এক বছরে দুই বিপর্যয়; ভারতীয় মহাকাশ গবেষণায় নজিরবিহীন অন্ধকার

ভারতের মহাকাশ গবেষণার ইতিহাসে এক অভূতপূর্ব এবং অন্ধকার অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে। দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে যে পিএসএলভি রকেটকে ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা (ইসরো) তাদের আস্থার প্রতীক বা ‘ওয়ার্কিং হর্স’ হিসেবে বিশ্বদরবারে গর্বের সাথে উপস্থাপন করে এসেছে, সেই আস্থার স্তম্ভেই এখন গভীর ফাটল দৃশ্যমান। গত শুক্রবার শ্রীহরিকোটার সতীশ ধাওয়ান মহাকাশ কেন্দ্র থেকে ১৫টি কৃত্রিম উপগ্রহ নিয়ে পিএসএলভি-সি৬২ সফলভাবে উড্ডয়ন করলেও শেষ পর্যন্ত তা তার নির্ধারিত গন্তব্যে পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়েছে।
যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে কক্ষপথ থেকে বিচ্যুত হয়ে মিশনটি পুরোপুরি ব্যর্থ হওয়ায় ভারতের মহাকাশ মুকুটে এক বড় ধরণের আঘাত লেগেছে। বিশেষভাবে উদ্বেগের বিষয় হলো, গত বছরের মে মাসেও ঠিক একইভাবে একটি মিশন ব্যর্থ হয়েছিল; অর্থাৎ মাত্র এক বছরের ব্যবধানে একই ধরণের বিপর্যয়ের পুনরাবৃত্তি কেবল ভারতের প্রযুক্তিবিদদের নয়, বরং প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদেরও কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলে দিয়েছে।
এই ধারাবাহিক ব্যর্থতাকে কেন্দ্র করে ভারতের সাধারণ মানুষ এবং বিশেষজ্ঞদের একাংশ এখন প্রকাশ্যে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন—এই বিপর্যয় কি নেহাতই প্রযুক্তিগত ত্রুটি নাকি এর নেপথ্যে কোনো পরিকল্পিত অন্তর্ঘাত বা নাশকতামূলক তৎপরতা লুকিয়ে আছে? এই সন্দেহের দানা বাঁধার পেছনে কারণটি বেশ জোরালো। এবারের মিশনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা বা ডিআরডিও-র তৈরি অত্যাধুনিক সামরিক উপগ্রহ ‘অন্বেষা’।
ভারত-চীন এবং ভারত-পাকিস্তান সীমান্ত ও সংলগ্ন অঞ্চলের গতিবিধির ওপর তীক্ষ্ণ নজরদারি চালাতে সক্ষম এই উপগ্রহটি কক্ষপথে সফলভাবে স্থাপিত হলে ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা এবং প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় এক নতুন যুগের সূচনা হতো বলে দিল্লির উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের দাবি ছিল। মহাকাশের অতল গহ্বরে ‘অন্বেষা’ হারিয়ে যাওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই ভারতের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা পিছিয়ে গেল এবং বিশ্লেষকদের মতে, এতে সীমান্ত ওপারের শত্রু শিবিরে স্বস্তির নিঃশ্বাস বইছে। গত বছর রাজস্থানে পাকিস্তানের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে ডিআরডিও-র সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারের ঘটনা এই নাশকতার সন্দেহকে আরও উসকে দিয়েছে।
প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের একটি বড় অংশ মনে করছেন, ভারতের ক্রমবর্ধমান মহাকাশ শক্তিকে স্তিমিত করতে বিদেশি কোনো গুপ্তচর সংস্থা, বিশেষ করে আইএসআই বা অন্য কোনো প্রতিকূল শক্তি কি তবে ইসরোর অন্দরেই কোনো জাল বুনেছে? কারণ হিসেবে তারা বলছেন, যে পিএসএলভি রকেটের সাফল্যের হার ৯০ শতাংশের বেশি, সেখানে মাত্র কয়েক মাসের ব্যবধানে ঠিক একই ধরণের প্রযুক্তিগত ভুল হওয়া বিজ্ঞানীদের কাছেও বেশ অস্বাভাবিক ও রহস্যজনক।
বিপর্যয়ের পর ইসরো চেয়ারম্যান ভি নারায়ণন সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন যে, অভিযানের তৃতীয় ধাপে রকেটটির গতিপথ বিচ্যুত হয় এবং প্রয়োজনীয় উচ্চতা অর্জন করতে না পারায় মিশনটি শেষ পর্যন্ত সফল হয়নি। তবে তিনি এখনই কোনো নাশকতার তত্ত্বকে স্বীকৃতি দিতে নারাজ এবং একে যান্ত্রিক ত্রুটি হিসেবেই চিহ্নিত করেছেন।
ইসরো চেয়ারম্যান তদন্তের আশ্বাস দিলেও সংস্থার অন্দরমহলের পরিস্থিতি এখন বেশ উত্তপ্ত। অনেক বিশেষজ্ঞই ইসরোর ভেতরের দীর্ঘদিনের অন্তর্কলহ এবং বিজ্ঞানীদের মধ্যে পারস্পরিক রেষারেষির পুরনো অভিযোগগুলো নিয়ে আবারও সরব হয়েছেন। চন্দ্রযান-২ এর ব্যর্থতা এবং পূর্বসূরি বিজ্ঞানীদের নিয়ে বর্তমান ও সাবেক চেয়ারম্যানদের সাম্প্রতিক বিতর্কিত সব বয়ান এই আলোচনাকে এক ভিন্ন মাত্রা দিয়েছে।
অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক মহাকাশ বাজারে ইসরোর বাণিজ্যিক সুনাম নষ্ট করতে এবং ভারতকে বিদেশি কৃত্রিম উপগ্রহ পাঠানোর লাভজনক ব্যবসা থেকে ছিটকে দিতে পরিকল্পিতভাবে এই বিপর্যয় ঘটানো হতে পারে বলেও অনেকে আশঙ্কা করছেন। এই ব্যর্থতার ফলে আন্তর্জাতিক মহাকাশ বাণিজ্যে ভারতের যে বিশ্বাসযোগ্যতা তৈরি হয়েছিল, তা এখন এক বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ল। কেন্দ্রীয় সরকার এখন পর্যন্ত কোনো উচ্চপর্যায়ের স্বাধীন তদন্তের নির্দেশ না দিলেও পিএসএলভি-র এই বিপর্যয়ের গূঢ় রহস্য খুঁজে বের করতে মরিয়া হয়ে কাজ করছেন বিজ্ঞানীরা।
মহাবিশ্বে রহস্যময় ‘ক্লাউড-৯’: তারাশূন্য এক ব্যর্থ গ্যালাক্সি!

মোঃ আশিকুজ্জামান
নিজস্ব প্রতিবেদক
মহাবিশ্বের আদিম এবং অজানা রহস্য উন্মোচনে আবারও এক ঐতিহাসিক সাফল্য অর্জন করেছে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার হাবল স্পেস টেলিস্কোপ। দীর্ঘ পর্যবেক্ষণের পর জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা মহাকাশে সম্পূর্ণ নতুন ধরনের একটি বস্তুর অস্তিত্ব শনাক্ত করেছেন, যার নাম দেওয়া হয়েছে ‘ক্লাউড-৯’। এটি এমন এক বিস্ময়কর মহাজাগতিক সত্তা, যার ভেতরে কোনো তারার অস্তিত্ব নেই, অথচ এটি গ্যাসে পরিপূর্ণ এবং মূলত ডার্ক ম্যাটার বা অদৃশ্য পদার্থের এক বিশাল ভাণ্ডার দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। বিজ্ঞানীদের মতে, এটি একটি ‘ব্যর্থ গ্যালাক্সি’, যা মহাবিশ্বের শুরুর দিকে তৈরি হওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করলেও শেষ পর্যন্ত পূর্ণাঙ্গ রূপ নিতে পারেনি।
জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ক্লাউড-৯ পৃথিবী থেকে প্রায় ১ কোটি ৪০ লাখ আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত। এটি মহাকাশের কাছাকাছি থাকা সর্পিল গ্যালাক্সি মেসিয়ার–৯৪ (M94)-এর পাশেই অবস্থান করছে। বৈজ্ঞানিক পরিভাষায় একে বলা হচ্ছে ‘রিআয়োনাইজেশন-লিমিটেড এইচ আই ক্লাউড’ (Reionization-Limited H I Cloud) বা সংক্ষেপে ‘রেলহিক’ (RELHIC)। মূলত এটি নিউট্রাল হাইড্রোজেন গ্যাসের একটি সুবিশাল আধার। গবেষকরা জানিয়েছেন, এই গ্যাসমেঘটি প্রায় ৪ হাজার ৯০০ আলোকবর্ষ এলাকা জুড়ে বিস্তৃত। দৃশ্যমান গ্যাসের হিসেবে এর ভর সূর্যের ভরের প্রায় ১০ লাখ গুণ হলেও, এর আসল রহস্য লুকিয়ে আছে এর অদৃশ্য ভরে। গাণিতিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ক্লাউড-৯ এর ভেতরে থাকা ডার্ক ম্যাটারের ভর প্রায় ৫০০ কোটি সূর্যের সমান।
"ক্লাউড-৯ হলো মহাবিশ্বের শুরুর দিকের একটি ‘জীবাশ্ম’। এটি আমাদের তত্ত্বীয় ধারণাকে বাস্তবে প্রমাণ করার এক অনন্য সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে। এখানে কোনো তারা না থাকাই প্রমাণ করে যে, এটি একটি আদিম গ্যালাক্সি যা পূর্ণতা পাওয়ার আগেই থমকে গিয়েছিল।" — আলেহান্দ্রো বেনিতেজ-ইয়াম্বে, গবেষক, মিলান-বিকোকা বিশ্ববিদ্যালয়।
গবেষণার ফলাফলগুলো ইতিমধ্যে বিখ্যাত ‘দ্য অ্যাস্ট্রোফিজিক্যাল জার্নাল লেটার্স’-এ প্রকাশিত হয়েছে। বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, ক্লাউড-৯ আমাদের ডার্ক ইউনিভার্স বা অদৃশ্য মহাবিশ্বকে বোঝার জন্য একটি অনন্য জানালা খুলে দিয়েছে। যেহেতু ডার্ক ম্যাটার কোনো আলো বিকিরণ বা প্রতিফলন করে না, তাই সরাসরি একে দেখা অসম্ভব। ক্লাউড-৯ এর মতো গ্যাসমেঘগুলো যেখানে ডার্ক ম্যাটারের বিপুল উপস্থিতি রয়েছে, তা বিজ্ঞানীদের জন্য এই অদৃশ্য শক্তির প্রভাব পর্যবেক্ষণ করার এক বিরল ক্ষেত্র হিসেবে কাজ করবে। এটি মহাবিশ্বের বিবর্তন এবং কীভাবে গ্যালাক্সিগুলো তৈরি হয়, সেই জটিল সমীকরণ মেলাতে সাহায্য করবে।
জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের এই আবিষ্কার প্রমাণ করে যে, মহাবিশ্বে এমন অনেক সুবিশাল বস্তু ছড়িয়ে রয়েছে যা আমাদের সাধারণ টেলিস্কোপের দৃষ্টির আড়ালে থেকে যায়। ক্লাউড-৯ এর মতো ‘ব্যর্থ গ্যালাক্সি’গুলোর অনুসন্ধান ভবিষ্যতে ডার্ক ম্যাটারের প্রকৃত স্বরূপ উন্মোচনে নাসা এবং অন্যান্য মহাকাশ সংস্থার জন্য এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করল।
মহাকাশের নিস্তব্ধতা ভেঙে রঙিন শকওয়েভ: অরিগা নক্ষত্রমণ্ডলে বিরল আবিষ্কার
মহাকাশ মানেই এক নিস্তব্ধ ও স্থির জায়গা—এমন প্রচলিত ধারণা আবারও নতুন এক বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারের মাধ্যমে বড় ধরণের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা আমাদের নিজস্ব গ্যালাক্সি মিল্কিওয়েতে বা ছায়াপথে একটি মৃতপ্রায় অথচ অত্যন্ত শক্তিশালী সাদা নক্ষত্র বা 'হোয়াইট ডোয়ার্ফ' শনাক্ত করেছেন। অত্যন্ত ঘন এবং প্রায় পৃথিবীর আকারের এই মৃত নক্ষত্রটি মহাকাশের বুক চিরে চলার পথে সৃষ্টি করছে অদ্ভুত ও রঙিন এক ধরণের 'শকওয়েভ' বা তীব্র ধাক্কাজনিত তরঙ্গ। এই আবিষ্কারটি কেবল মহাকাশের গতিশীলতাকেই তুলে ধরেনি, বরং মৃত নক্ষত্রের আচরণ সম্পর্কে বিজ্ঞানীদের সামনে নতুন রহস্য উন্মোচন করেছে।
বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন যে, এই সাদা নক্ষত্রটি অত্যন্ত শক্তিশালী চৌম্বক ক্ষেত্রের অধিকারী এবং এটি একটি 'বাইনারি সিস্টেম' বা নক্ষত্রযুগলের অংশ হিসেবে অবস্থান করছে। জোড়া অবস্থায় থাকা এই ব্যবস্থায় সাদা নক্ষত্রটি তার সঙ্গী ছোট নক্ষত্রটির খুব কাছে অবস্থান করে এবং তার প্রবল মাধ্যাকর্ষণ শক্তি দিয়ে সঙ্গী নক্ষত্র থেকে ক্রমাগত গ্যাস টেনে নিচ্ছে। এই নক্ষত্রযুগল পৃথিবী থেকে প্রায় ৭৩০ আলোকবর্ষ দূরে ‘অরিগা’ নামক নক্ষত্রমণ্ডলে অবস্থান করছে। চিলিতে অবস্থিত ইউরোপীয় সাউদার্ন অবজারভেটরির অত্যন্ত শক্তিশালী ‘ভেরি লার্জ টেলিস্কোপ’ ব্যবহার করে এই নক্ষত্রের চলার পথে তৈরি হওয়া বিরল শকওয়েভটি শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে।
টেলিস্কোপ থেকে পাওয়া ছবিতে দেখা যায়, সাদা নক্ষত্র থেকে ছিটকে বেরিয়ে আসা পদার্থগুলো যখন আশপাশের আন্তঃনাক্ষত্রিক গ্যাসের সঙ্গে প্রচণ্ড গতিতে ধাক্কা খাচ্ছে, তখন সেখানে এক উজ্জ্বল রঙের বিচ্ছুরণ ঘটছে। মহাকাশ বিজ্ঞানের ভাষায় এই ধাক্কার ঢেউকে বলা হয় ‘বো শক’, যা অনেকটা শান্ত জলে দ্রুতগতিতে নৌকা চলার সময় সামনে যেভাবে বাঁকানো ঢেউ তৈরি হয়, ঠিক তেমন আকৃতির হয়ে থাকে। এই শকওয়েভের ভেতরে থাকা বিভিন্ন গ্যাস উত্তপ্ত হয়ে নির্দিষ্ট রঙে জ্বলে ওঠে, যা এই দৃশ্যকে আরও রহস্যময় করে তোলে। জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের মতে, শকওয়েভটিতে দেখা যাওয়া লাল রঙের উৎস হলো হাইড্রোজেন গ্যাস, সবুজ রঙের উৎস হলো নাইট্রোজেন এবং নীল রঙের উজ্জ্বল আভা আসছে অক্সিজেন থেকে।
এই আবিষ্কারের সবচেয়ে বিস্ময়কর দিক হলো নক্ষত্রটির চারপাশে কোনো গ্যাসীয় চক্র বা ডিস্কের অনুপস্থিতি। এর আগে বিভিন্ন নক্ষত্রের চারপাশে শকওয়েভ দেখা গেলেও সেগুলোর ক্ষেত্রে গ্যাসের একটি সুনির্দিষ্ট ডিস্ক বা আস্তরণ থাকত। কিন্তু এই সাদা নক্ষত্রটির ক্ষেত্রে কোনো ডিস্ক না থাকা সত্ত্বেও কীভাবে এত বড় আকারের শকওয়েভ তৈরি হচ্ছে এবং কেন গ্যাসগুলো এভাবে ছড়িয়ে পড়ছে, তা নিয়ে বিজ্ঞানীরা এখনো ধোঁয়াশার মধ্যে রয়েছেন। গবেষকদের প্রাথমিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, এই শকওয়েভের বিশাল আকার দেখে বোঝা যায় যে, এই মহাজাগতিক প্রক্রিয়াটি অন্তত এক হাজার বছর ধরে নিরবচ্ছিন্নভাবে চলছে। এটি কোনো আকস্মিক বা ক্ষণস্থায়ী ঘটনা নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদী এক মহাজাগতিক তাণ্ডব, যা এখন জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের গবেষণার মূল কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে।
সংকুচিত হয়েছিল পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্র: ২০২৪-এর সৌর ঝড় নিয়ে গবেষণায় উদ্বেগ
২০২৪ সালের অক্টোবর মাসে সূর্য থেকে ধেয়ে আসা একটি অত্যন্ত শক্তিশালী সৌর ঝড় পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্রের ওপর কতটা গভীর প্রভাব ফেলেছিল, তা নিয়ে এক নতুন ও চাঞ্চল্যকর গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয়েছে। সাম্প্রতিক এই বৈজ্ঞানিক গবেষণায় দেখা গেছে, ওই সৌর ঝড়ের প্রভাবে পৃথিবীর প্রাকৃতিক সুরক্ষা বলয় বা ম্যাগনেটোস্ফিয়ার মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছিল, যার ফলে মহাকাশে থাকা গুরুত্বপূর্ণ স্যাটেলাইটগুলো সাময়িকভাবে বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়েছিল।
গবেষকরা জানিয়েছেন, সূর্যের পৃষ্ঠে যখন হঠাৎ বড় ধরনের বিস্ফোরণ ঘটে এবং সেখান থেকে উত্তপ্ত গ্যাসের প্রবল স্রোত মহাকাশে ছড়িয়ে পড়ে, তখন তাকে সৌর ঝড় বলা হয়। এই প্রাকৃতিক ঘটনা থেকেই সৃষ্টি হয় ‘স্পেস ওয়েদার’ বা মহাকাশের আবহাওয়া। এই বিশেষ আবহাওয়া পৃথিবীর আধুনিক প্রযুক্তি নির্ভর জীবনযাত্রার জন্য অত্যন্ত সংবেদনশীল। এটি মূলত পৃথিবীর স্যাটেলাইট যোগাযোগ, জিপিএস বা নেভিগেশন সিস্টেম এবং এমনকি বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থার ওপরও বিরূপ প্রভাব ফেলতে সক্ষম।
২০২৫ সালের ডিসেম্বরে একটি আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান সাময়িকীতে প্রকাশিত এই গবেষণায় ২০২৪ সালের সেই ঝড়টি গভীরভাবে বিশ্লেষণ করা হয়েছে। গবেষণায় সূর্য পর্যবেক্ষণকারী বিশেষ মহাকাশযান এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মিশনের তথ্য-উপাত্ত ব্যবহার করা হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৌর ঝড়ের সবচেয়ে ধ্বংসাত্মক প্রভাব তখন দেখা দেয়, যখন এর একটি বড় অংশ সরাসরি পৃথিবীকে আঘাত করে। সে সময় পৃথিবীর সুরক্ষা বলয় বা চৌম্বক ক্ষেত্র অস্বাভাবিকভাবে সংকুচিত হয়ে যায় এবং পৃথিবীর অনেক কাছাকাছি চলে আসে। এর ফলে কিছু ভূস্থির কক্ষপথের (Geostationary Orbit) স্যাটেলাইট, যেগুলো মূলত নির্দিষ্ট স্থানে থেকে তথ্য আদান-প্রদান করে, সেগুলো সাময়িকভাবে মহাকাশের প্রতিকূল পরিবেশের সরাসরি সম্মুখীন হয়।
গবেষণায় আরও উঠে এসেছে যে, ওই সৌর ঝড়ের কারণে পৃথিবীর মেরু অঞ্চলে অত্যন্ত শক্তিশালী বিদ্যুৎপ্রবাহ তৈরি হয়েছিল। এর ফলে উপরের বায়ুমণ্ডল অতিরিক্ত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং বায়ুমণ্ডলের কণার নির্গমন (Particle Emission) অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যায়।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মহাকাশে থাকা মূল্যবান সম্পদ এবং বৈশ্বিক যোগাযোগ ব্যবস্থা সচল রাখতে এ ধরনের সৌর ঝড় সম্পর্কে আগাম তথ্য পাওয়া এবং সার্বক্ষণিক নজরদারি করা এখন সময়ের দাবি। সঠিক সময়ে সতর্কতা সংকেত পেলে ভবিষ্যতে স্যাটেলাইটসহ গুরুত্বপূর্ণ মহাকাশ সম্পদগুলো আরও নিরাপদে রাখা সম্ভব হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন গবেষকরা।
মোবাইল ফোন গ্রাহকদের বিটিআরসির বিশেষ সতর্কবার্তা
মোবাইল ফোনের ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার বা এনইআইআর (NEIR) সিস্টেমের সার্ভার ও আইপি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ-মাধ্যমে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। এ ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্যে কান না দেওয়ার জন্য মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীদের প্রতি বিশেষ আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।
আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বিটিআরসির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক বিশেষ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য ও সতর্কবার্তা জানানো হয়েছে।
বিটিআরসি জানায়, সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী গত ১ জানুয়ারি থেকে এনইআইআর সিস্টেমটি পুনরায় কার্যকর করা হয়েছে। এই সিস্টেম চালুর মূল লক্ষ্য হলো—বিদেশ থেকে অবৈধভাবে মোবাইল হ্যান্ডসেট আমদানি রোধ করা, চুরি হওয়া ফোন শনাক্ত করা, অবৈধ হ্যান্ডসেট ব্যবহার করে সংঘটিত বিভিন্ন অপরাধ দমন এবং সরকারের সঠিক রাজস্ব নিশ্চিত করা। তবে কার্যক্রম শুরুর পর থেকেই বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে সিস্টেমটির সার্ভারের অবস্থান এবং আইপি নিয়ে নেতিবাচক প্রচারণা লক্ষ্য করছে কমিশন।
বিভ্রান্তি নিরসনে বিটিআরসি স্পষ্ট করেছে যে, এনইআইআর সিস্টেমের সব তথ্য বা ডাটা দেশের অভ্যন্তরে একটি অত্যন্ত নিরাপদ স্থানে রাখা (হোস্ট করা) হয়েছে। গ্রাহকদের ব্যক্তিগত তথ্যের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিটিআরসি নিজস্ব হার্ডওয়্যার ব্যবহার করেছে। এছাড়া সিস্টেমটি তৈরির ক্ষেত্রে সরকারের বর্তমান ‘ডাটা প্রোটেকশন আইন’-এর সব বিধিবিধান কঠোরভাবে অনুসরণ করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এনইআইআর সিস্টেমে ব্যবহৃত আইপি (IP) এপিএনআইসি (APNIC) কর্তৃক বাংলাদেশের একটি প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে বরাদ্দ করা হয়েছে। ফলে কারিগরিভাবে এই সিস্টেমের কোনো তথ্য বা ট্রাফিক বিশ্বের অন্য কোনো দেশে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই।
বিটিআরসি আরও নিশ্চিত করেছে যে, এনইআইআর সিস্টেম পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় সব রিকোয়েস্ট বা অনুরোধ দেশের ভেতরেই প্রক্রিয়াকরণ করা হচ্ছে। আইপি রুটের বিস্তারিত পর্যালোচনার মাধ্যমেই সিস্টেমটির দেশের ভেতরের অবস্থান ও সামগ্রিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে।
সংস্থাটি সাধারণ জনগণকে এই ধরনের স্পর্শকাতর বিষয়ে কোনো প্রকার অপপ্রচার বা গুজবে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য সবিনয় অনুরোধ জানিয়েছে।
পুরোনো ফোন থেকে মিলবে সোনা: চীনা বিজ্ঞানীদের চমকপ্রদ আবিষ্কার
বিশ্বজুড়ে প্রতি বছর প্রায় ১৩০ থেকে ১৬০ কোটি স্মার্টফোন বিক্রি হয়, যা থেকে প্রতিদিন তৈরি হচ্ছে পাহাড় সমান ইলেকট্রনিক বর্জ্য। সাধারণত এই ই-বর্জ্য বা পুরোনো মোবাইল, ল্যাপটপ ও সার্কিট বোর্ডগুলোকে আমরা আবর্জনা মনে করে ফেলে দিই। তবে বিজ্ঞানীদের মতে, এই প্রতিটি যন্ত্রের ভেতরে ভালো কন্ডাক্টিভিটির জন্য ব্যবহার করা হয় সামান্য পরিমাণে স্বর্ণ ও প্যালাডিয়ামের মতো মূল্যবান ধাতু। সম্প্রতি চীনের গবেষকরা একটি বিস্ময়কর ও সহজ পদ্ধতি আবিষ্কার করেছেন, যার মাধ্যমে এই ফেলে দেওয়া যন্ত্রগুলো থেকে অত্যন্ত নিখুঁতভাবে সোনা বের করে আনা সম্ভব।
গবেষকদের দাবি অনুযায়ী, এই নতুন পদ্ধতিতে কোনো জটিল রাসায়নিক প্রক্রিয়ার প্রয়োজন নেই। ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায় মাত্র ২০ মিনিটেরও কম সময়ে ই-বর্জ্য থেকে সোনা আলাদা করা যাবে। সবথেকে চমকপ্রদ তথ্য হলো, এই পদ্ধতিতে খরচ বর্তমানের প্রচলিত পদ্ধতির তুলনায় মাত্র এক-তৃতীয়াংশ। পরীক্ষা করে দেখা গেছে যে, মোবাইল ফোনের সিপিইউ এবং প্রিন্টেড সার্কিট বোর্ড থেকে প্রায় ৯৮.২ শতাংশের বেশি সোনা এবং ৯৩.৪ শতাংশ পর্যন্ত প্যালাডিয়াম উদ্ধার করা সম্ভব। এই আবিষ্কার শুধু মূল্যবান ধাতুর জোগানই বাড়াবে না, বরং পরিবেশের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় আমূল পরিবর্তন আনবে।
বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, এই প্রযুক্তি যদি বাণিজ্যিক স্তরে ব্যবহার করা যায়, তবে এটি বড় ধরণের অর্থনৈতিক বিপ্লব ঘটাবে। সাধারণ মানুষের জন্য এর অর্থ হলো—তাদের পুরোনো ও অকেজো গ্যাজেটগুলো এখন আর ফেলনা থাকবে না। বড় বড় ইলেকট্রনিক কোম্পানিগুলোও এখন ই-বর্জ্য রিসাইকেল করে তাদের উৎপাদন খরচ কমিয়ে আনতে পারবে। পরিবেশের ক্ষতি না করে এত কম সময়ে এবং স্বল্প খরচে স্বর্ণ নিষ্কাশন করার এই পদ্ধতিটি ২০২৬ সালের বিজ্ঞানের অন্যতম সেরা সাফল্য হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
সূত্র: নিউজ বাংলা ১৮
ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারকারীদের তথ্য ডার্ক ওয়েবে ফাঁস : আতঙ্কে বিশ্ব
শনিবার ১১ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে যে, ইনস্টাগ্রামের বিশাল এক ডেটাসেট ডার্ক ওয়েবে উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে। সাইবার নিরাপত্তা সংস্থা 'ম্যালওয়্যারবাইটস' প্রথম এই বিষয়টি শনাক্ত করে। ফাঁস হওয়া এই তথ্যের মধ্যে রয়েছে ব্যবহারকারীদের
পূর্ণ নাম
ইমেইল অ্যাড্রেস
ফোন নম্বর
আংশিক ঠিকানা
নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মতে, হ্যাকাররা সরাসরি কোনো পাসওয়ার্ড চুরি করতে না পারলেও এই স্পর্শকাতর তথ্যগুলো ব্যবহার করে পরিচয় চুরি (Identity Theft) বা বড় ধরণের আর্থিক জালিয়াতি করা সম্ভব। 'সলোনিক' ছদ্মনামের এক হ্যাকার গত সপ্তাহে ডার্ক ওয়েবের একটি ফোরামে এই ১ কোটি ৭৫ লাখ তথ্য বিনামূল্যে সবার জন্য উন্মুক্ত করে দেন।
এই তথ্য ফাঁসের পর থেকেই বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারকারীরা অভিযোগ করছেন যে, তাদের ইমেইলে হঠাৎ করে অসংখ্য 'পাসওয়ার্ড রিসেট' রিকোয়েস্ট আসছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, হ্যাকাররা ফাঁস হওয়া ইমেইলগুলো ব্যবহার করে এখন গ্রাহকদের অ্যাকাউন্টে অননুমোদিত প্রবেশের চেষ্টা চালাচ্ছে। এই ডেটা চুরির ঘটনাটি মূলত ২০২৪ সালে ইনস্টাগ্রামের এপিআই-এর (Application Programming Interface) একটি পুরনো ত্রুটি থেকে শুরু হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ইনস্টাগ্রামের মূল প্রতিষ্ঠান মেটা অবশ্য তাদের প্রধান সার্ভার হ্যাক হওয়ার বিষয়টি সরাসরি অস্বীকার করেছে। মেটার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, গ্রাহকদের অ্যাকাউন্টে আসা পাসওয়ার্ড রিসেট ইমেইলগুলো আসলে একটি 'কারিগরি ত্রুটির' ফলাফল এবং ব্যবহারকারীদের অ্যাকাউন্ট এখনো সুরক্ষিত আছে। তবে মেটার এই দাবিকে কেবল 'শব্দের মারপ্যাঁচ' হিসেবে দেখছেন সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন, এপিআই-এর দুর্বলতা ব্যবহার করে তথ্য সরিয়ে নেওয়াও এক ধরণের হ্যাকিং এবং এটি সমানভাবে ঝুঁকিপূর্ণ। বর্তমানে ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তার স্বার্থে অ্যাকাউন্টে টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন (2FA) চালু রাখা এবং অপরিচিত কোনো ইমেইল লিংকে ক্লিক না করার কঠোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
একই খরচে মিলবে সুপারফাস্ট ইন্টারনেট: জেনে নিন কোন প্যাকেজে কত গতি
ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে যে, গ্রাহকরা এখন থেকে আগের মাসিক খরচেই বহুগুণ বেশি গতিসম্পন্ন ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবেন। অনলাইন শিক্ষা, দাপ্তরিক কাজ, ভিডিও স্ট্রিমিং এবং গেমিংয়ের ক্রমবর্ধমান চাহিদার কথা মাথায় রেখে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিটিসিএল মনে করছে, এই উদ্যোগের ফলে দেশের প্রান্তিক পর্যায়ের মানুষও উচ্চগতির ইন্টারনেটের সুফল ভোগ করতে পারবে।
বিটিসিএলের আপগ্রেড করা নতুন প্যাকেজগুলোর সংক্ষিপ্ত তালিকা নিচে দেওয়া হলো:
সাশ্রয়ী-২০ প্যাকেজ: আগে ৩৯৯ টাকায় ছিল ৫ এমবিপিএস, এখন পাওয়া যাবে ২০ এমবিপিএস।
সাশ্রয়ী-২৫ প্যাকেজ: ৫০০ টাকায় ১২ এমবিপিএসের জায়গায় এখন মিলবে ২৫ এমবিপিএস।
ক্যাম্পাস-৫০ প্যাকেজ: শিক্ষার্থীদের জন্য ৫০০ টাকার ক্যাম্পাস প্যাকেজ ১৫ থেকে বাড়িয়ে সরাসরি ৫০ এমবিপিএস করা হয়েছে।
সাশ্রয়ী-৫০ প্যাকেজ: ৮০০ টাকার ১৫ এমবিপিএস প্যাকেজটি এখন হয়েছে ৫০ এমবিপিএস।
সাশ্রয়ী-১০০ প্যাকেজ: ১০৫০ টাকায় ২০ এমবিপিএসের পরিবর্তে গ্রাহকরা পাবেন ১০০ এমবিপিএস।
সাশ্রয়ী-১২০ প্যাকেজ: ১১৫০ টাকায় ২৫ এমবিপিএস থেকে বেড়ে হয়েছে ১২০ এমবিপিএস।
সাশ্রয়ী-১৫০ প্যাকেজ: ১৫০০ টাকায় ৪০ এমবিপিএস প্যাকেজটি এখন হয়েছে ১৫০ এমবিপিএস।
সাশ্রয়ী-১৭০ প্যাকেজ: উচ্চ ব্যবহারকারীদের জন্য ১৭০০ টাকায় ৫০ এমবিপিএসের পরিবর্তে মিলবে ১৭০ এমবিপিএস।
বিটিসিএল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে, দ্রুতগতির ও নির্ভরযোগ্য ইন্টারনেট সেবা নিশ্চিত করার মাধ্যমেই দেশের ডিজিটাল রূপান্তর পূর্ণতা পাবে। এই আপগ্রেডেশনের ফলে বিটিসিএলের গ্রাহক সংখ্যা আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। গ্রাহকরা কোনো বাড়তি ফি বা আবেদন ছাড়াই স্বয়ংক্রিয়ভাবে এই নতুন গতি উপভোগ করতে পারবেন। নির্ভরযোগ্য ও উচ্চগতির ইন্টারনেটের মাধ্যমে স্মার্ট সেবা ব্যবহারের অভিজ্ঞতা আরও উন্নত হবে বলে বিটিসিএল দৃঢ় বিশ্বাস প্রকাশ করেছে।
জেগে উঠেছে মিল্কিওয়ের দানব! নাসার মহাকাশযানে চাঞ্চল্যকর তথ্য
মহাকাশ বিজ্ঞানের ইতিহাসে ২০২৬ সালটি একটি মাইলফলক হয়ে দাঁড়িয়েছে আমাদের গ্যালাক্সির কেন্দ্রের কৃষ্ণগহ্বর ‘স্যাজিটারিয়াস এ-স্টার’-এর প্রকৃত আচরণ শনাক্ত করার মাধ্যমে। জাপান, ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত আন্তর্জাতিক মহাকাশযান ‘এক্সআরআইএসএম’-এর পাঠানো তথ্য বিশ্লেষণ করে বিজ্ঞানীরা নিশ্চিত হয়েছেন যে, এই কৃষ্ণগহ্বরটি আগে যতটা অলস মনে করা হতো, বাস্তবে তা মোটেও তেমন নয়। মিশিগান স্টেট ইউনিভার্সিটির প্রধান বিজ্ঞানী স্টিফেন ডিকারবি এবং তাঁর দল গবেষণায় দেখতে পেয়েছেন যে, গত এক সহস্রাব্দের মধ্যে এই কৃষ্ণগহ্বরটি বেশ কয়েকবার অত্যন্ত উচ্চমাত্রার বিকিরণ নিঃসরণ করেছে। এই আবিষ্কারটি বিজ্ঞানীদের সামনে মহাবিশ্বের বিবর্তন এবং গ্যালাক্সির কেন্দ্রের গতিশীলতা বোঝার এক নতুন দুয়ার খুলে দিয়েছে।
কৃষ্ণগহ্বর নিজে কোনো আলো ছড়ায় না কারণ এর মাধ্যাকর্ষণ শক্তি এতই প্রবল যে আলোও সেখান থেকে বেরিয়ে আসতে পারে না। তবে স্যাজিটারিয়াস যখন এর চারপাশে থাকা গ্যাস ও ধূলিকণা প্রচণ্ড টানে কাছে টেনে নেয়, তখন ঘর্ষণের ফলে উৎপন্ন তাপ থেকে শক্তিশালী এক্স-রে বিকিরণ তৈরি হয়। গবেষকরা গ্যালাক্সির কেন্দ্রের কাছে থাকা একটি বিশালাকার গ্যাস মেঘের দিকে নজর দিয়ে দেখতে পান যে, ওই মেঘটি আসলে অতীতে কৃষ্ণগহ্বর থেকে বেরিয়ে আসা এক্স-রে প্রতিফলিত করছে। এই বিরল ঘটনাটি মহাকাশে এক ধরণের ‘মহাজাগতিক আয়না’ হিসেবে কাজ করেছে, যার মাধ্যমে কয়েকশ বছর আগের মহাজাগতিক সক্রিয়তা এখন বিজ্ঞানীদের নজরে এল।
২০২৩ সালে উৎক্ষেপণের পর থেকে এক্সআরআইএসএম মহাকাশযানের উচ্চ সংবেদনশীল যন্ত্রগুলো মহাকাশ থেকে আসা এক্স-রে এবং মহাজাগতিক কণাগুলোকে নিখুঁতভাবে বিশ্লেষণ করতে সক্ষম হয়েছে। এর মাধ্যমে বিজ্ঞানীরা নিশ্চিত হয়েছেন যে, বিকিরণের উৎস কোনো বিচ্ছিন্ন নক্ষত্র নয় বরং খোদ কৃষ্ণগহ্বর নিজেই। ৪০ লাখ সূর্যের সমান ভরের এই দানবীয় কৃষ্ণগহ্বরের এমন অদ্ভুত ও সক্রিয় আচরণ আগে কখনো প্রমাণিত হয়নি। এই আবিষ্কার কেবল আমাদের গ্যালাক্সির ইতিহাসকে নতুন করে লিখতে সাহায্য করবে না, বরং মহাবিশ্বের অন্যান্য বিশাল কৃষ্ণগহ্বরগুলো কীভাবে কাজ করে সে সম্পর্কেও বিজ্ঞানীদের আরও গভীর ধারণা দেবে।
দিন-রাত কখন সমান হয় জানেন কি, জানুন বিজ্ঞানের ব্যাখ্যা
পৃথিবীতে ঋতু পরিবর্তনের পেছনে যে জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক ঘটনাগুলো কাজ করে, তার মধ্যে অয়ন (Solstice) ও বিষুব (Equinox) সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। অনেকেই এই দুটি শব্দকে এক মনে করলেও বাস্তবে এগুলো একে অপরের বিপরীতধর্মী ঘটনা। সূর্যের তুলনায় পৃথিবীর অবস্থান ও কাতের ভিন্নতার কারণেই এই দুই প্রাকৃতিক ঘটনার সৃষ্টি হয়।
পৃথিবীর কাত ও ঋতুর জন্ম
পৃথিবী নিজের অক্ষে প্রায় ২৩.৫ ডিগ্রি কাত হয়ে সূর্যকে কেন্দ্র করে আবর্তন করে। এই কাতের কারণেই বছরের বিভিন্ন সময়ে পৃথিবীর বিভিন্ন অংশ সূর্যের আলো বেশি বা কম পায়। যদি পৃথিবী কাত না হতো, তাহলে সূর্য সারাবছর বিষুবরেখার ওপরেই অবস্থান করত, সব জায়গায় সমান আলো পড়ত এবং পৃথিবীতে কোনো ঋতু পরিবর্তন হতো না। সেই ক্ষেত্রে অয়ন বা বিষুব চিহ্নিত করারও প্রয়োজন পড়ত না।
বিষুব কী এবং কেন গুরুত্বপূর্ণ
বিষুব (Equinox) বছরে দুইবার ঘটে একবার মার্চ মাসে (প্রায় ২১ মার্চ) এবং আরেকবার সেপ্টেম্বর মাসে (প্রায় ২৩ সেপ্টেম্বর)। এই দিনগুলোতে সূর্য ঠিক বিষুবরেখার ওপর অবস্থান করে। এর ফলে পৃথিবীর প্রায় সব জায়গায় দিন ও রাতের দৈর্ঘ্য সমান হয়।
উত্তর গোলার্ধে মার্চের বিষুবকে বলা হয় বসন্ত বিষুব, যা বসন্ত ঋতুর সূচনা করে। অন্যদিকে সেপ্টেম্বরের বিষুবকে বলা হয় শরৎ বিষুব, যা শরৎ ঋতুর শুরু নির্দেশ করে।
অয়ন কীভাবে দিন-রাতের চরমতা তৈরি করে
অয়ন (Solstice)-ও বছরে দুইবার ঘটে জুন এবং ডিসেম্বর মাসে। এই সময় সূর্যের অবস্থান বিষুবরেখা থেকে সবচেয়ে বেশি উত্তর বা দক্ষিণে সরে যায়।
- গ্রীষ্ম অয়ন (২০ বা ২১ জুন): উত্তর গোলার্ধে বছরের সবচেয়ে দীর্ঘ দিন এবং সবচেয়ে ছোট রাত। এ সময় উত্তর মেরু সূর্যের দিকে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকে থাকে এবং সূর্যের কিরণ কর্কটক্রান্তি রেখার ওপর লম্বভাবে পড়ে।
- শীত অয়ন (২১ বা ২২ ডিসেম্বর): উত্তর গোলার্ধে বছরের সবচেয়ে ছোট দিন এবং সবচেয়ে দীর্ঘ রাত। তখন সূর্যের কিরণ মকরক্রান্তি রেখার ওপর লম্বভাবে পড়ে।
দক্ষিণ গোলার্ধে এই সময়গুলোতে ঋতুর চিত্র সম্পূর্ণ উল্টো থাকে।
অয়ন ও বিষুবের মৌলিক পার্থক্য
বিষুবের মূল বৈশিষ্ট্য হলো সমান দিন ও রাত, আর অয়নের বৈশিষ্ট্য হলো দিন বা রাতের চরম দৈর্ঘ্য। বিষুব ঋতুর ভারসাম্য নির্দেশ করে, আর অয়ন ঋতুর চূড়ান্ত অবস্থানকে প্রকাশ করে।
কেন এগুলো মানবজীবনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ
অয়ন ও বিষুব শুধু জ্যোতির্বিজ্ঞানের ঘটনা নয়, কৃষি, আবহাওয়া, পরিবেশ ও মানবসভ্যতার সময় নির্ধারণে এগুলোর বড় ভূমিকা রয়েছে। হাজার বছর ধরে মানুষ এই দিনগুলোকে কেন্দ্র করে ফসলের সময়, উৎসব ও ক্যালেন্ডার নির্ধারণ করে আসছে।
সূত্র: ব্রিটানিকা
পাঠকের মতামত:
- এক বছরে দুই বিপর্যয়; ভারতীয় মহাকাশ গবেষণায় নজিরবিহীন অন্ধকার
- মঞ্জুরুল আহসান মুন্সির প্রার্থিতা ফিরে পেতে হাইকোর্টে যাবেন- নেতাকর্মীদের দৃঢ় বিশ্বাস রাখার আহবান
- বিএনপি নেতাকর্মী ও নারীদের ওপর হামলা উল্টো মামলা ও বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশের অভিযোগ
- নেপাল, ভুটান ও যুক্তরাজ্যের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বিএনপির শীর্ষ নেতাদের বৈঠক
- গ্রুপ বদল না ভেন্যু পরিবর্তন? বিশ্বকাপ সংকট কাটাতে বিসিবির নতুন প্রস্তাব
- পার্লার ছাড়াই উজ্জ্বল ও দাগহীন ত্বক: ঘরে বসে রূপচর্চার ৪টি সহজ উপায়
- শুধু এক দেশের বিরুদ্ধে কথা বললেই দেশপ্রেমিক হওয়া যায় না: মির্জা আব্বাস
- ফাহাদের বোলিং তাণ্ডবে বিধ্বস্ত ভারত; যুব বিশ্বকাপে বাংলাদেশের শুভ সূচনা
- রেকর্ড লক্ষ্যমাত্রার পথে সৌদি আরব: নতুন খনি থেকে মিলল বিশাল স্বর্ণের মজুদ
- জুলাই সনদ লেখা হয়েছে রক্ত ও প্রাণের বিনিময়ে, কালি দিয়ে নয়: আলী রীয়াজ
- নীলনদ ইস্যুতে হোয়াইট হাউসের নতুন বার্তা; মধ্যস্থতায় ফিরছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প
- ভারতীয় কর্মকর্তার ভিসা আটকে দিল বাংলাদেশ, কঠোর পদক্ষেপ বাংলাদেশের!
- হাসনাত আব্দুল্লাহর চ্যালেঞ্জে হারলেন মঞ্জুরুল মুন্সী
- শহীদদের ভুলে যাওয়ার সুযোগ রাষ্ট্রের নেই: গুম–খুনের শিকার পরিবারদের পাশে দাঁড়িয়ে তারেক রহমানের অঙ্গীকার
- ইসলামোফোবিয়া: বাংলাদেশে বাস্তবতার নাম, না রাজনৈতিক ঢাল
- চাকরি নিয়ে অসন্তুষ্টি? ৯০ মিনিটের এই সূত্র বদলে দিতে পারে আপনার জীবন
- ১৭ জানুয়ারি ২০২৬: মার্কিন ডলার থেকে রুপি, জানুন আজকের বিনিময় হার
- নির্বাচনী মিশনে জামায়াত আমির: ঢাকা-১৫ থেকে শুরু হচ্ছে দেশব্যাপী সফর
- সালাদে যে সবজিটি যোগ করলে লিভার থাকবে চর্বিমুক্ত
- কুমিল্লার একই পরিবারের তিনজনের প্রাণহানী
- প্রতিদিন মাত্র ১টি লবঙ্গ: নিয়মিত খেলে শরীরে ঘটে এই ১১টি চমকপ্রদ উপকার!
- স্লো পয়জন প্রয়োগ! খালেদা জিয়ার মৃত্যু নিয়ে চিকিৎসকের বিস্ফোরক তথ্য
- বাতাসে শুধু ধূলিকণা নয়, ভাসছে মৃত্যুও: আইকিউএয়ারে শীর্ষে ঢাকা
- রণক্ষেত্রে ট্রমা ও নৈতিক আঘাত: ইসরায়েলি সেনাদের আত্মহত্যার হার বৃদ্ধি
- ফ্যাসিবাদ পরবর্তী বাংলাদেশের দিশারি যখন খালেদা জিয়ার আদর্শ
- স্বাদে ও পুষ্টিতে সেরা বিশ্বের সবচেয়ে মূল্যবান ১১টি খেজুর
- আজ ৮ ঘণ্টা যেসব এলাকায় বিদ্যুৎ থাকবে না
- স্বর্ণ কিনতে গুনতে হবে বাড়তি অর্থ; এক নজরে আজকের পূর্ণাঙ্গ মূল্যতালিকা
- নামাজের সময়সূচি: ১৭ জানুয়ারি ২০২৬
- আজ রাজধানীর যেসব এলাকায় মার্কেট ও দোকানপাট বন্ধ
- জেনে নিন আজকের আবহাওয়ার হালচাল
- কুমিল্লা মুরাদনগরে ৬ বছরের শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা
- বাংলাদেশের অর্থনীতিতে ৫ বড় ঝুঁকি: ডব্লিউইএফ ও সিপিডির সতর্কবার্তা
- কুমিল্লার বরুড়ায় জমি বিরোধে সংঘর্ষ, দুইজন নিহত
- শেয়ারবাজারের সাপ্তাহিক পূর্ণাঙ্গ বিশ্লেষণ
- শহীদ ওসমান হাদির স্ত্রীর ফেসবুক পোস্ট ভাইরাল, কী বললেন তিনি
- ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ, দেখুন এখানে
- ইরান সংকট নিয়ে পুতিন–নেতানিয়াহুর ফোনালাপ, আলোচনায় যা ছিল
- ইসরা ও মেরাজ: নবীজির অলৌকিক সফরের পূর্ণ ব্যাখ্যা
- রামপাল প্রকল্প নিয়ে তীব্র সমালোচনায় রিজভী
- তারেক রহমান–ট্রাম্প প্রশাসনের ভার্চুয়াল বৈঠক
- হিজাব নিয়ে কোরআনের আয়াত ও ব্যাখ্যা
- প্রথম জুমার খুতবায় রাসুলের (সা.) যে বার্তা আজও প্রাসঙ্গিক
- পে-স্কেল চূড়ান্তে শেষ ধাপে কমিশন, আসছে বেতন নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত
- বিপিএল ম্যাচ বাতিল: টিকিট ফেরতের নিয়ম জানুন
- আজকের ডলার, ইউরো ও পাউন্ডের দাম কত
- বিপিএল থেকে বুন্দেসলিগা, আজকের খেলার সূচি এক নজরে
- স্বর্ণের দামে নতুন রেকর্ড, জানুন নতুন দর
- এসএসসি পরীক্ষার্থীদের ফরম পূরণে জরুরি আপডেট
- শুক্রবার ঢাকায় যেসব দর্শনীয় স্থান এবং মার্কেট বন্ধ জেনে নিন
- ঢাকায় ব্যারিস্টার নাজির আহমদ এর দুটি গ্রন্থের মোড়ক উম্মোচন অনুষ্ঠিত
- বাহরাইনের মানামায় বিএনপির নতুন পথচলা: ঘটা করে ঘোষণা হলো নতুন কমিটি
- টিভির পর্দায় আজকের সব খেলার সূচি
- নাসাল স্প্রে কি নাকের বারোটা বাজাচ্ছে? বিশেষজ্ঞদের বড় সতর্কতা
- ডিভিডেন্ড পরিশোধে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা তিন প্রতিষ্ঠানের
- ডিএসই পরিদর্শন/ডোমিনেজ চালু, অন্য চার কোম্পানির কারখানা বন্ধ
- বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষায় ডিএসইর আইনি সতর্কতা
- জোট গঠনে অনেক ছাড় দিয়েছে এনসিপি লক্ষ্য এবার সরকার গঠন: আসিফ মাহমুদ
- ১২ জানুয়ারি ডিএসইতে দরপতনের শীর্ষ ১০ কোম্পানি
- সরকারি বন্ড বাজারে স্থগিতাদেশ ও ডিলিস্টিং একসঙ্গে
- শহীদদের ভুলে যাওয়ার সুযোগ রাষ্ট্রের নেই: গুম–খুনের শিকার পরিবারদের পাশে দাঁড়িয়ে তারেক রহমানের অঙ্গীকার
- ৩০টির বেশি মিউচুয়াল ফান্ডের এনএভি প্রকাশ, কোথায় সুযোগ
- ব্রণের দাগ দূর করতে ঘরোয়া ফেসপ্যাকের কার্যকারিতা জানুন
- রেকর্ড ডেট শেষে সরকারি বন্ড ও দুই কোম্পানীর লেনদেন শুরু
- ডিএসইতে আজ প্রকাশিত সব মিউচুয়াল ফান্ড এনএভির বিশ্লেষণ








