১৮ জানুয়ারির শীর্ষ ১০ দরবৃদ্ধির শেয়ার তালিকা

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ–এ রোববার (১৮ জানুয়ারি ২০২৬) লেনদেনের শেষ দিকে উল্লেখযোগ্য উত্থান লক্ষ্য করা গেছে বেশ কয়েকটি নির্বাচিত শেয়ারে। দিনের লেনদেন শেষে আগের দিনের সমাপনী দর (YCP) বিবেচনায় শীর্ষ দশ দরবৃদ্ধিকারী শেয়ারের তালিকায় একাধিক শিল্প, ট্যানারি, ও ভোগ্যপণ্য খাতের কোম্পানি জায়গা করে নিয়েছে।
বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, স্বল্পমেয়াদি মুনাফা প্রত্যাশা, কিছু কোম্পানির আর্থিক উন্নতির ইঙ্গিত এবং খাতভিত্তিক চাহিদা বৃদ্ধিই এ উত্থানের প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করেছে।
শীর্ষে অ্যাপেক্স ট্যানারি, প্রায় ১০ শতাংশ উত্থান
দিনের সর্বোচ্চ দরবৃদ্ধিকারী শেয়ারের তালিকায় শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে অ্যাপেক্স ট্যানারি। শেয়ারটির সমাপনী দর দাঁড়িয়েছে ৭২ টাকা, যা আগের দিনের তুলনায় প্রায় ৯.৯২ শতাংশ বেশি। লেনদেনের পুরো সময়জুড়ে শেয়ারটি ক্রেতাদের শক্ত আগ্রহে ছিল বলে বাজার বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন।
ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্স ও প্যারামাউন্টের শক্তিশালী প্রত্যাবর্তন
দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্স শেয়ারটি প্রায় ৯.৮৮ শতাংশ দর বৃদ্ধি পেয়ে ৭৫ টাকা ৬০ পয়সায় লেনদেন শেষ করে। একই সঙ্গে প্যারামাউন্ট টেক্সটাইল প্রায় ৯.৮৫ শতাংশ বেড়ে ৫৩ টাকা ৫০ পয়সায় উঠে আসে, যা বিনিয়োগকারীদের আস্থার প্রতিফলন বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
ভারী শিল্প ও সিমেন্ট খাতেও ইতিবাচক গতি
তালিকায় থাকা রহিম টেক্সটাইল, হাইডেলবার্গ সিমেন্ট এবং রিপাবলিক ইন্স্যুরেন্স–এর শেয়ারেও উল্লেখযোগ্য দরবৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে। বিশেষ করে হাইডেলবার্গ সিমেন্টের শেয়ার প্রায় ৮.৭৪ শতাংশ বেড়ে ২৩৫ টাকা ১০ পয়সায় পৌঁছায়, যা নির্মাণ খাতে সম্ভাব্য চাহিদা বৃদ্ধির ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে।
ওষুধ ও খাদ্য খাতের শেয়ারে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ
দিনের শীর্ষ তালিকায় আরও রয়েছে বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস, রহিমা ফুড, কর্ণফুলী ইন্স্যুরেন্স এবং সোনারবাংলা ইন্স্যুরেন্স। এসব শেয়ারে ৫ থেকে প্রায় ৬ শতাংশ পর্যন্ত দর বৃদ্ধি হয়েছে, যা ভোক্তা ও প্রতিরক্ষামূলক খাতে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ অব্যাহত থাকার ইঙ্গিত দেয়।
বাজার বিশ্লেষণ
বাজার সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সামগ্রিকভাবে বাজারে এখনও সতর্কতা বিরাজ করলেও নির্বাচিত কিছু শেয়ারে ফান্ড রোটেশন ও ট্রেডিং-ভিত্তিক আগ্রহ বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে কোম্পানিগুলোর মৌলভিত্তি ও আর্থিক অবস্থান বিশ্লেষণের ওপর জোর দেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন তারা।
-রাফসান
ইপিএস ও ক্যাশ ফ্লোতে বড় উন্নতি লাভেলোর
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত ভোগ্যপণ্য খাতের প্রতিষ্ঠান লাভেলো আইসক্রিম পিএলসি চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর–ডিসেম্বর ২০২৫) উল্লেখযোগ্য আর্থিক প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিক্রি ও কর-পরবর্তী মুনাফা বৃদ্ধির ফলে কোম্পানিটির আয়, নগদ প্রবাহ ও সম্পদমূল্যে ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে।
কোম্পানির প্রকাশিত ব্যাখ্যা অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ডিসেম্বর শেষে সমাপ্ত প্রান্তিকে লাভেলোর কর-পরবর্তী নিট মুনাফা আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ৬২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। একই সময়ে কোম্পানিটির মোট বিক্রি বেড়েছে প্রায় ২৯ শতাংশ।
ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বাজার সম্প্রসারণ, বিক্রয় চ্যানেল শক্তিশালী করা এবং পণ্যের চাহিদা বৃদ্ধিই এই প্রবৃদ্ধির মূল কারণ। এই দুটি সূচকের উন্নতির সরাসরি প্রভাব পড়েছে শেয়ারপ্রতি আয়ের ওপর।
অনিরীক্ষিত হিসাব অনুযায়ী, ২০২৫ সালের অক্টোবর–ডিসেম্বর প্রান্তিকে লাভেলোর ডাইলিউটেড শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) দাঁড়িয়েছে ১ দশমিক ১৬ টাকা, যেখানে আগের বছরের একই প্রান্তিকে (অক্টোবর–ডিসেম্বর ২০২৪) এই ইপিএস ছিল ০ দশমিক ৫৬ টাকা। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে প্রান্তিকভিত্তিক ইপিএস প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে।
২০২৫ সালের জুলাই–ডিসেম্বর ছয় মাসের সমন্বিত হিসাবে কোম্পানিটির ডাইলিউটেড ইপিএস দাঁড়িয়েছে ২ দশমিক ১৩ টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১ দশমিক ৩৮ টাকা। এতে লাভেলোর ধারাবাহিক আয় বৃদ্ধির ধারা স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।
একই সময়ে পরিচালন কার্যক্রম থেকে শেয়ারপ্রতি নগদ প্রবাহ (ডাইলিউটেড এনওসিএফপিএস) বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ দশমিক ৪৮ টাকা, যেখানে আগের বছরের একই সময়ে এই সূচক ছিল ১ দশমিক ৭৮ টাকা। বিশ্লেষকদের মতে, এই শক্তিশালী নগদ প্রবাহ কোম্পানিটির তারল্য ও ভবিষ্যৎ সম্প্রসারণ সক্ষমতার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ইতিবাচক দিক।
২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর শেষে লাভেলোর শেয়ারপ্রতি ডাইলিউটেড নিট সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ১২ দশমিক ৫২ টাকা। এর আগে, ২০২৫ সালের ৩০ জুন শেষে এই এনএভি ছিল ১২ দশমিক ০১ টাকা। অর্থাৎ ছয় মাসে শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্যে বাস্তব উন্নতি হয়েছে।
-রাফসান
একাধিক ডিএসই তালিকাভুক্ত কোম্পানির বোর্ড সভা ঘোষণা
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) তালিকাভুক্ত কয়েকটি কোম্পানি চলতি মাসে তাদের পরিচালনা পর্ষদের সভার সময়সূচি ঘোষণা করেছে। ডিএসইর লিস্টিং রেগুলেশনস, ২০১৫–এর ১৬(১) ধারা অনুযায়ী প্রকাশিত এসব তথ্যে জানানো হয়েছে, সভাগুলোতে মূলত ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত দ্বিতীয় প্রান্তিকের (কিউ২) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা ও অনুমোদনের বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া হবে।
টাল্লু স্পিনিং মিলসের বোর্ড সভা ২৫ জানুয়ারি
ডিএসইকে দেওয়া এক ঘোষণায় টাল্লু স্পিনিং মিলস লিমিটেড জানিয়েছে, কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদের সভা অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৫ জানুয়ারি ২০২৬, বিকেল ৩টা ৩০ মিনিটে। সভার আলোচ্যসূচির মধ্যে রয়েছে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর শেষে সমাপ্ত দ্বিতীয় প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণী পর্যালোচনা ও বিবেচনা।
একই দিনে মিথুন নিটিংয়ের পর্ষদ বৈঠক
একই দিনে আরেকটি তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠান মিথুন নিটিং অ্যান্ড ডাইং লিমিটেড তাদের বোর্ড সভা আহ্বান করেছে। ডিএসইর বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ২৫ জানুয়ারি ২০২৬ বিকেল ৪টায় কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। এ সভাতেও ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত দ্বিতীয় প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনার বিষয়টি আলোচনায় আসবে।
জেএইচআরএমএলের বোর্ড সভা ২৭ জানুয়ারি
এদিকে জেএইচআরএমএল জানিয়েছে, তাদের পরিচালনা পর্ষদের সভা আগামী ২৭ জানুয়ারি ২০২৬ বিকেল ৩টা ৩০ মিনিটে অনুষ্ঠিত হবে। অন্যান্য আলোচ্য বিষয়ের পাশাপাশি এই সভাতেও দ্বিতীয় প্রান্তিকের (কিউ২) অনিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণী বিবেচনায় নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে কোম্পানিটি।
বিনিয়োগকারীদের জন্য কেন গুরুত্বপূর্ণ
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, দ্বিতীয় প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদনগুলো প্রকাশের মাধ্যমে কোম্পানিগুলোর চলতি অর্থবছরের মাঝামাঝি সময়ের আর্থিক অবস্থা, আয় প্রবণতা ও ব্যয় কাঠামোর একটি স্পষ্ট চিত্র পাওয়া যাবে। ফলে এসব বোর্ড সভা ও পরবর্তী আর্থিক ঘোষণার দিকে বিনিয়োগকারীদের দৃষ্টি থাকবে।
বিশেষ করে টেক্সটাইল ও শিল্প খাতের কোম্পানিগুলোর পারফরম্যান্স বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতায় শেয়ারবাজারের সামগ্রিক মনোভাব প্রভাবিত করতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
-রাফসান
ডিএসই পরিদর্শনে বন্ধ পাওয়া গেল কয়েকটি কারখানা
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ পিএলসি (ডিএসই) সম্প্রতি দেশের শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কয়েকটি শিল্পপ্রতিষ্ঠানের কারখানা পরিদর্শন করেছে। এসব পরিদর্শনের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোর বর্তমান উৎপাদন ও পরিচালন অবস্থার বাস্তব চিত্র তুলে ধরা হয়েছে, যা বিনিয়োগকারীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
ডিএসই সূত্রে জানানো হয়েছে, পরিদর্শন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে অবস্থিত একাধিক কারখানা ঘুরে দেখা হয়। এতে কোথাও আংশিকভাবে উৎপাদন চালু থাকলেও, বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের কারখানা সম্পূর্ণ বন্ধ অবস্থায় পাওয়া গেছে।
ডোমিনেজ স্টিল বিল্ডিং সিস্টেমস: এক ইউনিট চালু, আরেকটি বন্ধ
ডিএসইর একটি প্রতিনিধি দল ২০২৫ সালের ৩ ও ৪ নভেম্বর যথাক্রমে আশুলিয়া (সাভার) এবং পলাশ (নরসিংদী) এলাকায় অবস্থিত ডোমিনেজ স্টিল বিল্ডিং সিস্টেমস লিমিটেড–এর কারখানা পরিদর্শন করে। পরিদর্শনে দেখা যায়, আশুলিয়া, সাভারে অবস্থিত ইউনিটটি সচল রয়েছে এবং সেখানে উৎপাদন কার্যক্রম চলমান। তবে নরসিংদীর পলাশ এলাকায় অবস্থিত কোম্পানিটির অন্য ইউনিটটি বন্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়।
ডিএসই জানায়, এই পরিদর্শনের উদ্দেশ্য ছিল কোম্পানিটির প্রকৃত পরিচালন অবস্থা যাচাই করা এবং বাজারে স্বচ্ছ তথ্য নিশ্চিত করা।
প্যাসিফিক ডেনিমস লিমিটেডের কারখানা বন্ধ
ডিএসইর আরেকটি দল ২০২৫ সালের ২২ অক্টোবর প্যাসিফিক ডেনিমস লিমিটেড–এর কারখানা পরিদর্শন করে। পরিদর্শনকালে কারখানাটি সম্পূর্ণ বন্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়। ফলে কোম্পানিটির উৎপাদন কার্যক্রম দীর্ঘদিন ধরে স্থগিত রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
আরামিট সিমেন্টে উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ
এদিকে ২০২৫ সালের ২২ জুলাই আরামিট সিমেন্ট লিমিটেড–এর কারখানা পরিদর্শন করে ডিএসইর প্রতিনিধি দল। সেখানে গিয়ে দেখা যায়, প্রতিষ্ঠানটির উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। সিমেন্ট খাতের এই কোম্পানির কার্যক্রম বন্ধ থাকায় সংশ্লিষ্ট বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
নুরানী ডাইং অ্যান্ড সুয়েটার লিমিটেডেও তালা
একই ধরনের চিত্র পাওয়া গেছে নুরানী ডাইং অ্যান্ড সুয়েটার লিমিটেড–এর ক্ষেত্রেও। ডিএসইর দল ২০২৫ সালের ২১ জুলাই প্রতিষ্ঠানটির কারখানা পরিদর্শন করে এবং সেখানে উৎপাদন ও পরিচালন কার্যক্রম বন্ধ দেখতে পায়।
রতনপুর স্টিল রি-রোলিং মিলসেও উৎপাদন স্থগিত
ডিএসই জানায়, ২০২৫ সালের ২০ জুলাই রতনপুর স্টিল রি-রোলিং মিলস লিমিটেড–এর কারখানা পরিদর্শন করা হয়। ওই সময় প্রতিষ্ঠানটির উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ অবস্থায় ছিল।
বাজারে প্রভাব ও বিনিয়োগকারীদের দৃষ্টি
শেয়ারবাজার বিশ্লেষকদের মতে, একাধিক তালিকাভুক্ত কোম্পানির কারখানা বন্ধ থাকার তথ্য বাজারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সংকেত বহন করে। এতে কোম্পানিগুলোর আয়, নগদ প্রবাহ এবং ভবিষ্যৎ টেকসই পরিচালনা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হতে পারে। তবে কোনো কোনো ক্ষেত্রে উৎপাদন সাময়িকভাবে বন্ধ থাকলেও পুনরায় চালুর সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
ডিএসইর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নিয়মিত পরিদর্শনের মাধ্যমে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর প্রকৃত অবস্থা বিনিয়োগকারীদের সামনে তুলে ধরাই এই কার্যক্রমের মূল উদ্দেশ্য।
-রাফসান
প্রথম প্রান্তিক প্রকাশ ফরচুন শুজের
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠান ফরচুন শুজ লিমিটেড চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই–সেপ্টেম্বর ২০২৫) আর্থিক পারফরম্যান্সে মিশ্র চিত্র তুলে ধরেছে। অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় কোম্পানিটির আয় নেতিবাচক ধারায় ফিরলেও পরিচালন নগদ প্রবাহে উল্লেখযোগ্য উন্নতি অর্জিত হয়েছে।
প্রথম প্রান্তিকের আর্থিক ফলাফল অনুযায়ী, ফরচুন শুজের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) দাঁড়িয়েছে ঋণাত্মক ০ দশমিক ৩১ টাকা। গত বছরের একই সময়ে, অর্থাৎ জুলাই–সেপ্টেম্বর ২০২৪ প্রান্তিকে কোম্পানিটি শেয়ারপ্রতি ০ দশমিক ১১ টাকা মুনাফা অর্জন করেছিল। ফলে এক বছরের ব্যবধানে আয় কাঠামোতে বড় ধরনের অবনতি লক্ষ্য করা গেছে।
বাজার সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি, কাঁচামালের দামের ওঠানামা এবং সামগ্রিক ভোক্তা চাহিদার চাপ এই লোকসানের পেছনে ভূমিকা রাখতে পারে। যদিও কোম্পানির পক্ষ থেকে নির্দিষ্ট কোনো ব্যাখ্যা এখনও প্রকাশ করা হয়নি, তবে আয় থেকে লোকসানে ফিরে যাওয়া বিনিয়োগকারীদের মধ্যে সতর্কতা সৃষ্টি করেছে।
লোকসানের চিত্রের বিপরীতে পরিচালন কার্যক্রম থেকে নগদ প্রবাহে (এনওসিএফপিএস) শক্তিশালী উন্নতি দেখা গেছে। আলোচ্য প্রান্তিকে ফরচুন শুজের শেয়ারপ্রতি পরিচালন নগদ প্রবাহ দাঁড়িয়েছে ০ দশমিক ২৯ টাকা। এর আগের বছরের একই সময়ে এই সূচক ছিল ঋণাত্মক ০ দশমিক ১০ টাকা।
বিশ্লেষকদের মতে, পাওনা আদায় ব্যবস্থায় উন্নতি, নগদ ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা এবং ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল ব্যবস্থাপনায় দক্ষতার ফলেই অপারেটিং ক্যাশ ফ্লোতে এই ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে। এটি কোম্পানির তারল্য ব্যবস্থাপনার জন্য একটি স্বস্তিদায়ক দিক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর শেষে ফরচুন শুজের শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ১৪ দশমিক ৩৯ টাকা। এর আগে, ২০২৫ সালের ৩০ জুন শেষে কোম্পানিটির এনএভি ছিল ১৪ দশমিক ৭০ টাকা। অর্থাৎ তিন মাসে শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্যে সামান্য হ্রাস লক্ষ্য করা গেছে।
-রাফসান
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে আইবিপির প্রথম প্রান্তিক প্রকাশ
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত কোম্পানি আইবিপি চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই–সেপ্টেম্বর ২০২৫) আর্থিক কার্যক্রমে ইতিবাচক অগ্রগতি দেখিয়েছে। ব্যয় নিয়ন্ত্রণে কড়াকড়ি, কার্যকর ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল ব্যবস্থাপনা এবং বিক্রয় কার্যক্রমে আংশিক পুনরুদ্ধারের ফলে কোম্পানিটির আয় ও নগদ প্রবাহে উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে।
কোম্পানির অনিরীক্ষিত প্রথম প্রান্তিক আর্থিক প্রতিবেদনে দেখা যায়, আলোচ্য সময়ে আইবিপির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) দাঁড়িয়েছে ০ দশমিক ০১ টাকা। আগের বছরের একই সময়ে (জুলাই–সেপ্টেম্বর ২০২৪) যেখানে কোম্পানিটি শেয়ারপ্রতি ০ দশমিক ০৩ টাকা লোকসান গুনেছিল, সেখানে এবার সেই ঘাটতি কাটিয়ে মুনাফায় ফেরার ইঙ্গিত দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
আইবিপির আর্থিক প্রতিবেদনে সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ পরিবর্তন এসেছে পরিচালন কার্যক্রম থেকে নগদ প্রবাহে। চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি পরিচালন নগদ প্রবাহ (এনওসিএফপিএস) দাঁড়িয়েছে ০ দশমিক ০২ টাকা। বিপরীতে, গত বছরের একই সময়ে এই সূচক ছিল ঋণাত্মক ০ দশমিক ০৬ টাকা।
ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গ্রাহকদের কাছ থেকে পাওনা আদায়ে গতি বৃদ্ধি এবং কার্যকর ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল ব্যবস্থাপনার ফলে অপারেটিং ক্যাশ ইনফ্লো উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এর ফলেই আগের বছরের তুলনায় নগদ প্রবাহে এই ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর শেষে আইবিপির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ১২ দশমিক ৫৪ টাকা। এর আগে, ২০২৫ সালের ৩০ জুন শেষে কোম্পানিটির এনএভি ছিল ১৩ দশমিক ৫৮ টাকা। অর্থাৎ তিন মাসে শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্যে কিছুটা হ্রাস লক্ষ্য করা গেছে, যা বাজার বিশ্লেষকদের নজর কেড়েছে।
কোম্পানির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সামগ্রিক পরিচালন দক্ষতা উন্নত হওয়ায় লোকসান থেকে মুনাফায় ফিরে আসা সম্ভব হয়েছে। ব্যয় নিয়ন্ত্রণ জোরদার করা, বিক্রয় কার্যক্রমে ধীরে ধীরে গতি ফেরানো এবং নগদ ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা আনার ফলেই প্রথম প্রান্তিকে এই ইতিবাচক ফলাফল অর্জিত হয়েছে।
-রাফসান
শেয়ারবাজারের সাপ্তাহিক পূর্ণাঙ্গ বিশ্লেষণ
গত সপ্তাহে দেশের পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে স্পষ্টভাবে সতর্কতা ও অনিশ্চয়তার মনোভাব লক্ষ করা গেছে। সপ্তাহজুড়ে সূচকের নিম্নমুখী গতি, লেনদেন ও ভলিউমে উল্লেখযোগ্য পতন এবং অধিকাংশ শেয়ারের দর কমে যাওয়ায় বাজারে নেতিবাচক আবহ তৈরি হয়েছে। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, এই পরিস্থিতি কেবল স্বল্পমেয়াদি কারেকশন নয়; বরং এটি অর্থনৈতিক ও নীতিগত অনিশ্চয়তার প্রতিফলন।
সপ্তাহ শেষে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)–এর প্রধান সূচকগুলো ধারাবাহিক চাপের মধ্য দিয়ে গেছে, যা বাজারের সামগ্রিক দুর্বলতা স্পষ্ট করে।
প্রধান সূচকের অবস্থা: ধীর কিন্তু ধারাবাহিক পতন
ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স সপ্তাহ শেষে নেমে এসেছে ৪,৯৫৮.৯৯ পয়েন্টে, যা আগের সপ্তাহের তুলনায় প্রায় ০.৮ শতাংশ কম। সূচক পতনের গতি খুব তীব্র না হলেও ধারাবাহিক হওয়ায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থার ঘাটতি আরও গভীর হয়েছে।
শীর্ষ ৩০ কোম্পানির সূচক ডিএস৩০ সামান্য কমে ১,৯১২.৭২ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। এটি ইঙ্গিত দেয় যে বড় ও তুলনামূলক শক্তিশালী কোম্পানিগুলোও বাজারচাপের বাইরে নেই। অন্যদিকে, শরিয়াহভিত্তিক সূচক ডিএসইএস প্রায় ১.৫ শতাংশ কমে সপ্তাহ শেষ করেছে, যা শরিয়াহভিত্তিক বিনিয়োগকারীদের বিক্রির প্রবণতা বাড়ার ইঙ্গিত দেয়।
তবে ব্যতিক্রম হিসেবে এসএমই বোর্ডের সূচক তুলনামূলক ভালো অবস্থানে রয়েছে। যদিও সপ্তাহে সামান্য কমেছে, তবুও বছরের শুরু থেকে এই সূচক দ্বি-অঙ্কের প্রবৃদ্ধি ধরে রেখেছে। বিশ্লেষকদের মতে, স্বল্প শেয়ার সংখ্যা ও সীমিত ফ্লোটের কারণে এসএমই বোর্ডে এখনো স্পেকুলেটিভ আগ্রহ টিকে আছে।
লেনদেন ও ভলিউম: তারল্যের ঘাটতি স্পষ্ট
সপ্তাহজুড়ে গড় দৈনিক লেনদেন কমে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩ হাজার ৮০০ কোটি টাকায়, যা আগের সপ্তাহের তুলনায় প্রায় ২০ শতাংশ কম। একইভাবে শেয়ার লেনদেনের ভলিউম কমেছে ২২ শতাংশের বেশি।
বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, এই পতন মূলত বড় বিনিয়োগকারীদের অপেক্ষাকৃত নিষ্ক্রিয়তার ফল। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা নতুন করে বড় অঙ্কের বিনিয়োগে যাচ্ছেন না, বরং বিদ্যমান পোর্টফোলিও ধরে রেখে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন।
ডলারে হিসাব করলে গড় দৈনিক লেনদেন নেমে এসেছে প্রায় ৩১ মিলিয়ন ডলারে, যা বৈদেশিক বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ কমে যাওয়ার ইঙ্গিত দেয়।
বাজার মূলধন: সূচক কমলেও ভিত্তি পুরোপুরি নড়বড়ে নয়
সূচক ও লেনদেনে দুর্বলতা থাকলেও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো সপ্তাহ শেষে বাজারের মোট মূলধন সামান্য বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬৮ লাখ ৪৪ হাজার কোটি টাকা। এটি নির্দেশ করে যে বড় মূলধনী কোম্পানিগুলোর শেয়ারে ব্যাপক ধস এখনো দেখা যায়নি।
বিশ্লেষকদের মতে, বাজারে এখনো একটি ন্যূনতম ভিত্তি বিদ্যমান রয়েছে, যা ভবিষ্যতে অনুকূল কোনো নীতিগত বা অর্থনৈতিক সংকেত পেলে দ্রুত প্রতিক্রিয়া দেখাতে পারে।
বাজার প্রস্থ: বিক্রেতাদের আধিপত্য
এই সপ্তাহে ডিএসইতে দর বেড়েছে মাত্র ৯৩টি শেয়ারের, বিপরীতে দর কমেছে ২৬৮টি শেয়ারের। অপরিবর্তিত ছিল ২৫টি, আর লেনদেন হয়নি ২৭টি শেয়ারের।
অ্যাডভান্স-ডিক্লাইন রেশিও নেমে এসেছে ০.৩৫–এ, যা স্পষ্টভাবে বিক্রেতাদের আধিপত্য নির্দেশ করে। বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের রেশিও সাধারণত বিনিয়োগকারীদের মানসিক চাপ ও আস্থাহীনতার প্রতিফলন।
খাতভিত্তিক চিত্র: ব্যাংক ও টেক্সটাইল সবচেয়ে দুর্বল
ব্যাংক খাতে এই সপ্তাহে গড় দৈনিক লেনদেন ৫০ শতাংশের বেশি কমেছে। খেলাপি ঋণ, সুদের হার, এবং ভবিষ্যৎ মুনাফা নিয়ে অনিশ্চয়তা এই খাতের ওপর বড় চাপ সৃষ্টি করেছে।
টেক্সটাইল খাতেও বড় ধস দেখা গেছে। যদিও মোট লেনদেনে এই খাতের অংশ এখনো উল্লেখযোগ্য, তবে দরপতন ও ভলিউম কমে যাওয়ায় বিনিয়োগকারীরা এই খাত থেকে দূরে থাকছেন।
ফার্মাসিউটিক্যাল ও কেমিক্যাল খাতে লেনদেন তুলনামূলক বেশি হলেও অধিকাংশ শেয়ারের দর নিম্নমুখী ছিল। জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে কিছুটা স্থিতিশীলতা দেখা গেলেও সেখানে শক্তিশালী উত্থানের কোনো ইঙ্গিত নেই।
করপোরেট বন্ড ও বিকল্প বিনিয়োগ
এই সপ্তাহে করপোরেট বন্ড খাতে লেনদেন হঠাৎ বেড়ে যাওয়াকে বিশ্লেষকরা গুরুত্বপূর্ণ সংকেত হিসেবে দেখছেন। তাদের মতে, ঝুঁকিপূর্ণ শেয়ার থেকে সরে গিয়ে বিনিয়োগকারীরা তুলনামূলক নিরাপদ আয়ের দিকে ঝুঁকছেন।
এটি বাজারে ঝুঁকিবিমুখ (risk-averse) মানসিকতার বিস্তার নির্দেশ করে।
শীর্ষ দরবৃদ্ধি ও দরপতন: অস্থিরতার প্রতিচ্ছবি
সপ্তাহজুড়ে কয়েকটি জেড ক্যাটাগরির শেয়ারে বড় দরবৃদ্ধি দেখা গেছে, কোথাও কোথাও ৩০ শতাংশের বেশি। তবে বিশ্লেষকরা সতর্ক করে বলেছেন, এসব উত্থান মৌলভিত্তির চেয়ে স্বল্পমেয়াদি কারসাজি বা স্পেকুলেশনের ফল হতে পারে।
অন্যদিকে, বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারে ১০ থেকে ২৫ শতাংশ পর্যন্ত দরপতন বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আতঙ্ক বাড়িয়েছে।
মূল্যায়ন: কম পিই হলেও আস্থা ফেরেনি
সপ্তাহ শেষে বাজারের গড় পিই রেশিও দাঁড়িয়েছে ৮.৭৭, যা ঐতিহাসিকভাবে কম। সাধারণত এমন পিই বাজারকে ভ্যালু জোনে নির্দেশ করে। তবে বিশ্লেষকদের মতে, কেবল কম পিই যথেষ্ট নয়।
তাদের মতে, বাজারে টেকসই পুনরুদ্ধারের জন্য প্রয়োজন-
- নীতিগত স্থিতিশীলতা
- তারল্য প্রবাহ বৃদ্ধি
- প্রাতিষ্ঠানিক ও বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ
এই উপাদানগুলো অনুপস্থিত থাকলে বাজারে ওঠানামা অব্যাহত থাকতে পারে।
সামনের দিকনির্দেশনা: সতর্ক আশাবাদ
বর্তমান পরিস্থিতিতে বাজার বিশেষজ্ঞরা বিনিয়োগকারীদের সতর্ক অবস্থান নেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন। স্বল্পমেয়াদে বাজারে বড় উত্থানের সম্ভাবনা সীমিত হলেও, দীর্ঘমেয়াদে মৌলভিত্তি শক্ত কোম্পানিগুলোর ক্ষেত্রে ধীরে ধীরে সুযোগ তৈরি হতে পারে বলে তারা মনে করছেন।
-রাফসান
শেয়ারবাজারে ১৫ জানুয়ারির টার্নওভার চিত্র
দেশের প্রধান পুঁজিবাজার Dhaka Stock Exchange–এর প্রধান বোর্ডে ১৫ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে লেনদেনের পরিমাণ ছিল উল্লেখযোগ্য। দিনভর বিনিয়োগকারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণে বাজারে মোট ১ লাখ ২৯ হাজার ৪৯৫টি লেনদেন সম্পন্ন হয়েছে, যা সাম্প্রতিক সময়ের গড় লেনদেনের তুলনায় মাঝারি মাত্রার হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, এদিন প্রধান বোর্ডে মোট ১১ কোটি ৫৮ লাখ ৪৭ হাজার ৩৯টি শেয়ার ও ইউনিট হাতবদল হয়েছে। লেনদেনের এই পরিমাণ বাজারে তারল্য বজায় থাকার ইঙ্গিত দিলেও, দরপতনের আধিক্যের কারণে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে সতর্ক মনোভাব স্পষ্ট ছিল বলে মনে করছেন বাজার বিশ্লেষকরা।
আর্থিক পরিমাপে দেখা যায়, বৃহস্পতিবারের লেনদেনে মোট ৩ হাজার ৭৯৮ কোটি ১ লাখ ৭ হাজার টাকা সমপরিমাণ টাকার লেনদেন হয়েছে। আগের দিনের তুলনায় টার্নওভারে বড় ধরনের উল্লম্ফন না হলেও, ধারাবাহিক লেনদেন বাজারকে স্থবিরতা থেকে দূরে রেখেছে বলে মত দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
-রাফসান
১৫ জানুয়ারি পূর্ণাঙ্গ শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
১৫ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার Dhaka Stock Exchange–এ লেনদেন হয়েছে নেতিবাচক প্রবণতায়। এদিন অধিকাংশ শেয়ারের দর কমায় বাজারে বিক্রির চাপ স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান হয়। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, বিনিয়োগকারীদের সতর্ক অবস্থান, স্বল্পমেয়াদি মুনাফা তুলে নেওয়ার প্রবণতা এবং সামগ্রিক অনিশ্চয়তা এ দরপতনের প্রধান কারণ।
দিনশেষে ডিএসইতে মোট ৩৯০টি সিকিউরিটিজে লেনদেন হয়। এর মধ্যে মাত্র ১০২টির দর বেড়েছে, বিপরীতে ২২০টির দর কমেছে এবং ৬৮টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে। সংখ্যাগতভাবে দরপতনকারী শেয়ারের আধিক্য বাজারের দুর্বল মনোভাবকে স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত করেছে।
‘এ’ ক্যাটাগরির শেয়ারগুলোতেও নেতিবাচক চিত্র দেখা গেছে। এই ক্যাটাগরিতে লেনদেন হওয়া ২০৫টি শেয়ারের মধ্যে ১২১টির দর কমেছে, যেখানে মাত্র ৫২টির দর বেড়েছে এবং ৩২টি অপরিবর্তিত রয়েছে। ভালো মৌলভিত্তির শেয়ারেও বিক্রির চাপ থাকায় বাজারে আস্থার ঘাটতির ইঙ্গিত মিলেছে।
‘বি’ ক্যাটাগরিতে লেনদেন হওয়া ৮০টি শেয়ারের মধ্যে ৫৫টির দর কমে যায়, বিপরীতে ১৪টির দর বাড়ে এবং ১১টির দর স্থিতিশীল থাকে। এই ক্যাটাগরিতে ঝুঁকিবিমুখ বিনিয়োগকারীদের সক্রিয়তা কম থাকায় দরপতন তুলনামূলক বেশি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
‘জেড’ ক্যাটাগরিতেও নেতিবাচক প্রবণতা বজায় ছিল। এই ক্যাটাগরির ১০৫টি শেয়ারের মধ্যে ৪৪টির দর কমেছে, ৩৬টির দর বেড়েছে, আর ২৫টি অপরিবর্তিত রয়েছে। লোকসানি ও দুর্বল মৌলভিত্তির শেয়ারে বিনিয়োগকারীদের অনীহা এ চিত্রের পেছনে ভূমিকা রেখেছে।
মিউচুয়াল ফান্ড খাতেও চাপ লক্ষ্য করা গেছে। এদিন লেনদেন হওয়া ৩৪টি মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে ৯টির দর কমেছে, ৪টির দর বেড়েছে, এবং ২১টির দর অপরিবর্তিত ছিল। স্বল্পমূল্যের ইউনিটে সীমিত ক্রয়চাপ থাকলেও সামগ্রিকভাবে খাতটি নিস্তেজ ছিল।
করপোরেট বন্ড বাজারে মাত্র ২টি বন্ডে লেনদেন হয়, যার মধ্যে ১টির দর বেড়েছে এবং ১টির দর কমেছে। অন্যদিকে সরকারি সিকিউরিটিজ বাজারে লেনদেন হওয়া ৪টি সরকারি বন্ডের সবকটিতেই দরপতন লক্ষ্য করা গেছে, যা বন্ড মার্কেটেও বিক্রির চাপের ইঙ্গিত দেয়।
লেনদেন পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এদিন ডিএসইতে মোট ১ লাখ ২৯ হাজার ৪৯৫টি লেনদেন সম্পন্ন হয়। মোট লেনদেন হওয়া শেয়ারের সংখ্যা দাঁড়ায় ১১ কোটি ৫৮ লাখ ৪৭ হাজার ৩৯টি, আর লেনদেনের আর্থিক পরিমাণ ছিল প্রায় ৩ হাজার ৭৯৮ কোটি টাকা। আগের দিনের তুলনায় লেনদেনের গতি কিছুটা কম ছিল বলে বাজার সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
দিনশেষে ডিএসইর মোট বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬৮ লাখ ৪৪ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে ইক্যুইটি খাতে বাজার মূলধন ছিল প্রায় ৩২ লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকা, মিউচুয়াল ফান্ড খাতে প্রায় ২ হাজার ২৩৬ কোটি টাকা, আর ঋণপত্র বা ডেট সিকিউরিটিজ খাতে বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩৫ লাখ ৬১ হাজার কোটি টাকা।
এদিন ব্লক মার্কেটেও উল্লেখযোগ্য লেনদেন হয়েছে। মোট ২৪টি কোম্পানির শেয়ারে ১১৩টি ব্লক লেনদেন সম্পন্ন হয়। ব্লক মার্কেটে মোট ৩৭ লাখ ৯৪ হাজার ৬৯৭টি শেয়ার হাতবদল হয়ে লেনদেনের আর্থিক পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ২৭৭ কোটি টাকা। ব্লক লেনদেনে এপেক্স স্পিনিং, গ্রামীণফোন, সিটি জেনারেল ইন্স্যুরেন্স, ফাইন ফুডস ও বেক্সিমকো সুকুকের মতো শেয়ারে বড় অঙ্কের লেনদেন লক্ষ্য করা গেছে।
-রাফসান
১৫ জানুয়ারি দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
১৫ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে লেনদেন চলাকালে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার Dhaka Stock Exchange–এ বেশ কয়েকটি শেয়ারে উল্লেখযোগ্য দরপতন লক্ষ্য করা গেছে। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, কিছু কোম্পানির শেয়ারে স্বল্পমেয়াদি মুনাফা তুলে নেওয়ার প্রবণতা, মৌলভিত্তিগত দুর্বলতা এবং বিনিয়োগকারীদের সতর্ক অবস্থানের কারণে এদিন লুজার তালিকায় বড় ধরনের পরিবর্তন দেখা যায়।
বাজার বন্ধ হওয়ার আগে বিকেল ২টা ৫২ মিনিট পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, দরপতনের শীর্ষে উঠে আসে শুরউইদ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড। কোম্পানিটির শেয়ার দর আগের দিনের তুলনায় প্রায় ৭ দশমিক ৩ শতাংশ কমে ৩ টাকা ৮০ পয়সায় নেমে আসে। দিনের সর্বোচ্চ দরের তুলনায় উল্লেখযোগ্য পতন বিনিয়োগকারীদের আস্থার ঘাটতির ইঙ্গিত দিচ্ছে।
দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দরপতন দেখা যায় বিচ হ্যাচারি লিমিটেড–এর শেয়ারে। প্রায় ৭ শতাংশ দর কমে শেয়ারটি ২৯ টাকা ২০ পয়সায় লেনদেন শেষ করে। সাম্প্রতিক সময়ে কোম্পানিটির আর্থিক পারফরম্যান্স নিয়ে অনিশ্চয়তা দরপতনের অন্যতম কারণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
তালিকার তৃতীয় অবস্থানে থাকা টাং হাই নিটিং অ্যান্ড ডাইং লিমিটেড–এর শেয়ার দর ৬ দশমিক ২৫ শতাংশ কমে ১ টাকা ৫০ পয়সায় নেমে আসে। স্বল্পমূল্যের শেয়ারে বিনিয়োগকারীদের ঝুঁকিবিমুখ মনোভাব এ দরপতনে ভূমিকা রেখেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এরপর রয়েছে অ্যাপোলো ইস্পাত কম্পোজিট লিমিটেড। কোম্পানিটির শেয়ার দর প্রায় ৫ দশমিক ৯ শতাংশ হ্রাস পেয়ে ১ টাকা ৬০ পয়সায় দাঁড়ায়, যা ইস্পাত খাতে সাম্প্রতিক চাপের প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে।
টেক্সটাইল খাতের আরেক প্রতিষ্ঠান জাহিনটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড–এর শেয়ার দর ৫ শতাংশ কমে ৫ টাকা ৭০ পয়সায় লেনদেন শেষ করে। খাতভিত্তিক নেতিবাচক প্রত্যাশা এ দরপতনে প্রভাব ফেলেছে বলে বাজার সংশ্লিষ্টরা মত দিয়েছেন।
রপ্তানিমুখী কোম্পানি ওআইমেক্স লিমিটেড–এর শেয়ার দরও উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। প্রায় ৪ দশমিক ৮ শতাংশ পতনে শেয়ারটির দাম নেমে আসে ১২ টাকায়।
এদিন বাংলাদেশ থাই অ্যালুমিনিয়াম লিমিটেড–এর শেয়ার দর প্রায় ৪ দশমিক ৪ শতাংশ কমে ১০ টাকা ৮০ পয়সায় দাঁড়ায়। শিল্প খাতে চাহিদা কমার আশঙ্কা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে বিক্রির চাপ তৈরি করেছে।
ব্যাংক খাতেও দরপতনের প্রভাব পড়ে। আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড–এর শেয়ার দর ৪ দশমিক ৪ শতাংশের বেশি কমে ১৩ টাকায় নেমে আসে। ব্যাংকিং খাতে সাম্প্রতিক অনিশ্চয়তা এ পতনে ভূমিকা রেখেছে।
ইস্পাত খাতের আরেকটি প্রতিষ্ঠান আরএসআরএম স্টিল লিমিটেড–এর শেয়ার দর প্রায় ৪ দশমিক ৩ শতাংশ হ্রাস পেয়ে ৬ টাকা ৭০ পয়সায় লেনদেন শেষ করে।
দরপতনের তালিকার দশম স্থানে ছিল ঢাকা ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড। কোম্পানিটির শেয়ার দর প্রায় ৪ দশমিক ২ শতাংশ কমে ৩৬ টাকা ২০ পয়সায় দাঁড়ায়।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, এদিনের শীর্ষ দরপতনকারী তালিকা থেকে স্পষ্ট যে স্বল্পমূল্যের শেয়ার, টেক্সটাইল ও শিল্প খাতে বিক্রির চাপ তুলনামূলক বেশি ছিল। স্বল্পমেয়াদি বিনিয়োগকারীদের মুনাফা তুলে নেওয়ার প্রবণতা এবং মৌলভিত্তিক অনিশ্চয়তা দরপতনের প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে।
-রাফসান
পাঠকের মতামত:
- ১৮ জানুয়ারির শীর্ষ ১০ দরবৃদ্ধির শেয়ার তালিকা
- চীনের সম্মতি পেলেই শুরু তিস্তা মহাপরিকল্পনা
- জুলাই যোদ্ধাদের জন্য আলাদা বিভাগ গড়বে বিএনপি: তারেক রহমান
- ভালুকায় শিক্ষা বিপ্লব: রানার উদ্যোগে ঝরে পড়া শ্রমিকদের স্বপ্ন দেখাচ্ছে ই-লার্নিং একাডেমি
- কুমিল্লা ৪ এই সমস্যা সমাধানের জন্য বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান দরকার - নেতাকর্মীদের দৃঢ় বিশ্বাস
- ১৮ জানুয়ারি ২০২৬: মার্কিন ডলার থেকে রুপি, জানুন আজকের বিনিময় হার
- শাবান ও শবেবরাত ২০২৬: জ্যোতির্বিজ্ঞানের গণনায় সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
- স্মৃতিশক্তি থাকবে অটুট; মস্তিষ্ক সুস্থ রাখতে বিশেষজ্ঞদের ৬ পরামর্শ
- তেতো স্বাদে লুকিয়ে সুস্থতার চাবিকাঠি; করলার রসের অবাক করা গুণ
- সাড়ে ১২ ঘণ্টার রুদ্ধদ্বার বৈঠক: নির্বাচনের পথরেখা নির্ধারণ করল জামায়াত
- বিশ্বকাপ জট খুলতে আইসিসিকে এবার নতুন এক ফর্মুলা দিল বাংলাদেশ
- বোর্ড অব পিস-এ এরদোয়ান ও সিসিকে আমন্ত্রণ ট্রাম্পের; গাজায় নতুন মোড়
- ফেসবুকের শীর্ষ ১০০ কনটেন্ট ক্রিয়েটরে তারেক রহমান, ছাড়ালেন ডোনাল্ড ট্রাম্পকেও
- ইপিএস ও ক্যাশ ফ্লোতে বড় উন্নতি লাভেলোর
- টেলিভিশন পর্দায় আজ যে সব গুরুত্বপূর্ণ খেলা দেখা যাবে
- একাধিক ডিএসই তালিকাভুক্ত কোম্পানির বোর্ড সভা ঘোষণা
- আজকের স্বর্ণের দাম: ১৮ জানুয়ারি ২০২৬
- ডিএসই পরিদর্শনে বন্ধ পাওয়া গেল কয়েকটি কারখানা
- প্রথম প্রান্তিক প্রকাশ ফরচুন শুজের
- নামাজের সময়সূচি: ১৮ জানুয়ারি ২০২৬
- ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে আইবিপির প্রথম প্রান্তিক প্রকাশ
- আজ ঢাকায় কোথায় কোন কর্মসূচি, দেখে নিন এক নজরে
- আজ রাজধানীর যেসব এলাকায় মার্কেট ও দোকানপাট বন্ধ
- চরভদ্রাসনে অবৈধ মাটি কাটা বন্ধে প্রশাসনের অভিযান; ফেঁসে গেলেন দুই সাংবাদিক
- আজ থেকে টানা ৩ দিন বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
- অস্থিতিশীল ইরান ও ভূ-রাজনীতি: খামেনির বক্তব্যে নতুন মোড়
- ডায়াবেটিস ও ওজন নিয়ন্ত্রণে মেথি; গবেষণায় মিলল অবিশ্বাস্য সব তথ্য
- এক বছরে দুই বিপর্যয়; ভারতীয় মহাকাশ গবেষণায় নজিরবিহীন অন্ধকার
- মঞ্জুরুল আহসান মুন্সির প্রার্থিতা ফিরে পেতে হাইকোর্টে যাবেন- নেতাকর্মীদের দৃঢ় বিশ্বাস রাখার আহবান
- বিএনপি নেতাকর্মী ও নারীদের ওপর হামলা উল্টো মামলা ও বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশের অভিযোগ
- নেপাল, ভুটান ও যুক্তরাজ্যের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বিএনপির শীর্ষ নেতাদের বৈঠক
- গ্রুপ বদল না ভেন্যু পরিবর্তন? বিশ্বকাপ সংকট কাটাতে বিসিবির নতুন প্রস্তাব
- পার্লার ছাড়াই উজ্জ্বল ও দাগহীন ত্বক: ঘরে বসে রূপচর্চার ৪টি সহজ উপায়
- শুধু এক দেশের বিরুদ্ধে কথা বললেই দেশপ্রেমিক হওয়া যায় না: মির্জা আব্বাস
- ফাহাদের বোলিং তাণ্ডবে বিধ্বস্ত ভারত; যুব বিশ্বকাপে বাংলাদেশের শুভ সূচনা
- রেকর্ড লক্ষ্যমাত্রার পথে সৌদি আরব: নতুন খনি থেকে মিলল বিশাল স্বর্ণের মজুদ
- জুলাই সনদ লেখা হয়েছে রক্ত ও প্রাণের বিনিময়ে, কালি দিয়ে নয়: আলী রীয়াজ
- নীলনদ ইস্যুতে হোয়াইট হাউসের নতুন বার্তা; মধ্যস্থতায় ফিরছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প
- ভারতীয় কর্মকর্তার ভিসা আটকে দিল বাংলাদেশ, কঠোর পদক্ষেপ বাংলাদেশের!
- হাসনাত আব্দুল্লাহর চ্যালেঞ্জে হারলেন মঞ্জুরুল মুন্সী
- শহীদদের ভুলে যাওয়ার সুযোগ রাষ্ট্রের নেই: গুম–খুনের শিকার পরিবারদের পাশে দাঁড়িয়ে তারেক রহমানের অঙ্গীকার
- ইসলামোফোবিয়া: বাংলাদেশে বাস্তবতার নাম, না রাজনৈতিক ঢাল
- চাকরি নিয়ে অসন্তুষ্টি? ৯০ মিনিটের এই সূত্র বদলে দিতে পারে আপনার জীবন
- ১৭ জানুয়ারি ২০২৬: মার্কিন ডলার থেকে রুপি, জানুন আজকের বিনিময় হার
- নির্বাচনী মিশনে জামায়াত আমির: ঢাকা-১৫ থেকে শুরু হচ্ছে দেশব্যাপী সফর
- সালাদে যে সবজিটি যোগ করলে লিভার থাকবে চর্বিমুক্ত
- কুমিল্লার একই পরিবারের তিনজনের প্রাণহানী
- প্রতিদিন মাত্র ১টি লবঙ্গ: নিয়মিত খেলে শরীরে ঘটে এই ১১টি চমকপ্রদ উপকার!
- স্লো পয়জন প্রয়োগ! খালেদা জিয়ার মৃত্যু নিয়ে চিকিৎসকের বিস্ফোরক তথ্য
- বাতাসে শুধু ধূলিকণা নয়, ভাসছে মৃত্যুও: আইকিউএয়ারে শীর্ষে ঢাকা
- ঢাকায় ব্যারিস্টার নাজির আহমদ এর দুটি গ্রন্থের মোড়ক উম্মোচন অনুষ্ঠিত
- বাহরাইনের মানামায় বিএনপির নতুন পথচলা: ঘটা করে ঘোষণা হলো নতুন কমিটি
- আজকের স্বর্ণের দাম: ১৮ জানুয়ারি ২০২৬
- জোট গঠনে অনেক ছাড় দিয়েছে এনসিপি লক্ষ্য এবার সরকার গঠন: আসিফ মাহমুদ
- ডিএসই পরিদর্শন/ডোমিনেজ চালু, অন্য চার কোম্পানির কারখানা বন্ধ
- বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষায় ডিএসইর আইনি সতর্কতা
- ব্রণের দাগ দূর করতে ঘরোয়া ফেসপ্যাকের কার্যকারিতা জানুন
- ১২ জানুয়ারি ডিএসইতে দরপতনের শীর্ষ ১০ কোম্পানি
- শহীদদের ভুলে যাওয়ার সুযোগ রাষ্ট্রের নেই: গুম–খুনের শিকার পরিবারদের পাশে দাঁড়িয়ে তারেক রহমানের অঙ্গীকার
- সরকারি বন্ড বাজারে স্থগিতাদেশ ও ডিলিস্টিং একসঙ্গে
- পরিমিত খেয়েও খেয়েও কমছে না ওজন যে সমাধান দিলেন চিকিৎসক
- ৩০টির বেশি মিউচুয়াল ফান্ডের এনএভি প্রকাশ, কোথায় সুযোগ
- বিনিয়োগকারী অভিযোগে ডিজিটাল সমাধান জোরদার ডিএসইর
- রেকর্ড ডেট শেষে সরকারি বন্ড ও দুই কোম্পানীর লেনদেন শুরু
- ডিএসইতে আজ প্রকাশিত সব মিউচুয়াল ফান্ড এনএভির বিশ্লেষণ








