লভ্যাংশ ঘোষণার পর এজিএম স্থগিত এই কোম্পানির

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ আগস্ট ২৫ ১০:১৮:২৭
লভ্যাংশ ঘোষণার পর এজিএম স্থগিত এই কোম্পানির
ছবিঃ সংগৃহীত

ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামি ব্যাংক লিমিটেডের (Trading Code: FIRSTSBANK) পরিচালনা পর্ষদ তাদের ২৬তম বার্ষিক সাধারণ সভা (Annual General Meeting - AGM) স্থগিত করার ঘোষণা দিয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) প্রকাশিত কোম্পানির সর্বশেষ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, পূর্বনির্ধারিতভাবে আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে এজিএম আয়োজনের পরিকল্পনা থাকলেও, “অপরিহার্য কারণবশত” তা অনুষ্ঠিত হচ্ছে না।

এর আগে গত ১ জুন ২০২৫ তারিখে ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামি ব্যাংক ডিএসইর মাধ্যমে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য লভ্যাংশ ঘোষণার বিষয়টি জানিয়েছিল। ওই ঘোষণার ধারাবাহিকতায় কোম্পানির ২৬তম এজিএম ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। এজিএমকে সামনে রেখে ব্যাংকের শেয়ারহোল্ডার ও বিনিয়োগকারীদের প্রস্তুতিও চলছিল। তবে হঠাৎ করেই কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ সর্বসম্মতিক্রমে সভাটি স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

যদিও বিজ্ঞপ্তিতে স্থগিতের পেছনের নির্দিষ্ট কারণ উল্লেখ করা হয়নি, তবে “অপরিহার্য পরিস্থিতি”কে সামনে রেখে সিদ্ধান্তটি নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়। এজিএম স্থগিতের ফলে কোম্পানির লভ্যাংশ সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত, শেয়ারহোল্ডার অনুমোদিত বিশেষ প্রস্তাব এবং অন্যান্য ব্যবসায়িক কার্যক্রমের বাস্তবায়ন কিছুটা বিলম্বিত হবে। এতে শেয়ারহোল্ডাররা নতুন তারিখের ঘোষণার অপেক্ষায় থাকবেন।

কোম্পানি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ২৬তম এজিএম-এর নতুন তারিখ, সময় ও স্থানসহ অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্য যথাসময়ে শেয়ারহোল্ডার এবং বিনিয়োগকারীদের অবহিত করা হবে। ব্যাংক আশ্বাস দিয়েছে, সব সিদ্ধান্ত নিয়মতান্ত্রিকভাবে এবং বাজার নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা মেনে সম্পন্ন করা হবে।

বিনিয়োগকারীরা মনে করছেন, হঠাৎ এজিএম স্থগিত হওয়া শেয়ারবাজারে সাময়িক অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করতে পারে। তবে কোম্পানি আশ্বাস দিয়েছে যে, এজিএমের কার্যক্রম কেবল সময় পরিবর্তনের কারণে বিলম্বিত হচ্ছে, বাতিল হয়নি। ফলে শেয়ারহোল্ডারদের স্বার্থ সুরক্ষিত থাকবে।

-রফিক


ডিএসই প্রধান বোর্ডে আজকের লেনদেনের বিস্তারিত চিত্র

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১৪ ১৫:৩৪:০৭
ডিএসই প্রধান বোর্ডে আজকের লেনদেনের বিস্তারিত চিত্র
ছবি: সংগৃহীত

ধবার, ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের প্রধান বোর্ডে লেনদেন শেষ হয়েছে তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল ও ভারসাম্যপূর্ণ প্রবণতার মধ্য দিয়ে। দিনভর বিনিয়োগকারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণে বাজারে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ট্রেড সম্পন্ন হয়, যা সাম্প্রতিক সময়ের বাজার আচরণে একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, এদিন প্রধান বোর্ডে মোট ১ লাখ ২৮ হাজার ৩৭৮টি ট্রেড সম্পন্ন হয়েছে। এসব ট্রেডের মাধ্যমে মোট ১২ কোটি ৯১ লাখ ২১ হাজার ৭১১টি শেয়ার ও ইউনিট হাতবদল হয়েছে, যা বাজারে তারল্য ও বিনিয়োগকারীদের উপস্থিতির স্পষ্ট ইঙ্গিত দেয়।

আর্থিক হিসাবে, প্রধান বোর্ডে দিনের মোট লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩ হাজার ৬৯৬ কোটি ৭৯ লাখ ৬০ হাজার টাকা। এই লেনদেনের পরিমাণ বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা ছাড়াই বিনিয়োগকারীদের সচেতন অংশগ্রহণকে প্রতিফলিত করে। বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আগের কয়েক দিনের ওঠানামার পর আজকের এই লেনদেন বাজারে একটি স্থিতিশীল অবস্থানের আভাস দিয়েছে।

-রাফসান


১৪ জানুয়ারি ডিএসইর পূর্ণাঙ্গ শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১৪ ১৫:২১:২০
১৪ জানুয়ারি ডিএসইর পূর্ণাঙ্গ শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
ছবি: সংগৃহীত

বুধবার, ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেন শেষ হয়েছে ইতিবাচক ও ভারসাম্যপূর্ণ প্রবণতার মধ্য দিয়ে। দীর্ঘ সময় ধরে চলা অস্থিরতার পর বাজারে বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ বাড়ায় এদিন বেশিরভাগ শেয়ারের দর ঊর্ধ্বমুখী ছিল। সব ক্যাটাগরি মিলিয়ে মোট ৩৯৫টি সিকিউরিটিজ লেনদেনে অংশ নেয়, যা সাম্প্রতিক সময়ের তুলনায় বাজারের সক্রিয়তার ইঙ্গিত দেয়।

দিন শেষে দেখা যায়, মোট ১৭৪টি শেয়ারের দর বেড়েছে, ১৩৪টির দর কমেছে এবং ৮৭টি শেয়ারের দর অপরিবর্তিত রয়েছে। অর্থাৎ, দর বৃদ্ধির শেয়ার সংখ্যায় স্পষ্ট আধিপত্য লক্ষ্য করা গেছে। বিশেষ করে এ ক্যাটাগরির শেয়ারগুলোতে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বেশি ছিল, যা বাজারের সামগ্রিক চিত্রে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।

এ ক্যাটাগরিতে মোট ২০৮টি শেয়ার লেনদেনে আসে। এর মধ্যে ১০৮টির দর বেড়েছে, ৬০টির দর কমেছে এবং ৪০টির দর অপরিবর্তিত ছিল। বি ক্যাটাগরিতে লেনদেন হওয়া ৮২টি শেয়ারের মধ্যে ৩৮টির দর বেড়েছে এবং ২৯টির দর কমেছে। জেড ক্যাটাগরিতে তুলনামূলকভাবে চাপ থাকলেও এখানেও ২৮টি শেয়ারের দর বৃদ্ধি পেয়েছে, যা বিনিয়োগকারীদের নির্বাচিত কিছু শেয়ারে আগ্রহের ইঙ্গিত দেয়।

খাতভিত্তিকভাবে মিউচুয়াল ফান্ডে স্থিতিশীলতা লক্ষ্য করা গেছে। এদিন ৩৪টি মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে ৭টির দর বেড়েছে, ৬টির দর কমেছে এবং ২১টির দর অপরিবর্তিত ছিল। করপোরেট বন্ড খাতে লেনদেনে আসা দুটি ইস্যুই দর বৃদ্ধির মাধ্যমে দিন শেষ করেছে, যা স্থায়ী আয়ের বিনিয়োগে আস্থার প্রতিফলন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সরকারি সিকিউরিটিজে লেনদেন হওয়া ৬টির মধ্যে সবগুলোর দর কমেছে, যা স্বল্পমেয়াদি পুনর্মূল্যায়নের ইঙ্গিত দেয়।

লেনদেনের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এদিন মোট ১ লাখ ২৮ হাজার ৩৭৮টি ট্রেড সম্পন্ন হয়েছে। মোট লেনদেন হওয়া শেয়ারের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১২ কোটি ৯১ লাখ ২১ হাজার ইউনিটে। আর্থিক হিসাবে মোট লেনদেনের পরিমাণ ছিল প্রায় ৩ হাজার ৬৯৬ কোটি ৮০ লাখ টাকা, যা আগের দিনের তুলনায় কিছুটা কম হলেও বাজারের স্থিতিশীল গতি বজায় রেখেছে।

বাজার মূলধনের দিক থেকেও ইতিবাচক চিত্র ফুটে উঠেছে। ইক্যুইটি বাজারের বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩২.৬১ ট্রিলিয়ন টাকা। মিউচুয়াল ফান্ড খাতে বাজার মূলধন প্রায় ২২.৩৩ বিলিয়ন টাকা এবং ডেট সিকিউরিটিজে প্রায় ৩৫.৪৬ ট্রিলিয়ন টাকা। সব মিলিয়ে ডিএসইর মোট বাজার মূলধন পৌঁছেছে প্রায় ৬.৮৩ ট্রিলিয়ন টাকায়, যা বিনিয়োগকারীদের আস্থার পুনরুদ্ধারের একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক।

এদিন ব্লক মার্কেটেও উল্লেখযোগ্য লেনদেন হয়েছে। মোট ২২টি সিকিউরিটিজে ৩৪টি ব্লক ট্রেডের মাধ্যমে প্রায় ২৭৭.৯৪ কোটি টাকার শেয়ার হাতবদল হয়েছে। ব্যাংক, বীমা, খাদ্য, শিল্প ও ভোগ্যপণ্য খাতের কয়েকটি শেয়ারে বড় অংকের ব্লক লেনদেন বিনিয়োগকারীদের বিশেষ নজর কেড়েছে এবং প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণের ইঙ্গিত দিয়েছে।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক দরপতনের পর অনেক শেয়ারের মূল্য আকর্ষণীয় পর্যায়ে চলে আসায় বিনিয়োগকারীরা ধীরে ধীরে বাজারে ফিরছেন। একই সঙ্গে কিছু মৌলভিত্তিক শক্তিশালী কোম্পানির শেয়ারে ক্রয়চাপ বাড়ায় বাজারে এই উত্থান দেখা যাচ্ছে। তবে তারা মনে করছেন, স্বল্পমেয়াদি মুনাফার লোভে ঝুঁকিপূর্ণ শেয়ারের পরিবর্তে মৌলভিত্তিক ও আর্থিকভাবে শক্তিশালী কোম্পানির শেয়ারে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগই এই পরিস্থিতিতে তুলনামূলক নিরাপদ কৌশল হতে পারে।

-রাফসান


১৪ জানুয়ারি ডিএসইতে দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১৪ ১৫:১৫:০২
১৪ জানুয়ারি ডিএসইতে দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

বুধবার, ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) দিনের লেনদেন শেষে একাধিক শেয়ারে উল্লেখযোগ্য দরপতন দেখা গেছে। ক্লোজিং প্রাইস ও আগের দিনের ক্লোজিং প্রাইস (YCP) তুলনায় তৈরি হওয়া টপ টেন লুজারের তালিকায় আর্থিক প্রতিষ্ঠান, শিল্প, টেক্সটাইল ও মিউচুয়াল ফান্ড খাতের শেয়ারগুলো রয়েছে।

দিনের সর্বোচ্চ দরপতন হয়েছে BIFC শেয়ারে। কোম্পানিটির শেয়ার দর আগের দিনের ১ টাকা থেকে কমে ৯০ পয়সায় নেমে আসে, যা প্রায় ১০ শতাংশ পতন। এতে স্বল্পমূল্যের শেয়ারে বিনিয়োগকারীদের ঝুঁকির বিষয়টি আবারও সামনে এসেছে।

চিনি খাতের SHYAMPSUG শেয়ারও বড় ধাক্কা খেয়েছে। শেয়ারটির দর ১৩৩ টাকা ৬০ পয়সা থেকে কমে ১২২ টাকা ৪০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে, যা প্রায় ৮.৩৮ শতাংশ পতন। সিমেন্ট খাতে MEGHNACEM শেয়ারের দর কমেছে ৬.৮২ শতাংশ, লেনদেন শেষে দাঁড়ায় ২৮ টাকা ৭০ পয়সায়।

আর্থিক খাতে BAYLEASING শেয়ারের দর ৬.২৫ শতাংশ কমে ৩ টাকায় নেমে আসে। মিউচুয়াল ফান্ড খাতেও চাপ দেখা গেছে। NCCBLMF1 শেয়ারের দর ৫ শতাংশ কমে ৩ টাকা ৮০ পয়সায় এবং POPULAR1MF শেয়ারের দর ৪.৩৫ শতাংশ কমে ২ টাকা ২০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে।

টেক্সটাইল খাতে REGENTTEX শেয়ারের দর ৫ শতাংশ কমে ৩ টাকা ৮০ পয়সায় নেমে আসে। একই সঙ্গে HRTEX শেয়ারেও ৪.৩৮ শতাংশ দরপতন ঘটে, ক্লোজিং প্রাইস দাঁড়ায় ১৫ টাকা ৩০ পয়সা।

বীমা ও বিনিয়োগ খাতে CLICL শেয়ার প্রায় ৪.৯৭ শতাংশ কমে ৫৯ টাকা ৩০ পয়সায় এবং SHURWID শেয়ার ৪.৬৫ শতাংশ কমে ৪ টাকা ১০ পয়সায় লেনদেন শেষ করে।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক দরবৃদ্ধির পর অনেক বিনিয়োগকারী মুনাফা তুলে নেওয়ায় আজকের এই দরপতন দেখা গেছে। একই সঙ্গে কিছু খাতে মৌলভিত্তিক দুর্বলতা ও স্বল্পমূল্যের শেয়ারে অতিরিক্ত ঝুঁকির কারণেও বিক্রির চাপ বেড়েছে। বিনিয়োগকারীদের জন্য এটি সতর্কতার ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা।

-রাফসান


১৪ জানুয়ারি ডিএসইতে দরবৃদ্ধির শীর্ষ ১০ শেয়ার

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১৪ ১৫:০৮:৩৩
১৪ জানুয়ারি ডিএসইতে দরবৃদ্ধির শীর্ষ ১০ শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

বুধবার, ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) শেয়ারবাজারে উত্থানপ্রবণ প্রবণতা দেখা গেছে। দিনের লেনদেন শেষে ক্লোজিং প্রাইস ও আগের দিনের ক্লোজিং প্রাইস (YCP) বিবেচনায় শীর্ষ ১০টি দরবৃদ্ধিকারী শেয়ারের তালিকায় খাদ্য, বীমা, শিল্প ও মিউচুয়াল ফান্ড খাতের কোম্পানিগুলো প্রাধান্য পেয়েছে।

সবচেয়ে বেশি দরবৃদ্ধি হয়েছে BDTHAIFOOD শেয়ারে। কোম্পানিটির শেয়ার দর ১২ টাকা ৭০ পয়সা থেকে বেড়ে ১৩ টাকা ৯০ পয়সায় দাঁড়ায়, যা আগের দিনের তুলনায় প্রায় ৯.৪৫ শতাংশ বৃদ্ধি। একই গ্রুপের আরেক প্রতিষ্ঠান BDTHAI-এর শেয়ার দরও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে ৭.৬২ শতাংশ উন্নীত হয়ে ১১ টাকা ৩০ পয়সায় লেনদেন শেষ করে।

বীমা খাতে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ প্রতিফলিত হয়েছে EASTERNINS এবং MEGHNAINS শেয়ারে। ইস্টার্ন ইন্স্যুরেন্সের দর ৫১ টাকা ৪০ পয়সা থেকে বেড়ে ৫৪ টাকা ৮০ পয়সায় উঠে ৬.৬১ শতাংশ লাভ দেয়, আর মেঘনা ইন্স্যুরেন্সের শেয়ার ৪.৪৫ শতাংশ বেড়ে ৩০ টাকা ৫০ পয়সায় দাঁড়ায়।

আজকের টপ গেইনার তালিকায় চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে KBPPWBIL। কোম্পানিটির শেয়ার দর ৪১ টাকা ৫০ পয়সা থেকে বেড়ে ৪৪ টাকায় উঠে প্রায় ৬.০২ শতাংশ বৃদ্ধি পায়। মিউচুয়াল ফান্ড খাতে CAPMBDBLMF ৫.২৬ শতাংশ বেড়ে ১০ টাকায় লেনদেন শেষ করেছে।

রাষ্ট্রায়ত্ত মিউচুয়াল ফান্ড ICB3RDNRB-এর শেয়ার দর ৪ টাকা থেকে বেড়ে ৪ টাকা ২০ পয়সায় দাঁড়িয়ে ৫ শতাংশ উন্নীত হয়। শিল্প খাতে ACIFORMULA শেয়ারের দর ৪.৬৪ শতাংশ বেড়ে ১৩৫ টাকা ২০ পয়সায় উঠে আসে।

এছাড়া PARAMOUNT শেয়ার ৪.৫৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৫০ টাকা ৩০ পয়সায় এবং উচ্চমূল্যের শেয়ার LINDEBD ৪.৪৯ শতাংশ বেড়ে ৮২১ টাকা ৫০ পয়সায় লেনদেন শেষ করে।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, খাদ্য, বীমা ও মিউচুয়াল ফান্ড খাতে বিনিয়োগকারীদের নতুন আগ্রহ এবং স্বল্পমেয়াদি মুনাফা প্রত্যাশাই আজকের এই টপ টেন গেইনার তালিকার পেছনে প্রধান ভূমিকা রেখেছে। সামগ্রিকভাবে এই উত্থান শেয়ারবাজারে স্বল্পমেয়াদি ইতিবাচক মনোভাবের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

-রাফসান


এক দিনে ৫ কোম্পানি, ডিএসই কারখানা পরিদর্শনে কড়া বার্তা

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১৪ ১২:১৭:২৪
এক দিনে ৫ কোম্পানি, ডিএসই কারখানা পরিদর্শনে কড়া বার্তা
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ পিএলসি (ডিএসই) তালিকাভুক্ত কয়েকটি কোম্পানির বর্তমান অপারেশনাল অবস্থা যাচাই করতে কারখানা পরিদর্শন করেছে। ডিএসই প্রকাশিত পরিদর্শন-আপডেট অনুযায়ী, কিছু প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে উৎপাদন বা কার্যক্রম চালু থাকলেও কয়েকটি কারখানা বন্ধ অবস্থায় পাওয়া গেছে। বাজারে তথ্যস্বচ্ছতা নিশ্চিত করা ও বিনিয়োগকারীদের জন্য বাস্তব পরিস্থিতির একটি নির্ভরযোগ্য ইঙ্গিত দিতে এ ধরনের পরিদর্শনকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হয়।

ডমিনেজ স্টিল বিল্ডিং সিস্টেমস: আশুলিয়া-সাভারে চালু, নরসিংদীতে বন্ধ

ডিএসই জানায়, তারা ডমিনেজ স্টিল বিল্ডিং সিস্টেমস লিমিটেড–এর কারখানা প্রাঙ্গণ পরিদর্শন করেছে ২০২৫ সালের ৩ ও ৪ নভেম্বর। পরিদর্শন কার্যক্রম পরিচালিত হয় আশুলিয়া, সাভার এবং পলাশ, নরসিংদী এলাকায় অবস্থিত ইউনিটগুলোতে। পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, কোম্পানির আশুলিয়া-সাভার ইউনিটটি কার্যক্রমে চালু ছিল, তবে পলাশ, নরসিংদী ইউনিটটি বন্ধ পাওয়া গেছে। অর্থাৎ, ডমিনেজের ক্ষেত্রে চিত্রটি একেবারে একমুখী নয়, বরং কোম্পানির ভেতরেই ইউনিটভিত্তিক কার্যক্রমে পার্থক্য স্পষ্ট।

এই ধরনের মিশ্র পরিস্থিতিতে বিনিয়োগকারীদের জন্য সাধারণত দুটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। প্রথমত, চালু ইউনিটটি কোম্পানির চলমান সক্ষমতার ইঙ্গিত দিলেও দ্বিতীয়ত, বন্ধ ইউনিটটি উৎপাদন ধারাবাহিকতা, ব্যয় কাঠামো, অর্ডার পূরণ সক্ষমতা বা সম্পদ ব্যবহার দক্ষতার বিষয়ে প্রশ্ন তৈরি করতে পারে। ফলে বাজার অংশগ্রহণকারীরা সাধারণত কোম্পানির পরবর্তী ব্যাখ্যা, উৎপাদন আপডেট এবং আর্থিক প্রতিবেদনকে আরও ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করে।

প্যাসিফিক ডেনিমস: কারখানা বন্ধ অবস্থায় পাওয়া গেছে

ডিএসই জানায়, তারা প্যাসিফিক ডেনিমস লিমিটেড–এর কারখানা প্রাঙ্গণ পরিদর্শন করেছে ২০২৫ সালের ২২ অক্টোবর। পরিদর্শনের লক্ষ্য ছিল কোম্পানিটির চলমান অপারেশনাল স্ট্যাটাস যাচাই। ডিএসইর পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, পরিদর্শনকালে কারখানাটি বন্ধ অবস্থায় পাওয়া গেছে।

কারখানা বন্ধ থাকার তথ্য সাধারণত বিনিয়োগকারীদের কাছে সংবেদনশীল বলে বিবেচিত হয়, কারণ এর সঙ্গে উৎপাদন, রাজস্ব ধারাবাহিকতা, কর্মসংস্থান, অর্ডার বাস্তবায়ন এবং নগদ প্রবাহের সম্ভাব্য চাপ জড়িত থাকতে পারে। তবে বন্ধ থাকার প্রকৃত কারণ সাময়িকও হতে পারে, যেমন প্রযুক্তিগত রক্ষণাবেক্ষণ, কাঁচামাল সমস্যা, আর্থিক পুনর্গঠন, শ্রম পরিস্থিতি বা ব্যবস্থাপনার সিদ্ধান্ত। তাই বিনিয়োগ সিদ্ধান্তে যাওয়ার আগে কোম্পানির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা ও পরবর্তী আপডেট মূল্যায়ন করা জরুরি।

আরামিট সিমেন্ট: উৎপাদন বা অপারেশন বন্ধ

আরেকটি পরিদর্শন আপডেটে ডিএসই জানায়, তারা আরামিট সিমেন্ট লিমিটেড–এর কারখানা প্রাঙ্গণ পরিদর্শন করেছে ২০২৫ সালের ২২ জুলাই। পর্যবেক্ষণে কোম্পানিটির অপারেশন বা উৎপাদন বন্ধ পাওয়া গেছে।

সিমেন্ট শিল্পে উৎপাদন বন্ধের ঘটনা সাধারণত বাজারে আলাদা গুরুত্ব পায়, কারণ কাঁচামাল, জ্বালানি ব্যয়, চাহিদা ওঠানামা এবং ক্যাপাসিটি ইউটিলাইজেশনের সঙ্গে এই খাত ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত। উৎপাদন বন্ধ থাকলে কোম্পানির স্বল্পমেয়াদি আয়ের সক্ষমতা সীমিত হতে পারে, তবে একই সঙ্গে এটি ব্যয় নিয়ন্ত্রণ বা পুনর্গঠন কৌশলের অংশও হতে পারে। বিনিয়োগকারীরা তাই সাধারণত কোম্পানির পরবর্তী করণীয়, উৎপাদন পুনরায় শুরু করার টাইমলাইন ও আর্থিক অবস্থান সম্পর্কে পরিষ্কার দিকনির্দেশনা খোঁজেন।

নূরানী ডাইং অ্যান্ড সোয়েটার: কারখানা বন্ধ

ডিএসইর তথ্যে উল্লেখ করা হয়েছে, নূরানী ডাইং অ্যান্ড সোয়েটার লিমিটেড–এর কারখানা প্রাঙ্গণ পরিদর্শন করা হয় ২০২৫ সালের ২১ জুলাই। সেখানে কোম্পানিটির অপারেশন বা উৎপাদন বন্ধ পাওয়া গেছে।

টেক্সটাইল ও অ্যাপারেলভিত্তিক শিল্পে কারখানা বন্ধ থাকা সাধারণত সরবরাহ চেইন, অর্ডার বুক, রপ্তানি আয় এবং শ্রম ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সংযুক্ত নানা বাস্তবতার ইঙ্গিত দিতে পারে। তবে কারণ নির্ভর করে কোম্পানির নির্দিষ্ট পরিস্থিতির ওপর। ফলে বাজারের তথ্যস্বচ্ছতার জন্য ডিএসইর এমন পরিদর্শন আপডেট গুরুত্বপূর্ণ হলেও, বিনিয়োগকারীদের জন্য প্রয়োজন হয় কোম্পানির অফিসিয়াল ব্যাখ্যা এবং পরবর্তী কার্যক্রম পরিকল্পনা।

রতনপুর স্টিল রি-রোলিং মিলস: উৎপাদন বন্ধ অবস্থায়

ডিএসই জানায়, রতনপুর স্টিল রি-রোলিং মিলস লিমিটেড–এর কারখানা প্রাঙ্গণ পরিদর্শন করা হয় ২০২৫ সালের ২০ জুলাই। পরিদর্শনে কোম্পানিটির অপারেশন বা উৎপাদন বন্ধ পাওয়া গেছে।

স্টিল রি-রোলিং শিল্পে উৎপাদন বন্ধ থাকা সাধারণত কাঁচামাল প্রাপ্যতা, বিদ্যুৎ-জ্বালানি ব্যয়, বাজার চাহিদা এবং ঋণ বা কর্মপুঁজি চাপের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। তবে কোনটি কার্যকর কারণ, তা নির্ধারণে কোম্পানির আর্থিক প্রতিবেদন, ব্যবস্থাপনা মন্তব্য এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার দিকে নজর দেওয়া জরুরি।

ডিএসইর কারখানা পরিদর্শন আপডেট বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি বাস্তবধর্মী সংকেত হিসেবে কাজ করে, বিশেষ করে যখন বাজারে গুজব বা অসম্পূর্ণ তথ্য ঘোরাফেরা করে। একটি কোম্পানির শেয়ারদরে শুধু ঘোষণাপত্র নয়, বাস্তব উৎপাদন অবস্থা, কার্যক্রম ধারাবাহিকতা এবং অপারেশনাল সক্ষমতাও দীর্ঘমেয়াদে বড় প্রভাব ফেলে। তাই কারখানা চালু না বন্ধ, কোন ইউনিট সচল, কোন ইউনিট স্থবির এসব তথ্য বাজার অংশগ্রহণকারীদের ঝুঁকি মূল্যায়নে সহায়তা করে।

-রফিক


কোন ফান্ডে কত টাকা ন্যাভ: এক নজরে সম্পূর্ণ চিত্র

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১৪ ১২:১১:২৭
কোন ফান্ডে কত টাকা ন্যাভ: এক নজরে সম্পূর্ণ চিত্র
ছবি: সংগৃহীত

১৩ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে লেনদেন শেষে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত বিভিন্ন মিউচুয়াল ফান্ড তাদের দৈনিক নেট অ্যাসেট ভ্যালু (NAV) প্রকাশ করেছে। প্রকাশিত তথ্যে দেখা যাচ্ছে, অধিকাংশ ফান্ডের ইউনিটপ্রতি NAV বর্তমান বাজারমূল্যে ফেস ভ্যালু ১০ টাকার নিচে অবস্থান করছে, তবে কস্ট প্রাইসভিত্তিক NAV উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি, যা ফান্ডগুলোর অন্তর্নিহিত সম্পদের শক্ত ভিত্তির ইঙ্গিত দেয়।

বৃহৎ ও ব্যাংক-ভিত্তিক ফান্ডগুলোর অবস্থা

ট্রাস্ট ব্যাংক ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ডে বাজারমূল্যে ইউনিটপ্রতি NAV দাঁড়িয়েছে ৬ টাকা ৫০ পয়সা, আর কস্ট প্রাইসে ১১ টাকা ৪৭ পয়সা। ফান্ডটির মোট নিট সম্পদ বাজারদরে ১,৯৭৩,৯০৬,৭২২ টাকা, যেখানে কস্ট প্রাইসে তা ৩,৪৮৩,৪৬৮,৪৯৪ টাকা।

পপুলার লাইফ ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ডে বাজারমূল্যে NAV ৭ টাকা ০৩ পয়সা, কস্ট প্রাইসে ১১ টাকা ৪৪ পয়সা। মোট নিট সম্পদ বাজারদরে ২,১০২,৯৭৫,৭১৪ টাকা, কস্ট প্রাইসে ৩,৪২১,২৩৫,৮৮৯ টাকা।

ইফিক ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ডে ইউনিটপ্রতি NAV বাজারমূল্যে ৭ টাকা ৩৯ পয়সা, কস্ট প্রাইসে ১১ টাকা ৬৮ পয়সা। ফান্ডটির নিট সম্পদ বাজারদরে ১,৩৪৬,৯৫০,৬৬০ টাকা এবং কস্ট প্রাইসে ২,১২৭,২৭২,৪৯৫ টাকা।

ইবিএল এনআরবি মিউচুয়াল ফান্ডে বাজারদরে NAV ৬ টাকা ৪০ পয়সা, কস্ট প্রাইসে ১১ টাকা ৩৪ পয়সা। মোট নিট সম্পদ যথাক্রমে ১,৪৩৪,৮৫৮,৬৮৪ টাকা ও ২,৫৪২,২৬৯,২২০ টাকা।

ইবিএল ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ডে বাজারমূল্যে NAV ৬ টাকা ২৮ পয়সা, কস্ট প্রাইসে ১১ টাকা ৫০ পয়সা; নিট সম্পদ বাজারদরে ৯০৯,১৭৫,৩০৪ টাকা, কস্ট প্রাইসে ১,৬৬৪,৩৯৮,২১০ টাকা।

বৃহৎ আকারের ফান্ড ও বিশেষায়িত ফান্ড

ফার্স্ট বাংলাদেশ ফিক্সড ইনকাম ফান্ডে বাজারমূল্যে NAV ৭ টাকা ০৪ পয়সা, কস্ট প্রাইসে ১১ টাকা ৩৮ পয়সা। ফান্ডটির নিট সম্পদ বাজারদরে ৫,৪৬১,৪৯২,৩৭৩ টাকা, কস্ট প্রাইসে ৮,৮৩৬,৪২৬,৭৮৫ টাকা।

গ্রামীণসেকেন্ড মিউচুয়াল ফান্ডে বাজারদরে ইউনিটপ্রতি NAV ১৫ টাকা ৭৬ পয়সা, কস্ট প্রাইসে ১০ টাকা ৭১ পয়সা। মোট নিট সম্পদ বাজারমূল্যে ২,৮৭৪,০০৪,৬১৮ টাকা, কস্ট প্রাইসে ১,৯৫৩,০০৯,৮৫৯ টাকা।

রিলায়েন্স ওয়ান মিউচুয়াল ফান্ডে বাজারদরে NAV ১০ টাকা ৬৭ পয়সা, কস্ট প্রাইসে ১১ টাকা ২৯ পয়সা। নিট সম্পদ বাজারদরে ৬৪৫,৫৩৫,৮৭১ টাকা, কস্ট প্রাইসে ৬৮৩,৩৪৬,৫৪৯ টাকা।

অন্যান্য ফান্ডের বিস্তারিত চিত্র

ফিনিক্স ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ডে বাজারদরে NAV ৬ টাকা ৮০ পয়সা, কস্ট প্রাইসে ১১ টাকা ৩৫ পয়সা; নিট সম্পদ বাজারদরে ১,৯১৮,১০৪,৭০০ টাকা, কস্ট প্রাইসে ৩,১৯৯,২২৪,১৯০ টাকা।

এআইবিএল ইসলামিক ফার্স্ট ইনভেস্টমেন্ট মিউচুয়াল ফান্ডে বাজারদরে NAV ৮ টাকা ৭৫ পয়সা, কস্ট প্রাইসে ১১ টাকা ২৯ পয়সা; নিট সম্পদ ৮৭৫,০৫৩,৬৫৩ টাকা ও ১,১২৮,৭০৩,৭৩৪ টাকা।

এনসিসিবিএল মিউচুয়াল ফান্ড ওয়ানে বাজারদরে NAV ৯ টাকা, কস্ট প্রাইসে ১১ টাকা ১০ পয়সা; নিট সম্পদ ৯৭৬,৫৮৬,৫১২ টাকা ও ১,২০৪,৮০০,৪৭৩ টাকা।

সেমল ফান্ডগুলোর মধ্যে-

সেমল এফবিএসএলজি ফান্ডে বাজারদরে NAV ৯ টাকা ৩৬ পয়সা, কস্ট প্রাইসে ১১ টাকা ২৭ পয়সা; নিট সম্পদ ৬৮২,৪২১,২৭২ টাকা ও ৮২২,২৭৪,৯৮৬ টাকা।

সেমল আইবিবিএলএস ফান্ডে বাজারদরে NAV ৯ টাকা ৫৫ পয়সা, কস্ট প্রাইসে ১১ টাকা ৭৫ পয়সা; নিট সম্পদ ৯৫৪,৮৭৩,৯১৯ টাকা ও ১,১৭৪,৫০৭,৫৭২ টাকা।

সেমল লিডারশিপ ইকুইটি ফান্ডে বাজারদরে NAV ৯ টাকা ৭৪ পয়সা, কস্ট প্রাইসে ১১ টাকা ৭৫ পয়সা; নিট সম্পদ ৪৮৭,২১৪,১৮৫ টাকা ও ৫৮৭,৬৬৪,৫৩৫ টাকা।

আইসিবি সংশ্লিষ্ট ফান্ডগুলোর মধ্যে-

আইসিবি আগরাণী ওয়ান ফান্ডে বাজারদরে NAV ৯ টাকা ২৯ পয়সা, কস্ট প্রাইসে ১২ টাকা ২৩ পয়সা; নিট সম্পদ ৯১২,২৭২,০০৭ টাকা ও ১,২০০,৬৭৬,৮৬৭ টাকা।

আইসিবি সোনালী ওয়ান ফান্ডে বাজারদরে NAV ৮ টাকা ১৩ পয়সা, কস্ট প্রাইসে ১২ টাকা ১৮ পয়সা; নিট সম্পদ ৮১৩,৪৪৮,৯১৯ টাকা ও ১,২১৮,৪৩৭,২১৮ টাকা।

আইসিবি থার্ড এনআরবি ফান্ডে বাজারদরে NAV ৭ টাকা ৫২ পয়সা, কস্ট প্রাইসে ১২ টাকা ১৫ পয়সা; নিট সম্পদ ৭৫১,৫৯৫,৯৭৮ টাকা ও ১,২১৫,২৮৫,৩৪৯ টাকা।

আইসিবি এএমসিএল সেকেন্ড ফান্ডে বাজারদরে NAV ৮ টাকা ৩৩ পয়সা, কস্ট প্রাইসে ১৩ টাকা ২১ পয়সা; নিট সম্পদ ৪১৬,৩৩৫,০৫৭ টাকা ও ৬৬০,২৮৩,৬৬১ টাকা।

বাজার বিশ্লেষণ

পুঁজিবাজার বিশ্লেষকদের মতে, বাজারমূল্যে NAV কম থাকা বর্তমান বাজারের তারল্য সংকট ও বিনিয়োগকারীদের সতর্ক মনোভাবের প্রতিফলন। তবে কস্ট প্রাইসে উচ্চ NAV নির্দেশ করে যে, ফান্ডগুলোর প্রকৃত সম্পদমূল্য এখনও শক্ত অবস্থানে রয়েছে, যা দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগকারীদের জন্য সম্ভাব্য ভ্যালু ইনভেস্টমেন্টের সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে।

-রফিক


শেয়ারহোল্ডারদের জন্য সুখবর দিল ফরচুন শুজ

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১৪ ১২:০৫:১৯
শেয়ারহোল্ডারদের জন্য সুখবর দিল ফরচুন শুজ
ছবি: সংগৃহীত

ফরচুন শুজ লিমিটেড ২০২৪–২৫ অর্থবছরের জন্য ঘোষিত নগদ লভ্যাংশ সংশ্লিষ্ট শেয়ারহোল্ডারদের মধ্যে সফলভাবে বিতরণ সম্পন্ন করেছে। কোম্পানি কর্তৃপক্ষ ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জকে (ডিএসই) অবহিত করেছে যে, ৩০ জুন ২০২৫ সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য অনুমোদিত ক্যাশ ডিভিডেন্ড ইতোমধ্যে বিনিয়োগকারীদের হিসাবে জমা দেওয়া হয়েছে।

ডিএসই সূত্রে জানা যায়, নির্ধারিত রেকর্ড ডেট অনুযায়ী যেসব বিনিয়োগকারী ফরচুন শুজের শেয়ার ধারণ করেছিলেন, তারাই এই নগদ লভ্যাংশের সুবিধা পেয়েছেন। সময়মতো লভ্যাংশ পরিশোধ করায় বাজারে কোম্পানিটির আর্থিক শৃঙ্খলা ও শেয়ারহোল্ডারদের প্রতি দায়বদ্ধতার ইতিবাচক প্রতিফলন ঘটেছে বলে মনে করছেন বাজার বিশ্লেষকরা।

পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, নিয়মিত নগদ লভ্যাংশ বিতরণ একটি প্রতিষ্ঠানের স্থিতিশীল আয়, কার্যকর নগদ প্রবাহ ব্যবস্থাপনা এবং করপোরেট গভর্ন্যান্সের শক্ত ভিত্তি নির্দেশ করে। ফরচুন শুজের এই লভ্যাংশ পরিশোধ দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগকারীদের আস্থা ধরে রাখতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলে তারা আশা করছেন।

-রফিক


কোহিনূর কেমিক্যালসের বোনাস ও নগদ লভ্যাংশ বিতরণ

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১৪ ১২:০১:৩০
কোহিনূর কেমিক্যালসের বোনাস ও নগদ লভ্যাংশ বিতরণ
ছবি: সংগৃহীত

কোহিনূর কেমিক্যালস কোম্পানি (বাংলাদেশ) লিমিটেড তাদের শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ২০২৪–২৫ অর্থবছরের ঘোষিত লভ্যাংশ বিতরণ কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন করেছে। কোম্পানি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ৩০ জুন ২০২৫ সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য ঘোষিত বোনাস শেয়ার সংশ্লিষ্ট বিনিয়োগকারীদের বেনিফিশিয়ারি ওনার্স (বিও) অ্যাকাউন্টে জমা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ঘোষিত নগদ লভ্যাংশও শেয়ারহোল্ডারদের হিসাবে পরিশোধ করা হয়েছে।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, রেকর্ড ডেট অনুযায়ী যেসব বিনিয়োগকারী কোহিনূর কেমিক্যালসের শেয়ার ধারণ করেছিলেন, তারাই এই বোনাস শেয়ার ও নগদ লভ্যাংশের সুবিধা পেয়েছেন। বোনাস ও ক্যাশ ডিভিডেন্ড একসঙ্গে বিতরণ করায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

পুঁজিবাজার বিশ্লেষকদের মতে, একই অর্থবছরে বোনাস শেয়ার ও নগদ লভ্যাংশ প্রদান একটি প্রতিষ্ঠানের আর্থিক স্থিতিশীলতা, মুনাফা বণ্টনের সক্ষমতা এবং শেয়ারহোল্ডারবান্ধব নীতির প্রতিফলন। কোহিনূর কেমিক্যালসের এই সিদ্ধান্ত দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগকারীদের আস্থা আরও জোরদার করতে পারে বলে মনে করছেন তারা।

-রফিক


মন্নো অ্যাগ্রোর নগদ লভ্যাংশ বিতরণ

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১৪ ১১:৫৪:১০
মন্নো অ্যাগ্রোর নগদ লভ্যাংশ বিতরণ
ছবি: সংগৃহীত

তালিকাভুক্ত শিল্পপ্রতিষ্ঠান মন্নু এগ্রো অ্যান্ড জেনারেল মেশিনারি লিমিটেড তাদের ঘোষিত নগদ লভ্যাংশ সফলভাবে বিতরণ সম্পন্ন করেছে। কোম্পানিটি জানিয়েছে, ৩০ জুন ২০২৫ সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য অনুমোদিত ক্যাশ ডিভিডেন্ড সংশ্লিষ্ট সকল যোগ্য শেয়ারহোল্ডারের কাছে ইতোমধ্যে প্রদান করা হয়েছে।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে প্রকাশিত তথ্যমতে, নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যেই লভ্যাংশ বিতরণ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে, যা কোম্পানিটির আর্থিক শৃঙ্খলা ও শেয়ারহোল্ডার–বান্ধব ব্যবস্থাপনার প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিনিয়োগকারীদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে লভ্যাংশ প্রাপ্তির যে প্রত্যাশা ছিল, এই ঘোষণার মাধ্যমে তা বাস্তবে রূপ পেয়েছে।

বাজার সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নিয়মিত ও সময়োপযোগী লভ্যাংশ বিতরণ কোনো প্রতিষ্ঠানের আর্থিক সক্ষমতা ও কর্পোরেট গভর্ন্যান্সের একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক। সেই দৃষ্টিকোণ থেকে মন্নু এগ্রো অ্যান্ড জেনারেল মেশিনারি লিমিটেডের এই উদ্যোগ বিনিয়োগকারীদের আস্থাকে আরও সুদৃঢ় করতে পারে।

-রফিক

পাঠকের মতামত:

ব্যক্তিগত দায় বনাম প্রাতিষ্ঠানিক দায়: দায়মুক্তির এক রাজনৈতিক সংস্কৃতি

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জের ঘটনা কাগজে পড়লে প্রথমে মনে হয় এটা যেন কোনো যুদ্ধের খবর। এক তরুণকে বিদ্যুতের খুঁটিতে বেঁধে হাত–পা প্রায়... বিস্তারিত