১০ থেকে ২০ শতাংশ বিদ্যুৎ বিল কমবে; কেবল নিয়মিত এই একটি কাজ করলেই

মাস শেষে বিদ্যুৎ বিল দেখে অনেকেই অবাক হন—কখন এত বিদ্যুৎ ব্যবহার হলো তা বোঝা অনেক সময় কঠিন হয়ে যায়। বড় ধরণের কোনো পরিবর্তন না আনলেও ঘরের কিছু সাধারণ বৈদ্যুতিক যন্ত্রের ভুল ব্যবহার এবং অবহেলা অজান্তেই বিদ্যুৎ খরচ বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। বিশেষ করে কিছু যন্ত্র ব্যবহার না করলেও বা সুইচ বন্ধ থাকলেও কেবল প্লাগে লাগানো থাকার কারণেই নিরবিচ্ছিন্নভাবে বিদ্যুৎ খরচ করতে থাকে, যা মাসের শেষে বিলে বড় ধরণের প্রভাব ফেলে।
তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র যেমন—রুম হিটার বা এসি ঘরের সবচেয়ে বেশি বিদ্যুৎ খরচকারী যন্ত্রগুলোর মধ্যে অন্যতম। এই যন্ত্রগুলো যদি দরজা-জানালার ফাঁক বা যেখানে সরাসরি রোদ বা গরম বাতাস লাগে এমন স্থানে থাকে, তবে সেগুলো সঠিক তাপমাত্রা নির্ধারণ করতে পারে না। ফলে ঘর ঠান্ডা বা গরম করতে যন্ত্রগুলোকে স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি সময় চালু থাকতে হয়, যা সরাসরি বিদ্যুৎ বিল বাড়িয়ে দেয়। আবার দীর্ঘদিনের পুরোনো ফ্রিজও বিদ্যুৎ খরচের একটি বড় কারণ। ১৫ বছরের বেশি পুরোনো ফ্রিজে নিরোধক ব্যবস্থা দুর্বল হয়ে যায় এবং কম্প্রেসারও কম কার্যকর থাকে, যার ফলে বছরে প্রায় এক হাজার ইউনিট পর্যন্ত অতিরিক্ত বিদ্যুৎ খরচ হতে পারে। তাই শক্তি সাশ্রয়ী নতুন ফ্রিজ ব্যবহার করাই বুদ্ধিমানের কাজ।
অনেক যন্ত্র বন্ধ থাকলেও কেবল প্লাগে লাগানো থাকলে অল্প পরিমাণ বিদ্যুৎ ব্যবহার করতে থাকে, যাকে ‘ভ্যাম্পায়ার পাওয়ার’ বলা হয়। টেলিভিশন, গেমিং ডিভাইস, কম্পিউটার, মোবাইল চার্জার, কেবল বক্স, মাইক্রোওয়েভ কিংবা কফি মেকারের মতো যন্ত্রগুলো এভাবে নিয়মিত বিদ্যুৎ টানে। তাই ব্যবহার শেষে কেবল সুইচ বন্ধ না করে প্লাগ খুলে রাখা সবচেয়ে সাশ্রয়ী উপায়। এছাড়া এসি বা বায়ু পরিশোধন যন্ত্রের ফিল্টারে ধুলো জমলে বাতাস চলাচলে বাধা পায় এবং যন্ত্রকে বাতাস টানতে বেশি পরিশ্রম করতে হয়। এতে বিদ্যুৎ খরচ ১০ থেকে ২০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে। একইভাবে পানি গরম করার যন্ত্র বা গিজারের তাপমাত্রা বেশি সেট করা থাকলে তা নির্দিষ্ট তাপমাত্রা ধরে রাখতে সারাক্ষণ কাজ করে, যা বিল বাড়িয়ে দেয়। তাই সচেতনভাবে যন্ত্র ব্যবহার ও নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ করলে সহজেই বিদ্যুৎ বিল অনেকটাই কমিয়ে আনা সম্ভব।
/আশিক
এলিয়েন ও ইউএফও রহস্যে ট্রাম্পের বড় ঘোষণা: সব গোপন ফাইল হচ্ছে উন্মুক্ত
ভিন্ন গ্রহের বাসিন্দা বা এলিয়েনদের অস্তিত্ব নিয়ে দশকের পর দশক ধরে চলে আসা জল্পনা-কল্পনা এবার নতুন মোড় নিয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি এক যুগান্তকারী ঘোষণা দিয়েছেন যেখানে তিনি ভিনগ্রহের প্রাণী ও অজ্ঞাত উড়ন্ত বস্তু বা ইউএফও সংক্রান্ত সমস্ত গোপন ফাইল জনসমক্ষে আনার নির্দেশ দিয়েছেন। ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তের ফলে দীর্ঘদিনের ধোঁয়াশা ও ষড়যন্ত্র তত্ত্বের জাল ছিঁড়ে সত্য বেরিয়ে আসবে বলে আশা করছেন মহাকাশপ্রেমীরা। তিনি ফেডারেল সংস্থাগুলোকে নির্দেশ দিয়েছেন যেন অত্যন্ত জটিল ও গুরুত্বপূর্ণ এই বিষয়টি নিয়ে সরকারের কাছে থাকা প্রতিটি তথ্য যাচাই করে সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়।
বহু বছর ধরে সাধারণ মানুষ ও ষড়যন্ত্র তাত্ত্বিকরা অভিযোগ করে আসছিলেন, পৃথিবীর বাইরে প্রাণের অস্তিত্বের অকাট্য প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও কর্তৃপক্ষ তা লুকিয়ে রাখছে। বিশেষ করে পেন্টাগন এবং নাসার মতো সংস্থাগুলো বারবার ভিনগ্রহের প্রযুক্তির কথা অস্বীকার করলেও জনসাধারণের কৌতূহল দমে যায়নি। সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার সাম্প্রতিক কিছু মন্তব্য এবং মার্কিন নৌবাহিনীর পাইলটদের ক্যামেরায় ধরা পড়া অদ্ভুত সব মহাজাগতিক দৃশ্যের ভিডিও এই আলোচনাকে আরও উসকে দিয়েছে। এখন ট্রাম্পের এই নতুন নির্বাহী আদেশ সেই দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটাতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
আধুনিক ইতিহাসে এলিয়েন বা ইউএফও দেখার ঘটনাগুলো মূলত বিশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে ব্যাপকতা পায়। ১৯৪৭ সালের নিউ মেক্সিকোর রসওয়েল ঘটনাটি এই তালিকায় সবচেয়ে উপরে রয়েছে, যেখানে একটি উড়ন্ত চাকতি বিধ্বস্ত হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়েছিল। যদিও মার্কিন সামরিক বাহিনী তখন একে আবহাওয়া বেলুন বলে ধামাচাপা দিয়েছিল, কিন্তু স্থানীয় বাসিন্দা ও গবেষকরা বরাবরই সেখানে ভিনগ্রহের যান এবং ভিনগ্রহীদের দেহ উদ্ধারের দাবি জানিয়ে আসছেন। এই একটি ঘটনাই বিশ্বজুড়ে এলিয়েন সংস্কৃতি ও সরকারি গোপনীয়তার প্রতি মানুষের অবিশ্বাসকে বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছিল।
বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে তাকালে দেখা যায়, জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা বরাবরই পরিসংখ্যানের ওপর ভিত্তি করে ভিনগ্রহে প্রাণের সম্ভাবনাকে গুরুত্ব দিয়ে আসছেন। ১৯৬১ সালে ফ্রাঙ্ক ড্রেকের দেওয়া বিখ্যাত সমীকরণটি আকাশগঙ্গার মতো ছায়াপথে কতগুলো উন্নত সভ্যতা থাকতে পারে তার একটি ধারণা দেয়। যদিও এই সমীকরণ থেকে কোনো নির্দিষ্ট সংখ্যা পাওয়া সম্ভব হয়নি, তবুও এটি প্রমাণ করে যে মহাবিশ্বের বিশালতায় আমরাই একমাত্র বুদ্ধিমান প্রাণী হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। বিজ্ঞানীরা এখন জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপের মতো উন্নত প্রযুক্তির মাধ্যমে দূরবর্তী গ্রহগুলোতে অক্সিজেন বা প্রাণের সংকেত খুঁজছেন।
তবে তাত্ত্বিক সম্ভাবনা থাকলেও এখন পর্যন্ত পৃথিবী কোনো ভিনগ্রহের সভ্যতার সাথে সরাসরি যোগাযোগ করতে পারেনি। একে বলা হয় ফার্মি প্যারাডক্স, অর্থাৎ মহাবিশ্ব যদি এতই বিশাল এবং পুরনো হয়, তবে অন্য কেউ কেন এখনো আমাদের কাছে পৌঁছাতে পারল না? অনেক বিজ্ঞানীর মতে, বিশাল দূরত্ব কিংবা উন্নত সভ্যতার আত্মবিনাশী স্বভাব এর কারণ হতে পারে। তবুও ৫ হাজারেরও বেশি বহির্গ্রহ আবিষ্কারের পর নাসা এবং অন্যান্য মহাকাশ সংস্থাগুলো এখন মঙ্গল গ্রহ কিংবা বৃহস্পতির উপগ্রহ ইউরোপাতে অন্তত অণুজীব পর্যায়ের প্রাণের সন্ধান পাওয়ার ব্যাপারে বেশ আশাবাদী।
এলিয়েন বা ইউএফও নিয়ে মানুষের আগ্রহ কেবল গবেষণাগারে সীমাবদ্ধ থাকেনি বরং তা জনপ্রিয় সংস্কৃতি বা পপ কালচারে গভীর প্রভাব ফেলেছে। ১৯৪৭ সালে কেনেথ আর্নল্ডের 'ফ্লাইং সসার' দেখার বর্ণনা সংবাদমাধ্যমে আসার পর থেকেই সায়েন্স ফিকশন সিনেমা ও উপন্যাসের জোয়ার আসে। স্টিভেন স্পিলবার্গের 'ইটি' বা 'ক্লোজ এনকাউন্টারস অব দ্য থার্ড কাইন্ড' যেখানে এলিয়েনদের বন্ধুসুলভ হিসেবে দেখিয়েছে, সেখানে 'ইন্ডিপেন্ডেন্স ডে' বা 'এলিয়েন' সিরিজে তাদের দেখানো হয়েছে ভয়ংকর আক্রমণকারী হিসেবে। এই কাল্পনিক চরিত্রগুলো মানুষের মনে এলিয়েন সম্পর্কে এক রহস্যময় ভাবমূর্তি তৈরি করেছে।
আমেরিকার নেভাডায় অবস্থিত অত্যন্ত গোপনীয় সামরিক ঘাঁটি 'এরিয়া ৫১' এলিয়েন ষড়যন্ত্র তত্ত্বের প্রধান কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। ধারণা করা হয় যে, রসওয়েলে উদ্ধার হওয়া এলিয়েন প্রযুক্তি এই ঘাঁটিতে বসেই গবেষণা করা হচ্ছে। ২০১৩ সালে সিআইএ এই ঘাঁটির অস্তিত্ব স্বীকার করলেও সেখানে ঠিক কী ধরণের পরীক্ষা চালানো হয় তা এখনো রহস্যে মোড়া। এছাড়াও যুক্তরাজ্যের রেন্ডলশাম ফরেস্ট কিংবা অ্যারিজোনার ফিনিক্স লাইটসের মতো ঘটনাগুলো বছরের পর বছর ধরে পর্যটক ও গবেষকদের আকৃষ্ট করে চলেছে, যারা বিশ্বাস করেন যে পৃথিবী পরিদর্শনে মাঝে মাঝেই ভিনগ্রহের অতিথিরা আসেন।
শেষ পর্যন্ত প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এই সাহসী পদক্ষেপ বৈজ্ঞানিক মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে। একদিকে অনেকে মনে করছেন এতে কেবল বিভ্রান্তিই বাড়বে, অন্যদিকে তথ্য অধিকার কর্মীরা একে ঐতিহাসিক স্বচ্ছতা হিসেবে দেখছেন। এই নির্দেশের ফলে কয়েক দশকের জমানো রহস্যের জট খুলবে কি না, তা দেখার অপেক্ষায় এখন পুরো বিশ্ব।
/আশিক
৮৫০ কোটি বছর আগের দৃশ্য! জেলিফিশ গ্যালাক্সির রহস্যময় আবিষ্কার
মহাকাশের অসীম শূন্যতায় ভেসে চলা এক বিচিত্র ও বিস্ময়কর জেলিফিশ গ্যালাক্সির সবচেয়ে দূরবর্তী ছবি তুলে আবারও বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ। কানাডার ওয়াটারলু বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল জ্যোতির্বিজ্ঞানী এই বিরল আবিষ্কারটি করেছেন। মহাবিশ্বের গভীরে লুকিয়ে থাকা এই গ্যালাক্সিটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘কসমস২০২০-৬৩৫৮২৯’। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, এই দৃশ্যটি প্রায় ৮৫০ কোটি বছর আগের, যখন মহাবিশ্বের বয়স ছিল বর্তমান সময়ের মাত্র এক-তৃতীয়াংশ। ‘অ্যাস্ট্রোফিজিক্যাল জার্নাল’-এ প্রকাশিত এই গবেষণাটি পরে যুক্তরাষ্ট্রের জেমিনি নর্থ টেলিস্কোপের মাধ্যমে যাচাই করে নিশ্চিত করা হয়েছে।
জেলিফিশ গ্যালাক্সি মূলত মহাকাশের এক বিশেষ ধরনের ছায়াপথ, যার পেছনে লম্বা লেজের মতো একটি অংশ থাকে, যা দেখতে অনেকটা সামুদ্রিক জেলিফিশের শুঁড়ের মতো। যখন কোনো গ্যালাক্সি অত্যন্ত দ্রুতগতিতে বিশাল কোনো গ্যালাক্সি ক্লাস্টার বা দলের মধ্যে প্রবেশ করে, তখন চারপাশের উত্তপ্ত ও ঘন গ্যাসের প্রচণ্ড চাপে গ্যালাক্সিটির নিজস্ব গ্যাস ছিটকে বাইরে বেরিয়ে আসে। এই প্রক্রিয়ার ফলেই তৈরি হয় দীর্ঘ লেজ। বিজ্ঞানীরা আকাশের ‘কসমস ফিল্ড’ নামক একটি বিশেষ অংশ পর্যবেক্ষণ করার সময় এই গ্যালাক্সিটি খুঁজে পান। আমাদের নিজস্ব গ্যালাক্সির ধুলো ও তারার বাধা কম থাকায় এই অঞ্চল থেকে মহাবিশ্বের গভীরতম অংশ পরিষ্কারভাবে দেখা সম্ভব হয়েছে।
এই আবিষ্কারটি মহাবিশ্বের সৃষ্টিতত্ত্ব নিয়ে বিজ্ঞানীদের পুরোনো ধারণাকে নতুন করে ভাবিয়ে তুলেছে। আগে মনে করা হতো, মহাবিশ্বের আদি সময়ে গ্যালাক্সির বড় দলগুলো পুরোপুরি গঠিত হয়নি, তাই এ ধরনের তীব্র চাপের ঘটনা ছিল বিরল। কিন্তু এই জেলিফিশ গ্যালাক্সির অস্তিত্ব প্রমাণ করে যে, সেই সুদূর অতীতেও মহাজাগতিক পরিবেশ ছিল অত্যন্ত সক্রিয়। আরও বিস্ময়কর বিষয় হলো, গ্যালাক্সিটির লেজে উজ্জ্বল নীল অংশ দেখা গেছে, যা সেখানে নতুন নক্ষত্র বা তারা জন্মের সুস্পষ্ট সংকেত। অর্থাৎ প্রতিকূল পরিবেশে গ্যাস ছিটকে বেরিয়ে গেলেও তারকা তৈরির মহাজাগতিক প্রক্রিয়া থেমে থাকেনি। মহাবিশ্বের শুরুর ইতিহাস আরও স্পষ্টভাবে বুঝতে গবেষকরা এখন আরও গভীর পর্যবেক্ষণের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
/আশিক
বিশ্বজুড়ে হঠাৎ অচল ইউটিউব: ভিডিও দেখতে বিপাকে কোটি কোটি মানুষ
বিশ্বের সবচেয়ে বড় ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম ইউটিউব হঠাৎ করেই কারিগরি বিভ্রাটের মুখে পড়ে বিশ্বজুড়ে অচল হয়ে যায়। মঙ্গলবার গভীর রাতে হঠাৎ করেই এই সমস্যার সূত্রপাত হয় এবং বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ব্যবহারকারীরা অভিযোগ জানাতে থাকেন যে তারা সাইটটিতে প্রবেশ করতে পারছেন না। ব্যবহারকারীদের মতে, ইউটিউবের হোমপেজ ঠিকমতো লোড হচ্ছিল না এবং কোনো ভিডিও চালানো সম্ভব হচ্ছিল না।
এই অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতিতে গুগলের মালিকানাধীন এই বিশাল প্ল্যাটফর্মটির ব্যবহারকারীদের মধ্যে ব্যাপক অস্বস্তি ছড়িয়ে পড়ে। ইউটিউব কর্তৃপক্ষ দ্রুত বিষয়টি আমলে নিয়ে তাদের অফিসিয়াল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) ব্যবহারকারীদের আশ্বস্ত করে জানায় যে, তাদের কারিগরি টিম সমস্যাটি সমাধানে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
ইউটিউব কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্যমতে, মূলত প্ল্যাটফর্মটির ভিডিও সাজেশন বা রেকমেন্ডেশন সিস্টেমে বড় ধরনের জটিলতা দেখা দিয়েছিল। এই ত্রুটির কারণে ইউটিউবের মূল ওয়েবসাইট ছাড়াও ইউটিউব অ্যাপ, ইউটিউব মিউজিক এবং ইউটিউব কিডসের মতো পরিষেবাগুলো সরাসরি আক্রান্ত হয়। এর ফলে ব্যবহারকারীরা হোমপেজে গিয়ে নতুন কোনো ভিডিও খুঁজে পাচ্ছিলেন না এবং অনেকেই 'পরে আবার চেষ্টা করুন' এমন বার্তা দেখতে পাচ্ছিলেন। কোম্পানিটি পরবর্তীতে এক বিবৃতিতে জানায় যে, তারা সাময়িকভাবে হোমপেজটি সচল করতে সক্ষম হয়েছে। তবে সিস্টেমের পূর্ণাঙ্গ স্থিতি ফিরিয়ে আনতে এবং স্থায়ী সমাধানের জন্য কাজ এখনও চলমান রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
ইন্টারনেট ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটের সমস্যা পর্যবেক্ষণকারী জনপ্রিয় সাইট 'ডাউন ডিটেক্টর'-এর পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এই বিভ্রাটের সময় ৩ লাখেরও বেশি ব্যবহারকারী সরাসরি সমস্যার কথা রিপোর্ট করেছেন। বাংলাদেশ সময় সকাল ৭টার দিকে এই অভিযোগের সংখ্যা ছিল সর্বোচ্চ পর্যায়ে। এর পর থেকে ধীরে ধীরে পরিস্থিতির উন্নতি হতে শুরু করে এবং অভিযোগের পরিমাণ কমতে থাকে। উল্লেখ্য যে, প্রতি মাসে বিশ্বের প্রায় ২৫০ কোটিরও বেশি মানুষ সক্রিয়ভাবে ইউটিউব ব্যবহার করেন। এত বিশাল সংখ্যক ব্যবহারকারীর ওপর এই সাময়িক বিভ্রাটের প্রভাব ছিল সুদূরপ্রসারী, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোতেও ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।
/আশিক
২০২৬ সালের প্রথম সূর্যগ্রহণ আজ
চলতি বছরের প্রথম বলয়গ্রাস সূর্যগ্রহণ ঘটছে আজ মঙ্গলবার ১৭ ফেব্রুয়ারি। বিরল এই জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক ঘটনাকে ঘিরে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিজ্ঞানী, গবেষক ও মহাকাশপ্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। সূর্য, চাঁদ ও পৃথিবী একটি সরলরেখায় অবস্থান নিলে এবং চাঁদ পৃথিবী থেকে তুলনামূলক দূরে থাকায় সূর্যের কেন্দ্রীয় অংশ ঢেকে গিয়ে চারপাশে অগ্নিবলয়ের মতো দৃশ্য তৈরি হলে তাকে বলয়গ্রাস সূর্যগ্রহণ বলা হয়।
আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টা ৫৬ মিনিট ৩৬ সেকেন্ডে গ্রহণ শুরু হবে এবং রাত ৮টা ২৭ মিনিট ৩৬ সেকেন্ডে তা সমাপ্ত হবে। তবে এ মহাজাগতিক দৃশ্য বাংলাদেশের আকাশ থেকে পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হবে না।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, দক্ষিণ আমেরিকার আর্জেন্টিনা ও চিলি, আফ্রিকার দক্ষিণ আফ্রিকা এবং অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশের কিছু অংশ থেকে গ্রহণটি প্রত্যক্ষ করা যাবে। বিশেষ করে অ্যান্টার্কটিকায় চিলির গবেষণা কেন্দ্র ইয়েলচো ঘাঁটির উত্তর-পশ্চিমে দক্ষিণ মহাসাগর এলাকায় স্থানীয় সময় ভোর ৪টা ৩৮ মিনিট ৩১ সেকেন্ডে গ্রহণ শুরু হবে। পরে ভারত মহাসাগর অঞ্চলে মরিশাসের ভিংট-সিনক দ্বীপের দক্ষিণ-পূর্ব দিকে স্থানীয় সময় সকাল ৬টা ২৪ মিনিট ৩৯ সেকেন্ডে গ্রহণ শেষ হবে।
বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা নিরাপদ চশমা ও বিশেষ ফিল্টারযুক্ত টেলিস্কোপের মাধ্যমে সরাসরি গ্রহণ পর্যবেক্ষণের প্রস্তুতি নিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও আন্তর্জাতিক মহাকাশ সংস্থাগুলোর প্ল্যাটফর্মে সরাসরি সম্প্রচারের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।
বাংলাদেশে এ গ্রহণ দৃশ্যমান না হলেও জ্যোতির্বিজ্ঞান সংশ্লিষ্ট মহলে ঘটনাটি তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, সূর্যগ্রহণ পর্যবেক্ষণের ক্ষেত্রে চোখের সুরক্ষা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি, কারণ খালি চোখে সরাসরি সূর্যের দিকে তাকানো বিপজ্জনক হতে পারে।
সব মিলিয়ে, চলতি বছরের এই প্রথম বলয়গ্রাস সূর্যগ্রহণ বিশ্বজুড়ে বৈজ্ঞানিক কৌতূহল ও উৎসাহের নতুন মাত্রা যোগ করেছে, যদিও বাংলাদেশের আকাশে তার দেখা মিলবে না।
-রাফসান
মঙ্গলে প্রাণের অস্তিত্বের শক্তিশালী প্রমাণ পেল নাসা
মঙ্গল গ্রহের লাল মাটিতে একসময় প্রাণের অস্তিত্ব ছিল কি না, সেই দীর্ঘদিনের রহস্য উদ্ঘাটনে এবার নতুন ও শক্তিশালী এক অধ্যায় যুক্ত হয়েছে। মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা (NASA) সম্প্রতি জানিয়েছে যে, তাদের পাঠানো রোবোটিক যান 'কিউরিওসিটি রোভার' মঙ্গলের পৃষ্ঠে এমন কিছু জৈব অণুর সন্ধান পেয়েছে, যা প্রাণের প্রাথমিক উপাদান হিসেবে বিবেচিত হয়। এই আবিষ্কারের ফলে বিজ্ঞানীদের দীর্ঘদিনের সেই ধারণা এখন আরও জোরালো হয়েছে যে, পৃথিবীর নিকটতম এই প্রতিবেশী গ্রহে কোনো এক সময় প্রাণের স্পন্দন ছিল।
বর্তমানে কিউরিওসিটি রোভার মঙ্গলের একটি বিশাল গর্ত বা খাদ, যা 'গেইল ক্রেটার' নামে পরিচিত, তার ভেতরে অবস্থিত 'মাউন্ট শার্প' পাহাড়ের পাদদেশে নিবিড় অনুসন্ধান চালাচ্ছে। এই অভিযানের অংশ হিসেবে রোভারটি সেখানকার প্রাচীন পাথরে ড্রিল বা ছিদ্র করে কিছু নমুনা সংগ্রহ করেছে। সেই সংগৃহীত নমুনাগুলো বিশেষ পরীক্ষাগারে বিশ্লেষণ করার পর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বেরিয়ে এসেছে। পরীক্ষায় দেখা গেছে, সেই কঠিন পাথরের ভেতরে ডেকেন, আনডেকেন এবং ডোডেকেন নামক বিশেষ কিছু রাসায়নিক যৌগ রয়েছে। বিজ্ঞানের ভাষায় এগুলোকে হাইড্রোকার্বন বলা হয়, যা পৃথিবীতে প্রাণের অস্তিত্ব ও বিকাশের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। নাসার গবেষকদের মতে, এই রাসায়নিকগুলোর গঠন অনেকটা ফ্যাটি অ্যাসিডের মতো, যা মূলত জীবন্ত কোষ বা সেল তৈরির প্রধান গাঠনিক উপাদান।
এই আবিষ্কারের সবচেয়ে বিস্ময়কর দিক হলো, উদ্ধারকৃত এই উপাদানগুলো প্রায় ৩৭০ কোটি বছর আগের প্রাচীন কাদা-পাথরের স্তরে সংরক্ষিত ছিল। সাধারণত মহাকাশ থেকে আগত শক্তিশালী ও ক্ষতিকর মহাজাগতিক রশ্মি সময়ের ব্যবধানে যেকোনো জৈব অণুকে নষ্ট বা ধ্বংস করে দেয়। তবে ল্যাবরেটরি পরীক্ষা এবং উন্নত কম্পিউটার বিশ্লেষণের মাধ্যমে দেখা গেছে, এই রাসায়নিকগুলো কয়েকশ কোটি বছর ধরে প্রতিকূল পরিবেশে টিকে রয়েছে। বিজ্ঞানীদের মতে, এত দীর্ঘ সময় ধরে এই অণুগুলোর টিকে থাকা কোনো সাধারণ বিষয় নয়। আর এ কারণেই তারা ধারণা করছেন, এই অণুগুলোর উৎপত্তির পেছনে নিশ্চিতভাবে কোনো জৈবিক বা প্রাণের সঙ্গে সম্পর্কিত কারণ থাকতে পারে।
উল্লেখ্য যে, ২০১২ সালে মঙ্গল গ্রহে সফলভাবে অবতরণের পর থেকেই কিউরিওসিটি রোভার একের পর এক রোমাঞ্চকর রহস্যের সমাধান করে চলেছে। মাউন্ট শার্প এলাকার স্তরগুলো বিজ্ঞানীদের কাছে অনেকটা বিশাল এক কেকের স্তরের মতো, যেখানে প্রতিটি স্তর মঙ্গলের ভিন্ন ভিন্ন যুগের ইতিহাসের সাক্ষ্য বহন করছে। প্রাচীন হ্রদ, বৈচিত্র্যময় পাথুরে এলাকা এবং সালফেটে ভরপুর মাটির স্তর বিশ্লেষণ করে রোভারটি প্রতিনিয়ত প্রাণের উপযোগী পরিবেশের সন্ধান করে যাচ্ছে। এই নতুন প্রাপ্তি মঙ্গলের অতীত নিয়ে মানুষের কৌতূহলকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে। বিজ্ঞানীরা আশাবাদী যে, চলমান এই গবেষণা থেকে ভবিষ্যতে আরও নিখুঁত তথ্য পাওয়া গেলে মঙ্গলের প্রাচীন ইতিহাস ও সেখানে প্রাণের বিবর্তন সম্পর্কে পৃথিবীর মানুষ আরও স্বচ্ছ ধারণা লাভ করতে পারবে।
/আশিক
আজ বিকেলেই শুরু হচ্ছে বছরের প্রথম সূর্যগ্রহণ: বাংলাদেশ থেকে কি দেখা যাবে?
আজ সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) বছরের একটি গুরুত্বপূর্ণ সূর্যগ্রহণ হতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তারা জানিয়েছে, বাংলাদেশ সময় আজ বিকেল ৫টা ৫৬ মিনিট ৩৬ সেকেন্ডে এই গ্রহণটি শুরু হবে এবং রাত ৮টা ২৭ মিনিট ৩৬ সেকেন্ডে এটি শেষ হবে। প্রায় আড়াই ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে চলা এই মহাজাগতিক ঘটনাটি ঘিরে জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে।
আইএসপিআর তাদের বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট করেছে যে, ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশ থেকে এই সূর্যগ্রহণটি দেখা যাবে না। তবে দক্ষিণ গোলার্ধের দেশগুলো বিশেষ করে আর্জেন্টিনা, চিলি এবং দক্ষিণ আফ্রিকায় এটি দৃশ্যমান হবে। এমনকি অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশ থেকেও এই সূর্যগ্রহণের বিরল দৃশ্য উপভোগ করা যাবে।
যদিও সরাসরি বাংলাদেশ থেকে এটি দেখা যাবে না, তবুও মহাকাশ গবেষণায় আগ্রহী বাংলাদেশিদের জন্য এই সময়সূচিটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে যারা অনলাইনে লাইভ স্ট্রিমিং বা আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে মহাজাগতিক দৃশ্যটি দেখতে চান, তাদের জন্য আইএসপিআর-এর এই নির্দিষ্ট সময়সূচি বেশ সহায়ক হবে।
/আশিক
বৃহস্পতির আকার নিয়ে পুরোনো সব হিসাব ভুল: নতুন তথ্য দিল নাসা
সৌরজগতের দানব গ্রহ বৃহস্পতিকে নিয়ে কয়েক দশকের পুরোনো ধারণায় পরিবর্তন আনছে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। নাসার ‘জুনো’ মহাকাশযানের সাম্প্রতিক পরিমাপে দেখা গেছে, গ্রহটি আগের ধারণার চেয়ে সামান্য ছোট এবং মেরু অঞ্চলে আগের চেয়ে একটু বেশি চ্যাপ্টা। বৃহস্পতির বায়ুমণ্ডলের ‘১-বার স্তরে’ নতুন এই পরিমাপ চালানো হয়, যেখানে দেখা যায় গ্রহটির বিষুবীয় ব্যাসার্ধ প্রায় ৭১,৪৮৮ কিলোমিটার এবং মেরু ব্যাসার্ধ ৬৬,৮৪২ কিলোমিটার—যা আগের হিসাবের চেয়ে কয়েক কিলোমিটার কম।
এই নির্ভুল তথ্য পেতে বিজ্ঞানীরা ‘রেডিও অকালটেশন’ নামক একটি আধুনিক পদ্ধতি ব্যবহার করেছেন। এই পদ্ধতিতে জুনো থেকে পাঠানো রেডিও সিগন্যাল যখন বৃহস্পতির ঘন বায়ুমণ্ডল ভেদ করে যায়, তখন সিগন্যালের বাঁক পর্যবেক্ষণ করে তাপমাত্রা ও বায়ুর ঘনত্ব নির্ণয় করা হয়। এর আগে ১৯৭০-এর দশকে পাইওনিয়ার ও ভয়েজার অভিযানের মাধ্যমে যে তথ্য পাওয়া গিয়েছিল, সেখানে গ্রহটির শক্তিশালী বাতাসের প্রবাহ পুরোপুরি বিবেচনা করা সম্ভব হয়নি। ফলে সেই হিসাবগুলোতে সূক্ষ্ম ভুলের সুযোগ থেকে গিয়েছিল।
বিজ্ঞানীদের মতে, বৃহস্পতির সঠিক আকার ও আয়তন জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এর ওপর ভিত্তি করেই গ্রহটির অভ্যন্তরে থাকা কোর বা কেন্দ্র এবং গ্যাসের স্তরগুলোর গঠন আরও ভালোভাবে বোঝা সম্ভব হবে। একই সাথে, আমাদের সৌরজগতের বাইরে থাকা অন্যান্য ‘গ্যাস জায়ান্ট’ বা গ্যাসীয় দানব গ্রহগুলোর প্রকৃতি সম্পর্কে ধারণা পেতেও নাসার এই নতুন তথ্য বিশাল ভূমিকা রাখবে। মহাকাশ গবেষণার নতুন এই অধ্যায় বিজ্ঞানীদের সামনে বৃহস্পতির প্রকৃত রূপ আরও স্পষ্ট করে তুলল।
চাঁদাবাজ ধরতে নাসিরুদ্দীনের নতুন সাইট ‘চান্দাবাজ ডট কম’
সারাদেশে চলমান চাঁদাবাজি ও জুলুম রুখতে এক অভিনব ডিজিটাল উদ্যোগ নিয়েছেন ঢাকা-৮ আসনের ১১ দলীয় ঐক্যজোট মনোনীত প্রার্থী এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসিরুদ্দীন পাটওয়ারী। বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করা হয়েছে 'চান্দাবাজ ডট কম' (chandabaaj.com) নামের একটি বিশেষ ওয়েবসাইট। এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ এখন থেকে সরাসরি চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে রিপোর্ট করতে পারবেন। ওয়েবসাইটটি লাইভ হওয়ার মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সারাদেশ থেকে ৮টি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ জমা পড়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
নাসিরুদ্দীন পাটওয়ারী এই উদ্যোগের লক্ষ্য ব্যাখ্যা করে জানান, সংগৃহীত প্রতিটি রিপোর্ট গভীরভাবে যাচাই-বাছাই করা হবে এবং অপরাধীদের শনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য প্রশাসনের সহযোগিতা নেওয়া হবে। তিনি বলেন, "আপনার এলাকায় চাঁদাবাজির কোনো ঘটনা ঘটলে দেরি না করে উপযুক্ত তথ্য-প্রমাণসহ তাৎক্ষণিক রিপোর্ট করুন। এর মাধ্যমে আমরা অপরাধীদের চিহ্নিত করার পথ সহজ করতে চাই।" নাসিরুদ্দীন আরও দৃঢ়তার সাথে উল্লেখ করেন যে, আগামীর স্বপ্নের বাংলাদেশে কোনো চাঁদাবাজ বা জুলুমবাজের স্থান হবে না এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এই ডিজিটাল প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে।
এই প্ল্যাটফর্মটি মূলত একটি নাগরিক নজরদারি ব্যবস্থা হিসেবে কাজ করবে, যেখানে সাধারণ মানুষ তাদের পরিচয় গোপন রেখেও অভিযোগ জানানোর সুযোগ পেতে পারেন (যাচাই সাপেক্ষে)। নির্বাচনের ঠিক আগ মুহূর্তে নাসিরুদ্দীন পাটওয়ারীর এই 'চাঁদাবাজ বিরোধী' অবস্থান ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল ও আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে ব্যবসায়িক ও পরিবহন খাতে যারা প্রতিনিয়ত চাঁদাবাজির শিকার হন, তাদের জন্য এই ওয়েবসাইটটি একটি ভরসার জায়গা হয়ে উঠবে বলে আশা করা হচ্ছে।
স্মার্টফোনের ব্যাটারি দ্রুত ফুরিয়ে যাচ্ছে? বন্ধ করুন এই ৫টি ফিচার
স্মার্টফোনের ব্যাটারি দীর্ঘস্থায়ী করা প্রতিটি ব্যবহারকারীর জন্যই একটি বড় চ্যালেঞ্জ। প্রযুক্তিগত কিছু অসচেতনতার কারণে অনেক সময় ফোনের চার্জ দ্রুত ফুরিয়ে যায়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, স্মার্টফোনের মাত্র ৫টি ফিচার বা সেটিংস পরিবর্তন করে দিলে ব্যাটারির আয়ু উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়ে নেওয়া সম্ভব।
স্মার্টফোনের ব্যাটারি খরচ হওয়ার প্রধান উৎস হলো এর ডিসপ্লে। স্ক্রিনের ব্রাইটনেস বা উজ্জ্বলতা সবসময় সর্বোচ্চ পর্যায়ে না রেখে তা চোখের জন্য আরামদায়ক স্তরে রাখা উচিত। এ ছাড়া 'অটো-লক' বা 'স্ক্রিন টাইমআউট' সময় কমিয়ে রাখলে ডিসপ্লে দ্রুত বন্ধ হয়ে ব্যাটারি সাশ্রয় করে।
দ্বিতীয়ত, অনেক সময় ব্যবহারকারী অ্যাপ বন্ধ করে দিলেও সেগুলো ব্যাকগ্রাউন্ডে চলতে থাকে। এই 'ব্যাকগ্রাউন্ড অ্যাপ রিফ্রেশ' অপশনটি সেটিংস থেকে বন্ধ করে দিলে অপ্রয়োজনীয় চার্জ খরচ বন্ধ হয়।
তৃতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি হলো 'লোকেশন সার্ভিস'। সব অ্যাপের জন্য সবসময় লোকেশন অন না রেখে কেবল 'অ্যাপ ইউজিং' বা অ্যাপ ব্যবহারের সময় লোকেশন অন রাখার অপশনটি সিলেক্ট করা উচিত। এতে ফোনের জিপিএস হার্ডওয়্যার অনবরত ব্যাটারি খরচ করা থেকে বিরত থাকে।
চতুর্থত, ইন্টারনেট ব্যবহারের ক্ষেত্রে সেলুলার ডেটা বা মোবাইল ডেটার তুলনায় ওয়াইফাই (Wi-Fi) ব্যবহার করা অনেক বেশি সাশ্রয়ী। কারণ মোবাইল নেটওয়ার্ক সিগন্যাল খুঁজতে ফোনকে অনেক বেশি শক্তি ব্যয় করতে হয়। সবশেষে, আইফোন বা অ্যান্ড্রয়েড উভয় ক্ষেত্রেই 'লো-পাওয়ার মোড' বা 'ব্যাটারি সেভার' মোড ব্যবহার করা একটি কার্যকর উপায়। এটি ব্যাকগ্রাউন্ডের অনেক অপ্রয়োজনীয় প্রসেস বন্ধ করে ব্যাটারির আয়ু নিশ্চিত করে। এই সহজ পদ্ধতিগুলো অনুসরণ করলে স্মার্টফোনের ব্যাটারি নিয়ে দুশ্চিন্তা অনেকটাই কমে আসবে।
পাঠকের মতামত:
- ১০ থেকে ২০ শতাংশ বিদ্যুৎ বিল কমবে; কেবল নিয়মিত এই একটি কাজ করলেই
- তাঁবুতে ইফতার ও স্বজন হারানোর হাহাকার: ধ্বংসস্তূপের মাঝে গাজার রমজান
- সিলেটে ৩টি বইয়ের প্রকাশনা উৎসব: প্রধান অতিথি শাবিপ্রবি উপাচার্য ড. সরওয়ার উদ্দিন
- জান দেবো কিন্তু জুলাই দেবো না: ব্যারিস্টার আরমান
- প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে নৌবাহিনী প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ
- আগামীকাল ৬ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায়
- ভয়ভীতিমুক্ত সাংবাদিকতার পরিবেশ গড়ার অঙ্গীকার করলেন জহির উদ্দিন স্বপন
- অস্থায়ী শুল্কের কবলে বিশ্ব: ১৫০ দিনের জন্য নতুন কর নীতি কার্যকর করছে যুক্তরাষ্ট্র
- তালসরায় গাউসিয়া কমিটির মানবিক উদ্যোগ: দুস্থদের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ
- নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ মিশনের ইতিবাচক সিদ্ধান্ত: পর্যটক ভিসায় আর বাধা নেই
- ইফতারে এনার্জি বাড়াতে তৈরি করুন কলা ও পিনাট বাটারের স্পেশাল শেক
- রমজানেই ইমাম-মুয়াজ্জিনদের জন্য সুখবর: তৃতীয় কর্মদিবসেই প্রতিশ্রুতি রক্ষা তারেক রহমানের
- শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় অমর একুশে পালন করল কালিগঞ্জবাসী: বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ
- চট্টগ্রামে সিএসসিআর এর উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
- একুশের প্রথম প্রহরে বিনম্র শ্রদ্ধায় সিক্ত কুমিল্লা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার
- টানা পতনের পর স্বর্ণে বড় উত্থান, দাম আকাশচুম্বী
- যেদিন থেকে শুরু ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম, জানালেন তথ্য মন্ত্রী
- লেবু সিন্ডিকেটকে না বলুন: বিকল্পেই মিলবে সমান ভিটামিন ও পুষ্টি
- শুল্ক নিয়ে ট্রাম্পের একগুঁয়েমি: বিকল্প বাজারের খোঁজে ঝুঁকছে বাংলাদেশ
- রমজানে রাসুলের ৮ গুরুত্বপূর্ণ সুন্নত
- এলিয়েন ও ইউএফও রহস্যে ট্রাম্পের বড় ঘোষণা: সব গোপন ফাইল হচ্ছে উন্মুক্ত
- কুমিল্লা সদর দক্ষিণে গভীর রাতে শ্বাসরুদ্ধকর অভিযান
- ইতিহাসে প্রথম শহীদ মিনারে দাঁড়িয়ে ভাষা শহীদদের জন্য দোয়া প্রধানমন্ত্রীর
- রোজায় ক্লান্তিবোধ কমবে নিমিষেই: শক্তি ধরে রাখার ৪টি সেরা কৌশল
- রোজায় গ্যাসের সমস্যায় ভুগছেন? সমাধান মিলবে ঘরোয়া এই নিয়মেই
- দুর্নীতি ও ধর্মান্ধতা একুশের চেতনার শত্রু: টিআইবি প্রধান
- সর্বস্তরে বাংলা ভাষার ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে: জামায়াত আমির
- গণভোটের হ্যাঁ অটোমেটিক কার্যকর হবে, এটাই জুলাই সনদ: এ্যানি
- আজকের টাকার রেট কত? দেখে নিন বিভিন্ন দেশের মুদ্রার বিনিময় হার
- যশোরে তালা ভেঙে আওয়ামী লীগ অফিসে ছবি টাঙালো ছাত্রলীগ
- আজ শনিবার; রাজধানীর যেসব এলাকার মার্কেট ও দোকানপাট বন্ধ
- ১৭ বছর পর ক্ষমতায় এসে এমন আচরণ কাম্য নয়: রুমিন ফারহানা
- জেনে নিন রাজধানীতে আজকের আবহাওয়ার হালচাল
- আজ রাজধানীতে কোথায় কী কর্মসূচি: জেনে নিন সকালে বের হওয়ার আগে
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দর কত? জেনে নিন বাজুসের নতুন মূল্যতালিকা
- একুশের প্রথম প্রহরে শহীদ মিনারে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
- রমজানের তৃতীয় দিনের ইফতার ও নামাজের সময়সূচি
- প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাদের দপ্তর বণ্টন, কে কোন দায়িত্বে?
- আবারও স্বর্ণের বাজারে বড় উত্থান
- রমজানে অর্ধশত পরিবারের পাশে সিলেট-চট্টগ্রাম ফ্রেন্ডশিপ ফাউন্ডেশন
- মুরাদনগরে পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধে নির্মাণ শ্রমিককে পিটিয়ে হত্যা
- শেয়ারবাজারের সাপ্তাহিক পূর্ণাঙ্গ বিশ্লেষণ
- যমুনা ছাড়ছেন কবে ড. ইউনূস, কোথায় থাকবেন প্রধানমন্ত্রী
- ঢাকায় ১০ দিনের অ্যাকশন প্ল্যান ইশরাকের
- শেয়ারবাজারে আসছে বৈপ্লবিক পরিবর্তন: অর্থ মন্ত্রী আমীর খসরু
- ২১ ফেব্রুয়ারিতে ডিএমপির সড়ক নির্দেশনা, কোন পথ এড়াবেন
- হামলা হলে মার্কিন ঘাঁটি হবে লক্ষ্যবস্তু: ইরান
- "আই হ্যাভ এ প্ল্যান" বাস্তবায়ন শুরু
- হু হু করে কমল সোনার দাম
- বৈদেশিক মুদ্রার সর্বশেষ বিনিময় হার: ২০ ফেব্রুয়ারি
- বাজুসের নতুন দর! ২ লাখ ১৩ হাজারে মিলবে ১ ভরি সোনা
- হু হু করে কমল সোনার দাম
- রমজানে স্কুল খোলা নিয়ে হাইকোর্টের বড় রায়: বদলে গেল ছুটির পুরো ক্যালেন্ডার
- চাকরির টাকায় সংসার না চললে ছেড়ে দিন, দুর্নীতির কোনো ক্ষমা নেই: আইনমন্ত্রী
- প্রাথমিকে রোজার ছুটি নিয়ে নতুন তথ্য জানাল অধিদপ্তর
- অগ্নিমূল্য স্বর্ণের বাজার, ভরিপ্রতি স্বর্ণের দাম বাড়লো ২২১৬ টাকা
- বিশ্ববাজারের প্রভাব পড়ল দেশের স্বর্ণবাজারে: আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম
- ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল দেশের অংশবিশেষ
- শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অভিভাবক হলেন এহসানুল হক মিলন
- কালিগঞ্জে শতবর্ষী মাদ্রাসার জমি জোরপূর্বক বিক্রয়ের অভিযোগ, দখলের পায়তারা
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দর কত? জেনে নিন বাজুসের নতুন মূল্যতালিকা
- মঙ্গলবার টানা ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
- আজ বিকেলেই শুরু হচ্ছে বছরের প্রথম সূর্যগ্রহণ: বাংলাদেশ থেকে কি দেখা যাবে?
- বাজুসের নতুন সিদ্ধান্ত: আজ থেকেই কার্যকর হচ্ছে স্বর্ণের হ্রাসকৃত মূল্য
- আকাশছোঁয়া স্বর্ণের বাজারে কিছুটা স্বস্তি: আজ থেকেই দাম কমছে








