অ্যান্ড্রয়েড ১৫-ভিত্তিক HyperOS 3 নিয়ে চুপিসারে বড় আপডেট আনছে শাওমি!

বছরের শেষ প্রান্তেও গতি কমাচ্ছে না শাওমি। সাম্প্রতিক পরীক্ষার তথ্য অনুযায়ী, কোম্পানিটি ইতিমধ্যেই অ্যান্ড্রয়েড ১৫ ভিত্তিক HyperOS 3-এর অভ্যন্তরীণ বিল্ড পরীক্ষা শুরু করেছে। শাওমি, রেডমি, পোকো ও প্যাড সিরিজের অন্তত এক ডজন ডিভাইস এ পর্যায়ে পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে। অনেক ডিভাইসের জন্য এটিই হতে পারে তাদের শেষ বড় সফটওয়্যার আপডেট।
হাইপারওএস ৩: কেবল একটি আপডেট নয়
এটি কেবল একটি সাধারণ সফটওয়্যার আপডেট নয়, বরং গত বছর MIUI-র পরিবর্তে HyperOS চালু হওয়ার পর থেকে এটি শাওমির সবচেয়ে বড় প্ল্যাটফর্ম আপডেট। কোম্পানি ইতিমধ্যেই জানিয়েছে, নতুন ফ্ল্যাগশিপগুলো ভবিষ্যতে অ্যান্ড্রয়েড ১৬-তে যাবে। তবে বেশিরভাগ মিডরেঞ্জ ও পুরনো মডেলের জন্য অ্যান্ড্রয়েড ১৫-ই হবে শেষ গন্তব্য।
সাধারণত শাওমির অভ্যন্তরীণ পরীক্ষার পর জনসাধারণের জন্য বেটা সংস্করণ খুব বেশি দেরি করে না। আগের ধারা অনুযায়ী, চতুর্থ প্রান্তিকের (Q4) শেষে ফাইনাল বিল্ড সম্পন্ন হয় এবং পরবর্তী বসন্তে ধাপে ধাপে রোলআউট শুরু হয়।
যেসব ডিভাইসে চলছে প্রথম ধাপের পরীক্ষা
শাওমির অভ্যন্তরীণ সার্ভার থেকে ফাঁস হওয়া তথ্যে দেখা যাচ্ছে, HyperOS 3 পরীক্ষার প্রথম ধাপে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে-
- Redmi Note 13 5G / Note 13R Pro / POCO X6 Neo (China OS3.0.0.4.VNQCNXM | Global OS3.0.0.2.VNQMIXM | EEA OS3.0.0.2.VNQEUXM)
- POCO F5 Pro / Redmi K60 (China OS3.0.0.4.VMNCNXM | Global OS3.0.0.1.VMNMIXM)
- Xiaomi 13 Lite / Civi 2 (EEA OS3.0.0.1.VLLEUXM)
- Xiaomi 12T Pro / Redmi K50 Ultra (China OS3.0.0.1.VLFCNXM)
- Xiaomi 12 Pro / 12 / 12S Ultra (বিভিন্ন অঞ্চলভিত্তিক বিল্ড)
- Redmi K60 Pro, Note 12T Pro, MIX Fold 2, Xiaomi Pad 6 Pro, এবং Civi 3
এদের মধ্যে Redmi Note 13 5G গ্লোবাল পর্যায়ে পরীক্ষার নেতৃত্ব দিচ্ছে এবং সম্ভবত এটিই হবে প্রথম ফোন যা চীনের বাইরে অ্যান্ড্রয়েড ১৫-ভিত্তিক HyperOS 3 OTA আপডেট পাবে।
যেসব মডেল তালিকায় নেই
উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, Xiaomi 12S, 12S Pro, POCO F5, POCO M6 Pro, Redmi Note 12 Turbo, এবং Xiaomi 12T-এর মতো জনপ্রিয় ফোনগুলো এখনো পরীক্ষার তালিকায় নেই। এর মানে হতে পারে, হয়তো পরীক্ষা এখনো শুরু হয়নি, অথবা এই ডিভাইসগুলো অ্যান্ড্রয়েড ১৫ আপডেট পাবে না।শাওমির সাধারণ দুই-অ্যান্ড্রয়েড আপডেট নীতির কারণে অনেক মিডরেঞ্জ ফোনের জন্য এটিই হতে পারে শেষ বড় আপডেট।
HyperOS 3-এ কী আসছে
যদিও শাওমি এখনো সব ফিচার বিস্তারিত জানায়নি, তবুও অ্যান্ড্রয়েড ১৫ নিজেই নিয়ে আসছে পারফরম্যান্স, প্রাইভেসি ও ব্যাকগ্রাউন্ড অ্যাপ ব্যবস্থাপনায় উন্নতি। তার ওপর HyperOS 3 যোগ করছে নতুন ডিজাইন ভাষা, উন্নত অ্যানিমেশন, পরিচ্ছন্ন আইকন এবং ফোন, ট্যাব ও স্মার্ট ডিভাইসের মধ্যে আরও কার্যকর সমন্বয়।
ব্যবহারকারীরা পাবেন আরও মসৃণ পারফরম্যান্স, বেশি ব্যাটারি ব্যাকআপ এবং ডিভাইসগুলোর মধ্যে দ্রুত সিঙ্কিং। তবে শাওমি ইতিমধ্যেই ইঙ্গিত দিয়েছে, অনেক মডেলের জন্য এটিই হতে পারে শেষ আপডেট এরপর আর অ্যান্ড্রয়েড ১৬ বা HyperOS 3.1 আসবে না।
কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ
এই আপডেট শাওমির জন্য শুধুমাত্র অ্যান্ড্রয়েড ১৫ সরবরাহের বিষয় নয়, বরং তাদের বিশাল ইকোসিস্টেমে একীভূত ও ধারাবাহিক আপডেট ব্যবস্থাপনার সক্ষমতা প্রমাণের বিষয়। দীর্ঘদিন ধরে এই জায়গাটিতেই শাওমির দুর্বলতা ছিল। কিন্তু এবার কোম্পানিটি তুলনামূলকভাবে অনেক সংগঠিত-এটা বোঝা যাচ্ছে বিল্ড নম্বর ও পরীক্ষার ধরণ দেখে।
সবকিছু পরিকল্পনা মতো চললে, ২০২৬ সালের বসন্তেই প্রথম OTA রোলআউট শুরু হতে পারে। মিডরেঞ্জ ফোন ব্যবহারকারীদের জন্য এটি হবে একপ্রকার “শেষ আনন্দের আপডেট”- HyperOS 3-এর মাধ্যমে অ্যান্ড্রয়েড ১৫ পাওয়া মানে নতুন যুগে প্রবেশের আগে এক ছোট কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ জয়।
৮৫০ কোটি বছর আগের দৃশ্য! জেলিফিশ গ্যালাক্সির রহস্যময় আবিষ্কার
মহাকাশের অসীম শূন্যতায় ভেসে চলা এক বিচিত্র ও বিস্ময়কর জেলিফিশ গ্যালাক্সির সবচেয়ে দূরবর্তী ছবি তুলে আবারও বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ। কানাডার ওয়াটারলু বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল জ্যোতির্বিজ্ঞানী এই বিরল আবিষ্কারটি করেছেন। মহাবিশ্বের গভীরে লুকিয়ে থাকা এই গ্যালাক্সিটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘কসমস২০২০-৬৩৫৮২৯’। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, এই দৃশ্যটি প্রায় ৮৫০ কোটি বছর আগের, যখন মহাবিশ্বের বয়স ছিল বর্তমান সময়ের মাত্র এক-তৃতীয়াংশ। ‘অ্যাস্ট্রোফিজিক্যাল জার্নাল’-এ প্রকাশিত এই গবেষণাটি পরে যুক্তরাষ্ট্রের জেমিনি নর্থ টেলিস্কোপের মাধ্যমে যাচাই করে নিশ্চিত করা হয়েছে।
জেলিফিশ গ্যালাক্সি মূলত মহাকাশের এক বিশেষ ধরনের ছায়াপথ, যার পেছনে লম্বা লেজের মতো একটি অংশ থাকে, যা দেখতে অনেকটা সামুদ্রিক জেলিফিশের শুঁড়ের মতো। যখন কোনো গ্যালাক্সি অত্যন্ত দ্রুতগতিতে বিশাল কোনো গ্যালাক্সি ক্লাস্টার বা দলের মধ্যে প্রবেশ করে, তখন চারপাশের উত্তপ্ত ও ঘন গ্যাসের প্রচণ্ড চাপে গ্যালাক্সিটির নিজস্ব গ্যাস ছিটকে বাইরে বেরিয়ে আসে। এই প্রক্রিয়ার ফলেই তৈরি হয় দীর্ঘ লেজ। বিজ্ঞানীরা আকাশের ‘কসমস ফিল্ড’ নামক একটি বিশেষ অংশ পর্যবেক্ষণ করার সময় এই গ্যালাক্সিটি খুঁজে পান। আমাদের নিজস্ব গ্যালাক্সির ধুলো ও তারার বাধা কম থাকায় এই অঞ্চল থেকে মহাবিশ্বের গভীরতম অংশ পরিষ্কারভাবে দেখা সম্ভব হয়েছে।
এই আবিষ্কারটি মহাবিশ্বের সৃষ্টিতত্ত্ব নিয়ে বিজ্ঞানীদের পুরোনো ধারণাকে নতুন করে ভাবিয়ে তুলেছে। আগে মনে করা হতো, মহাবিশ্বের আদি সময়ে গ্যালাক্সির বড় দলগুলো পুরোপুরি গঠিত হয়নি, তাই এ ধরনের তীব্র চাপের ঘটনা ছিল বিরল। কিন্তু এই জেলিফিশ গ্যালাক্সির অস্তিত্ব প্রমাণ করে যে, সেই সুদূর অতীতেও মহাজাগতিক পরিবেশ ছিল অত্যন্ত সক্রিয়। আরও বিস্ময়কর বিষয় হলো, গ্যালাক্সিটির লেজে উজ্জ্বল নীল অংশ দেখা গেছে, যা সেখানে নতুন নক্ষত্র বা তারা জন্মের সুস্পষ্ট সংকেত। অর্থাৎ প্রতিকূল পরিবেশে গ্যাস ছিটকে বেরিয়ে গেলেও তারকা তৈরির মহাজাগতিক প্রক্রিয়া থেমে থাকেনি। মহাবিশ্বের শুরুর ইতিহাস আরও স্পষ্টভাবে বুঝতে গবেষকরা এখন আরও গভীর পর্যবেক্ষণের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
/আশিক
বিশ্বজুড়ে হঠাৎ অচল ইউটিউব: ভিডিও দেখতে বিপাকে কোটি কোটি মানুষ
বিশ্বের সবচেয়ে বড় ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম ইউটিউব হঠাৎ করেই কারিগরি বিভ্রাটের মুখে পড়ে বিশ্বজুড়ে অচল হয়ে যায়। মঙ্গলবার গভীর রাতে হঠাৎ করেই এই সমস্যার সূত্রপাত হয় এবং বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ব্যবহারকারীরা অভিযোগ জানাতে থাকেন যে তারা সাইটটিতে প্রবেশ করতে পারছেন না। ব্যবহারকারীদের মতে, ইউটিউবের হোমপেজ ঠিকমতো লোড হচ্ছিল না এবং কোনো ভিডিও চালানো সম্ভব হচ্ছিল না।
এই অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতিতে গুগলের মালিকানাধীন এই বিশাল প্ল্যাটফর্মটির ব্যবহারকারীদের মধ্যে ব্যাপক অস্বস্তি ছড়িয়ে পড়ে। ইউটিউব কর্তৃপক্ষ দ্রুত বিষয়টি আমলে নিয়ে তাদের অফিসিয়াল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) ব্যবহারকারীদের আশ্বস্ত করে জানায় যে, তাদের কারিগরি টিম সমস্যাটি সমাধানে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
ইউটিউব কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্যমতে, মূলত প্ল্যাটফর্মটির ভিডিও সাজেশন বা রেকমেন্ডেশন সিস্টেমে বড় ধরনের জটিলতা দেখা দিয়েছিল। এই ত্রুটির কারণে ইউটিউবের মূল ওয়েবসাইট ছাড়াও ইউটিউব অ্যাপ, ইউটিউব মিউজিক এবং ইউটিউব কিডসের মতো পরিষেবাগুলো সরাসরি আক্রান্ত হয়। এর ফলে ব্যবহারকারীরা হোমপেজে গিয়ে নতুন কোনো ভিডিও খুঁজে পাচ্ছিলেন না এবং অনেকেই 'পরে আবার চেষ্টা করুন' এমন বার্তা দেখতে পাচ্ছিলেন। কোম্পানিটি পরবর্তীতে এক বিবৃতিতে জানায় যে, তারা সাময়িকভাবে হোমপেজটি সচল করতে সক্ষম হয়েছে। তবে সিস্টেমের পূর্ণাঙ্গ স্থিতি ফিরিয়ে আনতে এবং স্থায়ী সমাধানের জন্য কাজ এখনও চলমান রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
ইন্টারনেট ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটের সমস্যা পর্যবেক্ষণকারী জনপ্রিয় সাইট 'ডাউন ডিটেক্টর'-এর পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এই বিভ্রাটের সময় ৩ লাখেরও বেশি ব্যবহারকারী সরাসরি সমস্যার কথা রিপোর্ট করেছেন। বাংলাদেশ সময় সকাল ৭টার দিকে এই অভিযোগের সংখ্যা ছিল সর্বোচ্চ পর্যায়ে। এর পর থেকে ধীরে ধীরে পরিস্থিতির উন্নতি হতে শুরু করে এবং অভিযোগের পরিমাণ কমতে থাকে। উল্লেখ্য যে, প্রতি মাসে বিশ্বের প্রায় ২৫০ কোটিরও বেশি মানুষ সক্রিয়ভাবে ইউটিউব ব্যবহার করেন। এত বিশাল সংখ্যক ব্যবহারকারীর ওপর এই সাময়িক বিভ্রাটের প্রভাব ছিল সুদূরপ্রসারী, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোতেও ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।
/আশিক
২০২৬ সালের প্রথম সূর্যগ্রহণ আজ
চলতি বছরের প্রথম বলয়গ্রাস সূর্যগ্রহণ ঘটছে আজ মঙ্গলবার ১৭ ফেব্রুয়ারি। বিরল এই জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক ঘটনাকে ঘিরে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিজ্ঞানী, গবেষক ও মহাকাশপ্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। সূর্য, চাঁদ ও পৃথিবী একটি সরলরেখায় অবস্থান নিলে এবং চাঁদ পৃথিবী থেকে তুলনামূলক দূরে থাকায় সূর্যের কেন্দ্রীয় অংশ ঢেকে গিয়ে চারপাশে অগ্নিবলয়ের মতো দৃশ্য তৈরি হলে তাকে বলয়গ্রাস সূর্যগ্রহণ বলা হয়।
আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টা ৫৬ মিনিট ৩৬ সেকেন্ডে গ্রহণ শুরু হবে এবং রাত ৮টা ২৭ মিনিট ৩৬ সেকেন্ডে তা সমাপ্ত হবে। তবে এ মহাজাগতিক দৃশ্য বাংলাদেশের আকাশ থেকে পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হবে না।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, দক্ষিণ আমেরিকার আর্জেন্টিনা ও চিলি, আফ্রিকার দক্ষিণ আফ্রিকা এবং অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশের কিছু অংশ থেকে গ্রহণটি প্রত্যক্ষ করা যাবে। বিশেষ করে অ্যান্টার্কটিকায় চিলির গবেষণা কেন্দ্র ইয়েলচো ঘাঁটির উত্তর-পশ্চিমে দক্ষিণ মহাসাগর এলাকায় স্থানীয় সময় ভোর ৪টা ৩৮ মিনিট ৩১ সেকেন্ডে গ্রহণ শুরু হবে। পরে ভারত মহাসাগর অঞ্চলে মরিশাসের ভিংট-সিনক দ্বীপের দক্ষিণ-পূর্ব দিকে স্থানীয় সময় সকাল ৬টা ২৪ মিনিট ৩৯ সেকেন্ডে গ্রহণ শেষ হবে।
বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা নিরাপদ চশমা ও বিশেষ ফিল্টারযুক্ত টেলিস্কোপের মাধ্যমে সরাসরি গ্রহণ পর্যবেক্ষণের প্রস্তুতি নিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও আন্তর্জাতিক মহাকাশ সংস্থাগুলোর প্ল্যাটফর্মে সরাসরি সম্প্রচারের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।
বাংলাদেশে এ গ্রহণ দৃশ্যমান না হলেও জ্যোতির্বিজ্ঞান সংশ্লিষ্ট মহলে ঘটনাটি তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, সূর্যগ্রহণ পর্যবেক্ষণের ক্ষেত্রে চোখের সুরক্ষা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি, কারণ খালি চোখে সরাসরি সূর্যের দিকে তাকানো বিপজ্জনক হতে পারে।
সব মিলিয়ে, চলতি বছরের এই প্রথম বলয়গ্রাস সূর্যগ্রহণ বিশ্বজুড়ে বৈজ্ঞানিক কৌতূহল ও উৎসাহের নতুন মাত্রা যোগ করেছে, যদিও বাংলাদেশের আকাশে তার দেখা মিলবে না।
-রাফসান
মঙ্গলে প্রাণের অস্তিত্বের শক্তিশালী প্রমাণ পেল নাসা
মঙ্গল গ্রহের লাল মাটিতে একসময় প্রাণের অস্তিত্ব ছিল কি না, সেই দীর্ঘদিনের রহস্য উদ্ঘাটনে এবার নতুন ও শক্তিশালী এক অধ্যায় যুক্ত হয়েছে। মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা (NASA) সম্প্রতি জানিয়েছে যে, তাদের পাঠানো রোবোটিক যান 'কিউরিওসিটি রোভার' মঙ্গলের পৃষ্ঠে এমন কিছু জৈব অণুর সন্ধান পেয়েছে, যা প্রাণের প্রাথমিক উপাদান হিসেবে বিবেচিত হয়। এই আবিষ্কারের ফলে বিজ্ঞানীদের দীর্ঘদিনের সেই ধারণা এখন আরও জোরালো হয়েছে যে, পৃথিবীর নিকটতম এই প্রতিবেশী গ্রহে কোনো এক সময় প্রাণের স্পন্দন ছিল।
বর্তমানে কিউরিওসিটি রোভার মঙ্গলের একটি বিশাল গর্ত বা খাদ, যা 'গেইল ক্রেটার' নামে পরিচিত, তার ভেতরে অবস্থিত 'মাউন্ট শার্প' পাহাড়ের পাদদেশে নিবিড় অনুসন্ধান চালাচ্ছে। এই অভিযানের অংশ হিসেবে রোভারটি সেখানকার প্রাচীন পাথরে ড্রিল বা ছিদ্র করে কিছু নমুনা সংগ্রহ করেছে। সেই সংগৃহীত নমুনাগুলো বিশেষ পরীক্ষাগারে বিশ্লেষণ করার পর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বেরিয়ে এসেছে। পরীক্ষায় দেখা গেছে, সেই কঠিন পাথরের ভেতরে ডেকেন, আনডেকেন এবং ডোডেকেন নামক বিশেষ কিছু রাসায়নিক যৌগ রয়েছে। বিজ্ঞানের ভাষায় এগুলোকে হাইড্রোকার্বন বলা হয়, যা পৃথিবীতে প্রাণের অস্তিত্ব ও বিকাশের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। নাসার গবেষকদের মতে, এই রাসায়নিকগুলোর গঠন অনেকটা ফ্যাটি অ্যাসিডের মতো, যা মূলত জীবন্ত কোষ বা সেল তৈরির প্রধান গাঠনিক উপাদান।
এই আবিষ্কারের সবচেয়ে বিস্ময়কর দিক হলো, উদ্ধারকৃত এই উপাদানগুলো প্রায় ৩৭০ কোটি বছর আগের প্রাচীন কাদা-পাথরের স্তরে সংরক্ষিত ছিল। সাধারণত মহাকাশ থেকে আগত শক্তিশালী ও ক্ষতিকর মহাজাগতিক রশ্মি সময়ের ব্যবধানে যেকোনো জৈব অণুকে নষ্ট বা ধ্বংস করে দেয়। তবে ল্যাবরেটরি পরীক্ষা এবং উন্নত কম্পিউটার বিশ্লেষণের মাধ্যমে দেখা গেছে, এই রাসায়নিকগুলো কয়েকশ কোটি বছর ধরে প্রতিকূল পরিবেশে টিকে রয়েছে। বিজ্ঞানীদের মতে, এত দীর্ঘ সময় ধরে এই অণুগুলোর টিকে থাকা কোনো সাধারণ বিষয় নয়। আর এ কারণেই তারা ধারণা করছেন, এই অণুগুলোর উৎপত্তির পেছনে নিশ্চিতভাবে কোনো জৈবিক বা প্রাণের সঙ্গে সম্পর্কিত কারণ থাকতে পারে।
উল্লেখ্য যে, ২০১২ সালে মঙ্গল গ্রহে সফলভাবে অবতরণের পর থেকেই কিউরিওসিটি রোভার একের পর এক রোমাঞ্চকর রহস্যের সমাধান করে চলেছে। মাউন্ট শার্প এলাকার স্তরগুলো বিজ্ঞানীদের কাছে অনেকটা বিশাল এক কেকের স্তরের মতো, যেখানে প্রতিটি স্তর মঙ্গলের ভিন্ন ভিন্ন যুগের ইতিহাসের সাক্ষ্য বহন করছে। প্রাচীন হ্রদ, বৈচিত্র্যময় পাথুরে এলাকা এবং সালফেটে ভরপুর মাটির স্তর বিশ্লেষণ করে রোভারটি প্রতিনিয়ত প্রাণের উপযোগী পরিবেশের সন্ধান করে যাচ্ছে। এই নতুন প্রাপ্তি মঙ্গলের অতীত নিয়ে মানুষের কৌতূহলকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে। বিজ্ঞানীরা আশাবাদী যে, চলমান এই গবেষণা থেকে ভবিষ্যতে আরও নিখুঁত তথ্য পাওয়া গেলে মঙ্গলের প্রাচীন ইতিহাস ও সেখানে প্রাণের বিবর্তন সম্পর্কে পৃথিবীর মানুষ আরও স্বচ্ছ ধারণা লাভ করতে পারবে।
/আশিক
আজ বিকেলেই শুরু হচ্ছে বছরের প্রথম সূর্যগ্রহণ: বাংলাদেশ থেকে কি দেখা যাবে?
আজ সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) বছরের একটি গুরুত্বপূর্ণ সূর্যগ্রহণ হতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তারা জানিয়েছে, বাংলাদেশ সময় আজ বিকেল ৫টা ৫৬ মিনিট ৩৬ সেকেন্ডে এই গ্রহণটি শুরু হবে এবং রাত ৮টা ২৭ মিনিট ৩৬ সেকেন্ডে এটি শেষ হবে। প্রায় আড়াই ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে চলা এই মহাজাগতিক ঘটনাটি ঘিরে জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে।
আইএসপিআর তাদের বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট করেছে যে, ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশ থেকে এই সূর্যগ্রহণটি দেখা যাবে না। তবে দক্ষিণ গোলার্ধের দেশগুলো বিশেষ করে আর্জেন্টিনা, চিলি এবং দক্ষিণ আফ্রিকায় এটি দৃশ্যমান হবে। এমনকি অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশ থেকেও এই সূর্যগ্রহণের বিরল দৃশ্য উপভোগ করা যাবে।
যদিও সরাসরি বাংলাদেশ থেকে এটি দেখা যাবে না, তবুও মহাকাশ গবেষণায় আগ্রহী বাংলাদেশিদের জন্য এই সময়সূচিটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে যারা অনলাইনে লাইভ স্ট্রিমিং বা আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে মহাজাগতিক দৃশ্যটি দেখতে চান, তাদের জন্য আইএসপিআর-এর এই নির্দিষ্ট সময়সূচি বেশ সহায়ক হবে।
/আশিক
বৃহস্পতির আকার নিয়ে পুরোনো সব হিসাব ভুল: নতুন তথ্য দিল নাসা
সৌরজগতের দানব গ্রহ বৃহস্পতিকে নিয়ে কয়েক দশকের পুরোনো ধারণায় পরিবর্তন আনছে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। নাসার ‘জুনো’ মহাকাশযানের সাম্প্রতিক পরিমাপে দেখা গেছে, গ্রহটি আগের ধারণার চেয়ে সামান্য ছোট এবং মেরু অঞ্চলে আগের চেয়ে একটু বেশি চ্যাপ্টা। বৃহস্পতির বায়ুমণ্ডলের ‘১-বার স্তরে’ নতুন এই পরিমাপ চালানো হয়, যেখানে দেখা যায় গ্রহটির বিষুবীয় ব্যাসার্ধ প্রায় ৭১,৪৮৮ কিলোমিটার এবং মেরু ব্যাসার্ধ ৬৬,৮৪২ কিলোমিটার—যা আগের হিসাবের চেয়ে কয়েক কিলোমিটার কম।
এই নির্ভুল তথ্য পেতে বিজ্ঞানীরা ‘রেডিও অকালটেশন’ নামক একটি আধুনিক পদ্ধতি ব্যবহার করেছেন। এই পদ্ধতিতে জুনো থেকে পাঠানো রেডিও সিগন্যাল যখন বৃহস্পতির ঘন বায়ুমণ্ডল ভেদ করে যায়, তখন সিগন্যালের বাঁক পর্যবেক্ষণ করে তাপমাত্রা ও বায়ুর ঘনত্ব নির্ণয় করা হয়। এর আগে ১৯৭০-এর দশকে পাইওনিয়ার ও ভয়েজার অভিযানের মাধ্যমে যে তথ্য পাওয়া গিয়েছিল, সেখানে গ্রহটির শক্তিশালী বাতাসের প্রবাহ পুরোপুরি বিবেচনা করা সম্ভব হয়নি। ফলে সেই হিসাবগুলোতে সূক্ষ্ম ভুলের সুযোগ থেকে গিয়েছিল।
বিজ্ঞানীদের মতে, বৃহস্পতির সঠিক আকার ও আয়তন জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এর ওপর ভিত্তি করেই গ্রহটির অভ্যন্তরে থাকা কোর বা কেন্দ্র এবং গ্যাসের স্তরগুলোর গঠন আরও ভালোভাবে বোঝা সম্ভব হবে। একই সাথে, আমাদের সৌরজগতের বাইরে থাকা অন্যান্য ‘গ্যাস জায়ান্ট’ বা গ্যাসীয় দানব গ্রহগুলোর প্রকৃতি সম্পর্কে ধারণা পেতেও নাসার এই নতুন তথ্য বিশাল ভূমিকা রাখবে। মহাকাশ গবেষণার নতুন এই অধ্যায় বিজ্ঞানীদের সামনে বৃহস্পতির প্রকৃত রূপ আরও স্পষ্ট করে তুলল।
চাঁদাবাজ ধরতে নাসিরুদ্দীনের নতুন সাইট ‘চান্দাবাজ ডট কম’
সারাদেশে চলমান চাঁদাবাজি ও জুলুম রুখতে এক অভিনব ডিজিটাল উদ্যোগ নিয়েছেন ঢাকা-৮ আসনের ১১ দলীয় ঐক্যজোট মনোনীত প্রার্থী এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসিরুদ্দীন পাটওয়ারী। বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করা হয়েছে 'চান্দাবাজ ডট কম' (chandabaaj.com) নামের একটি বিশেষ ওয়েবসাইট। এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ এখন থেকে সরাসরি চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে রিপোর্ট করতে পারবেন। ওয়েবসাইটটি লাইভ হওয়ার মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সারাদেশ থেকে ৮টি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ জমা পড়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
নাসিরুদ্দীন পাটওয়ারী এই উদ্যোগের লক্ষ্য ব্যাখ্যা করে জানান, সংগৃহীত প্রতিটি রিপোর্ট গভীরভাবে যাচাই-বাছাই করা হবে এবং অপরাধীদের শনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য প্রশাসনের সহযোগিতা নেওয়া হবে। তিনি বলেন, "আপনার এলাকায় চাঁদাবাজির কোনো ঘটনা ঘটলে দেরি না করে উপযুক্ত তথ্য-প্রমাণসহ তাৎক্ষণিক রিপোর্ট করুন। এর মাধ্যমে আমরা অপরাধীদের চিহ্নিত করার পথ সহজ করতে চাই।" নাসিরুদ্দীন আরও দৃঢ়তার সাথে উল্লেখ করেন যে, আগামীর স্বপ্নের বাংলাদেশে কোনো চাঁদাবাজ বা জুলুমবাজের স্থান হবে না এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এই ডিজিটাল প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে।
এই প্ল্যাটফর্মটি মূলত একটি নাগরিক নজরদারি ব্যবস্থা হিসেবে কাজ করবে, যেখানে সাধারণ মানুষ তাদের পরিচয় গোপন রেখেও অভিযোগ জানানোর সুযোগ পেতে পারেন (যাচাই সাপেক্ষে)। নির্বাচনের ঠিক আগ মুহূর্তে নাসিরুদ্দীন পাটওয়ারীর এই 'চাঁদাবাজ বিরোধী' অবস্থান ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল ও আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে ব্যবসায়িক ও পরিবহন খাতে যারা প্রতিনিয়ত চাঁদাবাজির শিকার হন, তাদের জন্য এই ওয়েবসাইটটি একটি ভরসার জায়গা হয়ে উঠবে বলে আশা করা হচ্ছে।
স্মার্টফোনের ব্যাটারি দ্রুত ফুরিয়ে যাচ্ছে? বন্ধ করুন এই ৫টি ফিচার
স্মার্টফোনের ব্যাটারি দীর্ঘস্থায়ী করা প্রতিটি ব্যবহারকারীর জন্যই একটি বড় চ্যালেঞ্জ। প্রযুক্তিগত কিছু অসচেতনতার কারণে অনেক সময় ফোনের চার্জ দ্রুত ফুরিয়ে যায়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, স্মার্টফোনের মাত্র ৫টি ফিচার বা সেটিংস পরিবর্তন করে দিলে ব্যাটারির আয়ু উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়ে নেওয়া সম্ভব।
স্মার্টফোনের ব্যাটারি খরচ হওয়ার প্রধান উৎস হলো এর ডিসপ্লে। স্ক্রিনের ব্রাইটনেস বা উজ্জ্বলতা সবসময় সর্বোচ্চ পর্যায়ে না রেখে তা চোখের জন্য আরামদায়ক স্তরে রাখা উচিত। এ ছাড়া 'অটো-লক' বা 'স্ক্রিন টাইমআউট' সময় কমিয়ে রাখলে ডিসপ্লে দ্রুত বন্ধ হয়ে ব্যাটারি সাশ্রয় করে।
দ্বিতীয়ত, অনেক সময় ব্যবহারকারী অ্যাপ বন্ধ করে দিলেও সেগুলো ব্যাকগ্রাউন্ডে চলতে থাকে। এই 'ব্যাকগ্রাউন্ড অ্যাপ রিফ্রেশ' অপশনটি সেটিংস থেকে বন্ধ করে দিলে অপ্রয়োজনীয় চার্জ খরচ বন্ধ হয়।
তৃতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি হলো 'লোকেশন সার্ভিস'। সব অ্যাপের জন্য সবসময় লোকেশন অন না রেখে কেবল 'অ্যাপ ইউজিং' বা অ্যাপ ব্যবহারের সময় লোকেশন অন রাখার অপশনটি সিলেক্ট করা উচিত। এতে ফোনের জিপিএস হার্ডওয়্যার অনবরত ব্যাটারি খরচ করা থেকে বিরত থাকে।
চতুর্থত, ইন্টারনেট ব্যবহারের ক্ষেত্রে সেলুলার ডেটা বা মোবাইল ডেটার তুলনায় ওয়াইফাই (Wi-Fi) ব্যবহার করা অনেক বেশি সাশ্রয়ী। কারণ মোবাইল নেটওয়ার্ক সিগন্যাল খুঁজতে ফোনকে অনেক বেশি শক্তি ব্যয় করতে হয়। সবশেষে, আইফোন বা অ্যান্ড্রয়েড উভয় ক্ষেত্রেই 'লো-পাওয়ার মোড' বা 'ব্যাটারি সেভার' মোড ব্যবহার করা একটি কার্যকর উপায়। এটি ব্যাকগ্রাউন্ডের অনেক অপ্রয়োজনীয় প্রসেস বন্ধ করে ব্যাটারির আয়ু নিশ্চিত করে। এই সহজ পদ্ধতিগুলো অনুসরণ করলে স্মার্টফোনের ব্যাটারি নিয়ে দুশ্চিন্তা অনেকটাই কমে আসবে।
এক সপ্তাহে বড় লাফ! রিজার্ভে নতুন চমক দিল বাংলাদেশ ব্যাংক
দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে ইতিবাচক ধারা অব্যাহত রয়েছে। আজ সোমবার ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে যে, দেশের মোট বা গ্রস রিজার্ভ বৃদ্ধি পেয়ে বর্তমানে ৩৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের মাইলফলক ছাড়িয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান আজ বিকেলে আনুষ্ঠানিকভাবে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ হালনাগাদ প্রতিবেদন অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের মোট গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ ৩৪ বিলিয়ন ডলারের বেশি। তবে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) নির্ধারিত বিপিএম-৬ (BPM6) হিসাব পদ্ধতি অনুসরণ করলে দেখা যায় যে, এই রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৯ দশমিক ৪৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে। উল্লেখ্য যে, আইএমএফের এই বিপিএম-৬ পদ্ধতি অনুযায়ী মূলত দেশের নিট বা প্রকৃত রিজার্ভ হিসাব করা হয়।
এর আগে গত ২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩৩ দশমিক ২৪ বিলিয়ন ডলার। একই সময়ে বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ২৮ দশমিক ৭৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে গ্রস ও নিট—উভয় পদ্ধতিতেই রিজার্ভের উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি দেশের অর্থনীতির জন্য একটি স্বস্তিদায়ক খবর হিসেবে দেখা হচ্ছে।
আর্থিক বিশ্লেষকদের মতে, মোট রিজার্ভ থেকে স্বল্পমেয়াদী দায়সমূহ বাদ দিলে যে অবশিষ্ট পরিমাণ পাওয়া যায়, সেটিই প্রকৃত নিট রিজার্ভ হিসেবে গণ্য হয়। রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধি এবং রপ্তানি আয়ের ইতিবাচক গতির কারণেই রিজার্ভের এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বজায় রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
পাঠকের মতামত:
- ইতিহাসে প্রথম শহীদ মিনারে দাঁড়িয়ে ভাষা শহীদদের জন্য দোয়া প্রধানমন্ত্রীর
- রোজায় ক্লান্তিবোধ কমবে নিমিষেই: শক্তি ধরে রাখার ৪টি সেরা কৌশল
- রোজায় গ্যাসের সমস্যায় ভুগছেন? সমাধান মিলবে ঘরোয়া এই নিয়মেই
- দুর্নীতি ও ধর্মান্ধতা একুশের চেতনার শত্রু: টিআইবি প্রধান
- সর্বস্তরে বাংলা ভাষার ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে: জামায়াত আমির
- গণভোটের হ্যাঁঅটোমেটিক কার্যকর হবে, এটাই জুলাই সনদ: এ্যানি
- আজকের টাকার রেট কত? দেখে নিন বিভিন্ন দেশের মুদ্রার বিনিময় হার
- যশোরে তালা ভেঙে আওয়ামী লীগ অফিসে ছবি টাঙালো ছাত্রলীগ
- আজ শনিবার; রাজধানীর যেসব এলাকার মার্কেট ও দোকানপাট বন্ধ
- ১৭ বছর পর ক্ষমতায় এসে এমন আচরণ কাম্য নয়: রুমিন ফারহানা
- জেনে নিন রাজধানীতে আজকের আবহাওয়ার হালচাল
- আজ রাজধানীতে কোথায় কী কর্মসূচি: জেনে নিন সকালে বের হওয়ার আগে
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দর কত? জেনে নিন বাজুসের নতুন মূল্যতালিকা
- একুশের প্রথম প্রহরে শহীদ মিনারে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
- রমজানের তৃতীয় দিনের ইফতার ও নামাজের সময়সূচি
- প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাদের দপ্তর বণ্টন, কে কোন দায়িত্বে?
- আবারও স্বর্ণের বাজারে বড় উত্থান
- রমজানে অর্ধশত পরিবারের পাশে সিলেট-চট্টগ্রাম ফ্রেন্ডশিপ ফাউন্ডেশন
- মুরাদনগরে পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধে নির্মাণ শ্রমিককে পিটিয়ে হত্যা
- শেয়ারবাজারের সাপ্তাহিক পূর্ণাঙ্গ বিশ্লেষণ
- যমুনা ছাড়ছেন কবে ড. ইউনূস, কোথায় থাকবেন প্রধানমন্ত্রী
- ঢাকায় ১০ দিনের অ্যাকশন প্ল্যান ইশরাকের
- শেয়ারবাজারে আসছে বৈপ্লবিক পরিবর্তন: অর্থ মন্ত্রী আমীর খসরু
- ২১ ফেব্রুয়ারিতে ডিএমপির সড়ক নির্দেশনা, কোন পথ এড়াবেন
- হামলা হলে মার্কিন ঘাঁটি হবে লক্ষ্যবস্তু: ইরান
- "আই হ্যাভ এ প্ল্যান" বাস্তবায়ন শুরু
- হু হু করে কমল সোনার দাম
- বৈদেশিক মুদ্রার সর্বশেষ বিনিময় হার: ২০ ফেব্রুয়ারি
- বের হওয়ার আগে জেনে নিন আজ যেসব মার্কেট বন্ধ
- এইচএসসি ২০২৬: ফরম পূরণের পূর্ণাঙ্গ সময়সূচি ও নীতিমালা প্রকাশ
- শুক্রবারের পূর্ণ নামাজ সূচি, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
- রাজধানীতে আজ আবহাওয়ার পূর্বাভাস
- রাজধানীতে আজ আবহাওয়ার পূর্বাভাস
- বাংলাদেশের ম্যাচসহ আজ টিভিতে যেসব খেলা দেখবেন
- এতিমদের মধ্য থেকেই কেউ একদিন প্রধানমন্ত্রী হবে: শফিকুর রহমান
- ঈদের আগেই ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে কমিটি: দায়িত্বে আছেন যারা
- সড়কে সমঝোতার ভিত্তিতে টাকা তোলা চাঁদা নয়: সড়ক পরিবহন মন্ত্রী
- স্বর্ণের বাজারে টানা উত্থান: বিনিয়োগকারীদের জন্য বড় খবর
- ইফতারের পর ক্লান্ত লাগে? সতেজ থাকার সহজ উপায়গুলো জেনে নিন
- মহাকাশ বিজয়ে ইরান: সফলভাবে উৎক্ষেপিত হলো জাম-এ-জাম ১
- ব্যবসায়ীদের স্বার্থ রক্ষায় ব্যস্ত মন্ত্রিসভা, জনস্বার্থ উপেক্ষিত: নাহিদ ইসলাম
- পরীক্ষা ও মূল্যায়ন পদ্ধতিতে বড় পরিবর্তন আসছে
- ১৯ ফেব্রুয়ারি শেয়ারবাজারের পূর্ণাঙ্গ বিশ্লেষণ
- রোজার প্রথম দিনেই মুরগি ও সবজির দামে লাগামহীন রাজধানীর বাজার
- ১৯ ফেব্রুয়ারি ডিএসইতে শীর্ষ ১০ দরপতনের শেয়ার
- ইফতারে যেসব ভুলের কারণে গ্যাস্ট্রিক ও ওজন বাড়ে
- প্রথম রোজার ইফতারে চমক! ঘরেই তৈরি করুন মুচমুচে ও সুস্বাদু চিকেন পাকোড়া
- দুপুরের নির্জনতা ভেঙে হঠাৎ কেঁপে উঠল সিলেট: বড় কোনো দুর্যোগের পূর্বাভাস?
- ১৯ ফেব্রুয়ারি ডিএসইতে শীর্ষ ১০ দরবৃদ্ধিকারী শেয়ার
- নতুন সরকারের প্রতি ট্রাম্পের পূর্ণ আস্থা: অভিনন্দন বার্তায় চাঞ্চল্য
- বাজুসের নতুন দর! ২ লাখ ১৩ হাজারে মিলবে ১ ভরি সোনা
- হু হু করে কমল সোনার দাম
- রমজানে স্কুল খোলা নিয়ে হাইকোর্টের বড় রায়: বদলে গেল ছুটির পুরো ক্যালেন্ডার
- চাকরির টাকায় সংসার না চললে ছেড়ে দিন, দুর্নীতির কোনো ক্ষমা নেই: আইনমন্ত্রী
- প্রাথমিকে রোজার ছুটি নিয়ে নতুন তথ্য জানাল অধিদপ্তর
- অগ্নিমূল্য স্বর্ণের বাজার, ভরিপ্রতি স্বর্ণের দাম বাড়লো ২২১৬ টাকা
- বিশ্ববাজারের প্রভাব পড়ল দেশের স্বর্ণবাজারে: আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম
- ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল দেশের অংশবিশেষ
- কালিগঞ্জে শতবর্ষী মাদ্রাসার জমি জোরপূর্বক বিক্রয়ের অভিযোগ, দখলের পায়তারা
- শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অভিভাবক হলেন এহসানুল হক মিলন
- মঙ্গলবার টানা ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
- আজ বিকেলেই শুরু হচ্ছে বছরের প্রথম সূর্যগ্রহণ: বাংলাদেশ থেকে কি দেখা যাবে?
- বাজুসের নতুন সিদ্ধান্ত: আজ থেকেই কার্যকর হচ্ছে স্বর্ণের হ্রাসকৃত মূল্য
- আকাশছোঁয়া স্বর্ণের বাজারে কিছুটা স্বস্তি: আজ থেকেই দাম কমছে
- ১৫ ফেব্রুয়ারি শেয়ারবাজারের পূর্ণাঙ্গ বিশ্লেষণ








