ঢাকা-১৫ জামায়াত আমিরের বিপক্ষে নামলেন যে বিএনপি প্রার্থী

ঢাকা-১৫ আসনে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক তৎপরতা দ্রুত বাড়ছে। এই আসন থেকে বিএনপির মনোনীত সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ঢাকা মহানগর যুবদলের নেতা শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন। একই সঙ্গে একই আসনে নির্বাচন করতে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও দাখিল করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। ফলে রাজধানীর এই গুরুত্বপূর্ণ আসনে একাধিক প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের অংশগ্রহণে নির্বাচনী লড়াই বাড়তি গুরুত্ব পাচ্ছে।
সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত নির্বাচনি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (ইটিআই) ভবনে ঢাকা-১৩ ও ঢাকা-১৫ আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. ইউনুচ আলীর কাছে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হয়। মো. ইউনুচ আলী একই সঙ্গে ঢাকার আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করছেন। মনোনয়ন দাখিলের সময় সংশ্লিষ্ট প্রার্থী ও তাঁদের সমর্থকেরা উপস্থিত ছিলেন।
মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পর জামায়াতের আমিরের মতো প্রভাবশালী প্রার্থীর বিপক্ষে নির্বাচন করতে কোনো চাপ অনুভব করছেন কি না জানতে চাইলে বিএনপি প্রার্থী শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন বলেন, তিনি বিএনপির পক্ষ থেকেই নির্বাচন করছেন এবং এ বিষয়ে তিনি কোনো ধরনের চাপ বোধ করছেন না। তিনি জানান, গণতান্ত্রিক প্রতিযোগিতার অংশ হিসেবেই তিনি নির্বাচনী মাঠে নেমেছেন এবং ভোটারদের সমর্থনের ওপরই তিনি আস্থা রাখছেন।
ঢাকা-১৫ আসনে শুধু বিএনপি ও জামায়াত নয়, আরও কয়েকটি রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা বা সংগ্রহ করেছেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির আলমগীর ফেরদৌস, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের এস এম ফজলুল হক, গণফোরামের একেএম শফিকুল ইসলাম, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির ডা. আহাম্মদ সাজেদুল হক রুবেল, স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. তানজিল ইসলাম এবং খান শোয়েব আমান উল্লাহ।
-রফিক
ড. ইউনূসসহ সব উপদেষ্টাকে রাজপথে নামার ডাক দিলেন নাহিদ ইসলাম
বিদায়ী অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কার উদ্যোগগুলো রক্ষায় সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ তৎকালীন সকল উপদেষ্টাকে রাজপথে নামার ডাক দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। পবিত্র ওমরাহ পালন শেষে শনিবার (৪ এপ্রিল ২০২৬) দুপুরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই বিস্ফোরক আহ্বান জানান।
নাহিদ ইসলাম বলেন, ৫ আগস্টের পর যে রক্তের বিনিময়ে সংস্কারের স্বপ্ন দেখা হয়েছিল, বর্তমান বিএনপি সরকার গণভোটের রায় উপেক্ষা করে এবং গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশগুলো আইনে পরিণত না করে সেই স্বপ্ন ধূলিসাৎ করছে। বিশেষ করে গুম প্রতিকার, মানবাধিকার কমিশন এবং বিচারপতি নিয়োগ অধ্যাদেশ বাতিল করে সরকার পুনরায় একটি স্বৈরতান্ত্রিক ব্যবস্থার দিকে হাঁটছে বলে তিনি তীব্র সমালোচনা করেন।
নাহিদ ইসলাম সরাসরি ড. ইউনূস ও আসিফ নজরুলসহ সাবেক উপদেষ্টাদের উদ্দেশ্য করে বলেন, তারা যে সংস্কারের অধ্যাদেশগুলো করেছিলেন, সেগুলো এখন বাতিল হচ্ছে অথচ তারা মুখ খুলছেন না। তিনি অভিযোগ করেন যে, একটি 'ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং'-এর মাধ্যমে বিএনপির হাতে ক্ষমতা দিয়ে তারা নিজেদের ক্যারিয়ারে ফিরে যেতে পারেন না।
সংসদের ভেতরে উপযুক্ত সমাধান না পাওয়ায় রাজপথেই এখন এর ফয়সালা করতে হবে উল্লেখ করে তিনি জানান, ড. ইউনূসসহ সাবেক উপদেষ্টাদেরও এই দায় নিতে হবে এবং প্রয়োজনে সাধারণ মানুষের সাথে রাজপথে আন্দোলনে অংশ নিতে হবে। বর্তমান অর্থনৈতিক মন্দা এবং মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে সৃষ্ট পরিস্থিতি মোকাবিলায় জাতীয় ঐক্যের বদলে বিএনপি সরকার জনগণের আস্থা হারাচ্ছে বলেও তিনি হুশিয়ারি দেন।
/আশিক
তারেক রহমানের নিয়ন্ত্রণ কার হাতে? হাসনাত আব্দুল্লাহর রহস্যময় পোস্ট
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দেশ পরিচালনা এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের স্বাধীনতা নিয়ে এক বিস্ফোরক প্রশ্ন তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ। শনিবার (৪ এপ্রিল ২০২৬) বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই রাজনৈতিক বিতর্ক উসকে দেন।
হাসনাত আব্দুল্লাহ তার পোস্টে গত ২৯ নভেম্বরের একটি বক্তব্যের উদ্ধৃতি টেনে উল্লেখ করেন যে, সেই সময় তারেক রহমান দেশে ফেরার আকুতি জানালেও বলেছিলেন যে এটি তার একক সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে না। এমপির প্রশ্ন, গত ২৫ ডিসেম্বর দলের অনেকের দ্বিমত থাকা সত্ত্বেও তিনি যখন দেশে ফিরলেন, তখন সেই সিদ্ধান্তটি আসলে কাদের ছিল এবং গুম ও মানবাধিকার অধ্যাদেশ বাতিলের মতো স্পর্শকাতর বিষয়েও কি সেই অদৃশ্য শক্তির প্রভাব রয়েছে?
ফেসবুক পোস্টে হাসনাত আব্দুল্লাহ সরাসরি জানতে চান, তারেক রহমান কি প্রকৃতপক্ষেই নিজের স্বাধীন সিদ্ধান্তে দেশ পরিচালনা করতে পারছেন, নাকি নেপথ্যে এমন কেউ রয়েছেন যাদের সাধারণ জনগণ চেনে না। তিনি আরও গভীর প্রশ্ন তোলেন যে, দেশে ফেরার মতো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে যদি অন্যদের প্রভাব থাকে, তবে দেশ পরিচালনার ক্ষেত্রেও কি তিনি সেই একই শক্তির দ্বারা প্রভাবিত হচ্ছেন?
সবশেষে এনসিপির এই নেতা সেই নেপথ্যের কারিগরদের পরিচয় স্পষ্ট করার দাবি জানান, যাদের সিদ্ধান্তের ওপর তারেক রহমানের দেশে ফেরা থেকে শুরু করে বর্তমান সরকারের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশ বাতিলের মতো বিষয়গুলো নির্ভর করছে বলে তিনি মনে করেন। তার এই স্ট্যাটাসটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায় এবং রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনার জন্ম দেয়।
/আশিক
উত্তাল রাজধানী! গণভোটের রায়ে সরকারের বাধার মুখে ১১ দলের বিক্ষোভ
গণভোটের রায়ের বিরুদ্ধে সরকারি দলের অবস্থানের প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে উঠেছে রাজধানী ঢাকা। আজ শনিবার (৪ এপ্রিল ২০২৬) বিকেল সোয়া ৫টায় বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের উত্তর গেটে ১১ দলীয় ঐক্যের উদ্যোগে এক বিশাল বিক্ষোভ সমাবেশ শুরু হয়েছে।
পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে শুরু হওয়া এই সমাবেশে যোগ দিতে দুপুরের পর থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে নেতা-কর্মীরা খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে জড়ো হতে থাকেন। আন্দোলনকারীদের হাতে ‘জুলাই সনদ বাস্তবায়ন চাই’ ও ‘গণভোট মানতে হবে’ লেখা সম্বলিত শত শত প্ল্যাকার্ড দেখা গেছে, যেখান থেকে সরকারবিরোধী ও গণভোটের স্বপক্ষে তীব্র স্লোগান দেওয়া হচ্ছে।
সমাবেশে ১১ দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ সরকারের কঠোর সমালোচনা করে অভিযোগ করেন যে, সরকারি দল সংসদ পরিচালনায় চরমভাবে ব্যর্থ হয়েছে এবং তারা দেশের গণতন্ত্রের ওপর একতরফা ফ্যাসিবাদী প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা চালাচ্ছে। তিনি আরও হুশিয়ারি দিয়ে বলেন যে, জনস্বার্থ রক্ষা এবং জনগণের রায় প্রতিষ্ঠিত করতে রাজপথের আপসহীন আন্দোলন ছাড়া আর কোনো বিকল্প নেই।
এর আগে গত বুধবার বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এক সংবাদ সম্মেলনে সরকারি দলের কর্মকাণ্ডে বিস্ময় ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন। তিনি অভিযোগ করেন যে, জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত গণভোটের রায়কে বর্তমান সরকার সুকৌশলে উপেক্ষা করছে। এই প্রতিবাদে সংহতি জানিয়ে সংসদের ষষ্ঠ দিনে জামায়াত নেতৃত্বাধীন বিরোধী দলগুলো সংসদ থেকে ওয়াকআউট করেছে, যা দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও ঘোলাটে করে তুলেছে।
/আশিক
আন্দোলন ছাড়া আর পথ নেই: সংবাদ সম্মেলনে জামায়াত আমির
জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান ঘোষণা করেছেন যে, সংবিধান সংস্কারের চূড়ান্ত রায়ে জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন না ঘটায় এখন আন্দোলনের পথই তাদের একমাত্র বিকল্প। বুধবার (১ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে ‘জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ-২০২৫’ সংক্রান্ত নোটিশের ওপর দুই ঘণ্টার আলোচনা শেষে স্পিকারের পক্ষ থেকে কোনো সিদ্ধান্ত না আসায় সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই হুশিয়ারি দেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “আমরা সংসদের ভেতরেই সমাধান চেয়েছিলাম এবং জনগণের রায়কে সম্মান জানাতে চেয়েছিলাম। কিন্তু স্পিকার ও সরকারি দল তা গ্রহণ না করে জনগণের অভিপ্রায়কে অবমূল্যায়ন করেছে।” তিনি উল্লেখ করেন যে, অতীতের তিনটি গণভোটে জনগণের রায় যথাযথভাবে গ্রহণ করা হলেও এবার সরকারি ও বিরোধী দল একমত থাকা সত্ত্বেও তা উপেক্ষিত হয়েছে।
এই অন্যায় সিদ্ধান্তের প্রতিবাদেই তারা সংসদ থেকে ওয়াকআউট করেছেন। তবে তিনি স্পষ্ট করে জানান, তারা সংসদ ‘গিভ আপ’ করেননি, বরং জনগণের দাবি আদায়ে সংসদের অংশ হিসেবেই লড়াই চালিয়ে যাবেন।
সংবাদ সম্মেলনে বিরোধীদলীয় নেতা আরও জানান, জামায়াতসহ ১১টি দল দ্রুত বৈঠকে বসে পরবর্তী আন্দোলনের কর্মসূচি নির্ধারণ করবে। তিনি দৃঢ়তার সাথে বলেন, “জনগণকে সঙ্গে নিয়ে ইনশাআল্লাহ আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। এই আন্দোলন কোনো দল বা ব্যক্তির স্বার্থে নয়, বরং দেশের রাজনৈতিক চরিত্র রক্ষা ও প্রকৃত সংবিধান সংস্কারের স্বার্থে।”
এর আগে সংসদে আলোচনার পর স্পিকারের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিরোধী দল ওয়াকআউট করলে স্পিকার জানান, একটি মুলতবি প্রস্তাব বিবেচনাধীন রয়েছে এবং সেখানে তারা তাদের উত্তর পাবেন। তবে বিরোধী দল সেই আশ্বাসে সন্তুষ্ট না হয়ে আন্দোলনের পথ বেছে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।
/আশিক
সংখ্যাগরিষ্ঠরা ভণ্ডামি করছে: সংসদ ছেড়ে ফেসবুকে বিস্ফোরক হাসনাত আব্দুল্লাহ
জাতীয় সংসদ অধিবেশনে সংবিধান সংস্কার পরিষদের সভা ডাকার বিষয়ে কোনো সুরাহা না হওয়ায় এবং প্রস্তাব নিয়ে সৃষ্ট টানাপোড়েনের প্রতিবাদে সংসদ থেকে ওয়াকআউট করেছে বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি। এই ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এনসিপি নেতা হাসনাত আবদুল্লাহর একটি পোস্ট রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
সংসদ অধিবেশন চলাকালীন সংবিধান সংস্কারের প্রস্তাবটি 'চাপা দেওয়ার' অভিযোগ তুলে বিরোধী দলগুলো তাদের অসন্তোষ প্রকাশ করে। এর পরপরই কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ তাঁর ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে একটি স্ট্যাটাস দেন। সেখানে তিনি সরাসরি অভিযোগ করে লেখেন, ‘Hypocrisy by Majority- where truth and pretension are infused.’ অর্থাৎ, সংখ্যাগরিষ্ঠদের ভণ্ডামিতে সত্য এবং ছদ্মবেশ মিলেমিশে একাকার হয়ে গেছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, হাসনাত আবদুল্লাহ এখানে ‘সংখ্যাগরিষ্ঠ’ বলতে সংসদে থাকা সরকারি দল বা ট্রেজারি বেঞ্চকেই ইঙ্গিত করেছেন। সংবিধান সংস্কার পরিষদের সভা ডাকার বিষয়ে কোনো প্রতিকার না পেয়ে বিরোধী শিবিরের এই ক্ষোভ সংসদীয় কার্যক্রমে নতুন করে উত্তাপ ছড়িয়েছে। জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপির এই ওয়াকআউট এবং পরবর্তী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রতিক্রিয়া বর্তমান রাজনৈতিক মেরুকরণকে আরও স্পষ্ট করে তুলল।
/আশিক
মুক্তিযুদ্ধ আমাদের পরিবারের রক্ত আছে: সংসদে আবেগঘন জামায়াতের আমির
জাতীয় সংসদের অধিবেশনে জামায়াতের আমির ও বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের একটি মন্তব্য রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশনে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি নিজেকে 'শহীদ পরিবারের সন্তান' হিসেবে দাবি করেছেন। মূলত গণভোট ও জুলাই সনদ নিয়ে আলোচনার সূত্রপাত করতে গিয়ে তিনি এই ব্যক্তিগত পরিচয় তুলে ধরেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫৪ বছর পার হলেও মানুষের পূর্ণ আকাঙ্ক্ষা এখনো বাস্তবায়িত হয়নি। স্পিকারকে সম্বোধন করে তিনি বলেন, "আপনি একজন গর্বিত বীর মুক্তিযোদ্ধা, বীর বিক্রম। আমিও ক্ষুদ্র একটি শহীদ পরিবারের সন্তান।" তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, মুক্তিযুদ্ধে যারা জীবন দিয়েছিলেন, তার পরিবারের সদস্যদের রক্তও সেই তালিকায় মিশে আছে।
এর আগে বিভিন্ন সময়ে তিনি নিজেকে শহীদ পরিবারের সদস্য হিসেবে পরিচয় দিলেও, জাতীয় সংসদের ফ্লোরে দাঁড়িয়ে এবারই প্রথম এমন দাবি করলেন তিনি। তার এই বক্তব্য সংসদ সদস্য ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মধ্যে কৌতূহল সৃষ্টি করেছে, কারণ জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতার মুখ থেকে এ ধরনের পারিবারিক পরিচয় রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
/আশিক
নিয়ম সবসময় শাসকের অনুসারী: হাসনাত আবদুল্লাহ
কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ জাতীয় সংসদের অধিবেশনে বক্তব্য দিতে গিয়ে নিয়মের জটিলতা ও সংসদীয় মারপ্যাঁচে পড়া নিয়ে নিজের ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। রোববার (২৯ মার্চ) বিকেলে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে যোগ দিয়ে তিনি এই চাঞ্চল্যকর মন্তব্য করেন। স্পিকারের উদ্দেশে তিনি বলেন, নিয়মের বেড়াজালে কখনো কখনো যেমন স্পিকারকে আটকে দেওয়া হয়, তেমনি সংসদ সদস্যদেরও নানা সীমাবদ্ধতার মুখোমুখি হতে হয়। হাসনাত আবদুল্লাহর মতে, নিয়ম সবসময় শাসকদের অনুকূলে চলে; যখন তা পক্ষে থাকে তখন তাকে নিয়ম বলা হয়, আর বিপক্ষে গেলে তাকে প্রথা বা ‘কাস্টম’ হিসেবে অভিহিত করা হয়। সাংবিধানিক ও অসাংবিধানিক যুক্তির মারপ্যাঁচে সংসদ বর্তমানে ঘুরপাক খাচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন।
সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ তার নির্বাচনী এলাকা দেবীদ্বারের ১ লাখ ৭২ হাজার ভোটারের আস্থার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে এলাকার একটি জনগুরুত্বপূর্ণ সমস্যার কথা তুলে ধরেন। তিনি জানান, দেবীদ্বার থেকে চান্দিনা পর্যন্ত বিস্তৃত সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন প্রায় ২ লাখ মানুষ যাতায়াত করে। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখজনক বিষয় হলো, গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটির প্রস্থ মাত্র ১২ ফুট। সংকীর্ণ হওয়ার কারণে এই রাস্তায় দুটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা একসঙ্গে পার হতেও প্রচণ্ড সমস্যায় পড়ে। সড়কটি ওই এলাকার ১১টি ইউনিয়নের মধ্য দিয়ে যাওয়ার ফলে যাতায়াতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।
বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে হাসনাত আবদুল্লাহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করে জানান, এই সড়কটি প্রশস্ত করা গেলে ওই অঞ্চলের ইউনিয়নগুলোতে শিল্প-কারখানা ও কোল্ড স্টোরেজসহ বিভিন্ন অবকাঠামো গড়ে তোলা সম্ভব হবে, যা স্থানীয়দের জন্য ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করবে। এছাড়া ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সাথে সংযুক্ত এই সড়কটি উন্নত করা হলে কুমিল্লা, ঢাকা ও সিলেটের মধ্যে যাতায়াতের দূরত্ব প্রায় ৪০ কিলোমিটার কমে আসবে। সার্বিক অর্থনৈতিক ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের স্বার্থে ১২ ফুটের এই সংকীর্ণ সড়কটিকে একটি পূর্ণাঙ্গ হাইওয়েতে রূপান্তরের জন্য তিনি স্পিকারের মাধ্যমে জোরালো আবেদন জানান।
/আশিক
সংসদ কি তার প্রেক্ষাপট ভুলে যাচ্ছে? অধিবেশনে নাহিদ ইসলামের কড়া সমালোচনা
জাতীয় সংসদের বর্তমান কার্যক্রমে ‘জুলাই সনদ’ ও ‘গণভোট’-এর আকাঙ্ক্ষার কোনো প্রতিফলন নেই বলে তীব্র সমালোচনা করেছেন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। রোববার (২৯ মার্চ) বিকেলে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশনে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এই মন্তব্য করেন। নাহিদ ইসলাম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এই সংসদটি যে বিশেষ প্রেক্ষাপটে গঠিত হয়েছে, সেই ইতিহাস যেন সবাই ভুলে যেতে বসেছে। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি যে গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছিল, বর্তমান সংসদের দৈনন্দিন কার্যক্রম দেখলে মনে হয় তেমন কিছুই ঘটেনি।
বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ দাবি করেন, সংসদের নিয়মিত ও সাধারণ সব কার্যক্রমের চেয়ে জনগুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হিসেবে ‘গণভোট’ এবং ‘জুলাই সনদ বাস্তবায়ন’ আদেশের ওপর আলোচনার বিষয়টি অগ্রাধিকার পাওয়া উচিত। তিনি মনে করেন, এই বিষয়টি অন্য যেকোনো জাতীয় ইস্যুর তুলনায় সবচেয়ে বেশি গুরুত্বের দাবি রাখে এবং দ্রুত এর একটি যৌক্তিক সুরাহা হওয়া প্রয়োজন। এই বিষয়গুলোর যথাযথ সমাধান নিশ্চিত করার পরই সংসদের রুটিনমাফিক কাজগুলো পরিচালনা করা সংগত হবে বলে তিনি সংসদকে অবহিত করেন।
বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে নাহিদ ইসলাম জানান যে, সংসদীয় বিধি মোতাবেক বিরোধীদলীয় নেতার পক্ষ থেকে ইতিমধ্যে একটি আনুষ্ঠানিক নোটিশ জমা দেওয়া হয়েছে। তিনি স্পিকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে গণভোট ও জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশের ওপর আগে আলোচনা শুরু করা হোক। হাউসের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, বিরোধী দলের পক্ষ থেকে দেওয়া এই নোটিশটি গুরুত্ব সহকারে গ্রহণ করে আলোচনার সুযোগ দেওয়া হোক।
/আশিক
সংসদে ইনসাফ থাকলে দেশজুড়ে ন্যায়বিচার সম্ভব: ডা. শফিকুর রহমান
জাতীয় সংসদ যদি ইনসাফ বা ন্যায়বিচারের ভিত্তিতে পরিচালিত হয়, তবে পুরো দেশেও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব—এমন আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। রবিবার (২৯ মার্চ ২০২৬) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন। নবনিযুক্ত ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালকে অভিনন্দন জানিয়ে তিনি সংসদকে দেশের সব কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করার আহ্বান জানান।
ডা. শফিকুর রহমান ডেপুটি স্পিকারের নিরপেক্ষতার প্রতিশ্রুতির ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, “এই চেয়ারটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ইনসাফের একটি চেয়ার। আপনি যে নিরপেক্ষতার বার্তা দিয়েছেন এবং যার যা পাওনা তাকে সেভাবে দেওয়ার কথা বলেছেন, বাংলাদেশের জনগণ ঠিক এটাই কামনা করে।” তিনি ডেপুটি স্পিকারকে আশ্বস্ত করে জানান, সংসদীয় কার্যক্রমে তাঁর নেওয়া সকল সংগত পদক্ষেপে বিরোধী দলের পক্ষ থেকে পূর্ণ সহযোগিতা প্রদান করা হবে।
ডেপুটি স্পিকারের বিনয়ী আহ্বানের প্রতিধ্বনি তুলে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, মানুষ হিসেবে ভুল হওয়া স্বাভাবিক এবং দায়িত্ব পালনকালে কোনো বিচ্যুতি ঘটলে তা নির্দ্বিধায় ও নিঃসঙ্কোচে শুধরে দেওয়ার দায়িত্ব পালন করবে বিরোধী দল। তিনি বিশ্বাস করেন, ইনসাফের ভিত্তিতে সংসদ পরিচালনা করতে পারলে দেশের প্রতিটি স্তরেই এর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। পরিশেষে, তিনি ডেপুটি স্পিকারের সুস্বাস্থ্য ও নেক হায়াত কামনা করে তাঁর বক্তব্য শেষ করেন।
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- আজকের শেয়ারবাজারে কারা সবচেয়ে বেশি লোকসানে
- আজকের বাজারে কারা এগিয়ে, দেখুন শীর্ষ তালিকা
- যুদ্ধ থামাতে পাকিস্তানের দুই ধাপের পরিকল্পনা, কী আছে এতে
- ১৮ হাজার মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে হাহাকার, লোডশেডিংয়ে জনজীবন বিপর্যস্ত
- সতর্ক হোন! ডায়াবেটিসের এই লক্ষণগুলো অবহেলা করলে বাড়ছে বড় ঝুঁকি
- ফুটবল বিশ্বকে চমকে দেওয়া আল্টিমেটাম: বিশ্বকাপে কি দেখা যাবে না ইরানকে?
- মধ্যপ্রাচ্যে ৪৫ দিনের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব: শান্তির পথে কি হাঁটছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান?
- হুমকির শেষে আল্লাহর নাম: ট্রাম্পের বিতর্কিত পোস্ট ঘিরে বাড়ছে উত্তেজনা
- তেহরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ভয়াবহ বিমান হামলা, লক্ষ্যবস্তু বিশ্ববিদ্যালয়
- যৌথ হামলায় নিহত ইরানি শীর্ষ কমান্ডার: উত্তপ্ত মধ্যপ্রাচ্য
- তেলের বাজারে আগুনের সংকেত: ১৯৭০-এর রেকর্ড ভাঙতে পারে বর্তমান সংকট
- আজহারীর পর এবার শায়খ আহমাদুল্লাহ! অস্ট্রেলিয়ার ভিসা বাতিল
- টানা ৪ বার বাড়ার পর অবশেষে কমল স্বর্ণের দাম!
- ঢাকার কোন কোন এলাকার মার্কেট বন্ধ? জেনে নিন তালিকা
- দুপুর ১টার মধ্যে ৬০ কিমি বেগে ঝড়! ৫ জেলায় বিশেষ সতর্কবার্তা
- ৬ এপ্রিল ২০২৬: সোমবারের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সঠিক সময়
- চিরতরে বদলে গেল হরমুজ প্রণালি! ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বন্ধ হচ্ছে পথ?
- জ্বালানি সংকটে বড় স্বস্তি! চট্টগ্রাম বন্দরে এলএনজি ও তেলবাহী ৪ জাহাজ
- দৈনিক গড়ে এক হাজার কোটি! প্রবাসীদের পাঠানো আয়ে রেকর্ডের ছড়াছড়ি
- হৃৎস্পন্দনই এখন আপনার পাসওয়ার্ড! ডিজিটাল নিরাপত্তায় নতুন বিপ্লব
- দৈনিক আজাদ বাণী পত্রিকার ৩০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
- গুমের অপরাধীরা আইনের ফাঁক দিয়ে পার পাবে না: আইনমন্ত্রী
- এক রণাঙ্গনে লড়াই, তিন রণাঙ্গনে জয়! শহীদ ইমামের কালজয়ী সংগ্রামের মহাকাব্য
- ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম! ইরানকে গুঁড়িয়ে দেওয়ার হুমকি ডোনাল্ড ট্রাম্পের
- কুমিল্লার দেবীদ্বার গৃহবধূকে শ্লীলতাহানির চেষ্টার অভিযোগে এনসিপি নেতা গ্রেপ্তার
- বোর্ডে অস্থিরতা: ৬ মাসেই ৭ পরিচালকের পদত্যাগ, তবুও অনড় বিসিবি সভাপতি
- রামাত হোভাভে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের হানা! জ্বলছে ইসরায়েলি শিল্পাঞ্চল
- সড়কে তরুণদের সবুজ উদ্যোগ মুরাদনগরে সড়কের দুই পাশে ২০০ বৃক্ষ রোপণ
- তারেক রহমানের কার্যালয়ে বড় নিয়োগ! দায়িত্ব পেলেন দুই বিশ্বস্ত মুখ
- জয় শাহর সঙ্গে লবিং! বিসিবি নিয়ে আসিফ মাহমুদের বিস্ফোরক অভিযোগ
- ইরানের নতুন দফার হামলা শুরু! ইসরায়েলে বাজছে সাইরেন ও হাহাকার
- দোকানপাট ও শপিংমলের সময়সূচিতে বড় পরিবর্তন! আজ থেকেই কার্যকর
- শিলাবৃষ্টির সাথে ঝোড়ো হাওয়া! ১৫ জেলায় আবহাওয়ার বিশেষ বার্তা
- পাইলট উদ্ধারে যৌথ হামলা! ইরানের মাটিতে মার্কিন-ইসরায়েলি কমান্ডোরা
- আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- আজকের শেয়ারবাজারে বেশি লোকসানে যেসব কোম্পানি
- আজকের শেয়ারবাজারে এগিয়ে কোন শেয়ারগুলো
- অনলাইন ক্লাস কি আসছে? যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী
- তারেক রহমানের সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ, বৈঠকে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা
- হাসপাতালে ট্রাম্প, না কি গুজব? সত্য জানাল হোয়াইট হাউস
- যেসব শিশুকে দেওয়া যাবে না হামের টিকা! স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সতর্কতা
- ৬০ কিমি বেগে ঝড় আসছে! ঢাকাসহ ১৬ জেলায় কালবৈশাখীর সতর্কতা
- এবার সংঘাত হবে কলকাতা পর্যন্ত! ভারতকে চরম হুমকি পাকিস্তানের
- ধর্মকে পুঁজি করে রাজনীতির অপচেষ্টা চলছে: মির্জা ফখরুল
- ইরানের কমান্ডোদের হানা! আকাশে গুঁড়িয়ে গেল মার্কিন সি-১৩০ বিমান
- বিদ্যুৎ বিল নিয়ে দুশ্চিন্তা? মাস শেষে বিদ্যুৎ বিল কমানোর সহজ উপায়
- কুয়েতে ইরানের ‘ক্রিমিনাল আগ্রাসন’! জ্বালানি অবকাঠামোয় ভয়াবহ আঘাত
- গ্রিন কার্ড বাতিল! যুক্তরাষ্ট্রে কাসেম সোলেমানির স্বজনদের গ্রেপ্তার
- হামলা হলে ‘নরকের দ্বার’ খুলে যাবে! যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের চরম হুঁশিয়ারি
- সোনায় সোহাগা নয়, আগুনের ছোঁয়া! ভরিতে নতুন রেকর্ড উচ্চতা
- ভারতের বিপক্ষে মহাযুদ্ধ! কাল সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপের মেগা ফাইনাল
- স্বর্ণের দামে নতুন রেকর্ড, ভরিতে বেড়েছে যত
- ৩১ মার্চ ডিএসই: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- ইরানের পক্ষে লড়বে চেচেন যোদ্ধারা! কাদিরভ বাহিনীর ‘জিহাদ’ ঘোষণা
- কালিগঞ্জে কাটুনিয়া রাজবাড়ী কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুল ওয়াহাব চূড়ান্ত বরখাস্ত
- চীনের ৫ দফা প্রস্তাব! ইরান যুদ্ধ থামাতে বেইজিং-ইসলামাবাদ ঐতিহাসিক চুক্তি
- আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- শেষ ৪ মিনিটের ঝড়ে উড়ে গেল ক্রোয়েশিয়া! ব্রাজিলের বিধ্বংসী জয়
- ৩০ মার্চ ডিএসই: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- ০১ এপ্রিল ডিএসই: দরপতনে এগিয়ে ১০ কোম্পানি
- ০১ এপ্রিল ডিএসই: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- দুই দশক পর ফিরল হামের আতঙ্ক: শিশুদের সুরক্ষায় নতুন সতর্কবার্তা
- এক লাফে ভরিতে বাড়ল ৩ হাজার ২৬৬ টাকা: স্বর্ণের বাজারে আগুন
- ৩ এপ্রিল: আজকের নামাজের সময়সূচি








