রেস্তোরাঁ স্টাইলে মিষ্টি আলুর ফ্রেঞ্চ ফ্রাই তৈরির সহজ নিয়ম

রান্নাবান্না ও রেসিপি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১৩ ১১:১০:০৭
রেস্তোরাঁ স্টাইলে মিষ্টি আলুর ফ্রেঞ্চ ফ্রাই তৈরির সহজ নিয়ম
ছবি : সংগৃহীত

ফ্রেঞ্চ ফ্রাই পছন্দ করেন না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া ভার। রেস্তোরাঁয় গেলে ফ্রায়েড চিকেন, বার্গার কিংবা ফিশ ফ্রাইয়ের সঙ্গে এক থালা গরম গরম ফ্রেঞ্চ ফ্রাই না থাকলে যেন ভোজনবিলাস অপূর্ণই থেকে যায়। তবে প্রতিদিনের একঘেয়েমি কাটাতে এবং স্বাদে নতুনত্ব আনতে সাধারণ আলুর বদলে ‘মিষ্টি আলুর ফ্রেঞ্চ ফ্রাই’ হতে পারে একটি চমৎকার বিকল্প।

বাইরে সোনালি ও মচমচে এবং ভেতরে নরম স্বাদের এই নতুন রূপটি মিষ্টি আলু খাওয়ার আগ্রহ বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। অতিথি আপ্যায়ন কিংবা শীতের বিকেলের আড্ডায় ঘরোয়া উপকরণেই খুব সহজে স্ট্রিট-স্টাইল এই খাবারটি বানিয়ে নেওয়া সম্ভব।

প্রয়োজনীয় উপকরণ

মিষ্টি আলু: ৫-৬ টি (মাঝারি সাইজ)

লবণ: স্বাদমতো

ভিনেগার: ১ চা চামচ

পানি: প্রয়োজনমতো

রান্নার তেল: প্রয়োজনমতো

প্রস্তুত প্রণালি

১. প্রথমে মিষ্টি আলুর খোসা ছাড়িয়ে দুই পাশ সামান্য ছেঁটে নিন। এরপর আলুগুলো লম্বা করে ফ্রেঞ্চ ফ্রাইয়ের আকারে কেটে নিতে হবে। কাটার সময় যে বাড়তি অংশগুলো থেকে যাবে, সেগুলো ফেলে না দিয়ে চাটনি তৈরির জন্য আলাদা করে রাখুন।

২. একটি প্যানে পানি ফুটিয়ে তাতে কাটা আলু, লবণ ও সিরকা (ভিনেগার) দিয়ে প্রায় ৩ মিনিট সেদ্ধ করুন। খেয়াল রাখবেন যেন খুব বেশি সেদ্ধ না হয়, কারণ অতিরিক্ত সেদ্ধ হলে ভাজার সময় আলু ভেঙে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

৩.সেদ্ধ করা আলুগুলো পানি থেকে তুলে একটি ট্রের ওপর পরিষ্কার কাপড় বিছিয়ে ছড়িয়ে দিন। আলতোভাবে মুছে আলুর গায়ের অতিরিক্ত পানি শুকিয়ে নিতে হবে। এই ধাপটি আলু মচমচে করার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

৪.এবার কড়াইয়ে পর্যাপ্ত তেল গরম করুন। তেল ভালোভাবে গরম হয়ে এলে আলুগুলো ধীরে ধীরে ছেড়ে দিন। চুলার আঁচ মাঝারি রেখে ভাজতে থাকুন। মাঝারি আঁচে ভাজলে আলু ভেতরে নরম এবং বাইরে সোনালি ও মচমচে হবে।

৫.আলুতে সুন্দর সোনালি রঙ ধরলে তেল ঝরিয়ে তুলে নিন। এরপর ঝাল-টক-মিষ্টি চাটনি কিংবা আপনার পছন্দের যেকোনো সসের সঙ্গে গরম গরম পরিবেশন করুন মুখরোচক মিষ্টি আলুর ফ্রেঞ্চ ফ্রাই।


শীতে পিঠার স্বাদে ভিন্নতা আনতে পাতে রাখুন ‘বাঁধাকপির পিঠা’: জেনে নিন রেসিপি 

রান্নাবান্না ও রেসিপি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১৩ ১১:০০:২৭
শীতে পিঠার স্বাদে ভিন্নতা আনতে পাতে রাখুন ‘বাঁধাকপির পিঠা’: জেনে নিন রেসিপি 
ছবি : সংগৃহীত

বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বণের মধ্যে শীতকাল মানেই পিঠাপুলির উৎসব। তবে গতানুগতিক মিষ্টি পিঠার ভিড়ে নোনতা স্বাদের পিঠার কদরও এখন কম নয়। শীতের এই মৌসুমে টাটকা সবজি দিয়ে তৈরি পিঠা একদিকে যেমন মুখরোচক, অন্যদিকে স্বাস্থ্যকর। বিশেষ করে সুস্বাদু ও পুষ্টিকর বাঁধাকপি দিয়ে তৈরি পিঠা একবার খেলে এর স্বাদ মুখে লেগে থাকবে দীর্ঘদিন। বাড়িতে থাকা সাধারণ কিছু উপকরণ দিয়ে খুব কম সময়েই তৈরি করা যায় এই ‘শীতকালীন স্পেশাল’ পিঠা।

প্রয়োজনীয় উপকরণ

বাঁধাকপি: ১টি

পেঁয়াজ বাটা: ৩ টেবিল চামচ

রসুন বাটা: ১ টেবিল চামচ

আদাবাটা: ১ টেবিল চামচ

ডিম: ৩টি

চালের গুঁড়া: আড়াই টেবিল চামচ

জিরা গুঁড়া: ১ চা চামচ

হলুদ: আধা চা চামচ

লবণ: স্বাদমতো

সাদা তেল: ৩ টেবিল চামচ (ভাজার জন্য)

প্রস্তুত প্রণালি

১. প্রথমেই একটি আস্ত বাঁধাকপি ভালো করে কুচি করে কেটে নিন। এরপর কুচি করা বাঁধাকপিগুলো পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে ভালোভাবে সেদ্ধ করে নিতে হবে।

২. সেদ্ধ করা বাঁধাকপি থেকে অতিরিক্ত পানি ঝরিয়ে নিয়ে তাতে পেঁয়াজ বাটা, রসুন বাটা, আদা বাটা, জিরা গুঁড়া, হলুদ ও স্বাদমতো লবণ দিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন।

৩. মসলার সঙ্গে বাঁধাকপি মেশানো হয়ে গেলে এতে একে একে তিনটি ডিম দিয়ে আবারও ভালোভাবে মাখাতে হবে। সবশেষে এতে আড়াই টেবিল চামচ চালের গুঁড়া মিশিয়ে একটি সুন্দর মন্ড বা ডো তৈরি করুন।

৪. এবার একটি ফ্রাইপ্যানে ৩ টেবিল চামচ সাদা তেল গরম করতে দিন। তেল গরম হয়ে এলে তৈরি করা মন্ডটি নিজের পছন্দমতো সাইজ দিয়ে তেলের ওপর ছেড়ে দিন। খেয়াল রাখবেন যেন ফ্রাইপ্যানের তেল পিঠার সব জায়গায় সমানভাবে লাগে।

৫. চুলার আঁচ অল্প রেখে পিঠার দুই পাশ লালচে করে ভালোভাবে ভেজে নিন। পিঠা ভাজা হয়ে গেলে চুলা থেকে নামিয়ে আপনার পছন্দমতো সস দিয়ে পরিবেশন করুন গরম গরম বাঁধাকপির পিঠা।


তেলহীন সয়া কাবাব ও টিক্কা তৈরির জাদুকরী রেসিপি জানুন

রান্নাবান্না ও রেসিপি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১২ ১১:৪৬:৩৯
তেলহীন সয়া কাবাব ও টিক্কা তৈরির জাদুকরী রেসিপি জানুন
ছবি : সংগৃহীত

শিশুরা সাধারণত কম তেল বা মশলার খাবার খেতে পছন্দ করে না। তারা বড়দের জন্য রান্না করা ঝাল মাংস বা বাইরের চিপস ও ফ্রেঞ্চ ফ্রাইয়ের দিকে বেশি ঝুঁকে পড়ে। এই সমস্যা সমাধানে সয়াবিন হতে পারে আদর্শ একটি উপাদান। সয়াবিন পপকর্ন তৈরির জন্য প্রথমে সয়াবিন লবণ পানিতে সিদ্ধ করে পানি ঝরিয়ে নিতে হবে। এরপর তাতে আদা রসুন বাটা ও ধনিয়া জিরার গুঁড়া মিশিয়ে নিন। মুচমুচে ভাব আনতে কর্নফ্লাওয়ার যোগ করে এয়ার ফ্রায়ারে সামান্য তেল ব্রাশ করে সেঁকে নিলেই তৈরি হয়ে যাবে স্বাস্থ্যকর সয়াবিন পপকর্ন। স্বাদে ভিন্নতা আনতে চাইলে এতে ডিম ফেটিয়ে ময়দা ও কর্নফ্লাওয়ার মেখে ডুবো তেলেও ভেজে নেওয়া যেতে পারে।

সয়াবিন দিয়ে মাংসের মতো স্বাদের গ্রিলড কাবাব তৈরি করাও বেশ সহজ। পানি ঝরানো টক দইয়ের মধ্যে নানা রকম মশলা দিয়ে সয়াবিন ম্যারিনেট করে রাখতে হবে কিছুক্ষণ। এরপর কাঠির মধ্যে ডুমো করে কাটা পেঁয়াজ ও ক্যাপসিকামের সাথে ম্যারিনেট করা সয়াবিন সাজিয়ে নিতে হবে। সামান্য অলিভ অয়েল স্প্রে করে তাওয়ায় বা ওভেনে বেক করে নিলে দারুণ সুস্বাদু এই কাবাবটি শিশুদের নাস্তায় যোগ করবে বাড়তি পুষ্টি। বাড়িতে এয়ার ফ্রায়ার থাকলে কাজটা আরও সহজ ও দ্রুত হয়ে যায় যা শিশুদের জন্য বাইরে কেনা খাবারের চেয়ে অনেক বেশি নিরাপদ।

টিক্কা প্রেমী শিশুদের জন্য সয়াবিনের টিক্কা হতে পারে বিকালের সেরা নাস্তা। সয়াবিন সিদ্ধ করে পানি ঝরিয়ে মিক্সারে ভালো করে বেটে নিতে হবে। বাটা সয়াবিনের সাথে পেঁয়াজ কুচি ও কাঁচা মরিচ এবং লবণ ও হলুদের সাথে ধনিয়া জিরার গুঁড়া মেশাতে হবে। মিশ্রণটিকে ভালোভাবে জমাট বাঁধাতে কিছুটা বেসন যোগ করে টিকিয়ার আকার দিতে হবে। এরপর তাওয়ায় সামান্য তেল দিয়ে এপিঠ ওপিঠ করে সেঁকে নিলেই পরিবেশনের জন্য তৈরি হবে সয়াবিনের টিক্কা। এই প্রতিটি পদই একদিকে যেমন মুখরোচক অন্যদিকে শিশুর শরীরের প্রয়োজনীয় প্রোটিনের চাহিদা পূরণে দারুণ কার্যকর ভূমিকা পালন করে।

সূত্র : আনন্দবাজার ডট কম


শীতের সবজিতে নাস্তায় বৈচিত্র্য: বাড়িতেই তৈরি করুন ভেজিটেবল ললিপপ

রান্নাবান্না ও রেসিপি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১১ ১১:১৭:৫৪
শীতের সবজিতে নাস্তায় বৈচিত্র্য: বাড়িতেই তৈরি করুন ভেজিটেবল ললিপপ
ছবি : সংগৃহীত

স্বাস্থ্য সচেতন ভোজনরসিকদের জন্য ভেজিটেবল ললিপপ একটি আদর্শ নাস্তা। এটি তৈরি করতে প্রধান উপকরণ হিসেবে সেদ্ধ করা আলুভর্তা এক কাপ এবং পছন্দমতো এক কাপ সবজি ব্যবহার করা হয়। এর সঙ্গে রঙিন ক্যাপসিকাম কুচি, মিহি গাজর কুচি এবং বরবটি কুচি যুক্ত করলে খাবারটি যেমন দৃষ্টিনন্দন হয়, তেমনি পুষ্টিগুণে ভরপুর হয়ে ওঠে। স্বাদের ভিন্নতা আনতে এতে পুদিনাপাতা ও ধনেপাতা কুচি ব্যবহার করা হয়, যা একটি সতেজ ঘ্রাণ যোগ করে। ঝাল ও মসলার ভারসাম্যের জন্য কাঁচা মরিচ কুচি, চিলি ফ্লেক্স এবং কারি পাউডার অত্যন্ত কার্যকর। এই রেসিপির বিশেষত্ব হলো এতে ব্যবহৃত আধা কাপ ঢাকাই পনির কুচি, যা ললিপপের ভেতরটা নরম ও স্বাদে অনন্য করে তোলে।

প্রস্তুত প্রণালির শুরুতে ব্রেডক্রাম্ব, ময়দা, ডিম এবং তেল বাদে বাকি সব উপকরণগুলো এক সঙ্গে ভালোভাবে মেখে নিতে হয়। মসৃণভাবে মাখা হয়ে গেলে হাতের তালুর সাহায্যে ছোট ছোট গোল করে ললিপপের আকার দিতে হবে। এরপর একটি পাত্রে একটি ডিমের সঙ্গে দুই টেবিল চামচ পানি ও ময়দা দিয়ে ভালো করে ফেটিয়ে একটি মিশ্রণ তৈরি করতে হবে। প্রতিটি ললিপপ প্রথমে এই ডিমের মিশ্রণে ডুবিয়ে নিয়ে তারপর ব্রেডক্রাম্বে গড়িয়ে নিতে হবে যাতে ওপরের আবরণটি মচমচে হয়। এরপর ললিপপগুলো কাঠিতে বা স্টিকে গেঁথে নিতে হবে।

রান্নার চূড়ান্ত ধাপে যাওয়ার আগে ললিপপগুলো অন্তত এক ঘণ্টা রেফ্রিজারেটরে রেখে দেওয়া জরুরি। এতে ব্রেডক্রাম্ব ও মশলাগুলো ললিপপের গায়ে সুন্দরভাবে সেট হয়ে যায় এবং ভাজার সময় ভেঙে যাওয়ার ভয় থাকে না। এরপর গভীর কড়াইতে গরম ডুবো তেলে সোনালি রং ধারণ করা পর্যন্ত সাবধানে ভেজে নিতে হবে। ভাজা হয়ে গেলে কিচেন টাওয়েল বা টিস্যুর ওপর রেখে বাড়তি তেল ঝরিয়ে নিতে হবে। গরম গরম এই ভেজিটেবল ললি সস বা পছন্দের চাটনি দিয়ে পরিবেশন করলে ছোট-বড় সবাই তা পছন্দ করবে। ২০২৬ সালের এই শীতে বিকেলের আড্ডায় এটি হতে পারে পরিবারের সেরা নাস্তা।


চালের গুঁড়া ছাড়াই ঝটপট পাটিসাপটা তৈরির সহজ গোপন টিপস

রান্নাবান্না ও রেসিপি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১০ ১১:২৩:০২
চালের গুঁড়া ছাড়াই ঝটপট পাটিসাপটা তৈরির সহজ গোপন টিপস
ছবি : সংগৃহীত

ঐতিহ্যবাহী পাটিসাপটা তৈরির ক্ষেত্রে চালের গুঁড়া জোগাড় করা বা তা প্রক্রিয়াজাত করা অনেকের জন্যই বড় ধরণের এক বিড়ম্বনার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এই সমস্যা সমাধানে রন্ধন বিশেষজ্ঞরা ময়দা ও সুজির এক অসাধারণ মিশ্রণের পরামর্শ দিয়েছেন। এই পদ্ধতিতে পিঠা তৈরির জন্য শুরুতে দুই কাপ ময়দার সঙ্গে এক কাপ মিহি দানা সুজি এবং এক চিমটি লবণ ভালোভাবে মিশিয়ে নিতে হবে। মিশ্রণটি তৈরি করতে পরিমাণমতো হালকা গরম দুধ ব্যবহার করা জরুরি। অল্প অল্প করে দুধ দিয়ে একটি মসৃণ গোলা বা ব্যাটার তৈরি করতে হবে যাতে কোনো ধরণের দলা পাকিয়ে না থাকে। মিষ্টির স্বাদের জন্য ব্যাটারে সামান্য চিনির গুঁড়া অথবা নলেন গুড় মিশিয়ে নেওয়া যেতে পারে। চালের গুঁড়া ব্যবহার করা হয় না বলে এই পর্যায়ে ব্যাটারটিকে অন্তত ৩০ মিনিট ঢেকে রাখা বাধ্যতামূলক। এতে সুজি ভিজে ফুলে উঠবে এবং পিঠার গঠন অনেক বেশি নমনীয় হবে।

ব্যাটারটি বিশ্রামে থাকার এই অবসরে পিঠার ভেতরের পুরটি তৈরি করে নেওয়া প্রয়োজন। এক্ষেত্রে স্বাদের ভিন্নতা অনুযায়ী ক্ষীর, সন্দেশ অথবা নারকেল ও গুড়ের পুর ব্যবহার করা যায়। যদি হাতে সময় একেবারেই কম থাকে তবে বাজার থেকে কেনা নরম পাকের সন্দেশও চমৎকার পুর হিসেবে কাজ করে। এরপর পিঠা ভাজার পালা শুরু হয়। একটি নন-স্টিক প্যানে সামান্য ঘি অথবা তেল ব্রাশ করে গরম করে নিতে হবে। প্যানটি পর্যাপ্ত গরম হলে এক হাতা গোলা দিয়ে চারদিকে পাতলা করে ছড়িয়ে দিতে হবে। রুটির ওপরের অংশটি শুকিয়ে এলে এক পাশে সুনিপুণভাবে পুর রেখে সাবধানে রোল করে নিলেই তৈরি হয়ে যাবে চমৎকার পাটিসাপটা।

বিশেষজ্ঞদের মতে চালের গুঁড়া দিয়ে তৈরি পাটিসাপটা অনেক সময় ঠাণ্ডা হয়ে গেলে শক্ত হয়ে খাওয়ার অনুপযোগী হয়ে পড়ে। কিন্তু ময়দা ও সুজির এই বিশেষ মিশ্রণে তৈরি পিঠা দীর্ঘক্ষণ নরম থাকে এবং ভাজার সময় প্যানে আটকে যাওয়ার ভয় থাকে না। তবে সঠিক ফলাফল পেতে কিছু ছোট কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ কৌশল মনে রাখা জরুরি। যেমন ব্যাটারটি যদি খুব বেশি ঘন হয়ে যায় তবে ভাজার ঠিক আগে সামান্য দুধ মিশিয়ে তা পাতলা করে নিতে হবে। এছাড়া পিঠা ভাজার সময় আগুনের আঁচ সর্বদা মাঝারি বা লো রাখতে হবে যাতে পিঠাটি পুড়ে না গিয়ে সমানভাবে সিদ্ধ হয়। এই শীতে চালের গুঁড়ার ঝামেলা ছাড়াই বাড়ির ছোট-বড় সবার মুখে হাসি ফোটাতে এই মোলায়েম পাটিসাপটা হতে পারে এক আদর্শ আয়োজন।

সূত্র : টিভি৯ বাংলা


হাড়কাঁপানো শীতে গরম পিঠার স্বাদ: ঘরেই তৈরি করুন মজাদার দুধপুলি

রান্নাবান্না ও রেসিপি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০৮ ১১:২৭:৪৯
হাড়কাঁপানো শীতে গরম পিঠার স্বাদ: ঘরেই তৈরি করুন মজাদার দুধপুলি
ছবি : সংগৃহীত

শীতের আগমনে বাংলার ঘরে ঘরে শুরু হয়েছে পিঠাপুলি তৈরির ধুম। এই ঋতুতে বিচিত্র ধরনের পিঠার ভিড়ে সবথেকে জনপ্রিয় এবং আভিজাত্যময় পিঠাগুলোর একটি হলো দুধপুলি। ব্যস্ততার মাঝেও প্রিয়জনদের মুখে হাসি ফোটাতে ঘরেই তৈরি করতে পারেন এই সুস্বাদু পিঠা। রন্ধনশিল্পী কোহিনুর বেগমের দেওয়া বিশেষ রেসিপি অনুযায়ী, ৩০০ গ্রাম চালের গুঁড়া, এক কাপ কুরানো নারকেল, এক কাপ খেজুর গুড়, দুই কেজি তরল দুধ এবং সুগন্ধির জন্য এলাচ ও তেজপাতা ব্যবহার করে আপনিও ঘরে আনতে পারেন গ্রামবাংলার সেই ঐতিহ্যবাহী স্বাদ।

দুধপুলি তৈরির প্রথম ধাপে অর্ধেক কাপ গুড়, তেজপাতা ও এলাচ দিয়ে নারকেল জ্বাল দিয়ে মজাদার পুর তৈরি করে নিতে হবে। এরপর দুই কেজি দুধকে তেজপাতা ও এলাচ দিয়ে ঘন করে এক কেজিতে নামিয়ে আনতে হবে। পিঠা তৈরির প্রধান কারুকার্য লুকিয়ে আছে এর খামির বা ডো তৈরিতে। চালের গুঁড়া সেদ্ধ করে তৈরি করা ডো থেকে ছোট ছোট লুচির আকারের রুটি বানিয়ে ভেতরে নারকেলের পুর দিয়ে যত্ন সহকারে মুড়িয়ে পুলি পিঠার আকার দিতে হবে। সবশেষে ফুটন্ত ঘন দুধে পিঠাগুলো ছেড়ে দিয়ে অপেক্ষা করতে হবে যতক্ষণ না সেগুলো দুধের ওপর ভেসে উঠছে।

পিঠাগুলো যখন দুধে ভেসে উঠবে, তখনই বুঝতে হবে আপনার রান্না প্রায় শেষ। চুলা বন্ধ করে দিয়ে পিঠাগুলো কিছুটা ঠান্ডা করে পরিবেশন করলে এর স্বাদ বহুগুণ বেড়ে যায়। শীতের সন্ধ্যায় বা সকালে কুয়াশাভেজা প্রকৃতির সাথে এমন রসালো ও সুস্বাদু এক বাটি দুধপুলি কেবল রসনা মেটায় না, বরং মানসিক তৃপ্তিও দেয়। উৎসবের মৌসুমে মেহমানদারিতে এই পিঠা হতে পারে আপনার তুরুপের তাস।


 হাড়কাঁপানো শীতে শরীর উষ্ণ রাখবে ৪ ধরনের খিচুড়ি

রান্নাবান্না ও রেসিপি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০৫ ২০:৩২:২১
 হাড়কাঁপানো শীতে শরীর উষ্ণ রাখবে ৪ ধরনের খিচুড়ি
ছবি : সংগৃহীত

শীতের রুক্ষ আবহাওয়ায় শরীরকে ভেতর থেকে উষ্ণ রাখতে এবং সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচতে খিচুড়ির কোনো বিকল্প নেই। পুষ্টিবিদরা বলছেন, চাল, ডাল, ঘি এবং শীতের টাটকা সবজির মিশ্রণে তৈরি এই খাবারটি যেমন সহজপাচ্য, তেমনি এটি শরীরের প্রয়োজনীয় উপাদানের ভারসাম্য বজায় রাখে। চাল থেকে পাওয়া শর্করা শক্তি জোগায় আর ডাল পূরণ করে প্রোটিনের চাহিদা। বিশেষ করে খিচুড়িতে ব্যবহৃত হলুদ ও আদা সংক্রমণের বিরুদ্ধে প্রাকৃতিক ঢাল হিসেবে কাজ করে।

শীতে তৃপ্তি ও পুষ্টি জোগাবে যে ৪ ধরনের খিচুড়ি

মুগ ডালের খিচুড়ি: চাল ও ভাজা মুগ ডালের এই সুগন্ধি খিচুড়ি অত্যন্ত সহজপাচ্য। হলুদ, জিরে ও সামান্য ঘিয়ে রান্না করা এই খাবারটি দীর্ঘক্ষণ শরীরে শক্তি ধরে রাখতে সাহায্য করে।

সবজি খিচুড়ি: গাজর, মটরশুঁটি, ফুলকপি ও পালং শাকের মতো শীতের সবজি সমৃদ্ধ এই খিচুড়ি কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে দারুণ কার্যকর। এতে থাকা প্রচুর পরিমাণ আঁশ হজম প্রক্রিয়াকে উন্নত করে।

তিল খিচুড়ি: পাহাড়ি অঞ্চলে প্রচণ্ড শীত থেকে বাঁচতে তিল খিচুড়ি খুবই জনপ্রিয়। তিল থেকে পাওয়া স্বাস্থ্যকর চর্বি ও খনিজ উপাদান শরীরকে ভেতর থেকে গরম রাখে এবং তাৎক্ষণিক শক্তি জোগায়।

আমলকী খিচুড়ি: একঘেয়েমি দূর করতে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বহুগুণ বাড়াতে আমলকী খিচুড়ি অনন্য। এটি শরীরকে ডিটক্স করতে, গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা কমাতে এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে বিশেষভাবে সহায়ক।

বিশেষজ্ঞদের মতে, খিচুড়িতে সামান্য ঘি যোগ করলে তা কেবল স্বাদ বাড়ায় না, বরং পুষ্টি শোষণেও সহায়তা করে। ঋতু পরিবর্তনের এই সময়ে শিশু থেকে বৃদ্ধ—সবার জন্যই খিচুড়ি একটি আদর্শ ও আরামদায়ক খাবার। উপকরণ ও স্বাদের ভিন্নতায় প্রতিদিনের টেবিলে নতুনত্ব এনে শীতের দিনগুলোকে করা যেতে পারে আরও উপভোগ্য ও স্বাস্থ্যকর।


শীতের সন্ধ্যায় মচমচে পালং পাকোড়া: ঝটপট তৈরির সহজ রেসিপি

রান্নাবান্না ও রেসিপি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০৪ ১১:১৮:৩৪
শীতের সন্ধ্যায় মচমচে পালং পাকোড়া: ঝটপট তৈরির সহজ রেসিপি
ছবি : সংগৃহীত

শীতের এই হিমেল সন্ধ্যায় গরম চায়ের কাপের পাশে যদি থাকে মচমচে পালং শাকের পাকোড়া, তবে আড্ডাটা জমে ওঠে বেশ। কেবল স্বাদের জন্যই নয়, পুষ্টিগুণের বিচারেও পালং শাককে বলা হয় 'সুপার ফুড'। এই শাকে থাকা প্রচুর পরিমাণে বিটা ক্যারোটিন, ভিটামিন ‘ই’, এবং ভিটামিন ‘সি’ শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে অসামান্য ভূমিকা রাখে। এছাড়া এতে থাকা পটাশিয়াম ও আয়রন রক্তাল্পতা দূর করে এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের কোষের ক্ষয়রোধ করে তারুণ্য ধরে রাখতে সাহায্য করে।

সহজপ্রাপ্য উপকরণের মাধ্যমে বাড়িতেই তৈরি করা যায় এই সুস্বাদু পাকোড়া। দুই কাপ কুচানো পালং শাকের সঙ্গে বেসন, চালের গুঁড়া, পেঁয়াজ কুচি এবং আদা-রসুন বাটা মিশিয়ে নিলেই মূল মিশ্রণ তৈরি হয়ে যায়। স্বাদের বৈচিত্র্য আনতে এতে কাঁচা মরিচ, হলুদের গুঁড়া, জিরার গুঁড়া এবং সামান্য মরিচের গুঁড়া যোগ করা হয়। রান্নার বিশেষ টিপস হলো—শাকের নিজস্ব আর্দ্রতা ব্যবহার করে মাখানো, এতে আলাদা করে পানি যোগ করার প্রয়োজন পড়ে না।

প্রস্তুত প্রণালি অনুযায়ী, মাঝারি আঁচে ডুবো তেলে সোনালি বাদামি করে ভেজে নিলেই তৈরি হয়ে যায় মচমচে পালং পাকোড়া। চালের গুঁড়া ব্যবহারের ফলে এটি দীর্ঘক্ষণ মুচমুচে থাকে। খেয়াল রাখতে হবে যেন ভাজার সময় ভেতরের অংশটিও ভালোভাবে সিদ্ধ হয়। পুষ্টিবিদদের মতে, শাক সবজি সরাসরি খেতে যারা অনীহা প্রকাশ করেন, বিশেষ করে শিশুদের জন্য এই পাকোড়া হতে পারে এক চমৎকার বিকল্প। শীতের আমেজে পরিবারের সবাইকে নিয়ে পুষ্টিকর ও সুস্বাদু এই খাবারটি উপভোগ করার এখনই সেরা সময়।


সহজ রেসিপিতে ঘরেই বানান ধনে পাতার আচার

রান্নাবান্না ও রেসিপি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ ডিসেম্বর ৩০ ১৩:১৫:০৭
সহজ রেসিপিতে ঘরেই বানান ধনে পাতার আচার
ছবি: সংগৃহীত

রান্নাঘরে যদি অল্প উপকরণে ভিন্নধর্মী কোনো স্বাদ যোগ করতে চান, তাহলে ধনে পাতার আচার হতে পারে আদর্শ সমাধান। টাটকা ধনেপাতার সুবাস, লঙ্কার ঝাঁঝ, তেঁতুলের টকভাব এবং সরিষার তেলের ঘ্রাণ একসঙ্গে মিলে তৈরি করে অসাধারণ একটি আচার, যা ভাত থেকে শুরু করে রুটি, পরোটা কিংবা খিচুড়ির সঙ্গেও দারুণ মানিয়ে যায়।

এই আচার তৈরি করতে সময় কম লাগে, আবার দীর্ঘদিন সংরক্ষণও করা যায়। ঘরে থাকা সাধারণ উপকরণ দিয়েই সহজে বানানো যায় বলে এটি প্রতিদিনের খাবারে বাড়তি স্বাদ যোগ করে।

প্রয়োজনীয় উপকরণ

ধনেপাতা: ১ আঁটি (ভালোভাবে ধুয়ে পানি ঝরানো)

শুকনো লঙ্কা: ৫–৭টি (ঝাল কমবেশি নিজের পছন্দমতো)

রসুন: ৩–৪ কোয়া (হালকা থেঁতো করা)

তেঁতুল: ১ লেবুর সমান (গরম পানিতে ভিজিয়ে শাঁস বের করা)

সরিষা: ১ চা চামচ

সরিষার তেল: ২–৩ টেবিল চামচ

লবণ: স্বাদ অনুযায়ী

চিনি: আধা চা চামচ (ঐচ্ছিক, স্বাদ ভারসাম্যের জন্য)

হিং: এক চিমটি (ঐচ্ছিক)

প্রস্তুত প্রণালি

প্রথমে ব্লেন্ডারে ধনেপাতা, শুকনো লঙ্কা, রসুন, তেঁতুলের শাঁস ও লবণ দিয়ে মিহি করে পেস্ট বানিয়ে নিন। অতিরিক্ত পানি না দিয়ে পেস্টটি যেন ঘন থাকে, সেদিকে খেয়াল রাখুন।

একটি প্যানে সরিষার তেল গরম করুন। তেল ভালোভাবে গরম হলে তাতে সরিষা দিন। সরিষা ফাটতে শুরু করলে হিং ও কয়েকটি শুকনো লঙ্কা দিয়ে হালকা ভেজে নিন।

এবার তৈরি করা ধনেপাতার পেস্ট প্যানে ঢেলে দিন। প্রয়োজনে চিনি যোগ করে সব উপকরণ ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। মাঝারি আঁচে লাগাতার নাড়তে থাকুন যাতে পেস্ট নিচে লেগে না যায়।

আচারটি ধীরে ধীরে ঘন হয়ে তেল ছাড়তে শুরু করলে চুলা বন্ধ করুন। নামিয়ে রেখে একটু ঠান্ডা হলে পরিবেশনের জন্য প্রস্তুত। এই ধনে পাতার আচার সাদা ভাত, খিচুড়ি, রুটি, পরোটা এমনকি ইডলি বা দোসার সঙ্গেও খেতে দারুণ লাগে। অল্প পরিমাণেই খাবারে আলাদা মাত্রার স্বাদ এনে দেয়।

বাড়তি টিপস

ধনেপাতা ভালোভাবে ধুয়ে সম্পূর্ণ শুকিয়ে নিলে আচার বেশি দিন ভালো থাকে।

দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করতে চাইলে রান্নার শেষে সামান্য ভিনেগার বা লেবুর রস যোগ করা যেতে পারে।

পুরোপুরি ঠান্ডা হলে কাঁচের বয়ামে ভরে ফ্রিজে রাখলে স্বাদ ও গুণমান বজায় থাকে।


দুধপুলি পিঠা বানাতে জানুন গোপন টিপস

রান্নাবান্না ও রেসিপি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ ডিসেম্বর ২১ ১৮:৩৩:৪৬
দুধপুলি পিঠা বানাতে জানুন গোপন টিপস
ছবি: সংগৃহীত

শীত এলেই গ্রামবাংলা থেকে শহরের রান্নাঘর পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে পিঠার ঘ্রাণ। নরম, দুধে ভেজানো ও মিষ্টি স্বাদের দুধপুলি পিঠা শীতকালীন বাঙালি খাবারের অন্যতম পরিচিত নাম। চালের গুঁড়োর কাই দিয়ে তৈরি পুলি, ভেতরে নারকেল ও গুড়ের পুর, আর ওপরে ঘন দুধের আস্তরণ এই তিনের মেলবন্ধনেই তৈরি হয় ঐতিহ্যবাহী দুধপুলি।

রান্নার বিশেষত্ব হলো, সঠিক কৌশলে বানালে পিঠাগুলো দুধে ডোবানো অবস্থায় যেমন নরম থাকে, তেমনি ঠান্ডা হলেও শক্ত হয় না।

দুধপুলি পিঠার উপকরণ

কাই তৈরির উপকরণ

চালের গুঁড়ো

পরিমাণমতো পানি

স্বাদমতো লবণ

সামান্য তেল

পুর তৈরির উপকরণ

নারকেল কোরা

খেজুরের গুড় বা চিনি

এলাচ গুঁড়ো (ঐচ্ছিক)

দুধের রসের জন্য

তরল দুধ

চিনি বা গুড়

খোয়া ক্ষীর (ঐচ্ছিক)

ধাপে ধাপে দুধপুলি পিঠা তৈরির প্রণালি

১. নারকেল–গুড়ের পুর তৈরি

একটি পাত্রে নারকেল কোরা ও গুড় বা চিনি একসঙ্গে দিয়ে হালকা আঁচে নেড়ে নিন। মিশ্রণটি যখন আঠালো হয়ে একত্র হবে, তখন চুলা বন্ধ করে ঠান্ডা হতে দিন। চাইলে শেষে সামান্য এলাচ গুঁড়ো যোগ করা যেতে পারে।

২. চালের কাই প্রস্তুত

পাত্রে পানি ও লবণ ফুটিয়ে নিন। ফুটন্ত পানিতে ধীরে ধীরে চালের গুঁড়ো ও সামান্য তেল দিয়ে কাঠের খুন্তি দিয়ে ভালোভাবে নেড়ে নিন। মিশ্রণটি একদম নরম ও মসৃণ হলে নামিয়ে ঢেকে কিছুক্ষণ রেখে দিন।

৩. পুলি বানানো

কাই থেকে ছোট ছোট লেচি কেটে হাতের তালুতে চ্যাপ্টা করে মাঝখানে পুর দিন। এরপর অর্ধচন্দ্র বা পছন্দমতো নকশায় পুলি তৈরি করুন।

৪. হালকা ভাপে সেদ্ধ (ঐচ্ছিক কিন্তু উপকারী)

পুলিগুলো আলাদা করে ৩–৫ মিনিট হালকা ভাপে সেদ্ধ করলে এগুলো আরও নরম থাকে এবং দুধে ছাড়ার সময় ফেটে যায় না।

৫. দুধ ঘন করা

একটি বড় পাত্রে দুধ জ্বাল দিন। দুধ কিছুটা কমে এলে তাতে চিনি বা গুড় ও খোয়া ক্ষীর দিন। ধীরে ধীরে জ্বাল দিয়ে দুধ ঘন করুন।

৬. দুধে পুলি ডোবানো

ঘন দুধে ভাপানো পুলিগুলো ছেড়ে দিন। হালকা আঁচে কয়েক মিনিট ফুটিয়ে চুলা বন্ধ করুন। পুলিগুলো দুধ শুষে নিলে তৈরি হয়ে যাবে দুধপুলি পিঠা।

দুধপুলি নরম রাখার গুরুত্বপূর্ণ টিপস

কাই তৈরি করার সময় সামান্য তেল দিলে পুলি ফেটে যায় না

ঠান্ডা হলেও নরম রাখতে কাইয়ের সঙ্গে অল্প ময়দা মেশানো যেতে পারে

দুধে পুলি ছাড়ার পর বেশি নেড়েচেড়ে নাড়বেন না

দুধ বেশি ঘন হলে সামান্য গরম দুধ যোগ করা যেতে পারে

পাঠকের মতামত:

ব্যক্তিগত দায় বনাম প্রাতিষ্ঠানিক দায়: দায়মুক্তির এক রাজনৈতিক সংস্কৃতি

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জের ঘটনা কাগজে পড়লে প্রথমে মনে হয় এটা যেন কোনো যুদ্ধের খবর। এক তরুণকে বিদ্যুতের খুঁটিতে বেঁধে হাত–পা প্রায়... বিস্তারিত