ডোনাল্ড ট্রাম্পের দাবি বনাম ইরানের বাস্তবতা: কার দখলে বিশ্বের প্রধান তেলপথ?

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ১২ ১৮:০৭:৩০
ডোনাল্ড ট্রাম্পের দাবি বনাম ইরানের বাস্তবতা: কার দখলে বিশ্বের প্রধান তেলপথ?
ছবি : সংগৃহীত

হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার উত্তেজনা এক নতুন নাটকীয় মোড় নিয়েছে। ইরানের পার্লামেন্টের ডেপুটি স্পিকার হাজি বাবাই ঘোষণা করেছেন যে, এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথটি এখন পুরোপুরি তেহরানের নিয়ন্ত্রণে এবং এখান দিয়ে চলাচলকারী প্রতিটি জাহাজকে এখন থেকে ইরানি মুদ্রা ‘রিয়াল’-এ টোল দিতে হবে। আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা মেহর হাজি বাবাইয়ের এই চাঞ্চল্যকর বক্তব্যটি প্রকাশ করেছে।

ইসলামাবাদে দীর্ঘ ২১ ঘণ্টার শান্তি আলোচনা কোনো সমঝোতা ছাড়াই ব্যর্থ হওয়ার পরপরই ইরানের পক্ষ থেকে এমন কঠোর ঘোষণা এল। মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স রোববার সংবাদ সম্মেলন করে সংলাপ ব্যর্থ হওয়ার খবর নিশ্চিত করলেও হরমুজ ইস্যু নিয়ে কোনো মন্তব্য করেননি। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শনিবারই তার সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দাবি করেছিলেন যে, হরমুজ প্রণালি শিগগিরই সবার জন্য খুলে দেওয়া হবে।

বিশ্বের মোট তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশ এই পথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। চলমান যুদ্ধবিরতি চুক্তির অন্যতম শর্ত ছিল এই পথে জাহাজের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করা। এদিকে, মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) দাবি করেছে যে, মাইন অপসারণ অভিযানের অংশ হিসেবে তাদের দুটি ডেস্ট্রয়ার জাহাজ হরমুজ অতিক্রম করেছে।

তবে ইরান এই দাবি সরাসরি নাকচ করে দিয়ে বলেছে, এমন কোনো নৌযান সেখানে প্রবেশ করেনি। ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) হুঁশিয়ারি দিয়েছে যে, কোনো সামরিক জাহাজ এই প্রণালি অতিক্রমের চেষ্টা করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আন্তর্জাতিক মহলের প্রতিক্রিয়া

ইরানের এই ‘টোল’ আদায়ের পরিকল্পনাকে সরাসরি ‘অবৈধ’ বলে আখ্যা দিয়েছেন আন্তর্জাতিক সমুদ্র চলাচল সংস্থার (আইএমও) প্রধান আরসেনিও ডমিঙ্গুয়েজ।

আলজাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, হরমুজের মতো আন্তর্জাতিক গুরুত্বসম্পন্ন প্রণালিতে টোল আদায়ের অধিকার কোনো দেশের নেই এবং এটি আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী। তিনি বিশ্ব সম্প্রদায়কে এই নজিরবিহীন ব্যবস্থা প্রত্যাখ্যান করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটি বৈশ্বিক শিপিং বা নৌ-বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর হবে।

/আশিক


ট্রাম্পের কড়া হুঁশিয়ারি! এবার কি সমুদ্রপথে অবরুদ্ধ হচ্ছে ইরান?

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ১২ ১৩:০২:১৪
ট্রাম্পের কড়া হুঁশিয়ারি! এবার কি সমুদ্রপথে অবরুদ্ধ হচ্ছে ইরান?
ছবি : সংগৃহীত

ইসলামাবাদে শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর ইরানের ওপর এবার ‘নৌ-অবরোধ’ আরোপের প্রচ্ছন্ন হুমকি দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রোববার (১২ এপ্রিল) নিজস্ব সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ একটি নিবন্ধ শেয়ার করার মাধ্যমে তিনি এই ইঙ্গিত দেন।

আলোচনার টেবিলে দীর্ঘ ২১ ঘণ্টা পার করার পরও কোনো সমঝোতা না আসায়, ওয়াশিংটন এখন তেহরানের ওপর চরম অর্থনৈতিক ও সামরিক চাপ তৈরির কৌশল অবলম্বন করছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ট্রাম্পের শেয়ার করা ওই নিবন্ধে বলা হয়েছে, ইরানের ওপর নৌ-অবরোধ কার্যকর করা হলে দেশটির ভঙ্গুর অর্থনীতি পুরোপুরি বিপর্যস্ত হয়ে পড়বে। বিশেষ করে তেল রপ্তানি বন্ধ হয়ে গেলে ইরানের আয়ের প্রধান উৎসটিই রুদ্ধ হয়ে যাবে। এর ফলে ইরান থেকে তেল আমদানিকারক দেশগুলোর ওপরও ওয়াশিংটনের চাপ বৃদ্ধি পাবে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ট্রাম্প সরাসরি কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না দিলেও, এই নিবন্ধটি শেয়ার করার মাধ্যমে তিনি তেহরানকে এক কঠোর বার্তা দিলেন যে, মার্কিন শর্ত না মানলে সমুদ্রপথে ইরানকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলা হবে।

এই কৌশলটিকে মূলত ভেনেজুয়েলার বিরুদ্ধে নেওয়া আগের মার্কিন পদক্ষেপের প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে। ওয়াশিংটন চায় অর্থনৈতিক ও সামরিকভাবে ইরানকে এতটা কোণঠাসা করতে যাতে তারা নমনীয় হতে বাধ্য হয়। তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন যে, এই ধরনের নৌ-অবরোধ আন্তর্জাতিক সমুদ্র আইন ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

শান্তি আলোচনার ব্যর্থতার পর জেডি ভ্যান্স পাকিস্তান ত্যাগ করার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ট্রাম্পের এই তৎপরতা পারস্য উপসাগরে যুদ্ধের উত্তেজনাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। তেহরান যদি শেষ পর্যন্ত মার্কিন প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে, তবে মধ্যপ্রাচ্যের এই সংঘাত কেবল স্থলভাগেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং সমুদ্রসীমায় এক ভয়াবহ রূপ নিতে পারে।

সূত্র: টাইমস অফ ইন্ডিয়া


ইরান-মার্কিন দ্বন্দ্বে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকট? অস্থির হতে শুরু করেছে তেলের দাম

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ১২ ১২:৫০:০৯
ইরান-মার্কিন দ্বন্দ্বে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকট? অস্থির হতে শুরু করেছে তেলের দাম
ছবি : সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দীর্ঘ ২১ ঘণ্টার ম্যারাথন আলোচনা কোনো সমঝোতা ছাড়াই শেষ হওয়ায় বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেলের বাজারে নতুন করে অস্থিরতার কালো মেঘ দেখা দিচ্ছে। বিশ্লেষকরা আশঙ্কা করছেন, এই কূটনৈতিক ব্যর্থতার প্রভাবে চলতি সপ্তাহের শুরুতেই আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম হু হু করে বাড়তে পারে।

বর্তমানে ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৯৪.২৫ ডলারে থাকলেও, ভূ-রাজনৈতিক উত্তজনা বাড়লে তা দ্রুত ১০০ ডলারের গণ্ডি ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিশেষ করে বিনিয়োগকারীদের প্ল্যাটফর্ম পলিমার্কেটের তথ্য অনুযায়ী, ডব্লিউটিআই (WTI) তেলের দাম চলতি মাসেই ১০৫ ডলারে পৌঁছানোর সম্ভাবনা প্রবল।

জেডি ভ্যান্সের নেতৃত্বাধীন মার্কিন প্রতিনিধি দল এবং ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও স্পিকারের মধ্যকার এই আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার পর দুই পক্ষই একে অপরের ওপর দায় চাপাচ্ছে। ইরান বলছে, যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের ময়দানে যা পায়নি তা আলোচনার টেবিলে আদায় করতে চেয়েছিল; অন্যদিকে ভ্যান্সের দাবি, ইরান পারমাণবিক ইস্যুতে নমনীয় হতে রাজি নয়।

সবচেয়ে আশঙ্কার বিষয় হলো, ডোনাল্ড ট্রাম্প ও বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু পুনরায় সামরিক অভিযানের ইঙ্গিত দিয়েছেন। যদি যুদ্ধবিরতি পুরোপুরি ভেঙে যায়, তবে বৈশ্বিক তেল সরবরাহের অন্যতম ধমনী হরমুজ প্রণালি ও লোহিত সাগরে বিঘ্ন ঘটতে পারে।

উল্লেখ্য, বিশ্ববাজারের প্রায় ১২ শতাংশ তেল লোহিত সাগর দিয়ে পরিবাহিত হয়। মার্চের শুরুতে তেলের দাম ১১৯ ডলারে উঠলেও পরে তা ৮৭ ডলারে নেমেছিল, কিন্তু আলোচনার অচলাবস্থার খবরে তা আবার ৯২ ডলার ছাড়িয়ে ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে।

সূত্র: ট্রেডিং ভিউ


হরমুজ প্রণালিতে মুখোমুখি দুই পরাশক্তি: ট্রাম্পের নির্দেশে শুরু হলো বড় অভিযান

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ১২ ১২:১৪:৫৫
হরমুজ প্রণালিতে মুখোমুখি দুই পরাশক্তি: ট্রাম্পের নির্দেশে শুরু হলো বড় অভিযান
ছবি : সংগৃহীত

হরমুজ প্রণালিতে পেতে রাখা সামুদ্রিক মাইন অপসারণ এবং একটি ‘নিরাপদ জলপথ’ তৈরির লক্ষ্যে মার্কিন নৌবাহিনীর দুটি যুদ্ধজাহাজ সেখানে প্রবেশ করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় কমান্ড (সেন্টকম) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, মূলত বাণিজ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করতে এবং আটকে পড়া বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে উদ্ধার করতেই এই অভিযান শুরু হয়েছে।

তবে তেহরান মার্কিন বাহিনীর এই দাবি সরাসরি অস্বীকার করেছে এবং এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে সামরিক জাহাজ প্রবেশের চেষ্টার বিরুদ্ধে ‘কঠোর’ হুঁশিয়ারি দিয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের সংঘাত শুরুর পর এই প্রথম হরমুজ প্রণালিতে এমন কোনো অভিযানের ঘোষণা দিল ওয়াশিংটন। সেন্টকম কমান্ডার অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার জানিয়েছেন, ‘ইউএসএস ফ্র্যাঙ্ক ই. পিটারসন’ এবং ‘ইউএসএস মাইকেল মারফি’ নামের দুটি যুদ্ধজাহাজ এই মাইন অপসারণ অভিযানে অংশ নিচ্ছে।

ভবিষ্যতে এই অভিযানে পানির নিচে চলাচলকারী ড্রোনও যুক্ত করা হতে পারে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও এই অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন যে, বিশ্বের জ্বালানি বাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই পথটি ‘পরিষ্কার করার’ কাজ ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে।

অন্যদিকে, ইরানের সামরিক মুখপাত্র ইব্রাহিম জোলফাঘারি যুক্তরাষ্ট্রের এই দাবিকে ‘জোরালোভাবে প্রত্যাখ্যান’ করেছেন। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন যে, কোনো জাহাজ এই প্রণালি দিয়ে চলাচল করবে কি না, সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার চূড়ান্ত অধিকার কেবল ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর।

ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডের পক্ষ থেকে আরও সতর্ক করা হয়েছে যে, নির্দিষ্ট শর্ত সাপেক্ষে কেবল বেসামরিক জাহাজ চলাচলের অনুমতি দেওয়া হতে পারে; তবে কোনো সামরিক জাহাজ প্রবেশের চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই পাল্টাপাল্টি অবস্থানের ফলে বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল সরবরাহকারী এই জলপথটিতে নতুন করে যুদ্ধের উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।

/আশিক


হতাশ শাহবাজ শরিফ! বৃথাই গেলো পাকিস্তানের সব আয়োজন

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ১২ ১১:২৫:৩৮
হতাশ শাহবাজ শরিফ! বৃথাই গেলো পাকিস্তানের সব আয়োজন
ছবি : সংগৃহীত

ইসলামাবাদে দুই দিনের সরকারি ছুটি, ১০ হাজার অতিরিক্ত নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন আর নজিরবিহীন 'আয়রণ এসকর্ট'—পাকিস্তানের এতসব বিশাল আয়োজন যেন শেষ পর্যন্ত ভেস্তেই গেল।

দীর্ঘ ২১ ঘণ্টার রুদ্ধশ্বাস ম্যারাথন বৈঠকের পর কোনো ধরনের সমঝোতা বা চুক্তি ছাড়াই শেষ হয়েছে ঐতিহাসিক ইরান-যুক্তরাষ্ট্র শান্তি আলোচনা। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের অবসান ঘটাতে যে আশার আলো দেখা গিয়েছিল, তা আপাতত ফিকে হয়ে গেছে।

মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স স্পষ্ট জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র তাদের 'রেড লাইন' বা অনড় শর্তগুলো স্পষ্টভাবে তেহরানের কাছে তুলে ধরেছিল। বিশেষ করে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি এবং দীর্ঘমেয়াদী নিরাপত্তার বিষয়ে ওয়াশিংটন যে নিশ্চয়তা চেয়েছিল, তাতে রাজি হয়নি ইরান।

ভ্যান্সের মতে, ২১ ঘণ্টা আলোচনার পরও কোনো সাধারণ ঐকমত্যে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। ফলে কোনো কার্যকর সমাধান ছাড়াই মার্কিন প্রতিনিধি দল ইতিমধ্যে ইসলামাবাদ ত্যাগ করে ওয়াশিংটনের উদ্দেশে রওনা হয়েছে।

অন্যদিকে, এই ব্যর্থতার জন্য ওয়াশিংটনকেই কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছে তেহরান। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রকে অবশ্যই 'অতিরিক্ত চাওয়া ও বেআইনি অনুরোধ' করা থেকে বিরত থাকতে হবে। তাঁর মতে, আলোচনায় ইরান তাদের 'বৈধ অধিকার ও স্বার্থ' রক্ষায় অটল ছিল।

হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত করা, ইরানের শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক কর্মসূচি এবং যুদ্ধের সম্পূর্ণ অবসানের মতো বিষয়গুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের 'চাপিয়ে দেওয়া শর্ত' মেনে নিতে নারাজ তেহরান। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ও সেনাপ্রধান আসিম মুনিরের আন্তরিক মধ্যস্থতা সত্ত্বেও দুই দেশের পুরোনো সংঘাত নিরসনে এই বৈঠক শেষ পর্যন্ত ব্যর্থতায় পর্যবসিত হলো।

/আশিক


অভিযান এখনো শেষ হয়নি: মানচিত্র দেখিয়ে ইরানকে হুঁশিয়ারি নেতানিয়াহুর

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ১২ ১১:১৭:১৯
অভিযান এখনো শেষ হয়নি: মানচিত্র দেখিয়ে ইরানকে হুঁশিয়ারি নেতানিয়াহুর
ছবি : সংগৃহীত

ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এক ভিডিও বার্তায় ইরানের বিরুদ্ধে চলমান সামরিক অভিযান নিয়ে নতুন করে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে অভিযান এখনো ‘শেষ হয়নি’ এবং ইসরায়েল ইতিমধ্যে এক ‘ঐতিহাসিক সাফল্য’ অর্জন করেছে।

একটি মানচিত্রের মাধ্যমে ইরানের আঞ্চলিক প্রভাব দেখিয়ে তিনি বলেন, ইরান ইসরায়েলকে শ্বাসরোধ করতে চেয়েছিল, কিন্তু এখন ইসরায়েলই পাল্টা তাদের শ্বাসরোধ করছে।

নেতানিয়াহু তাঁর ভিডিও বার্তায় নিজের দীর্ঘ রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের লক্ষ্য পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, ইরান যেন পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে না পারে, সেজন্য তিনি জীবনের অধিকাংশ সময় ব্যয় করেছেন।

তিনি বিভিন্ন সময় চালানো গোপন অভিযানের কথা উল্লেখ করেন এবং আক্ষেপ করে বলেন যে, তিনি ইরান নিয়ে বিশ্বকে বারবার সতর্ক করলেও কেউ তা শুনতে চায়নি। গত জুনে ইরানে চালানো হামলার প্রসঙ্গ টেনে তিনি দাবি করেন, এর মাধ্যমে ইসরায়েল ইরানের ‘ভয়ের দেয়াল’ ভেঙে দিতে সক্ষম হয়েছে।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের নজিরবিহীন হামলার বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে নেতানিয়াহু পরোক্ষভাবে তাঁর দেশের গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সমালোচনা করেন। নিজেকে দায়মুক্ত করার চেষ্টা করে তিনি দাবি করেন, বর্তমান সংঘাতের ক্ষেত্রে সঠিক সময়ে ও নির্ভুল গোয়েন্দা তথ্য তাঁর কাছে পৌঁছেছিল, যা পরিস্থিতির নিয়ন্ত্রণে বড় ভূমিকা রেখেছে। নেতানিয়াহুর এই বক্তব্য এমন এক সময়ে এল যখন মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে সামরিক উত্তেজনা চরমে।

/আশিক


যেসব কারণে চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র! নেপথ্যে বড় ৫ কারণ

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ১২ ১০:২৯:৪৮
যেসব কারণে চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র! নেপথ্যে বড় ৫ কারণ
ছবি : সংগৃহীত

ইসলামাবাদে দীর্ঘ ২১ ঘণ্টার রুদ্ধদ্বার বৈঠকের পরও ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের ঐতিহাসিক শান্তি আলোচনা কোনো সুনির্দিষ্ট সমঝোতা ছাড়াই শেষ হয়েছে। মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এই আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার জন্য সরাসরি ইরানকে দায়ী করে জানিয়েছেন, ওয়াশিংটনের দেওয়া শর্তসমূহ তেহরান গ্রহণ না করায় কোনো চুক্তিতে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। ফলে কোনো কার্যকর সমাধান ছাড়াই মার্কিন প্রতিনিধি দল পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদ ত্যাগ করে ওয়াশিংটনের উদ্দেশে রওনা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে জেডি ভ্যান্স জানান, যুক্তরাষ্ট্র মূলত ইরানের কাছ থেকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি না করার বিষয়ে একটি দীর্ঘমেয়াদী এবং নিশ্ছিদ্র প্রতিশ্রুতি চেয়েছিল। কিন্তু ইরানের প্রতিনিধি দল সেই শর্তে রাজি না হওয়ায় আলোচনা ভেস্তে যায়। ভ্যান্সের মতে, ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সক্ষমতা অর্জনের পথ পরিহার করার বিষয়ে কোনো ইতিবাচক ইঙ্গিত দেয়নি, যা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য একটি বড় ‘রেড লাইন’ ছিল।

অন্যদিকে, এই ব্যর্থতার জন্য পাল্টা যুক্তরাষ্ট্রকে দোষারোপ করেছে তেহরান। ইরানের ফার্স নিউজ এজেন্সি এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র আলোচনার টেবিলে অত্যন্ত ‘অযৌক্তিক ও উচ্চাকাঙ্ক্ষী’ দাবি পেশ করেছে, যা চুক্তির পথ বন্ধ করে দেয়। ইরানি সূত্রের দাবি, ওয়াশিংটন যুদ্ধের মাধ্যমে যা অর্জন করতে পারেনি, তা আলোচনার টেবিলে আদায় করতে চেয়েছিল।

বিশেষ করে হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ এবং ইরানের শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক কর্মসূচি সীমাবদ্ধ করার মতো বিষয়গুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর শর্তগুলো ইরান সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে। এই অচলাবস্থার ফলে মধ্যপ্রাচ্যের ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা ও বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার আবারও অনিশ্চয়তার মুখে পড়ল।

/আশিক


২১ ঘণ্টার বৈঠক ব্যর্থ! কোনো চুক্তি ছাড়াই ইসলামাবাদ ছাড়ছে আমেরিকা

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ১২ ১০:০৯:৫৯
২১ ঘণ্টার বৈঠক ব্যর্থ! কোনো চুক্তি ছাড়াই ইসলামাবাদ ছাড়ছে আমেরিকা
ছবি : সংগৃহীত

দীর্ঘ ২১ ঘণ্টার রুদ্ধশ্বাস আলোচনার পরও শেষ পর্যন্ত কোনো সমঝোতা ছাড়াই শেষ হলো ইসলামাবাদের ঐতিহাসিক ইরান-মার্কিন বৈঠক। রোববার (১২ এপ্রিল) সকালে সংবাদ সম্মেলনে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে, দীর্ঘ সময় ধরে গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে আলোচনা হলেও দুই পক্ষের মধ্যে বিদ্যমান মতপার্থক্য কাটেনি। ফলে কোনো চুক্তি ছাড়াই মার্কিন প্রতিনিধিদল নিজ দেশে ফিরে যাচ্ছে।

জেডি ভ্যান্স জানান, যুক্তরাষ্ট্র অত্যন্ত ‘সৎ উদ্দেশ্য’ এবং নমনীয় মনোভাব নিয়ে আলোচনার টেবিলে বসেছিল। তবে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে দেওয়া চূড়ান্ত প্রস্তাবগুলো ইরান গ্রহণ করেনি। ভ্যান্সের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান লক্ষ্য ছিল ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা অর্জনের পথ চিরতরে বন্ধ করা এবং তারা এমন এক সুনির্দিষ্ট প্রতিশ্রুতি চেয়েছিল যাতে ইরান ভবিষ্যতে কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে না পারে।

কিন্তু ইরানের প্রতিনিধিদল সেই শর্তগুলো মেনে নিতে অস্বীকৃতি জানায়। ভ্যান্স বলেন, “আমরা আমাদের সীমারেখা স্পষ্ট করেছি, কিন্তু ইরান সেই শর্তে রাজি হয়নি।”

সংবাদ সম্মেলনে ভ্যান্স এই আয়োজনের জন্য পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এবং সেনাপ্রধান আসিম মুনিরের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, আলোচনার ব্যর্থতার পেছনে পাকিস্তানের কোনো দায় নেই; বরং তারা দারুণ আতিথেয়তা এবং আন্তরিকতার মাধ্যমে দুই দেশের দূরত্ব কমানোর সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছে।

ইরান ঠিক কোন প্রস্তাবগুলো প্রত্যাখ্যান করেছে—এমন প্রশ্নে বিস্তারিত না বললেও ভ্যান্স উল্লেখ করেন যে, ইরান দীর্ঘমেয়াদে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি না করার বিষয়ে কোনো সত্যিকারের অঙ্গীকার দেখাতে পারেনি। আপাতত একটি ‘চূড়ান্ত প্রস্তাব’ ইরানের বিবেচনার জন্য রেখে তারা ইসলামাবাদ ত্যাগ করছেন।

সূত্র: বিবিসি, দ্য গার্ডিয়ান


মার্কিন যুদ্ধজাহাজের পিছু নিল ইরান! হরমুজ প্রণালিতে মুখোমুখি দুই পরাশক্তি

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ১১ ২২:০৩:১২
মার্কিন যুদ্ধজাহাজের পিছু নিল ইরান! হরমুজ প্রণালিতে মুখোমুখি দুই পরাশক্তি
ছবি : সংগৃহীত

ইসলামাবাদে যখন শান্তি আলোচনার চূড়ান্ত মুহূর্ত ঘনিয়ে আসছে, ঠিক তখনই পারস্য উপসাগরে উত্তেজনার পারদ চড়ল। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই জানিয়েছেন, সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরাহ বন্দর থেকে হরমুজ প্রণালির দিকে অগ্রসর হওয়া একটি মার্কিন ডেস্ট্রয়ারকে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী কড়া নজরদারিতে রেখেছে।

এই স্পর্শকাতর তথ্যটি তাৎক্ষণিকভাবে ইসলামাবাদে থাকা ইরানি প্রতিনিধি দলকেও জানানো হয়েছে, যা আলোচনার টেবিলে নতুন করে চাপের সৃষ্টি করতে পারে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি শনিবার এক প্রতিবেদনে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। একই সময়ে সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসের সাংবাদিক বারাক রাভিদ মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাতে জানিয়েছেন যে, মার্কিন যুদ্ধজাহাজগুলো ইতিমধ্যে হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করেছে। যদিও ইরানের তাসনিম বার্তা সংস্থা এক অজ্ঞাতনামা কর্মকর্তার বরাতে এই তথ্যটি অস্বীকার করেছে।

তবে মেরিন ট্রাফিক ও ভেসেল ফাইন্ডারের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, মার্কিন যুদ্ধজাহাজ ‘ইউএসএস মাইকেল মারফি’ দুবাইয়ের জেবেল আলি বন্দর থেকে যাত্রা শুরু করে হরমুজ প্রণালির পশ্চিম অংশের কাছাকাছি পৌঁছেছে। মজার বিষয় হলো, জাহাজটির গন্তব্য দেখানো হয়েছে ‘সিঙ্গাপুর’।

হরমুজ প্রণালি দিয়ে মার্কিন যুদ্ধজাহাজের এই মুভমেন্ট এমন এক সময়ে ঘটছে, যখন ইরান স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে যে তারা বর্তমানে মার্কিন বা ইসরায়েলি কোনো জাহাজকে এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ ব্যবহার করতে দেবে না।

ইসলামাবাদের শান্তি আলোচনার প্রধান লক্ষ্য যেখানে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া, সেখানে এই সামরিক তৎপরতা নতুন কোনো সংঘাতের উসকানি কি না—তা নিয়ে শুরু হয়েছে তুমুল বিশ্লেষণ।

/আশিক


তিন মার্কিন প্রেসিডেন্টকে যুদ্ধের চাপ দিয়েছিলেন নেতানিয়াহু, রাজি হলেন কেবল ট্রাম্প!

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ১১ ২০:৩৬:২৯
তিন মার্কিন প্রেসিডেন্টকে যুদ্ধের চাপ দিয়েছিলেন নেতানিয়াহু, রাজি হলেন কেবল ট্রাম্প!
ছবি : সংগৃহীত

সাবেক মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি এক বিস্ফোরক সাক্ষাৎকারে দাবি করেছেন যে, ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু দীর্ঘ সময় ধরে ইরানের ওপর সামরিক হামলা চালানোর জন্য যুক্তরাষ্ট্রের একাধিক প্রশাসনের ওপর তীব্র চাপ প্রয়োগ করেছিলেন।

শুক্রবার ‘দ্য ব্রিফিং উইথ জেন পসাকি’ অনুষ্ঠানে তিনি জানান, বারাক ওবামা, জর্জ ডব্লিউ বুশ এবং জো বাইডেন—সবাই নেতানিয়াহুর এই সরাসরি যুদ্ধের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। তবে কেরির দাবি অনুযায়ী, একমাত্র ডোনাল্ড ট্রাম্পই এই প্রস্তাবে শেষ পর্যন্ত সম্মতি দিয়েছিলেন।

নেতানিয়াহুর পরিকল্পনাটি ছিল একটি ‘চার দফা প্রস্তাব’, যার মূল লক্ষ্য ছিল ইরানের সামরিক সক্ষমতা ধ্বংস করা এবং দেশটিতে সরকার পরিবর্তনের সুযোগ তৈরি করা। জন কেরি জানান, বিষয়টি নিয়ে মার্কিন কর্মকর্তাদের মধ্যে দীর্ঘকাল ধরে মতভেদ থাকলেও ট্রাম্প প্রশাসনের আমলে পরিস্থিতি আমূল বদলে যায়।

আনাদোলু এজেন্সির প্রতিবেদন অনুসারে, এই ধারাবাহিকতার চূড়ান্ত রূপ দেখা যায় গত ২৮ ফেব্রুয়ারি, যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানের ওপর বড় ধরনের সামরিক অভিযান চালায়। ওই হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ বেশ কয়েকজন শীর্ষ নেতার নিহতের খবর পাওয়া যায়, যা পুরো মধ্যপ্রাচ্যে ভয়াবহ অস্থিরতা তৈরি করে।

এই হামলার জবাবে ইরানও থেমে থাকেনি; তারা ইসরায়েলসহ মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে পাল্টাপাল্টি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় এবং হরমুজ প্রণালি অবরোধ করে বিশ্ব অর্থনীতিতে ধাক্কা দেয়। টানা ৪০ দিনের রক্তক্ষয়ী সংঘাতের পর পাকিস্তান, তুরস্ক ও চীনের মতো দেশগুলোর মধ্যস্থতায় অবশেষে একটি দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়।

এই প্রেক্ষাপটেই আজ শনিবার (১১ এপ্রিল) পাকিস্তানের ইসলামাবাদে দুই দেশ স্থায়ী শান্তিচুক্তির লক্ষ্যে ঐতিহাসিক সংলাপে বসতে যাচ্ছে। জন কেরির এই মন্তব্য এমন এক সময়ে এল যখন সারা বিশ্বের নজর ইসলামাবাদের এই হাই-ভোল্টেজ বৈঠকের দিকে।

/আশিক

পাঠকের মতামত: