গোপনে নিজেকে ভিভিআইপি ঘোষণা করে বিশেষ সুবিধা নিলেন ড. ইউনূস

বিদায়ি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে তার দায়িত্ব হস্তান্তরের তারিখ থেকে পরবর্তী এক বছরের জন্য ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ (ভিআইপি) হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। এই ঘোষণার ফলে দায়িত্ব ছাড়ার পরও তিনি বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনীর (এসএসএফ) কঠোর নিরাপত্তা বেষ্টনীতে থাকবেন। তৎকালীন প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের সচিব মো. সাইফুল্লা পান্নার সই করা একটি প্রজ্ঞাপন গত ১০ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত হলেও বিষয়টি সম্প্রতি জনসমক্ষে আসে। প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী আইনের ক্ষমতাবলে ড. ইউনূসকে এক বছরের জন্য এই বিশেষ মর্যাদা ও নিরাপত্তা সুবিধা প্রদান করা হয়েছে। তবে এই পদক্ষেপটি নিয়ে শুরু হয়েছে নানা বিতর্ক ও সমালোচনা।
অভিযোগ উঠেছে যে, ড. মুহাম্মদ ইউনূস এই প্রজ্ঞাপনটি জারির ক্ষেত্রে এক ধরণের গোপনীয়তা ও বিশেষ কৌশলের আশ্রয় নিয়েছেন। ২০০৬ সালের ২৯ অক্টোবরের একটি পুরোনো আদেশ (এসআরও নং ২৮৫) সংশোধন করে এই নতুন নিয়ম করা হয়েছে। আগের আইনে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টাদের পদত্যাগের পর সর্বোচ্চ তিন মাসের জন্য ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ হিসেবে ঘোষণা করার বিধান ছিল। কিন্তু ড. ইউনূস সংশোধিত আদেশের মাধ্যমে শুধুমাত্র নিজের জন্য এই সময়সীমা তিন মাস থেকে বাড়িয়ে এক বছর করেছেন। অথচ আইনের সুবিধাভোগী অন্যান্য পদের ক্ষেত্রে এই সময়সীমা বাড়ানো হয়নি, যা নিয়ে আইনি মহলে প্রশ্ন উঠেছে।
আইন বিশেষজ্ঞরা এই পদক্ষেপকে সংবিধানের মৌলিক নীতির লঙ্ঘন এবং ক্ষমতার অপব্যবহার হিসেবে দেখছেন। তাদের মতে, কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তির স্বার্থে আইন পরিবর্তন বা বিশেষ সুবিধা গ্রহণ করা নৈতিকভাবে সমর্থনযোগ্য নয়। সমালোচকরা বলছেন, ড. ইউনূস যদি বিদায়ি রাষ্ট্রপতি বা প্রধানমন্ত্রীর জন্যও এই সময়সীমা বাড়াতেন, তবে এর একটি যৌক্তিকতা থাকত; কিন্তু শুধু নিজের নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত করা তার ব্যক্তিস্বার্থের বহিঃপ্রকাশ।
এছাড়া অন্তর্বর্তী সরকারের ১৮ মাসের শাসনামলে নিজের বিরুদ্ধে থাকা দুর্নীতির মামলা প্রত্যাহার, নিজের প্রতিষ্ঠানের সুদ মওকুফ এবং নিজের নামে বিশ্ববিদ্যালয় ও রিক্রুটিং এজেন্সির লাইসেন্স নেওয়ার মতো গুরুতর অভিযোগও তার বিরুদ্ধে আনা হচ্ছে। বিদায়ের প্রাক্কালে রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা গ্রহণের এই প্রবণতা ড. ইউনূসের স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতাকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছে।
/আশিক
৫ বছরের জন্য এসে ৩ মাসেই বিদায়: দুদক কমিশনের নাটকীয় পদত্যাগ
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) শীর্ষ পর্যায়ে বড় ধরনের রদবদল ঘটেছে। সংস্থাটির চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন এবং অন্য দুই কমিশনার মঙ্গলবার (৩ মার্চ) আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। এদিন দুপুর ২টা ৩৬ মিনিটে তারা সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক নম্বর ভবনে প্রবেশ করেন এবং মাত্র ১০ মিনিটের সংক্ষিপ্ত প্রক্রিয়ায় পদত্যাগপত্র জমা দিয়ে বেরিয়ে আসেন।
চেয়ারম্যানের সঙ্গে পদত্যাগকারী অন্য দুই কমিশনার হলেন মিঞা মুহাম্মদ আলি আকবার আজিজী এবং অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হাফিজ আহ্সান ফরিদ। হুট করে এই পদত্যাগের কারণ নিয়ে গুঞ্জন উঠলেও কমিশনার মিঞা মুহাম্মদ আলি আকবার আজিজী সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, কোনো বিশেষ চাপের কারণে নয়, বরং নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই তারা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
উল্লেখ্য যে, ২০২৪ সালের ১০ ডিসেম্বর সাবেক জ্যেষ্ঠ সচিব ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেনকে পাঁচ বছরের জন্য দুদকের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। নিয়োগের আগে তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের সময় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
একই প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে কমিশনার হিসেবে নিয়োগ পেয়েছিলেন মিঞা মুহাম্মদ আলি আকবার আজিজী এবং হাফিজ আহসান ফরিদ। এর মধ্যে আলী আকবার আজিজী ১১ ডিসেম্বর এবং হাফিজ আহসান ফরিদ ১৫ ডিসেম্বর নিজ নিজ পদে যোগদান করেছিলেন। মাত্র তিন মাসের মাথায় এই শীর্ষ কর্মকর্তাদের পদত্যাগ দেশের দুর্নীতি বিরোধী কার্যক্রমের প্রধান সংস্থায় এক ধরণের শূন্যতা তৈরি করল।
সচিবালয় সূত্র জানিয়েছে, পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার সময় পরিবেশ ছিল বেশ থমথমে। দুদকের মতো একটি শক্তিশালী সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান ও দুই কমিশনারের একসঙ্গে পদত্যাগ করার ঘটনা বেশ বিরল। এখন পরবর্তী চেয়ারম্যান ও কমিশনার নিয়োগের আগ পর্যন্ত দুদকের প্রশাসনিক কার্যক্রম কীভাবে পরিচালিত হবে, তা নিয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে আলোচনা চলছে।
ড. মোমেনের নেতৃত্বাধীন এই কমিশন দায়িত্ব নেওয়ার পর দুর্নীতির বিরুদ্ধে বেশ কিছু বড় পদক্ষেপ নেওয়ার কথা থাকলেও মেয়াদের শুরুতেই তাদের এই প্রস্থান জনমনে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে পরবর্তী পদক্ষেপ হিসেবে নতুন কমিশন গঠনের প্রক্রিয়া দ্রুত শুরু হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
/আশিক
বিলবোর্ডে নিজের ছবি সরাতে নির্দেশ দিলেন প্রধানমন্ত্রী
রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে অভিনন্দন বার্তা সংবলিত বিলবোর্ড ও ব্যানারে নিজের ছবি ব্যবহার করে প্রচারণা চালানো হচ্ছে এমন বিজ্ঞাপন দ্রুত অপসারণের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন সাংবাদিকদের কাছে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
প্রেস সচিবের ভাষ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার সকালে গুলশানের বাসা থেকে সচিবালয়ের উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার সময় হাতিরঝিল এলাকায় পুলিশ প্লাজার সামনে একটি ব্যানারে নিজের ছবি দেখতে পান প্রধানমন্ত্রী। বিষয়টি লক্ষ্য করেই তিনি গাড়ি থামিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্টদের ব্যানারটি অপসারণের নির্দেশ দেন। নির্দেশনার পরপরই সেটি সরিয়ে ফেলা হয়।
আতিকুর রহমান রুমন আরও জানান, রাজধানীর বিভিন্ন বিলবোর্ড ও বাণিজ্যিক বিজ্ঞাপনমাধ্যমে বিভিন্ন কোম্পানি প্রধানমন্ত্রীর ছবি ব্যবহার করে অভিনন্দন বার্তা প্রচার করছে। প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন এ ধরনের সব বিজ্ঞাপন দ্রুত সরিয়ে ফেলতে হবে। ব্যক্তিকেন্দ্রিক প্রচারণা বা অনুমোদনবিহীন ছবি ব্যবহারের ক্ষেত্রে কঠোর নজরদারি রাখার কথাও তিনি উল্লেখ করেন।
এর আগে বিজয় সরণী এলাকায় একটি এলইডি স্ক্রিনে নিজের ছবি সম্বলিত অভিনন্দন বার্তা দেখতে পেয়ে সেখানেও তা অপসারণের নির্দেশ দিয়েছিলেন বলে জানান অতিরিক্ত প্রেস সচিব।
মঙ্গলবার সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে পৌঁছে দিনের সরকারি কার্যক্রম শুরু করেন।
-রফিক
চাঁদ হবে লালচে তামাটে: বিরল মহাজাগতিক দৃশ্যের সাক্ষী হতে প্রস্তুত বাংলাদেশ
আজ আকাশে দেখা যাবে এক বিরল ও বিষ্ময়কর মহাজাগতিক দৃশ্য—২০২৬ সালের একমাত্র পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ। এই বিশেষ গ্রহণের সময় চাঁদ এক মায়াবী লালচে আভা ধারণ করবে, যা মহাকাশ বিজ্ঞানের ভাষায় ‘ব্লাড মুন’ নামে পরিচিত। এমন দৃশ্য দেখার সুযোগ সহজে আসে না; আজকের পর আবার পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ দেখতে বিশ্ববাসীকে অপেক্ষা করতে হবে ২০২৮ সালের শেষ ভাগ পর্যন্ত।
আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, মঙ্গলবার (৩ মার্চ) দুপুর ২টা ৪২ মিনিট ৩৬ সেকেন্ডে উপচ্ছায়ায় প্রবেশের মাধ্যমে এই গ্রহণ প্রক্রিয়া শুরু হবে। তবে বিকেল ৫টা ৩ মিনিট ৫৪ সেকেন্ড থেকে শুরু হবে মূল পূর্ণগ্রাস গ্রহণ এবং ৫টা ৩৩ মিনিট ৪২ সেকেন্ডে এটি কেন্দ্রীয় অবস্থানে পৌঁছাবে।
পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণের সময় চাঁদ কেন লাল দেখায়, তা নিয়ে জনমনে কৌতূহলের শেষ নেই। নাসার তথ্য অনুযায়ী, এর পেছনে রয়েছে একটি চমৎকার বৈজ্ঞানিক কারণ। গ্রহণের সময় পৃথিবী যখন সূর্য ও চাঁদের ঠিক মাঝখানে অবস্থান নেয়, তখন সূর্যের সরাসরি আলো চাঁদে পৌঁছাতে পারে না। তবে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল ভেদ করে সূর্যের আলোর একটি অংশ প্রতিসারিত হয়ে চাঁদের পৃষ্ঠে পড়ে। বায়ুমণ্ডলে থাকা ধূলিকণা ও গ্যাসের কারণে নীল আলোর মতো ক্ষুদ্র তরঙ্গদৈর্ঘ্যগুলো বিচ্ছুরিত হয়ে যায় এবং লাল আলোর দীর্ঘ তরঙ্গদৈর্ঘ্যগুলো চাঁদের দিকে পৌঁছে যায়। ঠিক যে কারণে সূর্যাস্ত বা সূর্যোদয়ের সময় আকাশ লাল দেখায়, একই কারণে গ্রহণের সময় চাঁদও তামাটে বা লালচে আভা ধারণ করে।
এই বিরল মহাজাগতিক দৃশ্যের কেন্দ্রীয় গতিপথ উত্তর প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াই দ্বীপের দক্ষিণ-পশ্চিমে থাকবে। এছাড়া কিংম্যান রিফ, মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ, মাইক্রোনেশিয়া এবং হাওল্যান্ড দ্বীপ এলাকা থেকে এটি সবচেয়ে স্পষ্টভাবে দেখা যাবে।
বাংলাদেশে চন্দ্রোদয়ের পর থেকে রাত ৮টা ২৪ মিনিট ৪২ সেকেন্ড পর্যন্ত গ্রহণের শেষ অংশ দেখা যাবে।
বাংলাদেশের বিভিন্ন বিভাগীয় শহরগুলোতে চন্দ্রগ্রহণ দেখার সময় কিছুটা ভিন্ন হবে;
যেমন ঢাকায় সন্ধ্যা ৬টা ১ মিনিট ১২ সেকেন্ডে, চট্টগ্রামে বিকেল ৫টা ৫৬ মিনিট ২৪ সেকেন্ডে এবং সিলেটে বিকেল ৫টা ৫৪ মিনিট ৩০ সেকেন্ডে গ্রহণ শুরু হবে। এছাড়া রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, ময়মনসিংহ ও রংপুরেও সন্ধ্যা ৬টার পর থেকে এই দৃশ্য দৃশ্যমান হবে।
রাত ৮টা ২৪ মিনিট ৪২ সেকেন্ডে উপচ্ছায়া থেকে চাঁদের নির্গমনের মাধ্যমে গ্রহণটি পুরোপুরি শেষ হবে।
/আশিক
জুলাই সনদ ও গণভোট অধ্যাদেশ কেন অবৈধ নয়: হাইকোর্টের রুল জারি
জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ এবং গণভোট অধ্যাদেশ কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) বিচারপতি রাজিক আল জলিল ও বিচারপতি মো. আনোয়ারুল ইসলাম শাহীনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ প্রদান করেন। এর আগে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ, গণভোট অধ্যাদেশ এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা পৃথক দুটি রিটের ওপর শুনানি সম্পন্ন হয়। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী চৌধুরী রেদোয়ান-ই খোদা রনি এবং অ্যাডভোকেট গাজী মো. মাহবুব আলম এই রিট আবেদনগুলো দায়ের করেছিলেন, যেখানে তারা জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ বাতিলসহ সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্যদের শপথকে অবৈধ ঘোষণার নির্দেশনা চেয়েছেন।
অন্যদিকে, গত ১৮ ফেব্রুয়ারি জুলাই জাতীয় সনদ বাতিল এবং এটিকে সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ঘোষণার নির্দেশনা চেয়ে আরও একটি রিট দায়ের করা হয়। ওই রিটে জুলাই জাতীয় সনদের কার্যকারিতা স্থগিত করার আবেদন জানানো হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইউনুছ আলী আকন্দ জনস্বার্থে এই রিটটি দায়ের করেন। রিট আবেদনে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, আইন সচিব, জাতীয় ঐক্যমত কমিশন এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিবাদী করা হয়েছে। সংবিধানের মৌলিক কাঠামোর সঙ্গে এই সনদের সামঞ্জস্যতা নিয়ে আইনি বিতর্ক এখন উচ্চ আদালত পর্যন্ত পৌঁছাল।
আদালতের এই রুল জারির ফলে জুলাই সনদ ও গণভোট সংক্রান্ত সরকারের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তগুলো আইনি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ল। রিটকারী আইনজীবীদের দাবি, এই সনদ ও অধ্যাদেশগুলো বিদ্যমান সাংবিধানিক ব্যবস্থার সঙ্গে সাংঘর্ষিক এবং যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ না করেই এগুলো বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। হাইকোর্টের এই আদেশের পর এখন বিবাদী পক্ষগুলোকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জবাব দিতে হবে। জুলাই বিপ্লবের পরবর্তী প্রেক্ষাপটে গঠিত বিভিন্ন কমিশন ও পরিষদের বৈধতা নিয়ে চলমান এই আইনি বিতর্ক রাজনৈতিক অঙ্গনেও নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে।
/আশিক
১২ মার্চ কি নতুন ইতিহাস? প্রথম অভিশংসনের মুখে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন
ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশনকে সামনে রেখে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের অপসারণ ও অভিশংসন নিয়ে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গন উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর থেকেই এই দাবি উচ্চারিত হলেও বর্তমানে প্রধান বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী এবং তাদের মিত্র ১১ দলীয় জোট এই ইস্যুতে কঠোর অবস্থান নিয়েছে। বিশেষ করে একটি দৈনিক পত্রিকায় দেওয়া রাষ্ট্রপতির সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকারকে 'শপথ ভঙ্গ' হিসেবে আখ্যা দিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এবং জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোট আগামী ১২ মার্চ সংসদের প্রথম অধিবেশনেই রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে অভিশংসন প্রস্তাব উত্থাপনের প্রস্তুতি নিচ্ছে।
এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব এবং বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলের এই রাষ্ট্রপতিকে আর পদে রাখা নিরাপদ নয় এবং গণহত্যার সময় নীরব ভূমিকার কারণে তাকে অভিশংসন করে দ্রুত গ্রেপ্তার করা প্রয়োজন। সংবিধানের ৫২ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী গুরুতর অসদাচরণের অভিযোগে দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের ভোটে রাষ্ট্রপতিকে অপসারণের সুযোগ থাকলেও, এই প্রক্রিয়া সফল করতে সরকারি দল বিএনপির সমর্থন অপরিহার্য। যদিও বিএনপি জনগণের বৃহত্তর স্বার্থকে প্রাধান্য দেবে বলে জোট নেতারা আশা করছেন, তবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন যে সংবিধান অনুযায়ী প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতিই ভাষণ দেবেন।
অন্যদিকে, জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান জানিয়েছেন যে রাষ্ট্রপতির অভিশংসনের মতো গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক বিষয়ে তড়িঘড়ি করে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে না এবং দলীয় ফোরামে আলোচনার মাধ্যমেই দেশের কল্যাণে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে এনসিপি মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া সংসদকে 'ফ্যাসিবাদ মুক্ত' রাখতে প্রথম অধিবেশনেই অভিশংসন প্রক্রিয়া শুরুর আহ্বান জানিয়েছেন। এরই মধ্যে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার এ এস এম শাহরিয়ার কবির প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বরাবর একটি চিঠি দিয়েছেন, যেখানে জুলাই বিপ্লবের চেতনা রক্ষায় রাষ্ট্রপতিকে সংসদে ভাষণ দেওয়া থেকে বিরত রাখার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
বাংলাদেশের ইতিহাসে এখন পর্যন্ত কোনো রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসিত করার নজির নেই; এর আগে ২০০২ সালে বি. চৌধুরী অভিশংসন প্রক্রিয়ার মুখেই পদত্যাগ করেছিলেন। ফলে ত্রয়োদশ সংসদের এই প্রথম অধিবেশনটি কেবল নতুন স্পিকার নির্বাচন নয়, বরং রাষ্ট্রপতির ভাগ্য নির্ধারণের প্রশ্নেও একটি ঐতিহাসিক ও নাটকীয় মোড় নিতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
/আশিক
ঈদের অগ্রিম টিকিট যুদ্ধ শুরু! অনলাইনে মিলছে ট্রেনের শতভাগ টিকিট
আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঘরমুখো মানুষের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে আজ মঙ্গলবার (৩ মার্চ) থেকে শুরু হয়েছে ট্রেন ও বাসের অগ্রিম টিকিট বিক্রি। যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে রেলওয়ে এবারও শতভাগ টিকিট অনলাইনে বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যার প্রথম দিনে আজ দেওয়া হচ্ছে আগামী ১৩ মার্চের অগ্রিম টিকিট।
ট্রেনের টিকিটের পাশাপাশি বেসরকারি দূরপাল্লার বাসের অগ্রিম টিকিটও আজ সকাল থেকে কাউন্টার ও অনলাইন—উভয় মাধ্যমে বিক্রি শুরু হয়েছে। বিশেষ করে রেলের সার্ভারের ওপর চাপ কমাতে এবার অঞ্চলভেদে ভিন্ন সময়ে টিকিট বিক্রির ব্যবস্থা করা হয়েছে; যেখানে পশ্চিমাঞ্চলের ট্রেনের টিকিট মিলছে সকাল ৮টা থেকে এবং পূর্বাঞ্চলের টিকিট পাওয়া যাবে দুপুর ২টা থেকে। যাত্রীসাধারণ ‘রেল সেবা’ অ্যাপ ও ওয়েবসাইটের মাধ্যমে তাদের কাঙ্ক্ষিত টিকিট সংগ্রহ করতে পারছেন।
রেলওয়ের ঘোষিত সূচি অনুযায়ী, ৪ মার্চ ১৪ মার্চের, ৫ মার্চ ১৫ মার্চের এবং এভাবে ধারাবাহিক প্রক্রিয়ায় ১০ মার্চ পর্যন্ত ২০ মার্চের অগ্রিম টিকিট বিক্রি চলবে। ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে এবার ৫ জোড়া বা ২০টি স্পেশাল ট্রেন যুক্ত করার পাশাপাশি অতিরিক্ত ৪৭টি এমজি কোচও সার্ভিসে নামানো হচ্ছে। এছাড়া আগামী ১৬ মার্চ থেকে ঈদের আগের দিন পর্যন্ত সব আন্তঃনগর ট্রেনের সাপ্তাহিক ছুটি বাতিল করা হয়েছে।
অন্যদিকে, বাংলাদেশ বাস-ট্রাক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আজ থেকে ১২ মার্চ ও পরবর্তী দিনগুলোর বাসের অগ্রিম টিকিট পাওয়া যাচ্ছে। বাসের ক্ষেত্রে বিআরটিএ নির্ধারিত ভাড়ার বাইরে অতিরিক্ত টাকা না নেওয়ার কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তবে রাষ্ট্রীয় পরিবহন সংস্থা বিআরটিসি তাদের বিশেষ সার্ভিস পরিচালনার কথা জানালেও অগ্রিম টিকিট বিক্রির সূচি এখনো ঘোষণা করেনি।
/আশিক
হঠাৎ বদলাচ্ছে আবহাওয়া! রাজধানীসহ ৭ বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস
দেশের সাতটি বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়ে আবহাওয়ায় বড় পরিবর্তনের সংকেত দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সোমবার (২ মার্চ) আবহাওয়াবিদ মো. তরিফুল নেওয়াজ কবির জানিয়েছেন, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করার ফলে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত স্বাভাবিক লঘুচাপের একটি অংশ উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে, যার প্রভাবে দেশের অধিকাংশ অঞ্চলে বৃষ্টির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সন্ধ্যা পর্যন্ত দেওয়া পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। দেশের অন্যান্য স্থানে আকাশ আংশিক মেঘলা থাকলেও আবহাওয়া মূলত শুষ্ক থাকবে। এ সময় সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে, তবে রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
সপ্তাহের মাঝামাঝি সময়ে আবহাওয়ায় কিছুটা স্থিতি আসতে পারে। মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাস অনুযায়ী, আকাশ আংশিক মেঘলা থাকলেও সারা দেশের আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। বুধবার থেকে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। তবে হঠাৎ এই বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস চৈত্র আসার আগেই প্রকৃতিতে এক ধরনের অস্থিরতার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
/আশিক
আরামের যাত্রায় বিঘ্ন ঘটলেই বিপদ! এসি কোচে কড়াকড়ি করছেন রেলমন্ত্রী
আসন্ন ঈদুল ফিতরে ঘরমুখো মানুষের ট্রেন যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেলপথ মন্ত্রণালয়। সোমবার (২ মার্চ) রেল ভবনে আয়োজিত এক প্রস্তুতিমূলক সভায় রেলপথ মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম জানিয়েছেন, এবারের ঈদযাত্রায়ও নন-এসি কোচে আগের মতো ২৫ শতাংশ দাঁড়িয়ে যাওয়ার (আসনবিহীন) টিকিট বিক্রির নিয়ম বহাল থাকবে। তবে এসি কোচ বা প্রথম শ্রেণির বগিতে কোনোভাবেই দাঁড়িয়ে যাওয়া যাত্রী প্রবেশ করতে পারবে না বলে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। রেলপথ মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা রেজাউল করিম সিদ্দিকী বৈঠকের এই সিদ্ধান্তের কথা নিশ্চিত করেছেন।
রেলপথ সচিব মো. ফাহিমুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় যাত্রী নিরাপত্তা ও টিকিট কালোবাজারি বন্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করা হয়েছে। মন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন যে, কমলাপুর ও ঢাকা বিমানবন্দর রেলস্টেশনের প্ল্যাটফর্মে টিকিট ছাড়া কোনো যাত্রী যেন প্রবেশ করতে না পারে, সেজন্য কঠোর নজরদারি নিশ্চিত করতে হবে। এছাড়া ট্রেনের ছাদে ভ্রমণ ঠেকাতে এবং কালোবাজারি দমনে পর্যাপ্ত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও নাশকতা প্রতিরোধে রেলওয়ে পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনীকে বিশেষ সতর্কাবস্থায় থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সভায়।
যাত্রীসেবার মানোন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে মন্ত্রী জানান, কোনো ট্রেন যদি বিলম্বে ছাড়ে, তবে প্ল্যাটফর্মে অপেক্ষমাণ যাত্রীদের কষ্টের কথা চিন্তা করে বসার আসনের সংখ্যা বাড়ানো হবে। সভায় অন্যান্যের মধ্যে রেলপথ প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ ও মো. রাজিব আহসান এবং রেলওয়ের মহাপরিচালক মো. আফজাল হোসেনসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় ঈদযাত্রা উপহার দেওয়াই সরকারের মূল লক্ষ্য বলে সভায় জানানো হয়।
/আশিক
উত্তপ্ত মধ্যপ্রাচ্যের মাঝে ৩ প্রভাবশালী দেশের ফোন: প্রবাসীদের নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তপ্ত পরিস্থিতির মাঝে প্রবাসী বাংলাদেশিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তৎপর হয়ে উঠেছে সরকার। সোমবার (২ মার্চ) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান জানান, উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে কুয়েত ও বাহরাইনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং কাতারের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তাকে সরাসরি টেলিফোন করেছেন। ফোনালাপে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত লাখ লাখ বাংলাদেশির সুরক্ষা ও বর্তমান অবস্থা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন তিনি।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, কুয়েত, বাহরাইন ও কাতার—তিন দেশের উচ্চপদস্থ প্রতিনিধিরাই প্রবাসী বাংলাদেশিদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষার বিষয়ে বিশেষ আশ্বাস দিয়েছেন। চলমান যুদ্ধাবস্থা বা অস্থিরতায় প্রবাসীরা যেন কোনো ধরনের বিপদে না পড়েন, সে বিষয়ে ওই দেশগুলোর সরকার সর্বোচ্চ সজাগ রয়েছে বলে ড. খলিলুর রহমানকে আশ্বস্ত করা হয়েছে। বিশেষ করে বাহরাইনে সাম্প্রতিক হামলার ঘটনার প্রেক্ষাপটে এই ফোনালাপ ও নিরাপত্তা নিশ্চিতের বিষয়টি বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যের এই সংকটে প্রবাসীদের নিয়ে উদ্বেগের মাঝে তিন দেশের এমন আশ্বাসে কিছুটা স্বস্তি ফিরবে বলে আশা করা হচ্ছে।
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- গোপনে নিজেকে ভিভিআইপি ঘোষণা করে বিশেষ সুবিধা নিলেন ড. ইউনূস
- ৫ বছরের জন্য এসে ৩ মাসেই বিদায়: দুদক কমিশনের নাটকীয় পদত্যাগ
- ইরান যুদ্ধ, পরিচয়ের রাজনীতি এবং বৈশ্বিক সংকটের নতুন সমীকরণ
- বিলবোর্ডে নিজের ছবি সরাতে নির্দেশ দিলেন প্রধানমন্ত্রী
- আজকের মুদ্রার রেট: প্রবাসীদের জন্য ৩ মার্চের সর্বশেষ টাকার মান
- চাঁদ হবে লালচে তামাটে: বিরল মহাজাগতিক দৃশ্যের সাক্ষী হতে প্রস্তুত বাংলাদেশ
- ইফতারে আনুন নতুন স্বাদ: বানিয়ে ফেলুন মচমচে ফ্রেঞ্চ ফ্রাই পেঁয়াজু
- ইফতারে স্বাদ বাড়াতে ঘরেই বানান ক্রিস্পি কাবাব স্টিকস
- জুলাই সনদ ও গণভোট অধ্যাদেশ কেন অবৈধ নয়: হাইকোর্টের রুল জারি
- বাহরাইনে একটি মার্কিন বিমান ঘাঁটি ধ্বংস করেছে ইরান
- মার্কিন সেনাদের সরাসরি গুলিতে করাচি রণক্ষেত্র
- বিশ্বজুড়ে পক্ষ-বিপক্ষ: ইরান ইস্যুতে কে দিচ্ছে হুংকার, কেই বা দিচ্ছে সমর্থন?
- ১২ মার্চ কি নতুন ইতিহাস? প্রথম অভিশংসনের মুখে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন
- ঈদের অগ্রিম টিকিট যুদ্ধ শুরু! অনলাইনে মিলছে ট্রেনের শতভাগ টিকিট
- রেকর্ডের পর রেকর্ড: বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে দামী হলো আজ থেকে স্বর্ণ
- বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল সৌদি রাজধানী
- মধ্যপ্রাচ্যে মহাপ্রলয়! ১৪ দেশে ছড়িয়ে পড়ল যুদ্ধ, কাঁপছে বিশ্ব অর্থনীতি
- কেনাকাটার আগে সাবধান! আজ মঙ্গলবার ঢাকার যেসব নামী মার্কেট বন্ধ
- জেনে নিন আজকের আবহাওয়ার হালচাল
- মার্কিন ঋণের জালে আঘাত হানল ইরান: হরমুজ প্রণালিতে যুদ্ধের নতুন মোড়
- রাজধানীতে আজ কোথায় কী? এক নজরে দেখে নিন কর্মসূচির তালিকা
- আজ ১৩ রমজান: জেনে নিন ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সঠিক সময়
- হঠাৎ বদলাচ্ছে আবহাওয়া! রাজধানীসহ ৭ বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস
- তেহরানকে চীনের অভয়বাণী: সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ইরানকে সব ধরনের সমর্থনের ঘোষণা
- রমজানে পানিশূন্যতা রুখতে জাদুকরী '৪-২-২-২' নিয়ম: পুষ্টিবিদের বিশেষ টিপস
- আরামের যাত্রায় বিঘ্ন ঘটলেই বিপদ! এসি কোচে কড়াকড়ি করছেন রেলমন্ত্রী
- পশ্চিমের সাথে সংলাপ নাকি সংঘাত? হাসান খোমেনির দিকে তাকিয়ে বিশ্বশক্তি
- উত্তপ্ত মধ্যপ্রাচ্যের মাঝে ৩ প্রভাবশালী দেশের ফোন: প্রবাসীদের নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত
- ইফতারের প্রশান্তি কেড়ে নিচ্ছে মাথাব্যথা? জেনে নিন মুক্তির পূর্ণাঙ্গ গাইড
- জাতীয় সংসদে নতুন টিম: প্রজ্ঞাপনে ৬ হুইপকে রাজকীয় নিয়োগ
- খামেনি হত্যার চরম প্রতিশোধ! এবার খোদ প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে আঘাত হানল ইরান
- মার্চে রান্নার গ্যাসের দাম কত? বড় সুখবর দিল বিইআরসি
- নারীদের জন্য সুখবর! রাজধানীতে আলাদা বাস সার্ভিস চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
- কালিগঞ্জের পল্লীতে আদালতে নিষেধাজ্ঞা মামলা, থানায় জিডি-অভিযুক্তদের নাম প্রকাশ
- পরিবারের একমাত্র আশার প্রদীপ নিভিয়ে দিল বিদেশের যুদ্ধ
- জামায়াতকে ডেপুটি স্পিকার হওয়ার প্রস্তাব বিএনপির: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- রেড ক্রিসেন্টের ভয়াবহ তথ্য: যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল হামলায় ইরানে লাশের মিছিল
- ২ মার্চ ডিএসই: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- ২ মার্চ ডিএসই: শীর্ষ ১০ দরপতনের তালিকা প্রকাশ
- ২ মার্চ ডিএসই: শীর্ষ ১০ গেইনারের তালিকা প্রকাশ
- আগামী দুই দিন ঢাকাসহ ৫ বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস
- রুই মাছের ফিশ ফিঙ্গার: ইফতারের আড্ডায় আনবে নতুন চমক
- ইফতারে ভিন্ন স্বাদ: জেনে নিন টমেটো দিয়ে আলুর চপের রেসিপি
- ওয়াশিংটনের সাথে হবে না কোনো বৈঠক: ইরানের নিরাপত্তা প্রধান
- চট্টগ্রাম সমিতি সিলেটের উদ্যোগে পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
- যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার পথ কি কঠিন হচ্ছে? অভিবাসী ভিসায় নতুন স্থগিতাদেশ
- ইরানি হামলার আশঙ্কায় কাতার: বিস্ফোরণে কাঁপছে রাজধানী দোহা
- ইরানের বিরুদ্ধে এবার কি সরাসরি যুদ্ধে জড়াচ্ছে ফ্রান্স-জার্মানি-যুক্তরাজ্য?
- মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের প্রভাবে দেশের পুঁজিবাজারে বড় ধস
- খামেনি হত্যার প্রতিশোধ নিতে ইসরায়েলের সামরিক ঘাঁটিতে হিজবুল্লাহর হামলা
- অনলাইনে ও মোবাইলে যেভাবে দেখবেন জুনিয়র বৃত্তির ফলাফল
- স্বর্ণের দামে নতুন রেকর্ড: ভরিতে বাড়ল ৩ হাজার ২৬৬ টাকা
- বন্ধকী কূটনীতির দেশে স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতির স্বপ্ন
- মহাকাশে বিরল মহোৎসব: বাংলাদেশ থেকে এক সারিতে দেখা যাবে ৬ গ্রহ!
- স্বর্ণের বাজারে নজিরবিহীন অস্থিরতা; এক বছরে দাম বাড়ল ৬৪ শতাংশ
- ক্ষমতার লড়াইয়ে ইরান: খামেনির আসনে বসতে আইআরজিসি’র চাপ
- সাতক্ষীরায় সংরক্ষিত নারী আসন: নেতাকর্মীদের পছন্দের শীর্ষে সেতারা নাসরিন নিশি
- জাকাত ও ফিতরা কত দেবেন? জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়ার পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ
- আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম! জানুন নতুন মূল্যতালিকা
- কালিগঞ্জে ঘেরের বাসায় আগুন, দখলচেষ্টা ও মাছ লুটের অভিযোগ প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন
- শহীদ হলেন আয়াতুল্লাহ খামেনি
- ২ মার্চ ডিএসই: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- ইরানে সরাসরি হামলা চালাল ইসরায়েল: মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে যুদ্ধের ভয়াবহ দামামা
- কেন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানকে আক্রমণ করছে?
- বাহরাইন প্রেসক্লাবের নতুন কমিটির সভাপতি সম্রাট নজরুল ও সম্পাদক নোমান সিদ্দিকী








