শীতের আগে থেকেই যে ৫টি অভ্যাস পরিবর্তন করা জরুরি

সঠিক খাদ্যাভ্যাস ও শরীরচর্চার মাধ্যমে শীতে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো সম্ভব। তাই জীবনযাপনে এই পরিবর্তনগুলো আনা জরুরি:
১. পর্যাপ্ত পানি পান: শীতের ঠান্ডা আবহাওয়ায় অনেকেই পানি কম পান করেন, যা ডিহাইড্রেশন বা পানিশূন্যতা তৈরি করতে পারে। সুস্থ থাকতে পর্যাপ্ত পানি পান করার বিকল্প নেই।
২. সকালের খাবার মিস করবেন না: সুস্থ থাকতে সকালে অবশ্যই পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে। ব্রেকফাস্ট না করলে শরীরে এনার্জি কমে যায়, রক্তে শর্করার মাত্রা কমে যেতে পারে এবং গ্যাসের সমস্যাও দেখা দিতে পারে।
৩. মেপে খান কফি: অতিরিক্ত কফি পান করলে ডিহাইড্রেশন, অ্যাংজাইটি, বদহজম এবং ঘুমের সমস্যা দেখা দিতে পারে। অতিরিক্ত ক্যাফেইন শরীরের তাপমাত্রাও বাড়িয়ে দেয়। তাই কফি পানে লাগাম টানুন।
৪. জাঙ্ক ও প্রসেসড ফুড এড়িয়ে চলুন: ফাস্টফুড ও প্যাকেটজাত খাবার সব ঋতুতেই স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকারক। এসব খাবারে বেশি ক্যালরি, সুগার ও ফ্যাট থাকে, যা ওজন বাড়ায়। রান্না এড়াতেও এসব প্রসেসড ফুড খাওয়া থেকে বিরত থাকুন।
৫. অ্যালকোহল পরিহার: শীতকালে বিভিন্ন উৎসব-আয়োজন বেড়ে যায়। এসময় অ্যালকোহল শরীরের তাপমাত্রা কমিয়ে দেয়, যা শীতে গুরুতর স্বাস্থ্য সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। সুস্থ থাকতে অ্যালকোহল গ্রহণের অভ্যাস এড়িয়ে চলুন।
হাড়কাঁপানো শীতে রোগ প্রতিরোধে তুলসী চায়ের জাদুকরী সব গুণ
পৌষের কনকনে শীত আর ঘন কুয়াশার প্রকোপ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘরে ঘরে সর্দি-কাশি, গলা ব্যথা এবং নাক বন্ধের মতো সমস্যা নিত্যসঙ্গী হয়ে উঠেছে। শীতকালীন এই ভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে এবং দ্রুত সুস্থ হতে প্রাকৃতিকভাবে তুলসী চা এক দারুণ সমাধান। আয়ুর্বেদ বিশেষজ্ঞদের মতে তুলসী পাতায় রয়েছে শক্তিশালী অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল, অ্যান্টি-ভাইরাল ও অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি গুণ যা কেবল সর্দি-কাশি উপশমই করে না বরং শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকেও বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।
শীতকালে বাতাসে আর্দ্রতা ও ধূলিকণার আধিক্য থাকায় ভাইরাস দ্রুত ছড়ায়। নিয়মিত তুলসী চা পান করলে ফুসফুসের কফ পরিষ্কার হতে সাহায্য করে এবং শ্বাসপ্রশ্বাসের অস্বস্তি দূর হয়। এতে থাকা বিশেষ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের বিষাক্ত উপাদান দূর করে ভেতর থেকে উষ্ণতা জোগায়। বিশেষ করে যারা দীর্ঘস্থায়ী খুসখুসে কাশি বা গলা ব্যথায় ভুগছেন তাদের জন্য এক কাপ গরম তুলসী চা তাৎক্ষণিক আরামদায়ক হতে পারে।
তুলসী চা বানানো অত্যন্ত সহজ। এক কাপ পানিতে ৬-৭টি তাজা তুলসী পাতা ভালো করে ফুটিয়ে নিয়ে এর সাথে আদা, লবঙ্গ বা দারুচিনি যোগ করলে এর গুণাগুণ আরও বৃদ্ধি পায়। সবশেষে চিনি পরিহার করে সামান্য মধু মিশিয়ে পান করা সবচেয়ে উপকারী। দিনে অন্তত দুই কাপ এই চা পান করলে শীতকালীন সংক্রমণ থেকে সুরক্ষা পাওয়া সম্ভব। তবে গর্ভবতী নারী বা বিশেষ শারীরিক জটিলতা সম্পন্ন ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে নিয়মিত তুলসী চা গ্রহণের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
সূত্র : আনন্দবাজার
হাড়কাঁপানো শীতে ঘর হবে উষ্ণ: জানুন গিজার ও হিটারের বাজারদর
সারাদেশে শীতের তীব্রতা চরমে পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গে জনজীবনে কনকনে ঠান্ডার দাপট অনুভূত হচ্ছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী আগামী দিনগুলোতে তাপমাত্রা আরও কমার সম্ভাবনা থাকায় দৈনন্দিন কাজে স্বস্তি পেতে সাধারণ মানুষ এখন ঝুঁকছেন আধুনিক প্রযুক্তি পণ্যের দিকে। বিশেষ করে ঘরকে উষ্ণ রাখতে রুম হিটার এবং গরম পানির সুবিধা পেতে গিজারের চাহিদা বর্তমানে তুঙ্গে রয়েছে। দেশের প্রধান ইলেকট্রনিক্স বাজারগুলোতে এখন দেশি-বিদেশি নানা ব্র্যান্ডের গিজার ও হিটারের ছড়াছড়ি দেখা যাচ্ছে।
বর্তমানে বাজারে ৩০ লিটার থেকে শুরু করে ৬০ লিটার ধারণক্ষমতার গিজার বেশ জনপ্রিয়। ছোট পরিবারের জন্য ৩০ লিটারের গিজার সাশ্রয়ী হলেও বড় পরিবারের চাহিদা মেটাতে ৬০ লিটারের গিজার কেনাই বুদ্ধিমানের কাজ যার গড় দাম ১৭ হাজার টাকার আশেপাশে। গিজারের ক্ষেত্রে এখন ডিজিটাল ও অ্যানালগ দুই ধরণের সংস্করণই পাওয়া যাচ্ছে। ডিজিটাল গিজারের সুবিধা হলো এতে পানির তাপমাত্রা সুনির্দিষ্টভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায় অন্যদিকে দেশি অ্যানালগ গিজারগুলোতে পানি গরম হলে স্বয়ংক্রিয় সিগন্যাল লাইটের ব্যবস্থা থাকে। কেনার সময় পরিবারের সদস্য সংখ্যা বুঝে সঠিক লিটার এবং ওয়ারেন্টির বিষয়টি নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।
অন্যদিকে রুম হিটার কেনার ক্ষেত্রে হিটারের ওয়াট এবং রুমের আয়তনের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। সাধারণ মানের রুম হিটার ১ হাজার টাকা থেকে শুরু হলেও উন্নতমানের প্রিমিয়াম মডেলগুলো ৪ হাজার টাকা পর্যন্ত হতে পারে। একটি দুই হাজার ওয়াট সক্ষমতার থার্মোস্ট্যাট সম্পন্ন হিটার সাধারণত ৪৪০ বর্গফুট পর্যন্ত জায়গা উষ্ণ রাখতে সক্ষম। বড় ফ্ল্যাটের ক্ষেত্রে একাধিক হিটার ব্যবহারের পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। তবে সরাসরি স্টেডিয়াম মার্কেট বা নিউমার্কেটের মতো বড় বাজার থেকে কিনলে দামাদামি করে সাশ্রয়ী মূল্যে পণ্য সংগ্রহের সুযোগ থাকে। অনলাইন থেকে কেনার ক্ষেত্রে অবশ্যই আগের ক্রেতাদের রিভিউ এবং সার্ভিস সেন্টারের সুবিধা যাচাই করে নেওয়া উচিত।
কনকনে ঠান্ডায় পানিভীতি কাটানোর উপায়: গোসল হবে এখন উপভোগ্য
পৌষের কনকনে ঠান্ডায় অনেকের দৈনন্দিন রুটিনে সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায় গোসল। হাড়কাঁপানো শীতে পানি ছোঁয়ার ভয়ে অনেকেই সপ্তাহের পর সপ্তাহ গোসল এড়িয়ে চলেন। তবে চিকিৎসকদের মতে গোসল পুরোপুরি বন্ধ করে দিলে শরীরে ময়লা ও ব্যাকটেরিয়া জমে ত্বকের নানা সমস্যা তৈরি হতে পারে। এই ‘দুর্ভোগ’ থেকে মুক্তি পেতে এবং গোসলকে আনন্দদায়ক করতে হালকা গরম পানি হতে পারে আপনার প্রধান সঙ্গী। তবে খেয়াল রাখতে হবে পানি যেন অতিরিক্ত গরম না হয় কারণ তা ত্বকের প্রাকৃতিক তেল নষ্ট করে খসখসে ভাব বাড়িয়ে দেয়।
শীতকালীন গোসলের ক্ষেত্রে দীর্ঘ সময় ব্যয় না করে ১০ থেকে ১২ মিনিটের মধ্যে তা শেষ করা বুদ্ধিমানের কাজ। গোসলের অন্তত পাঁচ মিনিট আগে শরীরে নারকেল তেল বা অলিভ অয়েল মেখে নিলে ত্বকের ওপর একটি সুরক্ষা স্তর তৈরি হয় যা পানি লাগলেও শরীরকে অতিরিক্ত শুষ্ক হতে দেয় না। যারা খুব ভোরে গোসল করতে হিমশিম খান তারা দুপুরের সময়টি বেছে নিতে পারেন। সরাসরি মাথায় পানি না ঢেলে প্রথমে হাত-পা ভিজিয়ে শরীরকে তাপমাত্রার সাথে মানিয়ে নিতে দেওয়া জরুরি। এতে শরীর হুট করে ‘শকে’ চলে যাওয়ার ঝুঁকি কমে যায়।
গোসল শেষে ত্বক আর্দ্র রাখতে তিন মিনিটের মধ্যেই ভালো মানের ময়েশ্চারাইজার বা লোশন ব্যবহার করা প্রয়োজন। যারা কোনোভাবেই গোসল করতে পারছেন না তাদের জন্য ‘হট টাওয়েল বাথ’ বা গরম ভেজা তোয়ালে দিয়ে শরীর মুছে নেওয়া একটি কার্যকর বিকল্প হতে পারে। বিশেষ করে শরীরের স্পর্শকাতর অংশগুলো নিয়মিত পরিষ্কার রাখা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। গোসলের আগে সামান্য ফ্রি-হ্যান্ড ব্যায়াম করে শরীর গরম করে নিলে ঠান্ডার তীব্রতা অনেকটা কম অনুভূত হয়। এই ছোট ছোট কৌশলগুলো মেনে চললে শীতের গোসল আর ভয়ের কারণ হয়ে থাকবে না।
শীতের রাতে হঠাৎ শ্বাসকষ্ট: ইনহেলার না থাকলে যা করা জরুরি
পৌষের হাড়কাঁপানো শীতে রাজধানীসহ সারা দেশে হাঁপানি বা শ্বাসকষ্টজনিত রোগীর সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে। কনকনে ঠান্ডা বাতাস, কুয়াশা এবং ধুলোবালির কারণে অনেকেরই হঠাৎ করে শ্বাস নিতে সমস্যা শুরু হয়। বিশেষ করে রাতে শোয়ার পর বুকে চাপ অনুভব করা বা কাশির আধিক্য দেখা দিলে রোগীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। চিকিৎসকদের মতে, এমন জরুরি পরিস্থিতিতে যদি হাতের কাছে ইনহেলার না থাকে, তবে সঠিক কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করলে বড় বিপদ থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব।
হঠাৎ হাঁপানির টান উঠলে রোগীকে কখনোই শুইয়ে দেওয়া যাবে না; বরং পিঠ টানটান করে সোজা হয়ে বসাতে হবে। ঝুঁকে বসলে ফুসফুসে বাতাসের যাতায়াত আরও বাধাগ্রস্ত হতে পারে। এরপর নাক দিয়ে দীর্ঘ শ্বাস নিয়ে মুখ দিয়ে ধীরে ধীরে ছাড়ার অভ্যাস করতে হবে, যাকে ‘ব্রেদিং এক্সারসাইজ’ বলা হয়। এটি ফুসফুসের কার্যক্ষমতা কিছুটা স্বাভাবিক করতে সাহায্য করে। এছাড়া এক কাপ হালকা গরম পানি বা গ্রিন টি পান করলে শ্বাসনালির কফ কিছুটা পাতলা হয় এবং শ্বাস নিতে আরাম বোধ হয়।
তবে গরম পানির ভাপ বা স্টিম ইনহেলেশন নেওয়ার সময় সতর্ক থাকতে হবে। পানিতে কোনো উগ্র সুগন্ধি বা এসেনশিয়াল অয়েল না মেশানোই ভালো, কারণ এটি অ্যালার্জি বাড়িয়ে দিতে পারে। যদি দেখা যায় রোগীর কথা বলতে প্রচণ্ড কষ্ট হচ্ছে, ঠোঁট বা নখ নীলচে হয়ে আসছে কিংবা হাত-পা ঠান্ডা হয়ে যাচ্ছে, তবে এক মুহূর্ত দেরি না করে নিকটবর্তী হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিতে হবে। শীতের এই সময়ে হাঁপানি রোগীদের ধুলোবালি ও উগ্র সুগন্ধি এড়িয়ে চলা এবং সবসময় গরম কাপড় ও মাস্ক ব্যবহারের পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।
নাগরিকত্ব পেতে চান? জানুন কোন কোন দেশে খুব সহজে নাগরিকত্ব পাওয়া যায়
বিনিয়োগ, বিয়ে কিংবা বংশসূত্রের ভিত্তিতে বিশ্বের অনেক দেশেই এখন দ্বৈত নাগরিকত্ব পাওয়ার পথ সুগম হয়েছে। অনেক সময় পছন্দের দেশে নাগরিকত্ব পাওয়া কঠিন মনে হলেও কিছু কিছু দেশ বিদেশি নাগরিকদের জন্য এই প্রক্রিয়া অত্যন্ত সহজ করে দিয়েছে। নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করতে পারলেই এসব দেশের পাসপোর্ট হাতে পাওয়া সম্ভব, যা অনেক ক্ষেত্রে শক্তিশালী ভ্রমণ সুবিধা ও করমুক্ত আয়ের সুযোগ তৈরি করে। চলুন দেখে নেওয়া যাক এমন পাঁচটি দেশ সম্পর্কে যেখানে নাগরিকত্ব পাওয়া অপেক্ষাকৃত সহজ।
ইউরোপের দেশ আয়ারল্যান্ডে নাগরিকত্ব পাওয়ার অন্যতম সহজ মাধ্যম হলো বংশানুক্রম। যদি কারও বাবা-মা কিংবা দাদা-দাদির মধ্যে কেউ আইরিশ নাগরিক হন, তবে তিনি খুব সহজেই আইরিশ পাসপোর্টের জন্য আবেদন করতে পারেন। এ ক্ষেত্রে কোনো কঠিন ভাষা পরীক্ষার প্রয়োজন হয় না এবং দ্বৈত নাগরিকত্ব বহাল রাখা যায়। আবার ক্যারিবিয়ান দ্বীপদেশ ডোমিনিকা বিনিয়োগের মাধ্যমে নাগরিকত্ব পাওয়ার জন্য সারা বিশ্বে জনপ্রিয়। দেশটির অর্থনৈতিক তহবিলে কিংবা রিয়েল এস্টেটে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করলে মাত্র কয়েক মাসের মধ্যে দেশটির পাসপোর্ট পাওয়া সম্ভব, যা দিয়ে বিশ্বের ১৪০টির বেশি দেশে ভিসামুক্ত যাতায়াত করা যায়।
বিনিয়োগকারীদের জন্য আরও একটি আকর্ষণীয় গন্তব্য হলো তুরস্ক। কমপক্ষে চার লাখ মার্কিন ডলার মূল্যের স্থাবর সম্পত্তি বা রিয়েল এস্টেট কিনলে কয়েক মাসের মধ্যেই তুর্কি নাগরিকত্ব পাওয়া যায়। এ ক্ষেত্রে দেশটিতে স্থায়ীভাবে বসবাসের কোনো বাধ্যবাধকতা নেই এবং নিজের আসল জাতীয়তাও ত্যাগ করতে হয় না। অন্যদিকে প্রশান্ত মহাসাগরীয় দেশ ভানুয়াতুতে উন্নয়ন সহায়তা প্রোগ্রামের অধীনে সরকারি তহবিলে বিনিয়োগ করে দুই মাসেরও কম সময়ে নাগরিকত্ব পাওয়া সম্ভব। এই দেশের নাগরিকত্ব থাকলে শতাধিক দেশে ভিসামুক্ত ভ্রমণের সুযোগের পাশাপাশি বিদেশের আয়ের ওপর কর ছাড়ের সুবিধাও পাওয়া যায়।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের নাগরিক হতে ইচ্ছুক ব্যক্তিদের কাছে পর্তুগালের ‘গোল্ডেন ভিসা’ প্রোগ্রামটি সবচেয়ে জনপ্রিয়। নির্দিষ্ট ফান্ড কিংবা রিয়েল এস্টেটে বিনিয়োগ করে পাঁচ বছর বৈধভাবে বসবাস করলে পর্তুগিজ পাসপোর্টের জন্য আবেদন করা যায়। তবে এ ক্ষেত্রে স্থানীয় ভাষায় প্রাথমিক দক্ষতা অর্জনের পরীক্ষা দিতে হয়। এই পাসপোর্ট থাকলে সেনজেনভুক্ত দেশগুলোতে অবাধ যাতায়াত ও বসবাসের অধিকার পাওয়া যায়। নাগরিকত্ব পাওয়ার এই ভিন্ন ভিন্ন পদ্ধতিগুলো পর্যালোচনা করলে দেখা যায় যে, সঠিক পরিকল্পনা ও বিনিয়োগ থাকলে বিদেশের পাসপোর্ট পাওয়া এখন আর অসম্ভবের কিছু নয়।
সূত্র: হাউ স্টাফ ওয়ার্কস
বিয়ের আগে পুরুষদের ত্বক উজ্জ্বল রাখার সহজ উপায়
আমাদের সমাজে দীর্ঘদিন ধরে ত্বকের যত্নকে নারীদের বিষয় হিসেবেই দেখা হয়। ফলে বেশিরভাগ পুরুষ এখনো মনে করেন, স্কিনকেয়ার বা ফেসিয়াল তাদের জন্য প্রয়োজনীয় নয়। অথচ প্রতিদিন রোদে বের হওয়া, ধুলাবালির সংস্পর্শ, ঘাম, শেভিংয়ের চাপ সব মিলিয়ে পুরুষদের ত্বক নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তবুও এই বাস্তবতাকে উপেক্ষা করে অনেকেই ত্বকের যত্ন নেওয়ার বিষয়ে উদাসীন থাকেন।
বিশেষ করে বিয়ের মতো জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের আগেও এই অবহেলা স্পষ্ট হয়ে ওঠে। যেখানে কনের রূপচর্চা ও ত্বকের যত্ন শুরু হয় মাসখানেক আগে থেকেই, সেখানে অনেক বর শেষ মুহূর্তে এসে শুধু চুল কাটা বা দাড়ি ছাঁটাকেই যথেষ্ট মনে করেন। অথচ বিয়ে মানেই শুধু পোশাক নয়—ক্যামেরার আলো, অতিথিদের দৃষ্টি আর আত্মবিশ্বাসী উপস্থিতির জন্য সুস্থ ও সতেজ ত্বকের বিকল্প নেই।
বিয়ের দিনে ত্বক কেন গুরুত্বপূর্ণ
বিয়ের অনুষ্ঠানে দীর্ঘ সময় ক্যামেরার সামনে থাকতে হয়। মুখে যদি রুক্ষতা, ক্লান্তি বা ব্রণের ছাপ থাকে, তাহলে তা সহজেই নজরে পড়ে এবং পুরো লুকের সৌন্দর্য নষ্ট করে দেয়। তাই ত্বক পরিষ্কার, উজ্জ্বল ও স্বাস্থ্যবান রাখা শুধু সৌন্দর্যের বিষয় নয়, আত্মবিশ্বাসেরও বড় অংশ।
দিনভর বাইরে থাকার ফলে মুখে ঘাম, ধুলা আর অতিরিক্ত তেল জমে এক ধরনের অদৃশ্য আস্তরণ তৈরি হয়। এজন্য সকালে ঘুম থেকে উঠে এবং রাতে ঘুমানোর আগে মুখ পরিষ্কার করা অত্যন্ত জরুরি। সাধারণ সাবানের বদলে ত্বকের জন্য উপযোগী মাইল্ড ফেসওয়াশ ব্যবহার করলে ময়লা দূর হয়, আবার ত্বকের প্রাকৃতিক আর্দ্রতাও বজায় থাকে।
ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার নিয়ে ভুল ধারণা
অনেক পুরুষ মনে করেন, যেহেতু তাদের ত্বক তেলতেলে, তাই ময়েশ্চারাইজারের প্রয়োজন নেই। বাস্তবে এই ধারণা সম্পূর্ণ ভুল। ত্বক পর্যাপ্ত আর্দ্রতা না পেলে তা নিস্তেজ দেখায় এবং বয়সের ছাপ দ্রুত পড়ে। ত্বকের ধরন অনুযায়ী হালকা জেল বা নন-গ্রিসি ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করলে ত্বক নরম থাকে, উজ্জ্বলতা বাড়ে এবং ত্বকের স্বাভাবিক ভারসাম্য বজায় থাকে।
সানস্ক্রিন ছাড়া বাইরে নয়
সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি ত্বকের সবচেয়ে বড় শত্রু। নিয়মিত রোদে বের হলে ত্বকে ট্যান, কালচে দাগ এমনকি অকালবার্ধক্যও দেখা দিতে পারে। তাই বাইরে যাওয়ার অন্তত ২০ মিনিট আগে এসপিএফ ৩০ বা তার বেশি ক্ষমতাসম্পন্ন সানস্ক্রিন ব্যবহার করা উচিত। বিশেষ করে বিয়ের আগের দিনগুলোতে সানস্ক্রিন ব্যবহারে ত্বকের রং ও টেক্সচার অনেকটাই উন্নত হয়।
সঠিক শেভিংয়ের গুরুত্ব
শেভিং পুরুষদের দৈনন্দিন রুটিনের অংশ হলেও ভুল পদ্ধতিতে শেভ করলে ত্বকে জ্বালা, লালচে ভাব ও ব্রণ তৈরি হতে পারে। পুরোনো বা ভোঁতা ব্লেড এড়িয়ে চলাই ভালো। শেভ শেষে অ্যালকোহল-ফ্রি আফটারশেভ বা হালকা ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করলে ত্বক আরাম পায় এবং দাগ পড়ার ঝুঁকি কমে।
ঘরোয়া যত্ন হিসেবে সপ্তাহে একদিন এক চা চামচ চালের গুঁড়া, এক চিমটি হলুদ ও কয়েক ফোঁটা দুধ মিশিয়ে হালকা পেস্ট বানিয়ে মুখে ব্যবহার করা যেতে পারে। এটি ত্বকের লালচে ভাব কমায় এবং স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা বাড়াতে সহায়ক।
স্ক্রাবিংয়ে ফিরুক ত্বকের প্রাণ
সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ত্বকে মৃত কোষ জমে মুখ নিষ্প্রাণ দেখাতে পারে। তাই সপ্তাহে অন্তত একবার মাইল্ড স্ক্রাব ব্যবহার করা প্রয়োজন। ঘরেই সহজভাবে এক চা চামচ চিনি ও এক চা চামচ মধু মিশিয়ে স্ক্রাব তৈরি করা যায়। পরিষ্কার মুখে হালকা হাতে দুই মিনিট ম্যাসাজ করে কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেললে ত্বক পরিষ্কার ও নরম থাকে। তবে অতিরিক্ত ঘষাঘষি করলে ত্বকের ক্ষতি হতে পারে এ বিষয়টি মাথায় রাখা জরুরি।
ভেতর থেকে যত্ন না নিলে ফল মিলবে না
ত্বকের যত্ন কেবল বাহ্যিক নয়, ভেতর থেকেও নিতে হয়। পর্যাপ্ত পানি না পান করলে ত্বক শুষ্ক হয়ে যায় এবং ঘুমের অভাবে চোখের নিচে কালি ও মুখে ক্লান্তির ছাপ পড়ে। দিনে অন্তত ৮ থেকে ১০ গ্লাস পানি পান এবং নিয়মিত ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা ঘুম ত্বক ভালো রাখার সবচেয়ে সহজ ও কার্যকর উপায়।
সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস
টাকা ছাড়াই ব্রিটিশ কাউন্সিলের ফ্রি কোর্স: ২০২৬-এর বড় সুযোগ
আন্তর্জাতিক শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক যোগাযোগ সংস্থা ব্রিটিশ কাউন্সিল ২০২৬ সালে শিক্ষার্থী এবং কর্মজীবীদের জন্য বিশেষ সুযোগ হিসেবে ‘ফ্রি অনলাইন কোর্স’ কার্যক্রম শুরু করেছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে বিশ্বের যেকোনো প্রান্ত থেকে যে কেউ ইংরেজি ভাষা শিক্ষা, যোগাযোগ দক্ষতা, ব্যবসায়িক শিষ্টাচার এবং ডিজিটাল দক্ষতার ওপর উন্নত প্রশিক্ষণ নিতে পারবেন। বিশেষত যারা নিজের ক্যারিয়ারে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী দক্ষতা অর্জন করতে চান, তাঁদের জন্য এটি একটি বড় সুযোগ।
ব্রিটিশ কাউন্সিলের এই কোর্সগুলো সম্পূর্ণ ‘সেলফ-পেসড’, অর্থাৎ শিক্ষার্থীরা তাঁদের সুবিধাজনক সময়ে ল্যাপটপ বা স্মার্টফোনের মাধ্যমে পাঠ সম্পন্ন করতে পারবেন। কোর্সের মডিউলগুলোতে ভিডিও লেসন, কুইজ এবং ইন্টারঅ্যাক্টিভ ম্যাটেরিয়াল রয়েছে যা শেখার প্রক্রিয়াকে আরও সহজ ও আনন্দদায়ক করে তোলে। ব্রিটিশ কাউন্সিল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে, এই কোর্সগুলোতে অংশগ্রহণের জন্য কোনো পূর্ব অভিজ্ঞতার প্রয়োজন নেই এবং কোনো আবেদন ফি বা রেজিস্ট্রেশন ফি প্রদান করতে হবে না।
উল্লেখ্য যে, ইংরেজি ভাষার দক্ষতা বাড়াতে যারা আইইএলটিএস (IELTS) প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তাঁদের জন্যও এই প্ল্যাটফর্মে বিশেষ রিসোর্স ও গাইডলাইন দেওয়া হয়েছে। কোর্স শেষে অংশগ্রহণকারীরা ডিজিটাল ব্যাজ এবং নির্দিষ্ট শর্তসাপেক্ষে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সার্টিফিকেট অর্জনের সুযোগও পেতে পারেন। আগ্রহীরা ব্রিটিশ কাউন্সিলের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট কিংবা সরাসরি এই লিংকে (https://tinyurl.com/yctzsk6b) গিয়ে নিবন্ধন সম্পন্ন করতে পারবেন। ২০২৬ সালের জন্য উন্মুক্ত এই কোর্সগুলো ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনের নতুন দুয়ার খুলে দেবে বলে মনে করছেন শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা।
শীতে সুস্থ থাকতে নারীদের খেয়াল রাখতে হবে যেসব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে
শীতের আগমন শুধু আবহাওয়াতেই পরিবর্তন আনে না, বরং নারীদের শরীরেও তৈরি করে গভীর কিছু শারীরিক ও মানসিক জটিলতা। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডা. বাণী কুমার মিত্রের মতে, এই সময়ে দিনের আলো কমে যাওয়ায় শরীরে মেলাটোনিন হরমোনের মাত্রা হঠাৎ বেড়ে যায়। এর ফলে নারীদের কর্মস্পৃহা কমে আসা, সব সময় ক্লান্তি ভাব এবং মেটাবলিজম ধীর হয়ে যাওয়ার মতো সমস্যা প্রকট হতে পারে। কেবল এনার্জি কমে যাওয়াই নয়, বরং ঋতুস্রাবচক্র বা পিরিয়ডের স্বাভাবিক ছন্দও এই সময়ে বিগড়ে যেতে পারে।
শীতকালীন এই পরিবর্তনের প্রভাবে নারীদের মধ্যে রাগ, খিটখিটে মেজাজ এবং অতিরিক্ত ক্ষুধা পাওয়ার প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়। যাঁদের আগে থেকেই থাইরয়েড কিংবা পিসিওএস (PCOS) এর মতো সমস্যা রয়েছে, শীতকালে তাঁদের উপসর্গগুলো আরও তীব্র আকার ধারণ করে। শুধু তাই নয়, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়ায় ইউরিন ইনফেকশন বা পুরনো গাইনোকোলজিক সমস্যাগুলো পুনরায় দেখা দেওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়। এই সময়ে শরীরে সেরোটোনিন নামক ‘ফিল গুড’ হরমোনের নিঃসরণ কমে যাওয়ায় অনেকেই বিষণ্নতা বা অবসাদে ভুগতে শুরু করেন।
শীতের এই নীরব ধকল সামলাতে খাদ্যাভ্যাসে বড় পরিবর্তন আনার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। অতিরিক্ত চিনি বা প্রসেসড খাবারের বদলে মৌসুমি ফল, রঙিন শাক-সবজি এবং প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়ক। এ ছাড়া ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি মেটাতে প্রতিদিন নিয়ম করে কিছুক্ষণ রোদে বসা এবং হালকা ব্যায়াম করা জরুরি। পর্যাপ্ত ঘুম এবং মানসিক বিশ্রামই পারে শীতকালীন এই শারীরিক ও হরমোনজনিত জটিলতা থেকে মুক্তি দিতে।
শীতে শখের রঙিন মাছ মরে যাচ্ছে? মাছ বাঁচাতে ৪টি বিশেষ টিপস
শীতের তীব্রতা বাড়ার সাথে সাথে আপনার শখের অ্যাকুরিয়ামের রঙিন মাছগুলো বড় ধরনের জীবনঝুঁকিতে পড়তে পারে। বছরের অন্যান্য সময়ে মাছের যত্ন নেওয়া সহজ হলেও কনকনে ঠান্ডায় পানির তাপমাত্রা কমে যাওয়ার ফলে মাছের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায় এবং তারা মারা যেতে শুরু করে। মৎস্য বিশেষজ্ঞদের মতে, শীতকালে অ্যাকুরিয়ামের মাছকে সুস্থ রাখতে হলে পানির তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ এবং সঠিক খাদ্যাভ্যাস নিশ্চিত করা সবচাইতে জরুরি।
অ্যাকুরিয়ামের মাছের জন্য শীতকালে সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্র হলো ‘থার্মোস্ট্যাট কন্ট্রোলড ওয়াটার হিটার’। এটি পানির তাপমাত্রাকে ২৫ থেকে ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে স্থির রাখতে সহায়তা করে। পানির প্রকৃত অবস্থা বুঝতে অ্যাকুরিয়ামের ভেতরের দেয়ালে একটি থার্মোমিটার আটকে রাখা বুদ্ধিমানের কাজ, যাতে সারাক্ষণ তাপমাত্রার ওপর নজর রাখা যায়। অনেক সময় হিটারের অভাবে পানি বরফশীতল হয়ে গেলে মাছের শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে সমস্যা হয় এবং তারা অক্সিজেনের অভাবে মারা যায়।
শীতকালীন যত্নের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো পানি পরিবর্তন। সাধারণ সময়ে সপ্তাহে একবার পানি বদলালেও ঠান্ডার দিনে মাসে একবারের বেশি পানি বদলানো ঠিক নয়। এতে পানির তাপমাত্রার আকস্মিক পরিবর্তন মাছের সহ্যক্ষমতার বাইরে চলে যেতে পারে। তবে পানি পরিষ্কার রাখতে ভালো মানের ফিল্টার ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক। এছাড়া শীতকালে মাছের হজমশক্তি কমে যায়, তাই অতিরিক্ত খাবার দেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। বাড়তি খাবার পানিতে পচে গিয়ে পানির মান নষ্ট করে ফেলে, যা মাছের মৃত্যুর অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
পাঠকের মতামত:
- এবারের নির্বাচন বিশ্বের কাছে প্রশংসিত হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ
- বিগত ১৬ বছরের নিপীড়নের চেয়ে এখনকার পরিস্থিতি অনেক ভালো: রিজওয়ানা
- ডার্ক এনার্জি আর স্থির নয়: মহাবিশ্বের ভবিষ্যৎ নিয়ে বড় দুঃসংবাদ
- ট্রাম্পের হাতে আটক মাদুরোর গন্তব্য এখন নিউইয়র্ক: সিএনএন
- শীতে মাইগ্রেনের যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পাওয়ার সহজ ঘরোয়া উপায় জানুন
- ভাঙনের পথে ভারত ও বাংলাদেশ ক্রিকেট সম্পর্ক
- মোস্তাফিজের অপমানে সরব আসিফ, ভারতকে দিলেন কঠোর হুঁশিয়ারি
- মা সবার কাছে ভিন্ন তাৎপর্য বহন করতেন: তারেক রহমান
- চাকরিপ্রত্যাশীদের জন্য বড় সুযোগ, আসছে এনটিআরসিএর গণবিজ্ঞপ্তি
- ভারত মোস্তাফিজকে নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হলে বিশ্বকাপ দলগুলোকে কীভাবে দেবে
- ঈদ ও রমজান মিলিয়ে টানা লম্বা ছুটি
- মাফিয়া দল আওয়ামী লীগ আবার হত্যাকাণ্ড চালাতে সচেষ্ট: হাফিজ
- ৯ম পে স্কেলে বড় চমক, আসছে নতুন বেতন কাঠামো
- এনবিআরের রাজস্ব আদায়ের চমক,ডিসেম্বরে রেকর্ড সংখ্যক ভ্যাট নিবন্ধন
- এনবিআরের রাজস্ব আদায়ের চমক,ডিসেম্বরে রেকর্ড সংখ্যক ভ্যাট নিবন্ধন
- ষড়যন্ত্র নাকি প্রযুক্তিগত ভুল? মনোনয়নপত্র নিয়ে তাসনিম জারার নতুন বার্তা
- মাদুরো আটক, আন্তর্জাতিক চুক্তির কফিনে শেষ পেরেক
- মাদুরোকে আটকের পর জরুরি অবস্থা জারি: যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে লাতিন
- মোদি কি এখন বিএনপির দিকে ঝুঁকছে? জয়শঙ্করের ঢাকা সফরে কী বার্তা এল
- বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বড় শিক্ষক নিয়োগ
- ইশরাক হোসেনের মনোনয়নের বৈধতা নিয়ে তথ্য সামনে এল
- ২ লাখ ১২ হাজার টাকায় কেনা যাবে এক ভরি সোনা
- জান্নাতে সব থাকলেও যেসব জিনিস নাই
- হাড়কাঁপানো শীতে রোগ প্রতিরোধে তুলসী চায়ের জাদুকরী সব গুণ
- আইপিএল থেকে মোস্তাফিজ আউট, রেকর্ড দামে দল পেয়েও কেন বাদ মোস্তাফিজ?
- খালেদা জিয়ার ছায়াসঙ্গী ফাতেমা বেগমের নতুন অধ্যায়
- কাল থেকে শুরু হাড়কাঁপানো শীতের তীব্রতা: কতদিন চলবে এই তাণ্ডব?
- হাড়কাঁপানো শীতে ঘর হবে উষ্ণ: জানুন গিজার ও হিটারের বাজারদর
- ব্যাংক হলিডের প্রভাব, বাজারে নেতিবাচক চিত্র
- কনকনে ঠান্ডায় পানিভীতি কাটানোর উপায়: গোসল হবে এখন উপভোগ্য
- শীতের রাতে হঠাৎ শ্বাসকষ্ট: ইনহেলার না থাকলে যা করা জরুরি
- নাগরিকত্ব পেতে চান? জানুন কোন কোন দেশে খুব সহজে নাগরিকত্ব পাওয়া যায়
- শুরু হচ্ছে কৃষি গুচ্ছের ভর্তি যুদ্ধ: শেষ সময়ের প্রস্তুতি জানুন
- তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র চলবে ধার করা কয়লায়, নজিরবিহীন সংকটে পায়রা
- অবহেলার জবাব মাঠেই দিলেন মাহমুদউল্লাহ
- গয়না কেনার আগে দেখে নিন আজ কত দামে স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে দেশে
- আমরা থানা পুড়িয়েছি ও এসআইকে জ্বালিয়ে দিয়েছি: বৈষম্যবিরোধী নেতা
- শূন্য চেয়ারপারসন পদ: তারেক রহমানই কি এখন বিএনপির নতুন প্রধান?
- আবহাওয়া অফিসের বড় দুঃসংবাদ, ধেয়ে আসছে হাড়কাঁপানো তীব্র শীত
- ভেনেজুয়েলায় মাদুরোকে সরাবার চাল : ইরাকের মতো ডুববে কি আমেরিকা?
- অবশেষে অবসান হলো অপেক্ষার: বিশেষ আহ্বান নিয়ে হাজির ড. ইউনূস
- আজ ৩ জানুয়ারি ২০২৬ ও জেনে নিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সময়সূচি
- আজ শনিবার ঢাকার যেসব মার্কেট বন্ধ থাকবে
- জেনে নিন আজকের আবহাওয়ার হালচাল
- আজ ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
- এক লাখ টাকার সঞ্চয়পত্রে মাসিক মুনাফা কমল যত
- শেয়ারবাজারের সাপ্তাহিক পূর্ণাঙ্গ বিশ্লেষণ
- পেটের আলসার: কারণ, চিকিৎসা ও প্রতিরোধ
- সংসদের বেতন ছাড়া কিছুই নেব না: হাসনাত
- বিয়ের আগে পুরুষদের ত্বক উজ্জ্বল রাখার সহজ উপায়
- ৯ম পে স্কেলে আমূল পরিবর্তন, সরকারি চাকরিতে বেতনে বড় সুখবর
- পাঁচ ব্যাংকের আমানতকারীদের জন্য বড় সুখবর
- এমবিবিএস-বিডিএস ভর্তি পিছাল, নতুন তারিখ ঘোষণা
- সাধারণের নাগালের বাইরে সোনার বাজার: মধ্যবিত্তের সোনা কেনার স্বপ্ন কি তবে শেষ
- আজকের স্বর্ণের দাম: ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫
- সোনার বাজারে সুখবর! কমল দাম যত
- ঢাকা-১৫ জামায়াত আমিরের বিপক্ষে নামলেন যে বিএনপি প্রার্থী
- ২০২৬ সালে স্কুলে ছুটি কমলো ১২ দিন, দেখে নিন তালিকা
- হাড়কাঁপানো শীত ও ঘন কুয়াশা থেকে মুক্তি কবে? যা জানাল আবহাওয়া অফিস
- ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে অষ্টম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষা: আজই দেখে নিন রুটিন
- ই-রিটার্ন দাখিলে আর বাধা নেই: বড় সুখবর দিল রাজস্ব বোর্ড আজ
- বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় রেট: ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫
- ২৯ ডিসেম্বর ডিএসইতে শীর্ষ ১০ দরহারানো শেয়ার
- ২৯ ডিসেম্বরের শেয়ারবাজারের পূর্ণাঙ্গ বিশ্লেষণ
- আজ ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়








