নির্বাচনে অংশ নেওয়া নিয়ে নিজের প্রস্তুতির কথা জানালেন আসিফ মাহমুদ

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ নভেম্বর ২৭ ১৮:৪০:৫৭
নির্বাচনে অংশ নেওয়া নিয়ে নিজের প্রস্তুতির কথা জানালেন আসিফ মাহমুদ
ছবিঃ সংগৃহীত

অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে যুক্ত ছাত্র উপদেষ্টা ছাড়াও অনেকেই আগামী নির্বাচনে অংশ নেবেন বলে দাবি করেছেন স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। বৃহস্পতিবার ২৭ নভেম্বর সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই তথ্য জানান এবং নিজের নির্বাচনী পরিকল্পনার কথাও স্পষ্ট করেন।

আসিফ মাহমুদ বলেন আমি নির্বাচনে অংশ নেব সে ঘোষণা দিয়েছি। তবে শুধু তিনি নন অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন এমন আরও অনেকেই নির্বাচন করবেন বলে তিনি জানতে পেরেছেন। নির্বাচনে অংশগ্রহণের প্রস্তুতি প্রসঙ্গে তিনি জানান নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার আগে তিনি পদত্যাগ করবেন এবং তারপরই নির্বাচনে অংশ নেবেন। তিনি বলেন সেভাবেই প্রস্তুতি নিচ্ছি। তবে বাকি সরকারি প্রক্রিয়া বা নির্বাচন সংক্রান্ত অন্যান্য বিষয়ে সরকারের উচ্চপর্যায়ে আলোচনা সাপেক্ষে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

সাংবাদিকরা তাঁর কাছে জানতে চান কোন রাজনৈতিক দল থেকে তিনি নির্বাচনে অংশ নেবেন। এমন প্রশ্নের জবাবে আসিফ মাহমুদ কিছুটা কৌশলী অবস্থান নেন। তিনি বলেন রাজনৈতিক এ বিষয়ে মন্তব্য না করাই ভালো।

এছাড়া ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের বা ডিএনসিসির প্রশাসকের বিরুদ্ধে যে কোনো অনিয়ম বা দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে কঠোর অবস্থানের কথা জানান এই উপদেষ্টা। আসিফ মাহমুদ হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসকের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ পেলে দুদক তদন্ত করতে পারে। যদি প্রমাণ পাওয়া যায় তবে সরকার অবশ্যই ব্যবস্থা নেবে।


খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা নিয়ে ডা. জাহিদের সর্বশেষ বার্তা

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ নভেম্বর ২৯ ২১:৫৬:২৫
খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা নিয়ে ডা. জাহিদের সর্বশেষ বার্তা
ছবিঃ সংগৃহীত

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেছেন খালেদা জিয়ার অবস্থা বর্তমানে স্থিতিশীল রয়েছে। তিনি জানান গত তিন দিন ধরে তাঁর যে চিকিৎসা চলছে তিনি সেই চিকিৎসা নিতে পারছেন যা চিকিৎসকদের মতে একটি ভালোর লক্ষণ। শনিবার ২৯ নভেম্বর রাত সাড়ে ৯টার দিকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের সামনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

ডা. জাহিদ হোসেন ব্যাখ্যা করে বলেন গত তিন দিন ধরে তাঁর অবস্থা একই পর্যায়ে আছে অর্থাৎ তিনি চিকিৎসকদের দেওয়া চিকিৎসা গ্রহণ করতে পারছেন। তিনি মন্তব্য করেন চিকিৎসা করা চিকিৎসকদের দায়িত্ব আর সুস্থ করা আল্লাহর হাতে তাই সবাই আল্লাহর কাছে উনার সুস্থতার জন্য দোয়া করেন।

খালেদা জিয়াকে বিদেশে নেওয়ার প্রসঙ্গ উঠলে ডা. জাহিদ স্পষ্ট করেন যে বর্তমানে তাঁর শারীরিক অবস্থায় বিদেশে নেওয়া সম্ভব নয়। তিনি জানান ইংল্যান্ড সৌদি আরব চীন সিঙ্গাপুর ও যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশের চিকিৎসকদের যৌথ পরামর্শে তাঁর চিকিৎসা চলছে এবং আন্তর্জাতিক চিকিৎসা ব্যবস্থার সব ধরনের সেবা তিনি দেশেই পাচ্ছেন। তিনি আশ্বস্ত করেন যে খালেদা জিয়া আরেকটু সুস্থ হলে এবং মেডিকেল বোর্ড সম্মতি দিলে বিদেশে নেওয়ার বিষয়টি জানানো হবে।

খালেদা জিয়ার জন্য উদ্বিগ্ন বহু মানুষ এভারকেয়ারে ভিড় করছেন। এ বিষয়ে ডা. জাহিদ অনুরোধ জানিয়ে বলেন এই হাসপাতালে বেগম খালেদা জিয়া ছাড়াও তিন শতাধিক রোগী ভর্তি আছেন। হাসপাতালে চিকিৎসক নার্স ও রোগীদের আসা যাওয়া করতে হয় তাই ভিড় করলে অন্যদের চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হবে। তিনি নেতাকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের হাসপাতাল এলাকায় না এসে নিজ নিজ অবস্থান থেকেই দোয়া করার আহ্বান জানান।

তিনি আরও জানান গত ২৭ তারিখ থেকে বেগম খালেদা জিয়াকে সিসিইউতে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তাঁর চিকিৎসার বিষয়ে সার্বক্ষণিকভাবে যুক্ত আছেন তাঁর ছেলে তারেক রহমান। এছাড়া মেডিকেল বোর্ড ও বিদেশি চিকিৎসকদের সাথে যোগাযোগের বিষয়টি তারেক রহমানের সহধর্মিণী ডা. জোবাইদা রহমান দেখভাল করছেন এবং হাসপাতালে পরিবারের সদস্যরাও উপস্থিত রয়েছেন।


বরিশাল ৪: ধানের শীষের রাজীব নাকি জামায়াতের জব্বার কার পাল্লা ভারী

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ নভেম্বর ২৯ ২১:০৫:৩০
বরিশাল ৪: ধানের শীষের রাজীব নাকি জামায়াতের জব্বার কার পাল্লা ভারী
সত্য নিউজ গ্রাফিক্স

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বরিশালের হিজলা ও মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলা নিয়ে গঠিত বরিশাল ৪ আসনটি এখন রাজনৈতিক উত্তাপের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। আওয়ামী লীগের দীর্ঘদিনের শাসনামল ও প্রভাবশালী নেতা পঙ্কজ দেবনাথের বিদায়ের পর এই আসনে সৃষ্টি হওয়া রাজনৈতিক শূন্যতা পূরণে মরিয়া হয়ে উঠেছে বিএনপি ও জামায়াত। এখানে বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক ও ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি রাজীব আহসান এবং জামায়াতে ইসলামীর প্রভাবশালী নেতা মাওলানা আবদুর জব্বারের মধ্যে সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস পাওয়া যাচ্ছে।

রাজীব আহসানের রাজনৈতিক অবস্থান ও কৌশল

মাঠের রাজনীতিতে রাজীব আহসান এক পরিচিত নাম। জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করা এই তরুণ নেতা বিএনপির হাইকমান্ডের অত্যন্ত আস্থাভাজন হিসেবে পরিচিত। হিজলা ও মেহেন্দীগঞ্জে বিএনপির সাংগঠনিক ভিত্তি মজবুত করতে তিনি দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করছেন। স্থানীয় নেতাকর্মীরা মনে করছেন রাজীব আহসানের তারুণ্যদীপ্ত নেতৃত্ব এবং বিগত সরকারবিরোধী আন্দোলনে তাঁর সক্রিয় ভূমিকা সাধারণ ভোটারদের বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের ভোট টানতে বড় ভূমিকা রাখবে। বিএনপির বিশাল ভোটব্যাংক এবং কেন্দ্রীয় নেতা হিসেবে এলাকার উন্নয়নে বড় ভূমিকা রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি মাঠে চষে বেড়াচ্ছেন।

মাওলানা আবদুর জব্বারের সাংগঠনিক শক্তি ও প্রভাব

অন্যদিকে এই আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাওলানা আবদুর জব্বারও ছেড়ে কথা বলছেন না। হিজলা ও মেহেন্দীগঞ্জের চরাঞ্চল এবং ধর্মপ্রাণ মানুষের মধ্যে তাঁর ব্যক্তিগত গ্রহণযোগ্যতা ও জামায়াতের সুশৃঙ্খল সাংগঠনিক শক্তি তাঁর বড় পুঁজি। মাওলানা জব্বার দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় সমাজসেবামূলক কাজের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন যা তাঁকে সাধারণ মানুষের কাছে এক ভিন্ন উচ্চতায় নিয়ে গেছে। জামায়াতের নেতাকর্মীরা মনে করছেন বিগত দিনে তাঁরা যে জুলুম নির্যাতনের শিকার হয়েছেন তার প্রতি সহানুভূতি এবং মাওলানা জব্বারের ক্লিন ইমেজ কাজে লাগিয়ে তাঁরা ধানের শীষকে বড় চ্যালেঞ্জ জানাতে সক্ষম হবেন।

ভৌগোলিক গুরুত্ব ও ভোটের সমীকরণ

বরিশাল ৪ আসনটি মূলত নদীবেষ্টিত এবং চরাঞ্চল অধ্যুষিত এলাকা। মেঘনার ভাঙন কবলিত এই জনপদের মানুষের প্রধান দাবি নদী রক্ষা ও টেকসই বাঁধ নির্মাণ। রাজীব আহসান এবং মাওলানা আবদুর জব্বার উভয়ই এই বিষয়টিকে তাঁদের প্রচারণার প্রধান হাতিয়ার করেছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন এই আসনে লড়াইটা হবে মূলত বিএনপির ঐতিহ্যবাহী ভোটব্যাংক বনাম জামায়াতের ক্যাডারভিত্তিক শৃঙ্খলার মধ্যে। আওয়ামী লীগ মাঠে না থাকায় নৌকার সমর্থক ও সাধারণ ভোটাররা কোন দিকে ঝুঁকবেন তা এই দুই নেতার ভাগ্য নির্ধারণে বড় ভূমিকা রাখবে।

ত্রিমুখী নাকি দ্বিমুখী লড়াই

যদিও অন্য ছোট দলগুলোর প্রার্থী থাকার সম্ভাবনা রয়েছে তবে হিজলা মেহেন্দীগঞ্জের সাধারণ ভোটাররা মনে করছেন মূল লড়াইটা হবে দ্বিমুখী। একদিকে রাজীব আহসানের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও তারুণ্যের শক্তি অন্যদিকে মাওলানা আবদুর জব্বারের ধর্মীয় মূল্যবোধ ও সামাজিক অবস্থান। ভোটের দিন যতই ঘনিয়ে আসছে বরিশাল ৪ আসনে বিএনপি ও জামায়াতের এই দ্বৈরথ ততই জমে উঠছে এবং কে শেষ হাসি হাসবেন তা নিয়ে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ।


বিমানে ওঠার মতো শারীরিক অবস্থায় নেই খালেদা জিয়া: মির্জা ফখরুল

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ নভেম্বর ২৯ ১৯:০৭:৪৬
বিমানে ওঠার মতো শারীরিক অবস্থায় নেই খালেদা জিয়া: মির্জা ফখরুল
ছবিঃ সংগৃহীত

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানিয়েছেন দেশের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক পরিস্থিতি বর্তমানে বিদেশে নেওয়ার মতো অবস্থায় নেই। তিনি বলেন আল্লাহর অশেষ রহমতে শারীরিক অবস্থা যদি স্টেবল বা স্থিতিশীল হয় তখন চিন্তা করে দেখা হবে যে তাঁকে বিদেশে নেওয়া সম্ভব হবে কি না। শনিবার বিকেলে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার সর্বশেষ পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল জানান দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া বেশ কয়েকদিন ধরে অসুস্থ অবস্থায় এভারকেয়ার হাসপাতালে আছেন এবং তাঁর শারীরিক অবস্থা কিছুটা সংকটাপন্ন। দেশের বিশিষ্ট চিকিৎসকদের পাশাপাশি আমেরিকার জন হপকিন্স ও লন্ডন ক্লিনিকের বিশিষ্ট চিকিৎসকরা তাঁর চিকিৎসা কার্যক্রম তদারকি করছেন। তিনি উল্লেখ করেন শুক্রবার রাতে চিকিৎসকরা প্রায় আড়াই ঘণ্টা ধরে একটি মেডিকেল বোর্ড সভা করেছেন। সেখানে সমস্ত চিকিৎসকের মতামত নিয়ে আলোচনা হয়েছে এবং চিকিৎসার ধরন ও পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে তাঁরা মতামত দিয়েছেন।

খালেদা জিয়াকে বিদেশে নেওয়ার প্রস্তুতি প্রসঙ্গে বিএনপি মহাসচিব বলেন চিকিৎসকরা বলছেন যে তাঁকে বিদেশে নেওয়া হয়তো প্রয়োজন হতে পারে কিন্তু তাঁর এখন যে শারীরিক অবস্থা তাতে তাঁকে বিদেশে নেওয়ার মতো কোনো পরিস্থিতি নেই। তবে তিনি আশ্বস্ত করেন যে বিদেশে নেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো যেমন ভিসা এবং সম্ভাব্য গন্তব্য দেশের সঙ্গে যোগাযোগ ও এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের বিষয়গুলো নিয়ে যথেষ্ট আলোচনা হয়েছে এবং কাজ এগিয়ে রাখা হয়েছে। অর্থাৎ যদি প্রয়োজন হয় এবং দেখা যায় যে সি ইজ রেডি টু ফ্লাই তখন তাঁকে নিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে খুব দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হবে।

এর আগে শুক্রবার মির্জা ফখরুল জানিয়েছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত সংকটময়। ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে তাঁর চিকিৎসা চলছে। সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর শারীরিক অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে সুস্থতা কামনায় দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধান উপদেষ্টা ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূস। ৭৯ বছর বয়সী খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরে আর্থ্রাইটিস ও ডায়াবেটিসের পাশাপাশি কিডনি লিভার ফুসফুস এবং চোখের সমস্যাসহ নানা জটিলতায় ভুগছেন। গত রোববার রাতে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল এবং পরীক্ষায় বুকে সংক্রমণ ধরা পড়ায় তাঁকে ভর্তি করা হয়।


উন্নত চিকিৎসার জন্য খালেদা জিয়াকে বিদেশে নিতে প্রস্তুত সর্বাধুনিক প্রযুক্তির বিমান

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ নভেম্বর ২৯ ১৮:৫৫:৩৭
উন্নত চিকিৎসার জন্য খালেদা জিয়াকে বিদেশে নিতে প্রস্তুত সর্বাধুনিক প্রযুক্তির বিমান
ছবিঃ সংগৃহীত

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার সামান্য উন্নতি হলেই তাঁকে লন্ডনে নেওয়ার পরিকল্পনা করছে তাঁর পরিবার। এরই মধ্যে লন্ডনের সংশ্লিষ্ট হাসপাতালের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তাঁর স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমান। শনিবার ২৯ নভেম্বর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে মাহদী আমিন লিখেছেন দেশনেত্রী খালেদা জিয়া যেন আজ পুরো বাংলাদেশের আবেগ আকাঙ্ক্ষা ও অনুভূতির প্রকাশ। এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি থাকলেও তাঁর চিকিৎসা মূলত দেশি বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হচ্ছে। তিনি জানান লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি চিকিৎসকদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছেন তারেক রহমান ও তাঁর স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমান।

চিকিৎসা ব্যবস্থাপনায় ডা. জোবাইদা রহমানের ভূমিকা তুলে ধরে তিনি লিখেন অনেকেই হয়তো জানেন না ম্যাডামের চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ডের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হিসেবে দেশ বিদেশে সমন্বয়ের মূল দায়িত্ব পালন করছেন ডা. জোবাইদা রহমান। আর সেখান থেকেই মমতাময়ী মায়ের চিকিৎসায় যেন কোনো ধরনের বিলম্ব বা সীমাবদ্ধতা না ঘটে তার জন্য তারেক রহমান সর্বোচ্চ গুরুত্ব ও অটল দৃঢ়তা নিয়ে প্রতিটি পদক্ষেপ তদারকি ও পরিচালনা করছেন।

লন্ডনে নেওয়ার পরিকল্পনা সম্পর্কে মাহদী আমিন জানান দেশবাসীর দোয়া ও ভালোবাসায় সিক্ত আপোষহীন নেত্রীর শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলে তাঁকে লন্ডনে নিয়ে উন্নত চিকিৎসার পরিকল্পনা করছে জিয়া পরিবার। এই বছরেই লন্ডনের যে হাসপাতাল ও চিকিৎসকদের অধীনে চার মাস থেকে তিনি অনেকটা সুস্থ হয়ে উঠেছিলেন তাঁদের সঙ্গে ইতোমধ্যে যোগাযোগ করেছেন তারেক রহমান ও তাঁর স্ত্রী। সেই লক্ষ্যে সর্বাধুনিক প্রযুক্তিতে সজ্জিত একটি বিশেষ এয়ার অ্যাম্বুলেন্স ব্যবস্থার উদ্যোগও নেওয়া হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

হাসপাতালের বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে তিনি লিখেন দেশনেত্রীকে দেখতে বিপুল সংখ্যক মানুষ হাসপাতালে ছুটে গেলেও সিসিইউর ভেতরে ঢুকতে পারছেন না। ইনফেকশনের প্রবল ঝুঁকির কারণে সেখানে প্রবেশের অনুমতি নেই এবং দূর থেকেই মানুষ তাঁর প্রতি ভালোবাসা ও উদ্বেগ প্রকাশ করছেন। সবশেষে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন বাংলাদেশের মা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের দ্রুত উন্নতি হবে এবং তিনি আধুনিক চিকিৎসা শেষে সন্তান স্বজনসহ মুক্ত মাতৃভূমির মানুষকে বরাবরের মতোই অনুপ্রাণিত করবেন।


বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দেশে ফেরা নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের স্পষ্ট বার্তা

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ নভেম্বর ২৯ ১৮:৫০:২৯
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দেশে ফেরা নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের স্পষ্ট বার্তা
ছবিঃ সংগৃহীত

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে ফেরা নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন প্রধান উপদেষ্টা ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূসের প্রেস সচিব শফিকুল আলম। শনিবার ২৯ নভেম্বর বিকেলে নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ বিষয়ে সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেন। সেখানে তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন যে তারেক রহমানের দেশে ফেরার বিষয়ে সরকারের তরফ থেকে কোনো ধরনের বিধিনিষেধ অথবা কোনো আপত্তি নেই।

ঘটনার প্রেক্ষাপট হিসেবে জানা যায় তারেক রহমান এর আগে এক বক্তব্যে উল্লেখ করেছিলেন যে এখনই দেশে ফেরার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ তাঁর জন্য অবারিত ও একক নিয়ন্ত্রণাধীন নয়। এই বক্তব্যের সূত্র ধরেই প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিবের কাছে জানতে চাওয়া হয় যে বিএনপি নেতার প্রত্যাবর্তনের বিষয়ে সরকারের কোনো অঘোষিত নিষেধাজ্ঞা আছে কি না। জবাবে প্রেস সচিব নিশ্চিত করেন যে এমন কোনো বাধা সরকারের পক্ষ থেকে তৈরি করা হয়নি।

ফেসবুক পোস্টে শফিকুল আলম আরও উল্লেখ করেন যে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা নিয়ে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস ইতিমধ্যেই গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। একই সঙ্গে তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রীর আশু রোগমুক্তির জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন বলেও প্রেস সচিব তাঁর পোস্টে উল্লেখ করেন।


খালেদা জিয়া গণতান্ত্রিক সংগ্রামের অনন্য অনুপ্রেরণা: নাহিদ ইসলাম

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ নভেম্বর ২৯ ১৫:৫৩:০৭
খালেদা জিয়া গণতান্ত্রিক সংগ্রামের অনন্য অনুপ্রেরণা: নাহিদ ইসলাম
ছবিঃ সংগৃহীত

জাতীয় নাগরিক পার্টি বা এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম মন্তব্য করেছেন যে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক সংগ্রামের এক অনন্য অনুপ্রেরণা। শনিবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই মন্তব্য করেন। তিনি উল্লেখ করেন দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষার আন্দোলনে খালেদা জিয়া কয়েক দশক ধরে অবিচল ভূমিকা পালন করেছেন।

ফ্যাসিবাদী রাষ্ট্রচক্রের লাগাতার নির্যাতন মিথ্যা মামলার পরিক্রমা এবং রাজনৈতিক প্রতিহিংসার ভয়াবহতার মাঝেও সাবেক প্রধানমন্ত্রীর অটল মনোবল ও আপোসহীন অবস্থানকে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ইতিহাসে এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে অভিহিত করেন নাহিদ। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন যে ১৯৯০ সালের গণঅভ্যুত্থান স্বৈরতন্ত্রবিরোধী সংগ্রাম এবং পরবর্তী সময়ে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের প্রত্যেকটি পর্বে খালেদা জিয়ার দৃঢ়তা দেশপ্রেম ও নেতৃত্ব জাতীয় জীবনে গভীর প্রভাব রেখেছে।

এনসিপির আহ্বায়ক বলেন বাংলাদেশের বহু প্রজন্ম তাঁকে দেখেছে সাহস সহনশীলতা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতীক হিসেবে। বেগম খালেদা জিয়ার বর্তমান শারীরিক অবস্থা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে নাহিদ ইসলাম তাঁর পরিবারের প্রতি আন্তরিক সহমর্মিতা জানান এবং মহান আল্লাহর কাছে তাঁর পূর্ণ আরোগ্য ও সুস্থতা কামনা করেন।

দেশের বর্তমান প্রেক্ষাপট উল্লেখ করে তিনি বলেন এই গণতান্ত্রিক উত্তরণের সংকটময় সময়ে যখন দেশ পুনরায় গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার দিকে অগ্রসর হচ্ছে তখন বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক উপস্থিতি ও রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা জাতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অভিযাত্রায় তাঁর দীর্ঘ অবদানের কথা স্মরণ করে তিনি দ্রুত সুস্থতা দীর্ঘায়ু ও মঙ্গল কামনা করেন।


সিসিইউতে নিবিড় পর্যবেক্ষণে খালেদা জিয়া, দেশজুড়ে সুস্থতা কামনায় দোয়া

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ নভেম্বর ২৯ ১৫:৩৩:৫৬
সিসিইউতে নিবিড় পর্যবেক্ষণে খালেদা জিয়া, দেশজুড়ে সুস্থতা কামনায় দোয়া
বিএনপি চেয়ারপারসন ও তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। /ছবিঃ সংগৃহীত

বিএনপি চেয়ারপারসন ও তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের করোনারি কেয়ার ইউনিটের বা সিসিইউর নিবিড় পর্যবেক্ষণে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। দলের স্থায়ী কমিটির সদস্যদের ভাষ্য অনুযায়ী তাঁর শারীরিক অবস্থা এখনো স্থিতিশীল নয় তবে তিনি জ্ঞান রাখছেন এবং নেতাকর্মীদের চিনতে পারছেন। চিকিৎসকরা মনে করছেন তাঁর আরও উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজন।

শুক্রবার ২৮ নভেম্বর মাঝরাতে তাঁর শারীরিক অবস্থা জানতে হাসপাতালে যান সরকারের আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল ও প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার। এক ফেসবুক পোস্টে আইন উপদেষ্টা উদ্বেগের সঙ্গে লিখেন তাঁর শারীরিক অবস্থা একদমই ভালো না এবং তিনি সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন।

এমন সংকটময় পরিস্থিতিতে খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য অবস্থার অগ্রগতি সম্পর্কে নিয়মিত খোঁজ রাখছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ডক্টর ইউনূস। তিনি সব ধরনের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানা গেছে। প্রধান উপদেষ্টার এই মানবিক ভূমিকার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস ডক্টর আব্দুল মঈন খান ও সেলিমা রহমান সিসিইউতে গিয়ে খোঁজ নিয়েছেন। বাইরে এসে মির্জা আব্বাস বলেন এই মুহূর্তে তিনি ব্যক্তিগতভাবে মনে করছেন যে খালেদা জিয়া স্থিতিশীল নন। তিনি আরও বলেন আরও উন্নত চিকিৎসা পেলে হয়তো তিনি ভালো হবেন। তবে স্বস্তির বিষয় হলো তিনি তাঁদের চিনতে পেরেছেন এবং সালামের উত্তর দিয়েছেন।

ডক্টর আব্দুল মঈন খান জানান চিকিৎসকরা তাঁর শারীরিক অবস্থার পর্যালোচনা করেছেন এবং প্রয়োজনীয় যেসব ব্যবস্থা নেওয়া দরকার তাঁরা সকল রকমের ব্যবস্থা নিচ্ছেন। এর আগে শুক্রবার বিকেলে চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে মির্জা ফখরুল জানিয়েছিলেন যে খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত সংকটময়।

মেডিকেল বোর্ডের তত্ত্বাবধানে দেশি বিদেশি বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে সিসিইউতে চলছে তাঁর চিকিৎসা। প্রায় ৮০ বছর বয়সী খালেদা জিয়া নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছেন। গত ২৩ নভেম্বর ফুসফুসে সংক্রমণ ও হৃদ্‌যন্ত্রের সমস্যা দেখা দিলে তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এদিকে দেশজুড়ে তাঁর সুস্থতা কামনায় দোয়া ও প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। বিভিন্ন মসজিদে বিএনপির উদ্যোগে দোয়া মাহফিল হচ্ছে এবং সামাজিক মাধ্যমেও অনেকে তাঁর দীর্ঘ ও আপোষহীন রাজনৈতিক সংগ্রামের কথা স্মরণ করে সুস্থতা কামনা করছেন। বিএনপির পক্ষ থেকে দলীয় নেতা কর্মীদের হাসপাতালের সামনে ভিড় না করারও অনুরোধ জানানো হয়েছে।


খালেদা জিয়ার অসুস্থতার জন্য হাসিনাকে জবাবদিহি করতে হবে: রুমিন ফারহানা  

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ নভেম্বর ২৯ ১৫:২২:৫১
খালেদা জিয়ার অসুস্থতার জন্য হাসিনাকে জবাবদিহি করতে হবে: রুমিন ফারহানা  
ফাইল ছবি

বিএনপির সহ আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক রুমিন ফারহানা বলেছেন যে মানুষটি সুস্থ শরীরে পায়ে হেঁটে গাড়িতে করে ফ্যাসিস্ট হাসিনার কারাগারে গেল সেই মানুষটির সঙ্গে কী করা হয়েছে এটা জাতি জানতে চায়। তিনি প্রশ্ন তোলেন আজ কেন তিনি জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে। তিনি সন্দেহ প্রকাশ করে বলেন খালেদা জিয়া যখন কারাগারে ছিলেন তখন তাঁকে কোনো চিকিৎসা দেওয়া হয়নি। তিনি আরও বলেন জানি না তখন তাঁকে বিষ প্রয়োগ করা হয়েছে কি না কিংবা এমন কোনো কিছু করা হয়েছে কি না যে কারণে তাঁর শারীরিক অবস্থার এত দ্রুত অবনতি হয়েছে। এর জন্য আওয়ামী লীগ ও শেখ হাসিনাকে জবাবদিহি করতে হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তির কামনায় নিজের নির্বাচনী এলাকা সরাইল আশুগঞ্জে আয়োজিত এক দোয়া মাহফিলে এসব কথা বলেন রুমিন ফারহানা। তিনি বলেন তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং বাংলাদেশের আপসহীন নেত্রী যিনি কোনো দিন কোনো নির্বাচনে কোনো আসনে পরাজিত হননি সেই দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আজকে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

রুমিন ফারহানা স্মৃতিচারণ করে বলেন ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা যখন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগারে নিয়ে যায় সে সময় প্রতিটি মামলার তারিখে তিনি আলিয়া মাদরাসায় উপস্থিত থাকতেন এবং কারাগারে তাঁর সঙ্গে দেখা করতে যেতেন। তিনি দাবি করেন সে সময় খালেদা জিয়াকে তিনি এত অসুস্থ দেখেননি।

বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে তিনি দোয়া করে বলেন আল্লাহ যেন আমাদের নেত্রীকে নেক হায়াত দান করেন এবং সুস্থ করে আমাদের মাঝে ফিরিয়ে দেন। দল ও দেশের দায়িত্ব নেওয়ার জন্য তাঁকে শারীরিকভাবে উপযুক্ত করে দেওয়ার জন্যও তিনি মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেন।


এভারকেয়ারে খালেদা জিয়াকে দেখে এসে এনসিপি নেতারা জানালেন সর্বশেষ খবর

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ নভেম্বর ২৯ ১৪:৫১:৩৪
এভারকেয়ারে খালেদা জিয়াকে দেখে এসে এনসিপি নেতারা জানালেন সর্বশেষ খবর
ছবিঃ সংগৃহীত

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নিতে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে গিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি বা এনসিপির শীর্ষ নেতারা। শনিবার ২৯ নভেম্বর সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তাঁরা হাসপাতালে যান এবং সাক্ষাৎ শেষে দুপুর ১২টার দিকে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন। এনসিপির পক্ষ থেকে দলটির সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব ডাক্তার তাসনিম জারা মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী এবং দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে ডাক্তার তাসনিম জারা জানান বিএনপি নেত্রীর চিকিৎসা চলছে এবং তাঁর অবস্থা ক্রিটিক্যাল। তবে তিনি সজ্ঞান ও সজাগ আছেন এবং ডাক্তার ও নার্সদের নির্দেশনা অনুসরণ করতে পারছেন। তিনি দেশবাসীর কাছে খালেদা জিয়ার জন্য দোয়ার আবেদন জানান। এ সময় হাসনাত আব্দুল্লাহ মন্তব্য করেন যে খালেদা জিয়া চিকিৎসা করাতে গিয়েও রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়েছেন। তিনি আবেগঘন কণ্ঠে বলেন আমাদের চাওয়া তিনি যেন হাসিনার ফাঁসি দেখতে পারেন সেই দোয়া করবেন। অন্যদিকে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী জানান খালেদা জিয়ার অবস্থা আগের মতোই ক্রিটিক্যাল তবে তিনি চিকিৎসকদের নির্দেশনা মানতে পারছেন তাই এখন সবার করণীয় শুধু দোয়া করা।

এর আগে গত রোববার রাতে শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে প্রায় ৮০ বছর বয়সী সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীকে দ্রুত রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। বর্তমানে হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অধ্যাপক শাহাবুদ্দিন তালুকদারের তত্ত্বাবধানে তাঁর চিকিৎসা চলছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন খালেদা জিয়ার হৃদ্‌যন্ত্র ও ফুসফুসে সংক্রমণ দেখা দিয়েছে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে হৃদ্‌রোগ ডায়াবেটিস আর্থ্রাইটিস লিভার সিরোসিস ও কিডনির জটিলতাসহ নানা শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছেন।

প্রধান উপদেষ্টা ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূস শুক্রবার রাতে আইন উপদেষ্টা এবং তাঁর বিশেষ সহকারী মনির হায়দারকে হাসপাতালে পাঠিয়েছিলেন খোঁজ নেওয়ার জন্য। এ ছাড়া বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান ও মির্জা আব্বাসও হাসপাতালে গিয়ে গভীর রাত পর্যন্ত দলীয় প্রধানের স্বাস্থ্যের খবর নিয়েছেন। উল্লেখ্য উন্নত চিকিৎসার জন্য গত ৭ জানুয়ারি লন্ডনে গিয়েছিলেন খালেদা জিয়া এবং দীর্ঘ ১১৭ দিন সেখানে অবস্থান শেষে গত ৬ মে তিনি দেশে ফেরেন।

পাঠকের মতামত:

ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক সমাজ গড়তে হলে রাষ্ট্রকে অবশ্যই তার সামাজিক ও নৈতিক দায়বদ্ধতা পুনরুদ্ধার করতে হবে

ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক সমাজ গড়তে হলে রাষ্ট্রকে অবশ্যই তার সামাজিক ও নৈতিক দায়বদ্ধতা পুনরুদ্ধার করতে হবে

রাষ্ট্রের ধারণাটি একসময় কেবল প্রশাসনিক ক্ষমতা, আইনের শাসন এবং নিরাপত্তা প্রদানের সঙ্গে সম্পর্কিত ছিল। কিন্তু আধুনিক বিশ্বে রাষ্ট্রের ভূমিকা এখন... বিস্তারিত