মুগ ডালের হালুয়া: সহজ রেসিপি, দুর্দান্ত স্বাদ

রান্নাবান্না ও রেসিপি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৩ ১৯:২০:৪০
মুগ ডালের হালুয়া: সহজ রেসিপি, দুর্দান্ত স্বাদ
ছবি: সংগৃহীত

শীতের বিকেল, পারিবারিক আয়োজন কিংবা বিশেষ দিন সবক্ষেত্রেই ঘরে তৈরি মিষ্টান্নের আলাদা আবেদন রয়েছে। তেমনই একটি ঐতিহ্যবাহী ও পুষ্টিকর পদ হলো মুগ ডালের হালুয়া। সঠিক অনুপাতে উপকরণ ব্যবহার এবং ধৈর্য নিয়ে রান্না করলে এই হালুয়া হয়ে ওঠে সুগন্ধি, নরম ও রাজকীয় স্বাদের।

এই রেসিপির প্রধান উপকরণ ১ কাপ মুগ ডাল। ডাল ভালোভাবে ধুয়ে কমপক্ষে ৩ থেকে ৪ ঘণ্টা পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে, যাতে দানাগুলো নরম হয় এবং সহজে বাটা যায়। এরপর পানি ঝরিয়ে মিক্সার বা শীল-নোড়ায় সামান্য পানি দিয়ে আধা-বাটা করে নিতে হবে। একদম মিহি পেস্ট না করে সামান্য দানাদার রাখলে হালুয়ার টেক্সচার আরও ভালো হয়।

একটি ভারী তলার কড়াইতে প্রথমে ১ চামচ ঘি গরম করে ১০-১২টি কাজুবাদাম ও কিসমিস হালকা ভেজে তুলে রাখতে হবে। একই কড়াইতে বাকি ঘি দিয়ে মুগ ডালের বাটা ঢেলে মাঝারি থেকে কম আঁচে অনবরত নাড়তে হবে। এই ধাপটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ ডাল যেন নিচে লেগে না যায়। ধীরে ধীরে ডালের কাঁচা গন্ধ দূর হয়ে সোনালি রং ধারণ করবে এবং মনোরম ঘ্রাণ বের হবে এ সময় বুঝতে হবে ডাল ভালোভাবে ভাজা হয়েছে।

এরপর ২ কাপ লিকুইড দুধ বা গরম পানি ঢেলে দ্রুত নাড়তে হবে, যাতে দলা না বাঁধে। ডাল তরল শুষে নিয়ে ঘন হয়ে এলে ১ কাপ চিনি (স্বাদ অনুযায়ী কম-বেশি করা যায়) ও আধা চা চামচ এলাচ গুঁড়ো যোগ করতে হবে। চিনি গলে গেলে মিশ্রণ সাময়িকভাবে পাতলা হবে, তাই আবার ধৈর্য ধরে নাড়তে হবে যতক্ষণ না এটি পুনরায় ঘন হয়।

ঐচ্ছিকভাবে এক চিমটি জাফরান গরম দুধে ভিজিয়ে ওপর থেকে ঢেলে দিলে রং ও সুগন্ধ আরও সমৃদ্ধ হয়। হালুয়া যখন কড়াইয়ের গা ছেড়ে আসবে এবং উপরে হালকা ঘি ভেসে উঠবে, তখন ভাজা কাজু ও কিসমিস মিশিয়ে দিতে হবে। শেষ পর্যায়ে আরও এক চামচ ঘি ছড়িয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে নামিয়ে নিলে তৈরি হয়ে যাবে নরম, সুগন্ধি ও দানাদার মুগ ডালের হালুয়া।

পুষ্টিগুণের দিক থেকেও মুগ ডাল সমৃদ্ধ এতে প্রোটিন, ফাইবার ও বিভিন্ন খনিজ উপাদান রয়েছে। ফলে এটি শুধু সুস্বাদু নয়, তুলনামূলকভাবে স্বাস্থ্যসম্মত একটি মিষ্টান্নও বটে। গরম গরম পরিবেশন করলে স্বাদ সবচেয়ে বেশি উপভোগ করা যায়, তবে ঠান্ডা করেও পরিবেশন করা যায়।


পুষ্টিকর বিটের হালুয়া বানাবেন যেভাবে

রান্নাবান্না ও রেসিপি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৩ ১২:৫০:৪৬
পুষ্টিকর বিটের হালুয়া বানাবেন যেভাবে
ছবি: সংগৃহীত

স্বাদে ভিন্নতা আনতে চাইলে বিট দিয়ে তৈরি হালুয়া হতে পারে দারুণ একটি পছন্দ। লালচে উজ্জ্বল রঙের এই মিষ্টান্ন যেমন চোখে লাগে, তেমনি পুষ্টিগুণেও সমৃদ্ধ। বিটে রয়েছে আয়রন, ফলেট, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ভিটামিন সি, যা শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক। তাই প্রচলিত গাজরের হালুয়ার বিকল্প হিসেবে বিটের হালুয়া এখন অনেকের পছন্দের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে।

প্রয়োজনীয় উপকরণ

২ থেকে ৩টি বড় বিট, খোসা ছাড়িয়ে কুচি বা গ্রেট করা

২ কাপ ফুল ক্রিম তরল দুধ

আধা কাপ চিনি, স্বাদ অনুযায়ী কম-বেশি

৩ টেবিল চামচ ঘি

আধা কাপ খোয়া ক্ষীর বা গুঁড়ো দুধ

৪টি এলাচ, হালকা থেঁতো

কাজুবাদাম ও কিসমিস সাজানোর জন্য

প্রস্তুত প্রণালী

প্রথমে গ্রেট করা বিট ভালোভাবে ধুয়ে অতিরিক্ত পানি চিপে ঝরিয়ে নিন। এতে কাঁচা গন্ধ কমবে এবং রান্নার সময় কম লাগবে। একটি ভারী তলার কড়াইতে ১ টেবিল চামচ ঘি গরম করে কাজুবাদাম ও কিসমিস হালকা ভেজে তুলে আলাদা করে রাখুন।

একই কড়াইতে বাকি ঘি দিয়ে গ্রেট করা বিট ঢেলে দিন। মাঝারি আঁচে ১০ থেকে ১২ মিনিট নাড়তে থাকুন, যাতে বিটের কাঁচা গন্ধ দূর হয় এবং হালকা নরম হয়ে আসে। এরপর এতে তরল দুধ ঢেলে দিন এবং আঁচ কমিয়ে ঢেকে রান্না করুন। মাঝে মাঝে নাড়তে থাকবেন, যাতে নিচে লেগে না যায়। ধীরে ধীরে দুধ শুকিয়ে ঘন হয়ে এলে বিট নরম ও সেদ্ধ হয়ে যাবে।

এরপর চিনি ও এলাচ যোগ করুন। চিনি গলে কিছুটা তরল তৈরি করবে, তাই নাড়তে থাকুন যতক্ষণ না সেই তরল শুকিয়ে আসে। এখন খোয়া ক্ষীর বা গুঁড়ো দুধ মিশিয়ে দিন। এতে হালুয়ার স্বাদ ও টেক্সচার আরও সমৃদ্ধ হবে। হালুয়া যখন ঘন হয়ে কড়াইয়ের গা ছাড়তে শুরু করবে, তখন ওপর থেকে সামান্য ঘি ছড়িয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন।

সবশেষে ভাজা কাজু ও কিসমিস ছড়িয়ে পরিবেশন করুন। গরম অবস্থায় খেতে যেমন সুস্বাদু, তেমনি ঠান্ডা করেও পরিবেশন করা যায়।


বিকেলের নাস্তায় নতুন চমক: ঘরেই তৈরি করুন লাল টুকটুকে টার্কিশ ডিলাইট

রান্নাবান্না ও রেসিপি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ২০ ১১:৪৭:২৯
বিকেলের নাস্তায় নতুন চমক: ঘরেই তৈরি করুন লাল টুকটুকে টার্কিশ ডিলাইট
টার্কিশ ডিলাইটছবি: সাবিনা ইয়াসমিন

বিকেলের নাস্তা কিংবা অতিথি আপ্যায়নে একটু ভিন্নধর্মী ও আভিজাত্যপূর্ণ মিষ্টান্ন যোগ করতে কার না ভালো লাগে। আন্তর্জাতিক স্বাদের মিষ্টান্নগুলোর মধ্যে ‘টার্কিশ ডিলাইট’ বা লোকুম বিশ্বজুড়ে সমাদৃত। সাধারণত আমরা এটি দোকান থেকে কিনে আনলেও, খুব সাধারণ কিছু ঘরোয়া উপকরণ দিয়ে বাড়িতেই তৈরি করা সম্ভব এই মায়াবী লাল রঙের মিষ্টি। কর্নফ্লাওয়ার এবং চিনির বিশেষ এই মিশ্রণটি যেমন দেখতে চমৎকার, তেমনি এর স্বাদ ও সুগন্ধ দীর্ঘক্ষণ মুখে লেগে থাকে। আজ আমরা আপনাদের জানাব কীভাবে ঘরে থাকা সাধারণ উপাদানে নিখুঁতভাবে তৈরি করবেন এই শাহী ডেজার্ট।

এই বিশেষ মিষ্টান্নটি তৈরি করতে আপনার হাতের কাছে প্রয়োজনীয় কিছু উপকরণ সংগ্রহ করে নিতে হবে। এর জন্য প্রধান উপাদান হিসেবে লাগবে আধা কাপ কর্নফ্লাওয়ার এবং দুই কাপ সাধারণ চিনি। স্বাদ ও টেক্সচারের ভারসাম্য আনতে ব্যবহার করতে হবে ২ চা-চামচ লেবুর রস এবং আধা চা-চামচ ক্রিম অব টারটার। মিষ্টির রঙটিকে আকর্ষণীয় করতে সামান্য লাল রঙ এবং রাজকীয় সুগন্ধের জন্য ১ টেবিল চামচ কেওড়াজল প্রয়োজন হবে। এছাড়া মিষ্টির গায়ে জড়িয়ে নেওয়ার জন্য ২ কাপ বা পরিমাণমতো গুঁড়া চিনি বা আইসিং সুগার এবং পুরো প্রক্রিয়ায় ব্যবহারের জন্য আধা কাপ পানি (শিরার জন্য) ও ১.৫ কাপ পানি (কর্নফ্লাওয়ারের জন্য) প্রস্তুত রাখতে হবে।

প্রস্তুত প্রণালীর শুরুতেই আপনাকে চিনির সিরা তৈরি করে নিতে হবে। এর জন্য চুলায় একটি পাত্রে ১ কাপ চিনি, আধা কাপ পানি এবং লেবুর রস দিয়ে নাড়তে থাকুন। শিরাটি যখন যথেষ্ট ঘন হয়ে আসবে, তখন এটি চুলা থেকে নামিয়ে একপাশে রেখে দিন। এরপর একটি পৃথক পাত্রে আধা কাপ কর্নফ্লাওয়ারের সঙ্গে দেড় কাপ পানি ও ক্রিম অব টারটার ভালো করে মিশিয়ে চুলায় দিন। মিশ্রণটি গরম হতে থাকলে ক্রমাগত নাড়াচাড়া করতে হবে যাতে কোনো দলা পেকে না যায়। যখন কর্নফ্লাওয়ারের মিশ্রণটি ঘন হয়ে আসবে, তখন আগে থেকে তৈরি করে রাখা চিনির শিরা অল্প অল্প করে ঢালতে হবে এবং নাড়তে থাকতে হবে। সবটুকু শিরা দেওয়ার পর পুরো মিশ্রণটি যখন আরও ঘন ও স্বচ্ছ হয়ে উঠবে, তখন এতে ১ টেবিল চামচ কেওড়া জল ও সামান্য লাল রঙ ভালোভাবে মিশিয়ে আরও কিছুক্ষণ জ্বাল দিন এবং নাড়াচাড়া করুন।

মিষ্টির মিশ্রণটি চূড়ান্তভাবে তৈরি হয়ে গেলে চুলা থেকে নামিয়ে নিন। পরিবেশনের জন্য একটি ৬ ইঞ্চি বাই ৪ ইঞ্চি মাপের প্যানে সামান্য তেল লাগিয়ে নিতে হবে যাতে মিষ্টিটি আটকে না যায়। এবার গরম মিশ্রণটি প্যানে সমানভাবে ঢেলে দিন এবং স্বাভাবিক তাপমাত্রায় ঠান্ডা হতে দিন। পুরোপুরি ঠান্ডা ও সেট হয়ে গেলে প্যান থেকে বের করে পছন্দমতো টুকরা করে কাটুন। পরিশেষে প্রতিটি টুকরা আইসিং সুগারে ভালোভাবে গড়িয়ে নিলেই তৈরি হয়ে যাবে চমৎকার টার্কিশ ডিলাইট। এই ঘরোয়া পদ্ধতিতে তৈরি মিষ্টান্নটি কেবল স্বাস্থ্যকরই নয়, বরং শিশুদের কাছেও এটি অত্যন্ত প্রিয় একটি খাবার হিসেবে সমাদৃত হবে।


শীতের দুপুরে খাবারের স্বাদ বাড়াতে ‘আচারি ফুলকপি’; জেনে নিন বিশেষ রেসিপি

রান্নাবান্না ও রেসিপি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১৯ ১১:২৬:১৮
শীতের দুপুরে খাবারের স্বাদ বাড়াতে ‘আচারি ফুলকপি’; জেনে নিন বিশেষ রেসিপি
ছবি : সংগৃহীত

শীতের এই মৌসুমে বাঙালির রান্নাঘরে ফুলকপির আধিপত্য চিরচেনা। ভাজি, তরকারি কিংবা ঝোলে ফুলকপি প্রায় প্রতিদিনই পাতে থাকে। তবে প্রতিদিনের একঘেয়েমি কাটাতে এবং পরিবারের স্বাদে নতুনত্ব আনতে ‘আচারি ফুলকপি’ একটি চমৎকার বিকল্প হতে পারে। টক, ঝাল এবং বাহারি মসলার এক অনন্য সংমিশ্রণে তৈরি এই পদটি ভাত বা রুটির সঙ্গে দারুণ মানিয়ে যায়। বিশেষ করে আমের আচারের ছোঁয়ায় এই রান্নাটি সাধারণ ঘরোয়া আমেজ ছাড়িয়ে এক ধরণের আভিজাত্য নিয়ে আসে যা মেহমানদারিতেও বেশ প্রশংসিত। ঘরোয়া উপাদানে কীভাবে এই সুস্বাদু পদটি তৈরি করবেন, তা নিয়ে আমাদের আজকের এই বিশেষ রন্ধন প্রতিবেদন।

এই সুস্বাদু পদটি তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণের মধ্যে প্রথমেই প্রয়োজন একটি মাঝারি আকারের ফুলকপি, যা ছোট ছোট টুকরো করে কেটে নিতে হবে। এর পাশাপাশি স্বাদ ও বর্ণ বাড়াতে প্রয়োজন দুটি টুকরো করা টমেটো, দুই টেবিল চামচ কিউব করে কাটা পেঁয়াজ এবং এক চা-চামচ রসুন কুচি। মসলার মধ্যে এক চা-চামচ করে ধনেগুঁড়ো ও হলুদগুঁড়ো, আধা চা-চামচ আস্ত পাঁচফোড়ন, দুটি শুকনো মরিচ এবং চার থেকে পাঁচটি কাঁচামরিচ রাখা জরুরি। রান্নার মূল স্বাদ নিয়ে আসতে এক চা-চামচ আমের আচার, সামান্য চিনি, স্বাদমতো লবণ এবং দুই টেবিল চামচ ভোজ্য তেল সংগ্রহে রাখতে হবে।

রান্নার প্রাথমিক ধাপে একটি হাঁড়িতে পরিমাণমতো পানি গরম করে তাতে কেটে রাখা ফুলকপির টুকরোগুলো দিয়ে হালকা আধাসেদ্ধ করে নিতে হবে। সেদ্ধ হয়ে গেলে পানি ঝরিয়ে কপিগুলো আলাদা করে সরিয়ে রাখতে হবে। এরপর একটি কড়াইয়ে তেল গরম করে তাতে আস্ত পাঁচফোড়ন ও শুকনো মরিচের ফোড়ন দিয়ে সুগন্ধ ছড়ানো পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। ফোড়ন থেকে সুঘ্রাণ বের হলে পেঁয়াজ ও রসুন কুচি দিয়ে হালকা লালচে করে ভেজে নেওয়ার পর একে একে হলুদগুঁড়ো, ধনেগুঁড়ো এবং পরিমাণমতো লবণ দিয়ে মসলাটি ভালোভাবে কষিয়ে নিতে হবে। মসলা থেকে তেল ছেড়ে দিলে এতে আগে থেকে সেদ্ধ করে রাখা ফুলকপি এবং টমেটোর টুকরোগুলো যোগ করে দিতে হবে। এরপর সব উপকরণ ভালোভাবে নেড়ে মিশিয়ে নিয়ে চুলার আঁচ কমিয়ে ঢাকনা দিয়ে অন্তত ১০ মিনিট রান্না করতে হবে। রান্নার শেষ পর্যায়ে যখন সবজিগুলো পুরোপুরি মজে আসবে, তখন এতে আমের আচার এবং সামান্য চিনি মিশিয়ে আরও কিছুক্ষণ নেড়ে নামিয়ে নিলেই প্রস্তুত হয়ে যাবে জিভে জল আনা আচারি ফুলকপি।


রেস্তোরাঁ স্টাইলে মিষ্টি আলুর ফ্রেঞ্চ ফ্রাই তৈরির সহজ নিয়ম

রান্নাবান্না ও রেসিপি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১৩ ১১:১০:০৭
রেস্তোরাঁ স্টাইলে মিষ্টি আলুর ফ্রেঞ্চ ফ্রাই তৈরির সহজ নিয়ম
ছবি : সংগৃহীত

ফ্রেঞ্চ ফ্রাই পছন্দ করেন না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া ভার। রেস্তোরাঁয় গেলে ফ্রায়েড চিকেন, বার্গার কিংবা ফিশ ফ্রাইয়ের সঙ্গে এক থালা গরম গরম ফ্রেঞ্চ ফ্রাই না থাকলে যেন ভোজনবিলাস অপূর্ণই থেকে যায়। তবে প্রতিদিনের একঘেয়েমি কাটাতে এবং স্বাদে নতুনত্ব আনতে সাধারণ আলুর বদলে ‘মিষ্টি আলুর ফ্রেঞ্চ ফ্রাই’ হতে পারে একটি চমৎকার বিকল্প।

বাইরে সোনালি ও মচমচে এবং ভেতরে নরম স্বাদের এই নতুন রূপটি মিষ্টি আলু খাওয়ার আগ্রহ বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। অতিথি আপ্যায়ন কিংবা শীতের বিকেলের আড্ডায় ঘরোয়া উপকরণেই খুব সহজে স্ট্রিট-স্টাইল এই খাবারটি বানিয়ে নেওয়া সম্ভব।

প্রয়োজনীয় উপকরণ

মিষ্টি আলু: ৫-৬ টি (মাঝারি সাইজ)

লবণ: স্বাদমতো

ভিনেগার: ১ চা চামচ

পানি: প্রয়োজনমতো

রান্নার তেল: প্রয়োজনমতো

প্রস্তুত প্রণালি

১. প্রথমে মিষ্টি আলুর খোসা ছাড়িয়ে দুই পাশ সামান্য ছেঁটে নিন। এরপর আলুগুলো লম্বা করে ফ্রেঞ্চ ফ্রাইয়ের আকারে কেটে নিতে হবে। কাটার সময় যে বাড়তি অংশগুলো থেকে যাবে, সেগুলো ফেলে না দিয়ে চাটনি তৈরির জন্য আলাদা করে রাখুন।

২. একটি প্যানে পানি ফুটিয়ে তাতে কাটা আলু, লবণ ও সিরকা (ভিনেগার) দিয়ে প্রায় ৩ মিনিট সেদ্ধ করুন। খেয়াল রাখবেন যেন খুব বেশি সেদ্ধ না হয়, কারণ অতিরিক্ত সেদ্ধ হলে ভাজার সময় আলু ভেঙে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

৩.সেদ্ধ করা আলুগুলো পানি থেকে তুলে একটি ট্রের ওপর পরিষ্কার কাপড় বিছিয়ে ছড়িয়ে দিন। আলতোভাবে মুছে আলুর গায়ের অতিরিক্ত পানি শুকিয়ে নিতে হবে। এই ধাপটি আলু মচমচে করার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

৪.এবার কড়াইয়ে পর্যাপ্ত তেল গরম করুন। তেল ভালোভাবে গরম হয়ে এলে আলুগুলো ধীরে ধীরে ছেড়ে দিন। চুলার আঁচ মাঝারি রেখে ভাজতে থাকুন। মাঝারি আঁচে ভাজলে আলু ভেতরে নরম এবং বাইরে সোনালি ও মচমচে হবে।

৫.আলুতে সুন্দর সোনালি রঙ ধরলে তেল ঝরিয়ে তুলে নিন। এরপর ঝাল-টক-মিষ্টি চাটনি কিংবা আপনার পছন্দের যেকোনো সসের সঙ্গে গরম গরম পরিবেশন করুন মুখরোচক মিষ্টি আলুর ফ্রেঞ্চ ফ্রাই।


শীতে পিঠার স্বাদে ভিন্নতা আনতে পাতে রাখুন ‘বাঁধাকপির পিঠা’: জেনে নিন রেসিপি 

রান্নাবান্না ও রেসিপি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১৩ ১১:০০:২৭
শীতে পিঠার স্বাদে ভিন্নতা আনতে পাতে রাখুন ‘বাঁধাকপির পিঠা’: জেনে নিন রেসিপি 
ছবি : সংগৃহীত

বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বণের মধ্যে শীতকাল মানেই পিঠাপুলির উৎসব। তবে গতানুগতিক মিষ্টি পিঠার ভিড়ে নোনতা স্বাদের পিঠার কদরও এখন কম নয়। শীতের এই মৌসুমে টাটকা সবজি দিয়ে তৈরি পিঠা একদিকে যেমন মুখরোচক, অন্যদিকে স্বাস্থ্যকর। বিশেষ করে সুস্বাদু ও পুষ্টিকর বাঁধাকপি দিয়ে তৈরি পিঠা একবার খেলে এর স্বাদ মুখে লেগে থাকবে দীর্ঘদিন। বাড়িতে থাকা সাধারণ কিছু উপকরণ দিয়ে খুব কম সময়েই তৈরি করা যায় এই ‘শীতকালীন স্পেশাল’ পিঠা।

প্রয়োজনীয় উপকরণ

বাঁধাকপি: ১টি

পেঁয়াজ বাটা: ৩ টেবিল চামচ

রসুন বাটা: ১ টেবিল চামচ

আদাবাটা: ১ টেবিল চামচ

ডিম: ৩টি

চালের গুঁড়া: আড়াই টেবিল চামচ

জিরা গুঁড়া: ১ চা চামচ

হলুদ: আধা চা চামচ

লবণ: স্বাদমতো

সাদা তেল: ৩ টেবিল চামচ (ভাজার জন্য)

প্রস্তুত প্রণালি

১. প্রথমেই একটি আস্ত বাঁধাকপি ভালো করে কুচি করে কেটে নিন। এরপর কুচি করা বাঁধাকপিগুলো পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে ভালোভাবে সেদ্ধ করে নিতে হবে।

২. সেদ্ধ করা বাঁধাকপি থেকে অতিরিক্ত পানি ঝরিয়ে নিয়ে তাতে পেঁয়াজ বাটা, রসুন বাটা, আদা বাটা, জিরা গুঁড়া, হলুদ ও স্বাদমতো লবণ দিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন।

৩. মসলার সঙ্গে বাঁধাকপি মেশানো হয়ে গেলে এতে একে একে তিনটি ডিম দিয়ে আবারও ভালোভাবে মাখাতে হবে। সবশেষে এতে আড়াই টেবিল চামচ চালের গুঁড়া মিশিয়ে একটি সুন্দর মন্ড বা ডো তৈরি করুন।

৪. এবার একটি ফ্রাইপ্যানে ৩ টেবিল চামচ সাদা তেল গরম করতে দিন। তেল গরম হয়ে এলে তৈরি করা মন্ডটি নিজের পছন্দমতো সাইজ দিয়ে তেলের ওপর ছেড়ে দিন। খেয়াল রাখবেন যেন ফ্রাইপ্যানের তেল পিঠার সব জায়গায় সমানভাবে লাগে।

৫. চুলার আঁচ অল্প রেখে পিঠার দুই পাশ লালচে করে ভালোভাবে ভেজে নিন। পিঠা ভাজা হয়ে গেলে চুলা থেকে নামিয়ে আপনার পছন্দমতো সস দিয়ে পরিবেশন করুন গরম গরম বাঁধাকপির পিঠা।


তেলহীন সয়া কাবাব ও টিক্কা তৈরির জাদুকরী রেসিপি জানুন

রান্নাবান্না ও রেসিপি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১২ ১১:৪৬:৩৯
তেলহীন সয়া কাবাব ও টিক্কা তৈরির জাদুকরী রেসিপি জানুন
ছবি : সংগৃহীত

শিশুরা সাধারণত কম তেল বা মশলার খাবার খেতে পছন্দ করে না। তারা বড়দের জন্য রান্না করা ঝাল মাংস বা বাইরের চিপস ও ফ্রেঞ্চ ফ্রাইয়ের দিকে বেশি ঝুঁকে পড়ে। এই সমস্যা সমাধানে সয়াবিন হতে পারে আদর্শ একটি উপাদান। সয়াবিন পপকর্ন তৈরির জন্য প্রথমে সয়াবিন লবণ পানিতে সিদ্ধ করে পানি ঝরিয়ে নিতে হবে। এরপর তাতে আদা রসুন বাটা ও ধনিয়া জিরার গুঁড়া মিশিয়ে নিন। মুচমুচে ভাব আনতে কর্নফ্লাওয়ার যোগ করে এয়ার ফ্রায়ারে সামান্য তেল ব্রাশ করে সেঁকে নিলেই তৈরি হয়ে যাবে স্বাস্থ্যকর সয়াবিন পপকর্ন। স্বাদে ভিন্নতা আনতে চাইলে এতে ডিম ফেটিয়ে ময়দা ও কর্নফ্লাওয়ার মেখে ডুবো তেলেও ভেজে নেওয়া যেতে পারে।

সয়াবিন দিয়ে মাংসের মতো স্বাদের গ্রিলড কাবাব তৈরি করাও বেশ সহজ। পানি ঝরানো টক দইয়ের মধ্যে নানা রকম মশলা দিয়ে সয়াবিন ম্যারিনেট করে রাখতে হবে কিছুক্ষণ। এরপর কাঠির মধ্যে ডুমো করে কাটা পেঁয়াজ ও ক্যাপসিকামের সাথে ম্যারিনেট করা সয়াবিন সাজিয়ে নিতে হবে। সামান্য অলিভ অয়েল স্প্রে করে তাওয়ায় বা ওভেনে বেক করে নিলে দারুণ সুস্বাদু এই কাবাবটি শিশুদের নাস্তায় যোগ করবে বাড়তি পুষ্টি। বাড়িতে এয়ার ফ্রায়ার থাকলে কাজটা আরও সহজ ও দ্রুত হয়ে যায় যা শিশুদের জন্য বাইরে কেনা খাবারের চেয়ে অনেক বেশি নিরাপদ।

টিক্কা প্রেমী শিশুদের জন্য সয়াবিনের টিক্কা হতে পারে বিকালের সেরা নাস্তা। সয়াবিন সিদ্ধ করে পানি ঝরিয়ে মিক্সারে ভালো করে বেটে নিতে হবে। বাটা সয়াবিনের সাথে পেঁয়াজ কুচি ও কাঁচা মরিচ এবং লবণ ও হলুদের সাথে ধনিয়া জিরার গুঁড়া মেশাতে হবে। মিশ্রণটিকে ভালোভাবে জমাট বাঁধাতে কিছুটা বেসন যোগ করে টিকিয়ার আকার দিতে হবে। এরপর তাওয়ায় সামান্য তেল দিয়ে এপিঠ ওপিঠ করে সেঁকে নিলেই পরিবেশনের জন্য তৈরি হবে সয়াবিনের টিক্কা। এই প্রতিটি পদই একদিকে যেমন মুখরোচক অন্যদিকে শিশুর শরীরের প্রয়োজনীয় প্রোটিনের চাহিদা পূরণে দারুণ কার্যকর ভূমিকা পালন করে।

সূত্র : আনন্দবাজার ডট কম


শীতের সবজিতে নাস্তায় বৈচিত্র্য: বাড়িতেই তৈরি করুন ভেজিটেবল ললিপপ

রান্নাবান্না ও রেসিপি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১১ ১১:১৭:৫৪
শীতের সবজিতে নাস্তায় বৈচিত্র্য: বাড়িতেই তৈরি করুন ভেজিটেবল ললিপপ
ছবি : সংগৃহীত

স্বাস্থ্য সচেতন ভোজনরসিকদের জন্য ভেজিটেবল ললিপপ একটি আদর্শ নাস্তা। এটি তৈরি করতে প্রধান উপকরণ হিসেবে সেদ্ধ করা আলুভর্তা এক কাপ এবং পছন্দমতো এক কাপ সবজি ব্যবহার করা হয়। এর সঙ্গে রঙিন ক্যাপসিকাম কুচি, মিহি গাজর কুচি এবং বরবটি কুচি যুক্ত করলে খাবারটি যেমন দৃষ্টিনন্দন হয়, তেমনি পুষ্টিগুণে ভরপুর হয়ে ওঠে। স্বাদের ভিন্নতা আনতে এতে পুদিনাপাতা ও ধনেপাতা কুচি ব্যবহার করা হয়, যা একটি সতেজ ঘ্রাণ যোগ করে। ঝাল ও মসলার ভারসাম্যের জন্য কাঁচা মরিচ কুচি, চিলি ফ্লেক্স এবং কারি পাউডার অত্যন্ত কার্যকর। এই রেসিপির বিশেষত্ব হলো এতে ব্যবহৃত আধা কাপ ঢাকাই পনির কুচি, যা ললিপপের ভেতরটা নরম ও স্বাদে অনন্য করে তোলে।

প্রস্তুত প্রণালির শুরুতে ব্রেডক্রাম্ব, ময়দা, ডিম এবং তেল বাদে বাকি সব উপকরণগুলো এক সঙ্গে ভালোভাবে মেখে নিতে হয়। মসৃণভাবে মাখা হয়ে গেলে হাতের তালুর সাহায্যে ছোট ছোট গোল করে ললিপপের আকার দিতে হবে। এরপর একটি পাত্রে একটি ডিমের সঙ্গে দুই টেবিল চামচ পানি ও ময়দা দিয়ে ভালো করে ফেটিয়ে একটি মিশ্রণ তৈরি করতে হবে। প্রতিটি ললিপপ প্রথমে এই ডিমের মিশ্রণে ডুবিয়ে নিয়ে তারপর ব্রেডক্রাম্বে গড়িয়ে নিতে হবে যাতে ওপরের আবরণটি মচমচে হয়। এরপর ললিপপগুলো কাঠিতে বা স্টিকে গেঁথে নিতে হবে।

রান্নার চূড়ান্ত ধাপে যাওয়ার আগে ললিপপগুলো অন্তত এক ঘণ্টা রেফ্রিজারেটরে রেখে দেওয়া জরুরি। এতে ব্রেডক্রাম্ব ও মশলাগুলো ললিপপের গায়ে সুন্দরভাবে সেট হয়ে যায় এবং ভাজার সময় ভেঙে যাওয়ার ভয় থাকে না। এরপর গভীর কড়াইতে গরম ডুবো তেলে সোনালি রং ধারণ করা পর্যন্ত সাবধানে ভেজে নিতে হবে। ভাজা হয়ে গেলে কিচেন টাওয়েল বা টিস্যুর ওপর রেখে বাড়তি তেল ঝরিয়ে নিতে হবে। গরম গরম এই ভেজিটেবল ললি সস বা পছন্দের চাটনি দিয়ে পরিবেশন করলে ছোট-বড় সবাই তা পছন্দ করবে। ২০২৬ সালের এই শীতে বিকেলের আড্ডায় এটি হতে পারে পরিবারের সেরা নাস্তা।


চালের গুঁড়া ছাড়াই ঝটপট পাটিসাপটা তৈরির সহজ গোপন টিপস

রান্নাবান্না ও রেসিপি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১০ ১১:২৩:০২
চালের গুঁড়া ছাড়াই ঝটপট পাটিসাপটা তৈরির সহজ গোপন টিপস
ছবি : সংগৃহীত

ঐতিহ্যবাহী পাটিসাপটা তৈরির ক্ষেত্রে চালের গুঁড়া জোগাড় করা বা তা প্রক্রিয়াজাত করা অনেকের জন্যই বড় ধরণের এক বিড়ম্বনার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এই সমস্যা সমাধানে রন্ধন বিশেষজ্ঞরা ময়দা ও সুজির এক অসাধারণ মিশ্রণের পরামর্শ দিয়েছেন। এই পদ্ধতিতে পিঠা তৈরির জন্য শুরুতে দুই কাপ ময়দার সঙ্গে এক কাপ মিহি দানা সুজি এবং এক চিমটি লবণ ভালোভাবে মিশিয়ে নিতে হবে। মিশ্রণটি তৈরি করতে পরিমাণমতো হালকা গরম দুধ ব্যবহার করা জরুরি। অল্প অল্প করে দুধ দিয়ে একটি মসৃণ গোলা বা ব্যাটার তৈরি করতে হবে যাতে কোনো ধরণের দলা পাকিয়ে না থাকে। মিষ্টির স্বাদের জন্য ব্যাটারে সামান্য চিনির গুঁড়া অথবা নলেন গুড় মিশিয়ে নেওয়া যেতে পারে। চালের গুঁড়া ব্যবহার করা হয় না বলে এই পর্যায়ে ব্যাটারটিকে অন্তত ৩০ মিনিট ঢেকে রাখা বাধ্যতামূলক। এতে সুজি ভিজে ফুলে উঠবে এবং পিঠার গঠন অনেক বেশি নমনীয় হবে।

ব্যাটারটি বিশ্রামে থাকার এই অবসরে পিঠার ভেতরের পুরটি তৈরি করে নেওয়া প্রয়োজন। এক্ষেত্রে স্বাদের ভিন্নতা অনুযায়ী ক্ষীর, সন্দেশ অথবা নারকেল ও গুড়ের পুর ব্যবহার করা যায়। যদি হাতে সময় একেবারেই কম থাকে তবে বাজার থেকে কেনা নরম পাকের সন্দেশও চমৎকার পুর হিসেবে কাজ করে। এরপর পিঠা ভাজার পালা শুরু হয়। একটি নন-স্টিক প্যানে সামান্য ঘি অথবা তেল ব্রাশ করে গরম করে নিতে হবে। প্যানটি পর্যাপ্ত গরম হলে এক হাতা গোলা দিয়ে চারদিকে পাতলা করে ছড়িয়ে দিতে হবে। রুটির ওপরের অংশটি শুকিয়ে এলে এক পাশে সুনিপুণভাবে পুর রেখে সাবধানে রোল করে নিলেই তৈরি হয়ে যাবে চমৎকার পাটিসাপটা।

বিশেষজ্ঞদের মতে চালের গুঁড়া দিয়ে তৈরি পাটিসাপটা অনেক সময় ঠাণ্ডা হয়ে গেলে শক্ত হয়ে খাওয়ার অনুপযোগী হয়ে পড়ে। কিন্তু ময়দা ও সুজির এই বিশেষ মিশ্রণে তৈরি পিঠা দীর্ঘক্ষণ নরম থাকে এবং ভাজার সময় প্যানে আটকে যাওয়ার ভয় থাকে না। তবে সঠিক ফলাফল পেতে কিছু ছোট কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ কৌশল মনে রাখা জরুরি। যেমন ব্যাটারটি যদি খুব বেশি ঘন হয়ে যায় তবে ভাজার ঠিক আগে সামান্য দুধ মিশিয়ে তা পাতলা করে নিতে হবে। এছাড়া পিঠা ভাজার সময় আগুনের আঁচ সর্বদা মাঝারি বা লো রাখতে হবে যাতে পিঠাটি পুড়ে না গিয়ে সমানভাবে সিদ্ধ হয়। এই শীতে চালের গুঁড়ার ঝামেলা ছাড়াই বাড়ির ছোট-বড় সবার মুখে হাসি ফোটাতে এই মোলায়েম পাটিসাপটা হতে পারে এক আদর্শ আয়োজন।

সূত্র : টিভি৯ বাংলা


হাড়কাঁপানো শীতে গরম পিঠার স্বাদ: ঘরেই তৈরি করুন মজাদার দুধপুলি

রান্নাবান্না ও রেসিপি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০৮ ১১:২৭:৪৯
হাড়কাঁপানো শীতে গরম পিঠার স্বাদ: ঘরেই তৈরি করুন মজাদার দুধপুলি
ছবি : সংগৃহীত

শীতের আগমনে বাংলার ঘরে ঘরে শুরু হয়েছে পিঠাপুলি তৈরির ধুম। এই ঋতুতে বিচিত্র ধরনের পিঠার ভিড়ে সবথেকে জনপ্রিয় এবং আভিজাত্যময় পিঠাগুলোর একটি হলো দুধপুলি। ব্যস্ততার মাঝেও প্রিয়জনদের মুখে হাসি ফোটাতে ঘরেই তৈরি করতে পারেন এই সুস্বাদু পিঠা। রন্ধনশিল্পী কোহিনুর বেগমের দেওয়া বিশেষ রেসিপি অনুযায়ী, ৩০০ গ্রাম চালের গুঁড়া, এক কাপ কুরানো নারকেল, এক কাপ খেজুর গুড়, দুই কেজি তরল দুধ এবং সুগন্ধির জন্য এলাচ ও তেজপাতা ব্যবহার করে আপনিও ঘরে আনতে পারেন গ্রামবাংলার সেই ঐতিহ্যবাহী স্বাদ।

দুধপুলি তৈরির প্রথম ধাপে অর্ধেক কাপ গুড়, তেজপাতা ও এলাচ দিয়ে নারকেল জ্বাল দিয়ে মজাদার পুর তৈরি করে নিতে হবে। এরপর দুই কেজি দুধকে তেজপাতা ও এলাচ দিয়ে ঘন করে এক কেজিতে নামিয়ে আনতে হবে। পিঠা তৈরির প্রধান কারুকার্য লুকিয়ে আছে এর খামির বা ডো তৈরিতে। চালের গুঁড়া সেদ্ধ করে তৈরি করা ডো থেকে ছোট ছোট লুচির আকারের রুটি বানিয়ে ভেতরে নারকেলের পুর দিয়ে যত্ন সহকারে মুড়িয়ে পুলি পিঠার আকার দিতে হবে। সবশেষে ফুটন্ত ঘন দুধে পিঠাগুলো ছেড়ে দিয়ে অপেক্ষা করতে হবে যতক্ষণ না সেগুলো দুধের ওপর ভেসে উঠছে।

পিঠাগুলো যখন দুধে ভেসে উঠবে, তখনই বুঝতে হবে আপনার রান্না প্রায় শেষ। চুলা বন্ধ করে দিয়ে পিঠাগুলো কিছুটা ঠান্ডা করে পরিবেশন করলে এর স্বাদ বহুগুণ বেড়ে যায়। শীতের সন্ধ্যায় বা সকালে কুয়াশাভেজা প্রকৃতির সাথে এমন রসালো ও সুস্বাদু এক বাটি দুধপুলি কেবল রসনা মেটায় না, বরং মানসিক তৃপ্তিও দেয়। উৎসবের মৌসুমে মেহমানদারিতে এই পিঠা হতে পারে আপনার তুরুপের তাস।

পাঠকের মতামত:

এবার সোনার দামে রেকর্ড উত্থান

এবার সোনার দামে রেকর্ড উত্থান

আন্তর্জাতিক বাজারে আবারও ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে স্বর্ণের দর। মার্কিন শ্রমবাজারের শক্তিশালী অবস্থানের কারণে সুদের হার দীর্ঘ সময় উচ্চ থাকতে পারে এমন... বিস্তারিত