আজ ঢাকায় কোথায় কোন কর্মসূচি, দেখে নিন এক নজরে

সারাদেশ ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১৮ ০৯:৩৯:৪৪
আজ ঢাকায় কোথায় কোন কর্মসূচি, দেখে নিন এক নজরে
ছবি : সংগৃহীত

রাজধানী ঢাকা আজ রবিবার এক ব্যস্ততম দিন অতিবাহিত করতে যাচ্ছে। সরকারের নীতি নির্ধারণী পর্যায়ের কর্মকাণ্ড থেকে শুরু করে রাজনৈতিক দলের সাংগঠনিক ও কূটনৈতিক তৎপরতা—সব মিলিয়ে আজ দিনভর রয়েছে একগুচ্ছ গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি। সরকারের গুরুত্বপূর্ণ উপদেষ্টা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় সংস্থার অংশগ্রহণে আয়োজিত এই কর্মসূচিগুলো নাগরিক জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে।

উপদেষ্টাদের দাপ্তরিক ও নীতি নির্ধারণী কর্মসূচি: আজ দিনের শুরুতেই অর্থাৎ সকাল ১০টায় রাজধানীর তোপখানা রোডে অবস্থিত সিরডাপ মিলনায়তনে এক নীতি সংলাপে অংশ নেবেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল। সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত এই সংলাপের মূল প্রতিপাদ্য হলো ‘বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এবং আইনের শাসন’। বিচার বিভাগের সংস্কার এবং বর্তমান প্রেক্ষাপটে আইনের শাসন সমুন্নত রাখার বিষয়ে এই সংলাপে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার সম্ভাবনা রয়েছে।

অন্যদিকে, প্রযুক্তি ও সমাজকল্যাণের সমন্বয়ে আয়োজিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শারমিন এস মুর্শিদ। সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে মিরপুর সেনানিবাসে অবস্থিত মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (এমআইএসটি)-এর কনফারেন্স রুমে ‘রেসপনসিবল এআই সামিট ইন বাংলাদেশ’ (Responsible AI Summit in Bangladesh) শীর্ষক একটি শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। শারমিন এস মুর্শিদ এই আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নৈতিক ব্যবহার এবং বাংলাদেশের সামাজিক প্রেক্ষাপটে এর প্রভাব নিয়ে বক্তব্য দেবেন।

রাজনৈতিক কর্মসূচির মধ্যে আজ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) শীর্ষ নেতাদের ব্যস্ত সূচি রয়েছে। দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস সকাল ১১টায় রাজধানীর সিদ্ধেশ্বরী মহিলা কলেজের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় প্রধান অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করবেন। শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে ক্রীড়ার গুরুত্ব তুলে ধরার পাশাপাশি দলীয় এই জ্যেষ্ঠ নেতার উপস্থিতি স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যেও উৎসাহ জোগাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তবে আজকের দিনের সবচেয়ে আলোচিত রাজনৈতিক কর্মসূচিটি নির্ধারিত রয়েছে বিকেল ৫টায়। নির্বাচন কমিশন অফিসে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) সঙ্গে এক বিশেষ বৈঠকে মিলিত হবেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের রূপরেখা, ভোটার তালিকা হালনাগাদ এবং নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে এই বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনার কথা রয়েছে। নির্বাচন কমিশনের নতুন সংস্কার প্রক্রিয়ার মধ্যে বিএনপির এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকটিকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন।

রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এসব কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে নির্ধারিত এলাকাগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। বিকেলের নির্বাচন কমিশন বৈঠক এবং সকালের নীতি সংলাপগুলো জাতীয় রাজনীতির পরবর্তী মোড় নির্ধারণে সহায়ক হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।


আজ রাজধানীর যেসব এলাকায় মার্কেট ও দোকানপাট বন্ধ

সারাদেশ ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১৮ ০৯:৩০:১০
আজ রাজধানীর যেসব এলাকায় মার্কেট ও দোকানপাট বন্ধ
ছবি : সংগৃহীত

রাজধানী ঢাকায় কেনাকাটার পরিকল্পনা করার আগে সাপ্তাহিক ছুটির বিষয়টি মাথায় রাখা নগরবাসীর জন্য অত্যন্ত জরুরি। এলাকাভেদে ভিন্ন ভিন্ন দিনে মার্কেট বন্ধ থাকার কারণে অনেক সময় সাধারণ ক্রেতাদের অনাকাঙ্ক্ষিত বিড়ম্বনায় পড়তে হয়। আজ রবিবার, ১৮ জানুয়ারি রাজধানীর মিরপুর, গুলশান, বনানী এবং উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় বিপণিবিতান ও শপিংমলগুলো সাপ্তাহিক বন্ধ থাকবে। ঘর থেকে বের হওয়ার আগে নির্ধারিত এলাকার তালিকা দেখে নেওয়া আপনার সময় ও যাত্রা উভয়কেই কার্যকর করতে সহায়তা করবে।

আজকের সাপ্তাহিক ছুটির তালিকায় থাকা উল্লেখযোগ্য এলাকাগুলো হলো—আগারগাঁও, তালতলা, শেরেবাংলা নগর, শেওড়াপাড়া, কাজীপাড়া, পল্লবী এবং মিরপুর-১০, ১১, ১২, ১৩ ও ১৪ নম্বর এলাকার সকল দোকানপাট। এছাড়া ইব্রাহীমপুর, কচুক্ষেত, কাফরুল, মহাখালী, নিউ ডিওএইচএস ও ওল্ড ডিওএইচএস এলাকার ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলোও আজ বন্ধ থাকবে। রাজধানীর উত্তরের এলাকাগুলোর মধ্যে কাকলী, তেজগাঁও ওল্ড এয়ারপোর্ট এরিয়া, তেজগাঁও ইন্ডাস্ট্রিয়াল এরিয়া, ক্যান্টনমেন্ট, গুলশান-১ ও ২ এবং বনানী এলাকার বিপণিবিতানগুলো আজ তাদের নিয়মিত কার্যক্রম স্থগিত রাখবে।

শহরের পূর্বাঞ্চল ও দক্ষিণাঞ্চলের এলাকাগুলোর মধ্যে মহাখালী কমার্শিয়াল এরিয়া, নাখালপাড়া, মহাখালী ইন্টারসিটি বাস টার্মিনাল এরিয়া, রামপুরা, বনশ্রী, খিলগাঁও, গোড়ান, বাসাবো এবং মালিবাগের একাংশ আজ সাপ্তাহিক বন্ধ পালন করবে। এছাড়া ধলপুর, সায়েদাবাদ, মাদারটেক, মুগদা, কমলাপুরের একাংশ, যাত্রাবাড়ীর একাংশসহ শনির আখড়া, দনিয়া, রায়েরবাগ ও সানারপাড় এলাকার দোকানপাটও আজ রবিবারের ছুটির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

এলাকাভিত্তিক বন্ধের পাশাপাশি রাজধানীর বেশ কিছু বড় ও ঐতিহ্যবাহী শপিংমল আজ ক্রেতাদের জন্য বন্ধ থাকবে। এর মধ্যে অন্যতম হলো আগারগাঁওয়ের বিসিএস কম্পিউটার সিটি (আইডিবি)। মিরপুর এলাকার জনপ্রিয় পল্লবী সুপার মার্কেট ও ঐতিহ্যবাহী মিরপুর বেনারসি পল্লি আজ ক্রেতাদের জন্য বন্ধ থাকবে। এছাড়া ইব্রাহীমপুর বাজার, রজনীগন্ধা মার্কেট, ইউএই মৈত্রী কমপ্লেক্স, বনানী সুপার মার্কেট এবং গুলশানের ডিসিসি মার্কেট (১ ও ২) ও গুলশান পিংক সিটি আজ খুলবে না।

তালিকায় থাকা অন্যান্য মার্কেটের মধ্যে রয়েছে—মোল্লা টাওয়ার, আল-আমিন সুপার মার্কেট, রামপুরা সুপার মার্কেট, মালিবাগ সুপার মার্কেট, তালতলা সিটি করপোরেশন মার্কেট এবং কমলাপুর স্টেডিয়াম মার্কেট। এছাড়া গোড়ান বাজার, আবেদিন টাওয়ার, ঢাকা শপিং সেন্টার, আয়েশা মোশারফ শপিং কমপ্লেক্স এবং মিতালী অ্যান্ড ফ্রেন্ড সুপার মার্কেটও আজ সাপ্তাহিক ছুটির আওতায় থাকবে।

সাপ্তাহিক এই ছুটির নিয়ম অনুযায়ী নির্ধারিত এলাকায় ছোট-বড় সকল বিপণিবিতান বন্ধ রাখা হয়। তাই বিড়ম্বনা এড়াতে প্রয়োজনীয় কেনাকাটার জন্য খোলা থাকা নিকটস্থ বিকল্প এলাকাগুলো বেছে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।


চরভদ্রাসনে অবৈধ মাটি কাটা বন্ধে প্রশাসনের অভিযান; ফেঁসে গেলেন দুই  সাংবাদিক

সাজ্জাদ হোসেন সাজু,
সাজ্জাদ হোসেন সাজু,
ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধি
সারাদেশ ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১৮ ০৯:২১:০৭
চরভদ্রাসনে অবৈধ মাটি কাটা বন্ধে প্রশাসনের অভিযান; ফেঁসে গেলেন দুই  সাংবাদিক

ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলার মাথাভাঙ্গা এলাকায় অবৈধভাবে ভেকু (এক্সকাভেটর) মেশিন ব্যবহার করে ফসলি জমির টপসয়েল কাটার খবর পেয়ে উপজেলা প্রশাসন তাৎক্ষণিকভাবে সেখানে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেছে।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, অভিযানকালে ফসলি জমি থেকে অবৈধভাবে মাটি কাটার সত্যতা পাওয়া যায়। এ সময় মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে কাটা মাটি বিনষ্ট করা হয় এবং অবৈধ কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়।

এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে সংশ্লিষ্ট ভেকু মালিক ও একটি স্বার্থান্বেষী মহল কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা না থাকা সত্ত্বেও চরভদ্রাসনের দুইজন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ভেকু ভাঙচুর ও চাঁদাবাজির অভিযোগ এনে থানায় একটি মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করে বলে অভিযোগ উঠেছে।

এছাড়াও স্থানীয় এক সাংবাদিক অভিযুক্ত দুই সাংবাদিকের সঙ্গে কোনো ধরনের যোগাযোগ বা বক্তব্য না নিয়েই একটি পত্রিকায় উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশ করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। ওই প্রতিবেদনে তাদের নামে মিথ্যা বক্তব্য জুড়ে দেওয়া হয়, যা প্রকৃত ঘটনার সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

অভিযোগের আরও রয়েছে, ওই মিথ্যা সংবাদের সঙ্গে অভিযুক্ত দুই সাংবাদিকের ছবি ব্যবহার করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ধারাবাহিকভাবে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। এতে তাদের ব্যক্তিগত ও পেশাগত সম্মান ক্ষুণ্ন হচ্ছে।

ভুক্তভোগী সাংবাদিকরা জানান, মোবাইল কোর্ট পরিচালনা কিংবা ভেকু মেশিন বিনষ্টের ঘটনায় তাদের কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা নেই। প্রশাসনের আইনানুগ অভিযানের পর প্রতিহিংসাবশত তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ ও অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।

এ বিষয়ে স্থানীয় সাংবাদিক সমাজ ও সচেতন মহল উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, অবৈধ কার্যক্রম আড়াল করতে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ ও অপপ্রচার স্বাধীন সাংবাদিকতার জন্য হুমকিস্বরূপ। তারা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং মিথ্যা অভিযোগ ও ভুয়া সংবাদ প্রচারের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।


আজ থেকে টানা ৩ দিন বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়

সারাদেশ ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১৮ ০৯:১১:০৬
আজ থেকে টানা ৩ দিন বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
ছবি : সংগৃহীত

চট্টগ্রাম মহানগরীর বিদ্যুৎ সঞ্চালন ও বিতরণ ব্যবস্থায় জরুরি মেরামত, সংরক্ষণ এবং উন্নয়নকাজের জন্য আগামী তিন দিন নগরীর বেশ কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি)। রোববার (১৮ জানুয়ারি) থেকে শুরু হয়ে এই কার্যক্রম চলবে মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) পর্যন্ত। প্রতিদিন টানা ৭ ঘণ্টা করে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় নগরীর একটি বড় অংশের আবাসিক ও বাণিজ্যিক গ্রাহকদের সাময়িক ভোগান্তিতে পড়তে হবে। শনিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিদ্যুৎ বিভাগ এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

বিদ্যুৎ বন্ধের সময় ও কারণ: বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, রোববার, সোমবার ও মঙ্গলবার—এই তিন দিনই সকাল ৮টা থেকে দুপুর ৩টা পর্যন্ত নির্দিষ্ট ফিডারের আওতাধীন এলাকাগুলোতে বিদ্যুৎ থাকবে না। মূলত বর্ষা মৌসুমের আগে সঞ্চালন লাইনগুলোর রক্ষণাবেক্ষণ এবং সিস্টেমের স্থিতিশীলতা বাড়ানোর লক্ষ্যেই এই কাজ পরিচালনা করা হচ্ছে।

রোববার (১৮ জানুয়ারি) যে সব এলাকায় বিদ্যুৎ থাকবে না

সপ্তাহের প্রথম দিন রোববার সকাল ৮টা থেকে দুপুর ৩টা পর্যন্ত নগরীর উত্তর ও পূর্বাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে। উল্লেখযোগ্য এলাকাগুলোর মধ্যে রয়েছে অক্সিজেন, গোলবাগ আবাসিক এলাকা, কয়লার ঘর, ওয়াজেদীয়া, শীতল ঝর্ণা আবাসিক এলাকা, নয়ারহাট, চালিতাতলী, বদির কলঘর, খন্দকার পাড়া, বক্সুনগর, পাঠানপাড়া, হাজীপাড়া, পূর্ব মসজিদ, ভুক্তপূর, বেলতল, তুলা কোম্পানি, কামরাবাদ ও জাহানপুর। এছাড়াও একই সময়ে বনানী আবাসিক এলাকা, গরীবে নেওয়াজ আবাসিক এলাকা, শহীদ নগর, সবুর আবাসিক এলাকা, রূপনগর আবাসিক এলাকা, আশেকানে আউলিয়ার ডিগ্রি কলেজ এলাকা, সংগীত সিনেমা রোড থেকে জাঙ্গালপাড়া, ওয়াজেদীয়া মাদরাসা, নয়ারহাট, হিন্দুপাড়া, ভক্তপুর (আংশিক), নজরা পুকুরপাড়, কফিক কমিশনারের বাড়ি, হাশেম মেম্বারের বাড়ি, পূর্ব শিকারপুর, রশিদ বাড়ি, মদুনাঘাট বাজার, দক্ষিণ মাদরাসা, মধ্যম মাদরাসা, গ্রিন কলোনি রোড, রহমানিয়া সেতু, চিনারপোল, ব্রাহ্মণহাট ও এর আশপাশের এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখা হবে।

সোমবার (১৯ জানুয়ারি) বন্ধ থাকবে যেসব এলাকা

সোমবারও সমপরিমাণ সময় অর্থাৎ সকাল ৮টা থেকে দুপুর ৩টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন থাকবে নগরীর বায়েজিদ ও শিল্পাঞ্চল সংলগ্ন এলাকায়। এর মধ্যে রয়েছে ক্লিপটন গার্মেন্টস, রেনেস্কো গার্মেন্টস, খন্দকিয়া বাজার, খন্দকিয়া ট্যাম্পু স্ট্যান্ড, এম কে স্টীল, মাজার গেইট, ভুলিয়াপাড়া, বাথুয়া, কেডিএস গার্মেন্টস থেকে শেরশাহ, পাহাড়িকা আবাসিক, ভেড়া ফকির, সাংবাদিক সোসাইটি ও সমবায় আবাসিক এলাকা। এছাড়া মোহাম্মদ নগর, শান্তি নগর, শেরশাহ কলোনি, তারা গেইট, রাজামিয়া মার্কেট, আর্মড পুলিশ ব্যাট্যালিয়ান, পদ্মা প্লাস্টিক, ধূপ পোল, চক্রোশো কানন, কুয়াইশ, ভরা পুকুর, নজুমিয়া হাট, তেঁতুলতলা, উত্তর ও দক্ষিণ বুড়িশ্চর, মধ্যম বুড়িশ্চর, বুড়িশ্চর বাজার, ফকিরের দোকান, রশিদ বাড়ি, খালেকের হাট, আজিজিয়া মাজার ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ থাকবে না।

মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বিদ্যুৎহীন থাকবে যেসব এলাকা

সফরের শেষ দিন মঙ্গলবার একই সময়সূচি অনুযায়ী বিদ্যুৎ বন্ধ থাকবে গাউসিয়া আবাসিক এলাকা, গ্রিনভিউ আবাসিক এলাকা, হামজারবাগ লেইন, পশ্চিম শহীদ নগর, উত্তর গেইট, ফকির টিলা, মির্জাপাড়া, মুরাদনগর, দেলওয়ার কোম্পানির বাড়ি, হক ফুড গলি, ভান্ডারি গলি, বড়বাড়ি গলি, এশিয়া ফ্যান ফ্যাক্টরি, আমিন জুট মিলস, আমিন টেক্সটাইল, বিবিরহাট কাঁচাবাজার, বশর মার্কেট, ফরেস্ট গেট থেকে মুরাদপুর মোড়, খ্রিস্টান কবরস্থান, হামজারবাগ, ফুলেশ্বরী আবাসিক, সামারহিল, মৌমিনবাগ, তাহেরাবাদ, আতুরার ডিপু পিয়াজু গলি, রৌফাবাদ সমাজ সেবা থেকে ফয়েজ টাওয়ার ও সংগীত সিনেমা রোড এলাকায়। পাশাপাশি সংগীত আবাসিক এলাকা, জাঙ্গালপাড়া, ওয়েলফুড গলি, সামাদপুর, মীরপাড়া, হাজিপাড়া গার্মেন্টস, সামারহিল, খ্রিষ্টান কবরস্থান, হাটহাজারী রোড, খন্দকিয়া বাজার, মাজার গেইট, ভুলিয়াপাড়া, বাথুয়া, কুলগাঁও মাজার গেইট থেকে সাদ মুছা গার্মেন্টস, নতুন পাড়া, কাঠাঁল বাগান রোড, তুফানি রোড়, পূর্ব কুলগাঁও, কুলগাঁও আবাসিক এলাকা, চিকনদণ্ডী, বালুছড়া, বালুছড়া আবাসিক এলাকা, কাশেম ভবন, কুয়াইশ কলেজ, পশ্চিম কুয়াইশ, ষোল পোল, ভরাপুকুর, হামিদ শরিফ রোড, নজুমিয়া হাট, বাথুয়া, বড়বাড়ি, নেয়ামত আলী রোড, পূর্ব শিকারপুর, মদুনাঘাট বাজার, রশিদ বাড়ি, দক্ষিণ মাদ্রাসা, মধ্যম মাদ্রাসা, গ্রিন কলোনি রোড, চিনারপোল, রহমানিয়া সেতু এবং ব্রাহ্মণহাট এলাকায় সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকবে।

বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড তাদের বিজ্ঞপ্তিতে গ্রাহকদের এই সাময়িক অসুবিধার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছে। তবে তারা স্পষ্ট করেছে যে, ভবিষ্যতে আরও স্থিতিশীল, নিরাপদ এবং নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার স্বার্থেই এই জরুরি মেরামত ও উন্নয়নকাজ অত্যন্ত প্রয়োজন। এই তিন দিন নির্দিষ্ট সময়ের আগে ও পরে কাজ সম্পন্ন করার চেষ্টা করা হবে বলেও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।


কুমিল্লার একই পরিবারের তিনজনের প্রাণহানী

মোঃ মাসুদ রানা
মোঃ মাসুদ রানা
কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি
সারাদেশ ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১৭ ১১:২৯:৪১
কুমিল্লার একই পরিবারের তিনজনের প্রাণহানী
নিহত পরিবারে ছবি

ভোরের আলো ফোটার সঙ্গে সঙ্গে কাজী ফাইয়াজ রিশানের সকালটা শুরু হয়েছিল একেবারেই স্বাভাবিকভাবে। দুই বছরের রিশান এখনো ঠিকমতো কথা বলা শেখেনি। বাবা, মা, শব্দ দুটোই ছিল তার ছোট্ট পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ভাষা। হাঁটতে হাঁটতে হঠাৎ পড়ে গেলে কান্নায় ডাকত মাকে, আর বাবার কোলে উঠলেই চোখ দুটো ভরে যেত নিশ্চিন্ততায়।

সে জানত না আগুন কী, ধোঁয়া কী, মৃত্যু কী জানার বয়সও হয়নি তার। মা আফরোজা আক্তার সুবর্ণা হয়তো রান্নাঘরে নাশতার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, বাবা ঘরে কোন না কোন কাজ করছিলেন আর ছোট্ট রিশান খেলনা হাতে ঘরের ভেতর এদিক-ওদিক হাঁটছিল। প্রতিদিনের মতোই ছিল সেই সকাল কোনো অশুভ ইঙ্গিত ছাড়াই। কিন্তু সেই সকালই মুহূর্তেই বদলে দিল একটি পরিবারের পুরো স্বপ্ন, ভালোবাসা আর আগামী দিনের সব পরিকল্পনা।

শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) সকাল পৌনে ৮টার দিকে রাজধানীর উত্তরা ১১ নম্বর সেক্টর এলাকার ৬তলা একটি আবাসিক ভবনের দ্বিতীয় তলায় আগুন লাগে। মুহূর্তেই ঘন কালো ধোঁয়ায় ছেয়ে যায় পুরো ভবন। আগুনের লেলিহান শিখার চেয়েও ভয়ংকর হয়ে ওঠে ধোঁয়া। সেই ধোঁয়াই কেড়ে নেয় একই পরিবারের বাবা, মা ও তাদের দুই বছরের শিশুপুত্রের প্রাণ।

নিহতরা হলেন, কুমিল্লা নগরীর নানুয়া দিঘির পাড় এলাকার কাজী খোরশেদ আলমের ছেলে কাজী ফজলে রাব্বি রিজভী (৩৮), তাঁর স্ত্রী আফরোজা আক্তার সুবর্ণা (৩৭) এবং তাদের দুই বছরের ছেলে কাজী ফাইয়াজ রিশান। নিহত কাজী ফজলে রাব্বি রিজভী এসকেএফ ফার্মাসিউটিক্যালসে চাকরি করতেন। তাঁর স্ত্রী সুবর্ণা চাকরি করতেন স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসে। দুর্ঘটনার সময় উত্তরায় নানীর বাসায় থাকায় বেচে যান তাদের আরেক ছেলে ফাইয়াজ।

এছাড়াও এ ঘটনায় আরেক পরিবারের তিজনের মৃত্যু হয়েছে। অন্য পরিবারের সদস্যরা হলেন মো. হারিছ উদ্দিন (৫২), তার ছেলে মো. রাহাব (১৭) এবং হারিছের ভাতিজি রোদেলা আক্তার (১৪)। তাদের গ্রামের বাড়ি ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে।

এদিকে, রাত সাড়ে ৮টার দিকে দুটি অ্যাম্বুলেন্সে করে কুমিল্লা নগরীর নানুয়া দিঘির পাড় এলাকার নিজ বাড়িতে পৌঁছায় নিহত তিনজনের নিথর মরদেহ। মর্মান্তিক এই খবরে মুহূর্তেই বাড়িতে ভিড় জমান আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধব ও স্থানীয় বাসিন্দারা। মরদেহগুলো দেখামাত্রই স্বজনদের বুকফাটা কান্নায় পরিবেশ ভারি হয়ে ওঠে। কারও আহাজারিতে, কারও নীরব অশ্রুতে শোকের ছায়া নেমে আসে পুরো এলাকায়। মরদেহবাহী এ্যাম্বুলেন্সে সন্তানের নিথর দেহ, পাশে দাঁড়িয়ে আছে নির্বাক বাবা কাজী খোরশেদ আলম।

রাত ১০টার দিকে নগরীর দারোগা বাড়ি মাজার মসজিদ মাঠে তিনজনের প্রথম জানাজা হয়। শনিবার সকালে চৌদ্দগ্রাম উপজেলার চিওড়া গ্রামে নিজ বাড়ির পাশে দ্বিতীয় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে বলে জানায় নিহতের বাবা কাজী খোরশেদ আলম। নিহত রিজভীর চাচাতো ভাই কাজী ইরফানবলেন, রিজভী ভাই কুমিল্লা জিলা স্কুলের ২০০৫ ব্যাচের ছাত্র ছিলেন। সবার পরিচিত একজন ভদ্র, মেধাবী ও বিনয়ী মানুষ ছিলেন। তিনি স্কুলজীবন থেকেই শান্ত স্বভাবের ছিলেন। জীবনে কাউকে কষ্ট দিতে দেখিনি। আর দুই বছরের রিশান ছিল পুরো পরিবারের আনন্দের উৎস। আমরা পুরো পরিবার শোকে স্তব্ধ। কিন্তু আগুনে এক নিমিষেই সব নিভিয়ে দিল।

চাচা কাজী ফখরুল আলম কান্নাজড়িতকন্ঠে বলেন, সকাল ১১টায় আগুন লাগার খবর পাই, এরপর আমরা খোজ নিয়ে জানতে পারি তারা ওই ভবনেই আগুনে ধোয়া হয়ে মারা যায়। আগুন লেগেছে দুতলায় তারা থাকত ওই বাড়ির ৬ তলায়। নিহত কাজী ফজলে রাব্বির বাবাকাজী খোরশেদ আলম বলেন, সকালে নাস্তার পর তার এক বন্ধু ফোন করে আগুনের খবর জানায় পরে সঙ্গে সঙ্গে আমি আমার ছেলে ও তার বউয়ের নম্বরে কল করিকিন্তু তারা কেউ ফোন রিসিভ করেনি। পরে আমি ঢাকায় রওয়ানা করি। ঢাকায় গিয়ে জানতে পারি ছেলেকে রাখা হয়েছে কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে, ছেলের বউ ঢাকা মেডিক্যালের বার্ন ইউনিটে আর নাতীকে রাখা হয়েছে এভারকেয়ার হাসপাতালে। তাদের গায়ে আগুনের পোড়ার কোন চিহ্ন ছিলনা, তাঁরা বাঁচার জন্য বাড়ির ছাদে যেতে চাইছিল কিন্তু ছাদের দরজা তালা লাগানো যেতে পারেনি। ধোয়া শ্বাস বন্ধ হয়ে মারা যায়।


বাতাসে শুধু ধূলিকণা নয়, ভাসছে মৃত্যুও: আইকিউএয়ারে শীর্ষে ঢাকা

সারাদেশ ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১৭ ১১:০৯:২৪
বাতাসে শুধু ধূলিকণা নয়, ভাসছে মৃত্যুও: আইকিউএয়ারে শীর্ষে ঢাকা
ছবি : সংগৃহীত

জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব এবং ক্রমবর্ধমান নগরায়নের ফলে বিশ্বের মেগাসিটিগুলোর বাতাস ক্রমেই জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকি হয়ে উঠছে। এই তালিকায় দীর্ঘদিন ধরেই প্রথম সারিতে অবস্থান করছে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা। টানা কয়েকদিন ধরে ঢাকার বাতাসের মান ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ পর্যায়ে রয়েছে এবং আজ শনিবারও (১৭ জানুয়ারি) পরিস্থিতির কোনো উন্নতি লক্ষ্য করা যায়নি। আন্তর্জাতিক বায়ুমান প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ার (IQAir) থেকে প্রাপ্ত সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, আজ সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত বাতাসের শহরের তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে ঢাকা।

আইকিউএয়ারের রিয়েল-টাইম তথ্য অনুসারে, আজ ঢাকার বায়ুমানের স্কোর রেকর্ড করা হয়েছে ২৮৪। এই স্কোর অনুযায়ী মেগাসিটি ঢাকার বাতাস এখন নাগরিকদের জন্য ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ঢাকার ঠিক পরেই ২৮২ স্কোর নিয়ে তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ভারতের রাজধানী দিল্লি। এছাড়া ২০১ স্কোর নিয়ে এই তালিকার তৃতীয় অবস্থানে উঠে এসেছে ভারতের আরেকটি মেগাসিটি কলকাতা। দক্ষিণ এশিয়ার এই প্রধান তিনটি শহরের বাতাসের মানই এখন ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ পর্যায়ে থাকায় পুরো অঞ্চলের জনস্বাস্থ্য নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা।

বায়ুমান সূচক বা একিউআই (AQI) অনুযায়ী, বাতাসের মান নির্ধারণের একটি নির্দিষ্ট স্কেল রয়েছে। এই স্কেলে শূন্য থেকে ৫০ পর্যন্ত স্কোরকে ‘ভালো’ হিসেবে ধরা হয়। স্কোর ৫১ থেকে ১০০ হলে তা ‘মাঝারি’ এবং ১০১ থেকে ১৫০ হলে তা ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ বলে বিবেচিত হয়। স্কোর যখন ১৫১ থেকে ২০০-এর মধ্যে থাকে, তখন তাকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ বলা হয়। তবে স্কোর ২০১ থেকে ৩০০-এর মধ্যে পৌঁছালে সেই বাতাসকে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়, যা বর্তমানে ঢাকা ও কলকাতার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। এছাড়া স্কোর যদি ৩০১ থেকে ৪০০-এর মধ্যে যায়, তবে তা ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে বিবেচিত হয়, যা ওই শহরের বাসিন্দাদের জন্য মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।

ঢাকার বাতাসের এই শোচনীয় অবস্থার প্রধান কারণ হিসেবে পাঁচটি নির্দিষ্ট ধরণের দূষক বা উপাদানকে চিহ্নিত করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে বস্তুকণা (পিএম১০ ও পিএম২.৫), নাইট্রোজেন ডাই অক্সাইড (NO2), কার্বন মনোক্সাইড (CO), সালফার ডাই অক্সাইড (SO2) এবং ওজোন (O3)। এই উপাদানগুলো ফুসফুসের গভীরে প্রবেশ করে মানবদেহে দীর্ঘমেয়াদী ক্ষতি সাধন করে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) এক সমীক্ষা অনুযায়ী, বায়ুদূষণের প্রভাবে প্রতি বছর বিশ্বজুড়ে আনুমানিক ৭০ লাখ মানুষের অকাল মৃত্যু ঘটে। প্রধানত স্ট্রোক, হৃদরোগ, ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ (COPD), ফুসফুসের ক্যানসার এবং তীব্র শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণের ফলেই এই মৃত্যুর হার বাড়ছে।

বর্তমান পরিস্থিতিতে চিকিৎসক ও পরিবেশবিদরা নগরবাসীকে বিশেষত শিশু, প্রবীণ, অন্তঃসত্ত্বা এবং অসুস্থ রোগীদের ঘরের বাইরে না যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। অন্যদের ক্ষেত্রেও বাইরের সব ধরণের শারীরিক কর্মকাণ্ড বা ব্যায়াম সীমাবদ্ধ রাখার কথা বলা হয়েছে। বায়ুদূষণের এই ভয়াবহতা রোধে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণ করা না হলে ঢাকার জনস্বাস্থ্য পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে বলে সতর্ক করেছেন বিশেষজ্ঞরা।


আজ ৮ ঘণ্টা যেসব এলাকায় বিদ্যুৎ থাকবে না

সারাদেশ ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১৭ ০৯:৩৮:৫৭
আজ ৮ ঘণ্টা যেসব এলাকায় বিদ্যুৎ থাকবে না
ছবি : সংগৃহীত

সিলেট মহানগরীর একটি বিস্তীর্ণ এলাকায় আজ শনিবার (১৭ জানুয়ারি) দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে। বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, ট্রান্সফর্মার মেরামত এবং সঞ্চালন লাইনের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনার স্বার্থেই এই সাময়িক বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) সিলেট বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ-১-এর পক্ষ থেকে এক জরুরি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। বিভাগটির নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ আরাফাত জানিয়েছেন, নগরীর গুরুত্বপূর্ণ বেশ কিছু এলাকায় আজ সকাল থেকে টানা ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকবে।

বিজ্ঞপ্তির তথ্য অনুযায়ী, আজ শনিবার সকাল ৯টা থেকে শুরু হওয়া এই বিদ্যুৎ বিভ্রাট চলবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। দীর্ঘ এই সময়ের মধ্যে নগরীর শেখঘাট এলাকার বিএডিসি অফিস ও এর আশপাশের পয়েন্টসমূহ, শুভেচ্ছা আবাসিক এলাকা, সূর্যের হাসি ক্লিনিক এবং জিতু মিয়ার পয়েন্ট এলাকায় কোনো বিদ্যুৎ থাকবে না। এছাড়া তালতলা ভিআইপি রোডের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান যেমন পার্ক ভিউ হাসপাতাল এবং হিলটাউন আবাসিক হোটেলসহ তেলি হাওর এলাকা, কাজিরবাজার এবং তালতলা পয়েন্ট সংলগ্ন এলাকাগুলো বিদ্যুৎহীন থাকবে।

সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়বে নগরীর প্রশাসনিক ও বাণিজ্যিক কেন্দ্র বন্দরবাজার এলাকায়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ব্যাংক সিলেট শাখা, বন্দরবাজারের কোর্ট পয়েন্ট, সুরমা মার্কেট এবং রামের দিঘীরপাড় এলাকায় আজ দিনভর বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে। একইভাবে মির্জাজাঙ্গাল এলাকার সুপরিচিত নির্ভানা ইন হোটেল, মির্জাজাঙ্গাল পয়েন্ট, তোপখানা এলাকা এবং কোতোয়ালি থানা সংলগ্ন এলাকাগুলোতেও গ্রাহকরা বিদ্যুৎ সেবা পাবেন না। গুরুত্বপূর্ণ সরকারি দপ্তরগুলোর মধ্যে সিলেট সার্কিট হাউস, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, সিলেট পুলিশ সুপারের কার্যালয় এবং বন্দরবাজারের প্রধান ডাকঘরেও আজ বিদ্যুৎ থাকবে না বলে নিশ্চিত করা হয়েছে। এছাড়া ডহর আবাসিক এলাকা, কলাপাড়া মসজিদ এবং কুষ্ঠ হাসপাতাল ও এর আশপাশের এলাকাগুলোতেও টানা ৮ ঘণ্টা লোডশেডিং থাকবে।

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ আরাফাত উন্নয়নমূলক এই কর্মকাণ্ডের জন্য সাময়িকভাবে বিদ্যুৎহীন থাকা গ্রাহকদের প্রতি দুঃখ প্রকাশ করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, সঞ্চালন লাইনের মানোন্নয়ন এবং ট্রান্সফর্মার মেরামতের কাজ শেষ হওয়া মাত্রই বিদ্যুৎ সরবরাহ পুনরায় চালু করা হবে। তবে প্রকৌশলীদের একটি দল সার্বক্ষণিক কাজ করবে এবং নির্ধারিত সময়ের আগেই যদি উন্নয়ন কাজ শেষ হয়ে যায়, তবে ৫টা বাজার আগেই ওইসব এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করা হবে। ছুটির দিনে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ এই এলাকাগুলোতে দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় আবাসিক গ্রাহক থেকে শুরু করে বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বাভাবিক কার্যক্রমে কিছুটা বিঘ্ন ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে।


আজ রাজধানীর যেসব এলাকায় মার্কেট ও দোকানপাট বন্ধ

সারাদেশ ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১৭ ০৯:১৮:৪৩
আজ রাজধানীর যেসব এলাকায় মার্কেট ও দোকানপাট বন্ধ
ছবি : সংগৃহীত

রাজধানী ঢাকার ব্যস্ততম বাণিজ্যিক এলাকাগুলোতে কেনাকাটা বা অন্য কোনো প্রয়োজনীয় কাজে বের হওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট এলাকার সাপ্তাহিক ছুটির দিনটি জেনে নেওয়া নগরবাসীর জন্য অত্যন্ত জরুরি। অনেক ক্ষেত্রে দীর্ঘ যানজট ও ভোগান্তি পেরিয়ে গন্তব্যে পৌঁছানোর পর যদি দেখা যায় সেখানকার কার্যক্রম বন্ধ, তবে তা সাধারণ মানুষের জন্য সময়ের অপচয় ও বাড়তি বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

আজ শনিবার, ১৭ জানুয়ারি ২০২৬; সাপ্তাহিক ছুটির এই দিনে রাজধানীর বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ এলাকার দোকানপাট, পাইকারি বাজার এবং দর্শনীয় স্থানগুলো তাদের নিয়মিত ব্যবসায়িক ও দাপ্তরিক কর্মকাণ্ড বন্ধ রাখবে। বিশেষ করে পুরান ঢাকা এবং এর আশেপাশের একটি বিশাল অংশের বাণিজ্যিক কেন্দ্রগুলো আজ ছুটির আওতাভুক্ত থাকবে।

শনিবারের এই সাপ্তাহিক ছুটির কারণে আজ দিনভর বন্ধ থাকবে শ্যামবাজার, বাংলাবাজার, চানখাঁরপুল এবং গুলিস্তানের দক্ষিণ অংশের সব ধরনের ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান। এছাড়া জুরাইন, করিমউল্লাহবাগ, পোস্তগোলা, শ্যামপুর এবং মীরহাজারীবাগ এলাকার দোকানপাটগুলো আজ বন্ধ থাকবে।

কেনাকাটা বা বাণিজ্যিক প্রয়োজনে ধোলাইপাড়, ধোলাইখাল, জয়কালী মন্দির এবং যাত্রাবাড়ীর দক্ষিণ-পশ্চিম অংশে যাওয়ার পরিকল্পনা থাকলে তা পরিবর্তনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া টিপু সুলতান রোড, ধূপখোলা, গেণ্ডারিয়া, নবাবপুর, সদরঘাট এবং তাঁতীবাজারের মতো গুরুত্বপূর্ণ পাইকারি ও খুচরা বিক্রয় কেন্দ্রগুলো আজ তাদের কার্যক্রম স্থগিত রাখবে।

লক্ষ্মীবাজার, দয়াগঞ্জ, ওয়ারী ও স্বামীবাগ এলাকার পাশাপাশি পর্যটকদের জন্য আকর্ষণীয় স্থান যেমন আহসান মঞ্জিল ও লালবাগ কেল্লা সংলগ্ন এলাকাগুলোতেও আজ দোকানপাট বন্ধ থাকবে। একই সঙ্গে কোতোয়ালি, বংশাল, পাটুয়াটুলী, ফরাশগঞ্জ এবং শাঁখারী বাজারের সরু গলির দোকানগুলো আজ ছুটির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

মার্কেটের ক্ষেত্রেও আজ বেশ কিছু বড় ও ঐতিহ্যবাহী বাণিজ্যিক কেন্দ্র বন্ধ থাকবে। এর মধ্যে অন্যতম হলো নয়াবাজার এবং ইসলামপুরের সুপরিচিত কাপড়ের বাজার। এছাড়া ফরাশগঞ্জ টিম্বার মার্কেট এবং শ্যামবাজারের পাইকারি আড়ত ও দোকানগুলো আজ খুলবে না। আজিমপুর সুপার মার্কেট, কাপ্তান বাজার এবং রাজধানী সুপার মার্কেটেও আজ সাপ্তাহিক ছুটি পালন করা হচ্ছে।

এছাড়া দয়াগঞ্জ সিটি করপোরেশন মার্কেট, ছোট কাটরা ও বড় কাটরা হোলসেল মার্কেট এবং গুলিস্তান হকার্স মার্কেটের ক্রেতা-বিক্রেতারা আজ বিরতিতে থাকবেন। সামাদ সুপার মার্কেট, রহমানিয়া সুপার মার্কেট, ইদ্রিস সুপার মার্কেট এবং দয়াগঞ্জ বাজারের ব্যবসায়িক লেনদেন আজ বন্ধ থাকবে। এছাড়া ধূপখোলা মাঠবাজার, চকবাজার এবং ফুলবাড়িয়া মার্কেটে কেনাকাটার উদ্দেশ্যে বের না হওয়াই ভালো হবে। সান্দ্রা সুপার মার্কেট, বাবুবাজার এবং শরিফ ম্যানসনের মতো বড় বিপণিবিতানগুলো আজ শনিবারের ছুটির তালিকায় রয়েছে। তাই বের হওয়ার আগে এই তালিকাটি দেখে নেওয়া আপনার যাত্রা ও সময়কে কার্যকর করতে সহায়তা করবে।


কুমিল্লা মুরাদনগরে ৬ বছরের শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা 

মোঃ মাসুদ রানা
মোঃ মাসুদ রানা
কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি
সারাদেশ ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১৭ ০৯:০৪:৫৮
কুমিল্লা মুরাদনগরে ৬ বছরের শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা 

কুমিল্লার মুরাদনগরে ৬ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় মূল ঘাতককে এলাকাবাসী আটকের পর পুলিশে সোপর্দ করেছে। শুক্রবার মুরাদনগর উপজেলার মোচাগড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আটক রাসেল মিয়া একই গ্রামের রবি মিয়ার ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সকালে রাসেল ওই শিশুকে খাবারের প্রলোভন দেখিয়ে বাড়ি থেকে বের করে নির্জন স্থানে নিয়ে যায়। সেখানে শিশুটিকে অমানুষিক নির্যাতন করা হয়। পরে শিশুটির চিৎকার থামাতে একপর্যায়ে গলা টিপে হত্যা করা হয়। তার হাত-পা ও মুখ বেঁধে বাড়ির পাশেই পরিত্যক্ত একটি সেপটিক ট্যাংকের ভেতরে লাশ ফেলে দেওয়া হয়।

শিশুটি নিখোঁজ হওয়ার পর পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। এ সময় রাসেলও তাদের সঙ্গে শিশুটিকে খুঁজতে থাকে এবং এলাকায় মাইকিং করার পরামর্শ দেয়। তার আচরণ সন্দেহজনক মনে হলে এলাকাবাসী তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। একপর্যায়ে সে হত্যার কথা স্বীকার করে। উত্তেজিত জনতা তাকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে।

শিশুর দাদি ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, তাদের মধ্যে কোনো পারিবারিক বিরোধ ছিল না। নিখোঁজের প্রায় এক ঘণ্টা পর সেপটিক ট্যাংকের ভেতর থেকে লাশ উদ্ধার করা হয়।মুরাদনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান জামিল খান বলেন, এ ঘটনায় মূল ঘাতককে আটক করা হয়েছে। লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে মামলা প্রক্রিয়াধীন


কুমিল্লার বরুড়ায় জমি বিরোধে সংঘর্ষ, দুইজন নিহত

Mashud Rana
Mashud Rana
কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি
সারাদেশ ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১৬ ১৯:২৪:৩৪
কুমিল্লার বরুড়ায় জমি বিরোধে সংঘর্ষ, দুইজন নিহত
ছবি: সংগৃহীত

কুমিল্লার বরুড়া উপজেলায় দীর্ঘদিনের জমি বিরোধকে কেন্দ্র করে ভয়াবহ সংঘর্ষে দুইজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গুরুতর আহত অবস্থায় আরও অন্তত তিনজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। শুক্রবার সকালে উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের জালগাঁও গ্রামে এই রক্তক্ষয়ী ঘটনা ঘটে, যা এলাকায় চরম উত্তেজনা ও আতঙ্কের সৃষ্টি করেছে।

স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, নিহত ব্যক্তিরা হলেন জালগাঁও গ্রামের আব্দুস সাত্তার (৬২) এবং খোরশেদ আলম (৩৫)। আহতদের মধ্যে রয়েছেন খোরশেদ আলমের আত্মীয় মো. জহির, মো. জয়নাল এবং মো. মোর্শেদ। তাদের অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।

ভবানীপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. খলিলুর রহমান জানান, নিহত আব্দুস সাত্তারের একটি জমিকে কেন্দ্র করে প্রতিবেশী জয়নাল ও তার ভাইদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। বিষয়টি নিয়ে আদালতে একটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। এই বিরোধই শেষ পর্যন্ত প্রাণঘাতী সংঘর্ষে রূপ নেয়।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, শুক্রবার সকালে আব্দুস সাত্তার নিজ জমিতে কাজ করতে গেলে জয়নাল, খোরশেদ, মোর্শেদ ও জহির তাকে বাধা দেন। এ সময় কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ রয়েছে, তখন আব্দুস সাত্তার তার সঙ্গে থাকা একটি ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করেন।

এই হামলায় চারজন গুরুতর আহত হন। আহত খোরশেদ আলমকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হলেও পথেই তার মৃত্যু হয়।

খোরশেদের মৃত্যুর খবর গ্রামে ছড়িয়ে পড়লে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। ক্ষুব্ধ হয়ে জয়নালের পক্ষের লোকজন ঘটনাস্থলে এসে আব্দুস সাত্তারের ওপর পাল্টা হামলা চালায়। এতে গুরুতর আহত হয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

বরুড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বরুড়া থানা–এর ওসি মো. ফিরোজ হোসেন জানান, জমি সংক্রান্ত বিরোধ থেকেই এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, নিহত দুইজনের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল–এর মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার প্রক্রিয়া চলছে।

ঘটনার পর জালগাঁও গ্রামে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। স্থানীয়রা দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং নতুন করে সহিংসতা এড়াতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

পাঠকের মতামত: