ঈদের ছুটির আওতার বাইরে থাকবেন যেসব কর্মী ও সেবাখাত

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০৯ ১১:৩৪:৫২
ঈদের ছুটির আওতার বাইরে থাকবেন যেসব কর্মী ও সেবাখাত
ছবি: সংগৃহীত

আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সরকারি ছুটির সময়সূচিতে নতুন সংযোজন করেছে সরকার। পূর্বনির্ধারিত ছুটির মাঝখানে ১৮ মার্চ (বুধবার) এক দিনের অতিরিক্ত সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।

রোববার (৮ মার্চ) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এই দিনটিকে নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে ছুটির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, পবিত্র শবে কদর ও ঈদুল ফিতরের ছুটির মধ্যবর্তী সময় হওয়ায় জনগণের সুবিধা বিবেচনায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর ফলে ওই দিন দেশের সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি অফিস বন্ধ থাকবে।

তবে জনসেবামূলক জরুরি কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে কিছু গুরুত্বপূর্ণ সেবা এই ছুটির আওতার বাইরে রাখা হয়েছে। এর মধ্যে বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ও অন্যান্য জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা চালু থাকবে। একইভাবে ফায়ার সার্ভিস, বন্দর কার্যক্রম, নগর পরিচ্ছন্নতা সেবা এবং টেলিফোন ও ইন্টারনেট সেবা অব্যাহত থাকবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এছাড়া ডাক বিভাগের সেবা এবং সংশ্লিষ্ট পরিবহন ব্যবস্থাও স্বাভাবিকভাবে পরিচালিত হবে। জরুরি সেবার সঙ্গে যুক্ত যানবাহন ও কর্মীদেরও এই ছুটির আওতার বাইরে রাখা হয়েছে।

স্বাস্থ্যসেবার বিষয়েও বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী হাসপাতাল, চিকিৎসাসেবা এবং ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম পরিবহনের সঙ্গে যুক্ত কর্মীরা তাদের দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখবেন। ফলে জরুরি স্বাস্থ্যসেবায় কোনো বিঘ্ন ঘটবে না।

অন্যদিকে ব্যাংকিং খাতের কার্যক্রম পরিচালনার বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবে বাংলাদেশ ব্যাংক। পরিস্থিতি অনুযায়ী ব্যাংকগুলো খোলা রাখা বা সীমিত সেবা চালুর বিষয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক আলাদা নির্দেশনা জারি করতে পারে।

আদালত কার্যক্রমের ক্ষেত্রেও পৃথক নির্দেশনা দেওয়া হবে। বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট আদালতের কার্যক্রম পরিচালনার বিষয়ে প্রয়োজন অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেবে বলে জানানো হয়েছে।

এছাড়া বেসরকারি শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও কলকারখানার ক্ষেত্রে ছুটি ঘোষণার বিষয়টি সংশ্লিষ্ট আইনি কাঠামোর ভিত্তিতে নির্ধারিত হবে। এ বিষয়ে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় শ্রম আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করবে।

সরকারি সূত্রে জানা গেছে, ঈদুল ফিতর উপলক্ষে মানুষের যাতায়াত সহজ করা এবং দীর্ঘ ছুটির মাধ্যমে পরিবার-পরিজনের সঙ্গে সময় কাটানোর সুযোগ সৃষ্টি করাই এই অতিরিক্ত ছুটি ঘোষণার অন্যতম উদ্দেশ্য।

-রফিক


২৫শে মার্চ রাতে সারাদেশে প্রতীকী ব্ল্যাকআউট

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০৯ ১০:৩২:৩১
২৫শে মার্চ রাতে সারাদেশে প্রতীকী ব্ল্যাকআউট
ছবি : সংগৃহীত

১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ কালরাতে পাকিস্তানি বাহিনীর বর্বরতায় নিহত শহীদদের স্মরণে এবার সারাদেশে এক মিনিটের প্রতীকী ব্ল্যাকআউট পালন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আগামী ২৫শে মার্চ রাত ১০টা থেকে ১০টা ১ মিনিট পর্যন্ত এই কর্মসূচি পালিত হবে। তবে জরুরি স্থাপনা বা কেপিআইভুক্ত এলাকাগুলো এই ব্ল্যাকআউটের আওতামুক্ত থাকবে। রোববার (৮ মার্চ) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় ২৫শে মার্চ গণহত্যা দিবস এবং ২৬শে মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস মর্যাদাপূর্ণভাবে উদযাপনের লক্ষ্যে সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

শোকাবহ পরিবেশ বজায় রাখতে ২৫শে মার্চ রাতে দেশের কোথাও কোনো আলোকসজ্জা করা যাবে না। এমনকি বিশ্ব পরিস্থিতির প্রেক্ষাপট বিবেচনা করে ২৬শে মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবসেও আলোকসজ্জার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে সরকার। এই নির্দেশনাগুলো যথাযথভাবে বাস্তবায়নের জন্য বিভাগীয় কমিশনার, পুলিশ কমিশনার, ডিআইজি এবং জেলা প্রশাসকদের বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের গত ২৭শে জানুয়ারির সভার সিদ্ধান্তের আলোকে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিষয়গুলো বাস্তবায়নে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সমন্বিতভাবে কাজ করবে বলে সভায় জানানো হয়েছে।

দিবসটি উপলক্ষে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে স্মৃতিচারণ ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হবে। স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে ২৫শে মার্চের গণহত্যার সঠিক ইতিহাস শিক্ষার্থীদের সামনে তুলে ধরা হবে। এ ছাড়াও দুপুর ১২টা থেকে দেশের সব সিটি করপোরেশন এলাকায় গণহত্যা বিষয়ক তথ্যভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্র ও দুর্লভ আলোকচিত্র প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হবে। এসব কর্মসূচি সফল করতে পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনকে সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

শহীদদের আত্মার শান্তি কামনায় ওইদিন ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে সারাদেশে বিশেষ মোনাজাত ও প্রার্থনার আয়োজন করা হবে। ২৫শে মার্চ বাদ জোহর অথবা সুবিধাজনক সময়ে দেশের সব মসজিদ, মন্দির, গির্জা ও অন্যান্য উপাসনালয়ে এই প্রার্থনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। প্রতীকী ব্ল্যাকআউট কর্মসূচি সফল করতে বিদ্যুৎ বিভাগ ও জেলা প্রশাসন প্রয়োজনীয় কারিগরি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। জাতীয় ইতিহাসের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই দুই দিবসকে ঘিরে সরকার সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর বলে সভায় উপস্থিত কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

/আশিক


দেশে জ্বালানি রেশনিং শুরু: বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ও জেট ফুয়েলের দাম বৃদ্ধি

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০৯ ০৯:৩৪:৫৬
দেশে জ্বালানি রেশনিং শুরু: বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ও জেট ফুয়েলের দাম বৃদ্ধি
ছবি : সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ায় অভ্যন্তরীণ সংকট মোকাবিলায় কঠোর অবস্থানে গেছে সরকার। জ্বালানি তেলের সাশ্রয় নিশ্চিত করা এবং অবৈধ মজুতদারি রুখতে পেট্রোল পাম্পগুলোতে তেল সরবরাহ সীমিত করাসহ ১১ দফা নির্দেশনা জারি করেছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়। বর্তমানে দেশে এক মাসের মজুত থাকলেও যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ার আশঙ্কায় আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে রেশনিং পদ্ধতি চালু করা হয়েছে। একই সঙ্গে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ তেল ডিপোগুলোতে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি)।

জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্যে সোমবার (৯ মার্চ) থেকে দেশের সকল সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এছাড়া আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সংগতি রেখে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক রুটে চলাচলকারী উড়োজাহাজের জ্বালানি বা জেট ফুয়েলের দাম লিটার প্রতি ১৭ টাকা ২৯ পয়সা বাড়ানো হয়েছে। তবে ডিজেল, পেট্রোল ও অকটেনের মতো খুচরা জ্বালানির দাম এখনই বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা নেই বলে সরকারের পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বিশেষ নির্দেশনায় দাম না বাড়িয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার কৌশল নির্ধারণ করেছে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়।

বিপিসির নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, এখন থেকে ডিপো থেকে ফিলিং স্টেশনগুলোতে তেলের বরাদ্দ ২০ থেকে ২৫ শতাংশ কমানো হয়েছে। গ্রাহক পর্যায়েও তেলের রেশনিং শুরু হয়েছে, যেখানে মোটরসাইকেল দিনে সর্বোচ্চ ২ লিটার এবং ব্যক্তিগত গাড়ি ১০ লিটার তেল নিতে পারবে। এছাড়া বড় যানবাহন যেমন দূরপাল্লার বাস বা ট্রাকের জন্য দৈনিক সর্বোচ্চ ২০০ থেকে ২২০ লিটার তেলের সীমা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। অতিরিক্ত কেনাকাটা ও আতঙ্কিত হয়ে তেল জমানোর প্রবণতা রোধে রাজধানীসহ সারাদেশে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান শুরু হয়েছে এবং অবৈধ মজুতের দায়ে বেশ কিছু পাম্পকে জরিমানার আওতায় আনা হয়েছে।

জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু জানিয়েছেন, নতুন তেলবাহী জাহাজ দেশে পৌঁছানোয় মজুত বাড়তে শুরু করেছে। তবে যুদ্ধ পরিস্থিতির অনিশ্চয়তার কারণে রেশনিং ব্যবস্থা মেনে চলা অপরিহার্য। তিনি দেশবাসীকে আতঙ্কিত না হয়ে অপ্রয়োজনীয় জ্বালানি ব্যবহার পরিহার করার আহ্বান জানিয়েছেন। পাম্পগুলোতে দীর্ঘ সারি কমাতে এবং সরবরাহ ব্যবস্থা স্থিতিশীল রাখতে প্রশাসন ও পুলিশি টহল জোরদার করা হয়েছে। সরকারের লক্ষ্য হচ্ছে বিদ্যমান মজুত দিয়ে দীর্ঘ সময় পরিস্থিতি মোকাবিলা করা এবং আন্তর্জাতিক উৎস থেকে নতুন করে জ্বালানি সংগ্রহের চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া।

/আশিক


ঘরমুখো মানুষের স্বস্তি: টানা লম্বা ছুটির ক্যালেন্ডার প্রকাশ করল সরকার

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০৮ ১৯:৪০:০৬
ঘরমুখো মানুষের স্বস্তি: টানা লম্বা ছুটির ক্যালেন্ডার প্রকাশ করল সরকার
ছবি : সংগৃহীত

আসন্ন পবিত্র শবে কদর ও ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য সুখবর দিয়েছে সরকার। নির্বাহী আদেশে ছুটি একদিন বাড়িয়ে রোববার (৮ মার্চ) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। সহকারী সচিব এ বি এম আবু বাকার ছিদ্দিক স্বাক্ষরিত এই পরিপত্র অনুযায়ী, পূর্বনির্ধারিত ছুটির মধ্যবর্তী ১৮ মার্চ (বুধবার) সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এর ফলে শবে কদর ও ঈদের ছুটি মিলিয়ে টানা লম্বা বিরতি পেতে যাচ্ছেন সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা।

ছুটির হিসাব বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ১৭ মার্চ পবিত্র শবে কদরের ছুটির পর ১৮ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত টানা ছয় দিন ঈদের সাধারণ ছুটি থাকবে। ফলে ১৬ মার্চ হবে ঈদের আগে সরকারি চাকরিজীবীদের শেষ কর্মদিবস। এরপর ঈদের আমেজ কাটিয়ে ২৪ ও ২৫ মার্চ মাত্র দুদিন অফিস খোলা থাকবে। তবে এর পরপরই আবার ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসের ছুটি এবং ২৭ ও ২৮ মার্চ সাপ্তাহিক ছুটি (শুক্র-শনিবার) থাকায় মাসের শেষদিকেও টানা তিন দিনের ছুটির সুযোগ থাকছে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এই সিদ্ধান্তে সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি দেখা দিয়েছে, কারণ টানা ছুটির ফলে নাড়ির টানে বাড়ি ফেরা অনেক বেশি সহজ ও আরামদায়ক হবে। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, এই নির্বাহী আদেশের ছুটি দেশের সকল সরকারি ও বেসরকারি অফিসের জন্য কার্যকর হবে। তবে জরুরি সেবাসমূহ এই ছুটির আওতামুক্ত থাকবে কি না, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো আলাদা নির্দেশনা জারি করতে পারে।

/আশিক


ওসমান হাদি হত্যার প্রধান আসামি ফয়সাল মাসুদ ভারতে গ্রেপ্তার

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০৮ ১৯:০৪:০৩
ওসমান হাদি হত্যার প্রধান আসামি ফয়সাল মাসুদ ভারতে গ্রেপ্তার
ছবি : সংগৃহীত

ইনকিলাব মঞ্চের সাবেক মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদকে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির পুলিশ। রোববার (৮ মার্চ) পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্সের (এসটিএফ) সদস্যরা বনগাঁ সীমান্ত এলাকা থেকে তাকে আটক করেন। ভারতীয় বার্তা সংস্থা এএনআই-এর এক প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতে অনুপ্রবেশ এবং অবস্থানের অভিযোগে ফয়সাল করিম মাসুদ (ওরফে রাহুল) এবং আলমগীর হোসেন নামে দুই বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও তদন্তে জানা গেছে, গ্রেপ্তারকৃতরা বাংলাদেশে আলোচিত রাজনৈতিক কর্মী ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের সরাসরি সঙ্গে জড়িত এবং মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। দীর্ঘ দিন পলাতক থাকার পর তারা সীমান্ত পাড়ি দিয়ে ভারতে আত্মগোপন করার চেষ্টা করছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বাংলাদেশে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র হিসেবে পরিচিত শরীফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই ফয়সাল করিম মাসুদকে খুঁজছিল আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। ভারতের পুলিশের এই সফল অভিযানের পর এখন তাকে আইনি প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে আলোচনা শুরু হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ বর্তমানে গ্রেপ্তারকৃতদের রিমান্ডে নিয়ে তাদের সাথে আর কেউ জড়িত আছে কি না বা ভারতে তাদের কোনো আশ্রয়দাতা ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছে।

/আশিক


স্বাধীনতার ঘোষক জিয়া ও নারী ক্ষমতায়নের কারিগর খালেদা: রাষ্ট্রপতি

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০৮ ১৭:২৩:২৮
স্বাধীনতার ঘোষক জিয়া ও নারী ক্ষমতায়নের কারিগর খালেদা: রাষ্ট্রপতি
ছবি : সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে স্বাধীনতার ঘোষক হিসেবে উল্লেখ করে নারী ক্ষমতায়নে তাঁর এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন।

রোববার (৮ মার্চ) রাজধানীর ওসমানী মিলনায়তনে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি বলেন, জিয়াউর রহমান নারী ক্ষমতায়নের যে শক্তিশালী ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন, বেগম খালেদা জিয়া সেটিকে আধুনিক ও সময়োপযোগী রূপ দিয়েছেন। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে ২০২৪ সালের গণআন্দোলনে শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি একটি বৈষম্যহীন ও ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

রাষ্ট্রপতি তাঁর ভাষণে উল্লেখ করেন, স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ১৯৭৬ সালে রাষ্ট্রপতির সচিবালয়ে প্রথম নারী বিষয়ক দপ্তর এবং ১৯৭৮ সালে পৃথক মহিলা বিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠন করে নারীর রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক মুক্তি নিশ্চিত করার পথপ্রদর্শক হিসেবে কাজ করেছিলেন। পরবর্তীতে বেগম খালেদা জিয়া সেই ধারাকে আরও বেগবান করে এটিকে বর্তমান মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে রূপান্তর করেন।

অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া নারীদের স্বাবলম্বী করতে সরকারের নতুন উদ্যোগ ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির কথা উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি জানান, আগামী ১০ মার্চ থেকে এই কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে, যা তৃণমূল পর্যায়ে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। জিডিপিতে নারীর ১৬ শতাংশ অবদানের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি ঘরে-বাইরে নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

অনুষ্ঠানের এক পর্যায়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে ‘গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রায় শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’ সম্মাননায় ভূষিত করা হয়। আপসহীন সংগ্রামের মাধ্যমে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং গণতান্ত্রিক ধারা প্রতিষ্ঠায় অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এই বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়। খালেদা জিয়ার পক্ষে এই পুরস্কারটি রাষ্ট্রপতির হাত থেকে গ্রহণ করেন তাঁর নাতনি ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান। বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের জন্য এ বছর মোট পাঁচটি ক্যাটাগরিতে পাঁচজন শ্রেষ্ঠ অদম্য নারীকে এই বিশেষ পুরস্কারে সম্মানিত করা হয়েছে।

/আশিক


স্বাধীনতা দিবসে দেশজুড়ে থাকবে না আলোকসজ্জা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০৮ ১৬:১৮:০৩
স্বাধীনতা দিবসে দেশজুড়ে থাকবে না আলোকসজ্জা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ছবি : সংগৃহীত

দেশের চলমান জ্বালানি সংকট ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে আসন্ন ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবসে দেশব্যাপী কোনো ধরনের আলোকসজ্জা না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। রোববার (৮ মার্চ) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত কমিটির বৈঠক শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সাংবাদিকদের এই তথ্য নিশ্চিত করেন। প্রতি বছর স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সরকারি-বেসরকারি ভবন ও গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে যে আলোকসজ্জা করা হয়, বর্তমান বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ প্রেক্ষাপটে জ্বালানি সাশ্রয় এবং সম্ভাব্য সংকট এড়াতে এবার তা থেকে বিরত থাকার এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এই উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তর ও দেশবাসীর পূর্ণ সহযোগিতা কামনা করেছেন।

২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসের পাশাপাশি ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস পালনের বিষয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়। মন্ত্রী জানান, গণহত্যা দিবস অত্যন্ত যথাযথ মর্যাদা ও শোকাবহ পরিবেশে পালন করা হবে, যেখানে ধর্ম এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় মূল ভূমিকা পালন করবে এবং সার্বিক নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ২৬ মার্চ ভোরে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের পুষ্পমাল্য অর্পণ এবং যাতায়াত ব্যবস্থা নির্বিঘ্ন করতে বিশেষ নিরাপত্তা ও ট্রাফিক পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়া আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সাধারণ মানুষের ঘরমুখো যাত্রা নিরাপদ ও ভোগান্তিহীন করতে বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে বিশেষ প্রস্তুতি নিয়েছে সরকার।

শিল্পাঞ্চলগুলোতে ঈদের আগে শ্রমিকদের বেতন-ভাতা নিয়ে যাতে কোনো অস্থিরতা তৈরি না হয়, সে লক্ষ্যে বিজিএমইএ ও বিকেএমইএসহ সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলোর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। অধিকাংশ কারখানাই ঈদের আগে বেতন-বোনাস পরিশোধ করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। এই প্রক্রিয়া তদারকির জন্য ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপিকে ফোকাল পয়েন্ট হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, দেশজুড়ে আলোচিত 'মব জাস্টিস' বা গণপিটুনির মতো ঘটনা প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, সব অপরাধকে মব সহিংসতার সঙ্গে গুলিয়ে ফেলা ঠিক হবে না। কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটলেও সরকার তা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে এবং বাংলাদেশ থেকে এই সংস্কৃতি চিরতরে বিলুপ্ত করতে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ বলে তিনি মন্তব্য করেন।

/আশিক


স্বাধীনতা দিবসে দেশজুড়ে থাকবে না আলোকসজ্জা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০৮ ১৬:১৮:০৩
স্বাধীনতা দিবসে দেশজুড়ে থাকবে না আলোকসজ্জা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ছবি : সংগৃহীত

দেশের চলমান জ্বালানি সংকট ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে আসন্ন ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবসে দেশব্যাপী কোনো ধরনের আলোকসজ্জা না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। রোববার (৮ মার্চ) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত কমিটির বৈঠক শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সাংবাদিকদের এই তথ্য নিশ্চিত করেন। প্রতি বছর স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সরকারি-বেসরকারি ভবন ও গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে যে আলোকসজ্জা করা হয়, বর্তমান বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ প্রেক্ষাপটে জ্বালানি সাশ্রয় এবং সম্ভাব্য সংকট এড়াতে এবার তা থেকে বিরত থাকার এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এই উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তর ও দেশবাসীর পূর্ণ সহযোগিতা কামনা করেছেন।

২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসের পাশাপাশি ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস পালনের বিষয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়। মন্ত্রী জানান, গণহত্যা দিবস অত্যন্ত যথাযথ মর্যাদা ও শোকাবহ পরিবেশে পালন করা হবে, যেখানে ধর্ম এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় মূল ভূমিকা পালন করবে এবং সার্বিক নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ২৬ মার্চ ভোরে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের পুষ্পমাল্য অর্পণ এবং যাতায়াত ব্যবস্থা নির্বিঘ্ন করতে বিশেষ নিরাপত্তা ও ট্রাফিক পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়া আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সাধারণ মানুষের ঘরমুখো যাত্রা নিরাপদ ও ভোগান্তিহীন করতে বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে বিশেষ প্রস্তুতি নিয়েছে সরকার।

শিল্পাঞ্চলগুলোতে ঈদের আগে শ্রমিকদের বেতন-ভাতা নিয়ে যাতে কোনো অস্থিরতা তৈরি না হয়, সে লক্ষ্যে বিজিএমইএ ও বিকেএমইএসহ সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলোর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। অধিকাংশ কারখানাই ঈদের আগে বেতন-বোনাস পরিশোধ করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। এই প্রক্রিয়া তদারকির জন্য ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপিকে ফোকাল পয়েন্ট হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, দেশজুড়ে আলোচিত 'মব জাস্টিস' বা গণপিটুনির মতো ঘটনা প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, সব অপরাধকে মব সহিংসতার সঙ্গে গুলিয়ে ফেলা ঠিক হবে না। কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটলেও সরকার তা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে এবং বাংলাদেশ থেকে এই সংস্কৃতি চিরতরে বিলুপ্ত করতে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ বলে তিনি মন্তব্য করেন।

/আশিক


‘অদম্য নারী’ স্বীকৃতি পেলেন খালেদা জিয়া

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০৮ ১৩:৩৪:১২
‘অদম্য নারী’ স্বীকৃতি পেলেন খালেদা জিয়া
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের নারী শিক্ষা, গণতান্ত্রিক রাজনীতি এবং নারী নেতৃত্বের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে মরণোত্তর ‘শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’ সম্মাননায় ভূষিত করা হয়েছে।

আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে রোববার (৮ মার্চ) সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়। রাষ্ট্রীয় আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখা নারীদের স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বেগম খালেদা জিয়ার পক্ষে সম্মাননাটি তুলে দেন তার নাতনি ব্যারিস্টার জাইমা রহমানের হাতে। এই মুহূর্তটি অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিদের মধ্যে বিশেষ গুরুত্ব ও আবেগের সৃষ্টি করে।

বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতিতে নারী নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা এবং গণতন্ত্রের সংগ্রামে বেগম খালেদা জিয়ার ভূমিকা ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে। একজন নারী হিসেবে দেশের সর্বোচ্চ নির্বাহী দায়িত্ব পালন করে তিনি রাজনীতিতে নারীর অংশগ্রহণের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছিলেন।

আলোচনায় আরও উল্লেখ করা হয়, তার রাজনৈতিক জীবন ছিল নানা চ্যালেঞ্জ, প্রতিকূলতা ও সংগ্রামে পরিপূর্ণ। তবুও তিনি দীর্ঘ সময় ধরে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে সক্রিয় নেতৃত্ব দিয়ে গণতান্ত্রিক রাজনীতির ধারাবাহিকতা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

আয়োজকদের মতে, নারী শিক্ষা, সামাজিক ক্ষমতায়ন এবং রাজনৈতিক অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে নারীদের এগিয়ে নিতে যে অনুপ্রেরণার প্রয়োজন, বেগম খালেদা জিয়ার সংগ্রামী জীবন সেই অনুপ্রেরণার একটি প্রতীক।

আন্তর্জাতিক নারী দিবসের এই আয়োজনের মাধ্যমে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসামান্য অবদান রাখা নারীদের সম্মাননা প্রদানের পাশাপাশি নারীর অধিকার, নিরাপত্তা এবং সমান সুযোগ নিশ্চিত করার বিষয়ে নতুন করে প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করা হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত বক্তারা বলেন, নারীদের সামাজিক, অর্থনৈতিক এবং রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন ছাড়া টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। তাই নারীর শিক্ষা, নেতৃত্ব এবং অংশগ্রহণ নিশ্চিত করাই একটি উন্নত ও সমতাভিত্তিক সমাজ গঠনের অন্যতম প্রধান শর্ত।

-রাফসান


নারী দিবসে খালেদা জিয়াকে সাহসের প্রতীক বললেন জুবাইদা রহমান

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০৮ ১৩:২৩:১৫
নারী দিবসে খালেদা জিয়াকে সাহসের প্রতীক বললেন জুবাইদা রহমান
ছবি: সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে সাহস, দৃঢ়তা ও অদম্যতার প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করেছেন ডা. জুবাইদা রহমান। তিনি বলেন, প্রতিকূলতা ও কঠিন সময়ের মধ্যেও খালেদা জিয়ার অবিচল নেতৃত্ব বহু নারীর জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে আছে।

রোববার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত জাতীয় অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশিষ্ট নারী, সরকারি কর্মকর্তা এবং সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

ডা. জুবাইদা রহমান তার বক্তব্যে বলেন, দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম এবং নানা প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রীদের একজন বেগম খালেদা জিয়া দৃঢ়তা ও সাহসিকতার সঙ্গে নেতৃত্ব দিয়েছেন। তার মতে, কঠিন পরিস্থিতিতেও নীতিগত অবস্থান ধরে রাখার ক্ষমতা এবং সংগ্রামী মানসিকতা নারীদের জন্য শক্তির প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

তিনি আরও বলেন, একটি জাতির উন্নয়ন তখনই সম্ভব, যখন নারীরা শিক্ষা, অর্থনীতি, রাজনীতি এবং সামাজিক নেতৃত্বের ক্ষেত্রে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করতে পারেন। তাই নারীকে এগিয়ে নেওয়ার মাধ্যমে দেশের সামগ্রিক অগ্রগতির পথ সুগম করা সম্ভব।

ডা. জুবাইদা রহমান তার বক্তব্যে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠনের আহ্বান জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশকে এমন একটি রাষ্ট্রে পরিণত করতে হবে যেখানে প্রতিটি নারী নিরাপত্তা, মর্যাদা এবং সমান সুযোগ নিশ্চিতভাবে পাবে। তার মতে, এবারের আন্তর্জাতিক নারী দিবস কেবল উদযাপনের দিন নয়; বরং সাম্য, ন্যায়বিচার এবং সামাজিক ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠার জন্য নতুন করে অঙ্গীকার করার একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত।

অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে বাংলাদেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখা নারীদের সম্মাননা প্রদান করা হয়। এ সময় বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে ‘শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’ সম্মাননা প্রদান করা হয়। তার পক্ষে এই সম্মাননা গ্রহণ করেন তার নাতনি ব্যারিস্টার জাইমা রহমান।

একই অনুষ্ঠানে সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখার জন্য আরও পাঁচজন নারীকে সম্মানিত করা হয়। অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারী নারী ক্যাটাগরিতে সম্মাননা পান নুরুন নাহার আক্তার।

শিক্ষা ও চাকরিক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারী নারী হিসেবে সম্মানিত হন মোছা. ববিতা খাতুন। এছাড়া সফল জননী নারী ক্যাটাগরিতে স্বীকৃতি পান নুরবানু কবীর।

অন্যদিকে জীবনের কঠিন প্রতিকূলতা অতিক্রম করে সংগ্রামের মাধ্যমে নতুন পথ তৈরি করার জন্য ‘নির্যাতনের দুঃস্বপ্ন মুছে ফেলে জীবন সংগ্রামে জয়ী নারী’ বিভাগে সম্মাননা দেওয়া হয় মোছা. শমলা বেগমকে।

এছাড়া সমাজ উন্নয়নে বিশেষ অবদান রাখার স্বীকৃতি হিসেবে ‘সমাজ উন্নয়নে অসামান্য অবদান রাখা নারী’ বিভাগে সম্মানিত হন মোছা. আফরোজা ইয়াসমিন।

আয়োজকদের মতে, এই সম্মাননা শুধু ব্যক্তিগত অর্জনের স্বীকৃতি নয়; বরং বাংলাদেশের নারীদের সামাজিক, অর্থনৈতিক এবং রাজনৈতিক অংশগ্রহণকে আরও শক্তিশালী করার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রেরণা। তাদের মতে, নারীর সাফল্যকে স্বীকৃতি দেওয়ার মাধ্যমে সমাজে ইতিবাচক বার্তা ছড়িয়ে পড়ে এবং নতুন প্রজন্মের নারীরা নেতৃত্বের পথে এগিয়ে যেতে উৎসাহিত হন।

-রাফসান

পাঠকের মতামত: