সহজ রেসিপিতে ৭ ধরনের মজার চা বানান

চা পৃথিবীর অন্যতম বহুবর্ণিল পানীয়, যার স্বাদ, গন্ধ ও প্রস্তুতপ্রণালী অঞ্চলভেদে ভিন্ন হয়ে থাকে। গরম দুধ–মসলা চা থেকে শুরু করে সতেজ হার্বাল ইনফিউশন, আবার কখনো বরফ ঠান্ডা আইসড টি চায়ের বৈচিত্র্য যেন শেষ নেই। ঘরেই সহজ উপকরণে তৈরি করা যায় এমন কয়েকটি জনপ্রিয় চায়ের রেসিপি এবার তুলে ধরা হলো।
গরম চা ও হার্বাল ইনফিউশন
মসলা চা (Masala Chai) – ভারতীয় ঐতিহ্যের সুগন্ধি দুধ চা
ভারতের প্রতিটি ঘরে প্রচলিত এই মশলাদার চা দুধ, চিনি, কালো চা ও মসলার অনন্য মিশ্রণে তৈরি হয়।
উপকরণ: পানি, দুধ, আসাম জাতের কালো চা, চিনি, গুঁড়ো করা আদা, এলাচ, দারুচিনি, লবঙ্গ।
প্রস্তুতপ্রণালী: পানিতে প্রথমে সব মসলা ও আদা ফুটিয়ে সুবাস বের করে নিন। এরপর কালো চা ও দুধ যোগ করে ধীরে ফুটতে দিন। ভালোভাবে মিশে এলে ছেঁকে পরিবেশন করুন।
মধু–আদা চা – সর্দি–কাশির প্রাচীন ঘরোয়া প্রতিকার
এই চায়ের উষ্ণতা গলায় আরাম দেয় এবং মৌসুমি অসুস্থতা কমাতে কার্যকর।
উপকরণ: কালো চা, টুকরো করা তাজা আদা, মধু, পানি।
প্রস্তুতপ্রণালী: ফুটন্ত পানিতে কালো চা ও আদা দিয়ে ২ মিনিট উনুনে রাখুন। ছেঁকে নিয়ে হালকা গরম অবস্থায় মধু মিশিয়ে পরিবেশন করুন।
পুদিনা–লেবু চা – প্রাকৃতিক সতেজতার এক অনন্য মিশ্রণ
মানসিক ক্লান্তি দূর করে সতেজতা ফিরিয়ে আনে এই হার্বাল টি।
উপকরণ: তাজা পুদিনা পাতা, লেবুর রস, পানি, প্রয়োজনে মধু/গুড়।
প্রস্তুতপ্রণালী: ফুটন্ত পানিতে পুদিনা পাতা দিয়ে কয়েক মিনিট ঢেকে রাখুন। ছেঁকে নেওয়ার পর লেবুর রস ও মধু মিশিয়ে পরিবেশন করুন।
কাশ্মিরি কাহওয়া – বাদাম ও জাফরানে ভরপুর ডিটক্সিফাইং চা
কাশ্মির অঞ্চলের এই ঐতিহ্যবাহী সবুজ চা দেহকে উষ্ণতা দেয় এবং হজমে সহায়তা করে।
উপকরণ: কাশ্মিরি গ্রিন–টি, গোটা মসলা, জাফরান, কুঁচি করা বাদাম, মধু, পানি।
প্রস্তুতপ্রণালী: পানিতে মসলা ও জাফরান ফুটিয়ে গ্রিন–টি যোগ করুন। ছেঁকে নিয়ে মধু দিন এবং উপরে বাদাম ও গোলাপের পাপড়ি দিয়ে সাজান।
আইসড টি – গরম দিনে ঠান্ডা সতেজতার সঙ্গী
ক্লাসিক আইসড টি – সবার পছন্দের সহজ রেসিপি
উপকরণ: ব্ল্যাক টি ব্যাগ/পাতা, পানি, চিনি বা সিরাপ, লেবু।
প্রস্তুতপ্রণালী: গাঢ় কালো চা বানিয়ে ঠান্ডা করুন। এরপর পিচারে রেখে পানি ও বরফ মিশিয়ে লেবুর স্লাইস দিয়ে পরিবেশন করুন।
থাই আইসড টি – আসল মশলা ও দুধের অপূর্ব মিশ্রণ
থাইল্যান্ডের এই মিষ্টি ও সুগন্ধি চায়ের রঙ ও স্বাদ দুটোই আলাদা।
উপকরণ: ভালো মানের কালো চা, স্টার অ্যানিস, এলাচ, চিনি, ইভাপোরেটেড/কনডেন্সড মিল্ক।
প্রস্তুতপ্রণালী: চা ও মসলা ফুটিয়ে ঠান্ডা করুন। পরে প্রচুর চিনি দিন। বরফ ভর্তি গ্লাসে ঢেলে প্রথমে চা আর পরে দুধ ঢেলে পরিবেশন করুন।
হিবিস্কাস আইসড টি – টক–মিষ্টি ও ক্যাফেইনমুক্ত এক স্বাস্থ্যকর পানীয়
উপকরণ: শুকনা হিবিস্কাস পাপড়ি, পানি, মধু বা সিরাপ, বরফ।
প্রস্তুতপ্রণালী: ফুটন্ত পানিতে হিবিস্কাস পাপড়ি ভিজিয়ে রাখুন যতক্ষণ না পানি লাল হয়ে যায়। ছেঁকে নিয়ে মধু দিন এবং ফ্রিজে রেখে ঠান্ডা করে পরিবেশন করুন।
চায়ের ভিত্তি, মসলা, ভেষজ ও মিষ্টি উপাদানের ভিন্নতা মিলিয়ে নিজের মতো নতুন স্বাদ তৈরি করা সম্ভব। চা শুধু পানীয় নয় এটি এক বহুমাত্রিক অভিজ্ঞতা, যা প্রতিটি সংস্কৃতি আলাদা ভাবে রূপ দিয়েছে।
প্রথম রোজার ইফতারে চমক! ঘরেই তৈরি করুন মুচমুচে ও সুস্বাদু চিকেন পাকোড়া
আজ রমজানের প্রথম দিন। সারাদিন রোজার পর ইফতারে একটু ভিন্নরকম খাবার খেতে ইচ্ছে হতেই পারে। অন্যান্য খাবারের পাশাপাশি ইফতারে রাখতে পারেন সুস্বাদু চিকেন পাকোড়া।
উপকরণ
আধা কেজি হাড়ছাড়া বুকের মাংস, আধা চা চামচ হলুদ গুঁড়ো, পরিমাণমতো তেল, ধনে পাতা কুচি একমুঠো, ২টো মাঝারি সাইজের পেঁয়াজ, ২ টেবিল চামচ লেবুর রস, ২ চা চামচ আদা-রসুন বাটা, কয়েকটা কাঁচা মরিচ, দেড় কাপ বেসন এবং চার চা চামচ চালের গুঁড়ো।
প্রস্তুত প্রণালি
মাংসের টুকরাগুলো ভালো করে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন। তারপর পেঁয়াজ, কাঁচা মরিচ, আদা-রসুন বাটা, লেবুর রস এবং লবণ দিয়ে একটি পেস্ট তৈরি করুন। এই পেস্ট দিয়ে চিকেন ম্যারিনেট করে নিন। ৪০ মিনিট ঢেকে রাখুন।
ব্যাটার তৈরি করতে বেসন, চালের গুঁড়ো, লবণ, হলুদ গুঁড়ো এবং পরিমাণমতো পানি একসাথে মিশিয়ে নিন। ব্যাটারটি যেন খুব বেশি পাতলা বা ঘন না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখুন।
এবার চুলায় প্যান বসিয়ে তাতে তেল দিয়ে গরম করুন। তেল গরম হলে ম্যারিনেট করা চিকেনের টুকরোগুলো এক এক করে ব্যাটারে ডুবিয়ে তেলে ছাড়ুন। সোনালি না হওয়া পর্যন্ত ভাজতে থাকুন। ভাজা হয়ে গেলে সসের সাথে গরম গরম পরিবেশন করুন চিকেন পকোড়া। এর সাথে শশা, পেঁয়াজ কেটে সালাদও বানিয়ে দিতে পারেন।
/আশিক
ঘরে বানান রেস্টুরেন্ট-স্টাইল সুইট কর্ন স্যুপ
শীতের সন্ধ্যা কিংবা হালকা ডিনারের জন্য পুষ্টিকর ও সহজপাচ্য একটি পদ হতে পারে সুইট কর্ন স্যুপ। ভুট্টার স্বাভাবিক মিষ্টতা, মাখনের ঘ্রাণ এবং গোলমরিচের হালকা ঝাঁঝ মিলিয়ে এই স্যুপ শরীরকে উষ্ণ রাখার পাশাপাশি দেয় তৃপ্তিদায়ক স্বাদ। পুষ্টিবিদদের মতে, সুইট কর্নে রয়েছে আঁশ, ভিটামিন বি-কমপ্লেক্স এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা হজমে সহায়ক ও শক্তি জোগাতে কার্যকর।
উপকরণ
এক কাপ সেদ্ধ সুইট কর্ন, দুই টেবিল চামচ কর্নফ্লাওয়ার সামান্য জলে মিশিয়ে রাখা, আধা চা চামচ করে আদা ও রসুন কুচি, দুই টেবিল চামচ গাজর কুচি, এক টেবিল চামচ স্প্রিং অনিয়ন কুচি, আধা চা চামচ গোলমরিচ গুঁড়ো, স্বাদমতো লবণ, সামান্য চিনি ঐচ্ছিক, এক টেবিল চামচ মাখন এবং তিন থেকে চার কাপ পানি।
প্রস্তুত প্রণালী
প্রথমে সেদ্ধ করা সুইট কর্নের অর্ধেক অংশ ব্লেন্ডারে সামান্য পানি দিয়ে মিহি পেস্ট বানিয়ে নিন। অবশিষ্ট অংশ গোটা অবস্থায় রাখুন, যাতে স্যুপে দানাদার টেক্সচার বজায় থাকে। একটি সসপ্যানে মাখন গরম করে তাতে রসুন ও আদা কুচি হালকা আঁচে ভেজে নিন, যতক্ষণ না সুগন্ধ বের হয়। এরপর গাজর কুচি ও গোটা কর্ন দিয়ে কয়েক মিনিট নেড়ে সামান্য নরম করে নিন।
এরপর প্যানে কর্নের পেস্ট ঢেলে প্রয়োজনমতো পানি যোগ করুন। মিশ্রণ ফুটে উঠলে লবণ, সামান্য চিনি ও গোলমরিচ গুঁড়ো দিয়ে স্বাদ সমন্বয় করুন। মাঝারি আঁচে পাঁচ থেকে ছয় মিনিট রান্না করুন। উপরে ফেনা জমলে চামচ দিয়ে সরিয়ে ফেলুন, এতে স্যুপ আরও পরিষ্কার ও মসৃণ হবে।
সবশেষে কর্নফ্লাওয়ারের মিশ্রণ অল্প অল্প করে ঢেলে নাড়তে থাকুন, যাতে দলা না বাঁধে এবং কাঙ্ক্ষিত ঘনত্ব আসে। স্যুপ ঘন হয়ে এলে চুলা বন্ধ করে ওপরে স্প্রিং অনিয়ন ছড়িয়ে পরিবেশন করুন।
এই স্যুপ গরম অবস্থায় পরিবেশন করলে স্বাদ ও পুষ্টিগুণ দুটিই উপভোগ করা যায়। চাইলে সামান্য সেদ্ধ মুরগির কুচি বা ডিমের সাদা অংশ যোগ করে এটিকে আরও সমৃদ্ধ করা সম্ভব।
মুগ ডালের হালুয়া: সহজ রেসিপি, দুর্দান্ত স্বাদ
শীতের বিকেল, পারিবারিক আয়োজন কিংবা বিশেষ দিন সবক্ষেত্রেই ঘরে তৈরি মিষ্টান্নের আলাদা আবেদন রয়েছে। তেমনই একটি ঐতিহ্যবাহী ও পুষ্টিকর পদ হলো মুগ ডালের হালুয়া। সঠিক অনুপাতে উপকরণ ব্যবহার এবং ধৈর্য নিয়ে রান্না করলে এই হালুয়া হয়ে ওঠে সুগন্ধি, নরম ও রাজকীয় স্বাদের।
এই রেসিপির প্রধান উপকরণ ১ কাপ মুগ ডাল। ডাল ভালোভাবে ধুয়ে কমপক্ষে ৩ থেকে ৪ ঘণ্টা পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে, যাতে দানাগুলো নরম হয় এবং সহজে বাটা যায়। এরপর পানি ঝরিয়ে মিক্সার বা শীল-নোড়ায় সামান্য পানি দিয়ে আধা-বাটা করে নিতে হবে। একদম মিহি পেস্ট না করে সামান্য দানাদার রাখলে হালুয়ার টেক্সচার আরও ভালো হয়।
একটি ভারী তলার কড়াইতে প্রথমে ১ চামচ ঘি গরম করে ১০-১২টি কাজুবাদাম ও কিসমিস হালকা ভেজে তুলে রাখতে হবে। একই কড়াইতে বাকি ঘি দিয়ে মুগ ডালের বাটা ঢেলে মাঝারি থেকে কম আঁচে অনবরত নাড়তে হবে। এই ধাপটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ ডাল যেন নিচে লেগে না যায়। ধীরে ধীরে ডালের কাঁচা গন্ধ দূর হয়ে সোনালি রং ধারণ করবে এবং মনোরম ঘ্রাণ বের হবে এ সময় বুঝতে হবে ডাল ভালোভাবে ভাজা হয়েছে।
এরপর ২ কাপ লিকুইড দুধ বা গরম পানি ঢেলে দ্রুত নাড়তে হবে, যাতে দলা না বাঁধে। ডাল তরল শুষে নিয়ে ঘন হয়ে এলে ১ কাপ চিনি (স্বাদ অনুযায়ী কম-বেশি করা যায়) ও আধা চা চামচ এলাচ গুঁড়ো যোগ করতে হবে। চিনি গলে গেলে মিশ্রণ সাময়িকভাবে পাতলা হবে, তাই আবার ধৈর্য ধরে নাড়তে হবে যতক্ষণ না এটি পুনরায় ঘন হয়।
ঐচ্ছিকভাবে এক চিমটি জাফরান গরম দুধে ভিজিয়ে ওপর থেকে ঢেলে দিলে রং ও সুগন্ধ আরও সমৃদ্ধ হয়। হালুয়া যখন কড়াইয়ের গা ছেড়ে আসবে এবং উপরে হালকা ঘি ভেসে উঠবে, তখন ভাজা কাজু ও কিসমিস মিশিয়ে দিতে হবে। শেষ পর্যায়ে আরও এক চামচ ঘি ছড়িয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে নামিয়ে নিলে তৈরি হয়ে যাবে নরম, সুগন্ধি ও দানাদার মুগ ডালের হালুয়া।
পুষ্টিগুণের দিক থেকেও মুগ ডাল সমৃদ্ধ এতে প্রোটিন, ফাইবার ও বিভিন্ন খনিজ উপাদান রয়েছে। ফলে এটি শুধু সুস্বাদু নয়, তুলনামূলকভাবে স্বাস্থ্যসম্মত একটি মিষ্টান্নও বটে। গরম গরম পরিবেশন করলে স্বাদ সবচেয়ে বেশি উপভোগ করা যায়, তবে ঠান্ডা করেও পরিবেশন করা যায়।
পুষ্টিকর বিটের হালুয়া বানাবেন যেভাবে
স্বাদে ভিন্নতা আনতে চাইলে বিট দিয়ে তৈরি হালুয়া হতে পারে দারুণ একটি পছন্দ। লালচে উজ্জ্বল রঙের এই মিষ্টান্ন যেমন চোখে লাগে, তেমনি পুষ্টিগুণেও সমৃদ্ধ। বিটে রয়েছে আয়রন, ফলেট, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ভিটামিন সি, যা শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক। তাই প্রচলিত গাজরের হালুয়ার বিকল্প হিসেবে বিটের হালুয়া এখন অনেকের পছন্দের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে।
প্রয়োজনীয় উপকরণ
২ থেকে ৩টি বড় বিট, খোসা ছাড়িয়ে কুচি বা গ্রেট করা
২ কাপ ফুল ক্রিম তরল দুধ
আধা কাপ চিনি, স্বাদ অনুযায়ী কম-বেশি
৩ টেবিল চামচ ঘি
আধা কাপ খোয়া ক্ষীর বা গুঁড়ো দুধ
৪টি এলাচ, হালকা থেঁতো
কাজুবাদাম ও কিসমিস সাজানোর জন্য
প্রস্তুত প্রণালী
প্রথমে গ্রেট করা বিট ভালোভাবে ধুয়ে অতিরিক্ত পানি চিপে ঝরিয়ে নিন। এতে কাঁচা গন্ধ কমবে এবং রান্নার সময় কম লাগবে। একটি ভারী তলার কড়াইতে ১ টেবিল চামচ ঘি গরম করে কাজুবাদাম ও কিসমিস হালকা ভেজে তুলে আলাদা করে রাখুন।
একই কড়াইতে বাকি ঘি দিয়ে গ্রেট করা বিট ঢেলে দিন। মাঝারি আঁচে ১০ থেকে ১২ মিনিট নাড়তে থাকুন, যাতে বিটের কাঁচা গন্ধ দূর হয় এবং হালকা নরম হয়ে আসে। এরপর এতে তরল দুধ ঢেলে দিন এবং আঁচ কমিয়ে ঢেকে রান্না করুন। মাঝে মাঝে নাড়তে থাকবেন, যাতে নিচে লেগে না যায়। ধীরে ধীরে দুধ শুকিয়ে ঘন হয়ে এলে বিট নরম ও সেদ্ধ হয়ে যাবে।
এরপর চিনি ও এলাচ যোগ করুন। চিনি গলে কিছুটা তরল তৈরি করবে, তাই নাড়তে থাকুন যতক্ষণ না সেই তরল শুকিয়ে আসে। এখন খোয়া ক্ষীর বা গুঁড়ো দুধ মিশিয়ে দিন। এতে হালুয়ার স্বাদ ও টেক্সচার আরও সমৃদ্ধ হবে। হালুয়া যখন ঘন হয়ে কড়াইয়ের গা ছাড়তে শুরু করবে, তখন ওপর থেকে সামান্য ঘি ছড়িয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন।
সবশেষে ভাজা কাজু ও কিসমিস ছড়িয়ে পরিবেশন করুন। গরম অবস্থায় খেতে যেমন সুস্বাদু, তেমনি ঠান্ডা করেও পরিবেশন করা যায়।
বিকেলের নাস্তায় নতুন চমক: ঘরেই তৈরি করুন লাল টুকটুকে টার্কিশ ডিলাইট
বিকেলের নাস্তা কিংবা অতিথি আপ্যায়নে একটু ভিন্নধর্মী ও আভিজাত্যপূর্ণ মিষ্টান্ন যোগ করতে কার না ভালো লাগে। আন্তর্জাতিক স্বাদের মিষ্টান্নগুলোর মধ্যে ‘টার্কিশ ডিলাইট’ বা লোকুম বিশ্বজুড়ে সমাদৃত। সাধারণত আমরা এটি দোকান থেকে কিনে আনলেও, খুব সাধারণ কিছু ঘরোয়া উপকরণ দিয়ে বাড়িতেই তৈরি করা সম্ভব এই মায়াবী লাল রঙের মিষ্টি। কর্নফ্লাওয়ার এবং চিনির বিশেষ এই মিশ্রণটি যেমন দেখতে চমৎকার, তেমনি এর স্বাদ ও সুগন্ধ দীর্ঘক্ষণ মুখে লেগে থাকে। আজ আমরা আপনাদের জানাব কীভাবে ঘরে থাকা সাধারণ উপাদানে নিখুঁতভাবে তৈরি করবেন এই শাহী ডেজার্ট।
এই বিশেষ মিষ্টান্নটি তৈরি করতে আপনার হাতের কাছে প্রয়োজনীয় কিছু উপকরণ সংগ্রহ করে নিতে হবে। এর জন্য প্রধান উপাদান হিসেবে লাগবে আধা কাপ কর্নফ্লাওয়ার এবং দুই কাপ সাধারণ চিনি। স্বাদ ও টেক্সচারের ভারসাম্য আনতে ব্যবহার করতে হবে ২ চা-চামচ লেবুর রস এবং আধা চা-চামচ ক্রিম অব টারটার। মিষ্টির রঙটিকে আকর্ষণীয় করতে সামান্য লাল রঙ এবং রাজকীয় সুগন্ধের জন্য ১ টেবিল চামচ কেওড়াজল প্রয়োজন হবে। এছাড়া মিষ্টির গায়ে জড়িয়ে নেওয়ার জন্য ২ কাপ বা পরিমাণমতো গুঁড়া চিনি বা আইসিং সুগার এবং পুরো প্রক্রিয়ায় ব্যবহারের জন্য আধা কাপ পানি (শিরার জন্য) ও ১.৫ কাপ পানি (কর্নফ্লাওয়ারের জন্য) প্রস্তুত রাখতে হবে।
প্রস্তুত প্রণালীর শুরুতেই আপনাকে চিনির সিরা তৈরি করে নিতে হবে। এর জন্য চুলায় একটি পাত্রে ১ কাপ চিনি, আধা কাপ পানি এবং লেবুর রস দিয়ে নাড়তে থাকুন। শিরাটি যখন যথেষ্ট ঘন হয়ে আসবে, তখন এটি চুলা থেকে নামিয়ে একপাশে রেখে দিন। এরপর একটি পৃথক পাত্রে আধা কাপ কর্নফ্লাওয়ারের সঙ্গে দেড় কাপ পানি ও ক্রিম অব টারটার ভালো করে মিশিয়ে চুলায় দিন। মিশ্রণটি গরম হতে থাকলে ক্রমাগত নাড়াচাড়া করতে হবে যাতে কোনো দলা পেকে না যায়। যখন কর্নফ্লাওয়ারের মিশ্রণটি ঘন হয়ে আসবে, তখন আগে থেকে তৈরি করে রাখা চিনির শিরা অল্প অল্প করে ঢালতে হবে এবং নাড়তে থাকতে হবে। সবটুকু শিরা দেওয়ার পর পুরো মিশ্রণটি যখন আরও ঘন ও স্বচ্ছ হয়ে উঠবে, তখন এতে ১ টেবিল চামচ কেওড়া জল ও সামান্য লাল রঙ ভালোভাবে মিশিয়ে আরও কিছুক্ষণ জ্বাল দিন এবং নাড়াচাড়া করুন।
মিষ্টির মিশ্রণটি চূড়ান্তভাবে তৈরি হয়ে গেলে চুলা থেকে নামিয়ে নিন। পরিবেশনের জন্য একটি ৬ ইঞ্চি বাই ৪ ইঞ্চি মাপের প্যানে সামান্য তেল লাগিয়ে নিতে হবে যাতে মিষ্টিটি আটকে না যায়। এবার গরম মিশ্রণটি প্যানে সমানভাবে ঢেলে দিন এবং স্বাভাবিক তাপমাত্রায় ঠান্ডা হতে দিন। পুরোপুরি ঠান্ডা ও সেট হয়ে গেলে প্যান থেকে বের করে পছন্দমতো টুকরা করে কাটুন। পরিশেষে প্রতিটি টুকরা আইসিং সুগারে ভালোভাবে গড়িয়ে নিলেই তৈরি হয়ে যাবে চমৎকার টার্কিশ ডিলাইট। এই ঘরোয়া পদ্ধতিতে তৈরি মিষ্টান্নটি কেবল স্বাস্থ্যকরই নয়, বরং শিশুদের কাছেও এটি অত্যন্ত প্রিয় একটি খাবার হিসেবে সমাদৃত হবে।
শীতের দুপুরে খাবারের স্বাদ বাড়াতে ‘আচারি ফুলকপি’; জেনে নিন বিশেষ রেসিপি
শীতের এই মৌসুমে বাঙালির রান্নাঘরে ফুলকপির আধিপত্য চিরচেনা। ভাজি, তরকারি কিংবা ঝোলে ফুলকপি প্রায় প্রতিদিনই পাতে থাকে। তবে প্রতিদিনের একঘেয়েমি কাটাতে এবং পরিবারের স্বাদে নতুনত্ব আনতে ‘আচারি ফুলকপি’ একটি চমৎকার বিকল্প হতে পারে। টক, ঝাল এবং বাহারি মসলার এক অনন্য সংমিশ্রণে তৈরি এই পদটি ভাত বা রুটির সঙ্গে দারুণ মানিয়ে যায়। বিশেষ করে আমের আচারের ছোঁয়ায় এই রান্নাটি সাধারণ ঘরোয়া আমেজ ছাড়িয়ে এক ধরণের আভিজাত্য নিয়ে আসে যা মেহমানদারিতেও বেশ প্রশংসিত। ঘরোয়া উপাদানে কীভাবে এই সুস্বাদু পদটি তৈরি করবেন, তা নিয়ে আমাদের আজকের এই বিশেষ রন্ধন প্রতিবেদন।
এই সুস্বাদু পদটি তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণের মধ্যে প্রথমেই প্রয়োজন একটি মাঝারি আকারের ফুলকপি, যা ছোট ছোট টুকরো করে কেটে নিতে হবে। এর পাশাপাশি স্বাদ ও বর্ণ বাড়াতে প্রয়োজন দুটি টুকরো করা টমেটো, দুই টেবিল চামচ কিউব করে কাটা পেঁয়াজ এবং এক চা-চামচ রসুন কুচি। মসলার মধ্যে এক চা-চামচ করে ধনেগুঁড়ো ও হলুদগুঁড়ো, আধা চা-চামচ আস্ত পাঁচফোড়ন, দুটি শুকনো মরিচ এবং চার থেকে পাঁচটি কাঁচামরিচ রাখা জরুরি। রান্নার মূল স্বাদ নিয়ে আসতে এক চা-চামচ আমের আচার, সামান্য চিনি, স্বাদমতো লবণ এবং দুই টেবিল চামচ ভোজ্য তেল সংগ্রহে রাখতে হবে।
রান্নার প্রাথমিক ধাপে একটি হাঁড়িতে পরিমাণমতো পানি গরম করে তাতে কেটে রাখা ফুলকপির টুকরোগুলো দিয়ে হালকা আধাসেদ্ধ করে নিতে হবে। সেদ্ধ হয়ে গেলে পানি ঝরিয়ে কপিগুলো আলাদা করে সরিয়ে রাখতে হবে। এরপর একটি কড়াইয়ে তেল গরম করে তাতে আস্ত পাঁচফোড়ন ও শুকনো মরিচের ফোড়ন দিয়ে সুগন্ধ ছড়ানো পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। ফোড়ন থেকে সুঘ্রাণ বের হলে পেঁয়াজ ও রসুন কুচি দিয়ে হালকা লালচে করে ভেজে নেওয়ার পর একে একে হলুদগুঁড়ো, ধনেগুঁড়ো এবং পরিমাণমতো লবণ দিয়ে মসলাটি ভালোভাবে কষিয়ে নিতে হবে। মসলা থেকে তেল ছেড়ে দিলে এতে আগে থেকে সেদ্ধ করে রাখা ফুলকপি এবং টমেটোর টুকরোগুলো যোগ করে দিতে হবে। এরপর সব উপকরণ ভালোভাবে নেড়ে মিশিয়ে নিয়ে চুলার আঁচ কমিয়ে ঢাকনা দিয়ে অন্তত ১০ মিনিট রান্না করতে হবে। রান্নার শেষ পর্যায়ে যখন সবজিগুলো পুরোপুরি মজে আসবে, তখন এতে আমের আচার এবং সামান্য চিনি মিশিয়ে আরও কিছুক্ষণ নেড়ে নামিয়ে নিলেই প্রস্তুত হয়ে যাবে জিভে জল আনা আচারি ফুলকপি।
রেস্তোরাঁ স্টাইলে মিষ্টি আলুর ফ্রেঞ্চ ফ্রাই তৈরির সহজ নিয়ম
ফ্রেঞ্চ ফ্রাই পছন্দ করেন না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া ভার। রেস্তোরাঁয় গেলে ফ্রায়েড চিকেন, বার্গার কিংবা ফিশ ফ্রাইয়ের সঙ্গে এক থালা গরম গরম ফ্রেঞ্চ ফ্রাই না থাকলে যেন ভোজনবিলাস অপূর্ণই থেকে যায়। তবে প্রতিদিনের একঘেয়েমি কাটাতে এবং স্বাদে নতুনত্ব আনতে সাধারণ আলুর বদলে ‘মিষ্টি আলুর ফ্রেঞ্চ ফ্রাই’ হতে পারে একটি চমৎকার বিকল্প।
বাইরে সোনালি ও মচমচে এবং ভেতরে নরম স্বাদের এই নতুন রূপটি মিষ্টি আলু খাওয়ার আগ্রহ বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। অতিথি আপ্যায়ন কিংবা শীতের বিকেলের আড্ডায় ঘরোয়া উপকরণেই খুব সহজে স্ট্রিট-স্টাইল এই খাবারটি বানিয়ে নেওয়া সম্ভব।
প্রয়োজনীয় উপকরণ
মিষ্টি আলু: ৫-৬ টি (মাঝারি সাইজ)
লবণ: স্বাদমতো
ভিনেগার: ১ চা চামচ
পানি: প্রয়োজনমতো
রান্নার তেল: প্রয়োজনমতো
প্রস্তুত প্রণালি
১. প্রথমে মিষ্টি আলুর খোসা ছাড়িয়ে দুই পাশ সামান্য ছেঁটে নিন। এরপর আলুগুলো লম্বা করে ফ্রেঞ্চ ফ্রাইয়ের আকারে কেটে নিতে হবে। কাটার সময় যে বাড়তি অংশগুলো থেকে যাবে, সেগুলো ফেলে না দিয়ে চাটনি তৈরির জন্য আলাদা করে রাখুন।
২. একটি প্যানে পানি ফুটিয়ে তাতে কাটা আলু, লবণ ও সিরকা (ভিনেগার) দিয়ে প্রায় ৩ মিনিট সেদ্ধ করুন। খেয়াল রাখবেন যেন খুব বেশি সেদ্ধ না হয়, কারণ অতিরিক্ত সেদ্ধ হলে ভাজার সময় আলু ভেঙে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
৩.সেদ্ধ করা আলুগুলো পানি থেকে তুলে একটি ট্রের ওপর পরিষ্কার কাপড় বিছিয়ে ছড়িয়ে দিন। আলতোভাবে মুছে আলুর গায়ের অতিরিক্ত পানি শুকিয়ে নিতে হবে। এই ধাপটি আলু মচমচে করার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
৪.এবার কড়াইয়ে পর্যাপ্ত তেল গরম করুন। তেল ভালোভাবে গরম হয়ে এলে আলুগুলো ধীরে ধীরে ছেড়ে দিন। চুলার আঁচ মাঝারি রেখে ভাজতে থাকুন। মাঝারি আঁচে ভাজলে আলু ভেতরে নরম এবং বাইরে সোনালি ও মচমচে হবে।
৫.আলুতে সুন্দর সোনালি রঙ ধরলে তেল ঝরিয়ে তুলে নিন। এরপর ঝাল-টক-মিষ্টি চাটনি কিংবা আপনার পছন্দের যেকোনো সসের সঙ্গে গরম গরম পরিবেশন করুন মুখরোচক মিষ্টি আলুর ফ্রেঞ্চ ফ্রাই।
শীতে পিঠার স্বাদে ভিন্নতা আনতে পাতে রাখুন ‘বাঁধাকপির পিঠা’: জেনে নিন রেসিপি
বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বণের মধ্যে শীতকাল মানেই পিঠাপুলির উৎসব। তবে গতানুগতিক মিষ্টি পিঠার ভিড়ে নোনতা স্বাদের পিঠার কদরও এখন কম নয়। শীতের এই মৌসুমে টাটকা সবজি দিয়ে তৈরি পিঠা একদিকে যেমন মুখরোচক, অন্যদিকে স্বাস্থ্যকর। বিশেষ করে সুস্বাদু ও পুষ্টিকর বাঁধাকপি দিয়ে তৈরি পিঠা একবার খেলে এর স্বাদ মুখে লেগে থাকবে দীর্ঘদিন। বাড়িতে থাকা সাধারণ কিছু উপকরণ দিয়ে খুব কম সময়েই তৈরি করা যায় এই ‘শীতকালীন স্পেশাল’ পিঠা।
প্রয়োজনীয় উপকরণ
বাঁধাকপি: ১টি
পেঁয়াজ বাটা: ৩ টেবিল চামচ
রসুন বাটা: ১ টেবিল চামচ
আদাবাটা: ১ টেবিল চামচ
ডিম: ৩টি
চালের গুঁড়া: আড়াই টেবিল চামচ
জিরা গুঁড়া: ১ চা চামচ
হলুদ: আধা চা চামচ
লবণ: স্বাদমতো
সাদা তেল: ৩ টেবিল চামচ (ভাজার জন্য)
প্রস্তুত প্রণালি
১. প্রথমেই একটি আস্ত বাঁধাকপি ভালো করে কুচি করে কেটে নিন। এরপর কুচি করা বাঁধাকপিগুলো পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে ভালোভাবে সেদ্ধ করে নিতে হবে।
২. সেদ্ধ করা বাঁধাকপি থেকে অতিরিক্ত পানি ঝরিয়ে নিয়ে তাতে পেঁয়াজ বাটা, রসুন বাটা, আদা বাটা, জিরা গুঁড়া, হলুদ ও স্বাদমতো লবণ দিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন।
৩. মসলার সঙ্গে বাঁধাকপি মেশানো হয়ে গেলে এতে একে একে তিনটি ডিম দিয়ে আবারও ভালোভাবে মাখাতে হবে। সবশেষে এতে আড়াই টেবিল চামচ চালের গুঁড়া মিশিয়ে একটি সুন্দর মন্ড বা ডো তৈরি করুন।
৪. এবার একটি ফ্রাইপ্যানে ৩ টেবিল চামচ সাদা তেল গরম করতে দিন। তেল গরম হয়ে এলে তৈরি করা মন্ডটি নিজের পছন্দমতো সাইজ দিয়ে তেলের ওপর ছেড়ে দিন। খেয়াল রাখবেন যেন ফ্রাইপ্যানের তেল পিঠার সব জায়গায় সমানভাবে লাগে।
৫. চুলার আঁচ অল্প রেখে পিঠার দুই পাশ লালচে করে ভালোভাবে ভেজে নিন। পিঠা ভাজা হয়ে গেলে চুলা থেকে নামিয়ে আপনার পছন্দমতো সস দিয়ে পরিবেশন করুন গরম গরম বাঁধাকপির পিঠা।
তেলহীন সয়া কাবাব ও টিক্কা তৈরির জাদুকরী রেসিপি জানুন
শিশুরা সাধারণত কম তেল বা মশলার খাবার খেতে পছন্দ করে না। তারা বড়দের জন্য রান্না করা ঝাল মাংস বা বাইরের চিপস ও ফ্রেঞ্চ ফ্রাইয়ের দিকে বেশি ঝুঁকে পড়ে। এই সমস্যা সমাধানে সয়াবিন হতে পারে আদর্শ একটি উপাদান। সয়াবিন পপকর্ন তৈরির জন্য প্রথমে সয়াবিন লবণ পানিতে সিদ্ধ করে পানি ঝরিয়ে নিতে হবে। এরপর তাতে আদা রসুন বাটা ও ধনিয়া জিরার গুঁড়া মিশিয়ে নিন। মুচমুচে ভাব আনতে কর্নফ্লাওয়ার যোগ করে এয়ার ফ্রায়ারে সামান্য তেল ব্রাশ করে সেঁকে নিলেই তৈরি হয়ে যাবে স্বাস্থ্যকর সয়াবিন পপকর্ন। স্বাদে ভিন্নতা আনতে চাইলে এতে ডিম ফেটিয়ে ময়দা ও কর্নফ্লাওয়ার মেখে ডুবো তেলেও ভেজে নেওয়া যেতে পারে।
সয়াবিন দিয়ে মাংসের মতো স্বাদের গ্রিলড কাবাব তৈরি করাও বেশ সহজ। পানি ঝরানো টক দইয়ের মধ্যে নানা রকম মশলা দিয়ে সয়াবিন ম্যারিনেট করে রাখতে হবে কিছুক্ষণ। এরপর কাঠির মধ্যে ডুমো করে কাটা পেঁয়াজ ও ক্যাপসিকামের সাথে ম্যারিনেট করা সয়াবিন সাজিয়ে নিতে হবে। সামান্য অলিভ অয়েল স্প্রে করে তাওয়ায় বা ওভেনে বেক করে নিলে দারুণ সুস্বাদু এই কাবাবটি শিশুদের নাস্তায় যোগ করবে বাড়তি পুষ্টি। বাড়িতে এয়ার ফ্রায়ার থাকলে কাজটা আরও সহজ ও দ্রুত হয়ে যায় যা শিশুদের জন্য বাইরে কেনা খাবারের চেয়ে অনেক বেশি নিরাপদ।
টিক্কা প্রেমী শিশুদের জন্য সয়াবিনের টিক্কা হতে পারে বিকালের সেরা নাস্তা। সয়াবিন সিদ্ধ করে পানি ঝরিয়ে মিক্সারে ভালো করে বেটে নিতে হবে। বাটা সয়াবিনের সাথে পেঁয়াজ কুচি ও কাঁচা মরিচ এবং লবণ ও হলুদের সাথে ধনিয়া জিরার গুঁড়া মেশাতে হবে। মিশ্রণটিকে ভালোভাবে জমাট বাঁধাতে কিছুটা বেসন যোগ করে টিকিয়ার আকার দিতে হবে। এরপর তাওয়ায় সামান্য তেল দিয়ে এপিঠ ওপিঠ করে সেঁকে নিলেই পরিবেশনের জন্য তৈরি হবে সয়াবিনের টিক্কা। এই প্রতিটি পদই একদিকে যেমন মুখরোচক অন্যদিকে শিশুর শরীরের প্রয়োজনীয় প্রোটিনের চাহিদা পূরণে দারুণ কার্যকর ভূমিকা পালন করে।
সূত্র : আনন্দবাজার ডট কম
পাঠকের মতামত:
- কুমিল্লা সদর দক্ষিণে গভীর রাতে শ্বাসরুদ্ধকর অভিযান
- ইতিহাসে প্রথম শহীদ মিনারে দাঁড়িয়ে ভাষা শহীদদের জন্য দোয়া প্রধানমন্ত্রীর
- রোজায় ক্লান্তিবোধ কমবে নিমিষেই: শক্তি ধরে রাখার ৪টি সেরা কৌশল
- রোজায় গ্যাসের সমস্যায় ভুগছেন? সমাধান মিলবে ঘরোয়া এই নিয়মেই
- দুর্নীতি ও ধর্মান্ধতা একুশের চেতনার শত্রু: টিআইবি প্রধান
- সর্বস্তরে বাংলা ভাষার ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে: জামায়াত আমির
- গণভোটের হ্যাঁঅটোমেটিক কার্যকর হবে, এটাই জুলাই সনদ: এ্যানি
- আজকের টাকার রেট কত? দেখে নিন বিভিন্ন দেশের মুদ্রার বিনিময় হার
- যশোরে তালা ভেঙে আওয়ামী লীগ অফিসে ছবি টাঙালো ছাত্রলীগ
- আজ শনিবার; রাজধানীর যেসব এলাকার মার্কেট ও দোকানপাট বন্ধ
- ১৭ বছর পর ক্ষমতায় এসে এমন আচরণ কাম্য নয়: রুমিন ফারহানা
- জেনে নিন রাজধানীতে আজকের আবহাওয়ার হালচাল
- আজ রাজধানীতে কোথায় কী কর্মসূচি: জেনে নিন সকালে বের হওয়ার আগে
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দর কত? জেনে নিন বাজুসের নতুন মূল্যতালিকা
- একুশের প্রথম প্রহরে শহীদ মিনারে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
- রমজানের তৃতীয় দিনের ইফতার ও নামাজের সময়সূচি
- প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাদের দপ্তর বণ্টন, কে কোন দায়িত্বে?
- আবারও স্বর্ণের বাজারে বড় উত্থান
- রমজানে অর্ধশত পরিবারের পাশে সিলেট-চট্টগ্রাম ফ্রেন্ডশিপ ফাউন্ডেশন
- মুরাদনগরে পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধে নির্মাণ শ্রমিককে পিটিয়ে হত্যা
- শেয়ারবাজারের সাপ্তাহিক পূর্ণাঙ্গ বিশ্লেষণ
- যমুনা ছাড়ছেন কবে ড. ইউনূস, কোথায় থাকবেন প্রধানমন্ত্রী
- ঢাকায় ১০ দিনের অ্যাকশন প্ল্যান ইশরাকের
- শেয়ারবাজারে আসছে বৈপ্লবিক পরিবর্তন: অর্থ মন্ত্রী আমীর খসরু
- ২১ ফেব্রুয়ারিতে ডিএমপির সড়ক নির্দেশনা, কোন পথ এড়াবেন
- হামলা হলে মার্কিন ঘাঁটি হবে লক্ষ্যবস্তু: ইরান
- "আই হ্যাভ এ প্ল্যান" বাস্তবায়ন শুরু
- হু হু করে কমল সোনার দাম
- বৈদেশিক মুদ্রার সর্বশেষ বিনিময় হার: ২০ ফেব্রুয়ারি
- বের হওয়ার আগে জেনে নিন আজ যেসব মার্কেট বন্ধ
- এইচএসসি ২০২৬: ফরম পূরণের পূর্ণাঙ্গ সময়সূচি ও নীতিমালা প্রকাশ
- শুক্রবারের পূর্ণ নামাজ সূচি, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
- রাজধানীতে আজ আবহাওয়ার পূর্বাভাস
- রাজধানীতে আজ আবহাওয়ার পূর্বাভাস
- বাংলাদেশের ম্যাচসহ আজ টিভিতে যেসব খেলা দেখবেন
- এতিমদের মধ্য থেকেই কেউ একদিন প্রধানমন্ত্রী হবে: শফিকুর রহমান
- ঈদের আগেই ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে কমিটি: দায়িত্বে আছেন যারা
- সড়কে সমঝোতার ভিত্তিতে টাকা তোলা চাঁদা নয়: সড়ক পরিবহন মন্ত্রী
- স্বর্ণের বাজারে টানা উত্থান: বিনিয়োগকারীদের জন্য বড় খবর
- ইফতারের পর ক্লান্ত লাগে? সতেজ থাকার সহজ উপায়গুলো জেনে নিন
- মহাকাশ বিজয়ে ইরান: সফলভাবে উৎক্ষেপিত হলো জাম-এ-জাম ১
- ব্যবসায়ীদের স্বার্থ রক্ষায় ব্যস্ত মন্ত্রিসভা, জনস্বার্থ উপেক্ষিত: নাহিদ ইসলাম
- পরীক্ষা ও মূল্যায়ন পদ্ধতিতে বড় পরিবর্তন আসছে
- ১৯ ফেব্রুয়ারি শেয়ারবাজারের পূর্ণাঙ্গ বিশ্লেষণ
- রোজার প্রথম দিনেই মুরগি ও সবজির দামে লাগামহীন রাজধানীর বাজার
- ১৯ ফেব্রুয়ারি ডিএসইতে শীর্ষ ১০ দরপতনের শেয়ার
- ইফতারে যেসব ভুলের কারণে গ্যাস্ট্রিক ও ওজন বাড়ে
- প্রথম রোজার ইফতারে চমক! ঘরেই তৈরি করুন মুচমুচে ও সুস্বাদু চিকেন পাকোড়া
- দুপুরের নির্জনতা ভেঙে হঠাৎ কেঁপে উঠল সিলেট: বড় কোনো দুর্যোগের পূর্বাভাস?
- ১৯ ফেব্রুয়ারি ডিএসইতে শীর্ষ ১০ দরবৃদ্ধিকারী শেয়ার
- বাজুসের নতুন দর! ২ লাখ ১৩ হাজারে মিলবে ১ ভরি সোনা
- হু হু করে কমল সোনার দাম
- রমজানে স্কুল খোলা নিয়ে হাইকোর্টের বড় রায়: বদলে গেল ছুটির পুরো ক্যালেন্ডার
- চাকরির টাকায় সংসার না চললে ছেড়ে দিন, দুর্নীতির কোনো ক্ষমা নেই: আইনমন্ত্রী
- প্রাথমিকে রোজার ছুটি নিয়ে নতুন তথ্য জানাল অধিদপ্তর
- অগ্নিমূল্য স্বর্ণের বাজার, ভরিপ্রতি স্বর্ণের দাম বাড়লো ২২১৬ টাকা
- বিশ্ববাজারের প্রভাব পড়ল দেশের স্বর্ণবাজারে: আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম
- ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল দেশের অংশবিশেষ
- কালিগঞ্জে শতবর্ষী মাদ্রাসার জমি জোরপূর্বক বিক্রয়ের অভিযোগ, দখলের পায়তারা
- শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অভিভাবক হলেন এহসানুল হক মিলন
- মঙ্গলবার টানা ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
- আজ বিকেলেই শুরু হচ্ছে বছরের প্রথম সূর্যগ্রহণ: বাংলাদেশ থেকে কি দেখা যাবে?
- বাজুসের নতুন সিদ্ধান্ত: আজ থেকেই কার্যকর হচ্ছে স্বর্ণের হ্রাসকৃত মূল্য
- আকাশছোঁয়া স্বর্ণের বাজারে কিছুটা স্বস্তি: আজ থেকেই দাম কমছে
- ১৫ ফেব্রুয়ারি শেয়ারবাজারের পূর্ণাঙ্গ বিশ্লেষণ








