জাতীয় সংসদে নতুন টিম: প্রজ্ঞাপনে ৬ হুইপকে রাজকীয় নিয়োগ

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০২ ১৯:০৪:১৬
জাতীয় সংসদে নতুন টিম: প্রজ্ঞাপনে ৬ হুইপকে রাজকীয় নিয়োগ
ছবি : সংগৃহীত

জাতীয় সংসদে সরকারি দলের কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে ৬ জন সংসদ সদস্যকে হুইপ হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। সোমবার (২ মার্চ) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয় এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। বাংলাদেশ হুইপ অধ্যাদেশ ১৯৭২ অনুযায়ী এই নিয়োগ সম্পন্ন করা হয়েছে।

নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত হুইপরা হলেন— হবিগঞ্জ-৩ আসনের জি কে গউছ, খুলনা-৩ আসনের রফিকুল ইসলাম, শরীয়তপুর-৩ আসনের মিয়া নুরউদ্দিন আহমেদ অপু, নাটোর-২ আসনের এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, দিনাজপুর-৪ আসনের মো. আখতারুজ্জামান মিয়া এবং লক্ষ্মীপুর-৪ আসনের এ বি এম আশরাফ উদ্দিন নিজান।

সংসদীয় গণতন্ত্রে হুইপরা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তারা সংসদে নিজ দলের সদস্যদের উপস্থিতি নিশ্চিত করা এবং দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষায় কাজ করবেন। বিশেষ করে মিয়া নুরউদ্দিন আহমেদ অপু এবং রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলুর মতো হেভিওয়েট নেতাদের এই দায়িত্বে আনা রাজনৈতিক মহলে বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে। এই নতুন নিয়োগের ফলে ত্রয়োদশ সংসদের কার্যক্রম পরিচালনায় নতুন উদ্যম আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

/আশিক


জুলাই সনদ ও ইশতেহার বাস্তবায়নই মূল লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ১৬ ২০:০৭:২৫
জুলাই সনদ ও ইশতেহার বাস্তবায়নই মূল লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
ছবি : সংগৃহীত

দেশের ইতিহাসের প্রতি অবিচার এবং সংকীর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি ভবিষ্যতের জন্য ভয়াবহ ক্ষতিকর হতে পারে বলে সতর্কবার্তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল ২০২৬) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত ‘স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৬’ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেন।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধসহ বিভিন্ন ঐতিহাসিক পর্বে শহীদ, আহত ও নির্যাতিতদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানানোর পাশাপাশি ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানসহ বিভিন্ন সময়ের রাজনৈতিক ও সামাজিক সংকটে প্রাণ হারানো এবং নির্যাতনের শিকার হওয়া সাধারণ মানুষের প্রতিও বিনম্র শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

বক্তব্যের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী স্বাধীনতা যুদ্ধের অমর শহীদদের স্মরণ করে বলেন, তাঁদের অসীম আত্মত্যাগের বিনিময়েই আজকের এই স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ অর্জিত হয়েছে। তিনি বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মান ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’কে জাতির গৌরবের প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করেন এবং স্মরণ করিয়ে দেন যে, ১৯৭৭ সালে স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এই পুরস্কার প্রবর্তন করেছিলেন। তিনি জাতীয় ইতিহাসের সকল স্তরের নেতাদের অবদানকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ইতিহাসকে সংকীর্ণ চোখে দেখা বা এর প্রতি অবিচার করা জাতির ভবিষ্যতের জন্য শুভকর নয়।

রাজনৈতিক বিভাজন নিরসনে প্রধানমন্ত্রী একটি ঐক্যের ডাক দিয়ে বলেন, জাতীয় স্বার্থে মতপার্থক্য থাকা স্বাভাবিক, কিন্তু সেই মতপার্থক্য যেন কোনোভাবেই শত্রুতায় রূপ না নেয়। তিনি শহীদ জিয়ার কালজয়ী উদ্ধৃতি টেনে বলেন, ‘জাতীয় ঐক্য আমাদের শক্তি, বিভাজন আমাদের দুর্বলতা।’ বর্তমানে দেশে একটি স্বার্থান্বেষী চক্র সক্রিয় রয়েছে উল্লেখ করে তিনি সবাইকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন।

রাষ্ট্র পরিচালনার চ্যালেঞ্জ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী দুর্নীতি দমন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়ন এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিকে সবথেকে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে চিহ্নিত করেন। শিক্ষা খাতের অতীত বিপর্যয় কাটিয়ে তুলে একে আধুনিক ও কর্মমুখী করার পরিকল্পনার কথা জানানোর পাশাপাশি তিনি নারী নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে নির্বাচনী ইশতেহার এবং ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, এসব প্রতিশ্রুতি অক্ষরে অক্ষরে পালন করা হবে। তিনি মনে করেন, ব্যক্তিগত পরিবর্তনের চেয়ে মানসিকতার পরিবর্তনই বেশি জরুরি।

বিশ্ব অর্থনীতির অস্থিরতার মধ্যেও সরকার ভর্তুকি দিয়ে জ্বালানি তেলের দাম নিয়ন্ত্রণে রেখেছে উল্লেখ করে তিনি দেশবাসীকে অপ্রয়োজনীয় ব্যয় ও আড়ম্বর পরিহারের আহ্বান জানান। পরিশেষে, এবারের স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও ৫টি প্রতিষ্ঠানের অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করে তিনি বলেন, এই গুণীজনদের কাজ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।

/আশিক


ইতিহাসের সাক্ষী ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন: জাইমার হাতে দাদির স্বর্ণপদক

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ১৬ ১৭:৫৫:১৯
ইতিহাসের সাক্ষী ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন: জাইমার হাতে দাদির স্বর্ণপদক
ছবি : সংগৃহীত

এক আবেগঘন মুহূর্তের সাক্ষী হলো গোটা দেশ। প্রয়াত বিএনপি চেয়ারপারসন ও তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পক্ষে মরণোত্তর ‘স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬’ গ্রহণ করেছেন তাঁর নাতনি এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কন্যা জাইমা রহমান।

আজ বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল ২০২৬) বিকেল সাড়ে ৪টায় রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত এক জমকালো অনুষ্ঠানে বাবা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত থেকেই দাদি বেগম খালেদা জিয়ার এই সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা গ্রহণ করেন তিনি। স্বাধীনতা, গণতন্ত্র এবং নারী শিক্ষাসহ দেশ গঠনে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এ বছর বেগম খালেদা জিয়াকে এই মরণোত্তর পদকের জন্য মনোনীত করা হয়।

বিকেল ৪টায় শুরু হওয়া এই অনুষ্ঠানে জাইমা রহমান ছাড়াও আরও ১৪ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের হাতে স্বাধীনতা পদক তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী। তালিকায় সংস্কৃতিতে জনপ্রিয় উপস্থাপক হানিফ সংকেত, সমাজসেবায় ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী (মরণোত্তর) এবং মুক্তিযুদ্ধে মেজর মোহাম্মদ আবদুল জলিলের (মরণোত্তর) মতো সূর্যসন্তানদের নাম রয়েছে।

এ ছাড়া চিকিৎসা ক্ষেত্রে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং সমাজসেবায় গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের মতো প্রতিষ্ঠানগুলোকেও সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মানে ভূষিত করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে মন্ত্রিসভার সদস্য এবং উচ্চপদস্থ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে পুরো মিলনায়তনে এক উৎসবমুখর ও গৌরবোজ্জ্বল পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

উল্লেখ্য, ১৯৭৭ সাল থেকে প্রতি বছর জাতীয় পর্যায়ে অনন্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে এই পুরস্কার দিয়ে আসছে সরকার। দেশের সর্বোচ্চ জাতীয় পুরস্কার হিসেবে বিবেচিত এই পদক প্রাপ্তদের ১৮ ক্যারেট মানের ৫০ গ্রামের স্বর্ণপদক, ৫ লাখ টাকা এবং সম্মাননাপত্র প্রদান করা হয়। জাইমা রহমানের হাত ধরে বেগম খালেদা জিয়ার এই রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি গ্রহণ বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

/আশিক


হাসিন আমলের হয়রানিমূলক মামলার দিন শেষ! শুরু হচ্ছে গণপ্রত্যহার

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ১৬ ১২:৪৯:৩৫
হাসিন আমলের হয়রানিমূলক মামলার দিন শেষ! শুরু হচ্ছে গণপ্রত্যহার
ছবি : সংগৃহীত

বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে দায়ের করা হয়রানিমূলক মামলাগুলো প্রত্যাহার করতে অন্তর্বর্তী সরকার অত্যন্ত সক্রিয় ও সচেতন বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।

আজ বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল ২০২৬) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সংসদ সদস্য মো. মনোয়ার হোসেনের এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে তিনি এই তথ্য নিশ্চিত করেন। ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই অধিবেশনে আইনমন্ত্রী জানান, ভুক্তভোগীদের প্রতিকার দিতে সরকার ইতিমধ্যে কার্যকর ও সুশৃঙ্খল পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

আইনমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারের সুপারিশের লক্ষ্যে গত ৫ মার্চ ২০২৬ তারিখে জেলা পর্যায়ে জেলা প্রশাসকের সমন্বয়ে ৪ সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।

এই কমিটির সুপারিশগুলো চূড়ান্তভাবে যাচাই-বাছাই করার জন্য গত ৮ মার্চ ২০২৬ তারিখে আইনমন্ত্রীকে আহ্বায়ক করে একটি ৬ সদস্যবিশিষ্ট 'কেন্দ্রীয় কমিটি' গঠন করা হয়েছে। জেলা কমিটি থেকে আসা সুপারিশগুলো কেন্দ্রীয় কমিটি নিবিড়ভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে মামলা প্রত্যাহারের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

মন্ত্রী আরও স্পষ্ট করেন যে, সংসদ সদস্যসহ যেকোনো সাধারণ ব্যক্তির বিরুদ্ধে দায়ের করা মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা (হত্যা মামলাসহ) প্রত্যাহারের জন্য যথাযথ প্রক্রিয়ায় আবেদন করা হলে গঠিত কমিটিগুলো তা গুরুত্বের সাথে পর্যালোচনা করবে।

যদি কোনো মামলা প্রকৃতপক্ষেই রাজনৈতিক হয়রানিমূলক বলে প্রমাণিত হয়, তবে সরকার দ্রুততম সময়ে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে। সরকার রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হওয়া নাগরিকদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলেও তিনি সংসদকে আশ্বস্ত করেন।

/আশিক


জাহাজবাড়ি ‘জঙ্গি নাটক’ হত্যা মামলা: আজ কাঠগড়ায় শেখ হাসিনাসহ ৮ জন

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ১৬ ১২:২৫:০৩
জাহাজবাড়ি ‘জঙ্গি নাটক’ হত্যা মামলা: আজ কাঠগড়ায় শেখ হাসিনাসহ ৮ জন
ছবি : সংগৃহীত

রাজধানীর কল্যাণপুরের আলোচিত ‘জাহাজবাড়ি’ অভিযান থেকে শুরু করে জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থান—আওয়ামী লীগ শাসনামলের একাধিক চাঞ্চল্যকর মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আজ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে গুরুত্বপূর্ণ বিচারিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল ২০২৬) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ আটজনের বিরুদ্ধে কল্যাণপুরে ৯ তরুণকে হত্যার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় অভিযোগ গঠনের ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

একই আদালতে আজ শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় এবং সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের বিরুদ্ধে দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় চতুর্থ সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণের দিন ধার্য করা হয়েছে। এছাড়াও সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে গুম ও খুনের মামলায় আজ সাক্ষ্যগ্রহণ করা হবে।

ট্রাইব্যুনাল-১-এর কার্যক্রমের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত গণহত্যার মামলায় নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ শীর্ষ সাত নেতার বিরুদ্ধেও আজ সাক্ষ্য গ্রহণ করা হবে।

সকাল থেকেই কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে এসব মামলার অন্তত আটজন আসামিকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। কল্যাণপুর জাহাজবাড়ির সেই আলোচিত ঘটনাটিকে রাষ্ট্রপক্ষ ‘কথিত জঙ্গি নাটক’ হিসেবে উল্লেখ করে ৯ তরুণকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার দায়ে শেখ হাসিনা ও তাঁর সহযোগীদের অভিযুক্ত করেছে।

অন্যদিকে, ওবায়দুল কাদেরসহ আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদের বিরুদ্ধে গণঅভ্যুত্থান দমনে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগের বিচারও সমান্তরালে চলছে। আজকের এই শুনানি ও সাক্ষ্যগ্রহণ কার্যক্রমের ওপর দেশবাসীর কড়া নজর রয়েছে।

/আশিক


সর্বোচ্চ সম্মাননায় খালেদা জিয়া: আজ পদক দেবেন প্রধানমন্ত্রী

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ১৬ ১০:২৪:২৭
সর্বোচ্চ সম্মাননায় খালেদা জিয়া: আজ পদক দেবেন প্রধানমন্ত্রী
ছবি : সংগৃহীত

জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ দেশের ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও পাঁচটি প্রতিষ্ঠানকে দেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ‘স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬’ প্রদান করা হচ্ছে। আজ বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল ২০২৬) বিকেল ৪টায় রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনীতদের হাতে এই পদক তুলে দেবেন। এ বছর স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র রক্ষায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে (মরণোত্তর) এই সর্বোচ্চ সম্মাননার জন্য মনোনীত করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬ এর জন্য মনোনীত অন্য ১৪ জন ব্যক্তি হলেন— মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্য মেজর মোহাম্মদ আবদুল জলিল (মরণোত্তর), বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে সাবেক সচিব ও ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক অধ্যাপক জহুরুল করিম, সাহিত্যে ড. আশরাফ সিদ্দিকী (মরণোত্তর) এবং সংস্কৃতিতে জনপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘ইত্যাদি’র নির্মাতা ও উপস্থাপক হানিফ সংকেত ও বিশিষ্ট সংগীতশিল্পী বশীর আহমেদ (মরণোত্তর)। ক্রীড়া ক্ষেত্রে এই সম্মাননা পাচ্ছেন টেবিল টেনিস কিংবদন্তি জোবেরা রহমান লিনু এবং সমাজসেবায় মরণোত্তর সম্মাননা পাচ্ছেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।

তালিকায় আরও রয়েছেন সমাজসেবায় বিশেষ অবদানের জন্য মো. সাইদুল হক এবং রাজধানীর মাইলস্টোন স্কুলে যুদ্ধবিমান দুর্ঘটনায় নিহত অকুতোভয় শিক্ষক মাহেরীন চৌধুরী (মরণোত্তর)। জনপ্রশাসনে কাজী ফজলুর রহমান (মরণোত্তর), গবেষণা ও প্রশিক্ষণে ড. মোহাম্মদ আবদুল বাকী, অধ্যাপক এম এ রহিম ও অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ুয়া এবং পরিবেশ সংরক্ষণে অবদানের জন্য প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান আবদুল মুকিত মজুমদার (মুকিত মজুমদার বাবু) এ পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছেন।

ব্যক্তি পর্যায়ের পাশাপাশি পাঁচটি প্রতিষ্ঠানকেও এ বছর স্বাধীনতা পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে। এগুলো হলো— মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ, চিকিৎসাবিদ্যায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, পল্লী উন্নয়নে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ), সমাজসেবায় এসওএস চিলড্রেনস ভিলেজ ইন্টারন্যাশনাল ইন বাংলাদেশ ও গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র।

উল্লেখ্য, ১৯৭৭ সাল থেকে প্রতি বছর স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে জাতীয় পর্যায়ে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এ পুরস্কার প্রদান করা হয়। প্রতিটি পুরস্কারের জন্য মনোনীতদের ১৮ ক্যারেট মানের ৫০ গ্রামের একটি স্বর্ণপদক, ৫ লাখ টাকা, পদকের রেপ্লিকা এবং একটি সম্মাননাপত্র প্রদান করা হয়। এ বছর বেগম খালেদা জিয়ার মরণোত্তর সম্মাননা প্রাপ্তি এবং হানিফ সংকেত ও ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর মতো গুণী ব্যক্তিদের এই তালিকায় অন্তর্ভুক্তি সর্বমহলে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে।

/আশিক


বিশ্ব কাঁপানো ১০০ ব্যক্তিতে তারেক রহমান: ‘টাইম’ ম্যাগাজিনে বাংলাদেশের জয়জয়কার

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ১৫ ১৯:৪৪:৩৭
বিশ্ব কাঁপানো ১০০ ব্যক্তিতে তারেক রহমান: ‘টাইম’ ম্যাগাজিনে বাংলাদেশের জয়জয়কার
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি: টাইম’র

লন্ডনের নিরিবিলি জীবন থেকে সরাসরি দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম জনবহুল দেশের শাসনভার—বাংলাদেশি রাজনীতির বরপুত্র তারেক রহমানের এই অভাবনীয় উত্থান নিয়ে এবার বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে বিশ্ববিখ্যাত সাময়িকী ‘টাইম’ (TIME)। ২০২৪ সালে শেখ হাসিনার পতনের পর ১৭ বছরের নির্বাসন কাটিয়ে গত ফেব্রুয়ারিতে ভূমিধস বিজয়ের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসা তারেক রহমানকে ‘টাইম’ ম্যাগাজিন বর্ণনা করেছে এমন একজন নেতা হিসেবে, যিনি ধ্বংসস্তূপ থেকে দেশকে একতাবদ্ধ করার কঠিন মিশনে নেমেছেন।

টাইমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তারেক রহমান তাঁর মা খালেদা জিয়ার পদাঙ্ক অনুসরণ করে বাংলাদেশের দায়িত্ব নিয়েছেন। ঢাকায় ফেরার মাত্র পাঁচ দিনের মাথায় মাতৃহারা হওয়ার শোককে শক্তিতে রূপান্তর করে তিনি ১৭ কোটি ৫০ লাখ মানুষের দেশকে নতুন দিশা দেওয়ার অঙ্গীকার করেছেন। গত জানুয়ারিতে টাইমের সাথে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, তাঁর প্রধান লক্ষ্য হলো দেশের হারানো গণতান্ত্রিক অধিকার পুনরুদ্ধার করা এবং উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও বেকারত্বে জর্জরিত দক্ষিণ এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করা।

প্রতিবেদনে উঠে এসেছে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের টানাপোড়েনের কথা, যা বর্তমানে এক ঐতিহাসিক তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। তারেক রহমানের সামনে এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ভারতের সাথে সম্পর্কের উন্নয়ন এবং দেশের অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক সংকট দ্রুত সমাধান করা। যদিও অতীতের কিছু আইনি জটিলতা বা দুর্নীতির অভিযোগ আদালত কর্তৃক খারিজ হয়ে গেছে, তবুও টাইমের মতে তাঁর ‘হানিমুন পিরিয়ড’ বা প্রস্তুতির সময় খুব বেশি দীর্ঘ হবে না। দেশের মানুষের রাজনৈতিক অধিকার নিশ্চিত করতে এবং জাতীয় ঐক্য গড়তে তিনি কোনো সময় নষ্ট করতে চান না বলে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।

/আশিক


ইংলিশ মিডিয়ামে বিপুল ফি: কড়া হুঁশিয়ারি শিক্ষামন্ত্রীর

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ১৫ ১৮:১৬:৩৯
ইংলিশ মিডিয়ামে বিপুল ফি: কড়া হুঁশিয়ারি শিক্ষামন্ত্রীর
ছবি : সংগৃহীত

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন, ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলগুলোতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে মাত্রাতিরিক্ত ফি আদায় কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। বুধবার দুপুরে সিলেট নগরীর মেন্দিবাগে এসএসসি পরীক্ষা উপলক্ষে আয়োজিত কেন্দ্রসচিবদের মতবিনিময় সভায় তিনি বলেন, ইংলিশ মিডিয়াম শিক্ষা ব্যবস্থা অবশ্যই থাকবে, তবে তা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিধিবিধানের বাইরে থাকতে পারবে না। এই খাতকে শতভাগ জবাবদিহির আওতায় আনতে ইতিমধ্যে উদ্যোক্তাদের সাথে বৈঠক করা হয়েছে এবং একটি শক্তিশালী রেগুলেটরি বোর্ড গঠনের প্রক্রিয়া চলছে।

শিক্ষামন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে শিক্ষা বৈষম্যের বিষয়টি তুলে ধরে বলেন, উচ্চ বেতন দিয়ে শিক্ষক নিয়োগ এবং শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বিপুল ফি আদায়ের বিপরীতে কারিকুলামের সামঞ্জস্য ও সামাজিক দায়বদ্ধতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

শিক্ষা কেবল বিত্তবানদের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে জাতীয় শিক্ষাব্যবস্থায় বৈষম্য তৈরি হবে। তাই সরকার চায় ইংলিশ মিডিয়াম, বাংলা মাধ্যম বা মাদ্রাসা—সব ধারার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান যেন একটি সমন্বিত ও অভিন্ন সরকারি নীতিমালার অধীনে পরিচালিত হয়। প্রতিটি শিশু যেন মানসম্মত শিক্ষা পায় তা নিশ্চিত করতে এই কঠোর নিয়ন্ত্রণমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

/আশিক


অমুক্তিযোদ্ধাদের ধরতে বড় অভিযান: বিপাকে হাজারো ভুয়া গেজেটধারী

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ১৫ ১৮:০৭:৩৭
অমুক্তিযোদ্ধাদের ধরতে বড় অভিযান: বিপাকে হাজারো ভুয়া গেজেটধারী
ছবি : সংগৃহীত

সরকার ভুয়া তথ্য দিয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের গেজেট, লাল মুক্তিবার্তা এবং ভারতীয় তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তকারীদের বিরুদ্ধে এক কঠোর শুদ্ধি অভিযান শুরু করেছে। বুধবার (১৫ এপ্রিল ২০২৬) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে রংপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য আখতার হোসেনের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান এই তথ্য তুলে ধরেন।

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই অধিবেশনে মন্ত্রী জানান, জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা) গঠনের পর থেকে যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে এখন পর্যন্ত মোট ৬ হাজার ৪৭৬ জন অমুক্তিযোদ্ধার নাম সরকারি তালিকা থেকে চিরতরে বাদ দেওয়া হয়েছে।

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী সংসদে স্পষ্ট করেন যে, অমুক্তিযোদ্ধা শনাক্ত করার এই কার্যক্রম একটি চলমান প্রক্রিয়া এবং সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতেই এসব ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে যারা ভারতের তালিকায় ভুল তথ্য দিয়ে নিজেদের নাম লিখিয়েছেন, তাদের পরিচয় শনাক্তকরণে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে মন্ত্রণালয়।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের আগস্ট মাস থেকে এখন পর্যন্ত নতুন করে ৮৪২টি অভিযোগ জমা পড়েছে। এর মধ্যে প্রাথমিক তদন্ত ও যথাযথ শুনানি শেষে ৪৮১ জনের নাম গেজেট ও তালিকা থেকে বাতিলের জন্য চূড়ান্ত সুপারিশ করা হয়েছে।

আহমেদ আযম খান বলেন, জামুকার উপকমিটি প্রতিটি অভিযোগ অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে তদন্ত করে এবং শুনানিতে কেউ অমুক্তিযোদ্ধা হিসেবে প্রমাণিত হলে তার সনদসহ রাষ্ট্রীয় সকল সুযোগ-সুবিধা বাতিলের সুপারিশ করা হয়।

তিনি সংসদকে আশ্বস্ত করে বলেন, রংপুর-৪ আসনসহ দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে প্রাপ্ত অভিযোগের ক্ষেত্রে একই নিয়ম কঠোরভাবে অনুসরণ করা হবে। বীর মুক্তিযোদ্ধাদের পবিত্র তালিকাটিকে সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ও বিতর্কহীন করতেই এই শুদ্ধি অভিযান অব্যাহত রাখা হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

/আশিক


সব শ্রেণি-পেশার মানুষের জন্য কিছু না কিছু রেখেছি: তারেক রহমান

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ১৫ ১৭:৪৪:৩১
সব শ্রেণি-পেশার মানুষের জন্য কিছু না কিছু রেখেছি: তারেক রহমান
ছবি : সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘোষণা করেছেন যে, নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিটি প্রতিশ্রুতি সরকার গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করছে এবং সমাজের প্রতিটি শ্রেণি-পেশার মানুষের ভাগ্যোন্নয়নের জন্য নির্বাচনী ইশতেহারে রাখা পরিকল্পনাগুলো ইতিমধ্যে বাস্তবায়িত হতে শুরু করেছে।

বুধবার (১৫ এপ্রিল ২০২৬) সকালে জাতীয় সংসদের নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য শিমুল বিশ্বাসের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে বেলা ১১টায় অধিবেশন শুরু হলে প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য সরকারের নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগের একটি পূর্ণাঙ্গ চিত্র তুলে ধরেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, শ্রমিক, কৃষক, দিনমজুর থেকে শুরু করে সমাজের প্রতিটি খেটে খাওয়া মানুষের জন্য তাঁদের ইশতেহারে সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা ছিল। কৃষকদের সরাসরি রাষ্ট্রীয় সহায়তা পৌঁছে দিতে ইতিমধ্যে ‘কৃষক কার্ড’ চালু করা হয়েছে। একইভাবে দেশের নারী সমাজকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করার লক্ষ্যে প্রান্তিক পর্যায়ের নারী প্রধান পরিবারগুলোকে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন যে, গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচি শুরু করা হয়েছে, যা সরাসরি কৃষকদের উপকৃত করার পাশাপাশি স্থানীয় দিনমজুরদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করছে। এ ছাড়াও পরিবেশ রক্ষা এবং সাধারণ মানুষের আয়ের পথ সুগম করতে পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের বিশাল কর্মযজ্ঞ হাতে নেওয়া হয়েছে।

সামাজিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের সরকারি সম্মানীর বিষয়টি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেন। তিনি বলেন, জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত সমাজের প্রতিটি ধাপে মানুষের পাশে থাকা খতিব, ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তাঁদের জন্য সরকারি সম্মানীর ব্যবস্থা করার যে প্রতিশ্রুতি ছিল, তার কাজ এখন বাস্তবায়নের পথে। শুধু ইসলাম ধর্মই নয়, অন্যান্য ধর্মের ধর্মগুরুদেরও এই সহায়তার আওতায় আনার প্রক্রিয়া চলছে।

যুব সমাজের স্বপ্নের কথা মাথায় রেখে প্রধানমন্ত্রী জানান, দেশে পেশাদার খেলোয়াড় তৈরির লক্ষ্যে তরুণদের ‘ক্রীড়া কার্ড’ দেওয়া শুরু হয়েছে, যাতে তারা খেলাধুলাকেই পেশা হিসেবে নিয়ে নিজেদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন করতে পারে। শিল্পোদ্যোক্তাদের পাশাপাশি প্রান্তিক প্রতিটি মানুষকে অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের আওতায় আনাই এ সরকারের মূল লক্ষ্য বলে প্রধানমন্ত্রী তাঁর দীর্ঘ বক্তব্যে পুনর্ব্যক্ত করেন।

/আশিক

পাঠকের মতামত: