টাকা না কি খাদ্যপণ্য? ফ্যামিলি কার্ডের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা জানালেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী

আগামীকাল মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকাল ১০টায় রাজধানীর কড়াইল বস্তি সংলগ্ন বনানীর টিঅ্যান্ডটি খেলার মাঠে দেশের প্রথম 'ফ্যামিলি কার্ড' বিতরণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এই পাইলট প্রকল্পের আওতায় প্রথম ধাপে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মোট ৩৭ হাজার ৫৬৭টি নারীপ্রধান পরিবারকে এই স্মার্ট কার্ড প্রদান করা হবে। আজ সোমবার (৯ মার্চ) সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সমাজকল্যাণ মন্ত্রী আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন এই যুগান্তকারী প্রকল্পের বিস্তারিত তুলে ধরেন।
মন্ত্রী জানান, নারীর ক্ষমতায়ন ও সামাজিক ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই পরিবারে নারীকে প্রধান হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে এই কার্ড প্রবর্তন করা হয়েছে। এই কার্ডের মাধ্যমে সরাসরি ডিজিটাল পদ্ধতিতে সামাজিক সুরক্ষা সুবিধাগুলো প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে। পুরো প্রক্রিয়াটি সফটওয়্যারের মাধ্যমে 'প্রক্সি মিনস টেস্ট' (PMT) পদ্ধতিতে সম্পন্ন করায় এখানে দুর্নীতি বা স্বজনপ্রীতির কোনো সুযোগ নেই। প্রতিটি স্মার্ট কার্ডে আধুনিক কিউআর কোড ও এনএফসি প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে, যা অত্যন্ত নিরাপদ ও দীর্ঘস্থায়ী।
পাইলট পর্যায়ে প্রতিটি নারীপ্রধান পরিবার প্রতি মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে নগদ সহায়তা পাবে। তবে মন্ত্রী উল্লেখ করেছেন যে, পরবর্তীতে নগদ টাকার পরিবর্তে সমমূল্যের খাদ্যপণ্য সহায়তা দেওয়ার বিষয়টিও সরকারের বিবেচনায় রয়েছে। ফ্যামিলি কার্ডের জন্য নির্বাচিত কোনো নারী যদি আগে থেকেই অন্য কোনো সরকারি ভাতা পেয়ে থাকেন, তবে নতুন কার্ডের অন্তর্ভুক্তিতে সেই পুরনো সুবিধা বাতিল বলে গণ্য হবে। তবে পরিবারের অন্য সদস্যরা তাদের বিদ্যমান ভাতা গ্রহণ চালিয়ে যেতে পারবেন।
সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, সরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের বেতনভুক্ত কর্মচারী, পেনশনভোগী বা এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা এই সুবিধার আওতায় আসবেন না। এই পাইলট প্রকল্পের জন্য জুন ২০২৬ পর্যন্ত মোট ৩৮ কোটি ৭ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এর মধ্যে বড় একটি অংশ (২৫ কোটি ১৫ লাখ টাকা) সরাসরি সাধারণ মানুষের নগদ সহায়তায় ব্যয় হবে এবং বাকি অংশ তথ্য সংগ্রহ ও সিস্টেম উন্নয়নে ব্যবহৃত হবে। বর্তমান সরকারের এই উদ্যোগকে দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ভাগ্যোন্নয়নে একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।
/আশিক
হাদির খুনিদের ফেরত দিতে ভারতকে বলা হয়েছে: সালাহউদ্দিন আহমদ
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, সীমান্তে নিহত হাদির হত্যাকারীদের দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি জানান, ভারতকে প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট অপরাধীদের ফেরত দেওয়ার অনুরোধ জানাতে পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে আহ্বান জানানো হয়েছে। সোমবার (৯ মার্চ) কক্সবাজার জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির বৈঠক শেষে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে মন্ত্রী এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে দেশে বিরাজমান ‘মব কালচার’ নিয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। তিনি বলেন, “আমরা বাংলাদেশে মব কালচারকে কখনো আর এগোতে দেবো না। এটি চিরতরে বন্ধ করতে হবে এবং ইনশাআল্লাহ বাংলাদেশ থেকে এটি বিলুপ্ত হবে।” জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে, কোনো সন্ত্রাসী, অস্ত্রধারী, চাঁদাবাজ কিংবা সংঘবদ্ধ অপরাধীকে আইনের ঊর্ধ্বে থাকতে দেওয়া হবে না। অপরাধীদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা সরকারের দৃঢ় প্রতিজ্ঞা ও প্রতিশ্রুতি বলে তিনি উল্লেখ করেন।
কক্সবাজারের স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা ও পর্যটন নিয়ে পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, একটি শক্তিশালী ‘বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটি’ গঠনের মাধ্যমে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতকে পূর্ণ শৃঙ্খলার মধ্যে নিয়ে আসা হবে। পর্যটকদের নিরাপত্তা ও শহর ব্যবস্থাপনায় পুরো কক্সবাজার শহরকে সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় আনা হবে। পাশাপাশি যানজট নিরসনে শহরে টমটম চলাচল নিয়ন্ত্রণ করার বিষয়েও তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
সীমান্তবর্তী এলাকায় মাদক চোরাচালান রোধে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতির কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, উখিয়া-টেকনাফ রুটে মাদক পাচার সম্পূর্ণ বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। জাতীয় নিরাপত্তা ও জনস্বার্থ রক্ষায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মাদক ও সন্ত্রাসবাদ নির্মূলে মাঠপর্যায়ে সক্রিয় রয়েছে বলেও তিনি জানান।
/আশিক
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বেপজা চেয়ারম্যানের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক
বাংলাদেশের রপ্তানি খাত ও শিল্প বিনিয়োগের অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা করতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ (বেপজা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মোহাম্মদ মোয়াজ্জেম হোসেন।
সোমবার (৯ মার্চ ২০২৬) সকালে রাজধানীর সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কার্যালয়ে এই সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে দেশের রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলগুলোর বর্তমান কার্যক্রম, বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের কৌশল এবং শিল্পায়ন সম্প্রসারণের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
বৈঠকে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলগুলোর অবদান এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে বেপজার ভূমিকার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রীকে বেপজার চলমান উন্নয়ন প্রকল্প, নতুন শিল্প বিনিয়োগের সম্ভাবনা এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে অবহিত করেন নির্বাহী চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মোহাম্মদ মোয়াজ্জেম হোসেন।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী রপ্তানি খাতকে আরও শক্তিশালী করতে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ বজায় রাখা, শিল্প অবকাঠামো উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন বলে জানা গেছে।
বৈঠকে বেপজার অধীনে পরিচালিত বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, প্রযুক্তিনির্ভর উৎপাদন সম্প্রসারণ এবং বৈদেশিক বিনিয়োগকারীদের জন্য সুবিধা বৃদ্ধির বিষয়েও আলোচনা হয়। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলগুলোর ভূমিকা আরও সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ (বেপজা) দেশের বিভিন্ন স্থানে শিল্পাঞ্চল পরিচালনা করে আসছে, যেখানে দেশি ও বিদেশি বিনিয়োগকারীরা শিল্প স্থাপন করে উৎপাদন ও রপ্তানি কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। এই শিল্পাঞ্চলগুলো দেশের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং শিল্পায়নের প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে।
-শরিফুল
হাদি হত্যার আসামিদের দেশে আনতে পরিকল্পনার কথা জানালেন আইজিপি
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার আসামিদের দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য কূটনৈতিক প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) আলী হোসেন ফকির। সোমবার (৯ মার্চ) পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের মিডিয়া সেন্টারে সমসাময়িক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত দুই আসামিকে ইতোমধ্যে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং তাদের বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, খুব শিগগিরই তাদের দেশে ফিরিয়ে এনে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে।
সংবাদ সম্মেলনে আইজিপি আরও জানান, দেশের বিভিন্ন এলাকায় সক্রিয় চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীদের একটি তালিকা তৈরি করা হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে দলমতের ঊর্ধ্বে উঠে কঠোর অভিযান পরিচালনা করা হবে। একই সঙ্গে উগ্রপন্থিদের পুনরুত্থান ঠেকাতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে মহাসড়কগুলোতে যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, ঈদযাত্রার সময় ছিনতাই, ডাকাতি বা চাঁদাবাজির মতো অপরাধ যেন না ঘটে, সে বিষয়ে পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক থাকবে।
বেতন-ভাতা নিয়ে পোশাকশিল্প খাতে সম্ভাব্য শ্রমিক অসন্তোষের প্রসঙ্গেও কথা বলেন আইজিপি। তিনি জানান, এ বিষয়ে বিজিএমইএ ও বিকেএমইএর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে, যাতে কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি না হয়। একই সঙ্গে জঙ্গিবাদ দমনে পুলিশের নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হওয়ার পেছনে কিছু সদস্য দায়ী উল্লেখ করে তিনি বলেন, পদোন্নতি ও পদায়নের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের স্বজনপ্রীতি বরদাস্ত করা হবে না। সৎ ও যোগ্য ব্যক্তিদের দিয়েই পুলিশ বাহিনী পরিচালিত হবে।
আইজিপি আরও জানান, অপরাধ তদন্তকে আরও কার্যকর করতে সিআইডিকে আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে শক্তিশালী করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি থানাগুলোকে “জিরো কমপ্লেইন” ব্যবস্থায় রূপান্তর এবং দ্রুত পদক্ষেপ নিশ্চিত করতে থানায় ম্যাজিস্ট্রেসি সিস্টেম চালুর প্রয়োজনীয়তার কথাও তিনি তুলে ধরেন।
উল্লেখ্য, গত বছরের ১২ ডিসেম্বর ঢাকার পল্টনের বক্স কালভার্ট রোড এলাকায় জুমার নামাজ শেষে প্রচারণা চালানোর সময় মোটরসাইকেলে আসা দুই ব্যক্তির গুলিতে গুরুতর আহত হন ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদি। পরে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নেওয়া হলে ১৮ ডিসেম্বর সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। এই হত্যাকাণ্ডের পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে কয়েকজনকে গ্রেফতার করে এবং তাদের মধ্যে ছয়জন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। সম্প্রতি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তর চব্বিশ পরগনার বনগাঁ এলাকা থেকে প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার সহযোগী আলমগীর হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বর্তমানে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাদের বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনার প্রস্তুতি চলছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
-রফিক
মক্কা-মদিনায় আটকা ৩৫০০ বাংলাদেশি: যুদ্ধের কবলে ওমরাহ যাত্রীদের কান্না
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের প্রভাবে সৌদি আরবে ওমরাহ পালন করতে গিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন সাড়ে তিন হাজারের বেশি বাংলাদেশি। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে অধিকাংশ আন্তর্জাতিক এয়ারলাইন্স তাদের ফ্লাইট বাতিল করায় মক্কা ও মদিনায় আটকে পড়া এই মুতামিররা এখন অর্থ ও আবাসন সংকটে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। অনেকের হাতে খাবার ও হোটেলের খরচ দেওয়ার মতো টাকা নেই, আবার দেশে ফিরতে নতুন টিকিটের জন্য ট্রাভেল এজেন্সিগুলো অতিরিক্ত ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা দাবি করছে।
মক্কার বাংলাদেশ হজ মিশন সূত্রে জানা গেছে, যুদ্ধের কারণে এয়ার অ্যারাবিয়া ও এমিরেটসের মতো প্রধান এয়ারলাইন্সগুলোর ফ্লাইট বন্ধ হয়ে যাওয়ায় গত কয়েক দিনে সহস্রাধিক ওমরাহ যাত্রীর টিকিট বাতিল হয়েছে। রাজশাহীর মো. আজাদ ও মুন্সীগঞ্জের রিয়াজুল হায়দারের মতো শত শত মুতামির প্রতিদিন হজ মিশনে ভিড় করছেন সাহায্যের আশায়। অনেক ট্রাভেল এজেন্সি প্যাকেজের মেয়াদ শেষ হওয়ার অজুহাতে থাকা-খাওয়ার দায়িত্ব নিতে অস্বীকার করায় যাত্রীদের নিজ খরচে হোটেলে থাকতে হচ্ছে, যা অনেকের পক্ষেই সম্ভব হচ্ছে না। বিশেষ করে দরিদ্র মুতামিররা এখন চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।
মক্কার বাংলাদেশ হজ মিশনের প্রধান কনসাল কামরুল ইসলাম জানিয়েছেন, আটকে পড়া যাত্রীদের দেশে পাঠাতে বাংলাদেশ বিমানের বিশেষ ফ্লাইট চালুর উদ্যোগ নেওয়া হলেও খরচ মাত্রাতিরিক্ত হওয়ায় শেষ মুহূর্তে তা বাতিল করা হয়েছে। জেদ্দা থেকে যাত্রী নিতে গেলে খালি বিমান পাঠানোর কারণে টিকিটের দাম ১ লাখ টাকা ছাড়িয়ে যেত। ফলে বর্তমানে যেসব নিয়মিত ফ্লাইট চালু আছে, সেগুলোতে ৫০-৬০ হাজার টাকার বিনিময়ে নতুন টিকিট কেটে যাত্রীদের পর্যায়ক্রমে দেশে ফিরতে হচ্ছে। অনেক যাত্রী বাধ্য হয়ে ভারতের ইন্ডিগো এয়ারলাইন্সে কলকাতা হয়ে ট্রানজিট নিয়ে দেশে ফিরছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, সাড়ে তিন হাজার যাত্রীকে নতুন করে টিকিট কাটতে অন্তত ১৮ কোটি টাকা অতিরিক্ত ব্যয় করতে হবে। এ অবস্থায় ট্রাভেল এজেন্সিগুলোর অসহযোগিতা সংকটকে আরও ঘনীভূত করছে। হজ মিশন থেকে এজেন্সি মালিকদের ভর্তুকি দিয়ে হলেও অসহায় যাত্রীদের পাশে দাঁড়ানোর অনুরোধ জানানো হয়েছে। যুদ্ধ পরিস্থিতির দীর্ঘসূত্রিতা ও আকাশপথের অস্থিরতা ওমরাহ যাত্রীদের ওপর এই বাড়তি আর্থিক ও মানসিক দুর্ভোগের বোঝা চাপিয়ে দিয়েছে।
/আশিক
ইমাম-মুয়াজ্জিনসহ ধর্মীয় সেবকদের জন্য মাসিক সম্মানী চালু, পাবেন যত টাকা
নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে দেশের ধর্মীয় উপাসনালয়গুলোতে দায়িত্ব পালনকারী ব্যক্তিদের জন্য মাসিক সম্মানী চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। পরিকল্পনা অনুযায়ী আসন্ন ঈদুল ফিতরের আগেই পরীক্ষামূলকভাবে দেশের ৪ হাজার ৯০৮টি মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খতিবদের মাসিক সম্মানী প্রদান শুরু করা হবে।
এই কর্মসূচির আওতায় শুধু মুসলিম ধর্মীয় নেতারাই নন, অন্যান্য ধর্মের উপাসনালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরাও অন্তর্ভুক্ত থাকবেন। প্রথম পর্যায়ে ৯৯০টি মন্দির, ১৪৪টি বৌদ্ধবিহার এবং ৩৯৬টি গির্জার পুরোহিত, অধ্যক্ষ ও যাজকদেরও এই সম্মানী দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে সরকার।
রোববার (৮ মার্চ) সচিবালয়ে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের এক সভা শেষে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানান প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসনবিষয়ক উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ। সভায় ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ সাকিসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সরকারি পরিকল্পনা অনুযায়ী, এই কর্মসূচি প্রথমে পরীক্ষামূলকভাবে শুরু হলেও আগামী চার অর্থবছরের মধ্যে ধাপে ধাপে সারা দেশের সব মসজিদ, মন্দির, বৌদ্ধবিহার এবং গির্জাকে এর আওতায় আনা হবে।
মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ জানান, মাসিক সম্মানীর পাশাপাশি ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জন্য বিশেষ ভাতাও দেওয়া হবে। পবিত্র ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা উপলক্ষে এক হাজার টাকা করে উৎসব ভাতা দেওয়া হবে।
অন্যদিকে অন্যান্য ধর্মীয় উৎসব যেমন দুর্গাপূজা, বুদ্ধপূর্ণিমা এবং বড়দিন উপলক্ষে দুই হাজার টাকা করে বিশেষ ভাতা প্রদান করা হবে।
চলতি অর্থবছরে এই কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য প্রায় ২৭ কোটি ১৩ লাখ টাকা ব্যয় হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। পরিকল্পনা অনুযায়ী ১৫ মার্চের মধ্যে সোনালী ব্যাংকের মাধ্যমে উপকারভোগীদের কাছে সম্মানীর অর্থ পৌঁছে দেওয়া হবে।
এছাড়া এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন আগামী ১৪ মার্চ রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান করবেন বলে জানা গেছে।
সরকারি হিসাব অনুযায়ী, ভবিষ্যতে দেশের সব ধর্মীয় উপাসনালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের এই কর্মসূচির আওতায় আনা হলে বার্ষিক ব্যয় দাঁড়াতে পারে প্রায় ৪ হাজার ৪০০ কোটি টাকা।
সম্মানীর কাঠামো অনুযায়ী মসজিদের ইমামরা মাসে পাঁচ হাজার টাকা, মুয়াজ্জিনরা তিন হাজার টাকা এবং খাদেমরা দুই হাজার টাকা করে ভাতা পাবেন।
একইভাবে মন্দিরের পুরোহিতরা পাঁচ হাজার টাকা এবং সেবায়েতরা তিন হাজার টাকা করে সম্মানী পাবেন।
বৌদ্ধবিহারের ক্ষেত্রে অধ্যক্ষরা পাঁচ হাজার টাকা এবং উপাধ্যক্ষরা তিন হাজার টাকা করে সম্মানী পাবেন। অন্যদিকে গির্জার যাজকরা পাঁচ হাজার এবং সহকারী যাজকরা তিন হাজার টাকা করে মাসিক ভাতা পাবেন।
সরকারি কর্মকর্তাদের মতে, এই কর্মসূচির লক্ষ্য হলো দেশের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের আর্থিক সহায়তা প্রদান করা এবং সামাজিক ও ধর্মীয় সেবায় তাদের ভূমিকা আরও শক্তিশালী করা।
-শরিফুল
ঢাকার ৫টি বস্তিসহ দেশের ১৪ উপজেলায় পরীক্ষামূলক ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ শুরু
আগামীকাল মঙ্গলবার থেকে সারাদেশে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে 'ফ্যামিলি কার্ড' বিতরণের পরীক্ষামূলক বা পাইলট কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকার। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাজধানীর কড়াইল বস্তি এলাকায় সুবিধাবঞ্চিত নারীদের হাতে এই কার্ড তুলে দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন। উদ্বোধনের দিনই সুবিধাভোগীদের ব্যক্তিগত মোবাইল ফোনে প্রথম মাসের আড়াই হাজার টাকা নগদ সহায়তা পৌঁছে যাবে বলে নিশ্চিত করা হয়েছে। এর আগে সরকারিভাবে এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠান বগুড়ায় হওয়ার কথা থাকলেও পরবর্তীতে তা পরিবর্তন করে ঢাকায় নির্ধারণ করা হয়েছে।
এই মেগা প্রকল্পের বিস্তারিত তথ্য জনসমক্ষে তুলে ধরতে আজ সোমবার (৯ মার্চ) দুপুর আড়াইটায় অর্থ মন্ত্রণালয়ের মাল্টিপারপাস হলে একটি সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করা হয়েছে। ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের গুরুত্ব বিবেচনায় অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী চট্টগ্রামে এবং বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির সুনামগঞ্জে উপস্থিত থেকে স্থানীয় পর্যায়ে এ কার্যক্রম তদারকি করবেন। গত ১৯ ফেব্রুয়ারি এই কর্মসূচি বাস্তবায়নে অর্থমন্ত্রীকে প্রধান করে ১৫ সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছিল, যারা কার্ডধারীদের তালিকা ও অর্থ বরাদ্দ তদারকি করছেন।
প্রাথমিকভাবে দেশের ১৪টি উপজেলার একটি করে ওয়ার্ডে এই পাইলট কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। নির্ধারিত এলাকাগুলোর মধ্যে রয়েছে রাজধানীর কড়াইল বস্তি, সাততলা বস্তি, ভাসানটেক বস্তি, মিরপুর শাহ আলী বাগানবাড়ি এলাকা এবং আলিমিয়ার টেক বস্তি। ঢাকার বাইরে রাজবাড়ীর পাংশা, চট্টগ্রামের পটিয়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর, বান্দরবানের লামা, খুলনার খালিশপুর, ভোলার চরফ্যাশন, সুনামগঞ্জের দিরাই, কিশোরগঞ্জের ভৈরব, বগুড়া সদর, নাটোরের লালপুর, ঠাকুরগাঁও সদর এবং দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে এই কার্ড বিতরণ করা হবে। প্রতিটি তালিকাভুক্ত পরিবার প্রতি মাসে সরকারের পক্ষ থেকে আড়াই হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা পাবে।
সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন এবং নিত্যপণ্যের ঊর্ধ্বগতির বাজারে সাধারণ মানুষকে স্বস্তি দেওয়া সম্ভব হবে। পাইলট প্রকল্পের সাফল্য বিবেচনা করে পরবর্তীতে পর্যায়ক্রমে দেশের প্রতিটি জেলায় এই কার্ড বিতরণের পরিকল্পনা রয়েছে। আজকের সংবাদ সম্মেলনে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে কার্ড পাওয়ার যোগ্যতা, আবেদনের প্রক্রিয়া এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে আরও বিস্তারিত রূপরেখা প্রদান করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
/আশিক
কড়াইল বস্তি থেকে শুরু ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ, আর যারা পাবে
দরিদ্র ও নিম্নআয়ের পরিবারকে সহায়তা দিতে দেশে নতুন সামাজিক নিরাপত্তা উদ্যোগ হিসেবে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে সরকার। আগামীকাল মঙ্গলবার (৯ মার্চ) রাজধানীর কড়াইল এলাকা থেকে এই কর্মসূচির পাইলট কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হবে।
সরকারি পরিকল্পনা অনুযায়ী, রাজধানীর কড়াইল বস্তিতে বসবাসরত সুবিধাভোগী নারীদের হাতে কার্ড তুলে দিয়ে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে কার্ডধারী পরিবারগুলোর মোবাইল ফোনে প্রথম মাসের নগদ সহায়তার অর্থও পাঠানো হবে।
অর্থ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই কর্মসূচির মাধ্যমে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দরিদ্র পরিবারের জন্য একটি নিয়মিত আর্থিক সহায়তা কাঠামো গড়ে তোলা হচ্ছে। পাইলট পর্যায়ে অন্তর্ভুক্ত পরিবারগুলোকে প্রতি মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে নগদ সহায়তা প্রদান করা হবে।
এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে আজ সোমবার (৯ মার্চ) দুপুর আড়াইটায় অর্থ মন্ত্রণালয়ের মাল্টিপারপাস হলে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে প্রকল্পের উদ্দেশ্য, বাস্তবায়ন কাঠামো এবং সুবিধাভোগীদের নির্বাচনের পদ্ধতি তুলে ধরা হবে।
এই কর্মসূচির উদ্বোধন উপলক্ষে সরকারের একাধিক মন্ত্রী দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে উপস্থিত থাকবেন। অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী চট্টগ্রামে এবং বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির সুনামগঞ্জে কর্মসূচির বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশ নেবেন বলে জানা গেছে।
প্রাথমিকভাবে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে লক্ষ্য করে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে। রাজধানীর যেসব এলাকায় প্রথম ধাপে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হবে, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে কড়াইল বস্তি, সাততলা বস্তি, ভাসানটেক বস্তি, মিরপুর সার্কেল বা শাহ আলীর ওয়ার্ড-৮, আলিমিয়ার টেক বস্তি (ওয়ার্ড-১৪) এবং বাগানবাড়ি বস্তি এলাকা।
ঢাকার বাইরে দেশের আরও কয়েকটি উপজেলায় এই কর্মসূচি পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা হবে। এসব এলাকার মধ্যে রয়েছে রাজবাড়ীর পাংশা, চট্টগ্রামের পটিয়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর, বান্দরবানের লামা, খুলনার খালিশপুর, ভোলার চরফ্যাশন, সুনামগঞ্জের দিরাই, কিশোরগঞ্জের ভৈরব, বগুড়া সদর, নাটোরের লালপুর, ঠাকুরগাঁও সদর এবং দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ।
সরকারি সূত্রে জানা গেছে, পাইলট পর্যায়ে ১৪টি উপজেলার প্রতিটিতে একটি করে ওয়ার্ডে এই কার্ড বিতরণ করা হবে। এই পর্যায়ের অভিজ্ঞতা বিশ্লেষণ করে ভবিষ্যতে কর্মসূচিটি দেশের অন্যান্য অঞ্চলেও সম্প্রসারণ করা হতে পারে।
এই প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য গত ১৯ ফেব্রুয়ারি অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে সভাপতি করে ১৫ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটি প্রকল্পের পরিকল্পনা, বাস্তবায়ন এবং তদারকির দায়িত্ব পালন করবে।
অর্থনীতিবিদদের মতে, নিম্নআয়ের পরিবারকে সরাসরি নগদ সহায়তা দেওয়ার এই ধরনের কর্মসূচি দারিদ্র্য কমানো, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং স্থানীয় অর্থনীতিতে ভোগব্যয় বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
তবে তারা মনে করেন, এই কর্মসূচির সফল বাস্তবায়নের জন্য সুবিধাভোগী নির্বাচন, অর্থ বিতরণ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা এবং নিয়মিত পর্যবেক্ষণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হবে।
-রফিক
ঈদের ছুটির আওতার বাইরে থাকবেন যেসব কর্মী ও সেবাখাত
আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সরকারি ছুটির সময়সূচিতে নতুন সংযোজন করেছে সরকার। পূর্বনির্ধারিত ছুটির মাঝখানে ১৮ মার্চ (বুধবার) এক দিনের অতিরিক্ত সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।
রোববার (৮ মার্চ) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এই দিনটিকে নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে ছুটির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, পবিত্র শবে কদর ও ঈদুল ফিতরের ছুটির মধ্যবর্তী সময় হওয়ায় জনগণের সুবিধা বিবেচনায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর ফলে ওই দিন দেশের সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি অফিস বন্ধ থাকবে।
তবে জনসেবামূলক জরুরি কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে কিছু গুরুত্বপূর্ণ সেবা এই ছুটির আওতার বাইরে রাখা হয়েছে। এর মধ্যে বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ও অন্যান্য জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা চালু থাকবে। একইভাবে ফায়ার সার্ভিস, বন্দর কার্যক্রম, নগর পরিচ্ছন্নতা সেবা এবং টেলিফোন ও ইন্টারনেট সেবা অব্যাহত থাকবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এছাড়া ডাক বিভাগের সেবা এবং সংশ্লিষ্ট পরিবহন ব্যবস্থাও স্বাভাবিকভাবে পরিচালিত হবে। জরুরি সেবার সঙ্গে যুক্ত যানবাহন ও কর্মীদেরও এই ছুটির আওতার বাইরে রাখা হয়েছে।
স্বাস্থ্যসেবার বিষয়েও বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী হাসপাতাল, চিকিৎসাসেবা এবং ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম পরিবহনের সঙ্গে যুক্ত কর্মীরা তাদের দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখবেন। ফলে জরুরি স্বাস্থ্যসেবায় কোনো বিঘ্ন ঘটবে না।
অন্যদিকে ব্যাংকিং খাতের কার্যক্রম পরিচালনার বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবে বাংলাদেশ ব্যাংক। পরিস্থিতি অনুযায়ী ব্যাংকগুলো খোলা রাখা বা সীমিত সেবা চালুর বিষয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক আলাদা নির্দেশনা জারি করতে পারে।
আদালত কার্যক্রমের ক্ষেত্রেও পৃথক নির্দেশনা দেওয়া হবে। বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট আদালতের কার্যক্রম পরিচালনার বিষয়ে প্রয়োজন অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেবে বলে জানানো হয়েছে।
এছাড়া বেসরকারি শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও কলকারখানার ক্ষেত্রে ছুটি ঘোষণার বিষয়টি সংশ্লিষ্ট আইনি কাঠামোর ভিত্তিতে নির্ধারিত হবে। এ বিষয়ে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় শ্রম আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করবে।
সরকারি সূত্রে জানা গেছে, ঈদুল ফিতর উপলক্ষে মানুষের যাতায়াত সহজ করা এবং দীর্ঘ ছুটির মাধ্যমে পরিবার-পরিজনের সঙ্গে সময় কাটানোর সুযোগ সৃষ্টি করাই এই অতিরিক্ত ছুটি ঘোষণার অন্যতম উদ্দেশ্য।
-রফিক
২৫শে মার্চ রাতে সারাদেশে প্রতীকী ব্ল্যাকআউট
১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ কালরাতে পাকিস্তানি বাহিনীর বর্বরতায় নিহত শহীদদের স্মরণে এবার সারাদেশে এক মিনিটের প্রতীকী ব্ল্যাকআউট পালন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আগামী ২৫শে মার্চ রাত ১০টা থেকে ১০টা ১ মিনিট পর্যন্ত এই কর্মসূচি পালিত হবে। তবে জরুরি স্থাপনা বা কেপিআইভুক্ত এলাকাগুলো এই ব্ল্যাকআউটের আওতামুক্ত থাকবে। রোববার (৮ মার্চ) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় ২৫শে মার্চ গণহত্যা দিবস এবং ২৬শে মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস মর্যাদাপূর্ণভাবে উদযাপনের লক্ষ্যে সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
শোকাবহ পরিবেশ বজায় রাখতে ২৫শে মার্চ রাতে দেশের কোথাও কোনো আলোকসজ্জা করা যাবে না। এমনকি বিশ্ব পরিস্থিতির প্রেক্ষাপট বিবেচনা করে ২৬শে মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবসেও আলোকসজ্জার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে সরকার। এই নির্দেশনাগুলো যথাযথভাবে বাস্তবায়নের জন্য বিভাগীয় কমিশনার, পুলিশ কমিশনার, ডিআইজি এবং জেলা প্রশাসকদের বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের গত ২৭শে জানুয়ারির সভার সিদ্ধান্তের আলোকে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিষয়গুলো বাস্তবায়নে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সমন্বিতভাবে কাজ করবে বলে সভায় জানানো হয়েছে।
দিবসটি উপলক্ষে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে স্মৃতিচারণ ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হবে। স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে ২৫শে মার্চের গণহত্যার সঠিক ইতিহাস শিক্ষার্থীদের সামনে তুলে ধরা হবে। এ ছাড়াও দুপুর ১২টা থেকে দেশের সব সিটি করপোরেশন এলাকায় গণহত্যা বিষয়ক তথ্যভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্র ও দুর্লভ আলোকচিত্র প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হবে। এসব কর্মসূচি সফল করতে পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনকে সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
শহীদদের আত্মার শান্তি কামনায় ওইদিন ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে সারাদেশে বিশেষ মোনাজাত ও প্রার্থনার আয়োজন করা হবে। ২৫শে মার্চ বাদ জোহর অথবা সুবিধাজনক সময়ে দেশের সব মসজিদ, মন্দির, গির্জা ও অন্যান্য উপাসনালয়ে এই প্রার্থনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। প্রতীকী ব্ল্যাকআউট কর্মসূচি সফল করতে বিদ্যুৎ বিভাগ ও জেলা প্রশাসন প্রয়োজনীয় কারিগরি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। জাতীয় ইতিহাসের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই দুই দিবসকে ঘিরে সরকার সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর বলে সভায় উপস্থিত কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- হাদির খুনিদের ফেরত দিতে ভারতকে বলা হয়েছে: সালাহউদ্দিন আহমদ
- জুলাই গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী গঠিত ট্রাইব্যুনাল থেকে প্রথম প্রসিকিউটরের বিদায়
- দেবিদ্বারে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদযাপিত: যথাযোগ্য মর্যাদায় আলোচনা সভা
- কুরআনে লাইলাতুল কদরের গুরুত্ব, ফজিলত ও করণীয়
- ইরানের নতুন অধ্যায়ে রাশিয়ার সমর্থন; মোজতবা খামেনিকে পুতিনের বিশেষ বার্তা
- চান্দিনায় ৫টি ফুট ওভারব্রিজই অকেজো; জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মহাসড়ক পারাপার
- ডিজিটাল নীরবতায় ইরান: দশম দিনে পড়ল পৃথিবীর অন্যতম বৃহৎ ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট
- ৯ মার্চ ডিএসই: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- ৯ মার্চ ডিএসই: শীর্ষ ১০ দরপতনের তালিকা প্রকাশ
- ৯ মার্চ ডিএসই: শীর্ষ ১০ গেইনারের তালিকা প্রকাশ
- টানা বাড়ার পর সোনার দামে রেকর্ড পতন, নতুন দর ঘোষণা
- পঞ্চম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষার নতুন নীতিমালা প্রকাশ
- শিশুর টাং টাই কী? কখন চিকিৎসা জরুরি
- জ্বালানি বাজার স্থিতিশীল করতে জি৭র জরুরি পদক্ষেপ
- শত্রুপক্ষের সহযোগীদের সম্পদ বাজেয়াপ্তের হুঁশিয়ারি ইরানের
- প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বেপজা চেয়ারম্যানের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক
- হাদি হত্যার আসামিদের দেশে আনতে পরিকল্পনার কথা জানালেন আইজিপি
- মক্কা-মদিনায় আটকা ৩৫০০ বাংলাদেশি: যুদ্ধের কবলে ওমরাহ যাত্রীদের কান্না
- ইমাম-মুয়াজ্জিনসহ ধর্মীয় সেবকদের জন্য মাসিক সম্মানী চালু, পাবেন যত টাকা
- ক্ষমতা গ্রহণ করেই রণক্ষেত্রে নতুন নেতা: তেহরানের প্রথম বড় মুভমেন্ট
- বিনা হিসাবেই জান্নাতে প্রবেশ করবে যে ৭০ হাজার মানুষ
- অস্পষ্ট শব্দ ও ভিড়ে কথা শুনতে কষ্ট: জানুন শ্রবণশক্তি হ্রাসের লক্ষণ
- ছায়াযুদ্ধ এখন সরাসরি সংঘাত: উপসাগরীয় তিন দেশে ইরানের নজিরবিহীন আক্রমণ
- শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে ঢাবির নতুন সিদ্ধান্ত
- ঢাকার ৫টি বস্তিসহ দেশের ১৪ উপজেলায় পরীক্ষামূলক ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ শুরু
- কড়াইল বস্তি থেকে শুরু ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ, আর যারা পাবে
- যুদ্ধের ময়দানে এবার মুখোমুখি সৌদি-ইরান? রিয়াদের কড়া সতর্কবার্তা
- ঈদের ছুটির আওতার বাইরে থাকবেন যেসব কর্মী ও সেবাখাত
- এরবিল ও বাগদাদে মার্কিন ঘাঁটিতে ড্রোন হামলা: ইরাকে উত্তপ্ত পরিস্থিতি
- আজ ৯ মার্চ ২০২৬; জেনে নিন বাংলাদেশি টাকায় বিভিন্ন মুদ্রার রেট
- ইরানে হামলা: মসাদের সক্ষমতা নাকি মার্কিন গোয়েন্দা ছাতার ওপর নির্ভরতা
- ২৫শে মার্চ রাতে সারাদেশে প্রতীকী ব্ল্যাকআউট
- টানা বাড়ার পর স্বর্ণের দামে বিশাল ধস: ভরিতে কমল ৯ হাজার টাকার বেশি
- বক্তব্য প্রত্যাহার করলেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী: বিএনপিকে দিলেন ধন্যবাদ
- মোজতবা খামেনির নিয়োগ নিয়ে ট্রাম্পের রহস্যময় নীরবতা
- জিয়াউর রহমানের খাল খনন বিপ্লব ফিরিয়ে আনছেন তারেক রহমান
- দেশে জ্বালানি রেশনিং শুরু: বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ও জেট ফুয়েলের দাম বৃদ্ধি
- নিরাপত্তার জন্য সামান্য মূল্য: তেলের দাম নিয়ে ট্রাম্পের বার্তা
- দেশের তিন জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের পূর্বাভাস
- রমজানে বিদ্যুৎ বিড়ম্বনা: আজ টানা ১০ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
- আজকের নামাজের সময়সূচি: জানুন পবিত্র রমজানের ১৯তম দিনের পূর্ণাঙ্গ আপডেট
- খামেনির উত্তরসূরি নিয়ে বিশ্বজুড়ে আলোচনা: ইরানের ভবিষ্যৎ রাজনীতি কোন পথে?
- ইরানের নতুন সুপ্রিম লিডার: কে এই মোজতবা খামেনি?
- বিএনপির চাপে একই দিনে দুই ভোট দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার: জামায়াত আমির
- মুরাদনগরে মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে এলাকাবাসীর ‘যুদ্ধ ঘোষণা’
- রোজা ভেঙে কাফফারা আদায়ে অক্ষম? জেনে নিন ইসলামের সহজ সমাধান
- ঘরমুখো মানুষের স্বস্তি: টানা লম্বা ছুটির ক্যালেন্ডার প্রকাশ করল সরকার
- ঢাকার ক্লাব ক্রিকেটে বিদ্রোহের সুর: বিসিবি নির্বাচনের তদন্তে তামিমের আলটিমেটাম
- ওসমান হাদি হত্যার প্রধান আসামি ফয়সাল মাসুদ ভারতে গ্রেপ্তার
- যুদ্ধের নতুন ভয়াবহ রূপ: তেহরানের আকাশে বিষাক্ত ধোঁয়ার পাহাড় ও কালো বৃষ্টি
- বাজার অস্থিরতায় বাজুসের বড় সিদ্ধান্ত: কমেছে স্বর্ণ ও রুপার দাম
- বিশ্ববাজারে উত্তেজনা থাকলেও দেশের বাজারে কমলো স্বর্ণের দাম
- স্বর্ণের দামে রেকর্ড পতন, ২ লাখ ১৯ হাজারে মিলবে এক ভরি
- ইরান যুদ্ধ, পরিচয়ের রাজনীতি এবং বৈশ্বিক সংকটের নতুন সমীকরণ
- টানা ছয় দফা বৃদ্ধির পর স্বর্ণের দামে বড় স্বস্তি, নতুন দর কার্যকর আজ
- রোববার থেকে দেশে চালু হচ্ছে নতুন নিয়মে তেল বিক্রি
- স্বর্ণের বাজারে বিশাল ধস! ২২ ক্যারেটের নতুন দাম জানাল জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন
- পরীক্ষা চলাকালে শিক্ষিকাকে মারধর! সাতক্ষীরায় দোষীদের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন
- মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের প্রভাবে স্বর্ণের বাজারে আগুন: এক লাফে বাড়ল ৩ হাজার টাকা
- আল ধাফরা ও ফিফথ ফ্লিটে ইরানের বিধ্বংসী আঘাত: মার্কিন কমান্ডো শিবিরে লাশের পাহাড়
- রামাদান মাসে কোরানের হাফেজ দের নিয়ে মোস্তফা হাকিম ব্লাড ব্যাংকের সেহেরি আয়োজন
- ইফতারের প্রশান্তি কেড়ে নিচ্ছে মাথাব্যথা? জেনে নিন মুক্তির পূর্ণাঙ্গ গাইড
- খামেনি কি বেঁচে আছেন? সাহারা মরুভূমিতে থাকার ছবির আসল সত্য ফাঁস
- ১২ মার্চ কি নতুন ইতিহাস? প্রথম অভিশংসনের মুখে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন
- আজ ১৩ রমজান: জেনে নিন ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সঠিক সময়








