২০৩৪ সালের মধ্যে ১ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ার লক্ষ্য নিয়ে মার্কিন ব্যবসায়ীদের বার্তা

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ আগস্ট ১৩ ১৮:২৫:২২
২০৩৪ সালের মধ্যে ১ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ার লক্ষ্য নিয়ে মার্কিন ব্যবসায়ীদের বার্তা
ছবি : সংগৃহীত

মার্কিন বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও ব্যবসার পরিধি বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে আমেরিকান ব্যবসায়ীদের সার্বিক সরকারি সুযোগ-সুবিধা এবং নিরাপদ বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতের স্পষ্ট আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

আজ বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের ৫০ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে আয়োজিত বিশেষ মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

সফররত প্রতিনিধিদলটির যৌথ নেতৃত্বে ছিলেন এক্সিলারেট এনার্জির এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ও চিফ কমার্শিয়াল অফিসার অলিভার সিম্পসন এবং ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট ও ইউএস চেম্বার অব কমার্সের দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট রাষ্ট্রদূত (অব.) অতুল কেশপ।

মতবিনিময় সভায় প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, তাদের দূরদর্শী সরকার চায় মার্কিন প্রতিষ্ঠানগুলো বাংলাদেশে মূলধন ও আধুনিক প্রযুক্তি নিয়ে বিনিয়োগে এগিয়ে আসুক। ব্যবসা সহজ করতে বিদ্যমান নিয়মকানুন শিথিল করা, লঘুকরণ, ব্যবসাবান্ধব বাজেট প্রণয়ন এবং উদার অর্থনৈতিক নীতি অনুসরণে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ।

বেসরকারি খাতনির্ভর ও বৈশ্বিকভাবে সংযুক্ত একটি অর্থনীতি গড়ার লক্ষ্যের কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জ্বালানি, তথ্যপ্রযুক্তি, অবকাঠামো, ডিজিটাল সেবা, কৃষি ও স্বাস্থ্যসহ নানা সম্ভাবনাময় খাতে মার্কিন ব্যবসায়ীদের বড় সুযোগ রয়েছে। তিনি আরও জানান, কর-ভ্যাট ব্যবস্থার উন্নয়ন, মুনাফা ফেরত নেওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করা এবং প্রশাসনিক আমলাতান্ত্রিক জটিলতা নিরসনে কাজ করা হচ্ছে।

বক্তব্যে ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ১ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত করার লক্ষ্যমাত্রার কথা পুনর্ব্যক্ত করেন তারেক রহমান। একই সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, রাজনীতিতে আসার আগে ব্যবসায়ী হিসেবে কর্মজীবন শুরু করায় বিনিয়োগকারীদের প্রয়োজন ও সঠিক নীতির গুরুত্ব তিনি ভালোভাবেই উপলব্ধি করেন।

আমেরিকান ব্যবসায়ী নেতাদের আশ্বস্ত করে প্রধানমন্ত্রী পুরো সরকারকে তাদের অংশীদার হিসেবে বিবেচনা করার আহ্বান জানান। মার্কিন বিনিয়োগের মাধ্যমে দেশে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং উভয় দেশের দ্বিপক্ষীয় অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে বলে তিনি বিশ্বাস ব্যক্ত করেন।

উক্ত গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে মার্কিন প্রতিনিধিদলের সদস্য ছাড়াও অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরসহ সরকারের একাধিক শীর্ষপর্যায়ের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপদেষ্টারা উপস্থিত ছিলেন।

/আশিক


তেলের পর পানির জন্য যুদ্ধ হবে, টাকা দিয়েও মিলবে না পানি: পানিসম্পদমন্ত্রী

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ সেপ্টেম্বর ২৭ ২০:১০:০৫
তেলের পর পানির জন্য যুদ্ধ হবে, টাকা দিয়েও মিলবে না পানি: পানিসম্পদমন্ত্রী
ছবি : সংগৃহীত

চারপাশে প্রচুর পানির প্রাচুর্য থাকলেও শিল্পবর্জ্য ও মারাত্মক দূষণের কারণে সেই পানি ব্যবহারের ন্যূনতম উপযোগী থাকছে না বলে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। ঢাকার আশপাশে গড়ে ওঠা ১১টি অনিয়ন্ত্রিত শিল্পাঞ্চলের বিষাক্ত বর্জ্য রাজধানী ও আশপাশের পরিবেশ এবং সুপেয় নদীর পানির ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলছে বলে সতর্ক করেছেন তিনি।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাজধানীর পান ভবনের মিলনায়তনে আয়োজিত ‘বিশ্ব নদী দিবস ২০২৬ উদযাপন ও মার্ক এঞ্জেলো রিভার অ্যাওয়ার্ড প্রদান’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। পানিসম্পদমন্ত্রী বলেন, ভৌগোলিক অবস্থান সত্ত্বেও দেশে সুপেয় পানির সংকট দিন দিন চরম রূপ নিচ্ছে। ক্রমাগত ভূগর্ভস্থ পানির স্তর আশঙ্কাজনক হারে নিচে নেমে যাওয়ায় শুধু গভীর নলকূপ বসিয়ে এই বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলা করা অসম্ভব। তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, অতীতে বা বর্তমানে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে জ্বালানি তেলের জন্য যে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ চলছে, খুব শিগগিরই সুপেয় পানির জন্য মানবজাতিকে সেই যুদ্ধে নামতে হতে পারে। তখন হয়তো অঢেল টাকা বা ডলার দিয়েও এক ফোঁটা বিশুদ্ধ পানি পাওয়া যাবে না।

স্থানীয় অভিজ্ঞতা তুলে ধরে শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, নিজ নির্বাচনী এলাকায় গেলে সাধারণ মানুষ অহরহ গভীর নলকূপ স্থাপনের দাবি জানান। কিন্তু চার থেকে সাড়ে চার লাখ মানুষের বিশাল জনপদের বিপরীতে সরকারিভাবে বছরে মাত্র ৩০০ থেকে ৫০০টি নলকূপ স্থাপন করে সুপেয় পানির চাহিদা মেটানো বাস্তবসম্মত নয়। কেমিক্যালযুক্ত দূষিত নদীর পানিতে গোসল করা স্বাস্থ্যঝুঁকিপূর্ণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, অনেক নদী-খালে মাছ চাষ করা হলেও বিষাক্ত ধাতুর উপস্থিতির কারণে তা মানুষের খাওয়ার উপযোগী কি না, তা নিয়ে বিশেষজ্ঞদের ব্যাপক সংশয় রয়েছে।

এই জাতীয় সংকট নিরসনে পানি সংরক্ষণ ও নদী রক্ষাকে সর্বজনীন সামাজিক আন্দোলনে রূপ দেওয়ার উদাত্ত আহ্বান জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, শুধু সরকার বা একক কোনো মন্ত্রণালয়ের পক্ষে এই বিশাল দুর্যোগ থামানো সম্ভব নয়। খাল খনন কর্মসূচি পুনরুজ্জীবিত করে সাধারণ জনগণকে সরাসরি পরিবেশ রক্ষায় সম্পৃক্ত করতে হবে। পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশগত ক্ষতির কারণে বাংলাদেশ যেসব আন্তর্জাতিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সেই ন্যায্য দাবিগুলো জোরালোভাবে তুলে ধরার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন তিনি।

/আশিক


চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী: বিশ্বমঞ্চে ফিলিস্তিন ও রোহিঙ্গা ইস্যুতে কড়া বার্তা

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ সেপ্টেম্বর ২৭ ১৭:৪৮:২৪
চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী: বিশ্বমঞ্চে ফিলিস্তিন ও রোহিঙ্গা ইস্যুতে কড়া বার্তা
ছবি : সংগৃহীত

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিয়ে চার কর্মদিবসের সফল নিউইয়র্ক সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন জানান, এই গুরুত্বপূর্ণ সফরে বিভিন্ন দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক কর্মসূচির মাধ্যমে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ, সার্বভৌমত্ব ও কৌশলগত অগ্রাধিকারগুলো বিশ্বমঞ্চে অত্যন্ত দৃঢ়ভাবে তুলে ধরা হয়েছে। জনরায় নিয়ে গঠিত সরকারের প্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর এই জাতিসংঘ সফর বিশ্বজুড়ে দেশের ভাবমূর্তিকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে।

মুখপাত্র জানান, নিউইয়র্কে অবস্থানকালে প্রধানমন্ত্রী মোট ৩০টি কর্মসূচিতে সরাসরি অংশ নেন। এর মধ্যে ছিল বিভিন্ন রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানদের সঙ্গে ১১টি দ্বিপাক্ষিক বৈঠক, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ সংশ্লিষ্ট ৮টি উচ্চপর্যায়ের অনুষ্ঠান এবং ১১টি প্রাতিষ্ঠানিক কর্মসূচি। সব মিলিয়ে প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সফরসঙ্গীরা প্রায় ৮০টি আন্তর্জাতিক ইভেন্টে যুক্ত ছিলেন। এসব বৈঠকে বাণিজ্য ও দ্বিপাক্ষিক বিনিয়োগ, জনশক্তি রফতানি, জ্বালানি নিরাপত্তা, আঞ্চলিক ভূ-রাজনীতি, রোহিঙ্গা সংকট, স্বাস্থ্য খাত ও জলবায়ু পরিবর্তনের মতো গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় ইস্যুগুলো প্রাধান্য পেয়েছে।

বিশেষ করে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের মূল অধিবেশনে বিশ্বশান্তি, ফিলিস্তিনে চলমান সংকট, বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তন এবং সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির মতো ইস্যুতে বাংলাদেশের সুস্পষ্ট অবস্থান তুলে ধরা হয়। ফিলিস্তিন ইস্যুর প্রতি সংহতি জানিয়ে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ চলাকালে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের ঐতিহাসিক 'ওয়াকআউট' বৈশ্বিক অঙ্গনে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব আবু আব্দুল্লাহ এম ছালেহ (সালেহ শিবলী) সফরের মধ্য দিয়ে দেশের প্রথাগত রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে আসা গুণগত পরিবর্তনের বিষয়টি সামনে আনেন। তিনি জানান, অতীতে রাষ্ট্রীয় সফরে বিদেশ গমনাগমন ও প্রত্যাবর্তনের সময় বিমানবন্দরে বিশাল রাজনৈতিক দলীয় জমায়েত করার যে রেওয়াজ ছিল, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তা সম্পূর্ণ নিরুৎসাহিত করেছেন। তদুপরি, বিপুল অপচয় রোধে ভিআইপি বিমানের বিশাল বহর এড়িয়ে টার্কিশ এয়ারলাইন্সের বাণিজ্যিক ফ্লাইটে যুক্তরাষ্ট্রে যান এবং এমিরেটস এয়ারলাইন্সের নিয়মিত ফ্লাইটে দেশে ফেরেন তিনি। মাত্র ৩৫ জনের সংক্ষিপ্ত সফরসঙ্গী নিয়ে চার কর্মদিবসসহ মোট পাঁচ দিনের বৈশ্বিক মিশন সফলভাবে শেষ করে রোববার সকালেই ঢাকায় পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

/আশিক


১,৪৯৮টি পর্যটন আকর্ষণ নিয়ে তৈরি হচ্ছে জাতীয় পর্যটন মহাপরিকল্পনা: রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ সেপ্টেম্বর ২৬ ২১:২৪:৪৩
১,৪৯৮টি পর্যটন আকর্ষণ নিয়ে তৈরি হচ্ছে জাতীয় পর্যটন মহাপরিকল্পনা: রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল
ছবি : সংগৃহীত

দেশের সর্বমোট ১ হাজার ৪৯৮টি পর্যটন আকর্ষণকে অন্তর্ভুক্ত করে একটি সুবিশাল ও সমন্বিত ‘জাতীয় পর্যটন মহাপরিকল্পনা’ প্রণয়নের কাজ এগিয়ে চলছে বলে নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) উদ্‌যাপিতব্য ‘বিশ্ব পর্যটন দিবস ২০২৬’ উপলক্ষে দেওয়া বিশেষ এক বাণীতে তিনি এই সুসংবাদ জানান। রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেন, পর্যটন খাতকে দীর্ঘমেয়াদি, সুপরিকল্পিত ও টেকসই কাঠামোর ওপর দাঁড় করাতে সরকার শতভাগ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। প্রতিটি জেলার অনন্য বৈশিষ্ট্য, স্থানীয় ঐতিহ্য ও নিজস্ব সংস্কৃতিকে উপজীব্য করে জেলাভিত্তিক আধুনিক পর্যটন সুবিধা সৃষ্টির বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও দিবসটি উদযাপিত হচ্ছে। প্রকৃতির অপার রূপ ও বৈচিত্র্যে ভরা বাংলাদেশের সৌন্দর্য তুলে ধরে রাষ্ট্রপতি কক্সবাজারের দীর্ঘ সমুদ্র সৈকত, সুন্দরবনের সুবিশাল ম্যানগ্রোভ বন, বান্দরবান ও সাজেক ভ্যালির সবুজ পাহাড়, কাপ্তাই লেক, বাগেরহাটের ঐতিহাসিক ষাট গম্বুজ মসজিদ, সিলেটের সবুজ চা বাগান ও নদী-হাওরের মনোরম রূপের কথা স্মরণ করিয়ে দেন।

তিনি জোর দিয়ে বলেন, এই অনবদ্য প্রাকৃতিক রূপের সঙ্গে দেশের মানুষের উষ্ণ আতিথেয়তা বাংলাদেশকে বিশ্বমঞ্চে অনন্য এক পর্যটন গন্তব্যে পরিণত করেছে। পর্যটন খাতের বিকাশ দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, অভ্যন্তরীণ অবকাঠামোগত উন্নয়ন, বিপুল কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দারিদ্র্য বিমোচনে অত্যন্ত শক্তিশালী প্রভাবক হিসেবে কাজ করছে।

বর্তমান যুগে তথ্যপ্রযুক্তি ও প্রযুক্তিনির্ভর উদ্ভাবনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে পর্যটন শিল্পে বৈশ্বিক পরিবর্তন আসছে উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও ডিজিটাল প্রযুক্তি আজ ভ্রমণ পরিকল্পনা, যোগাযোগ ব্যবস্থা, অনলাইন হোটেল বুকিং ও নিরাপদ পেমেন্ট নিশ্চিতকরণে বড় বিপ্লব এনেছে। এ কারণে দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য ‘ডিজিটাল রূপান্তর ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় আগামীর পর্যটন’ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও যুগোপযোগী হয়েছে।

ইকো ট্যুরিজম ও কম্যুনিটি ট্যুরিজমের দ্রুত বিকাশে সরকারের পরিকল্পনার পাশাপাশি একটি বিশ্বমানের modern ট্যুরিজম ট্রেনিং ইনস্টিটিউট স্থাপন এবং জাতীয় পর্যটন নীতিমালা হালনাগাদ করার বিষয়টিও তিনি তুলে ধরেন। পরিশেষে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও দেশীয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে অক্ষুণ্ন রেখে যৌথভাবে বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পকে আরও আকর্ষণীয় ও প্রযুক্তিবান্ধব করে গড়ে তুলতে সরকারি ও বেসরকারি খাতের অংশীজনদের একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

/আশিক


দেশের সব বিদ্যুৎকেন্দ্রে কড়া নিরাপত্তার নির্দেশ দিল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ সেপ্টেম্বর ২৬ ২১:০১:২৩
দেশের সব বিদ্যুৎকেন্দ্রে কড়া নিরাপত্তার নির্দেশ দিল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

দেশের সার্বিক বিদ্যুৎ ব্যবস্থা ও জাতীয় সঞ্চালন কাঠামোর সুরক্ষায় দেশের সকল বিদ্যুৎকেন্দ্রের সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে প্রয়োজনীয় জোর পদক্ষেপ নেওয়ার কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উচ্চপর্যায়ের ‘কোর কমিটি’ সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এই গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা নির্দেশনা জারি করা হয়।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের নিরাপত্তা শাখা-২ থেকে গত ১৭ সেপ্টেম্বর সংশ্লিষ্ট সকল দফতর ও সংস্থাকে এ বিষয়ে নির্দেশনামূলক চিঠি পাঠানো হয়। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের গৃহীত সিদ্ধান্ত দ্রুত ও কার্যকর বাস্তবায়নের লক্ষ্যে গত ২৩ সেপ্টেম্বর ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) সদর দপ্তর থেকেও সংশ্লিষ্ট সকল বিভাগীয় কর্মকর্তা ও পুলিশ ইউনিটকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানিয়ে আনুষ্ঠানিক চিঠি জারি করা হয়েছে।

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২৬ আগস্ট অনুষ্ঠিত কোর কমিটির বিশেষ সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দেশের প্রতিটি ছোট-বড় বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি। যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি, নাশকতা বা কারিগরি বিপর্যয় এড়াতে বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর সার্বিক নিরাপত্তা জোরদারে তাৎক্ষণিক আইনি ও প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণের অনুরোধ জানানো হয়েছে।

ইতিমধ্যে জারি করা চিঠির অনুলিপি মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের প্রশাসনিক প্রধানসহ পুলিশের বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে কার্যকারিতা পর্যালোচনার জন্য পাঠানো হয়েছে। বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণ ও বাড়তি পুলিশি টহল জোরদারের মধ্য দিয়েই এই নির্দেশনা বাস্তবায়িত হবে।

/আশিক


দেশের সব বিদ্যুৎকেন্দ্রে কড়া নিরাপত্তার নির্দেশ দিল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ সেপ্টেম্বর ২৬ ২১:০১:২৩
দেশের সব বিদ্যুৎকেন্দ্রে কড়া নিরাপত্তার নির্দেশ দিল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

দেশের সার্বিক বিদ্যুৎ ব্যবস্থা ও জাতীয় সঞ্চালন কাঠামোর সুরক্ষায় দেশের সকল বিদ্যুৎকেন্দ্রের সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে প্রয়োজনীয় জোর পদক্ষেপ নেওয়ার কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উচ্চপর্যায়ের ‘কোর কমিটি’ সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এই গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা নির্দেশনা জারি করা হয়।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের নিরাপত্তা শাখা-২ থেকে গত ১৭ সেপ্টেম্বর সংশ্লিষ্ট সকল দফতর ও সংস্থাকে এ বিষয়ে নির্দেশনামূলক চিঠি পাঠানো হয়। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের গৃহীত সিদ্ধান্ত দ্রুত ও কার্যকর বাস্তবায়নের লক্ষ্যে গত ২৩ সেপ্টেম্বর ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) সদর দপ্তর থেকেও সংশ্লিষ্ট সকল বিভাগীয় কর্মকর্তা ও পুলিশ ইউনিটকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানিয়ে আনুষ্ঠানিক চিঠি জারি করা হয়েছে।

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২৬ আগস্ট অনুষ্ঠিত কোর কমিটির বিশেষ সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দেশের প্রতিটি ছোট-বড় বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি। যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি, নাশকতা বা কারিগরি বিপর্যয় এড়াতে বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর সার্বিক নিরাপত্তা জোরদারে তাৎক্ষণিক আইনি ও প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণের অনুরোধ জানানো হয়েছে।

ইতিমধ্যে জারি করা চিঠির অনুলিপি মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের প্রশাসনিক প্রধানসহ পুলিশের বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে কার্যকারিতা পর্যালোচনার জন্য পাঠানো হয়েছে। বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণ ও বাড়তি পুলিশি টহল জোরদারের মধ্য দিয়েই এই নির্দেশনা বাস্তবায়িত হবে।

/আশিক


প্রয়োজনে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আরও বাড়ানো হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ সেপ্টেম্বর ২৬ ২০:১৯:৩০
প্রয়োজনে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আরও বাড়ানো হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ছবি : সংগৃহীত

গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনতে প্রয়োজনে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের (আইসিটির) সংখ্যা আরও বাড়ানো হবে বলে কড়া বার্তা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ধোলাইখালে মেয়র সাদেক হোসেন খোকা মাঠে আয়োজিত এক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।

‘পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টার প্রতিবাদে’ বিএনপি এই সমাবেশের আয়োজন করে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে, গত ১৭ বছরে যারা গণতন্ত্রকে পদ্ধতিগতভাবে হত্যা করেছে এবং সাধারণ মানুষের ওপর নির্বিচারে গুলি চালিয়েছে, তাদের কাউকেই ক্ষমা করা হবে না। স্বাধীনতার পর সবচেয়ে বর্বর হত্যাকাণ্ডের শিকার হওয়া দেশের মাটিতে আর কোনোদিন ওই ফ্যাসিবাদী শক্তিকে রাজনীতি করার সুযোগ দেওয়া হবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

পতিত আওয়ামী সরকারের নেতাকর্মীদের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডের প্রতি ইঙ্গিত করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও জুম মিটিংয়ের মাধ্যমে সংগঠিত হওয়ার চেষ্টা করছে এবং ডিসেম্বরে শেখ হাসিনার দেশে ফেরার কথা প্রচার করছে। এর জবাবে তিনি বলেন, সরকারও চায় শেখ হাসিনা দেশে ফিরে বিচারের মুখোমুখি হোন।

এরই মধ্যে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতের কাছে তাঁকে ফেরত পাঠানোর অনুরোধ জানানো হয়েছে, যদিও ভারতের দিক থেকে এখনো কোনো জবাব আসেনি। একই সঙ্গে মানবতাবিরোধী অপরাধে সাজাপ্রাপ্ত যেসব আসামি ও তাদের সহযোগীরা বিদেশে পালিয়ে আছেন, তাদেরও দেশে ফিরিয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। দেশে ফিরে তারা চাইলে আইনি প্রক্রিয়ায় আপিল করার সুযোগ পাবেন বলেও উল্লেখ করেন সালাহউদ্দিন আহমদ।

বর্তমান সরকারের মাত্র সাত মাস পূর্ণ হওয়ার আগেই যারা সরকার পতনের এক দফা দাবিতে মাঠে নেমেছেন এবং চতুর্দিকে লংমার্চ কর্মসূচি পালন করছেন, তাদের উদ্দেশ্য নিয়েও প্রশ্ন তোলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, সরকার যখন সবাইকে সংবিধান সংশোধন কমিটিতে অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে, তখন কিছু গোষ্ঠী তা প্রত্যাখ্যান করে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে রাস্তায় নেমে অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা করছে। তবে বিএনপি ও তাদের মিত্ররা এসব কর্মকাণ্ড নীরবে বসে দেখবে না বলে সতর্ক করে দেন তিনি। দেশের স্থিতিশীলতা রক্ষা, গণতন্ত্র সুসংহত করা এবং ভবিষ্যতে দেশে যেন আর কোনোদিন স্বৈরাচার বা ফ্যাসিবাদের উত্থান না ঘটে, তা নিশ্চিত করতে সাংবিধানিক পরিবর্তনের পক্ষে বিএনপির দৃঢ় অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।

সমাবেশে সাম্প্রতিক জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি নিয়েও খোলামেলা কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি জানান, আন্তর্জাতিক বাজারে এবং পার্শ্ববর্তী দেশগুলোতে তেলের দাম ব্যাপক হারে বাড়লেও জনগণের দুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে বিএনপির নেতা তারেক রহমান এক মাস পর্যন্ত দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত আটকে রেখেছিলেন। তবে আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সমন্বয় এবং সীমান্ত দিয়ে তেল পাচার রোধে শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়েই সীমিত পরিসরে দাম বাড়াতে হয়েছে।

গালফ ওয়ারের কারণে বিশ্ববাজারে সৃষ্ট এই পরিস্থিতির ফলে জনগণের যে সাময়িক কষ্ট হচ্ছে, তার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে দুঃখ প্রকাশ করেন তিনি এবং বিশ্ববাজারে দাম কমলে দেশেও তা কমানোর প্রতিশ্রুতি দেন। মুক্তিযুদ্ধ প্রতিমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেনের সভাপতিত্বে এই সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্যসচিব তানভীর আহমেদ রবিন, যুগ্ম আহ্বায়ক আবদুস সাত্তার, সাইদুর রহমান মিন্টুসহ বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের শীর্ষ নেতারা।

/আশিক


সরকারি কর্মচারীদের সঞ্চয় ও অনুদান তহবিলে নতুন অর্থবছরীয় নির্দেশনা জারি

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ সেপ্টেম্বর ২৬ ১৭:৫৪:৫২
সরকারি কর্মচারীদের সঞ্চয় ও অনুদান তহবিলে নতুন অর্থবছরীয় নির্দেশনা জারি
ছবি : সংগৃহীত

নবম পে স্কেল প্রজ্ঞাপন জারির ধারাবাহিকতায় সরকারি চাকরিজীবীদের জেনারেল প্রভিডেন্ট ফান্ড (জিপিএফ) এবং কনট্রিবিউটরি প্রভিডেন্ট ফান্ডের (সিপিএফ) অর্থ জমার বিপরীতে নতুন মুনাফার হার পুনর্নির্ধারণ করেছে সরকার। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের প্রবিধি-১ শাখা থেকে প্রকাশিত এক প্রজ্ঞাপনে নিশ্চিত করা হয়েছে যে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে তহবিলের মোট স্থিতির ওপর ভিত্তি করে সরকারি কর্মচারীরা সর্বোচ্চ ১৩ শতাংশ হারে মুনাফা সুবিধা পাবেন।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখিত নতুন নিয়ম অনুযায়ী, কোনো সরকারি কর্মচারীর জিপিএফের প্রারম্ভিক স্থিতি ১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত হলে তিনি সর্বোচ্চ ১৩ শতাংশ হারে মুনাফা পাবেন। অর্থের পরিমাণ ১৫ লাখ ১ টাকা থেকে শুরু করে ৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত হলে সে ক্ষেত্রে মুনাফার হার নির্ধারণ করা হয়েছে ১২ শতাংশ। তবে তহবিলের স্থিতি ৩০ লাখ টাকা অতিক্রম করলে অতিরিক্ত অংশের জন্য মুনাফার হার কমে দাঁড়াবে ১১ শতাংশে। সংশ্লিষ্ট অর্থবছরে কর্মচারীর বেতন থেকে কর্তনকৃত চাঁদার ওপরও সমহারে এই মুনাফা নীতি প্রযোজ্য হবে।

অন্যদিকে প্রজ্ঞাপনে সিপিএফের আওতাভুক্ত স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান ও রাষ্ট্রায়ত্ত করপোরেশনগুলোর বিষয়েও দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এসব সংস্থা বা করপোরেশন তাদের নিজস্ব বিদ্যমান আর্থিক বিধিমালা অনুসরণ করে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রভিডেন্ট ফান্ডের মুনাফা দিতে পারবে। তবে কোনো অবস্থাতেই সংস্থাগুলো সরকারের নির্ধারিত এই মুনাফার সর্বোচ্চ সীমা অতিক্রম করতে পারবে না।

/আশিক


বাংলাদেশ এখন ব্যবসার জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ সেপ্টেম্বর ২৬ ১৭:৪৮:০৬
বাংলাদেশ এখন ব্যবসার জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগের অনুকূল ও আস্থাশীল পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকার শতভাগ প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের উদ্দেশ্যে তিনি স্পষ্ট ভাষায় উল্লেখ করেছেন যে, বর্তমান বাংলাদেশ বিশ্বমানের ব্যবসা ও আন্তর্জাতিক বিনিয়োগের জন্য সম্পূর্ণ উন্মুক্ত।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনে অংশগ্রহণের অংশ হিসেবে শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সকালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ম্যানহাটনে অবস্থিত জেপি মর্গানের সদর দপ্তরে ওয়াল স্ট্রিটের শীর্ষ ব্যবসায়ী ও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের সাথে এক বিশেষ প্রাতরাশ বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন। রাজনীতিবিদ হিসেবে আত্মপ্রকাশের পূর্বে নিজের ব্যবসায়িক জীবনের অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, সফল বিনিয়োগের জন্য বাজারের স্থায়িত্ব, নীতিগত পূর্বানুমেয়তা এবং প্রবৃদ্ধির জন্য সহায়ক পরিবেশই মূল চাবিকাঠি।

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী উপস্থিত ব্যবসায়ী নেতাদের উদ্দেশ্যে বলেন, বিশ্বজুড়ে ব্যবসায়ীরা তাদের বিনিয়োগের স্বার্থ রক্ষা করেন, আর তিনি দেশের ১৮ কোটি মানুষের সার্বিক অর্থনৈতিক কল্যাণ নিশ্চিত করতে কাজ করছেন। উভয় পক্ষের দায়িত্ব ভিন্ন হলেও উভয়ের মূল লক্ষ্য এক ও অভিন্ন—তা হলো যৌথ সাফল্য অর্জন করা। তিনি আরও জানান, বিশ্ব এতদিন বাংলাদেশকে কেবল পোশাক খাতের আন্তর্জাতিক হাব হিসেবে চিনলেও বর্তমান বাংলাদেশে তৈরি হয়েছে বহুমাত্রিক অর্থনৈতিক সম্ভাবনা।

প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে জানান, ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে এক ট্রিলিয়ন ডলারের শক্তিশালী অর্থনীতিতে রূপান্তর করার সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে সরকার। এই বিশাল লক্ষ্য অর্জনে তৈরি পোশাকের পাশাপাশি শক্তি ও জ্বালানি, আধুনিক অবকাঠামো, লজিস্টিকস, উচ্চ প্রযুক্তি, তথ্যপ্রযুক্তি সেবা, জলবায়ু অর্থায়ন, উন্নত কৃষি এবং স্বাস্থ্যখাতে বৈশ্বিক বিনিয়োগের বিশাল সুযোগ রয়েছে। বৈশ্বিক আর্থিক বাজারের সাথে বাংলাদেশের গভীর সংযোগ তৈরি করতে জেপি মর্গানের প্রথম সার্বভৌম বন্ড চালুর ভূমিকা স্মরণ করে তিনি বিনিয়োগকারীদের প্রতিশ্রুতি দেন যে, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা হ্রাস, দ্রুত মুনাফা নিজ দেশে ফেরত নেওয়ার সুবিধা, কর ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং বিনিয়োগ সুরক্ষায় কার্যকর প্রশাসনিক সংস্কার বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

আমেরিকার সাথে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য প্রসারের পাশাপাশি চীন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের সাথে নতুন কৌশলগত অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী জানান, অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং বিনিয়োগ ও পুঁজিবাজার বিষয়ক বিশেষ সহকারী তানভীর গনি সরাসরি আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের সাথে সমন্বয় করে প্রশাসনিক বাধাগুলো নিরসন করবেন। পরিশেষে, আমেরিকান ও বৈশ্বিক বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে স্বল্পমেয়াদী সুবিধার বদলে বাংলাদেশে দীর্ঘমেয়াদী অংশীদারত্ব গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।

/আশিক


সাবেক ওসিকে নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য: আদালতের নতুন নির্দেশনা

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ সেপ্টেম্বর ২৪ ২১:৫৬:১৫
সাবেক ওসিকে নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য: আদালতের নতুন নির্দেশনা
সাবেক ওসি মো. রাকিবুল হাসান। সংগৃহীত ছবি

রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রাকিবুল হাসানের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। এর আগে রাষ্ট্রদ্রোহের এই মামলায় তাঁর সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেছিল পুলিশ। শুনানি শেষে বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাতে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দিদারুল আলম পাঁচ দিনের এই রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

আদালতে জমা দেওয়া রিমান্ড আবেদনে উল্লেখ করা হয়, গত ১৫ সেপ্টেম্বর রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের একটি আইডি থেকে ‘আ.লীগ নেতার সঙ্গে ওসির বৈঠক’ শিরোনামে একটি অডিও কল রেকর্ড ছড়িয়ে পড়ে। মামলার বাদী ওই অডিও অনুসন্ধান করে নিশ্চিত হন যে অডিওর বিতর্কিত বক্তব্য ও কণ্ঠস্বর মূলত বরখাস্তকৃত ওসি রাকিবুল হাসানের।

পুলিশের তদন্ত আবেদনে আরও বলা হয়, ফাঁস হওয়া ওই অডিও রেকর্ডে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশে প্রত্যাবর্তনের প্রসঙ্গ, পুলিশ ও সামরিক বাহিনীর ভূমিকা এবং পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নিয়ে স্পর্শকাতর বক্তব্য ছিল। সেখানে সেনাবাহিনীকে নিষ্ক্রিয় বা ‘নিউট্রাল’ থাকার পরামর্শ দেওয়ার পাশাপাশি পুলিশের পদায়ন, বড় অঙ্কের আর্থিক লেনদেন এবং বাহিনীর বিভিন্ন তহবিল নিয়েও অবমাননাকর মন্তব্য করা হয়।

রিমান্ড আবেদনে পুলিশ আরও দাবি করে, অডিও বার্তাটিতে নিষিদ্ধ রাজনৈতিক সংগঠনের পক্ষে উসকানি, অসন্তোষ তৈরি ও প্ররোচনার মাধ্যমে দেশে বড় ধরনের দাঙ্গা-হাঙ্গামা এবং অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা করা হয়েছে। প্রজাতন্ত্রের একজন দায়িত্বশীল কর্মচারী হয়েও তিনি সরকারের সমালোচনা, রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা বিনাশ, ক্ষমতার পটপরিবর্তনের ষড়যন্ত্র এবং প্রশাসনের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তা ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থাসমূহের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ ছড়িয়েছেন।

উক্ত অডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর দেশজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিলে রাকিবুলকে ক্যান্টনমেন্ট থানার ওসির দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি প্রদান করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, রাষ্ট্রদ্রোহের এই ঘটনার পেছনের মূল রহস্য উদঘাটন, অজ্ঞাতনামা আরও ৪ থেকে ৫ জন সহযোগীকে চিহ্নিত ও গ্রেপ্তার এবং বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদের স্বার্থে এই রিমান্ড আবশ্যক ছিল।

উল্লেখ্য, মামলাটিতে দণ্ডবিধির ১২৪-ক ও ১৫৩ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। রিমান্ড আবেদন অনুযায়ী, প্রচলিত আইন মেনে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পূর্বানুমতি সাপেক্ষেই এই রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা দায়ের করা হয়। এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অডিও ছড়ানোর পরপরই তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডিবি হেফাজতে নেওয়া হয়েছিল, যদিও রাকিবুল এটি সম্পূর্ণ অস্বীকার করে দাবি করেছিলেন—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি করা একটি ভুয়া কল রেকর্ড এটি।

/আশিক

পাঠকের মতামত: