ত্বকের জাদুকরী পানীয় গোলাপজল: রূপচর্চায় এর ৩টি অজানা ব্যবহার

রূপচর্চায় গোলাপজল একটি অনন্য উপাদান, যা সব ধরনের ত্বকের জন্য নিরাপদ এবং কার্যকর। বিশেষ করে গরমের দিনে ত্বকের জ্বালা ভাব কমাতে, আর্দ্রতা ধরে রাখতে এবং সতেজতা ফেরাতে এর জুড়ি নেই। একে ত্বকের 'পানীয়' বলা হয় কারণ এটি ত্বককে ভেতর থেকে প্রাণবন্ত করে তোলে। কেবল টোনার হিসেবেই নয়, ঘরোয়া রূপচর্চায় গোলাপজল ব্যবহারের আরও তিনটি দারুণ উপায় রয়েছে।
প্রথমত, গোলাপজল দিয়ে বরফ তৈরি করে ত্বকে ব্যবহার করা যায়।
বরফের ট্রে-তে গোলাপজল জমিয়ে সেই টুকরো মেকআপ করার আগে এক মিনিট মুখে ঘষে নিলে মেকআপ সহজে গলে যায় না এবং ত্বক উজ্জ্বল দেখায়।
দ্বিতীয়ত, এটি দিয়ে সহজেই ফেশিয়াল মিস্ট তৈরি সম্ভব। একটি স্প্রে বোতলে গোলাপজল ভরে ফ্রিজে রেখে দিলে রোদে পোড়া ত্বকে তাৎক্ষণিক স্বস্তি মেলে।
এছাড়া চোখের ফোলা ভাব ও ক্লান্তি দূর করতে ঠান্ডা গোলাপজলে ভেজানো তুলো চোখের ওপর ৫ মিনিট রাখলে দারুণ উপকার পাওয়া যায়। নিয়মিত এই অভ্যাসে চোখের নিচের কালো দাগ বা ডার্ক সার্কেলও কমে আসে।
/আশিক
অল্প বয়সেই মাথায় টাক পড়ার ভয়? ডায়েটে রাখুন এই ৫ সুপারফুড
প্রতিদিন ১০০টি চুল পড়া স্বাভাবিক হলেও এর বেশি হওয়া মানেই দুশ্চিন্তার কারণ। চুলের বাহ্যিক যত্নের চেয়েও অভ্যন্তরীণ পুষ্টি বা সঠিক খাদ্যাভ্যাস চুল পড়া রোধে বেশি কার্যকর। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রোটিন ও ভিটামিনসমৃদ্ধ খাবার নিয়মিত তালিকায় রাখলে অল্প বয়সে চুল কমে যাওয়ার ঝুঁকি থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।
চুল পড়া রোধে ৫টি সুপারফুড
ক্যাপসিকাম
চুলের স্বাস্থ্যের জন্য ক্যাপসিকাম অত্যন্ত উপকারী। এতে থাকা পুষ্টি উপাদান চুলের গোড়া মজবুত করে। সালাদ বা চাইনিজ খাবারে ক্যাপসিকাম রাখা অথবা পনিরের সাথে সেদ্ধ করে খাওয়া চুলের জন্য ভালো।
ডিম
ডিম হলো বায়োটিন ও প্রোটিনের বড় উৎস। অনেকে চুলে ডিম মেখে থাকেন, তবে নিয়মিত ডিম খেলে ভেতর থেকে চুল শক্ত ও স্বাস্থ্যবান হয়।
মাছ
ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড, ভিটামিন ডি এবং ক্যালসিয়ামের জন্য মাছের কোনো বিকল্প নেই। এটি চুলের গুণগত মান বাড়াতে এবং নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে।
মসুর ডাল
প্রোটিন ও জিংকের চাহিদা মেটাতে মসুর ডাল অনবদ্য। চুলের গোড়া মজবুত করতে সপ্তাহে অন্তত ২-৩ দিন ডাল খাওয়ার পরামর্শ দেন পুষ্টিবিদরা।
মিষ্টি আলু
এতে থাকা বিটা-ক্যারোটিন শরীর ভিটামিন এ-তে রূপান্তর করে, যা মাথার ত্বকে সিবাম তৈরিতে সাহায্য করে এবং চুল পড়া কমায়।
/আশিক
শিকড় ভুলে যাওয়ার দিন নয় আজ: অস্তিত্বের টানে ফিরে আসুক ভালোবাসা
আজ বিশ্ব মা দিবস। মে মাসের দ্বিতীয় রবিবার বিশ্বজুড়ে মমতাময়ী মায়েদের প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা জানানোর জন্য এই দিনটি উৎসর্গ করা হয়েছে। মা—এমন এক শব্দ, যার গভীরতা পরিমাপ করা অসম্ভব এবং যার ঋণ কোনো পার্থিব মূল্যে শোধ করা যায় না।
দশ মাস দশ দিন গর্ভে ধারণ থেকে শুরু করে সন্তানকে পৃথিবীর আলো দেখানো এবং তিলে তিলে মানুষ করার পেছনে মায়ের যে আত্মত্যাগ, তা অতুলনীয়। প্রতিটি ধর্মেই মাকে সর্বোচ্চ সম্মান দেওয়া হয়েছে। তবে আধুনিকতার ইঁদুর দৌড়ে আজ অনেক সন্তানই শিকড়ের বন্ধন ভুলে যাচ্ছেন। সামাজিক আভিজাত্য রক্ষা করতে গিয়ে বৃদ্ধা মাকে 'ওল্ড হোমে' পাঠিয়ে দেওয়া কিংবা গ্রামের বাড়িতে অযত্নে ফেলে রাখার মতো অমানবিক দৃষ্টান্ত আজ আমাদের সমাজে প্রকট হচ্ছে। অথচ মায়ের দোয়াই সন্তানের সফলতার মূল চাবিকাঠি।
মা দিবসের শেকড় প্রোথিত মধ্যযুগের ব্রিটেন এবং আধুনিক যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে। মধ্যযুগে খ্রিস্টান ধর্মের উৎসব 'লেন্ট'-এর চতুর্থ রোববারে দূর-দূরান্তে থাকা সন্তানেরা মায়ের কাছে এবং ছোটবেলার চার্চে ফিরে আসতেন, যা 'মাদারিং সানডে' হিসেবে পরিচিত ছিল।
আধুনিক মা দিবসের যাত্রা শুরু হয় যুক্তরাষ্ট্র থেকে। ১৯০৭ সালের ১২ মে ফিলাডেলফিয়ার আনা জারভিস তার প্রয়াত মায়ের স্মরণে একটি সভা আয়োজন করেন। তার মা আনা রিভস জারভিস মায়েদের স্বাস্থ্য ও শিশু মৃত্যুহার কমাতে 'ডে ওয়ার্ক ক্লাব' প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। নিজের ১১ সন্তানের মধ্যে ৯ জনকেই হারানো সেই মায়ের সংগ্রামের স্বীকৃতি দিতেই আনার এই উদ্যোগ। পরবর্তীতে ১৯১৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন মে মাসের দ্বিতীয় রবিবারকে সরকারি ছুটির দিন হিসেবে ঘোষণা করেন।
/আশিক
জমি কেনার আগে জানুন জরুরি পরিভাষা: প্রতারণা এড়াতে বিশেষ টিপস
দৈনন্দিন জীবনে জমিজমা কেনাবেচা ও মালিকানা সংক্রান্ত বিষয়ে সঠিক ধারণা না থাকায় অনেককেই নানা ধরনের ভোগান্তি ও আইনি জটিলতার শিকার হতে হয়। জমি ক্রয় বা বিক্রয়ের ক্ষেত্রে সামান্য অসতর্কতা বড় ধরনের প্রতারণা বা জালিয়াতির পথ তৈরি করতে পারে। তাই নিরাপদ লেনদেনের জন্য ভূমি সংক্রান্ত মৌলিক কিছু পরিভাষা সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা রাখা প্রয়োজন।
ভূমি জরিপের সময় জমির মালিকানার যে বিবরণ প্রস্তুত করা হয় তাকে খতিয়ান বলা হয়, যা মূলত মৌজাভিত্তিক তৈরি করা হয়। জরিপ ম্যাপে জমির সীমানা শনাক্ত করার জন্য প্রতিটি জমিখণ্ডকে যে আলাদা নম্বর দেওয়া হয় তাকে দাগ নম্বর বলে। আবার জরিপ বা নকশা সংশোধনের সময় কোনো নম্বর বাদ পড়লে তাকে ছোটা দাগ বলা হয়। ভূমি জরিপকালে চূড়ান্ত খতিয়ান প্রস্তুত করার আগে মালিকদের যে খসড়া অনুলিপি দেওয়া হয় তাকে মাঠ পর্চা এবং চূড়ান্ত অনুলিপিকে কেবল পর্চা বলা হয়।
ক্রয় বা উত্তরাধিকার সূত্রে মালিকানা পরিবর্তনের পর সরকারি রেকর্ডে নতুন মালিকের নাম লেখানোর প্রক্রিয়াকে নামজারি বলা হয়। অন্যদিকে, যৌথ জমি বিভক্ত করে নতুন খতিয়ান তৈরি করাকে জমা খারিজ বলে। জরিপের সময় গ্রাম বা এলাকাকে যে আলাদা একক বা ক্রমিক নম্বরে ভাগ করা হয় তাকে মৌজা এবং জমির বিস্তারিত পরিচয়কে তফশিল বলা হয়। ভূমি জরিপের কাজে নিয়োজিত কর্মচারীকে আমিন এবং সরকারকে দেওয়া বার্ষিক করকে খাজনা বলা হয়।
খাজনা আদায়ের রশিদকে দাখিলা এবং ভূমি কর ছাড়া অন্যান্য পাওনা আদায়ের রশিদকে ডিসিআর বলা হয়। এছাড়া সরকার থেকে জমি বন্দোবস্ত গ্রহণের অঙ্গীকারপত্রকে কবুলিয়ত এবং দুই বা তিন ফসলি সমতল জমিকে নাল জমি বলা হয়। সরকারি মালিকানাধীন জমিকে খাস জমি এবং হাট-বাজারের অকৃষি বরাদ্দকৃত অংশকে চান্দিনা ভিটি বলা হয়।
ধর্মীয় বা জনকল্যাণে দানকৃত সম্পত্তি হলো ওয়াকফ এবং এর তত্ত্বাবধায়ককে বলা হয় মোতওয়াল্লি। হিন্দুধর্ম অনুযায়ী উৎসর্গকৃত জমিকে দেবোত্তর সম্পত্তি বলা হয়। মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি বণ্টনের নিয়মকে ফারায়েজ এবং বৈধ উত্তরাধিকারীদের ওয়ারিশ বলা হয়।
এছাড়া নদী ভাঙনে বিলীন হওয়া জমিকে সিকস্তি এবং জেগে ওঠা নতুন চরকে পয়স্তি বলা হয়। আইনগত সাক্ষ্য হিসেবে নিবন্ধিত কাগজপত্রই হলো দলিল। বিশেষজ্ঞদের মতে, জমিজমা সংক্রান্ত এসব শব্দের সঠিক অর্থ জানা থাকলে দলিলপত্র যাচাই করা সহজ হয় এবং যেকোনো আইনি জটিলতা এড়ানো সম্ভব হয়।
/আশিক
ঘরোয়া টোটকা বনাম বাস্তবতা: চুল পড়া কমাতে পেঁয়াজের রস ব্যবহারের সুবিধা ও ঝুঁকি
অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, মানসিক চাপ, হরমোনের পরিবর্তন এবং দূষণের মতো নানাবিধ কারণে বর্তমান সময়ে চুল পড়ার সমস্যা ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে অনেকেই পেঁয়াজের রস ব্যবহার করেন। গবেষক ও বিশেষজ্ঞদের মতে, পেঁয়াজের রস চুলের জন্য বিশেষ উপকারী হতে পারে, তবে এটিই চুল পড়ার একমাত্র সমাধান নয়। এর কার্যকারিতা নির্ভর করে ব্যক্তির মাথার ত্বকের অবস্থা, চুল পড়ার কারণ এবং এটি ব্যবহারের নিয়মিততার ওপর।
কেন পেঁয়াজের রস কার্যকর?
পেঁয়াজের রসে প্রচুর পরিমাণে সালফার থাকে, যা চুল পড়া রোধে প্রধান ভূমিকা পালন করে। চুলের প্রধান উপাদান ‘কেরাটিন’ নামক প্রোটিন, যাতে সালফার বিদ্যমান। মাথায় পেঁয়াজের রস লাগালে তা চুলের গোড়ায় অতিরিক্ত পুষ্টি জোগায় এবং চুলকে ভেতর থেকে শক্তিশালী করে তোলে। ফলে চুল ভাঙা কমে এবং নতুন চুল গজাতে সহায়তা করে। এছাড়া পেঁয়াজের উপাদানগুলো কোলাজেন উৎপাদনে সাহায্য করে, যা মাথার ত্বকের কোষকে সুস্থ রাখে এবং চুলের বৃদ্ধিতে গতি আনে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, পেঁয়াজের রস মাথার ত্বকের রক্ত সঞ্চালন উন্নত করে। চুলের গোড়ায় রক্ত প্রবাহ বৃদ্ধি পেলে ফলিকলগুলো পর্যাপ্ত পুষ্টি পায়, যা চুলের দ্রুত বৃদ্ধিতে সহায়ক। গবেষণায় দেখা গেছে, সাধারণ পানির তুলনায় পেঁয়াজের রস ব্যবহারকারীদের চুলের বৃদ্ধি তুলনামূলক বেশি হয়েছে। তবে একটি বিষয় মনে রাখা জরুরি—পেঁয়াজের রস টাক সমস্যা বা ‘অ্যালোপেশিয়া’র কোনো নিশ্চিত প্রতিকার নয়, এটি মূলত বিদ্যমান চুলকে মজবুত করতে এবং চুল পড়া কমাতে সাহায্য করে।
পেঁয়াজের রস ব্যবহারের সঠিক নিয়ম
১. একটি বড় পেঁয়াজ কুচিয়ে তার রস বের করে নিন।
২. একটি তুলোর বলের (Cotton Ball) সাহায্যে রসটি মাথার ত্বকে বা স্ক্যাল্পে আলতো করে লাগান।
৩. ২০ থেকে ৩০ মিনিট অপেক্ষা করুন।
৪. এরপর একটি মৃদু বা মাইল্ড শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন।
৫. ভালো ফলের জন্য সপ্তাহে অন্তত দুবার এটি ব্যবহার করতে পারেন। চাইলে এর সাথে নারিকেল তেল বা অ্যালোভেরা জেল মিশিয়ে নিতে পারেন।
পেঁয়াজের রস সবার জন্য সমান উপকারী নাও হতে পারে। যাদের মাথার ত্বক অত্যন্ত সংবেদনশীল বা অ্যালার্জির সমস্যা আছে, তাদের ক্ষেত্রে এটি জ্বালাপোড়া বা লালচে ভাব সৃষ্টি করতে পারে। তাই ব্যবহারের আগে মাথার ত্বকের অল্প জায়গায় পরীক্ষা (Patch Test) করে নেওয়া ভালো। যদি গুরুতর অস্বস্তি হয়, তবে দ্রুত ধুয়ে ফেলতে হবে।
সবশেষে মনে রাখা প্রয়োজন, শুধু বাহ্যিক যত্নই যথেষ্ট নয়। চুলের সুস্বাস্থ্যের জন্য শরীরে প্রোটিন, আয়রন, বায়োটিন ও ভিটামিন ডি-এর পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি পর্যাপ্ত ঘুম এবং মানসিক চাপমুক্ত জীবনযাপন চুল পড়া কমাতে দীর্ঘমেয়াদী ভূমিকা রাখে।
/আশিক
অনিদ্রায় ভুগছেন? এই ৫টি অভ্যাস বদলে দেবে আপনার জীবন
ঘুম ঠিকমতো না হলে তার পেছনে সবসময় বড় কোনো শারীরিক কারণ থাকে না; বরং দায়ী হতে পারে আমাদের প্রতিদিনের কিছু ছোট ছোট বদঅভ্যাস। অজান্তেই গড়ে ওঠা এসব অভ্যাস আমাদের ঘুমের স্বাভাবিক ছন্দ নষ্ট করে দেয়। ইংল্যান্ডের ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিস (NHS) তাদের এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ভালো ঘুম পেতে হলে আগে চিহ্নিত করতে হবে কোন অভ্যাসগুলো এই ক্ষতি করছে।
ঘুমের গুরুত্ব
বিশেষজ্ঞদের মতে, সুস্থ থাকার জন্য ভালো ঘুম অপরিহার্য। এটি শরীরকে বিশ্রাম দেওয়ার পাশাপাশি মস্তিষ্ককে পুনরুজ্জীবিত করে, মানসিক চাপ কমায় এবং কর্মক্ষমতা বাড়ায়। কিন্তু আধুনিক জীবনযাপন ও প্রযুক্তিনির্ভরতা এই স্বাভাবিক ছন্দকে ব্যাহত করছে।
ভালো ঘুমের ৫টি মূল মন্ত্র
১. রুটিন মেনে ঘুমানো
প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমাতে যাওয়া এবং ঘুম থেকে ওঠার অভ্যাস শরীরের অভ্যন্তরীণ ঘড়ি বা 'বডি ক্লক' ঠিক রাখে। সপ্তাহের ছুটির দিনগুলোতেও এই নিয়ম বজায় রাখলে শরীরের ঘুমের সংকেত ব্যবস্থা উন্নত হয়।
২. ডিভাইস থেকে দূরে থাকা
ঘুমানোর অন্তত এক ঘণ্টা আগে মোবাইল, টিভি বা কম্পিউটারের ব্যবহার বন্ধ করতে হবে। এসব ডিভাইসের নীল আলো মস্তিষ্কে ঘুমের হরমোন নিঃসরণে বাধা দেয়। এর বদলে বই পড়া বা হালকা ধ্যান করা যেতে পারে।
৩. মন শান্ত করা
বিছানায় শরীর ক্লান্ত থাকলেও মাথায় দুশ্চিন্তা ঘুরপাক খেলে ঘুম আসে না। এক্ষেত্রে সারাদিনের চিন্তা লিখে রাখা বা পরের দিনের কাজের তালিকা তৈরি করলে মস্তিষ্ক ভারমুক্ত হয় এবং দ্রুত ঘুমানো সম্ভব হয়।
৪. উপযুক্ত পরিবেশ
একটি নীরব, অন্ধকার এবং আরামদায়ক তাপমাত্রার ঘর দ্রুত ঘুমাতে সাহায্য করে। অতিরিক্ত আলো বা শব্দ এড়াতে পর্দা ব্যবহার করা এবং ফোন সাইলেন্ট রাখা জরুরি। প্রয়োজনে হালকা বৃষ্টির শব্দের মতো 'হোয়াইট নয়েজ' শোনা যেতে পারে।
৫. জোর না করা
ঘুম না এলে জোর করে বিছানায় শুয়ে থাকা ঠিক নয়। এতে অস্থিরতা বাড়ে। বরং উঠে গিয়ে কিছুক্ষণ বই পড়া বা মৃদু গান শুনে পুনরায় ঘুমের ভাব এলে বিছানায় ফেরা উচিত।
খাদ্যাভ্যাস ও ব্যায়াম
রাতে ভারী খাবার, অতিরিক্ত ক্যাফেইন বা নিকোটিন এড়িয়ে চলা উচিত। নিয়মিত ব্যায়াম শরীরকে ক্লান্ত করে গভীর ঘুমে সাহায্য করলেও, ঘুমানোর ঠিক আগে ভারী ব্যায়াম না করাই ভালো।
পরিশেষে, ভালো ঘুম কোনো একটি জাদুকরী কৌশলের ফল নয়, বরং এটি একটি সুশৃঙ্খল জীবনযাত্রার সমন্বয়।
/আশিক
২৪ ডিগ্রি না কি ২৬ ডিগ্রি? কোন তাপমাত্রায় এসি চালালে বিদ্যুৎ বিল কমবে
গ্রীষ্মের তীব্র গরমে এসি এখন আর বিলাসিতা নয়, বরং অনেকের কাছেই নিত্যপ্রয়োজনীয় হয়ে উঠেছে। তবে ঘর দ্রুত ঠান্ডা করার আশায় তাপমাত্রা একবারে কমিয়ে রাখা অনেকের অভ্যাস, যা আসলে একটি বড় ভুল ধারণা। তাপমাত্রা যত কম রাখা হয়, এসির কম্প্রেসরকে তত দীর্ঘ সময় কাজ করতে হয়, যার সরাসরি প্রভাব পড়ে আপনার বিদ্যুৎ বিলের ওপর।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এসির তাপমাত্রা প্রতি ১ ডিগ্রি বাড়ানোর ফলে প্রায় ৫ থেকে ৬ শতাংশ পর্যন্ত বিদ্যুৎ সাশ্রয় করা সম্ভব। সেই হিসাবে আপনি যদি ২৪ ডিগ্রির পরিবর্তে ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে এসি চালান, তবে মাস শেষে প্রায় ১০ থেকে ১২ শতাংশ পর্যন্ত বিদ্যুৎ বিল সাশ্রয় হতে পারে। বাংলাদেশের বর্তমান বিদ্যুৎ মূল্যের হিসেবে এই সামান্য পরিবর্তনের ফলে মাসে প্রায় ৭০০ থেকে ১২০০ টাকা পর্যন্ত সাশ্রয় হওয়া সম্ভব।
একটি ১.৫ টন এসি সাধারণত প্রতি ঘণ্টায় ১.৫ ইউনিট বিদ্যুৎ খরচ করে। ২৪ ডিগ্রিতে এটি দৈনিক ৮ ঘণ্টা চালালে প্রায় ১২ ইউনিট বিদ্যুৎ খরচ হয়, যার আর্থিক মূল্য দাঁড়ায় ১০০-১২০ টাকার মতো। কিন্তু তাপমাত্রা ২৬ ডিগ্রিতে সেট করলে কম্প্রেসর মাঝে মাঝে বিশ্রাম পায়, ফলে দৈনিক খরচ কমে ৭৫-৯০ টাকায় নেমে আসতে পারে।
সাশ্রয়ের পাশাপাশি স্বাস্থ্যগত দিক থেকেও ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বেশ উপযোগী। এই তাপমাত্রায় শরীর হঠাৎ করে ঠান্ডা বা গরমের তীব্র ধাক্কা অনুভব করে না, যা সর্দি-কাশি বা শারীরিক অস্বস্তির ঝুঁকি কমায়। তাই পকেট এবং শরীর—উভয়কেই ভালো রাখতে ঘর ঠান্ডা করার সময় ২৬ ডিগ্রি তাপমাত্রাই এখন বিশেষজ্ঞদের প্রথম পছন্দ।
/আশিক
আজ রাতে আকাশের খেলা: হ্যালির ধূমকেতুর ছোঁয়ায় দেখা মিলবে উল্কাবৃষ্টির!
মহাকাশপ্রেমীদের জন্য চলতি সপ্তাহ নিয়ে আসছে এক রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা। আজ মঙ্গলবার রাত থেকে বুধবার ভোর পর্যন্ত আকাশে ডানা মেলবে ‘এটা অ্যাকুয়ারিড’ (Eta Aquariid) উল্কাবৃষ্টি। আমেরিকান মেটিওর সোসাইটির তথ্যমতে, ভোরের ঠিক আগের কয়েক ঘণ্টা এই মহাজাগতিক দৃশ্য উপভোগ করার জন্য সেরা সময়। তবে বাংলাদেশ সময় অনুযায়ী এটি বুধবার বেলা ১১টার পর শুরু হওয়ায় আমাদের দেশ থেকে এর দৃশ্যমানতা থাকবে না বললেই চলে।
সোসাইটির ফায়ারবল রিপোর্ট সমন্বয়কারী রবার্ট লুনসফোর্ড জানান, আকাশের ‘অ্যাকুয়ারিয়াস’ বা কুম্ভ রাশি থেকে এই উল্কাগুলো নির্গত হয় বলে মনে হয়। কুম্ভ রাশিটি রাত ৩টার আগে দিগন্তের উপরে ওঠে না, তাই ভোরের আগের সময়টুকুই এটি দেখার একমাত্র সুযোগ। দক্ষিণ গোলার্ধের দেশগুলো থেকে এই দৃশ্য সবচেয়ে ভালো দেখা যাবে, যেখানে ঘণ্টায় প্রায় ৪০টি উল্কা নজরে আসতে পারে। উত্তর গোলার্ধে উজ্জ্বল চাঁদের আলোর কারণে এই সংখ্যা ১০-এর নিচে নেমে আসার সম্ভাবনা রয়েছে।
নাসার তথ্য অনুযায়ী, ‘এটা অ্যাকুয়ারিড’ উল্কাগুলো অত্যন্ত দ্রুতগতিসম্পন্ন; এগুলো প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৪৪ মাইল বেগে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করে। এই অতি গতির কারণে উল্কাগুলো মিলিয়ে যাওয়ার পরও আকাশে আগুনের মতো উজ্জ্বল রেখা কিছুক্ষণ স্থায়ী হতে দেখা যায়।
এই চমৎকার উল্কাবৃষ্টির নেপথ্যে রয়েছে বিখ্যাত হ্যালির ধূমকেতু। পৃথিবী যখন বছরে দুবার এই ধূমকেতুর রেখে যাওয়া ধূলিকণা ও পাথুরে অবশিষ্টাংশের কক্ষপথ অতিক্রম করে, তখনই উল্কাবৃষ্টির সৃষ্টি হয়। মে মাসে ‘এটা অ্যাকুয়ারিড’ এবং অক্টোবর মাসে ‘অরিওনিড’ উল্কাবৃষ্টি এই হ্যালির ধূমকেতুরই দান। বিজ্ঞানী এডমন্ড হ্যালি ১৭০৫ সালে এটি আবিষ্কার করেন। সবশেষ ১৯৮৬ সালে দেখা যাওয়া এই ধূমকেতুটি আবার ২০৬১ সালে পৃথিবীর আকাশে ফিরে আসবে।
শহরের কৃত্রিম আলো থেকে দূরে কোনো অন্ধকার ও খোলা জায়গায় অবস্থান নিন। চাঁদের তীব্র আলো এড়াতে কোনো বড় গাছের ছায়া বেছে নিতে পারেন। আকাশ দেখার আগে অন্তত ৪৫ মিনিট সময় দিন যাতে আপনার চোখ অন্ধকারের সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারে। এরপরই আবছা উল্কাগুলো স্পষ্ট হতে শুরু করবে।
/আশিক
চিরকাল তারুণ্য ধরে রাখার মূলমন্ত্র: সহজ কিছু অভ্যাসেই ত্বকের বয়স থমকে যাবে
বয়স কেবল একটি সংখ্যা মাত্র—যদি আপনার জীবনযাপন সঠিক হয়। গবেষণায় দেখা গেছে, যারা নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম মেনে চলেন, তাদের ত্বকে বয়সের ছাপ অন্যদের তুলনায় অনেক দেরিতে পড়ে। তারুণ্য ধরে রাখার প্রথম এবং প্রধান মন্ত্র হলো সানস্ক্রিনের সঠিক ব্যবহার। অনেকেই মনে করেন কেবল কড়া রোদে বের হলেই সানস্ক্রিন প্রয়োজন, যা একটি বড় ভুল ধারণা।
সূর্যের ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি ঘরের ভেতরেও ত্বকের ক্ষতি করতে পারে। তাই প্রতিদিন সকালে অন্তত এসপিএফ ৩০ প্লাস (SPF 30+) যুক্ত সানস্ক্রিন ব্যবহারের অভ্যাস গড়ুন। এটি ত্বককে অকালে বুড়িয়ে যাওয়া, রোদপোড়া ভাব এবং বলিরেখা থেকে সুরক্ষা দেয়।
ত্বকের উজ্জ্বলতা ধরে রাখতে পর্যাপ্ত ঘুমের কোনো বিকল্প নেই। প্রতিদিন অন্তত সাত থেকে আট ঘণ্টা গভীর ঘুম হলে ত্বক নিজে থেকেই তার কোষগুলোকে পুনর্জ্জীবিত করার সুযোগ পায়। ঘুমের অভাব হলে চোখের নিচে কালি পড়া এবং মুখ নিস্তেজ দেখানোর মতো সমস্যা তৈরি হয়, যা দ্রুত বয়সের ছাপ ফেলে। পাশাপাশি খাবারের দিকে বিশেষ নজর দেওয়া জরুরি।
প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় টাটকা ফলমূল, সবুজ শাকসবজি এবং বাদাম রাখুন। এই খাবারগুলো ত্বকের ভেতর থেকে পুষ্টি জোগায়। অন্যদিকে অতিরিক্ত চিনি, তেল-মসলাযুক্ত খাবার এবং জাঙ্ক ফুড এড়িয়ে চলা উচিত, কারণ এগুলো ত্বকের স্থিতিস্থাপকতা নষ্ট করে দেয়।
শরীরকে ভেতর থেকে আর্দ্র বা হাইড্রেটেড রাখা তারুণ্য ধরে রাখার অন্যতম শর্ত। দিনে পর্যাপ্ত পানি পান করার পাশাপাশি ত্বকের ধরন অনুযায়ী ভালো মানের ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন। ত্বক যত বেশি আর্দ্র থাকবে, ততই তা নরম এবং টানটান দেখাবে।
স্কিনকেয়ারের ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ পরামর্শ হলো—রুটিনকে যতটা সম্ভব সহজ রাখা। অনেকেই অনেক ধরনের কেমিক্যালযুক্ত প্রোডাক্ট একসাথে ব্যবহার করেন, যা হিতে বিপরীত হতে পারে। তার বদলে কেবল তিনটি জিনিস—ক্লিনজার, ময়েশ্চারাইজার এবং সানস্ক্রিন নিয়মিত ব্যবহার করলেই যথেষ্ট। একটু সচেতনতা আর সঠিক অভ্যাসের মাধ্যমে আপনিও পেতে পারেন দীর্ঘস্থায়ী তরুণ ও সতেজ ত্বক।
/আশিক
গরমে ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্য বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় খাবার ও পানীয়
শরীরে খনিজ লবণের জোগান দিতে ডাবের পানি একটি অনন্য প্রাকৃতিক উপাদান। এটি পটাশিয়াম ও ম্যাগনেসিয়ামের চমৎকার উৎস, যা শরীরকে ভেতর থেকে ঠান্ডা রাখার পাশাপাশি দ্রুত পানিশূন্যতা দূর করে। দুপুরের তপ্ত রোদে বাইরে থেকে ফিরে এক গ্লাস ঠান্ডা ঘোল পান করা শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী। প্রোবায়োটিকে ভরপুর এই পানীয়তে সামান্য লবণ মিশিয়ে খেলে শরীরের সোডিয়ামের ঘাটতি দ্রুত পূরণ হয়। এছাড়া ভিটামিন-সি সমৃদ্ধ লেবুর শরবত শরীরকে হাইড্রেট রাখার পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। লেবুর শরবতের সঙ্গে সামান্য লবণ ও চিনি মিশিয়ে খেলে রক্তে ইলেকট্রোলাইটের ভারসাম্য খুব দ্রুত ফিরে আসে।
গ্রীষ্মকালীন ফল হিসেবে তরমুজ হাইড্রেটেড থাকার আদর্শ উপায়, কারণ এতে প্রায় ৯২ শতাংশ পানি থাকে। তরমুজে থাকা ম্যাগনেসিয়াম ও পটাশিয়াম পেশির টান বা ক্র্যাম্প কমাতেও বিশেষ ভূমিকা রাখে। পাশাপাশি তাজা ফলের রস শরীরে প্রয়োজনীয় শক্তির জোগান দেয় এবং খনিজ লবণের ভারসাম্য বজায় রাখে।
তবে এক্ষেত্রে প্যাকেটজাত জুস এড়িয়ে চিনি ছাড়া তাজা রস খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। খাবারের তালিকায় কুমড়ার বীজ বা কাঠবাদাম রাখলে তা ম্যাগনেসিয়ামের মাত্রা বজায় রেখে হৃৎপিণ্ড এবং স্নায়ুকে সচল রাখে।
যারা দীর্ঘক্ষণ রোদে কাজ করেন, তাঁদের জন্য ওরস্যালাইন খাওয়া জরুরি কারণ এটি সোডিয়াম ও শর্করার ভারসাম্য রক্ষা করে হিট স্ট্রোকের ঝুঁকি কমিয়ে দেয়। সর্বোপরি সুস্থ থাকতে দিনে অন্তত ৩ থেকে ৪ লিটার পানি পান করার অভ্যাস গড়ে তোলা প্রয়োজন।
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- রাত ৮টার মধ্যে ৭ জেলায় ঝোড়ো হাওয়ার শঙ্কা: আবহাওয়া অফিসের সতর্কতা
- পদ্মা ব্যারেজ আমাদের স্বার্থ, ভারতের সঙ্গে আলোচনার কিছু নেই: পানিসম্পদমন্ত্রী
- লুটপাটের অর্থনীতি ঠিক করতে লাগবে ২ বছর: তথ্যমন্ত্রী
- একনেকে ৩৬ হাজার কোটি টাকার ৯ প্রকল্প অনুমোদন
- ১১ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র প্যাকেজ: ওয়াশিংটন-বেইজিং সম্পর্কে নতুন ফাটল
- সচিবালয় থেকে কোরবানির পশুর চামড়ার বাজারদর চূড়ান্ত করল মন্ত্রণালয়
- নানিয়ারচর জোন (১৭ ই বেংগল) কর্তৃক অসুস্থ রোগীর চিকিৎসায় আর্থিক সহায়তা প্রদান
- ১৩ মে: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- ১৩ মে: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ১৩ মে: শেয়ারবাজারে লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- আলোচনায় ফেরার জন্য মার্কিনীদের সামনে ইরানের ৫ শর্ত: তেহরানের অনড় অবস্থান
- পশুর হাটে এবার প্রেসিডেন্ট হাজির! ট্রাম্প দেখতে মানুষের ঢল
- পাউলো দিবালার করুণ বিদায়: জাতীয় দল ও ক্লাব দুই জায়গাতেই ব্রাত্য বিশ্বকাপজয়ী তারকা
- দুপুরের মধ্যে আট অঞ্চলে ঝোড়ো হাওয়ার পূর্বাভাস: ১ নম্বর সতর্ক সংকেত
- হামের দুর্যোগে ৪০০ প্রাণ: দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি স্বাস্থ্যমন্ত্রীর
- পুতিনের হাতে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র: সারমাত ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা
- আগে দাড়ি-টুপিকেও সন্দেহের চোখে দেখা হতো: তথ্যমন্ত্রী
- চীন-বাংলাদেশ বন্ধুত্বে নতুন মাত্রা: স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে বিপুল পরিমাণ পোলিও টিকা অনুদান
- অনলাইনেই মিলছে ঈদের শতভাগ টিকিট: আজ ২৩ মে’র টিকিট বিক্রির শুরু
- ইরানের ভেতরে সৌদির গোপন হামলা: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের নতুন মোড়
- ধৈর্য হারাচ্ছেন ট্রাম্প: ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক হামলার ছক কষছে পেন্টাগন
- স্বর্ণালঙ্কার কিনতে কত খরচ পড়বে? বুধবারের সর্বশেষ সোনার দরপত্র
- কেনাকাটায় বের হওয়ার আগে জেনে নিন: আজ রাজধানীর কোন মার্কেটগুলো বন্ধ
- ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আজকের নামাজের সময়সূচি
- লঘুচাপের প্রভাবে সক্রিয় বর্ষা: কাল থেকে ৩ বিভাগে অতি ভারী বৃষ্টির শঙ্কা
- সীমান্ত হত্যা বন্ধ না হলে লংমার্চের হুঁশিয়ারি নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর
- ইতিহাসের পাতায় নাহিদ রানা: ১৬ বছর পর দেশের মাটিতে পেসারের ফাইফার
- কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে কোনো দেশের সঙ্গে প্রকৃত বন্ধুত্ব গড়া সম্ভব নয়: নাহিদ ইসলাম
- রূপপুরে ঐতিহাসিক মাইলফলক: বিদ্যুৎ উৎপাদনের চূড়ান্ত ধাপে প্রথম ইউনিট
- শান্তি আলোচনায় অচলাবস্থা: বিশ্ববাজারে তেলের দামে রেকর্ড উল্লম্ফন
- নানিয়ারচর জোন কর্তৃক স্কুল শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ
- বিদায়বেলায় ফয়ছল চৌধুরী: স্কটিশ পার্লামেন্টে এক বাঙালির ইতিহাস গড়ার গল্প
- দুর্গন্ধে নাভিশ্বাস ও মরণফাঁদ গর্ত: বুড়িচংয়ের উদাহরণবাগ সড়কে চরম ভোগান্তি
- কুমিল্লা তিতাসে হত্যা মামলার আসামিকে কুপিয়ে হত্যা
- কাল ৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
- কূটনীতি না কি সামরিক হামলা? ইরানের অনড় অবস্থানে দোটানায় ট্রাম্প প্রশাসন
- সীমান্তে পুশইন ঠেকাতে সতর্ক বাংলাদেশ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- ধনীরা আরও ধনী, গরিবরা সংকটে: ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের বলি হচ্ছে এশিয়া
- পুতিনের প্রস্তাব না কি পাল্টা আঘাত? ইরানের পারমাণবিক হুঁশিয়ারিতে নতুন মোড়
- মিরপুরে ইতিহাস: দেশের মাটিতে প্রথমবারের মতো পাকিস্তানকে হারাল বাংলাদেশ!
- ১২ মে: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- ১২ মে: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ১২ মে: শেয়ারবাজারে লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- অল্প বয়সেই মাথায় টাক পড়ার ভয়? ডায়েটে রাখুন এই ৫ সুপারফুড
- চাঁদে এবার চীনের রোবট সেনা: যুক্তরাষ্ট্রকে টেক্কা দিতে হিউম্যানয়েড প্রযুক্তির চমক
- ১৩ রানের আক্ষেপ ও হাতছাড়া বিশ্বরেকর্ড: শান্তর বিদায়ে চাপে বাংলাদেশ
- মুখ্যমন্ত্রী হয়েই বিজয়ের মাস্টারস্ট্রোক: তামিলনাড়ু জুড়ে ৭১৭ মদের দোকান বন্ধ
- ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কে ফাটল ধরাচ্ছে পাকিস্তান: নেতানিয়াহু
- পুঁথিগত বিদ্যা নয়, নজর দিন উদ্ভাবনে: ঢাবিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- করোনার চেয়েও ভয়ংকর? রহস্যময় ‘ইনফ্লুয়েঞ্জা ডি’ নিয়ে বিশ্বজুড়ে চরম সতর্কতা
- কেন বাড়ছে সোনার দাম? রেকর্ড উচ্চতায় দাঁড়িয়ে দেশের জুয়েলারি বাজার
- কালিগঞ্জে বসতবাড়ির যাতায়াত পথ বন্ধ: এক বছরেরও বেশি সময় ধরে চরম ভোগান্তিতে পরিবার
- তামিলনাড়ুতে ‘থালাপতি’ যুগের সূচনা: মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন বিজয়
- আজ শনিবারের নামাজের সময়সূচি: জোহর থেকে এশার পূর্ণাঙ্গ তালিকা
- ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আজকের নামাজের সময়সূচি
- আকাশচুম্বী দামে থমকে আছে স্বর্ণ: সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের বাইরে অলঙ্কার
- বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির ইতিহাস: মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দুর নাম চূড়ান্ত
- কালিগঞ্জের বিষ্ণুপুরে কার্পেটিং সড়ক নির্মাণকাজের উদ্বোধন
- প্রথম সেশনে দাপুটে বোলিংয়ে পাকিস্তানের ওপর নিয়ন্ত্রণ বাংলাদেশের
- ২৭ না কি ২৮ মে? কোরবানির ঈদ নিয়ে যা জানাল বিভিন্ন দেশের আবহাওয়া দপ্তর
- আজকের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সময়সূচি প্রকাশ
- দেশের ইতিহাসে স্বর্ণের দামে নতুন রেকর্ড
- হেক্সা জয়ের লক্ষ্যে ব্রাজিলের ৫৫ সদস্যের স্কোয়াড ঘোষণা
- পুঁথিগত বিদ্যা নয়, নজর দিন উদ্ভাবনে: ঢাবিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- জুমার ৫ আমল বদলে দিতে পারে পুরো সপ্তাহ








