শেখ হাসিনা ও কামালের মামলার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১৩ ১৫:২৭:৩৯
শেখ হাসিনা ও কামালের মামলার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ
ছবি: সংগৃহীত

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত ও পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল–এর বিরুদ্ধে দেওয়া দণ্ডাদেশের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করা হয়েছে। মঙ্গলবার ১৩ জানুয়ারি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয়ের ওয়েবসাইটে এই ঐতিহাসিক রায়টি আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মুক্ত করা হয়।

প্রকাশিত রায়টি মোট ৪৫৭ পৃষ্ঠার, যেখানে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান চলাকালীন রাষ্ট্রীয় শক্তির ব্যবহার, বেসামরিক নাগরিকদের ওপর নিপীড়ন এবং সংগঠিত সহিংসতার বিস্তারিত বিবরণ ও বিচারিক বিশ্লেষণ তুলে ধরা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, এই রায়টি বাংলাদেশের বিচার ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল হিসেবে বিবেচিত হবে।

এর আগে গত ১৭ নভেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল একটি অভিযোগে শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করেন। একই সঙ্গে পৃথক আরেকটি অভিযোগে তাদের উভয়ের বিরুদ্ধে আমৃত্যু কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়। আদালত রায়ে উল্লেখ করেন, অভিযোগ প্রমাণে প্রসিকিউশনের উপস্থাপিত সাক্ষ্য-প্রমাণ ও নথিপত্র সন্দেহাতীতভাবে অপরাধ সংঘটনের বিষয়টি প্রতিষ্ঠা করেছে।

আইন সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, এই পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের মাধ্যমে মামলার বিচারিক যুক্তি, সাক্ষ্য মূল্যায়ন এবং দণ্ড নির্ধারণের আইনি ভিত্তি জনসমক্ষে স্পষ্ট হলো। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের আলোকে অপরাধের শ্রেণিকরণ ও দায় নির্ধারণের বিষয়টি রায়ে বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে।

চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, রায় প্রকাশের উদ্দেশ্য হলো বিচার প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং দেশি-বিদেশি গবেষক, আইনজ্ঞ ও মানবাধিকার সংগঠনগুলোর জন্য প্রামাণ্য নথি উন্মুক্ত করা। তারা মনে করছেন, এই রায় ভবিষ্যতে গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার সংক্রান্ত আলোচনায় একটি গুরুত্বপূর্ণ রেফারেন্স হিসেবে ব্যবহৃত হবে।

-রফিক


সময় বদলেছে, নাগরিক প্রত্যাশাও বেড়েছে: আমীর খসরু

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১৩ ১৪:৪২:৩৩
সময় বদলেছে, নাগরিক প্রত্যাশাও বেড়েছে: আমীর খসরু
ছবি: সংগৃহীত

রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রতি জনগণের আস্থা পুনর্গঠনের দায়িত্ব কোনো বাইরের শক্তির নয়, বরং রাজনীতিবিদদেরই বহন করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তার মতে, দেশের রাজনৈতিক বাস্তবতায় আস্থা অর্জন এখন একটি মৌলিক রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ, যা দায়িত্বশীল আচরণ ও বিশ্বাসযোগ্য কর্মকাণ্ড ছাড়া সম্ভব নয়।

তিনি বলেন, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে জনগণের প্রত্যাশা ও আকাঙ্ক্ষা বহুগুণে বেড়েছে এবং সেই উচ্চমাত্রার প্রত্যাশা ধারণ করার সক্ষমতা রাজনীতিবিদদের মধ্যেই থাকতে হবে। কেবল বক্তব্য নয়, বাস্তব কর্মসূচি, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মধ্য দিয়েই রাজনীতিবিদদের জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনতে হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত বাংলাদেশ–চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত ‘জাতীয় নির্বাচন ২০২৬ ও নাগরিক প্রত্যাশা’ শীর্ষক এক সেমিনারে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। সেমিনারটিতে রাজনীতি, নির্বাচন ব্যবস্থা ও নাগরিক অধিকার নিয়ে আলোচনা হয়, যেখানে আগামী জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জনগণের ভূমিকা ও প্রত্যাশার বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পায়।

আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে নাগরিকদের অংশগ্রহণ ও সচেতনতা এখন আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি। ফলে রাজনীতিবিদদের সিদ্ধান্ত ও আচরণ এখন সরাসরি জনমানুষের বিচার-বিশ্লেষণের আওতায় চলে এসেছে। এই বাস্তবতায় পুরোনো রাজনৈতিক সংস্কৃতি দিয়ে নতুন প্রজন্মের প্রত্যাশা পূরণ করা সম্ভব নয় বলেও তিনি ইঙ্গিত দেন।

তিনি আরও বলেন, একটি গ্রহণযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা জরুরি। নির্বাচন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা এবং রাজনৈতিক সদিচ্ছা না থাকলে জনগণের হতাশা আরও বাড়বে, যা দীর্ঘমেয়াদে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

সেমিনারে আলোচকরা মনে করেন, ‘জাতীয় নির্বাচন ২০২৬’ কেবল একটি নির্বাচন নয়, বরং এটি ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক সংস্কার, গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা এবং রাষ্ট্রের প্রতি নাগরিক আস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা। এই প্রেক্ষাপটে রাজনৈতিক দলগুলোর ভূমিকা ও দায়িত্ব নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বিভিন্ন রাজনৈতিক বিশ্লেষক, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি ও শিক্ষাবিদরা। তারা বলেন, রাজনীতিবিদদের প্রতি আস্থা সংকটের পেছনে দীর্ঘদিনের অনিয়ম, জবাবদিহির অভাব এবং রাজনৈতিক সহনশীলতার ঘাটতি কাজ করেছে। এই অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে হলে রাজনৈতিক দলগুলোকেই আগে নিজেদের সংস্কার করতে হবে।

-শরিফুল


সাবেক এমপি মমতাজ বেগমের বিপুল সম্পদ জব্দের আদেশ

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১৩ ১৪:২৯:২১
সাবেক এমপি মমতাজ বেগমের বিপুল সম্পদ জব্দের আদেশ
ছবি: সংগৃহীত

সাবেক সংসদ সদস্য ও জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী মমতাজ বেগম–এর নামে থাকা বিপুল পরিমাণ স্থাবর সম্পদ জব্দের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। দুর্নীতি দমন কমিশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তার মালিকানাধীন মোট ৪৭৪ শতাংশ জমি এবং ঢাকাসহ মানিকগঞ্জে অবস্থিত তিনটি আবাসিক ভবন আদালতের মাধ্যমে জব্দ করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে।

মঙ্গলবার ১৩ জানুয়ারি ঢাকার মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ এই আদেশ প্রদান করেন। আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, দুদকের পক্ষ থেকে দাখিল করা আবেদনের ভিত্তিতেই এই সম্পত্তি জব্দের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

আদালতের আদেশে যে সম্পদগুলো জব্দ করা হয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে ঢাকার মহাখালী ডিওএইচএস এলাকায় প্রায় ২ হাজার ৫০০ বর্গফুট জমির ওপর নির্মিত একটি পাঁচতলা আবাসিক ভবন। পাশাপাশি মানিকগঞ্জে অবস্থিত একটি দোতলা বাড়ি এবং মানিকগঞ্জ সদর এলাকায় ২ হাজার ১০৯ বর্গফুট জমির ওপর নির্মিত একটি চারতলা ভবনও জব্দের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, এসব সম্পদের বাজারমূল্য উল্লেখযোগ্য এবং তদন্তের স্বার্থে এগুলো আদালতের হেফাজতে রাখা জরুরি বলে বিবেচিত হয়েছে।

এই সম্পত্তিগুলো জব্দের আবেদন করেন দুর্নীতি দমন কমিশনের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ সিরাজুল হক। আবেদনে উল্লেখ করা হয়, মানিকগঞ্জ-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মমতাজ বেগমের বিরুদ্ধে মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগ রয়েছে। একই সঙ্গে তার স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের আর্থিক লেনদেনও অনুসন্ধানের আওতায় আনা হয়েছে।

আবেদনে আরও বলা হয়, অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে একটি বিশেষ অনুসন্ধান টিম গঠন করা হয়েছে এবং অনুসন্ধান কার্যক্রম এখনো চলমান রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে অভিযুক্তের নামে থাকা ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করা এবং স্থাবর সম্পদ জব্দ করা অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে, যাতে তদন্ত চলাকালে কোনো সম্পদ হস্তান্তর বা গোপন করার সুযোগ না থাকে।

আইন বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, মানিলন্ডারিং সংক্রান্ত মামলায় অনুসন্ধান চলাকালে আদালতের মাধ্যমে সম্পদ জব্দ একটি প্রচলিত ও গুরুত্বপূর্ণ আইনি প্রক্রিয়া। এর মাধ্যমে অভিযুক্ত ব্যক্তির আর্থিক লেনদেনের পূর্ণ চিত্র উদ্ঘাটন এবং রাষ্ট্রীয় স্বার্থ সুরক্ষিত রাখা সহজ হয়।

উল্লেখ্য, গত বছরের ১৩ মে গোয়েন্দা পুলিশের হাতে গ্রেফতার হন মমতাজ বেগম। গ্রেফতারের পর থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন এবং তার বিরুদ্ধে দায়ের করা বিভিন্ন অভিযোগের তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়া এখনো চলমান রয়েছে। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, আদালতের সর্বশেষ এই আদেশ মামলার অনুসন্ধানে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

-রাফসান


কোনো বোঝাপড়ার নির্বাচন আমরা করতে চাই না: ডা. শফিকুর রহমান

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১৩ ০৯:৪৬:৩১
কোনো বোঝাপড়ার নির্বাচন আমরা করতে চাই না: ডা. শফিকুর রহমান
ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, বিগত নির্বাচনের মতো কোনো নির্বাচন তারা আর দেখতে চান না এবং কোনো ধরনের ‘বোঝাপড়ার নির্বাচন’ তারা করবেন না। গতকাল রাতে রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে সশস্ত্র বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

সেনাবাহিনীর ভূমিকা ও সিভিল ওয়ার চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানে সেনাবাহিনীর ভূমিকার প্রশংসা করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “চব্বিশের জটিল দিনগুলোতে সেনাবাহিনীর দায়িত্বপূর্ণ ভূমিকার কারণে জাতি সিভিল ওয়ার (গৃহযুদ্ধ) থেকে রক্ষা পেয়েছে—এটি আমার এবং আমার দলের পারসেপশন। আগস্টের ৩, ৪ এবং ৫ তারিখে আপনারা যে ভূমিকা রেখেছেন, সেটা না রাখলে আজকে বাংলাদেশে এখানে দাঁড়িয়ে আমি কথা বলতে পারতাম না।”

‘মাস্টারমাইন্ড’ বিতর্ক বিপ্লবের কৃতিত্ব প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এই পরিবর্তন বা বিপ্লবের কোনো ক্রেডিট তারা দল হিসেবে দাবি করেননি। সরকারপ্রধান বিদেশে থাকা একজনকে ‘মাস্টারমাইন্ড’ বলায় আপত্তি জানিয়ে তিনি বলেন, “আমিই প্রথম ব্যক্তি যে বলেছিলাম—এখানে কোনো ব্যক্তি মাস্টারমাইন্ড আমরা মানি না। যদি এক ব্যক্তিকে মাস্টারমাইন্ড করা হয়, তবে বাকি সবাইকে আন্ডারমাইন্ড করা হবে। এখানে বাংলাদেশের বিপ্লবী জনগণই হলো সম্মিলিত মাস্টারমাইন্ড।”

ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও পাকিস্তান আমল তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তানের বৈষম্যের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ১৯০ বছরের গোলামির পর পাকিস্তান ও ভারত আলাদা রাষ্ট্র হলেও পশ্চিম পাকিস্তান পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের সঙ্গে ইনসাফ করেনি। এই বৈষম্যের বিরুদ্ধেই সত্তরের নির্বাচনে জনগণ রায় দিয়েছিল এবং পরবর্তীতে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশের জন্ম হয়।

নির্বাচন ও গণতান্ত্রিক অবস্থান গতকাল রাজধানীর বসুন্ধরায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান ইভারস আইজাবসের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “আমরা শুধু চাই নির্বাচনটা সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হোক। সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণ যদি অন্য কোনো দলকে পছন্দ করে, আমরা তাদের সহযোগিতা করব। দুর্নীতির বিরুদ্ধে এবং সংস্কারের পক্ষে যারা থাকবে, জামায়াত তাদের সঙ্গেই থাকবে।” তিনি আরও বলেন, দেশের মা-বোনেরাও নির্বাচনে জামায়াতকে বেছে নেবে বলে তাদের শতভাগ আস্থা রয়েছে।

চীনা রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ একই দিনে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন জামায়াত আমিরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। রাজধানীর বসুন্ধরায় আমিরের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। চীনা রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে একটি প্রতিনিধিদলও এ সময় উপস্থিত ছিল।

সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন।


জোট গঠনে অনেক ছাড় দিয়েছে এনসিপি লক্ষ্য এবার সরকার গঠন: আসিফ মাহমুদ

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১২ ২১:০০:০৬
জোট গঠনে অনেক ছাড় দিয়েছে এনসিপি লক্ষ্য এবার সরকার গঠন: আসিফ মাহমুদ
ছবি : সংগৃহীত

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) তাদের রণকৌশল চূড়ান্ত করেছে। আজ সোমবার (১২ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় গণমাধ্যমের সাথে আলাপকালে এনসিপির মুখপাত্র এবং নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া জানান যে, তাঁর দল এবার দেশের ৩০টি গুরুত্বপূর্ণ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। তিনি অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে বলেন যে, এবারের জোটটি ইনশাআল্লাহ সরকার গঠন করবে। জোটের স্থায়িত্ব এবং কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে এনসিপি অনেক ছাড় দিয়েছে এবং অন্যান্য শরিক দলগুলোর মধ্যেও একই ধরণের ইতিবাচক মানসিকতা থাকায় একটি শক্তিশালী জোট গঠন সম্ভব হয়েছে।

আসিফ মাহমুদ তাঁর বক্তব্যে দলের অভ্যন্তরীণ সংহতির ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন। সম্প্রতি যারা পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন, তাঁদেরকে দলের ‘অ্যাসেট’ বা সম্পদ হিসেবে অভিহিত করে তিনি বলেন যে, তাঁদের পদত্যাগপত্র এখনো গ্রহণ করা হয়নি। তিনি বিশ্বাস করেন যে, এখনো সবার একসঙ্গে কাজ করার সুযোগ রয়েছে এবং ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় লক্ষ্য অর্জন সহজ হবে। দলের এই নমনীয় মনোভাব নেতাকর্মীদের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার করেছে।

জোটের প্রকৃতি নিয়ে আসিফ মাহমুদ একটি স্বচ্ছ ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, বর্তমান জোটটি কোনো ‘আদর্শিক জোট’ নয় বরং এটি একটি ‘স্ট্রেটেজিক’ বা কৌশলী জোট। নির্বাচনের বৈতরণী পার হতে এবং দেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে একটি কার্যকর সরকার উপহার দিতেই এই ধরণের কৌশল অবলম্বন করা হয়েছে। ২০২৬ সালের এই নির্বাচনের ফলাফল বাংলাদেশের রাজনীতির গতিপথ নির্ধারণ করবে এবং এনসিপি এই পরিবর্তনের মূল কারিগর হতে চায় বলে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন।


বিজয় আমাদের হয়ে গেছে, এখন শুধু আনুষ্ঠানিকতা : নুরুল নুর

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১২ ১৮:১৮:১৭
বিজয় আমাদের হয়ে গেছে, এখন শুধু আনুষ্ঠানিকতা : নুরুল নুর
পটুয়াখালীর দশমিনায় এক ওরস মাহফিলে বক্তব্য দেন নুরুল হক নুর। ছবি : কালবেলা

পটুয়াখালী-৩ আসনের বিএনপি জোট মনোনীত প্রার্থী ও গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর তাঁর নির্বাচনী এলাকায় এক আবেগঘন ও বলিষ্ঠ বক্তব্য দিয়েছেন। সোমবার রাতে পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের গছানী গ্রামে একটি ওরস মাহফিলে যোগ দিয়ে তিনি বলেন যে এলাকার মানুষের সমর্থন দেখে তিনি নিশ্চিত হয়েছেন যে বিজয় এখন কেবল সময়ের ব্যাপার এবং এটি এখন শুধুই আনুষ্ঠানিকতা। তিনি দশমিনা ও গলাচিপার মানুষের পাশে থেকে তাঁদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

নূর তাঁর বক্তব্যে বাংলাদেশের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন যে তিনি যেমন ওয়াজ মাহফিলে যান তেমনই ওরস মাহফিলে আসতে পেরে গর্বিত। বাউল সংগঠনসহ সব ধরণের সামাজিক ও ধর্মীয় সংগঠনের নিজস্ব স্বাধীনতা থাকবে বলে তিনি নিশ্চয়তা দেন। তিনি কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন যে কারও ধর্মীয় বা সামাজিক অনুষ্ঠান ভেঙে দেওয়ার মতো ধৃষ্টতা বা হামলা কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না। ৫ আগস্টের পরবর্তী পরিস্থিতিতে বিশেষ করে সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের সুরক্ষা নিয়ে নূর বলেন যে ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে কোনো ব্যক্তি বা তাঁর ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা হবে না এবং তাঁদের কাছ থেকে কোনো চাঁদা নেওয়া যাবে না।

নির্বাচনী এলাকা দশমিনা ও গলাচিপাকে একটি আদর্শ 'রোল মডেল' হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা তুলে ধরেন নূর। তাঁর স্বপ্ন এমন একটি রাজনৈতিক সংস্কৃতি তৈরি করা যেখানে বিএনপি, আওয়ামী লীগ, জামায়াত ও গণঅধিকার পরিষদের কর্মীরা ভেদাভেদ ভুলে একই সামাজিক অনুষ্ঠানে কুশল বিনিময় করবে। রাজনৈতিক মতাদর্শের কারণে কারও ওপর হামলা বা জুলুম করা হবে না বরং একটি ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক সমাজ কায়েম করা হবে। জনগণের প্রতি সংহতি প্রকাশ করে নূর জানান যে তিনি আগামীতে এলাকার প্রতিটি মানুষের বিপদে-আপদে পাশে থাকবেন এবং পটুয়াখালীকে রাজনৈতিক সম্প্রীতির এক অনন্য উদাহরণ হিসেবে বিশ্বের কাছে তুলে ধরবেন।


ক্রিকেটারকে অপমান মানেই দেশকে অপমান: মির্জা ফখরুল

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১২ ১৪:৩৭:৫৯
ক্রিকেটারকে অপমান মানেই দেশকে অপমান: মির্জা ফখরুল
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মন্তব্য করেছেন, দেশের একজন ক্রিকেটারকে অপমান করা মানে শুধু ব্যক্তিগত অসম্মান নয়, বরং পুরো জাতির মর্যাদায় আঘাত হানা। সোমবার ঠাকুরগাঁওয়ে নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই বক্তব্য দেন।

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ বা ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ থেকে বাংলাদেশের বাঁহাতি পেসার **মোস্তাফিজুর রহমান**কে দল থেকে বাদ দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে চলমান বিতর্কে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, ক্রিকেটের সঙ্গে দেশের সম্মান অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। খেলোয়াড়দের প্রতি অসম্মান দেখানো হলে তার প্রতিফলন আন্তর্জাতিক পরিসরে দেশের ভাবমূর্তিতেও পড়ে।

তিনি জানান, ক্রিকেট বোর্ডের সার্বিক অবস্থান ও সিদ্ধান্তের সঙ্গে তিনি নীতিগতভাবে একমত। তবে এ ধরনের ছোটখাটো জটিলতা আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত সমাধান করা সম্ভব ছিল বলে মত দেন। তাঁর মতে, ক্রীড়াঙ্গনের ইস্যুতে সংযম ও কূটনৈতিক বুদ্ধিমত্তা প্রয়োজন।

প্রসঙ্গত, ভারত সরকারের অনুমোদনের পর আইপিএলের নিলামে বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়। সেই নিলাম থেকেই প্রায় ৯ কোটি ২০ লাখ রুপিতে মোস্তাফিজুর রহমানকে দলে নেয় কলকাতা নাইট রাইডার্স। তবে ভারতের কট্টরপন্থী গোষ্ঠীর চাপের মুখে এবং বিসিসিআইয়ের নির্দেশনায় পরবর্তীতে তাকে দল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ ওঠে।

এই ঘটনার পর ভারত সফরে খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। সংস্থাটি বিষয়টি **আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল**কে অবহিত করে এবং নিরাপত্তাজনিত কারণ দেখিয়ে ভারতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচ খেলতে অনাগ্রহ প্রকাশ করে। বিকল্প হিসেবে সহ-আয়োজক দেশ শ্রীলঙ্কায় ম্যাচ আয়োজনের অনুরোধ জানানো হলেও এ বিষয়ে এখনো আইসিসির চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসেনি।

-রাফসান


নির্বাচন ও ক্রিকেট নিয়ে বড় বার্তা দিলেন বিএনপি মহাসচিব

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১২ ১১:৫৮:৩৬
নির্বাচন ও ক্রিকেট নিয়ে বড় বার্তা দিলেন বিএনপি মহাসচিব
ঠাকুরগাঁওয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ছবি : কালবেলা

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আজ সকালে ঠাকুরগাঁওয়ে এক সভায় দেশের বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি সাফ জানিয়েছেন যে এখন পর্যন্ত দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থার তেমন কোনো উল্লেখযোগ্য উন্নতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। বিশেষ করে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করতে না পারাকে তিনি সরকারের বড় ধরণের ব্যর্থতা হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। এই পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে এবং বিএনপি এই বিষয়টি নিয়ে অত্যন্ত উদ্বিগ্ন বলে তিনি গণমাধ্যমকর্মীদের জানান।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল বলেন যে এখন পর্যন্ত নির্বাচনের সার্বিক পরিস্থিতি ভালো আছে। তবে নির্বাচনের প্রকৃত পরিবেশ এবং সরকারের সদিচ্ছা বোঝা যাবে যখন দলগুলো পুরোদমে প্রচারণা শুরু করবে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে ভোটের সময় ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি ঘটবে যাতে মানুষ নির্ভয়ে তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন। নির্বাচনি মাঠে সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করা সরকারের নৈতিক দায়িত্ব বলে তিনি মনে করিয়ে দেন।

ক্রিকেট এবং ভারতের সাথে সম্পর্কের বিষয়েও মির্জা ফখরুল বেশ ইতিবাচক ও জাতীয়তাবাদী অবস্থান তুলে ধরেন। ভারতে অনুষ্ঠিতব্য ক্রিকেট বিশ্বকাপ নিয়ে তিনি বলেন যে ক্রিকেটের সাথে দেশের সম্মান জড়িত এবং একে কোনোভাবেই রাজনীতির সাথে মিশিয়ে ছোট করা ঠিক নয়। ক্রিকেট বোর্ড যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে তার সাথে বিএনপি একমত পোষণ করে এবং জাতীয় স্বার্থে ছোট ছোট বিষয়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানায়। এছাড়া তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে বিএনপির অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বলেন যে ভারতের সাথে পারস্পরিক সুসম্পর্ক এবং আলোচনার মাধ্যমেই অভিন্ন নদী সমস্যার সমাধান করা হবে। সভায় জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলীসহ দলের অঙ্গসংগঠনের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।


জনগণের প্রত্যক্ষ পরামর্শে রাষ্ট্র পরিচালনা করবে বিএনপি:তারেক রহমান

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১২ ১০:১৬:৩৬
জনগণের প্রত্যক্ষ পরামর্শে রাষ্ট্র পরিচালনা করবে বিএনপি:তারেক রহমান
ছবি : সংগৃহীত

আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক অভাবনীয় পরিবর্তনের ডাক দিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে এখন থেকে দলের প্রতিটি কর্মকাণ্ড এবং ভবিষ্যতে রাষ্ট্র পরিচালনার সব পরিকল্পনা সাধারণ মানুষের পরামর্শের ভিত্তিতে সম্পন্ন করা হবে। এই মহৎ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের জন্য তিনি ম্যাচ মাই পলিসি নামের একটি অত্যাধুনিক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম চালু করেছেন। বিএনপি সূত্র জানিয়েছে যে দেশের প্রতিটি নাগরিক এখন থেকে একটি কিউআর কোড স্ক্যান করার মাধ্যমে সরাসরি তাঁদের মতামত ও পরামর্শ তারেক রহমানের কাছে পৌঁছে দিতে পারবেন। এটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক অনন্য নজির স্থাপন করতে যাচ্ছে যেখানে সাধারণ মানুষ সরাসরি পলিসি নির্ধারণে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন।

বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ এই উদ্যোগের বিষয়ে জানান যে জনগণের আশা ও আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটানোই তাঁদের মূল লক্ষ্য। রাজনৈতিক অংশগ্রহণের এই ডিজিটাল পদ্ধতিটি মূলত জেন-জি বা তরুণ প্রজন্মের কথা মাথায় রেখে তৈরি করা হয়েছে। এই অ্যাপটিতে একটি বিশেষ অপশন রাখা হয়েছে যার মাধ্যমে যে কেউ লিখিতভাবে তাঁদের মতামত প্রদান করতে পারবেন। বিএনপি মনে করে এই প্রযুক্তিনির্ভর রাজনীতি বাংলাদেশে অংশগ্রহণমূলক গণতন্ত্রের এক নতুন যুগের সূচনা করবে। দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে ম্যাচ মাই পলিসি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে খুব সহজেই যে কেউ দলটির ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার সাথে নিজের মতামত যাচাই করে নিতে পারবেন।

নির্বাচনি প্রচারণার বিষয়েও বিএনপি তাদের চূড়ান্ত পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। আগামী ২১ জানুয়ারি প্রতীক বরাদ্দের দিন শেষ হওয়ার পর ২২ জানুয়ারি থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে মাঠে নামবেন তারেক রহমান। তিনি আধ্যাত্মিক রাজধানী সিলেট থেকে তাঁর এই নির্বাচনি যাত্রা শুরু করবেন। হযরত শাহজালাল (রহ.) ও হযরত শাহপরান (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত শেষ করে তিনি পথসভা ও জনসভার মাধ্যমে সাধারণ জনগণের কাছে ভোট প্রার্থনা করবেন। সিলেট থেকে সড়কপথে ঢাকা ফেরার সময় তিনি মৌলভীবাজার এবং শ্রীমঙ্গলে বড় ধরণের নির্বাচনি সমাবেশে অংশ নেবেন। ইতিমধেই তারেক রহমানের এই সফরকে কেন্দ্র করে সারা দেশে বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে। এই সফরের মাধ্যমে তিনি জনগণের সাথে সরাসরি সংযোগ তৈরির যে ঘোষণা দিয়েছেন তা রাজনৈতিক মহলে বেশ প্রশংসিত হচ্ছে।


জুলাই গণঅভ্যুত্থান বাঁচাতে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়যুক্ত করুন: চরমোনাই পীর

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১১ ১৯:১৮:২২
জুলাই গণঅভ্যুত্থান বাঁচাতে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়যুক্ত করুন: চরমোনাই পীর
ছবি : সংগৃহীত

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম আজ এক বিবৃতিতে আসন্ন জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট নিয়ে তাঁর দলের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন। তিনি বলেন, আজ আমরা যে স্বাধীনভাবে দেশ গড়ার সুযোগ পাচ্ছি, তার সম্পূর্ণ কৃতিত্ব ২০২৪-এর জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও লড়াই করা তরুণ শিক্ষার্থীদের। আওয়ামী ফ্যাসিবাদ রাজপথ থেকে বিতাড়িত হলেও রাষ্ট্রযন্ত্রের ভেতর থেকে এখনও ফ্যাসিবাদী আইন, রীতি ও সংস্কৃতি পুরোপুরি নির্মূল হয়নি। আর এই ফ্যাসিবাদের স্থায়ী বিলোপ নিশ্চিত করতেই ‘জুলাই সনদ’ প্রণয়ন করা হয়েছে, যার আইনি ভিত্তি দেবে এই গণভোট।

জুলাই বিপ্লবের মহৎ উদ্দেশ্যগুলো বাস্তবায়নের জন্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়া প্রতিটি সচেতন নাগরিকের দায়িত্ব।

তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন যে, গণভোট ও সংসদ নির্বাচন আলাদা সময়ে আয়োজন করার দাবি ছিল তাঁদের। কিন্তু দুটি ভোট একসাথে হওয়ায় ‘জুলাই সনদ’ নিয়ে আলোচনা এখন রাজনীতির মাঠে আড়ালে চলে যাচ্ছে, যা অত্যন্ত হতাশাজনক।

নির্বাচন উৎসবমুখর করতে হলে জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি। পীর সাহেব মনে করেন, এখনও দেশের জননিরাপত্তা নিয়ে মানুষের মনে উদ্বেগ রয়ে গেছে, যা নিরসনে সরকারকে কঠোর হতে হবে।

রেজাউল করীম দেশের সব রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, কেবল ক্ষমতার লড়াই নয়, বরং জুলাই সনদের পক্ষে জনমত গঠনেও সক্রিয় ভূমিকা পালন করুন। তিনি মনে করিয়ে দেন যে, বর্তমানের এই নির্বাচনসহ সবকিছুই জুলাই গণঅভ্যুত্থান ও জুলাই সনদের বরাতে বৈধ হয়েছে। তাই এই ঐতিহাসিক পরিবর্তনের ধারাকে অব্যাহত রাখতে ১২ ফেব্রুয়ারি গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট জয়যুক্ত করা অপরিহার্য। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনে করে, জুলাই সনদের পূর্ণ বাস্তবায়নই পারবে একটি বৈষম্যহীন ও ইনসাফপূর্ণ বাংলাদেশ উপহার দিতে।

পাঠকের মতামত:

ব্যক্তিগত দায় বনাম প্রাতিষ্ঠানিক দায়: দায়মুক্তির এক রাজনৈতিক সংস্কৃতি

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জের ঘটনা কাগজে পড়লে প্রথমে মনে হয় এটা যেন কোনো যুদ্ধের খবর। এক তরুণকে বিদ্যুতের খুঁটিতে বেঁধে হাত–পা প্রায়... বিস্তারিত