দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ দামে বিক্রি হবে স্বর্ণ

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ ডিসেম্বর ২২ ০৮:৪৪:৫২
দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ দামে বিক্রি হবে স্বর্ণ
ছবি : সংগৃহীত

দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আবারও আকাশচুম্বী উচ্চতায় পৌঁছেছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) টানা তৃতীয় দফায় দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে যার ফলে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম এখন দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ পর্যায়ে অবস্থান করছে। রোববার (২১ ডিসেম্বর) রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানিয়েছে যে প্রতি ভরিতে ১ হাজার ৫০ টাকা বাড়িয়ে নতুন এই দর নির্ধারণ করা হয়েছে। সোমবার (২২ ডিসেম্বর) সকাল থেকেই সারা দেশে এই নতুন মূল্য কার্যকর হয়েছে যা সাধারণ ক্রেতা ও অলঙ্কার ব্যবসায়ীদের মধ্যে নতুন উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।

নতুন এই সমন্বয় অনুযায়ী ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণ কিনতে ক্রেতাদের এখন গুণতে হবে ২ লাখ ১৮ হাজার ১১৭ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ ২ লাখ ৮ হাজার ২০২ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৭৮ হাজার ৪৫৯ টাকায় দাঁড়িয়েছে। সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দামও পিছিয়ে নেই যার বর্তমান দর নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৪৮ হাজার ৫৯৯ টাকা। বাজুস জানিয়েছে যে স্থানীয় বাজারে তেজাবি বা পাকা স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি পাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে স্বর্ণের দামের এই ঊর্ধ্বগতির মধ্যেও রুপার দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।

পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা যায় যে ২০২৫ সালটি স্বর্ণের বাজারের জন্য অত্যন্ত অস্থির ছিল। চলতি বছরে এখন পর্যন্ত মোট ৮৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছে বাজুস যার মধ্যে ৬০ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। এর বিপরীতে দাম কমানোর ঘটনা ঘটেছে মাত্র ২৭ বার। গত বছর অর্থাৎ ২০২৪ সালেও স্বর্ণের দাম ৬২ বার সমন্বয় করা হয়েছিল তবে এবারের মতো এত বড় অঙ্কের রেকর্ড আগে কখনো দেখা যায়নি। বিশ্ববাজারে ডলারের বিনিময় হার এবং আন্তর্জাতিক ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রভাব সরাসরি স্থানীয় বাজারে পড়ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।

জুয়েলারি ব্যবসায়ীরা বলছেন যে অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধির ফলে সাধারণ মধ্যবিত্তের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে এই মূল্যবান ধাতু। বিয়ের মৌসুম চলায় বাজারে অলঙ্কারের চাহিদা থাকলেও আকাশছোঁয়া দামের কারণে অনেক ক্রেতাই স্বর্ণ কেনা থেকে পিছিয়ে আসছেন। বাজুস নির্দেশিত এই মূল্যের সাথে ক্রেতাদের বাধ্যতামূলক ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং নূন্যতম ৬ শতাংশ মজুরি যোগ করতে হবে যা প্রতিটি গয়নার চূড়ান্ত দামকে আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে। বর্তমান বাজার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে ধারণা করা হচ্ছে যে আন্তর্জাতিক বাজারে স্থিতিশীলতা না আসা পর্যন্ত স্বর্ণের এই রেকর্ড ভাঙার ধারা আরও কিছুকাল অব্যাহত থাকতে পারে।


অগ্নিমূল্য স্বর্ণের বাজার, ভরিপ্রতি স্বর্ণের দাম বাড়লো ২২১৬ টাকা

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৭ ০৯:৪৪:৫৬
অগ্নিমূল্য স্বর্ণের বাজার, ভরিপ্রতি স্বর্ণের দাম বাড়লো ২২১৬ টাকা
ছবি : সংগৃহীত

দেশের বাজারে বর্তমানে স্বর্ণের দাম আকাশচুম্বী পর্যায়ে পৌঁছেছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) কর্তৃক সর্বশেষ নির্ধারিত দাম অনুযায়ী, ভালো মানের তথা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ কিনতে ক্রেতাদের এখন গুনতে হচ্ছে ২ লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকা। আজ মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি), বাজুসের সর্বশেষ মূল্য সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এই বর্ধিত দামেই বাজারে কেনাবেচা চলছে।

এর আগে গত ৯ ফেব্রুয়ারি এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বাজুস স্বর্ণের এই নতুন দাম ঘোষণা করেছিল। স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে ভরিপ্রতি ২ হাজার ২১৬ টাকা দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। যা গত সোমবার সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হয়েছে। বাজুসের তথ্যমতে, বর্তমানে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২১ ক্যারেট স্বর্ণ ২ লাখ ৪৯ হাজার ১৪৩ টাকা, ১৮ ক্যারেট ২ লাখ ১৩ হাজার ৫৬৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ ১ লাখ ৭৪ হাজার ৭৮৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বাজুস তাদের বিজ্ঞপ্তিতে আরও স্পষ্ট করেছে যে, নির্ধারিত এই বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি বাধ্যতামূলকভাবে যোগ করতে হবে। তবে অলঙ্কারের নকশা এবং মানভেদে এই মজুরির তারতম্য হতে পারে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি বছরে এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে মোট ২৮ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে, যার মধ্যে ১৮ বারই দাম বেড়েছে এবং কমেছে ১০ বার। উল্লেখ্য যে, গত ২০২৫ সালে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল, যার মধ্যে ৬৪ বার দাম বৃদ্ধি পেয়েছিল।

স্বর্ণের দাম রেকর্ড পরিমাণে বাড়লেও রুপার বাজারে বর্তমান স্থিতিশীলতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। দেশের বাজারে রুপার দাম বর্তমানে অপরিবর্তিত রয়েছে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৬ হাজার ৩৫৭ টাকায়। এছাড়া ২১ ক্যারেট ৬ হাজার ৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৫ হাজার ১৯০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা ৩ হাজার ৯০৭ টাকায় কেনাবেচা হচ্ছে।

চলতি বছর এ পর্যন্ত ১৭ বার রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছে, যার মধ্যে ১০ বার দাম বেড়েছে এবং ৭ বার কমেছে। অন্যদিকে, ২০২৫ সালে মাত্র ১৩ বার রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল, যার মধ্যে ১০ বারই দাম বেড়েছিল। বিশ্ববাজারে অস্থিরতা এবং স্থানীয় চাহিদার কারণে স্বর্ণের বাজারে এই ধারাবাহিক ঊর্ধ্বগতি বজায় রয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।

/আশিক


সারা দেশে আজ থেকে পণ্য বিক্রি করবে টিসিবি; জেনে নিন নির্দিষ্ট পণ্যের দাম

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৭ ০৯:৩৭:১৮
সারা দেশে আজ থেকে পণ্য বিক্রি করবে টিসিবি; জেনে নিন নির্দিষ্ট পণ্যের দাম
ছবি : সংগৃহীত

পবিত্র রমজান মাস সামনে রেখে সাধারণ মানুষের স্বস্তি দিতে আজ মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) থেকে দেশজুড়ে সাশ্রয়ী মূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিক্রি শুরু করছে রাষ্ট্রীয় সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)। ভ্রাম্যমাণ ট্রাকের মাধ্যমে ভর্তুকি মূল্যে ভোজ্যতেল, চিনি, মসুর ডাল, ছোলা ও খেজুর বিক্রির এই বিশেষ কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। টিসিবির পক্ষ থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী, মূলত নিম্ন আয়ের মানুষের জীবনযাত্রা সহজ করতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয়ে আগামী ১২ মার্চ পর্যন্ত মোট ২০ দিন এই বিক্রয় কার্যক্রম চলবে। তবে শুক্রবার এবং অন্যান্য সরকারি ছুটির দিনে এই সেবা বন্ধ থাকবে। সাধারণ ভোক্তারা যাতে সহজে পণ্য সংগ্রহ করতে পারেন, সেজন্য সারা দেশে মোট ৪৫০টি ভ্রাম্যমাণ ট্রাক মোতায়েন করা হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা মহানগরীতে ৫০টি, চট্টগ্রামে ২০টি, অন্যান্য বিভাগীয় শহরে ১৫টি করে এবং জেলা শহরগুলোতে ৫টি করে ট্রাক সেল পয়েন্ট থাকবে।

টিসিবির এই ট্রাক সেল থেকে একজন সাধারণ ভোক্তা নির্ধারিত পরিমাণে পণ্য কিনতে পারবেন। ভোজ্যতেল প্রতি লিটার ১১৫ টাকা দরে সর্বোচ্চ ২ লিটার, চিনি প্রতি কেজি ৮০ টাকা দরে ১ কেজি, মসুর ডাল প্রতি কেজি ৭০ টাকা দরে ২ কেজি এবং ছোলা ৬০ টাকা কেজি দরে ১ কেজি কেনা যাবে। এছাড়া রমজান উপলক্ষে আধা কেজি খেজুর মিলবে ১৬০ টাকায়। এই সুবিধা যেকোনো সাধারণ ভোক্তা লাইনে দাঁড়িয়ে গ্রহণ করতে পারবেন।

ভ্রাম্যমাণ ট্রাকের পাশাপাশি টিসিবির নিয়মিত ‘স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ড’ কার্যক্রমও সমানতালে চলমান থাকবে। দেশের প্রায় ৬৬ লাখ কার্ডধারী পরিবার এই ভর্তুকি মূল্যের সুবিধা পাবেন। রমজান মাসকে কেন্দ্র করে এই কার্ডধারীদের জন্য ফেব্রুয়ারি মাসে ৪০ হাজার ৩০০ মেট্রিক টন এবং মার্চ মাসে ৩৩ হাজার মেট্রিক টন পণ্য বরাদ্দ করা হয়েছে। কার্ডধারী পরিবারগুলো তেল, চিনি ও ডাল আগের নির্ধারিত দামেই পাবেন, তবে অতিরিক্ত আইটেম হিসেবে তারা ৬০ টাকা কেজি দরে ছোলা এবং ১৬০ টাকা দরে আধা কেজি খেজুর কেনার সুযোগ পাবেন।

টিসিবি জানিয়েছে, রমজান মাসে নিত্যপণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখতে এবং সাধারণ মানুষের কষ্ট লাঘব করতেই এই বিশাল কর্মযজ্ঞ হাতে নেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত ট্রাক সেল পয়েন্টগুলোতে তদারকি জোরদার করা হবে যাতে ভোক্তারা সুশৃঙ্খলভাবে তাদের প্রয়োজনীয় পণ্য সংগ্রহ করতে পারেন।

/আশিক


বৈশ্বিক বাণিজ্যে টাকার বিনিময় হার আপডেট

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৭ ০৮:৩২:৪৯
বৈশ্বিক বাণিজ্যে টাকার বিনিময় হার আপডেট
ছবি: সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে দেশের বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে প্রতিদিনই গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। আমদানি–রপ্তানি কার্যক্রম, প্রবাসী আয় এবং বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের মতো বিষয়গুলো সরাসরি নির্ভর করে মুদ্রার বিনিময় হারের ওপর।

আজ মঙ্গলবার ১৭ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, মার্কিন ডলারের বিপরীতে বাংলাদেশি টাকার বিনিময় হার ১২২ টাকার বেশি অবস্থানে রয়েছে। ইউরোপীয় ইউরোর দর ১৪৫ টাকার ওপরে এবং ব্রিটিশ পাউন্ডের মূল্য দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৬৭ টাকার কাছাকাছি। অস্ট্রেলিয়ান ডলার ৮৬ টাকার বেশি, কানাডিয়ান ডলার প্রায় ৯০ টাকা এবং সিঙ্গাপুর ডলার প্রায় ৯৭ টাকায় লেনদেন হচ্ছে।

এদিকে চীনা ইউয়ান রেনমিনবি ১৭ টাকার বেশি, ভারতীয় রুপি প্রায় ১ টাকা ৩৫ পয়সা এবং শ্রীলঙ্কান রুপি ২ টাকার বেশি দরে নির্ধারিত হয়েছে। জাপানি ইয়েনের মূল্য এক টাকার কম, যা আন্তর্জাতিক বাজারে ইয়েনের নিম্নমুখী অবস্থানকে প্রতিফলিত করছে।

মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক মুদ্রার মধ্যে সৌদি রিয়াল ৩২ টাকার ওপরে এবং কুয়েতি দিনার প্রায় ৪০০ টাকার কাছাকাছি অবস্থান করছে, যা তালিকায় সর্বোচ্চ বিনিময় হারগুলোর একটি। মালয়েশিয়ান রিঙ্গিতের দর ৩১ টাকার বেশি।

বিশ্লেষকদের মতে, বৈশ্বিক ডলার সূচক, তেলের দাম, আমদানি ব্যয় এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিগত সিদ্ধান্ত মুদ্রার দরে তাৎক্ষণিক প্রভাব ফেলে। ফলে যেকোনো সময় এই হার পরিবর্তিত হতে পারে। আন্তর্জাতিক লেনদেন বা ভ্রমণের আগে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক বা মানি এক্সচেঞ্জ থেকে সর্বশেষ হালনাগাদ হার যাচাই করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

-রাফসান


বিশ্ববাজারে স্বর্ণের বড় দরপতন

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৬ ১৯:১৫:৫৫
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের বড় দরপতন
ছবি : সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম কমে গেছে, যা মূলত যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের স্থানীয় ছুটির কারণে লেনদেনের হ্রাসের সঙ্গে সম্পর্কিত। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) স্পট মার্কেটে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ১.১ শতাংশ কমে ৪,৯৮৬.৩২ ডলারে দাঁড়িয়েছে।

বাজার বিশ্লেষক টিম ওয়াটারার জানান, যুক্তরাষ্ট্রের ভোক্তা মূল্যস্ফীতি (সিপিআই) সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশের পর শুক্রবার যে স্বর্ণের মূল্য উল্লম্ফিত হয়েছিল, তার একটি অংশ আজ বাজার থেকে ফিরেছে। তিনি আরও বলেন, লেনদেন কম থাকায় এবং নতুন কোনো শক্তিশালী ইতিবাচক প্রভাব না থাকায় বিনিয়োগকারীরা মুনাফা তুলেছেন, যা স্বর্ণের দামের চাপ বৃদ্ধি করেছে।

যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্টস ডে এবং চীনে চন্দ্র নববর্ষ উপলক্ষে বাজার বন্ধ থাকাও এই হ্রাসে ভূমিকা রেখেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রম দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারিতে ভোক্তা মূল্যসূচক (সিপিআই) ০.২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, যা ডিসেম্বরের ০.৩ শতাংশ বৃদ্ধির তুলনায় কম। অর্থনীতিবিদরা জানুয়ারিতে ০.৩ শতাংশ বৃদ্ধির আশা করেছিলেন।

শিকাগো ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট অস্টান গুলসবি বলেন, সুদের হার ভবিষ্যতে কমতে পারে, তবে পরিসেবাখাতে মূল্যস্ফীতি এখনও তুলনামূলকভাবে বেশি রয়েছে। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, কেন্দ্রীয় ব্যাংক আগামী ১৮ মার্চের বৈঠকে সুদের হার অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নিতে পারে। চলতি বছরে মোট ৭৫ বেসিস পয়েন্ট সুদ কমানোর সম্ভাবনা থাকলেও প্রথম দফা কমানোর সম্ভাবনা জুলাই মাসে।

এছাড়া, ভূরাজনৈতিক অঙ্গনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য সামরিক অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে দেশটির দুই কর্মকর্তা জানিয়েছেন।

/আশিক


বিশ্ববাজারের প্রভাব পড়ল দেশের স্বর্ণবাজারে: আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৬ ১১:১৬:০০
বিশ্ববাজারের প্রভাব পড়ল দেশের স্বর্ণবাজারে: আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম
ছবি : সংগৃহীত

বিশ্ববাজারের প্রভাবের পাশাপাশি দেশের বাজারেও আবারও বেড়েছে স্বর্ণের দাম। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) ভরিপ্রতি ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়িয়ে নতুন দর ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নির্ধারিত এই সমন্বিত মূল্য সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) থেকে কার্যকর রয়েছে এবং পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এ দরেই স্বর্ণ বিক্রি হবে।

বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের দাম বেড়েছে। সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায় এনে নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

নতুন দর অনুযায়ী, প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকা। ২১ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি পড়বে ২ লাখ ৪৯ হাজার ১৪৩ টাকা। ১৮ ক্যারেট স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ১৩ হাজার ৫৭৮ টাকা। আর সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের ভরি বিক্রি হবে ১ লাখ ৭৪ হাজার ৭৮৫ টাকায়।

স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুস নির্ধারিত ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার নকশা ও মান অনুযায়ী মজুরির পরিমাণ কম-বেশি হতে পারে।

অন্যদিকে, স্বর্ণের দাম বাড়লেও দেশের বাজারে রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। বর্তমানে ২২ ক্যারেট রুপার ভরি বিক্রি হচ্ছে ৬ হাজার ৩৫৭ টাকায়। ২১ ক্যারেট রুপা ৬ হাজার ৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেট রুপা ৫ হাজার ১৯০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপা ভরিপ্রতি ৩ হাজার ৯০৭ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে।

চলতি বছরে এখন পর্যন্ত রুপার দামে ১৭ দফা সমন্বয় হয়েছে। এর মধ্যে ১০ বার দাম বেড়েছে এবং ৭ বার কমানো হয়েছে। আর ২০২৫ সালে রুপার দাম মোট ১৩ বার সমন্বয় করা হয়েছিল—যার মধ্যে ১০ বার বৃদ্ধি ও ৩ বার হ্রাস পায়।

/আশিক


টাকার মান কত? দেখে নিন ১৬ ফেব্রুয়ারির বৈদেশিক মুদ্রার সর্বশেষ রেট

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৬ ০৯:২৮:০২
টাকার মান কত? দেখে নিন ১৬ ফেব্রুয়ারির বৈদেশিক মুদ্রার সর্বশেষ রেট
ছবি : সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের প্রসারের সাথে সাথে প্রতিদিনের মুদ্রা বিনিময়ের হার জানা এখন সবার জন্যই অপরিহার্য। বিশেষ করে প্রবাসী শ্রমিক এবং ব্যবসায়ীদের জন্য এই হার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আজ সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬) বাংলাদেশি টাকার বিপরীতে বিশ্বের প্রধান কয়েকটি মুদ্রার বিনিময় হার ঘোষণা করা হয়েছে।

আজকের বাজারে প্রতি ইউএস ডলারের মান ১২২ টাকা ৩১ পয়সা এবং ইউরোর মান ১৪২ টাকা ৭৯ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এছাড়া ব্রিটিশ পাউন্ডের বিপরীতে বাংলাদেশি টাকা মিলছে ১৬৪ টাকা ৬১ পয়সা।

এশিয়ার জনপ্রিয় মুদ্রাগুলোর মধ্যে মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত আজ ৩০ টাকা এবং সিঙ্গাপুরি ডলার ৯৫ টাকা ৪২ পয়সায় লেনদেন হচ্ছে।

মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মধ্যে সৌদি রিয়াল ৩২ টাকা ৫৯ পয়সা এবং সর্বোচ্চ মানধারী কুয়েতি দিনার পাওয়া যাচ্ছে ৩৯৭ টাকা ৪৮ পয়সায়।

উল্লেখ্য যে, আন্তর্জাতিক বাজার ও ব্যাংক ভেদে এই বিনিময় হার যে কোনো সময় পরিবর্তন হতে পারে। প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স এবং দেশের জিডিপি হিসাব করার ক্ষেত্রে এই বিনিময় হারগুলো মানদণ্ড হিসেবে ব্যবহৃত হয়। টাকা পাঠানোর আগে অনুমোদিত ব্যাংক বা মানি এক্সচেঞ্জ থেকে সর্বশেষ রেট যাচাই করে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ।

/আশিক


আজকের মুদ্রার হার: ডলারের বিপরীতে টাকার মান কত? জেনে নিন বিনিময় হার

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৫ ১১:৫১:৫০
আজকের মুদ্রার হার: ডলারের বিপরীতে টাকার মান কত? জেনে নিন বিনিময় হার
ছবি : সংগৃহীত

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাওয়ায় বৈদেশিক মুদ্রার লেনদেনও বেড়েছে বহুগুণ। বিশেষ করে প্রবাসী শ্রমিকদের রেমিট্যান্স এবং আমদানিকারকদের জন্য মুদ্রার সঠিক বিনিময় হার জানা অত্যন্ত জরুরি।

আজ রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, টাকার বিপরীতে মার্কিন ডলারের বিনিময় হার দাঁড়িয়েছে ১২২ টাকা ৩১ পয়সা।

ইউরোপীয় ইউরোর মান ১৪৫ টাকা ১৮ পয়সা এবং ব্রিটিশ পাউন্ডের মান ১৬৬ টাকা ৯৬ পয়সা রেকর্ড করা হয়েছে।

প্রবাসীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মধ্যপ্রাচ্য ও এশিয়ার দেশগুলোর মুদ্রা বিনিময়ের হারও আজ বেশ স্থিতিশীল।

সৌদি রিয়াল আজ ৩২ টাকা ৬১ পয়সা এবং মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত ৩১ টাকা ৩০ পয়সা দরে লেনদেন হচ্ছে।

সিঙ্গাপুর ডলার ৯৬ টাকা ৯৭ পয়সা ও কুয়েতি দিনার ৩৯৮ টাকা ৯১ পয়সায় পৌঁছেছে।

এছাড়া প্রতিবেশী দেশ ভারতের রুপি ১ টাকা ৩৫ পয়সা এবং শ্রীলঙ্কান রুপি ২ টাকা ৫২ পয়সায় কেনাবেচা হচ্ছে।

আমদানিকারকদের জন্য প্রয়োজনীয় চীনা ইউয়ান রেনমিনবি আজ ১৭ টাকা ৭২ পয়সা এবং জাপানি ইয়েন ৮০ পয়সা হিসেবে লেনদেন হচ্ছে।

রেমিট্যান্স পাঠানো বা বৈদেশিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে এই সরকারি হারের কিছুটা তারতম্য হতে পারে ব্যাংকভেদে। তাই চূড়ান্ত লেনদেনের আগে নিকটস্থ ব্যাংকের সাথে যোগাযোগ করা বুদ্ধিমানের কাজ।

(সূত্র : গুগল)


বাজুসের নতুন দর! ২ লাখ ১৩ হাজারে মিলবে ১ ভরি সোনা

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৫ ০৮:৫৭:১৮
বাজুসের নতুন দর! ২ লাখ ১৩ হাজারে মিলবে ১ ভরি সোনা
ছবি: সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক বাজারে টানা মূল্যবৃদ্ধির ধারাবাহিকতায় দেশের বাজারেও স্বর্ণের দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন। সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। গত শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে এই নতুন দর সারা দেশে কার্যকর হয়েছে।

সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্য অস্থিতিশীলতা এবং স্থানীয় বাজারে খাঁটি স্বর্ণ বা তেজাবি স্বর্ণের সরবরাহ সংকটের কারণে এই মূল্যসমন্বয় করা হয়েছে। বৈশ্বিক বাজারে ডলারের বিনিময় হার, ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা এবং নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে স্বর্ণের চাহিদা বৃদ্ধিও মূল্যবৃদ্ধির পেছনে ভূমিকা রাখছে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।

নতুন নির্ধারিত দর অনুযায়ী, ২২ ক্যারেট স্বর্ণের প্রতি ভরি ২ লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকা, ২১ ক্যারেট ২ লাখ ৪৯ হাজার ১৪৩ টাকা, ১৮ ক্যারেট ২ লাখ ১৩ হাজার ৫৭৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি স্বর্ণ ১ লাখ ৭৪ হাজার ৭৮৫ টাকায় বিক্রি হবে।

বাজুস আরও জানিয়েছে, এই বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ক্রেতাদের সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুস নির্ধারিত ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি পরিশোধ করতে হবে। তবে গয়নার নকশা, ওজন ও মানভেদে মজুরির হার পরিবর্তিত হতে পারে।

অর্থনীতিবিদদের মতে, স্বর্ণের দামের ধারাবাহিক ঊর্ধ্বগতি সাধারণ ক্রেতাদের ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি করছে। একই সঙ্গে বিনিয়োগ হিসেবে স্বর্ণের প্রতি আগ্রহ বাড়লেও উচ্চমূল্যের কারণে বাজারে চাহিদা সাময়িকভাবে কমতে পারে।

পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই দর বহাল থাকবে বলে জানিয়েছে বাজুস।

-রাফসান


বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে ঐতিহাসিক রেকর্ড

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৪ ২১:০১:২৭
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে ঐতিহাসিক রেকর্ড
ছবি : সংগৃহীত

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম এক ঐতিহাসিক উচ্চতায় পৌঁছেছে। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) নিউ ইয়র্ক সময় দুপুরে স্পট গোল্ডের দাম ২ দশমিক ১ শতাংশ বেড়ে আউন্সপ্রতি ৫ হাজার ০২২ দশমিক ০৬ ডলারে দাঁড়িয়েছে। মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভের সুদহার কমানোর প্রত্যাশা জোরদার হওয়ায় স্বর্ণের এই বিশাল উল্লম্ফন ঘটেছে বলে রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। জানুয়ারির ভোক্তা মূল্যসূচক (সিপিআই) প্রত্যাশার তুলনায় কম আসায় বিনিয়োগকারীরা স্বর্ণকে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে বেছে নিয়েছেন।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, শক্তিশালী কর্মসংস্থান প্রতিবেদনের পর যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল, নরম সিপিআই তথ্য তা প্রশমিত করেছে। ফলে স্বর্ণ ও রুপার দামে বড় ধরনের ‘রিলিফ র‍্যালি’ দেখা যাচ্ছে। এপ্রিল ডেলিভারির জন্য মার্কিন স্বর্ণ ফিউচার্সও প্রায় ২ শতাংশ বেড়ে আউন্সপ্রতি ৫ হাজার ০৪৬ দশমিক ৩০ ডলারে নিষ্পত্তি হয়েছে। এলএসইজি-র তথ্য অনুযায়ী, বাজারে চলতি বছরে জুলাই থেকে প্রথম দফায় সুদহার কমার সম্ভাবনা থাকায় স্বর্ণের চাহিদা আকাশচুম্বী হয়েছে।

স্বর্ণের পাশাপাশি রূপার দামেও বড় প্রভাব পড়েছে। রূপার দাম ৩ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়ে আউন্সপ্রতি ৭৭ দশমিক ৭০ ডলারে পৌঁছেছে। এছাড়া প্লাটিনাম এবং প্যালাডিয়ামের দামও ৩ শতাংশের বেশি বেড়েছে। সাধারণত সুদহার কম থাকলে স্বর্ণের মতো সুদমুক্ত সম্পদের চাহিদা বাড়ে, যা বিশ্ববাজারে মূল্যবান এই ধাতুর দাম ৫ হাজার ডলারের মাইলফলক পার করতে মূল ভূমিকা রেখেছে।

পাঠকের মতামত: