Banner

ফেব্রুয়ারিতেই নির্বাচন, পেছানোর সুযোগ নেই: আসিফ নজরুল

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ আগস্ট ১৯ ১৪:১১:৩২
ফেব্রুয়ারিতেই নির্বাচন, পেছানোর সুযোগ নেই: আসিফ নজরুল
ছবি: সংগৃহীত

অন্তর্বর্তী সরকারের আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল বলেছেন, আগামী ফেব্রুয়ারিতেই জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং তা পেছানোর কোনো সুযোগ নেই। মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘জাতীয় নির্বাচন নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ঘোষিত সময় থেকে পিছিয়ে আসার কোনো সুযোগ নেই।’

ড. আসিফ নজরুল জানান, নির্ধারিত সময়েই নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্পন্ন করার জন্য অন্তর্বর্তী সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তিনি বলেন, ‘আগামী ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন। এরপর অন্তর্বর্তী সরকার বিদায় নেবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘নির্বাচন অনুষ্ঠানের দায়িত্ব হচ্ছে সরকারের, দলের না। আমাদের যত ধাপ আছে, সব কিছুই আমরা মাথার মধ্যে এটাই রাখছি, ফেব্রুয়ারিতেই নির্বাচন, আমরা ফেব্রুয়ারিতে চলে যাব।’

রাজনৈতিক দলগুলোর বিভিন্ন মন্তব্য প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘রাজনৈতিক দল বিভিন্ন উদ্দেশ্যে বিভিন্ন কথা বলে। ওইটা একটি রাজনৈতিক প্রক্রিয়া। তারা রাজনৈতিক সুরে নানা বক্তব্য রাখছেন। নির্বাচনের সময়ে কে কি বলবেন এটা রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই দেখবেন।’

/আশিক


এক লাখ টাকার সঞ্চয়পত্রে মাসিক মুনাফা কমল যত

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০২ ১৫:৫৩:৩৪
এক লাখ টাকার সঞ্চয়পত্রে মাসিক মুনাফা কমল যত
ছবি: সংগৃহীত

ছয় মাসের ব্যবধানে আবারও জাতীয় সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। নতুন এই হারে এক লাখ টাকা বিনিয়োগে মাসিক আয়ে উল্লেখযোগ্য কাটছাঁট পড়ছে, যা সঞ্চয়পত্রনির্ভর পরিবারগুলোর দৈনন্দিন অর্থব্যবস্থাকে আরও সংকুচিত করবে। গত বছরের তুলনায় চলতি বছরে একই অঙ্কের বিনিয়োগে মাসে প্রায় ১১০ টাকা কম মুনাফা মিলবে।

আগের কাঠামোতে পরিবার সঞ্চয়পত্রে এক লাখ টাকা রাখলে মাসিক মুনাফা পাওয়া যেত ৯৪৪ টাকা। সংশোধিত হারে সেই অঙ্ক নেমে এসেছে ৮৩৪ টাকায়। অর্থাৎ মাস শেষে সংসারের ব্যয় মেটাতে যেসব পরিবার এই আয়কে নির্ভরযোগ্য ভরসা হিসেবে ব্যবহার করত, তাদের জন্য নতুন বাস্তবতা আরও কঠিন হয়ে উঠল।

অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ (আইআরডি) আগামী ছয় মাসের জন্য সঞ্চয়পত্রের সংশোধিত মুনাফার হার ঘোষণা করেছে, যা ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হয়েছে। নতুন কাঠামো অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের সঞ্চয়পত্রে সর্বোচ্চ মুনাফা নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ দশমিক ৫৯ শতাংশ এবং সর্বনিম্ন ৮ দশমিক ৭৪ শতাংশ। এর আগে গত জুলাইয়েও একইভাবে হার কমানো হয়েছিল। সরকারি বিধি অনুযায়ী, প্রতি ছয় মাস অন্তর এই হার পর্যালোচনা করা হয়।

নতুন সিদ্ধান্তে বিনিয়োগের অঙ্কভেদে মুনাফার হারে স্পষ্ট পার্থক্য রাখা হয়েছে। অপেক্ষাকৃত কম অঙ্কের বিনিয়োগে তুলনামূলক বেশি সুদ দেওয়া হলেও বড় অঙ্কে বিনিয়োগে হার কমিয়ে আনা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা। এই সীমার মধ্যে বিনিয়োগ করলে কিছুটা বেশি মুনাফা মিলবে, তবে সীমা অতিক্রম করলেই সুদের হার নেমে যাবে।

সরকারি সূত্রগুলো বলছে, রাজস্ব আদায় ও ঋণ ব্যবস্থাপনার ভারসাম্য বজায় রাখার অংশ হিসেবেই নিয়মিতভাবে সঞ্চয়পত্রের মুনাফা সমন্বয় করা হয়। ব্যাংকিং খাতের সঙ্গে সঞ্চয়পত্রের সুদের ব্যবধান কমিয়ে আনা এবং সরকারের সুদ ব্যয় নিয়ন্ত্রণে রাখাই এই নীতির অন্যতম লক্ষ্য।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ মুস্তফা কে মুজেরী মনে করেন, সঞ্চয়পত্রের সুদ কমানোর পেছনে মূল উদ্দেশ্য হলো ব্যাংকে আমানত প্রবাহ বাড়ানো এবং ব্যাংকঋণের সুদের হার কমিয়ে আনা। তার মতে, এতে সামগ্রিক অর্থনীতিতে দীর্ঘমেয়াদে ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে এবং মূল্যস্ফীতির চাপ কিছুটা হলেও কমানোর সুযোগ তৈরি হয়।

তবে তিনি একই সঙ্গে সতর্ক করে বলেন, এই সিদ্ধান্তের সবচেয়ে বড় ধাক্কা আসবে মধ্যবিত্ত ও অবসরপ্রাপ্ত জনগোষ্ঠীর ওপর। কারণ দেশের বিনিয়োগ বাজারে তাদের জন্য ঝুঁকিহীন বিকল্প খুবই সীমিত। ব্যাংক আমানতের সুদ কম, আর শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় সঞ্চয়পত্রই এতদিন তাদের প্রধান আশ্রয় ছিল।

সংশোধিত কাঠামো অনুযায়ী, পরিবার সঞ্চয়পত্রে সাড়ে ৭ লাখ টাকার কম বিনিয়োগে পাঁচ বছর শেষে মুনাফার হার ১১ দশমিক ৯৩ শতাংশ থেকে কমে দাঁড়িয়েছে ১০ দশমিক ৫৪ শতাংশে। একই সঞ্চয়পত্রে সাড়ে ৭ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগ করলে পাঁচ বছর শেষে মুনাফা নেমে এসেছে ১০ দশমিক ৪১ শতাংশে।

এ ছাড়া পেনশনার সঞ্চয়পত্র, পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র এবং তিন মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্রের ক্ষেত্রেও একইভাবে সুদের হার হ্রাস করা হয়েছে। অর্থাৎ সঞ্চয়পত্রের প্রায় সব ক্যাটাগরিতেই বিনিয়োগকারীদের আয় কমছে।

তবে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারির আগে যেসব সঞ্চয়পত্র ইস্যু করা হয়েছে, সেগুলোর ক্ষেত্রে ইস্যুকালীন নির্ধারিত মুনাফার হারই মেয়াদ শেষ হওয়া পর্যন্ত বহাল থাকবে। শুধু মেয়াদ শেষে পুনর্বিনিয়োগের সময় তখনকার নতুন হার প্রযোজ্য হবে। নিয়ম অনুযায়ী, ছয় মাস পর আবারও মুনাফার হার পুনর্বিবেচনা করা হবে।

উল্লেখ্য, দেশের মধ্যবিত্ত শ্রেণির একটি বড় অংশ দীর্ঘদিন ধরেই সঞ্চয়পত্রের আয়ের ওপর নির্ভরশীল। সংসারের নিয়মিত খরচ চালানো, চিকিৎসা ব্যয় কিংবা হঠাৎ জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় এই মুনাফাই অনেক পরিবারের আর্থিক সুরক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করে। দীর্ঘ সময় ধরে উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় বছরের শুরুতেই সঞ্চয়পত্রের সুদ কমার খবর এসব পরিবারের ওপর নতুন করে চাপ বাড়াল।

-রাফসান


৯ম পে স্কেলে আমূল পরিবর্তন, সরকারি চাকরিতে বেতনে বড় সুখবর

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০২ ১৩:১২:২৭
৯ম পে স্কেলে আমূল পরিবর্তন, সরকারি চাকরিতে বেতনে বড় সুখবর
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য একটি আরও ন্যায্য, আধুনিক ও বৈষম্যহীন বেতন কাঠামো প্রণয়নের লক্ষ্যে গঠিত নবম জাতীয় বেতন কমিশন–২০২৫ দ্রুতগতিতে তাদের কার্যক্রম এগিয়ে নিচ্ছে। কমিশনের নির্ধারিত একটি সভা সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুজনিত রাষ্ট্রীয় শোক ও সাধারণ ছুটির কারণে অনুষ্ঠিত না হলেও, সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে যে খুব শিগগিরই নতুন তারিখ নির্ধারণ করে কমিশনের সদস্যদের জানানো হবে।

কমিশনের অভ্যন্তরীণ আলোচনায় বর্তমান বেতন কাঠামোর গ্রেড ব্যবস্থা নিয়ে একাধিক মতামত উঠে এসেছে। প্রধানত তিনটি বিকল্প প্রস্তাব ঘিরেই চলছে বিশ্লেষণ ও পর্যালোচনা। প্রথম প্রস্তাবে বলা হচ্ছে, বিদ্যমান ২০টি গ্রেড অপরিবর্তিত রেখে শুধু বেতন, ইনক্রিমেন্ট ও ভাতাসমূহ জীবনযাত্রার ব্যয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণভাবে বাড়ানো যেতে পারে। এই মতের সমর্থকদের ধারণা, কাঠামো পরিবর্তনের চেয়ে বাস্তব বেতন বৃদ্ধিই কর্মচারীদের জন্য বেশি কার্যকর হবে।

দ্বিতীয় প্রস্তাবনায় বর্তমান ২০টি গ্রেড কমিয়ে ১৬টিতে নামিয়ে আনার কথা বলা হয়েছে। এতে গ্রেডগুলোর মধ্যকার ব্যবধান কমবে এবং নিম্নস্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তুলনামূলকভাবে বেশি সুবিধা পেতে পারেন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এই কাঠামোকে একটি মধ্যপন্থী সংস্কার হিসেবে দেখা হচ্ছে।

তৃতীয় ও সবচেয়ে ব্যাপক সংস্কারের প্রস্তাবে গ্রেড সংখ্যা কমিয়ে ১৪টিতে আনার কথা বলা হয়েছে। কমিশনের একটি অংশের মতে, এই পদক্ষেপ বাস্তবায়িত হলে দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত বেতন বৈষম্য অনেকটাই দূর হবে এবং একটি আধুনিক, কর্মীবান্ধব ও তুলনামূলকভাবে সমতাভিত্তিক বেতন কাঠামো প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হবে।

কমিশনের মতে, বর্তমানে গ্রেড সংখ্যা বেশি হওয়ায় নিম্ন ধাপের কর্মচারীরা ক্রমাগত আর্থিক চাপে পড়ছেন এবং উচ্চ গ্রেডের সঙ্গে তাদের ব্যবধান বাড়ছে। এই বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে সাবেক অর্থসচিব জাকির আহমেদ খানের নেতৃত্বাধীন কমিশন বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, দপ্তর ও কর্মচারী সংগঠন থেকে পাওয়া হাজার হাজার মতামত গভীরভাবে বিশ্লেষণ করছে।

উল্লেখ্য, অন্তর্বর্তী সরকার গত ২৭ জুলাই নবম জাতীয় বেতন কমিশন গঠন করে এবং প্রথম সভা থেকেই ছয় মাসের মধ্যে সুপারিশমালা জমা দেওয়ার নির্দেশনা দেয়। আনুষ্ঠানিক সময়সীমা অনুযায়ী ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির মধ্যে প্রতিবেদন দেওয়ার কথা থাকলেও, কমিশন সূত্র জানিয়েছে আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচনের আগেই চূড়ান্ত সুপারিশ সরকারের কাছে জমা দেওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

বর্তমান উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয়ের চাপের মধ্যে সরকারি চাকরিজীবীরা এই কমিশনের সিদ্ধান্তের দিকে তাকিয়ে আছেন। তাদের প্রত্যাশা, গ্রেড কাঠামোতে যৌক্তিক সংস্কার হলে তা শুধু আর্থিক স্বস্তিই নয়, বরং দীর্ঘদিনের পেশাগত হতাশা ও বৈষম্য কমাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

-রাফসান


৪৬তম বিসিএসের ভাইভার চূড়ান্ত তারিখ প্রকাশ

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০১ ১৯:১৬:৪৬
৪৬তম বিসিএসের ভাইভার চূড়ান্ত তারিখ প্রকাশ
ছবি : সংগৃহীত

৪৬তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষায় সাময়িকভাবে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের জন্য বহুল প্রতীক্ষিত মৌখিক পরীক্ষার (ভাইভা) সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ক্যাডার) মাসুমা আফরীনের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আগামী ১৮ জানুয়ারি থেকে মৌখিক পরীক্ষা শুরু হবে এবং তা চলবে ২৬ জানুয়ারি পর্যন্ত।

এবারের মৌখিক পরীক্ষার জন্য মোট ১ হাজার ৩৬১ জন প্রার্থীর সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে। এর মধ্যে সাধারণ ক্যাডারের ৩৯০ জন, কারিগরি বা পেশাগত ক্যাডারের ৭৩৮ জন এবং সাধারণ ও কারিগরি উভয় ক্যাডারের ১৩৩ জন প্রার্থী রয়েছেন। এর আগে গত ২৭ নভেম্বর লিখিত পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছিল, যেখানে ৪ হাজার ৪২ জন প্রার্থী সাময়িকভাবে উত্তীর্ণ হয়েছিলেন। পর্যায়ক্রমে অবশিষ্ট প্রার্থীদের মৌখিক পরীক্ষার সময়সূচিও পরবর্তীতে প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছে কমিশন।

বিজ্ঞপ্তিতে প্রার্থীদের জন্য বিশেষ কিছু নির্দেশনাও প্রদান করা হয়েছে। মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য প্রার্থীদের কমিশন নির্ধারিত অনলাইন ফরম (BPSC Form-1) এর সাথে প্রয়োজনীয় সকল সনদ ও ডকুমেন্টের দুই সেট সত্যায়িত কপি জমা দিতে হবে। পাশাপাশি মূল সনদসমূহ বোর্ডে প্রদর্শন করা বাধ্যতামূলক। পরীক্ষার বিস্তারিত সূচি পিএসসির অফিশিয়াল ওয়েবসাইট (www.bpsc.gov.bd) এবং টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডের পোর্টালে (http://bpsc.teletalk.com.bd) পাওয়া যাবে। সরকারি চাকরিতে ৩ হাজার ১৪০টি শূন্য পদের বিপরীতে এই ৪৬তম বিসিএস নিয়োগ প্রক্রিয়া পরিচালিত হচ্ছে।


নতুন বছরে যেসব মাসে টানা ৪ থেকে ১০ দিন ছুটির সুযোগ জানুন

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০১ ১৮:৩২:৩৫
নতুন বছরে যেসব মাসে টানা ৪ থেকে ১০ দিন ছুটির সুযোগ জানুন
ছবি : সংগৃহীত

২০২৬ সালের সরকারি ছুটির তালিকা প্রকাশ করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। নতুন বছরের ক্যালেন্ডার অনুযায়ী সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য এবার বেশ কয়েকবার লম্বা ছুটি কাটানোর সুবর্ণ সুযোগ থাকছে। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী ২০২৬ সালে সাধারণ ছুটি ১৪ দিন এবং নির্বাহী আদেশে ছুটি থাকবে আরও ১৪ দিন। যদিও এর মধ্যে ৯ দিন পড়েছে সাপ্তাহিক ছুটির দিন অর্থাৎ শুক্র ও শনিবার, তবুও কৌশলী হলে বিভিন্ন মাসে দীর্ঘ অবকাশ যাপনের সুযোগ মিলবে।

ফেব্রুয়ারি মাসে শবে বরাতের ছুটির সঙ্গে একদিনের ছুটি ম্যানেজ করলেই মিলবে টানা ৪ দিনের ছুটি। তবে সবচাইতে বড় চমক থাকছে মার্চ ও মে মাসে। মার্চে ঈদুল ফিতর ও শবে কদরের মাঝে মাত্র একদিনের ছুটি নিতে পারলে টানা ৭ দিনের লম্বা ছুটি উপভোগ করা যাবে। একইভাবে মে মাসে ঈদুল আজহার ছুটির আগে মাত্র দুই দিন বাড়তি ছুটি নিলেই পাওয়া যাবে টানা ১০ দিনের বিশাল অবকাশ। এপ্রিল মাসে পহেলা বৈশাখের ছুটির সঙ্গে দুই দিন সমন্বয় করলে টানা ৫ দিনের ছুটির সুযোগ রয়েছে।

বছরের দ্বিতীয়ার্ধেও ছুটির আমেজ বজায় থাকবে। আগস্ট মাসে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস ও ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটির সঙ্গে বৃহস্পতিবার করে বাড়তি ছুটি নিলে দুই দফায় টানা ৪ দিন করে ছুটি পাওয়া যাবে। অক্টোবর মাসে দুর্গাপূজার নবমী ও বিজয়া দশমীর ছুটির সঙ্গে এক দিন যোগ করলে টানা ৫ দিন এবং ডিসেম্বর মাসে বিজয় দিবসের ছুটির সঙ্গে একদিন মিলিয়ে টানা ৪ দিনের ছুটি কাটানোর সুযোগ থাকছে। সব মিলিয়ে ২০২৬ সালটি সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্য ভ্রমণে বা পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানোর দারুণ একটি বছর হতে যাচ্ছে।


প্রকাশ হলো ২০২৬ সালের ব্যাংক ছুটির পূর্ণ তালিকা

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০১ ১৩:৪৫:৩২
প্রকাশ হলো ২০২৬ সালের ব্যাংক ছুটির পূর্ণ তালিকা
ছবি: সংগৃহীত

২০২৬ সালে সরকারি ছুটি ও ব্যাংক হলিডে মিলিয়ে দেশের সব তফসিলি ব্যাংক মোট ২৮ দিন বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সম্প্রতি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অব অফসাইট সুপারভিশন (ডিওএস) এ বিষয়ে একটি আনুষ্ঠানিক নির্দেশনা জারি করেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রকাশিত সরকারি ছুটির প্রজ্ঞাপনের আলোকে এই ব্যাংক ছুটির তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে। নির্দেশনায় বলা হয়, নির্ধারিত দিনগুলোতে দেশের সব ব্যাংকে কোনো ধরনের লেনদেন কার্যক্রম পরিচালিত হবে না।

ছুটির তালিকা অনুযায়ী, ২০২৬ সালে বিভিন্ন জাতীয় দিবস, ধর্মীয় উৎসব ও গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষ্যে মোট ২৮ দিন ব্যাংক বন্ধ থাকবে। এর মধ্যে ৬টি দিন আবার সাপ্তাহিক ছুটির দিন শুক্রবারের সঙ্গে মিলে গেছে। পাশাপাশি, আলাদা করে ব্যাংক হলিডে হিসেবে ১ জুলাই এবং বছরের শেষ দিন ৩১ ডিসেম্বর দেশের সব ব্যাংকে লেনদেন সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ঘোষিত ছুটির তালিকায় উল্লেখযোগ্য দিনগুলোর মধ্যে রয়েছে ৪ ফেব্রুয়ারি শবে বরাত, ২১ ফেব্রুয়ারি শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস, ১৭ মার্চ শবে কদর এবং ১৯ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত ঈদুল ফিতর ও জুমাতুল বিদা উপলক্ষে ছুটি। এছাড়া ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসেও ব্যাংক বন্ধ থাকবে।

এ তালিকায় আরও রয়েছে ১৩ এপ্রিল চৈত্র সংক্রান্তি, যা শুধুমাত্র পার্বত্য তিন জেলা রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানের জন্য প্রযোজ্য। ১৪ এপ্রিল বাংলা নববর্ষ, ১ মে মহান মে দিবস ও বুদ্ধ পূর্ণিমা, ২৬ থেকে ৩১ মে ঈদুল আজহা উপলক্ষে টানা ছুটি থাকবে ব্যাংকগুলোতে।

এছাড়া ২৬ জুন পবিত্র আশুরা, ৫ আগস্ট জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস, ২৬ আগস্ট ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.), ৪ সেপ্টেম্বর জন্মাষ্টমী, ২০ ও ২১ অক্টোবর দুর্গাপূজার নবমী ও বিজয়া দশমী, ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস এবং ২৫ ডিসেম্বর যিশু খ্রিস্টের জন্মদিন উপলক্ষেও ব্যাংকিং কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক আরও জানিয়েছে, ধর্মীয় উৎসব সংশ্লিষ্ট কিছু ছুটির তারিখ চাঁদ দেখার ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় প্রয়োজনে এসব তারিখ পরিবর্তন হতে পারে। সে ক্ষেত্রে সংশোধিত তারিখ অনুযায়ী আলাদা নির্দেশনা জারি করা হবে।

এই নির্দেশনা দেশের সব তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে, যাতে নির্ধারিত সময় অনুযায়ী ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতি নেওয়া যায়।

-রফিক


নিষেধাজ্ঞা ভেঙে মধ্যরাতে পটকার বিকট শব্দে কাঁপল ঢাকা

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০১ ০৮:৫৯:০৫
নিষেধাজ্ঞা ভেঙে মধ্যরাতে পটকার বিকট শব্দে কাঁপল ঢাকা
ছবি : সংগৃহীত

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে দেশজুড়ে রাষ্ট্রীয় শোক পালিত হলেও রাজধানী ঢাকায় তার তেমন প্রতিফলন দেখা যায়নি। ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কঠোর নিষেধাজ্ঞা অমান্য করেই ৩১ ডিসেম্বর দিবাগত মধ্যরাতে পটকা ও আতশবাজি ফুটিয়ে ২০২৬ সালকে বরণ করে নিয়েছে নগরবাসী। ঘড়ির কাঁটায় রাত ১২টা বাজার সঙ্গে সঙ্গেই রাজধানীর প্রায় প্রতিটি এলাকায় আতশবাজির ঝলকানি আর পটকার বিকট শব্দে এক অস্থির পরিবেশ তৈরি হয়।

রাষ্ট্রীয় শোক চলাকালীন ঢাকা মহানগর এলাকায় সব ধরনের আতশবাজি, পটকা ফোটানো, ফানুস ও গ্যাস বেলুন ওড়ানোতে আগেই নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল ডিএমপি। ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলীর সই করা গণবিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট বলা হয়েছিল—উন্মুক্ত স্থানে কোনো ধরনের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, ডিজে পার্টি বা শোভাযাত্রা করা যাবে না। কিন্তু নতুন বছরের প্রথম প্রহরে পুলিশের সেই নির্দেশনার লেশমাত্র দেখা যায়নি। রাত ১১টা থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে পটকা ফাটানো শুরু হয়, যা গভীর রাত পর্যন্ত স্থায়ী ছিল।

ঢাকার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে, পুরান ঢাকা থেকে শুরু করে গুলশান-বনানী—সবখানেই ছিল আতশবাজির দাপট। তবে অতীতের তুলনায় এবার ফানুসের সংখ্যা কিছুটা কম লক্ষ্য করা গেছে। এই উচ্চশব্দের কারণে অনেক এলাকায় ছোট শিশু ও বয়স্করা শারীরিকভাবে ঝুঁকির মুখে পড়েন এবং জনমনে তীব্র বিরক্তির সৃষ্টি হয়। উচ্চশব্দে গাড়ির হর্ন বাজানো এবং গণ-উপদ্রব সৃষ্টি না করার জন্য পুলিশের যে বিশেষ অনুরোধ ছিল, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তা উপেক্ষিত হয়েছে। রাষ্ট্রীয় শোকের গাম্ভীর্য ছাপিয়ে থার্টি ফার্স্ট নাইটের এই উন্মাদনা এখন খোদ পুলিশের সক্ষমতা ও সাধারণ মানুষের সচেতনতা নিয়ে বড় প্রশ্ন তুলে দিয়েছে।


প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে পাকিস্তান ও নেপালের প্রতিনিধিদের সাক্ষাৎ

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ ডিসেম্বর ৩১ ২১:৩০:৫৭
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে পাকিস্তান ও নেপালের প্রতিনিধিদের সাক্ষাৎ
ছবি : সংগৃহীত

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার প্রয়াণে শ্রদ্ধা জানাতে আসা বিদেশি প্রতিনিধিদের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) দুপুরে ঢাকার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের স্পিকার সরদার আয়াজ সাদিক এবং নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বালা নন্দা শর্মা পৃথকভাবে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

বেগম খালেদা জিয়াকে শেষ বিদায় জানাতে এদিন দক্ষিণ এশিয়ার প্রভাবশালী দেশগুলোর শীর্ষ প্রতিনিধিরা ঢাকায় সমবেত হন। এই তালিকায় ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর, ভুটানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডি এন ধুংগিয়েল, শ্রীলঙ্কার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভিজিতা হেরাথ এবং মালদ্বীপের উচ্চশিক্ষামন্ত্রী আলী হায়দার আহমেদ অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। প্রিয় নেত্রীকে শেষ শ্রদ্ধা জানানোর পাশাপাশি তাঁরা প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে আলাপকালে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও আঞ্চলিক সংহতি নিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করেন বলে জানা গেছে।

উল্লেখ্য যে, বুধবার বাদ জোহর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে বেগম খালেদা জিয়ার জানাজা সম্পন্ন হয়েছে। জানাজায় রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন, প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং বিদেশি প্রতিনিধিদের পাশাপাশি তিন বাহিনীর প্রধানগণ উপস্থিত ছিলেন। জানাজা শেষে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেরেবাংলা নগরের জিয়া উদ্যানে স্বামী সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরের পাশেই তাঁকে সমাহিত করা হয়। বরেণ্য এই নেত্রীর মৃত্যুতে বিদেশি অতিথিদের এমন উচ্চপর্যায়ের উপস্থিতি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক তাৎপর্যপূর্ণ মাত্রা যোগ করেছে।


হাড়কাঁপানো শীতের ইতিহাস, দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা কবে কত ছিল?

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ ডিসেম্বর ৩১ ২১:১৯:৫৬
হাড়কাঁপানো শীতের ইতিহাস, দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা কবে কত ছিল?
ছবি : সংগৃহীত

বছরের শেষ দিনে এসে শীতের তীব্রতায় কাঁপছে পুরো বাংলাদেশ। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) গোপালগঞ্জ জেলায় দেশের এই মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। গোপালগঞ্জ আবহাওয়া অফিসের পর্যবেক্ষক আবু সুফিয়ান জানিয়েছেন, সকাল ৬টায় যখন এই তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়, তখন বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৯৭ শতাংশ। ঘন কুয়াশা আর কনকনে উত্তুরে হাওয়ায় উত্তরবঙ্গসহ দেশের অন্তত ২১টি জেলায় বর্তমানে শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে, যা জনজীবনকে পুরোপুরি বিপর্যস্ত করে তুলেছে।

চলতি বছরের এই ঠান্ডার দাপট দেশবাসীকে অতীতে ঘটে যাওয়া চরম শীতের রেকর্ডগুলোর কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে। বাংলাদেশের আবহাওয়ার ইতিহাসে এখন পর্যন্ত সর্বনিম্ন তাপমাত্রার রেকর্ডটি ২০১৮ সালের ৮ জানুয়ারির। সেদিন পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় পারদ নেমে এসেছিল অবিশ্বাস্য ২ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। একই দিনে নীলফামারীর ডিমলা ও সৈয়দপুরেও তাপমাত্রা ৩ ডিগ্রির নিচে নেমে গিয়েছিল। এর আগে ১৯৬৮ সালে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে ২ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল, যা দেশের দ্বিতীয় সর্বনিম্ন তাপমাত্রার নজির।

সাম্প্রতিক বছরগুলোর রেকর্ড বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২০১৩ সালে সৈয়দপুরে ৩ ডিগ্রি এবং ১৯৯৬ সালে দিনাজপুরে ৩ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল। ২০১৭ সালে কুড়িগ্রামে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৫ ডিগ্রি। এ বছরও ডিসেম্বর মাসজুড়ে সূর্যের দেখা না মেলায় এবং ঘন কুয়াশার কারণে দিনের তাপমাত্রা অস্বাভাবিকভাবে কমে গেছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, ২১টিরও বেশি জেলায় শৈত্যপ্রবাহ জারি থাকায় ছিন্নমূল ও শ্রমজীবী মানুষের ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে। বছরের শেষ দিনে গোপালগঞ্জের এই রেকর্ড আগামী জানুয়ারি মাসে আরও তীব্র শীতের পূর্বাভাস দিচ্ছে কি না, তা নিয়ে এখন বড় উদ্বেগ কাজ করছে জনমনে।


জাতি এক মহান অভিভাবককে হারাল: প্রধান উপদেষ্টা

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ ডিসেম্বর ৩১ ১১:৩০:৩৪
জাতি এক মহান অভিভাবককে হারাল: প্রধান উপদেষ্টা
ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রাজনীতির অন্যতম পুরোধা ব্যক্তিত্ব ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রয়াণে দেশবাসীর উদ্দেশে আবেগঘন ভাষণ দিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস। গতকাল দুপুর ১২টায় রাষ্ট্রীয় মাধ্যমে দেওয়া এই ভাষণে তিনি বলেন, “বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে বাংলাদেশ এক মহান অভিভাবককে হারাল। তাঁর এই শূন্যতা কখনো পূরণ হওয়ার নয়।” প্রধান উপদেষ্টা তাঁর বক্তব্যে বেগম জিয়াকে গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামের এক অম্লান প্রতীক হিসেবে বর্ণনা করেন।

ড. ইউনূস তাঁর ভাষণে বেগম জিয়ার বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে বলেন, ১৯৮২ সালে এক কঠিন সময়ে রাজনীতির মাঠে এসে তিনি ৯ বছরের স্বৈরশাসনের পতন ঘটাতে যে বলিষ্ঠ নেতৃত্ব দিয়েছিলেন, তা বিশ্বরাজনীতির ইতিহাসে বিরল। তিনি উল্লেখ করেন যে, খালেদা জিয়া শুধুমাত্র একটি দলের নেত্রী ছিলেন না, বরং তিনি ছিলেন বাংলাদেশের রাজনীতির এক মহিমান্বিত ব্যক্তিত্ব ও ইতিহাসের অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক যাত্রা এবং প্রিয় মাতৃভূমির সার্বভৌমত্ব রক্ষায় অবিচল ভূমিকা জাতি চিরকাল পরম শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।

শোকাতুর এই সময়ে দেশবাসীকে ধৈর্য ধরার এবং জাতীয় ঐক্য বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা। তিনি বিশেষভাবে সতর্ক করে দিয়ে বলেন যে, জাতির এই কঠিন সময়ে কেউ যেন কোনো ধরনের অস্থিতিশীলতা বা নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড চালানোর সুযোগ না পায়। তিনি জানাজাসহ সব ধরণের শোক পালনের আনুষ্ঠানিকতা অত্যন্ত শৃঙ্খলার সঙ্গে সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করেছেন। বেগম জিয়ার পরিবারের সদস্য ও লক্ষ লক্ষ কর্মীর প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে তিনি মহান আল্লাহর কাছে তাঁর বিদেহী আত্মার চিরশান্তি প্রার্থনা করেন।

উল্লেখ্য, বেগম খালেদা জিয়ার দীর্ঘ সংগ্রাম এবং দেশের প্রতি তাঁর অনন্য অবদানকে সম্মান জানিয়ে বর্তমান সরকার তাঁকে রাষ্ট্রের ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ হিসেবে ঘোষণা করেছে। প্রধান উপদেষ্টার ভাষণে উঠে আসা এই গভীর শ্রদ্ধা ও মূল্যায়নের মধ্য দিয়ে রাজনৈতিক মতপার্থক্য ছাপিয়ে এক জাতীয় সংহতির আবহ তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন বিশিষ্টজনেরা।

পাঠকের মতামত:

ব্যক্তিগত দায় বনাম প্রাতিষ্ঠানিক দায়: দায়মুক্তির এক রাজনৈতিক সংস্কৃতি

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জের ঘটনা কাগজে পড়লে প্রথমে মনে হয় এটা যেন কোনো যুদ্ধের খবর। এক তরুণকে বিদ্যুতের খুঁটিতে বেঁধে হাত–পা প্রায়... বিস্তারিত

হুহু করে আবার কমল স্বর্ণের দাম

হুহু করে আবার কমল স্বর্ণের দাম

দেশীয় স্বর্ণবাজারে আবারও দরপতনের খবর এসেছে। আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্যহ্রাসের ধারাবাহিক প্রভাবে স্থানীয় বাজারে স্বর্ণের দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স... বিস্তারিত