গাজা মিশনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ ও সরকারের শর্ত: যা বললেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

গাজায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবিত ‘ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যাবিলাইজেশন ফোর্স’ (আইএসএফ) বা আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনীতে বাংলাদেশের যোগদানের বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়নি। তবে এই প্রস্তাব নিয়ে বর্তমানে উচ্চপর্যায়ে আলাপ-আলোচনা অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন।
বুধবার (১৪ জানুয়ারি) রাজধানীতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা সরকারের এই অবস্থানের কথা পরিষ্কার করেন।
তিনটি কঠোর শর্তে অনড় ঢাকা গাজা মিশনে বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে জানতে চাইলে মো. তৌহিদ হোসেন বলেন, আইএসএফ বাহিনীতে শেষ পর্যন্ত কারা থাকবে বা কারা থাকবে না, তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি। তবে এই মিশনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণের বিষয়টি তিনটি সুনির্দিষ্ট শর্তের ওপর নির্ভর করছে।
উপদেষ্টা স্পষ্ট করে বলেন, "মূল কথা হলো, আমরা তিনটি শর্তের কথা জানিয়েছি। যেকোনো পরিস্থিতিতে এই পরিবেশ সৃষ্টি না হলে আমরা সেখানে যাব না। আমরা ওখানে লড়াই করতে বা যুদ্ধে অংশ নিতে যাব না। যদি এমন কোনো পরিবেশ থাকে যেখানে কারও সাথে যোগাযোগ সম্ভব নয়, সেক্ষেত্রেও আমরা যাব না। আমাদের এই শর্তগুলো অত্যন্ত পরিষ্কার।" তিনি আরও জানান, পরিবেশ অনুকূল হলে তবেই বিষয়টি নিয়ে পরবর্তী চিন্তাভাবনা করা হবে।
বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদের শেষ দিকে এসে এ ধরনের বড় আন্তর্জাতিক জোটে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত কতটা যৌক্তিক—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, "সরকারের মেয়াদ শেষের দিকে চলে আসছে সত্য, তবে রাষ্ট্র ও সরকার কিন্তু থেকে যায়। একটি সরকার পরিবর্তন হলেই মুহূর্তের মধ্যে সবকিছু বদলে যায় না।" এর মাধ্যমে তিনি রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্তের ধারাবাহিকতা রক্ষার ইঙ্গিত দেন।
আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে অন-অ্যারাইভাল ভিসা বন্ধ রাখার বিষয়ে উপদেষ্টা জানান, নির্বাচনের সময় অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সামাল দিতে এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই সাময়িকভাবে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
এছাড়া চীনের সহায়তায় বাংলাদেশের সামরিক অবকাঠামো নির্মাণ নিয়ে উদ্বেগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অন্য কোনো দেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে প্রভাব ফেলতে পারে এমন কোনো পদক্ষেপ বাংলাদেশ নেবে না। মিয়ানমার সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, সীমান্তে হতাহতের ঘটনায় ঢাকায় নিযুক্ত মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে তলব করে কড়া প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।
বিতর্কের প্রেক্ষাপট গাজায় প্রস্তাবিত এই আন্তর্জাতিক বাহিনীতে বাংলাদেশের অংশগ্রহণের আগ্রহের কথা প্রথম জানান অন্তর্বর্তী সরকারের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান। সম্প্রতি ওয়াশিংটন সফরে ট্রাম্প প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এই আগ্রহ প্রকাশ করেন। এরপর থেকেই দেশের অভ্যন্তরে এবং আন্তর্জাতিক মহলে বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়।
ফিলিস্তিনের দীর্ঘদিনের মিত্র ও ‘বন্ধু’ রাষ্ট্র হিসেবে পরিচিত বাংলাদেশ কেন মার্কিন প্রস্তাবিত একটি বাহিনীতে যোগ দিতে চাইছে, বিশেষ করে এটি যদি জাতিসংঘের সরাসরি তত্ত্বাবধানে না হয়—তা নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। এ বিষয়ে ইতোমধ্যে সরকারের পক্ষ থেকে প্রেস সচিব শফিকুল আলমও অন্তর্বর্তী সরকারের অবস্থান ব্যাখ্যা করেছেন।
এত দরদ থাকলে আগে আসলেন না কেন? টাঙ্গাইলে বিস্ফোরক প্রধানমন্ত্রী
জুলাই সনদে বিএনপির প্রথম স্বাক্ষরকারী হওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, যারা নির্বাচনের পর এই সনদ নিয়ে অতি-উৎসাহ দেখাচ্ছে, তাদের প্রকৃত উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তোলার যথেষ্ট অবকাশ রয়েছে। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) বিকেলে টাঙ্গাইলের মওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চে এক জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
তারেক রহমান বলেন, বিএনপি এই সনদে সবার আগে সই করেছে। অথচ কিছু দল তখন দ্বিধাদ্বন্দ্বে ছিল এবং কেউ কেউ সই-ই করেনি। এখন নির্বাচনের পর তাদের এই হঠাত সরব হওয়া দেখে প্রশ্ন জাগে—এতই যদি দরদ থাকে, তবে শুরুতে তারা কেন এগিয়ে আসেনি? তিনি দৃঢ়ভাবে বলেন, দেশের জনগণ বিএনপিকে রাষ্ট্র পরিচালনার যে পবিত্র দায়িত্ব দিয়েছে, দলটি সেই নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি এবং জুলাই সনদের অঙ্গীকার অনুযায়ী কাজ করে যাবে।
দেশের সংস্কার প্রসঙ্গে তিনি স্মরণ করিয়ে দেন যে, বিএনপিই প্রথম সংস্কারের রূপরেখা দিয়েছিল। ২০১৬ সালে বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে দেওয়া রূপরেখা এবং পরবর্তীতে ২০২৩ সালের ৩১ দফার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বর্তমান সংস্কার কমিশনগুলোর অধিকাংশ প্রস্তাব বিএনপির দেওয়া ধারণার সঙ্গেই মিলে যায়।
তিনি নেতাকর্মীদের সতর্ক করে বলেন, যারা দেশে আবারও অরাজকতা এবং স্বৈরাচারী মানসিকতা ফিরিয়ে আনতে চায়, তাদের বিষয়ে সজাগ থাকতে হবে। গণতন্ত্রে মতপার্থক্য থাকা স্বাভাবিক, তবে তা যুক্তি ও সংলাপের মাধ্যমেই সমাধান করতে হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
/আশিক
২ মাসের মাথায় প্রতিশ্রুতি পূরণ: জামালপুরে কার্ড হাতে হাসি ফুটল চাষিদের
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত জানিয়েছেন, সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার দুই মাস পূর্ণ হওয়ার আগেই নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে বড় ধরনের সাফল্য অর্জিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) দুপুরে জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার গাইবান্ধা ইউনিয়নে এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, আজ প্রধানমন্ত্রীর ভার্চুয়ালি উদ্বোধনের মাধ্যমে সারা দেশে কৃষক কার্ড বিতরণ শুরু হয়েছে। পর্যায়ক্রমে দেশের প্রায় আড়াই কোটি কৃষক এই সুবিধার আওতায় আসবে।
প্রতিমন্ত্রী মিল্লাত বলেন, ইতিমধ্যে ৩৮ হাজার পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড এবং আজ ২২ হাজার কৃষককে কার্ড দেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া ইমাম, মুয়াজ্জিনদের জন্য সহায়তা এবং সারা দেশে ২২ হাজার কিলোমিটার খাল খনন কর্মসূচিও শুরু হয়েছে। তিনি দাবি করেন, কোনো মধ্যস্বত্বভোগী ছাড়াই ডিজিটাল পদ্ধতিতে সরাসরি উপকারভোগীদের কাছে টাকা পৌঁছে যাচ্ছে। সরকারের এই স্বচ্ছতা দুর্নীতি দমন ও ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশেরই প্রতিফলন।
এর আগে সকাল সাড়ে ১১টায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভার্চুয়ালি এই কৃষক কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন ঘোষণা করেন। জামালপুরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইউসুপ আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন সংসদ সদস্য এ ই সুলতান মাহমুদ বাবু এবং অ্যাডভোকেট শাহ মো. ওয়ারেছ আলী মামুনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। অনুষ্ঠান শেষে প্রতিমন্ত্রী নিজ হাতে ইসলামপুরের ১১৫ জন কৃষকের মাঝে কার্ড ও ফলজ বৃক্ষের চারা বিতরণ করেন।
/আশিক
কৃষক কার্ড উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী, যেসব সুবিধা থাকছে
দেশের কৃষি খাতকে আরও সুসংগঠিত ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর আওতায় আনতে নতুন এক উদ্যোগ হিসেবে টাঙ্গাইলে কৃষক কার্ড কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। এই কর্মসূচিকে কৃষকদের জন্য একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা সরাসরি সরকারি সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার পথকে সহজ করবে।
মঙ্গলবার দুপুরে টাঙ্গাইলের শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন তারেক রহমান। অনুষ্ঠানে তিনি নিজ হাতে নির্বাচিত কয়েকজন কৃষকের মধ্যে কৃষক কার্ড বিতরণ করেন এবং তাদের হাতে গাছের চারা তুলে দেন।
এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আরও নয়টি উপজেলায় একযোগে কৃষক কার্ড কার্যক্রমের সূচনা করা হয়, যা এই প্রকল্পকে জাতীয় পর্যায়ে সম্প্রসারণের ইঙ্গিত দেয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। এছাড়া বক্তব্য রাখেন প্রতিমন্ত্রী সুলতানা সালাউদ্দিন টুকু এবং প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী। স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন কৃষি সচিব রফিকুল ই মোহামেদ।
প্রথম ধাপে টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় ১ হাজার ৪৫৩ জন কৃষক এই কার্ডের আওতায় আসছেন। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, এই কার্ডের মাধ্যমে কৃষকরা বছরে আড়াই হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা ছাড়াও ভর্তুকি, কৃষিঋণ, বীজ, সারসহ মোট ১০ ধরনের সরকারি সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন।
এই উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য হলো কৃষি সহায়তা বণ্টনে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং মধ্যস্বত্বভোগীদের প্রভাব কমিয়ে প্রকৃত কৃষকের কাছে সরাসরি সুবিধা পৌঁছে দেওয়া।
স্থানীয় কৃষকদের মতে, সঠিকভাবে মাঠ পর্যায়ে এই কার্ড বিতরণ করা হলে তারা বাস্তবিক উপকৃত হবেন এবং উৎপাদন ব্যয় কমে আসবে। একই সঙ্গে ফসল উৎপাদন বৃদ্ধি এবং বাজারে কৃষকদের লাভবান হওয়ার সম্ভাবনাও বাড়বে।
কৃষি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই কার্ডভিত্তিক ব্যবস্থা কৃষি ব্যবস্থাপনাকে আরও আধুনিক ও কার্যকর করবে এবং ভবিষ্যতে ডিজিটাল কৃষি ব্যবস্থার ভিত্তি গড়ে তুলবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রী শহরের পৌর উদ্যানে আয়োজিত একটি কৃষি মেলারও উদ্বোধন করবেন, যেখানে কৃষি প্রযুক্তি, উদ্ভাবন এবং আধুনিক চাষাবাদ পদ্ধতি প্রদর্শন করা হবে।
-রফিক
১০ ধরনের সুবিধা নিয়ে আসছে কৃষক কার্ড: কৃষি খাতে নতুন যুগের সূচনা
বাংলা নববর্ষের প্রথম দিনেই দেশের কৃষি খাতে এক নতুন দিগন্তের সূচনা হতে যাচ্ছে। পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে কৃষকদের বিশেষ উপহার হিসেবে ‘কৃষক কার্ড’ চালু করতে যাচ্ছে সরকার। এর আওতায় কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নে পাইলট প্রকল্প হিসেবে প্রথম ধাপে ১,৬৯৮ জন কৃষক-কৃষাণীকে এই কার্ড প্রদান করা হবে। আজ মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) টেকনাফের এজাহার উচ্চ বিদ্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ প্রান্তিক কৃষকদের হাতে এই কার্ড তুলে দেবেন।
কক্সবাজার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক বিমল কুমার প্রামাণিক জানিয়েছেন, এই কার্ডধারীরা প্রতি মাসে ২,৫০০ টাকা করে ভাতা পাবেন। ভাতার পাশাপাশি ন্যায্যমূল্যে কৃষি উপকরণ, সরকারি ভর্তুকি, সহজ শর্তে কৃষিঋণ এবং কৃষি বিমাসহ মোট ১০ ধরনের বিশেষ সুবিধা পাবেন তারা। বাহারছড়া ইউনিয়নের এই পাইলট প্রকল্পে ১,৪৬৩ জন পুরুষ এবং ২৩৫ জন নারী কৃষক অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন, যার মধ্যে শস্য চাষি থেকে শুরু করে ভূমিহীন ও লবণ চাষিরাও রয়েছেন। পর্যায়ক্রমে দেশের সব কৃষক পরিবারকে এই সেবার আওতায় আনা হবে।
উল্লেখ্য, বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের অন্যতম প্রধান অঙ্গীকার ছিল এই ‘কৃষক কার্ড’। কৃষি ব্যবস্থাপনায় আধুনিকায়ন ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর আগে সরকার কৃষকদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ করার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করেছে, যার ফলে ইতিমধ্যে প্রায় ১২ লাখ কৃষক উপকৃত হয়েছেন। প্রাথমিকভাবে এই প্রকল্পের জন্য ৬৮১ কোটি টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে, যা দেশের প্রায় ১ কোটি ৬৫ লাখ কৃষক পরিবারের ভাগ্যোন্নয়নে যুগান্তকারী ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
পহেলা বৈশাখ আমাদের আত্মপরিচয়ের প্রতীক: শুভেচ্ছা বাণীতে প্রধানমন্ত্রী
পহেলা বৈশাখ ও বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে দেশবাসী ও বিশ্বজুড়ে থাকা সকল বাংলাভাষীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার (১৩ এপ্রিল) দেওয়া এক বাণীতে তিনি পুরোনো বছরের জীর্ণতা মুছে নতুন বছরে সমৃদ্ধ আগামীর পথে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান। একই সাথে তিনি ঘোষণা করেন যে, কৃষক ও কৃষি অর্থনীতির উন্নয়নে নববর্ষের প্রথম দিন থেকেই দেশজুড়ে ‘কৃষক কার্ড’ প্রদান কর্মসূচি শুরু হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী তাঁর বাণীতে উল্লেখ করেন, পহেলা বৈশাখ আমাদের জাতিসত্তার ইতিহাস ও সংস্কৃতির এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। তথ্যপ্রযুক্তির এই যুগেও আমাদের কৃষি ও অর্থনীতি প্রকৃতির সাথে নিবিড়ভাবে মিশে আছে। তিনি বলেন, বৈশাখি মেলা, হালখাতা এবং শোভাযাত্রার মতো ঐতিহ্যগুলো আমাদের ঐক্যবদ্ধ করে। দেড় দশকের ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসানের পর নতুন গণতান্ত্রিক সরকার দায়িত্ব নিয়ে মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
নির্বাচনি অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে সরকার ইতিমধ্যে ফ্যামিলি কার্ড, ক্রীড়া কার্ড এবং খাল খনন কর্মসূচির মতো জনহিতকর কাজ শুরু করেছে। প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, নতুন বছরে চালু হওয়া ‘কৃষক কার্ড’ বাংলাদেশের কৃষি খাতে এক যুগান্তকারী পরিবর্তন আনবে। তিনি বৈশ্বিক সংকটের এই সময়ে শান্তি, সহমর্মিতা ও সম্প্রীতির চর্চার মাধ্যমে গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং নতুন বছরে সবার সুখ ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।
সূত্র: বাসস
কারামুক্ত হলেন সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী
জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন। রোববার (১২ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগার থেকে তিনি কারামুক্ত হন। কাশিমপুর কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার কাওয়ালিন নাহার গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
কারাগার সূত্রে জানা গেছে, রোববার বিকেল চারটার দিকে ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর জামিন সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় কাগজপত্র কারাগারে পৌঁছায়। কারা কর্তৃপক্ষ নথিপত্র যাচাই-বাছাই শেষে সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় তাকে মুক্তি দেওয়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে। কারাফটক থেকে তার স্বজনরা তাকে গ্রহণ করে নিয়ে যান।
এর আগে একই দিন দুপুরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসান রাজধানীর লালবাগ থানায় দায়ের করা একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় সাবেক এই স্পিকারের জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন। শুনানির সময় তাকে সশরীরে আদালতে হাজির করা হয়নি; তার আইনজীবীদের যুক্তি ও আইনি ব্যাখ্যা বিবেচনা করে আদালত এই আদেশ দেন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে কেন্দ্র করে লালবাগ এলাকায় সংঘটিত সহিংসতা ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে এই মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল।
গত ৭ এপ্রিল (মঙ্গলবার) রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকা থেকে ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। পরবর্তীতে তাকে আদালতে হাজির করা হলে পুলিশ রিমান্ডের আবেদন করে, তবে আদালত রিমান্ড ও জামিন উভয় আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন। গ্রেফতারের পাঁচ দিনের মাথায় আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জামিন পেয়ে তিনি মুক্ত হলেন।
/আশিক
বিরোধী দল ভুল তথ্য দিচ্ছে: অধ্যাদেশ বিতর্কে কড়া জবাব স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
অন্তর্বর্তী সরকারের সময় তড়িঘড়ি করে জারি করা কিছু অধ্যাদেশ নিয়ে বিরোধী দল জল ঘোলা করার চেষ্টা করছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। রোববার (১২ এপ্রিল) সচিবালয়ে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে তিনি স্পষ্ট করেন যে, গুম, মানবাধিকার এবং সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় সংক্রান্ত অধ্যাদেশগুলো নিয়ে অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে ভবিষ্যতে আরও শক্তিশালী ও জনবান্ধব আইন প্রণয়ন করা হবে।
নিজে গুমের শিকার হওয়ার অভিজ্ঞতা স্মরণ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, গুম প্রতিরোধে একটি স্বচ্ছ ও কার্যকর আইন তৈরি করা হবে। সংসদে বিরোধী দলের ওয়াকআউট প্রসঙ্গে তিনি মন্তব্য করেন যে, সংসদীয় বিধি অনুযায়ী তারা এটি করতে পারেন, তবে যেসব ইস্যুতে তারা ওয়াকআউট করেছেন এবং বাইরে গিয়ে যে ধরনের ভুল তথ্য দিয়ে ব্রিফিং করছেন, তা মোটেও সঠিক নয়। তিনি আরও জানান, জুলাই স্মৃতি জাদুঘরের কিউরেটরের পদের মতো কিছু বিষয়ে সরকার প্রয়োজনীয় সংশোধন এনেছে এবং প্রয়োজনে পরবর্তী অধিবেশনে সংশোধিত বিল উপস্থাপন করা হবে।
গণভোট অধ্যাদেশ নিয়ে সৃষ্ট বিতর্ক প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী এই গণভোট হয়নি, বরং তার প্রস্তাবিত অধ্যাদেশের ভিত্তিতে রাষ্ট্রপতি আদেশ জারি করেছিলেন। যদিও রাষ্ট্রপতির এই ক্ষমতার বৈধতা নিয়ে আদালতে রিট হয়েছে, তবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মনে করেন সম্পন্ন হওয়া গণভোটের বৈধতা আছে এবং আপাতত নতুন আইনের প্রয়োজন নেই। ভবিষ্যতে গণভোটের প্রশ্ন এলে তখন নতুন করে আইন নিয়ে ভাবা যাবে। উল্লেখ্য, এই সংবাদ সম্মেলনে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান ও চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনিও উপস্থিত ছিলেন।
/আশিক
আগামী ৫ দিন বৃষ্টির পূর্বাভাস! বদলে যাচ্ছে দেশের আবহাওয়া পরিস্থিতি
দেশের আবহাওয়ায় বড় ধরনের পরিবর্তনের পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। লঘুচাপের প্রভাবে আগামী পাঁচ দিন দেশের বিভিন্ন বিভাগে অস্থায়ী দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। শনিবার (১১ এপ্রিল) সন্ধ্যা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার জন্য দেওয়া এক বিশেষ পূর্বাভাসে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
আবহাওয়া অফিস জানায়, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। পাশাপাশি দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ বিরাজমান। এই অবস্থায় আজ রোববার (১২ এপ্রিল) সন্ধ্যা পর্যন্ত সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
তবে দেশের বাকি অংশে আকাশ আংশিক মেঘলা থাকলেও আবহাওয়া মূলত শুষ্ক থাকবে। এ সময় সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা ১-২ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়তে পারে।
আগামীকাল সোমবার (১৩ এপ্রিল) ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগে এবং বুধবার (১৫ এপ্রিল) রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগে বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। এই কয়েক দিন সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা ওঠানামা করলেও বর্ধিত পাঁচ দিনের শেষে তাপমাত্রা আরও বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। বৃষ্টির সময় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বজ্রপাতের ঝুঁকি থাকায় সবাইকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
/আশিক
সাধারণ দর্শকের বেশে বেইলি রোডে প্রধানমন্ত্রী! সপরিবারে দেখলেন শিশুদের নাটক
রাজধানীর বেইলি রোডে এক সাধারণ দর্শকের বেশে সপরিবারে শিশুদের নাটক উপভোগ করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার (১১ এপ্রিল) সন্ধ্যায় তিনি বাংলাদেশ মহিলা সমিতি মিলনায়তনে গিয়ে ‘কবি চিতাবাঘ’ নামক একটি নাটক দেখেন। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর সহধর্মিণী ডা. জোবাইদা রহমান এবং কন্যা জাইমা রহমানও উপস্থিত ছিলেন।
বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান জানান, সন্ধ্যা ৭টার দিকে প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত সাদামাটা নিরাপত্তাবেষ্টনীর মধ্যে পরিবার নিয়ে মিলনায়তনে প্রবেশ করেন। সাধারণ দর্শকদের মাঝেই তিনি আসন গ্রহণ করেন।
নিরাপত্তার কড়াকড়ি কম থাকায় এবং অত্যন্ত সাধারণ বেশে উপস্থিত হওয়ায় শুরুতে অনেক দর্শকই বুঝতে পারেননি যে দেশের প্রধানমন্ত্রী তাঁদের পাশেই বসে নাটক দেখছেন। তবে নাটক চলাকালীন বিষয়টি জানাজানি হলে উপস্থিত দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক বিস্ময় ও উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে পড়ে।
নাটক শেষ হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী সপরিবারে মঞ্চে ওঠেন এবং শিশুশিল্পীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। ছোট ছোট শিল্পীদের সাবলীল অভিনয়ে মুগ্ধ হয়ে প্রধানমন্ত্রী তাদের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে শিশুদের আরও উৎসাহিত করার আহ্বান জানান। দীর্ঘ সময় পর বেইলি রোডের নাট্যপাড়ায় দেশের সরকার প্রধানের এমন সাধারণ উপস্থিতি সংস্কৃতিমনা মানুষের মাঝে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে।
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- সতর্ক সংকেত! রাত ১টার মধ্যে ৩ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের পূর্বাভাস
- কালিগঞ্জে পহেলা বৈশাখ উদযাপন: পান্তাভাত ও বর্ণাঢ্য র্যালিতে উৎসবের আমেজ
- সেন্ট লুসিয়ার পার্লামেন্টের স্পীকারের সাথে ব্যারিস্টার নাজির আহমেদের মতবিনিময়
- কুমিল্লা ট্রাক খাদে পড়ে নিহত ৭
- যুদ্ধবিরতি শেষে শুরু হতে পারে মহাযুদ্ধ: ইরানের চূড়ান্ত হুঁশিয়ারি!
- ইসরায়েলে হিজবুল্লাহর মুহূর্মুহু রকেট হামলা: কাঁপছে উত্তরাঞ্চল
- এত দরদ থাকলে আগে আসলেন না কেন? টাঙ্গাইলে বিস্ফোরক প্রধানমন্ত্রী
- এক হাজার বছর আগের বিস্ফোরণ আজও কাঁপিয়ে দিচ্ছে মহাশূন্য
- ট্রাম্পের এক ঘোষণা পাল্টে দিল চিত্র: তেলের বাজারে হঠাৎ বড় পতন!
- বৃত্তি পরীক্ষা আগামীকাল: খুদে পরীক্ষার্থীদের জন্য ১০টি ‘লাইফ সেভিং’ টিপস
- তেল সংকটে স্তব্ধ ইস্টার্ন রিফাইনারি! নজিরবিহীন জ্বালানি সংকটের মুখে দেশ
- সেরেনা হোটেলের ২০ ঘণ্টা: ৮০% সফল হয়েও কেন ফিরল না শান্তি?
- ইসরায়েলকে ইতালির বড় ঝটকা! বাতিল হলো ঐতিহাসিক প্রতিরক্ষা চুক্তি
- ২ মাসের মাথায় প্রতিশ্রুতি পূরণ: জামালপুরে কার্ড হাতে হাসি ফুটল চাষিদের
- ইরানের পর এবার তুরস্ক? কাকে ‘নতুন শত্রু’ ঘোষণা করতে যাচ্ছে ইসরায়েল?
- ট্রাম্পকে বৃদ্ধাঙ্গুলি, নজরদারি এড়িয়ে হরমুজ পার হলো ৩টি জাহাজ
- কৃষক কার্ড উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী, যেসব সুবিধা থাকছে
- যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধকে ‘বিপজ্জনক ও দায়িত্বজ্ঞানহীন’ বলল চীন
- আমেরিকার অন্দরেই বিদ্রোহ! ট্রাম্পের ‘ইরান যুদ্ধ’ নীতির বিরুদ্ধে ফুঁসছে খোদ নিউ ইয়র্ক
- মার্কিন অবরোধ ভেঙে হরমুজ পার হলো চীনা ট্যাংকার!
- সময়ের কাঁটায় বন্দি শান্তি চুক্তি: ২০ বছর বনাম ৫ বছরের লড়াইয়ে উত্তপ্ত বিশ্ব রাজনীতি
- ১০ ধরনের সুবিধা নিয়ে আসছে কৃষক কার্ড: কৃষি খাতে নতুন যুগের সূচনা
- নতুন ভোরের প্রতীক ‘মোরগ’: চারুকলার শোভাযাত্রায় ফুটে উঠল আগামীর স্বপ্ন
- মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের দামামা! ১৫টি যুদ্ধজাহাজ নিয়ে ইরানকে ঘেরাও করল আমেরিকা
- পহেলা বৈশাখে বজ্রবৃষ্টির দুঃসংবাদ! ৩ অঞ্চলে ঝোড়োহাওয়ার পূর্বাভাস
- ১৪ এপ্রিল মঙ্গলবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ থাকবে
- ৪ হাজার টাকার বেশি দাম কমল স্বর্ণের! জেনে নিন আজকের সর্বশেষ রেট
- বল এখন ইরানের কোর্টে: তেহরানকে চূড়ান্ত বার্তা দিলেন জে ডি ভ্যান্স
- নতুন বছরের প্রথম দিন: দেখে নিন ১৪ এপ্রিলের নামাজের পূর্ণাঙ্গ সূচি
- ইউকে বাংলা রিপোর্টার্স ইউনিটির উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান
- ধারণক্ষমতার ৪ গুণ যানবাহন চলাচল দেবে যাচ্ছে সড়ক বাড়ছে যানজট-দুর্ঘটনা
- ইরানে হামলা মানে তুরস্কের ওপর হামলা: এরদোগান
- ট্রাম্পের অবরোধ উপেক্ষা! হরমুজ প্রণালিতে শনাক্ত ৪টি রহস্যময় জাহাজ
- জুলাই না থাকলে আমাদের অস্তিত্ব থাকত না: জামায়াত আমির
- ব্যর্থতার মাঝেও আশার আলো: আবারও কি আলোচনায় বসবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান?
- পহেলা বৈশাখ আমাদের আত্মপরিচয়ের প্রতীক: শুভেচ্ছা বাণীতে প্রধানমন্ত্রী
- ব্যর্থ শান্তি বৈঠক, সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রকে দোষ ইরানের
- ১৪ এপ্রিল: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- ১৪ এপ্রিল: শেয়ারবাজারের লোকসানে যেসব শেয়ার
- ১৪ এপ্রিল: লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- আমেরিকার জন্য অপেক্ষা করছে বড় বিপর্যয়! হরমুজ নিয়ে লড়াকু অবস্থানে তেহরান
- ধর্মগুরু বনাম প্রেসিডেন্ট: পোপ লিও’র সমালোচনায় ক্ষুব্ধ ডোনাল্ড ট্রাম্প
- চুক্তির খুব কাছে গিয়েও কেন ফিরল ইরান-যুক্তরাষ্ট্র? পর্দার আড়ালের রহস্য
- হরমুজ সংকটে জাপানের হাই-অ্যালার্ট: পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর টোকিওর
- ১৬ জেলায় বইছে তাপপ্রবাহ: আবহাওয়া অফিসের নতুন বার্তায় দুঃসংবাদ!
- ইরানি বন্দরে মার্কিন অবরোধ শুরু: রণক্ষেত্রে রূপ নিচ্ছে পারস্য উপসাগর
- স্বর্ণের বাজারে বড় ধস! এক সপ্তাহের মধ্যে সর্বনিম্ন দামে মিলছে মূল্যবান ধাতু
- সোমবার ঢাকার কোন কোন মার্কেট ও এলাকা বন্ধ? বের হওয়ার আগে জেনে নিন
- আজকের ঢাকা: কোথায় কী কর্মসূচি? বের হওয়ার আগে জেনে নিন
- আজ ১৩ এপ্রিলের নামাজের সময়সূচি: জেনে নিন আপনার এলাকার ওয়াক্ত
- বাজুসের নতুন ঘোষণা, স্বর্ণে রেকর্ড উত্থান
- শান্তির খোঁজে ইরানের সঙ্গে সৌদির যোগাযোগ
- আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ডসহ ৩০ আসামির সাজা ঘোষণা
- ৮ এপ্রিল: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- টানা দুই দিন ২০ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
- ইরান যুদ্ধে কৌশলগত ব্যর্থতায় ইসরাইল, প্রশ্ন নেতৃত্বে
- ৪০ দিন পর খুলল আল-আকসা, আবেগে ভাসলেন মুসল্লিরা
- মধ্যপ্রাচ্যে নতুন নাটকীয়তা: যুদ্ধবিরতি ভেঙে ইরানে ইসরায়েলের হামলা
- যুক্তরাষ্ট্রের চাপে যুদ্ধবিরতির মধ্যস্থতায় পাকিস্তান
- আজকের নামাজের সময়সূচি: জেনে নিন বিস্তারিত
- আজকের নামাজের সময়সূচি, দেখে নিন সম্পূর্ণ তালিকা
- রাতে ইউরোপ মাতাবে হাইভোল্টেজ ফুটবল, জানুন আজকের খেলাধুলা সূচি
- ৯ এপ্রিল: শেয়ারবাজারে দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- স্বর্ণের দামে বড় পতন, ভরিতে কমলো যত
- পাকিস্তান-ইসরাইল উত্তেজনা, কড়া প্রতিক্রিয়া ইসরাইলের








