পরমাণু বোমা নাকি শান্তি? ইরানের নতুন প্রস্তাবে বিপাকে হোয়াইট হাউস

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ২৭ ২১:৫৮:৫৩
পরমাণু বোমা নাকি শান্তি? ইরানের নতুন প্রস্তাবে বিপাকে হোয়াইট হাউস
ছবি : সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের সাথে দীর্ঘদিনের চলমান সামরিক ও কূটনৈতিক অচলাবস্থা কাটাতে এক চাঞ্চল্যকর নতুন প্রস্তাব দিয়েছে ইরান। তেহরান জানিয়েছে, তারা মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের অবসান এবং বিশ্ব বাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রুট ‘হরমুজ প্রণালী’ পুনরায় খুলে দিতে প্রস্তুত। তবে একটি শর্তে—পারমাণবিক কর্মসূচি সংক্রান্ত আলোচনা আপাতত স্থগিত রাখতে হবে। সোমবার (২৭ এপ্রিল ২০২৬) মার্কিন সংবাদমাধ্যম ‘অ্যাক্সিওস’ এক বিশেষ প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশ করেছে।

প্রতিবেদনে জানানো হয়, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি সম্প্রতি ইসলামাবাদ সফরকালে পাকিস্তান, মিসর, তুরস্ক এবং কাতারের মতো মধ্যস্থতাকারী দেশগুলোর কাছে এই তিন ধাপের পরিকল্পনা তুলে ধরেছেন। আরাগচি স্বীকার করেছেন যে, ওয়াশিংটনের পারমাণবিক দাবিগুলো কীভাবে মোকাবিলা করা হবে, তা নিয়ে ইরানের অভ্যন্তরীণ নেতৃত্বের মধ্যে এখনও কোনো সুনির্দিষ্ট ঐকমত্য হয়নি।

পাকিস্তানি মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে হোয়াইট হাউসে পাঠানো এই প্রস্তাবে বলা হয়েছে—প্রথমত, ইরান ও লেবাননের ওপর আর কোনো হামলা হবে না এমন আন্তর্জাতিক গ্যারান্টি দিতে হবে এবং যুদ্ধের অবসান ঘটাতে হবে। দ্বিতীয়ত, ওমানের সাথে সমন্বয় করে হরমুজ প্রণালী পরিচালনার জন্য নতুন আইনি কাঠামো তৈরি এবং ইরানের ওপর থেকে মার্কিন অবরোধ প্রত্যাহার করতে হবে।

এই দুটি ধাপ সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ার পরেই কেবল তৃতীয় ধাপে পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনায় বসতে রাজি ইরান। অথচ যুক্তরাষ্ট্রের দাবি ছিল, আলোচনা শুরুর আগেই ইরানকে তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি পুরোপুরি বন্ধ করতে হবে এবং সব সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম হস্তান্তর করতে হবে। তেহরানের এই নতুন প্রস্তাব মূলত পারমাণবিক ইস্যুটিকে আলোচনার একেবারে শেষে ঠেলে দিয়েছে। এখন দেখার বিষয়, বাইডেন বা ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের এই ‘শর্তসাপেক্ষ’ শান্তি প্রস্তাব মেনে নেয় কি না, নাকি মধ্যপ্রাচ্যের আকাশ আবারও যুদ্ধের মেঘে ঢাকা পড়ে।

সূত্র: আরটি, গালফ নিউজ, ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল


ইরানের কাছে নতিস্বীকার করছে যুক্তরাষ্ট্র! জার্মান চ্যান্সেলরের বিস্ফোরক মন্তব্য

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ২৭ ১৯:২২:২২
ইরানের কাছে নতিস্বীকার করছে যুক্তরাষ্ট্র! জার্মান চ্যান্সেলরের বিস্ফোরক মন্তব্য
ছবি : সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ এবং বিশ্বশক্তির দাবার চালে ইরান এখন এক অপ্রতিরোধ্য অবস্থানে রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রেডরিখ মার্জ। সোমবার (২৭ এপ্রিল ২০২৬) আল জাজিরার এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, জার্মানির নর্থ রাইন-ওয়েস্টফালিয়া শহরে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে দেওয়া এক ভাষণে মার্জ সরাসরি দাবি করেন যে, ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে বর্তমানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র রীতিমতো অপমানিত হচ্ছে।

তিনি বলেন, “ইরানের নেতৃত্বের কারণে একটি পুরো জাতি (যুক্তরাষ্ট্র) অপমানের শিকার হচ্ছে। এই মুহূর্তে আমেরিকানরা ঠিক কী কৌশলে এই যুদ্ধ থেকে সম্মানজনক প্রস্থান নেবে, তা আমার বোধগম্য নয়।” মার্জ আরও উল্লেখ করেন যে, ইরানিরা আলোচনার টেবিলে অত্যন্ত দক্ষ এবং তারা নিজেদের সামর্থ্যের চেয়েও অনেক বেশি শক্তিশালী প্রমাণ করেছে।

এদিকে, পাকিস্তানে শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়াতে রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গে পৌঁছেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। ইসলামাবাদে শান্তি আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের ‘অতিরিক্ত চাহিদা’ এবং একতরফা শর্তকে দায়ী করেছেন তিনি।

আরাগচির ব্যক্তিগত টেলিগ্রাম চ্যানেলে শেয়ার করা এক সাক্ষাৎকারে দেখা যায়, তিনি রুশ মিত্রদের সাথে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ এবং পরবর্তী কৌশল নিয়ে আলোচনা করতে মস্কোর সাহায্য চাইছেন। সেন্ট পিটার্সবার্গে সাংবাদিকদের আরাগচি জানান, কোন কোন শর্তসাপেক্ষে শান্তি আলোচনা পুনরায় শুরু হতে পারে, তা নিয়ে তিনি রাশিয়ার শীর্ষ নেতৃত্বের সাথে বিশদ কথা বলবেন।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, জার্মানির চ্যান্সেলরের এই স্বীকারোক্তি এবং ইরানের রাশিয়ার দিকে ঝুঁকে পড়া মূলত ওয়াশিংটনের জন্য বড় ধরণের কূটনৈতিক পরাজয়। ট্রাম্প প্রশাসন যখন সামরিক ও অর্থনৈতিক চাপে ইরানকে কোণঠাসা করতে চাইছে, তখন ইউরোপীয় মিত্রের এমন মন্তব্য এবং তেহরান-মস্কো অক্ষশক্তি আরও শক্তিশালী হওয়া মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন আধিপত্যকে বড় ধরণের চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দিয়েছে।

/আশিক


পারমাণবিক অস্ত্রই কি তবে ইরানের শেষ ঢাল? দ্য গার্ডিয়ানের বিস্ফোরক তথ্য

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ২৭ ১৭:৪৫:০৮
পারমাণবিক অস্ত্রই কি তবে ইরানের শেষ ঢাল? দ্য গার্ডিয়ানের বিস্ফোরক তথ্য
ছবি : সত্য নিউজ গ্রাফিক্স

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে শুরু হওয়া ভয়াবহ সংঘাতের ৩৯ দিন পর এখন এক নাজুক যুদ্ধবিরতি চলছে। যদিও ডোনাল্ড ট্রাম্প একক সিদ্ধান্তে এই যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়িয়েছেন, তবে পর্দার আড়ালে ঘনীভূত হচ্ছে এক নতুন পারমাণবিক সংকট। প্রভাবশালী ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ‘দ্য গার্ডিয়ান’-এর এক বিশ্লেষণে দাবি করা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের ধারাবাহিক সামরিক হামলা এবং তেহরানকে ধ্বংস করে দেওয়ার হুমকি ইরানকে ভবিষ্যৎ আত্মরক্ষার জন্য পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের পথে ঠেলে দিচ্ছে।

পত্রিকাটির অ্যাসিস্ট্যান্ট এডিটর সাইমন টিসডাল লিখেছেন, সাম্প্রতিক যুদ্ধের আগে ইরানের কাছে কোনো পারমাণবিক অস্ত্র ছিল না—এই বিষয়ে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা ও আন্তর্জাতিক পরিদর্শকরা একমত ছিলেন। কিন্তু ২৮ ফেব্রুয়ারির হামলার যৌক্তিকতা দেখাতে ট্রাম্প ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিকে ‘তাৎক্ষণিক হুমকি’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন, যা মূলত এক বিরাট সামরিক ও রাজনৈতিক প্যারাডক্স।

বিশ্লেষকদের মতে, ২০০৩ সালের পর থেকে ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেয়নি। কিন্তু বর্তমান নিরাপত্তা অনিশ্চয়তা এবং যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মতো পারমাণবিক শক্তিধর দেশগুলোর আকস্মিক হামলা ইরানের নীতিনির্ধারকদের অবস্থান বদলে দিতে পারে।

বিশেষ করে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর কট্টরপন্থী অংশ এখন মনে করছে, পারমাণবিক প্রতিরোধ বা ‘নিউক্লিয়ার ডিটারেন্স’ ছাড়া বিদেশি আগ্রাসন থামানো অসম্ভব। ইরাক বা ইউক্রেনের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে তেহরান এখন মনে করতে পারে যে, পারমাণবিক অস্ত্র না থাকলেই বড় শক্তির হামলার ঝুঁকি বাড়ে।

গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, সামরিক হামলা চালিয়ে কোনো দেশের প্রযুক্তিগত জ্ঞান সম্পূর্ণ ধ্বংস করা যায় না। ইরান যদি নিজ দেশে এই প্রযুক্তি তৈরি করতে নাও পারে, তবে তারা বিকল্প উৎসের দিকে হাত বাড়াতে পারে। এক্ষেত্রে উত্তর কোরিয়া একটি শক্তিশালী মাধ্যম হতে পারে, যাদের সাথে তেহরানের দীর্ঘদিনের প্রযুক্তিগত সহযোগিতার ইতিহাস রয়েছে। কিম জং উন ছাড়াও রাশিয়ার ভ্লাদিমির পুতিন ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে বড় ভূমিকা রাখতে পারেন।

যদি ইরান শেষ পর্যন্ত এই পথে হাঁটে, তবে মধ্যপ্রাচ্যের সৌদি আরব, তুরস্ক এবং মিসরের মতো দেশগুলোও পারমাণবিক অস্ত্র প্রতিযোগিতায় নামতে পারে, যা ১৯৬৮ সালের পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তাররোধ চুক্তির (এনপিটি) কফিনে শেষ পেরেক ঠুকে দেবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কূটনৈতিক সমাধান ছাড়া শুধু সামরিক চাপ দিয়ে ইরানকে রোখা সম্ভব নয়; বরং এটি বিশ্বকে একটি নতুন ‘পারমাণবিক ভারসাম্য’ বা পারস্পরিক ধ্বংসের আশঙ্কার দিকে নিয়ে যাচ্ছে।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান


আমি ধর্ষক নই! হামলার পর সাংবাদিকের প্রশ্নে কেন মেজাজ হারালেন ট্রাম্প?

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ২৭ ১২:০১:৪৬
আমি ধর্ষক নই! হামলার পর সাংবাদিকের প্রশ্নে কেন মেজাজ হারালেন ট্রাম্প?
ছবি : সংগৃহীত

হোয়াইট হাউস করেসপন্ডেন্টস’ অ্যাসোসিয়েশনের ডিনারে হামলার ঘটনার পর ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি বিস্ফোরক মন্তব্য ঘিরে পুরো যুক্তরাষ্ট্রে নতুন করে তোলপাড় শুরু হয়েছে। হামলার ঘটনার পর সিবিএস নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প সজোরে দাবি করেছেন, “আমি ধর্ষক নই।”

এই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে মার্কিন মেইনস্ট্রিম মিডিয়াগুলোতে এখন বিতর্কের ঝড় বইছে। মূলত হামলার পেছনে থাকা ৩১ বছর বয়সি যুবক কলে থমাস অ্যালেনের একটি তথাকথিত ‘ম্যানিফেস্টো’ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে মেজাজ হারান ট্রাম্প।

গত শনিবার ডিনার চলাকালীন হোটেলের ভেতরে ঢুকে গুলি চালায় অভিযুক্ত যুবক, যা মূল বলরুম থেকে মাত্র কয়েক মিটার দূরে ছিল। পরবর্তীতে সাক্ষাৎকারে যখন সাংবাদিক ওই যুবকের ডায়েরির একটি অংশ পাঠ করে শোনান—যেখানে লেখা ছিল, “আমি আর কোনো পেডোফিল, ধর্ষক ও দেশদ্রোহীর অপরাধে নিজেকে জড়াতে দেব না”—তখনই উত্তেজিত হয়ে পড়েন ট্রাম্প।

তিনি সরাসরি সাংবাদিকদের আক্রমণ করে বলেন, “তোমরা ভয়ংকর মানুষ।” একই সাথে তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, তাঁকে অন্যায়ভাবে জেফরি এপস্টিনের সাথে জড়ানো হচ্ছে, যার সাথে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই।

ট্রাম্প নিজেকে নির্দোষ দাবি করে জানান, তিনি কাউকে ধর্ষণ করেননি এবং তিনি কোনো পেডোফিলও নন। অভিযুক্ত যুবকের মানসিক অবস্থা নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে ট্রাম্প তাকে ‘চরমপন্থায় প্রভাবিত’, ‘খ্রিস্টবিরোধী’ এবং ‘অসুস্থ’ বলে অভিহিত করেন।

পাশাপাশি মার্কিন রাজনীতিতে বর্তমান এই সহিংসতার জন্য তিনি ডেমোক্র্যাট নেতাদের ক্রমাগত আক্রমণাত্মক বক্তব্য ও উস্কানিকে দায়ী করেন। এই ঘটনাটি আসন্ন নির্বাচনের আগে ট্রাম্পের ভাবমূর্তিকে নতুন করে আইনি ও রাজনৈতিক বিতর্কের মুখে ঠেলে দিয়েছে।

/আশিক


হরমুজ প্রণালি নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত! মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের মোড় ঘুরাতে তেহরানের মাস্টারপ্ল্যান

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ২৭ ১১:৫৬:১৮
হরমুজ প্রণালি নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত! মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের মোড় ঘুরাতে তেহরানের মাস্টারপ্ল্যান
ছবি : সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে হঠাৎ করেই এক নাটকীয় মোড় নিয়ে এসেছে ইরান। মার্কিন সংবাদমাধ্যম এক্সিওস এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, তেহরান সরাসরি ওয়াশিংটনকে একটি নতুন শান্তি প্রস্তাব দিয়েছে। এই প্রস্তাবের মূল বিষয় হলো—ইরান তাদের বন্দরগুলোর ওপর থেকে মার্কিন নৌ-অবরোধ প্রত্যাহার এবং কৌশলগত হরমুজ প্রণালি পুনরায় স্বাভাবিক করার দাবি জানিয়েছে। বিনিময়ে তারা যুদ্ধবিরতিতে যেতে রাজি আছে। এই পুরো প্রক্রিয়ায় পাকিস্তান মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করছে এবং তাদের মাধ্যমেই প্রস্তাবটি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের টেবিলে পৌঁছেছে।

তবে এই প্রস্তাবের পেছনে ইরানের একটি বড় রাজনৈতিক চাল রয়েছে। তেহরান স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, তারা যুদ্ধ বন্ধ করতে আগ্রহী হলেও তাদের বিতর্কিত পারমাণবিক কর্মসূচি বা ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ নিয়ে এই মুহূর্তে কোনো আলোচনায় বসবে না। অর্থাৎ, তারা চাইছে আগে সামরিক চাপ কমিয়ে নিজেদের বিপর্যস্ত অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে, আর পারমাণবিক ইস্যুটিকে ভবিষ্যতের জন্য তুলে রাখতে। এই 'আংশিক' প্রস্তাব ওয়াশিংটনের জন্য বড় ধরণের মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মার্কিন প্রশাসনের কর্মকর্তাদের মতে, যদি ট্রাম্প এখনই হরমুজ প্রণালি নিয়ে চুক্তিতে পৌঁছান এবং অবরোধ তুলে নেন, তবে ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র ত্যাগ করানোর জন্য আর কোনো 'লিভারেজ' বা চাপের হাতিয়ার ওয়াশিংটনের হাতে থাকবে না। ট্রাম্প প্রশাসন চেয়েছিল সামরিক শক্তির ভয় দেখিয়ে ইরানকে একটি দীর্ঘমেয়াদী এবং কঠোর পারমাণবিক চুক্তিতে বাধ্য করতে।

ইরানের এই নতুন প্রস্তাব সেই পরিকল্পনাকে বড় ধরণের চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দিয়েছে। বর্তমানে ইসলামাবাদের পর্দার অন্তরালে যে কূটনৈতিক তৎপরতা চলছে, তার ওপরই নির্ভর করছে পুরো মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক ও সামরিক ভবিষ্যৎ। ডোনাল্ড ট্রাম্প শেষ পর্যন্ত এই আংশিক চুক্তিতে সায় দেবেন নাকি আরও কঠোর অবস্থানে যাবেন, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

সূত্র: মিডল ইস্ট আই


যুদ্ধবিরতির মাঝেই লেবাননে ইসরায়েলি হামলা: প্রাণ গেল দুই শিশুসহ ১৪ জনের

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ২৭ ১১:৫০:৫১
যুদ্ধবিরতির মাঝেই লেবাননে ইসরায়েলি হামলা: প্রাণ গেল দুই শিশুসহ ১৪ জনের
ছবি : সংগৃহীত

যুদ্ধবিরতির ঘোষণা থাকলেও লেবানন সীমান্তে থামছে না রক্তক্ষয়। ইসরায়েলি বাহিনীর সাম্প্রতিক বিমান হামলায় অন্তত ১৪ জন লেবানিজ নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে দুই শিশু ও দুই নারী রয়েছেন। লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই হামলায় আরও ৩৭ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। ইসরায়েলের দাবি, হিজবুল্লাহর সম্ভাব্য হামলা রুখতে এবং তাদের সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করেই এই অভিযান চালানো হয়েছে। এর আগে দক্ষিণ লেবাননের বেশ কিছু গ্রামের বাসিন্দাদের দ্রুত এলাকা ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছিল ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী।

গত ১৬ এপ্রিল কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতি এখনও কাগজে-কলমে বহাল থাকলেও মাঠের পরিস্থিতি অত্যন্ত নাজুক। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, হিজবুল্লাহর কর্মকাণ্ড যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করছে এবং আত্মরক্ষার খাতিরে ইসরায়েল যেকোনো ব্যবস্থা নেওয়ার অধিকার রাখে।

এদিকে শনিবার হিজবুল্লাহর ড্রোন হামলায় ১৯ বছর বয়সী এক ইসরায়েলি সেনা নিহতের পর উত্তেজনা আরও চরমে পৌঁছায়। এর পাল্টা জবাবেই মূলত ইসরায়েল দক্ষিণ লেবাননে জোরালো হামলার নির্দেশ দেয়।

অন্যদিকে সংঘাত নিরসনে কূটনৈতিক তৎপরতাও চলছে সমান্তরালে। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বর্তমানে পাকিস্তান ও ওমান সফর করছেন এবং সোমবার মস্কোতে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে তাঁর বৈঠকের কথা রয়েছে।

যদিও ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়িয়ে শান্তি আলোচনার পথ সুগম করতে চাইছেন, তবে তেহরান এখনও ওয়াশিংটনের আন্তরিকতা নিয়ে সন্দিহান। সরাসরি কোনো আলোচনা নির্ধারিত না হলেও পর্দার আড়ালে মধ্যস্থতাকারী দেশগুলোর মাধ্যমে উত্তেজনা প্রশমনের চেষ্টা চলছে।

/আশিক


বিস্ফোরণে পুড়েছে মুখ, হারিয়েছেন পা: নিউ ইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে চাঞ্চল্য

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ২৬ ১৯:৪৭:৪৭
বিস্ফোরণে পুড়েছে মুখ, হারিয়েছেন পা: নিউ ইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে চাঞ্চল্য
ছবি : সংগৃহীত

ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির প্রয়াণের পর বর্তমান সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির রহস্যময় নীরবতা ও শারীরিক অবস্থা নিয়ে বিশ্ব রাজনীতিতে তোলপাড় শুরু হয়েছে। গত ৮ মার্চ দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে এখন পর্যন্ত তাঁকে জনসমক্ষে দেখা না যাওয়ায় নানা গুঞ্জন ডালপালা মেলছে।

নিউইয়র্ক টাইমসের সাম্প্রতিক এক চাঞ্চল্যকর প্রতিবেদন অনুযায়ী, যে বিমান হামলায় আলী খামেনি ও মোজতবার পরিবার নিহত হয়েছিল, সেই একই হামলায় মোজতবা খামেনি নিজেও গুরুতর জখম হয়েছেন।

প্রতিবেদনটির তথ্যমতে, মোজতবার শারীরিক অবস্থা বর্তমানে বেশ আশঙ্কাজনক। তাঁর একটি পায়ে ইতিমধ্যে তিনবার অস্ত্রোপচার করা হয়েছে এবং তিনি একটি কৃত্রিম পা স্থাপনের অপেক্ষায় আছেন। শুধু তাই নয়, বিস্ফোরণে তাঁর মুখ ও ঠোঁট মারাত্মকভাবে পুড়ে যাওয়ায় তিনি স্বাভাবিকভাবে কথা বলতে পারছেন না, যার জন্য ভবিষ্যতে বড় ধরণের প্লাস্টিক সার্জারির প্রয়োজন হতে পারে।

এছাড়া তাঁর একটি হাতের কার্যক্ষমতা ফেরাতেও জটিল অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে। তবে ইরানি কর্মকর্তাদের দাবি, শারীরিক আঘাত গুরুতর হলেও তিনি মানসিকভাবে সম্পূর্ণ সুস্থ ও সক্রিয় রয়েছেন।

নিরাপত্তার স্বার্থে মোজতবা খামেনির বর্তমান অবস্থান এবং চিকিৎসাকেন্দ্র অত্যন্ত গোপন রাখা হয়েছে। এমনকি আইআরজিসি-র শীর্ষ কর্মকর্তাদেরও সেখানে যাওয়ার অনুমতি নেই। তবে ইরানের প্রেসিডেন্ট ও হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ মাসুদ পেজেশকিয়ান স্বয়ং এই চিকিৎসার তদারকি করছেন বলে জানা গেছে।

কোনো ভিডিও বা অডিও বার্তা না দিয়ে তিনি মূলত সেকেলে পদ্ধতিতে হাতে লেখা সিলগালা করা চিঠির মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত জানাচ্ছেন, যা বিশ্বস্ত কুরিয়ার চেইনের মাধ্যমে আদান-প্রদান করা হচ্ছে। এই অনিশ্চিত পরিস্থিতির সুযোগে ইরানের শাসনব্যবস্থায় আইআরজিসি জেনারেলদের প্রভাব ও ক্ষমতা আগের চেয়ে বহুগুণ বেড়েছে বলে ধারণা করছেন বিশ্লেষকরা।

সূত্র: উইওন


ইরান যুদ্ধে ব্যবহৃত ব্রিটিশ ঘাঁটিতে অগ্নিকাণ্ড

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ২৬ ১৭:৪৯:৩১
ইরান যুদ্ধে ব্যবহৃত ব্রিটিশ ঘাঁটিতে অগ্নিকাণ্ড
ছবি : সংগৃহীত

যুক্তরাজ্যের গ্লস্টারশায়ারে অবস্থিত গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটি আরএএফ ফেয়ারফোর্ড (RAF Fairford)-এ এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় সময় রোববার (২৬ এপ্রিল ২০২৬) ভোরের দিকে এই আগুনের সূত্রপাত হয়। উল্লেখ্য যে, এই ঘাঁটিটি ইরানের বিরুদ্ধে চলমান সামরিক অভিযানে মার্কিন বিমানবাহিনী তাদের প্রধান কৌশলগত কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করে আসছিল।

প্রাথমিক তথ্যানুযায়ী, অগ্নিকাণ্ডে কোনো আরএএফ (রাজকীয় বিমানবাহিনী) বিমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি এবং কোনো হতাহতের খবরও পাওয়া যায়নি। তবে ঘাঁটির ভেতরে থাকা একটি পুরনো পরিত্যক্ত ভবন থেকে আগুনের সূত্রপাত বলে ধারণা করা হচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গেছে, ঘাঁটির 'কমিসারি' ভবন থেকে ঘন কালো ধোঁয়া উড়ছে।

সাধারণত এই ভবনগুলো থেকে সেনাদের খাবার ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সরবরাহ করা হয়। ঘটনাস্থলের ছবিতে দেখা গেছে, ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা যখন আগুন নেভানোর চেষ্টা করছিলেন, তখন ভবনটির ছাদ ধসে পড়ে।

গ্লস্টারশায়ার ফায়ার অ্যান্ড রেসকিউ সার্ভিসের মুখপাত্র জানিয়েছেন, ফেয়ারফোর্ড এলাকার ওই বাণিজ্যিক ভবনের আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে ফায়ার সার্ভিস কাজ করছে। ধোঁয়ার তীব্রতার কারণে স্থানীয় বাসিন্দাদের নিজ নিজ ঘরের দরজা-জানালা বন্ধ রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

এই অগ্নিকাণ্ডে মার্কিন বিমানবাহিনীর সরঞ্জামের ঠিক কতটুকু ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, সে বিষয়ে এখনও নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে ইরান ইস্যুতে এই ঘাঁটির বর্তমান গুরুত্ব বিবেচনায় ঘটনাটি আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

/আশিক


হামলা অত্যন্ত গুরুতর, তবে এর পেছনে ইরান নেই: ডোনাল্ড ট্রাম্প

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ২৬ ১২:১০:২৭
হামলা অত্যন্ত গুরুতর, তবে এর পেছনে ইরান নেই: ডোনাল্ড ট্রাম্প
ছবি : সংগৃহীত

ওয়াশিংটন ডিসিতে হোয়াইট হাউস করেসপন্ডেন্টস ডিনারে বন্দুক হামলার ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো। ভারপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল টড ব্ল্যাঞ্চ এই হামলাকে অত্যন্ত গুরুতর হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

তিনি জানিয়েছেন, হামলাকারীর বিরুদ্ধে দ্রুতই আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করা হবে। এফবিআই পরিচালক ক্যাশ প্যাটেল জানিয়েছেন, ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা অস্ত্রগুলো পরীক্ষা করা হচ্ছে এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের জবানবন্দি নেওয়া হচ্ছে।

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, তিনি এই হামলার পেছনে ইরানের কোনো সংশ্লিষ্টতা দেখছেন না। তিনি হামলাকারীকে 'লোন উলফ' বা একাকী হামলাকারী এবং 'উন্মাদ' হিসেবে অভিহিত করেছেন। ওয়াশিংটনের অন্তর্বর্তীকালীন পুলিশপ্রধান জেফরি ক্যারল জানিয়েছেন, হামলাকারীর কাছে একটি শটগান ও একটি হ্যান্ডগান ছিল।

তবে এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় আর কোনো সন্দেহভাজনের জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ক্যালিফোর্নিয়ার তোরেন্সের বাসিন্দা ৩১ বছর বয়সী কোল অ্যালেন নামের ওই সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

সূত্র: আরব নিউজ


হামলার আগেই কেন এমন কথা? ট্রাম্পের প্রেস সচিবের ভিডিও নিয়ে নতুন বিতর্ক

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ২৬ ১১:২৯:৪৮
হামলার আগেই কেন এমন কথা? ট্রাম্পের প্রেস সচিবের ভিডিও নিয়ে নতুন বিতর্ক
ছবি : সংগৃহীত

ওয়াশিংটন ডিসির হোয়াইট হাউস করেসপন্ডেন্টস ডিনারে বন্দুক হামলার ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। অনুষ্ঠান শুরুর মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে ট্রাম্পের প্রেস সচিব ক্যারোলিন লেভিটের একটি মন্তব্য এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আগুনের মতো ছড়িয়ে পড়েছে। ইয়াহু নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ক্যারোলিন রসিকতা করে বলেছিলেন, “আজ রাতে কিছু গুলি ছোড়া হবে”—যা কিছুক্ষণ পরেই বাস্তবে রূপ নেওয়ায় বিশ্বজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।

অনুষ্ঠান শুরুর আগে এক সাক্ষাৎকারে লেভিট জানিয়েছিলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আজ রাতে তাঁর স্বভাবসুলভ মারকুটে মেজাজে থাকবেন। তিনি বলেছিলেন, “তিনি (ট্রাম্প) লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত। আজকের বক্তৃতা হবে ক্লাসিক ডোনাল্ড জে ট্রাম্পের মতো। এটি মজাদার ও বিনোদনমূলক হবে। আজ রাতে কিছু গুলি ছোড়া হবে (There will be shots fired tonight), তাই সবার দেখা উচিত। এটি দারুণ হতে যাচ্ছে।”

শুরুতে সবাই মনে করেছিলেন লেভিট ‘গুলি ছোড়া’ কথাটি রূপক অর্থে ব্যবহার করেছেন, অর্থাৎ ট্রাম্প তাঁর বক্তৃতায় রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে কড়া ভাষায় আক্রমণ বা কটাক্ষ করবেন। কিন্তু কয়েক ঘণ্টা পরেই যখন ওয়াশিংটন হিলটন হোটেলের ব্যাংকুয়েট হলে সত্যিকারের গুলির শব্দ শোনা যায়, তখন পরিস্থিতি পাল্টে যায়। ২,০০০-এর বেশি অতিথি আতঙ্কিত হয়ে টেবিলের নিচে আশ্রয় নেন এবং ‘মাটিতে শুয়ে পড়ুন’ বলে চিৎকার করতে থাকেন। সিক্রেট সার্ভিস দ্রুত ট্রাম্প ও মেলানিয়া ট্রাম্পকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়।

ক্যারোলিন লেভিটের সেই সাক্ষাৎকারের ভিডিওটি এখন এক্সে (সাবেক টুইটার) ৪০ লাখের বেশিবার দেখা হয়েছে। নেটিজেনরা একে ‘অদ্ভূত কাকতালীয়’ বা ‘ষড়যন্ত্র তত্ত্ব’ হিসেবে দেখছেন। অনেকে মজা করে বলছেন, “এই কথা এত দ্রুত ফলে যাবে তা কেউ বোঝেনি।” আবার কেউ কেউ একে নিছক একটি দুর্ঘটনাক্রমে মিলে যাওয়া ঘটনা হিসেবেই দেখছেন। তবে পরিস্থিতির নাটকীয়তা আর লেভিটের শব্দের ব্যবহারের এমন অবিশ্বাস্য মিল এখন টক অব দ্য ওয়ার্ল্ড।

/আশিক

পাঠকের মতামত: