অসহায় জনগণের আর্তনাদ: সংবিধানের ‘মালিক’ এখন গ্যাস ও চালের বাজারে জিম্মি

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১৫ ১১:২৫:০৭
অসহায় জনগণের আর্তনাদ: সংবিধানের ‘মালিক’ এখন গ্যাস ও চালের বাজারে জিম্মি
অসহায় জনগণ /প্রতীকী ছবি

বাংলাদেশের সংবিধানের মূল চেতনায় বলা হয়েছে, এই প্রজাতন্ত্রের মালিক জনগণ এবং এ দেশের মানুষই সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারী। রাষ্ট্র পরিচালনার প্রতিটি ক্ষেত্রে নাগরিকের ইচ্ছা-অনিচ্ছার প্রতিফলন ঘটবে—এমনটিই হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বর্তমানে দেশের গ্যাস সংকট, নিত্যপণ্যের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধি এবং জননিরাপত্তার অভাব বিশ্লেষণ করলে প্রশ্ন জাগে, এই সাংবিধানিক অধিকার কি কেবল পুস্তকেই সীমাবদ্ধ? জনগণের দুঃখ-বেদনা আর গভীর হতাশার কথা শোনার মতো কান কি বর্তমানে রাষ্ট্রের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের আছে?

বিগত এক মাসেরও বেশি সময় ধরে রাজধানীসহ সারা দেশে গ্যাসের তীব্র সংকট চলছে। বাসাবাড়িতে রান্নার কাজ প্রায় বন্ধ হয়ে যাওয়ায় অনেক মধ্যবিত্ত পরিবার আধুনিক শহর ছেড়ে যেন মধ্যযুগের জীবনযাত্রায় ফিরে গেছে। মাটির চুলার ওপর নির্ভর করে কোনোমতে আহারের সংস্থান করতে হচ্ছে অনেককে। অন্যদিকে যারা সিলিন্ডার বা এলপিজি গ্যাস ব্যবহার করেন, তাদের জন্য পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ। বাজারে এলপিজি এখন অনেকটা ‘সোনার হরিণে’র মতো দুষ্প্রাপ্য হয়ে উঠেছে। বেশিরভাগ দোকানেই সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে না, আর যেখানে পাওয়া যাচ্ছে, সেখানে সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে অনেক বেশি অর্থ দাবি করা হচ্ছে। নিম্নবিত্ত ও স্থির আয়ের মানুষগুলো এই ত্রিমুখী সংকটে দিশেহারা হলেও তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ কেবল একটি দায়সারা বিবৃতি দিয়েই নীরবতা পালন করছে। সবচেয়ে বড় বিস্ময় হলো, জ্বালানি উপদেষ্টা যিনি সব সময় নানা বিষয়ে সোচ্চার থাকেন, তিনি এই জনদুর্ভোগের সময় যেন মৌনব্রত অবলম্বন করেছেন। দেশের মানুষ যখন গ্যাসের অভাবে ধুঁকছে, তখন তিনি ব্যস্ত রয়েছেন উত্তরের জনপদে আসন্ন গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার প্রচারণায়। জনগণের এই তাৎক্ষণিক ও মানবিক সংকট সমাধানের চেয়ে রাজনৈতিক প্রচারণাই যেন তার কাছে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে।

দেশের প্রধান খাদ্যপণ্য চালের বাজার এখন সাধারণ মানুষের জন্য বড় ধরণের এক আতঙ্কের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সপ্তাহখানেক পরেই বাজারে নতুন চাল আসার কথা থাকলেও তার আগেই পুরোনো চালের দাম কেজিতে ৩ থেকে ৫ টাকা পর্যন্ত বেড়ে গেছে। রাজধানীর বাজারগুলোতে মিনিকেট ও নাজিরশাইল চালের দামে এই উল্লম্ফন নিম্ন আয়ের ভোক্তাদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে। সাধারণ নাজিরশাইল এখন ৭২ থেকে ৮৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে, যা এক সপ্তাহ আগেও ৩-৪ টাকা কম ছিল। আমদানি করা চালের ক্ষেত্রেও একই চিত্র লক্ষ্য করা গেছে। খুচরা বিক্রেতাদের মতে, নতুন চাল বাজারে আসার আগে সাধারণত দাম ১-২ টাকা কমলে বা সামান্য বাড়লেও এবার সেটি ৩-৪ টাকা বেড়ে যাওয়াটা অস্বাভাবিক। এই বাজার পরিস্থিতির জন্য খাদ্য উপদেষ্টার ভূমিকা নিয়ে জনমনে প্রবল ক্ষোভ রয়েছে। জনগণের ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকা এই উপদেষ্টাকে সাধারণ মানুষ একজন গণমুখী ব্যক্তিত্বের চেয়েও ‘আমলা’ হিসেবেই বেশি দেখছে। তার এবং জনগণের মাঝে যেন চীনের প্রাচীরের মতো এক উঁচু দেয়াল দাঁড়িয়ে আছে, যা ডিঙিয়ে মানুষের হাহাকার তার কান পর্যন্ত পৌঁছাতে পারছে না।

মধ্যবিত্তের মাসিক বাজেটের একটি বড় অংশ দখল করে নিয়েছে ওষুধ। সম্প্রতি সরকার অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা ১৩৫টি থেকে বাড়িয়ে ২৯৫টি করলেও এর কোনো ইতিবাচক প্রভাব বাজারে লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। সরকার নির্ধারিত মূল্যে ওষুধ বিক্রির নির্দেশনা থাকলেও ফার্মেসিগুলো তা মানছে না। ওষুধের দামের ক্ষেত্রে এক ধরণের স্বেচ্ছাচারিতা চলছে। অথচ এ বিষয়ে স্বাস্থ্য উপদেষ্টা বা তার দপ্তরের কোনো কার্যকর তদারকি চোখে পড়ছে না। ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর লোকবল সংকটের পুরনো ভাঙা রেকর্ড বাজিয়ে দায় এড়ানোর চেষ্টা করছে, যার ফলে সাধারণ মানুষ কার্যত ওষুধের উচ্চমূল্যের জাঁতাকলে বন্দি হয়ে আছে।

অর্থনৈতিক অস্থিরতার পাশাপাশি বর্তমানে দেশে চরম নিরাপত্তাহীনতা বিরাজ করছে। ‘মব সন্ত্রাস’ বা গণপিটুনির মতো ঘটনাগুলো জনমনে আতঙ্ক তৈরি করেছে। পাড়া-মহল্লায় এক ধরণের নীরব চাঁদাবাজি শুরু হয়েছে, যা থেকে ক্ষুদ্র দোকানি থেকে শুরু করে বড় শিল্পপতি—কেউই রেহাই পাচ্ছেন না। চাঁদা দিতে অস্বীকার করলেই শুরু হচ্ছে মব সন্ত্রাস অথবা সাজানো মিথ্যা মামলার হুমকি। এমনকি মানুষের নিজ গৃহের ভেতরেও এখন আর নিরাপত্তা নেই। বাসাবাড়িতে ঢুকে হত্যার মতো জঘন্য ঘটনা ঘটার পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাময়িক হাঁকডাক শোনা গেলেও কিছুদিন পর সবকিছু আবার থিতিয়ে যাচ্ছে। ন্যায়বিচার যেন এখন সোনার পাথরবাটি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আগামী ২২ জানুয়ারি থেকে শুরু হতে যাচ্ছে নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচারণা। প্রার্থীরা বরাবরের মতোই উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি আর সুন্দর আগামীর স্বপ্ন নিয়ে জনগণের দুয়ারে হাজির হবেন। কিন্তু প্রশ্ন থেকে যায়, এই প্রতিশ্রুতির ফুলঝুরি কি সাধারণ মানুষের গ্যাস সংকট বা নিত্যপণ্যের উচ্চমূল্যের জ্বালা মেটাতে পারবে? সাধারণ মানুষ কবে মনে করবে যে এই দেশটা সত্যিই তাদের এবং তারাই এই রাষ্ট্রের মালিক? এই স্বস্তি আর মালিকানার বোধ ফিরিয়ে আনাই এখন বর্তমান সরকারের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।


কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সুখবর: রিজার্ভে বড় প্রবৃদ্ধি দেখছে বাংলাদেশ

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৭ ২১:১৪:৪২
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সুখবর: রিজার্ভে বড় প্রবৃদ্ধি দেখছে বাংলাদেশ
ছবি : সংগৃহীত

দেশের অর্থনীতির জন্য একটি ইতিবাচক সংবাদ নিয়ে এসেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশের বৈদেশিক মুদ্রার মোট রিজার্ভের পরিমাণ উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়ে এখন ৩৪ হাজার ৫৩৯ দশমিক ৫০ মিলিয়ন বা ৩৪ দশমিক ৫৩ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান রিজার্ভের এই হালনাগাদ ও স্বস্তিদায়ক তথ্যটি জনসমক্ষে প্রকাশ করেছেন। রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং প্রবাসী আয়ের প্রবাহ বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে রিজার্ভের এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ১৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশের গ্রস বা মোট রিজার্ভের পরিমাণ যেখানে ৩৪ দশমিক ৫৩ বিলিয়ন ডলার, সেখানে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) প্রবর্তিত বিপিএম-৬ হিসাব পদ্ধতি অনুযায়ী এই রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৯ হাজার ৮৫৯ দশমিক ৩৭ মিলিয়ন বা ২৯ দশমিক ৮৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে। উল্লেখ্য যে, গত ৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩৪ দশমিক ০৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে তা ছিল ২৯ দশমিক ৪৭ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে রিজার্ভের উভয় পদ্ধতিতেই বড় ধরনের উল্লম্ফন লক্ষ্য করা গেছে।

সাধারণত একটি দেশের নিট বা প্রকৃত রিজার্ভ গণনা করা হয় আইএমএফের বিপিএম-৬ পরিমাপ অনুসারে। এই পদ্ধতিতে মোট রিজার্ভ থেকে স্বল্পমেয়াদি দায়গুলো বিয়োগ করলে প্রকৃত রিজার্ভের পরিমাণ নিশ্চিত হওয়া যায়। বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার সময় রিজার্ভের এমন প্রবৃদ্ধি দেশের আমদানি ব্যয় মেটানো এবং বৈদেশিক বাণিজ্যে আত্মবিশ্বাস জোগাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বাংলাদেশ ব্যাংক আশা করছে, রপ্তানি আয় এবং রেমিট্যান্সের বর্তমান ধারা বজায় থাকলে আগামী মাসগুলোতে রিজার্ভের পরিমাণ আরও বৃদ্ধি পাবে, যা সামগ্রিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতাকে আরও সুসংহত করবে।

/আশিক


বাজুসের নতুন সিদ্ধান্ত: আজ থেকেই কার্যকর হচ্ছে স্বর্ণের হ্রাসকৃত মূল্য

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৭ ২১:০০:৫১
বাজুসের নতুন সিদ্ধান্ত: আজ থেকেই কার্যকর হচ্ছে স্বর্ণের হ্রাসকৃত মূল্য
ছবি : সংগৃহীত

দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আকাশছোঁয়া পরিস্থিতির মধ্যে সাধারণ ক্রেতাদের জন্য কিছুটা স্বস্তির খবর নিয়ে এসেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য কিছুটা নিম্নমুখী হওয়ায় তারা মূল্যবান এই ধাতুর দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। নতুন এই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ভালো মানের তথা ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ হাজার ২১৬ টাকা কমানো হয়েছে। এর ফলে এখন থেকে প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণ কিনতে ক্রেতাদের গুনতে হবে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা, যা আজ মঙ্গলবার থেকেই সারা দেশে কার্যকর হয়েছে।

স্বর্ণের নতুন নির্ধারিত মূল্য অনুযায়ী, বাজারে ২২ ক্যারেট বাদে অন্যান্য মানের স্বর্ণের দামও পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। এখন থেকে ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকায় বিক্রি হবে। এছাড়া সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের বর্তমান বাজারদর নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা। বাজুস স্পষ্ট করেছে যে, আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় বাজারের সার্বিক পরিস্থিতি বিচার-বিশ্লেষণ করেই ধাতুটির এই নতুন দর নির্ধারণ করা হয়েছে।

তবে স্বর্ণের নির্ধারিত এই দামের সঙ্গে অলংকার কেনার ক্ষেত্রে ক্রেতাদের বাড়তি কিছু খরচও বহন করতে হবে। বাজুসের নিয়ম অনুযায়ী, স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি যোগ করতে হবে। নতুন নির্ধারিত মূল্যের ভিত্তিতে হিসাব করলে দেখা যায়, আজ থেকে এক ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের অলংকার তৈরি করতে একজন ক্রেতার মোট খরচ পড়বে ২ লাখ ৮৭ হাজার ২৯৪ টাকা। এই মোট খরচের মধ্যে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা স্বর্ণের দাম, ১২ হাজার ৯৪১ টাকা ভ্যাট এবং ১৫ হাজার ৫২৯ টাকা ন্যূনতম মজুরি হিসেবে ধরা হয়েছে।

বাজুস তাদের বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করেছে যে, যদিও তারা সর্বনিম্ন ৬ শতাংশ মজুরি নির্ধারণ করে দিয়েছে, তবে অলংকারের নকশা ও কারুকার্যের ভিন্নতা এবং মানের ওপর ভিত্তি করে এই মজুরি কম বা বেশি হতে পারে। স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের দামের ওঠানামা এবং সার্বিক বিশ্ব অর্থনৈতিক পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখেই বারবার স্বর্ণের এই মূল্য সমন্বয় করা হচ্ছে। দীর্ঘ ঊর্ধ্বগতির পর এবার সামান্য দরপতন দেশের গহনা ব্যবসায় এবং সাধারণ ভোক্তাদের মধ্যে কেমন প্রভাব ফেলে, এখন সেটিই দেখার বিষয়।

/আশিক


অগ্নিমূল্য স্বর্ণের বাজার, ভরিপ্রতি স্বর্ণের দাম বাড়লো ২২১৬ টাকা

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৭ ০৯:৪৪:৫৬
অগ্নিমূল্য স্বর্ণের বাজার, ভরিপ্রতি স্বর্ণের দাম বাড়লো ২২১৬ টাকা
ছবি : সংগৃহীত

দেশের বাজারে বর্তমানে স্বর্ণের দাম আকাশচুম্বী পর্যায়ে পৌঁছেছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) কর্তৃক সর্বশেষ নির্ধারিত দাম অনুযায়ী, ভালো মানের তথা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ কিনতে ক্রেতাদের এখন গুনতে হচ্ছে ২ লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকা। আজ মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি), বাজুসের সর্বশেষ মূল্য সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এই বর্ধিত দামেই বাজারে কেনাবেচা চলছে।

এর আগে গত ৯ ফেব্রুয়ারি এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বাজুস স্বর্ণের এই নতুন দাম ঘোষণা করেছিল। স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে ভরিপ্রতি ২ হাজার ২১৬ টাকা দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। যা গত সোমবার সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হয়েছে। বাজুসের তথ্যমতে, বর্তমানে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২১ ক্যারেট স্বর্ণ ২ লাখ ৪৯ হাজার ১৪৩ টাকা, ১৮ ক্যারেট ২ লাখ ১৩ হাজার ৫৬৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ ১ লাখ ৭৪ হাজার ৭৮৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বাজুস তাদের বিজ্ঞপ্তিতে আরও স্পষ্ট করেছে যে, নির্ধারিত এই বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি বাধ্যতামূলকভাবে যোগ করতে হবে। তবে অলঙ্কারের নকশা এবং মানভেদে এই মজুরির তারতম্য হতে পারে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি বছরে এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে মোট ২৮ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে, যার মধ্যে ১৮ বারই দাম বেড়েছে এবং কমেছে ১০ বার। উল্লেখ্য যে, গত ২০২৫ সালে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল, যার মধ্যে ৬৪ বার দাম বৃদ্ধি পেয়েছিল।

স্বর্ণের দাম রেকর্ড পরিমাণে বাড়লেও রুপার বাজারে বর্তমান স্থিতিশীলতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। দেশের বাজারে রুপার দাম বর্তমানে অপরিবর্তিত রয়েছে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৬ হাজার ৩৫৭ টাকায়। এছাড়া ২১ ক্যারেট ৬ হাজার ৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৫ হাজার ১৯০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা ৩ হাজার ৯০৭ টাকায় কেনাবেচা হচ্ছে।

চলতি বছর এ পর্যন্ত ১৭ বার রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছে, যার মধ্যে ১০ বার দাম বেড়েছে এবং ৭ বার কমেছে। অন্যদিকে, ২০২৫ সালে মাত্র ১৩ বার রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল, যার মধ্যে ১০ বারই দাম বেড়েছিল। বিশ্ববাজারে অস্থিরতা এবং স্থানীয় চাহিদার কারণে স্বর্ণের বাজারে এই ধারাবাহিক ঊর্ধ্বগতি বজায় রয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।

/আশিক


সারা দেশে আজ থেকে পণ্য বিক্রি করবে টিসিবি; জেনে নিন নির্দিষ্ট পণ্যের দাম

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৭ ০৯:৩৭:১৮
সারা দেশে আজ থেকে পণ্য বিক্রি করবে টিসিবি; জেনে নিন নির্দিষ্ট পণ্যের দাম
ছবি : সংগৃহীত

পবিত্র রমজান মাস সামনে রেখে সাধারণ মানুষের স্বস্তি দিতে আজ মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) থেকে দেশজুড়ে সাশ্রয়ী মূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিক্রি শুরু করছে রাষ্ট্রীয় সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)। ভ্রাম্যমাণ ট্রাকের মাধ্যমে ভর্তুকি মূল্যে ভোজ্যতেল, চিনি, মসুর ডাল, ছোলা ও খেজুর বিক্রির এই বিশেষ কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। টিসিবির পক্ষ থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী, মূলত নিম্ন আয়ের মানুষের জীবনযাত্রা সহজ করতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয়ে আগামী ১২ মার্চ পর্যন্ত মোট ২০ দিন এই বিক্রয় কার্যক্রম চলবে। তবে শুক্রবার এবং অন্যান্য সরকারি ছুটির দিনে এই সেবা বন্ধ থাকবে। সাধারণ ভোক্তারা যাতে সহজে পণ্য সংগ্রহ করতে পারেন, সেজন্য সারা দেশে মোট ৪৫০টি ভ্রাম্যমাণ ট্রাক মোতায়েন করা হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা মহানগরীতে ৫০টি, চট্টগ্রামে ২০টি, অন্যান্য বিভাগীয় শহরে ১৫টি করে এবং জেলা শহরগুলোতে ৫টি করে ট্রাক সেল পয়েন্ট থাকবে।

টিসিবির এই ট্রাক সেল থেকে একজন সাধারণ ভোক্তা নির্ধারিত পরিমাণে পণ্য কিনতে পারবেন। ভোজ্যতেল প্রতি লিটার ১১৫ টাকা দরে সর্বোচ্চ ২ লিটার, চিনি প্রতি কেজি ৮০ টাকা দরে ১ কেজি, মসুর ডাল প্রতি কেজি ৭০ টাকা দরে ২ কেজি এবং ছোলা ৬০ টাকা কেজি দরে ১ কেজি কেনা যাবে। এছাড়া রমজান উপলক্ষে আধা কেজি খেজুর মিলবে ১৬০ টাকায়। এই সুবিধা যেকোনো সাধারণ ভোক্তা লাইনে দাঁড়িয়ে গ্রহণ করতে পারবেন।

ভ্রাম্যমাণ ট্রাকের পাশাপাশি টিসিবির নিয়মিত ‘স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ড’ কার্যক্রমও সমানতালে চলমান থাকবে। দেশের প্রায় ৬৬ লাখ কার্ডধারী পরিবার এই ভর্তুকি মূল্যের সুবিধা পাবেন। রমজান মাসকে কেন্দ্র করে এই কার্ডধারীদের জন্য ফেব্রুয়ারি মাসে ৪০ হাজার ৩০০ মেট্রিক টন এবং মার্চ মাসে ৩৩ হাজার মেট্রিক টন পণ্য বরাদ্দ করা হয়েছে। কার্ডধারী পরিবারগুলো তেল, চিনি ও ডাল আগের নির্ধারিত দামেই পাবেন, তবে অতিরিক্ত আইটেম হিসেবে তারা ৬০ টাকা কেজি দরে ছোলা এবং ১৬০ টাকা দরে আধা কেজি খেজুর কেনার সুযোগ পাবেন।

টিসিবি জানিয়েছে, রমজান মাসে নিত্যপণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখতে এবং সাধারণ মানুষের কষ্ট লাঘব করতেই এই বিশাল কর্মযজ্ঞ হাতে নেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত ট্রাক সেল পয়েন্টগুলোতে তদারকি জোরদার করা হবে যাতে ভোক্তারা সুশৃঙ্খলভাবে তাদের প্রয়োজনীয় পণ্য সংগ্রহ করতে পারেন।

/আশিক


বৈশ্বিক বাণিজ্যে টাকার বিনিময় হার আপডেট

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৭ ০৮:৩২:৪৯
বৈশ্বিক বাণিজ্যে টাকার বিনিময় হার আপডেট
ছবি: সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে দেশের বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে প্রতিদিনই গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। আমদানি–রপ্তানি কার্যক্রম, প্রবাসী আয় এবং বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের মতো বিষয়গুলো সরাসরি নির্ভর করে মুদ্রার বিনিময় হারের ওপর।

আজ মঙ্গলবার ১৭ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, মার্কিন ডলারের বিপরীতে বাংলাদেশি টাকার বিনিময় হার ১২২ টাকার বেশি অবস্থানে রয়েছে। ইউরোপীয় ইউরোর দর ১৪৫ টাকার ওপরে এবং ব্রিটিশ পাউন্ডের মূল্য দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৬৭ টাকার কাছাকাছি। অস্ট্রেলিয়ান ডলার ৮৬ টাকার বেশি, কানাডিয়ান ডলার প্রায় ৯০ টাকা এবং সিঙ্গাপুর ডলার প্রায় ৯৭ টাকায় লেনদেন হচ্ছে।

এদিকে চীনা ইউয়ান রেনমিনবি ১৭ টাকার বেশি, ভারতীয় রুপি প্রায় ১ টাকা ৩৫ পয়সা এবং শ্রীলঙ্কান রুপি ২ টাকার বেশি দরে নির্ধারিত হয়েছে। জাপানি ইয়েনের মূল্য এক টাকার কম, যা আন্তর্জাতিক বাজারে ইয়েনের নিম্নমুখী অবস্থানকে প্রতিফলিত করছে।

মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক মুদ্রার মধ্যে সৌদি রিয়াল ৩২ টাকার ওপরে এবং কুয়েতি দিনার প্রায় ৪০০ টাকার কাছাকাছি অবস্থান করছে, যা তালিকায় সর্বোচ্চ বিনিময় হারগুলোর একটি। মালয়েশিয়ান রিঙ্গিতের দর ৩১ টাকার বেশি।

বিশ্লেষকদের মতে, বৈশ্বিক ডলার সূচক, তেলের দাম, আমদানি ব্যয় এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিগত সিদ্ধান্ত মুদ্রার দরে তাৎক্ষণিক প্রভাব ফেলে। ফলে যেকোনো সময় এই হার পরিবর্তিত হতে পারে। আন্তর্জাতিক লেনদেন বা ভ্রমণের আগে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক বা মানি এক্সচেঞ্জ থেকে সর্বশেষ হালনাগাদ হার যাচাই করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

-রাফসান


বিশ্ববাজারে স্বর্ণের বড় দরপতন

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৬ ১৯:১৫:৫৫
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের বড় দরপতন
ছবি : সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম কমে গেছে, যা মূলত যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের স্থানীয় ছুটির কারণে লেনদেনের হ্রাসের সঙ্গে সম্পর্কিত। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) স্পট মার্কেটে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ১.১ শতাংশ কমে ৪,৯৮৬.৩২ ডলারে দাঁড়িয়েছে।

বাজার বিশ্লেষক টিম ওয়াটারার জানান, যুক্তরাষ্ট্রের ভোক্তা মূল্যস্ফীতি (সিপিআই) সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশের পর শুক্রবার যে স্বর্ণের মূল্য উল্লম্ফিত হয়েছিল, তার একটি অংশ আজ বাজার থেকে ফিরেছে। তিনি আরও বলেন, লেনদেন কম থাকায় এবং নতুন কোনো শক্তিশালী ইতিবাচক প্রভাব না থাকায় বিনিয়োগকারীরা মুনাফা তুলেছেন, যা স্বর্ণের দামের চাপ বৃদ্ধি করেছে।

যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্টস ডে এবং চীনে চন্দ্র নববর্ষ উপলক্ষে বাজার বন্ধ থাকাও এই হ্রাসে ভূমিকা রেখেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রম দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারিতে ভোক্তা মূল্যসূচক (সিপিআই) ০.২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, যা ডিসেম্বরের ০.৩ শতাংশ বৃদ্ধির তুলনায় কম। অর্থনীতিবিদরা জানুয়ারিতে ০.৩ শতাংশ বৃদ্ধির আশা করেছিলেন।

শিকাগো ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট অস্টান গুলসবি বলেন, সুদের হার ভবিষ্যতে কমতে পারে, তবে পরিসেবাখাতে মূল্যস্ফীতি এখনও তুলনামূলকভাবে বেশি রয়েছে। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, কেন্দ্রীয় ব্যাংক আগামী ১৮ মার্চের বৈঠকে সুদের হার অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নিতে পারে। চলতি বছরে মোট ৭৫ বেসিস পয়েন্ট সুদ কমানোর সম্ভাবনা থাকলেও প্রথম দফা কমানোর সম্ভাবনা জুলাই মাসে।

এছাড়া, ভূরাজনৈতিক অঙ্গনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য সামরিক অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে দেশটির দুই কর্মকর্তা জানিয়েছেন।

/আশিক


বিশ্ববাজারের প্রভাব পড়ল দেশের স্বর্ণবাজারে: আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৬ ১১:১৬:০০
বিশ্ববাজারের প্রভাব পড়ল দেশের স্বর্ণবাজারে: আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম
ছবি : সংগৃহীত

বিশ্ববাজারের প্রভাবের পাশাপাশি দেশের বাজারেও আবারও বেড়েছে স্বর্ণের দাম। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) ভরিপ্রতি ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়িয়ে নতুন দর ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নির্ধারিত এই সমন্বিত মূল্য সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) থেকে কার্যকর রয়েছে এবং পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এ দরেই স্বর্ণ বিক্রি হবে।

বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের দাম বেড়েছে। সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায় এনে নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

নতুন দর অনুযায়ী, প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকা। ২১ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি পড়বে ২ লাখ ৪৯ হাজার ১৪৩ টাকা। ১৮ ক্যারেট স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ১৩ হাজার ৫৭৮ টাকা। আর সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের ভরি বিক্রি হবে ১ লাখ ৭৪ হাজার ৭৮৫ টাকায়।

স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুস নির্ধারিত ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার নকশা ও মান অনুযায়ী মজুরির পরিমাণ কম-বেশি হতে পারে।

অন্যদিকে, স্বর্ণের দাম বাড়লেও দেশের বাজারে রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। বর্তমানে ২২ ক্যারেট রুপার ভরি বিক্রি হচ্ছে ৬ হাজার ৩৫৭ টাকায়। ২১ ক্যারেট রুপা ৬ হাজার ৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেট রুপা ৫ হাজার ১৯০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপা ভরিপ্রতি ৩ হাজার ৯০৭ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে।

চলতি বছরে এখন পর্যন্ত রুপার দামে ১৭ দফা সমন্বয় হয়েছে। এর মধ্যে ১০ বার দাম বেড়েছে এবং ৭ বার কমানো হয়েছে। আর ২০২৫ সালে রুপার দাম মোট ১৩ বার সমন্বয় করা হয়েছিল—যার মধ্যে ১০ বার বৃদ্ধি ও ৩ বার হ্রাস পায়।

/আশিক


টাকার মান কত? দেখে নিন ১৬ ফেব্রুয়ারির বৈদেশিক মুদ্রার সর্বশেষ রেট

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৬ ০৯:২৮:০২
টাকার মান কত? দেখে নিন ১৬ ফেব্রুয়ারির বৈদেশিক মুদ্রার সর্বশেষ রেট
ছবি : সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের প্রসারের সাথে সাথে প্রতিদিনের মুদ্রা বিনিময়ের হার জানা এখন সবার জন্যই অপরিহার্য। বিশেষ করে প্রবাসী শ্রমিক এবং ব্যবসায়ীদের জন্য এই হার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আজ সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬) বাংলাদেশি টাকার বিপরীতে বিশ্বের প্রধান কয়েকটি মুদ্রার বিনিময় হার ঘোষণা করা হয়েছে।

আজকের বাজারে প্রতি ইউএস ডলারের মান ১২২ টাকা ৩১ পয়সা এবং ইউরোর মান ১৪২ টাকা ৭৯ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এছাড়া ব্রিটিশ পাউন্ডের বিপরীতে বাংলাদেশি টাকা মিলছে ১৬৪ টাকা ৬১ পয়সা।

এশিয়ার জনপ্রিয় মুদ্রাগুলোর মধ্যে মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত আজ ৩০ টাকা এবং সিঙ্গাপুরি ডলার ৯৫ টাকা ৪২ পয়সায় লেনদেন হচ্ছে।

মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মধ্যে সৌদি রিয়াল ৩২ টাকা ৫৯ পয়সা এবং সর্বোচ্চ মানধারী কুয়েতি দিনার পাওয়া যাচ্ছে ৩৯৭ টাকা ৪৮ পয়সায়।

উল্লেখ্য যে, আন্তর্জাতিক বাজার ও ব্যাংক ভেদে এই বিনিময় হার যে কোনো সময় পরিবর্তন হতে পারে। প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স এবং দেশের জিডিপি হিসাব করার ক্ষেত্রে এই বিনিময় হারগুলো মানদণ্ড হিসেবে ব্যবহৃত হয়। টাকা পাঠানোর আগে অনুমোদিত ব্যাংক বা মানি এক্সচেঞ্জ থেকে সর্বশেষ রেট যাচাই করে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ।

/আশিক


আজকের মুদ্রার হার: ডলারের বিপরীতে টাকার মান কত? জেনে নিন বিনিময় হার

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৫ ১১:৫১:৫০
আজকের মুদ্রার হার: ডলারের বিপরীতে টাকার মান কত? জেনে নিন বিনিময় হার
ছবি : সংগৃহীত

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাওয়ায় বৈদেশিক মুদ্রার লেনদেনও বেড়েছে বহুগুণ। বিশেষ করে প্রবাসী শ্রমিকদের রেমিট্যান্স এবং আমদানিকারকদের জন্য মুদ্রার সঠিক বিনিময় হার জানা অত্যন্ত জরুরি।

আজ রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, টাকার বিপরীতে মার্কিন ডলারের বিনিময় হার দাঁড়িয়েছে ১২২ টাকা ৩১ পয়সা।

ইউরোপীয় ইউরোর মান ১৪৫ টাকা ১৮ পয়সা এবং ব্রিটিশ পাউন্ডের মান ১৬৬ টাকা ৯৬ পয়সা রেকর্ড করা হয়েছে।

প্রবাসীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মধ্যপ্রাচ্য ও এশিয়ার দেশগুলোর মুদ্রা বিনিময়ের হারও আজ বেশ স্থিতিশীল।

সৌদি রিয়াল আজ ৩২ টাকা ৬১ পয়সা এবং মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত ৩১ টাকা ৩০ পয়সা দরে লেনদেন হচ্ছে।

সিঙ্গাপুর ডলার ৯৬ টাকা ৯৭ পয়সা ও কুয়েতি দিনার ৩৯৮ টাকা ৯১ পয়সায় পৌঁছেছে।

এছাড়া প্রতিবেশী দেশ ভারতের রুপি ১ টাকা ৩৫ পয়সা এবং শ্রীলঙ্কান রুপি ২ টাকা ৫২ পয়সায় কেনাবেচা হচ্ছে।

আমদানিকারকদের জন্য প্রয়োজনীয় চীনা ইউয়ান রেনমিনবি আজ ১৭ টাকা ৭২ পয়সা এবং জাপানি ইয়েন ৮০ পয়সা হিসেবে লেনদেন হচ্ছে।

রেমিট্যান্স পাঠানো বা বৈদেশিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে এই সরকারি হারের কিছুটা তারতম্য হতে পারে ব্যাংকভেদে। তাই চূড়ান্ত লেনদেনের আগে নিকটস্থ ব্যাংকের সাথে যোগাযোগ করা বুদ্ধিমানের কাজ।

(সূত্র : গুগল)

পাঠকের মতামত: