বেনামাজির ছয় ভয়াবহ দুনিয়াবি শাস্তি

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ নভেম্বর ২৭ ০৯:১৩:৪১
বেনামাজির ছয় ভয়াবহ দুনিয়াবি শাস্তি
ছবি: সংগৃহীত

ইসলামে নামাজ প্রতিটি মুসলিমের জন্য কঠোরভাবে ফরজ। নামাজ ছাড়া আল্লাহর নৈকট্য পাওয়া যায় না এবং ইহকাল-পরকাল কোনোটিতেই মুক্তি সম্ভব নয় এমনটাই স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে কোরআন ও হাদিসে। আল্লাহ তায়ালা বলেন, “নিশ্চয়ই নামাজ অশ্লীলতা ও অন্যায় কাজ থেকে বিরত রাখে।” (সুরা আনকাবুত, আয়াত ৪৫)। আবার নামাজ সময়মতো আদায়ের গুরুত্ব বর্ণনা করে আল্লাহ বলেন, “নামাজ মুমিনদের ওপর নির্দিষ্ট সময়ে ফরজ করা হয়েছে।” (সুরা আন-নিসা, আয়াত ১০৩)।

কোরআনে এমনও সতর্ক করা হয়েছে যারা নামাজের ব্যাপারে উদাসীন, তাদের জন্য রয়েছে কঠোর ধ্বংস ও দুর্ভোগ। সুরা আল-মাউন-এর ৪–৫ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে, “দুর্ভোগ তাদের জন্য, যারা নামাজে গাফেল।” ইসলামী বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নামাজ ত্যাগ শুধু আখিরাতেই শাস্তির কারণ নয়; বরং দুনিয়ার জীবনেও নামাজ না পড়া মানুষের ওপর নেমে আসে অশান্তি, অনটন, মানসিক চাপ ও অপ্রাপ্তি।

হাদিসে দুনিয়াতেই নামাজ ত্যাগকারীর জন্য ছয়টি শাস্তির কথা উল্লেখ রয়েছে। সেগুলোর প্রতিটিই একজন মুসলিমের জীবনকে আলোকিত পথ থেকে বিচ্যুত করে বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দেয়।

প্রথমত, নামাজ ত্যাগ করলে ব্যক্তির জীবনে বরকত কমে যায়। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, “যে ব্যক্তির আসরের নামাজ কাজা হলো, তার পরিবার ও সম্পদ যেন ধ্বংস হলো।” (মুসলিম, হাদিস ১৩০৪)। আরেক হাদিসে তিনি স্পষ্টভাবে জানান, “নামাজ হলো ঈমানদার ও কাফেরের মধ্যে সীমারেখা। যে ইচ্ছাকৃতভাবে নামাজ ত্যাগ করল, সে কুফরির কাজ করল।” (তিরমিজি ২৬২০, আবু দাউদ ৪৬৭৮)।

দ্বিতীয়ত, নামাজ ত্যাগকারীর মুখমণ্ডলে আল্লাহর নূরের প্রতিফলন থাকে না। সে হারায় ঈমানদারের স্বাভাবিক আভা, যা আল্লাহর আনুগত্যে পাওয়া যায়।

তৃতীয়ত, নামাজ ত্যাগ করলে ব্যক্তি দুনিয়ার অন্য কোনো নেক আমলের পূর্ণ প্রতিদান লাভ করতে পারে না। কারণ নামাজই হলো সকল ইবাদতের মেরুদণ্ড।

চতুর্থত, দোয়া গ্রহণে বাধা সৃষ্টি হয়। কেউ তার জন্য দোয়া করলে তা কবুল হয় না এমন হাদিসে সতর্ক করা হয়েছে।

পঞ্চমত, নামাজ ত্যাগকারী আল্লাহর সৃষ্টিজগতের কাছে অপ্রিয় হয়ে পড়ে। ফেরেশতা, মানুষ, জিন সকল সৃষ্টিজীবই তার প্রতি বিতৃষ্ণা অনুভব করে।

ষষ্ঠত, ইসলামের শান্তি, সুরক্ষা ও আল্লাহর প্রতিশ্রুতি থেকেও সে বঞ্চিত হয়। (শারহুল আকিদাতুত তাহাবি, পৃ. ২৬৮)

আখিরাতে এর পরিণতি আরও ভয়াবহ। হাদিসে এসেছে, নিয়মিত নামাজ আদায়কারী ব্যক্তির জন্য কিয়ামতের দিনে নামাজ হবে আলো, দলিল এবং মুক্তির কারণ। আর বেনামাজি সেই আলো, সুরক্ষা ও সুপারিশ কিছুই পাবে না। (মুসনাদে আহমদ ৬৫৭৬)

ধর্মীয় বিশ্লেষকরা বলছেন, একজন মুসলিম দিনের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নামাজের জন্য মাত্র এক ঘণ্টা সময় বের না করতে পারা তার দুর্ভাগ্যেরই পরিচয়। আল্লাহ আমাদের চোখ, কান, হাত, পা, সুস্থতা অগণিত নিয়ামত দিয়েছেন। এর শুকরিয়া আদায় করতে হলে নিয়মিত নামাজের বিকল্প নেই।

আলেমদের আহ্বান, নামাজ ত্যাগের ক্ষতি এত বেশি যে এর পরিবর্তে পৃথিবীর কোনো লাভই মূল্যবান নয়। তাই প্রতিটি মুসলিমের উচিত, নামাজের গুরুত্ব গভীরভাবে উপলব্ধি করে পাঁচ ওয়াক্ত সালাত যথাসময়ে আদায় করা।


কিয়ামতের আগে ইমাম মাহদির আগমনের আলামত কী কী

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০১ ১৪:০৭:০৮
কিয়ামতের আগে ইমাম মাহদির আগমনের আলামত কী কী
আল আকসা মসজিদ। ছবি: সংগৃহীত

ইসলামী ঐতিহ্যে ইমাম মাহদি এমন এক ব্যক্তিত্ব, যিনি কিয়ামতের পূর্ববর্তী অস্থির সময়কালে ন্যায় ও নৈতিকতার পতাকা উঁচু করবেন। বিভিন্ন হাদিসে তাঁর নাম মুহাম্মাদ এবং পিতার নাম আবদুল্লাহ বলে উল্লেখ পাওয়া যায়। অধিকাংশ বর্ণনায় তাঁকে ‘মাহদি’ উপাধিতে অভিহিত করা হয়েছে, যার অর্থ সুপথপ্রাপ্ত, ন্যায়পরায়ণ ও আল্লাহর দ্বারা পথনির্দেশপ্রাপ্ত ব্যক্তি। মুসলমানদের মধ্যে তিনি এই নামেই অধিক পরিচিত।

হাদিসে বর্ণিত আছে, তিনি নবীজি হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর বংশধর হবেন। উম্মে সালামা (রা.)-এর সূত্রে বর্ণিত এক হাদিসে এসেছে, মাহদি ফাতিমা (রা.)-এর বংশ থেকে আবির্ভূত হবেন। (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস: ৪২৮৪) অনেক আলেমের মতে, পিতৃসূত্রে তিনি হাসান (রা.)-এর এবং মাতৃসূত্রে হুসাইন (রা.)-এর বংশধর হবেন বলে বিভিন্ন রেওয়ায়েতে ইঙ্গিত পাওয়া যায়।

ইমাম মাহদির জন্মকাল বা আগমনের নির্দিষ্ট বছর সম্পর্কে কোরআন বা সহিহ হাদিসে সুস্পষ্ট তথ্য নেই। তবে বর্ণনাগুলোতে বলা হয়েছে, তিনি কিয়ামতের পূর্ব মুহূর্তে আবির্ভূত হবেন। জন্মস্থান নিয়ে মতভেদ রয়েছে। কানজুল উম্মালে তাঁর জন্ম মদিনায় হবে বলে উল্লেখ আছে। অন্যদিকে মুসান্নাফে ইবনে আবি শায়বার একটি বর্ণনায় ইবনে উমর (রা.) কুফাকে তাঁর জন্মভূমি হিসেবে উল্লেখ করেছেন। অনেক ইসলামী গবেষকের মতে, তিনি মদিনা থেকে আত্মপ্রকাশ করে মক্কায় আসবেন এবং সেখানে তাঁর হাতে বায়াত গ্রহণ করা হবে।

আবু সাইদ খুদরি (রা.) বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, মাহদি আমার বংশধর, তাঁর কপাল উজ্জ্বল ও নাসিকা দীর্ঘ ও সুগঠিত হবে। তিনি পৃথিবীকে ন্যায়বিচারে পূর্ণ করবেন, যেমনটি এর আগে জুলুমে পরিপূর্ণ ছিল। (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস: ৪২৮৫)

হাদিসসমূহে বলা হয়েছে, মাহদির আগমনের আগে পৃথিবী অন্যায়-অবিচার, হত্যা, বিশৃঙ্খলা ও নৈতিক অবক্ষয়ে নিমজ্জিত হবে। সত্যের পরিবর্তে মিথ্যা প্রাধান্য পাবে, দুর্বলের অধিকার হরণ হবে এবং ব্যাপক রক্তপাত ঘটবে। ইবনে হাজার হাইতামি (রহ.) উল্লেখ করেন, নিরপরাধ মানুষের ব্যাপক হত্যাযজ্ঞের পর তাঁর আবির্ভাব ঘটবে। (আল-কওলুল মুখতাসার)

কিছু বর্ণনায় এমনও এসেছে যে, তাঁর আগমনের আগে পৃথিবীর এক-তৃতীয়াংশ মানুষ নিহত হবে, এক-তৃতীয়াংশ স্বাভাবিক মৃত্যু বরণ করবে এবং অবশিষ্ট এক-তৃতীয়াংশ মানুষ জীবিত থাকবে। (কিতাবুল ফিতান, নুআইম বিন হাম্মাদ)

সিলসিলায়ে সহিহার একটি বর্ণনায় বলা হয়েছে, তিনি সাত বা আট বছর শাসন করবেন। অন্য রেওয়ায়েতে নয় বছরের কথাও এসেছে। (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস: ৪২৮৭) তাঁর সময় আকাশ থেকে প্রচুর বৃষ্টি হবে, জমিন উর্বর হবে এবং সম্পদের ন্যায়সঙ্গত বণ্টন নিশ্চিত করা হবে।

সহিহ মুসলিমে বর্ণিত আছে, ঈসা (আ.) অবতরণ করে মুসলমানদের একজন নেতার পেছনে নামাজ আদায় করবেন। ইসলামী ব্যাখ্যায় বলা হয়, সেই নেতা হবেন ইমাম মাহদি। তাঁর সময়েই দাজ্জালের ফিতনা প্রকাশ পাবে এবং ঈসা (আ.) দাজ্জালকে পরাস্ত করবেন। কিছু বর্ণনায় বলা হয়েছে, ফিলিস্তিন অঞ্চলে এ সংঘাতের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় সংঘটিত হবে।

ইমাম মাহদি কোনো নবী নন; বরং তিনি হবেন একজন ন্যায়পরায়ণ নেতা, যিনি শেষ যুগে মুসলিমদের নেতৃত্ব দেবেন। তাঁর আগমনের পর কিয়ামতের অন্যান্য বড় আলামতগুলোও পর্যায়ক্রমে প্রকাশ পাবে বলে বিভিন্ন হাদিসে ইঙ্গিত রয়েছে।


আজ ১১ রমজান: দেখে নিন ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০১ ০৯:২০:৪৭
আজ ১১ রমজান: দেখে নিন ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি
ছবি : সংগৃহীত

ইসলামের পঞ্চস্তম্ভের মধ্যে নামাজ দ্বিতীয় এবং ঈমানের পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। পবিত্র কুরআনে বারবার নামাজের তাগিদ দেওয়া হয়েছে এবং কিয়ামতের দিন সর্বপ্রথম নামাজেরই হিসাব নেওয়া হবে। বিশেষ করে রহমতের ১০ দিন পার করে আমরা এখন মাগফিরাতের দশকের শুরুতে আছি। আজ রোববার ১ মার্চ ২০২৬ ইংরেজি, ১১ রমজান ১৪৪৭ হিজরি। রোজার এই সময়ে ইবাদত-বন্দেগি ও ওয়াক্তমতো নামাজ আদায়ের গুরুত্ব অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে অনেক বেশি। যতই ব্যস্ততা থাকুক না কেন, মুমিনের প্রধান কাজ হলো সময়মতো ফরজ নামাজ সম্পন্ন করা।

আজকের (রোববার) জন্য ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি অনুযায়ী, জোহর শুরু হবে দুপুর ১২টা ১৪ মিনিটে এবং আসর বিকাল ৪টা ২২ মিনিটে।

মাগরিবের ওয়াক্ত অর্থাৎ ইফতারের সময় শুরু হবে সন্ধ্যা ৬টা ৩ মিনিটে।

এরপর এশার নামাজ ও তারাবি শুরু হবে রাত ৭টা ১৮ মিনিটে।

যারা আগামীকাল সোমবার (২ মার্চ) রোজা রাখার জন্য সেহরি করবেন, তাদের জন্য ফজরের ওয়াক্ত শুরু হবে ভোর ৫টা ১১ মিনিটে। আজকের সূর্যাস্ত হবে সন্ধ্যা ৬টা ০২ মিনিটে।

উল্লেখ্য যে, ঢাকার সময়ের সাথে দেশের বিভিন্ন বিভাগের সময়ের কিছুটা পার্থক্য রয়েছে। চট্টগ্রামের জন্য ৫ মিনিট এবং সিলেটের জন্য ৬ মিনিট সময় বিয়োগ করতে হবে।

অন্যদিকে, খুলনার জন্য ৩ মিনিট, বরিশালের জন্য ১ মিনিট, রাজশাহীর জন্য ৭ মিনিট এবং রংপুরের জন্য ৮ মিনিট সময় যোগ করে নিতে হবে।

সঠিক সময়ে নামাজ ও ইবাদত সম্পন্ন করে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনই হোক আমাদের আজকের লক্ষ্য।

/আশিক


আজ ১০ রমজান: ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২৮ ০৯:২০:২৪
আজ ১০ রমজান: ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি
ছবি : সংগৃহীত

ইসলামের পাঁচটি মৌলিক রুকনের মধ্যে নামাজ অন্যতম শ্রেষ্ঠ ইবাদত, যা পঞ্চস্তম্ভের মধ্যে দ্বিতীয় স্থানে অবস্থিত। মহান আল্লাহর প্রতি ইমান বা বিশ্বাসের পর একজন মুমিনের জীবনে নামাজের গুরুত্ব অপরিসীম। পরকালে বা কিয়ামতের দিন বান্দার কাছ থেকে সর্বপ্রথম নামাজেরই হিসাব নেওয়া হবে। পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজের পাশাপাশি ইসলামে ওয়াজিব, সুন্নত ও নফল নামাজেরও বিধান রয়েছে। পার্থিব জগতের শত ব্যস্ততার মাঝেও নির্দিষ্ট ওয়াক্ত অনুযায়ী ফরজ নামাজ আদায় করা প্রত্যেক মুসলমানের জন্য বাধ্যতামূলক। আজ শনিবার ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ইংরেজি মোতাবেক ১০ রমজান ১৪৪৭ হিজরির এই পবিত্র দিনে মুমিনদের জন্য সময়মতো ইবাদত পালনের গুরুত্ব আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।

রাজধানী ঢাকা ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে।

সে অনুযায়ী জোহরের ওয়াক্ত শুরু হবে দুপুর ১২টা ১৬ মিনিটে এবং আসরের ওয়াক্ত শুরু হবে বিকেল ৪টা ১৭ মিনিটে।

মাগরিব বা ইফতারের পরবর্তী পবিত্র সময় শুরু হবে সন্ধ্যা ৫টা ৫৯ মিনিটে এবং এশার জামাত বা তারাবিহ আদায়ের সময় শুরু হবে রাত ৭টা ১৪ মিনিটে।

এছাড়া আগামীকাল রোববার ফজরের ওয়াক্ত শুরু হবে ভোর ৫টা ১৩ মিনিটে।

রমজানের এই বরকতময় দিনে সঠিক সময়ে সেহরি ও ইফতারের পাশাপাশি জামাতের সঙ্গে নামাজ আদায় করা আত্মিক প্রশান্তির এক অনন্য মাধ্যম।

উল্লেখ্য যে, ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে ঢাকার সময়ের সঙ্গে দেশের অন্যান্য বিভাগের সময়ের কিছু পার্থক্য রয়েছে। ঢাকার সময়ের সঙ্গে চট্টগ্রাম বিভাগের মুসল্লিদের ৫ মিনিট এবং সিলেট বিভাগের জন্য ৬ মিনিট বিয়োগ করতে হবে।

অন্যদিকে, ঢাকার সময়ের সঙ্গে খুলনা বিভাগের জন্য ৩ মিনিট, বরিশাল বিভাগের জন্য ১ মিনিট, রাজশাহী বিভাগের জন্য ৭ মিনিট এবং রংপুর বিভাগের জন্য ৮ মিনিট যোগ করে নামাজের ওয়াক্ত নির্ধারণ করতে হবে। পবিত্র রমজানের ১০ম দিনে রহমতের এই শেষ সময়ে আল্লাহর নৈকট্য লাভের আশায় সঠিক সময়ে নামাজ আদায় করা প্রত্যেক মুমিনের একান্ত কাম্য।

/আশিক


ভূমিকম্পে যে দোয়া পড়তে বলেছিলেন রাসূল (সা.)

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২৭ ১৭:০২:১৫
ভূমিকম্পে যে দোয়া পড়তে বলেছিলেন রাসূল (সা.)
ছবি: সংগৃহীত

হাদিসে বর্ণিত আছে, মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) উম্মতকে যেকোনো ভয়, আশঙ্কা বা প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনার নির্দেশ দিয়েছেন। সুনানে আবু দাউদ ও তিরমিজিতে বর্ণিত একটি হাদিসে এসেছে, যে ব্যক্তি সকালে ও সন্ধ্যায় তিনবার এই দোয়া পাঠ করবে, সে আকস্মিক বিপদ থেকে সুরক্ষিত থাকবে:

উচ্চারণ:বিসমিল্লাহিল্লাযি লা ইয়াদুররু মা‘আসমিহি শাইউন ফিল আরদি ওয়া লা ফিস সামাই, ওয়া হুয়াস সামীউল আলীম।

অর্থ:আল্লাহর নামে শুরু করছি, যার নামে আসমান ও জমিনের কোনো কিছুই ক্ষতি করতে পারে না; তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ।

মুহাদ্দিসগণ ব্যাখ্যা করেছেন, এই দোয়া আল্লাহর সর্বশক্তিমান সত্তার প্রতি পূর্ণ আস্থা প্রকাশ করে এবং মানুষের অন্তরে নিরাপত্তা ও প্রশান্তি সঞ্চার করে।

ইসলামী ঐতিহ্যে ভয়াবহ প্রাকৃতিক ঘটনার সময় তাকবির ও তাসবিহ পাঠের উৎসাহ দেওয়া হয়েছে। আল্লাহর মহিমা ঘোষণা করে “আল্লাহু আকবার” বলা মুমিনের ঈমানি প্রতিক্রিয়া। কিছু বর্ণনায় এসেছে, ভূমিকম্প বা তীব্র কম্পনের সময় আল্লাহর স্মরণে নিমগ্ন থাকা এবং তাঁর একত্ব ঘোষণা করা উত্তম আমল।

অনেক আলেম পরামর্শ দেন, এমন পরিস্থিতিতে এই জিকির পাঠ করা যেতে পারে:

“আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, লা শারিকালাহু।” এতে আল্লাহর একত্ব ও শ্রেষ্ঠত্বের স্বীকৃতি প্রকাশ পায়।

দুর্যোগ বা সংকটময় সময়ে কুরআনের দোয়া পাঠ বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। সূরা আল-আ’রাফের ১৫৫ নম্বর আয়াতে হযরত মুসা (আ.)–এর দোয়া উল্লেখ রয়েছে:

উচ্চারণ:আন্তা ওয়ালিয়্যুনা ফাগফির লানা ওয়ার হামনা, ওয়া আন্তা খাইরুল গাফিরিন।

অর্থ:হে আমাদের প্রতিপালক, আপনি আমাদের অভিভাবক; অতএব আমাদের ক্ষমা করুন, আমাদের প্রতি দয়া করুন; নিশ্চয়ই আপনি সর্বোত্তম ক্ষমাকারী।

তাফসিরকারদের মতে, এই দোয়া মানুষের আত্মসমর্পণ, অনুতাপ ও আল্লাহর রহমতের প্রতি প্রত্যাশার প্রতিফলন।

ইসলামী শিক্ষায় দোয়া ও জিকিরের গুরুত্ব অপরিসীম হলেও, বাস্তব প্রস্তুতি গ্রহণের নির্দেশনাও সমানভাবে গুরুত্ব পায়। নবী করিম (সা.) উট বেঁধে রাখার উদাহরণ দিয়ে বলেছেন, আগে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে, তারপর আল্লাহর উপর ভরসা করতে হবে। তাই ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকায় নিরাপত্তা নির্দেশনা মানা, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে সচেতন থাকা এবং সরকারি নির্দেশ অনুসরণ করাও ইসলামী দায়িত্বের অংশ।

প্রাকৃতিক দুর্যোগ মানুষের নিয়ন্ত্রণের বাইরে হলেও, ইসলামী দৃষ্টিতে এটি আল্লাহর কুদরতের বহিঃপ্রকাশ। এমন সময়ে আতঙ্ক নয়, বরং আল্লাহর স্মরণ, তাওবা, দোয়া ও আত্মসমালোচনার মাধ্যমে আধ্যাত্মিক দৃঢ়তা অর্জন করা মুমিনের করণীয়। পাশাপাশি বিজ্ঞানসম্মত প্রস্তুতি ও সামাজিক দায়িত্বশীলতাও অপরিহার্য। কুরআন ও হাদিসের আলোকে দোয়া ও জিকির মানুষকে মানসিক স্থিরতা দেয় এবং আল্লাহর প্রতি আস্থা দৃঢ় করে।


আজ নামাজের সময়সূচি জানুন

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২৭ ১০:১৭:২৭
আজ নামাজের সময়সূচি জানুন
ছবি: সংগৃহীত

Islamic Foundation Bangladesh-এর প্রকাশিত সময়সূচি অনুযায়ী, আজ শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ইংরেজি, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ এবং ৯ রমজান ১৪৪৭ হিজরি। রাজধানী ঢাকা ও আশপাশের এলাকার জন্য পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের নির্ধারিত সময় নিচে তুলে ধরা হলো।

আজ ফজরের নামাজ শুরু হয়েছে ভোর ৫টা ০৮ মিনিটে। জোহরের সময় ১২টা ১৫ মিনিট। বিকাল ৪টা ২২ মিনিটে আসরের সময় প্রবেশ করেছে। সূর্যাস্ত ৬টা ০১ মিনিটে, আর মাগরিবের নামাজ ৬টা ০৪ মিনিটে আদায় করা হবে। ইশার ওয়াক্ত শুরু রাত ৭টা ১৭ মিনিটে।

শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ফজর শুরু হবে একই সময় ভোর ৫টা ০৮ মিনিটে এবং সূর্যোদয় হবে ৬টা ২১ মিনিটে।

বিভাগভিত্তিক সময় সমন্বয়

ঢাকার সময়ের সঙ্গে অন্যান্য বিভাগে সামান্য সময় যোগ বা বিয়োগ করতে হয়। চট্টগ্রামের ক্ষেত্রে ৫ মিনিট এবং সিলেটের ক্ষেত্রে ৬ মিনিট বিয়োগ করতে হবে। অন্যদিকে খুলনায় ৩ মিনিট, রাজশাহীতে ৭ মিনিট, রংপুরে ৮ মিনিট এবং বরিশালে ১ মিনিট যোগ করতে হবে।

এই সমন্বয় স্থানীয় সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের পার্থক্যের ভিত্তিতে নির্ধারিত।


গোসল ফরজ রেখেই কি সেহরি খাওয়া যাবে? জেনে নিন ইসলামের বিধান

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২৬ ১৯:১৪:০২
গোসল ফরজ রেখেই কি সেহরি খাওয়া যাবে? জেনে নিন ইসলামের বিধান
ছবি : সংগৃহীত

পবিত্র রমজান মাসে মহান আল্লাহর নৈকট্য লাভের আশায় সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত মুমিন মুসলমানরা সকল প্রকার পানাহার ও পাপাচার থেকে বিরত থাকেন। সিয়াম সাধনার এই সময়ে দিনের বেলা পানাহারের পাশাপাশি স্ত্রী সহবাসও নিষিদ্ধ, তবে সূর্যাস্তের পর থেকে সুবহে সাদিক পর্যন্ত এতে কোনো বাধা নেই। অনেক সময় স্বপ্নদোষ বা সহবাসের কারণে রাতে গোসল ফরজ হয়; এমতাবস্থায় সেহরির সময় কম থাকলে বা ঘুম থেকে দেরিতে উঠলে গোসল না করেই সেহরি খাওয়া যাবে।

ইসলামি শরিয়ত অনুযায়ী, গোসল ফরজ অবস্থায় সেহরি খেলে রোজার কোনো ক্ষতি হয় না, তবে ফজরের নামাজের ওয়াক্ত শেষ হওয়ার আগেই গোসল করে নেওয়া আবশ্যক। যদিও সুবহে সাদিকের আগেই পবিত্রতা অর্জন করা উত্তম, কিন্তু দেরি হলেও রোজা ভেঙে যায় না।

রোজা রাখা অবস্থায় ফরজ গোসলের নিয়ম স্বাভাবিক সময়ের মতোই, তবে দুটি বিশেষ ক্ষেত্রে অত্যন্ত সতর্ক থাকতে হবে যাতে রোজা নষ্ট না হয়।

প্রথমত, কুলি করার সময় কোনোভাবেই গড়গড় করা যাবে না, যাতে কণ্ঠনালিতে পানি চলে না যায়; এক্ষেত্রে সাধারণভাবে তিনবার কুলি করতে হবে।

দ্বিতীয়ত, নাকে পানি দেওয়ার সময় নাকের নরম হাড় পর্যন্ত পানি পৌঁছানো যাবে না, কেবল নাকের ভেতরটা সিক্ত করলেই ফরজ আদায় হয়ে যাবে।

এছাড়া ইসলামে দাম্পত্য জীবনের পবিত্রতা রক্ষায় সহবাসের পূর্বে নির্দিষ্ট দোয়া পড়ার তাগিদ দেওয়া হয়েছে। সহিহ বুখারির ৬৩৮৮ নম্বর হাদিস অনুযায়ী দোয়াটি হলো— ‘বিসমিল্লাহি আল্লাহুম্মা জান্নিবনাশ শায়তানা, ওয়া জান্নিবিশ শায়তানা মা রাজাকতানা।

’ যার অর্থ হলো, ‘হে আল্লাহ, তোমার নামে আরম্ভ করছি। তুমি আমাদের নিকট থেকে শয়তানকে দূরে রাখো এবং আমাদের যে সন্তান দান করবে, তা থেকেও শয়তানকে দূরে রাখো।’


আজ ৮ রমজান: ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২৬ ০৯:১৫:৪৪
আজ ৮ রমজান: ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি
ছবি : সংগৃহীত

ইসলামের পাঁচটি রুকনের মধ্যে নামাজ অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ যা পঞ্চস্তম্ভের মধ্যে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। মহান আল্লাহর প্রতি ইমান বা বিশ্বাসের পর নামাজের গুরুত্ব অপরিসীম এবং কিয়ামতের দিন সর্বপ্রথম নামাজেরই হিসাব নেওয়া হবে। পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজের পাশাপাশি ওয়াজিব, সুন্নত ও নফল নামাজ আদায়ের মাধ্যমে বান্দা আল্লাহর নৈকট্য লাভ করে।

আজ বৃহস্পতিবার ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ইংরেজি, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বাংলা এবং ৮ রমজান ১৪৪৭ হিজরি। রমজানের এই বরকতময় সময়ে শত ব্যস্ততার মাঝেও সঠিক ওয়াক্তে নামাজ আদায় করা প্রত্যেক মুমিনের জন্য অপরিহার্য।

ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের জোহর নামাজের ওয়াক্ত শুরু হবে দুপুর ১২টা ১৬ মিনিটে এবং আসর নামাজের সময় শুরু হবে বিকেল ৪টা ১৭ মিনিটে।

পবিত্র ইফতারের প্রাক্কালে মাগরিবের নামাজ আদায় করা যাবে সন্ধ্যা ৫টা ৫৯ মিনিটে এবং এশার নামাজের ওয়াক্ত শুরু হবে রাত ৭টা ১৪ মিনিটে।

এছাড়া আগামীকাল শুক্রবার ফজরের ওয়াক্ত শুরু হবে ভোর ৫টা ১৩ মিনিটে।

ঢাকার সময়ের সাথে দেশের বিভিন্ন বিভাগের সময়ের কিছুটা তারতম্য রয়েছে যা মুসল্লিদের খেয়াল রাখা প্রয়োজন। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে চট্টগ্রাম বিভাগের বাসিন্দাদের উল্লিখিত সময় থেকে ৫ মিনিট এবং সিলেট বিভাগের ক্ষেত্রে ৬ মিনিট বিয়োগ করতে হবে।

অন্যদিকে রাজশাহী বিভাগের জন্য ৭ মিনিট, রংপুর বিভাগের জন্য ৮ মিনিট, খুলনা বিভাগের জন্য ৩ মিনিট এবং বরিশাল বিভাগের জন্য ১ মিনিট সময় যোগ করে নামাজের সঠিক ওয়াক্ত নির্ধারণ করতে হবে। মহান আল্লাহ আমাদের সবাইকে সঠিক সময়ে ও জামাতের সাথে নামাজ আদায়ের তৌফিক দান করুন।

/আশিক


ফিতরার হার নির্ধারণ : জনপ্রতি সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ যত টাকা

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২৫ ১৩:০৬:৫৪
ফিতরার হার নির্ধারণ : জনপ্রতি সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ যত টাকা
ছবি: সংগৃহীত

১৪৪৭ হিজরি সনের পবিত্র রমজান মাসকে সামনে রেখে সাদকাতুল ফিতরের হার নির্ধারণ করেছে জাতীয় সাদাকাতুল ফিতর নির্ধারণ কমিটি। চলতি বছরে জনপ্রতি সর্বনিম্ন ফিতরা ১১০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ২ হাজার ৮০৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ইসলামিক ফাউন্ডেশন-এর উদ্যোগে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ-এর সভাকক্ষে আয়োজিত বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতি মাওলানা আবদুল মালেক। এতে দেশের প্রখ্যাত মুফতি ও আলেমগণ অংশগ্রহণ করেন।

কমিটি সূত্রে জানা যায়, ইসলামী শরীয়াহ অনুযায়ী গম, আটা, যব, খেজুর, কিসমিস ও পনির এই ছয়টি খাদ্যপণ্যের যেকোনো একটির নির্ধারিত পরিমাণ অথবা সমপরিমাণ বাজারমূল্য হিসাব করে ফিতরা আদায় করা যাবে। সংশ্লিষ্ট পণ্যের বাজারদর বিবেচনায় সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ হার নির্ধারণ করা হয়েছে, যাতে ব্যক্তি তার সামর্থ্য অনুযায়ী ফিতরা দিতে পারেন।

শরীয়াহ বিধান অনুযায়ী, যার কাছে নেছাব পরিমাণ সম্পদ রয়েছে অর্থাৎ সাড়ে ৭ তোলা স্বর্ণ বা সাড়ে ৫২ তোলা রুপার সমপরিমাণ সম্পদের মালিক তার ওপর সাদকাতুল ফিতর আদায় করা ওয়াজিব। নারী-পুরুষ নির্বিশেষে প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক মুসলমানের জন্য এটি প্রযোজ্য। সাধারণত ঈদের দিন সকাল হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ফিতরা আদায় করা ফরজ হয় এবং ঈদের নামাজে যাওয়ার আগেই তা গরিব-মিসকিনদের মধ্যে বিতরণ করা উত্তম।

ইসলামী চিন্তাবিদদের মতে, ফিতরার মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে রোজাদারকে অনাকাঙ্ক্ষিত ত্রুটি-বিচ্যুতি থেকে পবিত্র করা এবং দরিদ্রদের ঈদের আনন্দে অংশগ্রহণের সুযোগ করে দেওয়া। ফলে এটি কেবল একটি আর্থিক বিধান নয়, বরং সামাজিক ন্যায়বিচার ও সহমর্মিতার প্রতিফলন।

বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিয়েছেন, ফিতরা নির্ধারিত হারের চেয়ে কম দেওয়া বৈধ নয়। সামর্থ্যবানরা চাইলে সর্বোচ্চ হারের ভিত্তিতে ফিতরা আদায় করতে পারেন, যা দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য অধিক কল্যাণকর হবে।

-রফিক


আজ ৭ রমজান: ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২৫ ০৯:১০:০৯
আজ ৭ রমজান: ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি
ছবি : সংগৃহীত

ইসলামের পঞ্চস্তম্ভের মধ্যে দ্বিতীয় ও অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হলো নামাজ। ঈমান আনার পর একজন মুমিনের ওপর প্রথম যে ইবাদতটি ফরজ হয়, তা হলো পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ। কিয়ামতের কঠিন দিনে মহান আল্লাহ তাআলা বান্দার আমলের মধ্যে সর্বপ্রথম নামাজেরই হিসাব নেবেন। তাই শত ব্যস্ততার মাঝেও সময়মতো ফরজ নামাজ আদায় করা প্রত্যেক মুসলমানের জন্য অপরিহার্য।

আজ ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ইংরেজি, ৭ রমজান ১৪৪৭ হিজরি। রাজধানী ঢাকা ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি হলো

আজকের নামাজের সময়সূচি (ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকা)

জোহর: ১২টা ১৬ মিনিট

আসর: ৪টা ১৭ মিনিট

মাগরিব: ৫টা ৫৯ মিনিট

এশা: ৭টা ১৪ মিনিট

ফজর (আগামীকাল বৃহস্পতিবার): ৫টা ১৩ মিনিট

বিভিন্ন বিভাগের জন্য সময় পরিবর্তন

বিয়োগ করতে হবে

চট্টগ্রাম: ০৫ মিনিট

সিলেট: ০৬ মিনিট

যোগ করতে হবে

খুলনা: ০৩ মিনিট

বরিশাল: ০১ মিনিট

রাজশাহী: ০৭ মিনিট

রংপুর: ০৮ মিনিট

আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে সময়মতো জামাতের সাথে নামাজ আদায়ের তৌফিক দান করুন। আমিন।

/আশিক

পাঠকের মতামত: