ইন্টারনেট ছাড়া চ্যাট করবেন যেভাবে—বিটচ্যাট খুলে দিল পথ

প্রযুক্তি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ জুলাই ১৩ ১৫:৪৯:২৬
ইন্টারনেট ছাড়া চ্যাট করবেন যেভাবে—বিটচ্যাট খুলে দিল পথ

গোপনীয়তা ও বিকেন্দ্রীকরণকে সামনে রেখে সামাজিক যোগাযোগের এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করল প্রযুক্তিবিশ্বের অন্যতম প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব জ্যাক ডরসি। হোয়াটসঅ্যাপ ও ফেসবুক মেসেঞ্জারের বিকল্প হিসেবে তিনি চালু করেছেন ‘বিটচ্যাট’ নামের একটি নতুন বার্তা আদান-প্রদানের অ্যাপ। এটি যেন শুধু একটি অ্যাপ নয়—বরং একটি প্রযুক্তিগত দৃষ্টিভঙ্গি, যেখানে ব্যবহারকারীর স্বাধীনতা, ব্যক্তিগত গোপনতা ও নিয়ন্ত্রণকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

বিটচ্যাটের সবচেয়ে চমকপ্রদ দিক হলো, এটি চালানোর জন্য ইন্টারনেট, ফোন নম্বর বা ইমেইল কিছুই প্রয়োজন হয় না। এই অ্যাপ সম্পূর্ণভাবে ব্লুটুথ মেশ নেটওয়ার্কের ওপর ভিত্তি করে তৈরি। এর মানে হচ্ছে, ব্যবহারকারীদের ডিভাইস একে অপরের সঙ্গে ব্লুটুথের মাধ্যমে সংযুক্ত হয়ে সরাসরি এনক্রিপ্টেড বার্তা আদান-প্রদান করতে পারে। এই বার্তাগুলো কোনো কেন্দ্রীয় সার্ভারে জমা হয় না, বরং থাকে শুধুমাত্র ব্যবহারকারীর ডিভাইসে এবং সময়মতো স্বয়ংক্রিয়ভাবে মুছে যায়।

জ্যাক ডরসি এই প্রকল্পকে তার ‘ব্যক্তিগত গবেষণা’ হিসেবে উল্লেখ করলেও, এতে ব্যবহৃত হয়েছে অত্যন্ত উচ্চমানের প্রযুক্তি, যেমন ‘স্টোর অ্যান্ড ফরোয়ার্ড’, রিলে, ব্রিজ ডিভাইস এবং উন্নত এনক্রিপশন। ব্যবহারকারীরা যখন চলাফেরা করেন, তখন তাদের ডিভাইস নিজস্বভাবে ‘ব্লুটুথ ক্লাস্টার’ তৈরি করে এবং বার্তাটি নিজে থেকেই অন্য ডিভাইসে পৌঁছে দেয়। পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হয় অফ-গ্রিড, অর্থাৎ এটি ইন্টারনেট সংযোগের উপর নির্ভরশীল নয়।

অ্যাপটিতে রয়েছে ‘রুম’ বা গ্রুপ চ্যাটের সুবিধাও, যা হ্যাশট্যাগ ও পাসওয়ার্ড দিয়ে সুরক্ষিত রাখা যায়। ফলে সংকুচিত অঞ্চলে একাধিক ব্যবহারকারী একটি নির্দিষ্ট বিষয়ে নির্ভরযোগ্যভাবে যোগাযোগ করতে পারেন। এই অ্যাপটি হংকংয়ের গণআন্দোলনের সময় ব্যবহৃত ব্লুটুথ-ভিত্তিক যোগাযোগ প্রযুক্তি থেকে অনুপ্রেরণা পেয়েছে। ডরসির দৃষ্টিতে বিটচ্যাট এমন একটি প্ল্যাটফর্ম হতে যাচ্ছে, যা তথ্য সেন্সরশিপের মুখে নিরাপদ যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে কাজ করতে সক্ষম হবে।

বিটচ্যাটের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় রয়েছে ওয়াইফাই ডাইরেক্ট ফিচার যুক্ত করার বিষয়টিও, যা এটিকে আরও কার্যকর ও বহুমাত্রিক যোগাযোগমাধ্যম হিসেবে গড়ে তুলবে। বিশেষ করে সংকটকালে বা যেখানে ইন্টারনেট বন্ধ থাকে—সেখানে বিটচ্যাট হতে পারে স্বাধীন, স্বচ্ছ ও সুরক্ষিত বার্তা আদান-প্রদানের জন্য এক নির্ভরযোগ্য বিকল্প।


ছেলের আত্মহত্যার জন্য দায়ী ChatGPT’: কাঠগড়ায় OpenAI

প্রযুক্তি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ আগস্ট ২৮ ১০:৪৪:২৪
ছেলের আত্মহত্যার জন্য দায়ী ChatGPT’: কাঠগড়ায় OpenAI
ছবিঃ সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রে ১৬ বছর বয়সী আদাম রেইন-এর বাবা-মা তাদের ছেলের আত্মহত্যার জন্য OpenAI ও এর সিইও স্যাম আল্টম্যান-কে দায়ী করে মামলা করেছেন। তারা অভিযোগ করেছেন, চ্যাটবটটি তাদের ছেলেকে আত্মহত্যা করার পদ্ধতি সম্পর্কে পরামর্শ দিয়েছিল এবং তার সুইসাইড নোটের খসড়া তৈরি করে দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিল।

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, মাত্র ছয় মাসের ব্যবহারে ChatGPT নিজেকে আদামের একমাত্র বন্ধু হিসেবে উপস্থাপন করেছিল, যার ফলে সে পরিবার, বন্ধু ও প্রিয়জনদের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিল। একাধিকবার আদাম চ্যাটবটে লিখেছিল, “আমি চাই আমার ফাঁসটি ঘরে রেখে দিই যেন কেউ দেখে এবং আমাকে থামানোর চেষ্টা করে।” এমন পরিস্থিতিতে চ্যাটবট তাকে তার পরিবারের কাছে বিষয়টি গোপন রাখতে বলেছিল।

মামলায় আরও বলা হয়েছে, ChatGPT-র ‘সহমতপূর্ণ’ আচরণ আদামের ক্ষতিকর ও আত্মবিধ্বংসী চিন্তাভাবনাগুলোকে আরও উৎসাহিত করেছে।

OpenAI-এর প্রতিক্রিয়া

OpenAI রেইন পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছে এবং মামলার বিষয়টি পর্যালোচনা করছে। তারা স্বীকার করেছে যে, দীর্ঘ সময় ধরে চলা কথোপকথনে তাদের সুরক্ষা ব্যবস্থা প্রত্যাশা অনুযায়ী কার্যকর হয়নি। কোম্পানি জানিয়েছে, ভবিষ্যতে AI ব্যবহারকারীদের জন্য সুরক্ষা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করা হবে, যাতে জরুরি পরিস্থিতিতে সাহায্য পাওয়া সহজ হয়।

আদালতে দায়ের করা মামলায় OpenAI-এর কাছে কিছু নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে:

ChatGPT ব্যবহারকারীদের বয়স যাচাই করতে হবে।

কিশোরদের জন্য পিতামাতার নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা থাকতে হবে।

আত্মহত্যা বা আত্মহানি সংক্রান্ত কথোপকথন শুরু হলে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হয়ে যাবে।

কোম্পানিকে একটি স্বাধীন তত্ত্বাবধায়ক দ্বারা ত্রৈমাসিক সম্মতি নিরীক্ষার আওতায় আনতে হবে।

প্রসঙ্গত, গত বছর ফ্লোরিডার এক মা তার ১৪ বছর বয়সী ছেলের মৃত্যুর জন্য Character.AI-কে দায়ী করে মামলা করেছিলেন। এই ধরনের বেশ কিছু মামলার মধ্যে এটি একটি, যেখানে পরিবারগুলো অভিযোগ করছে যে AI চ্যাটবট তাদের সন্তানদের আত্মহত্যায় প্রভাবিত করেছে।

সূত্র: সিএনএন


আইফোনের চার্জ দ্রুত ফুরিয়ে যাওয়ার কারণ ও সমাধান

প্রযুক্তি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ আগস্ট ২৭ ১১:৫০:৪৮
আইফোনের চার্জ দ্রুত ফুরিয়ে যাওয়ার কারণ ও সমাধান
ছবি: সংগৃহীত

বর্তমানে স্মার্টফোন কেবল যোগাযোগের মাধ্যম নয়, বরং কাজকর্ম, বিনোদন ও তথ্যপ্রাপ্তির অপরিহার্য অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে আইফোন ব্যবহারকারীরা পারফরম্যান্স, নিরাপত্তা ও নকশার জন্য বিশেষভাবে আকৃষ্ট হলেও একটি সাধারণ সমস্যায় প্রায়ই ভোগেন ব্যাটারির চার্জ দ্রুত শেষ হয়ে যাওয়া। এই সমস্যা শুধু বিরক্তিকর নয়, বরং সময় ব্যবস্থাপনা ও কাজের গতিশীলতাকেও বাধাগ্রস্ত করে।

আইফোনের ব্যাটারি দ্রুত ফুরিয়ে যাওয়ার পেছনে যেমন প্রযুক্তিগত কিছু কারণ রয়েছে, তেমনি ব্যবহারকারীর অভ্যাসও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তবে কিছু সহজ কৌশল অবলম্বন করলে ব্যাটারির চার্জ দীর্ঘস্থায়ী করা সম্ভব এবং এর আয়ুও বাড়ানো যায়। স্মার্ট ব্যবহারই যে স্মার্টফোন ব্যবহারের প্রকৃত সুফল এনে দেয়, সেটিই এখানে মূল বার্তা।

আইফোনের চার্জ দ্রুত শেষ হওয়ার সম্ভাব্য কারণ

প্রথমত, ব্যাকগ্রাউন্ড অ্যাপ রিফ্রেশ অনেক অ্যাপকে সারাক্ষণ সক্রিয় রাখে। যেমন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও লোকেশনভিত্তিক অ্যাপ ব্যাকগ্রাউন্ডে চলতে থাকায় ব্যাটারির ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে। দ্বিতীয়ত, উচ্চ স্ক্রিন ব্রাইটনেস দ্রুত চার্জ শেষ করে ফেলে, কারণ ডিসপ্লে ব্যাটারির অন্যতম বড় ব্যবহারকারী। তৃতীয়ত, লোকেশন সার্ভিস যদি সারাক্ষণ চালু থাকে, তবে জিপিএস প্রযুক্তি ব্যাটারির উল্লেখযোগ্য অংশ ক্ষয় করে। চতুর্থত, অতিরিক্ত পুশ নোটিফিকেশনও ব্যাটারির ক্ষয় বাড়ায়, কারণ প্রতিটি নোটিফিকেশনের জন্য প্রসেসিং শক্তি খরচ হয়। সর্বশেষে, পুরোনো ব্যাটারির কর্মক্ষমতা স্বাভাবিকভাবেই হ্রাস পায়, ফলে দীর্ঘদিন ব্যবহারের পর চার্জ দ্রুত ফুরিয়ে যায়।

ব্যাটারির চার্জ ধরে রাখার কার্যকর কৌশল

এই সমস্যাগুলোর সমাধানে ব্যবহারকারীরা কিছু সহজ পদক্ষেপ নিতে পারেন।

লো পাওয়ার মোড চালু করুন: সেটিংস > ব্যাটারি থেকে লো পাওয়ার মোড চালু করলে অপ্রয়োজনীয় প্রসেস বন্ধ হয়ে ব্যাটারি দীর্ঘ সময় টিকে থাকে।

অটো-লক সময় কমিয়ে দিন: ডিসপ্লে & ব্রাইটনেস > অটো-লক থেকে সময় কমিয়ে দিলে স্ক্রিন অযথা জ্বলে থাকবে না।

ব্যাকগ্রাউন্ড অ্যাপ রিফ্রেশ বন্ধ করুন: সেটিংস > জেনারেল > ব্যাকগ্রাউন্ড অ্যাপ রিফ্রেশ এ গিয়ে অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ বন্ধ করলে ব্যাটারির চাপ কমে।

লোকেশন সার্ভিস সীমিত করুন: সেটিংস > প্রাইভেসি & সিকিউরিটি > লোকেশন সার্ভিসেস এ গিয়ে শুধু প্রয়োজনীয় অ্যাপের জন্য লোকেশন চালু রাখলে চার্জ সাশ্রয় হয়।

ডার্ক মোড ব্যবহার করুন: বিশেষ করে ওলিইডি ডিসপ্লে সমৃদ্ধ আইফোনে ডার্ক মোড ব্যবহার করলে স্ক্রিন কম শক্তি খরচ করে, ফলে ব্যাটারি টিকে বেশি সময়।

আইফোনের ব্যাটারি দ্রুত ফুরিয়ে যাওয়া নিঃসন্দেহে বিরক্তিকর, তবে এটি অপরিহার্য বাস্তবতা নয়। প্রযুক্তিগত কারণের পাশাপাশি ব্যবহারকারীর অভ্যাসও এই সমস্যার জন্য দায়ী। তাই সামান্য সচেতনতা ও কৌশল মেনে চললেই চার্জ দীর্ঘস্থায়ী করা সম্ভব এবং ব্যাটারির আয়ুও অনেকাংশে বৃদ্ধি পাবে। ফলে আইফোনের পূর্ণ সুবিধা ভোগ করা যাবে নির্বিঘ্নে।


এআই প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে গুগলের সঙ্গে হাত মেলাচ্ছে অ্যাপল

প্রযুক্তি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ আগস্ট ২৫ ১৭:৪১:১৮
এআই প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে গুগলের সঙ্গে হাত মেলাচ্ছে অ্যাপল
ছবিঃ সংগৃহীত

অ্যাপলের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক ভয়েস অ্যাসিস্ট্যান্ট ‘সিরি’কে আরও উন্নত করতে গুগলের শক্তিশালী এআই মডেল ‘জেমিনি’ ব্যবহারের বিষয়ে আলোচনা শুরু করেছে অ্যাপল। ধারণা করা হচ্ছে, প্রযুক্তি প্রতিযোগিতায় কিছুটা পিছিয়ে পড়ায় অ্যাপল বাইরের প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সহযোগিতার দিকে ঝুঁকছে।

ব্লুমবার্গের এক প্রতিবেদনে এই খবর জানানো হয়। এতে বলা হয়েছে, অ্যাপল সম্প্রতি গুগলের মূল প্রতিষ্ঠান অ্যালফাবেটের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। এরই মধ্যে গুগল অ্যাপলের সার্ভারে ব্যবহারের জন্য জেমিনি মডেলের একটি কাস্টমাইজড সংস্করণ তৈরি করতে কাজ শুরু করেছে। তবে এখনো কোনো চূড়ান্ত চুক্তি হয়নি।

এর আগে অ্যাপল ওপেনএআই এবং অ্যানথ্রপিকের সঙ্গেও আলোচনা করেছিল। তবে অ্যানথ্রপিকের আর্থিক চাহিদা বেশি থাকায় অ্যাপল এখন গুগলের দিকেই বেশি আগ্রহী। এই খবরের প্রভাব শেয়ারবাজারেও দেখা গেছে। গত শুক্রবার গুগলের শেয়ারের দাম বেড়ে ২০৫.৪৬ ডলার হয়, অন্যদিকে অ্যাপলের শেয়ারের দাম হয় ২২৭.৯৫ ডলার।

অ্যাপলের অভ্যন্তরীণ অস্থিরতাঅ্যাপলের এআই প্রকল্পে অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা লক্ষ্য করা গেছে। সিরি উন্নয়নের দায়িত্বে থাকা জন গিয়ানানদ্রিয়াকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এখন এই প্রকল্পের তত্ত্বাবধানে রয়েছেন সফটওয়্যার প্রধান ক্রেইগ ফেডেরিগি ও ভিশন প্রো নির্মাতা মাইক রকওয়েল।

বর্তমানে অ্যাপল সিরির দুটি সংস্করণ তৈরি করছে। একটি তাদের নিজস্ব মডেলের ওপর ভিত্তি করে তৈরি হচ্ছে, যার কোডনাম ‘লিনউড’। অন্যটি বাইরের মডেলের ওপর নির্ভরশীল, যার কোডনাম ‘গ্লেনউড’। ব্যবহারকারীর তথ্যের গোপনীয়তা নিশ্চিত করতে তৃতীয় পক্ষের মডেলগুলো অ্যাপলের নিজস্ব প্রাইভেট ক্লাউড সার্ভারে চালানো হবে। সেখানে ম্যাক চিপ ব্যবহার করে দূর থেকে প্রসেসিংয়ের কাজ সম্পন্ন করা হবে।

একইভাবে অ্যাপলের ফাউন্ডেশন মডেল টিমেও অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। দলের প্রধান রুওমিং প্যাং মেটায় যোগ দেওয়ার পর আরও কয়েকজন জ্যেষ্ঠ সদস্য প্রতিষ্ঠান ছেড়েছেন। ধারণা করা হচ্ছে, অন্য জায়গায় অধিক বেতন এবং বাইরের মডেল ব্যবহারের সিদ্ধান্ত এই কর্মীদের প্রস্থানের পেছনে প্রভাব ফেলেছে।

অ্যাপল ইতোমধ্যে চ্যাটজিপিটি এবং ক্লদ ব্যবহার শুরু করেছে। একই সঙ্গে তারা কোডিং এআই তৈরির নিজস্ব প্রকল্প বাতিল করেছে। বর্তমানে তারা পরীক্ষামূলকভাবে ট্রিলিয়ন-প্যারামিটার বিশিষ্ট শক্তিশালী এআই মডেল নিয়ে গবেষণা করছে।

এক কর্মীসভায় অ্যাপলের সিইও টিম কুক বলেছিলেন, "এআই-যুদ্ধে জয়ী হতেই হবে। আমরা দেরিতে আসলেও, শ্রেষ্ঠ প্রযুক্তি নিয়েই আসব।"

/আশিক


শিশুদের সুরক্ষায় নতুন নোকিয়া ফোন: 'নগ্ন ছবি' ব্লক করবে এআই

প্রযুক্তি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ আগস্ট ২৩ ১২:৩৫:৫৩
শিশুদের সুরক্ষায় নতুন নোকিয়া ফোন: 'নগ্ন ছবি' ব্লক করবে এআই
ছবিঃ সংগৃহীত

নোকিয়ার মূল কোম্পানি এইচএমডি গ্লোবাল শিশুদের জন্য একটি নতুন স্মার্টফোন তৈরি করেছে, যা 'HarmBlock AI' নামক প্রযুক্তির মাধ্যমে শিশুদের নগ্ন বা অনুপোযুক্ত ছবি দেখা, তোলা বা আদান-প্রদান করা থেকে সুরক্ষা দেবে। সম্প্রতি এই বিশেষ ফোনটি উন্মোচন করা হয়েছে।

নতুন এই স্মার্টফোনটির নাম হলো HMD Fuse। এই ফোনটি বিশেষভাবে শিশুদের সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে তৈরি করা হয়েছে। এটিতে এমন একটি এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে কোনো নগ্ন ছবি বা ভিডিও শনাক্ত করে সেটি ব্লক করে দেয়। এমনকি লাইভস্ট্রিমিংয়ের সময়ও এটি কাজ করবে।

এই প্রযুক্তির মূল উদ্দেশ্য হলো শিশুদের অনিরাপদ কনটেন্ট থেকে দূরে রাখা এবং তাদের ডিজিটাল জগৎকে আরও নিরাপদ করে তোলা। বাবা-মা বা অভিভাবকরা এই ফোনের মাধ্যমে শিশুদের অনলাইন কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন। এছাড়া, ফোনের অ্যাপ বা অন্যান্য ফিচারগুলো ব্যবহারের অনুমতি দেওয়ার ক্ষমতাও তাদের হাতে থাকবে।

এই পদক্ষেপটি ডিজিটাল নিরাপত্তা এবং শিশুদের সুরক্ষার ক্ষেত্রে একটি নতুন দিক উন্মোচন করেছে।

/আশিক


হোয়াটসঅ্যাপে নতুন ফিচার: গ্রুপ কল শিডিউল করার সুযোগ!

প্রযুক্তি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ আগস্ট ২৩ ১২:২৪:০২
হোয়াটসঅ্যাপে নতুন ফিচার: গ্রুপ কল শিডিউল করার সুযোগ!
ছবিঃ সংগৃহীত

বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় মেসেজিং প্ল্যাটফর্ম হোয়াটসঅ্যাপে এবার যুক্ত হয়েছে নতুন ‘শিডিউল কলিং’ ফিচার। এই ফিচারের মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা এখন হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে কলের সময় আগে থেকেই নির্ধারণ করে রাখতে পারবেন।

প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১০০ বিলিয়নের বেশি মেসেজ আদান-প্রদান হয় এই প্ল্যাটফর্মে। ব্যবহারকারীদের সুবিধার জন্য হোয়াটসঅ্যাপ কর্তৃপক্ষ প্রতিনিয়ত নতুন ফিচার আনছে। জুমের মতো কলিং ফিচারকে সাজাতেই ‘শিডিউল কলিং’ ফিচারটি চালু করা হয়েছে, যা অফিসিয়াল মিটিং বা গ্রুপ কলের জন্য খুবই কার্যকর।

আপনি কীভাবে কল শিডিউল করবেন, তা নিচে দেওয়া হলো:

প্রথমত, হোয়াটসঅ্যাপ ওপেন করে কল ট্যাবে যান।

এরপর সেখানে (+) অপশন পাবেন।

তাতে ক্লিক করলে শিডিউল করা যাবে কল।

এই ফিচার ব্যবহারের মাধ্যমে নির্ধারিত সময়ে কল শুরু হওয়ার আগে সবাই নোটিফিকেশন পেয়ে যাবেন। ফলে কাউকে আলাদা করে জানানোর প্রয়োজন হবে না এবং কারও কল মিস করার সম্ভাবনাও কমে যাবে।

/আশিক


স্মার্টফোন বাজারে Google-এর নতুন সংযোজন: Pixel-10

প্রযুক্তি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ আগস্ট ২০ ১৯:৩৬:২৩
স্মার্টফোন বাজারে Google-এর নতুন সংযোজন: Pixel-10
পিক্সেল-১০ স্মার্টফোন। ছবি: গুগল

Google Pixel-এর নতুন সংস্করণ উন্মোচন হচ্ছে আজ বুধবার (২০ আগস্ট)। গুগলের ওয়েবসাইট ও ফেসবুক পেজে গত কয়েকদিন ধরেই নতুন সংস্করণ উন্মোচনের প্রচার চলছে। প্রাথমিকভাবে বাজারে আসবে Pixel-10, এবং পরে এই সিরিজের আরও কয়েকটি ধরন বা ভ্যারিয়েন্ট বাজারে আসবে।

Google জানিয়েছে, নিউ ইয়র্কে স্থানীয় সময় বুধবার ‘মেড বাই গুগল’ ইভেন্টে এই ফোন গ্রাহকদের সামনে তুলে ধরা হবে। ভারতের বাজারে এটি পাওয়া যাবে আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকে। তবে বাংলাদেশে Pixel ফোনের অনুমোদিত কোনো বিক্রয়কেন্দ্র নেই।

প্রযুক্তির তথ্যভিত্তিক ওয়েবসাইট দ্য ভার্জ-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, এ বছর Pixel-10-এর আরও তিনটি ধরন বাজারে আসতে পারে: Pixel-10 Pro, Pixel-10 Pro XL এবং Pixel-10 Pro Fold।

সব মডেলই গুগলের নতুন Tensor G-5 চিপসেট দ্বারা পরিচালিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই চিপের সঙ্গে একটি কাস্টম ইমেজ সিগন্যাল প্রসেসর (আইএসপি) যুক্ত থাকতে পারে, যা ছবি ও ভিডিওর মান আরও উন্নত করবে।

Hinduistan Times জানিয়েছে, ভারতের বাজারে Pixel-10-এর দাম ৭৫ হাজার থেকে ৮০ হাজার রুপির মধ্যে থাকতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রে ১২৮ জিবি স্টোরেজের দাম ৭৯৯ এবং ২৫৬ জিবির দাম ৮৯৯ মার্কিন ডলার হতে পারে।

/আশিক


ব্যাটারির আয়ু বাঁচাতে এই বিষয়গুলো জানা জরুরি

প্রযুক্তি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ আগস্ট ১৯ ২১:২৯:০৮
ব্যাটারির আয়ু বাঁচাতে এই বিষয়গুলো জানা জরুরি
ছবি: সংগৃহীত

স্মার্টফোন এখন সবার হাতেই। ফোনে কথা বলা, কাজ করা, ছবি তোলা থেকে শুরু করে গান শোনা- সবই নির্ভর করে ব্যাটারির ওপর। আর সেই ব্যাটারি সচল রাখতে চার্জারের কোনো বিকল্প নেই। কিন্তু ব্যস্ত জীবনে অনেক সময় আমরা ফোনের সঙ্গে পাওয়া চার্জারটি ব্যবহার না করে অন্য চার্জার দিয়ে ফোন চার্জ করি। অনেক সময় কেউ বাইরে গেলে চার্জার নিতে ভুলে যান, তখন অন্যের চার্জার খুঁজে নেন তারা। কিন্তু কখনো কি ভেবে দেখেছেন, এতে সুবিধার চেয়ে ক্ষতিই বেশি হচ্ছে না তো?

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রতিটি কোম্পানি তাদের স্মার্টফোনের ব্যাটারির ক্ষমতা ও চার্জিং সিস্টেম অনুযায়ী আলাদা চার্জার বানায়। আর এখন বেশিরভাগ ফোনেই টাইপ-সি (Type-C) চার্জার ব্যবহার হচ্ছে এবং অনেক চার্জারই ফাস্ট চার্জিং সাপোর্ট করে। তবে এর মানে এই নয় যে, যে কোনো চার্জার দিয়েই ফোন নিরাপদে চার্জ করা যাবে।

ধরুন আপনার ফোন ২০ ওয়াট চার্জিং সাপোর্ট করে। কিন্তু আপনি যদি ৬৫ ওয়াট বা ১২০ ওয়াটের চার্জার ব্যবহার করেন, ফোন সেটিকে ২০ ওয়াটেই সীমাবদ্ধ রাখবে। কিন্তু বারবার অসামঞ্জস্যপূর্ণ চার্জার ব্যবহারের ফলে ব্যাটারির আয়ু দ্রুত কমে যায়। আবার অন্য চার্জার দিয়ে ফোন চার্জ করলে দেখা যায়, ফোন ধীরে ধীরে চার্জ হচ্ছে। এর কারণ হলো, চার্জারটির পাওয়ার আউটপুট আপনার ফোনের সঙ্গে মেলে না।

শুধু তাই নয়, অনেকেই আসল চার্জার নষ্ট হয়ে গেলে সস্তা ও অচেনা ব্র্যান্ডের চার্জার কিনে নেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এগুলো আরও বেশি বিপজ্জনক। এগুলো শুধু ব্যাটারিই নয়, পুরো ফোনকেই নষ্ট করে দিতে পারে। এমনকি অতিরিক্ত গরম হয়ে বিস্ফোরণের ঝুঁকিও তৈরি হয়।

তাই খুব প্রয়োজন না হলে অন্য চার্জার দিয়ে ফোন চার্জ করা একেবারেই উচিত নয়। আর যদি চার্জার কিনতেই হয়, অবশ্যই কোম্পানির আসল চার্জার ব্যবহার করাই সবচেয়ে নিরাপদ।

সূত্র : টিভি নাইন বাংলা


স্মার্টফোনে চার্জিং বিপ্লব: ১০ মিনিটেই ফুল চার্জ হচ্ছে ব্যাটারি

প্রযুক্তি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ আগস্ট ১৪ ১১:০৩:১৭
স্মার্টফোনে চার্জিং বিপ্লব: ১০ মিনিটেই ফুল চার্জ হচ্ছে ব্যাটারি
ছবি: সংগৃহীত

স্মার্টফোনের ব্যাটারি চার্জিং প্রযুক্তিতে এক নতুন বিপ্লব এসেছে, যা এখন মাত্র ১০ মিনিটে সম্পূর্ণ ব্যাটারি চার্জ করতে সক্ষম। এই উদ্ভাবন ব্যবহারকারীদের জন্য এক নতুন সুবিধা নিয়ে এসেছে, যেখানে ফোনের ব্যাটারি ফুরিয়ে যাওয়ার দুশ্চিন্তা অনেকটাই কমে গেছে।

প্রযুক্তির অগ্রগতির কারণে এখন অনেক স্মার্টফোনই ১০ মিনিটে ৫০% পর্যন্ত চার্জ করতে পারে। এর মধ্যেই iQOO 10 Pro তার ২০০ ওয়াট ফাস্ট চার্জিং দিয়ে ১০ মিনিটে সম্পূর্ণ চার্জের সুবিধা নিয়ে এসেছে। আরও এক ধাপ এগিয়ে Realme এমন একটি ৩২০ ওয়াট ফাস্ট চার্জিং প্রযুক্তি তৈরি করেছে, যা মাত্র ৪.৫ মিনিটে ফোন সম্পূর্ণ চার্জ করতে পারে। এই প্রযুক্তিতে 'AirGap' ভোল্টেজ ট্রান্সফর্মারের মতো উন্নত নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকায় ওভারহিটিং-এর ঝুঁকিও কম। এছাড়া Nyobolt নামের একটি কোম্পানি ৬ থেকে ১০ মিনিটে চার্জ করার মতো 'আলট্রা ব্যাটারি' প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছে।

এই দ্রুত চার্জিং প্রযুক্তির কারণে ব্যবহারকারীরা খুব অল্প সময়ে তাদের ফোন চার্জ করে নিতে পারছেন, যা দৈনন্দিন জীবনে কর্মব্যস্ততার মাঝে খুবই সহায়ক।

তবে দ্রুত চার্জিং-এর সময় ফোনের তাপমাত্রা বেড়ে যেতে পারে, যা ব্যাটারির আয়ু কমাতে পারে। তাই চার্জ দেওয়ার সময় ফোনের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং কভার খুলে রাখা ভালো।


ভোটের মাঠে এআই দিয়ে অপপ্রচার, ইসি কি পারবে তা ঠেকাতে?

প্রযুক্তি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ আগস্ট ১৩ ১৯:৪৭:২৪
ভোটের মাঠে এআই দিয়ে অপপ্রচার, ইসি কি পারবে তা ঠেকাতে?
প্রতীকী ছবিটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে বানানো।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ-১৯৭২ (আরপিও)-এর সংশোধনী চূড়ান্ত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এই সংশোধনীতে ইসির হারানো ক্ষমতা ফিরছে বলে দাবি করা হচ্ছে। পুরো আসনের ফল বাতিলের ক্ষমতা পুনর্বহালসহ নতুন করে যুক্ত করা হয়েছে ‘না ভোট’ এর বিধান। সবচেয়ে বড় পরিবর্তন হলো, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে অপপ্রচারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার বিধান যুক্ত করা। তবে, এই বিধান কীভাবে প্রয়োগ করবে ইসি, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

আরপিও হলো নির্বাচন পরিচালনার মূল আইন, যা কমিশনকে নাগরিকদের অধিকার সুরক্ষার ক্ষমতা দেয়। গত বছর অনুষ্ঠিত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় এআই সংক্রান্ত কোনো বিধান ছিল না। ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, আগামী দুই বছরে প্রায় তিনশ কোটি মানুষ ভোট দেবে এবং এই সময়ে ভুয়া ও বিভ্রান্তিকর তথ্য একটি গুরুতর বৈশ্বিক ঝুঁকি হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

ইসির নতুন বিধান ও চ্যালেঞ্জ

গত রোববার নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ সাংবাদিকদের জানান, এআই ব্যবহার করে অপপ্রচার, মিথ্যাচার বা অপবাদ ছড়ালে প্রার্থী, রাজনৈতিক দল, প্রতিষ্ঠান বা গণমাধ্যম—সবার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া যাবে। তবে এর প্রয়োগ পদ্ধতি নিয়ে এখনো বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।

ইসি সানাউল্লাহ বলেন, এআইয়ের অপব্যবহার ঠেকানোর জন্য একটি কমিটি গঠনের কাজ শুরু হয়েছে। তিনি জানান, প্রাথমিক উদ্দেশ্য হলো ব্যান্ডউইথ না কমিয়ে বা কোনো ধরনের সেবার বিঘ্ন না ঘটিয়ে নির্বাচন আয়োজন করা। একান্ত বাধ্য না হলে কোনো প্ল্যাটফর্মকে সীমিত করার ইচ্ছা কমিশনের নেই।

বিশ্লেষকদের মতামত

নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের সদস্য এবং ইসির সাবেক অতিরিক্ত সচিব জেসমিন টুলি বলেন, ইসির নিজস্ব কোনো সাইবার সিকিউরিটি সেল নেই। অপতথ্য রোধে ফ্যাক্ট চেকিং ও মনিটরিং সেলের দরকার হতে পারে। তিনি মনে করেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ালে তা ঠেকানোর দায়িত্ব ইসির।

বিশ্বজুড়ে এআই-নির্ভর অপপ্রচার

প্রতিবেদনে বিশ্বজুড়ে এআই-নির্ভর প্রচারণার বেশ কিছু উদাহরণ তুলে ধরা হয়:

স্লোভাকিয়া: ২০২৩ সালের নির্বাচনের আগে এআই-দিয়ে তৈরি একটি ভুয়া ভিডিও ভাইরাল হয়।

যুক্তরাষ্ট্র: জো বাইডেনের কণ্ঠের মতো একটি এআই-সৃষ্ট অডিওতে ভোটারদের ভোট না দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

পাকিস্তান: কারাবন্দি ইমরান খান তাঁর সমর্থকদের উদ্দেশে এআই দিয়ে তৈরি ভিডিও ব্যবহার করেন।

বেলারুশ: একজন প্রার্থীর নামে প্রচার চালানো হয়, পরে জানা যায় ওই প্রার্থী আসলে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার একটি চ্যাটবট।

এসব ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ব্রেনান সেন্টার ফর জাস্টিস-এর পরামর্শ হলো, নীতি-নির্ধারকদের অবশ্যই এই নজিরবিহীন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সক্রিয় পদক্ষেপ নিতে হবে। তবে একই সঙ্গে মতপ্রকাশের স্বাধীনতায়ও গুরুত্ব দিতে হবে।

পাঠকের মতামত: