তেল আবিব ও হাইফায় আগুনের বৃষ্টি: খায়বার-শেকান মিসাইলে কাঁপছে ইসরায়েল

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২৩ ২০:৪৮:১৪
তেল আবিব ও হাইফায় আগুনের বৃষ্টি: খায়বার-শেকান মিসাইলে কাঁপছে ইসরায়েল
ছবি : সংগৃহীত

ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) এক চাঞ্চল্যকর বিবৃতিতে দাবি করেছে যে, তারা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে একযোগে ৭৬টি শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। সোমবার (২৩ মার্চ ২০২৬) প্রকাশিত এই বিবৃতিতে আইআরজিসি জানায়, শত্রুপক্ষের সামরিক অবকাঠামো ধ্বংসের ধারাবাহিকতায় তারা এই বড় ধরনের অভিযান পরিচালনা করেছে। হামলার লক্ষ্যবস্তু হিসেবে আল-ধাফরা, ভিক্টোরিয়া, কিং সুলতান বিমানঘাঁটি এবং বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন পঞ্চম নৌবহরকে চিহ্নিত করা হয়েছে।

আইআরজিসি-র তথ্যমতে, মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে ড্রোন ছাড়াও তাদের নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি শক্তিশালী তরল-জ্বালানি চালিত 'কিয়াম' এবং কঠিন-জ্বালানি চালিত 'জুলফিকার' ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে কার্যকরভাবে আঘাত হানা হয়েছে। একই সময়ে ইসরায়েলের অভ্যন্তরেও ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে ইরানি এই বাহিনী। ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো লক্ষ্য করে আশকেলন, তেল আবিব, হাইফা ও গুশ দান শহরে ভারী ক্ষেপণাস্ত্র এবং গাইডেড সমরাস্ত্র দিয়ে আক্রমণ করা হয়েছে।

বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয় যে, ইসরায়েলি শহরগুলোতে আঘাত হানতে তারা মূলত 'খায়বার-শেকান' এবং 'কিয়াম' তরল জ্বালানি চালিত ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ব্যবহার করেছে। আইআরজিসি-র এই দাবি অনুযায়ী, ড্রোন ও ব্যালিস্টিক মিসাইলের এই সমন্বিত আক্রমণে মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনীর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে। যদিও যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েলের পক্ষ থেকে এই হামলার ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য জানানো হয়নি। মধ্যপ্রাচ্যের এই ক্রমবর্ধমান সংঘাত এখন এক চূড়ান্ত যুদ্ধের রূপ নিচ্ছে বলে ধারণা করছেন সামরিক বিশ্লেষকরা।

সূত্র: বিবিসি বাংলা


তেলের বাজার নিয়ন্ত্রণে ট্রাম্পের নাটক? ইরানের বিস্ফোরক বয়ান

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২৩ ১৯:৪৪:১৩
তেলের বাজার নিয়ন্ত্রণে ট্রাম্পের নাটক? ইরানের বিস্ফোরক বয়ান
ছবি : সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘গঠনমূলক আলোচনা’ সংক্রান্ত দাবিকে সরাসরি নাকচ করে দিয়েছে ইরান। সোমবার (২৩ মার্চ ২০২৬) ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ইরানের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি অবকাঠামোতে পাঁচ দিনের জন্য হামলা স্থগিত রাখার যে ঘোষণা ট্রাম্প দিয়েছেন, তা মূলত বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমানো এবং মার্কিন সামরিক প্রস্তুতির জন্য সময় নেওয়ার একটি চতুর কৌশল মাত্র। তেহরান স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে তাদের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ কোনো আলোচনা হয়নি এবং যুদ্ধের এই পরিস্থিতির জন্য অন্য পক্ষই দায়ী।

রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম ফার্স ও তাসনিমের বরাতে ইরানি কর্মকর্তারা দাবি করেছেন, ইরানের কঠোর হুঁশিয়ারিকে গুরুত্ব দিয়েই যুক্তরাষ্ট্র আপাতত পিছু হটতে বাধ্য হয়েছে। এক নিরাপত্তা কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি আগের মতো স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরবে না এবং জ্বালানি বাজারে দ্রুত স্থিতিশীলতা আসার সম্ভাবনাও ক্ষীণ। মূলত ইরানের অনড় অবস্থান এবং পাল্টা হামলার ভয়েই ওয়াশিংটন এই ‘যুদ্ধবিরতি’র নাটক করছে বলে মনে করছে তেহরান।

এদিকে, ট্রাম্পের এই হামলা স্থগিতের বার্তার পরই আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামে বড় ধরনের ধস নেমেছে। আল-জাজিরার তথ্য অনুযায়ী, ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচারসের দাম ব্যারেলে প্রায় ১৭ ডলার বা ১৫ শতাংশ কমে ৯৬ ডলারে নেমে এসেছে।

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ১৩ দশমিক ৫ শতাংশ কমে ৮৫ দশমিক ২৮ ডলারে অবস্থান করছে। এর আগে হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়ে গিয়েছিল, যা এখন সাময়িকভাবে নিম্নমুখী।

/আশিক


হরমুজ সংকটে ইরানের সাথে হাত মেলাচ্ছে মার্কিন মিত্ররা

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২৩ ১৯:২১:৫২
হরমুজ সংকটে ইরানের সাথে হাত মেলাচ্ছে মার্কিন মিত্ররা
ছবি : সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার মাঝে একর্ঘদিনের বিশ্বস্ত বন্ধু যুক্তরাষ্ট্রের ও নাটকীয় মোড় নিয়েছে মার্কিন মিত্র দক্ষিণ কোরিয়ার অবস্থান। দীপর ভরসা করতে না পেরে এবার নিজেদের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরাসরি ইরানের দ্বারস্থ হয়েছে দেশটি। সোমবার (২৩ মার্চ ২০২৬) দক্ষিণ কোরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী চো হিউন ইরানকে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য বিশেষ অনুরোধ জানিয়েছেন।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্মিলিত আগ্রাসনের মুখে ইরান বিশ্ব জ্বালানি করিডোর হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ায় বিশ্বজুড়ে যে তেলের হাহাকার তৈরি হয়েছে, তা মেটাতেই সিউলের এই নমনীয় অবস্থান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মিত্র দেশগুলোর কাছে যুদ্ধজাহাজ চেয়েও কোনো সাড়া পাননি। ট্রাম্পের দেওয়া নিরাপত্তার আশ্বাসে কোনো দেশই বর্তমানে আস্থা রাখতে পারছে না। ফলে দক্ষিণ কোরিয়ার মতো অনেক দেশই এখন নিজেদের অর্থনৈতিক স্বার্থে ইরানের সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছে।

এই দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধের আশঙ্কায় এশীয় শেয়ার বাজারে বড় ধরনের ধস নেমেছে এবং দক্ষিণ কোরিয়ার মুদ্রা 'ওন'-এর মান গত ১৭ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। এমন এক নাজুক অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতেই চো হিউন ইরানের প্রতি এই বিশেষ আহ্বান জানান।

ইরান ইতোমধ্যে হুঁশিয়ারি দিয়েছে যে, তাদের ওপর আগ্রাসন চললে তারা হরমুজ প্রণালি বন্ধ রাখবে এবং প্রয়োজন হলে মাইন স্থাপন করবে। এমন এক পরিস্থিতিতে দক্ষিণ কোরিয়ার এই অনুরোধ মূলত ওয়াশিংটনের জন্য একটি বড় কূটনৈতিক ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে। কারণ, দক্ষিণ কোরিয়ার মতো শক্তিশালী মিত্র দেশও এখন জ্বালানি সংকটের মুখে মার্কিন নিরাপত্তার গ্যারান্টির চেয়ে তেহরানের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখাকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে।

সূত্র: আল জাজিরা।


সৌদি ও বাহরাইনে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের মিসাইল হামলা

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২৩ ১৮:৪৯:১৫
সৌদি ও বাহরাইনে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের মিসাইল হামলা
ছবি : সংগৃহীত

ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) আজ সোমবার (২৩ মার্চ ২০২৬) সৌদি আরব ও বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে বড় ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে। আল-জাজিরা এবং ডন-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, আইআরজিসির খাতাম আল-আম্বিয়া সদর দপ্তর এই হামলার দায় স্বীকার করেছে। তাদের দাবি অনুযায়ী, সৌদি আরবের আল-খারজে অবস্থিত প্রিন্স সুলতান এয়ার বেস এবং বাহরাইনে মোতায়েন মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম নৌবহর (5th Fleet) লক্ষ্য করে এই অভিযান চালানো হয়েছে।

আইআরজিসি জানিয়েছে, প্রিন্স সুলতান এয়ার বেসটি যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা বিমান মোতায়েন এবং মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক সরঞ্জাম পরিচালনার একটি প্রধান কেন্দ্র। এই ঘাঁটিতে তারা শক্তিশালী ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে হামলা চালিয়েছে। অন্যদিকে, বাহরাইনের মানামায় অবস্থিত মার্কিন নৌবাহিনীর সদর দপ্তরেও ড্রোন ও মিসাইল আঘাত হেনেছে বলে দাবি করা হয়েছে। যদিও এই হামলার ফলে হওয়া ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র বা সৌদি আরবের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়নি।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো জানাচ্ছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের অংশ হিসেবেই ইরান এই পাল্টাপাল্টি হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আজই ইরানের জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলা সাময়িকভাবে স্থগিত করার ইঙ্গিত দিয়েছেন, তবুও আইআরজিসি-র এই হামলা মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনাকে নতুন করে উসকে দিয়েছে।

/আশিক


ইরানে হামলা স্থগিত রাখছেন ট্রাম্প: বিশ্ব জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের পতন

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২৩ ১৮:৪২:৫৪
ইরানে হামলা স্থগিত রাখছেন ট্রাম্প: বিশ্ব জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের পতন
ছবি : সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে ঘনীভূত হওয়া যুদ্ধের মেঘ সাময়িকভাবে কেটে যাওয়ার আভাস মিলতেই আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দামে বড় ধরনের ধস নেমেছে। সোমবার (২৩ মার্চ ২০২৬) মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র ও জ্বালানি অবকাঠামোতে সম্ভাব্য সামরিক হামলা স্থগিত রাখার নির্দেশ দেওয়ার ঘোষণা দেওয়ার পরপরই বিশ্ববাজারে এই অভাবনীয় প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তের ফলে সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার যে চরম আতঙ্ক তৈরি হয়েছিল, তা থেকে স্বস্তি পেয়েছেন বিনিয়োগকারীরা।

বাজার বিশ্লেষকদের দেওয়া তথ্যমতে, আন্তর্জাতিক বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট ক্রুডের দাম এক লাফে ব্যারেলপ্রতি প্রায় ১৭ ডলার বা ১৫ শতাংশ কমে ৯৬ ডলারে নেমে এসেছে। একই সময়ে মার্কিন অপরিশোধিত তেল বা ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই)-এর দামও ১৩ ডলার বা প্রায় ১৩.৫ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৮৫.২৮ ডলারে দাঁড়িয়েছে। জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা এই পরিস্থিতিকে একটি শক্তিশালী ‘ডি-এস্কেলেশন সিগন্যাল’ বা উত্তেজনা প্রশমনের সংকেত হিসেবে দেখছেন।

বিশ্লেষকরা আরও জানিয়েছেন যে, গত কয়েকদিন ধরে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান উত্তেজনার কারণে তেলের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে ১০০ ডলার ছাড়িয়ে গিয়েছিল। তবে ট্রাম্পের সামরিক পদক্ষেপ স্থগিতের ইঙ্গিত বাজারে ভারসাম্য ফিরিয়ে এনেছে। বাজার সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের ঝুঁকি পুরোপুরি না কাটলেও এই সাময়িক স্বস্তি বিশ্ব অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। তবে পরিস্থিতি আবার জটিল হলে তেলের দামে পুনরায় অস্থিরতা দেখা দেওয়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দিচ্ছেন না বিশেষজ্ঞরা।

/আশিক


পারস্য উপসাগরে মাইন স্থাপনের হুমকি ইরানের: বিশ্ব তেলের বাজারে মহাপ্রলয়ের সংকেত

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২৩ ১৭:২৬:৪১
পারস্য উপসাগরে মাইন স্থাপনের হুমকি ইরানের: বিশ্ব তেলের বাজারে মহাপ্রলয়ের সংকেত
ছবি : সংগৃহীত

পারস্য উপসাগরের সমস্ত যোগাযোগ পথে মাইন স্থাপন করার এক ভয়াবহ হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। সোমবার (২৩ মার্চ ২০২৬) দেশটির জাতীয় প্রতিরক্ষা পরিষদের বরাতে আল-জাজিরা জানিয়েছে, যদি ইরানের উপকূল বা কোনো দ্বীপপুঞ্জে হামলার চেষ্টা করা হয়, তবে তারা এই কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। মধ্যপ্রাচ্যের এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ দিয়ে বিশ্বের সিংহভাগ জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হয়, ফলে ইরানের এই হুমকি বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় ধরনের বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এদিকে, সৌদি আরবে অবস্থিত মার্কিন বিমানঘাঁটি এবং বাহরাইনে মার্কিন পঞ্চম নৌবহরে সরাসরি হামলার দাবি করেছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) খাতাম আল-আম্বিয়া সদর দপ্তর। আইআরজিসি জানিয়েছে, তাদের বাহিনী সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটি এবং বাহরাইনের মার্কিন নৌঘাঁটি লক্ষ্য করে শক্তিশালী ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। তাদের দাবি অনুযায়ী, প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটিটি মার্কিন গোয়েন্দা বিমান মোতায়েন এবং সামরিক অভিযানের জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল।

আইআরজিসির এই দাবি নিয়ে এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে কোনো তাৎক্ষণিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি। এছাড়া কোনো স্বতন্ত্র আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বা সূত্র থেকেও এই হামলার সত্যতা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। তবে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান চরম উত্তেজনার মাঝে মার্কিন কৌশলগত ঘাঁটিগুলোতে এই ধরনের হামলার দাবি পুরো অঞ্চলের নিরাপত্তা সমীকরণকে আরও জটিল করে তুলেছে। ইরানের এই অনড় অবস্থান এবং জলপথে মাইন স্থাপনের হুমকি বিশ্বজুড়ে নতুন করে যুদ্ধের আতঙ্ক ছড়িয়ে দিচ্ছে।

/আশিক


তেহরানজুড়ে ইসরায়েল-মার্কিন বিমান হামলা: বিস্ফোরণে প্রকম্পিত ইরানের রাজধানী

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২৩ ১৭:১৮:০৪
তেহরানজুড়ে ইসরায়েল-মার্কিন বিমান হামলা: বিস্ফোরণে প্রকম্পিত ইরানের রাজধানী
ছবি : সংগৃহীত

ইরানের রাজধানী তেহরানসহ দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ শহরে ভয়াবহ বিমান হামলা ও শক্তিশালী বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (২৩ মার্চ ২০২৬) তেহরানের মধ্যাঞ্চলসহ রাজধানীর পূর্ব ও পশ্চিম অংশে একের পর এক বিস্ফোরণে প্রকম্পিত হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তেহরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় হওয়ার বিকট শব্দ শোনা গেছে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, ইরানজুড়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের এই বিমান হামলা অব্যাহত রয়েছে, যার ফলে একাধিক বড় শহরে সংঘাত ছড়িয়ে পড়েছে।

বার্তা সংস্থাগুলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় বন্দর আব্বাসে একটি রাষ্ট্রীয় রেডিও সম্প্রচারকেন্দ্রে সরাসরি হামলায় অন্তত একজন নিরাপত্তাকর্মী নিহত এবং একজন আহত হয়েছেন। ‘ইসলামিক রিপাবলিক অব ইরান ব্রডকাস্টিং’ (আইআরআইবি) নিশ্চিত করেছে যে, পারস্য উপসাগরীয় এই সম্প্রচার কেন্দ্রের একটি এএম ট্রান্সমিটার লক্ষ্য করে হামলাটি চালানো হয়।

এছাড়া খোররামাবাদ ও উর্মিয়া শহরের ঘনবসতিপূর্ণ আবাসিক এলাকায় বিমান হামলায় বেশ কয়েকজন বেসামরিক নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন। ইসফাহান, কারাজ এবং দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর আহভাজেও বড় ধরনের বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে; যেখানে একটি হাসপাতালও হামলার শিকার হয়েছে বলে জানা গেছে।

ইরানি রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি এক ভয়াবহ পরিসংখ্যান তুলে ধরে জানিয়েছে, চলমান এই হামলায় এ পর্যন্ত অন্তত ১ হাজার ৫০০ জন নিহত হয়েছেন। এছাড়া ৮০ হাজারের বেশি বেসামরিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে হাসপাতাল, স্কুল, গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং খোদ রেড ক্রিসেন্টের নিজস্ব স্থাপনা। পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে ইরান থেকেও ইসরায়েলের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে।

অধিকৃত পশ্চিম তীরের হেবরন এবং উপকূলীয় শহর নেতানিয়ার আকাশে রকেট ও ক্ষেপণাস্ত্র বিস্ফোরণের আলোকচ্ছটা দেখা গেছে। দুই পক্ষের এই পাল্টাপাল্টি আক্রমণে মধ্যপ্রাচ্যে এক প্রলয়ংকরী যুদ্ধের বিভীষিকা ছড়িয়ে পড়েছে।

তথ্যসূত্র : আল জাজিরা, এএফপি, দ্য গার্ডিয়ান


মার্কিন সামরিক আগ্রাসন মোকাবিলায় প্রস্তুত কিউবা: উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২৩ ১১:৪৮:২৩
মার্কিন সামরিক আগ্রাসন মোকাবিলায় প্রস্তুত কিউবা: উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি
ছবি : সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর তেল অবরোধের মুখে দেশজুড়ে ভয়াবহ বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের শিকার হওয়া কিউবা ঘোষণা করেছে যে, তারা ওয়াশিংটনের যেকোনো ধরনের সামরিক আগ্রাসন মোকাবিলা করতে পুরোপুরি প্রস্তুত। রোববার (২২ মার্চ ২০২৬) কিউবার উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কার্লোস ফার্নান্দেজ ডি কসিও এনবিসি নিউজের এক সাক্ষাৎকারে এই মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, কিউবা ঐতিহাসিকভাবেই যেকোনো হামলা ঠেকাতে পুরো জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করতে সক্ষম।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি দ্বীপরাষ্ট্রটি ‘দখল’ করার যে হুমকি দিয়েছেন, তার প্রতিক্রিয়ায় ডি কসিও জানান যে, কিউবা প্রস্তুতি ছাড়া বসে থাকার মতো ‘বোকা’ নয়। যদিও তিনি মনে করেন এমন আক্রমণের সম্ভাবনা খুব বেশি নয়, তবুও তারা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

কিউবার জরাজীর্ণ বিদ্যুৎ ব্যবস্থার ওপর মার্কিন অবরোধের প্রভাবে গত এক সপ্তাহে দ্বিতীয়বার এবং মার্চ মাসে তৃতীয়বারের মতো দেশজুড়ে ব্ল্যাকআউট বা বিদ্যুৎ বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। শনিবারের এই মহাবিপর্যয়ের পর রোববার সকাল পর্যন্ত হাভানার ২০ লাখ জনসংখ্যার মধ্যে মাত্র ৭২ হাজার গ্রাহকের বিদ্যুৎ সংযোগ পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।

কিউবার খনিজ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, কামাগুয়ে প্রদেশের ‘নুয়েভিতাস’ তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের একটি ইউনিট বিকল হওয়ায় পুরো জাতীয় গ্রিড অচল হয়ে পড়ে। গত তিন মাস ধরে বিদেশি কোনো উৎস থেকে তেল না পাওয়া এবং অভ্যন্তরীণভাবে চাহিদার মাত্র ৪০ শতাংশ জ্বালানি উৎপাদিত হওয়ায় কিউবার অর্থনীতি এখন খাদের কিনারে দাঁড়িয়ে আছে।

গত ১৬ মার্চ প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দাবি করেন যে কিউবার শাসনব্যবস্থা ভেঙে পড়ার দ্বারপ্রান্তে এবং তিনি দেশটি নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার ‘সম্মান’ অর্জনের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। এর আগে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর থেকেই কিউবার ওপর তেল সরবরাহ বন্ধের কঠোর নির্দেশ দেন তিনি। তবে কিউবার উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, ওয়াশিংটনের সঙ্গে আলোচনায় কিউবার রাজনৈতিক কাঠামো বা শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন নিয়ে সমঝোতার কোনো সুযোগ নেই।

অন্যদিকে, মার্কিন সাউদার্ন কমান্ডের প্রধান জেনারেল ফ্রান্সিস ডনোভান জানিয়েছেন, তাদের সৈন্যরা কিউবা দখলের কোনো মহড়া দিচ্ছে না, তবে মার্কিন দূতাবাস ও গুয়ান্তানামো বে ঘাঁটির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তারা সদা প্রস্তুত। বর্তমানে তেল অবরোধের প্রতিবাদে কিউবা সরকার মার্কিন দূতাবাসের জেনারেটরের জন্য ডিজেল আমদানির অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করেছে, যা দুই দেশের সম্পর্ককে কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে নাজুক অবস্থায় ঠেলে দিয়েছে।

সূত্র: আল জাজিরা


ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়াল তেলের দাম: ট্রাম্পের আল্টিমেটামে বিশ্ববাজারে কাঁপন

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২৩ ১১:০৬:৩০
ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়াল তেলের দাম: ট্রাম্পের আল্টিমেটামে বিশ্ববাজারে কাঁপন
ছবি : সংগৃহীত

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ৪৮ ঘণ্টার কঠোর আল্টিমেটাম এবং ইসরায়েলের দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধের ঘোষণায় বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেলের বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। সোমবার (২৩ মার্চ ২০২৬) বাজার খোলার পরপরই অপরিশোধিত তেলের দাম রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে। ইরানের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে না দিলে দেশটির জ্বালানি অবকাঠামো ‘পুরোপুরি ধ্বংস’ করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন ট্রাম্প, যা বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় ধরনের সংকটের পূর্বাভাস দিচ্ছে।

দ্য গার্ডিয়ান ও রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গ্রিনিচ মান সময় রোববার রাত ১০টায় আন্তর্জাতিক বাজার খোলার সঙ্গে সঙ্গেই তেলের দামে উল্লম্ফন দেখা দেয়। মে মাসের সরবরাহের জন্য মার্কিন অপরিশোধিত তেল ডব্লিউটিআই (WTI)-এর মূল্য ১.৮ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়ে যায়।

যদিও লেনদেনের কিছু সময় পর এটি ৯৯ ডলারের কাছাকাছি স্থিতিশীল হয়। একই সময়ে আন্তর্জাতিক বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট ক্রুড (Brent Crude) তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১১৩.৪৪ ডলারে পৌঁছায়, যা পরে সামান্য কমে ১১২ ডলারে অবস্থান করছে।

উল্লেখ্য যে, গত ২৭ ফেব্রুয়ারি ইরান-ইসরায়েল সংঘাত শুরুর আগের দিন ডব্লিউটিআই ও ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ছিল যথাক্রমে ৬৭.০২ এবং ৭২.৪৮ ডলার। অর্থাৎ মাত্র তিন সপ্তাহের ব্যবধানে তেলের দাম প্রায় ৫০ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। গোল্ডম্যান স্যাকস ও সিটি ব্যাংকের বিশ্লেষকরা সতর্ক করেছেন যে, হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে অদূর ভবিষ্যতে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১৫০ থেকে ২০০ ডলার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।

/আশিক


৪২ বছরের ইতিহাসে বড় ধাক্কা: হরমুজ প্রণালি বন্ধে অন্ধকারে ডুবছে বিশ্ব অর্থনীতি

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২৩ ১০:৫৩:০৭
৪২ বছরের ইতিহাসে বড় ধাক্কা: হরমুজ প্রণালি বন্ধে অন্ধকারে ডুবছে বিশ্ব অর্থনীতি
ছবি : সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার (আইইএ) নির্বাহী পরিচালক ফতিহ বিরল বর্তমান বিশ্ব জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে এক ভয়াবহ সতর্কতা জারি করেছেন। সোমবার (২৩ মার্চ ২০২৬) অস্ট্রেলিয়ার রাজধানী ক্যানবেরার ন্যাশনাল প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, বর্তমান জ্বালানি সংকট ১৯৭০-এর দশকের তেল সংকট এবং ২০২২ সালে ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবকেও ছাড়িয়ে গেছে। তার মতে, বিশ্ব অর্থনীতি এখন এক ‘বিশাল হুমকির’ মুখে দাঁড়িয়ে আছে এবং কোনো দেশই এর নেতিবাচক প্রভাব থেকে মুক্ত থাকতে পারবে না।

ফতিহ বিরল এই পরিস্থিতিকে দুটি বড় তেল সংকট এবং একটি গ্যাস সংকটের সম্মিলিত রূপ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। আইইএ-র তথ্যমতে, ১৯৭০-এর দশকের সংকটে প্রতিদিন ১ কোটি ব্যারেল তেল সরবরাহ ব্যাহত হয়েছিল, কিন্তু বর্তমান সংকটে প্রতিদিন ১ কোটি ১০ লাখ ব্যারেল তেল বাজার থেকে হারিয়ে গেছে। চলমান মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের ফলে ওই অঞ্চলের অন্তত ৪০টি গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি স্থাপনা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

এই সংকট মোকাবিলায় আইইএ ইতোমধ্যে এশিয়া ও ইউরোপের দেশগুলোর সঙ্গে তাদের জরুরি তেলের মজুত বাজারে ছাড়ার বিষয়ে আলোচনা শুরু করেছে। এর আগে চলতি মাসের ১১ মার্চ আইইএ সদস্য দেশগুলো বিশ্ববাজারে তেলের আকাশচুম্বী দাম নিয়ন্ত্রণে রেকর্ড ৪০০ মিলিয়ন (৪০ কোটি) ব্যারেল তেল ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছিল, যা সংস্থাটির ইতিহাসে বৃহত্তম পদক্ষেপ।

আইইএ প্রধান আরও স্পষ্ট করেছেন যে, বাজার পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে প্রয়োজন হলে তারা আরও মজুত তেল ছাড়তে প্রস্তুত আছেন। তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার সবচেয়ে কার্যকর সমাধান হলো কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে নিয়মিত সরবরাহ পুনরায় শুরু করা। এই সংকট নিরসনে তিনি এখন বিশ্বব্যাপী সম্মিলিত প্রচেষ্টার আহ্বান জানিয়েছেন।

/আশিক

পাঠকের মতামত: