আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দামে বড় ধস, দেশে কমলো কত

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২৪ ১৯:২০:২৯
আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দামে বড় ধস, দেশে কমলো কত
ছবি: সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দামে আকস্মিক বড় পতন এবং স্থানীয় পর্যায়ে তেজাবি স্বর্ণের মূল্য হ্রাসের ফলে বাংলাদেশের বাজারেও মূল্যবান এই ধাতুর দামে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, গত ১০ দিনের ধারাবাহিক পতনে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম প্রায় ২২ শতাংশ পর্যন্ত কমে গেছে, যা সাম্প্রতিক দশকগুলোর মধ্যে অন্যতম বড় সংশোধন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

এই বৈশ্বিক মূল্যপতনের সরাসরি প্রভাব পড়েছে দেশের বাজারে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) গত ১৯ মার্চ একদিনেই দুই দফায় স্বর্ণের দাম কমানোর যে সিদ্ধান্ত নেয়, সেই মূল্যহার অনুযায়ীই বর্তমানে বাজারে কেনাবেচা চলছে।

দুই ধাপে সর্বমোট ভরিতে প্রায় ১৫ হাজার ৩৩৮ টাকা কমানোর ফলে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়ে ২ লাখ ৪৬ হাজার ৯২৭ টাকায় নেমে এসেছে, যা এর আগে ছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ২৬৫ টাকা। একইভাবে ২১ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি এখন ২ লাখ ৩৫ হাজার ৬৭১ টাকা এবং ১৮ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ২ হাজার ২০ টাকায়।

অন্যদিকে সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দামও কমে ১ লাখ ৬৪ হাজার ৫২১ টাকায় নির্ধারণ করা হয়েছে। শুধু স্বর্ণই নয়, রুপার বাজারেও প্রভাব পড়েছে; ২২ ক্যারেট রুপার ভরি এখন ৫ হাজার ৩৬৫ টাকা এবং ২১ ক্যারেট রুপা বিক্রি হচ্ছে ৫ হাজার ১৩২ টাকায়।

বিশ্ববাজার বিশ্লেষণকারী সংস্থাগুলোর তথ্য অনুযায়ী, প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম সাম্প্রতিক সময়ে ৫ হাজার ডলারের উচ্চতা থেকে নেমে ৪ হাজার ৩৪০ থেকে ৪ হাজার ৩৬৫ ডলারের মধ্যে অবস্থান করছে। কেবল একদিনেই স্বর্ণের দাম প্রায় ১.৫ শতাংশ পর্যন্ত কমেছে, যা ডলারের হিসাবে ৪০ থেকে ৯২ ডলার পর্যন্ত পতনের সমতুল্য।

বিশ্লেষকদের মতে, এই দরপতনের পেছনে একাধিক বৈশ্বিক কারণ কাজ করছে—বিশেষ করে ডলার শক্তিশালী হওয়া, সুদের হার সংক্রান্ত অনিশ্চয়তা এবং বিনিয়োগকারীদের বিকল্প সম্পদের দিকে ঝোঁক বৃদ্ধি। এছাড়া নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে স্বর্ণের চাহিদা সাময়িকভাবে কমে যাওয়াও এর একটি কারণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

২০২৬ সালের শুরুতে স্বর্ণের দাম যেখানে ইতিহাসের সর্বোচ্চ ৫ হাজার ৬০৮ ডলারে পৌঁছেছিল, সেখান থেকে বর্তমান দামে এই বড় পতন বাজারে একটি উল্লেখযোগ্য সংশোধনের ইঙ্গিত দেয়। গত এক সপ্তাহেই আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের মূল্য প্রায় ৯ থেকে ১১ শতাংশ কমেছে, যা বাজারের অস্থিরতাকে আরও স্পষ্ট করে তুলেছে।

দেশীয় বাজারে এই বৈশ্বিক প্রভাব দ্রুত প্রতিফলিত হওয়ায় বাজুস একদিনে দুই দফায় মূল্য সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নেয় প্রথম দফায় সকালে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা এবং দ্বিতীয় দফায় বিকেলে আরও ৭ হাজার ৬৯৮ টাকা কমানো হয়।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি ২০২৬ সালে এখন পর্যন্ত দেশে মোট ৪৫ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে, যার মধ্যে ১৯ বার দাম কমানো হয়েছে। এটি নির্দেশ করে যে বাজারে অস্থিরতা অব্যাহত রয়েছে এবং মূল্য সমন্বয় একটি চলমান প্রক্রিয়া।

-রফিক


আজকের বৈদেশিক মুদ্রার রেট কত, জানুন সর্বশেষ আপডেট

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২৪ ১২:৩৯:৫২
আজকের বৈদেশিক মুদ্রার রেট কত, জানুন সর্বশেষ আপডেট
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বৈদেশিক বাণিজ্য ও প্রবাসী আয়ের ভূমিকা ক্রমাগত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। বিশ্বব্যাপী বিস্তৃত প্রবাসী বাংলাদেশিদের পাঠানো রেমিট্যান্স দেশের অর্থনৈতিক প্রবাহ সচল রাখতে একটি প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করছে। এই প্রেক্ষাপটে আন্তর্জাতিক লেনদেন সহজ করতে বৈদেশিক মুদ্রার হালনাগাদ বিনিময় হার জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, রোববার দেশের আন্তঃব্যাংক মুদ্রা বাজারে মার্কিন ডলারের ক্রয় ও বিক্রয় মূল্য সমানভাবে ১২২ টাকা ৭৫ পয়সায় নির্ধারণ করা হয়েছে। ফলে ডলারের গড় বিনিময় হারও একই পর্যায়ে অবস্থান করছে, যা সাম্প্রতিক সময়ের তুলনায় একটি স্থিতিশীল প্রবণতা নির্দেশ করে।

ইউরোপীয় মুদ্রা ইউরোর ক্ষেত্রে ক্রয়মূল্য ধরা হয়েছে ১৪২ টাকা ৫৩ পয়সা এবং বিক্রয়মূল্য ১৪২ টাকা ৫৬ পয়সা। অপরদিকে ব্রিটিশ পাউন্ডের ক্রয়মূল্য ১৬৪ টাকা ৮২ পয়সা এবং বিক্রয়মূল্য ১৬৪ টাকা ৮৬ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা আন্তর্জাতিক বাজারে পাউন্ডের শক্তিশালী অবস্থানকে প্রতিফলিত করে।

এশীয় মুদ্রাগুলোর মধ্যে জাপানি ইয়েনের বিনিময় হার তুলনামূলকভাবে নিম্ন পর্যায়ে রয়েছে, যেখানে ক্রয় ও বিক্রয় উভয় ক্ষেত্রেই এর মূল্য ০.৭৭ টাকা। একইভাবে ভারতীয় রুপির বিনিময় হার ১.৩১ টাকায় স্থিতিশীল রয়েছে, যা বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তবর্তী বাণিজ্যের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ।

অন্যদিকে অস্ট্রেলিয়ান ডলারের ক্রয়মূল্য ৮৬ টাকা ০৯ পয়সা এবং বিক্রয়মূল্য ৮৬ টাকা ০২ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। সিঙ্গাপুর ডলারের ক্ষেত্রে ক্রয়মূল্য ৯৬ টাকা ২৮ পয়সা এবং বিক্রয়মূল্য ৯৬ টাকা ২৯ পয়সা। কানাডিয়ান ডলার উভয় ক্ষেত্রেই ৮৯ টাকা ৪২ পয়সায় স্থির রয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, বৈদেশিক মুদ্রার এই বিনিময় হার আন্তর্জাতিক বাজারের ওঠানামা, ডলারের বৈশ্বিক চাহিদা, আমদানি-রপ্তানির ভারসাম্য এবং প্রবাসী আয়ের প্রবাহের ওপর নির্ভর করে নিয়মিত পরিবর্তিত হয়। বিশেষ করে রেমিট্যান্স প্রবাহের সময় এই হার প্রবাসীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নির্ধারণে ভূমিকা রাখে।

তবে বাংলাদেশ ব্যাংক সতর্ক করে জানিয়েছে, বাজার পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে এই বিনিময় হার যেকোনো সময় পরিবর্তিত হতে পারে। ফলে প্রবাসী ও ব্যবসায়ীদের নিয়মিত হালনাগাদ তথ্য অনুসরণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

-রফিক


স্বর্ণের বাজারে বড় ধস: গত বছরের রেকর্ড ভাঙছে ২০২৬-এর স্বর্ণের বাজার

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২৪ ১০:০৭:৩২
স্বর্ণের বাজারে বড় ধস: গত বছরের রেকর্ড ভাঙছে ২০২৬-এর স্বর্ণের বাজার
ছবি : সংগৃহীত

আসন্ন ঈদুল ফিতরের আগে দেশের বাজারে টানা দুই দফা স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। সর্বশেষ ঘোষণা অনুযায়ী, প্রতি ভরিতে ৭ হাজার ৬৯৮ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৪৪ হাজার ৯২৭ টাকা।

গত বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ ২০২৬) বিকেল থেকেই এই নতুন দাম কার্যকর হয়েছে এবং আজ মঙ্গলবার (২৪ মার্চ ২০২৬) সারাদেশে এই নির্ধারিত দামেই স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে। বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম কমে যাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নতুন এই মূল্য তালিকায় দেখা যাচ্ছে, মানভেদে স্বর্ণের দামে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ এখন ২ লাখ ৪৬ হাজার ৯২৭ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২ হাজার ২০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়া সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৬৪ হাজার ৫২১ টাকা। বাজুসের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৬ সালের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত মোট ৪৫ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে, যার মধ্যে ২৬ বার দাম বাড়ানো হয়েছে এবং ১৯ বার কমানো হয়েছে।

২০২৫ সালেও স্বর্ণের বাজারে ব্যাপক অস্থিরতা লক্ষ্য করা গিয়েছিল। গত বছর মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল, যার মধ্যে ৬৪ বারই ছিল দাম বাড়ানোর ঘটনা এবং মাত্র ২৯ বার দাম কমানো হয়েছিল। তবে এবারের ঈদের ঠিক আগে বড় অঙ্কের এই দাম কমানোর সিদ্ধান্তকে সাধারণ ক্রেতাদের জন্য একটি বড় স্বস্তি হিসেবে দেখা হচ্ছে। জুয়েলারি ব্যবসায়ীরা মনে করছেন, দাম কমায় ঈদের কেনাকাটায় স্বর্ণের অলঙ্কারের চাহিদা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাবে।

/আশিক


ট্রাম্পের যুদ্ধ স্থগিতের ঘোষণায় সোনার বাজারে ধস: ১০ শতাংশ কমল দাম

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২৩ ১৮:৫৩:০৯
ট্রাম্পের যুদ্ধ স্থগিতের ঘোষণায় সোনার বাজারে ধস: ১০ শতাংশ কমল দাম
ছবি : সংগৃহীত

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র ও জ্বালানি অবকাঠামোতে সামরিক হামলা পাঁচ দিনের জন্য স্থগিতের ঘোষণা দিতেই আন্তর্জাতিক ও দেশীয় বাজারে স্বর্ণ ও রুপার দামে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। সোমবার (২৩ মার্চ ২০২৬) ট্রাম্পের এই আকস্মিক ঘোষণা মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা কমার ইঙ্গিত দিলে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে স্বস্তি ফেরে, যার সরাসরি প্রভাব পড়ে মূল্যবান ধাতুর বাজারে। ঘরোয়া ফিউচার মার্কেট এমসিএক্স-এ (MCX) সোনার দাম এক পর্যায়ে ১০ শতাংশ পর্যন্ত কমে প্রতি ১০ গ্রামে ১,৩০,০০০ টাকার নিচে নেমে গিয়েছিল। যদিও পরে তা কিছুটা পুনরুদ্ধার করে শেষ পর্যন্ত ৩ শতাংশ হ্রাসে লেনদেন হয়।

অন্যদিকে, রুপার ফিউচার দর প্রায় ১২ শতাংশ কমে দিনের সর্বনিম্ন পর্যায়ে ২,০০,০০০ টাকার নিচে নেমে গিয়েছিল, যা পরবর্তীতে কিছুটা সামলে নিয়ে ৩.৫ শতাংশ পতনে থিতু হয়। এলকেপি সিকিউরিটিজের বিশেষজ্ঞ জতিন ত্রিবেদী জানিয়েছেন, ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা প্রশমন এবং সুদের হার নিয়ে স্পষ্টতা এলে স্বর্ণের দাম ভবিষ্যতে আরও বড় ধরনের পরিবর্তনের মুখে পড়তে পারে। এমনকি দীর্ঘমেয়াদী সংকটে স্বর্ণের দাম ৫,০০০ ডলার পর্যন্ত পৌঁছানোর সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিচ্ছেন না বিশ্লেষকরা।

এদিকে, বাংলাদেশের বাজারেও ঈদের আগে টানা দুইবার স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। সবশেষ ৭ হাজার ৬৯৮ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৪৪ হাজার ৯২৭ টাকা। গত বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) বিকেল থেকেই এই নতুন দাম কার্যকর হয়েছে এবং আজ সোমবারও নির্ধারিত এই দামেই স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে। নতুন দাম অনুযায়ী, ২১ ক্যারেট স্বর্ণ ২ লাখ ৪৬ হাজার ৯২৭ টাকা এবং ১৮ ক্যারেট ২ লাখ ২ হাজার ২০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। ট্রাম্পের এই ‘পাঁচ দিনের যুদ্ধবিরতি’ ঘোষণা বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামকে আরও স্থিতিশীল করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সূত্র: লাইভমিন্ট


তেজাবি স্বর্ণের বাজারে ধস: ঈদের কেনাকাটায় স্বস্তি নিয়ে এল নতুন দাম

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২৩ ০৯:৪৫:৫৮
তেজাবি স্বর্ণের বাজারে ধস: ঈদের কেনাকাটায় স্বস্তি নিয়ে এল নতুন দাম
ছবি : সংগৃহীত

ঈদের আনন্দ বাড়িয়ে দিতে দেশের বাজারে টানা দ্বিতীয়বারের মতো স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। সবশেষ ঘোষণায় প্রতি ভরিতে ৭ হাজার ৬৯৮ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৪৪ হাজার ৯২৭ টাকা। গত বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ ২০২৬) বিকেলে এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বাজুস এই সিদ্ধান্তের কথা জানায় এবং ওইদিন বিকেল ৩টা ৪৫ মিনিট থেকেই নতুন এই দাম কার্যকর হয়েছে। আজ সোমবারও (২৩ মার্চ ২০২৬) নির্ধারিত এই দামেই বাজারে স্বর্ণ কেনাবেচা হবে।

বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য হ্রাস পাওয়ার প্রেক্ষিতে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে এই নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন মূল্যতালিকা অনুযায়ী, প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম এখন ২ লাখ ৪৪ হাজার ৯২৭ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেট স্বর্ণের দাম প্রতি ভরি ২ লাখ ৩৪ হাজার ৯২৭ টাকা, ১৮ ক্যারেট ২ লাখ ২ হাজার ২০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম প্রতি ভরি ১ লাখ ৬৪ হাজার ৫২১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য যে, চলতি ২০২৬ সালে এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে মোট ৪৫ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ২৬ বার দাম বাড়ানো হয়েছে এবং ১৯ বার কমানো হয়েছে। এর আগে ২০২৫ সালে স্বর্ণের বাজারে ব্যাপক অস্থিরতা দেখা গিয়েছিল; সে বছর মোট ৯৩ বার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল, যার মধ্যে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল এবং ২৯ বার কমানো হয়েছিল। ঈদের আগে পর পর দুইবার দাম কমায় সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে।

/আশিক


ঈদের খুশিতে বাড়তি আনন্দ; স্বর্ণের দামে বড় ধস নামাল বাজুস

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২২ ১০:১৬:৪৫
ঈদের খুশিতে বাড়তি আনন্দ; স্বর্ণের দামে বড় ধস নামাল বাজুস
ছবি : সংগৃহীত

ঈদের উৎসবের মাঝেই সাধারণ ক্রেতাদের জন্য সুখবর নিয়ে এসেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। পবিত্র ঈদুল ফিতরের আগে দুই দফায় স্বর্ণের দাম কমিয়েছে সংস্থাটি। সবশেষ প্রতি ভরিতে ৭ হাজার ৬৯৮ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৪৪ হাজার ৯২৭ টাকা। গত বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) কার্যকর হওয়া এই নতুন দামেই আজ রোববার (২২ মার্চ) দেশের বাজারে স্বর্ণ কেনাবেচা চলছে।

বাজুসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম কমার প্রেক্ষিতেই এই সমন্বয় করা হয়েছে। নতুন মূল্যতালিকা অনুযায়ী, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ ২ লাখ ৪৬ হাজার ৯২৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২ হাজার ২০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ ১ লাখ ৬৪ হাজার ৫২১ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত মোট ৪৫ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে, যার মধ্যে ২৬ বার দাম বেড়েছে এবং ১৯ বার কমেছে। গত ২০২৫ সালে রেকর্ড ৯৩ বার দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস।

/আশিক


দুই দফায় কমলো স্বর্ণের দাম, ভরি মিলবে মাত্র ২ লাখ ২ হাজার টাকায়

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২০ ১০:০১:৪৩
দুই দফায় কমলো স্বর্ণের দাম, ভরি মিলবে মাত্র ২ লাখ ২ হাজার টাকায়
ছবি: সংগৃহীত

দেশের স্বর্ণবাজারে অস্বাভাবিক অস্থিরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে, যেখানে মাত্র এক দিনের ব্যবধানে দুই দফায় মূল্য সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ভরিপ্রতি ৭ হাজার ৬৯৮ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৪৪ হাজার ৯২৭ টাকা, যা বাজারে একটি উল্লেখযোগ্য পতন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার বিকেলে প্রকাশিত এক আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানায়, নতুন এই মূল্য ইতোমধ্যেই কার্যকর হয়েছে এবং নির্ধারিত দামে স্বর্ণ বিক্রি করা হচ্ছে। একই দিনে সকালেও একবার মূল্য সমন্বয় করা হয়েছিল, যা বাজারের দ্রুত পরিবর্তনশীল পরিস্থিতির প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সংগঠনটির ব্যাখ্যা অনুযায়ী, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের মূল্য কমে যাওয়ায় সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এই উপাদানটি সাধারণত আন্তর্জাতিক বাজার, ডলারের বিনিময় হার এবং অভ্যন্তরীণ সরবরাহ পরিস্থিতির সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।

সর্বশেষ নির্ধারিত দামে, প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেট স্বর্ণের মূল্য দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৪৪ হাজার ৯২৭ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেট স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৪৬ হাজার ৯২৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম ২ লাখ ২ হাজার ২০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৬৪ হাজার ৫২১ টাকা।

এর আগে একই দিনের সকালে বাজুস ভরিপ্রতি ৭ হাজার ৬৪০ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৫৪ হাজার ৬২৫ টাকা নির্ধারণ করেছিল। তখন ২১ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ছিল ২ লাখ ৪৩ হাজার ১৯ টাকা, ১৮ ক্যারেট ২ লাখ ৮ হাজার ৩১৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৬৯ হাজার ৬৫৩ টাকা।

বিশ্লেষকদের মতে, একই দিনে দুইবার মূল্য সমন্বয় করা স্বর্ণবাজারের তীব্র অস্থিরতার একটি স্পষ্ট ইঙ্গিত, যা আন্তর্জাতিক বাজারের ওঠানামা, ডলার সংকট, আমদানি ব্যয় এবং স্থানীয় চাহিদা-সরবরাহের পরিবর্তনের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত।

পরিসংখ্যান বলছে, চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে মোট ৪৫ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ২৬ দফায় দাম বেড়েছে এবং ১৯ দফায় কমেছে, যা বাজারের ধারাবাহিক অস্থিরতার চিত্র তুলে ধরে। অন্যদিকে, ২০২৫ সালে মোট ৯৩ বার মূল্য সমন্বয় করা হয়েছিল, যেখানে ৬৪ বার দাম বৃদ্ধি এবং ২৯ বার হ্রাস পেয়েছিল।

অর্থনীতিবিদদের মতে, স্বর্ণের দামে এ ধরনের ঘন ঘন পরিবর্তন বিনিয়োগকারীদের জন্য যেমন অনিশ্চয়তা তৈরি করে, তেমনি সাধারণ ক্রেতাদের জন্যও সিদ্ধান্ত গ্রহণকে কঠিন করে তোলে। তবে দাম কমার এই প্রবণতা স্বল্পমেয়াদে ক্রেতাদের জন্য কিছুটা স্বস্তি নিয়ে এলেও দীর্ঘমেয়াদে বাজারের স্থিতিশীলতা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।

-রাফসান


৬ ঘণ্টার ব্যবধানে আবারও ধস: সোনার দামে বাজুসের ঐতিহাসিক রেকর্ড পতন

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১৯ ১৯:০২:৫৬
৬ ঘণ্টার ব্যবধানে আবারও ধস: সোনার দামে বাজুসের ঐতিহাসিক রেকর্ড পতন
ছবি : সংগৃহীত

দেশের স্বর্ণের বাজারে আজ এক নজিরবিহীন ঘটনা ঘটে গেল। মাত্র ৬ ঘণ্টার ব্যবধানে দ্বিতীয় দফায় সোনার দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ ২০২৬) বিকেলে এক জরুরি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার (পিওর গোল্ড) দাম অস্বাভাবিকভাবে কমে যাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে এই নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। আজ বিকেল থেকেই এই নতুন দাম সারা দেশে কার্যকর হচ্ছে।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সবচেয়ে ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ৭ হাজার ৬৯৮ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৪৬ হাজার ৯২৭ টাকা। উল্লেখ্য যে, আজ সকালেই প্রথম দফায় ভরিতে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা কমানোর ঘোষণা দিয়েছিল বাজুস, যা সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছিল। অর্থাৎ এক দিনেই দুই দফায় বড় অংকের দর পতনের ফলে সাধারণ ক্রেতা ও বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম এখন ২ লাখ ৩৫ হাজার ৬৭১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২ হাজার ২০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনা ১ লাখ ৬৪ হাজার ৫২১ টাকায় বিক্রি হবে।

সোনার পাশাপাশি রুপার দামেও বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হয়েছে। নতুন দরে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৫ হাজার ৩৬৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৫ হাজার ১৩২ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৪ হাজার ৪৩২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৩২৪ টাকায়। বাজুস জানিয়েছে, বিশ্ববাজারের অস্থিরতা এবং স্থানীয় তেজাবি সোনার সরবরাহ বেড়ে যাওয়ায় এই ঐতিহাসিক মূল্য সংশোধন করা হয়েছে।

/আশিক


৬ ঘণ্টায় সোনার দামে বড় পতন, নতুন রেকর্ড

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১৯ ১৭:০৭:১১
৬ ঘণ্টায় সোনার দামে বড় পতন, নতুন রেকর্ড
ছবি: সংগৃহীত

দেশের স্বর্ণবাজারে স্বল্প সময়ের ব্যবধানে আবারও বড় ধরনের মূল্যহ্রাসের ঘটনা ঘটেছে, যা ক্রেতা ও বিনিয়োগকারীদের জন্য নতুন করে স্বস্তির বার্তা নিয়ে এসেছে। মাত্র ছয় ঘণ্টার ব্যবধানে দ্বিতীয় দফায় সোনার দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস), যা বাজারে তাৎক্ষণিক প্রভাব ফেলেছে।

বৃহস্পতিবার বিকেলে প্রকাশিত এক আনুষ্ঠানিক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানায়, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ৭ হাজার ৬৯৮ টাকা কমিয়ে নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৪৬ হাজার ৯২৭ টাকা। সংগঠনটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এই নতুন দর একই দিন বিকেল থেকেই কার্যকর হয়েছে, ফলে খুচরা বাজারেও দ্রুত এর প্রতিফলন দেখা যেতে পারে।

বাজুসের ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনা বা পিওর গোল্ডের মূল্য উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়ায় এই মূল্য সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ, কাঁচা স্বর্ণের দামের পতন সরাসরি প্রভাব ফেলেছে অলংকারের বাজারমূল্যের ওপর, যা স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের মূল্য পুনর্নির্ধারণে বাধ্য করেছে।

বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সাম্প্রতিক সময়ে আন্তর্জাতিক স্বর্ণবাজারে মূল্য ওঠানামা, ডলারের শক্তিশালী অবস্থান এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা স্থানীয় বাজারেও প্রভাব ফেলছে। বিশেষ করে আমদানি নির্ভর স্বর্ণবাজারে কাঁচামালের দামের পরিবর্তন দ্রুত খুচরা মূল্যে প্রতিফলিত হয়।

বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের দ্রুত মূল্য সমন্বয় স্বর্ণবাজারের অস্থিরতার একটি প্রতিফলন, যেখানে সরবরাহ ও চাহিদার পাশাপাশি বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবণতাও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তবে ক্রেতাদের জন্য এটি একটি ইতিবাচক দিক, কারণ স্বল্প সময়ের মধ্যে উল্লেখযোগ্য দামে স্বর্ণ কেনার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

সামগ্রিকভাবে, বাজুসের এই সিদ্ধান্ত দেশের স্বর্ণবাজারে চলমান মূল্য সংশোধনের ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে, যা ভবিষ্যতে বাজারের স্থিতিশীলতা ও ক্রেতাদের আস্থার ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে।

-রাফসান


১৯ মার্চ: কোন মুদ্রায় কত টাকা? বিস্তারিত তালিকা

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১৯ ১২:১৬:৫৯
১৯ মার্চ: কোন মুদ্রায় কত টাকা? বিস্তারিত তালিকা
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক কার্যক্রম দিন দিন বহুমাত্রিক ও বিস্তৃত হচ্ছে, যার ফলে বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনের গুরুত্বও ক্রমাগত বাড়ছে। আমদানি-রপ্তানি, প্রবাসী আয় এবং বৈদেশিক বিনিয়োগের মতো খাতগুলো সরাসরি নির্ভরশীল মুদ্রা বিনিময় হারের ওপর। এই প্রেক্ষাপটে প্রতিদিনের হালনাগাদ বিনিময় হার জানা ব্যবসায়ী, বিনিয়োগকারী এবং সাধারণ নাগরিকদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ প্রকাশিত সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, প্রধান আন্তর্জাতিক মুদ্রাগুলোর বিপরীতে বাংলাদেশি টাকার মানে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়েছে। বিশেষ করে মার্কিন ডলারের বিপরীতে টাকার মান ১২২.৫৮ টাকায় অবস্থান করছে, যা আমদানি ব্যয়ের ওপর চাপ বাড়ানোর ইঙ্গিত দেয়। একইভাবে ইউরোর দর দাঁড়িয়েছে ১৪০.৫৮ টাকা এবং ব্রিটিশ পাউন্ডের মূল্য ১৬২.৮০ টাকা, যা ইউরোপীয় অঞ্চলের সঙ্গে বাণিজ্যে ব্যয় বৃদ্ধি করতে পারে।

মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক মুদ্রাগুলোর মধ্যে সৌদি রিয়াল ৩২.৯৬ টাকা, কাতারি রিয়াল ৩৩.৭৪ টাকা এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের দিরহাম ৩৩.৯৬ টাকায় লেনদেন হচ্ছে। প্রবাসী আয় নির্ভর অর্থনীতির জন্য এই হারগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি কর্মী এই অঞ্চলে কর্মরত।

এশিয়ার অন্যান্য অর্থনীতির ক্ষেত্রে দেখা যায়, মালয়েশিয়ান রিংগিত ৩১.৩৪ টাকা, সিঙ্গাপুর ডলার ৯৫.৭৬ টাকা এবং চীনা রেন্মিন্বি ১৭.৮০ টাকায় বিনিময় হচ্ছে। জাপানি ইয়েনের মান তুলনামূলকভাবে কম, যা দাঁড়িয়েছে ০.৭৭ টাকা, এবং দক্ষিণ কোরিয়ান ওন প্রায় ০.০৮ টাকায় লেনদেন হচ্ছে।

উচ্চমূল্যের মুদ্রাগুলোর মধ্যে কুয়েতি দিনার ৩৯৯.২২ টাকা, বাহারাইন দিনার ৩২৬.৬৮ টাকা এবং ওমানি রিয়াল ৩১৮.৭৬ টাকায় অবস্থান করছে, যা বৈশ্বিক মুদ্রা বাজারে তাদের শক্তিশালী অবস্থানকে নির্দেশ করে। অন্যদিকে কানাডিয়ান ডলার ৮৯.৫৭ টাকা এবং অস্ট্রেলিয়ান ডলার ৮৬.০৮ টাকায় রয়েছে।

দক্ষিণ এশীয় প্রেক্ষাপটে ভারতীয় রুপি ১.৩২ টাকা এবং মালদ্বীপিয়ান রুফিয়া ৭.৯৪ টাকায় বিনিময় হচ্ছে। তুলনামূলকভাবে দুর্বল মুদ্রার মধ্যে তুরস্কের লিরা ২.৭৭ টাকা, দক্ষিণ আফ্রিকার র্যান্ড ৭.২৮ টাকা এবং লিবিয়ান দিনার ১৯.২২ টাকায় রয়েছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অস্থিরতা, জ্বালানি বাজারের ওঠানামা এবং ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা মুদ্রা বাজারে প্রভাব ফেলছে। বিশেষ করে ডলারের শক্তিশালী অবস্থান উন্নয়নশীল অর্থনীতিগুলোর জন্য আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি ও মুদ্রাস্ফীতির চাপ তৈরি করছে। একই সঙ্গে প্রবাসী আয় বৃদ্ধির সম্ভাবনাও নির্ভর করছে মধ্যপ্রাচ্যের মুদ্রার স্থিতিশীলতার ওপর।

সামগ্রিকভাবে, বর্তমান বিনিময় হারগুলো বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য একটি মিশ্র চিত্র তুলে ধরছে—যেখানে একদিকে আমদানি ব্যয় বাড়া

-রফিক

পাঠকের মতামত: