০৫ জানুয়ারি আজকের মুদ্রা বিনিময় হার

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০৫ ১১:৩২:২১
০৫ জানুয়ারি আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
ছবি : সংগৃহীত

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান ব্যবসা-বাণিজ্য ও প্রবাসী আয়ের প্রবাহ স্বাভাবিক রাখতে মুদ্রা বিনিময়ের হার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সমন্বয় করে আজ সোমবার (৫ জানুয়ারি ২০২৬) বাংলাদেশি টাকার বিপরীতে বিভিন্ন দেশের মুদ্রার নতুন বিনিময় হার প্রকাশ করা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, ডলার ও পাউন্ডসহ প্রধান প্রধান মুদ্রার দরে সামান্য পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে।

আজকের সূচি অনুযায়ী, ১ ইউএস ডলারের বিনিময় হার ১২২ টাকা ৩০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। অন্যদিকে, ইউরোপীয় ইউরো ১৪৩ টাকা ৩৪ পয়সা এবং ব্রিটিশ পাউন্ড ১৬৪ টাকা ৬৬ পয়সা দরে লেনদেন হচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যের মুদ্রার মধ্যে সৌদি রিয়ালের দর ৩২ টাকা ৬৭ পয়সা এবং মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত ৩০ টাকা ৭ পয়সায় স্থিতিশীল রয়েছে। বিশ্বের সবচেয়ে দামী মুদ্রা কুয়েতি দিনারের বিনিময় হার আজ ৩৯৯ টাকা ২৩ পয়সা।

নিচে বিভিন্ন দেশের মুদ্রার সঙ্গে বাংলাদেশি টাকার বিনিময় হার তুলে ধরা হলো:

বৈদেশিক মুদ্রার নাম বাংলাদেশি টাকা (আজকের হার)
ইউএস ডলার ১২২.৩০ টাকা
ইউরোপীয় ইউরো ১৪৩.৩৪ টাকা
ব্রিটিশ পাউন্ড ১৬৪.৬৬ টাকা
সৌদি রিয়াল ৩২.৬৭ টাকা
কুয়েতি দিনার ৩৯৯.২৩ টাকা
মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত ৩০.০৭ টাকা
ভারতীয় রুপি ১.৩৫ টাকা
সিঙ্গাপুর ডলার ৯৫.১৬ টাকা
জাপানি ইয়েন ০.৭৭ টাকা

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক নির্ধারিত এই হার মূলত বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর জন্য নির্দেশক হিসেবে কাজ করে। তবে মানি এক্সচেঞ্জ বা খোলা বাজারে মুদ্রার কেনাবেচার ক্ষেত্রে এই দাম কিছুটা কম-বেশি হতে পারে। প্রবাসী আয় (রেমিট্যান্স) পাঠানোর ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলো সরকারের নির্ধারিত প্রণোদনা যুক্ত করে আরও আকর্ষণীয় রেট প্রদান করে থাকে। সংশ্লিষ্টদের লেনদেনের পূর্বে অনুমোদিত ব্যাংক বা মানি এক্সচেঞ্জ থেকে সর্বশেষ দর যাচাই করে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

(সূত্র : গুগল)


০৬ জানুয়ারি বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০৬ ১১:২১:০৮
০৬ জানুয়ারি বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
ছবি : সংগৃহীত

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান ব্যবসা-বাণিজ্য ও প্রবাসী আয়ের প্রবাহ সচল রাখতে প্রতিদিনের মুদ্রা বিনিময়ের হার একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আজ মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি ২০২৬) বাংলাদেশ ব্যাংক বৈদেশিক মুদ্রার নতুন বিনিময় হার ঘোষণা করেছে। নতুন এই হার অনুযায়ী, মার্কিন ডলার ও ব্রিটিশ পাউন্ডের বিপরীতে বাংলাদেশি টাকার মান স্থিতিশীল থাকলেও অন্যান্য কিছু মুদ্রার ক্ষেত্রে কিছুটা পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, আজ প্রতি মার্কিন ডলার ১২২ টাকা ৩০ পয়সায় বিনিময় হচ্ছে। এছাড়া ইউরোপীয় একক মুদ্রা ইউরোর দাম ১৪৩ টাকা ৩৭ পয়সা এবং ব্রিটিশ পাউন্ডের দাম ১৬৫ টাকা ৬০ পয়সা নির্ধারিত হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম জনপ্রিয় মুদ্রা সৌদি রিয়ালের দর আজ ৩২ টাকা ৪৮ পয়সা এবং কুয়েতি দিনারের মান ৩৯৬ টাকা ৬৭ পয়সায় দাঁড়িয়েছে।

প্রবাসী অধ্যুষিত দেশ মালয়েশিয়ার রিঙ্গিত আজ ৩০ টাকা ৫ পয়সা এবং সিঙ্গাপুর ডলার ৯৫ টাকা ১৬ পয়সায় লেনদেন হচ্ছে। প্রতিবেশী দেশ ভারতের রুপির মান আজ ১ টাকা ৩৫ পয়সা। জাপানি ইয়েন ৭৮ পয়সা এবং চীনা ইউয়ান রেনমিনবি ১৭ টাকা ৫১ পয়সায় কেনাবেচা হচ্ছে। আমদানিকারক ও প্রবাসীদের লেনদেনের সুবিধার্থে এই তালিকাটি অত্যন্ত সহায়ক হবে। তবে ব্যাংক ভেদে এবং স্থানভেদে এই হারের সামান্য তারতম্য হতে পারে বলে জানানো হয়েছে।

(সূত্র : গুগল)


আজকের স্বর্ণের দাম: ০৬ জানুয়ারি ২০২৬

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০৬ ১১:০৭:২৯
আজকের স্বর্ণের দাম: ০৬ জানুয়ারি ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

দেশের বাজারে মাত্র এক দিনের ব্যবধানে আবারও ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে স্বর্ণের দাম। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ হাজার ৯১৬ টাকা বাড়িয়েছে। ফলে আজ মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি ২০২৬) থেকে ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণ কিনতে ক্রেতাদের গুনতে হবে ২ লাখ ২৭ হাজার ৮৫৬ টাকা। সোমবার (৫ জানুয়ারি) রাতে বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের এক সভায় এই দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বাজুস জানিয়েছে যে স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ বা পাকা স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় অলঙ্কারের বাজারেও এর প্রভাব পড়েছে। নতুন তালিকা অনুযায়ী, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ ২ লাখ ১৭ হাজার ৫৩৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৬ হাজার ৪৪৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫৫ হাজার ৪২৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে ক্রেতাদের মনে রাখতে হবে যে স্বর্ণের এই বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুস নির্ধারিত ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি বাধ্যতামূলকভাবে যুক্ত করতে হবে।

স্বর্ণের পাশাপাশি এবার রুপার দামেও বড় পরিবর্তন এসেছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৩৮৫ টাকা বাড়িয়ে ৫ হাজার ৯২৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া ২১ ক্যারেট রুপার দাম ৫ হাজার ৬৫৭ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৪ হাজার ৮৪১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ৩ হাজার ৬৩৯ টাকা করা হয়েছে। উল্লেখ্য যে গত ২০২৫ সালে স্বর্ণের দাম মোট ৯৩ বার এবং রুপার দাম ১৩ বার সমন্বয় করা হয়েছিল। চলতি বছরের মাত্র পাঁচ দিনেই স্বর্ণের দাম তিনবার সমন্বয় করার ঘটনা বাজারের অস্থিতিশীলতাকেই স্পষ্ট করে তুলছে।


স্বর্ণের বাজারে আগুন: মঙ্গলবার থেকে কার্যকর হচ্ছে নতুন দাম

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০৫ ২১:৪৯:২১
স্বর্ণের বাজারে আগুন: মঙ্গলবার থেকে কার্যকর হচ্ছে নতুন দাম
ছবি : সংগৃহীত

দেশের বাজারে মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে আবারও ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে স্বর্ণের দাম। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ হাজার ৯১৬ টাকা বাড়িয়েছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি ২০২৬) থেকে ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণ কিনতে ক্রেতাদের গুনতে হবে ২ লাখ ২৭ হাজার ৮৫৬ টাকা। সোমবার বিকেলে বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের এক জরুরি সভায় এই দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বাজুস জানিয়েছে যে স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ বা পাকা স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় অলঙ্কারের বাজারেও এর প্রভাব পড়েছে। নতুন তালিকা অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৭ হাজার ৮৫৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে ক্রেতাদের মনে রাখতে হবে যে স্বর্ণের এই বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুস নির্ধারিত ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি বাধ্যতামূলকভাবে যুক্ত করতে হবে। অর্থাৎ ভ্যাট ও মজুরি মিলিয়ে প্রকৃত ক্রয়মূল্য আরও বাড়বে। গয়নার নকশা ও মান অনুযায়ী মজুরির হার ভিন্ন হতে পারে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

চলতি ২০২৬ সালের মাত্র পাঁচ দিনের মাথায় এটি স্বর্ণের দামের তৃতীয় দফা সমন্বয়। এর মধ্যে দুইবার দাম বাড়ানো হলো এবং একবার কমানো হয়েছিল। উল্লেখ্য যে বিগত ২০২৫ সালেও স্বর্ণের বাজারে ব্যাপক অস্থিরতা ছিল। গত বছর মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল, যার মধ্যে ৬৪ বারই ছিল দাম বাড়ানোর ঘটনা আর ২৯ বার কমানো হয়েছিল। আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতা এবং স্থানীয় চাহিদার প্রেক্ষিতে স্বর্ণের দাম এভাবে দফায় দফায় বাড়ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।


আজকের স্বর্ণের দাম: ০৫ জানুয়ারি ২০২৬

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০৫ ০৯:৫০:৩৭
আজকের স্বর্ণের দাম: ০৫ জানুয়ারি ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

টানা তিন দফা কমার পর বছরের শুরুতেই ফের উর্ধ্বমুখী হয়ে উঠেছে স্বর্ণের বাজার। আজ সোমবার (৫ জানুয়ারি ২০২৬) থেকে সারা দেশে স্বর্ণের নতুন ও বর্ধিত মূল্য কার্যকর হয়েছে। গতকাল রবিবার (৪ জানুয়ারি) বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানিয়েছে যে, ভরিতে স্বর্ণের দাম ২,২১৬ টাকা বৃদ্ধি করা হয়েছে। এর ফলে এখন থেকে মানভেদে প্রতি ভরি স্বর্ণ কিনতে ক্রেতাদের গুনতে হবে ২ লাখ ২৪ হাজার ৯৪০ টাকা পর্যন্ত।

বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ স্থায়ী কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (বিশুদ্ধ স্বর্ণ) সরবরাহ ও দাম বেড়ে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে এই সমন্বয় করা হয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম এখন ২ লাখ ২৪ হাজার ৯৪০ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেট ২ লাখ ১৪ হাজার ৭৩৪ টাকা, ১৮ ক্যারেট ১ লাখ ৮৪ হাজার ৫৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের ভরি দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৫৩ হাজার ৩২৩ টাকায়। তবে স্বর্ণের দাম বাড়লেও রুপার দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) বছরের প্রথম দিনেই স্বর্ণের দাম ভরিতে ১,৪৫৮ টাকা কমানো হয়েছিল। সেই সময় ২২ ক্যারেটের ভরি ছিল ২ লাখ ২২ হাজার ৭২৪ টাকা। তবে মাত্র চার দিনের ব্যবধানে দাম আবার বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ ক্রেতা ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। বাজুস মনে করিয়ে দিয়েছে যে, স্বর্ণের বিক্রয় মূল্যের সঙ্গে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুস কর্তৃক নির্ধারিত সর্বনিম্ন ৬ শতাংশ মজুরি চার্জ বাধ্যতামূলকভাবে যোগ করতে হবে।

উল্লেখ্য, ২০২৫ সালে রেকর্ড সংখ্যক ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস, যার মধ্যে ৬৪ বারই ছিল বৃদ্ধির খবর। ২০২৬ সালের শুরুতেই দামের এই উর্ধ্বগতি নির্দেশ করছে যে আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় উভয় বাজারেই স্বর্ণের দামের অস্থিরতা বজায় থাকতে পারে। বিশেষ করে বিয়ের মৌসুমে স্বর্ণের এই চড়া দাম মধ্যবিত্ত পরিবারের কেনাকাটায় বড় ধরণের প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন বাজার বিশ্লেষকরা।


কেন হঠাৎ আবার বাড়ল স্বর্ণের মূল্য

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০৪ ২২:২১:২৯
কেন হঠাৎ আবার বাড়ল স্বর্ণের মূল্য
ছবি: সংগৃহীত

দেশের স্বর্ণবাজারে আবারও বড় ধরনের মূল্যবৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে। স্থানীয় বাজারে মূল্যবান ধাতু স্বর্ণের দামে নতুন করে উল্লম্ফনের ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এই সিদ্ধান্তের ফলে আগামীকাল সোমবার (৫ জানুয়ারি) থেকে সারা দেশে স্বর্ণালংকার কিনতে ক্রেতাদের আগের তুলনায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বেশি অর্থ ব্যয় করতে হবে।

বাজুসের সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সবচেয়ে ভালো মানের ২২ ক্যারেট স্বর্ণের এক ভরির দাম এক লাফে ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়ানো হয়েছে। এর ফলে নতুন বাজারদর দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ২৪ হাজার ৯৪০ টাকা প্রতি ভরি, যা দেশের স্বর্ণবাজারে নতুন রেকর্ডমূল্যের কাছাকাছি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। রোববার (৪ জানুয়ারি) রাতে সংগঠনটির জারি করা এক জরুরি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই মূল্য সমন্বয়ের তথ্য জানানো হয়।

বাজুস জানিয়েছে, দেশের বাজারে বর্তমানে তেজাবি স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের দাম ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে। স্থানীয় কাঁচামাল বাজারে এই মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব সরাসরি গয়নার দামে পড়ছে। সার্বিক বাজার পরিস্থিতি, বিশেষ করে জোগান ও চাহিদার ভারসাম্য বিবেচনা করেই নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

সংগঠনটির পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দামের ওঠানামা, ডলার বিনিময় হার এবং স্থানীয় বাজারে কাঁচামালের প্রাপ্যতা—এই তিনটি বিষয় একত্রে দেশের স্বর্ণবাজারকে প্রভাবিত করছে। ফলে অভ্যন্তরীণ বাজারে দাম স্থিতিশীল রাখতে নিয়মিত সমন্বয় করতে হচ্ছে।

রোববার রাতে সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হলেও নতুন এই দর সোমবার (৫ জানুয়ারি) সকাল থেকে কার্যকর হবে। পরবর্তী কোনো ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত সারা দেশের জুয়েলারি দোকানগুলোতে এই নতুন দরের ভিত্তিতেই স্বর্ণ কেনাবেচা চলবে। বাজুসের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দোকানিরা নির্ধারিত দরের বাইরে অতিরিক্ত দাম নিতে পারবেন না।

-রাফসান


কোন কোন দেশের হাতে সবচেয়ে বেশি সোনা আছে

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০৪ ১৭:১৩:৪৯
কোন কোন দেশের হাতে সবচেয়ে বেশি সোনা আছে
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্ব অর্থনীতি যখন একাধিক অনিশ্চয়তার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে মুদ্রাস্ফীতি, যুদ্ধ, নিষেধাজ্ঞা, ডলারনির্ভরতার সংকট ও ভূরাজনৈতিক মেরুকরণ ঠিক তখনই স্বর্ণ আবারও কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর কাছে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ‘নিরাপদ সম্পদ’ হিসেবে গুরুত্ব পাচ্ছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বহু দেশ তাদের বৈদেশিক মুদ্রা রিজার্ভের কাঠামো পুনর্বিন্যাস করে স্বর্ণের অংশ বাড়িয়েছে। সর্বশেষ কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর প্রকাশিত তথ্যে এই প্রবণতা স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র: স্বর্ণভাণ্ডারে একক আধিপত্য

বিশ্বের যেকোনো দেশের তুলনায় সবচেয়ে বড় স্বর্ণ মজুদ রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের হাতে। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে প্রায় ৮,১৩৩ টন স্বর্ণ সংরক্ষিত আছে। এই বিশাল ভাণ্ডার শুধু অর্থনৈতিক সম্পদ নয়, বরং ডলারের বৈশ্বিক আধিপত্যের নীরব ভিত্তি হিসেবেও কাজ করে। আন্তর্জাতিক আর্থিক ব্যবস্থায় আস্থা সংকট দেখা দিলে যুক্তরাষ্ট্রের এই স্বর্ণ রিজার্ভ দেশটির মুদ্রা ও ঋণযোগ্যতার প্রতি আস্থাকে দৃঢ় রাখে।

ইউরোপীয় শক্তিগুলো: ঐতিহাসিক আস্থার প্রতিফলন

ইউরোপীয় দেশগুলোর মধ্যে জার্মানি, ইতালি ও ফ্রান্স স্বর্ণ রিজার্ভের দিক থেকে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে।জার্মানির কাছে বর্তমানে প্রায় ৩,৩৫০ টন, ইতালির কাছে ২,৪৫২ টন এবং ফ্রান্সের কাছে ২,৪৩৭ টন স্বর্ণ রয়েছে। ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো ঐতিহাসিকভাবেই স্বর্ণকে আর্থিক স্থিতিশীলতার প্রতীক হিসেবে বিবেচনা করে এসেছে। ইউরোজোন সংকট, কোভিড-পরবর্তী মন্দা ও সাম্প্রতিক ভূরাজনৈতিক টানাপোড়েন এই প্রবণতাকে আরও জোরালো করেছে।

রাশিয়া: নিষেধাজ্ঞার জবাবে স্বর্ণ কৌশল

রাশিয়ার স্বর্ণ রিজার্ভ বর্তমানে প্রায় ২,৩৩০ টন। ইউক্রেন যুদ্ধের পর পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা আরোপিত হওয়ার পর রাশিয়া পরিকল্পিতভাবে ডলার ও ইউরো সম্পদ কমিয়ে স্বর্ণের ওপর নির্ভরতা বাড়িয়েছে। অর্থনীতিবিদদের মতে, এটি একটি কৌশলগত ‘ডিডলারাইজেশন’ উদ্যোগ, যা বৈশ্বিক আর্থিক ব্যবস্থায় যুক্তরাষ্ট্রনির্ভরতার বিকল্প তৈরি করার চেষ্টা।

চীন: ভবিষ্যৎ আর্থিক শক্তির প্রস্তুতি

এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে সক্রিয়ভাবে স্বর্ণ সঞ্চয় করছে চীন। সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, চীনের স্বর্ণ মজুদ দাঁড়িয়েছে প্রায় ২,৩০৪ টন। বিশ্লেষকদের মতে, চীন ডলারের আধিপত্য কমিয়ে নিজস্ব মুদ্রা ও আর্থিক ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে নিয়মিত স্বর্ণ কিনছে। এই কৌশল ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক মুদ্রা ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়।

দক্ষিণ এশিয়া: ভারতের শক্ত অবস্থান, বাংলাদেশের সীমাবদ্ধতা

দক্ষিণ এশিয়ায় স্বর্ণ রিজার্ভে শীর্ষে রয়েছে ভারত, যার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে প্রায় ৮৮০ টন স্বর্ণ রয়েছে। ভারতের ক্ষেত্রে স্বর্ণ শুধু রিজার্ভ নয়, বরং সাংস্কৃতিক ও আর্থিক সম্পদের অংশ।

অন্যদিকে বাংলাদেশের স্বর্ণ মজুদ মাত্র ১৪ দশমিক ২৮ টন। এটি দেশের সামগ্রিক বৈদেশিক মুদ্রা রিজার্ভের তুলনায় খুবই সীমিত। অর্থনীতিবিদরা মনে করেন, বাংলাদেশের রিজার্ভ কাঠামো এখনো মূলত বৈদেশিক মুদ্রানির্ভর এবং স্বর্ণভিত্তিক বৈচিত্র্য খুব কম।

মধ্যপ্রাচ্য: তেলনির্ভরতা থেকে নিরাপদ সম্পদে ঝোঁক

মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মধ্যে তুরস্ক উল্লেখযোগ্যভাবে স্বর্ণ বাড়িয়েছে এবং বর্তমানে তাদের রিজার্ভ প্রায় ৬৪১ টন। সৌদি আরব, ইরাক, কুয়েত ও লিবিয়ার স্বর্ণ মজুদ তুলনামূলকভাবে কম হলেও ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পাচ্ছে। তেলনির্ভর অর্থনীতির ঝুঁকি কমাতে এসব দেশ স্বর্ণকে বিকল্প নিরাপদ সম্পদ হিসেবে দেখছে।

ছোট অর্থনীতি ও উদীয়মান দেশগুলো: ধাপে ধাপে রিজার্ভ বৈচিত্র্য

লাতিন আমেরিকা, আফ্রিকা ও ছোট ইউরোপীয় দেশগুলোর স্বর্ণ রিজার্ভ তুলনামূলকভাবে কম হলেও অনেক দেশ ধীরে ধীরে স্বর্ণ কিনছে। কাজাখস্তান, উজবেকিস্তান, ব্রাজিল ও ফিলিপাইনের মতো দেশগুলো সাম্প্রতিক সময়ে তাদের স্বর্ণ ভাণ্ডার বাড়িয়েছে, যা ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক ঝুঁকি মোকাবিলার প্রস্তুতির অংশ।

কেন আবার গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে স্বর্ণ

বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান বিশ্ব ব্যবস্থায় স্বর্ণের গুরুত্ব বাড়ার পেছনে কয়েকটি প্রধান কারণ রয়েছে ডলারনির্ভরতার ঝুঁকি, বৈশ্বিক ঋণের চাপ, মুদ্রাস্ফীতি, যুদ্ধ ও নিষেধাজ্ঞা। স্বর্ণ কোনো দেশের রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভরশীল নয় এবং এটি সহজে নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনা যায় না। ফলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর কাছে এটি এখন আবার ‘শেষ ভরসার সম্পদ’ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

সূত্রঃ ট্রেডিং ইকোনোমিক্স


নতুন বছরেই বড় ধাক্কা: রান্নার গ্যাসের দাম নিয়ে দুঃসংবাদ

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০৪ ১৭:০২:৪১
নতুন বছরেই বড় ধাক্কা: রান্নার গ্যাসের দাম নিয়ে দুঃসংবাদ
ছবি : সংগৃহীত

নতুন বছরের শুরুতেই সাধারণ ভোক্তাদের জন্য দুঃসংবাদ নিয়ে এল বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। ১২ কেজি ওজনের তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) সিলিন্ডারের দাম এবার ৫৩ টাকা বাড়ানো হয়েছে। আজ রবিবার (৪ জানুয়ারি ২০২৬) বিইআরসি কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংস্থার চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ এই নতুন মূল্যের ঘোষণা দেন। আজ সন্ধ্যা থেকেই কার্যকর হতে যাওয়া এই নির্দেশনায় বেসরকারি পর্যায়ে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ২৫৩ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ হাজার ৩০৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বিইআরসি জানায়, গত ডিসেম্বর মাসেও এলপিজির দাম ৩৮ টাকা বাড়ানো হয়েছিল, এবার তা আরও এক ধাপ বৃদ্ধি পেল। নতুন সমন্বয় অনুযায়ী, মূসকসহ বেসরকারি এলপিজির প্রতি কেজির দাম এখন ১০৮ টাকা ৮৩ পয়সা, যা গত মাসে ছিল ১০৪ টাকা ৪১ পয়সা। অর্থাৎ প্রতি কেজিতে দাম বেড়েছে ৪ টাকা ৪২ পয়সা। সিলিন্ডারের ওজনের ভিত্তিতে ৫.৫ কেজি থেকে ৪৫ কেজি পর্যন্ত সকল সিলিন্ডারের দামই এই হারে বৃদ্ধি পাবে। তবে সরকারের সরবরাহ করা সাড়ে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম আগের মতোই ৮২৫ টাকায় অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।

রান্নার গ্যাসের পাশাপাশি যানবাহনে ব্যবহৃত অটোগ্যাসের দামও বাড়ানো হয়েছে। অটোগ্যাসের দাম প্রতি লিটারে ২ টাকা ৪৮ পয়সা বাড়িয়ে ৫৯ টাকা ৮০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা গত মাসে ছিল ৫৭ টাকা ৩২ পয়সা। বিইআরসি চেয়ারম্যান জানান, আন্তর্জাতিক বাজারে এলপিজির প্রধান কাঁচামাল প্রোপেন ও বিউটেনের দাম নির্ধারণকারী প্রতিষ্ঠান সৌদি আরামকোর 'সৌদি সিপি' (কার্গো মূল্য) বৃদ্ধি পাওয়ায় দেশে এই মূল্য সমন্বয় করা অপরিহার্য হয়ে পড়েছিল। আমদানিকারকদের ইনভয়েস মূল্য এবং ডলারের বিনিময় হার বিবেচনা করে এই দাম চূড়ান্ত করা হয়েছে।

উল্লেখ্য যে, ২০২১ সালের এপ্রিল মাস থেকে বিইআরসি নিয়মিতভাবে প্রতি মাসে এলপিজির দাম সমন্বয় করে আসছে। তবে শীতকালীন চাহিদার এই সময়ে গ্যাসের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত পরিবারগুলোর ওপর বাড়তি চাপের সৃষ্টি হবে বলে মনে করছেন বাজার বিশ্লেষকরা। নতুন এই দর কার্যকর হওয়ার পর খুচরা বাজারে কৃত্রিম সংকট রোধে বিইআরসি কঠোর নজরদারির হুঁশিয়ারি দিয়েছে।


৪ জানুয়ারি আজকের মুদ্রা বিনিময় হার

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০৪ ১১:৫০:১৮
৪ জানুয়ারি আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
ছবি : সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক মুদ্রাবাজারের সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, আজ রবিবার (৪ জানুয়ারি ২০২৬) প্রধান বিদেশি মুদ্রাগুলোর বিনিময় হারে বেশ বৈচিত্র্য দেখা গেছে। সপ্তাহের শুরুতে ইউরোপীয় মুদ্রা ইউরো এবং ব্রিটিশ পাউন্ডের বাজারে এক ধরণের স্থিতিশীলতা থাকলেও অন্যান্য আঞ্চলিক মুদ্রার দামে কিছুটা হেরফের লক্ষ্য করা গেছে।

আজকের বাজারে ইউরোর ক্রয়মূল্য ছিল ১৪৩.৩২ টাকা এবং বিক্রয়মূল্য ছিল ১৪৩.৩৬ টাকা। অন্যদিকে ব্রিটিশ পাউন্ডের দাপট লক্ষ্য করা গেছে, যার সর্বোচ্চ বিক্রয়মূল্য পৌঁছেছে ১৬৪.৬৮ টাকায়।

প্রবাসী বাংলাদেশি এবং আমদানিকারকদের জন্য সিঙ্গাপুর ডলার এবং অস্ট্রেলিয়ান ডলারের রেট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আজ সিঙ্গাপুর ডলারের বিক্রয়মূল্য নির্ধারিত হয়েছে ৯৫.১৩ টাকা এবং অস্ট্রেলিয়ান ডলারের রেট ছিল ৮১.৮৭ টাকা।

জাপানি ইয়েনের বাজার দর কিছুটা কম থাকলেও ০.৭৮ পয়সা দরে এটি লেনদেন হচ্ছে।

কানাডিয়ান ডলারের বিক্রয়মূল্য আজ ৮৯.১১ টাকা। উত্তর ইউরোপীয় মুদ্রা সুইডিশ ক্রোনা (SEK) ১৩.২৯ টাকা দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে।

এশীয় অঞ্চলের অন্যান্য মুদ্রার মধ্যে ভারতীয় রুপির (INR) বিপরীতে টাকার মান প্রায় স্থিতিশীল রয়েছে, যার বিক্রয়মূল্য আজ ১.৩৫৯১ টাকা।

শ্রীলঙ্কান রুপি (LKR) ২.৫৩ টাকা

চীনা মুদ্রা ইউয়ান (CNH) ১৭.৫৫ টাকা দরে কেনাবেচা হচ্ছে।

উল্লেখ্য যে, ব্যাংক ও মানি এক্সচেঞ্জ ভেদে এই রেট কিছুটা কম-বেশি হতে পারে। প্রবাসীদের রেমিট্যান্স পাঠানোর আগে নিকটস্থ ব্যাংকের অনলাইন রেট বা বর্তমান বাজার দর যাচাই করে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

সূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংক


নতুন বছরে স্বর্ণের বাজারে বড় পরিবর্তন, আজ থেকে সোনার দর নিম্নমুখী

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০৪ ১০:৪০:০৩
নতুন বছরে স্বর্ণের বাজারে বড় পরিবর্তন, আজ থেকে সোনার দর নিম্নমুখী
ছবি : সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) সরবরাহ বৃদ্ধি এবং দাম কমে যাওয়ায় দেশের বাজারেও স্বর্ণের দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন বছরের প্রথম দিন অর্থাৎ ১ জানুয়ারি (বৃহস্পতিবার) রাতে এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য জানানো হয়। তবে সাপ্তাহিক ছুটি ও বাজার সমন্বয়ের কারণে নতুন এই মূল্যতালিকা আজ রবিবার (৪ জানুয়ারি ২০২৬) থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হচ্ছে।

নতুন দর অনুযায়ী, সবচেয়ে ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৪৫৮ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২২ হাজার ৭২৪ টাকা। এর আগে এর দাম ছিল ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের স্বর্ণের নতুন দাম হয়েছে ২ লাখ ১২ হাজার ৬৩৫ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের দাম ১ লাখ ৮২ হাজার ২৫০ টাকা। সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ এখন থেকে বিক্রি হবে ১ লাখ ৫১ হাজার ৮০৭ টাকায়। বাজুস জানিয়েছে, স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সাথে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং নূন্যতম ৬ শতাংশ মজুরি বাধ্যতামূলকভাবে যুক্ত হবে।

স্বর্ণের পাশাপাশি রুপার বাজারেও বড় পতন লক্ষ করা গেছে। ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম ৫২৪ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ হাজার ৫৪১ টাকা। ২১ ক্যারেটের রুপার নতুন দাম ৫ হাজার ৩০৭ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের দাম ৪ হাজার ৫৪৯ টাকা। নিম্নমুখী এই বাজার দর বিয়ের মৌসুমে ক্রেতাদের মধ্যে বিশেষ স্বস্তি নিয়ে আসবে বলে মনে করছেন জুয়েলারি ব্যবসায়ীরা। বাজুস নির্ধারিত এই নতুন মূল্যের সঠিকতা নিশ্চিত করতে প্রতিটি জুয়েলারি দোকানে মেমো যাচাই করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

পাঠকের মতামত:

ব্যক্তিগত দায় বনাম প্রাতিষ্ঠানিক দায়: দায়মুক্তির এক রাজনৈতিক সংস্কৃতি

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জের ঘটনা কাগজে পড়লে প্রথমে মনে হয় এটা যেন কোনো যুদ্ধের খবর। এক তরুণকে বিদ্যুতের খুঁটিতে বেঁধে হাত–পা প্রায়... বিস্তারিত