কুড়িগ্রাম-৪ আসনে দাঁড়িপাল্লার বড় জয়

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১২ ২১:২৪:১৫
কুড়িগ্রাম-৪ আসনে দাঁড়িপাল্লার বড় জয়
মোস্তাফিজুর রহমান

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুড়িগ্রাম-৪ (রৌমারী, চর রাজিবপুর ও চিলমারী) আসনে এক চমকপ্রদ এবং গুরুত্বপূর্ণ বিজয় অর্জন করেছেন জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাতে পাওয়া বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী, তিনি তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থীকে বড় ব্যবধানে পরাজিত করে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

বেসরকারিভাবে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান পেয়েছেন মোট ৭৮,৯৪৩ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মো. আজিজুর রহমান ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫৭,৯৪৫ ভোট। অর্থাৎ মোস্তাফিজুর রহমান প্রায় ২০,৯৯৮ ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করেছেন। অন্যদিকে, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী হাফিজুর রহমান পেয়েছেন মাত্র ৯,৪৪৯ ভোট।

কুড়িগ্রাম-৪ আসনে মোট ভোটারের সংখ্যা ছিল ৩ লাখ ২২ হাজার ১৪৫ জন। এর মধ্যে পুরুষ ও নারী ভোটারের সংখ্যা ছিল প্রায় সমান, যারা আজ অত্যন্ত স্বতঃস্ফূর্তভাবে তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। রৌমারী ও চিলমারীর মতো দুর্গম চরাঞ্চলেও এবার ভোটারদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। মোস্তাফিজুর রহমানের এই বিজয়কে ওই অঞ্চলের জামায়াত নেতা-কর্মীরা জনগণের বঞ্চনার বিরুদ্ধে এক রায় হিসেবে দেখছেন। রাত বাড়ার সাথে সাথে বিজয়ীদের কর্মী-সমর্থকরা আনন্দ মিছিল বের করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন, যদিও কেন্দ্র থেকে বিজয় পরবর্তী সময়ে সংযত থাকার নির্দেশনা রয়েছে।


ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে রুমিন ফারহানার দাপুটে লিড

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১২ ২০:৫৭:৪১
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে রুমিন ফারহানার দাপুটে লিড
ছবি: প্রথম আলো

ব্রাহ্মণবাড়িয়া–২ (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগর আংশিক) আসনের নির্বাচনী ময়দানে এখন বইছে উত্তেজনার ঝড়। এই আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লড়াই করা রুমিন ফারহানা প্রাথমিক ভোট গণনায় বড় ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছেন। রাত ৮টা ২৪ মিনিট পর্যন্ত পাওয়া বেসরকারি তথ্য অনুযায়ী, ১৫১টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ১২টি কেন্দ্রের ফলাফল হাতে এসেছে। এতে রুমিন ফারহানা পেয়েছেন মোট ৯ হাজার ৬৪৮ ভোট।

অন্যদিকে, তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এবং বিএনপি জোটের মনোনীত প্রার্থী জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব পেয়েছেন ৬ হাজার ৭৪৫ ভোট। প্রথম ১২টি কেন্দ্রেই রুমিন ফারহানা প্রায় ২ হাজার ৯০৩ ভোটের এক শক্তিশালী ব্যবধান তৈরি করেছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে মোট কেন্দ্র ১৫১টি, যার মধ্যে বড় একটি অংশ সরাইল ও আশুগঞ্জ এলাকায় অবস্থিত। যদিও ১২টি কেন্দ্রের ফলাফল পুরো আসনের চিত্র স্পষ্ট করার জন্য যথেষ্ট নয়, তবে রুমিন ফারহানার এই প্রাথমিক লিড তাঁর সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনার সৃষ্টি করেছে। সরাইল ও আশুগঞ্জের কেন্দ্রগুলোর বাইরে এখন সমর্থকদের উপচে পড়া ভিড় এবং ফলাফল শোনার জন্য সবাই অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন। রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে পর্যায়ক্রমে অবশিষ্ট ১৩৯টি কেন্দ্রের ফল ঘোষণা করা হবে। রুমিন ফারহানা কি তাঁর এই লিড ধরে রেখে জয়ের মালা পরবেন, না কি জুনায়েদ আল হাবিব ঘুরে দাঁড়াবেন—তা দেখার জন্য পুরো ব্রাহ্মণবাড়িয়া এখন প্রহর গুনছে।


ঝিনাইদহ-১ আসনে বিশাল জয় অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামানের

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১২ ২০:৪৩:১১
ঝিনাইদহ-১ আসনে বিশাল জয় অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামানের
ছবি : সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঝিনাইদহ-১ (শৈলকুপা) আসনে এক অভাবনীয় এবং বিশাল বিজয় অর্জন করেছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও দেশের সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টা ৪০ মিনিটের দিকে তিনি নিজেই তাঁর ভেরিফাইড ফেসবুক পেজের মাধ্যমে এই বেসরকারি ফলাফলের তথ্য নিশ্চিত করেন। শৈলকুপার মাটি যে আজ ধানের শীষের দুর্গে পরিণত হয়েছে, তা এই বিপুল ব্যবধানই প্রমাণ করে দিচ্ছে।

বেসরকারিভাবে প্রাপ্ত এবং শৈলকুপার সবগুলো কেন্দ্রের সমন্বিত ফলাফল অনুযায়ী, ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান পেয়েছেন মোট ১,৭১,৫৯৮ ভোট। অন্যদিকে, তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মতিউর রহমান পেয়েছেন ৫৫,৫৭৭ ভোট। ফলাফলে দেখা যায়, মো. আসাদুজ্জামান তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে ১,১৬,০২১ (এক লাখ ১৬ হাজার ২১) ভোট বেশি পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

এই জয়ের খবর শৈলকুপার রাজপথে ছড়িয়ে পড়তেই উৎসবের আমেজ শুরু হয়েছে। নেতা-কর্মীরা একে অপরকে মিষ্টি মুখ করাচ্ছেন এবং স্লোগানে স্লোগানে প্রকম্পিত হচ্ছে এলাকা। সাবেক এই অ্যাটর্নি জেনারেলের বিজয়কে কেবল একটি আসনের জয় নয়, বরং দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এক গুরুত্বপূর্ণ বার্তা হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা। শৈলকুপার ভোটাররা তাঁদের অধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে আসাদুজ্জামানকে যে বিপুল ম্যান্ডেট দিয়েছেন, তা এই আসনের ইতিহাসে এক নতুন রেকর্ড সৃষ্টি করল।


ঢাকা-১৫ আসনে জামায়াত আমিরের দাপুটে সূচনা: প্রথম কেন্দ্রে বড় ব্যবধানে লিড

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১২ ১৮:৫২:৩৬
ঢাকা-১৫ আসনে জামায়াত আমিরের দাপুটে সূচনা: প্রথম কেন্দ্রে বড় ব্যবধানে লিড
ছবি : সংগৃহীত

রাজধানীর মিরপুর ও সংলগ্ন এলাকা নিয়ে গঠিত ঢাকা-১৫ আসনের হাই-ভোল্টেজ লড়াইয়ের প্রথম দফার ফলাফল আসতে শুরু করেছে। এই আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান প্রাথমিক ফলাফলে বড় ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছেন। মোট ১২৭টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে এইমাত্র ১টি কেন্দ্রের আনুষ্ঠানিক ফলাফল পাওয়া গেছে। ঘোষিত এই ফল অনুযায়ী, ডা. শফিকুর রহমান পেয়েছেন ৯৬৯ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মনোনীত ‘ধানের শীষ’ প্রতীকের প্রার্থী শফিকুল ইসলাম খান পেয়েছেন ৫২৮ ভোট।

ঢাকা-১৫ আসনের ৩ লাখ ৫১ হাজার ৭১৮ জন ভোটারের এই বিশাল জনপদে ১২৭টি কেন্দ্রের প্রতিটি থেকেই এখন ফলাফল আসার অপেক্ষা। প্রথম কেন্দ্রেই জামায়াত আমিরের এই লিড তাঁর সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহের সৃষ্টি করেছে, যদিও চূড়ান্ত বিজয় নিশ্চিত হতে আরও ১২৬টি কেন্দ্রের ফলাফল সমন্বয় করতে হবে। নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা পর্যায়ক্রমে অবশিষ্ট কেন্দ্রগুলোর ফল ঘোষণার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। পুরুষ ও নারী ভোটারদের প্রায় সমান অংশগ্রহণের এই আসনে লড়াইটি যে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি হবে, তার আভাস পাওয়া যাচ্ছে।

নির্বাচন চলাকালীন সারাদেশে উৎসবমুখর পরিবেশ থাকলেও কিছু বিচ্ছিন্ন অনয়িমের খবর পাওয়া গেছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জরুরি সমন্বয় সেলের তথ্য অনুযায়ী, দুপুর ২টা পর্যন্ত দেশের ৪৮৬টি কেন্দ্রে বিশৃঙ্খলার ঘটনা ঘটেছে, যার মধ্যে ৫৯টি জালভোট এবং ৩টি স্থানে ব্যালট বাক্স ছিনতাইয়ের মতো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা অন্তর্ভুক্ত। তবে বিপুল সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতিতে সেসব পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ সম্পন্ন করা হয়েছে। দীর্ঘ সময় পর বিএনপি, জামায়াত ও জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ ৫১টি দলের এই বিশাল অংশগ্রহণে বাংলাদেশের গণতন্ত্র পুনর্গঠনের রায় এখন ব্যালট বাক্সে বন্দি।


ঢাকা-১৭ আসনে তারেক রহমানের শুভ সূচনা: প্রথম কেন্দ্রের ফলে বড় ব্যবধানে এগিয়ে

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১২ ১৮:৪৬:১৪
ঢাকা-১৭ আসনে তারেক রহমানের শুভ সূচনা: প্রথম কেন্দ্রের ফলে বড় ব্যবধানে এগিয়ে
ছবি : সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজধানী ঢাকার সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ আসনগুলোর অন্যতম ঢাকা-১৭ (গুলশান-বনানী-ক্যান্টনমেন্ট) আসনে ভোটের প্রাথমিক ট্রেন্ড আসতে শুরু করেছে। এই আসনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান এবং দলটির মনোনীত প্রার্থী তারেক রহমান এখন পর্যন্ত প্রাপ্ত ফলে এগিয়ে রয়েছেন। ১২৪টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে এইমাত্র ১টি কেন্দ্রের আনুষ্ঠানিক ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। ঘোষিত এই প্রথম কেন্দ্রের ফলাফল অনুযায়ী, তারেক রহমান বড় ব্যবধানে লিড নিচ্ছেন। তিনি পেয়েছেন ৬৪৫ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে লড়াই করছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী খালিদুজ্জামান, যিনি এই কেন্দ্রে পেয়েছেন ৩০৮ ভোট।

নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, যদিও এটি মাত্র একটি কেন্দ্রের ফলাফল, তবুও প্রথম কেন্দ্রেই তারেক রহমানের এই বড় ব্যবধান বিএনপির নেতা-কর্মীদের মধ্যে এক ব্যাপক উদ্দীপনার সৃষ্টি করেছে। অন্যদিকে, জামায়াত প্রার্থীর প্রাপ্ত ভোটও ইঙ্গিত দিচ্ছে যে লড়াইটি বেশ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হতে যাচ্ছে। পর্যায়ক্রমে অবশিষ্ট ১২৩টি কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণা করা হবে। কন্ট্রোল রুমে এখন ব্যস্ততা তুঙ্গে, প্রতিটি কেন্দ্র থেকে প্রিজাইডিং কর্মকর্তারা ফলাফল নিয়ে সেখানে পৌঁছাতে শুরু করেছেন। পুরো ঢাকা-১৭ আসনের সামগ্রিক চিত্র পরিষ্কার হতে আরও কিছু সময় লাগবে বলে নির্বাচন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

এই আসনে তারেক রহমানের প্রার্থী হওয়া দেশি-বিদেশি গণমাধ্যমের কাছে এক বিশেষ আগ্রহের বিষয় ছিল। গুলশানের বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে আসা তথ্য অনুযায়ী, বিকেলের দিকে ভোটারদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। এখন সবার নজর বনানী ও সেনানিবাস এলাকার বড় বড় কেন্দ্রগুলোর দিকে, যেখানকার ফলাফলের ওপর নির্ভর করছে এই আসনের চূড়ান্ত জয়-পরাজয়।


বিজয় আসলে মিছিল নয়, সিজদায় পড়ে শোকর আদায় করুন: ডা. শফিকুর রহমান

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১২ ১৭:৪৯:১০
বিজয় আসলে মিছিল নয়, সিজদায় পড়ে শোকর আদায় করুন: ডা. শফিকুর রহমান
ছবি : সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ঐতিহাসিক ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার ঠিক পরপরই আধ্যাত্মিক ও বিনয়ী এক বার্তা নিয়ে দেশবাসীর সামনে হাজির হয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৫টা ২ মিনিটে তাঁর ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক আবেগঘন পোস্টে তিনি বিজয় পরবর্তী আচরণের এক নতুন দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। ডা. শফিকুর রহমান লিখেছেন, "মহান রাব্বুল ইজ্জতের একান্ত মেহেরবাণিতে মজলুমদের বিজয় দান করলে মিছিল, স্লোগান বা উচ্ছ্বাসের প্রয়োজন হবে না; বরঞ্চ সবাই সিজদায় পড়ে আল্লাহর শোকর আদায় করবেন।" তাঁর এই বক্তব্যটি কেবল রাজনৈতিক নয়, বরং এক গভীর ধর্মীয় ও নৈতিক অবস্থানের প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ভোট গণনা যখন সারাদেশে তুঙ্গে এবং মানুষের মধ্যে টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছে, ঠিক সেই মুহূর্তে জামায়াত আমিরের এই ‘সিজদাহ’র ডাক নেতা-কর্মীদের মধ্যে এক শান্ত ও সংযত আবহের সৃষ্টি করেছে। তিনি পোস্টে আরও উল্লেখ করেছেন যে, সম্ভাব্য বিজয়ের পর তাঁরা মন ভরে আল্লাহর কাছে কৃতজ্ঞতা জানাবেন এবং দেশ ও জাতির সেবায় আত্মনিয়োগ করার জন্য মহান রবের একান্ত সাহায্য প্রার্থনা করবেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনের পর বিজয় মিছিলকে কেন্দ্র করে অনেক সময় যে বিশৃঙ্খলা বা উত্তেজনার সৃষ্টি হয়, ডা. শফিকের এই বার্তা তা প্রশমিত করতে বড় ভূমিকা পালন করবে।

সকালে মিরপুরে ভোট দিয়ে তিনি যেমন ১৫ বছরের বঞ্চনার কথা স্মরণ করেছিলেন, বিকেলের এই পোস্টে তিনি সেই বঞ্চনা থেকে মুক্তির উপায় হিসেবে আল্লাহর ওপর ভরসা করার কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন। জামায়াত আমিরের এই 'মিছিল-স্লোগানহীন' বিজয়ের আহ্বান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে এবং এটিকে একটি নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতির সূচনা হিসেবে অনেকেই দেখছেন।


 তিন আসনে ভোট স্থগিতের দাবি জামায়াত ও ১১ দলীয় জোটের

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১২ ১৭:৩২:০১
 তিন আসনে ভোট স্থগিতের দাবি জামায়াত ও ১১ দলীয় জোটের
ছবি : সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের উৎসবমুখর পরিবেশের মধ্যেও কিছু গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ তুলেছেন জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতারা। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) সাথে এক জরুরি সাক্ষাৎকারে বসেন জোটের একটি উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দল। এসময় তাঁরা তিনটি সুনির্দিষ্ট আসনের কয়েকটি কেন্দ্রে ব্যাপক অনিয়ম, এজেন্টদের বের করে দেওয়া এবং ব্যালটে বেআইনিভাবে সিল মারার অভিযোগ এনে ওই কেন্দ্রগুলোতে ভোট গ্রহণ অবিলম্বে স্থগিত করার জোরালো দাবি জানান। জোটের পক্ষ থেকে স্থগিত চাওয়া কেন্দ্রগুলো হলো—কুমিল্লা-৮, শরীয়তপুর-২ এবং পটুয়াখালী-১। জামায়াত নেতারা দাবি করেছেন যে, এসব কেন্দ্রে সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ নেই এবং এখানে ভোটারদের ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটছে না।

সিইসি’র সাথে সাক্ষাত শেষে জামায়াত ও ১১ দলীয় জোটের প্রতিনিধিরা সাংবাদিকদের জানান, তারা নির্বাচনের সামগ্রিক উৎসবমুখর পরিবেশকে স্বাগত জানালেও এই তিনটি আসনের বিশেষ কেন্দ্রগুলোতে যা ঘটছে, তা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তারা দাবি করেছেন, কুমিল্লার বরুড়া (কুমিল্লা-৮) এলাকার কয়েকটি কেন্দ্রে বিরোধী জোটের পোলিং এজেন্টদের জোরপূর্বক কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে। শরীয়তপুর-২ ও পটুয়াখালী-১ আসনেও একই ধরনের প্রশাসনিক নিষ্ক্রিয়তা এবং প্রতিপক্ষ প্রার্থীর সমর্থকদের প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ তুলেছেন তারা। জামায়াতের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে যে, এসব কেন্দ্রে পুনরায় ভোট গ্রহণ না করা হলে এই নির্বাচনের স্বচ্ছতা প্রশ্নবিদ্ধ হবে। তারা অনতিবিলম্বে নির্বাচন কমিশনকে এই কেন্দ্রগুলোতে হস্তক্ষেপ করার এবং স্থগিতাদেশ জারির অনুরোধ জানিয়েছেন।

নির্বাচন কমিশন এই অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিলেও প্রতিনিধি দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, তারা পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর রাখছেন। জোটের নেতারা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, বিচ্ছিন্ন এই অনিয়মগুলোকে যদি কমিশন এখনই কঠোর হাতে দমন না করে, তবে তা সারাদেশের সুষ্ঠু নির্বাচনের ভাবমূর্তিকে নষ্ট করবে। তবে কমিশন সচিবালয় থেকে জানানো হয়েছে যে, মাঠপর্যায়ে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে তারা দ্রুতই এই তিনটি আসনের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবেন। এর আগে জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমানও সকালে ভোট দিয়ে অনিয়মের বিরুদ্ধে সতর্ক করেছিলেন, যার প্রতিফলন দেখা গেল দুপুরের এই জরুরি সিইসি সাক্ষাতে।


ভোটে কোনো কারচুপি বা ইঞ্জিনিয়ারিং হলে কঠোর প্রতিরোধের ঘোষণা

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১২ ১৪:৩৪:২৮
ভোটে কোনো কারচুপি বা ইঞ্জিনিয়ারিং হলে কঠোর প্রতিরোধের ঘোষণা
ছবি: সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এখন পর্যন্ত ভোটগ্রহণ শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠুভাবে চলছে বলে মন্তব্য করেছেন মির্জা আব্বাস। তবে তিনি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, নির্বাচনে কোনো ধরনের কারচুপি বা ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’ হলে তা মেনে নেওয়া হবে না।

বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে রাজধানীর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন। তিনি একই আসনে ধানের শীষ প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আওতাধীন জাতীয় সংসদের ঢাকা-৮ আসন মতিঝিল, শাহবাগ, রমনা, পল্টন ও শাহজাহানপুর থানা এলাকা নিয়ে গঠিত। এদিন দুপুর ১২টার দিকে তিনি নিজ ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন এবং পরবর্তী সময়ে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন।

মির্জা আব্বাস বলেন, এ পর্যন্ত ভোটের পরিবেশে বড় ধরনের অনিয়ম তার নজরে আসেনি। তবে জনগণের ভোটাধিকার যেন কোনোভাবে ক্ষুণ্ন না হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনের প্রতি তিনি দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।

ভোটে ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’ প্রসঙ্গে তিনি সতর্কবার্তা দিয়ে বলেন, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় জনগণের রায়ই চূড়ান্ত হওয়া উচিত। ফলাফল প্রভাবিত করার যেকোনো অপচেষ্টা প্রতিরোধ করা হবে।

একই আসনের শাপলা কলি প্রতীকের প্রার্থী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর কেন্দ্র থেকে এজেন্টদের প্রবেশে বাধা দেওয়ার অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি জানান, এ বিষয়ে তার কাছে কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য নেই।

সার্বিকভাবে তিনি আশা প্রকাশ করেন, দিনশেষে ভোটাররা নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন এবং নির্বাচন কমিশন একটি গ্রহণযোগ্য ফলাফল উপহার দিতে সক্ষম হবে।

-রফিক


ঢাকা-৮ কেন্দ্রে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলা

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১২ ১৩:৫৬:১০
ঢাকা-৮ কেন্দ্রে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলা
ছবি: সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ চলাকালে রাজধানীর একটি কেন্দ্রে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। ঢাকা-৮ আসন–এর রেলওয়ে কলোনি উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে পরিদর্শনে গিয়ে অপ্রীতিকর ঘটনার মুখোমুখি হন ১১-দলীয় জোটের প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টি–এর নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।

বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে তিনি কেন্দ্রটিতে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছিলেন। এ সময় সেখানে উপস্থিত একদল ব্যক্তি ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান দিতে শুরু করেন বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান। পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে।

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর দাবি, তাঁর ওপর হামলা চালানো হয়েছে। বিশৃঙ্খলার মধ্যে পড়ে গেলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দ্রুত তাকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়। ঘটনাস্থলে সেনাবাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন বলে জানা গেছে।

ঘটনার পর নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি অভিযোগ করেন, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর সমর্থিত একটি গোষ্ঠী কেন্দ্র দখলের চেষ্টা করছে এবং প্রশাসনের উপস্থিতিতেই হামলা হয়েছে। তিনি অবিলম্বে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান।

অন্যদিকে, এ বিষয়ে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

স্থানীয় প্রশাসন বলছে, পরিস্থিতি বর্তমানে স্বাভাবিক এবং ভোটারদের নিরাপদ পরিবেশে ভোটাধিকার প্রয়োগ নিশ্চিত করতে অতিরিক্ত নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।

নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের মতে, রাজধানীর অধিকাংশ কেন্দ্রে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় থাকলেও কিছু স্থানে উত্তেজনার খবর পাওয়া গেছে। প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে বলে তারা মনে করছেন।

-রফিক


ভোট দিয়ে জয়ে শতভাগ আশাবাদী তারেক রহমান

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১২ ১২:৫১:২৭
ভোট দিয়ে জয়ে শতভাগ আশাবাদী তারেক রহমান
ছবি: সংগৃহীত

দীর্ঘ বিরতির পর ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পেরে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন তারেক রহমান। তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল–এর চেয়ারম্যান এবং ঢাকা-১৭ আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে নয়টার কিছু পর রাজধানীর গুলশান মডেল হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে ভোট প্রদান শেষে তিনি গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় নির্বাচনে জয় নিয়ে দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন এবং বলেন, বহু বছর ধরে দেশের মানুষ এমন একটি দিনের প্রত্যাশায় ছিলেন।

তারেক রহমান মন্তব্য করেন, গত এক যুগেরও বেশি সময় ধরে ভোটাধিকার নিয়ে যে অনিশ্চয়তা ও বিতর্ক ছিল, তা কাটিয়ে নাগরিকরা এবার স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক চর্চাকে শক্তিশালী করবেন বলে তিনি আশা করছেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, জনগণের সক্রিয় উপস্থিতিই একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা ঘটাতে পারে।

গত রাতে দেশের বিভিন্ন স্থানে কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে তিনি জানান, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। বিষয়টি তিনি ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। একই সঙ্গে তিনি ভোটার ও দলীয় নেতাকর্মীদের দিনশেষ পর্যন্ত কেন্দ্রে অবস্থান করে ভোটাধিকার প্রয়োগের আহ্বান জানান। তাঁর মতে, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় জনগণের দৃঢ় উপস্থিতিই যেকোনো অপচেষ্টা প্রতিহত করতে পারে।

নির্বাচনের ফলাফল সম্পর্কে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তাঁর দল বিজয়ের ব্যাপারে পূর্ণ আস্থাশীল। নির্বাচনে জয়ী হয়ে সরকার গঠনের সুযোগ পেলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে বলে জানান তিনি। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীল সামাজিক পরিবেশ নিশ্চিত করাই হবে সরকারের প্রধান লক্ষ্য এমন প্রতিশ্রুতি দেন বিএনপি চেয়ারম্যান।

নারীর অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, দেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেক নারী। তাঁদের যথাযথ ক্ষমতায়ন ও অর্থনৈতিক অংশগ্রহণ ছাড়া টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। নির্বাচনী অঙ্গীকার অনুযায়ী নারীর শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা বৃদ্ধির উদ্যোগ শুরু থেকেই বাস্তবায়নের কথা জানান তিনি।

ভোটের সার্বিক পরিবেশ নিয়ে তাৎক্ষণিক মন্তব্য করতে অনিচ্ছা প্রকাশ করে তিনি বলেন, পর্যবেক্ষণ অব্যাহত রয়েছে এবং কিছু সময় পর পরিস্থিতি আরও পরিষ্কারভাবে মূল্যায়ন করা যাবে।

সবশেষে তিনি দেশের সকল নাগরিককে সঙ্গে নিয়ে একটি শান্তিপূর্ণ ও স্থিতিশীল ভবিষ্যৎ নির্মাণের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। তাঁর বক্তব্যে অংশগ্রহণমূলক গণতন্ত্র, নিরাপত্তা জোরদার এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের অঙ্গীকারই প্রাধান্য পেয়েছে।

-রফিক

পাঠকের মতামত: