টানা বাড়ার পর সোনার দামে রেকর্ড পতন, নতুন দর ঘোষণা

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০৯ ১৪:৪৭:০০
টানা বাড়ার পর সোনার দামে রেকর্ড পতন, নতুন দর ঘোষণা
ছবি: সংগৃহীত

দেশের বাজারে টানা কয়েক দফা মূল্যবৃদ্ধির পর অবশেষে কমেছে স্বর্ণের দাম। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) নতুন করে মূল্য সমন্বয় করে প্রতি ভরিতে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে স্বর্ণের নতুন দর নির্ধারণ করেছে। সোমবার (৯ মার্চ) সকালে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয় এবং ঘোষণার পর থেকেই নতুন দাম কার্যকর হয়েছে।

নতুন মূল্য অনুযায়ী দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের এক ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৬৪ হাজার ৯৪৮ টাকা, যা আগের দিন পর্যন্ত ছিল ২ লাখ ৬৮ হাজার ২১৪ টাকা। অর্থাৎ এক দিনের ব্যবধানে স্বর্ণের দামে উল্লেখযোগ্য হ্রাস পেয়েছে।

বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের দাম কমে যাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় এই মূল্য সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারের প্রবণতা এবং দেশীয় বাজারের সরবরাহ পরিস্থিতিও নতুন দাম নির্ধারণে প্রভাব ফেলেছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

নতুন তালিকা অনুযায়ী, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫২ হাজার ৮৭৬ টাকা। এছাড়া ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ১৬ হাজার ৭৭৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৭৬ হাজার ৯৪৩ টাকা প্রতি ভরি নির্ধারণ করা হয়েছে।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, গত দুই সপ্তাহে টানা ছয় দফা মূল্যবৃদ্ধির ফলে স্বর্ণের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যায়। সেই ধারাবাহিকতার পর এখন দুই দফা কমার মাধ্যমে বাজারে কিছুটা স্থিতি ফিরতে শুরু করেছে।

চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম মোট ৩৮ বার সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ২৪ দফা দাম বাড়ানো হয়েছে এবং ১৪ দফা কমানো হয়েছে।

-রাফসান


আজ ৯ মার্চ ২০২৬; জেনে নিন বাংলাদেশি টাকায় বিভিন্ন মুদ্রার রেট

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০৯ ১১:২৮:৩৮
আজ ৯ মার্চ ২০২৬; জেনে নিন বাংলাদেশি টাকায় বিভিন্ন মুদ্রার রেট
ছবি : সংগৃহীত

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। আন্তর্জাতিক এই বাণিজ্যিক লেনদেন এবং প্রবাসীদের রেমিট্যান্স পাঠানোর প্রক্রিয়া সহজ করতে বিভিন্ন দেশের মুদ্রার সঙ্গে বাংলাদেশি টাকার বর্তমান বিনিময় হার জানা অত্যন্ত জরুরি। আজ সোমবার (৯ মার্চ) ২০২৬ ইংরেজি তারিখে বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যানুযায়ী বিশ্বের প্রধান কিছু বৈদেশিক মুদ্রার বিপরীতে বাংলাদেশি টাকার মান নির্ধারণ করা হয়েছে।

বিনিময় হারের এই তালিকায় দেখা যাচ্ছে, বর্তমানে আমেরিকান ডলারের বিপরীতে বাংলাদেশি টাকার মান ১২২ টাকা ৫০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে।

অন্যান্য প্রধান মুদ্রাগুলোর মধ্যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ইউরোর বিনিময় হার ১৪২ টাকা ৩৩ পয়সা এবং ব্রিটিশ পাউন্ডের মান ১৬৪ টাকা ৩২ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এ ছাড়া এশীয় ও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মুদ্রার মানেও কিছুটা পরিবর্তন লক্ষ করা গেছে।

বিশেষ করে কুয়েতি দিনারের মান বর্তমানে ৩৯৫ টাকা ৬০ পয়সা এবং ওমানি রিয়ালের মান ৩১৬ টাকা ৩৮ পয়সা।

মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য জনপ্রিয় মুদ্রা যেমন সৌদি রিয়ালের মান ৩২ টাকা ৪১ পয়সা এবং কাতারি রিয়ালের মান ৩৩ টাকা ৫৪ পয়সা হিসেবে লেনদেন হচ্ছে।

প্রতিবেশী দেশগুলোর মুদ্রার হারের ক্ষেত্রেও আজ নতুন মান নির্ধারিত হয়েছে। ভারতীয় রুপির বিনিময় হার ১ টাকা ৩৩ পয়সা এবং শ্রীলঙ্কান রুপির মান ২ টাকা ৫৪ পয়সা।

এ ছাড়া জাপানি ইয়েন বর্তমানে ৭৭ পয়সা এবং চীনা ইউয়ান ১৭ টাকা ৭৪ পয়সা দরে বিনিময় হচ্ছে।

অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ মুদ্রার মধ্যে অস্ট্রেলিয়ান ডলার ৮৬ টাকা ১২ পয়সা, কানাডিয়ান ডলার ৯০ টাকা ২৯ পয়সা এবং সিঙ্গাপুর ডলার ৯৫ টাকা ৮০ পয়সায় বিক্রি হচ্ছে।

বৈদেশিক এই বিনিময় হারগুলো আন্তর্জাতিক বাজার ও ব্যাংকিং চ্যানেলের ওপর ভিত্তি করে নিয়মিত পরিবর্তনশীল হতে পারে।

(সূত্র: গুগল)

যে কোনো সময় মুদ্রার বিনিময় হার পরিবর্তন হতে পারে।


টানা বাড়ার পর স্বর্ণের দামে বিশাল ধস: ভরিতে কমল ৯ হাজার টাকার বেশি

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০৯ ১০:১৬:১৩
টানা বাড়ার পর স্বর্ণের দামে বিশাল ধস: ভরিতে কমল ৯ হাজার টাকার বেশি
ছবি : সংগৃহীত

বিশ্ববাজারে অস্থিরতা ও ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেও দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে স্বর্ণের দামে বড় ধরনের পতন লক্ষ্য করা গেছে। টানা ছয় দফা মূল্যবৃদ্ধির রেকর্ড গড়ার পর গত শনিবার (৭ মার্চ) থেকে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম একলাফে ভরিপ্রতি ৯ হাজার ২১৪ টাকা কমিয়ে আনা হয়েছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) নির্ধারিত এই নতুন ও হ্রাসকৃত মূল্যেই আজ সোমবারও (৯ মার্চ) বাজারে স্বর্ণ কেনাবেচা চলছে। বাজুসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের দাম কমে যাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে তারা এই সমন্বয় করেছেন।

বাজুসের হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে সবচেয়ে ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৬৮ হাজার ২১৪ টাকা। এর ঠিক আগেই গত সপ্তাহে কয়েক দফায় দাম বাড়িয়ে এই মানের স্বর্ণের ভরি ২ লাখ ৭৭ হাজার ৪২৮ টাকায় নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। মূলত গত সপ্তাহে মাত্র দুবার দাম বাড়ানোর মাধ্যমেই স্বর্ণের বাজারে ৫ হাজার ৪৮২ টাকার মতো বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছিল। তবে শনিবারের এই বড় হ্রাসের ফলে সাধারণ গ্রাহকদের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি ফিরে এসেছে।

চলতি ২০২৬ সালে এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে মোট ৩৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে জুয়েলার্স মালিকদের সংগঠন বাজুস ২৪ বার দাম বাড়ালেও ১৩ বার দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা ও ডলারের দামের উঠানামার প্রভাবে অভ্যন্তরীণ বাজারে স্বর্ণের এই ঘনঘন পরিবর্তন ঘটছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা। তবে বর্তমানের এই বিশাল দরপতন জুয়েলারি খাতে গত কয়েক দিনের স্থবিরতা কাটিয়ে কিছুটা গতি আনবে বলে আশা প্রকাশ করছে বাজুস।

/আশিক


স্বর্ণের দামে রেকর্ড পতন, ২ লাখ ১৯ হাজারে মিলবে এক ভরি

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০৮ ১১:৪০:২৫
স্বর্ণের দামে রেকর্ড পতন, ২ লাখ ১৯ হাজারে মিলবে এক ভরি
ছবি: সংগৃহীত

দেশের স্বর্ণবাজারে সাম্প্রতিক সময়ে উল্লেখযোগ্য দামের সমন্বয় করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স এসোসিয়েশন (বাজুস)। সবশেষ বুধবার (৪ মার্চ) সংস্থাটি দেশের বাজারে স্বর্ণের দামে বড় ধরনের হ্রাসের ঘোষণা দেয়। ওই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ভরিপ্রতি স্বর্ণের দাম এক ধাক্কায় ৯ হাজার ২১৪ টাকা কমানো হয়, যা সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম বড় মূল্যহ্রাস হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হওয়ার পর বর্তমানে বাজারে স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে সংশোধিত সেই দামেই। আজ রোববার (৮ মার্চ) পর্যন্ত দেশের স্বর্ণের দোকানগুলোতে এই মূল্য কাঠামো বহাল রয়েছে। বাজুস জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দামের ওঠানামা, আমদানি ব্যয় এবং দেশীয় বাজার পরিস্থিতি বিবেচনা করেই এই সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নতুন নির্ধারিত দর অনুযায়ী, দেশের বাজারে এখন প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৬৮ হাজার ২১৪ টাকা। একইসঙ্গে ২১ ক্যারেট স্বর্ণের প্রতি ভরি বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ৫৬ হাজার ২৫ টাকায়। এছাড়া ১৮ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি ২ লাখ ১৯ হাজার ৪৫৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

অন্যদিকে, দেশীয় ঐতিহ্যবাহী বা সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণ বর্তমানে প্রতি ভরি ১ লাখ ৭৯ হাজার ১৫৯ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ক্যারেটভেদে স্বর্ণের বিশুদ্ধতার পার্থক্যের কারণে এই দামের তারতম্য হয়ে থাকে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

শুধু স্বর্ণ নয়, একই ঘোষণায় রুপার দামও কমানোর সিদ্ধান্ত নেয় বাজুস। ফলে বর্তমানে রুপার বাজারেও নতুন দর কার্যকর হয়েছে। সংশোধিত দামে ২২ ক্যারেট রুপার প্রতি ভরি বিক্রি হচ্ছে ৬ হাজার ৫৩২ টাকায়।

এছাড়া ২১ ক্যারেট রুপার ভরি ৬ হাজার ২৪০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। অন্যদিকে ১৮ ক্যারেট রুপার দাম প্রতি ভরি ৫ হাজার ৩৬৫ টাকা। আর সনাতন পদ্ধতির রুপা বিক্রি হচ্ছে প্রতি ভরি ৪ হাজার ২৪ টাকায়।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক স্বর্ণবাজারে দামের ওঠানামা, ডলারের বিনিময় হার এবং স্থানীয় চাহিদা-সরবরাহ পরিস্থিতি দেশের স্বর্ণ ও রুপার বাজারকে সরাসরি প্রভাবিত করে। বিশেষ করে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, বিনিয়োগ প্রবণতা এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর স্বর্ণ রিজার্ভ বাড়ানোর নীতি বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামের ওপর গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে।

তবে সাম্প্রতিক এই মূল্যহ্রাসে স্বর্ণ ক্রেতাদের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি ফিরতে পারে বলে মনে করছেন ব্যবসায়ীরা। বিশেষ করে বিয়ে মৌসুম কিংবা অলঙ্কার তৈরির জন্য যারা স্বর্ণ কিনতে চান, তাদের জন্য বর্তমান দাম তুলনামূলকভাবে সহনীয় পর্যায়ে এসেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বাজুস জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে প্রয়োজনে ভবিষ্যতেও স্বর্ণ ও রুপার দামে নতুন সমন্বয় আনা হতে পারে। তাই ক্রেতাদের বাজারদর সম্পর্কে নিয়মিত হালনাগাদ তথ্য জানার পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

-রফিক


আজকের মুদ্রা বিনিময় হার: জানুন ডলার, ইউরো ও রিয়ালের সর্বশেষ রেট

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০৮ ১১:২৬:৪৫
আজকের মুদ্রা বিনিময় হার: জানুন ডলার, ইউরো ও রিয়ালের সর্বশেষ রেট
ছবি : সংগৃহীত

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক দিন দিন আরও সুদৃঢ় হচ্ছে। এর ফলে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিভিন্ন মুদ্রার সাথে বাংলাদেশি টাকার লেনদেনের হার জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে বাণিজ্যিক লেনদেন ও ব্যক্তিগত প্রয়োজনে যারা নিয়মিত মুদ্রা বিনিময় করেন, তাদের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক নির্ধারিত সর্বশেষ রেট অনুসরণ করা প্রয়োজন। আজ রোববার (৮ মার্চ) ২০২৬ ইংরেজি তারিখে বিভিন্ন বৈদেশিক মুদ্রার বিপরীতে বাংলাদেশি টাকার বিনিময় হার নিচে বিস্তারিত তুলে ধরা হলো।

আজকের বাজার দর অনুযায়ী, প্রতি ইউএস ডলারের বিনিময় মূল্য দাঁড়িয়েছে ১২২ টাকা ৪৫ পয়সা।

ইউরোপীয় একক মুদ্রা ইউরোর দাম নির্ধারিত হয়েছে ১৪২ টাকা ২৭ পয়সা এবং ব্রিটিশ পাউন্ডের মূল্য ১৬৪ টাকা ২৫ পয়সা।

অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ মুদ্রার মধ্যে অস্ট্রেলিয়ান ডলার ৮৬ টাকা ৯ পয়সা, জাপানি ইয়েন ৭৭ পয়সা এবং কানাডিয়ান ডলার ৯০ টাকা ২৫ পয়সায় লেনদেন হচ্ছে।

এছাড়া সুইডিশ ক্রোনা ১৩ টাকা ৩৭ পয়সা এবং সিঙ্গাপুর ডলার ৯৫ টাকা ৭৬ পয়সায় স্থির রয়েছে।

প্রতিবেশী দেশগুলোর মুদ্রার মধ্যে ভারতীয় রুপির বিনিময় হার ১ টাকা ৩৩ পয়সা এবং শ্রীলঙ্কান রুপি ২ টাকা ৫৩ পয়সা।

এশীয় অঞ্চলের অন্যান্য মুদ্রার মধ্যে চীনা ইউয়ান রেনমিনবি ১৭ টাকা ৭৩ পয়সা এবং মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত ৩১ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মুদ্রার মানেও কিছুটা পরিবর্তন দেখা গেছে।

আজকের রেট অনুযায়ী সৌদি রিয়াল ৩২ টাকা ৫৯ পয়সা, কাতারি রিয়াল ৩৩ টাকা ৫৯ পয়সা, কুয়েতি দিনার ৩৯৬ টাকা ৪৯ পয়সা এবং ওমানি রিয়াল ৩১৮ টাকা ১৩ পয়সায় বিনিময় করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য যে, এই বিনিময় হারগুলো বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক প্রদত্ত এবং বাজার পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে ব্যাংক ও মানি এক্সচেঞ্জ ভেদে সামান্য তারতম্য হতে পারে।

(সূত্র: গুগল)


স্বর্ণের বাজারে বিশাল ধস! ২২ ক্যারেটের নতুন দাম জানাল জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০৮ ০৯:৪৫:৩৫
স্বর্ণের বাজারে বিশাল ধস! ২২ ক্যারেটের নতুন দাম জানাল জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন
ছবি : সংগৃহীত

ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা ও বিশ্ববাজারের অস্থিরতার মধ্যেও দেশের বাজারে স্বর্ণের দামে বড় ধরনের পতন ঘটেছে। টানা ছয় দফায় মূল্যবৃদ্ধির পর অবশেষে স্বর্ণের দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। শনিবার (৭ মার্চ) এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বাজুস জানিয়েছে যে, প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৯ হাজার ২১৪ টাকা কমানো হয়েছে। নতুন এই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের বর্তমান বাজারমূল্য ২ লাখ ৬৮ হাজার ২১৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে যা আজ রোববারও কার্যকর থাকবে।

বাজুসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম কমে যাওয়ায় সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে স্বর্ণের এই নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এর আগে বাজারে স্বর্ণের দাম কয়েক দফায় লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়েছিল। গত সপ্তাহের কয়েক দফায় বাড়ানো মূল্যের পর ২২ ক্যারেটের ভালো মানের স্বর্ণের দাম ভরিপ্রতি ২ লাখ ৭৭ হাজার ৪২৮ টাকা পর্যন্ত স্পর্শ করেছিল। তবে সর্বশেষ সমন্বয়ের মাধ্যমে বড় অংকের এই মূল্যহ্রাস সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি নিয়ে এসেছে।

উল্লেখ্য যে, বর্তমান বছরটি স্বর্ণের বাজারের জন্য অত্যন্ত অস্থির সময় হিসেবে পার হচ্ছে। চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে মোট ৩৭ বার স্বর্ণের দামের পরিবর্তন বা সমন্বয় করা হয়েছে। এই দীর্ঘ তালিকায় ২৪ বার দাম বাড়ানো হলেও দাম কমানো হয়েছে মাত্র ১৩ বার। বিশ্ববাজারের পরিস্থিতির সাথে তাল মিলিয়ে স্থানীয় বাজারে এই নিয়মিত সমন্বয় সাধারণ গ্রাহক ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

/আশিক


তেল সংকটের গুজব নিয়ে সতর্কবার্তা: আতঙ্কে পাম্পে ভিড় না করার আহ্বান প্রতিমন্ত্রীর

সোহানুর রহমান
সোহানুর রহমান
নিজস্ব প্রতিবেদক
অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০৭ ১৬:৩১:২৪
তেল সংকটের গুজব নিয়ে সতর্কবার্তা: আতঙ্কে পাম্পে ভিড় না করার আহ্বান প্রতিমন্ত্রীর
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। ফাইল ছবি।

দেশে জ্বালানি তেলের কোনো সংকট নেই বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তিনি বলেছেন, দেশে পর্যাপ্ত জ্বালানি তেলের মজুত রয়েছে এবং আরও দুটি তেলবাহী জাহাজ আসছে। তাই অযথা আতঙ্কিত হয়ে পেট্রোল পাম্পে ভিড় না করার জন্য জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

শনিবার (৭ মার্চ) রাজধানীর কয়েকটি পেট্রোল পাম্প পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি জানান, পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে এবং আগামীকাল থেকে তেল মজুত বা অযথা আতঙ্ক সৃষ্টির বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সাম্প্রতিক আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি এবং বৈশ্বিক উত্তেজনার কারণে মানুষের মধ্যে কিছুটা উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে বিশ্বব্যাপী যুদ্ধাবস্থার মতো পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে দুশ্চিন্তা দেখা দেওয়া স্বাভাবিক। তবে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, এই উদ্বেগের বাস্তব কোনো ভিত্তি নেই।

তিনি বলেন, “যে সংশয়টি জনগণের মধ্যে তৈরি হয়েছে, আমরা সেটাকে অস্বাভাবিকভাবে দেখছি না। কারণ বিশ্ব পরিস্থিতিতে যুদ্ধের আবহ রয়েছে। কিন্তু আমি সবাইকে আশ্বস্ত করতে চাই, দেশে জ্বালানি তেল নিয়ে দুশ্চিন্তার কোনো কারণ নেই। অযথা লাইনে দাঁড়ানোরও প্রয়োজন নেই।”

প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, গত কয়েকদিনে স্বাভাবিকের তুলনায় কয়েকগুণ বেশি জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হয়েছে। অনেক ক্রেতাই স্বীকার করেছেন যে তারা প্রয়োজনের তুলনায় বেশি তেল কিনে মজুত করার চেষ্টা করছেন। এই প্রবণতা পরিস্থিতিকে অকারণে জটিল করে তুলতে পারে বলেও তিনি সতর্ক করেন।

সরকারের পক্ষ থেকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কঠোর নজরদারি অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি। অযথা আতঙ্ক সৃষ্টি, কৃত্রিম সংকট তৈরি বা অতিরিক্ত তেল মজুতের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ জন্যই আগামীকাল থেকে বিভিন্ন এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে।

আন্তর্জাতিক বাজার পরিস্থিতির দিকেও ইঙ্গিত করেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে বৈশ্বিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে, যা অনেক দেশের মতো বাংলাদেশের ওপরও চাপ সৃষ্টি করছে। তবে সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।

তিনি আরও বলেন, “আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের মূল্যবৃদ্ধি আমাদের জন্য একটি চাপ তৈরি করছে। স্বাভাবিকভাবেই এ ক্ষেত্রে সমন্বয়ের প্রয়োজন হবে। তারপরও আমরা চেষ্টা করব যেন দেশের মানুষের ওপর অতিরিক্ত চাপ না পড়ে এবং তেলের দাম বাড়াতে না হয়।”

শেষে প্রতিমন্ত্রী সাধারণ মানুষকে ধৈর্য ও সচেতনতার আহ্বান জানিয়ে বলেন, অযথা আতঙ্ক ছড়িয়ে পরিস্থিতি জটিল না করে স্বাভাবিকভাবে জ্বালানি ব্যবহার করা উচিত। জনগণের দুর্ভোগ কমাতে সরকার সর্বাত্মকভাবে কাজ করছে বলেও তিনি আশ্বস্ত করেন।


আজকের মুদ্রা বিনিময় হার: জেনে নিন কোন দেশের মুদ্রার কত দাম

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০৭ ১০:৪৭:৩১
আজকের মুদ্রা বিনিময় হার: জেনে নিন কোন দেশের মুদ্রার কত দাম
ছবি : সংগৃহীত

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক পরিধি দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর ফলে আন্তর্জাতিক লেনদেন পরিচালনার সুবিধার্থে বৈদেশিক মুদ্রার সঙ্গে দেশীয় মুদ্রার বিনিময় হার জানা এখন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে প্রবাসী আয় এবং আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের জন্য এই হিসাব প্রতিনিয়ত পরিবর্তনশীল।

আজ শনিবার (৭ মার্চ) আন্তর্জাতিক মুদ্রাবাজারের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশি টাকার বিপরীতে বিভিন্ন বৈদেশিক মুদ্রার মূল্যে কিছু পরিবর্তন পরিলক্ষিত হয়েছে। আজকের বাজার দর অনুযায়ী, মার্কিন ডলারের বিনিময় হার ১২২ টাকা ৩২ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

ইউরোপীয় একক মুদ্রা ইউরোর মান দাঁড়িয়েছে ১৪১ টাকা ৪১ পয়সা এবং ব্রিটিশ পাউন্ডের মূল্য ১৬২ টাকা ৯১ পয়সায় পৌঁছেছে।

এছাড়া এশীয় দেশগুলোর মধ্যে সিঙ্গাপুর ডলার ৯৫ টাকা ৫৯ পয়সা এবং মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত ৩১ টাকায় লেনদেন হচ্ছে।

মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে কর্মরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সৌদি রিয়ালের মান আজ ৩২ টাকা ৫৯ পয়সা এবং কাতারি রিয়ালের মান ৩৩ টাকা ৫৯ পয়সা।

কুয়েতি দিনারের মান বরাবরের মতো বেশ চড়া, যা আজ ৩৯৬ টাকা ৪৯ পয়সায় দাঁড়িয়েছে।

অন্যদিকে প্রতিবেশী দেশ ভারতের মুদ্রা রুপির বিনিময় হার ১ টাকা ৩৩ পয়সা এবং চীনা ইউয়ান ১৭ টাকা ৭৩ পয়সা হিসেবে রেকর্ড করা হয়েছে।

আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এই মুদ্রার হারের সঠিক তথ্য জানা সংশ্লিষ্ট সবার জন্য অপরিহার্য।

/আশিক


বিশ্ববাজারে উত্তেজনা থাকলেও দেশের বাজারে কমলো স্বর্ণের দাম

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০৭ ০৯:২৯:৩৪
বিশ্ববাজারে উত্তেজনা থাকলেও দেশের বাজারে কমলো স্বর্ণের দাম
ছবি : সংগৃহীত

বিশ্ববাজারে উত্তেজনার মধ্যেই সবশেষ সমন্বয়ে দেশের বাজারে বড় ব্যবধানে কমেছে স্বর্ণ ও রুপার দাম।

টানা ৬ দফা বাড়ানোর পর শনিবার (৭ মার্চ) ভরিতে ৯ হাজার ২১৪ টাকা কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এর আগে, বুধবার (৪ মার্চ) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস।

বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানায়, ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৬৮ হাজার ২১৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। বুধবার থেকেই কার্যকর হওয়া এই দামে আজ শনিবারও বিক্রি হবে স্বর্ণ।বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য কমেছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর আগে, ভরিতে ৩ হাজার ৩২৪ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৭৭ হাজার ৪২৮ টাকা নির্ধারণ করে বাজুস। গত শনিবারের পর সোমবারও স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ফলে ২২ ক্যারেটের ভালো মানের স্বর্ণের দাম ভরিপ্রতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৭৪ হাজার ১০৪ টাকায় দাড়ায়।

গত সপ্তাহে দুবার স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। সেবার দুই দফায় দাম বাড়ানো হয় ৫ হাজার ৪৮২ টাকা। এবার এক দফায় বাড়ল ৪ হাজার টাকার বেশি।

এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৩৭ বার সমন্বয় করা হয়েছে স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম ২৪ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে ১৩ দফা।

/আশিক


বাজার অস্থিরতায় বাজুসের বড় সিদ্ধান্ত: কমেছে স্বর্ণ ও রুপার দাম

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০৬ ১০:৩১:৪৪
বাজার অস্থিরতায় বাজুসের বড় সিদ্ধান্ত: কমেছে স্বর্ণ ও রুপার দাম
ছবি : সংগৃহীত

সবশেষ সমন্বয়ে দেশের বাজারে বড় ব্যবধানে কমেছে স্বর্ণ ও রুপার দাম। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বাজুস) সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শুক্রবার (৬ মার্চ) মূল্যবান এই ধাতু দুটি বিক্রি হচ্ছে সবশেষ নির্ধারিত দামে।

গত বুধবার (৪ মার্চ) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানায়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ ও রুপার (পিওর গোল্ড ও সিলভার) দাম কমায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণ ও রুপার নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। ওই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ভরিপ্রতি স্বর্ণের দাম কমানো হয়েছে ৯ হাজার ২১৪ টাকা এবং রুপার দাম কমানো হয়েছে ৬৪১ টাকা। নতুন দাম কার্যকর হয়েছে বুধবার সকাল ১০টা থেকে।

বর্তমানে দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেট স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ৬৮ হাজার ২১৪ টাকায়। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৫৬ হাজার ২৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৯ হাজার ৪৫৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ১ লাখ ৭৯ হাজার ১৫৯ টাকায়।এর আগে গত মঙ্গলবার (৩ মার্চ) স্বর্ণের দাম বাড়িয়েছিল বাজুস। তখন ভরিতে ৩ হাজার ৩২৪ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৭৭ হাজার ৪২৮ টাকা। সে সময় ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ছিল ২ লাখ ৬৪ হাজার ৭৭৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২৬ হাজার ৯৮১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ছিল ১ লাখ ৮৫ হাজার ৭৪৯ টাকা।

চলতি বছরে এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৩৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ২৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছে এবং ১৩ বার কমানো হয়েছে। আর ২০২৫ সালে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল, যার মধ্যে ৬৪ বার দাম বেড়েছিল এবং ২৯ বার কমেছিল।

স্বর্ণের পাশাপাশি রুপার দামও কমানো হয়েছে। বর্তমানে ২২ ক্যারেট রুপার প্রতি ভরি বিক্রি হচ্ছে ৬ হাজার ৫৩২ টাকায়। এছাড়া ২১ ক্যারেটের রুপা প্রতি ভরি ৬ হাজার ২৪০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের রুপা ৫ হাজার ৩৬৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপা ৪ হাজার ২৪ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে।

চলতি বছরে এখন পর্যন্ত রুপার দাম ২২ দফা সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৪ বার দাম বেড়েছে এবং ৮ বার কমেছে। আর ২০২৫ সালে রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল মোট ১৩ বার, যার মধ্যে ১০ বার দাম বেড়েছিল এবং ৩ বার কমেছিল।

/আশিক

পাঠকের মতামত: