ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রকে বড় জবাব দিল ইরান; সৌদি আরবের ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্রের তাণ্ডব

সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটিতে অবস্থানরত মার্কিন বিমানবাহিনীর পাঁচটি রিফুয়েলিং বা জ্বালানি সরবরাহকারী বিমান ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। শুক্রবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল দুজন পদস্থ মার্কিন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, সম্প্রতি সৌদি আরবের ওই ঘাঁটিতে ইরানের পক্ষ থেকে চালানো আকস্মিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সময় এই বিমানগুলো আঘাতপ্রাপ্ত হয়।
সংবাদমাধ্যমটির তথ্য অনুযায়ী, হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত বিমানগুলো পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যায়নি, তবে সেগুলোর উল্লেখযোগ্য ক্ষতি হয়েছে। বর্তমানে বিমানগুলো সচল করতে জরুরি মেরামতের কাজ চলছে। এই হামলায় কোনো প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি বলে মার্কিন কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে। মূলত কৌশলগত কারণে মার্কিন বিমানবাহিনী এই জ্বালানি সরবরাহকারী বিমানগুলোকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করে, যা দীর্ঘপাল্লার সামরিক অভিযানে জ্বালানি সহায়তা দিয়ে থাকে।
উল্লেখ্য যে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানজুড়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকেই পুরো মধ্যপ্রাচ্যে এক ভয়াবহ যুদ্ধাবস্থা বিরাজ করছে। ইরানি কর্তৃপক্ষের দাবি অনুযায়ী, ওই হামলায় দেশটিতে প্রায় ১ হাজার ৩০০ জন নিহত এবং ১০ হাজারের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। এই রক্তক্ষয়ী সংঘাতের পাল্টা জবাব হিসেবে ইরান ইতিমধ্যে ইসরায়েল, জর্ডান এবং ইরাকের পাশাপাশি উপসাগরীয় দেশগুলোতে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্য করে দফায় দফায় ড্রোন ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। সৌদি আরবের ঘাঁটিতে এই বিমান ক্ষয়ক্ষতির ঘটনাটি মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক শক্তির ওপর বড় ধরনের আঘাত হিসেবে দেখা হচ্ছে।
তথ্যসূত্র : রয়টার্স
কেন স্বাভাবিক হচ্ছে না হরমুজ প্রণালি? ফাঁস হলো ইরানের গোপন রণকৌশল
মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে চরম উত্তেজনার পারদ চড়িয়ে ইরানের সংসদের দ্বিতীয় ডেপুটি স্পিকার আলি নিকজাদ এক চাঞ্চল্যকর ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ‘হরমুজ প্রণালি’ আর কখনোই তার আগের অবস্থায় ফিরে যাবে না। আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে এই জলপথের নিয়ন্ত্রণ এবং জাহাজ চলাচলের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা দীর্ঘস্থায়ী করার ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।
আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা মেহের নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আলি নিকজাদ স্পষ্ট করে বলেন, হরমুজ প্রণালিকে পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে না দেওয়ার এই সিদ্ধান্ত সরাসরি ইরানের সর্বোচ্চ নেতার পক্ষ থেকে আসা একটি আদেশ। মূলত ১৩ এপ্রিল থেকে কার্যকর হওয়া মার্কিন নৌ-অবরোধের পাল্টা জবাব হিসেবে তেহরান এই কঠোর অবস্থান নিয়েছে। উল্লেখ্য যে, এই সংকটের ফলে এশিয়াসহ বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরণের বিপর্যয় দেখা দিয়েছে।
সংঘাত নিরসনে গত ৮ এপ্রিল পাকিস্তানের ইসলামাবাদে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের শান্তি আলোচনা অনুষ্ঠিত হলেও তা কোনো চুক্তি ছাড়াই শেষ হয়। দুই দেশের অনড় অবস্থানের কারণে আলোচনা ব্যর্থ হওয়ায় রণক্ষেত্র ও জলপথের পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। পরবর্তী দফার আলোচনার চেষ্টা চললেও হরমুজ প্রণালির এই ‘স্থায়ী পরিবর্তন’-এর ঘোষণা বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামে বড় ধরণের অস্থিরতা তৈরি করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
/আশিক
মার্কিন অর্থনীতি ধসের মুখে? বিনিয়োগকারীদের পালানোর পরামর্শ ইরানের
ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ মার্কিন অর্থনীতি ও বিনিয়োগকারীদের জন্য এক চরম হুঁশিয়ারি বার্তা দিয়েছেন। শনিবার এক্স-এ (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে তিনি সতর্ক করে বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বাড়লে যুক্তরাষ্ট্রে থাকা বিদেশি বিনিয়োগ ও সম্পদের ওপর তেহরানের প্রভাব এবং বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বিনিয়োগকারীদের অর্থ তুলে নেওয়া কঠিন হয়ে পড়তে পারে। তিনি বড় বিনিয়োগকারীদের সুযোগ থাকতেই মার্কিন বাজার থেকে সরে যাওয়ার আহ্বান জানান।
গালিবাফ ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, অনেক বিনিয়োগকারী ইতিমধ্যেই তাদের সম্পদ বিক্রির ক্ষেত্রে অঘোষিত বা গোপন বাধার মুখে পড়েছেন। তিনি দাবি করেন, কিছু বড় প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর ক্ষেত্রে মোট সম্পদের এক অঙ্কের শতাংশের বেশি বিক্রি করার ওপর অদৃশ্য নিষেধাজ্ঞা থাকতে পারে। পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে মার্কিন বন্ড বাজার ও ট্রেজারি বন্ডের আয়ের (Yield Curve) ভারসাম্য বজায় রাখতে গিয়ে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য দরজা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যেতে পারে বলেও তিনি সতর্ক করেন।
গালিবাফ তাঁর বক্তব্যে নিউ ইয়র্ক টাইমসের একটি প্রতিবেদনের সূত্র ধরে জানান, ট্রাম্প প্রশাসন বর্তমানে মিত্র দেশগুলোর অর্থনৈতিক ধস ঠেকাতে ‘কারেন্সি সোয়াপ’ চুক্তির মাধ্যমে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার কথা ভাবছে। বিশেষ করে সংযুক্ত আরব আমিরাত সম্প্রতি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সরাসরি দায়ী করে বলেছে যে, ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের ফলে তাদের অর্থনীতি মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। উপসাগরীয় অঞ্চলে যুদ্ধ পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে নিজেদের রক্ষা করতে একটি ‘আর্থিক নিরাপত্তা জাল’ বা ফিন্যান্সিয়াল সেফটি নেট নিয়ে আলোচনা শুরু করেছে দেশটি।
উল্লেখ্য যে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি বিমান হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলী খামেনিসহ শীর্ষ সামরিক ও রাজনৈতিক কর্মকর্তাদের হত্যার পর থেকে এই সংঘাত চরম রূপ নেয়। এর জবাবে ইরান প্রায় প্রতিদিনই ইসরায়েল এবং মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালাচ্ছে। একই সঙ্গে ইরান কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম হু হু করে বাড়ছে, যা পুরো বিশ্ব অর্থনীতিকে এক গভীর সংকটের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।
/আশিক
পর্দার আড়াল থেকে নির্দেশনা: মোজতবা খামেনির ক্ষমতা নিয়ে বিবিসির চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট
ইরানের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি ও ক্ষমতা কাঠামোতে এখন এক রহস্যময় পরিস্থিতি বিরাজ করছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাথে যুদ্ধ শুরুর প্রথম দিনেই সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর তাঁর ছেলে মোজতবা খামেনিকে নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে ঘোষণা করা হয়। তবে গত মার্চ মাসে দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে আজ পর্যন্ত তাঁকে কোনো জনসমক্ষে বা ভিডিও বার্তায় দেখা না যাওয়ায় তেহরানের প্রকৃত ক্ষমতা আসলে কার হাতে, তা নিয়ে বিশ্বজুড়ে নানা বিশ্লেষণ শুরু হয়েছে।
বিবিসি ফার্সির প্রতিবেদন অনুযায়ী, মোজতবা খামেনি পর্দার আড়াল থেকে সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের অধিকারী হিসেবে পরিচিত। যদিও তিনি নিজে সরাসরি সামনে আসছেন না, তবে তাঁর নামেই সব বার্তা প্রচার করা হচ্ছে। বর্তমানে ইরানের ক্ষমতা মূলত তিনটি প্রধান স্তম্ভের ওপর দাঁড়িয়ে আছে
১. আইআরজিসি-র প্রভাব
ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) বর্তমানে একটি সমান্তরাল সরকার হিসেবে কাজ করছে। যুদ্ধে অনেক শীর্ষ কর্মকর্তাকে হারালেও আইআরজিসি-র প্রভাব ও নিয়ন্ত্রণ এখনও অটুট।
২. মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ
পার্লামেন্ট স্পিকার গালিবাফ বর্তমানে ইরানের অন্যতম প্রভাবশালী ব্যক্তি। আইআরজিসি-র সাথে তাঁর গভীর সম্পর্কের কারণে তিনি শাসনব্যবস্থায় বড় ভূমিকা রাখছেন।
৩. প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান
যদিও পেজেশকিয়ান নিয়মিত বিবৃতি দিচ্ছেন, তবে বিশ্লেষকদের মতে তাঁর হাতে ক্ষমতা অত্যন্ত সীমিত। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে আলোচনায় বসার ক্ষেত্রে তাঁর চেয়ে গালিবাফ ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বেশি সক্রিয় ভূমিকা রাখছেন।
পর্দার আড়ালে থাকা মোজতবা খামেনির ‘নির্দেশনা’ অনুযায়ী আলোচনাকারীরা কাজ করছেন বলে দাবি করা হলেও, খোদ সর্বোচ্চ নেতার অনুপস্থিতি ইরানের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব নিয়ে এক বড় অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে। যুক্তরাষ্ট্র আলোচনার প্রস্তাব দিলেও ইরানের অনাগ্রহ মূলত আইআরজিসি এবং কট্টরপন্থীদের প্রভাবেরই প্রতিফলন বলে মনে করা হচ্ছে।
/আশিক
ট্রাম্পের চাপ উপেক্ষা করে টোল আদায় শুরু: সাগরে ইরানের নয়া আধিপত্য
কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক জলপথ হরমুজ প্রণালিতে প্রথমবারের মতো ‘টোল’ বা জাহাজ চলাচলের মাশুল আদায় করে বড় ধরনের আয়ের মুখ দেখেছে ইরান। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল ২০২৬) দেশটির পার্লামেন্টের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ও ডেপুটি স্পিকার হামিদরেজা হাজিবাবাই এই চাঞ্চল্যকর তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা তাসনিম-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “হরমুজ প্রণালিতে আরোপিত টোল থেকে প্রাপ্ত প্রথম পর্যায়ের আয় ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সরকারি হিসাবে জমা হয়েছে।” তবে নিরাপত্তার খাতিরে ঠিক কত পরিমাণ অর্থ আদায় হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি তেহরান।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে হরমুজ প্রণালি এখন বিশ্ব রাজনীতির উত্তেজনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই ইরান এই জলপথে জাহাজ চলাচলে কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করে এবং মাশুল আদায়ের পরিকল্পনা হাতে নেয়। উল্লেখ্য যে, স্বাভাবিক সময়ে বিশ্বের মোট তেল ও গ্যাস পরিবহনের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই রুট দিয়েই হয়ে থাকে। গত ৩০ মার্চ ইরানের পার্লামেন্টের নিরাপত্তা কমিশন এই টোল আদায়ের প্রস্তাবটি অনুমোদন করে। ইরানের কর্মকর্তারা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন যে, যুদ্ধ পরিস্থিতি চলাকালে এই জলপথে নৌচলাচল আর আগের মতো স্বাভাবিক বা বিনামূল্যে হবে না।
ইরানের এই পদক্ষেপ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিচ্ছে। ট্রাম্প শুরু থেকেই কোনো শর্ত ছাড়াই হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি খুলে দেওয়ার জন্য ইরানের ওপর ব্যাপক চাপ সৃষ্টি করে আসছেন। শুধু যুক্তরাষ্ট্র নয়, যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সসহ ৩০টিরও বেশি দেশের সামরিক নীতিনির্ধারকরা এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে নিয়মিত আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে পশ্চিমা বিশ্বের এই চাপ ও সামরিক হুমকিকে তোয়াক্কা না করেই ইরান বাণিজ্যিকভাবে টোল আদায় শুরু করে দিয়েছে, যা বিশ্ব অর্থনীতি ও তেলের বাজারে নতুন অস্থিরতা তৈরি করতে পারে।
দাবার চাল এবার ইরানের? জনবসতিপূর্ণ এলাকায় বিশালাকার ক্ষেপণাস্ত্র প্রদর্শন
ইরানের রাজপথ এখন ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের প্রদর্শনী আর যুদ্ধংদেহী স্লোগানে উত্তপ্ত। মঙ্গলবার রাতে রাজধানী তেহরানসহ দেশের প্রধান শহরগুলোতে সরকারপন্থী বিশাল সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রদর্শন করে ইসরায়েল ও আমেরিকাকে কঠোর বার্তা দিয়েছে ইরান।
তেহরানের প্রধান একটি চত্বরে আয়োজিত সমাবেশে বিশালাকার গদর ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রকাশ্যে প্রদর্শন করা হয়। সমাবেশের ভিডিওতে দেখা গেছে, আবাসিক এলাকা ও জনসাধারণের চলাচলের পথেই সারিবদ্ধভাবে সাজিয়ে রাখা হয়েছে এই বিধ্বংসী অস্ত্র। সমাবেশে অংশগ্রহণকারীরা ‘ডেথ টু আমেরিকা’ স্লোগানে রাজপথ কাঁপিয়ে তোলেন এবং আইআরজিসি (IRGC)-র অ্যারোস্পেস ফোর্সের কমান্ডার মাজিদ মুসাভির প্রশংসা করে তেল আবিব লক্ষ্য করে সরাসরি হামলার আহ্বান জানান।
তেহরানের অন্য একটি চত্বরে প্রদর্শিত হয় ইরানের অন্যতম শক্তিশালী খোররামশাহর-৪ ক্ষেপণাস্ত্র। শুধু রাজধানীই নয়, ইরানের দক্ষিণাঞ্চলের সাংস্কৃতিক রাজধানী শিরাজ, উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের তাবরিজ এবং পশ্চিম-কেন্দ্রীয় প্রদেশ জাঞ্জানেও একযোগে ক্ষেপণাস্ত্র প্রদর্শন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইরানি ভূখণ্ডে মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলার প্রতিবাদে এবং জাতীয় মনোবল চাঙ্গা রাখতে প্রতিদিনই দেশটির বিভিন্ন শহরে এই ধরণের সমাবেশ আয়োজিত হচ্ছে। এসব সমাবেশে ইরানের শীর্ষ কর্মকর্তারা সরাসরি অংশ নিচ্ছেন, যা মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনাকে নতুন এক উচ্চতায় নিয়ে গেছে।
সূত্র : বিবিসি।
যুদ্ধক্ষেত্রে নতুন চমক দেখাবে ইরান: ট্রাম্পের চাপের মুখে গালিবাফের রহস্যময় পোস্ট
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আলোচনার প্রস্তাব এবং সাম্প্রতিক সামরিক তৎপরতার মুখে কঠোর অবস্থান ব্যক্ত করেছেন ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল ২০২৬) নিজের এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, হুমকির ছায়ায় কোনোভাবেই ওয়াশিংটনের সঙ্গে আলোচনায় বসবে না তেহরান।
গালিবাফ অভিযোগ করেন, গত দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি চুক্তির মধ্যেও যুক্তরাষ্ট্র ওমান সাগরে ইরানি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা ও নৌ-অবরোধ জারি রেখে চুক্তির স্পষ্ট লঙ্ঘন করেছে। ডোনাল্ড ট্রাম্পকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ট্রাম্প ভুল ধারণার ওপর ভিত্তি করে পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করছেন এবং চাপের মাধ্যমে আলোচনাকে ‘আত্মসমর্পণের প্ল্যাটফর্মে’ পরিণত করার চেষ্টা করছেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, "চাপ সৃষ্টি করে ইরানকে আলোচনার টেবিলে আনা সম্ভব নয়।"
পার্লামেন্ট স্পিকার আরও সতর্ক করে দেন যে, ইরান পরিস্থিতি মোকাবিলায় সম্পূর্ণ প্রস্তুত এবং প্রয়োজনে ‘নতুন কৌশল’ বা ‘নতুন তাস’ সামনে আনা হবে। সমুদ্রপথে বাড়তে থাকা উত্তেজনা এবং মার্কিন কর্মকাণ্ডের ফলে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে সম্ভাব্য দ্বিতীয় দফা আলোচনার ভবিষ্যৎ এখন চরম অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। ইরানের সামরিক ও কূটনৈতিক মহলও যুক্তরাষ্ট্রের এই আচরণকে যুদ্ধবিরতির লঙ্ঘন হিসেবে বর্ণনা করে যেকোনো পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত থাকার বার্তা দিয়েছে।
সূত্র : প্রেসটিভি
লেবাননে যিশুর মূর্তি ভাঙচুর! উত্তাল মধ্যপ্রাচ্যে এবার ধর্মীয় আবেগে আঘাত
লেবাননের দেবেল গ্রামে যিশু খ্রিস্টের মূর্তি ও ক্রুশ ভাঙচুরের ঘটনাটি মধ্যপ্রাচ্যের ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের ওপর চলমান যুদ্ধের কালো ছায়া হিসেবে দেখা হচ্ছে। দক্ষিণ লেবাননের এই গ্রামটি মূলত খ্রিস্টান অধ্যুষিত, যেখানে পবিত্র প্রতীকের ওপর এমন আঘাত স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক মহলে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। তবে এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; বরং গাজা থেকে পশ্চিম তীর এবং দক্ষিণ লেবানন পর্যন্ত বিস্তৃত ধর্মীয় স্থাপনা ধ্বংসের এক দীর্ঘ ও বেদনাদায়ক তালিকার নতুন সংযোজন।
বিশ্লেষকরা বলছেন, ২০২৪ সালের নভেম্বরে চামা গ্রামের ঐতিহাসিক মাকাম শামুন আল-সাফা মাজার ধ্বংস এবং ২০২৬ সালের এপ্রিলে দেবেলে খ্রিস্টান ধর্মীয় প্রতীকের অবমাননা—সবই মধ্যপ্রাচ্যের বহুত্ববাদী সমাজের মূলে আঘাত করছে।
বিশেষ করে শামুন আল-সাফার মাজারটি মুসলিম ও খ্রিস্টান উভয় সম্প্রদায়ের কাছেই অত্যন্ত পবিত্র ছিল, যা সেন্ট পিটারের ঐতিহ্যের সঙ্গে যুক্ত বলে মনে করা হয়। এই ধরনের ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড কেবল অবকাঠামোগত ক্ষতি নয়, বরং হাজার বছরের ধর্মীয় সহাবস্থানের ইতিহাসকেও সংকটে ফেলছে।
সূত্র: নিউ আরব
মাথা উঁচু রেখেই যুদ্ধ শেষ করতে চাই: আমেরিকার জন্য ইরানের প্রেসিডেন্টের বার্তা
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের টানটান উত্তেজনার মাঝেই অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ এক বক্তব্য দিলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান। রোববার (১৯ এপ্রিল ২০২৬) ইরানের ক্রীড়া ও যুব মন্ত্রণালয় পরিদর্শনকালে তিনি পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন, তেহরান মাথা উঁচু রেখে এবং সম্মানজনক উপায়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এই যুদ্ধের অবসান ঘটাতে চায়। তবে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কড়া সমালোচনা করে তিনি বলেন, ইরানকে তার পারমাণবিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করার কোনো এখতিয়ার ট্রাম্পের নেই।
রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আইএসএনএ (ISNA)-র বরাত দিয়ে পেজেশকিয়ান বলেন, “ট্রাম্প বলছেন ইরান পারমাণবিক অধিকার ব্যবহার করতে পারবে না, কিন্তু তিনি তো এর কারণ বা ইরানের অপরাধ কী তা ব্যাখ্যা করছেন না।” তিনি দেশকে ‘রক্তপিপাসু ও নিষ্ঠুর শত্রুর’ বিরুদ্ধে দৃঢ়ভাবে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।
একই সঙ্গে তিনি অত্যন্ত কৌশলী অবস্থান নিয়ে বলেন, আন্তর্জাতিক মহলে যেন ইরানকে ‘যুদ্ধপ্রিয়’ হিসেবে উপস্থাপন করা না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে; কারণ ইরান কেবল নিজের আত্মরক্ষার জন্য লড়ছে।
ভাষণে তিনি জাতীয়তাবোধ জাগ্রত করতে গত মাসে অস্ট্রেলিয়ায় এশিয়ান কাপে নারী ফুটবল দলের সাফল্যের প্রশংসা করেন। বিশেষ করে, যারা শত্রুর প্ররোচনায় ভুল পথে গিয়ে রাজনৈতিক আশ্রয় নিয়েছিলেন, সেই দুই নারী ফুটবলারের প্রতি ক্ষমাশীল মনোভাব প্রদর্শন করে তিনি বলেন, “তাদের জন্য আমাদের দুয়ার সব সময় খোলা, তারা যখনই ফিরে আসবে আমরা তাদের স্বাগত জানাব।”
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, পেজেশকিয়ানের এই বক্তব্যে একদিকে যেমন যুদ্ধের অবসানের আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ পেয়েছে, অন্যদিকে দেশের অভ্যন্তরীণ ঐক্য ও জাতীয় সম্মান রক্ষার বার্তাও স্পষ্ট হয়েছে।
সূত্র: আনাদলু
ইরানের বাণিজ্য বন্ধে মার্কিন রণতরীর অবরোধ! হরমুজ প্রণালিতে যুদ্ধের মেঘ
মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমায় উত্তেজনা এখন তুঙ্গে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় সামরিক কমান্ড (সেন্টকম) পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছে, ইরানের সামুদ্রিক বাণিজ্য পুরোপুরি অচল করে দিতে এবং অবরোধ কার্যকর করতে আঞ্চলিক জলসীমায় কঠোর টহল শুরু করেছে মার্কিন নৌবাহিনী। এই অভিযানে নেতৃত্ব দিচ্ছে মার্কিন নৌবাহিনীর অত্যাধুনিক গাইডেড মিসাইল ডেস্ট্রয়ার ইউএসএস পিনকনি (ডিডিজি-৯১)।
সেন্টকমের দাবি অনুযায়ী, ইরানের বন্দরে কোনো জাহাজ প্রবেশ করতে না দেওয়া বা সেখান থেকে কোনো জাহাজ বের হতে না দেওয়ার জন্য এক বৃহত্তর নৌ-অভিযান চালানো হচ্ছে। ইউএসএস পিনকনি এই অভিযানের অংশ হিসেবে অবস্থান নিয়েছে এবং তাদের নির্দেশে ইতিমধ্যে বেশ কিছু বাণিজ্যিক জাহাজ ইরানের জলসীমা থেকে ফিরে যেতে শুরু করেছে। মার্কিন এই কঠোর অবস্থানের ফলে ইরানের সামুদ্রিক অর্থনীতির ওপর বড় ধরনের চাপ সৃষ্টির চেষ্টা করা হচ্ছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
অন্যদিকে, ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) মার্কিন এই অবরোধকে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে। যুদ্ধবিরতির আলোচনা চললেও তারা নতুন করে কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ‘হরমুজ প্রণালি’ বন্ধ করে দিয়েছে।
এর ফলে ওই অঞ্চলে সামরিক উত্তেজনার পারদ নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। বিভিন্ন প্রতিবেদন অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলের চেষ্টা করা জাহাজগুলোকে হয় ফিরে যেতে বাধ্য করা হচ্ছে, অথবা কিছু ক্ষেত্রে গুলিবর্ষণের মতো সহিংস ঘটনাও ঘটছে। সামগ্রিকভাবে, মার্কিন নৌবাহিনীর অবরোধ বনাম ইরানের হরমুজ প্রণালি বন্ধ—এই দুই বিপরীতমুখী অবস্থানের কারণে আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচল ব্যবস্থা এক গভীর সংকটের মুখে পড়েছে।
সূত্র : শাফাক নিউজ
পাঠকের মতামত:
- নতুন শান্তি প্রস্তাব দিতে যাচ্ছে ইরান! যুদ্ধের মোড় ঘুরাতে তেহরানের নয়া ছক
- আমরা কি হাওয়ার সঙ্গে যুদ্ধ করেছি? রাজাকারের সঙ্গে যুদ্ধ করেছি : পার্থ
- রাডার এড়িয়ে গোপন যাত্রা! ২ মাস পর এলএনজি নিয়ে হরমুজ পার হলো বিশাল জাহাজ
- সারাদেশের জন্য বিশেষ সতর্কবার্তা জারি
- ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোটে সাবধান! জালিয়াত চক্র থেকে বাঁচার উপায় জানাল ব্যাংক
- ওপেক ছাড়ল সংযুক্ত আরব আমিরাত: সৌদি আরবের জন্য বড় ধাক্কা, উত্তাল তেলের বাজার!
- টানা ২ বার কমার রেকর্ড! স্বর্ণের বাজারে কী ঘটছে? জানাল বাজুস
- ভারতীয় ভিসায় বড় পরিবর্তন! ভোগান্তি কমাতে সংসদে সুখবর দিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
- ১৬টি খাতে জাপানের দুয়ার উন্মুক্ত! ৩ লাখ জনশক্তি পাঠাতে মাস্টারপ্ল্যান সরকারের
- সংসদে ডা. শফিকের হুঙ্কার: ‘দল করতে কি উনার অনুমতি লাগবে?
- সংসদের উত্তেজনা থামালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: ইতিহাস নিয়ে জাতিকে আর বিভক্ত করবেন না
- মাঝসমুদ্রে নাটকীয় অভিযান! ইরানের তেলের ট্যাংকার জব্দ করল মার্কিন নৌবাহিনী
- অর্থের অভাবে কেউ আর বিচারহীন থাকবে না: প্রধানমন্ত্রী
- সংসদে রণক্ষেত্র! ‘মুক্তিযোদ্ধা পরিবার ও জামায়াত’ ইস্যুতে ফজলুর রহমানের বিস্ফোরক মন্তব্য
- পরমাণু যুগে লাল-সবুজের বাংলাদেশ: রূপপুরে জ্বলে উঠল শক্তির নতুন বাতিঘর
- ২৮ এপ্রিল: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- ২৮ এপ্রিল: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ২৮ এপ্রিল: শেয়ারবাজার লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- সৌদি-দুবাইয়ে ভরিতে ৪০ হাজার টাকা কম! জানুন কেন বাংলাদেশের সাধারণ ক্রেতারা ঠকছেন
- হৃদরোগ আসার আগেই শরীর দেয় সংকেত: জেনে নিন রক্তনালির গোপন সংক্রামক
- ইতিহাসের ‘সবচেয়ে নিকৃষ্ট’ প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প!
- নিউজিল্যান্ডের পাহাড় ডিঙিয়ে বাংলাদেশের নতুন রেকর্ড
- টাকার মান কি বাড়ল না কমল? দেখে নিন ২৮ এপ্রিলের বৈদেশিক মুদ্রার রেট
- হুমকির মুখে বিশ্ব অর্থনীতি: ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনায় রেকর্ড উচ্চতায় তেলের দাম
- অসুস্থতার খবর ভুয়া! ইরানের শীর্ষ নেতার সক্রিয়তার প্রমাণ দিলেন ভ্লাদিমির পুতিন
- আমেরিকাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি! অবরুদ্ধ হরমুজ প্রণালী দাপিয়ে বেড়াল রাশিয়ার সুপারইয়াট
- সব বাধা জয় করে এলিট ক্লাবে বাংলাদেশ: আজ রূপপুরে ঐতিহাসিক জ্বালানি লোডিং
- ট্রাম্পের নাখোশ মেজাজ: ইরানের ৩ ধাপের শান্তি প্রস্তাব গ্রহণ করল না হোয়াইট হাউস
- ১৩ জেলায় কালবৈশাখীর হানা! দুপুরে ১টার মধ্যেই ধেয়ে আসছে প্রবল ঝড়
- আবারও সস্তা হলো সোনা: আজ থেকেই নতুন মূল্য কার্যকর
- ঘর থেকে বের হওয়ার আগে সাবধান! আজ মঙ্গলবার ঢাকার যেসব মার্কেট বন্ধ
- জ্বালানি নিরাপত্তায় নয়া ইতিহাস: রূপপুর থেকে ৬০ বছর মিলবে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ
- আজকের নামাজের সময়সূচি: জেনে নিন ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার ওয়াক্ত
- জাতীয় গ্রিডে আদানির বিদ্যুৎ: লোডশেডিং নিরসনে যোগ হলো ৯২৫ মেগাওয়াট
- ফেসবুকে হাসনাত আব্দুল্লাহর ‘লাল কার্ড’: কী বার্তা দিতে চাইলেন এনসিপি নেতা?
- পরমাণু বোমা নাকি শান্তি? ইরানের নতুন প্রস্তাবে বিপাকে হোয়াইট হাউস
- মহাবিশ্বের পঞ্চম শক্তির সন্ধান! সৌরজগতেই মিলতে পারে রহস্যময় নতুন বলের খোঁজ
- কালিগঞ্জে থানা সংস্কারের নামে চাঁদাবাজি: ওসির নির্দেশের দাবি কমিটির
- কুমিল্লায় কাস্টমস কর্মকর্তাকে হত্যা, জড়িত ৫ জন গ্রেফতার
- যেসব ফোনে চিরতরে বন্ধ হচ্ছে হোয়াটসঅ্যাপ: মেটা কর্তৃপক্ষের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ
- বাফারিংয়ের দিন শেষ! সাশ্রয়ী মূল্যে উচ্চগতির ইন্টারনেটের ঘোষণা বিটিআরসির
- মোবাইল গ্রাহকদের জন্য বড় সুখবর; কল ড্রপ ও নেটওয়ার্ক ভোগান্তি শেষ!
- পরমাণু যুগে বাংলাদেশ! রূপপুরে ইউরেনিয়াম লোডিংয়ের কাজ সফলভাবে শুরু
- ইরানের কাছে নতিস্বীকার করছে যুক্তরাষ্ট্র! জার্মান চ্যান্সেলরের বিস্ফোরক মন্তব্য
- শিগগিরই স্থানীয় সরকার নির্বাচন! জাতীয় সংসদে বড় বার্তা দিলেন মির্জা ফখরুল
- সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনে ফিরলেন নুসরাত তাবাসসুম: বড় ধাক্কা খেল ইসি
- কিউই বধের নতুন রেকর্ড! নিউজিল্যান্ডকে উড়িয়ে সিরিজে এগিয়ে গেল টাইগাররা
- পারমাণবিক অস্ত্রই কি তবে ইরানের শেষ ঢাল? দ্য গার্ডিয়ানের বিস্ফোরক তথ্য
- জঙ্গি হামলার শঙ্কা: শাহজালালসহ দেশের ৮ বিমানবন্দরে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি
- ২৭ এপ্রিল: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- সোনার বাজারে খুশির আমেজ; বাজুসের নতুন মূল্যে বড় ছাড়
- কালিগঞ্জ ওসির বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড়! আদালতের নির্দেশ বৃদ্ধাঙ্গুলি
- মতপ্রকাশের স্বাধীনতা বনাম ডিজিটাল অসভ্যতা: গণতান্ত্রিক সংহতি রক্ষায় নতুন চ্যালেঞ্জ
- রেকর্ড দামের পর অবশেষে স্বস্তি: সোনার ভরিতে বড় ছাড় দিল বাজুস
- সোনার সাথে রুপার দামেও আগুন! আজ থেকে কার্যকর নতুন দর
- রেকর্ড দামের পর এবার কি কমছে স্বর্ণ? একনজরে আজকের বাজার দর
- আবারও সস্তা হলো সোনা: আজ থেকেই নতুন মূল্য কার্যকর
- আজ থেকেই আদানির বিদ্যুৎ পাচ্ছে বাংলাদেশ: কমতে পারে লোডশেডিং
- বাংলাদেশ বনাম নিউজিল্যান্ড ১ম টি-টোয়েন্টি: সময়সূচি ও সরাসরি দেখার উপায় একনজরে
- ধান-চালের নতুন দাম ঘোষণা সরকারের
- যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের নতুন শর্ত
- ৭৫ দেশের নাগরিকদের জন্য বন্ধ হলো আমেরিকার দুয়ার: তালিকায় বাংলাদেশও
- ত্বক ও চুলে অ্যালোভেরার অবিশ্বাস্য উপকারিতা
- ঢাকার যে ১১ পাম্পে বাধ্যতামূলক হচ্ছে ফুয়েল পাস
- তাপদাহের পর এবার ঝড়-বৃষ্টির বড় পূর্বাভাস








