পশ্চিমের সাথে সংলাপ নাকি সংঘাত? হাসান খোমেনির দিকে তাকিয়ে বিশ্বশক্তি

মধ্যপ্রাচ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০২ ১৯:৩২:৩২
পশ্চিমের সাথে সংলাপ নাকি সংঘাত? হাসান খোমেনির দিকে তাকিয়ে বিশ্বশক্তি
ছবি : সংগৃহীত

আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির আকস্মিক মৃত্যুর পর ইরানের ক্ষমতার মসনদে কে বসছেন, তা নিয়ে বিশ্বজুড়ে শুরু হয়েছে তুমুল জল্পনা। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ৮৬ বছর বয়সী এই নেতার চিরবিদায়ের পর উত্তরসূরি হিসেবে যার নাম সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত হচ্ছে, তিনি হলেন ইসলামি প্রজাতন্ত্রের প্রতিষ্ঠাতা আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির নাতি হাসান খোমেনি। ৫৩ বছর বয়সী হাসান খোমেনিকে ইরানের ধর্মীয় ও রাজনৈতিক মহলে একজন প্রভাবশালী এবং তুলনামূলক মধ্যপন্থী নেতা হিসেবে বিবেচনা করা হয়। রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, খোমেনির ১৫ জন নাতি-নাতনির মধ্যে তিনিই সবচেয়ে পরিচিত মুখ এবং সাবেক প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ খাতামি ও হাসান রুহানির ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে পরিচিত।

হাসান খোমেনি বর্তমানে দক্ষিণ তেহরানে তার দাদার সমাধিসৌধের তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন, যা ইরানি রাজনীতিতে অত্যন্ত প্রতীকী গুরুত্ব বহন করে। যদিও তিনি কখনো সরাসরি কোনো সরকারি পদে ছিলেন না, তবুও বিশ্লেষকরা মনে করছেন তিনি খামেনির ছেলে মোজতবা খামেনির মতো কট্টরপন্থী প্রার্থীদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারেন। ইতিপূর্বে ২০২১ সালের নির্বাচনে সংস্কারপন্থী প্রার্থীদের বাদ দেওয়ায় তিনি গার্ডিয়ান কাউন্সিলের কড়া সমালোচনা করেছিলেন। এছাড়া ২০২২ সালে মাহসা আমিনির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে বিক্ষোভ শুরু হলে তিনি স্বচ্ছ তদন্তের দাবি জানিয়েছিলেন, যা সাধারণ মানুষের কাছে তার গ্রহণযোগ্যতা বাড়িয়ে দিয়েছে। তবে একই সাথে খামেনিবিরোধী স্লোগানের সমালোচনা করে তিনি বর্তমান শাসন কাঠামোর প্রতি নিজের আনুগত্যও বজায় রেখেছেন।

রাজনৈতিকভাবে হাসান খোমেনি ইসলামি প্রজাতন্ত্রের কাঠামোর ভেতরে থেকেই সংস্কারের পক্ষে। তিনি ২০১৫ সালের পারমাণবিক চুক্তির কড়া সমর্থক ছিলেন এবং পশ্চিমাদের সাথে আলোচনার মাধ্যমে সম্পর্ক উন্নয়নের নীতিতে বিশ্বাস করেন। এক দশক আগে বিশেষজ্ঞ পরিষদে (অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টস) অংশগ্রহণের চেষ্টা করলেও গার্ডিয়ান কাউন্সিল তাকে অযোগ্য ঘোষণা করেছিল, যাকে অনেকেই সংস্কারপন্থীদের ঠেকানোর কৌশল হিসেবে দেখেছিলেন। আরবি ও ইংরেজিতে সাবলীল এবং পাশ্চাত্য দর্শনে আগ্রহী হাসান খোমেনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বেশ সক্রিয়। ব্যক্তিগত জীবনে আয়াতুল্লাহ পরিবারের কন্যা সাইয়্যেদা ফাতিমার স্বামী এবং চার সন্তানের জনক হাসান খোমেনি এখন ইরানের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব নির্ধারণে অন্যতম তুরুপের তাস হয়ে উঠতে পারেন।

/আশিক


খামেনি হত্যার চরম প্রতিশোধ! এবার খোদ প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে আঘাত হানল ইরান

মধ্যপ্রাচ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০২ ১৯:০০:২০
খামেনি হত্যার চরম প্রতিশোধ! এবার খোদ প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে আঘাত হানল ইরান
ছবি : সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত এবার চরম শিখরে পৌঁছেছে। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হওয়ার প্রতিশোধ নিতে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয়ে সরাসরি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। সোমবার (২ মার্চ) ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত বার্তা সংস্থা ফারস নিউজ এজেন্সির এক প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য জানানো হয়েছে।

আইআরজিসি তাদের বিবৃতিতে জানিয়েছে, কেবল প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ই নয়, বরং ইসরায়েলি বিমানবাহিনী প্রধানের সদর দপ্তরকেও এই অভিযানে নিখুঁতভাবে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। এই হামলায় ইরান তাদের নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি অত্যাধুনিক 'খাইবার' ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে। বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর পক্ষ থেকে এই হামলাকে 'ইহুদিবাদী শাসকগোষ্ঠীর অপরাধের জবাব' হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে।

তেহরানের পক্ষ থেকে এমন সরাসরি এবং উচ্চপর্যায়ের হামলার দাবি বিশ্ব রাজনীতিতে বড় ধরনের কম্পন সৃষ্টি করেছে। বিশেষ করে নেতানিয়াহুর কার্যালয়কে নিশানা করার বিষয়টি প্রমাণ করে যে, ইরান এখন ইসরায়েলের শীর্ষ নেতৃত্বের ওপর সরাসরি আঘাত হানতে বিন্দুমাত্র দ্বিধা করছে না। এই ঘটনার পর পুরো মধ্যপ্রাচ্যে এক ভয়াবহ যুদ্ধের দামামা বাজছে, যার রেশ বিশ্ব অর্থনীতি ও শান্তিতে দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব ফেলতে পারে।

/আশিক


রেড ক্রিসেন্টের ভয়াবহ তথ্য: যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল হামলায় ইরানে লাশের মিছিল

মধ্যপ্রাচ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০২ ১৬:০৫:৪৮
রেড ক্রিসেন্টের ভয়াবহ তথ্য: যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল হামলায় ইরানে লাশের মিছিল
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযানে নিহতের সংখ্যা ৫৫০ ছাড়িয়েছে। ছবি: সিবিসি

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযানে নিহতের সংখ্যা ৫৫০ ছাড়িয়ে গেছে বলে নিশ্চিত করেছে দেশটির রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি। সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ভয়াবহ এই হামলায় এখন পর্যন্ত অন্তত ৫৫৫ জন প্রাণ হারিয়েছেন এবং নিহতের এই সংখ্যা আরও বাড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। ইরানের মেহর নিউজ এজেন্সি স্থানীয় কর্মকর্তাদের উদ্ধৃতি দিয়ে জানিয়েছে, দেশটির দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় ফার্স প্রদেশেই কেবল ৩৫ জন নিহত হয়েছেন। গত কয়েক দিন ধরে চলা এই আকাশপথের আক্রমণে ইরানের একের পর এক জনপদ এখন ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।

ইরান রেড ক্রিসেন্টের দেওয়া তথ্যমতে, দেশটির অন্তত ১৩১টি শহর এই বিধ্বংসী হামলার শিকার হয়েছে। সামরিক স্থাপনার পাশাপাশি আবাসিক এলাকা ও বেসামরিক অবকাঠামো লক্ষ্যবস্তু হওয়ায় হতাহত ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বহুগুণ বেড়ে গেছে। বর্তমানে আক্রান্ত শহরগুলোতে রেড ক্রিসেন্টের মানবিক মিশনের নেতৃত্বে উদ্ধার তৎপরতা বিরতিহীনভাবে চলছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় দেশজুড়ে ১ লাখেরও বেশি উদ্ধারকর্মী এবং জরুরি সাড়াদানকারী দল সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় কাজ করছে। এছাড়া প্রায় ৪০ লাখ স্বেচ্ছাসেবীর একটি বিশাল নেটওয়ার্ক ক্ষতিগ্রস্তদের চিকিৎসাসেবা ও মানসিক সমর্থন দিতে প্রস্তুত রয়েছে।

আক্রান্ত ফার্স প্রদেশসহ বিভিন্ন স্থানে উদ্ধারকারীরা ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে জীবিত ও মৃতদেহ উদ্ধারে আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। মেহর নিউজ জানিয়েছে, অনেক এলাকায় যোগাযোগ ও বিদ্যুৎ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় ত্রাণ কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। হাসপাতালগুলোতে আহতদের ভিড় বাড়ায় জরুরি রক্ত ও ওষুধের সংকট দেখা দিয়েছে। ইরান রেড ক্রিসেন্ট জানিয়েছে, তারা পূর্ণ শক্তিতে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রেখেছে এবং গৃহহীন হয়ে পড়া নাগরিকদের আশ্রয় ও খাদ্য নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছে।

ইরানের সামরিক কমান্ড এই হামলাকে ‘গণহত্যা’ হিসেবে অভিহিত করে এর কড়া নিন্দা জানিয়েছে। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল দাবি করেছে যে, তারা কেবল ইরানের সামরিক সক্ষমতাকে লক্ষ্য করেই এই অভিযান চালাচ্ছে। তবে রেড ক্রিসেন্টের দেওয়া বেসামরিক মানুষের প্রাণহানি ও বিপুলসংখ্যক শহর ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পরিসংখ্যান আন্তর্জাতিক মহলে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। আকাশপথে আরও হামলার শঙ্কা থাকা সত্ত্বেও বর্তমানে উদ্ধার কার্যক্রমকেই ইরান সরকার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে।

সূত্র: আল জাজিরা


ওয়াশিংটনের সাথে হবে না কোনো বৈঠক: ইরানের নিরাপত্তা প্রধান

মধ্যপ্রাচ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০২ ১২:২০:১৮
ওয়াশিংটনের সাথে হবে না কোনো বৈঠক: ইরানের নিরাপত্তা প্রধান
ইরানের নিরাপত্তা বিষয়ক প্রধান আলী লারিজানি। ছবি : সংগৃহীত

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হওয়ার পর উদ্ভূত পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনায় বসার সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়েছেন দেশটির নিরাপত্তা বিষয়ক প্রধান আলী লারিজানি। সোমবার (২ মার্চ) এক কড়া বিবৃতিতে তিনি ওয়াশিংটনের সঙ্গে নতুন করে কোনো আলোচনার উদ্যোগ নেওয়ার খবরকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দেন। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা লারিজানির এই অনমনীয় অবস্থানের কথা নিশ্চিত করেছে।

এর আগে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে খবর ছড়িয়েছিল যে, ওমানের মধ্যস্থতায় ওয়াশিংটনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছে তেহরান। তবে লারিজানি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দেন, ‘আমরা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো আলোচনা করব না।’ তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের তীব্র সমালোচনা করে বলেন, ট্রাম্পের ‘ভ্রান্ত কল্পনা’র কারণে আজ পুরো মধ্যপ্রাচ্য চরম অস্থিরতার মুখে পড়েছে। লারিজানির দাবি, ট্রাম্পের ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ স্লোগান এখন কার্যত ‘ইসরায়েল ফার্স্ট’-এ পরিণত হয়েছে, যেখানে মার্কিন সেনাদের জীবনকে ইসরায়েলের স্বার্থ রক্ষায় বলি দেওয়া হচ্ছে।

গত শনিবার থেকে শুরু হওয়া যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযানে ইরানের সর্বোচ্চ নেতাসহ শীর্ষ কর্মকর্তাদের মৃত্যুর পর দুই দেশের সম্পর্ক এখন খাদের কিনারায়। এই হামলার প্রতিশোধ নিতে ইরান ইতিমধ্যে উপসাগরীয় দেশগুলোতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। ওই পাল্টা হামলায় তিনজন মার্কিন সেনা নিহত এবং পাঁচজন গুরুতর আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। লারিজানির এই কঠোর বার্তা ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, অদূর ভবিষ্যতে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে কূটনৈতিক সমাধানের পথ পুরোপুরি রুদ্ধ হয়ে গেছে।

/আশিক


ইরানি হামলার আশঙ্কায় কাতার: বিস্ফোরণে কাঁপছে রাজধানী দোহা

মধ্যপ্রাচ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০২ ১১:৩৮:৪২
ইরানি হামলার আশঙ্কায় কাতার: বিস্ফোরণে কাঁপছে রাজধানী দোহা
ছবি : সংগৃহীত

কাতারের রাজধানী দোহায় অন্তত ছয়টি শক্তিশালী বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে, যা চলমান মধ্যপ্রাচ্য সংকটে নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা সোমবার (২ মার্চ) এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, এই বিস্ফোরণগুলো ইরান কর্তৃক পাল্টা হামলার ধারাবাহিকতা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। খামেনি হত্যার পর ইরানের পক্ষ থেকে যে প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপের ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল, দোহায় এই হামলা তারই অংশ হওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

দোহায় এই বিস্ফোরণের ঘটনাটি এমন এক সময়ে ঘটল যখন গত কয়েক দিন ধরে উপসাগরীয় অঞ্চলের বিভিন্ন দেশে একের পর এক বিস্ফোরণ ও হামলার ঘটনা ঘটছে। এর আগে গত রবিবার সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাণিজ্যিক কেন্দ্র দুবাই এবং বাহরাইনের রাজধানী মানামাতেও একই ধরনের বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গিয়েছিল। এই ধারাবাহিক হামলাগুলো বৃহত্তর আঞ্চলিক উত্তেজনার আশঙ্কাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে, যা মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মধ্যে গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।

আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই পরিস্থিতি একটি বৃহত্তর ও সর্বাত্মক যুদ্ধের দিকে মোড় নিতে পারে। ইরান ও তার মিত্রদের পক্ষ থেকে উপসাগরীয় দেশগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা মূলত যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি জোটের ওপর চাপ সৃষ্টির একটি কৌশল হতে পারে। দোহা, দুবাই এবং মানামার মতো গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলোতে বিস্ফোরণের ঘটনা বিশ্ব অর্থনীতি ও জ্বালানি বাজারেও অস্থিরতা তৈরি করার সক্ষমতা রাখে। এই অস্থিতিশীলতা এখন পুরো মধ্যপ্রাচ্যকে এক দীর্ঘস্থায়ী ও ভয়াবহ সংঘাতের দ্বারপ্রান্তে ঠেলে দিচ্ছে।

/আশিক


খামেনি হত্যার প্রতিশোধ নিতে ইসরায়েলের সামরিক ঘাঁটিতে হিজবুল্লাহর হামলা

মধ্যপ্রাচ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০২ ১০:০৮:১৯
খামেনি হত্যার প্রতিশোধ নিতে ইসরায়েলের সামরিক ঘাঁটিতে হিজবুল্লাহর হামলা
ছবি : সংগৃহীত

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি হত্যার প্রতিশোধ নিতে ইসরায়েলের হাইফা শহরের একটি সামরিক ঘাঁটিতে শক্তিশালী হামলার দাবি করেছে লেবাননভিত্তিক সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ। গোষ্ঠীটি জানিয়েছে, লেবানন ও এর জনগণকে রক্ষা এবং ইসরায়েলি আগ্রাসনের দাঁতভাঙা জবাব দিতেই এই বিশেষ সামরিক অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা সোমবার (২ মার্চ) এক প্রতিবেদনে হিজবুল্লাহর এই সামরিক পদক্ষেপের খবরটি নিশ্চিত করেছে।

হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকে দেওয়া এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইসরায়েলি বাহিনী গত ১৫ মাস ধরে যে নিরবচ্ছিন্ন আগ্রাসন চালিয়ে আসছে, তা কোনোভাবেই বিনা চ্যালেঞ্জে ছেড়ে দেওয়া হবে না। বিবৃতিতে জোর দিয়ে বলা হয়, আমাদের নেতা ও বীর যোদ্ধাদের হত্যার পাল্টা জবাব দেওয়ার পূর্ণ অধিকার হিজবুল্লাহর রয়েছে। উপযুক্ত সময়ে এবং সঠিক স্থানে এই ধরণের আরও কঠোর জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে গোষ্ঠীটি। হাইফায় চালানো এই হামলা মূলত অধিকৃত ভূখণ্ড থেকে ইসরায়েলি বাহিনীকে পিছু হটতে বাধ্য করার একটি প্রাথমিক সতর্কবার্তা।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলায় খামেনি নিহত হওয়ার পর এটিই হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকে নেওয়া প্রথম কোনো বড় ধরণের সামরিক পদক্ষেপ। এর আগে খামেনি হত্যার প্রতিক্রিয়ায় ইরান সরাসরি ইসরায়েলের বিভিন্ন শহরে দফায় দফায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছিল। হিজবুল্লাহর এই নতুন ফ্রন্ট খোলার ঘোষণা মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতিকে আরও জটিল ও ভয়াবহ করে তুলবে বলে আশঙ্কা করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা। বিশেষ করে হাইফার মতো গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ও কৌশলগত এলাকায় হামলা ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সূত্র : আলজাজিরা।


মৃত্যু গুজব উড়িয়ে দিলেন আহমাদিনেজাদ: নিরাপদ আছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট

মধ্যপ্রাচ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০২ ০৯:৩৭:২৩
মৃত্যু গুজব উড়িয়ে দিলেন আহমাদিনেজাদ: নিরাপদ আছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট
ছবি : সংগৃহীত

ইরানের সাবেক কট্টরপন্থী প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আহমাদিনেজাদ নিহত হওয়ার খবরটি কেবলই গুজব বলে নিশ্চিত করেছে তাঁর ঘনিষ্ঠ সূত্র। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) থেকে ইরানজুড়ে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের ভয়াবহ বিমান হামলার পর আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে তাঁর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ে। তবে রোববার (১ মার্চ ২০২৬) তুরস্কের বার্তা সংস্থা আনাদোলুকে দেওয়া এক বিবৃতিতে আহমাদিনেজাদের এক উপদেষ্টা নিশ্চিত করেছেন যে, সাবেক এই প্রেসিডেন্ট সম্পূর্ণ সুস্থ ও নিরাপদ আছেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই উপদেষ্টা জানান, শনিবার আহমাদিনেজাদের নিরাপত্তার কাজে ব্যবহৃত একটি ভবনে বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। ওই হামলায় ইরানের বিশেষ বাহিনী আইআরজিসি-র (IRGC) তিন সদস্য নিহত হয়েছেন, যারা মূলত সাবেক এই প্রেসিডেন্টের দেহরক্ষী হিসেবে নিয়োজিত ছিলেন। উপদেষ্টার দাবি অনুযায়ী, আহমাদিনেজাদের মূল বাসভবনটি আক্রান্ত ভবন থেকে মাত্র ১০০ মিটার দূরে হলেও সেটি লক্ষ্যবস্তু ছিল না এবং ভবনটি পুরোপুরি অক্ষত রয়েছে।

২০০৫ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত ইরানের প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করা আহমাদিনেজাদ তাঁর পশ্চিমাবিরোধী অবস্থানের জন্য বিশ্বজুড়ে আলোচিত। বর্তমান যুদ্ধাবস্থায় যখন ইরানের একের পর এক শীর্ষ নেতা নিহত হচ্ছেন, তখন তাঁর বেঁচে থাকার খবরটি তেহরানের জন্য কিছুটা হলেও মানসিক শক্তি হিসেবে কাজ করবে। তবে খামেনি পরিবারের করুণ পরিণতির পর আহমাদিনেজাদের নিরাপত্তা নিয়ে এখনও গভীর উদ্বেগ কাটছে না।

/আশিক


শহীদ বাঘেরি কমপ্লেক্স লণ্ডভণ্ড: ভয়াবহ বিস্ফোরণে কাঁপছে তেহরান

মধ্যপ্রাচ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০২ ০৯:২৬:০৯
শহীদ বাঘেরি কমপ্লেক্স লণ্ডভণ্ড: ভয়াবহ বিস্ফোরণে কাঁপছে তেহরান
ছবি : সংগৃহীত

ইরানের রাজধানী তেহরানে হামলা আরও জোরদার করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বাহিনী। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক বিবৃতিতে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, সব লক্ষ্য পূরণ না হওয়া পর্যন্ত এই সামরিক অভিযান চলবে এবং এটি অন্তত চার সপ্তাহব্যাপী স্থায়ী হতে পারে।

আজ সোমবার (২ মার্চ ২০২৬) ভোরে তেহরানে একের পর এক ভয়াবহ বিস্ফোরণ কেঁপে উঠেছে পুরো শহর। বিশেষ করে রাত সাড়ে তিনটায় পশ্চিম তেহরানের ‘শহীদ বাঘেরি’ আবাসিক কমপ্লেক্সে কয়েকটি বিশাল বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। ইরান ইন্টারন্যাশনালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশটির প্রায় সব গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ও প্রশাসনিক স্থাপনা এখন মিত্রবাহিনীর নিশানায়।

নুর নিউজ জানিয়েছে, তেহরানের পূর্ব ও পশ্চিম উভয় প্রান্তেই একযোগে হামলা চলছে। মার্কিন সেন্টকম (CENTCOM) দাবি করেছে, অভিযানের প্রথম ২৪ ঘণ্টাতেই ইরানের ১ হাজারেরও বেশি লক্ষ্যবস্তুতে নির্ভুলভাবে আঘাত হানা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ইরানের ব্যালিস্টিক মিসাইল সাইট, আইআরজিসি-র (IRGC) সদরদপ্তর, কন্ট্রোল সেন্টার এবং গুরুত্বপূর্ণ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। প্রথম ধাপের এই হামলায় খামেনি নিহত হওয়ার পর ইরানে যে নেতৃত্বের শূন্যতা ও বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়েছে, তার সুযোগ নিয়ে মিত্রবাহিনী এখন ইরানের সামরিক শক্তিকে পুরোপুরি ‘নিশ্চিহ্ন’ করার পথে হাঁটছে।

সবচেয়ে বড় ধাক্কাটি এসেছে খামেনির পরিবারের ওপর। খামেনি ছাড়াও তাঁর জামাতা, নাতি, কন্যা এবং পুত্রবধূ এই বিমান হামলায় নিহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। এছাড়া সাবেক প্রেসিডেন্টসহ দেশটির অসংখ্য শীর্ষ কমান্ডার ও গোয়েন্দা প্রধানও এই ‘ডেডলি স্ট্রাইকের’ শিকার হয়েছেন। ট্রাম্পের ‘চার সপ্তাহের’ এই পরিকল্পনা তেহরানের দীর্ঘদিনের শাসনব্যবস্থাকে সমূলে উপড়ে ফেলার ইঙ্গিত দিচ্ছে, যা পুরো মধ্যপ্রাচ্যের মানচিত্র বদলে দিতে পারে।

/আশিক


রমজানে মসজিদুল আকসা বন্ধ করল ইসরায়েল: তারাবি পড়তে পারলেন না হাজারো মুসল্লি

মধ্যপ্রাচ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০১ ১৯:২৫:২৯
রমজানে মসজিদুল আকসা বন্ধ করল ইসরায়েল: তারাবি পড়তে পারলেন না হাজারো মুসল্লি
মসজিদুল আকসার ভেতরের একটি দৃশ্য | ছবি : আল জাজিরা

পবিত্র রমজান মাসের ১১তম দিনে এক নজিরবিহীন সিদ্ধান্তে জেরুজালেমের মসজিদুল আকসা প্রাঙ্গণে এশা ও তারাবির নামাজ আদায়ে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে ইসরায়েলি পুলিশ। গতকাল শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর দেশজুড়ে ঘোষিত ‘জরুরি অবস্থা’র অজুহাতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা রোববার (১ মার্চ ২০২৬) এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, নিরাপত্তা পরিস্থিতির দোহাই দিয়ে মুসল্লিদের মসজিদ থেকে বের করে দিয়ে সব ফটক বন্ধ করে দিয়েছে দখলদার বাহিনী।

ইসলামিক ওয়াক্‌ফ বিভাগের তথ্যমতে, জোহরের আজানের আগেই সাধারণ মুসল্লি ও কর্মীদের বের করে দেওয়া হয়। রাতে কেবল মসজিদের ইমাম শায়খ ইউসুফ আবু আসনিনা এবং হাতেগোনা কয়েকজন কর্মচারী সীমিত পরিসরে নামাজ আদায় করতে পেরেছেন। যেখানে রমজানের শুরু থেকে প্রতিদিন প্রায় এক লাখ মুসল্লি তারাবিতে অংশ নিচ্ছিলেন, সেখানে আকসার এই নিস্তব্ধতা ২০২০ সালের করোনা মহামারির স্মৃতি মনে করিয়ে দিচ্ছে। জেরুজালেম গবেষক জিয়াদ ইভহাইস একে আকসা ‘ইহুদীকরণ’ ও একক নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার চূড়ান্ত ধাপ হিসেবে অভিহিত করেছেন।

শুধু আকসা বন্ধই নয়, হেবরনের ঐতিহাসিক ইব্রাহিমি মসজিদও জরুরি অবস্থার অজুহাতে বন্ধ করে দিয়েছে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ। এদিকে পুরোনো শহরের ফিলিস্তিনি ব্যবসায়ীদের দোকানপাট বন্ধ রাখতে বাধ্য করা হলেও বসতি স্থাপনকারীরা পুলিশের পাহারায় তোরাহভিত্তিক আচার-অনুষ্ঠান পালন করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ইসরায়েলি চ্যানেল ১২ জানিয়েছে, হোম ফ্রন্ট কমান্ডের নির্দেশে পুরো রমজান মাসজুড়ে আকসা বন্ধ রাখা হতে পারে, যা ফিলিস্তিনিদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও উত্তেজনার সৃষ্টি করেছে।

/আশিক


রণক্ষেত্র ইরান: ১ হাজার ২০০ বোমায় ধ্বংস হচ্ছে একের পর এক শহর

মধ্যপ্রাচ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০১ ১৬:৫০:১৬
রণক্ষেত্র ইরান: ১ হাজার ২০০ বোমায় ধ্বংস হচ্ছে একের পর এক শহর
ছবি : সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে এখন কেবলই বারুদের গন্ধ আর লাশের মিছিল। ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ অভিযানে গতকাল শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) থেকে ইরানের বিভিন্ন প্রান্তে ১ হাজার ২০০টিরও বেশি শক্তিশালী বোমা ফেলেছে দখলদার ইসরায়েলি বিমানবাহিনী। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা জানিয়েছে, ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর দাবির ভিত্তিতেই এই ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞের পরিসংখ্যান পাওয়া গেছে। তবে এই হামলার সবচেয়ে কলঙ্কিত অধ্যায় রচিত হয়েছে ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় মিনাব শহরে। সেখানে একটি প্রাথমিক বালিকা বিদ্যালয়ে সরাসরি বোমা হামলায় অন্তত ১৪৮ জন নিষ্পাপ শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে। আহতের সংখ্যাও কয়েক শ ছাড়িয়ে গেছে বলে স্থানীয় হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে।

এই পৈশাচিক হামলার পর ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি এক চরম হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, ইরানের শিশুদের রক্ত এবং সার্বভৌমত্বের এই অবমাননার কঠিন জবাব দেওয়া হবে। আরাগচি স্পষ্ট করেছেন যে, ইরান এই হামলার দায়ভার কেবল ইসরায়েলের ওপর নয়, বরং তাদের সহযোগী যুক্তরাষ্ট্রের ওপরও বর্তায়। উল্লেখ্য যে, এই নজিরবিহীন সিরিজ হামলায় ইতোমধ্যে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি এবং বেশ কয়েকজন শীর্ষ নেতার মৃত্যু নিশ্চিত হওয়া গেছে। খামেনি পরবর্তী ইরানে নেতৃত্বের শূন্যতা আর এই শিশু হত্যার শোক—সব মিলিয়ে তেহরান এখন এক বিস্ফোরক অবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ১ হাজার ২০০ বোমার এই তাণ্ডব আধুনিক যুদ্ধের ইতিহাসে অন্যতম বড় বিমান হামলা। মিনাবের বালিকা বিদ্যালয়ে হামলার ঘটনাটি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছে। যেখানে সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করার কথা ছিল, সেখানে কোমলমতি শিশুদের ওপর এই আঘাত ইরানকে একটি দীর্ঘমেয়াদী এবং বিধ্বংসী পাল্টা হামলার পথে ঠেলে দিল। খামেনি হত্যার শোক আর মিনাবের রক্তস্নাত বিদ্যালয়—এই দুই ক্ষত নিয়ে ইরান এখন কোন ধরণের সামরিক পদক্ষেপ নেয়, তা নিয়ে পুরো বিশ্ব গভীর উদ্বেগে রয়েছে।

/আশিক

পাঠকের মতামত: