আজকের বাংলাদেশ দেখলে শহীদ ভাইরা মুক্তিযুদ্ধে যেত না: জামায়াত আমির

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধে জীবন উৎসর্গকারী শহীদদের যে স্বপ্ন ছিল, স্বাধীনতার এত বছর পরও তার বাস্তব প্রতিফলন জাতি দেখতে পায়নি। তিনি জানান, নিজেও একজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান হিসেবে গভীর বেদনা নিয়ে বলতে চান আজকের বাংলাদেশের বাস্তবতা যদি তাঁর শহীদ ভাই দেখতেন, তাহলে হয়তো সেদিন মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েই প্রশ্ন তুলতেন।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টায় হবিগঞ্জ নিউ ফিল্ড মাঠে ১১ দলীয় জোটের উদ্যোগে আয়োজিত নির্বাচনী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা কাজী মুখলিছুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং হবিগঞ্জ-৩ আসনের প্রার্থী কাজী মহসিন আহমদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে জেলার চারটি সংসদীয় আসনে জোট মনোনীত প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, যারা জীবন বাজি রেখে দেশকে স্বাধীন করেছেন, জাতি তাদের কাছে চিরঋণী। কিন্তু প্রশ্ন হলো রাষ্ট্র, রাজনীতি ও নেতৃত্ব কি সেই ঋণের যথাযথ মর্যাদা দিতে পেরেছে। শহীদদের স্বপ্ন ছিল একটি ন্যায়ভিত্তিক, বৈষম্যহীন সমাজ, যেখানে অর্থনৈতিক মুক্তি থাকবে, সন্তানরা পাবে মানসম্মত শিক্ষা। বাস্তবতায় সেই স্বপ্ন আজও অপূর্ণ রয়ে গেছে। এর দায় সাধারণ মানুষের নয়; দায় রাষ্ট্র পরিচালনায় থাকা নেতৃত্বের।
তিনি বলেন, বারবার যারা ক্ষমতায় যাওয়ার সুযোগ পেয়েছেন, ভালো কাজ করলে সেটিও তাদের কৃতিত্ব, আবার ব্যর্থতা ও অপকর্মের দায়ও তাদেরই নিতে হবে। অথচ যে দেশের মানুষের শ্রমে বিদেশে সমৃদ্ধি আসে, সেই দেশের মানুষ নিজ দেশে নিরাপত্তা ও স্বস্তি পায় না এটি নেতৃত্বের নৈতিক ব্যর্থতারই প্রমাণ।
স্বাধীনতার ৫৪ বছর পার হলেও বাংলাদেশ কাঙ্ক্ষিত উন্নয়নের পথে দাঁড়াতে পারেনি বলে মন্তব্য করেন জামায়াত আমির। উদাহরণ হিসেবে তিনি ভিয়েতনামের কথা উল্লেখ করে বলেন, স্বাধীনতা ও গৃহযুদ্ধ-পরবর্তী ধ্বংসস্তূপ থেকে উঠে এসে দেশটি আজ আঞ্চলিক উন্নয়নের মডেল। অথচ বাংলাদেশে এখনো সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, মামলাবাজি ও সর্বগ্রাসী দুর্নীতি সাধারণ মানুষের জীবনকে অস্থির করে রেখেছে। নারী নিরাপত্তাহীন, পরিবার আতঙ্কগ্রস্ত এবং সমাজের প্রতিটি স্তরে অনৈতিকতা ছড়িয়ে পড়েছে।
সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন খেলাফত মজলিশের কেন্দ্রীয় আমির ও হবিগঞ্জ-২ আসনের প্রার্থী মাওলানা আব্দুল বাসিত আজাদ, মহাসচিব ও হবিগঞ্জ-৪ আসনের প্রার্থী ড. আহমদ আব্দুল কাদের বাচ্চু, জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জোবায়েরসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। বক্তারা সবাই ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা, জবাবদিহিমূলক রাজনীতি এবং দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানান।
-রাফসান
ধর্মীয় বৈষম্য ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে ভারত সরকারকে জামায়াত আমিরের কড়া বার্তা
ভারতে কোনো নির্দিষ্ট ধর্ম, বর্ণ বা গোত্রকে টার্গেট করে যেন কারও ক্ষতি করা না হয়, সে বিষয়ে ভারত সরকারকে আহ্বান জানাবেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। শনিবার (৯ মে) আট দিনের জাপান সফর শেষে দেশে ফিরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই কথা জানান। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, জামায়াতে ইসলামী বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে ধর্মীয় বা জাতিগত পরিচয়ের ভিত্তিতে সাধারণ মানুষের ওপর নির্যাতনের বিরোধী।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “পশ্চিমবঙ্গসহ পৃথিবীর যেকোনো জায়গায় নিরীহ মানবগোষ্ঠীর ওপর জুলুম করা হলে আমরা তার বিপক্ষে থাকবো। আমরা সব সময় মজলুমের পক্ষেই আছি এবং থাকবো।” ভারত প্রসঙ্গে তিনি আরও যোগ করেন, কোনো বিশেষ সম্প্রদায়কে লক্ষ্য করে যেন কোনো অশুভ তৎপরতা না চালানো হয়, সেই বার্তা ভারত সরকারকে দেওয়া হবে।
জাপান সফর সম্পর্কে জামায়াতের আমির জানান, এই সফরে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ভাইস মিনিস্টারসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হয়েছে। এসব বৈঠকে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যকার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করা, তথ্যপ্রযুক্তি ও কারিগরি দক্ষতা উন্নয়ন, পরিকল্পিত নগর অবকাঠামো নির্মাণ এবং ভূমিকম্পের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় জাপানি অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।
/আশিক
ধর্মীয় আবেগ ও লাশের রাজনীতি দিয়ে ফায়দা লুটছে এনসিপি: রাশেদ খান
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারীর বিরুদ্ধে ধর্মীয় ভণ্ডামি এবং শহীদদের স্মৃতিকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহারের অভিযোগ তুলেছেন বিএনপি নেতা রাশেদ খান। শনিবার (৯ মে) এক ফেসবুক পোস্টে তিনি এনসিপি এবং নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারীর সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডের কঠোর সমালোচনা করেন। রাশেদ খানের দাবি, এনসিপি জুলাই বিপ্লবের শহীদ ওসমান হাদির আদর্শকে ধারণ না করে বরং তাকে রাজনৈতিক 'ট্রাম্প কার্ড' হিসেবে ব্যবহার করছে।
রাশেদ খান তার পোস্টে উল্লেখ করেন যে, ওসমান হাদি জীবিত থাকাকালীন এনসিপির তীব্র সমালোচক ছিলেন। হাদির বরাতে তিনি তিনটি প্রধান অভিযোগ তুলে ধরেন: এনসিপি কর্তৃক জুলাই বিপ্লবকে কুক্ষিগত করা, নেতাদের অস্বাভাবিক সম্পদ বৃদ্ধি এবং ছাত্র আন্দোলনের ঐক্য বিনষ্ট করা। বিএনপির এই নেতার দাবি, জীবিত অবস্থায় যাকে এনসিপি নেতারা এড়িয়ে চলতেন, আজ তাকেই নির্বাচনের আগে 'আধ্যাত্মিক নেতা' হিসেবে উপস্থাপন করে ফায়দা লোটার চেষ্টা করা হচ্ছে।
এছাড়া নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারীর মসজিদে গিয়ে রাজনৈতিক প্রচারণার কৌশল নিয়েও প্রশ্ন তোলেন রাশেদ খান। তিনি অভিযোগ করেন, পিআর টিম ও নেতাকর্মীদের নিয়ে মসজিদে গিয়ে জনসমাগম দেখিয়ে জননন্দিত হওয়ার কৃত্রিম চেষ্টা করছেন এনসিপি নেতা, যা সাধারণ মুসল্লিদের বিরক্তির কারণ হচ্ছে। নারায়ণগঞ্জের একটি ঘটনার উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, শহীদদের নিয়ে এমন অতিমাত্রার রাজনীতি জুলাইয়ের চেতনাকে ম্লান করে দিচ্ছে।
/আশিক
‘আওয়ামী লীগ টিকিয়ে রাখতে চেয়েছিলেন হাসনাত-সারজিস’
বিএনপি নেতা রাশেদ খান দাবি করেছেন, জুলাইয়ের কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় হাসনাত আব্দুল্লাহ ও সারজিস আলম মূলত আওয়ামী লীগ সরকারকে ক্ষমতায় টিকিয়ে রাখার পক্ষেই অবস্থান নিয়েছিলেন। একটি বেসরকারি টেলিভিশনের টক শোতে অংশ নিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন। তার বক্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা ও বিতর্ক শুরু হয়েছে।
টক শোতে রাশেদ খান বলেন, হাসনাত আব্দুল্লাহ ও সারজিস আলম কোটা সংস্কার আন্দোলনের সফলতা চাইলেও সেটি যেন পূর্ণমাত্রার গণঅভ্যুত্থানে রূপ না নেয়, সেই অবস্থানেই ছিলেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ১৯ জুলাই আন্দোলনের উত্তপ্ত সময়ে তাদের মন্ত্রীদের সঙ্গে সংলাপে অংশ নেওয়ার ঘটনাই সেই অবস্থানের বড় প্রমাণ।
তিনি আরও দাবি করেন, পরবর্তী সময়ে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের দাবিতে যে আন্দোলন গড়ে তোলা হয়েছিল, সেটি মূলত জুলাই গণঅভ্যুত্থানে থাকা দুর্বলতা আড়াল করার রাজনৈতিক কৌশল ছিল। রাশেদ খানের ভাষায়, আন্দোলনের ভেতরে যে প্রশ্ন ও বিতর্ক ছিল, পরবর্তীতে কঠোর অবস্থান নিয়ে তা চাপা দেওয়ার চেষ্টা হয়েছে।
বিএনপির এই নেতা বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে হাসনাত আব্দুল্লাহর ভূমিকা নিয়ে আসিফ মাহমুদের লেখা বইতেও বিভিন্ন তথ্য উঠে এসেছে। তিনি উল্লেখ করেন, ওই বইয়ে বলা হয়েছে যে, হাসনাত আব্দুল্লাহ ও সারজিস আলম সেনাবাহিনীর গাড়িতে করে বঙ্গভবনের দিকে যাচ্ছিলেন। সে সময় আন্দোলনকারীদের পক্ষ থেকে তাদের গাড়ি থেকে নেমে আসার আহ্বান জানানো হয়েছিল বলেও দাবি করেন তিনি।
রাশেদ খান আরও বলেন, যদি তারা আন্দোলনকারীদের সঙ্গে এসে অবস্থান না নিতেন, তাহলে তাদের ‘জাতীয় বেইমান’ আখ্যা দেওয়া হতো। তবে তিনি এটিও স্বীকার করেন যে, আন্দোলনের অভ্যন্তরীণ অনেক আলোচনা প্রকাশ্যে আনা রাজনৈতিকভাবে সবসময় সমীচীন নয়।
এনসিপির ভেতরেও হাসনাত আব্দুল্লাহ ও সারজিস আলমকে ঘিরে নানা ধরনের আলোচনা ও গুঞ্জন ছিল বলে দাবি করেন বিএনপির এই নেতা। যদিও বর্তমানে রাজনৈতিক বাস্তবতা ও কৌশলগত কারণে সেসব আলোচনা প্রকাশ্যে খুব একটা আসে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
-রফিক
পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনের পর বাংলাদেশের দায়িত্ব বেড়েছে: নাহিদ ইসলাম
পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনী ফলাফল ও পরবর্তী পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের দায়িত্ব অনেক বেড়ে গিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। বৃহস্পতিবার (৭ মে) বিকেলে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের জুলাই স্মৃতি হলে আয়োজিত এক যোগদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন।
নাহিদ ইসলাম বলেন, পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয় হলেও সেখানে কয়েক লাখ মুসলমান ও মতুয়া সম্প্রদায়ের নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়া এবং তাদের ভোটদান থেকে বিরত রাখার বিষয়টি উদ্বেগজনক। নির্বাচনে বিজেপি সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার পর সেখানে মুসলিম, দলিত ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর যে নির্যাতনের খবর আসছে, তার প্রভাব বাংলাদেশেও পড়তে পারে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন। তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, দক্ষিণ এশিয়ায় সংখ্যালঘুদের জন্য বাংলাদেশকেই সবচেয়ে নিরাপদ স্থান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে।
বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে তিনি দেশবিরোধী শক্তির উসকানি ও সাম্প্রদায়িক প্রোপাগান্ডা বিষয়ে দেশবাসীকে সচেতন থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে চট্টগ্রামে এনসিপিতে নতুন যোগদানকারীদের স্বাগত জানিয়ে দলের ভেতরে সব ধরনের দ্বন্দ পরিহার করে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার নির্দেশ দেন। তিনি বিশ্বাস করেন, বাংলাদেশের হিন্দু-মুসলমান-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান সবার নিরাপত্তা ও নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করাই হবে এখনকার প্রধান জাতীয় দায়িত্ব।
/আশিক
লন্ডনের রাস্তায় বসে আইসক্রিম খাচ্ছেন পাপন! ভাইরাল ছবিতে নেটদুনিয়ায় তোলপাড়
লন্ডনের রাস্তায় বসে আইসক্রিম খাচ্ছেন পাপন—বিসিবির সাবেক সভাপতির এই ছবি এখন নেটদুনিয়ায় ভাইরাল। দেশের ক্রিকেটের এক সময়কার প্রতাপশালী নিয়ন্ত্রক নাজমুল হাসান পাপনের এমন 'ভবঘুরে' এবং সাধারণ রূপ দেখে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বইছে আলোচনার ঝড়। বুধবার (৬ মে) সাংবাদিক অলিউল্লাহ নোমানের পোস্ট করা এই ছবিটি মুহূর্তেই নেটিজেনদের নজর কেড়েছে।
ছবিতে দেখা যায়, লন্ডনের এক ব্যস্ত রাস্তার ধারে অত্যন্ত সাধারণ ভঙ্গিতে বসে আইসক্রিম উপভোগ করছেন পাপন। প্রায় দুই বছর ধরে দেশের ক্রিকেট প্রশাসনের বাইরে থাকলেও তাকে নিয়ে আমজনতার কৌতূহল যে বিন্দুমাত্র কমেনি, এই ছবির নিচে জমা হওয়া হাজার হাজার কমেন্টই তার প্রমাণ। কেউ ক্ষমতার এই চরম পালাবদল দেখে বিস্ময় প্রকাশ করছেন, কেউবা হয়েছেন নস্টালজিক। আবার সমালোচকরা মনে করিয়ে দিচ্ছেন তার দাপুটে সময়ের কথা।
প্রবাস জীবনে পাপনের এমন সাধারণ দৃশ্য এবারই প্রথম নয়। এর আগে লন্ডনের সুপারশপে কেনাকাটা করা বা নিরিবিলি রাস্তায় হাঁটার ছবিও সামনে এসেছিল। তবে রাস্তার ধারে বসে আইসক্রিম খাওয়ার এই দৃশ্যটি যেন সময়ের ব্যবধান এবং জীবনের অনিশ্চয়তাকে আরও প্রকটভাবে ফুটিয়ে তুলেছে। ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু থেকে আজ সুদূর প্রবাসে এক নিভৃত জীবন—পাপনের এই ছবিটি যেন সেই পরিবর্তনেরই এক জীবন্ত প্রতিচ্ছবি।
/আশিক
অন্তর্বর্তী সরকারের চেয়ে অপরাধ বেড়েছে: হাসনাত আবদুল্লাহ
দেশের বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। তাঁর মতে, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়কালের তুলনায় বর্তমানে অপরাধের হার উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে বলে সাধারণ মানুষের মধ্যে একটি নেতিবাচক ধারণা তৈরি হয়েছে। দেবিদ্বার উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ তাঁর বক্তব্যে দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের সাম্প্রদায়িক সৌহার্দ্যকে আন্তর্জাতিক মহলে নেতিবাচকভাবে উপস্থাপনের অপচেষ্টা চলছে, যা যেকোনো মূল্যে প্রতিহত করতে হবে। বাংলাদেশ যে সব ধর্ম ও বর্ণের মানুষের জন্য একটি নিরাপদ এবং শান্তিপূর্ণ আবাসভূমি, তা বিশ্ববাসীর কাছে জোরালোভাবে তুলে ধরার আহ্বান জানান তিনি।
জ্বালানি সংকট প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে এই এনসিপি নেতা দাবি করেন, পর্যাপ্ত পূর্বপ্রস্তুতির অভাবেই মূলত দেশে ডিজেল ও অন্যান্য জ্বালানি সরবরাহে সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। সরকার নতুনভাবে গঠিত হওয়ার পর প্রস্তুতির এই ঘাটতিকে কাজে লাগিয়ে একটি অসাধু সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। এই সংকটের পেছনে প্রস্তুতির অভাব এবং সিন্ডিকেটের কারসাজিই মূল কারণ বলে তিনি মনে করেন।
সেবামূলক প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার তাগিদ দিয়ে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, প্রতিটি সেবামূলক প্রতিষ্ঠানকে প্রকৃত অর্থে জনগণের প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে হবে। সেবাগ্রহীতা এবং সেবাদাতার মাঝখানে কোনো মধ্যস্বত্বভোগী বা দালালের অস্তিত্ব থাকা উচিত নয়। প্রতিষ্ঠানগুলো সরাসরি জনগণের সেবায় নিয়োজিত থাকবে—এমনটাই তাঁর প্রত্যাশা।
দেবিদ্বার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাকিবুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় স্থানীয় সড়কের বিভিন্ন কৌশলগত উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা করেন কুমিল্লা সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী গোলাম মোস্তফা। সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন সড়ক বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. সফিকুল ইসলাম ভূঁইয়া, উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোহাম্মদ সাইদুল রহমানসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
/আশিক
শাপলা চত্বর অভিযান ইতিহাসের কলঙ্কজনক অধ্যায: জামায়াত আমির
রাজধানীর শাপলা চত্বরে ২০১৩ সালের ৫ মে সংঘটিত ঘটনার প্রকৃত সত্য উন্মোচনে একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত কমিশন গঠনের দাবি জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। মঙ্গলবার (৫ মে) দলটির প্রচার বিভাগ থেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এই দাবি উত্থাপন করেন।
বিবৃতিতে ডা. শফিকুর রহমান উল্লেখ করেন, ওই দিনের ঘটনাটি দেশের ইতিহাসের একটি অত্যন্ত বেদনাদায়ক ও কলঙ্কজনক অধ্যায়। ঘটনার দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও এখন পর্যন্ত কোনো সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ বিচার সম্পন্ন না হওয়াকে তিনি অত্যন্ত দুঃখজনক বলে অভিহিত করেন। তিনি মনে করেন, প্রকৃত সত্য উদঘাটন এবং এই ঘটনার পেছনে দায়ীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার জন্য একটি গ্রহণযোগ্য তদন্ত কমিশন গঠন করা এখন সময়ের দাবি।
বিগত ২০১৩ সালের শাপলা চত্বরের সেই অভিযানকে ধর্মপ্রাণ মানুষের ওপর পরিচালিত এক নৃশংসতা হিসেবে বর্ণনা করে জামায়াতের আমির বলেন, সেই রাতের ঘটনা জাতির বিবেককে স্তম্ভিত করেছিল। গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, ন্যায়বিচার ও মানবতার পরিপন্থি এমন কর্মকাণ্ড একটি সভ্য রাষ্ট্রে কখনোই কাম্য নয় বলে তিনি তার বিবৃতিতে জোর দিয়ে জানান। তিনি আরও বলেন, বিচারের দীর্ঘসূত্রতার কারণে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো বছরের পর বছর ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে, যা সাধারণ মানুষের মনে গভীর ক্ষোভ ও হতাশার সৃষ্টি করছে।
বিবৃতিতে দেশে বিচারহীনতার সংস্কৃতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বাংলাদেশের সংবিধানে শান্তিপূর্ণ সমাবেশ এবং নিজস্ব মত প্রকাশের অধিকার স্বীকৃত। কিন্তু সেই অধিকারকে বলপ্রয়োগের মাধ্যমে দমন করা গণতান্ত্রিক রীতির সম্পূর্ণ বিরোধী। ভবিষ্যতের যেকোনো সময়ে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে এবং সত্য প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দায়ীদের আইনের আওতায় আনতে হবে।
বিবৃতির শেষ দিকে তিনি দেশের শান্তি, মানবিক মর্যাদা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সর্বস্তরের জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান। জাতীয় সংসদ থেকে পাঠানো এই বিবৃতিতে তিনি দেশের সামগ্রিক গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে এই তদন্তের গুরুত্বের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।
/আশিক
এনসিপিকে বিদায় জানানোর সময় হয়েছে: শাহরিয়ার কবির
দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যে এনসিপি-র ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের প্রবীণ আইনজীবী এ এস এম শাহরিয়ার কবির। রোববার গভীর রাতে তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া একটি ছোট কিন্তু তাৎপর্যপূর্ণ পোস্ট রাজনৈতিক মহলে তোলপাড় সৃষ্টি করেছে। তিনি ইংরেজিতে লিখেছেন— “It’s time to say goodbye to NCP. All the best.” (এনসিপিকে বিদায় জানানোর সময় এসেছে। শুভকামনা সবার জন্য।)
শাহরিয়ার কবিরের এই বক্তব্যের নেপথ্যে ঠিক কী কারণ রয়েছে, তা নিয়ে এখনো ধোঁয়াশা কাটেনি। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এনসিপি-র সাম্প্রতিক কিছু কার্যক্রম বা রাজনৈতিক অবস্থানের সাথে তাঁর মতপার্থক্য তৈরি হয়ে থাকতে পারে। সিনিয়র এই আইনজীবীর এমন সরাসরি ও কঠোর মন্তব্য দলটির অভ্যন্তরীণ কোন্দল বা নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের কোনো সংকটের দিকেই ইঙ্গিত দিচ্ছে কি না, তা নিয়ে শুরু হয়েছে ব্যাপক জল্পনা।
এনসিপি যখন বিভিন্ন সংস্কার ও প্রশাসনিক পরিবর্তনের দাবিতে রাজপথে সরব, ঠিক তখনই দলের ভেতরে থাকা বা ঘনিষ্ঠজনদের এমন 'বিদায়ী' সুর দলটির জন্য বড় ধরনের অস্বস্তি তৈরি করতে পারে। শাহরিয়ার কবিরের এই পোস্টের পর এনসিপি’র পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।
/আশিক
ছোটবেলার পরীক্ষার দিনের মতো পাশে ছিল নাহিদ: ডা. মিতু
জাতীয় সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেওয়ার পর নিজের অনুভূতি প্রকাশ করেছেন ডা. মাহমুদা আলম মিতু। রোববার দিবাগত রাত ১টার দিকে ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি জানান, তাঁর জীবনের এক নতুন ও দায়িত্বশীল অধ্যায় শুরু হয়েছে। এই যাত্রায় তিনি এনসিপি’র আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামকে একজন অভিভাবক এবং পথপ্রদর্শক হিসেবে পাশে পেয়েছেন বলে বিশেষভাবে উল্লেখ করেন।
ডা. মিতু তাঁর পোস্টে নাহিদ ইসলামের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে লেখেন, "পার্টির আহ্বায়কের বাইরে নাহিদ ইসলাম আমার ছোট ভাইয়ের মতো। সে আমার জন্য অভিভাবক হিসেবে পাশে ছিল।" সংসদের প্রথম দিনের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করতে গিয়ে তিনি শৈশবের স্মৃতিচারণ করে বলেন, ছোটবেলায় প্রথম পরীক্ষার দিন মা-বাবা বা বড় ভাই যেভাবে পথ দেখিয়ে নিয়ে যান, নাহিদ ইসলামও তাঁকে সেভাবেই সংসদে নিয়ে গেছেন এবং বিভিন্ন জায়গার সাথে পরিচয় করিয়ে দিয়েছেন।
নাহিদ ইসলামের এই দায়িত্ববোধ তাঁকে ভবিষ্যতে আরও নিষ্ঠার সাথে কাজ করতে অনুপ্রাণিত করেছে বলে জানান ডা. মিতু। তিনি লেখেন, "নাহিদ ইসলামের এই দায়িত্ববোধ আমাকে আরও দায়িত্বশীল হওয়ার অনুপ্রেরণা দিয়েছে। ভীষণ ভালো লাগাও কাজ করছিল, সত্যি বলতে সাহসও পেয়েছি।" সবশেষে তিনি দেশ ও জনগণের কল্যাণে সততা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করার তৌফিক কামনা করে দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন।
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- ইতিহাসের বৃহত্তম বিশ্বকাপে বাংলাদেশি ছোঁয়া: দুই দেশের উদ্বোধনী মঞ্চে ডিজে সঞ্জয়
- আবারও ভেঙে গেল আবু ত্বহা আদনানের সংসার: ৪ মাসেই বিচ্ছেদ
- সীমান্তে ফের বিএসএফের গুলি: কসবায় দুই বাংলাদেশির মরদেহ ফেরত দিল ভারত
- তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে ঐতিহাসিক দিন: থালাপতি বিজয়ের নেতৃত্বে নতুন মন্ত্রিসভা
- দাউদকান্দিতে পুলিশের সফল অভিযান: ১৮ কেজি গাঁজাসহ ২ কারবারি গ্রেপ্তার
- গোল্ডেন ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ৭ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে দিনব্যাপী ফ্রি হেলথ ক্যাম্প
- কালিগঞ্জে ‘মব’ সৃষ্টি করে অধ্যাপিকার বাড়ি দখল ও উচ্ছেদের চেষ্টা
- গাজায় অলৌকিক ঘটনা: মৃত্যুসনদ হাতে পাওয়ার পর মিলল ছেলের জীবিত থাকার খবর
- স্বৈরাচারের অন্ধকারে আর ফিরবে না বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
- দেশের ৬ অঞ্চলে রাতের মধ্যে ঝড়ের পূর্বাভাস: ১ নম্বর সতর্কসংকেত
- ধর্মীয় বৈষম্য ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে ভারত সরকারকে জামায়াত আমিরের কড়া বার্তা
- যুদ্ধ আর উত্তেজনার মাঝেও বিশ্বকাপে ইরান
- আহত হওয়ার পর রহস্যময় অবস্থানে খামেনি: কোথায় আছেন ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা?
- মার্কিন বাধা উপেক্ষা করে চীনের সঙ্গে তেলের বাজার গড়ছে ইরান
- নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিটি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করা হবে: প্রধানমন্ত্রী
- চট্টগ্রামে সফল দুই রত্নগর্ভা মাকে সম্মাননা জানাল সিলেট-চট্টগ্রাম ফ্রেন্ডশীপ ফাউন্ডেশন
- কুমেক হাসপাতালে হাম রোগীর উপচে পড়া ভিড়
- মুশফিকের লড়াই ও তাসকিনের ক্যামিও: প্রথম ইনিংসে বড় সংগ্রহ টাইগারদের
- ইরান যুদ্ধের নেপথ্যে কর্পোরেট খেলা: যুদ্ধের আড়ালে বিলিয়ন ডলারের মুনাফা
- বিশ্বকাপের দল চূড়ান্ত করতে ফিফার ডেডলাইন প্রকাশ
- নিজের বানানো গাড়িতে প্রধানমন্ত্রীকে ঘুরিয়ে দেখালেন ১৭ বছরের তরুণ
- ধর্মীয় আবেগ ও লাশের রাজনীতি দিয়ে ফায়দা লুটছে এনসিপি: রাশেদ খান
- ভারতীয় সেনাবাহিনীর শীর্ষ পদে রদবদল: নতুন সেনাপ্রধান নিয়োগ
- বাংলায় পালাবদল: তৃণমূলের বিদায়, মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিলেন শুভেন্দু অধিকারী
- আজ টানা ১০ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকছে না যেসব এলাকায়
- বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের নিয়মিত ফ্লাইটে যুক্তরাজ্যের পথে রাষ্ট্রপতি
- কবে থেকে কার্যকর হবে নবম পে-স্কেল? বাস্তবায়ন পরিকল্পনা জানাল অর্থ বিভাগ
- দুপুরের মধ্যে ধেয়ে আসছে ঝড়: দেশের ৪ অঞ্চলে বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা
- আব্বাসের জোড়া শিকারে ভাঙল প্রতিরোধ: লড়ছেন একা মুশফিক
- কেন বাড়ছে সোনার দাম? রেকর্ড উচ্চতায় দাঁড়িয়ে দেশের জুয়েলারি বাজার
- আজ শনিবারের নামাজের সময়সূচি: জোহর থেকে এশার পূর্ণাঙ্গ তালিকা
- ইরান যুদ্ধেই মুনাফার পাহাড় গড়ছে যেসব কোম্পানি
- যুদ্ধবিরতি বহাল, তবু ইরানকে ট্রাম্পের হুমকি
- ‘আওয়ামী লীগ টিকিয়ে রাখতে চেয়েছিলেন হাসনাত-সারজিস’
- বিশ্বজুড়ে নতুন আতঙ্ক হান্টাভাইরাস, কীভাবে ছড়ায়?
- জুমার ৫ আমল বদলে দিতে পারে পুরো সপ্তাহ
- তেলের বাজারে নতুন অস্থিরতা
- দেশের ইতিহাসে স্বর্ণের দামে নতুন রেকর্ড
- ছুটির দিনে বন্ধ রাজধানীর যেসব মার্কেট
- আজ রাজধানী ও জেলায় যেসব বড় কর্মসূচি
- প্রবাসী আয় পাঠানোর আগে দেখে নিন মুদ্রার রেট
- আজকের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সময়সূচি প্রকাশ
- পাঁচদিনের আবহাওয়ায় বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিল আবহাওয়া অফিস
- ১৩ দিন যেসব এলাকায় ৬ ঘণ্টা করে থাকবে না বিদ্যুৎ
- পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনের পর বাংলাদেশের দায়িত্ব বেড়েছে: নাহিদ ইসলাম
- ভারতকে ‘সবচেয়ে বড় সন্ত্রাসী’ আখ্যা দিল পাকিস্তান সেনাবাহিনী
- বগুড়া এখন সিটি করপোরেশন! তালিকায় যুক্ত হলো ৫টি নতুন উপজেলা
- ভেঙে দেওয়া হলো পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা: মমতার দীর্ঘ শাসনের অবসান
- কোচ হতে কত বেতন চেয়েছেন নেইমারের গুরু? বিস্তারিত জানাল বাফুফে
- সততা ও নিরপেক্ষতার ‘মূল্য’! বারবার বদলি ও বিতর্কে ডিআইজি গোলাম রউফ খান
- ঢাবিতে সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ শিক্ষার্থীদের সংগঠন ‘কাঁকশিয়ালী’-র নতুন কমিটি গঠন
- স্বর্ণের দামে লাফ, তবে অপরিবর্তিত রুপা: বাজারদরের সবশেষ আপডেট
- কেন বাড়ছে সোনার দাম? রেকর্ড উচ্চতায় দাঁড়িয়ে দেশের জুয়েলারি বাজার
- কালিগঞ্জে বসতবাড়ির যাতায়াত পথ বন্ধ: এক বছরেরও বেশি সময় ধরে চরম ভোগান্তিতে পরিবার
- বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির ইতিহাস: মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দুর নাম চূড়ান্ত
- ৬ জেলায় ২ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত: ৮০ কিমি বেগে আঘাত হানতে পারে ঝড়
- ৪ মে: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ৪ মে: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- জেনে নিন ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আজকের নামাজের সময়সূচি
- ৪ মে: শেয়ারবাজার লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ফজর থেকে এশা, আজকের পূর্ণ নামাজ সূচি
- আজকের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের পূর্ণ সময়সূচি
- আজকের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সময়সূচি প্রকাশ
- ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের পূর্বাভাস: ঢাকাসহ ৭ জেলায় ১ নম্বর সতর্কসংকেত
- দেশের ইতিহাসে স্বর্ণের দামে নতুন রেকর্ড








