বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে ঐতিহাসিক রেকর্ড

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৪ ২১:০১:২৭
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে ঐতিহাসিক রেকর্ড
ছবি : সংগৃহীত

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম এক ঐতিহাসিক উচ্চতায় পৌঁছেছে। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) নিউ ইয়র্ক সময় দুপুরে স্পট গোল্ডের দাম ২ দশমিক ১ শতাংশ বেড়ে আউন্সপ্রতি ৫ হাজার ০২২ দশমিক ০৬ ডলারে দাঁড়িয়েছে। মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভের সুদহার কমানোর প্রত্যাশা জোরদার হওয়ায় স্বর্ণের এই বিশাল উল্লম্ফন ঘটেছে বলে রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। জানুয়ারির ভোক্তা মূল্যসূচক (সিপিআই) প্রত্যাশার তুলনায় কম আসায় বিনিয়োগকারীরা স্বর্ণকে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে বেছে নিয়েছেন।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, শক্তিশালী কর্মসংস্থান প্রতিবেদনের পর যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল, নরম সিপিআই তথ্য তা প্রশমিত করেছে। ফলে স্বর্ণ ও রুপার দামে বড় ধরনের ‘রিলিফ র‍্যালি’ দেখা যাচ্ছে। এপ্রিল ডেলিভারির জন্য মার্কিন স্বর্ণ ফিউচার্সও প্রায় ২ শতাংশ বেড়ে আউন্সপ্রতি ৫ হাজার ০৪৬ দশমিক ৩০ ডলারে নিষ্পত্তি হয়েছে। এলএসইজি-র তথ্য অনুযায়ী, বাজারে চলতি বছরে জুলাই থেকে প্রথম দফায় সুদহার কমার সম্ভাবনা থাকায় স্বর্ণের চাহিদা আকাশচুম্বী হয়েছে।

স্বর্ণের পাশাপাশি রূপার দামেও বড় প্রভাব পড়েছে। রূপার দাম ৩ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়ে আউন্সপ্রতি ৭৭ দশমিক ৭০ ডলারে পৌঁছেছে। এছাড়া প্লাটিনাম এবং প্যালাডিয়ামের দামও ৩ শতাংশের বেশি বেড়েছে। সাধারণত সুদহার কম থাকলে স্বর্ণের মতো সুদমুক্ত সম্পদের চাহিদা বাড়ে, যা বিশ্ববাজারে মূল্যবান এই ধাতুর দাম ৫ হাজার ডলারের মাইলফলক পার করতে মূল ভূমিকা রেখেছে।


স্বর্ণের বাজারে বড় পতন: ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে আবারও কমল স্বর্ণের দাম 

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ১৬ ১১:২৫:৪২
স্বর্ণের বাজারে বড় পতন: ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে আবারও কমল স্বর্ণের দাম 
ছবি : সংগৃহীত

দেশের বাজারে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো স্বর্ণের দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ভরিতে ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩৮ হাজার ১২১ টাকা। শনিবার (১৬ মে) সকালে এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নতুন এই মূল্য তালিকা প্রকাশ করা হয় এবং সকাল ১০টা থেকেই তা দেশজুড়ে কার্যকর হয়েছে।

দাম কমার কারণ ও নতুন মূল্য তালিকা

বাজুস জানায়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের দাম কমে যাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে এই মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে। নতুন মূল্য তালিকা অনুযায়ী চার ক্যাটাগরির স্বর্ণের দাম দেওয়া হলো

২২ ক্যারেট: প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) বিক্রি হবে ২ লাখ ৩৮ হাজার ১২১ টাকায়।

২১ ক্যারেট: প্রতি ভরি নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২৭ Cup ৩৩১ টাকা।

১৮ ক্যারেট: প্রতি ভরি বিক্রি হবে ১ লাখ ৯৪ হাজার ৮৪৭ টাকায়।

সনাতন পদ্ধতি: প্রতি ভরির দাম রাখা হয়েছে ১ লাখ ৫৮ হাজার ৬৮৯ টাকা।

টানা দুই দিনে বড় পতন

এর আগে মাত্র একদিন আগে অর্থাৎ গত ১৫ মে স্বর্ণের দাম কমিয়েছিল বাজুস। সেদিন ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা হ্রাস পেয়ে ২২ ক্যারেটের দাম দাঁড়িয়েছিল ২ লাখ ৪২ হাজার ৪৯৫ টাকা। ফলে মাত্র ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম ভরিতে আরও ৪ হাজার টাকার বেশি কমল, যা সাধারণ ক্রেতা ও জুয়েলারি ব্যবসায়ীদের জন্য বেশ বড় একটি চমক।

দফায় দফায় দর সমন্বয়ের রেকর্ড

দেশের বাজারে স্বর্ণের দামের এই অস্থিরতা নতুন কিছু নয়। চলতি ২০২৬ সালে এখন পর্যন্ত মাত্র সাড়ে চার মাসে দেশের বাজারে রেকর্ড ৬৫ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে, যার মধ্যে ৩৫ বার দাম বেড়েছে এবং ৩০ বার কমেছে। এর আগে বিগত ২০২৫ সালে মোট ৯৩ বার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল; যার মধ্যে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হলেও কমানো হয়েছিল মাত্র ২৯ বার।

আন্তর্জাতিক বাজারের সাথে মিল রেখে দেশের বাজারে এই দ্রুত মূল্য পরিবর্তনের কারণে প্রতিনিয়ত ওঠানামা করছে অলংকারের বাজার।

/আশিক


স্বর্ণবাজারে স্বস্তি, আবার কমলো সোনার দাম

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ১৫ ১০:৪২:৪৬
স্বর্ণবাজারে স্বস্তি, আবার কমলো সোনার দাম
ছবি: সংগৃহীত

দেশের স্বর্ণবাজারে আবারও দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে দ্বিতীয়বারের মতো মূল্য সমন্বয়ের মাধ্যমে এবার ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা কমানো হয়েছে ২২ ক্যারেট সোনার দাম।

বাজুস শুক্রবার (১৫ মে) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন দর প্রকাশ করে। সংগঠনটি জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি বা পিওর গোল্ডের দাম কমে যাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন এ দর শুক্রবার সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হয়েছে।

সর্বশেষ নির্ধারিত মূল্য অনুযায়ী, দেশে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) সোনা বিক্রি হবে ২ লাখ ৪২ হাজার ৪৯৫ টাকায়। আগের দামের তুলনায় এটি উল্লেখযোগ্য হারে কম।

একইসঙ্গে ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩১ হাজার ৪৭২ টাকা। এছাড়া ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা বিক্রি হবে ১ লাখ ৯৮ হাজার ৪০৫ টাকায়। সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৬১ হাজার ৬০৫ টাকা।

এর আগে গত ৭ মে বাজুস সোনার দাম বাড়িয়েছিল। তখন ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ লাখ ৪৪ হাজার ৭১১ টাকায় উন্নীত করা হয়েছিল। অর্থাৎ মাত্র আট দিনের ব্যবধানে বাজারে আবারও বড় ধরনের মূল্য সমন্বয় দেখা গেল।

বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দামের ওঠানামা, ডলারের বিনিময় হার এবং স্থানীয় বাজারে কাঁচা স্বর্ণের সরবরাহ পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করেই মূলত বাজুস দাম সমন্বয় করে থাকে।

স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা বলছেন, সাম্প্রতিক সময়ে আন্তর্জাতিক বাজারে কিছুটা স্থিতিশীলতা ফেরায় স্থানীয় বাজারেও দাম কমানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে। তবে তারা মনে করছেন, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা ও ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা থাকলে আবারও বাজারে অস্থিরতা তৈরি হতে পারে।

এদিকে ক্রেতাদের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও স্বর্ণের দাম এখনও সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে রয়েছে বলে মনে করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা। বিশেষ করে বিয়ে ও উৎসবকেন্দ্রিক কেনাকাটায় মধ্যবিত্ত ক্রেতাদের ওপর চাপ এখনো বেশি।

চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে মোট ৬৪ বার সোনার দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩৫ বার দাম বেড়েছে এবং ২৯ বার কমেছে। গত ২০২৫ সালেও সোনার বাজারে ব্যাপক ওঠানামা দেখা যায়। সে বছর মোট ৯৩ বার দাম পরিবর্তন করা হয়েছিল, যার মধ্যে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল।

-রাফসান


২০.৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধি: অর্থবছরের শেষভাগে শক্তিশালী হচ্ছে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ১৪ ২১:৫৪:১৪
২০.৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধি: অর্থবছরের শেষভাগে শক্তিশালী হচ্ছে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ
ছবি : সংগৃহীত

চলতি মে মাসের প্রথম ১৩ দিনেই প্রবাসী আয়ে বড় ধরনের উল্লম্ফন দেখা দিয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এই সময়ের মধ্যে ১৭৪ কোটি ৩০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স দেশে পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। দেশীয় মুদ্রায় (প্রতি ডলার ১২২.৭৫ টাকা হিসেবে) যার পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ২১ হাজার ৩৯৫ কোটি টাকা।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান প্রবাসী আয়ের এই ইতিবাচক চিত্র নিশ্চিত করেছেন। পরিসংখ্যানে দেখা যায়, মে মাসের প্রথম ১৩ দিনে প্রতিদিন গড়ে রেমিট্যান্স এসেছে ১৩ কোটি ৪১ লাখ ডলার। গত বছরের মে মাসের একই সময়ে যেখানে ১২৬ কোটি ৭০ লাখ ডলার এসেছিল, সেখানে এ বছর একই সময়ে বড় ধরনের প্রবৃদ্ধি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের শুরু (১ জুলাই) থেকে ১৩ মে পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্স প্রবাহ দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ১০৭ কোটি ৬০ লাখ মার্কিন ডলারে। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এই আয়ের পরিমাণ ছিল ২ হাজার ৫৮০ কোটি ৫০ লাখ ডলার। অর্থাৎ, গত অর্থবছরের তুলনায় চলতি অর্থবছরে এখন পর্যন্ত প্রবাসী আয়ে ২০.৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে।

উল্লেখ্য যে, চলতি বছরের মার্চ মাসে দেশজুড়ে ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছিল। বাংলাদেশের ইতিহাসে একক মাস হিসেবে এটিই এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স প্রাপ্তির রেকর্ড। মে মাসের এই ঊর্ধ্বমুখী ধারা অব্যাহত থাকলে অর্থবছরের শেষ নাগাদ প্রবাসী আয় নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে বলে আশা করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

/আশিক


ঈদের আগে নতুন নোটের সংকট: ১৬ হাজার কোটির চাহিদায় মিলছে মাত্র অর্ধেক

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ১৪ ১০:৩০:২০
ঈদের আগে নতুন নোটের সংকট: ১৬ হাজার কোটির চাহিদায় মিলছে মাত্র অর্ধেক
ছবি : সংগৃহীত

কোরবানির ঈদ সামনে রেখে নতুন নোটের চাহিদায় বড় ধরনের ঘাটতি তৈরি হয়েছে। প্রতি বছর ঈদের আগে নতুন টাকার চাহিদা বাড়লেও এবার বাংলাদেশ ব্যাংকের চাওয়া ১৬ হাজার কোটি টাকার বিপরীতে মাত্র ৮ হাজার কোটি টাকা দিতে পারবে বলে জানিয়েছে সরকারি মুদ্রণ প্রতিষ্ঠান ‘টাঁকশাল’। কাগজ ও কালির সংকটের কারণেই এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

টাঁকশালের কাছে বর্তমানে বঙ্গবন্ধুর ছবিযুক্ত পুরোনো নকশার প্রায় ১৫ হাজার ৮০০ কোটি টাকা মজুদ থাকলেও, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আপাতত এই নোটগুলো বাজারে ছাড়া হচ্ছে না। ২০২৪ সালের আগস্টের পর সব মূল্যমানের নোটে নতুন নকশা আনার প্রক্রিয়া শুরু হলেও কাগজ ও কালির সংকটে মুদ্রণ কাজ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। জরুরি ভিত্তিতে বিমানযোগে এসব সরঞ্জাম আনার উদ্যোগ নেওয়া হলেও ঈদের আগে বিপুল পরিমাণ নতুন নোট ছাপানো প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে।

নতুন নোটের জোগান কম থাকায় দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর ভল্টে চাহিদামতো ‘ফ্রেশ’ টাকা নেই। ফলে বাধ্য হয়েই ব্যাংকগুলো বাজারে পুরোনো ও ছেঁড়া-ফাটা নোট সরবরাহ করছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের ‘ক্লিন নোট পলিসি’ অনুযায়ী ত্রুটিযুক্ত নোট পুড়িয়ে ফেলার কথা থাকলেও নোটের সংকটের কারণে অনেক ক্ষেত্রে তা করা সম্ভব হচ্ছে না। অন্যদিকে, গত নভেম্বর থেকে বাংলাদেশ ব্যাংক সরাসরি সাধারণ গ্রাহকদের নোট বদলে দেওয়ার কার্যক্রম বন্ধ রাখায় সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান স্বীকার করেছেন যে, নকশা পরিবর্তন এবং কাগজ-কালির সংকটের কারণে বাজারে নোটের কিছুটা ঘাটতি দেখা দিয়েছে। তবে তিনি আশ্বস্ত করেছেন যে, খুব শিগগিরই ব্যাংকগুলোকে নতুন টাকা সরবরাহ শুরু হবে, যা বর্তমান সংকট নিরসনে ভূমিকা রাখবে।

উল্লেখ্য যে, ছাপানো টাকার এই সংকট মূলত ‘ভৌত নোটের’ সংকট, এটি দেশের সামগ্রিক তারল্য সংকটের সাথে সম্পর্কিত নয়। বর্তমানে দেশে সঞ্চয় ও আমানতের পরিমাণ প্রায় ২৪ লাখ কোটি টাকা হলেও মানুষের হাতে থাকা ছাপানো টাকার চাহিদা ৩ লাখ ২০ হাজার থেকে ৩ লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকার মতো।

/আশিক


সোনার বাজারে আগুনের হল্কা: নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে ২২ ক্যারেট

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ১৪ ১০:২৫:৩৬
সোনার বাজারে আগুনের হল্কা: নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে ২২ ক্যারেট
ছবি : সংগৃহীত

দেশের বাজারে রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছানোর পর স্থিতিশীল রয়েছে সোনার দাম। গত বৃহস্পতিবার ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা বৃদ্ধির পর আজ বৃহস্পতিবার পর্যন্ত নতুন করে আর কোনো সমন্বয় করা হয়নি। ফলে বর্তমানে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনা ২ লাখ ৪৪ হাজার ৭১১ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে, যা দেশের ইতিহাসে সোনার সর্বোচ্চ দামের রেকর্ড।

বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বাজুস) নির্ধারিত নতুন মূল্য তালিকা অনুযায়ী, মানভেদে সোনার দামের পার্থক্য নিচে দেওয়া হলো। বর্তমানে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের সোনার দাম ২ লাখ ৪৪ thousand ৭১১ টাকা। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ লাখ ৩৩ হাজার ৫৭২ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২১৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ ছাড়া সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনা ১ লাখ ৬৩ হাজার ৬৩ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

এর আগে গত ৭ মে (বুধবার) এক দফা দাম বাড়িয়েছিল বাজুস। সে সময় ২২ ক্যারেটের সোনার দাম ছিল ২ লাখ ৪২ হাজার ৪৯৫ টাকা। তার ঠিক একদিন পরেই অর্থাৎ গত বৃহস্পতিবার পুনরায় দাম বাড়িয়ে ২ লাখ ৪৪ হাজার টাকার ঘর অতিক্রম করে মূল্যবান এই ধাতু। আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দামের অস্থিরতা এবং স্থানীয় বাজারে চাহিদার প্রেক্ষিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সাধারণত বিশ্ববাজারে সোনার দামের উত্থান-পতন এবং ডলারের বিনিময় হারের ওপর ভিত্তি করে বাজুস নিয়মিত এই দাম নির্ধারণ করে থাকে। বর্তমানের এই উচ্চমূল্য সাধারণ ক্রেতাদের জন্য বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে, বিশেষ করে বিয়ের মৌসুমে গয়না কেনা এখন সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে।

/আশিক


সরকারি কর্মচারীদের প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে আসছে নতুন পে স্কেল

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ১৩ ১৯:৪৯:১৬
সরকারি কর্মচারীদের প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে আসছে নতুন পে স্কেল
ছবি : সংগৃহীত

২০২৬ সালে সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের দীর্ঘ এক দশকের প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে নতুন জাতীয় বেতন কাঠামো বা নবম পে স্কেল ঘোষণার বিষয়ে জোরালো তৎপরতা শুরু হয়েছে। স্বাধীনতার পর থেকে এ পর্যন্ত আটবার বেতন কাঠামো পরিবর্তন করা হলেও ২০১৫ সালের পর আর কোনো নতুন পূর্ণাঙ্গ স্কেল ঘোষণা করা হয়নি। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও মুদ্রাস্ফীতির চাপে দিশেহারা সরকারি চাকুরিজীবীদের জন্য এটি বড় ধরনের স্বস্তির খবর নিয়ে আসছে।

সংশ্লিষ্ট নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, নবম জাতীয় বেতন কাঠামো নিয়ে সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে বর্তমানে বিস্তারিত পর্যালোচনা চলছে। এ লক্ষ্যে ১০ সদস্যের একটি বিশেষ উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে।

এই কমিটি বর্তমানে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং সরকারের আর্থিক সক্ষমতা বিশ্লেষণ করে সুপারিশমালা তৈরির কাজ করছে। সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে, কমিটি তাদের চূড়ান্ত প্রতিবেদন দ্রুততম সময়ের মধ্যে জমা দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

প্রস্তাবিত বেতন কাঠামোর সম্ভাব্য চিত্র

যদিও সরকার থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়নি, তবে সচিবালয় ও প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে একটি সম্ভাব্য খসড়া তালিকা নিয়ে ব্যাপক কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছে।

খসড়া অনুযায়ী, সর্বোচ্চ ১ নম্বর গ্রেডের বেতন ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা (নির্ধারিত) করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

একইভাবে ১০ নম্বর গ্রেডের বেতন ৩২ হাজার টাকা থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ৭৭ হাজার ৩০০ টাকা এবং সর্বনিম্ন ২০ নম্বর গ্রেডের বেতন ২০ হাজার টাকা থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ৪৮ হাজার ৪০০ টাকা করার সুপারিশ করা হয়েছে বলে গুঞ্জন রয়েছে।

এ ছাড়া নবম গ্রেডের কর্মকর্তাদের প্রারম্ভিক বেতন ৪৫ হাজার ১০০ টাকা করার প্রস্তাবনাও এতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চাপ এবং অভ্যন্তরীণ অর্থনীতির ভঙ্গুর দশা বিবেচনায় নিয়ে এত বড় অঙ্কের বেতন কাঠামো বাস্তবায়ন করা সরকারের জন্য একটি বিশাল চ্যালেঞ্জ। তবে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জীবনমান উন্নয়ন ও মনোবল চাঙ্গা রাখতে সরকার এই সাহসী পদক্ষেপ নিতে পারে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগ থেকে আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন বা গেজেট প্রকাশিত হওয়ার পরেই এই বেতন কাঠামো চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।

/আশিক


স্বর্ণালঙ্কার কিনতে কত খরচ পড়বে? বুধবারের সর্বশেষ সোনার দরপত্র

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ১৩ ১০:১৯:৩২
স্বর্ণালঙ্কার কিনতে কত খরচ পড়বে? বুধবারের সর্বশেষ সোনার দরপত্র
ছবি : সংগৃহীত

দেশের বাজারে আকাশচুম্বী সোনার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। গত বৃহস্পতিবার প্রতি ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা বৃদ্ধির পর থেকে আজ বুধবার (১৩ মে) পর্যন্ত নতুন কোনো পরিবর্তন আসেনি। ফলে রেকর্ড উচ্চমূল্যেই বর্তমানে সোনা কেনাবেচা হচ্ছে।

বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) নির্ধারিত সর্বশেষ মূল্য তালিকা অনুযায়ী, আজ দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম ২ লাখ ৪৪ হাজার ৭১১ টাকা। এর আগে গত সপ্তাহেও দুই দফায় সোনার দাম বাড়ানো হয়েছিল। এর মধ্যে বুধবার একবার ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা বাড়ানো হয় এবং তার ঠিক পরের দিনই অর্থাৎ বৃহস্পতিবার পুনরায় ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়ানো হয়। বর্তমানে সেই বর্ধিত দামই কার্যকর রয়েছে।

অন্যান্য মানের সোনার ক্ষেত্রেও দাম স্থির রয়েছে। আজ ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ লাখ ৩৩ হাজার ৫৭২ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ লাখ ২১৩ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৬৩ হাজার ৬৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার মূল্যের অস্থিরতা এবং স্থানীয় বাজারে সরবরাহের ওপর ভিত্তি করে বাজুস নিয়মিত এই দাম সমন্বয় করে থাকে।

/আশিক


শান্তি আলোচনায় অচলাবস্থা: বিশ্ববাজারে তেলের দামে রেকর্ড উল্লম্ফন

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ১২ ২০:২৪:৪৬
শান্তি আলোচনায় অচলাবস্থা: বিশ্ববাজারে তেলের দামে রেকর্ড উল্লম্ফন
ছবি : সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে শান্তি আলোচনার নতুন অচলাবস্থা এবং হরমুজ প্রণালীতে উত্তেজনার সরাসরি প্রভাব পড়েছে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে। সরবরাহ সংকটের আশঙ্কায় মাত্র একদিনেই তেলের দাম ৩ শতাংশের বেশি বেড়ে গেছে।

বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০৭ দশমিক ৬৮ ডলারে পৌঁছেছে, যা আগের দিনের তুলনায় ৩.৩ শতাংশ বেশি। একইভাবে যুক্তরাষ্ট্রের পশ্চিম টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (WTI) তেলের দাম ৩.৬ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১০১.৬১ ডলারে দাঁড়িয়েছে। টানা দুই দিন ধরে তেলের এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বিশ্ব অর্থনীতিতে নতুন উদ্বেগের জন্ম দিচ্ছে।

কমার্জব্যাংকের বিশ্লেষক কার্স্টেন ফ্রিজ জানিয়েছেন, দুই দেশই একে অপরের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় বাজার এখন অস্থির। সবচেয়ে বড় দুশ্চিন্তার কথা জানিয়েছেন সৌদি আরামকো-এর প্রধান নির্বাহী আমীন নাসের। তার মতে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল রপ্তানিতে বাধা অব্যাহত থাকলে বাজার স্বাভাবিক হতে ২০২৭ সাল পর্যন্ত সময় লেগে যেতে পারে। এর ফলে প্রতি সপ্তাহে প্রায় ১০ কোটি ব্যারেল তেলের সরবরাহ ঝুঁকির মুখে পড়বে।

বাজার বিশ্লেষক টিম ওয়াটারারের মতে, পরিস্থিতি এখন খাদের কিনারায়। যদি কোনোভাবে শান্তি চুক্তি সফল হয়, তবে দাম এক ধাক্কায় ৮ থেকে ১২ ডলার কমতে পারে। কিন্তু উত্তেজনা আরও বাড়লে ব্রেন্ট তেলের দাম ১১৫ ডলার ছাড়িয়ে যাওয়া এখন কেবল সময়ের ব্যাপার।

সূত্র : আল জাজিরা


ধনীরা আরও ধনী, গরিবরা সংকটে: ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের বলি হচ্ছে এশিয়া

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ১২ ১৭:৫২:১০
ধনীরা আরও ধনী, গরিবরা সংকটে: ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের বলি হচ্ছে এশিয়া
ছবি : সংগৃহীত

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান ভূখণ্ডে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর থেকে মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে যে উত্তাপ ছড়িয়েছে, তার চরম মূল্য দিতে হচ্ছে এশিয়াকে। বিশ্ব জ্বালানি বাণিজ্যের অন্যতম লাইফলাইন 'হরমুজ প্রণালী' ইরান বন্ধ করে দেওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামে যে বিস্ফোরণ ঘটেছে, তা এশীয় অর্থনীতিকে এক গভীর সংকটের মুখে ঠেলে দিয়েছে। তবে এই সংকটের প্রভাব এশিয়ার সব দেশে সমান নয়; বরং মহাদেশজুড়ে তৈরি হয়েছে এক বৈষম্যমূলক ‘কে-আকৃতির’ (K-shaped) অর্থনৈতিক বাস্তবতা।

অর্থনীতিবিদদের বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, এশিয়ার অর্থনীতি বর্তমানে দুই ভিন্ন পথে হাঁটছে। একদিকে রয়েছে জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া এবং তাইওয়ানের মতো প্রযুক্তিনির্ভর উন্নত দেশগুলো। বিশাল জ্বালানি মজুত এবং আর্থিক সক্ষমতা থাকায় এই দেশগুলো উচ্চমূল্যে বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি সংগ্রহ করতে পারছে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), সেমিকন্ডাক্টর এবং উচ্চ প্রযুক্তির অভাবনীয় প্রবৃদ্ধি এই দেশগুলোর অর্থনীতিকে এক ধরনের সুরক্ষা কবজ দিচ্ছে। ফলে জ্বালানি সংকট সত্ত্বেও তাদের প্রবৃদ্ধি তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল রয়েছে।

বিপরীত চিত্র দেখা যাচ্ছে ভারত, ফিলিপাইন ও থাইল্যান্ডের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলোতে। এসব দেশের অর্থনীতি মূলত জ্বালানিনির্ভর উৎপাদনশিল্প এবং পরিবহন খাতের ওপর দাঁড়িয়ে। হরমুজ প্রণালী বন্ধ হওয়ায় তেলের সরবরাহ ঘাটতি এবং আকাশচুম্বী দামের কারণে এসব দেশে উৎপাদন ব্যয় বহুগুণ বেড়ে গেছে। ফলে ব্যাপক মূল্যস্ফীতি, শিল্পকারখানা বন্ধ হওয়া এবং বেকারত্ব বাড়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন যে, এই পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে অনেক দেশ গভীর অর্থনৈতিক ও মানবিক সংকটের মুখে পড়বে, যা শেষ পর্যন্ত রাজনৈতিক অস্থিরতায় রূপ নিতে পারে।

বর্তমান পরিস্থিতিকে অর্থনীতিবিদরা ‘কে-আকৃতির অর্থনীতি’ হিসেবে বর্ণনা করছেন। কোভিড-১৯ মহামারির সময় এই ধারণাটি সামনে এসেছিল, যেখানে দেখা যায় বিত্তশালী ও প্রযুক্তিনির্ভর অংশ দ্রুত ঘুরে দাঁড়ালেও সাধারণ মানুষ ও প্রচলিত শিল্প তলিয়ে যেতে থাকে। ইরানকে কেন্দ্র করে চলমান এই যুদ্ধ এবং জ্বালানি যুদ্ধ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে এই বৈষম্যকে আরও প্রকট করে তুলছে।

এশিয়ার এই বিভক্ত অর্থনৈতিক বাস্তবতা শুধু এই অঞ্চলের জন্যই নয়, বরং পুরো বিশ্বের জন্যই এক বড় সতর্কসংকেত। কারণ বিশ্বের মোট উৎপাদনের একটি বিশাল অংশ এশিয়ার ওপর নির্ভরশীল। উন্নয়নশীল এশীয় দেশগুলো যদি সংকটে নিমজ্জিত হয়, তবে বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থা (Supply Chain) ভেঙে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই সংকট বিশ্বকে একটি কঠিন শিক্ষা দিচ্ছে—ভবিষ্যতের যেকোনো বড় বিপর্যয় মোকাবিলায় কেবল জ্বালানি নিরাপত্তা নয়, বরং প্রযুক্তিগত সক্ষমতা এবং অর্থনৈতিক বৈচিত্র্য থাকা অপরিহার্য।

সূত্র: সিএনএন

পাঠকের মতামত: