বর্তমান সরকারকে বিগত ফ্যাসিবাদের আয়না বলে জি এম কাদেরের কড়া সমালোচনা

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ০৪ ১৮:১০:২৪
বর্তমান সরকারকে বিগত ফ্যাসিবাদের আয়না বলে জি এম কাদেরের কড়া সমালোচনা
ছবি : সংগৃহীত

বিগত স্বৈরাচারী ও ফ্যাসিবাদী সরকারের দেখানো পথেই বর্তমান সরকার হাঁটছে বলে অভিযোগ করেছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের। তিনি বলেছেন, দেশে রাজনৈতিক অসহিষ্ণুতা, দমন-পীড়ন এবং বৈষম্য কমেনি, বরং আরও তীব্র হয়েছে। সরকার যদি দ্রুত অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনীতি ও প্রাতিষ্ঠানিক অধিকার নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়, তবে দেশে আবারও বড় ধরনের রাজনৈতিক পরিবর্তন অনিবার্য হয়ে উঠতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।

শনিবার (৪ জুলাই) রাজধানীর কাকরাইলে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে ‘জাতীয় আইনজীবী ফেডারেশন কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি-২০২৬’ এর পরিচিতি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

একটি আন্তর্জাতিক থিংক ট্যাংকের প্রতিবেদনের উদ্ধৃতি দিয়ে জি এম কাদের বলেন, ‘‘শক্তিশালী জনমতের ওপর ভিত্তি করে সরকার গঠিত হলেও তা দীর্ঘমেয়াদী স্থিতিশীলতার গ্যারান্টি দেয় না। রাজনৈতিক দলগুলোকে একীভূত করতে না পারলে এবং গণতান্ত্রিক চর্চাকে গুরুত্ব না দিলে পরিস্থিতি আরও খারাপের দিকে যাবে।’’

বর্তমান সরকারের কর্মকাণ্ডের তীব্র সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘‘আমরা জুলাই মাসে বৈষম্যবিরোধী যে গণঅভ্যুত্থান দেখেছিলাম, সেই চেতনার প্রতিফলন এখনকার রাষ্ট্র পরিচালনায় দেখছি না। বরং জুলাইয়ের চেতনার নামে এখন নতুন করে বৈষম্য ও দমন-পীড়ন চালানো হচ্ছে। রাজনৈতিকভাবে ভিন্নমত পোষণকারীদের রাস্তাঘাটে হেনস্তা করা, হাটে-বাজারে বাধা দেওয়া এবং আইন করে রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করার মতো কর্মকাণ্ড ফ্যাসিবাদী মানসিকতারই বহিঃপ্রকাশ।’’

আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার চলমান ইস্যু নিয়ে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, শুধু একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলকে বাদ দেওয়া বা দমন করলেই দেশে স্থায়ী স্থিতিশীলতা আসবে না। বরং রাজনৈতিক অন্তর্ভুক্তি ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করাই এখন সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি। রাজনৈতিক অস্থিরতা ও অর্থনৈতিক মন্দার কারণে দেশের সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তিতে রয়েছে, যার দায়ভার এই সরকার কোনোভাবেই এড়াতে পারে না।

দেশের যুবসমাজের বর্তমান অবস্থা তুলে ধরে জি এম কাদের বলেন, তরুণ সমাজ আজ ব্যাপকভাবে হতাশাগ্রস্ত। তাদের সামনে কর্মসংস্থান ও নিশ্চিত ভবিষ্যৎ না থাকায় তারা মাদক ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের দিকে ঝুঁকছে। এছাড়া, বিচার বিভাগসহ রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানগুলোকে অতিরিক্ত দলীয়করণের মাধ্যমে অকার্যকর করে ফেলা হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

/আশিক


তারেক রহমানের কোনো ব্যক্তিগত স্বার্থ নেই, দেশেই সব উৎসর্গ: রিজভী

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ আগস্ট ১৮ ১৯:৩৪:২৮
তারেক রহমানের কোনো ব্যক্তিগত স্বার্থ নেই, দেশেই সব উৎসর্গ: রিজভী
ছবি : সংগৃহীত

তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার জনগণের স্বার্থের বাইরে এক পাও যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য রুহুল কবির রিজভী আহমেদ। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সকালে রাজধানীর জিয়া উদ্যানে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

রুহুল কবির রিজভী উল্লেখ করেন, জনগণের স্বার্থ রক্ষাই বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কোনো ব্যক্তিগত চাওয়া-পাওয়া নেই; তিনি দেশের জন্য জীবন ও মন উৎসর্গ করেছেন। এ সময় বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করে দল ও সরকারের সার্বিক লক্ষ্য বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন রুহুল কবির রিজভীসহ বিএনপির স্থায়ী কমিটির নতুন সদস্যরা।

একই কর্মসূচিতে উপস্থিত বিএনপির স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য আমানউল্লাহ আমান ৯০-এর স্বৈরাচারবিরোধী গণআন্দোলনে তারেক রহমানের গুরুত্বপূর্ণ অবদানের কথা স্মরণ করেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী সাধারণ মানুষের মতো সহজ-সরল জীবনযাপন করেন এবং অতীতের রাজনৈতিক লড়াই-সংগ্রামের পাশাপাশি মইনুল রোডের বাসভবনে তিনি যে নির্যাতন ও নিপীড়নের শিকার হয়েছিলেন, তা দেশবাসীর জানা রয়েছে।

/আশিক


সুরক্ষা নিশ্চিত না হলে স্বাধীন সাংবাদিকতা অসম্ভব: বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ আগস্ট ১৭ ২১:৪৬:৩১
সুরক্ষা নিশ্চিত না হলে স্বাধীন সাংবাদিকতা অসম্ভব: বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ
ছবি : সংগৃহীত

সাংবাদিকদের পেশাগত সুরক্ষাসহ গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের বিভিন্ন ইতিবাচক সুপারিশ বাস্তবায়নে সরকারের কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।

সোমবার (৯ আগস্ট) রাজধানীর একটি হোটেলে ডেমোক্রেটিক জার্নালিস্ট অ্যালায়েন্স আয়োজিত ‘সাংবাদিকের চোখে জুলাই’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

নাহিদ ইসলাম উল্লেখ করেন, সাংবাদিকদের সার্বিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা না গেলে তাঁদের পক্ষে স্বাধীনভাবে দায়িত্ব পালন করা সম্ভব নয়। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, ইন্টারনেট ও গণমাধ্যম ব্ল্যাকআউটের মতো প্রতিকূলতার মধ্যেও মফস্সল, মাল্টিমিডিয়া ও নাগরিক সাংবাদিকরা অত্যন্ত সাহসিকতার সাথে তথ্য সংগ্রহ ও প্রচারের কাজ করেছেন।

অন্তর্বর্তী সরকারে নিজের সাত মাসের দায়িত্বকালের সীমাবদ্ধতা ও হতাশা স্বীকার করে তিনি বলেন, তৎকালীন সময়ে দেশকে স্থিতিশীল রাখাই ছিল প্রধান চ্যালেঞ্জ। তবে সেই সময়েই গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনসহ গঠিত বিভিন্ন কমিশনের গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ বাস্তবায়নের সুযোগ থাকা সত্ত্বেও তা পুরোপুরি কার্যকর করা যায়নি।

গণমাধ্যমকে রাজনৈতিক দল, মালিকপক্ষ ও ব্যবসায়িক স্বার্থের প্রভাবমুক্ত রাখার তাগিদ দিয়ে তিনি বলেন, সব ধরনের প্রভাববলয় থেকে বের হয়ে সাংবাদিকদের স্বাধীনভাবে কাজ করার অনুকূল পরিবেশ তৈরি করা আবশ্যক।

/আশিক


সরকারের ছয় মাস পূর্তিতে চরমোনাই পীরের ৬ দফা পরামর্শ

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ আগস্ট ১৭ ১৯:৫১:২৮
সরকারের ছয় মাস পূর্তিতে চরমোনাই পীরের ৬ দফা পরামর্শ
ছবি : সংগৃহীত

বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের প্রথম ছয় মাস পূর্তিতে রাষ্ট্র সংস্কার, দুর্নীতি দমন ও দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণসহ ছয়টি সুনির্দিষ্ট পরামর্শ দিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম (চরমোনাই পীর)। সোমবার (১৭ আগস্ট) সরকারের ছয় মাস মেয়াদ পূর্ণ হওয়া উপলক্ষে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি এসব পরামর্শ তুলে ধরেন।

বিবৃতিতে চরমোনাই পীর উল্লেখ করেন, গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে দায়িত্ব নেওয়া এই সরকারের প্রতি মানুষের যে বিপুল প্রত্যাশা ছিল, বর্তমান কার্যক্রমের কারণে প্রত্যাশা ও প্রাপ্তির মধ্যে ব্যবধান তৈরি হচ্ছে। সরকারের মেয়াদের এক-দশমাংশ সময় পেরিয়ে গেলেও সংস্কারের ক্ষেত্রে ধীরগতি জাতির মধ্যে হতাশার সৃষ্টি করছে বলে তিনি দাবি করেন। বিশেষ করে জুলাই সনদের রূপরেখা ও অধ্যাদেশ বাতিলের পদক্ষেপগুলো আন্দোলনকারী ছাত্র-জনতার আকাঙ্ক্ষার সাথে সংগতিপূর্ণ নয় বলে মন্তব্য করেন তিনি। তবে কিছু ক্ষেত্রে সরকারের উদ্যোগ ও সরকারপ্রধানের সক্রিয় ভূমিকার প্রশংসাও করেন চরমোনাই পীর।

সরকারকে দেওয়া ছয়টি প্রধান পরামর্শের মধ্যে রয়েছে

জুলাই সনদ ও জুলাই গণভোটের পূর্ণ বাস্তবায়ন করা

দুর্নীতির লাগাম টেনে ধরা

নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারমূল্য নিয়ন্ত্রণ ও কমানো

প্রশাসনে গণহারে দলীয়করণ বন্ধ রাখা

ফ্যাসিবাদের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় এনে শাস্তি নিশ্চিত করা

বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ উদ্ধারে দৃশ্যমান অগ্রগতি আনা

/আশিক


এখানকার সরকারই আমি, কুষ্টিয়ায় লাঠি মিছিলে আমির হামজার হুঁশিয়ারি

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ আগস্ট ১৬ ২১:৩৬:২৪
এখানকার সরকারই আমি, কুষ্টিয়ায় লাঠি মিছিলে আমির হামজার হুঁশিয়ারি
ছবি : সংগৃহীত

জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও পুলিশ সুপার (এসপি) নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন না করলে তাঁদের সরিয়ে দেওয়ার কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন কুষ্টিয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজা।

রোববার (১৬ আগস্ট) বিকেলে কুষ্টিয়ায় আয়োজিত এক প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে আমির হামজা বলেন, তাঁর এলাকায় কোনো ধরনের চাঁদাবাজি সহ্য করা হবে না এবং প্রশাসন যদি নিরপেক্ষ ভূমিকা পালনে ব্যর্থ হয়, তবে তাঁদের বিদায় করে দেওয়া হবে। এর আগে এক বক্তব্যে নিজেকে নিজ আসনের ‘প্রধানমন্ত্রী’ দাবি করে তিনি ব্যাপক আলোচনায় এসেছিলেন।

শনিবার (১৫ আগস্ট) গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষ ও তাঁর গাড়িতে হামলার ঘটনার প্রতিবাদে রোববার কুষ্টিয়া জেলা জামায়াতে ইসলামী একটি লাঠি মিছিলের আয়োজন করে। বিকেল সোয়া ৫টার দিকে ডিসি কোর্ট চত্বর থেকে বের হওয়া মিছিলটিতে অংশ নেওয়া নেতাকর্মীদের অনেকের হাতে লাঠি ও বেসবল ব্যাট দেখা যায়।

শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে মিছিলটি ছয় রাস্তার মোড়ে গিয়ে প্রতিবাদ সমাবেশে রূপ নেয়। সেখানে আমির হামজা বলেন, এই আসনের দায়িত্ব তাঁর হাতে এবং এখানে কোনো অপতৎপরতা বরদাশত করা হবে না। একই সমাবেশে কুষ্টিয়া-৪ আসনের সংসদ সদস্য আফজাল হোসেনও বক্তব্য দেন। তিনি বিগত সরকারের পরিণতি স্মরণ করিয়ে দিয়ে নতুন করে যারা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছে তাদের সতর্ক করেন।

/আশিক


কুষ্টিয়ায় জামায়াত ও গণঅধিকার পরিষদের সংঘর্ষ: এমপি আমির হামজার গাড়িতে হামলা

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ আগস্ট ১৫ ২১:৫৮:৫৪
কুষ্টিয়ায় জামায়াত ও গণঅধিকার পরিষদের সংঘর্ষ: এমপি আমির হামজার গাড়িতে হামলা
ছবি : সংগৃহীত

কুষ্টিয়ায় গণঅধিকার পরিষদ ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ৮ থেকে ১০ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষ চলাকালে কুষ্টিয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজাকে বহনকারী গাড়িবহরে হামলা ও ভাঙচুর চালানো হয়, যাতে গাড়ির জানালার কাচ ক্ষতিগ্রস্ত হলেও তিনি অক্ষত থাকেন।

শনিবার (১৫ আগস্ট) সন্ধ্যা আনুমানিক ৬টার দিকে কুষ্টিয়া শহরের থানাপাড়ার ছয় রাস্তার মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষকে কেন্দ্র করে পুরো এলাকায় তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরবর্তীতে পুলিশ ও র‍্যাব সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানা গেছে, সংসদ সদস্য আমির হামজার একটি সাম্প্রতিক বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে ছয় রাস্তার মোড়ে প্রতিবাদ সমাবেশের ডাক দেয় স্থানীয় গণঅধিকার পরিষদ। কর্মসূচি শেষের দিকে এমপি আমির হামজা নিজস্ব গাড়িবহর নিয়ে একই এলাকায় অবস্থিত নিজ বাসভবনে ফেরার পথে ওই সমাবেশস্থলের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। এ সময় দুই পক্ষের মধ্যে তীব্র বাকবিতণ্ডা ও উত্তেজনা দেখা দেয়।

একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয় এবং উভয় পক্ষ ইটপাটকেল নিক্ষেপ শুরু করে। এ সময় এমপির গাড়িতে ইট লেগে জানালার কাচ ভেঙে যায় এবং তাঁর চাচা সজলসহ জামায়াতের প্রায় ৫-৬ জন নেতাকর্মী আহত হন। আহতদের উদ্ধার করে কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়।

সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়লে আশেপাশের অর্ধশতাধিক দোকানপাট বন্ধ হয়ে যায়। অন্যদিকে গণঅধিকার পরিষদের অর্থ সম্পাদক মোহাম্মদ নাজিম অভিযোগ করেন, সংঘর্ষের রেশ ধরে জামায়াতের নেতাকর্মীরা পরবর্তীতে দলটির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল খালেকের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর চালিয়েছে এবং এতে তাদের কয়েকজন কর্মীও আহত হয়েছেন।

হামলার বিষয়ে এমপি আমির হামজা দাবি করেন, তাঁকে হেয়প্রতিপন্ন করতে পরিকল্পিতভাবে গণঅধিকার পরিষদের কর্মীরা তাঁর গাড়িতে হামলা চালিয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন মাতুব্বর জানান, দুই দলের সংঘর্ষের ঘটনায় সাময়িক বিশৃঙ্খলা তৈরি হলেও বর্তমানে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এ ঘটনায় সুনির্দিষ্ট লিখিত অভিযোগ প্রাপ্তি সাপেক্ষে তদন্ত করে কঠোর আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

/আশিক


হাসিনা-কাদের-হাছানের নতুন কল রেকর্ড ট্রাইব্যুনালে

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ আগস্ট ১১ ০৯:৫৯:২৪
হাসিনা-কাদের-হাছানের নতুন কল রেকর্ড ট্রাইব্যুনালে
ছবি : সংগৃহীত

জুলাই আন্দোলনের সময় আন্দোলনকারীদের বাড়িঘর ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে পাল্টা হামলা এবং আগুন দেওয়ার নির্দেশনা-সংক্রান্ত বলে দাবি করা আরও কিছু ফোনালাপ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জমা দিয়েছে প্রসিকিউশন। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে আওয়ামী লীগের তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এবং তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদের কথোপকথনের নতুন কল রেকর্ড আদালতে দাখিল করা হয়। প্রসিকিউশনের দাবি, ২০২৪ সালের জুলাইয়ের আন্দোলন চলাকালে সংঘটিত সহিংসতার প্রেক্ষাপট ও তৎকালীন সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের নির্দেশনা বোঝার ক্ষেত্রে এসব অডিও গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ।

এর একদিন আগে সোমবার (১০ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ একই ব্যক্তিদের মধ্যে সংঘটিত আরও কয়েকটি কথোপকথনের অডিও প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপন করে প্রসিকিউশন। সেখানে আন্দোলনকারীদের জমায়েত ছত্রভঙ্গ করতে হেলিকপ্টার ব্যবহারের কথিত নির্দেশ এবং সহিংস ঘটনার দায় আন্দোলনকারীদের ওপর চাপানোর বিষয়ে আলোচনা থাকার দাবি করা হয়। বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলের সামনে প্রসিকিউটর গাজী এম এইচ তামিম এসব অডিও উপস্থাপন করে প্রসিকিউশনের বক্তব্য তুলে ধরেন। পরে আলোচিত কথোপকথনের লিখিত অনুলিপিও সাংবাদিকদের দেওয়া হয়।

প্রসিকিউশনের উপস্থাপিত নথি অনুযায়ী, আলোচিত ফোনালাপগুলোর একটি অংশ ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই এবং আরেকটি ২১ জুলাইয়ের। ওই সময় শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী, ওবায়দুল কাদের সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং হাছান মাহমুদ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন। আন্দোলন ও সহিংসতায় দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি যখন দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে উঠছিল, তখনই তাদের মধ্যে এসব কথোপকথন হয়েছিল বলে আদালতে দাবি করেছে প্রসিকিউশন।

১৯ জুলাই দুপুর ২টা ৫৪ মিনিটের বলে উল্লেখ করা একটি কথোপকথনে শেখ হাসিনা ও হাছান মাহমুদের মধ্যে প্রতিপক্ষের অগ্নিসংযোগের জবাবে পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়ার প্রসঙ্গ আসে। প্রসিকিউশনের দেওয়া ট্রান্সক্রিপ্ট অনুযায়ী, সেখানে আন্দোলনকারীদের বাড়ি ও গাড়িতে সাধারণ মানুষকে দিয়ে আগুন দেওয়ার কথা বলেন শেখ হাসিনা। একই আলোচনায় পাল্টাপাল্টি অগ্নিসংযোগের কথাও উঠে আসে। হাছান মাহমুদ ওই কৌশলকে ‘টিট ফর ট্যাট’ হিসেবে উল্লেখ করেন বলে ট্রাইব্যুনালে উপস্থাপিত নথিতে দাবি করা হয়েছে।

কথোপকথনের আরেক পর্যায়ে বিভিন্ন এলাকায় রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় হওয়ার বিষয়টি আলোচনায় আসে। হাছান মাহমুদ গায়েবানা জানাজার পর দ্রুত মহল্লাভিত্তিকভাবে ছড়িয়ে পড়ার কথা বললে শেখ হাসিনা সংশোধন করে সংশ্লিষ্টদের নিজ নিজ এলাকায় যাওয়ার নির্দেশ দেন বলে প্রসিকিউশন জানিয়েছে। একই সঙ্গে সংসদ সদস্যদের নিজ এলাকায় গিয়ে ‘প্রোটেকশন’ বা সুরক্ষার ব্যবস্থা করার কথাও কথোপকথনে উঠে এসেছে।

পরবর্তী পর্যায়ে ওবায়দুল কাদের কথোপকথনে যুক্ত হন বলে প্রসিকিউশনের নথিতে উল্লেখ রয়েছে। সেখানে সেতু ভবনে অগ্নিসংযোগের ঘটনা নিয়ে আলোচনা হয় এবং নিরাপত্তার জন্য র‍্যাব পাঠানোর প্রসঙ্গ ওঠে। একই কথোপকথনে আন্দোলনকারীদের বাড়িঘর ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান শনাক্ত করে পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে বলে দাবি করেছে রাষ্ট্রপক্ষ।

-রফিক


অধিকার কেড়ে নিলে পরিণতি ভালো হবে না: জামায়াত আমির

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ আগস্ট ১০ ২০:৩৯:৩৯
অধিকার কেড়ে নিলে পরিণতি ভালো হবে না: জামায়াত আমির
ছবি : সংগৃহীত

জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান অভিযোগ করেছেন যে, বিগত নির্বাচনে রংপুরে জামায়াত তুলনামূলক বেশি আসন পাওয়ায় অঞ্চলটিকে সুষম উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। এই ধরনের বঞ্চনা রংপুরের জনগণ কোনোভাবেই মেনে নেবে না উল্লেখ করে তিনি সরকারকে সতর্ক করেন যে, সাধারণ মানুষের অধিকার হরণের চেষ্টা করা হলে তার পরিণতি শুভ হবে না। অতীতের শাসনব্যবস্থার উদাহরণের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, একই পথে হাঁটলে বর্তমান সরকারও টিকতে পারবে না।

সোমবার দুপুরে গাইবান্ধার সাঘাটার বোনারপাড়া কাজী আজহার আলী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক বিশাল জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জনসভায় তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, দেশের মানুষের স্বার্থের বিপরীতে যারা অবস্থান নেবে, তাদের পরিণতি ভালো হবে না। একই সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন যে, বাংলাদেশের জনগণ এখন নিজেদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন এবং অন্য কোনো দেশের রাজনৈতিক কর্তৃত্ব বা সিদ্ধান্ত তারা আর মেনে নেবে না।

যুবসমাজের রাজনৈতিক সচেতনতার কথা তুলে ধরে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, তরুণরা অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার পথ দেখিয়েছে। এই প্রসঙ্গে বিএনপি-র রাজনৈতিক অবস্থানের সমালোচনা করে তিনি দাবি করেন, অতীতে ‘হ্যাঁ’ ভোটের প্রচার চালিয়ে ক্ষমতায় এসে যারা জনগণের সঙ্গে প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেছে এবং এখন অবস্থান পরিবর্তন করছে, রাজনীতিতে তাদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত। ইতিহাস প্রমাণ করে যে, জনগণের রায়কে উপেক্ষা করে কোনো শক্তিই দীর্ঘদিন টিকে থাকতে পারেনি।

বর্তমান দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি চাঁদাবাজি, দুর্নীতি ও আর্থিক অনিয়ম বন্ধের জোর দাবি জানান। তিনি জানান, সাধারণ মানুষের অধিকার রক্ষা এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রয়োজনে তারা বারবার রাজপথে নামতে প্রস্তুত। সাপ্রতিক সময়ে রাজনৈতিক সহিংসতার শিকার হয়ে ইসলামী ছাত্রশিবিরের দুই কর্মী নিহতের ঘটনার কড়া সমালোচনা করে তিনি বলেন, ক্ষমতার লোভে আর কোনো মায়ের কোল খালি হোক—এমন পরিস্থিতি তারা চান না। একই সঙ্গে তিনি রাজনৈতিক উসকানি থেকে বিরত থাকার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানান।

উক্ত গণসমাবেশে সভাপতিত্ব করেন গাইবান্ধা-৫ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল ওয়ারেজ। এতে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি আব্দুল হালিম, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য অধ্যক্ষ মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিন, বগুড়া জেলা আমির আব্দুল হক, গাইবান্ধা জেলা আমির ও সংসদ সদস্য আব্দুল করিম এবং গাইবান্ধা জেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি ইউসুফ আল কাজামী। জনসভায় যোগ দেওয়ার আগে জামায়াতের আমির নিহত কর্মী সাইফুল্লাহ বারী ও সালাউদ্দিনের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং তাঁদের কবর জিয়ারত করেন।

/আশিক


ফ্যাসিবাদের আচরণ করলে বিরোধী দল হাত গুটিয়ে বসে থাকবে না: শফিকুর রহমান

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ আগস্ট ০৯ ২২:১১:২২
ফ্যাসিবাদের আচরণ করলে বিরোধী দল হাত গুটিয়ে বসে থাকবে না: শফিকুর রহমান
ছবি : সংগৃহীত

রাজধানীর শাহবাগে আবু সাঈদ আন্তর্জাতিক কনভেনশন সেন্টারে ন্যাশনাল ডক্টর’স ফোরাম আয়োজিত এক আলোচনা সভায় বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমীর শফিকুর রহমান অভিযোগ করেছেন যে, বর্তমান সরকার দেশের প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে ব্যাপক রাজনীতিকরণ করছে। রোববার (৯ আগস্ট) দেওয়া বক্তব্যে তিনি উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী দেশে ফেরার পূর্বে একটি মেধাভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনের প্রতিশ্রুতি দিলেও বর্তমানে সব স্তরে দলীয় ব্যক্তিদের নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে।

সংগ্রাম ও ফ্যাসিবাদ প্রসঙ্গে জামায়াত আমীর মন্তব্য করেন, দেশ থেকে ফ্যাসিবাদীদের বিদায় ঘটলেও ফ্যাসিবাদের মূল মানসিকতা দূর হয়নি। মজলুমরা যখন নিজেরা জালিমে পরিণত হয়, তখন তাদের পরিণতি আরও ভয়াবহ রূপ নেয় বলে সতর্ক করে তিনি জানান, ক্ষমতার দম্ভ যে কোনো মুহূর্তে ধূলিসাৎ হতে পারে—এমন জ্বলন্ত উদাহরণ চোখের সামনে থাকা সত্ত্বেও সরকার তা থেকে শিক্ষা নিচ্ছে না।

তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ফ্যাসিবাদের আচরণ অব্যাহত থাকলে বিরোধী দল নীরব থাকবে না এবং জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করা হলে রাজপথের আন্দোলন আরও কঠোর হবে। পাশাপাশি প্রতিবেশী দেশ ভারতের সমালোচনা করে তিনি বলেন, বন্ধুত্বের পরিচয় দিয়ে তারা দেশের শীর্ষ অপরাধীকে আশ্রয় দিয়েছে এবং কূটনৈতিক শিষ্টাচার লঙ্ঘন করে তাকে সংবাদ সম্মেলন করার সুযোগ করে দিয়েছে।

উক্ত আলোচনা সভায় জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার সরকারের প্রশাসনিক ভূমিকার তীব্র নিন্দা জানান। তিনি অভিযোগ করেন, জুলাই অভ্যুত্থানে আহত ছাত্র-জনতাকে যেসব চিকিৎসক সেবাদান করেছিলেন, বর্তমান সরকার তাদেরকে বেছে বেছে বিভিন্ন দূরবর্তী স্থানে বদলি করছে। তিনি মন্তব্য করেন, বিএনপি জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে কাজে লাগিয়ে ক্ষমতায় এসে এখন সেই ঐতিহাসিক চেতনার সঙ্গেই স্পষ্ট দ্বিচারিতা করছে।

/আশিক


দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির বড় সিদ্ধান্ত

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ আগস্ট ০৯ ২১:৫৮:৫৯
দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির বড় সিদ্ধান্ত
ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে মনোনয়ন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। রোববার (৯ আগস্ট) বিএনপির নীতি নির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির দুজন জ্যেষ্ঠ সদস্য এই তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। আগামী বুধবার (১২ আগস্ট) দলীয়ভাবে আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁর নাম ঘোষণা করা হতে পারে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে। মির্জা ফখরুল বর্তমানে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বরত রয়েছেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘদিন পর রাষ্ট্রক্ষমতায় আসা বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব রাষ্ট্রের সংকটকালীন সময়ে অভিভাবকত্ব দেওয়ার মতো একজন সর্বজনগ্রাহ্য ব্যক্তিত্বকেই সর্বোচ্চ পদে আসীন করতে চায়। এক দশকেরও বেশি সময় ধরে বিএনপির মহাসচিব পদে থাকা মির্জা ফখরুল রাজপথের আন্দোলন পরিচালনা, আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদার এবং বিরোধী দলগুলোর সঙ্গে জাতীয় ঐক্য গড়তে মূল ভূমিকা পালন করেছেন।

ঠাকুরগাঁওয়ে ১৯৭৮ সালে জন্ম নেওয়া বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান এবং সাবেক এই অর্থনীতিবিদ ঢাকা কলেজের শিক্ষকতা দিয়ে কর্মজীবন শুরু করেন। পরবর্তীতে তিনি সংসদ সদস্য ও প্রতিমন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। কোনো দুর্নীতির অভিযোগ না থাকা, জিয়া পরিবারের প্রতি অবিচল আনুগত্য এবং শালীন আচরণের কারণে রাজনৈতিক অঙ্গনে ও আন্তর্জাতিক মহলে রাষ্ট্রপতির মতো ভারসাম্যপূর্ণ সাংবিধানিক পদের জন্য তাঁকে উপযুক্ত বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

জাতীয় সংসদ ভবনের অধিবেশন কক্ষে আগামী ২০ আগস্ট রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে সংসদ সদস্যদের ভোটে দেশের নতুন রাষ্ট্রপতি নির্ধারিত হবেন। ইতোমধ্যে সংসদ সচিবালয় থেকে নির্বাচন কমিশনে ভোটার তালিকা প্রেরণ করা হয়েছে।

/আশিক

পাঠকের মতামত: