ভোটের রাজনীতিতে আসিফ মাহমুদ: ঢাকা দক্ষিণে এনসিপির বড় বাজি

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২৪ ২১:৫৭:১৩
ভোটের রাজনীতিতে আসিফ মাহমুদ: ঢাকা দক্ষিণে এনসিপির বড় বাজি
ছবি : সংগৃহীত

আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র পদে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী হতে পারেন দলটির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) সন্ধ্যায় রাজধানীর বাংলামোটরে এনসিপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি নিজেই এই পূর্বাভাস দিয়েছেন। আসিফ মাহমুদ জানান, দল থেকে তাঁকে প্রাথমিকভাবে এই পদের জন্য প্রস্তুতি নিতে বলা হয়েছে, যদিও বিষয়টি এখনও চূড়ান্ত নয়।

সংবাদ সম্মেলনে আসিফ মাহমুদ ছয়টি সিটি করপোরেশনে তড়িঘড়ি করে প্রশাসক নিয়োগের তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি অভিযোগ করেন, “রাজনৈতিক সরকার দায়িত্ব আসার পর জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের জায়গায় দলীয়ভাবে বঞ্চিত বা নির্বাচনে হেরে যাওয়া প্রার্থীদের ‘প্রাইজ পোস্টিং’ হিসেবে প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে। এই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতার অভাব রয়েছে এবং কতদিনের জন্য তারা নিয়োগ পেয়েছেন তার কোনো সময়সীমা প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ নেই।” স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলো দীর্ঘ দেড় বছর জনপ্রতিনিধি শূন্য থাকায় নাগরিকরা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন উল্লেখ করে তিনি দ্রুত নির্বাচনের রূপরেখা দেওয়ার দাবি জানান।

গত দুদিন ধরে পুলিশের অভিযানের নামে সাধারণ মানুষ ও সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানান এনসিপি মুখপাত্র। তিনি বলেন, “সরকার এর মাধ্যমে জনগণের মধ্যে এক ধরনের ভয়ের রাজত্ব কায়েম করতে চাচ্ছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আন্দোলন বা রাস্তা অবরোধ না করার যে কথা বলেছেন, আমরা অযৌক্তিক অবরোধ সমর্থন করি না। কিন্তু জনগণের যৌক্তিক দাবির আন্দোলন করার অধিকার যেন কোনোভাবেই বিঘ্নিত না হয়।”

এনসিপির স্থানীয় সরকার নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব ও সংসদ সদস্য হান্নান মাসউদ জানান, এনসিপি প্রতিটি স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নেবে। তিনি উল্লেখ করেন, স্থানীয় নির্বাচনে যেহেতু দলীয় মার্কা থাকবে না, তাই এনসিপি যোগ্য ব্যক্তিদের সাংগঠনিকভাবে সমন্বয় করে সহযোগিতা করবে। তিনি আরও জানান, অনেক কারচুপির মধ্যেও তাদের দলের ৬ জন সংসদ সদস্য হয়েছেন এবং তারা প্রতিটি স্তরে যোগ্য প্রার্থী প্রস্তুত করছেন।

/আশিক


অবুঝ নয় জাতি: রাষ্ট্রপতির আচরণ নিয়ে জামায়াত আমিরের কড়া সমালোচনা

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২৪ ১৮:৫৭:৪৫
অবুঝ নয় জাতি: রাষ্ট্রপতির আচরণ নিয়ে জামায়াত আমিরের কড়া সমালোচনা
ছবি : সংগৃহীত

৫ আগস্টের ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে সম্প্রতি রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের দেওয়া এক বিস্ফোরক সাক্ষাৎকারের পাল্টা জবাব দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। রাষ্ট্রপতির বক্তব্যকে ‘অগ্রহণযোগ্য আচরণ’ বলে অভিহিত করে তিনি বলেছেন, ৫ আগস্টের বিষয়ে রাষ্ট্রপতি অনেক সত্য তথ্য চেপে গেছেন। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক দীর্ঘ পোস্টে তিনি এসব মন্তব্য করেন।

ডা. শফিকুর রহমান তাঁর পোস্টে প্রশ্ন তোলেন যে, ৫ আগস্টে পলাতক প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ নিয়ে রাষ্ট্রপতি উপস্থিত রাজনৈতিক নেতাদের যা বলেছিলেন এবং পরবর্তীতে জাতির সামনে যা জানিয়েছিলেন, বর্তমান সাক্ষাৎকারে তার প্রতিফলন নেই। তিনি বলেন, “সেদিন কোটি কোটি মানুষ যা শুনলো এবং তিনি যা বললেন, আর এখন যা বলছেন—তার হিসেব রাষ্ট্রপতি কি মিলিয়ে দেবেন? জাতি অবুঝ নয়।” রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পদে আসীন একজনের কাছ থেকে এ ধরনের দ্বিমুখী আচরণ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

সম্প্রতি দৈনিক কালের কণ্ঠকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন ক্ষোভ প্রকাশ করে জানিয়েছিলেন যে, গত ১৮ মাসে অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে তাঁকে মানসিকভাবে চাপ ও অপমান সইতে হয়েছে। এমনকি তাঁকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টাও হয়েছিল বলে তিনি দাবি করেন। তিনি আরও বলেছিলেন যে, বিএনপি এবং সামরিক বাহিনীর সমর্থন না থাকায় তাঁকে সরানো সম্ভব হয়নি। রাষ্ট্রপতির এমন মন্তব্যের পরই জামায়াত আমির এই তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখালেন, যা বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে নতুন উত্তাপ ছড়িয়েছে।

/আশিক


মঈন খানের হাত ধরে নতুন রাষ্ট্রপতি? গুঞ্জন নিয়ে যা বললেন স্থায়ী কমিটির সদস্য

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২৪ ১৬:৩০:০০
মঈন খানের হাত ধরে নতুন রাষ্ট্রপতি? গুঞ্জন নিয়ে যা বললেন স্থায়ী কমিটির সদস্য
ছবি : সংগৃহীত

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান বলেছেন, দেশ ও জাতির ওপর জগদ্দল পাথরের মতো চেপে বসা একদলীয় বাকশালের তত্ত্বে বিএনপি কখনোই বিশ্বাস করে না। তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, বিএনপি বহুদলীয় এবং সংসদীয় গণতন্ত্রের ধারক-বাহক এবং সেই পথেই দলটি সামনের দিকে এগিয়ে যাবে। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) দুপুরে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সদ্য প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত ও পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

মঈন খান তাঁর বক্তব্যে বিগত ১৭ বছরের আওয়ামী স্বৈরশাসনের কঠোর সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, “জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে দুই-তৃতীয়াংশ মেজরিটি নিয়ে বর্তমান সরকার গঠনের মধ্য দিয়ে যে গণতন্ত্র ফিরে এসেছে, তা রক্ষা করাই এখন বিএনপির মূল লক্ষ্য। স্বাধীনতার চেতনাকে ধারণ করে দেশের মানুষের ভোটাধিকার এবং গণতান্ত্রিক অধিকার সমুন্নত রাখতে আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ।” তিনি আরও উল্লেখ করেন, ক্ষমতার মোহ নয় বরং জনগণের সেবাই বিএনপির রাজনীতির মূল চালিকাশক্তি।

রাজনৈতিক অঙ্গনে গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে যে, ড. আব্দুল মঈন খান পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হতে যাচ্ছেন। এ বিষয়ে দলের ভেতরে কোনো আলোচনা হয়েছে কি না বা তিনি নিজে প্রস্তুত কি না—গণমাধ্যমকর্মীদের এমন প্রশ্ন বুদ্ধিমত্তার সাথে এড়িয়ে যান তিনি। সরাসরি উত্তর না দিয়ে তিনি বলেন, এই মুহূর্তে দলের প্রধান কাজ হচ্ছে রাষ্ট্রীয় সংস্কার এবং গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া। তাঁর এই কৌশলী জবাবে রাজনৈতিক মহলে কৌতূহল আরও বেড়েছে।

/আশিক


এনসিপির নির্বাচনী কমান্ড সারজিসের হাতে: আসছে বড় চমক

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২৪ ০৯:৩৭:৪২
এনসিপির নির্বাচনী কমান্ড সারজিসের হাতে: আসছে বড় চমক
ছবি : সংগৃহীত

আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নিজেদের রণকৌশল চূড়ান্ত করতে শুরু করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। দলটির নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালনার জন্য গঠন করা হয়েছে শক্তিশালী ‘স্থানীয় সরকার নির্বাচন পরিচালনা কমিটি’। এই গুরুত্বপূর্ণ কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে দলের অন্যতম প্রভাবশালী নেতা ও উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমকে। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) রাতে এনসিপির দপ্তর সেল থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই ঘোষণা দেওয়া হয়।

এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও সদস্যসচিব আখতার হোসেনের নির্দেশক্রমে গঠিত এই কমিটিতে সদস্যসচিব হিসেবে থাকছেন নোয়াখালী-৬ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল হান্নান মাসউদ। এছাড়া কমিটিতে গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হিসেবে রাখা হয়েছে আরিফুল ইসলাম আদীব, আলাউদ্দীন মোহাম্মদ, তাহসীন রিয়াজ ও অ্যাডভোকেট মনজিলা ঝুমাকে। দলের বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদকরা এই কমিটির এক্স-অফিসিও সদস্য হিসেবে কাজ করবেন।

দায়িত্ব পাওয়ার পরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের আক্রমণাত্মক মেজাজে ফিরেছেন সারজিস আলম। তিনি এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে সম্ভাব্য প্রার্থীদের উদ্দেশ্যে সরাসরি বার্তা দিয়ে লিখেছেন, “সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা, উপজেলা, ইউনিয়ন থেকে শুরু করে ওয়ার্ড যারা প্রার্থী হতে চান, প্রস্তুতি নিন। আমরা আসছি আপনার খোঁজে...।” রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, সারজিসের এই ঘোষণা তৃণমূল পর্যায়ে এনসিপির ভিত মজবুত করার এক বড় উদ্যোগ। বিশেষ করে তার এই ‘সারপ্রাইজ ভিজিট’ বা প্রার্থী খোঁজার প্রক্রিয়া নির্বাচনে নতুন কোনো চমক নিয়ে আসতে পারে।

/আশিক


সংসদ সদস্য থেকে মেয়র হওয়ার দৌড়ে ইশরাক হোসেন!

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২৩ ১৭:১০:৫৬
সংসদ সদস্য থেকে মেয়র হওয়ার দৌড়ে ইশরাক হোসেন!
ছবি : সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৬ আসন থেকে বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে এবং মন্ত্রিসভায় স্থান পাওয়ার পর এবার নিজের পরবর্তী লক্ষ্যের কথা জানিয়ে দিলেন তরুণ রাজনীতিক ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টের মাধ্যমে তিনি ঘোষণা দেন যে, আসন্ন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) নির্বাচনে তিনি মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। ফেসবুকে তাঁর সংক্ষিপ্ত কিন্তু বলিষ্ঠ বার্তা— “ঢাকা দক্ষিণ থেকে সিটি নির্বাচন করব, ইনশাআল্লাহ্।” তাঁর এই ঘোষণা রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

উল্লেখ্য, গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ঢাকা-৬ আসন থেকে প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েই বাজিমাত করেন অবিভক্ত ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার এই যোগ্য উত্তরসূরি। এরপর নতুন সরকার গঠিত হলে তাঁকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়। প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মাথায় সিটি নির্বাচনে লড়ার এই ঘোষণা ইশরাকের আত্মবিশ্বাস ও ঢাকার মানুষের প্রতি তাঁর দায়বদ্ধতারই বহিঃপ্রকাশ বলে মনে করছেন তাঁর সমর্থকরা।

এর আগে ২০২০ সালের সিটি নির্বাচনে তিনি ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে লড়ে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিলেন। যদিও সেবার তিনি জয়ী হতে পারেননি, তবে তরুণ প্রজন্মের মাঝে এক বিশাল ক্রেজ তৈরি করেছিলেন। এখন দেখার বিষয়, সংসদ সদস্য এবং মন্ত্রী হওয়ার পর আইনগত কোনো জটিলতা এড়াতে তিনি সংসদ থেকে পদত্যাগ করে মেয়রের চেয়ারে বসতে লড়বেন কি না। ইশরাকের এই সিদ্ধান্তে ঢাকা দক্ষিণ সিটির নির্বাচনী লড়াই যে অন্য উচ্চতায় পৌঁছে যাবে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

/আশিক


৬ সিটি পেল নতুন ৬ প্রশাসক: দায়িত্বে বিএনপির একঝাঁক হেভিওয়েট নেতা

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২৩ ১২:৪৮:৫৭
৬ সিটি পেল নতুন ৬ প্রশাসক: দায়িত্বে বিএনপির একঝাঁক হেভিওয়েট নেতা
ছবি : সংগৃহীত

দেশের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় বড় ধরণের পরিবর্তন এনেছে নবনির্বাচিত সরকার। ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণসহ দেশের গুরুত্বপূর্ণ ৬টি সিটি করপোরেশনে প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বিএনপির ৬ জন হেভিওয়েট নেতা। রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে এই আদেশ জারি করা হয়। ২০২৪ সালের ১৯ আগস্ট অন্তর্বর্তী সরকারের সময় নিয়োগপ্রাপ্ত আমলাদের সরিয়ে এখন সরাসরি রাজনৈতিক নেতাদের এই দায়িত্ব দেওয়া হলো। ‘স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪’ অনুযায়ী পরবর্তী কাউন্সিলর বা মেয়র নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত তারা পূর্ণকালীন প্রশাসক হিসেবে কাজ করবেন।

প্রশাসক হিসেবে যারা দায়িত্ব পেলেন

১. ঢাকা দক্ষিণ (ডিএসসিসি): মো. আব্দুস সালাম (চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও তারেক রহমানের প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট)।

২. ঢাকা উত্তর (ডিএনসিসি): মো. শফিকুল ইসলাম খান (ঢাকা-১৫ আসনের সাবেক প্রার্থী)।

৩. খুলনা (কেসিসি): নজরুল ইসলাম মঞ্জু (সাবেক এমপি ও বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক)।

৪. সিলেট (সিসিক): আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী (সিলেট জেলা বিএনপি সভাপতি)।

৫. নারায়ণগঞ্জ (নাসিক): মো. সাখাওয়াত হোসেন খান (মহানগর বিএনপি আহ্বায়ক)।

৬. গাজীপুর (গাসিক): মো. শওকত হোসেন সরকার (গাজীপুর মহানগর বিএনপি সভাপতি)।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই নিয়োগের মাধ্যমে আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ক্ষেত্র প্রস্তুত করছে সরকার। তবে নিয়োগপ্রাপ্তদের মধ্যে শফিকুল ইসলাম ও নজরুল ইসলাম মঞ্জুর মতো নেতারা গত সংসদ নির্বাচনে জামায়াত প্রার্থীদের কাছে হেরে যাওয়ায় তাদের এই নিয়োগ রাজনৈতিক মহলে বিশেষ আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অন্যদিকে, নারায়ণগঞ্জের সাখাওয়াত হোসেন এবং গাজীপুরের শওকত হোসেন সরকার সংসদ নির্বাচনে মনোনয়ন না পেলেও সিটি করপোরেশনের এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পাওয়ায় দলীয়ভাবে তাদের মূল্যায়ন করা হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। এখন দেখার বিষয়, পেশাদার আমলাদের জায়গায় রাজনীতিবিদরা এই প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করে আসন্ন নির্বাচনের আগে নাগরিকদের প্রত্যাশা কতটা পূরণ করতে পারেন।

/আশিক


হাসনাত আব্দুল্লাহ কই? লীগ তো দোকান খোলা শুরু করছে: নাসীরুদ্দীন

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২৩ ১০:২৪:১৯
হাসনাত আব্দুল্লাহ কই? লীগ তো দোকান খোলা শুরু করছে: নাসীরুদ্দীন
ছবি : সংগৃহীত

নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ দেশের বিভিন্ন স্থানে পুনরায় সক্রিয় হওয়া এবং দলীয় কার্যালয় খোলা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কড়া প্রশ্ন তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই অসন্তোষ প্রকাশ করেন। পোস্টটি তিনি কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ও এনসিপির মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহর প্রোফাইলেও ট্যাগ করেছেন। নাসীরুদ্দীনের এই প্রশ্নটি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা এবং অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কার উদ্যোগের বর্তমান অবস্থা নিয়ে জনমনে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

নিজের ফেসবুক পোস্টে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বেশ আক্ষেপের সুরে লিখেছেন, ‘হাসনাত আব্দুল্লাহ কই? লীগ তো দোকান খোলা শুরু করছে। নির্বাচন তো হইলো, এইবার সংস্কার আর বিচার হইব্বে।’ তার এই ছোট কিন্তু শক্তিশালী বার্তার মাধ্যমে তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, নির্বাচনের ডামাডোলে জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিচার এবং রাষ্ট্রের প্রয়োজনীয় সংস্কারের বিষয়টি যেন আড়ালে চলে না যায়। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে দলটি রাজনৈতিকভাবে কোণঠাসা হলেও সম্প্রতি বিভিন্ন স্থানে তাদের কার্যালয় খোলার খবর পাওয়া যাচ্ছে।

গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার ক্ষমতায় আসার পর এটিই এনসিপির শীর্ষ নেতাদের পক্ষ থেকে বড় কোনো প্রতিক্রিয়া। এই নির্বাচনে হাসনাত আবদুল্লাহ কুমিল্লা থেকে বিজয় ছিনিয়ে নিলেও ঢাকা-৮ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পরাজিত হন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। পরাজিত হলেও জুলাই বিপ্লবের লক্ষ্য অর্জনে এবং অপরাধীদের বিচারে তার এই অনড় অবস্থান রাজনৈতিক মহলে বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে। এখন দেখার বিষয়, নতুন সরকার ও নির্বাচন পরবর্তী পরিস্থিতিতে এই ‘সংস্কার ও বিচার’-এর দাবি কতটা জোরালো হয়।

/আশিক


ববি হাজ্জাজের মন্তব্যে ক্ষুব্ধ খেলাফত মজলিস

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২৩ ১০:১৬:০৮
ববি হাজ্জাজের মন্তব্যে ক্ষুব্ধ খেলাফত মজলিস
ছবি : সংগৃহীত

ঢাকা-১৩ আসনের ফলাফল এবং মাওলানা মামুনুল হকের বিরুদ্ধে মামলার হুমকিকে কেন্দ্র করে শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজের ওপর চটেছে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস। রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) গণমাধ্যমে পাঠানো এক কড়া বিবৃতিতে দলটির মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, "ঢাকা-১৩ আসনের রেজাল্ট ডাকাতি এবং ববি হাজ্জাজের অব্যাহত মিথ্যাচার অচিরেই এই সরকারের পতনের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।" বিবৃতিতে মামুনুল হকের বিরুদ্ধে ববি হাজ্জাজের দেওয়া বক্তব্যকে মিথ্যা ও রাজনৈতিক প্রতিহিংসা হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে।

এর আগে রোববার সকালে ধানমন্ডির একটি হাসপাতালে আহত বিএনপি কর্মীদের দেখতে গিয়ে ববি হাজ্জাজ অভিযোগ করেন যে, নির্বাচনে কেন্দ্র দখল ও হামলার পেছনে মামুনুল হক জড়িত এবং তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা করা হবে। এই বক্তব্যের প্রতিবাদে খেলাফত মজলিস দাবি করেছে, মামুনুল হকের ‘রিকশা’ প্রতীকের নিশ্চিত বিজয় ছিনিয়ে নিতেই ফলাফল শিটে টেম্পারিং ও ‘রেজাল্ট ডাকাতি’ করা হয়েছে। তারা আরও অভিযোগ করেন, ২০ মিনিট ধরে বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলে মামুনুল হককে বিজয়ী ঘোষণা করার পর রহস্যজনকভাবে ফলাফল পরিবর্তন করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ দিলেও তড়িঘড়ি করে গেজেট প্রকাশ করা নিয়ে দলটির ভেতর তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, অতীতেও মাওলানা মামুনুল হককে দমনে মিথ্যা মামলা ও চরিত্রহননের কৌশল নেওয়া হয়েছিল এবং আজ ববি হাজ্জাজের মাধ্যমে সেই একই ফ্যাসিবাদী ধারার পুনরাবৃত্তি করার চেষ্টা চলছে। এমনকি ববি হাজ্জাজের সঙ্গে শেখ হাসিনা পরিবারের ঘনিষ্ঠতার বিষয়টিও সামনে এনেছে দলটি। খেলাফত মজলিসের মতে, জনগণের স্পষ্ট রায়কে আড়াল করতেই এমন গভীর ষড়যন্ত্রের আশ্রয় নেওয়া হচ্ছে। এই উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি ঢাকা-১৩ আসনসহ সারা দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে অস্থিরতার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

/আশিক


চাঁদাবাজবিরোধী আন্দোলন এখন সময়ের দাবি : ডা. শফিক

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২২ ২২:১০:৫২
চাঁদাবাজবিরোধী আন্দোলন এখন সময়ের দাবি : ডা. শফিক
ছবি : সংগৃহীত

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে চাঁদা দিতে রাজি না হওয়ায় এক লেগুনা চালককে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদ জানান। তিনি স্পষ্ট করে বলেন যে, বর্তমান পরিস্থিতিতে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে চাঁদাবাজবিরোধী আরেকটি বড় ধরনের আন্দোলন গড়ে তোলা এখন সময়ের দাবিতে পরিণত হয়েছে। দেশের মানুষকে এই অপশক্তির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

ফেসবুক পোস্টে ডা. শফিকুর রহমান আক্ষেপ করে লেখেন, দেশে চাঁদার সংস্কৃতিকে এমনভাবে ‘জাতীয়করণ’ করা হয়েছে যে, এখন মনে হচ্ছে চাঁদা না দেওয়াই বড় অপরাধ। তিনি অভিযোগ করেন যে, নেতৃত্বের জায়গা থেকে যখন পরোক্ষভাবে চাঁদাবাজির বৈধতা দেওয়া হয়, তখন এই খুনের দায় সংশ্লিষ্ট সকলের ওপরেই বর্তাবে। নিরীহ মানুষের জীবন এভাবে রাজপথে ঝরে পড়া কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না বলে তিনি হুঁশিয়ারি দেন। এই অশুভ শক্তির হাত থেকে জনগণের জীবন ও সম্পদ রক্ষা করতে সম্মিলিতভাবে লড়াই করার শপথ ব্যক্ত করেন তিনি।

বিরোধী দলীয় নেতার এই কঠোর বার্তাটি এমন এক সময়ে এল যখন দেশের পরিবহণ সেক্টরে চাঁদাবাজি নিয়ে দেশজুড়ে তোলপাড় চলছে। ডা. শফিকুর রহমানের মতে, যারা দেশকে ভালোবাসেন, তাদের সবাইকে আজ চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে। "আমরা লড়ে যাব ইনশাআল্লাহ"—এই বার্তার মাধ্যমে তিনি রাজপথে কঠোর আন্দোলনের ইঙ্গিত দিয়েছেন। যাত্রাবাড়ীর এই হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে সাধারণ জনগণের মাঝে যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে, জামায়াত আমিরের এই ডাক তাতে নতুন করে ঘি ঢেলে দিয়েছে।

/আশিক


হাসনাত-পাটওয়ারীদের পথেই জামায়াত আমির: ইনকিলাব স্ট্যাটাসে নেটদুনিয়ায় তোলপাড়

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২২ ১০:১৮:৫৫
হাসনাত-পাটওয়ারীদের পথেই জামায়াত আমির: ইনকিলাব স্ট্যাটাসে নেটদুনিয়ায় তোলপাড়
ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের দুই বাক্যের একটি সংক্ষিপ্ত ফেসবুক স্ট্যাটাস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক ভাইরাল হয়েছে। রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) ভোরে তিনি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে এই স্ট্যাটাসটি দেন। আমিরে জামায়াত সেখানে লিখেন, ‘ইনশাআল্লাহ, আগামীর বাংলাদেশ ইনসাফের বাংলাদেশ। ইনকিলাব জিন্দাবাদ।’ তার এই পোস্টটি মূলত বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর দেওয়া একটি বক্তব্যের পরোক্ষ প্রতিবাদ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

প্রতিবেদনটি লেখার সময় পর্যন্ত ডা. শফিকুর রহমানের ওই স্ট্যাটাসটিতে পৌনে দুই লাখেরও বেশি রিয়্যাক্ট পড়েছে এবং এটি শেয়ার হয়েছে আড়াই হাজারের বেশি বার। একই সময়ের মধ্যে প্রায় ২২ হাজার ফেসবুক ব্যবহারকারী পোস্টটিতে বিভিন্ন ধরণের মন্তব্য করেছেন। এর আগে মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু এক বক্তব্যে বলেছিলেন, “বাংলাকে যদি ধারণ করতে হয়, বাংলা ভাষাকে যদি মায়ের ভাষা বলতে হয়, তাহলে ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ চলবে না। ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’, ‘ইনকিলাব মঞ্চ’- এগুলোর বাংলার সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নেই। যারা আমাদের ভাষা কেড়ে নিতে চেয়েছিল, এগুলো তাদের ভাষা।” মন্ত্রীর এই মন্তব্য রাজনৈতিক ও সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক বিতর্কের জন্ম দেয়।

মন্ত্রীর এই বক্তব্যের কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছে বিভিন্ন রাজনৈতিক পক্ষ। কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ও এনসিপির মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ এবং দলটির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীসহ অনেকেই সামাজিক মাধ্যমে সরাসরি ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ লিখে পোস্ট করেছেন। তাদের এই পাল্টা স্ট্যাটাস প্রকাশের পরপরই তা নেটদুনিয়ায় দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ে এবং ব্যাপক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়। সমর্থক ও সমালোচক উভয় পক্ষের মধ্যে এসব পোস্ট নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে, যা দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ভাষাগত ও আদর্শিক বিতর্কের নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

/আশিক

পাঠকের মতামত: