খামেনি হত্যার প্রতিশোধ নিতে মরিয়া আইআরজিসি: ৭ রাউন্ডের হামলায় তছনছ ইসরায়েল

মধ্যপ্রাচ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২৪ ১৯:৪৮:৪৭
খামেনি হত্যার প্রতিশোধ নিতে মরিয়া আইআরজিসি: ৭ রাউন্ডের হামলায় তছনছ ইসরায়েল
ছবি : সংগৃহীত

ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান সংঘাত এক বিধ্বংসী রূপ ধারণ করেছে। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ ২০২৬) ইসরায়েলের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইরানের ধারাবাহিক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় এখন পর্যন্ত ৪ হাজার ৮২৯ জন ইসরায়েলি আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে ১১১ জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এবং ১২ জনের অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন। ইরানের সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজ জানিয়েছে, ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) ইসরায়েল এবং মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্য করে তাদের ‘৭৭তম’ দফার হামলা শুরু করেছে। এই দফায় 'খাইবার শেকান' ক্ষেপণাস্ত্র এবং শক্তিশালী ড্রোন ব্যবহার করে ইসরায়েলের উত্তর, মধ্য ও দক্ষিণ অংশে একযোগে আঘাত হানা হয়েছে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযান 'অপারেশন এপিক ফিউরি' এবং 'অপারেশন রোয়ারিং লায়ন'-এর প্রতিশোধ হিসেবেই ইরান এই পাল্টা হামলা চালাচ্ছে। উল্লেখ্য, পশ্চিমা বাহিনীর হামলায় ইতোমধ্যে ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি, শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা আলী লারিজানি এবং আইআরজিসি কমান্ডার মোহাম্মদ পাকপৌরসহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব নিহত হয়েছেন। ইরানে নিহতের সংখ্যা ২ হাজার ছাড়িয়েছে এবং বহু গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা মাটির সাথে মিশিয়ে দেওয়া হয়েছে। এরই প্রেক্ষিতে ইরান এখন ইসরায়েলের পাশাপাশি কুয়েতের আলি আল সালেম, সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান এবং আমিরাতের আল-দাফরা মার্কিন ঘাঁটিতেও হামলার লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণ করেছে।

মধ্যপ্রাচ্যের এই পাল্টাপাল্টি হামলায় পুরো অঞ্চলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। একদিকে ইরানের 'সুপার-হেভি' ও 'পয়েন্ট-অ্যান্ড-শুট' মিসাইল সিস্টেমের ব্যবহার, অন্যদিকে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের মুহুর্মুহু বিমান হামলা—সব মিলিয়ে এক ভয়াবহ মানবিক ও কৌশলগত সংকট তৈরি হয়েছে। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দিয়ে এসব ক্ষেপণাস্ত্র ঠেকানোর চেষ্টা করলেও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ক্রমে বেড়েই চলেছে। ইরান জানিয়েছে, তাদের এই অভিযান ততক্ষণ চলবে যতক্ষণ না পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল তাদের ভূখণ্ড থেকে পিছু হঠছে।

/আশিক


যুক্তরাষ্ট্রের সামনে নতি স্বীকার নয়: ‘পূর্ণাঙ্গ বিজয়’ না হওয়া পর্যন্ত লড়বে ইরান

মধ্যপ্রাচ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২৪ ১৮:৪৯:৪২
যুক্তরাষ্ট্রের সামনে নতি স্বীকার নয়: ‘পূর্ণাঙ্গ বিজয়’ না হওয়া পর্যন্ত লড়বে ইরান
ছবি : সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান রক্তক্ষয়ী সংঘাতের মাঝেই একটু ও পিছু না হটার ঘোষণা দিয়েছে ইরান। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ ২০২৬) ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর শীর্ষ কমান্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, 'পূর্ণাঙ্গ বিজয়' অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত তারা এই লড়াই চালিয়ে যাবে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত এক ভিডিও বার্তায় দেশটির সামরিক বাহিনীর 'খাতাম-আল আম্বিয়া সেন্ট্রাল হেডকোয়ার্টার্স'-এর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা আলী আবদুল্লাহি আলিয়াবাদি এই কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।

জেনারেল আলিয়াবাদি তার বক্তব্যে অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসের সাথে বলেন, "ইরানের অখণ্ডতা রক্ষায় আমাদের সশস্ত্র বাহিনী গর্বিত এবং অবিচল। বিজয় নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত আমাদের এই পথচলা থামবে না।" যদিও তিনি 'পূর্ণ বিজয়' বলতে ঠিক কী বোঝাতে চেয়েছেন তা স্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করেননি, তবে আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের ধারণা, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো ধরনের আপস বা আলোচনায় ইরানের সামরিক বাহিনী যে সহজে নতি স্বীকার করবে না, এটি তারই একটি আগাম সতর্কবার্তা। বিশেষ করে সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবের পর ইরানের এই অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।

ইরানের এই অনড় মনোভাবের ফলে ওই অঞ্চলে উত্তেজনা এখন চরমে। একদিকে ইরান তাদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সক্ষমতা বাড়িয়েই চলেছে, অন্যদিকে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র তাদের সামরিক শক্তি দিয়ে পাল্টা জবাব দিচ্ছে। ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর এই নতুন ঘোষণায় স্পষ্ট যে, মধ্যপ্রাচ্যের এই ভূ-রাজনৈতিক লড়াই অদূর ভবিষ্যতে থামার কোনো লক্ষণ নেই। এই ঘোষণা বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের সরবরাহ এবং আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার ওপরও নতুন করে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

/আশিক


১০ ঘণ্টায় ইরানের ৭ দফা হামলা: তেল আবিব ও ডিমোনায় মুহুর্মুহু ক্ষেপণাস্ত্র

মধ্যপ্রাচ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২৪ ১৮:১০:০৯
১০ ঘণ্টায় ইরানের ৭ দফা হামলা: তেল আবিব ও ডিমোনায় মুহুর্মুহু ক্ষেপণাস্ত্র
ছবি : সংগৃহীত

ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান যুদ্ধ এখন এক চরম উত্তেজনাকর পর্যায়ে পৌঁছেছে। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ ২০২৬) প্রকাশিত আল-জাজিরা ও সিএনএনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত মধ্যরাত থেকে মাত্র ১০ ঘণ্টার ব্যবধানে ইসরায়েলের ওপর অন্তত ৭ দফা শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে তেহরান। এবারের হামলায় ইসরায়েলের বাণিজ্যিক কেন্দ্র তেল আবিব ছাড়াও কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ডিমোনা শহরকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। ডিমোনায় হামলার সময় সাইরেন বেজে উঠলে স্থানীয় নাগরিকদের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং সবাই নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য ছুটতে থাকেন।

তেল আবিবে হওয়া হামলার বেশ কিছু ভিডিও ফুটেজ ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, যেখানে দেখা যাচ্ছে কয়েকটি ভবন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং সেখান থেকে আগুনের লেলিহান শিখা ও কালো ধোঁয়া বের হচ্ছে। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে দ্রুত উদ্ধারকর্মী পাঠিয়েছে এবং আহতদের চিকিৎসা সেবা দিচ্ছে। তবে ইরান কেবল দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রই নয়, বরং গুচ্ছ বোমা (ক্লাস্টার ওয়ারহেড) সমৃদ্ধ উন্নত প্রযুক্তির মিসাইল ব্যবহার করছে বলে দাবি করছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো।

পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে ইসরায়েলও ইরানে তাদের বিমান হামলা জোরদার করেছে। আইডিএফ জানিয়েছে, গত এক রাতেই তারা ইরানের অভ্যন্তরে ৫০টিরও বেশি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে। যুদ্ধের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত ইরানের ৩ হাজারের বেশি সামরিক স্থাপনা ও ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণস্থলে হামলা চালানোর দাবি করেছে ইসরায়েল। তবে তারা জোর দিয়ে বলছে যে, তাদের মূল লক্ষ্য কেবল সামরিক কাঠামো এবং তারা কোনো বেসামরিক এলাকায় হামলা করছে না। মধ্যপ্রাচ্যের দুই শক্তিশালী দেশের এই বিধ্বংসী পাল্টাপাল্টি হামলা এখন এক দীর্ঘমেয়াদী আঞ্চলিক মহাযুদ্ধের আশঙ্কা তৈরি করছে।

/আশিক


শত কেজি বিস্ফোরকের সফল আঘাত: ইসরায়েলের হৃদপিণ্ডে ক্ষত সৃষ্টি করল ইরান

মধ্যপ্রাচ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২৪ ১৭:৩৭:০২
শত কেজি বিস্ফোরকের সফল আঘাত: ইসরায়েলের হৃদপিণ্ডে ক্ষত সৃষ্টি করল ইরান
ছবি : সংগৃহীত

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় তেল আবিবের একটি অভিজাত এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ ২০২৬) তেল আবিবের মেয়র রন হুলদাই নিশ্চিত করেছেন যে, একটি শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্রের ‘সরাসরি আঘাতে’ শহরের একটি ভবন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি বাংলা ও বার্তা সংস্থা এএফপি-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, শহরের উত্তরাঞ্চলের একটি পুরনো তিনতলা ভবন এই হামলায় পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে। ইসরায়েলি পুলিশ ও আর্মি রেডিওর ধারণা, কোনো রকেট লঞ্চার থেকে ছোড়া প্রায় ১০০ কেজি ওজনের বিস্ফোরক সমৃদ্ধ ৩-৪টি ওয়ারহেড এই ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে।

ইসরায়েলের জরুরি সেবা বিভাগ এই ধ্বংসলীলার একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে, যেখানে বিস্ফোরণের ভয়াবহতা এবং ভবনের ধসে পড়া অংশ স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে। মেয়র রন হুলদাই জানিয়েছেন, এই ঘটনায় ৪ জন সামান্য আহত হয়েছেন। তবে সৌভাগ্যবশত কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি। আহতদের দ্রুত প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে উদ্ধারকারী সংস্থাগুলো। মূলত উত্তর তেল আবিবের অভিজাত আবাসিক এলাকাকে লক্ষ্য করেই এই শক্তিশালী হামলা চালানো হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের এই সরাসরি আঘাত ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। হাইফা এবং জেরুজালেমের পর তেল আবিবের কেন্দ্রস্থলে এই ধরনের বিধ্বংসী বিস্ফোরণ মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলল। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী ঘটনাস্থল ঘিরে রেখেছে এবং বিস্ফোরক বিশেষজ্ঞরা ওয়ারহেডগুলোর প্রকৃতি পরীক্ষা করে দেখছেন। শহরজুড়ে নতুন করে সতর্কতা জারি করা হয়েছে এবং নাগরিকদের নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

/আশিক


ক্লাস্টার মিসাইলে কাঁপছে উত্তর ইসরাইল: আহতদের উদ্ধারে রেড ক্রিসেন্ট

মধ্যপ্রাচ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২৪ ১১:৩৩:১৬
ক্লাস্টার মিসাইলে কাঁপছে উত্তর ইসরাইল: আহতদের উদ্ধারে রেড ক্রিসেন্ট
ছবি : সংগৃহীত

ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) মঙ্গলবার (২৪ মার্চ ২০২৬) সকালে ইসরাইলের ওপর তাদের ৭৮তম দফার প্রতিশোধমূলক হামলা চালিয়েছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা এবং ডন-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, এবার ইসরাইলের হাইফা শহরে সরাসরি আঘাত হেনেছে ইরানের শক্তিশালী 'কদর' ক্ষেপণাস্ত্র, যা গুচ্ছ বোমা বা ক্লাস্টার ওয়ারহেডে সজ্জিত ছিল। আইআরজিসি এক বিবৃতিতে নিশ্চিত করেছে যে, তারা ইসরাইলি প্রতিরক্ষা ব্যূহ ভাঙতে এই উন্নত প্রযুক্তির ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে। হামলার পর উত্তর ইসরাইলের বিভিন্ন স্থানে ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ ছড়িয়ে পড়ার খবর পাওয়া গেছে।

ইসরাইলের জরুরি সেবা সংস্থা মাগেন ডেভিড অ্যাডম (MADA) জানিয়েছে, হাইফা শহরে একটি বাড়িতে গুচ্ছ বোমা আঘাত হানলেও এখন পর্যন্ত কোনো নিহতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষের ওপর পা দিয়ে ৩০ বছর বয়সী এক ব্যক্তি আহত হয়েছেন এবং নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার সময় এক নারী আঘাত পেয়েছেন। এছাড়া বিকট শব্দে আতঙ্কিত হয়ে পড়া বেশ কয়েকজন ব্যক্তিকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। সোমবার সন্ধ্যা থেকে মঙ্গলবার ভোর পর্যন্ত চলা এই দীর্ঘ হামলায় জেরুজালেম, হাইফা, তেল আবিব এবং পশ্চিম গ্যালিলি এলাকায় রেড অ্যালার্ট জারি করা হয়েছিল।

ইসরাইলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তারা ইরান থেকে আসা নতুন ক্ষেপণাস্ত্রের সংকেত পাওয়ার পরপরই আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করেছে। কিছুক্ষণ আগে ইসরাইলের মধ্যাঞ্চলে একটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানলেও সেটি খোলা জায়গায় পড়ায় বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। তবে তেল আবিব এবং অধিকৃত পশ্চিম তীরের বিস্তীর্ণ এলাকায় সাইরেন বেজে ওঠায় জনমনে চরম আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। হোম ফ্রন্ট কমান্ড থেকে নাগরিকদের মোবাইল ফোনে সরাসরি সতর্কবার্তা পাঠিয়ে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে অবস্থান করতে বলা হয়েছে।

সূত্র: জেরুসালেম পোস্ট ও আল জাজিরা।


জেরুজালেমে বিকট বিস্ফোরণ; ইরান থেকে ধেয়ে আসছে একের পর এক মিসাইল

মধ্যপ্রাচ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২৪ ১০:১৯:৩৮
জেরুজালেমে বিকট বিস্ফোরণ; ইরান থেকে ধেয়ে আসছে একের পর এক মিসাইল
ছবি : সংগৃহীত

ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান সংঘাত এক ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ ২০২৬) জেরুজালেম শহর এক বিকট বিস্ফোরণের শব্দে কেঁপে ওঠে। বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, ইসরায়েলি সেনাবাহিনী ইরান থেকে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের বিষয়টি শনাক্ত করার কয়েক মিনিটের মধ্যেই তাদের সংবাদকর্মীরা এই শক্তিশালী বিস্ফোরণের শব্দ শুনতে পান। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী এক জরুরি বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারা এই ‘হুমকি প্রতিহতের চেষ্টা’ করছে এবং তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় রয়েছে।

এই সংঘাতের আঁচ শুধু ইসরায়েলেই সীমাবদ্ধ নেই, পার্শ্ববর্তী দেশ কুয়েতেও হামলার চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। এক ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে কুয়েতজুড়ে দুইবার সাইরেন বেজে উঠেছে। কুয়েতের সেনাবাহিনী নিশ্চিত করেছে যে, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ‘শত্রুভাবাপন্ন ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা’ প্রতিহত করতে কাজ করছে। মাঝআকাশে এসব লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করার কারণেই মূলত কুয়েতের বিভিন্ন প্রান্তে বিস্ফোরণের বিকট শব্দ শোনা যাচ্ছে।

উদ্ভূত পরিস্থিতিতে কুয়েত কর্তৃপক্ষ তাদের নাগরিকদের সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার এবং সরকারি সব নির্দেশনা কঠোরভাবে মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের এই অস্থিতিশীল পরিস্থিতি এবং আকাশপথে একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার ঘটনা বিশ্বজুড়ে নতুন করে যুদ্ধের আতঙ্ক তৈরি করেছে। দুই দেশের এই পাল্টাপাল্টি অবস্থানে পুরো অঞ্চলের নিরাপত্তা এখন চরম ঝুঁকির মুখে।

তথ্যসূত্র : আলজাজিরা


ইসরায়েলে ইরানের মুহুর্মুহু ক্ষেপণাস্ত্র হামলা: জেরুজালেম-তেল আবিবে মহ আতঙ্ক

মধ্যপ্রাচ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২৪ ০৯:৩৯:১৯
ইসরায়েলে ইরানের মুহুর্মুহু ক্ষেপণাস্ত্র হামলা: জেরুজালেম-তেল আবিবে মহ আতঙ্ক
ছবি : সংগৃহীত

ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে চলমান সংঘাত আজ মঙ্গলবার (২৪ মার্চ ২০২৬) এক ভয়াবহ মোড় নিয়েছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা এবং দ্য হিন্দু-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরান থেকে ইসরায়েলের দিকে কয়েক দফায় ঝাঁকে ঝাঁকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, তারা তেল আবিব, নেতানিয়া এবং ঋষভ লেজিয়নসহ দেশটির মধ্যাঞ্চলে ইরানি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের হামলা শনাক্ত করেছে। এর ফলে জেরুজালেমসহ বেশ কিছু শহরে বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে এবং উত্তর ইসরায়েলের একটি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

সংঘাতের আঁচ লেগেছে পার্শ্ববর্তী দেশ কুয়েতেও। এক ঘণ্টার ব্যবধানে কুয়েতজুড়ে দুইবার সতর্ক সংকেত বা সাইরেন বেজে উঠেছে। কুয়েতের সেনাবাহিনী নিশ্চিত করেছে যে, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা 'শত্রুভাবাপন্ন ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন' প্রতিহত করতে সক্রিয় রয়েছে। আকাশেই এসব লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করার কারণে কুয়েতের বিভিন্ন প্রান্তে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যাচ্ছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে কুয়েত সরকার নাগরিকদের সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার এবং সরকারি নির্দেশনা মেনে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার পরামর্শ দিয়েছে।

আশ্চর্যের বিষয় হলো, এই হামলার মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছিলেন যে, ইরানের সাথে 'ইতিবাচক আলোচনা' হয়েছে এবং তিনি হামলা ৫ দিনের জন্য স্থগিত রাখছেন। তবে ইরান সেই আলোচনার দাবি সরাসরি প্রত্যাখ্যান করে ইসরায়েলের ওপর এই নতুন করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শুরু করল। এই পাল্টাপাল্টি হামলার প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম আবারও ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের উপরে উঠে গেছে। মধ্যপ্রাচ্যের এই অস্থিতিশীলতা এখন এক আঞ্চলিক মহাযুদ্ধের আশঙ্কা তৈরি করছে।

/আশিক


তেল আবিব ও হাইফায় আগুনের বৃষ্টি: খায়বার-শেকান মিসাইলে কাঁপছে ইসরায়েল

মধ্যপ্রাচ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২৩ ২০:৪৮:১৪
তেল আবিব ও হাইফায় আগুনের বৃষ্টি: খায়বার-শেকান মিসাইলে কাঁপছে ইসরায়েল
ছবি : সংগৃহীত

ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) এক চাঞ্চল্যকর বিবৃতিতে দাবি করেছে যে, তারা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে একযোগে ৭৬টি শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। সোমবার (২৩ মার্চ ২০২৬) প্রকাশিত এই বিবৃতিতে আইআরজিসি জানায়, শত্রুপক্ষের সামরিক অবকাঠামো ধ্বংসের ধারাবাহিকতায় তারা এই বড় ধরনের অভিযান পরিচালনা করেছে। হামলার লক্ষ্যবস্তু হিসেবে আল-ধাফরা, ভিক্টোরিয়া, কিং সুলতান বিমানঘাঁটি এবং বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন পঞ্চম নৌবহরকে চিহ্নিত করা হয়েছে।

আইআরজিসি-র তথ্যমতে, মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে ড্রোন ছাড়াও তাদের নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি শক্তিশালী তরল-জ্বালানি চালিত 'কিয়াম' এবং কঠিন-জ্বালানি চালিত 'জুলফিকার' ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে কার্যকরভাবে আঘাত হানা হয়েছে। একই সময়ে ইসরায়েলের অভ্যন্তরেও ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে ইরানি এই বাহিনী। ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো লক্ষ্য করে আশকেলন, তেল আবিব, হাইফা ও গুশ দান শহরে ভারী ক্ষেপণাস্ত্র এবং গাইডেড সমরাস্ত্র দিয়ে আক্রমণ করা হয়েছে।

বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয় যে, ইসরায়েলি শহরগুলোতে আঘাত হানতে তারা মূলত 'খায়বার-শেকান' এবং 'কিয়াম' তরল জ্বালানি চালিত ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ব্যবহার করেছে। আইআরজিসি-র এই দাবি অনুযায়ী, ড্রোন ও ব্যালিস্টিক মিসাইলের এই সমন্বিত আক্রমণে মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনীর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে। যদিও যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েলের পক্ষ থেকে এই হামলার ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য জানানো হয়নি। মধ্যপ্রাচ্যের এই ক্রমবর্ধমান সংঘাত এখন এক চূড়ান্ত যুদ্ধের রূপ নিচ্ছে বলে ধারণা করছেন সামরিক বিশ্লেষকরা।

সূত্র: বিবিসি বাংলা


সৌদি ও বাহরাইনে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের মিসাইল হামলা

মধ্যপ্রাচ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২৩ ১৮:৪৯:১৫
সৌদি ও বাহরাইনে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের মিসাইল হামলা
ছবি : সংগৃহীত

ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) আজ সোমবার (২৩ মার্চ ২০২৬) সৌদি আরব ও বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে বড় ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে। আল-জাজিরা এবং ডন-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, আইআরজিসির খাতাম আল-আম্বিয়া সদর দপ্তর এই হামলার দায় স্বীকার করেছে। তাদের দাবি অনুযায়ী, সৌদি আরবের আল-খারজে অবস্থিত প্রিন্স সুলতান এয়ার বেস এবং বাহরাইনে মোতায়েন মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম নৌবহর (5th Fleet) লক্ষ্য করে এই অভিযান চালানো হয়েছে।

আইআরজিসি জানিয়েছে, প্রিন্স সুলতান এয়ার বেসটি যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা বিমান মোতায়েন এবং মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক সরঞ্জাম পরিচালনার একটি প্রধান কেন্দ্র। এই ঘাঁটিতে তারা শক্তিশালী ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে হামলা চালিয়েছে। অন্যদিকে, বাহরাইনের মানামায় অবস্থিত মার্কিন নৌবাহিনীর সদর দপ্তরেও ড্রোন ও মিসাইল আঘাত হেনেছে বলে দাবি করা হয়েছে। যদিও এই হামলার ফলে হওয়া ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র বা সৌদি আরবের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়নি।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো জানাচ্ছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের অংশ হিসেবেই ইরান এই পাল্টাপাল্টি হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আজই ইরানের জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলা সাময়িকভাবে স্থগিত করার ইঙ্গিত দিয়েছেন, তবুও আইআরজিসি-র এই হামলা মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনাকে নতুন করে উসকে দিয়েছে।

/আশিক


পারস্য উপসাগরে মাইন স্থাপনের হুমকি ইরানের: বিশ্ব তেলের বাজারে মহাপ্রলয়ের সংকেত

মধ্যপ্রাচ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২৩ ১৭:২৬:৪১
পারস্য উপসাগরে মাইন স্থাপনের হুমকি ইরানের: বিশ্ব তেলের বাজারে মহাপ্রলয়ের সংকেত
ছবি : সংগৃহীত

পারস্য উপসাগরের সমস্ত যোগাযোগ পথে মাইন স্থাপন করার এক ভয়াবহ হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। সোমবার (২৩ মার্চ ২০২৬) দেশটির জাতীয় প্রতিরক্ষা পরিষদের বরাতে আল-জাজিরা জানিয়েছে, যদি ইরানের উপকূল বা কোনো দ্বীপপুঞ্জে হামলার চেষ্টা করা হয়, তবে তারা এই কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। মধ্যপ্রাচ্যের এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ দিয়ে বিশ্বের সিংহভাগ জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হয়, ফলে ইরানের এই হুমকি বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় ধরনের বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এদিকে, সৌদি আরবে অবস্থিত মার্কিন বিমানঘাঁটি এবং বাহরাইনে মার্কিন পঞ্চম নৌবহরে সরাসরি হামলার দাবি করেছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) খাতাম আল-আম্বিয়া সদর দপ্তর। আইআরজিসি জানিয়েছে, তাদের বাহিনী সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটি এবং বাহরাইনের মার্কিন নৌঘাঁটি লক্ষ্য করে শক্তিশালী ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। তাদের দাবি অনুযায়ী, প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটিটি মার্কিন গোয়েন্দা বিমান মোতায়েন এবং সামরিক অভিযানের জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল।

আইআরজিসির এই দাবি নিয়ে এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে কোনো তাৎক্ষণিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি। এছাড়া কোনো স্বতন্ত্র আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বা সূত্র থেকেও এই হামলার সত্যতা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। তবে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান চরম উত্তেজনার মাঝে মার্কিন কৌশলগত ঘাঁটিগুলোতে এই ধরনের হামলার দাবি পুরো অঞ্চলের নিরাপত্তা সমীকরণকে আরও জটিল করে তুলেছে। ইরানের এই অনড় অবস্থান এবং জলপথে মাইন স্থাপনের হুমকি বিশ্বজুড়ে নতুন করে যুদ্ধের আতঙ্ক ছড়িয়ে দিচ্ছে।

/আশিক

পাঠকের মতামত: