বিশেষ প্রতিবেদন
নিষেধাজ্ঞার ছাই থেকে ফিনিক্সের উত্থান: ইরানের সামরিক বিপ্লব

একটি দৃশ্য কল্পনা করুন। তেলআবিব কিংবা রিয়াদের কোনো এক ডিফেন্স কমান্ড সেন্টারে বসে আছেন অভিজ্ঞ এক জেনারেল। হঠাৎ বেজে ওঠে সাইরেন। রাডারে ধরা পড়ে শত শত মিসাইল ধেয়ে আসছে—তাদের মধ্যে অনেকেই শব্দের চেয়ে ১৫ গুণ বেশি গতিতে ছুটছে। এগুলো নির্দিষ্ট পথে চলা সাধারণ ব্যালিস্টিক মিসাইল নয়; এরা বায়ুমণ্ডলের মধ্যে গতিপথ পাল্টাতে সক্ষম। মাত্র ৭–১২ মিনিটের মধ্যে এগুলো নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারবে। এসব মিসাইলকে বিশ্বের উন্নত এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমগুলোও ঠিকমতো শনাক্ত করতে পারছে না। এটি সায়েন্স ফিকশন নয়, বরং মধ্যপ্রাচ্যের নতুন বাস্তবতা। আর এই বাস্তবতার কেন্দ্রে রয়েছে যে দেশটি, সেটি হচ্ছে ইরান—একটি নিষেধাজ্ঞাবিধ্বস্ত, অথচ অভূতপূর্বভাবে সামরিকভাবে স্বনির্ভর দেশ।
শুরুটা বিপ্লব আর শত্রুতার গল্প
ইরানের এই সামরিক উত্থানকে বোঝার জন্য আমাদের ফিরে যেতে হবে ১৯৭৯ সালের ইসলামিক বিপ্লবের সময়ে। মার্কিনপন্থী শাহ মোহাম্মদ রেজা পাহলভীর পতনের মধ্য দিয়ে ইরানে ক্ষমতায় আসে আয়াতুল্লাহ খোমেনির নেতৃত্বাধীন ইসলামি সরকার। বিপ্লবের ফলে ইরান তার এক সময়কার ঘনিষ্ঠ মিত্র আমেরিকার সঙ্গে সম্পর্ক পুরোপুরি ছিন্ন করে। তেহরানে মার্কিন দূতাবাস জিম্মি সংকটের পরপরই আমেরিকা ইরানের উপর প্রথম দফা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে এবং সব ধরনের সামরিক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বন্ধ করে দেয়। বন্ধ হয় যন্ত্রাংশ, প্রযুক্তি এবং অস্ত্র সরবরাহ।
ইরাক যুদ্ধ: অস্তিত্ব সংকট আর আত্মরক্ষার চেতনার জন্ম
ইরানের অস্তিত্বের পরীক্ষা শুরু হয় ১৯৮০ সালে, যখন সাদ্দাম হোসেনের নেতৃত্বাধীন ইরাক ইরানে হামলা চালায়। আট বছরব্যাপী এই ভয়ংকর যুদ্ধের সময় ইরান ছিল কার্যত বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন। বিপরীতে, ইরাক সোভিয়েত ইউনিয়ন, ফ্রান্স এবং পশ্চিমা শক্তিগুলোর কাছ থেকে উন্নত অস্ত্র, যুদ্ধবিমান ও স্কাড মিসাইল পায়। ‘ওয়ার অব দ্য সিটিস’ নামে পরিচিত এই পর্বে ইরাক ইরানের জনবসতিপূর্ণ শহরগুলোতে নির্বিচারে মিসাইল নিক্ষেপ করে। ইরান এই মুহূর্তে ছিল প্রায় নিরস্ত্র; এয়ারফোর্স ছিল অকেজো, যন্ত্রাংশের অভাবে মরিচা ধরা, আর প্রতিরোধক্ষমতা ছিল শূন্যের কোঠায়। এই অভিজ্ঞতা ইরানকে দুটো শিক্ষা দেয়: আন্তর্জাতিক আইন দিয়ে আত্মরক্ষা হয় না, আর জাতীয় নিরাপত্তা অর্জনের জন্য স্বনির্ভরতা অপরিহার্য।
মিসাইল স্বপ্ন: শূন্য থেকে শুরু, সাহসিকতার রূপান্তর
যুদ্ধের মাঝেই ইরান শুরু করে নিজেদের মিসাইল তৈরির পরিকল্পনা। উত্তর কোরিয়া ও লিবিয়া থেকে কিছু স্কাড বি মিসাইল সংগ্রহ করে তারা এগুলোর উপর রিভার্স ইঞ্জিনিয়ারিং শুরু করে। এই প্রক্রিয়ার নেতৃত্বে ছিলেন কমান্ডার হাসান তেহরানী মোকাদ্দাম, যিনি আজ ইরানের মিসাইল প্রোগ্রামের জনক হিসেবে পরিচিত। প্রযুক্তি, উপকরণ, জ্ঞান—সব কিছুর অভাব থাকা সত্ত্বেও একদল তরুণ ইরানি ইঞ্জিনিয়ার এই অসম্ভবকে সম্ভব করার কাজে নেমে পড়ে। উত্তর কোরিয়াও তাদের সহায়তা করে। তেলের বিনিময়ে প্রযুক্তি বিনিময় হয়। এইভাবে জন্ম নেয় ‘শাহাব’ সিরিজের মিসাইল। শাহাব–১ এর পর আসে শাহাব–৩, যার পাল্লা ছিল প্রায় ১৩০০ কিলোমিটার—এটি ইসরায়েল ও মার্কিন ঘাঁটিকে প্রথমবারের মতো ইরানের মিসাইল রেঞ্জে নিয়ে আসে।
নিষেধাজ্ঞার বেড়াজাল ও গোপন প্রযুক্তি সংগ্রহের মেধাবী কৌশল
২০০০-এর দশকে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও জাতিসংঘ মিলে ইরানের উপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। তেল রপ্তানি প্রায় বন্ধ করে দেওয়া হয়, আন্তর্জাতিক ব্যাংকিং ব্যবস্থা থেকে বাদ দেওয়া হয় (SWIFT), প্রযুক্তিগত পণ্য আমদানিতে কঠিন নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। এমনকি ডুয়েল ইউজ পণ্য, যেমন উন্নত কার্বন ফাইবার বা উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন প্রসেসরের আমদানিও নিষিদ্ধ হয়। কিন্তু ইরান এর মোকাবেলায় গড়ে তোলে গোপন শেল কোম্পানি নেটওয়ার্ক। চীন, তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইউরোপে স্থাপিত এই কোম্পানিগুলো জটিল ট্রান্সফার চেইনের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি দেশে পাঠাতে সক্ষম হয়।
শিক্ষা ও গবেষণায় বিপ্লব: প্রযুক্তিতে মেধার পুনর্জন্ম
বাইরে থেকে প্রযুক্তি আনা কঠিন হলেও, জ্ঞান অর্জন বন্ধ করা যায় না—এই উপলব্ধি থেকেই ইরান জাতীয়ভাবে উচ্চশিক্ষায় বিনিয়োগ করে। দেশের সেরা শিক্ষার্থীদের বিদেশে পদার্থবিদ্যা, রসায়ন, ইলেকট্রনিক্স ও রোবোটিকস পড়তে পাঠানো হয়। দেশে শরীফ ইউনিভার্সিটি অফ টেকনোলজি ও মালেক আশতার ইউনিভার্সিটিকে পরিণত করা হয় গবেষণার হাব-এ। এর ফলে গড়ে ওঠে একদল স্থানীয় গবেষক ও প্রকৌশলী, যারা শুধু রিভার্স ইঞ্জিনিয়ারিং-এ সীমাবদ্ধ না থেকে মৌলিক উদ্ভাবনে মনোযোগ দেয়।
আইআরজিসি: সামরিক বাহিনীর গায়ে অর্থনীতির হাড়জোড়া
ইরানের ইসলামিক রেভলুশনারি গার্ড কর্পস (IRGC) শুধুমাত্র সামরিক বাহিনী নয়, বরং এটি ইরানের সবচেয়ে প্রভাবশালী অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর অন্যতম। খাতাম আল-আন্বিয়া নির্মাণ কোম্পানি, টেলিকম খাত, বন্দর, তেল ও গ্যাস খাতের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে তাদের হাত। এই অর্থনৈতিক শক্তি সরাসরি সামরিক গবেষণা ও প্রযুক্তি উন্নয়নে ব্যবহৃত হয়। ফলে, আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা পাশ কাটিয়ে তারা নিজেদের অর্থায়নে বড় বড় সামরিক প্রকল্প চালিয়ে যেতে পারে।
অপ্রতিসম যুদ্ধনীতি: দুর্বল থেকে শক্তির বুদ্ধিদীপ্ত কৌশল
ইরান জানে তারা কখনোই যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েলের মতো আধুনিক যুদ্ধজাহাজ, স্টেলথ বোমারু বিমান বা শক্তিশালী বিমানবাহী রণতরী গড়তে পারবে না। তাই তারা বেছে নেয় অপ্রতিসম যুদ্ধনীতি (Asymmetric Warfare)। ব্যালিস্টিক ও ক্রুজ মিসাইল তাদের বোমারু বিমানের বিকল্প, সস্তা ড্রোন তাদের আকাশ প্রতিরক্ষার প্রতিদ্বন্দ্বী, হিজবুল্লাহ, হুতি ও অন্যান্য শিয়া মিলিশিয়ারা তাদের ভূরাজনৈতিক প্রক্সি, এবং হরমুজ প্রণালীর স্পিড বোট যুদ্ধজাহাজ ধ্বংসে ব্যবহৃত হয়।
টেকনোলজির বিপ্লব: সলিড ফুয়েল থেকে হাইপারসোনিক যুগে প্রবেশ
ইরান তাদের মিসাইলগুলোতে আগে লিকুইড ফুয়েল ব্যবহার করতো, যা সময়সাপেক্ষ ও ঝুঁকিপূর্ণ। পরবর্তীতে তারা সলিড ফুয়েল প্রযুক্তিতে দক্ষতা অর্জন করে। সেজিল, ফাতাহ-এর মতো মিসাইল সলিড ফুয়েলভিত্তিক, যা প্রস্তুত অবস্থায় ভূগর্ভে সংরক্ষণ করা যায় এবং দ্রুত উৎক্ষেপণ করা সম্ভব। মিসাইলগুলোতে যুক্ত করা হয়েছে আধুনিক টার্মিনাল গাইডেন্স ও ম্যানুভারেবল রিএন্ট্রি ভেহিকেল, যার ফলে মিসাইল লক্ষ্যবস্তুতে শেষ মুহূর্তে দিক পাল্টাতে সক্ষম।
ফাতাহ যুগ: হাইপারসোনিক কৌশলের উত্থান
২০২৩ সালে ইরান বিশ্বের চমকে দিয়ে ফাতাহ নামক হাইপারসোনিক মিসাইল উন্মোচন করে, যার গতি শব্দের চেয়ে ১৫ গুণ বেশি। এরপর আসে ফাতাহ-২—একটি হাইপারসোনিক গ্লাইড ভেহিকেল। এই প্রযুক্তি এতটাই উন্নত যে বর্তমানে শুধুমাত্র আমেরিকা, রাশিয়া ও চীনের হাতেই এটি রয়েছে। ফাতাহ-২ যেন ইরানের প্রতিরোধশক্তির এক প্রতীক, যা বিশ্বের সবচেয়ে উন্নত এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমকেও অকার্যকর করে দিতে পারে।
ড্রোন বিপ্লব: কম খরচে বেশি কার্যকারিতা
শাহেদ–১৩৬ ড্রোনের মাধ্যমে ইরান প্রমাণ করেছে যে যুদ্ধের জন্য শুধুমাত্র ব্যয়বহুল প্রযুক্তির প্রয়োজন নেই। মাত্র ২০,০০০ ডলারে তৈরি হওয়া এই কামিকাজে ড্রোনগুলো রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধেও ব্যবহার করেছে। ঝাঁকে ঝাঁকে আক্রমণের মাধ্যমে এই ড্রোনগুলো কোটি ডলারের এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমকে অকার্যকর করে তুলছে।
নিষেধাজ্ঞার উদ্দেশ্য সফল, নাকি বিপরীত?
ইরানের সামরিক উত্থান আমাদের সামনে এক বড় প্যারাডক্স হাজির করে। আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা ছিল তাদের প্রযুক্তিগত ও সামরিক অগ্রগতিকে রুদ্ধ করার জন্য, কিন্তু বাস্তবে এই নিষেধাজ্ঞাই ইরানকে আত্মনির্ভর, উদ্ভাবনী এবং আগের চেয়ে অনেক বেশি বিপজ্জনক এক সামরিক শক্তিতে পরিণত করেছে। আজ ইরান কেবল একটি দেশ নয়, বরং একটি কৌশলগত বাস্তবতা—একটি আত্মমর্যাদাশীল জাতি, যারা বলছে: “আমরা পিছিয়ে নেই, আমরা প্রস্তুত।”
আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় শীর্ষ সংবাদ বাংলাদেশ: গণতন্ত্রে ফেরার পরীক্ষা দেখছে বিশ্ব
শেখ হাসিনার দীর্ঘ ১৫ বছরের একচ্ছত্র শাসনের অবসানের পর অন্তর্বর্তী সরকারের ১৮ মাসের শাসনকাল শেষে আজ বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬) এক নতুন বাংলাদেশের রায় দিচ্ছে নাগরিকরা। আওয়ামী লীগবিহীন এই নির্বাচনের প্রতিটি মুহূর্তের ওপর বিশ্ব গণমাধ্যমের যে তীক্ষ্ণ নজর রয়েছে, তা আন্তর্জাতিক পোর্টালগুলোর ‘লাইভ আপডেট’ দেখলেই স্পষ্ট হয়। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি আজকের এই ভোটকে ‘গণতন্ত্রের নতুন পরীক্ষা’ হিসেবে অভিহিত করেছে। তাদের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে যে, ২০২৪-এর ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর এটিই প্রথমবার যেখানে ভোটাররা কোনো বিশেষ মহলের চাপ ছাড়াই কেন্দ্রে আসছেন। বিবিসি বিশেষভাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এআই (AI) বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে তৈরি ভিডিওর মাধ্যমে অপপ্রচার এবং গণভোটের জটিলতা নিয়ে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে কিছুটা বিভ্রান্তির কথা উল্লেখ করলেও জেন-জি প্রজন্মের ভোটারদের বিশাল অংশগ্রহণকে ইতিবাচক হিসেবে দেখিয়েছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স এবং প্রভাবশালী দৈনিক দ্য গার্ডিয়ান-এর প্রতিবেদনে উঠে এসেছে আগামীর বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক রূপরেখা। রয়টার্স জানিয়েছে, দীর্ঘ বঞ্চনার পর ভোট দিতে আসা মানুষের প্রধান প্রত্যাশা হলো—রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং ঝিমিয়ে পড়া তৈরি পোশাক খাতসহ সামগ্রিক অর্থনীতির দ্রুত পুনরুদ্ধার।
অন্যদিকে, দ্য গার্ডিয়ান তাদের বিশ্লেষণে বিএনপি নেতা তারেক রহমানকে সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এগিয়ে থাকার ইঙ্গিত দিয়েছে। গার্ডিয়ানের মতে, দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন ও পরিচ্ছন্ন রাজনীতির যে প্রতিশ্রুতি তারেক রহমান দিয়েছেন, তা তরুণ ও শিক্ষিত ভোটারদের মধ্যে এক বড় প্রভাব তৈরি করেছে। তবে একই সাথে তারা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং অর্থনৈতিক স্থবিরতা কাটানোর পাহাড়সমান চ্যালেঞ্জের কথা মনে করিয়ে দিতে ভোলেনি।
জার্মান গণমাধ্যম ডয়েচে ভেলে এবং মার্কিন প্রভাবশালী দৈনিক দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস তরুণদের নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করেছে। ডয়েচে ভেলে উল্লেখ করেছে যে, আওয়ামী লীগের অনুপস্থিতিতে এবারের লড়াইটি হয়েছে মূলত জাতীয়তাবাদী ও ইসলামপন্থি শক্তির মধ্যে, যা বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক বড় মোড়।
নিউ ইয়র্ক টাইমস মনে করে, এই নির্বাচন কেবল সরকার পরিবর্তনের জন্য নয়, বরং ‘জুলাই সনদ’-এর মতো সংস্কার প্রস্তাবের মাধ্যমে রাষ্ট্র কাঠামো ঢেলে সাজানোর এক বিশাল পরীক্ষা। অন্যদিকে ভারতীয় গণমাধ্যম দ্য হিন্দু এবং এনডিটিভি বিক্ষিপ্ত সহিংসতার খবরের পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদী আঞ্চলিক নিরাপত্তার বিষয়টি তুলে ধরেছে। কাতারের আল জাজিরা এবং পাকিস্তানের দ্য ডন সতর্ক করেছে যে, নির্বাচনকে ঘিরে পরিকল্পিত গুজব ও অপপ্রচার ভোটারদের সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে, যা মোকাবিলা করাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ।
হাসিনা-খালেদা ছাড়াই প্রথম ভোট: আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে বাংলাদেশের নতুন দিনের বার্তা
২০২৪ সালের ঐতিহাসিক ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের প্রায় ১৮ মাস পর আজ বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬) বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হচ্ছে বহুল প্রতীক্ষিত জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং একই সঙ্গে রাষ্ট্র সংস্কারের মৌলিক প্রশ্নে একটি জাতীয় গণভোট। দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম জনবহুল এই দেশটির এই রাজনৈতিক পরিবর্তন এবং ভোটাধিকার পুনরুদ্ধারের প্রক্রিয়াটি বিশ্বজুড়ে ব্যাপক কৌতুহল ও গুরুত্বের সাথে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। কাতারভিত্তিক প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা আজকের এই নির্বাচনকে বাংলাদেশের গণতন্ত্রে ফেরার এক ‘অগ্নিপরীক্ষা’ হিসেবে অভিহিত করেছে। তাদের লাইভ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রায় ১২ কোটি ৭০ লাখ ভোটার আজ নির্ধারণ করবেন যে অভ্যুত্থান পরবর্তী নতুন বাংলাদেশে কারা রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পাবেন। আল জাজিরা আরও উল্লেখ করেছে যে, এই নির্বাচনে মূল লড়াই হচ্ছে বিএনপি এবং জামায়াতে ইসলামী সমর্থিত ১১ দলীয় জোটের মধ্যে, যেখানে অভ্যুত্থানের মূল কারিগর তরুণ প্রজন্মের প্রতিনিধি ‘ন্যাশনাল সিটিজেনস পার্টি’ (এনসিপি) এক শক্তিশালী স্তম্ভ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। দুর্নীতি দমন, আকাশচুম্বী দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ এবং অর্থনৈতিক সংস্কারই এবারের নির্বাচনে ভোটারদের কাছে প্রধান বিবেচ্য বিষয়।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি তাদের সরাসরি সম্প্রচারে জানিয়েছে যে, গত কয়েক দশকের মধ্যে এটিই প্রথম নির্বাচন যেখানে বাংলাদেশের দুই প্রধান রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব—শেখ হাসিনা এবং খালেদা জিয়া—সরাসরি নির্বাচনী ময়দানে নেই। বিবিসি’র বিশ্লেষণে উঠে এসেছে যে, আওয়ামী লীগের অনুপস্থিতিতে দেশের প্রধান ইসলামপন্থি দলগুলো প্রথমবারের মতো একটি বড় রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে সাধারণ নির্বাচনে বড় পরিসরে অংশগ্রহণ করছে। কেবল সংসদ সদস্য নির্বাচনই নয়, বরং ‘জুলাই সনদ’ বা ‘ন্যাশনাল চার্টার ২০২৫’ নামে একটি বিশাল সংস্কার প্যাকেজের ভাগ্য নির্ধারণেও আজ নাগরিকরা গণভোটের মাধ্যমে রায় দিচ্ছেন। এছাড়া প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এবারই প্রথম অ্যাপের মাধ্যমে পোস্টাল ভোটের ব্যবস্থা করা হয়েছে, যাকে একটি বৈপ্লবিক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স বাংলাদেশের ‘জেন-জি’ বা নতুন প্রজন্মের ভোটারদের প্রত্যাশা নিয়ে বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এতে বলা হয়েছে, চাকরি, সুশাসন এবং বাকস্বাধীনতাই তরুণ ভোটারদের অগ্রাধিকার তালিকার শীর্ষে রয়েছে। রয়টার্স আরও উল্লেখ করেছে যে, বাংলাদেশের অর্থনীতি ও তৈরি পোশাক খাতের স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে একটি স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনী ফলাফলের বিকল্প নেই।
ফরাসি সংবাদ সংস্থা এএফপি তাদের প্রতিবেদনে নির্বাচন কমিশনের উদ্ধৃতি দিয়ে জানিয়েছে, দীর্ঘ ১৫ বছরের একনায়কতন্ত্রের অবসানের পর এটিই প্রথমবার যেখানে তরুণ ভোটাররা কোনো ভয়ভীতি ছাড়াই নিজেদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার স্বাধীনতা পাচ্ছেন, ফলে এবার রেকর্ডসংখ্যক ভোটারের উপস্থিতি আশা করা হচ্ছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস এবং জার্মানিভিত্তিক ডয়চে ভেলে নির্বাচনে ইসলামপন্থিদের ক্রমবর্ধমান প্রভাবের বিষয়টি গুরুত্বের সাথে তুলে ধরেছে। ডয়চে ভেলে লিখেছে, ১৯৭১ সালের স্বাধীনতার পর এবারই প্রথম ইসলামপন্থি দলগুলো এত শক্তিশালী সাংগঠনিক ও নির্বাচনী অবস্থান দেখাতে সক্ষম হয়েছে। অন্যদিকে, ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দু নিরাপত্তা ইস্যুকে গুরুত্ব দিয়ে জানিয়েছে, অর্ধেকের বেশি ভোটকেন্দ্র ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ হওয়ায় সেখানে ড্রোন ও সিসিটিভি ক্যামেরার নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়েছে। পাকিস্তানের দ্য ডন পত্রিকা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভুয়া তথ্য এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দিয়ে তৈরি ভিডিওর অপব্যবহার সম্পর্কে সতর্ক করেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের অপপ্রচার দোদুল্যমান ভোটারদের বিভ্রান্ত করতে পারে, তাই তথ্য যাচাইয়ের গুরুত্ব এখন সবচেয়ে বেশি।
রাজনৈতিক তর্কের করুণ পরিণতি: ট্রাম্পকে নিয়ে বিবাদে বাবার হাতে মেয়ে খুন
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের ডালাসে এক মর্মান্তিক পারিবারিক বিবাদের জেরে প্রাণ হারিয়েছেন ব্রিটিশ তরুণী লুসি হ্যারিসন। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের অভিষেক ঘিরে বাবার সাথে রাজনৈতিক তর্কে জড়ানোই যেন কাল হলো ২৩ বছর বয়সী এই তরুণীর জন্য। গত ১০ জানুয়ারি বাবার বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে বুকে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান লুসি, যা বর্তমানে আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
চেশায়ার করোনার কোর্টে লুসির মৃত্যুর তদন্ত শুনানিতে উঠে এসেছে লোমহর্ষক সব তথ্য। লুসির প্রেমিক স্যাম লিটলার জানান, ঘটনার দিন সকালে ট্রাম্পকে নিয়ে বাবা ক্রিস হ্যারিসনের সঙ্গে লুসির তীব্র বাকবিতণ্ডা হয়। তর্কের একপর্যায়ে লুসি তাঁর বাবাকে যৌন নির্যাতনের শিকার নারীদের অধিকার নিয়ে প্রশ্ন করলে ক্রিস হ্যারিসন অত্যন্ত অসংবেদনশীল মন্তব্য করেন। এতে লুসি ভীষণ কষ্ট পেয়ে নিজের ঘরে চলে যান। দুপুরের দিকে বিমানবন্দর যাওয়ার ঠিক আধা ঘণ্টা আগে বাবা ক্রিস হ্যারিসন লুসিকে জোর করে শোবার ঘরে নিয়ে যান এবং এর মাত্র ১৫ সেকেন্ডের মধ্যে গুলির শব্দ শোনা যায়।
অভিযুক্ত ক্রিস হ্যারিসন আদালতের কাছে দাবি করেছেন, এটি একটি দুর্ঘটনা ছিল। তিনি লুসিকে তাঁর কাছে থাকা বন্দুকটি দেখাতে চেয়েছিলেন এবং অসাবধানতাবশত গুলিটি বেরিয়ে যায়। তবে তদন্তে জানা গেছে, ঘটনার সময় ক্রিস হ্যারিসন মদ্যপ অবস্থায় ছিলেন। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, তিনি ঘটনার ঠিক আগে দোকান থেকে মদ কিনেছিলেন এবং পুলিশও তাঁর শরীরে মদের গন্ধ পাওয়ার কথা জানিয়েছে। যদিও স্থানীয় জুরি ক্রিসের বিরুদ্ধে ফৌজদারি অভিযোগ গঠনে অস্বীকৃতি জানিয়েছে, তবে লুসির মা ও তাঁর নিকটজনরা এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবি করে আসছেন।
রক্তাক্ত কানাডা: টাম্বলার রিজ শহরের স্কুলে ভয়াবহ গুলি বর্ষণ
কানাডার ব্রিটিশ কলম্বিয়া প্রদেশের টাম্বলার রিজ শহরের একটি স্কুলে ভয়াবহ বন্দুক হামলার ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) আলজাজিরা ও সিবিসি নিউজসহ আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, এই বর্বরোচিত হামলায় হামলাকারীসহ অন্তত ১০ জন নিহত হয়েছেন। ব্রিটিশ কলম্বিয়ার টাম্বলার রিজ সেকেন্ডারি স্কুলে এই হামলার ঘটনা ঘটে বলে নিশ্চিত করেছে কানাডার রয়্যাল কানাডিয়ান মাউন্টেড পুলিশ (আরসিএমপি)।
পুলিশের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সন্দেহভাজন বন্দুকধারীকে স্কুলের ভেতরে মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে। প্রাথমিক ধারণা করা হচ্ছে, হামলা চালানোর পর তিনি নিজেই নিজের জীবন শেষ করে দিয়েছেন। এই হামলায় হতাহতের সংখ্যা নিয়ে বিভিন্ন তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। সিবিসি নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্কুলের ভেতর ৬ জনের মরদেহ পাওয়া গেছে এবং হাসপাতালে নেওয়ার পথে আরও একজন মারা যান। এ ছাড়া এই ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা থাকতে পারে এমন একটি বাড়ি থেকে আরও ২ জনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সব মিলিয়ে নিহতের সংখ্যা ১০ জনে দাঁড়িয়েছে।
ভয়াবহ এই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অনেকে। পুলিশ জানিয়েছে, দুজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হেলিকপ্টারে করে উন্নত চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়া স্থানীয় একটি মেডিকেল সেন্টারে প্রায় ২৫ জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা ও বিভিন্ন আঘাতের জন্য পরীক্ষা করা হচ্ছে। হামলার পরপরই স্কুল থেকে ছাত্র-শিক্ষক সবাইকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। পুলিশ বর্তমানে স্কুল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে মিলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করছে। এলাকায় জারি করা জরুরি অবস্থা বা শেল্টার-ইন-প্লেস আদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে এবং পুলিশ নিশ্চিত করেছে যে বর্তমানে আর কোনো নিরাপত্তা হুমকি নেই।
এপস্টেইন মারা যাননি, তিনি বেঁচে আছেন: সাবেক প্রেমিকার চাঞ্চল্যকর দাবি!
কুখ্যাত যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টেইন মারা যাননি বরং তিনি এখনো জীবিত আছেন—এমনই এক চাঞ্চল্যকর দাবি করে বিশ্বজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি করেছেন ব্রিটেনের প্রিন্স অ্যান্ড্রুর সাবেক প্রেমিকা লেডি ভিক্টোরিয়া হার্ভে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলি এক্সপ্রেস গত শনিবার ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে এ সংক্রান্ত একটি বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
প্রতিবেদনে জানানো হয় যে এলবিসি রেডিওর উপস্থাপক টম সোয়ারব্রিকের সঙ্গে এক একান্ত সাক্ষাৎকারে লেডি ভিক্টোরিয়া এই বিস্ফোরক দাবি করেন। ভিক্টোরিয়া তাঁর বিশ্বাস ব্যক্ত করে বলেন যে এপস্টেইন এখনো জীবিত এবং সম্পূর্ণ সুস্থ আছেন। তিনি দাবি করেন যে এপস্টেইনকে একটি বিশেষ ‘ট্রিপ ভ্যান’-এ করে কারাগার থেকে অত্যন্ত গোপনে অন্য কোথাও স্থানান্তর করা হয়েছিল। সাক্ষাৎকারে তিনি সরাসরি বলেন যে তিনি কখনোই বিশ্বাস করেননি এপস্টেইন মারা গেছেন বা তিনি আত্মহত্যা করেছেন; বরং তাঁর জোরালো ধারণা এপস্টেইন বর্তমানে ইসরায়েলে আত্মগোপন করে আছেন।
উল্লেখ্য যে ২০১৯ সালের ১০ আগস্ট নিউইয়র্কের একটি উচ্চ নিরাপত্তা সম্পন্ন কারাগারে জেফরি এপস্টেইনকে তাঁর কারাকক্ষে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। সে সময় মার্কিন কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছিল যে তিনি আত্মহত্যা করেছেন। তবে তাঁর মৃত্যুর ধরন এবং সেই সময় কারাগারের নিরাপত্তা ব্যবস্থার রহস্যজনক ত্রুটি নিয়ে শুরু থেকেই আন্তর্জাতিক মহলে নানা প্রশ্ন ও বিতর্ক চলে আসছে। বিশেষ করে বিভিন্ন ফরেনসিক প্রতিবেদনে তাঁর ঘাড়ে আঘাতের চিহ্ন পাওয়ার তথ্য উঠে আসায় তাঁর আত্মহত্যার বিষয়টি অনেকের কাছেই সন্দেহজনক ছিল।
এপস্টেইনকে ঘিরে সাম্প্রতিক সময়ে গোয়েন্দা তৎপরতার বিষয়টিও নতুন করে সামনে এসেছে। বেশ কিছু আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে যে তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পৃক্ত ছিলেন। যদিও এই দাবির পক্ষে এখন পর্যন্ত দাপ্তরিকভাবে কোনো চূড়ান্ত প্রমাণ উপস্থাপন করা সম্ভব হয়নি।
এদিকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে জেফরি এপস্টেইন ইস্যুটি এখন আরও বেশি স্পর্শকাতর হয়ে উঠেছে কারণ যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ গত কয়েক মাসে এপস্টেইন-সংক্রান্ত যৌন পাচার তদন্তের বিপুল পরিমাণ গোপন নথি জনসমক্ষে প্রকাশ করেছে। এসব নথিতে বিশ্বের বিভিন্ন প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতা, ব্যবসায়ী ও সেলিব্রিটিদের নাম ও চাঞ্চল্যকর সব তথ্য উঠে আসায় সারা বিশ্বে নতুন করে আলোচনার ঝড় বইছে। লেডি ভিক্টোরিয়ার এই নতুন দাবি সেই বিতর্কের আগুনে যেন ঘি ঢেলে দিয়েছে।
ট্রাম্পকে নিয়ে চাঞ্চল্যকর দাবি কুখ্যাত এপস্টেইনের; ফাঁস হলো গোপন নথি
যৌন পাচারকারী জেফরি এপস্টেইনকে ঘিরে গত দুই মাসে মার্কিন বিচার বিভাগ প্রকাশিত লাখ লাখ চাঞ্চল্যকর নথি বিশ্বজুড়ে নতুন করে তোলপাড় সৃষ্টি করেছে। ‘এপস্টেইন ফাইলস’ নামে পরিচিত এসব নথিতে বিশ্বের অনেক প্রভাবশালী ব্যক্তির গোপন তথ্যের পাশাপাশি বর্তমান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের স্বাস্থ্য ও আচরণ নিয়ে চমকপ্রদ তথ্য উঠে এসেছে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলি এক্সপ্রেসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১৭ সালে ট্রাম্প যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে তাঁর প্রথম মেয়াদে ছিলেন, তখন তাঁর মানসিক অবস্থা বা ‘ডিমেনশিয়া’ নিয়ে ঘনিষ্ঠ মহলে বেশ উদ্বেগ ছিল। প্রকাশিত ইমেইল বার্তার বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, সেই সময়ে ট্রাম্প তাঁর অনেক পুরনো বন্ধুদেরও চিনতে পারছিলেন না, যা অনেকের মনে সন্দেহের জন্ম দিয়েছিল।
২০১৭ সালের ২৯ ডিসেম্বরের একটি ইমেইল বার্তায় দাবি করা হয়েছে যে, ট্রাম্প সেই সময় চেহারার ত্রুটি ঢাকতে প্রচুর পরিমাণে মেকআপ ব্যবহার করতেন। হলিউড রিপোর্টার ও ইউএসএ টুডের প্রখ্যাত সাংবাদিক মাইকেল উলফের সঙ্গে জেফরি এপস্টেইনের কথোপকথনের মেইলে এসব ব্যক্তিগত ও বিতর্কিত তথ্য ছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
গত ৩০ জানুয়ারি প্রকাশিত নতুন নথিপত্রে ডোনাল্ড ট্রাম্পের নাম কয়েক শ বার এসেছে। যদিও ট্রাম্প ও এপস্টেইনের মধ্যে এক সময় ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্ব ছিল, তবে ট্রাম্প বরাবরই দাবি করে আসছেন যে, বহু বছর আগেই সেই সম্পর্ক চুকে গেছে। এপস্টেইনের যৌন অপরাধ বা পাচারচক্র বিষয়েও তাঁর কোনো ধারণা ছিল না বলে তিনি একাধিকবার স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন। তা সত্ত্বেও, নতুন প্রকাশিত এই বিশাল নথির স্তূপ ট্রাম্পের অতীত ও তাঁর প্রথম মেয়াদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে আবারও নতুন বিতর্কের খোরাক জোগাচ্ছে।
৩৬ বছর পর জাপানে শীতকালীন ভোট: বিরূপ আবহাওয়ায় তাকাইচির ওপর ভরসা জাপানিদের
জাপানের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির রাজনৈতিক বাজি সফল হতে চলেছে। আজ রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) জাপানে অনুষ্ঠিত আকস্মিক জাতীয় নির্বাচনে তাকাইচির নেতৃত্বাধীন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) বড় ধরনের জয় পেতে যাচ্ছে বলে ইঙ্গিত দিচ্ছে বুথফেরত জরিপ (এক্সিট পোল)। এই সম্ভাব্য বিজয় এলডিপিকে সংসদে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা এনে দেওয়ার পাশাপাশি তাকাইচির নেতৃত্বের ওপর জনগণের শক্তিশালী আস্থার প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে।
দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র চার মাস পর নির্বাচনে গিয়ে সানায়ে তাকাইচি এক প্রকার চমক সৃষ্টি করেছেন। এর আগে দুর্নীতির কেলেঙ্কারি ও মূল্যস্ফীতির কারণে এলডিপি যে জনপ্রিয়তা হারিয়েছিল, তাকাইচির ব্যক্তিগত ইমেজ ও জনতাবাদী নীতি তা পুনরুদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে। রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম এনএইচকের (NHK) বুথফেরত জরিপ অনুযায়ী, ৩২৮টি আসনের মধ্যে তাকাইচির এলডিপি পেতে পারে ২৭৪টি আসন। অর্থাৎ, মাত্র ৫৪টি আসন পেতে পারে সব বিরোধী দল মিলে।
৩৬ বছরের মধ্যে এই প্রথম শীতের তীব্র তুষারপাতের মধ্যে জাপানে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলো। টোকিওসহ বিভিন্ন অঞ্চলে বিরল তুষারপাত সত্ত্বেও ভোটারদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। তাকাইচির জাতীয়তাবাদী বক্তব্য এবং রাষ্ট্রীয় ব্যয় বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি তরুণ ও সাধারণ ভোটারদের উজ্জীবিত করেছে। তবে তাঁর কর কমানোর প্রতিশ্রুতি এবং অভিবাসন বিষয়ে কঠোর অবস্থান নিয়ে অর্থনীতিবিদ ও ব্যবসায়ী মহলে উদ্বেগ রয়েছে। সমালোচকদের মতে, ঋণে জর্জরিত জাপানি অর্থনীতিতে এই নীতি শ্রমিক সংকট আরও ঘনীভূত করতে পারে।
আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও তাকাইচির এই জয় বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। চীনের সঙ্গে বাড়তে থাকা উত্তেজনার মধ্যে তাইওয়ান ইস্যুতে জাপানের সামরিক হস্তক্ষেপের ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠতা এবং প্রতিরক্ষা বাজেট বাড়ানোর পরিকল্পনা বিশ্ব রাজনীতির সমীকরণ বদলে দিতে পারে। উল্লেখ্য যে, ট্রাম্প প্রকাশ্যে তাকাইচিকে সমর্থন জানিয়েছিলেন, যা কূটনৈতিক ইতিহাসে বিরল। এলডিপির দীর্ঘদিনের মিত্র কোমেইতো পার্টি এবার বিরোধী শিবিরে যোগ দিয়েও তাকাইচির জয়রথ থামাতে পারছে না বলেই জরিপে দেখা যাচ্ছে।
চাঁদ দেখা নিয়ে কাটছে ধোঁয়াশা; ২০২৬-এর ঈদ কি হবে বিশ্বজুড়ে একদিনে?
আসন্ন পবিত্র রমজান মাস শুরুর তারিখ নিয়ে মুসলিম বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মতভেদ দেখা দিলেও, পবিত্র ঈদুল ফিতর বা শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখার বিষয়টি প্রায় অধিকাংশ দেশে একই দিনে হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছেন প্রখ্যাত জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। আরব ইউনিয়ন ফর অ্যাস্ট্রোনমি অ্যান্ড স্পেস সায়েন্সেসের সদস্য এবং এমিরেটস অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল সোসাইটির চেয়ারম্যান ইব্রাহিম আল জারওয়ান সম্প্রতি এই তথ্য জানিয়েছেন।
জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের মতে, ২০২৬ সালের (হিজরি ১৪৪৭) পবিত্র রমজান মাস শুরুর ক্ষেত্রে গাণিতিক গণনা এবং খালি চোখে চাঁদ দেখার পার্থক্যের কারণে দেশভেদে ভিন্নতা দেখা দিতে পারে। অনেক দেশে ১৮ ফেব্রুয়ারি আবার কোনো কোনো দেশে ১৯ ফেব্রুয়ারি রোজা শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে রমজান শেষে পবিত্র শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা এবং ঈদুল ফিতর উদযাপনের সময়টি প্রায় সব দেশে অভিন্ন হওয়ার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে। এই গণনা অনুযায়ী, আগামী ২০ মার্চের দিকে মুসলিম বিশ্বের অধিকাংশ দেশে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হতে পারে।
এ বছর রোজার সময়সীমা নিয়ে জানানো হয়েছে যে, সর্বোচ্চ রোজার দৈর্ঘ্য হতে পারে ১৩ ঘণ্টা ২৫ মিনিট। সংযুক্ত আরব আমিরাতের ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী, খোরফাক্কানে সবচেয়ে আগে এবং পশ্চিমাঞ্চলীয় আল সিলা এলাকায় সবচেয়ে দেরিতে ইফতার অনুষ্ঠিত হবে। সাধারণত ভৌগোলিক অবস্থান ও ঋতু পরিবর্তনের কারণে প্রতি বছরই রোজার সময়সীমা এবং শুরুর তারিখে এমন তারতম্য লক্ষ্য করা যায়। তবে ঈদুল ফিতর একই দিনে হওয়ার এই পূর্বাভাস ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের মধ্যে একযোগে উৎসব উদযাপনের নতুন আশা সঞ্চার করেছে।
ইতালির সংবিধানে আটকা পড়লেন ট্রাম্প: বোর্ড অব পিস নিয়ে নতুন জটিলতা
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের স্বপ্নের প্রজেক্ট ‘বোর্ড অব পিস’ (Board of Peace) বড় ধরনের কূটনৈতিক হোঁচট খেল। ফ্রান্স, জার্মানি ও যুক্তরাজ্যের পর এবার ইউরোপের আরেক শক্তিশালী দেশ ইতালি এই বোর্ডে যোগ দিতে তাদের অক্ষমতার কথা সরাসরি জানিয়ে দিয়েছে। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে ইতালির এই সিদ্ধান্তের কথা প্রকাশ্যে আসে।
ইতালির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্তোনিও তায়ানি এক বিবৃতিতে স্পষ্ট করেছেন যে, দেশটির সংবিধানের সাথে প্রস্তাবিত এই শান্তি বোর্ডের সনদের মৌলিক বিরোধ রয়েছে। বিশেষ করে ইতালীয় সংবিধানের ১১ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সমান অধিকার ও মর্যাদার নিশ্চয়তা ছাড়া ইতালি কোনো আন্তর্জাতিক সংস্থায় অংশ নিতে পারে না। অন্যদিকে, বোর্ড অব পিসের সনদে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ‘ভেটো ক্ষমতাসম্পন্ন চেয়ারম্যান’ এবং ‘চূড়ান্ত ব্যাখ্যাকারী’ হিসেবে রাখা হয়েছে, যা ইতালির সমতার শর্ত পূরণ করে না।
ইতালির এই অস্বীকৃতি ট্রাম্পের এই স্বঘোষিত ‘আন্তর্জাতিক শান্তি প্রতিষ্ঠা সংস্থা’র গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। কড়া সমালোচকরা এই বোর্ডকে জাতিসংঘের একটি ‘পে-টু-প্লে’ (অর্থ দিয়ে সদস্যপদ গ্রহণ) সংস্করণ হিসেবে অভিহিত করছেন, কারণ স্থায়ী সদস্যপদের জন্য প্রতিটি দেশের কাছে ১ বিলিয়ন ডলার দাবি করা হয়েছে।
আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারি ওয়াশিংটন ডিসিতে বোর্ডটির প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। এর ঠিক একদিন আগে ডোনাল্ড ট্রাম্প ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠকে বসবেন। গত মাসে ট্রাম্প ৬০টি দেশকে আমন্ত্রণ জানালেও এখন পর্যন্ত মাত্র ২৬টি দেশ এই বোর্ডে নাম লিখিয়েছে, যার মধ্যে গাজা মধ্যস্থতাকারী দেশ কাতার ও মিসরও রয়েছে।
পাঠকের মতামত:
- বগুড়া-৬ ও ঢাকা-১৭ এ তারেক রহমানের জয়
- ঠাকুরগাঁও-১ এ মির্জা ফখরুলের রেকর্ড জয়
- বগুড়া-৬ এ তারেক রহমানের জয়
- নিজ কেন্দ্রে ৫ ভোটে হারলেন জামায়াত আমির
- রংপুর-৪ আসনে এনসিপির বিশাল লিড: শাপলা কলির ঝড়ে কাঁপছে পীরগাছা-কাউনিয়া!
- ঢাকা-১৫ আসনে দাপুটে লিড ডা. শফিকুর রহমানের
- কুড়িগ্রাম-৪ আসনে দাঁড়িপাল্লার বড় জয়
- গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের জয়জয়কার: জুলাই সনদের হাত ধরে আসছে নতুন সংবিধান!
- ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে রুমিন ফারহানার দাপুটে লিড
- ঝিনাইদহ-১ আসনে বিশাল জয় অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামানের
- স্মার্ট বাংলাদেশের স্মার্ট নির্বাচন: অ্যাপের গ্রাফে বোঝা যাচ্ছে কার পাল্লা ভারী!
- ৫ তরুণের বেপরোয়া সিল: ভালুকায় জালিয়াতির ভিডিও ফাঁস!
- ঢাকা-১৫ আসনে জামায়াত আমিরের দাপুটে সূচনা: প্রথম কেন্দ্রে বড় ব্যবধানে লিড
- ঢাকা-১৭ আসনে তারেক রহমানের শুভ সূচনা: প্রথম কেন্দ্রের ফলে বড় ব্যবধানে এগিয়ে
- পুরো জাতিকে ডক্টর ইউনূসের অভিনন্দন: নতুন বাংলাদেশের অভূতপূর্ব যাত্রা শুরু
- বিজয় আসলে মিছিল নয়, সিজদায় পড়ে শোকর আদায় করুন: ডা. শফিকুর রহমান
- আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় শীর্ষ সংবাদ বাংলাদেশ: গণতন্ত্রে ফেরার পরীক্ষা দেখছে বিশ্ব
- তিন আসনে ভোট স্থগিতের দাবি জামায়াত ও ১১ দলীয় জোটের
- ভোটগ্রহণ শেষ, এখন চলছে চূড়ান্ত গণনা: কার মুখে ফুটবে জয়ের হাসি?
- ভোটে কোনো কারচুপি বা ইঞ্জিনিয়ারিং হলে কঠোর প্রতিরোধের ঘোষণা
- ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পোলিং অফিসারের মৃত্যু
- ঢাকা-৮ কেন্দ্রে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলা
- যাদের ওপর রোজা ফরজ নয় এবং তাদের করণীয়
- উত্তম রাষ্ট্রপ্রধানের জন্য হাদিসের আলোকে দোয়া
- গাংনীতে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষ
- ভোট দিয়ে জয়ে শতভাগ আশাবাদী তারেক রহমান
- সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন হচ্ছে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
- আবার বাড়ছে স্বর্ণের দাম, কী কারণ?
- নিশ্চিন্তে কেন্দ্রে আসুন, পরিবেশ আমাদের নিয়ন্ত্রণে: সেনাপ্রধান
- মুজিবনগরে বিএনপি-জামায়াত রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ
- পাতানো নির্বাচনের দিন শেষ: সিইসি
- নারী এজেন্টদের হেনস্তা করা হচ্ছে: তাসনিম জারা
- ভয়ের কিছু নেই, ভোট হবে উৎসবের: হাসনাত আবদুল্লাহ
- ১৭ বছরের রুদ্ধশ্বাস প্রতীক্ষা শেষ: ভোটারদের চোখেমুখে মুক্তির হাসি
- আজ নতুন বাংলাদেশের জন্মদিন: ডক্টর ইউনূস
- জেনে নিন আজকের আবহাওয়ার হালচাল
- ঈদের ছুটিও হার মানল: ভোটাধিকার প্রয়োগের টানে ঢাকা ছাড়ল এক কোটি মানুষ!
- সুষ্ঠু ভোট হলে যেকোনো ফলাফল মেনে নেবে জামায়াত: ডা. শফিকুর রহমান
- দাঁড়িয়ে দেখার দিন শেষ, এবার ভোট দিয়ে অধিকার বুঝে নেওয়ার পালা: মির্জা ফখরুল
- জেনে নিন ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আজকের নামাজের ওয়াক্ত
- হাসিনা-খালেদা ছাড়াই প্রথম ভোট: আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে বাংলাদেশের নতুন দিনের বার্তা
- ১১ দলীয় জোট সরকার গঠনের দ্বারপ্রান্তে: নাহিদ ইসলাম
- উৎসবমুখর পরিবেশে চলছে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের ভোট
- অসুস্থ রিজভীকে দেখতে হাসপাতালে তারেক রহমান
- টাকা বহন নিয়ে আগের বক্তব্য অস্বীকার করলেন ইসি সচিব
- ভোটের আগে নগদ টাকা বিলি! হাতেনাতে ধরা পড়ে জেলে জামায়াত নেতা
- এবার আমরা দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখবো না, জালিয়াতি রুখে দেব: আসিফ মাহমুদ
- চাঁদাবাজ ধরতে নাসিরুদ্দীনের নতুন সাইট ‘চান্দাবাজ ডট কম’
- নির্বাচনে সংখ্যালঘু নিরাপত্তা নিয়ে লন্ডনে উদ্বেগ: ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা
- রমজানে ওমরাহ করার ফজিলত: হাদিসের আলোকে পূর্ণাঙ্গ বিশ্লেষণ
- স্বর্ণের দামে বড় ধাক্কা, ভরি মিলবে ২ লাখ ৮ হাজার ২০২ টাকাতে
- আবার বাড়ছে স্বর্ণের দাম, কী কারণ?
- ২০০৮–এর পর প্রথম প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন: গণতন্ত্রের গুণগত মানের এক ঐতিহাসিক পরীক্ষা
- বিশ্ববাজারের প্রভাবে দেশে আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম
- আইনের রক্ষক পুলিশ কেন ভয়ের প্রতীকে পরিণত হয়?
- স্বর্ণের বাজারে নতুন অস্থিরতা: আজ থেকে কার্যকর স্বর্ণের নতুন চড়া দাম
- নির্বাচনে সংখ্যালঘু নিরাপত্তা নিয়ে লন্ডনে উদ্বেগ: ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা
- আজ কোন কোন এলাকায় গ্যাস থাকবে না জেনে নিন
- পরবর্তী প্রধানমন্ত্রীর দৌড়ে কে এগিয়ে? সোচ্চারের জরিপে চমক!
- ১০ ফেব্রুয়ারি আজকের শেয়ারবাজারের পূর্ণাঙ্গ বিশ্লেষণ
- বৈদেশিক মুদ্রার বিপরীতে টাকার নতুন বিনিময় হার
- স্বর্ণের বাজারে বড় দরপতন: আজ থেকে কার্যকর স্বর্ণের নতুন দাম
- শীত নিয়ে বদলাচ্ছে পূর্বাভাস, জেনে নিন বিস্তারিত
- কালিগঞ্জে ধানের শীষের জনসমুদ্র: সাতক্ষীরা-৩ আসনে কাজী আলাউদ্দীনের হুঙ্কার
- আজ টানা ৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎহীন থাকবে যেসব এলাকা








