আমেরিকা ও ব্রিটেনের জোড়া বার্তা: ভিসা নিয়ে বাংলাদেশিদের জন্য নতুন নিয়ম 

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ০৭ ২০:৩৬:৩৫
আমেরিকা ও ব্রিটেনের জোড়া বার্তা: ভিসা নিয়ে বাংলাদেশিদের জন্য নতুন নিয়ম 
ছবি : সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য—বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এই দুই দেশের দূতাবাস ও হাইকমিশন থেকে পৃথক দুটি বিশেষ বার্তা দেওয়া হয়েছে। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) জারি করা এই নির্দেশনায় যুক্তরাষ্ট্রের ভিজিটর ভিসায় কাজের নিষেধাজ্ঞা এবং যুক্তরাজ্যের ভিসা পদ্ধতিতে বড় ধরনের ডিজিটাল পরিবর্তনের কথা জানানো হয়েছে।

ঢাকায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস এক বিশেষ সতর্ক বার্তায় জানিয়েছে, বি১/বি২ (B1/B2) বা ভিজিটর ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালে কোনো ধরনের কাজ করা বা পারিশ্রমিক গ্রহণ করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। বার্তায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, এই ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালীন কিছু নির্দিষ্ট ব্যবসায়িক কার্যক্রম যেমন—চুক্তি নিয়ে আলোচনা বা দরকষাকষি করা এবং আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশগ্রহণ করা সম্ভব। তবে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করে কোনো মার্কিন নিয়োগকর্তার অধীনে কাজ করা বা সেখান থেকে কোনো প্রকার পারিশ্রমিক গ্রহণ করা আইনের লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হবে।

আসছে ই-ভিসা অন্যদিকে, যুক্তরাজ্যে গমনেচ্ছুক বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ভিসা পদ্ধতিতে ডিজিটাল রূপান্তরের ঘোষণা দিয়েছে ব্রিটিশ হাইকমিশন। আগামী ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ থেকে যুক্তরাজ্যের ভিসা কার্যক্রম সম্পূর্ণ নতুন এবং ডিজিটাল ব্যবস্থায় পরিচালিত হবে। এই পরিবর্তনের ফলে দীর্ঘদিনের প্রচলিত পাসপোর্টে ‘ভিসা স্টিকার’ প্রথা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।

হাইমিশন জানিয়েছে, ২৫ ফেব্রুয়ারি থেকে যুক্তরাজ্যে ভ্রমণের জন্য যাদের ভিসার প্রয়োজন হবে, তারা শুধুমাত্র ‘ই-ভিসা’ (eVisa) পাবেন। এই ই-ভিসা হলো একজন ব্যক্তির অভিবাসন স্থিতির একটি ডিজিটাল রেকর্ড, যা অনলাইনে সংরক্ষিত থাকবে। আবেদনকারী এবং বর্তমানে যুক্তরাজ্যে অবস্থানরতরা এই বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানতে ব্রিটিশ সরকারের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট (www.gov.uk/eVisa) ভিজিট করতে পারবেন।


ভোটকেন্দ্র ও ভোটার নম্বর জানবেন কীভাবে? ইসির ৪টি সহজ পদ্ধতি ঘোষণা

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ০৭ ১৯:৪০:৪৭
ভোটকেন্দ্র ও ভোটার নম্বর জানবেন কীভাবে? ইসির ৪টি সহজ পদ্ধতি ঘোষণা
ছবি : সংগৃহীত

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে ভোটারদের সুবিধার্থে ভোটকেন্দ্র ও ভোটার নম্বর জানার চারটি সহজ ও আধুনিক পদ্ধতি চালু করেছে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আজ শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) নির্বাচন কমিশনের জনসংযোগ পরিচালক মো. রুহুল আমিন মল্লিক স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। এর ফলে ভোটাররা ঘরে বসেই অত্যন্ত দ্রুত ও নির্ভুলভাবে তাদের প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করতে পারবেন।

নির্বাচন কমিশনের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, প্রযুক্তিবান্ধব নির্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিত করতে অ্যাপ, হটলাইন, এসএমএস এবং ওয়েবসাইটের সমন্বয়ে এই সেবাগুলো সাজানো হয়েছে।

১. স্মার্ট ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট বিডি অ্যাপ (Smart Election Management BD App)

স্মার্টফোন ব্যবহারকারীরা গুগল প্লে-স্টোর বা অ্যাপল অ্যাপ-স্টোর থেকে এই অ্যাপটি ডাউনলোড করতে পারবেন। অ্যাপটি ইনস্টল করার পর ড্যাশবোর্ড থেকে ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন’ সিলেক্ট করতে হবে। এরপর ‘ভোটকেন্দ্র খুঁজুন’ অপশনে নিজের এনআইডি নম্বর ও জন্ম তারিখ প্রদান করলে ভোটার নম্বর, ক্রমিক এবং কেন্দ্রের ম্যাপসহ সঠিক ঠিকানা দেখা যাবে।

২. হটলাইন ১০৫ (Hotline 105)

যেকোনো ফোন থেকে সরাসরি ১০৫ নম্বরে কল করে এই সেবা পাওয়া যাবে। অপারেটরের সাথে কথা বলতে ১০৫ ডায়াল করে ৯ চাপতে হবে। এ ক্ষেত্রে নিজের এনআইডি ও জন্ম তারিখ সাথে রাখতে হবে। প্রতিদিন ভোর ৬টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত এই সেবা সচল থাকবে।

৩. এসএমএস পদ্ধতি (SMS Method)

যাদের কাছে স্মার্টফোন বা ইন্টারনেট নেই, তারা মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে PC <স্পেস> NID Number লিখে পাঠিয়ে দিবেন ১০৫ নম্বরে। ফিরতি এসএমএসে সংশ্লিষ্ট ভোটারের নির্দিষ্ট ভোটকেন্দ্র ও ভোটার নম্বর জানিয়ে দিবে কমিশন।

৪. নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট (Election Commission Website)

ল্যাপটপ বা কম্পিউটার ব্যবহারকারীরা ecs.gov.bd ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে ‘ভোটকেন্দ্র’ মেন্যুতে ক্লিক করে তথ্য জানতে পারবেন। এখানে নির্বাচনী এলাকা ও উপজেলা সিলেক্ট করে যেমন পুরো কেন্দ্রের তালিকা দেখা যাবে, তেমনি এনআইডি ও জন্ম তারিখ দিয়ে ব্যক্তিগত ভোটার তথ্যও খুঁজে পাওয়া যাবে।


মিরপুর-উত্তরায় ১৮% কেন্দ্রই ঝুঁকিপূর্ণ: কঠোর বার্তা দিল সেনাবাহিনী!

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ০৭ ১৮:৫৪:৫০
মিরপুর-উত্তরায় ১৮% কেন্দ্রই ঝুঁকিপূর্ণ: কঠোর বার্তা দিল সেনাবাহিনী!
ছবি : সংগৃহীতছবি : সংগৃহীত

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ঢাকার মিরপুর ও উত্তরার তিনটি নির্বাচনী আসনের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানিয়েছেন সেনাবাহিনীর মিরপুর ক্যাম্প কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম ফুয়াদ মাসরুর। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) দুপুরে মিরপুর শহীদ সোহরাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়ামে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, ঢাকা-১৪, ১৬ ও ১৮ আসনের মোট ভোটকেন্দ্রের ১৮ শতাংশই বর্তমানে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নির্বাচনী এলাকার কেন্দ্রগুলোকে নিরাপত্তা বিবেচনাই তিনটি ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হয়েছে: সাধারণ, মধ্যম এবং অধিক ঝুঁকিপূর্ণ। লেফটেন্যান্ট কর্নেল ফুয়াদ মাসরুর বলেন, “ঢাকা-১৪ ও ১৬ আসনকে সামগ্রিকভাবে ‘অধিক ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এই এলাকার ১৮ শতাংশ কেন্দ্র ঝুঁকির তালিকায় রয়েছে, যার মধ্যে দুটি কেন্দ্রকে অত্যন্ত স্পর্শকাতর বা অধিক ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।”

ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে উল্লেখ করে তিনি জানান, নির্বাচনের দিন সেনাবাহিনী ‘স্ট্রাইকিং ফোর্স’ হিসেবে কাজ করবে। কেউ যদি মিথ্যা তথ্য বা গুজব ছড়িয়ে বিশৃঙ্খলা তৈরির চেষ্টা করে, তবে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তার বিষয়ে আশ্বস্ত করার পাশাপাশি যেকোনো উসকানিমূলক বা ভুল সংবাদ পরিবেশন রোধে তথ্য যাচাইয়ের (Fact-checking) ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। তিনি প্রার্থীদের এবং গণমাধ্যমকর্মীদের যেকোনো উদ্ভূত পরিস্থিতিতে তাৎক্ষণিকভাবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানোর অনুরোধ করেন।


ড. কাইয়ুমের বিরুদ্ধে শেষ চাল নাহিদ ইসলামের: নজর এখন আপিলে

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ০৭ ১৭:৪৪:০৬
ড. কাইয়ুমের বিরুদ্ধে শেষ চাল নাহিদ ইসলামের: নজর এখন আপিলে
নাহিদ ইসলাম ও ড. এমএ কাইয়ুম। ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা-১১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ড. এম এ কাইয়ুমের প্রার্থিতার বৈধতা নিয়ে আইনি লড়াই এখন দেশের সর্বোচ্চ আদালতে গড়িয়েছে। দ্বৈত নাগরিকত্ব ও তথ্য গোপনের অভিযোগে কাইয়ুমের প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে হাইকোর্টের খারিজ আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করেছেন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) নাহিদ ইসলামের আইনজীবী অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম মূসা আপিল আবেদনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আগামীকাল রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতির আদালতে এই আবেদনের ওপর শুনানি হতে পারে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা। এর আগে গত ৩ ফেব্রুয়ারি ড. এম এ কাইয়ুমের প্রার্থিতার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে নাহিদ ইসলামের দায়ের করা রিটটি সরাসরি খারিজ করে দিয়েছিলেন বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের হাইকোর্ট বেঞ্চ। হাইকোর্টের সেই আদেশকে চ্যালেঞ্জ করেই এখন আপিল বিভাগে আবেদন করা হয়েছে।

আইনি এই লড়াই শুরু হয় গত ২ ফেব্রুয়ারি, যখন নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করেন যে ড. কাইয়ুম তাঁর দ্বৈত নাগরিকত্বের তথ্য গোপন করেছেন। রিটে কাইয়ুমের প্রার্থিতা স্থগিত করার পাশাপাশি প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম মূসা ও মোহাম্মদ হোসেন লিপু। অন্যদিকে, ড. কাইয়ুমের পক্ষে আইনি লড়াই পরিচালনা করছেন অ্যাডভোকেট আহসানুল করিম ও ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজলসহ একদল জ্যেষ্ঠ আইনজীবী। উল্লেখ্য, এর আগে নির্বাচন কমিশন এই দুই প্রার্থীরই মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছিল। ঢাকা-১১ আসনের এই হেভিওয়েট লড়াইয়ের ভাগ্য এখন সর্বোচ্চ আদালতের সিদ্ধান্তের ওপর ঝুলে রইল।


যুক্তরাজ্যের ভিসা নিয়ে বাংলাদেশিদের জন্য নতুন বার্তা দিল ব্রিটিশ হাইকমিশন

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ০৭ ১১:২৫:৫০
যুক্তরাজ্যের ভিসা নিয়ে বাংলাদেশিদের জন্য নতুন বার্তা দিল ব্রিটিশ হাইকমিশন
ছবি : সংগৃহীত

যুক্তরাজ্যে গমনেচ্ছু বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ভিসা পদ্ধতিতে আমূল পরিবর্তনের ঘোষণা দিয়েছে ঢাকায় অবস্থিত ব্রিটিশ হাইকমিশন। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) এক বিশেষ বার্তায় জানানো হয়েছে, আগামী ২৫ ফেব্রুয়ারি থেকে যুক্তরাজ্যের ভিসা কার্যক্রম সম্পূর্ণ নতুন এবং ডিজিটাল ব্যবস্থায় পরিচালিত হবে। এই পরিবর্তনের ফলে দীর্ঘদিনের প্রচলিত পাসপোর্টে ভিসা স্টিকারের প্রথা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।

ব্রিটিশ হাইকমিশনের বার্তায় জানানো হয়েছে, যুক্তরাজ্যের অভিবাসন ব্যবস্থাকে আধুনিক ও সম্পূর্ণ ডিজিটাল করার লক্ষ্যে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আগামী ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ থেকে যুক্তরাজ্যে ভ্রমণের জন্য আবেদনকারী বাংলাদেশি নাগরিকরা আর পাসপোর্টে কোনো কাগজের ভিসা স্টিকার পাবেন না। এর পরিবর্তে তাদের জন্য ‘ই-ভিসা’ (eVisa) ব্যবস্থা চালু করা হবে। ই-ভিসা হলো একজন ব্যক্তির অভিবাসন স্থিতির একটি ডিজিটাল রেকর্ড, যা অনলাইনে সংরক্ষিত থাকবে এবং পাসপোর্টের সঙ্গে ডিজিটাল পদ্ধতিতে সংযুক্ত থাকবে।

হাইমিশন আরও স্পষ্ট করেছে যে, ডিজিটাল রূপান্তরের এই প্রক্রিয়ায় আবেদনকারীদের সুবিধার্থে বিস্তারিত তথ্য ও নির্দেশিকা প্রদান করা হয়েছে। ভিসা আবেদনকারী এবং বর্তমানে যুক্তরাজ্যে অবস্থানরত যারা নিজেদের ই-ভিসা স্ট্যাটাস পরীক্ষা বা আপডেট করতে চান, তাদের ব্রিটিশ সরকারের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট (www.gov.uk/eVisa) ভিজিট করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন ব্যবস্থার ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণ আরও সহজ ও দ্রুত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।


শিল্পকারখানার ছুটি নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত উপদেষ্টা পরিষদের

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ০৬ ১৯:৪৫:৪৮
শিল্পকারখানার ছুটি নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত উপদেষ্টা পরিষদের
ছবি: সংগৃহীত

শিল্পাঞ্চলের শ্রমিকদের জন্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে ঘোষিত সাধারণ ছুটি নিয়ে নতুন ব্যাখ্যা ও বাস্তবায়ন নির্দেশনা দিয়েছে সরকার। নির্বাচন উপলক্ষে ১০ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার) শিল্পকারখানায় সাধারণ ছুটি কার্যকর হলেও, সেই ছুটি পরবর্তীতে একদিন অতিরিক্ত কাজ করিয়ে সমন্বয় করার সুযোগ থাকছে বলে সিদ্ধান্ত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হয়। বৈঠক শেষে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানায়, জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে শিল্পাঞ্চলের শ্রমিক ও কর্মচারীদের জন্য যে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে, তা কার্যকরকারী কারখানাগুলো প্রয়োজনে পরবর্তী যেকোনো কর্মদিবসে শ্রমিকদের দিয়ে একদিন অতিরিক্ত কাজ করিয়ে ওই ছুটির সমন্বয় করতে পারবে।

এর ফলে শিল্পাঞ্চলে কর্মরত শ্রমিকরা ১০, ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি—টানা তিন দিন ছুটির সুবিধা পাচ্ছেন। কারণ ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি সরকার ঘোষিত সাধারণ ছুটি থাকায় নির্বাচনী সময়ে শিল্পকারখানায় উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। তবে ১০ ফেব্রুয়ারির ছুটি স্থায়ীভাবে অতিরিক্ত সুবিধা হিসেবে গণ্য না হয়ে সমন্বয়যোগ্য হিসেবে বিবেচিত হবে।

প্রেস উইং আরও জানায়, পোশাকশিল্প মালিকদের শীর্ষ সংগঠন বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিজিএমইএ)–এর আবেদনের প্রেক্ষিতেই উপদেষ্টা পরিষদ এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। শিল্পকারখানার উৎপাদন ধারাবাহিকতা ও রপ্তানিনির্ভর খাতের স্বার্থ বিবেচনায় রেখেই এই নমনীয় ব্যবস্থা রাখা হয়েছে বলে জানানো হয়।

এর আগে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় ঘোষণা দিয়েছিল, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ১০ ফেব্রুয়ারি শিল্পাঞ্চলের শ্রমিকদের জন্য সাধারণ ছুটি থাকবে। সেই ঘোষণার ধারাবাহিকতায় নতুন সিদ্ধান্তটি যুক্ত হওয়ায় ছুটি ও কাজের ভারসাম্য নিয়ে কারখানা মালিক ও শ্রমিক উভয় পক্ষই স্পষ্ট ধারণা পাচ্ছেন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

-রাফসান


নির্বাচন ঘিরে সরকারি কর্মচারীদের টানা চার দিনের ছুটি

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ০৬ ১৩:০৩:৪৯
নির্বাচন ঘিরে সরকারি কর্মচারীদের টানা চার দিনের ছুটি
ছবি: সংগৃহীত

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য টানা চার দিনের ছুটির সুযোগ তৈরি হয়েছে। নির্বাচন উপলক্ষে সরকার আগামী ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি (বুধবার ও বৃহস্পতিবার) সাধারণ ছুটি ঘোষণা করায়, এর সঙ্গে নিয়মিত সাপ্তাহিক ছুটি যোগ হয়ে সরকারি দপ্তরগুলোতে দীর্ঘ বিরতি তৈরি হচ্ছে।

প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম সম্প্রতি জানিয়েছেন, নির্বাচন নির্বিঘ্নভাবে আয়োজন ও ভোটারদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে এই দুই দিন সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) দেশে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

এর পরের দিন ১৩ ফেব্রুয়ারি (শুক্রবার) এবং ১৪ ফেব্রুয়ারি (শনিবার) নিয়মিত সাপ্তাহিক ছুটি হওয়ায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা একটানা চার দিনের ছুটি ভোগ করতে পারবেন। ফলে নির্বাচনের সময় ও পরবর্তী সময়ে সরকারি কর্মচারীদের কর্মসূচিতে স্বাভাবিকভাবেই স্থবিরতা দেখা দিতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

শিল্পাঞ্চলে শ্রমিকদের ছুটির আলাদা ব্যবস্থা

নির্বাচন উপলক্ষে শিল্প খাতেও আলাদা সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় ঘোষণা দিয়েছে, শিল্পাঞ্চলের বিভিন্ন কারখানার শ্রমিক ও কর্মচারীদের জন্য ১০ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার) সাধারণ ছুটি থাকবে। এর ফলে শ্রমিকরা টানা ১০, ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি—মোট তিন দিন ছুটি পাবেন।

তবে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ১০ ফেব্রুয়ারির সাধারণ ছুটি ভোগ করার পর কারখানা কর্তৃপক্ষ পরবর্তী সময়ে শ্রমিকদের দিয়ে অতিরিক্ত এক দিন কাজ করাতে পারবে। এতে করে শিল্প উৎপাদনে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব এড়ানোর চেষ্টা করা হয়েছে।

২০২৬ সালের সরকারি ছুটির সামগ্রিক চিত্র

এদিকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় প্রকাশিত ২০২৬ সালের সরকারি ছুটির তালিকা অনুযায়ী, চলতি বছরে মোট ১৪ দিন সাধারণ ছুটি এবং ১৪ দিন নির্বাহী আদেশে ছুটি নির্ধারিত রয়েছে। এর মধ্যে ৯ দিনই শুক্র ও শনিবারের সঙ্গে মিলে গেছে, ফলে কার্যদিবসের প্রকৃত ক্ষতি তুলনামূলক কম হবে।

এ ছাড়া ধর্মভিত্তিক ঐচ্ছিক ছুটির ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। তালিকা অনুযায়ী-

মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের জন্য ৫ দিন,

হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের জন্য ৯ দিন,

খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের জন্য ৮ দিন,

বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের জন্য ৭ দিন,

এবং ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সরকারি কর্মচারীদের জন্য ২ দিন ঐচ্ছিক ছুটি নির্ধারিত রয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনকে ঘিরে এই দীর্ঘ ছুটির ফলে একদিকে যেমন ভোটারদের অংশগ্রহণ সহজ হবে, অন্যদিকে প্রশাসনিক কার্যক্রম সাময়িকভাবে ধীরগতির হতে পারে। তবে সামগ্রিকভাবে নির্বাচন ব্যবস্থাপনার স্বার্থেই এই ছুটি প্রয়োজনীয় বলে মনে করছে সরকার।


ভোটকেন্দ্র জানুন অ্যাপে, মিলবে প্রার্থী ও ফলাফলের তথ্য

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ০৬ ১০:৩৬:১৯
ভোটকেন্দ্র জানুন অ্যাপে, মিলবে প্রার্থী ও ফলাফলের তথ্য
ছবি: সংগৃহীত

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ভোটার সেবা আরও সহজ, দ্রুত ও তথ্যভিত্তিক করতে একটি নতুন ডিজিটাল উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ‘Smart Election Management BD’ নামে চালু হওয়া এই মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে ভোটাররা জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নম্বর ব্যবহার করে মুহূর্তেই নিজেদের ভোটকেন্দ্রের অবস্থানসহ প্রয়োজনীয় নির্বাচনসংক্রান্ত তথ্য জানতে পারবেন।

বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) ইসির জনসংযোগ শাখার পরিচালক মো. রুহুল আমিন মল্লিক বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, অ্যাপটি ইতোমধ্যে গুগল প্লে স্টোর ও অ্যাপল অ্যাপ স্টোরে উন্মুক্ত রয়েছে, ফলে অ্যান্ড্রয়েড ও আইওএস উভয় ব্যবহারকারীরাই এটি ডাউনলোড করতে পারবেন।

ইসি জানায়, অ্যাপটিতে ভোটকেন্দ্রের জিও-লোকেশন, কেন্দ্রের ছবি, দূরত্বের হিসাব এবং ইন্টারেক্টিভ ম্যাপ–সহ বিস্তারিত তথ্য এক জায়গায় পাওয়া যাবে। এতে ভোটাররা আগেভাগেই কোন কেন্দ্রে কখন এবং কীভাবে যেতে হবে, সে বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা নিতে পারবেন। নির্বাচন দিবসে ভোগান্তি কমাতে এই ফিচারগুলো কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছে কমিশন।

শুধু ভোটকেন্দ্রের তথ্যেই সীমাবদ্ধ নয় এই অ্যাপ থেকে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের তালিকা, প্রার্থীদের হলফনামা, নির্বাচনী নির্দেশনা, এমনকি ফলাফল সংক্রান্ত আপডেটও দেখা যাবে। ফলে ভোটারদের পাশাপাশি সাধারণ নাগরিক, গবেষক ও আগ্রহী পর্যবেক্ষকরাও নির্বাচনসংক্রান্ত তথ্য সহজে সংগ্রহ করতে পারবেন।

ব্যবহার প্রক্রিয়া সহজ রাখতে অ্যাপটি একবার ইনস্টল করার পর জন্মতারিখ ও ভোটার আইডি নম্বর দিলেই প্রয়োজনীয় সব তথ্য প্রদর্শিত হবে। এর মধ্যে রয়েছে বর্তমানে কোন পার্লামেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে, ব্যবহারকারীর এনআইডি নম্বর, নির্ধারিত ভোটকেন্দ্রের নাম ও ঠিকানা, ভোট দেওয়ার সিরিয়াল নম্বর, এবং প্রার্থীদের প্রতীকসহ অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্য।

ইসি কর্মকর্তাদের মতে, এই অ্যাপ চালুর মাধ্যমে নির্বাচন ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও নাগরিক অংশগ্রহণ আরও বাড়বে। ডিজিটাল সেবার সম্প্রসারণ ভোটারদের সচেতন সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়ক হবে এবং নির্বাচন প্রক্রিয়াকে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক করবে।

-রফিক


ভোটের পরেই বিদায়! মেয়াদের ধোঁয়াশা কাটিয়ে সময় জানাল প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ০৫ ২১:৪৫:০৯
ভোটের পরেই বিদায়! মেয়াদের ধোঁয়াশা কাটিয়ে সময় জানাল প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর
ছবি : সংগৃহীত

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণের পর দ্রুততম সময়ের মধ্যে নির্বাচিত সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানিয়েছেন, ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটগ্রহণের পর সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা আগামী ১৫ বা ১৬ ফেব্রুয়ারি নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করতে পারেন। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) বিকেলে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে তিনি এসব তথ্য জানান।

প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, “সবচেয়ে দ্রুততম সময়ে দায়িত্ব হস্তান্তর করা হবে। যদি নির্বাচনের তিন দিনের মধ্যে সংসদ সদস্যরা (এমপি) শপথ গ্রহণ করেন, তবে এরপরই সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে আমন্ত্রণ জানানো হবে। আমাদের ধারণা, এটি ১৫ বা ১৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই সম্পন্ন হতে পারে। কোনোভাবেই এই প্রক্রিয়া ১৭ বা ১৮ ফেব্রুয়ারির পরে যাওয়ার কথা নয়।” তবে এ বিষয়ে চূড়ান্ত আইনি ব্যাখ্যা আইন মন্ত্রণালয় এবং আইন উপদেষ্টা প্রদান করবেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

ব্রিফিংয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদ নিয়ে ছড়ানো বিভিন্ন তথ্যের বিষয়ে স্পষ্টীকরণ করা হয়। উপ-প্রেস সচিব মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ মজুমদার অভিযোগ করেন যে, ‘অন্তর্বর্তী সরকার নির্বাচনের পর আরও ১৮০ দিন ক্ষমতা ধরে রাখবে’—এমন একটি অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। তিনি বলেন, “যারা এই অপপ্রচার চালাচ্ছে তাদের উদ্দেশ্য অসৎ ও উদ্দেশ্যমূলক। সরকার প্রথম থেকেই জনগণকে নিশ্চিত করেছে যে, নির্বাচন শেষ হওয়ার পর যারাই নির্বাচিত হবেন, তাঁদের হাতে রাষ্ট্র পরিচালনার ভার তুলে দিয়ে সরকার দায়িত্ব থেকে সরে যাবে। এ নিয়ে কোনো দ্বিধাদ্বন্দ্বের সুযোগ নেই।”

১৮০ কার্যদিবসের বিষয়টি ব্যাখ্যা করে আবুল কালাম আজাদ মজুমদার আরও জানান, নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা সমান্তরালভাবে ১৮০ কার্যদিবস ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদ’-এর সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। সরকারের পক্ষ থেকে এর আগেও বিষয়টি পরিষ্কার করা হয়েছে। অর্থাৎ, নতুন সরকার রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব বুঝে নিলেও সংসদ সদস্যরা নির্দিষ্ট মেয়াদে সংবিধান সংস্কারের বিশেষ কাজে যুক্ত থাকবেন। সরকারের এই ঘোষণার মাধ্যমে নির্বাচনের পরবর্তী ক্ষমতা হস্তান্তর প্রক্রিয়া নিয়ে সব ধরনের বিভ্রান্তি দূর করার চেষ্টা করা হলো।


সেনাসদস্যদের ভোটকেন্দ্রের আঙিনায় টহলের অনুমতি: ইতিহাসে এই প্রথম

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ০৫ ১৮:৫৯:৩৯
সেনাসদস্যদের ভোটকেন্দ্রের আঙিনায় টহলের অনুমতি: ইতিহাসে এই প্রথম
ছবি : সংগৃহীত

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটারদের নিরাপত্তা ও আস্থার পরিবেশ নিশ্চিত করতে এক অভাবনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে সেনাবাহিনী। প্রথমবারের মতো নির্বাচনের দিন ভোটকেন্দ্রের একেবারে আঙিনা পর্যন্ত সেনাসদস্যরা টহল দেবেন। আজ বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) দুপুরে রাজধানীর গুলিস্তানে রোলার স্কেটিং কমপ্লেক্সে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল দেওয়ান মোহাম্মদ মনজুর হোসেন এ ঘোষণা দেন।

সেনা সদর দপ্তর জানিয়েছে, এবারের নির্বাচনে দেশজুড়ে প্রায় ১ লাখ সেনাসদস্য মোতায়েন করা হয়েছে, যা বাংলাদেশের নির্বাচনী ইতিহাসের সর্বোচ্চ। ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মনজুর হোসেন জানান, বিগত নির্বাচনগুলোতে সাধারণত ৪০ থেকে ৪২ হাজার সেনাসদস্য মোতায়েন থাকত এবং তাঁরা মূলত ‘স্ট্রাইকিং ফোর্স’ হিসেবে দূরে অবস্থান করতেন। কিন্তু এবারের প্রেক্ষাপট ভিন্ন। ভোটারদের আতঙ্ক দূর করতে এবং নির্বিঘ্নে কেন্দ্রে যাওয়ার পরিবেশ তৈরিতে সেনাসদস্যদের ভোটকেন্দ্রের আঙিনায় টহল দেওয়ার বিশেষ অনুমতি দেওয়া হয়েছে। গত ২০ জানুয়ারি থেকেই এই বর্ধিত সেনা মোতায়েন কার্যকর রয়েছে এবং নির্বাচনের পুরো প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত এটি অব্যাহত থাকবে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, সেনাবাহিনী প্রধান ন্যূনতম প্রয়োজনীয় সদস্যকে ব্যারাকে রেখে বাকি প্রায় সব সদস্যকে ভোটের মাঠে নিয়োজিত করেছেন। যানবাহনের কিছুটা অপ্রতুলতা থাকলেও অসামরিক প্রশাসনের সহায়তা এবং প্রয়োজনে বেসরকারি গাড়ি ভাড়া করে টহল কার্যক্রম জোরদার রাখা হয়েছে। ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মনজুর বলেন, “সেনাসদস্যরা দিন-রাত অক্লান্ত পরিশ্রম করছেন শুধুমাত্র একটি উদ্দেশ্যে—ভোটারদের আস্থার জায়গাটি শক্ত করা এবং একটি স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করা।” আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী অন্যান্য বাহিনীর সাথে সমন্বয় করে সেনাবাহিনী পুরো নির্বাচনী সময়জুড়ে পর্যবেক্ষণ ও তাৎক্ষণিক সহায়তা প্রদানে সতর্ক অবস্থানে থাকবে।

পাঠকের মতামত: