঙ্গে খাতিবজাদে বলেন, ট্রাম্প একই বক্তব্যের মধ্যে পরস্পরবিরোধী কথা বলেন এবং তিনি আসলে কী বোঝাতে চান তা নিশ্চিত নয়। এদিন তিনি যুক্তরাষ্ট্রে ইউরেনিয়াম স্থানান্তরের মার্কিন প্রস্তাব সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেন এবং বর্তমানে জারি থাকা মার্কিন নৌ-অবরোধকে ‘স্থায়ীভাবে অকার্যকর’ বলে ঘোষণা দেন। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, দ্বিতীয় দফা আলোচনায় বসতে হলে আগে উভয় পক্ষকে একটি সুনির্দিষ্ট সমঝোতার কাঠামোতে পৌঁছাতে হবে।
যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে চরম হুঁশিয়ারি দিয়ে ইরানি এই কূটনীতিক বলেন, যদি আবারও যুদ্ধ শুরু হয়, তবে ইরান নিজেদের রক্ষায় সর্বোচ্চ শক্তি প্রয়োগ করবে। তার ভাষায়, “যুদ্ধ শুরু হলে ইরান শেষ গুলি ও শেষ সৈনিক পর্যন্ত লড়াই করবে।” গত সপ্তাহে ইসলামাবাদে দুই দেশের সর্বোচ্চ পর্যায়ের বৈঠক কোনো সমঝোতা ছাড়াই শেষ হয়। যদিও ট্রাম্প এই সপ্তাহে আবারও সরাসরি আলোচনার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, তবে কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, ভেন্যু নিয়ে জটিলতার কারণে এখনই বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম।
/আশিক
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা রোখার সাধ্য শত্রুর নেই: স্পিকার গালিবাফ
ইরান আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় অনেক দ্রুত গতিতে নিজেদের সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি করছে বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ। শত্রুপক্ষের প্রতি কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন, তেহরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা প্রতিহত করার সামর্থ্য এখন আর কোনো প্রতিপক্ষের নেই।
ইরানি বার্তা সংস্থা ফার্স-কে দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি বলেন, অতীতে প্রতিটি যুদ্ধ ও সংকটময় পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়ে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী আরও নতুন শক্তিতে বলীয়ান হয়ে উঠেছে এবং প্রতিবারই আগের চেয়ে উন্নত পারদর্শিতা দেখিয়েছে।
ভবিষ্যৎ সামরিক সংঘাতের বিষয়ে সতর্ক করে গালিবাফ আরও উল্লেখ করেন, পরবর্তী যেকোনো লড়াইয়ে অস্ত্রের গুণগত মান এবং পরিমাণ—উভয় দিক থেকেই ইরান শত্রুপক্ষের চেয়ে বহুলাংশে এগিয়ে থাকবে। তিনি দাবি করেন, ইরানের প্রকৃত সামরিক শক্তি উপলব্ধি করতে পেরে শত্রুরাও এখন এটি স্বীকার করে নিতে বাধ্য হচ্ছে যে তেহরানের ক্ষেপণাস্ত্র আক্রমণ ঠেকানোর সক্ষমতা তাদের নেই।
সূত্র: আল-জাজিরা।
বড় সংঘাতের আশঙ্কায় বেইজিংয়ের নজিরবিহীন পদক্ষেপ
জাতীয় প্রতিরক্ষা আইনে যুগান্তকারী ও সুদূরপ্রসারী সংশোধন এনেছে চীন। সংশোধিত এই আইনের ফলে ভবিষ্যতে যেকোনো যুদ্ধ পরিস্থিতি বা জাতীয় জরুরি সংকটে বেইজিং প্রশাসনকে আর কেবল নিয়মিত সামরিক বাহিনীর ওপর নির্ভর করতে হবে না। নতুন বিধিমালার আওতায় রাষ্ট্রের প্রয়োজনে সাধারণ নাগরিক, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং অন্যান্য জাতীয় সম্পদ ব্যবহারের পূর্ণ কর্তৃত্ব পেল দেশটির সরকার। গত ২৮ আগস্ট চীনের সংসদ এই আইনি সংশোধনী অনুমোদন করে এবং ১ অক্টোবর থেকে তা আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর করা হয়েছে।
নতুন আইনি কাঠামো অনুযায়ী, সংকটকালে সরকার নাগরিকদের ব্যক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক সম্পদ ব্যবহার করার পাশাপাশি প্রয়োজনে তা সরাসরি বাজেয়াপ্তও করতে পারবে। সরকারের এই পদক্ষেপে কেউ যদি কোনো ধরনের বাধা তৈরি করে বা কার্যক্রমে ইচ্ছাকৃত বিলম্ব ঘটায়, তবে তার বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার স্পষ্ট বিধান রাখা হয়েছে। ২০১০ সালের পর চীনের প্রতিরক্ষা নীতিতে এটিই সবচেয়ে বড় কাঠামোগত পরিবর্তন, যেখানে ১৪টি অধ্যায় ও ৮২টি স্বতন্ত্র ধারা যুক্ত করা হয়েছে।
আইনটির মূল উদ্দেশ্য হিসেবে বেইজিং উল্লেখ করেছে, যেকোনো বহিরাগত বা অভ্যন্তরীণ হুমকি দেখা দিলে যেন অত্যন্ত দ্রুত দেশকে যুদ্ধাবস্থায় রূপান্তর করা যায়। এর মাধ্যমে দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক ও সামাজিক শক্তিকে সরাসরি জাতীয় প্রতিরক্ষার সঙ্গে যুক্ত করার সুযোগ তৈরি হয়েছে। এছাড়া জাতীয় উন্নয়ন সুরক্ষার পাশাপাশি রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব, ভৌগোলিক অখণ্ডতা, ঐক্য ও সার্বিক নিরাপত্তা বজায় রাখার বিষয়টিকেও এই আইনে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া হয়েছে।
সংকটকালীন সময়ে বেসামরিক খাতের ওপর সুনির্দিষ্ট দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে নতুন এই আইনে। পরিবহন ব্যবস্থা, ডাক ও টেলিযোগাযোগ, সাইবার নিরাপত্তা, চিকিৎসাসেবা, ওষুধ এবং খাদ্যশস্য সরবরাহ থেকে শুরু করে প্রকৌশল খাতকে যেকোনো মুহূর্তে প্রতিরক্ষা দায়িত্ব পালনে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এজন্য সংশ্লিষ্ট খাত ও আঞ্চলিক ইউনিটগুলোকে বিশেষ দল গঠন করে জরুরি প্রশিক্ষণ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে সাইবার সক্ষমতা ও আধুনিক প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহারের মাধ্যমে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করার ওপর বিশেষ জোর দিয়েছে চীন সরকার।
এমনকি চীনের ভৌগোলিক সীমানার বাইরে বসবাসরত নাগরিকদের ক্ষেত্রেও এই প্রতিরক্ষা আইনের নির্দিষ্ট কিছু ধারা কার্যকর হতে পারে বলে জানা গেছে। এর ফলে বিদেশে অবস্থানকালীন গৃহীত পদক্ষেপও চীনা আইনের আওতাভুক্ত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।
আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বেইজিংয়ের এই নতুন আইনকে তাদের পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধ প্রস্তুতির অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ব্রাসেলস-ভিত্তিক থিংকট্যাঙ্ক ‘সেন্টার ফর রাশিয়া ইউরোপ এশিয়া স্টাডিজ’-এর পরিচালক থেরেসা ফ্যালন এ বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাঁর মতে, বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে যুদ্ধের শঙ্কা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। রাশিয়া-ইউক্রেন এবং মধ্যপ্রাচ্যে ইরান-ইসরায়েল-আমেরিকার চলমান ভূরাজনৈতিক সংঘাতের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়েই প্রেসিডেন্ট শি চিনপিং এমন সামরিক প্রস্তুতি গ্রহণ করছেন।
/আশিক
থাইল্যান্ডের পাতায়ায় ৫ হাজার মার্কিন সেনা: যৌনকর্মীদের বিরুদ্ধে পুলিশের কড়া সতর্কতা
টানা দুই শতাধিক দিন সমুদ্রে দায়িত্ব পালন শেষে মার্কিন নৌবাহিনীর পারমাণবিক শক্তিচালিত বিশাল যুদ্ধজাহাজ ‘ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন’ প্রায় পাঁচ হাজার সেনাসদস্য নিয়ে থাইল্যান্ডের জনপ্রিয় পর্যটন শহর পাতায়ায় নোঙর করতে আসছে। দীর্ঘ সময় পর নাবিক ও সেনাদের অবকাশ ও মানসিক ক্লান্তি দূর করতেই পাতায়ার উপকূলে এই যাত্রাবিরতি দেওয়া হচ্ছে।
দীর্ঘদিন ধরে চলা অর্থনৈতিক মন্দার কারণে স্থানীয় পর্যটন ও বাণিজ্যিক খাতে যে স্থবিরতা তৈরি হয়েছিল, মার্কিন সেনাদের আগমনে তাতে সাময়িক চাঙ্গাভাব আসবে বলে আশা করছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। পাতায়ার মেয়রের হিসাব অনুযায়ী, সফরে আসা প্রতিটি মার্কিন সেনা প্রতিদিন গড়ে ৩০ থেকে ৯১ ডলার পর্যন্ত ব্যয় করতে পারেন, যা শহরের ব্যবসা-বাণিজ্যে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
তবে বিপুলসংখ্যক সেনার একসঙ্গে শহরে প্রবেশের খবরে স্থানীয়দের মধ্যে নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগ ও সামাজিক শঙ্কাও দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে যৌন নিপীড়ন, বিশৃঙ্খলা ও রোগব্যাধি ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি তৈরি হওয়ায় স্থানীয় প্রশাসন বাড়তি সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। থাইল্যান্ডের আইনে পতিতাবৃত্তি নিষিদ্ধ থাকা সত্ত্বেও পাতায়ায় এর প্রভাব থাকায় অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সৈকত ও নাইটলাইফ এলাকাগুলোতে পুলিশি নজরদারি ও টহল জোরদার করা হয়েছে। এমনকি সেনাদের নামার আগেই পরিচালিত বিশেষ অভিযানে প্রায় ৫০ জনকে আটক করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত বছরের নভেম্বরে যাত্রা শুরু করা এই বিমানবাহী রণতরীটিকে মধ্যপ্রাচ্যে ইরান-ইসরায়েল সামরিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে দীর্ঘ সময় সাগরে যুদ্ধপ্রস্তুতিতে অবস্থান করতে হয়েছিল। ফলে একটানা দায়িত্ব পালনের মানসিক চাপ কাটিয়ে উঠতে সেনাদের জন্য পাতায়ার এই যাত্রাবিরতি বেশ স্বস্তিদায়ক হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
/আশিক
ইরানকে ‘ব্যর্থ ও মৃত রাষ্ট্র’ ঘোষণা করে মার্কিন প্রেসিডেন্টের কড়া বার্তা
ইরানকে ‘আনুষ্ঠানিকভাবে ব্যর্থ’ ও একটি ‘মৃত রাষ্ট্র’ হিসেবে অভিহিত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সঙ্গে বিক্ষোভ দমনে গণহত্যার অভিযোগ এনে দেশটির শীর্ষ নেতৃত্বকে মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য বিচারের মুখোমুখি করার দাবি জানিয়েছেন তিনি। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
সোমবার (৩১ আগস্ট) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে ডোনাল্ড ট্রাম্প এসব কড়া মন্তব্য করেন।
ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভে ১ লাখেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন বলে উল্লেখ করে ট্রাম্প লেখেন, নিজেদের জনগণের বিরুদ্ধে এমন নৃশংসতার দায়ে ইরানের নেতৃত্বকে মানবতার বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে আদালতের মুখোমুখি করা উচিত।
ইরানকে একটি সম্পূর্ণ ব্যর্থ রাষ্ট্র হিসেবে আখ্যা দিয়ে ট্রাম্প দাবি করেন, দেশটির শাসকগোষ্ঠী বর্তমানে চরম বিশৃঙ্খলার মধ্যে পড়েছে এবং তারা আন্তর্জাতিকভাবে দেশটির প্রতিনিধিত্ব করার সমস্ত বৈধতা ও সক্ষমতা হারিয়েছে।
তিনি আরও দাবি করেন, ইরানের কাছে বর্তমানে কার্যকর কোনো নৌবাহিনী বা বিমানবাহিনী নেই এবং দেশটির নিজস্ব মুদ্রা সম্পূর্ণ অকেজো হয়ে পড়েছে। এমনকি দেশটির সেনা ও পুলিশ সদস্যদের নিয়মিত বেতন-ভাতা পর্যন্ত দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।
দেশটির অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক দুর্দশার চিত্র তুলে ধরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ইরানে মূল্যস্ফীতি বর্তমানে প্রায় ৩০০ শতাংশে পৌঁছেছে। ফলে সার্বিক পতনের মুখে ইরানের নেতৃত্বের কাছে এখন শুধু যুক্তরাষ্ট্রকে নিয়ে মিথ্যা অপপ্রচার চালানো এবং নিজ দেশের নিরস্ত্র বিক্ষোভকারীদের হত্যা করার চক্রান্ত ছাড়া আর কিছুই অবশিষ্ট নেই।
সূত্র : আল জাজিরা
মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যুক্ত হতে চায় আরও ৬-৭টি দেশ: পাকিস্তান
ঐতিহাসিক ‘মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি’ বা ত্রিপক্ষীয় পারস্পরিক প্রতিরক্ষা জোটে যুক্ত হতে আরও অন্তত ছয় থেকে সাতটি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ আগ্রহ প্রকাশ করেছে বলে জানিয়েছে পাকিস্তান। বর্তমানে সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান এই জোটের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে নেতৃত্ব দিচ্ছে। সোমবার (৩১ আগস্ট) দেশ তিনটির শীর্ষ কূটনীতিকদের বৈঠকের প্রাক্কালে এ তথ্য জানান পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে জানানো হয়, যুক্তরাজ্যে দেওয়া এক বক্তব্যে ইসহাক দার উল্লেখ করেন, নতুন আগ্রহী দেশগুলোর অন্তর্ভুক্তি সহজ ও নিয়মতান্ত্রিক করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ইতিমধ্যে একটি খসড়া চুক্তি কাঠামো (অ্যাগ্রিমেন্ট ফ্রেমওয়ার্ক) তৈরির কাজ করছেন; যদিও তিনি এখনই সম্ভাব্য দেশগুলোর সুনির্দিষ্ট নাম প্রকাশ করেননি।
উল্লেখ্য, গত ৭ আগস্ট স্বাক্ষরিত এই ত্রিপক্ষীয় চুক্তির মূল ধারা অনুযায়ী—জোটভুক্ত তিনটি দেশের যেকোনো একটির ওপর কোনো সশস্ত্র বা সামরিক আক্রমণ চালানো হলে তা বাকি দুই দেশের ওপরও আক্রমণ হিসেবে গণ্য হবে এবং যৌথভাবে তা প্রতিহত করা হবে। এই কৌশলগত চুক্তিতে যোগদানে আগ্রহ দেখানো সর্বশেষ দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো বাংলাদেশ। এর আগে চলতি মাসের শুরুর দিকে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদানও জানিয়েছিলেন, মিসরসহ আঞ্চলিক অন্যান্য দেশকে অন্তর্ভুক্ত করে এই পারস্পরিক সামরিক ও প্রতিরক্ষা জোট আরও সম্প্রসারিত করা হতে পারে।
ব্লুমবার্গ আরও জানায়, মক্কা চুক্তির আওতায় গঠিত কৌশলগত রাজনৈতিক ও প্রতিরক্ষা কমিটির প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠকে যোগ দিতে বর্তমানে ইস্তাম্বুলে অবস্থান করছেন পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। সৌদি আরব ও তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছাড়াও তিন দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও সশস্ত্র বাহিনীর প্রধানেরা এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে অংশ নিচ্ছেন। তুরস্কের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতি অনুযায়ী, বৈঠকে বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি, যৌথ সামরিক মহড়া ও বাহিনীর মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধি এবং প্রতিরক্ষা শিল্পে প্রযুক্তিগত সহযোগিতা জোরদারের বিষয়ে আলোচনা হচ্ছে; পাশাপাশি নিয়মিত কার্যক্রম পরিচালনার জন্য একটি স্থায়ী সচিবালয়ের রূপরেখা নির্ধারণ করা হতে পারে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই প্রতিরক্ষা চুক্তিকে মুসলিম দেশগুলোর আত্মরক্ষা ও নিরাপত্তা সক্ষমতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে এক সাহসী পদক্ষেপ হিসেবে সাধুবাদ জানিয়েছেন। এদিকে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান বহুমুখী ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার সংঘাত প্রশমনে পাকিস্তান সক্রিয় মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে।
/আশিক
আমিরাতের আল মিনহাদ ঘাঁটিতে মার্কিন সেনাদের ওপর ইরানের ড্রোন হামলা
সংযুক্ত আরব আমিরাতের আল মিনহাদ বিমানঘাঁটিতে অবস্থানরত মার্কিন সামরিক বাহিনী ও হেলিকপ্টার লক্ষ্য করে একযোগে একাধিক ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরানের সেনাবাহিনী। সোমবার (৩১ আগস্ট) ভোররাতে এই সামরিক অভিযান পরিচালনা করা হয় বলে নিশ্চিত করেছে দেশটির বার্তা সংস্থা মেহের নিউজ।
ইরানি গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়, সম্প্রতি কৌশলগত লারাক দ্বীপে মার্কিন বাহিনীর আগ্রাসনে ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) সদস্যসহ সাধারণ ইরানি নাগরিকদের প্রাণহানির প্রতিশোধ হিসেবেই এই সমন্বিত ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে।
ইরানি সেনাবাহিনীর জনসংযোগ বিভাগের এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে বলা হয়, আল মিনহাদ বিমানঘাঁটিটি এই অঞ্চলে বিদেশি বাহিনীর অন্যতম প্রধান লজিস্টিক ও বিমান পরিবহন কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল। ঘাঁটিতে থাকা মার্কিন সামরিক স্থাপনা ও অবস্থানগুলোতে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি সাধনের লক্ষ্যেই সুনির্দিষ্টভাবে এই ড্রোনগুলো দিয়ে আঘাত হানা হয়েছে।
বিবৃতিতে আরও স্পষ্ট করা হয়, অঞ্চলের সামগ্রিক সামরিক হুমকি পুরোপুরি দূর না হওয়া এবং ইরানের ভৌগোলিক অখণ্ডতা শতভাগ নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তেহরান তাদের সামরিক অবস্থান থেকে পিছু হটবে না। একই সঙ্গে মার্কিন বাহিনীর চাপিয়ে দেওয়া যেকোনো আগ্রাসনের বিপরীতে প্রতিটি নিহতের রক্তের বদলা নেওয়ার দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে ইরানি সেনাবাহিনী।
সূত্র: মেহের নিউজ
মোদির সঙ্গে বৈঠকে পেজেশকিয়ান: যুক্তরাষ্ট্রে যুদ্ধ টিকিয়ে রাখতে আগ্রহী একটি পক্ষ
সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের (এসসিও) শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে এক দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান অভিযোগ করেছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি নির্দিষ্ট পক্ষ অঞ্চলে যুদ্ধ ও সংঘাত জিইয়ে রাখতে গভীরভাবে আগ্রহী। সোমবার (৩১ আগস্ট) ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ফার্সের এক প্রতিবেদনের বরাতে এ বৈঠকের তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
বৈঠকে মাসুদ পেজেশকিয়ান স্পষ্ট করে বলেন, ইরান কখনোই যুদ্ধ চায়নি এবং কোনো ধরনের যুদ্ধ বা সংঘাতকে স্বাগতও জানায় না। তবে ওয়াশিংটন তাদের পূর্বের প্রতিশ্রুতি ও বিভিন্ন চুক্তি বাস্তবায়নে চরমভাবে ব্যর্থ হওয়ার কারণেই মধ্যপ্রাচ্যে সামগ্রিক পরিস্থিতির অবনতি ঘটেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
উভয় নেতার এই দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট নানা বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। বিশেষ করে কৌশলগত হরমুজ প্রণালি সংলগ্ন সামুদ্রিক নিরাপত্তা জোরদার, আন্তর্জাতিক রুটে অবাধ নৌ চলাচল নিশ্চিত রাখা এবং দক্ষিণ-পূর্ব ইরানে অবস্থিত চাবাহার বন্দরের অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও সার্বিক অগ্রগতির বিষয়গুলো আলোচনায় বিশেষ গুরুত্ব পায়।
উল্লেখ্য, কৌশলগতভাবে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ চাবাহার বন্দরের একটি বিশেষ টার্মিনালে ভারতের প্রায় ১২ কোটি মার্কিন ডলারের বৃহৎ বিনিয়োগ রয়েছে। তবে প্রকল্পটিতে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার ওপর থাকা বিশেষ ছাড়ের মেয়াদ গত রোববারই শেষ হয়ে যাওয়ায় বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে আঞ্চলিক বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক কূটনীতিতে বিষয়টি বড় ধরনের আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
সূত্র: আল-জাজিরা।
ভূগর্ভস্থ টানেলে আটকা শত শত প্রাণ, ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে চলছে উদ্ধার অভিযান
নেপাল-তিব্বত সীমান্তে প্রলয়ংকরী আকস্মিক বন্যার পর হিমালয়ের ছয়টি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের ভূগর্ভস্থ টানেল ও স্থাপনায় ৯০০ জনেরও বেশি মানুষ আটকা পড়েছেন বলে গভীর আশঙ্কা করা হচ্ছে। টানেলের মুখ থেকে ভারী কাদা, পাথর ও ধ্বংসাবশেষ সরিয়ে ভেতরে আটকা পড়া শ্রমিক ও প্রকৌশলীদের উদ্ধারে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে অভিযান পরিচালনা করছেন উদ্ধারকর্মীরা। সোমবার (৩১ আগস্ট) ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
নেপালের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, ক্ষতিগ্রস্ত জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো থেকেই ৯৩৩ জন কর্মী নিখোঁজ রয়েছেন। গত বুধবার হিমালয় থেকে নেমে আসা কাদা, বরফ ও ধ্বংসাবশেষের তীব্র স্রোতে নেপালজুড়ে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৯১৯ জনে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া সীমান্তের তিব্বত অংশে আরও ১৬ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। নেপালে বর্তমানে ৫৯২ জন বিদেশি পর্যটকসহ মোট ৪ হাজার ২৪৭ জন এবং তিব্বত অংশে আরও ৫৪৬ জন নিখোঁজ রয়েছেন।
নেপাল সেনাবাহিনীর মুখপাত্র রাজারাম বাসনেত জানিয়েছেন, টানেলের মুখে বিপুল পরিমাণ বর্জ্য জমে যাওয়ায় উদ্ধার তৎপরতায় চরম বিঘ্ন ঘটছে। উদ্ধারকারী দলের সদস্য আশিস গুরুং জানান, সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত রাসুয়ার চিলিমে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের টানেলের অভ্যন্তরে বুকসমান কাদা জমে রয়েছে। কাঠ ও দড়ির অস্থায়ী কাঠামো বানিয়ে প্রায় ১৩০ মিটার পর্যন্ত ভেতরে প্রবেশ করা সম্ভব হয়েছে। তবে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের নকশা অনুযায়ী ভূগর্ভস্থ কিছু নিরাপদ কক্ষ বা জোনে আটকা পড়া মানুষদের কেউ কেউ এখনও জীবিত বেঁচে থাকতে পারেন বলে জোরালো আশা করা হচ্ছে।
খারাপ আবহাওয়া ও বাঁধ ভেঙে সৃষ্ট অস্থায়ী হ্রদ উপচে পড়ার ঝুঁকির কারণে মাঝে উদ্ধারকাজ ব্যাহত হলেও সোমবার থেকে তা পুনরায় পূর্ণ গতি পেয়েছে। নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ এই বন্যাকে নজিরবিহীন বিপর্যয় আখ্যা দিয়ে জানান, ২১ হাজার নিরাপত্তাকর্মীর পাশাপাশি ভারত ও চীনের বিশেষজ্ঞ উদ্ধারকারী দল বিশেষ প্রযুক্তির মাধ্যমে টানেলে আটকে পড়াদের উদ্ধারে যৌথভাবে কাজ করছে। অন্যদিকে চীন সরকার দুর্গত অঞ্চলে ২ হাজার ১০০ উদ্ধারকর্মী, বিশেষ লাইফ ডিটেক্টর সরঞ্জাম এবং ২২ কোটি ইউয়ান বরাদ্দ করেছে।
আন্তর্জাতিক সংস্থা রেড ক্রসের হিসাব অনুযায়ী, এই আকস্মিক দুর্যোগে প্রায় ৯০ হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে তিব্বত মালভূমির হিমবাহের অস্বাভাবিক গলনকে এই বিপর্যয়ের মূল কারণ হিসেবে দেখা হলেও, দুর্যোগ সংক্রান্ত যৌথ তথ্য ভাগাভাগিতে ঘাটতি নিয়ে আঞ্চলিক পর্যায়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
সূত্র : দ্য গার্ডিয়ান
নেপালে বন্যায় নিহতের সংখ্যা নিয়ে সরকারি পরিসংখ্যানে ভিন্নতা, নিখোঁজ বাড়ছে
নেপালে পাহাড়ি ঢল ও প্রলয়ংকরী আকস্মিক বন্যায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৭৯৪ জনে দাঁড়িয়েছে। রোববার স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন জানিয়েছে, গত বুধবার থেকে শুরু হওয়া উদ্ধার তৎপরতায় এ পর্যন্ত ৭৯৪টি মরদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। এছাড়া দুর্গত অঞ্চলগুলোতে এখনো আড়াই হাজারেরও বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন বলে বিবিসির এক প্রতিবেদনে নিশ্চিত করা হয়েছে।
নেপাল পুলিশের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, রোববার বিকেল পৌনে ৬টা পর্যন্ত উদ্ধার অভিযান চালিয়ে মোট ৭৯৪ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে দেশটির জাতীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের (এনডিআরআরএমএ) দেওয়া পৃথক পরিসংখ্যান অনুযায়ী নিহতের সংখ্যা ৭৮১ জন এবং নিখোঁজের সংখ্যা ২ হাজার ৫০২ জন। গত কয়েক দিন ধরে নেপালের বিভিন্ন সরকারি দপ্তর ও সংস্থার দেওয়া তথ্যের মধ্যে কিছুটা গরমিল থাকায় হতাহতের মোট সংখ্যা নিয়ে পরিসংখ্যানে কিছুটা পার্থক্য দেখা যাচ্ছে।
হিমালয়কন্যা খ্যাত নেপালে প্রতি বছর বিপুলসংখ্যক বিদেশি পর্যটক ও তীর্থযাত্রী ভ্রমণ করতে যান। ফলে পাহাড়ি নদীগুলোর অববাহিকা ও প্রত্যন্ত অঞ্চলে যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় স্থানীয়দের পাশাপাশি বিপুলসংখ্যক বিদেশি নাগরিকও নিখোঁজের তালিকায় যুক্ত হয়েছেন। বিভিন্ন দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, নিখোঁজ বিদেশিদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি রয়েছেন ভারতীয় নাগরিক, যার সংখ্যা অন্তত ৩২০ জন। এছাড়া চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রায় ১০০ জন এবং যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ৯০ জন নাগরিক নিখোঁজ থাকার কথা জানিয়েছে।
নেপাল পুলিশের তথ্যমতে, বন্যার পর থেকে ৬২ জন ইউক্রেনীয় নাগরিকের কোনো সন্ধান মেলেনি। একটি স্থানীয় ট্রাভেল এজেন্সির মাধ্যমে ভ্রমণে যাওয়া ৫১ জন মালয়েশীয় নাগরিক নিখোঁজ রয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। অস্ট্রেলিয়ার সহকারী অভিবাসনমন্ত্রীর তথ্য অনুযায়ী দেশটির ৪১ জন এবং নেপাল পুলিশের হিসাবে ৩৩ জন ব্রিটিশ নাগরিক এখনো নিখোঁজ রয়েছেন; পাশাপাশি চীনের সিসিটিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী তিব্বত সীমান্তে আরও ১৫ জন ব্রিটিশ নিখোঁজ হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এছাড়া কানাডার ৩০ জন নাগরিকসহ দক্ষিণ কোরিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, পর্তুগাল, নেদারল্যান্ডস ও নিউজিল্যান্ডের বেশ কয়েকজন পর্যটকও এই দুর্যোগে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছেন।
গত বুধবার থেকে শুরু হওয়া এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে নেপালের সড়ক, সেতু ও বসতবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে বহু এলাকা সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলগুলোতে উদ্ধারকারী দলগুলোর তল্লাশি অভিযান অব্যাহত থাকায় নিহতের সংখ্যা আরও বাড়ার গভীর আশঙ্কা করা হচ্ছে।
সূত্র : বিবিসি
পাঠকের মতামত:
- মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে বাংলাদেশের আগ্রহ, ভারতের জন্য তৈরি হতে পারে অস্বস্তি
- বৈশ্বিক জ্বালানি খাতে নতুন অনিশ্চয়তা, ঝুঁকিতে বাংলাদেশ
- ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা রোখার সাধ্য শত্রুর নেই: স্পিকার গালিবাফ
- দেবিদ্বারে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও সমাবেশে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত
- বড় সংঘাতের আশঙ্কায় বেইজিংয়ের নজিরবিহীন পদক্ষেপ
- ব্যবসায়ী সংগঠনের আপত্তিতে কর নীতিতে পিছু হটলো এনবিআর
- আন্তর্জাতিক বাজারে রুপা, প্লাটিনাম ও প্যালাডিয়ামের দামে পতন: রয়টার্স
- মেসিকে ছাড়া বিশ্বকাপ আগের মতো থাকবে না: জোসে মরিনিও
- মধ্যরাত পর্যন্ত ১১ অঞ্চলে ঝোড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস
- বিপিএলে দুর্নীতির থাবা, সাবেক পরিচালকসহ তিন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ
- নবম পে-স্কেল অনুমোদনের আড়ালে দুঃসংবাদ: বাতিল হচ্ছে বিশেষ সুবিধা
- ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুতে বড় আর্থিক প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা সরকারের
- বাংলাদেশের সংসদীয় গণতন্ত্র শক্তিশালী করতে সহযোগিতা বাড়াবে আইপিইউ: শামা ওবায়েদ
- প্রধানমন্ত্রীর কাছে মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিশেষ বার্তা, দ্রুতই সরাসরি বৈঠকের আভাস
- বিদ্যুৎ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে দুই বছর লাগবে না, সচিবালয়ে উপদেষ্টার বার্তা
- ভারত থেকে পালিয়ে আসা সন্ত্রাসীদের ঢাকায় আশ্রয় হবে না: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
- ট্রেজারি বন্ড ও বৈশ্বিক প্রভাবে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় ধাক্কা
- অতীতে আটকে থাকলে উন্নয়ন হবে না, সচিবালয়ে ভারতীয় হাইকমিশনারের বার্তা
- টুর্নামেন্টের মাঝপথে ক্যারিবীয় লিগে দল পেলেন বাংলাদেশের অলরাউন্ডার
- দেশের ৬ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আভাস, ১ নম্বর সতর্ক সংকেত
- থাইল্যান্ডের পাতায়ায় ৫ হাজার মার্কিন সেনা: যৌনকর্মীদের বিরুদ্ধে পুলিশের কড়া সতর্কতা
- জনগণের ভালোবাসার প্রতিদান দিতে চায় বিএনপি, বিশেষ বার্তায় প্রধানমন্ত্রী
- এক ঐতিহাসিক যুগের সমাপ্তি, আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানালেন মহাতারকা
- বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে টানাপোড়েন, সামনে বড় ওঠানামার আভাস
- ইরানকে ‘ব্যর্থ ও মৃত রাষ্ট্র’ ঘোষণা করে মার্কিন প্রেসিডেন্টের কড়া বার্তা
- পেট ফাঁপা ও বদহজম রোধে হেঁশেলের প্রাচীন উপায়ের কার্যকারিতা
- মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যুক্ত হতে চায় আরও ৬-৭টি দেশ: পাকিস্তান
- ৭ অঞ্চলের ওপর দিয়ে বয়ে যেতে পারে ঝোড়ো হাওয়া, নদীবন্দরে সতর্কতা
- সরকারি চাকরিজীবীদের ৯ম জাতীয় পে-স্কেলের গ্রেডভিত্তিক বেতন কাঠামো প্রকাশ
- ভারত সিরিজ নিয়ে মুখ খুললেন বোর্ডপ্রধান, জানালেন সর্বশেষ পরিস্থিতি
- ২১ বছরের পুরোনো মায়া কাটিয়ে নতুন স্থায়ী ঠিকানায় বাংলাদেশি মিডফিল্ডার
- আমিরাতের আল মিনহাদ ঘাঁটিতে মার্কিন সেনাদের ওপর ইরানের ড্রোন হামলা
- দীর্ঘ এক দশকের প্রতীক্ষার অবসান, নতুন বেতন কাঠামোয় মন্ত্রিসভার সবুজ সংকেত
- মোদির সঙ্গে বৈঠকে পেজেশকিয়ান: যুক্তরাষ্ট্রে যুদ্ধ টিকিয়ে রাখতে আগ্রহী একটি পক্ষ
- একীভূত ব্যাংকের আমানতকারীদের জন্য বড় ঘোষণা, অর্থ ফেরত শুরুর দিনক্ষণ চূড়ান্ত
- ভূগর্ভস্থ টানেলে আটকা শত শত প্রাণ, ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে চলছে উদ্ধার অভিযান
- নেপালে বন্যায় নিহতের সংখ্যা নিয়ে সরকারি পরিসংখ্যানে ভিন্নতা, নিখোঁজ বাড়ছে
- ইরানে পারমাণবিক হামলার পথ বেছে নিতে পারেন ট্রাম্প: জো কেন্ট
- নেপালে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের টানেলে শত শত শ্রমিক নিখোঁজ, ২৭৯ জন উদ্ধার
- কূটনীতি ও প্রতিরক্ষা সংলাপ দ্রুত চালুর বিষয়ে বাংলাদেশ-চীন ঐকমত্য
- রাজবাড়ীতে পুলিশের সামনে নারী উদ্যোক্তাকে মারধর, ভিডিও ভাইরাল
- ইরানে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে আফগান নাগরিকদের ফাঁসি: মানবাধিকার সংস্থা
- এক সপ্তাহে সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও মামলার ঘটনায় বিজেপিসির তীব্র নিন্দা
- তিস্তা পাড়ে মার্কিন রাষ্ট্রদূত, স্থানীয় সংকট নিয়ে কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা
- সেবা শেষে এবার বকশিশও দাবি করছে স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তি
- নতুন মৌসুমে স্থায়ী ঠিকানায় ফিরছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত তারকা
- দৈনন্দিন অভ্যাসে সামান্য বদলেই কমবে মাসের বাড়তি বিদ্যুৎ বিল
- তিস্তা মহাপরিকল্পনা ও অর্থনৈতিক করিডর নিয়ে চীন-বাংলাদেশ বৈঠক
- বিগত ১৬ বছরে গুমের শিকার পরিবারগুলোর দীর্ঘ অপেক্ষার ইতি চায় রাষ্ট্র
- ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধা থেকে বাদ পড়ছেন কারা, প্রকাশ পেল অযোগ্যতার তালিকা
- ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য, ৪ ভারতীয় প্রতিষ্ঠানে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা
- ট্রাম্পের ছেলে ব্যারনকে হত্যার হুমকি দিয়ে ইরানে ভিডিও প্রকাশ
- লাফিয়ে বাড়ছে স্বর্ণের দাম, নতুন রেকর্ডের পথে ভরি
- দুবার প্রস্তুতি, তারেক রহমানের দিল্লি সফর বারবার বাতিল, নেপথ্যে কী
- একীভূত ব্যাংকের আমানতকারীদের জন্য বড় ঘোষণা, অর্থ ফেরত শুরুর দিনক্ষণ চূড়ান্ত
- এক সপ্তাহে সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও মামলার ঘটনায় বিজেপিসির তীব্র নিন্দা
- বিদ্যুৎ খাতে ৬০ হাজার কোটি টাকার বকেয়া বড় চাপ: প্রতিমন্ত্রী
- নেপালে বিপর্যয়: শত শত মৃত্যু, নিখোঁজ ১৪০০
- মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে সারা দেশে আবহাওয়ার নতুন পূর্বাভাস
- নবম পে-স্কেল অনুমোদনের আড়ালে দুঃসংবাদ: বাতিল হচ্ছে বিশেষ সুবিধা
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারের সীমা: যেসব বিষয়ে নির্ভরতা বিপজ্জনক
- গ্রিন কার্ডের জন্য অপেক্ষমাণদের জন্য এলো বড় সুখবর
- চার বছরের বিরতি ভেঙে বড় পর্দায় ফিরে বক্স অফিসে ঝড়
- বাংলাদেশ একদিন জামায়াতের নেতৃত্বে পরিচালিত হবে: হামিদুর রহমান আযাদ
- এটা প্রশ্ন না পল্টনের বক্তৃতা: সংসদে হাসনাত আবদুল্লাহকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী








