ভিসা থেকে ক্রিকেট: ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের মোড় ঘোরাবে যে ৫টি সূচক

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১৮ ১৩:০২:০৪
ভিসা থেকে ক্রিকেট: ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের মোড় ঘোরাবে যে ৫টি সূচক
ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশে তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি সরকার গঠনের এক মাস পূর্ণ হওয়ার প্রেক্ষিতে প্রতিবেশী ভারতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বরফ গলার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে তৈরি হওয়া দীর্ঘ ১৮ মাসের শীতলতা কাটিয়ে দুই দেশ এখন নতুন এক কূটনৈতিক যাত্রার দ্বারপ্রান্তে। বিবিসিতে প্রকাশিত এই বিশ্লেষণাত্মক প্রতিবেদনটির মূল অংশগুলো নিচে তুলে ধরা হলো:

ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের নতুন মোড়

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে দিল্লি ও ঢাকার মধ্যে যে 'এনগেজমেন্ট' কার্যত স্থগিত ছিল, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নিরঙ্কুশ বিজয়ের পর তাতে পরিবর্তনের হাওয়া লেগেছে। ১৩ ফেব্রুয়ারি ফল ঘোষণার পরপরই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির অভিনন্দন বার্তা এবং টেলিফোন আলাপ দুই দেশের সম্পর্ক সহজ করার প্রাথমিক ধাপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

আগামী দিনগুলোতে এই সম্পর্কের গভীরতা ও গতিপ্রকৃতি পরিমাপের জন্য পাঁচটি প্রধান সূচক বা ইন্ডিকেটর আলোচনা করা হলো

ভিসা কার্যক্রম স্বাভাবিক হওয়া

ভারতের পর্যটন খাতের একটি বড় অংশ নির্ভরশীল বাংলাদেশি নাগরিকদের ওপর। ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে বন্ধ থাকা স্বাভাবিক ভিসা কার্যক্রম পুনরায় চালু হওয়া হবে সম্পর্কের উন্নতির প্রথম বড় লক্ষণ। ভারতীয় কূটনীতিকদের সাম্প্রতিক আশ্বাস অনুযায়ী যদি দ্রুত 'ট্যুরিস্ট ভিসা' চালু হয়, তবে বোঝা যাবে দিল্লি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে আগ্রহী।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রথম বিদেশ সফর

কূটনীতিতে নতুন সরকারপ্রধানের প্রথম বিদেশ সফর অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। তারেক রহমান যদি প্রথম গন্তব্য হিসেবে দিল্লি বেছে নেন, তবে তা বিএনপির পুরনো ‘ভারত-বিরোধিতা’র তকমা মোচনের একটি বড় চেষ্টা হিসেবে গণ্য হবে। আবার তিনি যদি নরেন্দ্র মোদিকে ঢাকায় আমন্ত্রণ জানান, তবে সেটিও হবে এক বিশেষ কূটনৈতিক বার্তা।

ক্রিকেটীয় সম্পর্কের পুনর্জাগরণ

২০২৫ সালে রাজনৈতিক কারণে বাতিল হওয়া ভারতীয় ক্রিকেট দলের বাংলাদেশ সফরটি আগামী জুনে হওয়ার কথা রয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে মুস্তাফিজুর রহমানকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া তিক্ততা কাটিয়ে বিসিসিআই যদি প্রতিশ্রুতি রক্ষা করে ভারত দলকে বাংলাদেশে পাঠায়, তবে তা দুই দেশের সম্পর্কের গ্রাফ ইতিবাচক দিকে যাওয়ার প্রমাণ দেবে।

কানেক্টিভিটি ও যোগাযোগ প্রকল্পের গতি

মৈত্রী, বন্ধন ও মিতালী এক্সপ্রেসের চাকা ২০২৪ সালের জুলাই থেকে থমকে আছে। বিশেষ করে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের জন্য 'গেমচেঞ্জার' হিসেবে পরিচিত আগরতলা-আখাউড়া রেল সংযোগ প্রকল্পের বাকি কাজ শেষ হওয়া এবং যাত্রীবাহী ট্রেন-বাস চলাচল শুরু হওয়া হবে দুই দেশের 'পিপল টু পিপল কনট্যাক্ট' বা জনযোগাযোগ বৃদ্ধির প্রধান মাধ্যম।

ফারাক্কা পানি চুক্তির নবায়ন

১৯৯৬ সালে স্বাক্ষরিত ৩০ বছর মেয়াদী ফারাক্কা চুক্তির মেয়াদ শেষ হচ্ছে ২০২৬ সালের ডিসেম্বরে। হাতে সময় মাত্র কয়েক মাস। পদ্মার পানি ভাগাভাগির এই জটিল ইস্যুটি নিয়ে রাজনৈতিক পর্যায়ে আলোচনা শুরু হওয়া অত্যন্ত জরুরি। পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই চুক্তি নিয়ে আলোচনা শুরু হওয়া দুই সরকারের পারস্পরিক আস্থার একটি বড় পরীক্ষা হবে।

ভারতের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি এবং বাংলাদেশের অর্থনৈতিক বাস্তবতা—এই দুইয়ের মাঝে ভারসাম্য রক্ষা করে তারেক রহমান ও নরেন্দ্র মোদি সরকার কীভাবে এগোয়, তা-ই এখন দেখার বিষয়। বরফ গলতে শুরু করলেও সম্পর্কের এই যাত্রা কতটা মসৃণ হবে, তা নির্ভর করবে উপরের এই পাঁচটি সূচকের অগ্রগতির ওপর।

/আশিক


ইরান থেকে ফিরছেন বাংলাদেশিরা

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১৮ ১২:৩০:১৫
ইরান থেকে ফিরছেন বাংলাদেশিরা
ছবি : সংগৃহীত

ইরান থেকে দেশে ফিরতে ইচ্ছুক বাংলাদেশি নাগরিকদের ফিরিয়ে আনার বড় ধরনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে সবকিছু ঠিক থাকলে আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) থেকেই এই প্রত্যাবাসন কার্যক্রম শুরু হতে পারে বলে সরকারের সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রথম ধাপে বাংলাদেশিদের সড়কপথে ইরান সীমান্ত পার করে আজারবাইজানে নেওয়া হবে। এরপর আজারবাইজানের রাজধানী বাকুর হায়দার আলিয়েভ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিশেষ চার্টার্ড ফ্লাইটের মাধ্যমে তাদের সরাসরি বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনা হবে।

মন্ত্রণালয় সূত্রে আরও জানা গেছে, এই পুরো উদ্ধার প্রক্রিয়াটি নিবিড়ভাবে তদারকির জন্য তুরস্কে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এম আমানুল হক আজারবাইজান যাচ্ছেন। এ ছাড়া প্রত্যাবাসন কাজে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক সহযোগিতা ও সমন্বয় করতে ঢাকা থেকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দুইজন উর্ধ্বতন কর্মকর্তা গত মঙ্গলবার রাতেই বাকুর উদ্দেশে রওনা হয়েছেন। বর্তমানে ইরানে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে দ্রুত সময়ের মধ্যে দেশে ফিরিয়ে আনাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য। বাকুর ট্রানজিট পয়েন্টে প্রয়োজনীয় নথিপত্র এবং ফ্লাইটের যাবতীয় ব্যবস্থা সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্ট দূতাবাসগুলো নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

/আশিক


নারীর ক্ষমতায়নে বাংলাদেশের অঙ্গীকার: জাতিসংঘে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর গুরুত্বপূর্ণ ভাষণ

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১৮ ১২:১৪:৪৬
নারীর ক্ষমতায়নে বাংলাদেশের অঙ্গীকার: জাতিসংঘে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর গুরুত্বপূর্ণ ভাষণ
ছবি : সংগৃহীত

নারীর সমঅধিকার ও ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। গত মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) নিউইয়র্ক স্থানীয় সময় জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত নারীর অবস্থা বিষয়ক কমিশনের ৭০তম অধিবেশনে বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এ কথা বলেন। বেইজিং ঘোষণা ও কর্মপরিকল্পনা এবং ২০৩০ সালের টেকসই উন্নয়ন সূচকের লক্ষ্য এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে বাংলাদেশের পূর্ণ অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, নারী ও কন্যাশিশুর জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, পরিচয় বা আর্থ-সামাজিক অবস্থান নির্বিশেষে সব নারী ও কন্যাশিশুর জন্য ন্যায়বিচার উন্মুক্ত হতে হবে, যাতে তারা নির্ভয়ে ও কোনো প্রতিবন্ধকতা ছাড়াই আইনি সুরক্ষা লাভ করতে পারে। তিনি আরও বলেন, জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা অভিযানগুলোতে বাংলাদেশি নারীদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান বিশ্বজুড়ে বিশেষভাবে লক্ষণীয়।

ড. রহমান আরও উল্লেখ করেন যে, জলবায়ু পরিবর্তন, অর্থনৈতিক অস্থিরতা, সংঘাত এবং ডিজিটাল বিভাজন বর্তমানে নতুন নতুন প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে, যা বিশেষভাবে গ্রামীণ ও ঝুঁকিপূর্ণ সম্প্রদায়ের নারীদের ওপর প্রভাব ফেলে। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাংলাদেশ নারী নেতৃত্বের মাধ্যমে বিচার ব্যবস্থাকে শক্তিশালীকরণ এবং মানবপাচার প্রতিরোধে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির প্রস্তাব করছে।

উল্লেখ্য, নারীর অবস্থা বিষয়ক জাতিসংঘের ৭০তম অধিবেশন ২০২৬ সালের ৯-১৯ মার্চ নিউ ইয়র্কে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এবারের অধিবেশনের মূল লক্ষ্য হলো সব নারী ও কন্যাশিশুর জন্য ন্যায়বিচারে প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা। অধিবেশনে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই বক্তব্য আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের ইতিবাচক ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল করেছে।

/আশিক


মধ্যস্বত্বভোগীদের দিন শেষ! সরাসরি কৃষকের হাতে পৌঁছাবে সরকারি সুবিধা

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১৭ ১৬:৩১:১১
মধ্যস্বত্বভোগীদের দিন শেষ! সরাসরি কৃষকের হাতে পৌঁছাবে সরকারি সুবিধা
ছবি : সংগৃহীত

দেশের অর্থনীতির মূল ভিত্তি কৃষিকে আধুনিকায়ন এবং প্রান্তিক কৃষকের ভাগ্য বদলে ‘কৃষক কার্ড’ উদ্যোগকে বৈপ্লবিক পদক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সচিবালয়ে এই প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত এক পর্যালোচনা সভায় তিনি স্পষ্ট করে বলেন, “কৃষকের মুখে হাসি না ফুটলে দেশের সার্বিক উন্নয়ন সম্ভব নয়।” কৃষকদের দোরগোড়ায় সরাসরি সরকারি সুযোগ-সুবিধা পৌঁছে দিতেই এই স্মার্ট কার্ড চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে জোর দিয়ে বলেন, কৃষক কার্ড চালুর প্রধান লক্ষ্য হলো প্রকৃত কৃষকদের ক্ষমতায়ন। এর মাধ্যমে সার, বীজ, কীটনাশক এবং সরকারি আর্থিক সহায়তা কোনো মধ্যস্বত্বভোগী বা দালালের হস্তক্ষেপ ছাড়াই সরাসরি কৃষকের হাতে পৌঁছাবে। তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়ে বলেন, দ্রুততম সময়ের মধ্যে একটি নির্ভুল ও ডিজিটাল ডেটাবেজ তৈরি করে কৃষকদের হাতে এই স্মার্ট কার্ড তুলে দিতে হবে যাতে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা যায়।

সভায় জানানো হয়, ডিজিটাল এই কার্ডের মাধ্যমে কৃষকরা সহজেই কৃষি ঋণ, সেচ সুবিধা, ফসল বিমা এবং সরকারি ভর্তুকি গ্রহণ করতে পারবেন। বিশেষ করে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ক্ষতিপূরণ প্রদান এখন থেকে আরও সহজ ও স্বচ্ছ হবে। প্রকল্পের অগ্রগতি সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীকে জানানো হয় যে, সারা দেশে তথ্য সংগ্রহের কাজ প্রায় শেষ। পাইলট প্রকল্প হিসেবে দ্রুতই কয়েকটি জেলায় কার্ড বিতরণ শুরু হবে এবং আগামী কৃষি মৌসুমের আগেই দেশব্যাপী এর কার্যক্রম পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

/আশিক


ছুটির প্রথম দিনেই সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান: কর্মব্যস্ততায় কাটছে ১৭ মার্চ

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১৭ ১১:৪৯:১৩
ছুটির প্রথম দিনেই সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান: কর্মব্যস্ততায় কাটছে ১৭ মার্চ
ছবি : সংগৃহীত

সারাদেশে পবিত্র ঈদুল ফিতরের সাত দিনের লম্বা ছুটি শুরু হলেও বিশ্রামে নেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছুটির প্রথম দিন আজ মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সকালেই তিনি সচিবালয়ে উপস্থিত হয়ে দাপ্তরিক কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। ঈদের ছুটির আমেজ ছাপিয়ে দেশের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণে প্রধানমন্ত্রীর এই সক্রিয়তা রাজনৈতিক মহলে বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

আজ বেলা ১১টায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সচিবালয়ে প্রবেশ করেন এবং মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে তাঁর জন্য নির্দিষ্ট কক্ষে নিয়মিত অফিস শুরু করেন। তাঁর আজকের কর্মব্যস্ত সূচিতে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক রয়েছে। সচিবালয়ে এসেই তিনি প্রথমে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠকে বসেন। এরপর দুপুর ১২টায় বহুল প্রতিক্ষিত ‘কৃষক কার্ড’ সংক্রান্ত বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোর কর্মকর্তাদের সঙ্গে তাঁর বিশেষ বৈঠক করার কথা রয়েছে।

সবশেষে দুপুর ২টায় প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদ সভাকক্ষে মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। ধারণা করা হচ্ছে, রমজান পরবর্তী দেশের সার্বিক পরিস্থিতি, ঈদযাত্রা এবং অর্থনৈতিক সংস্কারের গুরুত্বপূর্ণ কিছু এজেন্ডা এই বৈঠকে প্রাধান্য পাবে। সরকারি ছুটির দিনেও প্রধানমন্ত্রীর এমন টানা কর্মব্যস্ততা প্রশাসনিক গতিশীলতা বজায় রাখার এক অনন্য দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে।

/আশিক


২০ না ২১ মার্চ ঈদ? জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের নতুন পূর্বাভাসে বড় সংকেত

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১৭ ১১:০২:৪৮
২০ না ২১ মার্চ ঈদ? জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের নতুন পূর্বাভাসে বড় সংকেত
ছবি : সংগৃহীত

পবিত্র ঈদুল ফিতর কবে উদযাপিত হবে, তা নিয়ে দেশজুড়ে সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক কৌতূহল দেখা দিয়েছে। এই কৌতূহলের অবসান ঘটবে আগামী ১৯ মার্চ বৃহস্পতিবার। ওই দিন সন্ধ্যায় বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে এবং সেখান থেকেই জানানো হবে ঈদের চূড়ান্ত তারিখ।

আন্তর্জাতিক জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের গাণিতিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, এ বছর রমজান মাস ৩০ দিন পূর্ণ হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। এমিরেটস অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল সোসাইটির চেয়ারম্যান ইব্রাহিম আল জারওয়ান জানিয়েছেন, ১৮ মার্চ নতুন চাঁদ দেখার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। তবে ১৯ মার্চ ভোরে নতুন চাঁদের জন্ম হবে এবং সূর্যাস্তের পর প্রায় ২৯ মিনিট চাঁদ দিগন্তের ওপরে অবস্থান করবে। ফলে আকাশ পরিষ্কার থাকলে ১৯ মার্চ সন্ধ্যায় শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যাওয়ার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে।

জ্যোতির্বিজ্ঞানের এই হিসাব যদি সঠিক হয়, তবে সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে ২০ মার্চ শুক্রবার ঈদুল ফিতর উদযাপিত হতে পারে। ভৌগোলিক কারণে বাংলাদেশে সাধারণত মধ্যপ্রাচ্যের একদিন পর ঈদ পালিত হয়। সেই নিয়মে সৌদি আরবে ২০ মার্চ ঈদ হলে বাংলাদেশে ২১ মার্চ শনিবার ঈদুল ফিতর হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। সরকারের জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ও আগে থেকেই ২১ মার্চ সম্ভাব্য ঈদের তারিখ ধরে ছুটির ক্যালেন্ডার সাজিয়েছে, যা নতুন এই পূর্বাভাসের সঙ্গে হুবহু মিলে যাচ্ছে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত মিলবে ১৯ মার্চ জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির বৈঠকের পর।

/আশিক


পিতার আদর্শে পুত্রের হাতে নতুন কৃষি বিপ্লব: খাল খনন নিয়ে মাঠে তারেক রহমান

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১৭ ০৯:৫৪:৩৩
পিতার আদর্শে পুত্রের হাতে নতুন কৃষি বিপ্লব: খাল খনন নিয়ে মাঠে তারেক রহমান
ছবি : সংগৃহীত

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ঐতিহাসিক ‘খাল খনন’ বিপ্লবের স্মৃতি ফিরিয়ে আনলেন তাঁর সুযোগ্য উত্তরসূরি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। নির্বাচনী ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, আগামী পাঁচ বছরে দেশজুড়ে ২০ হাজার কিলোমিটার নদী, নালা, খাল ও জলাধার খনন ও পুনঃখননের মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে নেমেছে বর্তমান সরকার। গতকাল সোমবার (১৬ মার্চ) দিনাজপুরের কাহারোল থেকে এই বিশাল কর্মযজ্ঞের আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন তিনি।

ইতিহাসের পাতায় ফিরে তাকালে দেখা যায়, ১৯৭৬ সালের ১ নভেম্বর যশোরের উলশীতে বেতনা নদী পুনঃখননের মাধ্যমে জিয়াউর রহমান যে কৃষি বিপ্লবের ডাক দিয়েছিলেন, তা দেশ গঠনে এক অনন্য নজির স্থাপন করেছিল। তৎকালীন সময়ে ১৯৩টি খাল খননের মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতিতে প্রাণ সঞ্চার করেছিলেন তিনি। ঠিক সেই আদর্শকে ধারণ করে প্রায় পাঁচ দশক পর দিনাজপুরের সাহাপাড়া খালে নিজে কোদাল হাতে মাটি কেটে পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করলেন তারেক রহমান। পুনর্ভবা নদীর সঙ্গে সংযুক্ত ১২.২ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সাহাপাড়া খালটি খনন হলে এলাকার সেচ ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন আসবে এবং জলাবদ্ধতা নিরসন হবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী জানান, এটি কেবল একটি সরকারি প্রকল্প নয়, বরং একটি জাতীয় আন্দোলন। দিনাজপুরের সঙ্গে একযোগে দেশের ৫৪টি জেলায় এই কর্মসূচি শুরু হয়েছে। সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ড. এ জেড এম জাহিদ হোসেনের উপস্থিতিতে এই উদ্বোধন কর্মসূচিকে ঘিরে স্থানীয় সাধারণ মানুষের মাঝে স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ও ব্যাপক উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে। শহীদ জিয়ার হাত ধরে শুরু হওয়া সেই স্বপ্নের পথেই এখন এগোচ্ছে আগামীর সমৃদ্ধ বাংলাদেশ।

/আশিক


শিক্ষা ব্যবস্থায় বড় রদবদল! ৮ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন উপাচার্য নিয়োগ

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১৬ ১৭:২০:০৫
শিক্ষা ব্যবস্থায় বড় রদবদল! ৮ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন উপাচার্য নিয়োগ
ছবি : সংগৃহীত

দেশের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থায় দীর্ঘদিনের প্রশাসনিক শূন্যতা দূর করতে একযোগে ৮টি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন উপাচার্য (ভিসি) নিয়োগ দিয়েছে সরকার। সোমবার (১৬ মার্চ) বিকেলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন এই গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা দেন। একই সঙ্গে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) শীর্ষ পদেও পরিবর্তন আনা হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ভিসি অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। অন্যদিকে, অধ্যাপক ছিদ্দিকুর রহমান খানকে উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য হিসেবে চূড়ান্ত করা হয়েছে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি অধ্যাপক ড. মো. নুরুল ইসলামকে সেন্ট্রাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি হয়েছেন অধ্যাপক ড. ফোরকান এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন অধ্যাপক ড. মো. ফরিদুল ইসলাম। খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) ভিসি হিসেবে অধ্যাপক ড. মো. মাসউদ এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য হিসেবে অধ্যাপক রইস উদ্দিনের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। এছাড়া, আজ সকালে অধ্যাপক ড. এস এম এ ফায়েজ ইউজিসি চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগ করায় তাঁর স্থলাভিষিক্ত করা হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদকে।

/আশিক


উত্তরাঞ্চলে গড়ে উঠবে কৃষিনির্ভর শিল্প: বেকারত্ব দূর করতে প্রধানমন্ত্রীর বড় ঘোষণা

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১৬ ১৭:১৪:৪০
উত্তরাঞ্চলে গড়ে উঠবে কৃষিনির্ভর শিল্প: বেকারত্ব দূর করতে প্রধানমন্ত্রীর বড় ঘোষণা
ছবি : সংগৃহীত

দিনাজপুরের কাহারোলে সাহাপাড়া খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধনী সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের কৃষি ও অর্থনীতি নিয়ে সরকারের সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেছেন। সোমবার (১৬ মার্চ) আয়োজিত এই বিশাল সমাবেশে তিনি উত্তরাঞ্চলকে কেন্দ্র করে কৃষিনির্ভর শিল্প গড়ে তোলার এক নতুন রূপরেখা ঘোষণা করেন।

প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট করেন যে, কৃষকদের কল্যাণই হলো দেশের সার্বিক মঙ্গলের চাবিকাঠি। তিনি প্রতিশ্রুতি দেন যে, দিনাজপুর, রংপুর, ঠাকুরগাঁও ও পঞ্চগড়সহ উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলোতে কৃষিজাত পণ্যভিত্তিক বড় বড় কলকারখানা স্থাপন করা হবে। এ বিষয়ে ইতিপূর্বেই বিভিন্ন বড় কোম্পানির সঙ্গে আলোচনা শুরু হয়েছে এবং পবিত্র ঈদুল ফিতরের পর তাদের সঙ্গে চূড়ান্ত বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো স্থানীয় বেকার যুবক ও নারীদের জন্য ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা।

তারেক রহমান আরও জানান, সরকারের অর্থনৈতিক পলিসির মূল লক্ষ্য হলো সাধারণ মানুষের আয় দ্বিগুণ করা। তিনি বলেন, শহীদ জিয়া ও খালেদা জিয়ার দেখানো পথে হেঁটে এমন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে যাতে পাঁচ হাজার টাকা আয়ের মানুষের উপার্জন আগামী কয়েক বছরের মধ্যে দশ হাজার টাকায় উন্নীত হয়। মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে অর্থনীতিতে কিছুটা চাপ থাকলেও সরকার নির্বাচনী ইশতেহার পূরণে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। একই সঙ্গে তিনি দেশের উন্নয়ন বাধাগ্রস্তকারী ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে জনগণকে সজাগ থাকার আহ্বান জানান।

/আশিক


৩১ হাজার কৃষকের মুখে হাসি ফোটাবে সাহাপাড়া খাল: প্রধানমন্ত্রী

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১৬ ১৬:২২:১৭
৩১ হাজার কৃষকের মুখে হাসি ফোটাবে সাহাপাড়া খাল: প্রধানমন্ত্রী
ছবি : সংগৃহীত

দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার বলরামপুর সাহাপাড়ায় ‘খাল খনন কর্মসূচি-২০২৬’-এর ঐতিহাসিক উদ্বোধন শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বিএনপির রাজনীতির মূল দর্শনই হলো মানুষের কল্যাণ। সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুরে আয়োজিত এক জনসভায় তিনি স্পষ্ট করেন যে, বিএনপি এমন একটি রাজনৈতিক দল যার প্রধান লক্ষ্য জনগণের উপকার করা এবং বাস্তবসম্মত কাজের মাধ্যমে দেশের উন্নয়ন নিশ্চিত করা।

প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে সাহাপাড়া খালের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, এই ১২ কিলোমিটার খাল পুনঃখনন সম্পন্ন হলে এলাকার ৩১ হাজার কৃষক সরাসরি পানির সুবিধা পাবেন। এর ফলে প্রায় ১২০০ হেক্টর আবাদি জমি সেচের আওতায় আসবে এবং অন্তত সাড়ে ৩ লাখ মানুষের জীবনযাত্রায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। মূলত কৃষকদের ভাগ্য উন্নয়ন এবং গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতেই এই বিশাল কর্মযজ্ঞ হাতে নেওয়া হয়েছে।

এদিন দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে প্রধানমন্ত্রী নিজে মাটি কেটে এই কর্মসূচির সূচনা করেন। একই সঙ্গে তিনি ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে দেশের ৫৪টি জেলার বিভিন্ন খাল খনন প্রকল্পের ভার্চুয়ালি উদ্বোধন করেন। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সেই ঐতিহাসিক ‘খাল খনন বিপ্লব’-এর স্মৃতি মনে করিয়ে দিয়ে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, এই উদ্যোগের ফলে সারা দেশে কৃষি উৎপাদনে নতুন জোয়ার আসবে।

/আশিক

পাঠকের মতামত: