খুলল পিরামিডের জট! নির্মাণের রহস্য উন্মোচন করলেন বিজ্ঞানীরা

মিশরের গিজার মহাপিরামিড কীভাবে নির্মিত হয়েছিল, তা নিয়ে বিজ্ঞানী ও প্রত্নতত্ত্ববিদরা দীর্ঘকাল ধরে যে গোলকধাঁধায় আটকে ছিলেন, এবার তার এক আধুনিক বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা সামনে এসেছে। প্রখ্যাত বিজ্ঞান সাময়িকী ‘নেচার’-এ প্রকাশিত এক নতুন গবেষণায় দাবি করা হয়েছে যে, প্রাচীন মিশরীয়রা মহাপিরামিড নির্মাণে সম্ভবত পুলি এবং কাউন্টারওয়েট পদ্ধতি ব্যবহার করেছিল।
নিউইয়র্কের ওয়েইল কর্নেল মেডিসিনের গবেষক ডা. সাইমন আন্দ্রিয়াস স্কিউরিং-এর নেতৃত্বে পরিচালিত এই গবেষণাটি পিরামিডের ভেতরের গঠন এবং পাথরের সূক্ষ্ম বিন্যাস বিশ্লেষণ করে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে। গবেষকদের মতে, এটিই ছিল সেই যুগের সবচেয়ে বাস্তবসম্মত পদ্ধতি যার মাধ্যমে অত্যন্ত দ্রুততার সাথে বিশালাকার এই কাঠামোটি নির্মাণ করা সম্ভব হয়েছিল। উল্লেখ্য যে, এই মহাপিরামিডে প্রায় 2.3 মিলিয়ন বা ২৩ লাখ চুনাপাথরের ব্লক ব্যবহার করা হয়েছে, যার মধ্যে সবচেয়ে ছোট ব্লকের ওজন প্রায় 2 টন এবং বড় ব্লকগুলোর ওজন 60 টনেরও বেশি।
গবেষকদের গাণিতিক হিসাব অনুযায়ী, পুরো পিরামিড নির্মাণে যদি ২০ বছর সময় লেগে থাকে, তবে গড় হিসাবে প্রতি এক মিনিটে একটি করে ব্লক বসানো হয়েছে যা কায়িক শ্রমের সাধারণ পদ্ধতিতে প্রায় অসম্ভব।এতদিন পর্যন্ত প্রচলিত তত্ত্বে বলা হতো যে, পিরামিডের বাইরে বিশাল ঢালু রাস্তা বা র্যাম্প ব্যবহার করে নিচ থেকে উপরের দিকে পাথর টেনে তোলা হতো।
তবে ডা. স্কিউরিং-এর নতুন গবেষণা বলছে, শুধু বাইরের র্যাম্প দিয়ে এত দ্রুত বিশালাকার পাথরগুলোকে উপরের স্তরে তোলা প্রযুক্তিগতভাবে অসম্ভব ছিল। পরিবর্তে, পিরামিডের ভেতরেই ঢালু পথ তৈরি করে কাউন্টারওয়েট চালিত পুলি ব্যবস্থার মাধ্যমে পাথর তোলা হতো। এতে কম শক্তি প্রয়োগ করে অনেক বেশি নির্ভুলতার সাথে ভারী পাথরগুলোকে স্থাপন করা সম্ভব হতো। গবেষকরা মনে করছেন, পিরামিড মূলত ভেতর থেকে বাইরের দিকে স্তরে স্তরে তৈরি করা হয়েছে। এই নতুন তত্ত্বের স্বপক্ষে তাঁরা পিরামিডের ভেতরের ‘গ্র্যান্ড গ্যালারি’ এবং ‘অ্যাসেন্ডিং প্যাসেজ’ বা উর্ধ্বমুখী পথগুলোকে প্রমাণ হিসেবে দেখিয়েছেন।
তাঁদের মতে, এগুলো কেবল রাজকীয় পথ ছিল না, বরং এগুলো ছিল অভ্যন্তরীণ ঢালু পথ যেখানে ভারী স্লেজ ও কাউন্টারওয়েটগুলো উঠানামা করত। গ্র্যান্ড গ্যালারির দেয়ালে পাওয়া ঘর্ষণের চিহ্ন ও মসৃণতা বিশ্লেষণ করে গবেষকরা দাবি করেছেন যে, সেখানে মানুষের চলাচলের চেয়ে ভারী কোনো যান্ত্রিক যানবাহনের প্রভাব বেশি লক্ষ্য করা যায়।গবেষণাটি পিরামিডের ভেতরে থাকা ‘অ্যান্টিচেম্বার’ বা ছোট গ্রানাইট কক্ষটি নিয়েও নতুন ধারণার অবতারণা করেছে। এতদিন ধারণা করা হতো যে, এই কক্ষটি ছিল কবর লুটকারীদের ঠেকাতে নিরাপত্তা গ্রিল বসানোর জায়গা।
তবে নতুন এই প্রকৌশলগত দৃষ্টিভঙ্গি বলছে, এর পেছনে সম্ভবত নির্মাণ প্রক্রিয়ার কোনো বিশেষ যান্ত্রিক ভূমিকা ছিল। যদিও এই কক্ষটির সুনির্দিষ্ট যান্ত্রিক ব্যবহার সম্পর্কে বিস্তারিত ব্যাখ্যা এখনো পুরোপুরি প্রদান করা হয়নি, তবে এটি যে পিরামিডের ‘লিফট’ মেকানিজমের অংশ ছিল—সেই সম্ভাবনাকে উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। ৪ হাজার ৫০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে দাঁড়িয়ে থাকা এই বিস্ময়টি আজও মানুষকে ভাবিয়ে তুলছে। আধুনিক বিজ্ঞানের এই নতুন তত্ত্ব কেবল প্রাচীন মিশরীয়দের বুদ্ধিবৃত্তিক শ্রেষ্ঠত্বকেই প্রমাণ করে না, বরং প্রমাণ করে যে সীমাবদ্ধ উপকরণের মাধ্যমেও গাণিতিক ও যান্ত্রিক উৎকর্ষের শিখরে পৌঁছানো সম্ভব।
সেপ্টেম্বরের শেষভাগে রাতের আকাশে চোখ জুড়ানো মহাজাগতিক দৃশ্য
সেপ্টেম্বরের দ্বিতীয়ার্ধে বাংলাদেশের রাতের আকাশে মহাকাশপ্রেমীদের জন্য অপেক্ষা করছে একগুচ্ছ মহাজাগতিক সৌন্দর্য। ১৬ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে রাতের আকাশে শনি গ্রহকে স্পষ্টভাবে শনাক্ত করার দারুণ সুযোগ থাকছে। এর পাশাপাশি খালি চোখ ও টেলিস্কোপের সাহায্যে দৃশ্যমান হবে শুক্র ও বৃহস্পতি গ্রহ, শরৎকালীন বিশেষ নক্ষত্রমণ্ডল এবং আমাদের নিকটবর্তী অ্যান্ড্রোমিডা গ্যালাক্সি। এছাড়া মাসের শেষভাগে ২৬ সেপ্টেম্বর ঢাকার আকাশে উদিত হবে বহুল পরিচিত ‘হারভেস্ট মুন’ বা শরৎকালীন পূর্ণিমার চাঁদ।
জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের মতে, সেপ্টেম্বর মাস শনি গ্রহ পর্যবেক্ষণের জন্য বছরের অন্যতম সেরা সময়। আগামী ৪ অক্টোবরের দিকে গ্রহটি সূর্যের বিপরীত অবস্থানে (অপজিশন) পৌঁছাবে বিধায় সেপ্টেম্বরের শেষভাগ থেকেই সূর্যাস্তের পর থেকে শনি আকাশে ক্রমশ উঁচুতে উঠবে এবং পর্যবেক্ষণের জন্য অত্যন্ত অনুকূল অবস্থানে থাকবে। খালি চোখে এটিকে উজ্জ্বল হলুদ বিন্দুর মতো মনে হলেও সাধারণ বাইনোকুলার বা ছোট টেলিস্কোপ দিয়েই এর চমৎকার বলয় এবং বৃহত্তম উপগ্রহ ‘টাইটান’ অবলোকন করা সম্ভব হবে।
এই পাক্ষিকের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ ২৬ সেপ্টেম্বর রাত ১০টা ৪৯ মিনিটে হতে যাওয়া পূর্ণিমা, যা শরৎ বিষুবের নিকটবর্তী হওয়ায় ‘হারভেস্ট মুন’ নামে খ্যাত। দিগন্তের কাছাকাছি থাকার সময় বায়ুমণ্ডলীয় প্রভাবে চাঁদটি সোনালি বা হালকা কমলা আভায় চমৎকার রূপ ধারণ করবে। তবে ২৬ সেপ্টেম্বর আংশিক চন্দ্রগ্রহণ হবে বলে সামাজিক মাধ্যমে যে তথ্য ছড়ানো হচ্ছে, তা একেবারেই সঠিক নয়; কারণ ২০২৬ সালের আংশিক চন্দ্রগ্রহণটি ২৭-২৮ আগস্ট ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে এবং তা বাংলাদেশ থেকে দৃশ্যমান ছিল না। এর আগে ১৯ সেপ্টেম্বর চাঁদ প্রথম চতুর্থাংশ পর্যায়ে পৌঁছাবে এবং ২৩ সেপ্টেম্বর উদযাপিত হবে শরৎ বিষুব, যেদিন দিন ও রাতের দৈর্ঘ্য প্রায় সমান হয়ে উত্তর গোলার্ধে ধীরে ধীরে রাতের ব্যাপ্তি বাড়তে শুরু করবে।
গ্রহগুলোর মধ্যে সূর্যাস্তের পরপরই পশ্চিম আকাশে ‘সন্ধ্যাতারা’ হিসেবে জ্বলজ্বল করবে উজ্জ্বল শুক্র গ্রহ। অন্যদিকে গভীর রাত ও ভোরের আকাশে পূর্ব দিগন্তে স্পষ্টভাবে দেখা মিলবে সৌরজগতের সবচেয়ে বড় গ্রহ বৃহস্পতির।
সন্ধ্যার পর পূর্ব আকাশে নজরকাড়া পেগাসাসসহ শরৎকালীন বিভিন্ন নক্ষত্রমণ্ডলের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যাবে। পেগাসাসের কাছাকাছি অবস্থিত আমাদের নিকটতম অ্যান্ড্রোমিডা গ্যালাক্সি পর্যবেক্ষণের জন্যও সেপ্টেম্বর অত্যন্ত প্রশস্ত সময়। শহরের কৃত্রিম আলোকদূষণমুক্ত যেকোনো খোলা ও অন্ধকার স্থান থেকে বাইনোকুলার কিংবা টেলিস্কোপ ব্যবহার করে এই মহাজাগতিক দৃশ্যগুলো সবচেয়ে সুন্দরভাবে উপভোগ করা যাবে।
সূত্র: স্কাইম্যাপ, টাইম অ্যান্ড ডেট, স্কাই অ্যান্ড টেলিস্কোপ, অ্যাস্ট্রোনমি ডটকম
শেষ হতে চলেছে স্মার্টফোনের যুগ? রহস্যময় ডিভাইস নিয়ে আসছে ওপেনএআই
স্মার্টফোনের স্ক্রিনে সার্বক্ষণিক চোখ আটকে রাখার অভ্যাস থেকে ব্যবহারকারীদের বের করে এনে প্রযুক্তির সঙ্গে মানুষের সম্পর্কের ধরন বদলে দিতে নতুন এক বিপ্লবী হার্ডওয়্যার গ্যাজেট তৈরির দিকে এগোচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতের শীর্ষ প্রতিষ্ঠান ওপেনএআই। মার্কিন প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম ‘দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল’-এর এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, বহুল আলোচিত এই নতুন ডিভাইসের সক্ষমতা বাড়াতে ক্যালিফোর্নিয়াভিত্তিক ক্যামেরা প্রযুক্তির স্টার্টআপ ‘গ্লাস ইমেজিং’কে ৩০ কোটি মার্কিন ডলারেরও বেশি মূল্যে অধিগ্রহণ করেছে চ্যাটজিপিটির নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটি। শিল্প বিশ্লেষকদের জোরালো ধারণা, স্টার্টআপটির উদ্ভাবিত অত্যাধুনিক ক্যামেরা প্রযুক্তি ওপেনএআইয়ের ভবিষ্যৎ এআই হার্ডওয়্যারে সরাসরি ব্যবহৃত হতে যাচ্ছে।
‘গ্লাস ইমেজিং’ প্রতিষ্ঠা করেছেন প্রযুক্তি জায়ান্ট অ্যাপলের সাবেক দুই কর্মী জিভ আত্তার ও টম বিশপ। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, তাদের উদ্ভাবিত ‘নিউরাল ইমেজ সিগনাল প্রসেসিং’ এআই সফটওয়্যার ক্যামেরার সাধারণ কার্যক্ষমতা প্রায় ১০ গুণ পর্যন্ত বৃদ্ধি করতে সক্ষম। এই প্রযুক্তি লেন্স ও সেন্সরের প্রথাগত হার্ডওয়্যার সীমাবদ্ধতা দূর করে ছবির নয়েজ ও ব্লার বা ঝাপসা ভাব কার্যকরভাবে কমিয়ে আনে এবং প্রতিকূল বা স্বল্প আলোতেও ছবির জুমের মান ও সামগ্রিক আউটপুট বহুগুণ নিখুঁত করে তোলে। ওপেনএআইয়ের এই অধিগ্রহণ তাদের রহস্যময় হার্ডওয়্যার ডিভাইস নিয়ে চলমান আলোচনাকে আরও জোরালো করে তুলেছে।
অ্যাপলের কিংবদন্তি সাবেক প্রধান ডিজাইনার জনি আইভের সঙ্গে যৌথ অংশীদারত্বে ওপেনএআইয়ের নতুন এআই ডিভাইস তৈরির খবর প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই প্রযুক্তিবিশ্বে ব্যাপক কৌতূহল তৈরি হয়েছে। আগামী বছর সম্ভাব্য বাজারে আসার অপেক্ষায় থাকা গ্যাজেটটিকে ওপেনএআইয়ের প্রধান নির্বাহী স্যাম অল্টম্যান ‘বিশ্বের এ পর্যন্ত দেখা সবচেয়ে চমৎকার প্রযুক্তির নিদর্শন’ বলে অভিহিত করেছেন। জনি আইভ ইঙ্গিত দিয়েছেন, এই ডিভাইসটি স্মার্টফোনের ক্ষতিকর প্রভাব কমিয়ে প্রযুক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে একটি নতুন ধারার সূচনা করবে।
অভ্যন্তরীণ এক কর্মী সভার সূত্রে জানা গেছে, এটি কোনো স্মার্টওয়াচ বা পোশাকে লাগানোর ক্লিপের মতো পরিধানযোগ্য পণ্য নয়; বরং এটি ডেস্কের ওপর রাখা কিংবা পকেটে বহন করার মতো একটি কমপ্যাক্ট ডিভাইস হতে পারে, যা ব্যবহারকারীর পারিপার্শ্বিক পরিবেশ সম্পর্কে সবসময় ‘সম্পূর্ণ সচেতন’ থাকবে। অল্টম্যানের আশা, যুগান্তকারী এই গ্যাজেট ওপেনএআইয়ের বাজারমূল্য ১ ট্রিলিয়ন (এক লাখ কোটি) ডলারে উন্নীত করতে বড় ভূমিকা রাখবে; তবে এর চূড়ান্ত রূপরেখা, নাম বা উন্মোচনের সঠিক সময় এখনও গোপনই রয়ে গেছে।
/আশিক
দশকের শেষেই মানবজাতিকে ধ্বংস করতে পারে এআই: পদত্যাগ করে বিস্ফোরক গবেষক
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) দ্রুতগতির বিকাশ এবং ‘সুপারইন্টেলিজেন্স’ অর্জনের অন্ধ প্রতিযোগিতা মানবজাতির অস্তিত্বের জন্য মারাত্মক হুমকি সৃষ্টি করছে বলে সতর্ক করেছেন খোদ প্রযুক্তিটির শীর্ষ গবেষকরা। ওপেনএআই ও অ্যানথ্রোপিকের মতো প্রভাবশালী প্রতিষ্ঠানে জিপিটি-৪ও মডেলের প্রি-ট্রেনিং ধাপে কাজ করা তরুণ গবেষক জ্যাকব কক্সন সম্প্রতি পদত্যাগ করে এক্সে এক বিস্ফোরক পোস্টে জানান, চলতি দশকের শেষ নাগাদ এই অতিমানবীয় ব্যবস্থা মানুষের নিয়ন্ত্রণের বাইরে গিয়ে সভ্যতাকে ধ্বংস করে দিতে পারে।
তাঁর মতে, ওপেনএআই ও অ্যানথ্রোপিক ঝুঁকি জেনেও মানুষের জীবন নিয়ে জুয়া খেলছে এবং এমন এক ব্যবস্থা তৈরি করছে যা নিজে থেকেই নিজেকে উন্নত করতে পারবে। অ্যানথ্রোপিকের প্রধান গবেষক ইভান হুবিঙ্গারও কক্সনের সতর্কবার্তাকে সমর্থন করে জানান, আগামী এক দশকে এআইয়ের মাধ্যমে মানবজাতি ধ্বংসের ঝুঁকি ১০ শতাংশেরও বেশি।
বার্কলের এআই নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক স্টুয়ার্ট রাসেলের মতে, নিয়ন্ত্রণহীন সুপারইন্টেলিজেন্স যদি মানুষকে প্রতিবন্ধক মনে করে, তবে এটি জৈব অস্ত্র তৈরি, পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্রের সতর্কীকরণ ব্যবস্থা হ্যাক কিংবা সামরিক ব্যবস্থায় সাইবার হামলা চালিয়ে ব্যাপক বিপর্যয় ঘটাতে পারে। এদিকে প্রযুক্তি বিশ্লেষকরা বলছেন, উনবিংশ শতাব্দীর শিল্প বিপ্লবের মতো বর্তমানেও গুটিকয়েক শীর্ষ প্রযুক্তি জায়ান্ট—যেমন অ্যালফাবেট, মেটা, ওপেনএআই ও এক্সএআই—বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার ঢেলে এই প্রতিযোগিতায় নেতৃত্ব দিচ্ছে, যাদের অগ্রযাত্রায় কোনো প্রাতিষ্ঠানিক ‘ব্রেক পেডাল’ নেই।
মাইক্রোসফটের সহপ্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস এবং স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সাম্প্রতিক গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, সুপারইন্টেলিজেন্সের উত্থানে হোয়াইট কালার বা বুদ্ধিবৃত্তিক চাকরির অর্ধেকই বিলুপ্ত হতে পারে, যা বৈশ্বিক বেকারত্বের হার বর্তমানের ৪.৯ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ২০ শতাংশে নিয়ে ঠেকানোর ঝুঁকি তৈরি করছে।
/আশিক
ইন্টারনেট বা ডেটা ছাড়াই গুগল ম্যাপ ব্যবহারের ৫টি সহজ উপায়
জরুরি প্রয়োজনে ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকলেও বা নেটওয়ার্কহীন দুর্গম এলাকায় অবস্থান করলেও গুগল ম্যাপ ব্যবহার করে গন্তব্যে পৌঁছানো সম্ভব। মোবাইল ডেটা বা ওয়াই-ফাই ছাড়া অফলাইন ম্যাপ ব্যবহারের জন্য পাঁচটি কার্যকর প্রস্তুতিমূলক পদক্ষেপ ও সতর্কতা মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
ইন্টারনেট ছাড়া গুগল ম্যাপ ব্যবহারের মূল উপায়গুলোর মধ্যে প্রথম ও প্রধান কাজ হলো যাত্রার আগেই অ্যাপের প্রোফাইল থেকে ‘Offline maps’ অপশনে গিয়ে প্রয়োজনীয় এলাকার মানচিত্র ডাউনলোড করে রাখা। এ ক্ষেত্রে শুধু মূল গন্তব্য নয়, পুরো যাত্রাপথটি ডাউনলোড করা ম্যাপের সীমানার ভেতরে রাখা জরুরি। দ্বিতীয়ত, ইন্টারনেট সংযোগ না থাকলেও স্মার্টফোনের নিজস্ব জিপিএস (লোকেশন) চালু রাখলে স্যাটেলাইটের মাধ্যমে নিজের অবস্থান শনাক্ত করা যায়; যদিও ঘনবসতি বা সুড়ঙ্গে সিগন্যালে কিছুটা বিলম্ব হতে পারে। তৃতীয়ত, যাত্রা শুরুর আগেই ইন্টারনেট থাকা অবস্থায় পুরো রুট ও টার্নিং পয়েন্টগুলো একবার দেখে নেওয়া নিরাপদ। চতুর্থত, রাস্তার পরিবর্তন সংক্রান্ত হালনাগাদ তথ্য নিশ্চিত করতে নিয়মিত অফলাইন ম্যাপ আপডেট করে নেওয়া উচিত। পঞ্চমে, বাসা বা অফিস থেকে বের হওয়ার আগেই মোবাইল ডেটা বন্ধ করে ডাউনলোড করা ম্যাপ ঠিকমতো কাজ করছে কি না, তা একবার পরীক্ষা করে নেওয়া শ্রেয়।
তবে অফলাইন সংস্করণে কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে। এতে লাইভ ট্রাফিক বা রিয়েল-টাইম যানজট, তাৎক্ষণিক দুর্ঘটনা বা রাস্তা বন্ধের আপডেট পাওয়া যায় না। এ ছাড়া পরিস্থিতি অনুযায়ী বিকল্প রুট বেছে নেওয়া, পাবলিক ট্রান্সপোর্ট কিংবা সাইকেলের জন্য সুনির্দিষ্ট নেভিগেশন সুবিধা অফলাইনে সীমাবদ্ধ থাকে। ডাউনলোড করা সীমানার বাইরে গেলে অ্যাপ আর কোনো দিকনির্দেশনা দিতে পারে না। তাই নির্বিঘ্ন সফরের জন্য আগে থেকেই পুরো পথের ম্যাপ ডাউনলোড ও নিয়মিত হালনাগাদ রাখাই সবচেয়ে কার্যকর সমাধান।
/আশিক
জিপিটি-৬ অ্যাস্ট্রা ও ভবিষ্যৎ এআই: মানব মূল্যবোধ রক্ষা কতটা কঠিন?
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের দ্রুত বিকাশ একসময় মানব মস্তিষ্কের সক্ষমতাকেও অতিক্রম করতে পারে, অথচ সম্ভাব্য সেই পরিস্থিতির জন্য বৈশ্বিক প্রস্তুতি এখনো অত্যন্ত অপ্রতুল। এমন উদ্বেগের কথা জানিয়ে প্রযুক্তিবিশ্বকে সতর্ক করেছেন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গবেষণা প্রতিষ্ঠান ওপেনএআই-এর প্রধান বিজ্ঞানী জাকুব পাচোকি। অত্যন্ত অগ্রসর পর্যায়ের এআইকে তিনি মানুষের অচেনা এক ‘ভিনগ্রহের বুদ্ধিমত্তা’ বা এলিয়েন মাইন্ডের সঙ্গে তুলনা করেছেন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।
ওপেনএআইয়ের প্রাতিষ্ঠানিক ব্লগে প্রকাশিত এক লেখায় জাকুব পাচোকি উল্লেখ করেন, যন্ত্রের মেধার যে উল্লম্ফন ঘটছে, তার সম্ভাব্য ধাক্কা সামলাতে গোটা বিশ্বকে আরও সতর্ক পদক্ষেপ নিতে হবে। প্রযুক্তি যেভাবে অগ্রসর হচ্ছে, তার পরিণতি মোকাবেলার মতো প্রস্তুতি মানবসমাজের এখনও নেই। একক কোনো প্রতিষ্ঠানের পক্ষে এই বহুমুখী ঝুঁকি সামলানো অসম্ভব উল্লেখ করে তিনি বলেন, পুরো প্রযুক্তি খাতকেই এ বিষয়ে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে যৌক্তিক বিশ্লেষণভিত্তিক এআইয়ের ক্ষমতা বহুগুণ বেড়েছে। ভবিষ্যতে এই প্রযুক্তি যখন স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিজেকেই ক্রমাগত নিখুঁত করতে সক্ষম হবে, তখন এর অগ্রগতির গতি আরও তীব্র আকার ধারণ করবে।
প্রযুক্তির ভাষায় এই প্রক্রিয়াকে ‘রিকার্সিভ সেল্ফ-ইমপ্রুভমেন্ট’ বা স্বয়ংক্রিয় আত্মউন্নয়ন বলা হয়। এর ফলে মানুষের সরাসরি সাহায্য ছাড়াই এআই নিজে থেকেই নিজের বুদ্ধিমত্তা ও দক্ষতা বাড়িয়ে নিতে পারবে। পাচোকির মতে, মূল সংকটটি তৈরি হবে ঠিক এখানেই। মানুষের সব কাজে এআই পারদর্শী না হলেও নির্দিষ্ট কিছু স্পর্শকাতর ও গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে যদি এটি মানুষকে ছাড়িয়ে যায়, তবে বাস্তব জীবনে তার প্রতিক্রিয়া হবে অত্যন্ত সুদূরপ্রসারী।
অত্যন্ত শক্তিশালী এই প্রযুক্তি যেন মানুষের বিরুদ্ধে না গিয়ে মানবকল্যাণে নিয়োজিত থাকে, সেটি নিশ্চিত করাই এখন এআই গবেষণার সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। এই সুরক্ষাব্যবস্থাকে প্রযুক্তিবিদরা ‘এআই অ্যালাইনমেন্ট’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন। পাচোকি স্পষ্ট করেন, এ ক্ষেত্রে দুটি বিষয় সবচেয়ে জরুরি। প্রথমটি হলো ‘গোল অ্যালাইনমেন্ট’, যার মাধ্যমে নিশ্চিত করা হয় এআই কেবল নির্দিষ্ট লক্ষ্যের ভেতরে থেকেই দায়িত্ব পালন করবে। দ্বিতীয়টি হলো ‘ভ্যালু অ্যালাইনমেন্ট’, যা কোনো জটিল ও অনিশ্চিত প্রেক্ষাপটে এআইকে মানুষের নৈতিক মূল্যবোধকে প্রাধান্য দিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করবে। উদাহরণ হিসেবে তিনি দাবি করেন, তাদের সাম্প্রতিক মডেল ‘জিপিটি-৬ অ্যাস্ট্রা’ পূর্ববর্তী সংস্করণ ‘জিপিটি-৫.৬ সল’-এর তুলনায় নিরাপত্তা ও মানব-মূল্যবোধের সঙ্গে সামঞ্জস্য রক্ষার ক্ষেত্রে অনেকটাই এগিয়ে রয়েছে।
সাইবার নিরাপত্তার প্রসঙ্গ টেনে বিশেষ উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ওপেনএআইয়ের এই প্রধান বিজ্ঞানী। তিনি জানান, বিদ্যমান নিরাপত্তা বলয় ভেদ করে কম্পিউটার সিস্টেমে অনধিকার প্রবেশের ক্ষেত্রে এআই মডেলগুলো ইতোমধ্যেই মানুষের দক্ষতাকে ছাড়িয়ে যেতে শুরু করেছে। তাই সংকট তীব্র হওয়ার আগেই বিভিন্ন দেশের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোগুলোর সুরক্ষা নিশ্চিত করতে বর্তমান এআই প্রযুক্তিকে কাজে লাগানোর সময় দ্রুত ফুরিয়ে আসছে। ভবিষ্যতে এমন সক্ষম প্রযুক্তির অসৎ বা ধ্বংসাত্মক ব্যবহার বড় ধরনের বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে। এআই যত বেশি স্বয়ংক্রিয় হবে, মানুষের দেওয়া নির্দেশ এবং যন্ত্রের নিজস্ব কার্যকলাপের মধ্যকার পার্থক্যও ততটাই ঘোলাটে হয়ে পড়ার ঝুঁকি তৈরি হবে।
ভবিষ্যতে মানুষের বহু দায়িত্ব এআই নিজেই করে ফেলার সামর্থ্য অর্জন করলেও মানুষের নিজস্ব সিদ্ধান্ত গ্রহণের স্বাধীনতা বা ‘হিউম্যান এজেন্সি’ বজায় রাখাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছেন পাচোকি। প্রযুক্তির উত্থানে যেন মানুষের ভূমিকা ও মর্যাদা গৌণ হয়ে না পড়ে, তা নিশ্চিত করতে হবে। উন্নত এআই ব্যবস্থাপনায় আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সর্বজনীন নিরাপত্তা মানদণ্ড তৈরি না হওয়া পর্যন্ত প্রযুক্তির বিকাশের গতি কিছুটা নিয়ন্ত্রিত রাখার পক্ষে মত দিয়েছেন তিনি। সেই সঙ্গে দেশগুলোর মধ্যে বৃহত্তর নীতিগত সমন্বয়ের ওপরও জোর দিয়েছেন এই বিজ্ঞানী। সংক্ষেপে, প্রযুক্তির দ্রুত প্রসারের সমান্তরালে কঠোর নজরদারি ও নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা জোরদার করার স্পষ্ট বার্তা রয়েছে পাচোকির এই মূল্যায়নে।
/আশিক
সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারের আগে যেসব বিষয় জানা জরুরি
বিদ্যুতের ক্রমবর্ধমান মূল্য ও ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের প্রেক্ষাপটে বাসাবাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার দ্রুত জনপ্রিয় হচ্ছে। তবে কেবল উচ্চ ওয়াটের প্যানেল কিনলেই সর্বোচ্চ সুফল নিশ্চিত হয় না; বরং একটি কার্যকর ও টেকসই সোলার সিস্টেম গড়ে তুলতে বিদ্যুতের দৈনিক চাহিদা, সঠিক প্যানেল নির্বাচন, ইনভার্টারের সামঞ্জস্য, প্রয়োজনীয় ব্যাটারি ব্যাকআপ এবং ছাদের সূর্যালোকের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর যথাযথ সমন্বয় প্রয়োজন।
সোলার প্যানেল স্থাপনের প্রাথমিক শর্ত হলো গৃহস্থালি বা বাণিজ্যিক যন্ত্রপাতির দৈনিক মোট ওয়াট ও ব্যবহারের সময় হিসাব করে প্রকৃত বিদ্যুতের চাহিদা নির্ধারণ করা। চাহিদা না জেনে বড় প্যানেল কিনলে অতিরিক্ত খরচ বা অকার্যকর ব্যবস্থার ঝুঁকি থাকে। এছাড়া শুধু ওয়াট দেখলেই চলবে না; আবহাওয়া, তাপমাত্রা ও ছাদের ছায়ার বিষয়টিও উৎপাদনে প্রভাব ফেলে। বাজারে প্রচলিত মনোক্রিস্টালাইন, পলিক্রিস্টালাইন, এন-টাইপ কিংবা বাইফেসিয়ালের মতো আধুনিক প্রযুক্তির মধ্য থেকে ছাদের জায়গা ও বাজেট অনুযায়ী সঠিক প্যানেলটি বেছে নেওয়া জরুরি।
পাশাপাশি সরাসরি সূর্যালোক পাওয়ার নিশ্চয়তা, অন-গ্রিড, অফ-গ্রিড বা হাইব্রিড ব্যবস্থার ওপর ভিত্তি করে মানসম্মত ইনভার্টার এবং প্রয়োজনীয়তা বুঝে সঠিক ক্ষমতার ব্যাটারি নির্বাচন করা আবশ্যক। প্রতিটি উপাদানের মধ্যে সুষম সমন্বয় নিশ্চিত করে অভিজ্ঞ ইনস্টলারের সহায়তায় সোলার সিস্টেম স্থাপন করলে একদিকে অনাকাঙ্ক্ষিত খরচ এড়ানো যায়, অন্যদিকে দীর্ঘমেয়াদে সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ সাশ্রয় সম্ভব হয়।
/আশিক
সবচেয়ে উত্তপ্ত গ্রহের রহস্য উন্মোচনে বড় মাইলফলকের সামনে বিজ্ঞানীরা
সৌরজগতের সবচেয়ে কম অন্বেষণ করা এবং সূর্যের সবচেয়ে নিকটবর্তী গ্রহ বুধের রহস্য উন্মোচনে কাঙ্ক্ষিত গন্তব্যে পৌঁছাতে শুরু করেছে বহুল প্রতীক্ষিত যৌথ মহাকাশ মিশন ‘বেপিকোলম্বো’। ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সি (ইএসএ) এবং জাপান অ্যারোস্পেস এক্সপ্লোরেশন এজেন্সির (জেএএক্সএ) এই উচ্চাভিলাষী মিশনটি ২০১৮ সালের অক্টোবরে ফ্রেঞ্চ গায়ানার স্পেসপোর্ট থেকে যাত্রা শুরু করেছিল। প্রখ্যাত ইতালীয় গণিতবিদ ও প্রকৌশলী জিউসেপ ‘বেপি’ কলম্বোর নামানুসারে পরিচালিত যানটি দীর্ঘ আট বছরের মহাজাগতিক যাত্রায় প্রায় ৬০০ কোটিরও বেশি মাইল পথ পাড়ি দিয়ে অবশেষে বুধের কাছাকাছি পৌঁছেছে।
সরাসরি যাত্রাপথ বেছে নিলে যানটি অনেক আগেই বুধের নাগাল পেত, তবে তীব্র গতি নিয়ন্ত্রণের চ্যালেঞ্জই যাত্রাকাল দীর্ঘায়িত করেছে। যানটিকে বুধের কক্ষপথে নিখুঁতভাবে থিতু করার স্বার্থে বুধ গ্রহের গতির সঙ্গে যানের গতিকে সুনির্দিষ্টভাবে সমন্বয় করতে হয়েছে, যা মহাকাশবিজ্ঞানের অন্যতম জটিল কারিগরি প্রক্রিয়া। এছাড়া সূর্যের তীব্র সান্নিধ্যে অবস্থান করায় বুধের দিনের বেলার তাপমাত্রা প্রায় ৪৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছে যায়। চরম উত্তপ্ত ও প্রতিকূল এই পরিস্থিতি সামাল দিয়েই যানটিকে টিকে থাকতে হচ্ছে।
অভিযানটির অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ ও রোমাঞ্চকর ধাপটি বৃহস্পতিবার সম্পন্ন হতে যাচ্ছে। এদিন মূল যানটি থেকে আলাদা হয়ে যাবে এর গুরুত্বপূর্ণ অংশ ‘ট্রান্সফার মডিউল’। এরপর আগামী ২১ নভেম্বর ইএসএ-এর ‘এমপিও’ এবং জাপানের ‘এমআইও’ নামের পৃথক দুটি অরবিটার বুধের নিজস্ব মহাকর্ষীয় বলের টানে গ্রহটির কক্ষপথে পূর্ণাঙ্গভাবে প্রবেশ করবে।
পূর্বনির্ধারিত পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে আগামী এপ্রিল নাগাদ অরবিটার দুটি সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে বৈজ্ঞানিক তথ্য সংগ্রহের মূল অভিযান শুরু করবে। ক্ষুদ্র আকৃতির হওয়া সত্ত্বেও বুধ কেন অস্বাভাবিক মাত্রায় ঘন, এর ভূতাত্ত্বিক গঠন কেমন এবং গ্রহটির উপরিভাগের রহস্যময় গহ্বর বা ‘হলোজ’ কীভাবে সৃষ্টি হয়েছে—বিজ্ঞানীরা প্রথমবারের মতো এসব জটিল মহাজাগতিক প্রশ্নের সুস্পষ্ট উত্তর খোঁজার চেষ্টা করবেন।
/আশিক
প্রযুক্তিপ্রেমীদের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে বড় চমক আনতে পারে অ্যাপল
চলতি সেপ্টেম্বর মাসেই নিজেদের বহুল প্রতীক্ষিত ফ্ল্যাগশিপ ডিভাইস ‘আইফোন ১৮ প্রো’ ও ‘আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্স’ উন্মোচন করতে পারে প্রযুক্তি জায়ান্ট অ্যাপল। নতুন এই দুই মডেলে ক্যামেরা প্রযুক্তি, প্রসেসর, ব্যাটারি সক্ষমতা এবং সামগ্রিক পারফরম্যান্সে বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে। আনুষ্ঠানিক ঘোষণার আগেই বিভিন্ন প্রযুক্তিভিত্তিক গণমাধ্যমে ফোন দুটির সম্ভাব্য দাম, নতুন রং ও স্পেসিফিকেশন নিয়ে নানা তথ্য ফাঁস হয়েছে।
এনডিটিভির বুধবারের (২ সেপ্টেম্বর) এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী ৯ সেপ্টেম্বর অ্যাপল পার্কের স্টিভ জবস থিয়েটারে আয়োজিত বিশেষ অনুষ্ঠানে নতুন প্রজন্মের এই প্রো সিরিজ উন্মোচন করা হতে পারে, যা অনুষ্ঠানের মূল কেন্দ্রবিন্দু হবে। বিশেষ করে ব্যবহারকারীদের দীর্ঘস্থায়ী ব্যাকআপের সুবিধা দিতে প্রো ম্যাক্স সংস্করণে আরও বড় ব্যাটারি এবং সাশ্রয়ী চিপ ব্যবহারের ইঙ্গিত মিলেছে, যদিও অ্যাপল এখনও ব্যাটারির আনুষ্ঠানিক সক্ষমতা প্রকাশ করেনি।
ক্যামেরা প্রযুক্তিতে বড় ধরনের আধুনিকায়নের ইঙ্গিত মিলেছে টম’স গাইডের এক সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে। প্রতিবেদনটিতে দাবি করা হয়েছে, আইফোন ১৮ প্রো মডেলে ট্রিপল রিয়ার ক্যামেরা সেটআপের তিনটি সেন্সরই—মেইন, আল্ট্রা-ওয়াইড ও টেলিফটো—৪৮ মেগাপিক্সেলের হতে পারে। এর পাশাপাশি লেন্স দিয়ে আলো প্রবেশের মাত্রা নিয়ন্ত্রণের জন্য ভ্যারিয়েবল-অ্যাপারচার ক্যামেরা ব্যবস্থা যুক্ত করার জোর সম্ভাবনা রয়েছে, যা স্বল্প আলোসহ বিভিন্ন পরিবেশে ছবি তোলার নিয়ন্ত্রণ গ্রাহকের হাতে আরও স্পষ্টভাবে তুলে দেবে। তবে বেশ কিছু অতি-উন্নত ক্যামেরা ফিচার কেবলমাত্র শীর্ষ সংস্করণ ‘আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্স’-এর জন্য সংরক্ষিত রাখা হতে পারে।
প্রসেসরের ক্ষেত্রে আইফোন ১৮ প্রো সিরিজে অ্যাপলের নতুন প্রজন্মের ‘এ২০ প্রো’ চিপ ব্যবহারের জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে। প্রযুক্তিবিষয়ক পোর্টাল ম্যাকরিউমার্সের তথ্যমতে, এই চিপটি অত্যাধুনিক ২ ন্যানোমিটার প্রযুক্তির ওপর ভিত্তি করে তৈরি হতে পারে, যা প্রসেসিং সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি বিদ্যুতের অপচয় উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়ে আনবে। ফলে ফোনের সার্বিক পারফরম্যান্সের পাশাপাশি ব্যাটারির স্থায়িত্বেও বড় উন্নতি দেখা যাবে। এছাড়া ম্যাকওয়ার্ল্ডের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, নতুন মডেল দুটি ডার্ক চেরি, লাইট ব্লু, ডার্ক গ্রে এবং সিলভার—এই চারটি সম্ভাব্য রঙে বাজারে আনা হতে পারে।
মূল্যের বিষয়ে ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভির বরাতে প্রযুক্তি পোর্টাল স্মার্টপ্রিক্স ও বিবম গ্যাজেটস জানিয়েছে, ভারতের বাজারে আইফোন ১৮ প্রো-এর প্রারম্ভিক দাম আনুমানিক ১ লাখ ৩৯ হাজার ৯০০ রুপি হতে পারে। এদিকে ফাঁস হওয়া তথ্য অনুযায়ী আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে ডিভাইস দুটির আনুষ্ঠানিক বিক্রি শুরু হওয়ার গুঞ্জন রয়েছে। তবে মূল্য, রং, ব্যাটারি কিংবা বাজারে ছাড়ার সুনির্দিষ্ট দিনক্ষণ নিয়ে অ্যাপল এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি দেয়নি, ফলে বিস্তারিত জানার জন্য প্রযুক্তিপ্রেমীদের চোখ রাখতে হবে আগামী ৯ সেপ্টেম্বরের অফিশিয়াল ইভেন্টে।
/আশিক
সেবা শেষে এবার বকশিশও দাবি করছে স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তি
রেস্তোরাঁয় খাবার পরিবেশন, কফি তৈরি কিংবা ককটেল বানানোর মতো সেবামূলক কাজে রোবটের ব্যবহার এখন আর নতুন কোনো দৃশ্য নয়। তবে কাজের পাশাপাশি স্বয়ংক্রিয় এসব যন্ত্র এখন গ্রাহকের কাছে ‘টিপস’ বা বকশিশও দাবি করছে। যন্ত্রের এমন আর্থিক দাবি নতুন এক নৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে—রোবটকে দেওয়া সেই অর্থ শেষ পর্যন্ত কার পকেটে যাচ্ছে? বিবিসির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সেবামূলক প্রতিষ্ঠানে সম্প্রতি এই প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
লাস ভেগাসের একটি স্বয়ংক্রিয় বারে রোবটের তৈরি ১৭ ডলারের ককটেলের সঙ্গে বাধ্যতামূলক ১০ শতাংশ ‘সার্ভিস ফি’ যুক্ত করা হচ্ছে, নিউইয়র্কের রোবট কফি শপে ডিজিটাল টিপ দেওয়ার অপশন রাখা হয়েছে এবং এমনকি নিউয়ার্ক লিবার্টি বিমানবন্দরের সম্পূর্ণ কর্মীহীন কিয়স্কেও পানীয় কেনার সময় টিপস দেওয়ার প্রস্তাব ভেসে উঠছে স্ক্রিনে।
সাধারণত কোনো মানবকর্মীর ভালো সেবায় সন্তুষ্ট হয়ে বা তাঁর বাড়তি আয়ের সুবিধার্থে মানুষ স্বেচ্ছায় বকশিশ দিয়ে থাকে। তবে রোবটের ক্ষেত্রে সেই টাকা কার হাতে পৌঁছাচ্ছে, তা নিয়ে রয়েছে চরম অস্বচ্ছতা। বিশ্লেষকদের মতে, রোবটের জন্য নেওয়া টিপসের বিষয়ে এখনো কোনো সুনির্দিষ্ট আইনি কাঠামো তৈরি হয়নি।
ফলে গ্রাহকের দেওয়া এই অর্থ কোথাও প্রতিষ্ঠানের সাধারণ মানবকর্মীদের মধ্যে ভাগ করে দেওয়া হলেও, অনেক ক্ষেত্রে তা সরাসরি প্রতিষ্ঠানের অতিরিক্ত মুনাফা হিসেবে জমা হচ্ছে। লেহাই বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক হলোনা ওকস উল্লেখ করেছেন, কিছু অসাধু প্রতিষ্ঠান রোবটকে সামনে রেখে গ্রাহকের কাছ থেকে নেওয়া টিপস নিজেদের তহবিলে রেখে দেওয়ার সুযোগ নিচ্ছে, যদিও বিষয়টি প্রমাণের পর্যাপ্ত তথ্য সংগ্রহ করা কঠিন। তবে অনেক প্রতিষ্ঠান এই অর্থ মানবকর্মীদের মাঝে বণ্টন করার কথা জানিয়েছে এবং গ্রাহকদের অসন্তোষের মুখে কেউ কেউ রোবট থেকে টিপসের অপশন পুরোপুরি সরিয়েও নিয়েছে।
সেবা খাতে রোবটের ব্যবহারকারীরা যুক্তি দেখাচ্ছেন যে, কর্মীসংকটের সময়ে প্রযুক্তিগত সহায়তা নিয়ে কর্মক্ষমতা বাড়ানো সম্ভব হচ্ছে, যার ফলে মানবকর্মীরা টেবিল সার্ভিস বা অন্যান্য জটিল কাজে বেশি মনোযোগ দিতে পারছেন। তবে সমালোচকদের দাবি, স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তির আড়ালে একদিকে যেমন কর্মীদের বিকল্প হিসেবে যন্ত্র বসিয়ে কর্মসংস্থান কমানো হচ্ছে, অন্যদিকে কম মজুরির চাপ তৈরি হচ্ছে। এক গবেষণায় দেখা গেছে, মাত্র ১১ শতাংশ মানুষ রোবট বারটেন্ডারকে টিপ দিতে আগ্রহী, তবে সেই অর্থ কোনো মানবকর্মীর কাছে যাবে—এমন নিশ্চয়তা পেলে প্রায় ৪২ শতাংশ গ্রাহক টিপস দিতে রাজি হন।
সামাজিক দায়বদ্ধতা, সেবার স্বীকৃতি কিংবা সহানুভূতি—যেসব মনস্তাত্ত্বিক কারণে মানুষ সচরাচর বকশিশ দেয়, যন্ত্রের ক্ষেত্রে তার কোনোটিই পুরোপুরি খাটে না। প্রযুক্তির দ্রুত অগ্রগতির সাথে সাথে সেবা খাতে এমন স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা হয়তো আরও বাড়বে, তবে স্ক্রিনে ভেসে ওঠা টিপসের বিকল্পটি দীর্ঘমেয়াদে টিকে থাকবে কি না, তা সম্পূর্ণ নির্ভর করছে গ্রাহকদের প্রতিক্রিয়ার ওপর। ফলে প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, রোবট অর্থ চাইলেও মূল বিতর্কটি থেকেই যাচ্ছে—এই বাড়তি অর্থের সুফল কার কাছে পৌঁছাচ্ছে, যন্ত্রের পেছনে থাকা কর্মীদের কাছে, নাকি প্রতিষ্ঠানের মালিকপক্ষের কাছে?
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- পরমাণু শক্তির নিরাপদ ব্যবস্থাপনায় দক্ষিণ এশিয়ায় শীর্ষে বাংলাদেশ, ভিয়েনায় তুলে ধরলেন মন্ত্রী
- ব্যাট হাতে রূপকথার ঝড়, রেকর্ড বই তছনছ করে এলিট ক্লাবে তরুণ ভারতীয় তারকা
- শনিবার রাজপথে নামছে ১১ দলীয় ঐক্য, চূড়ান্ত হলো লংমার্চের দিনক্ষণ ও পথনকশা
- গেজেট প্রকাশের আগেই সামনে এলো নতুন পে-স্কেলের বিস্তারিত, কার কত বাড়ছে?
- এক সপ্তাহের ব্যবধানে পাল্টে গেল চিত্র, ব্যালন ডি’অরের মঞ্চে দুই তারকার সরাসরি লড়াই
- টানা ২৪ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না রাজধানী ও আশপাশের যেসব গুরুত্বপূর্ণ এলাকায়
- সৌরবিদ্যুৎ সম্প্রসারণে সরকারের মেগা ঋণ কর্মসূচি, মিলবে সাশ্রয়ী সুদে
- গাম্বিয়ার ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সঙ্গে ব্যারিস্টার নাজির আহমদের সৌজন্য সাক্ষাৎ
- কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে ইসবগুলের ভুষি: সঠিক নিয়ম ও সতর্কতা
- মক্কা চুক্তি নিয়ে পাকিস্তানের বড় ঘোষণা, সতর্কবার্তা তেহরানের উদ্দেশে
- বাড়বে না হজের নিবন্ধনের সময়, চূড়ান্ত সময়সীমা নিয়ে জরুরি নির্দেশনা
- মক্কার ড্রোন হামলার ভিডিও নিয়ে তোলপাড় নেটদুনিয়া, যা জানা গেল ফ্যাক্ট চেকে
- বিদেশের আরাম নয়, দেশে ১০ বছর জেল খাটাই বেছে নেব: আসিফ মাহমুদ
- ‘শুধু পুরুষেরই কি তওবার অধিকার?’ এক সংলাপেই তোলপাড় পাকিস্তানি নাটক
- বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি ও কাদের সিদ্দিকীর গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষাৎ, যা আলোচনা হলো
- নিম্নমুখী প্রবণতার পরেই বিশ্ববাজারে স্বর্ণের বড় লাফ, বাড়ল রুপার দামও
- ৮ অঞ্চলের নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত, ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আভাস
- ওয়াদা অস্বীকার করে উল্টো পথে হাঁটছে সরকার: জামায়াত আমির
- ৬ জুনের মধ্যে দেশজুড়ে স্থানীয় সরকার ভোট সম্পন্ন করার লক্ষ্য ইসির
- আগামী মাসে রূপপুর থেকে গ্রিডে আসবে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ: রুশ রাষ্ট্রদূত
- সেপ্টেম্বরের শেষভাগে রাতের আকাশে চোখ জুড়ানো মহাজাগতিক দৃশ্য
- শেষ হতে চলেছে স্মার্টফোনের যুগ? রহস্যময় ডিভাইস নিয়ে আসছে ওপেনএআই
- তাপপ্রবাহের মাঝে বৃষ্টির পূর্বাভাস, আবহাওয়া নিয়ে নতুন বার্তা
- এলএনজি, জ্বালানি তেল ও টিসিবির পণ্য কেনায় সরকারের মেগা অনুমোদন
- একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির প্রথম ধাপের ফল প্রকাশ
- সুন্দরবনে ফাইভ-স্টার ‘ট্রি-হাউস’ ও আকাশপথে বাঘ দর্শনের মেগা পরিকল্পনা
- মধ্যপ্রাচ্যের সমীকরণে বড় মোড়, হুতি ঠেকাতে এক টেবিলে সৌদি ও ইসরায়েল?
- ২০৩১ সালের মধ্যে চালু হচ্ছে নতুন ইলেকট্রিক ট্রেন, মেগা বরাদ্দ একনেকে
- বিশ্বমঞ্চে লাল-সবুজের গর্জন, আইসিসির নতুন র্যাংকিংয়ে বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের চমক
- ১ মিনিটের বিজ্ঞাপনে তোলপাড় নেটদুনিয়া, তীব্র সমালোচনার মুখে তারকা অভিনেত্রী
- নিম্নমুখী ধারার পর বিশ্ববাজারে স্বর্ণের বড় লাফ, কোন পথে হাঁটছে বাজার?
- ভারত ও চীনসহ ১০ দেশকে নিশানা করে মার্কিন কংগ্রেসে নতুন বিল
- মক্কায় ড্রোন হামলার চেষ্টার তীব্র নিন্দা পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজের
- ডেঙ্গুর প্রকোপে নতুন রেকর্ড, ২৪ ঘণ্টায় প্রাণহানি ও আক্রান্তের নতুন তথ্য
- হেবরনের ঐতিহাসিক ইব্রাহিমি মসজিদ মুসলিমদের জন্য বন্ধ করল ইসরায়েল
- রক্তক্ষয়ী সংঘাতে লণ্ডভণ্ড পশ্চিম উপকূল, ইয়েমেনে তৈরি হচ্ছে বড় মানবিক বিপর্যয়
- রাজধানীতে আধুনিক যোগাযোগের মহাবিপ্লব, একনেক সভায় বিপুল অর্থ বরাদ্দ
- ভরদুপুরে সেলুনে ঢুকে এলোপাতাড়ি গুলি ও কোপ, সিসিটিভিতে ধরা পড়ল রোমহর্ষক দৃশ্য
- প্রধানমন্ত্রীর ব্রিকস আমন্ত্রণ নিয়ে ধোঁয়াশার অবসান, যা জানাল নয়াদিল্লি
- স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তারিখ নিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নতুন বার্তা
- আগামী কয়েক দিন কেমন থাকবে দেশের আবহাওয়া, জানাল অধিদপ্তর
- গ্যাস-বিদ্যুৎ বিভ্রাটে বিদেশি ক্রেতাদের আস্থা হারানোর মুখে দেশের পোশাক শিল্প
- চলমান সামরিক সংঘাতকে 'পবিত্র যুদ্ধ' আখ্যা দিয়ে যা বললেন উত্তর কোরিয়ার নেতা
- বিশ্বকাপ বর্জনের নেপথ্যে কী ঘটেছিল? চাঞ্চল্যকর তথ্য দিল তদন্ত কমিটি
- গণতন্ত্র টিকিয়ে রাখা ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়াই প্রধান কাজ: রাষ্ট্রপতি
- ফজরের পর অল্প লোক নিয়ে ভিডিওর জন্য মিছিল করে নিষিদ্ধ লীগ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- ২০২৭ সালের পবিত্র রমজান কবে শুরু? সামনে এলো সম্ভাব্য তারিখ
- প্রস্তুতির ঘাটতি নয়, বাংলাদেশ দুর্দান্ত খেলেই জিতেছে: প্যাট কামিন্স
- পশ্চিমাঞ্চলীয় তিন শহরে প্রশাসনের জরুরি বার্তা, যা ঘটল সৌদি আরবে
- ঢাকার যানজট ও রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ি বন্ধে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কঠোর পদক্ষেপ
- দেশে শ্রমশক্তি ও কর্মসংস্থানের সর্বশেষ আনুষ্ঠানিক পরিসংখ্যান প্রকাশ
- কালিগঞ্জে বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের প্রস্তুতি সভা
- শেখ হাসিনা ‘বিশ্বের সেরা অভিনেত্রী’ ও গুমের নির্দেশদাতা: স্পিকার হাফিজ উদ্দিন
- ঢাকার দুই সিটিতে মেয়র পদে প্রার্থীর নাম চূড়ান্ত করল এনসিপি
- ‘শত্রুদের কোনো হুমকিকেই গুরুত্ব দেয় না ইরান’: প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইবনুর রেজা
- ইন্টারনেট বা ডেটা ছাড়াই গুগল ম্যাপ ব্যবহারের ৫টি সহজ উপায়
- টানা দরপতনের পর বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ল ১ শতাংশের বেশি
- আমদানি ঘাটতির মুখে দেশের বিদ্যুৎ পরিস্থিতি ও লোডশেডিংয়ের ঝুঁকি
- দেড় বছরেই অনিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যবহার: দুর্নীতির পোস্টার বয় আসিফ মাহমুদ
- কোনো নাগরিক যেন আইনি সহায়তা থেকে বঞ্চিত না হয়, সে ব্যবস্থা করেছি: আইনমন্ত্রী
- মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ সারা বিশ্বের জন্য ক্ষতিকর: ব্রিকস সম্মেলনে চীনা প্রেসিডেন্টের সতর্কবার্তা
- যোগ্যতা ছিল না, দুর্নীতির গন্ধ রয়েছে: পুতুলের নিয়োগ নিয়ে তোপ উপদেষ্টার
- ইরান-আমিরাত দ্বন্দ্ব মিটিয়ে ব্রিকস সম্মেলনের যৌথ ঘোষণায় ঐকমত্য: বড় জয় দিল্লির
- দুর্গাপূজায় ইলিশ চেয়ে বাংলাদেশকে চিঠি দিল ভারতের আমদানিকারকরা
- ডিসেম্বরে না ফিরলে শেখ হাসিনার রাজনীতির মৃত্যু ঘটবে








