ফেসবুকের ট্রেন্ড এবার ফিফার পাতায়: নেইমারের ছবিতে বাংলা ডায়ালগ নিয়ে তোলপাড়

খেলা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ২১ ২০:০৮:৩৫
ফেসবুকের ট্রেন্ড এবার ফিফার পাতায়: নেইমারের ছবিতে বাংলা ডায়ালগ নিয়ে তোলপাড়
ছবি : সংগৃহীত

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে প্রায়শই নানা রকম নতুন নতুন মুখরোচক ডায়ালগ ট্রেন্ডিংয়ে রূপ নেয়। এবার নেটিজেনরা মেতে উঠেছেন এমনই এক নতুন সংলাপে, যা হলো—‘কী রাগ করলা’। বর্তমানে ফেসবুকের বিভিন্ন ভাইরাল পোস্টের ক্যাপশন, কমেন্ট বক্স কিংবা ইনবক্সের চ্যাটিং—সব জায়গায় যেন একচেটিয়া দখল করে নিয়েছে এই একটি মাত্র ডায়ালগ।

সাধারণ নেটিজেনদের গণ্ডি পেরিয়ে ‘কী রাগ করলা’ সংলাপটি এবার অবিশ্বাস্যভাবে জায়গা করে নিয়েছে বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা’র (FIFA) অফিশিয়াল ওয়ার্ল্ড কাপ পেজে। আজ বৃহস্পতিবার (২১ মে ২০২৬) ফিফা ওয়ার্ল্ড কাপ পেজ থেকে ব্রাজিলিয়ান সুপারস্টার নেইমারের একটি রাজকীয় ছবি পোস্ট করা হয়। সেই পোস্টের মূল শিরোনামে লেখা হয়, ‘ফুটবল রাজপুত্রের প্রত্যাবর্তন।’

সবচেয়ে চমকপ্রদ বিষয় হলো, ফিফার পোস্ট করা নেইমারের সেই অফিসিয়াল ছবিতে বড় বড় অক্ষরে বাংলায় লেখা রয়েছে, ‘কি প্রতিপক্ষ রাগ করলা!’ মূলত ফুটবলবিশ্বে বাংলাদেশি ট্রল ও ট্রেন্ড সংস্কৃতিকে সম্মান জানাতে এবং দেশীয় ভক্তদের উদ্দেশ্যেই ফিফার পক্ষ থেকে এই বিশেষ পোস্টটি দেওয়া হয়েছে, যা মুহূর্তের মধ্যেই সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে গেছে। উল্লেখ্য, গত রোববার (১৭ মে) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি সাধারণ ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে, যেখান থেকে মূলত এই ডায়ালগটির মূল প্রচলন ও ভাইরালিটি শুরু হয়।

ভাইরাল সেই ভিডিওটিতে দেখা যায়, শহরের একটি ব্যস্ততম রাস্তার পাশে কাঁধে ঝোলা নেওয়া এক সাধারণ গণক সুঠাম দেহের অধিকারী এক যুবকের হাত দেখে ভাগ্য গণনার কাজ করছেন। সেখানে ওই যুবকের জীবনের নানা অতীত ও ভবিষ্যৎ ঘটনার নাটকীয় বর্ণনা দেওয়ার পাশাপাশি প্রতিটি বাক্যের শেষেই সেই গণকটি অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসের সাথে ও চটুল ভঙ্গিতে বারবার উচ্চারণ করছিলেন—'রাগ করলা?'। গণকের সেই বিচিত্র বাচনভঙ্গিই এখন দেশের ফেসবুক পাড়ায় বিনোদনের প্রধান উপাদানে পরিণত হয়েছে।

/আশিক


মেক্সিকোর মাটিতে বিশ্বকাপের শেষ ম্যাচ ঘিরে চরম উত্তেজনা, সর্বোচ্চ সতর্কতায় প্রশাসন

খেলা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ০৫ ২০:২৫:১২
মেক্সিকোর মাটিতে বিশ্বকাপের শেষ ম্যাচ ঘিরে চরম উত্তেজনা, সর্বোচ্চ সতর্কতায় প্রশাসন
ছবি : সংগৃহীত

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে আজ রাতের দুটি বহুল প্রতীক্ষিত ম্যাচ ঘিরে তৈরি হওয়া সূচি সংক্রান্ত সমস্ত জটিলতার অবসান ঘটেছে। বৈরি আবহাওয়া এবং সম্ভাব্য গোলযোগের আশঙ্কায় ম্যাচ দুটির সময় পরিবর্তনের জোর আলোচনা চললেও শেষ পর্যন্ত পূর্ব নির্ধারিত সূচিই বহাল রাখার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। ফলে কোনো ধরনের পরিবর্তন ছাড়াই নির্দিষ্ট সময়েই মাঠে গড়াচ্ছে ব্রাজিল-নরওয়ে এবং মেক্সিকো-ইংল্যান্ডের মধ্যকার শেষ ষোলোর লড়াই।

বিদ্যমান এবং অফিশিয়াল সূচি অনুযায়ী, আজ রোববার (৫ জুলাই) দিবাগত রাত ২টায় নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে নরওয়ের মুখোমুখি হবে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। ফুটবল মহলে গুঞ্জন ছড়িয়েছিল যে, পরবর্তী ম্যাচের সময় পরিবর্তন করা হলে ব্রাজিলের ম্যাচের সময়সূচিতেও বড় ধরনের রদবদল আসতে পারে। তবে ফিফা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, মেটলাইফ স্টেডিয়ামের ম্যাচটি পূর্বের নির্ধারিত সময়েই শুরু হবে, যা ব্রাজিল ও নরওয়ে শিবিরের যাবতীয় অনিশ্চয়তা দূর করেছে।

এদিকে সূচি পরিবর্তনের মূল আলোচনাটি তৈরি হয়েছিল মূলত মেক্সিকোর ঐতিহ্যবাহী আজতেকা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠেয় মেক্সিকো ও ইংল্যান্ডের মধ্যকার হাইভোল্টেজ ম্যাচটিকে কেন্দ্র করে, যা বাংলাদেশ সময় সোমবার ভোর ৬টায় শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। মেক্সিকো সিটিতে ম্যাচের সময় তীব্র বজ্রঝড় ও মারাত্মক দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার স্পষ্ট পূর্বাভাস থাকায় ফিফা কর্তৃপক্ষ মেক্সিকান ও ইংলিশ ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে দফায় দফায় জরুরি বৈঠক করে।

দুর্যোগ এড়াতে ম্যাচটি ৬ ঘণ্টা এগিয়ে এনে স্থানীয় সময় দুপুর ১২টায় শুরু করার একটি জোরালো প্রস্তাব টেবিলে ছিল। তবে দুই দলের লজিস্টিকস সাপোর্ট, সম্প্রচার স্বত্ব ও নানা কারিগরি জটিলতার কারণে শেষ পর্যন্ত সেই প্রস্তাব বাতিল করে সূচি অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

আবহাওয়ার চরম প্রতিকূলতার পাশাপাশি মেক্সিকান প্রশাসনের জন্য সবচেয়ে বড় দুশ্চিন্তার কারণ ছিল স্টেডিয়ামের অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক জননিরাপত্তা। প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে ম্যাচ মাঠে গড়াতে যদি কোনো বিলম্ব হয় এবং খেলা গভীর রাতে গড়ায়, তবে ম্যাচ শেষে স্টেডিয়ামের বাইরে ফুটবল ভক্তদের মাঝে তীব্র বিশৃঙ্খলা বা বড় ধরনের দাঙ্গার আশঙ্কা করছিল দেশটির স্থানীয় সরকার।

এর অন্যতম প্রধান কারণ হলো, চলমান বিশ্বকাপে মেক্সিকোর ম্যাচগুলোকে কেন্দ্র করে ফুটবল ভক্তদের উন্মাদনায় ইতোমধ্যেই প্রাণহানির মতো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে গেছে। উল্লেখ্য, চলতি ২০২৬ বিশ্বকাপে মেক্সিকোর মাটিতে এটাই শেষ ম্যাচ। এই ম্যাচের পর টুর্নামেন্টের কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে শুরু করে ফাইনাল পর্যন্ত বাকি সবকটি ম্যাচ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

/আশিক


আজ রাতে ইতিহাস বদলানোর মিশনের আগেই বড় ধাক্কা খেল পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল

খেলা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ০৫ ১৯:৫১:৩৯
আজ রাতে ইতিহাস বদলানোর মিশনের আগেই বড় ধাক্কা খেল পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল
ছবি : সংগৃহীত

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর হাইভোল্টেজ ম্যাচে নরওয়ের মুখোমুখি হওয়ার ঠিক আগমুহূর্তে বড় ধরনের ধাক্কা খেয়েছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। চোটের কবলে পড়ে আরলিং হালান্ডের দলের বিপক্ষে এই গুরুত্বপূর্ণ নকআউট ম্যাচে মাঠে নামতে পারছেন না সেলেসাওদের মাঝমাঠের অন্যতম প্রধান তারকা ও ভরসা লুকাস পাকেতা। আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা এএফপির এক বিশেষ প্রতিবেদনে এই দুঃসংবাদের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

বাংলাদেশ সময় আজ রোববার দিবাগত রাত ২টায় নিউইয়র্কের নিউজার্সির ঐতিহ্যবাহী মেটলাইফ স্টেডিয়ামে কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার এই মহালড়াইতে নামবে দুই দল। প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, হ্যামস্ট্রিংয়ের গুরুতর চোটের কারণে নরওয়ে ম্যাচ থেকে সম্পূর্ণ ছিটকে গেছেন পাকেতা। নকআউটের মতো জীবন-মরণ ম্যাচে মাঝমাঠের এই নির্ভরযোগ্য ফুটবলারকে হারানো কোচ কার্লো আনচেলত্তির দলের জন্য নিঃসন্দেহে অনেক বড় একটি মনস্তাত্ত্বিক ও কৌশলগত ধাক্কা।

লুকাস পাকেতা ঠিক কবে নাগাদ পুনরায় মাঠে ফিরতে পারবেন, সে বিষয়ে ব্রাজিলিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনের (সিবিএফ) পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে সুনির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা এখনো জানানো হয়নি। তবে সিবিএফের একটি অভ্যন্তরীণ সূত্রের বরাতে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, হ্যামস্ট্রিং চোটের যে অবস্থা, তাতে ব্রাজিল যদি শেষ পর্যন্ত এই বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠতে না পারে, তবে পাকেতার চলতি বিশ্বকাপে আর মাঠে নামার কোনো সম্ভাবনা নেই বললেই চলে।

এর আগে সেরা ৩২-এর ম্যাচে জাপানকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়ে শেষ ষোলোর টিকিট নিশ্চিত করেছিল সেলেসাওরা। সেই ম্যাচে কাসেমিরো ও ব্রুনো গিমারেসের সঙ্গে মাঝমাঠের শুরুর একাদশেই (স্টার্টিং লাইনআপ) ছিলেন পাকেতা। কিন্তু ম্যাচ চলাকালীন হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট পাওয়ায় প্রথমার্ধ শেষেই বিরতির পর আর মাঠে নামা হয়নি তাঁর। বর্তমানে তিনি চোট কাটিয়ে ওঠার জন্য দলের চিকিৎসকদের নিবিড় তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

পাকেতার এই আকস্মিক অনুপস্থিতিতে মাঝমাঠের শূন্যতা পূরণে কোচ কার্লো আনচেলত্তির সামনে অবশ্য একাধিক বিকল্প খেলোয়াড় ও কৌশলগত পথ খোলা রয়েছে। পাকেতার নির্দিষ্ট পজিশনে তিনি সরাসরি দানিলো সান্তোসকে দলে ভেতাতে পারেন। আবার মাঝমাঠের কৌশলে কিছুটা পরিবর্তন এনে আক্রমণভাগের ধার বাড়াতে শুরুর একাদশে এন্দ্রিক অথবা গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লির মতো তরুণ ও গতিময় খেলোয়াড়দের অন্তর্ভুক্ত করে আরও বেশি আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলার ছক কষতে পারেন এই ইতালিয়ান মাস্টারমাইন্ড।

এদিকে ব্রাজিল শিবিরের জন্য কিছুটা স্বস্তির খবর হলো, ঊরুর চোট কাটিয়ে বার্সেলোনা ফরোয়ার্ড রাফিনিয়া ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে মাঠে ফেরার প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছেন। গ্রুপ পর্বে হাইতির বিপক্ষে দ্বিতীয় ম্যাচে চোট পাওয়ার পর থেকেই মাঠের বাইরে থাকা এই তারকা বর্তমানে মূল দলের বাইরে এককভাবে ব্যক্তিগত অনুশীলন বা রিহ্যাব চালিয়ে যাচ্ছেন। নরওয়ে ম্যাচের আগে তাঁর শারীরিক অবস্থার আরও উন্নতি হলে আনচেলত্তি তাঁকে ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধের জন্য বদলি বেঞ্চে (সাবস্টিটিউট) রাখতে পারেন বলে দলের একটি দায়িত্বশীল সূত্র নিশ্চিত করেছে।

/আশিক


ওসলো থেকে মার্সেই: নরওয়ের বিপক্ষে ব্রাজিলের জয়হীন থাকার চার ঐতিহাসিক কারণ

খেলা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ০৫ ১৮:৫০:০০
ওসলো থেকে মার্সেই: নরওয়ের বিপক্ষে ব্রাজিলের জয়হীন থাকার চার ঐতিহাসিক কারণ
ছবি : সংগৃহীত

লাতিন আমেরিকার পরাশক্তি ও বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলের জন্য নরওয়ে নামটি এক চিরন্তন রহস্য ও অস্বস্তির কারণ। ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম এক অমীমাংসিত সমীকরণ হলো, বিশ্বমঞ্চ কাঁপানো সেলেসাওরা আন্তর্জাতিক ফুটবলে আজ পর্যন্ত কোনো দিন নরওয়েকে হারাতে পারেনি। এই দুই দলের মধ্যে অনুষ্ঠিত বিগত চারবারের লড়াইয়ে নরওয়ে জিতেছে দুটিতে এবং বাকি দুটি ম্যাচ ড্র হয়েছে। চলতি ২০২৬ বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর মহাগুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে আজ রাতে সেই দুই দশকের পুরোনো ক্ষতে প্রলেপ দেওয়ার লক্ষ্যেই মাঠে নামছে ব্রাজিল।

এই দ্বৈরথের ঐতিহাসিক ও রোমাঞ্চকর প্রথম অধ্যায়টি লেখা হয়েছিল ১৯৮৮ সালে ওসলোর এক আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে। তখনকার কোচ কার্লোস আলবার্তো সিলভার অধীনে ব্রাজিল যখন নতুন করে নিজেদের দল গোছাচ্ছিল, তখন নরওয়ে ছিল বিশ্ব ফুটবলে নিতান্তই গড়পড়তা একটি দল। সেই ম্যাচে কিংবদন্তি স্ট্রাইকার রোমারিওর গোলে ব্রাজিল প্রথমে লিড নিলেও শেষ পর্যন্ত রক্ষণভাগের ভুলে ম্যাচটি ১-১ গোলের ড্রতে রূপ নেয়।

এর প্রায় এক দশক পর ১৯৯৭ সালে মারিও জাগালোর অধীনে রোনালদো ও রোমারিওদের মতো তারকাখচিত পূর্ণ শক্তির ব্রাজিল দল আবার ওসলো সফরে যায়। ফুটবলপ্রেমীরা যখন ব্রাজিলের একচেটিয়া জয়ের অপেক্ষা করছিলেন, তখন সবাইকে স্তব্ধ করে দিয়ে স্বাগতিক নরওয়ে ৪-২ ব্যবধানে ব্রাজিলকে বিধ্বস্ত করে। নরওয়ের পক্ষে টোরে আন্দ্রে ফ্লো জোড়া গোল করেন এবং ইয়াকবসেন ও ওস্টেনস্টাড গোল উৎসবে যোগ দেন। ব্রাজিলের হয়ে ডেনিলসন ও রোমারিও জালের দেখা পেলেও নড়বড়ে রক্ষণভাগের কারণে সেলেসাওরা সেই বড় পরাজয় এড়াতে পারেনি।

এই ঐতিহাসিক দ্বৈরথের সবচেয়ে রোমাঞ্চকর এবং নাটকীয় অধ্যায়টি রচিত হয়েছিল ১৯৯৮ সালের ২৩ জুন ফ্রান্স বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে। মার্সেইর স্টেড ভেলোড্রমে অনুষ্ঠিত সেই ম্যাচে ব্রাজিল ততক্ষণে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবে নকআউট পর্ব নিশ্চিত করে ফেলেছিল। তবুও কোচ জাগালো মাঠে নামিয়েছিলেন রোনালদো, রিভালদো ও বেবেতোর মতো বিশ্বসেরা তারকাদের। অন্যদিকে টুর্নামেন্টে টিকে থাকতে নরওয়ের জন্য এই ম্যাচে জয় পাওয়া ছাড়া আর কোনো বিকল্প ছিল না।

ম্যাচের ৭৭ মিনিটে ডেনিলসনের চমৎকার এক ক্রস থেকে দুর্দান্ত হেডে গোল করে ব্রাজিলকে এগিয়ে নেন বেবেতো। তবে ব্রাজিলিয়ানদের সেই অগ্রগামিতার আনন্দ স্থায়ী হয়েছিল মাত্র ৬ মিনিট, যখন টোরে আন্দ্রে ফ্লো নরওয়ের হয়ে সমতা ফেরান। ম্যাচের আসল নাটকটি মঞ্চস্থ হয় ৮৯ মিনিটে, যখন বক্সের ভেতর ব্রাজিলের জুনিয়র বাইয়ানো ফ্লোর জার্সি টেনে ধরলে রেফারি পেনাল্টির বাঁশি বাজান। স্পট কিক থেকে কেতিল রেকডাল গোল করে নরওয়েকে ২-১ ব্যবধানের এক ঐতিহাসিক ও অবিশ্বাস্য জয় এনে দেন, যা বিশ্বকাপের ইতিহাসের অন্যতম বড় অঘটন হিসেবে স্মরণীয় হয়ে আছে।

দুই দলের সর্বশেষ দেখা হয়েছিল ২০০৬ সালে জার্মানি বিশ্বকাপের ঠিক পরপরই। অন্তর্বর্তীকালীন কোচ দুঙ্গার অধীনে একঝাঁক নতুন মুখ নিয়ে সেলেসাওরা আবার ওসলো সফরে গেলেও তাদের ভাগ্যের কোনো পরিবর্তন হয়নি। সেই প্রীতি ম্যাচে ড্যানিয়েল কারভালহো ব্রাজিলের হয়ে গোল করলেও মর্টেন গ্যামস্ট পেডারসেনের গোলে ম্যাচটি ১-১ সমতায় শেষ হয়। এরপর দীর্ঘ ২০ বছর এই দুই দল আর কখনো কোনো স্তরে মুখোমুখি হয়নি। ফলে আজ রাতের শেষ ষোলোর লড়াই ব্রাজিলের জন্য যেমন ইতিহাস বদলানোর অগ্নিপরীক্ষা, তেমনি নরওয়ের জন্য তাদের সেই অজেয় রূপকথা ধরে রাখার মহাসুযোগ।

/আশিক


নরওয়ের বিপক্ষে নেইমার খেলবেন? জানালেন আনচেলত্তি

খেলা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ০৫ ১১:১৫:০৮
নরওয়ের বিপক্ষে নেইমার খেলবেন? জানালেন আনচেলত্তি
ছবি : সংগৃহীত

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর নকআউট পর্বে আজ রোববার (৫ জুলাই) গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষার মুখোমুখি হচ্ছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। বাংলাদেশ সময় রাত ২টায় শেষ ষোলোর লড়াইয়ে নরওয়ের বিপক্ষে মাঠে নামবে সেলেসাওরা। ম্যাচটি ঘিরে সবচেয়ে বড় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্রাজিলিয়ান সুপারস্টার নেইমার। দীর্ঘ অপেক্ষার পর তিনি কি অবশেষে প্রথম একাদশে সুযোগ পাচ্ছেন—এ প্রশ্নই এখন ফুটবলপ্রেমীদের কৌতূহলের প্রধান বিষয় হয়ে উঠেছে।

৩৪ বছর বয়সী নেইমারের এবারের বিশ্বকাপ এখন পর্যন্ত প্রত্যাশামতো কাটেনি। গ্রুপপর্বে মরক্কোর বিপক্ষে পুরো ম্যাচ বেঞ্চে ছিলেন তিনি। স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ৩-০ গোলের জয়ের ম্যাচে শেষ ১৪ মিনিট মাঠে নামলেও হাইতির বিপক্ষে ইনজুরির কারণে খেলতে পারেননি। পরে জাপানের বিপক্ষে শেষ ৩২-এর ম্যাচেও তাকে মাঠে নামানো হয়নি। ফলে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে তার ভূমিকা নিয়ে নানা প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

ম্যাচপূর্ব সংবাদ সম্মেলনে ব্রাজিল কোচ কার্লো আনচেলত্তি নেইমারের ফিটনেস ও সম্ভাব্য একাদশ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত দেন। তিনি বলেন, নেইমার এবং ভিনিসিয়ুস জুনিয়র একসঙ্গে খেলতে পারেন এবং প্রয়োজন হলে দুজনকে একসঙ্গেই মাঠে দেখা যাবে। কোচের ভাষায়, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো নেইমার এখন পুরোপুরি খেলতে প্রস্তুত। তিনি বিশ্বাস করেন, প্রয়োজন হলে ৯০ মিনিটও খেলতে পারবেন এই তারকা ফরোয়ার্ড।

তবে আনচেলত্তি স্পষ্ট করে জানাননি যে নরওয়ের বিপক্ষে শুরুর একাদশেই থাকবেন নেইমার। বিশ্বকাপের গ্রুপপর্বের আগেও তিনি একই ধরনের মন্তব্য করেছিলেন। কিন্তু বাস্তবে মরক্কো, স্কটল্যান্ড ও জাপানের বিপক্ষে নেইমারের ভূমিকা সীমিত ছিল। এ কারণে কোচের সর্বশেষ মন্তব্য নিয়েও কিছুটা সতর্ক অবস্থান নিয়েছেন বিশ্লেষকরা।

অন্যদিকে ব্রাজিলের একাধিক ক্রীড়া সংবাদমাধ্যমের দাবি, নরওয়ের বিপক্ষে শুরুর একাদশেই দেখা যেতে পারে নেইমারকে। ব্রাজিল ফুটবল কনফেডারেশন (সিবিএফ)ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নেইমারের ছবি প্রকাশ করে লিখেছে, "টিক-টক... ২০২৬ বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর লড়াই চলে এসেছে।" অনেকেই এটিকে নেইমারের প্রত্যাবর্তনের ইঙ্গিত হিসেবেই দেখছেন।

আনচেলত্তি স্বীকার করেছেন, টানা বেঞ্চে বসে থাকতে নেইমার মোটেও সন্তুষ্ট নন। তবে তিনি বলেছেন, ব্যক্তিগত হতাশা থাকা সত্ত্বেও নেইমার দারুণ পেশাদারিত্বের পরিচয় দিচ্ছেন। নিয়মিত অনুশীলনে কঠোর পরিশ্রম করছেন, সতীর্থদের সঙ্গে ইতিবাচক সম্পর্ক বজায় রাখছেন এবং দলের পরিবেশেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। কোচের মতে, একজন ফুটবলার হিসেবে যেমন নেইমারের গুরুত্ব রয়েছে, তেমনি ব্যক্তিত্বের কারণেও তিনি দলের জন্য মূল্যবান সম্পদ।

নেইমারের মানসিকতা নিয়েও সন্তুষ্ট আনচেলত্তি। তিনি বলেন, স্বাভাবিকভাবেই প্রতিটি ফুটবলার মাঠে নামতে চায় এবং নেইমারও এর ব্যতিক্রম নন। তবে তিনি কখনোই অতিরিক্ত সময় বা সুযোগ দাবি করেননি। বরং ধৈর্য ধরে নিজের সুযোগের অপেক্ষায় রয়েছেন। কোচের ভাষায়, কোনো খেলোয়াড় বেঞ্চে বসে সুখী থাকতে পারে না, আর সেটাই স্বাভাবিক।

নরওয়ের বিপক্ষে ব্রাজিলের মূল চ্যালেঞ্জ হবে ইউরোপের অন্যতম সেরা গোলদাতা আর্লিং হালান্ডকে সামলানো। তবে আনচেলত্তি জানিয়েছেন, প্রতিপক্ষের আক্রমণ ঠেকানোর পাশাপাশি নিজের দলের আক্রমণভাগকে আরও কার্যকর করাই তাদের প্রধান লক্ষ্য। ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, ব্রুনো গিমারাইস, রদ্রিগো ও ক্যাসেমিরোকে ঘিরেই ব্রাজিলের কৌশল সাজানো হচ্ছে। তবে ম্যাচ কঠিন হয়ে উঠলে নেইমার হতে পারেন ব্রাজিলের সবচেয়ে বড় পার্থক্য গড়ে দেওয়া ফুটবলার।

-রাফসান


ইতিহাসে আর্জেন্টিনার জন্য সুখবর, ব্রাজিল শিবিরে তাড়া করছে জয়হীন দুঃসংবাদ

খেলা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ০৪ ২১:৪৪:৫৬
ইতিহাসে আর্জেন্টিনার জন্য সুখবর, ব্রাজিল শিবিরে তাড়া করছে জয়হীন দুঃসংবাদ
ছবি : সংগৃহীত

চলতি ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর হাইভোল্টেজ ম্যাচে ৫ জুলাই (বাংলাদেশ সময় দিবাগত রাত ২টা) নরওয়ের মুখোমুখি হতে যাচ্ছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। অন্যদিকে আগামী ৭ জুলাই কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে মিসরের মুখোমুখি হবে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। নকআউট পর্বের এই মহাগুরুত্বপূর্ণ দুই ম্যাচের আগে ফুটবল ইতিহাসের পাতা কিন্তু দুই দক্ষিণ আমেরিকান পরাশক্তির জন্য সম্পূর্ণ ভিন্ন এবং বিপরীতধর্মী বার্তা দিচ্ছে।

ব্রাজিলের সামনে নরওয়েজিয়ান ‘অভিশাপ’

পরিসংখ্যান ঘাটলে দেখা যায়, আন্তর্জাতিক ফুটবলের মঞ্চে ব্রাজিল ও নরওয়ে এর আগে মোট চারবার মুখোমুখি হয়েছে। তবে ফুটবলপ্রেমীদের জন্য অবাক করার বিষয় হলো, এই চারবারের দেখায় একবারও জয়ের মুখ দেখেনি সেলেসাওরা। নরওয়ের বিপক্ষে দুটি ম্যাচে সরাসরি হেরেছে ব্রাজিল, আর বাকি দুটি ম্যাচ ড্র হয়েছে। অর্থাৎ, হেড-টু-হেড রেকর্ডে এখন পর্যন্ত নরওয়ের বিপক্ষে সম্পূর্ণ জয়শূন্য পাঁচবারের বিশ্বজয়ীরা।

ইতিহাসের পাতায় নরওয়ের বিপক্ষে ব্রাজিলের এই জয়হীন রেকর্ড নিঃসন্দেহে দলটির জন্য বড় এক মানসিক চাপ। ১৯৯৮ সালের ফ্রান্স বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বেও নরওয়ের কাছে ২-১ গোলে হেরেছিল রোনালদো-রিভালদোদের ব্রাজিল। যদিও কার্লো আনচেলত্তির বর্তমান দলের শক্তি, নেইমারের চোট কাটিয়ে পূর্ণ ফিট হয়ে ফেরা এবং সাম্প্রতিক ফর্ম অতীতের যেকোনো পরিসংখ্যানকে গুঁড়িয়ে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে, তবুও নকআউটের আগে ইতিহাস ব্রাজিলের জন্য মোটেও স্বস্তিদায়ক নয়।

ব্রাজিল বনাম নরওয়ে হেড-টু-হেড

মোট ম্যাচ: ৪টি

ব্রাজিলের জয়: ০টি

নরওয়ের জয়: ২টি

ড্র: ২টি

ম্যাচগুলোর অতীত ফলাফল

১৯৮৮ (প্রীতি ম্যাচ): ব্রাজিল ১-১ নরওয়ে

১৯৯৭ (প্রীতি ম্যাচ): নরওয়ে ৪-২ ব্রাজিল

১৯৯৮ (ফ্রান্স বিশ্বকাপ): নরওয়ে ২-১ ব্রাজিল

২০০৬ (প্রীতি ম্যাচ): ব্রাজিল ১-১ নরওয়ে

ইতিহাসের স্বস্তিতে আর্জেন্টিনা

ব্রাজিল যখন অতীত পরিসংখ্যান নিয়ে দুশ্চিন্তায়, তখন আলবিসেলেস্তেরা নামছে শতভাগ জয়ের আত্মবিশ্বাস নিয়ে। আর্জেন্টিনার সামনে এবার আফ্রিকার পরাশক্তি মিসরের চ্যালেঞ্জ। এই দুই দল আন্তর্জাতিক ফুটবলের ইতিহাসে এর আগে মাত্র একবারই মুখোমুখি হয়েছিল। ২০০৮ সালের সেই আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে দাপুটে ফুটবল খেলে মিসরকে ২-০ গোলে হারিয়েছিল আর্জেন্টিনা।

অতীতের এই একমাত্র রেকর্ড বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের আত্মবিশ্বাস ও মানসিক শক্তি আরও বাড়িয়ে দেবে বলেই মনে করছেন ফুটবল বিশ্লেষকেরা। তবে নকআউট পর্বের লড়াইয়ে একটিমাত্র ভুলই যেখানে পুরো টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় ঘণ্টা বাজিয়ে দিতে পারে, সেখানে কেবল পরিসংখ্যানের ওপর ভরসা করার সুযোগ নেই লিওনেল স্কালোনির শিষ্যদের।

/আশিক


নরওয়ে ম্যাচের আগে নেইমারের ফিটনেস নিয়ে কার্লো আনচেলত্তির মেগা আপডেট

খেলা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ০৪ ২০:০৪:৫১
নরওয়ে ম্যাচের আগে নেইমারের ফিটনেস নিয়ে কার্লো আনচেলত্তির মেগা আপডেট
ছবি : সংগৃহীত

চলতি ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর মহাগুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে নরওয়ের মুখোমুখি হওয়ার ঠিক আগমুহূর্তে ব্রাজিল শিবিরে এল স্বস্তির বড় সুখবর। সেলেসাওদের প্রধান পোস্টার বয় নেইমার জুনিয়র এখন চোট কাটিয়ে পুরোপুরি ফিট এবং নরওয়ের বিপক্ষে পুরো ৯০ মিনিট খেলার জন্য প্রস্তুত বলে নিশ্চিত করেছেন কোচ কার্লো আনচেলত্তি।

ব্রাজিলের প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম ‘ফোলিয়া দে সঁ পাওলো’-কে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে নেইমারের ফেরার খবরটি নিশ্চিত করেন সেলেসাও বস। ব্রাজিলিয়ান সুপারস্টারের বর্তমান ফিটনেস নিয়ে জানতে চাওয়া হলে আনচেলত্তি সাফ জানিয়ে দেন, ‘‘হ্যাঁ, ও পুরো ৯০ মিনিট খেলার জন্যই এক্কেবারে তৈরি।’’

বিশ্বকাপের নকআউটে পুরোটা সময় খেলার জন্য নেইমার নিজে যেমন মরিয়া হয়ে আছেন, তেমনি চোট কাটিয়ে ফেরার পুরো প্রক্রিয়াটিতে তাঁর একাগ্রতা ও দলের প্রতি দায়বদ্ধতা ছিল সত্যিই চোখে পড়ার মতো। নেইমারের ভেতরের জেদ ও পেশাদারিত্বের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়ে এই ইতালিয়ান মাস্টারমাইন্ড আরও বলেন, ‘‘পুরো সময় খেলতে না পেরে ও যে খুব একটা খুশি ছিল তা নয়; কিন্তু ওর আচরণ এক্কেবারে নিখুঁত। মাঠের ভেতরে ওর ফুটবলীয় স্কিল যেমন দুর্দান্ত, মাঠের বাইরে মানুষ হিসেবেও ও তেমনি বিনয়ী। দলের সবার কাছে ভীষণ জনপ্রিয় নেইমার আমাদের জন্য মস্ত বড় এক সম্পদ।’’

জাপানের বিপক্ষে শেষ ৩২-এর ম্যাচে গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লির শেষ মুহূর্তের জয়সূচক গোলের পরও ডাগআউটে আনচেলত্তিকে কেন খুব একটা উল্লাস করতে দেখা যায়নি, সেই রহস্যের জটও এবার খুললেন এই ৬৬ বছর বয়সী কোচ। তিনি বলেন, ‘‘আমার কাছে খেলা শেষ বাঁশি বাজার আগে শেষ হয় না। মার্তিনেল্লি গোল করার পরও ম্যাচে কয়েক মিনিট বাকি ছিল। ক্যারিয়ারে এমন অভিজ্ঞতা অনেক আছে, যেখানে জিতে গেছি ভেবে নিশ্চিন্ত ছিলাম কিন্তু শেষ মুহূর্তে ম্যাচ হাত ফসকে গেছে। তাই আমি শতভাগ নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত শান্ত থাকি।’’

নকআউট পর্বে নরওয়ের বিপক্ষে লড়াইকে ‘অগ্নিপরীক্ষা’ হিসেবে দেখছেন সেলেসাও বস। প্রতিপক্ষ শিবিরে থাকা ম্যানচেস্টার সিটির দানবীয় স্ট্রাইকার আর্লিং হালান্ডকে নিয়ে নিজের শিষ্যদের কড়া সতর্কবার্তা দিয়ে আনচেলত্তি বলেন, ‘‘নরওয়ে ভীষণ গোছানো একটা দল, ওদের বেশ কিছু বিশ্বমানের খেলোয়াড় আছে। বিশেষ করে হালান্ড এই মুহূর্তে বিশ্বসেরাদের একজন। তাই ম্যাচটা যে কঠিন হতে যাচ্ছে, তা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। তবে আমরা আত্মবিশ্বাসী যে নিজেদের সেরা ফুটবলটা খেলে আমরাই কোয়ার্টার ফাইনালে যাব।’’

আগামীকাল রবিবার (৫ জুলাই) বাংলাদেশ সময় দিবাগত রাত ২টায় (৬ জুলাই ভোর) কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার এই মহাগুরুত্বপূর্ণ লড়াইয়ে মুখোমুখি হবে ব্রাজিল ও নরওয়ে। এখন দেখার বিষয়, দীর্ঘ সময় পর নেইমারকে পুরো ৯০ মিনিট মাঠে পেয়ে সেলেসাওরা নরওয়েজিয়ান দুর্গ ভাঙতে পারে কি না।

/আশিক


গোল উদযাপনে মাঠ ছেড়ে সোজা গ্যালারির দিকে দৌড়, কে এই নারী যাকে জড়িয়ে ধরলেন ক্যাব্রাল

খেলা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ০৪ ২০:০০:০৯
গোল উদযাপনে মাঠ ছেড়ে সোজা গ্যালারির দিকে দৌড়, কে এই নারী যাকে জড়িয়ে ধরলেন ক্যাব্রাল
ছবি : সংগৃহীত

২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের রাউন্ড অব ৩২-এর চরম উত্তেজনাপূর্ণ ও নাটকীয় ম্যাচে আন্ডারডগ কেপ ভার্দেকে ৩-২ ব্যবধানে হারিয়ে শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। অতিরিক্ত সময় এবং স্টপেজ টাইমের একের পর এক রোমাঞ্চে ভরা এই ম্যাচে শেষ পর্যন্ত আলবিসেলেস্তেরা জিতলেও, ফুটবলবিশ্বের সমস্ত আলো কেড়ে নিয়েছেন কেপ ভার্দের ২৩ বছর বয়সি ফুলব্যাক সিডনি লোপেস ক্যাব্রাল। আর্জেন্টিনার বিপক্ষে অবিশ্বাস্য গোল এবং গ্যালারিতে ছুটে গিয়ে এক নারীর সাথে তাঁর আবেগঘন উদযাপন রাতারাতি তাঁকে বৈশ্বিক ফুটবলের নতুন আইকনে পরিণত করেছে।

শুক্রবার (৩ জুলাই) দিবাগত রাত ৪টায় (৪ জুলাই ভোর) শুরু হওয়া ম্যাচের ২৯তম মিনিটে অধিনায়ক লিওনেল মেসির চোখ ধাঁধানো গোলে লিড নেয় আর্জেন্টিনা। তবে প্রথমার্ধে পিছিয়ে পড়েও লড়াকু মানসিকতা হারায়নি কেপ ভার্দে। ম্যাচের ৫৯তম মিনিটে ডেরয় দুয়ার্তের দুর্দান্ত গোলে ম্যাচে ১-১ সমতা ফেরায় আফ্রিকান দেশটি। নির্ধারিত ৯০ মিনিট পর্যন্ত বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের আটকে রেখে এই সমতা ধরে রাখে তারা।

নির্ধারিত সময়ে খেলা ড্র হওয়ায় ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। অতিরিক্ত সময়ের শুরুতেই লিসান্দ্রো মার্টিনেজের গোলে আর্জেন্টিনা আবারও ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায়। কিন্তু নাটকের তখনও বাকি ছিল। ম্যাচের ১০৩তম মিনিটে কেপ ভার্দের ফুলব্যাক সিডনি লোপেস ক্যাব্রাল আর্জেন্টিনার রক্ষণভাগ ভেঙে এক চোখ ধাঁধানো গোল করে স্টেডিয়ামজুড়ে উল্লাসের জোয়ার বইয়ে দেন এবং স্কোরলাইন ২-২ করেন। যদিও ম্যাচ শেষের ঠিক আগ মুহূর্তে স্টপেজ টাইমের দ্বিতীয়োর্ধে আর্জেন্টিনা আরেকটি গোল করে ৩-২ ব্যবধানের জয় নিশ্চিত করে।

তবে ম্যাচের ফলাফলকে ছাপিয়ে গেছে ক্যাব্রালের গোল-পরবর্তী উদযাপন। মাথায় বিনুনি করা চুল, হাতে সাদা রিস্টব্যান্ড পরা ক্যাব্রাল গোল করার পরপরই মাঠের সব নিরাপত্তা বেষ্টনী ও বাধা ডিঙিয়ে সোজা গ্যালারির দিকে ছুটে যান। সেখানে আগে থেকেই নীল জার্সি পরে উপস্থিত থাকা এক নারীকে পরম আবেগে জড়িয়ে ধরেন তিনি। ক্যামেরাবন্দি হওয়া তাদের এই আলিঙ্গনের মুহূর্তের ছবি ও ভিডিও দ্রুতই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়। বিশ্বজুড়ে কৌতুহল তৈরি হয়—কে এই রহস্যময়ী নারী?

পরবর্তীতে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোর অনুসন্ধানে জানা যায়, গ্যালারির ওই নারী আর কেউ নন, স্বয়ং ক্যাব্রালের প্রেমিকা। মাঠে ফিরে আসার ঠিক আগের মুহূর্তে ক্যাব্রাল তাঁকে জড়িয়ে ধরে উচ্চস্বরে ভালোবাসার কথাও জানান। ২৩ বছর বয়সি এই ডিফেন্ডার বর্তমানে তুরস্কের সুপার লিগের ক্লাব ট্রাবজোনস্পোরের হয়ে খেলছেন। নিজের ব্যক্তিগত জীবন ও সম্পর্ককে সামাজিকমাধ্যমের লাইমলাইট থেকে দূরে রাখতে পছন্দ করায় প্রেমিকার নাম-পরিচয় বিস্তারিত প্রকাশ করেননি ক্যাব্রাল। তবে আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে কেপ ভার্দের এই ঐতিহাসিক মরণপণ লড়াই এবং গ্যালারির সেই ভালোবাসার মুহূর্তটি ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা রোমান্টিক অধ্যায় হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

সূত্র: দ্য নিউইয়র্ক পোস্ট


৪০ বছরের বুড়ো হাড়ে মেসির আক্রমণ ঠেকিয়ে দেওয়া ভোজিনিয়ার অবিশ্বাস্য রূপকথা

খেলা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ০৪ ১৮:৫২:৪১
৪০ বছরের বুড়ো হাড়ে মেসির আক্রমণ ঠেকিয়ে দেওয়া ভোজিনিয়ার অবিশ্বাস্য রূপকথা
ছবি : সংগৃহীত

চলমান ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপে ফুটবলীয় রোমাঞ্চের পাশাপাশি মাঠ মাতাচ্ছেন এমন কিছু অখ্যাত ও সংগ্রামী গোলকিপার, যাদের অবিশ্বাস্য পারফরম্যান্স এবং জীবনযুদ্ধ বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি মানুষকে অনুপ্রাণিত করছে। কুরাসাও, কেপ ভার্দে বা ডিআর কঙ্গোর মতো অনগ্রসর দলগুলোর প্রথমবার মূলপর্বে এসেই বিশ্বকে চমকে দেওয়ার পেছনে সবচেয়ে বড় অবদান এই পোস্ট-প্রহরিদের।

বুড়ো হাড়ের ভেল্কি ও মেসির আক্রমণ প্রতিহত: ভোজিনিয়া (কেপ ভার্দে)

কেপ ভার্দেকে নকআউটে তুলতে দেয়াল হয়ে দাঁড়িয়েছেন ৪০ বছর বয়সি গোলকিপার ভোজিনিয়া। স্পেনের বিপক্ষে ৭টি এবং আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ৮টি নিশ্চিত গোল সেভ করে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন তিনি। খোদ লিওনেল মেসিকেও আটকে দিয়েছেন এই প্রবীণ গোলকিপার। শুধু মাঠেই নয়, মেসিদের বিপক্ষে গোল হজমের পর যখন পুরো দল হতাশায় ভেঙে পড়েছিল, তখন সতীর্থদের মানসিক শক্তি জুগিয়ে দলের আসল ‘নেতা’ হিসেবে আবির্ভূত হন তিনি।

ফুটবল ইতিহাসের সেই ‘জার্মান-বধের’ মহানায়ক: অরল্যান্ডো গিল

রাউন্ড অব ৩২-এ চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন জার্মানিকে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় করে দেওয়ার পেছনে একক অবদান গোলকিপার অরল্যান্ডো গিলের। টাইব্রেকারে দুটি শট বাঁচিয়ে ম্যাচ সেরা হওয়া এই গিলের জীবনের গল্পটি অত্যন্ত আবেগঘন। মাত্র চার বছর আগে সদ্যজাত সন্তানের চিকিৎসার খরচ জোগাতে নিজের প্রিয় জার্সি, বুটসহ ক্যারিয়ারের সব ক্রীড়া সরঞ্জাম বিক্রি করে দিতে বাধ্য হয়েছিলেন তিনি। চরম অর্থকষ্ট জয় করে আসা গিল জার্মানির বিপক্ষে পাওয়া ঐতিহাসিক ম্যাচ সেরার ট্রফিটি তাঁর অসুস্থ ভাইপোকে উৎসর্গ করেছেন।

ঝাড়ুদার থেকে বেলজিয়ামকে রুখে দেওয়ার রূপকথা: আলিরেজা (ইরান)

ইরানের যাযাবর কুর্দি লাক পরিবারে চরম অভাবের মাঝে বড় হওয়া আলিরেজার গল্প রূপকথাকেও হার মানায়। ফুটবলার হওয়ার স্বপ্নে কিশোর বয়সে তেহরানে পালিয়ে এসে দু-মুঠো ভাতের জন্য কখনো ঝাড়ুদার, কখনো গাড়ি ধোয়া বা টায়ার পরিষ্কারের কাজ করেছেন ৬ ফুট ৪ ইঞ্চি উচ্চতার এই গোলকিপার। সেই আলিরেজার হাতেই এবার আটকে গেছেন কেভিন ডি ব্রুইনে কিংবা রোমেলু লুকাকুদের মতো বিশ্বসেরা স্ট্রাইকাররা। বেলজিয়ামের বিরুদ্ধে গোলশূন্য ড্রয়ের ম্যাচে ৭টি অবিশ্বাস্য সেভ করে তিনি এখন ইরানের জাতীয় নায়ক।

রেকর্ড সেভ ও ফিফার অদ্ভুত অর্থায়নের গল্প: এলয় রুম ও বেঞ্জামিন আসারে

জার্মানির কাছে ৭ গোল খাওয়ার পর ঘুরে দাঁড়িয়ে ডার্ক হর্স ইকুয়েডরের সাথে ম্যাচ ড্র করে বিশ্বকাপে প্রথম পয়েন্ট পায় ক্যারিবিয়ান দ্বীপ কুরাসাও। ম্যাচে একাই ১৫টি সেভ করে বিশ্বরেকর্ড গড়েন গোলকিপার এলয় রুম। অন্যদিকে, ঘানার ঘরোয়া ক্লাব ‘হার্টস অফ ওক’-এর গোলকিপার বেঞ্জামিন আসারের হাতে আটকে যায় পরাশক্তি ইংল্যান্ড। আসারের এই বিশ্বকাপে খেলার পেছনে রয়েছে ফিফার একটি বিশেষ নিয়ম—কোনো ক্লাব যদি তাদের খেলোয়াড়কে বিশ্বকাপের জন্য ছাড়ে, তবে ফিফা প্রতিদিন ওই খেলোয়াড় বাবদ ক্লাবকে ১১ হাজার ডলার (ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ১০ লক্ষ টাকা) ক্ষতিপূরণ দেয়। মূলত এই অর্থনৈতিক সুবিধার কারণেই ক্লাবটির পক্ষ থেকে আসারেকে বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ দেওয়া হয়।

পর্তুগাল-ইংল্যান্ডকে রুখে দেওয়া ও ওচোয়ার রাজকীয় বিদায়

৫২ বছর পর বিশ্বকাপে খেলতে এসেই ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর পর্তুগাল এবং পরবর্তীতে ইংল্যান্ডকে রুখে দিয়ে আলো কেড়েছেন কঙ্গোর গোলকিপার লিওনেল এমপাসি। এছাড়া চেক প্রজাতন্ত্রের মাতেজ কোভার কিংবা আইভরি কোস্টের এডোয়ার্ড মেন্ডিও টুর্নামেন্টে দুর্দান্ত খেলছেন।

তবে এবারের বিশ্বকাপের সবচেয়ে আবেগঘন মুহূর্তটি উপহার দিয়েছেন মেক্সিকোর কিংবদন্তি গোলকিপার গিলেরমো ওচোয়া। ‘বিশ্বকাপের বাজপাখি’ খ্যাত ওচোয়া এবার প্রথম একাদশে না থাকলেও, চেক রিপাবলিকের বিরুদ্ধে ম্যাচের ৭৭ মিনিটে বদলি হিসেবে মাঠে নেমে আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টানেন। ম্যাচ শেষে নিজের চিরচেনা গোলপোস্টে চুমু খেয়ে বিদায় নেওয়ার সময় সতীর্থ ও কোচিং স্টাফদের চোখের জলে এক রাজকীয় ও আবেগঘন ‘ফেয়ারওয়েল’ পান এই মেক্সিকান গ্রেট।

/আশিক


আজ দুই মহারণ, আজকের জমজমাট ক্রীড়া সূচি জেনে নিন

খেলা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ০৪ ১০:২২:৪০
আজ দুই মহারণ, আজকের জমজমাট ক্রীড়া সূচি জেনে নিন
ছবি : সংগৃহীত

বিশ্বকাপ ফুটবলের নকআউট পর্বে আজ শুরু হচ্ছে শেষ ষোলোর লড়াই। গ্রুপ পর্বের হিসাব-নিকাশ শেষ করে এখন থেকে প্রতিটি ম্যাচই ‘করো অথবা মরো’। একটি পরাজয়ই শেষ করে দিতে পারে বিশ্বকাপ স্বপ্ন। ফলে আজকের দুটি ম্যাচ ঘিরে ফুটবলপ্রেমীদের আগ্রহ তুঙ্গে।

দিনের প্রথম নকআউট ম্যাচে রাত ১১টায় মুখোমুখি হবে কানাডা ও মরক্কো। গ্রুপ পর্বে দুই দলই আত্মবিশ্বাসী পারফরম্যান্স দেখিয়ে শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে। মরক্কো তাদের সংগঠিত রক্ষণ ও দ্রুত পাল্টা আক্রমণের জন্য পরিচিত, অন্যদিকে কানাডা তরুণ ও গতিময় ফুটবল দিয়ে প্রতিপক্ষকে চাপে ফেলতে সক্ষম। শেষ আটে জায়গা নিশ্চিত করতে দুই দলই সর্বোচ্চ শক্তি নিয়েই মাঠে নামবে।

দিনের দ্বিতীয় ও সবচেয়ে আলোচিত ম্যাচে রাত ৩টায় মাঠে নামবে সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ফ্রান্স। প্রতিপক্ষ দক্ষিণ আমেরিকার শক্তিশালী দল প্যারাগুয়ে। কাগজে-কলমে ফ্রান্স এগিয়ে থাকলেও নকআউট পর্বে কোনো প্রতিপক্ষকে হালকাভাবে নেওয়ার সুযোগ নেই। বিশ্বকাপের ইতিহাস বলছে, এই পর্যায়ে ছোট একটি ভুলও বিদায়ের কারণ হতে পারে। তাই ফরাসিরা অভিজ্ঞতা ও তারকাখচিত স্কোয়াড নিয়ে মাঠে নামলেও প্যারাগুয়ে চমক দেখানোর লক্ষ্য নিয়েই খেলবে।

বিশ্বকাপের দুটি ম্যাচই বিটিভি, টি স্পোর্টস ও সময় টিভিতে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে। ফলে দেশের ফুটবলপ্রেমীরা রাতভর উপভোগ করতে পারবেন নকআউট পর্বের রোমাঞ্চকর লড়াই।

ফুটবলের পাশাপাশি টেনিসপ্রেমীদের জন্যও রয়েছে বড় আকর্ষণ। উইম্বলডন টেনিস চ্যাম্পিয়নশিপের তৃতীয় রাউন্ডের ম্যাচগুলো বিকেল ৪টা থেকে সরাসরি সম্প্রচার করবে স্টার স্পোর্টস সিলেক্ট ১ ও ২। বিশ্বের সেরা টেনিস তারকারা ঘাসের কোর্টে শেষ ষোলোর টিকিট নিশ্চিত করতে লড়বেন।

ক্রিকেটভক্তদের জন্যও রয়েছে হাইভোল্টেজ লড়াই। ইংল্যান্ড ও ভারতের মধ্যকার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচ শুরু হবে সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিটে। সিরিজে এগিয়ে যাওয়ার লক্ষ্য নিয়ে দুই দলই শক্তিশালী একাদশ নিয়ে মাঠে নামবে। ম্যাচটি সরাসরি দেখা যাবে সনি স্পোর্টস ১-এ।

-রফিক

পাঠকের মতামত: