জুমার দিন দরুদ পাঠের অফুরন্ত ফজিলত

ইসলামে জুমার দিনকে সাপ্তাহিক ঈদ হিসেবে গণ্য করা হয়। হাদিসে এ দিনের নানা ফজিলত ও আমলের কথা উল্লেখ আছে। প্রিয়নবি মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উম্মতকে জুমার দিন বেশি বেশি দরুদ পাঠের নির্দেশ দিয়েছেন। বিভিন্ন হাদিসগ্রন্থে বর্ণিত আছে, এ দিনে পড়া দরুদ তাঁর দরবারে পেশ করা হয় এবং দরুদ পাঠকারী বান্দার প্রতি আল্লাহ তাআলা দশটি রহমত নাজিল করেন।
জুমার দিন দরুদ পাঠের মর্যাদা
হজরত আওস ইবনে আওস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত হাদিসে এসেছে, জুমার দিন শ্রেষ্ঠ দিন। এ দিন হজরত আদম আলাইহিস সালামকে সৃষ্টি করা হয়েছে, এ দিনেই তাঁর ইন্তেকাল এবং কেয়ামতের শিঙ্গায় ফুঁক দেওয়ার ঘটনাও এ দিনেই সংঘটিত হবে। তাই এ দিনে নবির প্রতি অধিক দরুদ পাঠের তাগিদ দেওয়া হয়েছে। হাদিসে আরও উল্লেখ আছে, আল্লাহ তাআলা নবিগণের দেহকে জমিনের জন্য হারাম করে দিয়েছেন; ফলে উম্মতের দরুদ তাঁর নিকট পৌঁছানো হয়।
অন্য বর্ণনায় এসেছে, জুমার দিন ও জুমার রাতে বেশি পরিমাণে দরুদ পাঠ করলে বিশেষ সওয়াব অর্জিত হয়। যে ব্যক্তি একবার দরুদ পড়ে, আল্লাহ তার প্রতি দশবার রহমত বর্ষণ করেন। আর কেউ যদি আসরের নামাজের পর নির্দিষ্ট দরুদ ৮০ বার পাঠ করে, তার বহু বছরের গুনাহ মাফ হওয়ার সুসংবাদ দেওয়া হয়েছে—যদিও আলেমদের মতে, এখানে সগিরা গুনাহ উদ্দেশ্য।
দোয়া কবুলের বিশেষ সময়
জুমার দিনের অন্যতম বড় ফজিলত হলো এ দিনে এমন একটি সময় রয়েছে, যখন বান্দার দোয়া কবুল হয়। হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, এ দিনের একটি নির্দিষ্ট মুহূর্তে যদি কোনো মুমিন আল্লাহর কাছে কল্যাণকর কিছু প্রার্থনা করে, তা কবুল হওয়ার আশা থাকে। অধিকাংশ আলেমের মতানুসারে, আসরের নামাজের পর থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত সময়টিই সে মহামূল্যবান মুহূর্ত।
হজরত আনাস ইবনে মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও বর্ণিত হয়েছে যে, এই সময়টিতে দোয়া খোঁজার নির্দেশ দিয়েছেন নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। তাই মুসলমানরা এ সময় অধিক ইবাদত ও জিকিরে মনোনিবেশ করেন।
সুরা কাহফ তেলাওয়াতের আমল
জুমার দিনের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ আমল হলো সুরা কাহফ তেলাওয়াত। হাদিসে উল্লেখ আছে, যে ব্যক্তি জুমার দিন সুরা কাহফ পাঠ করবে, তার জন্য এক জুমা থেকে আরেক জুমা পর্যন্ত নূর হবে। অন্য বর্ণনায় এসেছে, এ তেলাওয়াত ফেতনা থেকে সুরক্ষার কারণ হয় এবং দাজ্জালের ফেতনা থেকেও রক্ষা পেতে সহায়ক।
দরুদ পাঠের অতিরিক্ত ফজিলত
বিভিন্ন রেওয়ায়েতে এসেছে, জুমার দিনে অধিক দরুদ পাঠকারী ব্যক্তি কেয়ামতের দিন রাসুলের নিকটতমদের অন্তর্ভুক্ত হবেন। হজরত আলি রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত আছে, যে ব্যক্তি ১০০ বার দরুদ পাঠ করে, কেয়ামতের দিন তার মুখমণ্ডল নূরে উজ্জ্বল থাকবে।
তাই জুমার দিনে নিম্নোক্ত দরুদ পাঠ করা উত্তম-
اَللَّهُمَّ صَلِّ وَسَلِّمْ عَلَى نَبِيِّنَا مُحَمَّد
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা সাল্লি ওয়া সাল্লিম আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ।
অর্থ: হে আল্লাহ! আমাদের নবি মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রতি রহমত ও শান্তি বর্ষণ করুন।
জুমার দিনটি তাই কেবল একটি সাপ্তাহিক ইবাদতের দিন নয়; বরং এটি আত্মশুদ্ধি, দরুদ পাঠ, দোয়া কবুলের প্রত্যাশা এবং কোরআন তেলাওয়াতের বিশেষ সুযোগের দিন। আলেমরা বলেন, এ দিনের সময়কে মূল্যায়ন করে ইবাদতে কাটালে দুনিয়া ও আখিরাতে কল্যাণ অর্জন সম্ভব।
আজকের নামাজের সময়সূচি জানুন এক নজরে
আজ শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ। বাংলা পঞ্জিকা অনুযায়ী আজ ৩০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ এবং হিজরি সন অনুযায়ী ২৪ শাবান ১৪৪৭। ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের জন্য রাজধানী ঢাকা ও এর আশপাশের এলাকায় আজকের নামাজের সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে।
আজ জুমার নামাজের সময় শুরু হবে দুপুর ১২টা ১৬ মিনিটে। সপ্তাহের বিশেষ এই দিনের খুতবা ও জামাতে অংশ নিতে মসজিদগুলোতে আগেভাগেই মুসল্লিদের সমাগম শুরু হয়। আসরের ওয়াক্ত শুরু হবে বিকেল ৪টা ১৫ মিনিটে। দিনের শেষভাগে মাগরিবের নামাজের সময় নির্ধারিত হয়েছে সন্ধ্যা ৫টা ৫৬ মিনিটে, যা সূর্যাস্তের কিছুক্ষণ পর আদায় করা হবে। এশার নামাজ শুরু হবে রাত ৭টা ১০ মিনিটে।
এ ছাড়া আগামীকাল শনিবার ফজরের নামাজ শুরু হবে ভোর ৫টা ২০ মিনিটে। আজ ঢাকায় সূর্যাস্ত ঘটবে সন্ধ্যা ৫টা ৫১ মিনিটে এবং আগামীকাল সূর্যোদয় হবে সকাল ৬টা ৩৫ মিনিটে। সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের সময়ের ওপর ভিত্তি করেই দৈনিক নামাজের ওয়াক্ত নির্ধারিত হয়।
ইসলামি শরিয়াহ অনুযায়ী, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নামাজ আদায় করা ফরজ ইবাদতের অন্যতম শর্ত। তাই সঠিক সময় জেনে প্রস্তুতি নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে শুক্রবার জুমার দিন হওয়ায় রাজধানীর বিভিন্ন মসজিদে অতিরিক্ত মুসল্লিদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।
সূত্র : ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার, বসুন্ধরা, ঢাকা।
যাদের ওপর রোজা ফরজ নয় এবং তাদের করণীয়
রমজান মাসে সিয়াম পালন ইসলাম ধর্মের অন্যতম প্রধান ফরজ ইবাদত। প্রাপ্তবয়স্ক, সুস্থ ও মুকিম প্রত্যেক মুসলমানের ওপর রোজা রাখা আবশ্যিক। তবে ইসলাম একটি বাস্তবধর্মী জীবনব্যবস্থা; তাই মানবিক ও শারীরিক সীমাবদ্ধতাকে বিবেচনায় রেখে কিছু শ্রেণির মানুষের জন্য রোজা না রাখার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এই ছাড় কোনো অবহেলা নয়, বরং শরিয়তের করুণা ও ভারসাম্যের প্রকাশ।
আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কুরআনে ঘোষণা করেছেন যে, অসুস্থ বা সফররত ব্যক্তি পরবর্তীতে অন্য দিনে রোজা পূরণ করবে। সূরা আল-বাকারা (১৮৪–১৮৫) আয়াতে এ বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ইসলামী ফিকহবিদদের ব্যাখ্যায় দেখা যায়, যেসব ওজর সাময়িক, সেসব ক্ষেত্রে কাজা করতে হয়; আর যেসব অক্ষমতা স্থায়ী, সেক্ষেত্রে ফিদিয়া প্রযোজ্য।
প্রথমত, অসুস্থ ব্যক্তির কথা বলা যায়। যদি রোজা রাখলে রোগ বৃদ্ধি পায়, আরোগ্য বিলম্বিত হয় অথবা তীব্র দুর্বলতার আশঙ্কা থাকে, তাহলে রোজা না রাখার অনুমতি রয়েছে। তবে সুস্থ হয়ে গেলে সেই রোজাগুলো কাজা করতে হবে। ইসলাম মানুষের ক্ষতি চায় না; বরং কষ্ট থেকে রক্ষা করাই এর উদ্দেশ্য।
দ্বিতীয়ত, সফররত ব্যক্তির জন্যও রোজা ভঙ্গের অনুমতি রয়েছে। শরিয়তের আলোচনায় সাধারণভাবে প্রায় ৮০ কিলোমিটার বা তার বেশি দূরত্ব অতিক্রম করলে তাকে মুসাফির ধরা হয়। সফরে রোজা রাখা কষ্টকর হলে ভাঙা উত্তম, তবে পরে কাজা করতে হবে। যদি কেউ চার দিনের বেশি কোনো স্থানে থাকার নিয়ত করেন, তাহলে তিনি মুকিম গণ্য হবেন এবং রোজা রাখতে হবে।
তৃতীয়ত, ঋতুস্রাব ও প্রসবোত্তর রক্তস্রাব চলাকালে নারীদের জন্য রোজা রাখা নিষিদ্ধ। এ বিষয়ে সহিহ হাদিসে স্পষ্ট নির্দেশ রয়েছে। ঋতু শেষে তাদের রোজা কাজা করতে হবে, তবে নামাজের কাজা করতে হয় না। এটি শরিয়তের একটি স্বীকৃত ও সর্বসম্মত বিধান।
চতুর্থত, দীর্ঘস্থায়ী রোগী, যাদের আরোগ্যের সম্ভাবনা নেই এবং রোজা রাখা একেবারেই অসম্ভব, তাদের ওপর রোজা ফরজ নয়। তারা প্রতিদিনের পরিবর্তে একজন অভাবীকে খাদ্য প্রদান করবেন। এটিই ফিদিয়া নামে পরিচিত। এ ক্ষেত্রে কাজা নেই, কারণ শারীরিক সক্ষমতা স্থায়ীভাবে অনুপস্থিত।
পঞ্চমত, অতি বৃদ্ধ ব্যক্তি, যিনি রোজা পালনে সম্পূর্ণ অক্ষম, তার ক্ষেত্রেও একই বিধান প্রযোজ্য। তিনি প্রতিটি রোজার পরিবর্তে একজন মিসকিনকে আহার করাবেন। যদি মানসিক সক্ষমতাও না থাকে, তবে তার ওপর কোনো বাধ্যবাধকতা অবশিষ্ট থাকে না।
ষষ্ঠত, গর্ভবতী ও স্তন্যদানকারী নারীর বিষয়টি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। যদি রোজা রাখলে মা বা সন্তানের ক্ষতির আশঙ্কা থাকে, তাহলে রোজা না রাখার অনুমতি রয়েছে। পরবর্তীতে তারা কাজা করবেন। তবে যদি কেবল সন্তানের ক্ষতির আশঙ্কায় রোজা ভাঙা হয়, অধিকাংশ আলেমের মতে কাজার পাশাপাশি ফিদিয়াও প্রদান করতে হবে।
এছাড়া শিশু, অপ্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি এবং মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তির ওপর রোজা ফরজ নয়। তবে তারা যদি সুস্থ ও সক্ষম হন, প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পর থেকে রোজা ফরজ হয়ে যায়।
সব মিলিয়ে দেখা যায়, ইসলাম রোজাকে একটি মহান ইবাদত হিসেবে নির্ধারণ করলেও মানুষের সামর্থ্যকে সর্বাগ্রে গুরুত্ব দিয়েছে। সাময়িক অক্ষমতা থাকলে কাজা, আর স্থায়ী অক্ষমতায় ফিদিয়া এই দুই ব্যবস্থার মাধ্যমে শরিয়ত ভারসাম্য রক্ষা করেছে।
অতএব, যাদের ওপর রোজা ফরজ নয়, তাদের জন্য নির্ধারিত বিধান অনুযায়ী কাজা বা ফিদিয়া আদায় করাই কর্তব্য। আল্লাহ তায়ালা সহজতা পছন্দ করেন এবং বান্দার কষ্ট চান না। রমজানের শিক্ষা কেবল উপবাস নয়; বরং তাকওয়া, মানবিকতা ও দায়িত্ববোধের বিকাশ।
উত্তম রাষ্ট্রপ্রধানের জন্য হাদিসের আলোকে দোয়া
ইসলামে ন্যায়পরায়ণ ও দয়ালু নেতৃত্বের গুরুত্ব অত্যন্ত গভীরভাবে আলোচিত হয়েছে। একটি সুপরিচিত দোয়ায় রাসূলুল্লাহ মুহাম্মদ (সা.) উম্মতের জন্য এমন রাষ্ট্রপ্রধানের কামনা করেছেন, যিনি জনগণের প্রতি সহানুভূতিশীল ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
দোয়াটি হলো-اللهم لَا تُسَلِّطْ عَلَيْنَا مَنْ لَا يَرْحَمُنَاউচ্চারণ: আল্লাহুম্মা লা তুসাল্লিত আলাইনা মান লা ইয়ারহামনা
অর্থ: “হে আল্লাহ, আমাদের ওপর এমন কাউকে কর্তৃত্ব দান করবেন না, যে আমাদের প্রতি দয়া প্রদর্শন করে না।”
এই দোয়ার বর্ণনা পাওয়া যায় জামে তিরমিজি–তে (হাদিস নম্বর ৩৪০২)। আলেমদের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, এটি কেবল ব্যক্তিগত কল্যাণের দোয়া নয়; বরং সামষ্টিক কল্যাণ ও ন্যায়ভিত্তিক শাসন ব্যবস্থার জন্য একটি মৌলিক প্রার্থনা।
ইসলামে শাসনক্ষমতা একটি আমানত। কুরআন ও হাদিসে বারবার উল্লেখ করা হয়েছে যে, শাসকের প্রধান দায়িত্ব হলো ন্যায় প্রতিষ্ঠা, দুর্বলদের সুরক্ষা এবং সমাজে ভারসাম্য রক্ষা। দয়াহীন ও জুলুমকারী নেতৃত্ব সমাজে অস্থিরতা সৃষ্টি করে এই আশঙ্কা থেকেই এ ধরনের দোয়ার গুরুত্ব স্পষ্ট হয়।
ইতিহাসে দেখা যায়, ন্যায়পরায়ণ শাসকের সময় সমাজে শান্তি ও উন্নয়ন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। ইসলামী ঐতিহ্যে খলিফায়ে রাশেদিনদের উদাহরণ প্রায়ই তুলে ধরা হয় ন্যায়, জবাবদিহি ও মানবিকতার প্রতীক হিসেবে।
সমসাময়িক বিশ্বে রাজনৈতিক অস্থিরতা, ক্ষমতার অপব্যবহার ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের নানা ঘটনা সামনে আসে। এই প্রেক্ষাপটে উম্মাহর জন্য এমন নেতৃত্ব কামনা করা, যারা দয়া, ন্যায় ও ক্ষমাশীলতার গুণে সমৃদ্ধ তা বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ।
এই দোয়া আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, নেতৃত্ব শুধু প্রশাসনিক দক্ষতা নয়; বরং নৈতিকতা, মানবিকতা ও জবাবদিহিতার সমন্বয়।
জেনে নিন ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আজকের নামাজের ওয়াক্ত
আজ বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬; বাংলা ক্যালেন্ডার অনুযায়ী ২৯ মাঘ ১৪৩২ এবং হিজরি সনের পবিত্র ২৩ শাবান ১৪৪৭। রমজান মাসের আর মাত্র কয়েক দিন বাকি, এই সময়ে ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের কাছে প্রতিটি নামাজের ওয়াক্ত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে আজ সারাদেশে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ চলায় মুসল্লিদের যাতায়াত ও ইবাদতের সময় সমন্বয় করাটা জরুরি। ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার, বসুন্ধরা থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী,
আজ ঢাকায় জোহরের ওয়াক্ত শুরু হবে দুপুর ১২টা ১৬ মিনিটে। যারা সকালে ভোট দিয়ে ফিরবেন বা দুপুরে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন, তারা এই সময়ের মধ্যেই জোহরের নামাজ আদায় করে নিতে পারেন।
আসরের নামাজের সময় শুরু হবে বিকেল ৪টা ১৫ মিনিটে। ভোটগ্রহণের শেষ সময় যেহেতু বিকেল সাড়ে ৪টা, তাই ভোটাররা ভোট দিয়ে ফিরেই আসরের ইবাদতে শামিল হতে পারবেন।
আজকের সূর্যাস্ত হবে সন্ধ্যা ৫টা ৫১ মিনিটে এবং মাগরিবের ওয়াক্ত শুরু হবে ৫টা ৫৫ মিনিটে। দিনের ভোটগণনা এবং উত্তেজনার মধ্যেই মুসল্লিরা মাগরিবের জামাতে শরিক হতে পারবেন।
এরপর এশার নামাজের সময় শুরু হবে রাত ৭টা ১০ মিনিটে। যারা দীর্ঘ সময় ভোটকেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করবেন বা ফলাফল দেখার অপেক্ষায় থাকবেন, তাদের জন্য এশার সময়টি দীর্ঘ হওয়ায় ইবাদত সম্পন্ন করা সহজ হবে।
আগামীকাল শুক্রবারের ফজর শুরু হবে ভোর ৫টা ২০ মিনিটে এবং সূর্যোদয় হবে সকাল ৬টা ৩৫ মিনিটে। শাবান মাসের এই ফজিলতপূর্ণ সময়ে নামাজের এই সূচি অনুযায়ী ইবাদত পালন করা মুমিনদের জন্য বরকতময় হবে।
রমজানে ওমরাহ করার ফজিলত: হাদিসের আলোকে পূর্ণাঙ্গ বিশ্লেষণ
রমজান মাস মুসলমানদের জন্য রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের মাস। এ সময় নেক আমলের প্রতিদান বহু গুণ বৃদ্ধি পায়। ইবাদতের এ মৌসুমে ওমরাহ আদায়ের বিশেষ মর্যাদা সম্পর্কে সুস্পষ্ট বর্ণনা এসেছে সহিহ হাদিসে। প্রিয় নবী মুহাম্মদ (সা.) রমজানের ওমরাহকে এমন এক উচ্চতায় স্থান দিয়েছেন, যা মুমিনের অন্তরে গভীর অনুপ্রেরণা সৃষ্টি করে।
রাসূলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন, “রমজানে আদায়কৃত ওমরাহ আমার সঙ্গে হজ করার সমান।”এই হাদিসটি সহিহ বুখারি–তে বর্ণিত হয়েছে (হাদিস নম্বর ১৭৮২)। আলেমদের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, এখানে সওয়াবের দিক থেকে তুলনা করা হয়েছে, ফরজ হজের বিধান বাতিল করা হয়নি। অর্থাৎ, রমজানের ওমরাহ ফরজ হজের বিকল্প নয়; তবে ফজিলত ও প্রতিদানের বিচারে তা অত্যন্ত মহিমান্বিত।
রমজানে ওমরাহর বিশেষ ফজিলত
প্রিয় নবী মুহাম্মদ (সা.) রমজানের ওমরাহকে এমন এক উচ্চতায় স্থান দিয়েছেন, যা মুমিনের অন্তরে গভীর অনুপ্রেরণা সৃষ্টি করে।
১️) সওয়াবের বহুগুণ বৃদ্ধি
রমজান এমন সময় যখন প্রতিটি নেক আমলের প্রতিদান বৃদ্ধি পায়। ওমরাহ নিজেই একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত; ফলে এ মাসে তা আদায় করলে সওয়াবের পরিমাণ অসীমভাবে বৃদ্ধি পায়।
২️) গুনাহ মোচনের সুবর্ণ সুযোগ
হাদিসে এসেছে, একটি ওমরাহ পরবর্তী ওমরাহ পর্যন্ত সংঘটিত ছোট গুনাহসমূহ মাফের মাধ্যম হয়। রমজানের বরকত যুক্ত হলে বান্দার জন্য তওবা ও আত্মশুদ্ধির সুযোগ আরও প্রসারিত হয়।
৩️) রুহানিয়াতের গভীর অনুভব
রমজানে মসজিদুল হারাম–এ কোরআন তিলাওয়াত, তারাবীহ ও তাহাজ্জুদের ধ্বনি এক অপার্থিব আবহ তৈরি করে। একইভাবে মসজিদে নববী–তে ইবাদতের পরিবেশ হৃদয়কে আধ্যাত্মিক প্রশান্তিতে ভরিয়ে তোলে।
৪️) লাইলাতুল কদরের সম্ভাবনা
রমজানের শেষ দশকে মক্কায় অবস্থান করলে কদরের রাত ইবাদতের সুযোগ পাওয়া যায়। কুরআনে বর্ণিত এই রাত হাজার মাসের চেয়ে উত্তম।
৫️) তাকওয়া অর্জনের বাস্তব অনুশীলন
রোজা আত্মসংযম শেখায়, আর ওমরাহ ধৈর্য ও আনুগত্যের শিক্ষা দেয়। এই দুইয়ের সমন্বয়ে একজন মুসলমান তাকওয়ার উচ্চতর স্তরে পৌঁছাতে পারেন।
৬️) দোয়া কবুলের অনুকূল পরিবেশ
হাজরে আসওয়াদ, মুলতাজ্জাম, মিজাবে রহমাহ প্রভৃতি স্থান দোয়া কবুলের জন্য প্রসিদ্ধ। রমজানের বরকত যুক্ত হলে দোয়ার গ্রহণযোগ্যতার আশা আরও বৃদ্ধি পায়।
রমজানে মক্কা–মদিনার পরিবেশ
রমজানে মক্কার বাতাসেও যেন ইবাদতের আবেশ অনুভূত হয়। ইফতারের সময় হাজার হাজার মুসল্লির একসঙ্গে রোজা ভাঙার দৃশ্য হৃদয়গ্রাহী। তারাবীহ নামাজে দীর্ঘ কিরাত, তাহাজ্জুদের আবেগঘন মুহূর্ত এবং সারারাত জেগে থাকা ইবাদতকারীদের দৃশ্য মুসলমানের হৃদয়ে গভীর রেখাপাত করে।
মদিনায় রাউজায়ে রাসূল (সা.)–এ দরুদ ও সালামের ধ্বনি এক শান্তিময় অনুভূতি সৃষ্টি করে। এ সময় অনেকেই জীবনের নতুন দিকনির্দেশনা খুঁজে পান।
কেন রমজানের ওমরাহ জীবন বদলে দেয়
অনেক হাজি ও ওমরাহকারী অভিজ্ঞতায় বলেছেন, রমজানের ওমরাহর পর তাঁদের জীবনদৃষ্টিতে পরিবর্তন এসেছে। ইবাদতের নিবিড় পরিবেশ, তওবার আবেগ এবং দুনিয়াবি ব্যস্ততা থেকে সাময়িক বিচ্ছিন্নতা মানুষকে নিজের সঙ্গে নতুনভাবে পরিচিত হতে সহায়তা করে।
এ সময় আত্মসমালোচনার সুযোগ তৈরি হয়, নফস নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে এবং আল্লাহর সঙ্গে সম্পর্ক দৃঢ় হয়।
রমজানে ওমরাহর প্রস্তুতি
রমজানের সফর সাধারণ সময়ের তুলনায় বেশি ভিড়পূর্ণ ও শারীরিকভাবে চ্যালেঞ্জিং হতে পারে। তাই কিছু বিশেষ প্রস্তুতি জরুরি-
স্বাস্থ্যসচেতনতা বজায় রাখা
পর্যাপ্ত পানি ও বিশ্রামের ব্যবস্থা
ইবাদতের সময়সূচি পরিকল্পনা
ভিড়ের মাঝে ধৈর্য ও সহনশীলতা
রমজানের ওমরাহ শুধু একটি সফর নয়; এটি আত্মার পরিশুদ্ধি, ঈমানের নবায়ন এবং আল্লাহর নৈকট্য লাভের এক বিরল সুযোগ।
ফরজ, ওয়াজিব, সুন্নত ও নফল: পার্থক্য কী?
ইসলামে সালাত বা নামাজ কেবল একটি ইবাদত নয়; এটি মুসলিম জীবনের কেন্দ্রীয় অনুশাসন। ইসলামী শরিয়াহ ও ফিকহশাস্ত্র অনুযায়ী নামাজের বিধান গুরুত্ব ও বাধ্যবাধকতার ভিত্তিতে চারটি প্রধান ভাগে বিভক্ত ফরজ, ওয়াজিব, সুন্নত এবং নফল। এই বিভাজন মূলত দলিলের শক্তি, শরিয়তগত বাধ্যবাধকতা এবং পালন না করলে পরিণতির ভিত্তিতে নির্ধারিত হয়েছে।
ফরজ নামাজ: অপরিহার্য দায়িত্ব
ফরজ হলো সেই আমল, যা কুরআন ও সুন্নাহর সুস্পষ্ট দলিল দ্বারা প্রমাণিত এবং প্রতিটি প্রাপ্তবয়স্ক মুসলমানের জন্য অবশ্যপালনীয়। ফরজ নামাজ ইচ্ছাকৃতভাবে ত্যাগ করলে ব্যক্তি গুরুতর গুনাহগার হিসেবে বিবেচিত হন। ইসলামী আইনবিদদের মতে, ফরজ অস্বীকার করা ঈমানের জন্যও বিপজ্জনক হতে পারে।
প্রতিদিনের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ফজর, জোহর, আসর, মাগরিব ও এশা ফরজের অন্তর্ভুক্ত। একইভাবে জুমার নামাজও প্রাপ্তবয়স্ক মুসলিম পুরুষদের জন্য ফরজ।
ওয়াজিব নামাজ: ফরজের নিকটবর্তী গুরুত্ব
ওয়াজিব নামাজ ফরজের চেয়ে একধাপ নিচে হলেও তা পালন করা আবশ্যক। ইসলামী ফিকহে ওয়াজিব প্রমাণিত হয় এমন দলিল দ্বারা, যা ফরজের মতো স্পষ্ট নয় কিন্তু যথেষ্ট শক্তিশালী। ওয়াজিব ইচ্ছাকৃতভাবে পরিত্যাগ করলে গুনাহ হয়, তবে ফরজ ত্যাগের মতো কঠোর পর্যায়ে নয়।
বিতরের নামাজ ওয়াজিব হিসেবে বিবেচিত। একইভাবে দুই ঈদের নামাজও বহু আলেমের মতে ওয়াজিব।
সুন্নত নামাজ: রাসূলুল্লাহ (সা.)–এর নিয়মিত আমল
সুন্নত হলো সেই নামাজ, যা মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) নিয়মিত আদায় করতেন এবং সাহাবাদেরকে তা পালনে উৎসাহিত করেছেন। সুন্নত আবার দুই প্রকার সুন্নতে মুয়াক্কাদা (নিয়মিত পালিত) এবং সুন্নতে গাইরে মুয়াক্কাদা (অনিয়মিত)।
সুন্নতে মুয়াক্কাদা ইচ্ছাকৃতভাবে পরিত্যাগ করা অনুচিত এবং তিরস্কারযোগ্য হলেও সরাসরি গুনাহ হিসেবে গণ্য করা হয় না। উদাহরণস্বরূপ, ফজরের দুই রাকাত সুন্নত এবং জোহরের আগে-পরে নির্দিষ্ট সুন্নত নামাজ।
নফল নামাজ: অতিরিক্ত সওয়াবের সুযোগ
নফল নামাজ সম্পূর্ণ ঐচ্ছিক। এগুলো ফরজ ও সুন্নতের বাইরে অতিরিক্ত ইবাদত হিসেবে আদায় করা হয়। নফল আদায় করলে বিশেষ সওয়াব পাওয়া যায়, তবে তা না পড়লে কোনো গুনাহ হয় না।
তাহাজ্জুদ, ইশরাক, দুহা (চাশত) এবং অন্যান্য স্বেচ্ছা ইবাদত নফলের অন্তর্ভুক্ত। আল্লাহর নৈকট্য লাভ এবং আত্মিক পরিশুদ্ধির জন্য নফল নামাজ বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।
নামাজের এই চারস্তরীয় শ্রেণিবিন্যাস ইসলামী শরিয়তের সূক্ষ্ম বিধানকে স্পষ্টভাবে তুলে ধরে। প্রতিটি স্তরের গুরুত্ব বুঝে ইবাদত আদায় করলে একজন মুসলিম তাঁর ধর্মীয় দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করতে পারেন। ফরজ ও ওয়াজিব যথাযথভাবে আদায় করা অপরিহার্য, আর সুন্নত ও নফল ইবাদত মানুষকে আধ্যাত্মিক উন্নতির পথে এগিয়ে নেয়।
জেনে নিন ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আজকের নামাজের ওয়াক্ত
আজ বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ইংরেজি (২৮ মাঘ ১৪৩২ বাংলা, ২২ শাবান ১৪৪৭ হিজরি)। ইমানের পর ইসলামের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত হলো নামাজ। কিয়ামতের দিন আল্লাহ তাআলা সর্বপ্রথম নামাজেরই হিসাব নেবেন। ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি
ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি
জোহর: ১২টা ১৬ মিনিট
আসর: ৪টা ১৩ মিনিট
মাগরিব: ৫টা ৫৫ মিনিট
এশা: ৭টা ০৮ মিনিট
ফজর (আগামীকাল): ৫টা ১৯ মিনিট
বিভাগীয় সময়ের পার্থক্য (ঢাকার সময়ের সাথে)
বিয়োগ করতে হবে
সিলেট: ০৬ মিনিট
চট্টগ্রাম: ০৫ মিনিট
যোগ করতে হবে
রংপুর: ০৮ মিনিট
রাজশাহী: ০৭ মিনিট
খুলনা: ০৩ মিনিট
বরিশাল: ০১ মিনিট
জেনে নিন ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আজকের নামাজের ওয়াক্ত
ইসলামের পাঁচটি মূল রুকন বা স্তম্ভের মধ্যে নামাজ অন্যতম এবং এটি পঞ্চস্তম্ভের মধ্যে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। মুমিনের ইমান বা বিশ্বাসের পর নামাজই ইসলামের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত হিসেবে গণ্য হয়। পরকালে বা কিয়ামতের দিন মহান আল্লাহ তায়ালা মানুষের কাছ থেকে সর্বপ্রথম নামাজেরই হিসাব নেবেন। পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজের পাশাপাশি ওয়াজিব, সুন্নত ও নফল নামাজ আদায়ের মাধ্যমে বান্দা আল্লাহর সান্নিধ্য লাভ করে। তাই দৈনন্দিন জীবনের শত ব্যস্ততার মাঝেও ওয়াক্তমতো ফরজ নামাজ আদায় করা প্রত্যেক মুসলমানের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
আজ মঙ্গলবার ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ইংরেজি, ২৭ মাঘ ১৪৩২ বাংলা এবং ২১ শাবান ১৪৪৭ হিজরি।
ফজর: ৫টা ১৮ মিনিট (নামাজের শেষ সময় ৬টা ৩৫ মিনিট)
জোহর: ১২টা ১৩ মিনিট
আসর: ৪টা ১২ মিনিট
মাগরিব: ৫টা ৫১ মিনিট
এশা: ৭টা ০৬ মিনিট
উল্লেখ্য যে, সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের সময়ের পরিবর্তনের সাথে সাথে নামাজের সময় কিছুটা পরিবর্তিত হয়। উপরোক্ত সময়সূচি মূলত ঢাকার সময়ের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে, যা ঢাকার পার্শ্ববর্তী এলাকায় একইভাবে কার্যকর হবে। তবে এলাকাভেদে সময়ের ১ থেকে ১০ মিনিটের ব্যবধান হতে পারে।
জেনে নিন ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আজকের নামাজের ওয়াক্ত
ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের মধ্যে ইমান বা বিশ্বাসের পরপরই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত হলো নামাজ। পরকালে হাশরের ময়দানে বান্দার কাছ থেকে সর্বপ্রথম নামাজেরই হিসাব নেওয়া হবে। তাই শত ব্যস্ততার মাঝেও ওয়াক্তমতো নামাজ আদায় করা মুমিন মুসলমানের জন্য অপরিহার্য।
ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার সময়সূচি
জোহর: দুপুর ১২টা ১৩ মিনিট
আসর: বিকেল ৪টা ১৪ মিনিট
মাগরিব: সন্ধ্যা ৫টা ৫৪ মিনিট
এশা: রাত ৭টা ০৭ মিনিট
ফজর (আগামীকাল মঙ্গলবার): ভোর ৫টা ১৮ মিনিট
ঢাকার সময়ের সাথে নির্দিষ্ট কিছু সময়ের যোগ বা বিয়োগ করে আপনার এলাকার নামাজের ওয়াক্ত নির্ধারণ করে নিন
বিয়োগ করতে হবে
চট্টগ্রাম: ০৫ মিনিট
সিলেট: ০৬ মিনিট
যোগ করতে হবে
খুলনা: ০৩ মিনিট
রাজশাহী: ০৭ মিনিট
রংপুর: ০৮ মিনিট
বরিশাল: ০১ মিনিট
উল্লেখ্য যে, সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের অবস্থান ভেদে সময়ের কিছুটা তারতম্য হতে পারে। মাগরিবের নামাজ সূর্যাস্তের পরপরই আদায় করা সুন্নত।
পাঠকের মতামত:
- জুমার দিন দরুদ পাঠের অফুরন্ত ফজিলত
- ফলাফল নিয়ে জামায়াতের নতুন বার্তা, কী সেটা
- পুষ্টিকর বিটের হালুয়া বানাবেন যেভাবে
- বিএনপির জয়ে চীনের শুভেচ্ছা, একসাথে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ
- আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে বিএনপির জয় শিরোনাম
- রুপা স্থির, তবে কেন অস্থির শুধু সোনা
- তারেক রহমানকে অভিনন্দন মোদি-শাহবাজের
- পোস্টাল ব্যালটে কত শতাংশ ভোট? জানাল ইসি
- অস্ট্রেলিয়া-জিম্বাবুয়ে ম্যাচসহ আজকের টিভি ক্রীড়া সূচি এক নজরে
- আজ রাস্তায় চলবে যেসব যানবাহন
- ২৯৯ আসনের বেসরকারি ফল প্রকাশ: নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতায় বিএনপি জোট
- বিজয়ে মিছিল নয়, দোয়ার ডাক বিএনপির
- আজকের নামাজের সময়সূচি জানুন এক নজরে
- পাঁচ আসনে প্রার্থীদের ভোট বর্জন
- ৩৫ বছর পর পুরুষ প্রধানমন্ত্রী পাচ্ছে দেশ
- গণভোটে চার আসনে ‘না’ এগিয়ে
- তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানাল মার্কিন দূতাবাস
- ১৭ বছরের লড়াই শেষে ‘বাংলাদেশের বিজয়’: মির্জা ফখরুল
- বগুড়া-৬ ও ঢাকা-১৭ এ তারেক রহমানের জয়
- ঠাকুরগাঁও-১ এ মির্জা ফখরুলের রেকর্ড জয়
- বগুড়া-৬ এ তারেক রহমানের জয়
- নিজ কেন্দ্রে ৫ ভোটে হারলেন জামায়াত আমির
- রংপুর-৪ আসনে এনসিপির বিশাল লিড: শাপলা কলির ঝড়ে কাঁপছে পীরগাছা-কাউনিয়া!
- ঢাকা-১৫ আসনে দাপুটে লিড ডা. শফিকুর রহমানের
- কুড়িগ্রাম-৪ আসনে দাঁড়িপাল্লার বড় জয়
- গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের জয়জয়কার: জুলাই সনদের হাত ধরে আসছে নতুন সংবিধান!
- ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে রুমিন ফারহানার দাপুটে লিড
- ঝিনাইদহ-১ আসনে বিশাল জয় অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামানের
- স্মার্ট বাংলাদেশের স্মার্ট নির্বাচন: অ্যাপের গ্রাফে বোঝা যাচ্ছে কার পাল্লা ভারী!
- ৫ তরুণের বেপরোয়া সিল: ভালুকায় জালিয়াতির ভিডিও ফাঁস!
- ঢাকা-১৫ আসনে জামায়াত আমিরের দাপুটে সূচনা: প্রথম কেন্দ্রে বড় ব্যবধানে লিড
- ঢাকা-১৭ আসনে তারেক রহমানের শুভ সূচনা: প্রথম কেন্দ্রের ফলে বড় ব্যবধানে এগিয়ে
- পুরো জাতিকে ডক্টর ইউনূসের অভিনন্দন: নতুন বাংলাদেশের অভূতপূর্ব যাত্রা শুরু
- বিজয় আসলে মিছিল নয়, সিজদায় পড়ে শোকর আদায় করুন: ডা. শফিকুর রহমান
- আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় শীর্ষ সংবাদ বাংলাদেশ: গণতন্ত্রে ফেরার পরীক্ষা দেখছে বিশ্ব
- তিন আসনে ভোট স্থগিতের দাবি জামায়াত ও ১১ দলীয় জোটের
- ভোটগ্রহণ শেষ, এখন চলছে চূড়ান্ত গণনা: কার মুখে ফুটবে জয়ের হাসি?
- ভোটে কোনো কারচুপি বা ইঞ্জিনিয়ারিং হলে কঠোর প্রতিরোধের ঘোষণা
- ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পোলিং অফিসারের মৃত্যু
- ঢাকা-৮ কেন্দ্রে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলা
- যাদের ওপর রোজা ফরজ নয় এবং তাদের করণীয়
- উত্তম রাষ্ট্রপ্রধানের জন্য হাদিসের আলোকে দোয়া
- গাংনীতে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষ
- ভোট দিয়ে জয়ে শতভাগ আশাবাদী তারেক রহমান
- সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন হচ্ছে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
- আবার বাড়ছে স্বর্ণের দাম, কী কারণ?
- নিশ্চিন্তে কেন্দ্রে আসুন, পরিবেশ আমাদের নিয়ন্ত্রণে: সেনাপ্রধান
- মুজিবনগরে বিএনপি-জামায়াত রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ
- পাতানো নির্বাচনের দিন শেষ: সিইসি
- নারী এজেন্টদের হেনস্তা করা হচ্ছে: তাসনিম জারা
- স্বর্ণের দামে বড় ধাক্কা, ভরি মিলবে ২ লাখ ৮ হাজার ২০২ টাকাতে
- আবার বাড়ছে স্বর্ণের দাম, কী কারণ?
- ২০০৮–এর পর প্রথম প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন: গণতন্ত্রের গুণগত মানের এক ঐতিহাসিক পরীক্ষা
- বিশ্ববাজারের প্রভাবে দেশে আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম
- আইনের রক্ষক পুলিশ কেন ভয়ের প্রতীকে পরিণত হয়?
- স্বর্ণের বাজারে নতুন অস্থিরতা: আজ থেকে কার্যকর স্বর্ণের নতুন চড়া দাম
- নির্বাচনে সংখ্যালঘু নিরাপত্তা নিয়ে লন্ডনে উদ্বেগ: ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা
- পরবর্তী প্রধানমন্ত্রীর দৌড়ে কে এগিয়ে? সোচ্চারের জরিপে চমক!
- ১০ ফেব্রুয়ারি আজকের শেয়ারবাজারের পূর্ণাঙ্গ বিশ্লেষণ
- স্বর্ণের বাজারে বড় দরপতন: আজ থেকে কার্যকর স্বর্ণের নতুন দাম
- আজ টানা ৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎহীন থাকবে যেসব এলাকা
- কালিগঞ্জে ধানের শীষের জনসমুদ্র: সাতক্ষীরা-৩ আসনে কাজী আলাউদ্দীনের হুঙ্কার
- জয়ের দৌড়ে বিএনপি ফেভারিট জানাল দ্য ইকোনমিস্ট
- ইনসাফ কায়েম হলে প্রেসিডেন্ট-প্রধানমন্ত্রীও আইনের ঊর্ধ্বে থাকবেন না: জামায়াত আমির
- আজ শুরু টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ, প্রথম দিনেই তিন ম্যাচ








