শেয়ারবাজারে ১৫ জানুয়ারির টার্নওভার চিত্র

দেশের প্রধান পুঁজিবাজার Dhaka Stock Exchange–এর প্রধান বোর্ডে ১৫ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে লেনদেনের পরিমাণ ছিল উল্লেখযোগ্য। দিনভর বিনিয়োগকারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণে বাজারে মোট ১ লাখ ২৯ হাজার ৪৯৫টি লেনদেন সম্পন্ন হয়েছে, যা সাম্প্রতিক সময়ের গড় লেনদেনের তুলনায় মাঝারি মাত্রার হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, এদিন প্রধান বোর্ডে মোট ১১ কোটি ৫৮ লাখ ৪৭ হাজার ৩৯টি শেয়ার ও ইউনিট হাতবদল হয়েছে। লেনদেনের এই পরিমাণ বাজারে তারল্য বজায় থাকার ইঙ্গিত দিলেও, দরপতনের আধিক্যের কারণে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে সতর্ক মনোভাব স্পষ্ট ছিল বলে মনে করছেন বাজার বিশ্লেষকরা।
আর্থিক পরিমাপে দেখা যায়, বৃহস্পতিবারের লেনদেনে মোট ৩ হাজার ৭৯৮ কোটি ১ লাখ ৭ হাজার টাকা সমপরিমাণ টাকার লেনদেন হয়েছে। আগের দিনের তুলনায় টার্নওভারে বড় ধরনের উল্লম্ফন না হলেও, ধারাবাহিক লেনদেন বাজারকে স্থবিরতা থেকে দূরে রেখেছে বলে মত দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
-রাফসান
১৫ জানুয়ারি পূর্ণাঙ্গ শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
১৫ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার Dhaka Stock Exchange–এ লেনদেন হয়েছে নেতিবাচক প্রবণতায়। এদিন অধিকাংশ শেয়ারের দর কমায় বাজারে বিক্রির চাপ স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান হয়। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, বিনিয়োগকারীদের সতর্ক অবস্থান, স্বল্পমেয়াদি মুনাফা তুলে নেওয়ার প্রবণতা এবং সামগ্রিক অনিশ্চয়তা এ দরপতনের প্রধান কারণ।
দিনশেষে ডিএসইতে মোট ৩৯০টি সিকিউরিটিজে লেনদেন হয়। এর মধ্যে মাত্র ১০২টির দর বেড়েছে, বিপরীতে ২২০টির দর কমেছে এবং ৬৮টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে। সংখ্যাগতভাবে দরপতনকারী শেয়ারের আধিক্য বাজারের দুর্বল মনোভাবকে স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত করেছে।
‘এ’ ক্যাটাগরির শেয়ারগুলোতেও নেতিবাচক চিত্র দেখা গেছে। এই ক্যাটাগরিতে লেনদেন হওয়া ২০৫টি শেয়ারের মধ্যে ১২১টির দর কমেছে, যেখানে মাত্র ৫২টির দর বেড়েছে এবং ৩২টি অপরিবর্তিত রয়েছে। ভালো মৌলভিত্তির শেয়ারেও বিক্রির চাপ থাকায় বাজারে আস্থার ঘাটতির ইঙ্গিত মিলেছে।
‘বি’ ক্যাটাগরিতে লেনদেন হওয়া ৮০টি শেয়ারের মধ্যে ৫৫টির দর কমে যায়, বিপরীতে ১৪টির দর বাড়ে এবং ১১টির দর স্থিতিশীল থাকে। এই ক্যাটাগরিতে ঝুঁকিবিমুখ বিনিয়োগকারীদের সক্রিয়তা কম থাকায় দরপতন তুলনামূলক বেশি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
‘জেড’ ক্যাটাগরিতেও নেতিবাচক প্রবণতা বজায় ছিল। এই ক্যাটাগরির ১০৫টি শেয়ারের মধ্যে ৪৪টির দর কমেছে, ৩৬টির দর বেড়েছে, আর ২৫টি অপরিবর্তিত রয়েছে। লোকসানি ও দুর্বল মৌলভিত্তির শেয়ারে বিনিয়োগকারীদের অনীহা এ চিত্রের পেছনে ভূমিকা রেখেছে।
মিউচুয়াল ফান্ড খাতেও চাপ লক্ষ্য করা গেছে। এদিন লেনদেন হওয়া ৩৪টি মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে ৯টির দর কমেছে, ৪টির দর বেড়েছে, এবং ২১টির দর অপরিবর্তিত ছিল। স্বল্পমূল্যের ইউনিটে সীমিত ক্রয়চাপ থাকলেও সামগ্রিকভাবে খাতটি নিস্তেজ ছিল।
করপোরেট বন্ড বাজারে মাত্র ২টি বন্ডে লেনদেন হয়, যার মধ্যে ১টির দর বেড়েছে এবং ১টির দর কমেছে। অন্যদিকে সরকারি সিকিউরিটিজ বাজারে লেনদেন হওয়া ৪টি সরকারি বন্ডের সবকটিতেই দরপতন লক্ষ্য করা গেছে, যা বন্ড মার্কেটেও বিক্রির চাপের ইঙ্গিত দেয়।
লেনদেন পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এদিন ডিএসইতে মোট ১ লাখ ২৯ হাজার ৪৯৫টি লেনদেন সম্পন্ন হয়। মোট লেনদেন হওয়া শেয়ারের সংখ্যা দাঁড়ায় ১১ কোটি ৫৮ লাখ ৪৭ হাজার ৩৯টি, আর লেনদেনের আর্থিক পরিমাণ ছিল প্রায় ৩ হাজার ৭৯৮ কোটি টাকা। আগের দিনের তুলনায় লেনদেনের গতি কিছুটা কম ছিল বলে বাজার সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
দিনশেষে ডিএসইর মোট বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬৮ লাখ ৪৪ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে ইক্যুইটি খাতে বাজার মূলধন ছিল প্রায় ৩২ লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকা, মিউচুয়াল ফান্ড খাতে প্রায় ২ হাজার ২৩৬ কোটি টাকা, আর ঋণপত্র বা ডেট সিকিউরিটিজ খাতে বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩৫ লাখ ৬১ হাজার কোটি টাকা।
এদিন ব্লক মার্কেটেও উল্লেখযোগ্য লেনদেন হয়েছে। মোট ২৪টি কোম্পানির শেয়ারে ১১৩টি ব্লক লেনদেন সম্পন্ন হয়। ব্লক মার্কেটে মোট ৩৭ লাখ ৯৪ হাজার ৬৯৭টি শেয়ার হাতবদল হয়ে লেনদেনের আর্থিক পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ২৭৭ কোটি টাকা। ব্লক লেনদেনে এপেক্স স্পিনিং, গ্রামীণফোন, সিটি জেনারেল ইন্স্যুরেন্স, ফাইন ফুডস ও বেক্সিমকো সুকুকের মতো শেয়ারে বড় অঙ্কের লেনদেন লক্ষ্য করা গেছে।
-রাফসান
১৫ জানুয়ারি দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
১৫ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে লেনদেন চলাকালে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার Dhaka Stock Exchange–এ বেশ কয়েকটি শেয়ারে উল্লেখযোগ্য দরপতন লক্ষ্য করা গেছে। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, কিছু কোম্পানির শেয়ারে স্বল্পমেয়াদি মুনাফা তুলে নেওয়ার প্রবণতা, মৌলভিত্তিগত দুর্বলতা এবং বিনিয়োগকারীদের সতর্ক অবস্থানের কারণে এদিন লুজার তালিকায় বড় ধরনের পরিবর্তন দেখা যায়।
বাজার বন্ধ হওয়ার আগে বিকেল ২টা ৫২ মিনিট পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, দরপতনের শীর্ষে উঠে আসে শুরউইদ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড। কোম্পানিটির শেয়ার দর আগের দিনের তুলনায় প্রায় ৭ দশমিক ৩ শতাংশ কমে ৩ টাকা ৮০ পয়সায় নেমে আসে। দিনের সর্বোচ্চ দরের তুলনায় উল্লেখযোগ্য পতন বিনিয়োগকারীদের আস্থার ঘাটতির ইঙ্গিত দিচ্ছে।
দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দরপতন দেখা যায় বিচ হ্যাচারি লিমিটেড–এর শেয়ারে। প্রায় ৭ শতাংশ দর কমে শেয়ারটি ২৯ টাকা ২০ পয়সায় লেনদেন শেষ করে। সাম্প্রতিক সময়ে কোম্পানিটির আর্থিক পারফরম্যান্স নিয়ে অনিশ্চয়তা দরপতনের অন্যতম কারণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
তালিকার তৃতীয় অবস্থানে থাকা টাং হাই নিটিং অ্যান্ড ডাইং লিমিটেড–এর শেয়ার দর ৬ দশমিক ২৫ শতাংশ কমে ১ টাকা ৫০ পয়সায় নেমে আসে। স্বল্পমূল্যের শেয়ারে বিনিয়োগকারীদের ঝুঁকিবিমুখ মনোভাব এ দরপতনে ভূমিকা রেখেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এরপর রয়েছে অ্যাপোলো ইস্পাত কম্পোজিট লিমিটেড। কোম্পানিটির শেয়ার দর প্রায় ৫ দশমিক ৯ শতাংশ হ্রাস পেয়ে ১ টাকা ৬০ পয়সায় দাঁড়ায়, যা ইস্পাত খাতে সাম্প্রতিক চাপের প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে।
টেক্সটাইল খাতের আরেক প্রতিষ্ঠান জাহিনটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড–এর শেয়ার দর ৫ শতাংশ কমে ৫ টাকা ৭০ পয়সায় লেনদেন শেষ করে। খাতভিত্তিক নেতিবাচক প্রত্যাশা এ দরপতনে প্রভাব ফেলেছে বলে বাজার সংশ্লিষ্টরা মত দিয়েছেন।
রপ্তানিমুখী কোম্পানি ওআইমেক্স লিমিটেড–এর শেয়ার দরও উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। প্রায় ৪ দশমিক ৮ শতাংশ পতনে শেয়ারটির দাম নেমে আসে ১২ টাকায়।
এদিন বাংলাদেশ থাই অ্যালুমিনিয়াম লিমিটেড–এর শেয়ার দর প্রায় ৪ দশমিক ৪ শতাংশ কমে ১০ টাকা ৮০ পয়সায় দাঁড়ায়। শিল্প খাতে চাহিদা কমার আশঙ্কা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে বিক্রির চাপ তৈরি করেছে।
ব্যাংক খাতেও দরপতনের প্রভাব পড়ে। আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড–এর শেয়ার দর ৪ দশমিক ৪ শতাংশের বেশি কমে ১৩ টাকায় নেমে আসে। ব্যাংকিং খাতে সাম্প্রতিক অনিশ্চয়তা এ পতনে ভূমিকা রেখেছে।
ইস্পাত খাতের আরেকটি প্রতিষ্ঠান আরএসআরএম স্টিল লিমিটেড–এর শেয়ার দর প্রায় ৪ দশমিক ৩ শতাংশ হ্রাস পেয়ে ৬ টাকা ৭০ পয়সায় লেনদেন শেষ করে।
দরপতনের তালিকার দশম স্থানে ছিল ঢাকা ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড। কোম্পানিটির শেয়ার দর প্রায় ৪ দশমিক ২ শতাংশ কমে ৩৬ টাকা ২০ পয়সায় দাঁড়ায়।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, এদিনের শীর্ষ দরপতনকারী তালিকা থেকে স্পষ্ট যে স্বল্পমূল্যের শেয়ার, টেক্সটাইল ও শিল্প খাতে বিক্রির চাপ তুলনামূলক বেশি ছিল। স্বল্পমেয়াদি বিনিয়োগকারীদের মুনাফা তুলে নেওয়ার প্রবণতা এবং মৌলভিত্তিক অনিশ্চয়তা দরপতনের প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে।
-রাফসান
১৫ জানুয়ারির শীর্ষ ১০ দরবৃদ্ধির তালিকা
১৫ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে লেনদেন চলাকালে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার Dhaka Stock Exchange–এ একাধিক শেয়ারে উল্লেখযোগ্য দরবৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনী বছর, কিছু নির্দিষ্ট খাতে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বৃদ্ধি এবং স্বল্পমূল্যের শেয়ারে চাহিদা বাড়ার কারণে এদিন গেইনার তালিকায় বড় ধরনের নড়াচড়া দেখা যায়।
বাজার বন্ধ হওয়ার আগে বিকেল ২টা ৫২ মিনিট পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, দরবৃদ্ধির শীর্ষে উঠে আসে এপেক্স স্পিনিং অ্যান্ড নিটিং মিলস লিমিটেড। কোম্পানিটির শেয়ার আগের দিনের তুলনায় প্রায় ৯ দশমিক ৯৬ শতাংশ বেড়ে ২০৩ টাকা ১০ পয়সায় লেনদেন শেষ করে। দিনের সর্বোচ্চ দরে বিক্রিও হয়েছে এই শেয়ারটি, যা বিনিয়োগকারীদের শক্ত আগ্রহের ইঙ্গিত দেয়।
দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল এপেক্স ট্যানারি লিমিটেড। কোম্পানিটির শেয়ার দর প্রায় ৯ দশমিক ৯ শতাংশ বেড়ে ৬৫ টাকা ৫০ পয়সায় পৌঁছায়। ট্যানারি খাতে রপ্তানি সম্ভাবনা নিয়ে ইতিবাচক প্রত্যাশা এ দরবৃদ্ধিতে ভূমিকা রেখেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
মিউচুয়াল ফান্ড খাতেও গেইনার তালিকায় উপস্থিতি ছিল। এনসিসি ব্যাংক ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড এর ইউনিট মূল্য ৫ শতাংশের বেশি বেড়ে ৪ টাকায় উন্নীত হয়। স্বল্পমূল্যের ইউনিটে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বৃদ্ধিই এর প্রধান কারণ হিসেবে ধরা হচ্ছে।
বিদ্যুৎ ও লাইটিং খাতের কোম্পানি বিডি ল্যাম্পস লিমিটেড এর শেয়ার দরও এদিন উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ে। প্রায় ৫ শতাংশ দরবৃদ্ধির মাধ্যমে শেয়ারটি ১৪৪ টাকা ২০ পয়সায় লেনদেন শেষ করে, যা সাম্প্রতিক সময়ের মধ্যে শক্তিশালী পারফরম্যান্স হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
মিউচুয়াল ফান্ড খাতের আরেকটি ইউনিট ট্রাস্ট ব্যাংক ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড দরবৃদ্ধির তালিকায় উঠে আসে। ইউনিটটির দাম ৪ দশমিক ৫ শতাংশের বেশি বেড়ে ২ টাকা ৩০ পয়সায় দাঁড়ায়।
একই খাতের ফার্স্ট বাংলাদেশ ফিক্সড ইনকাম ফান্ড এর ইউনিট মূল্যও প্রায় সাড়ে ৪ শতাংশ বেড়ে ২ টাকা ৪০ পয়সায় উন্নীত হয়, যা স্বল্পঝুঁকির বিনিয়োগে আগ্রহ বাড়ার ইঙ্গিত দেয়।
টেক্সটাইল খাতের বড় শেয়ার রহিম টেক্সটাইল মিলস লিমিটেড এদিন ৪ শতাংশের বেশি দরবৃদ্ধি নিয়ে গেইনার তালিকায় অবস্থান করে। শেয়ারটি ২২৮ টাকা ৭০ পয়সায় লেনদেন শেষ করে, যা মাঝারি মেয়াদে ইতিবাচক প্রবণতার প্রতিফলন বলে মনে করছেন বাজার বিশ্লেষকরা।
খাদ্য ও ভোগ্যপণ্য খাতের পরিচিত কোম্পানি এপেক্স ফুডস লিমিটেড এর শেয়ার দর প্রায় ৩ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়ে ২৪৩ টাকা ৯০ পয়সায় পৌঁছায়। রপ্তানিমুখী এই কোম্পানিকে ঘিরে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বাড়ছে।
ইঞ্জিনিয়ারিং খাতের মডার্ন হাউজিং সল্যুশনস লিমিটেড এর শেয়ার দরও প্রায় সাড়ে ৩ শতাংশ বাড়ে। শেয়ারটি ১৪ টাকা ৮০ পয়সায় লেনদেন শেষ করে।
গেইনার তালিকার দশম স্থানে ছিল আইবিপি লিমিটেড। কোম্পানিটির শেয়ার দর প্রায় ৩ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়ে ১১ টাকা ৯০ পয়সায় দাঁড়ায়।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, এদিনের শীর্ষ গেইনার তালিকা থেকে স্পষ্ট যে টেক্সটাইল, মিউচুয়াল ফান্ড এবং রপ্তানিনির্ভর কোম্পানিগুলোতে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ তুলনামূলকভাবে বেশি ছিল। স্বল্প ও মধ্যমেয়াদি বিনিয়োগকারীরা এসব শেয়ারে সক্রিয় থাকায় দরবৃদ্ধির এই প্রবণতা তৈরি হয়েছে।
-রাফসান
৩০টির বেশি মিউচুয়াল ফান্ডের এনএভি প্রকাশ, কোথায় সুযোগ
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত একাধিক কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ড তাদের গুরুত্বপূর্ণ করপোরেট ঘোষণা ও দৈনিক নিট সম্পদ মূল্য (এনএভি) প্রকাশ করেছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, একটি কোম্পানির বোর্ড সভার সময়সূচি ঘোষণা করা হয়েছে এবং একই সঙ্গে ৩০টির বেশি মিউচুয়াল ফান্ডের হালনাগাদ এনএভি বিনিয়োগকারীদের জন্য প্রকাশ করা হয়েছে।
এসকোয়ার নিটের বোর্ড সভা ২৮ জানুয়ারি
তালিকাভুক্ত কোম্পানি ESQUIRENIT জানিয়েছে, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের তালিকাভুক্তি বিধিমালা ২০১৫–এর ১৬(১) ধারা অনুযায়ী আগামী ২৮ জানুয়ারি ২০২৬, দুপুর ৩টায় তাদের পরিচালনা পর্ষদের সভা অনুষ্ঠিত হবে। সভায় ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত দ্বিতীয় প্রান্তিকের (Q2) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা ও অনুমোদনের বিষয়টি আলোচ্যসূচিতে থাকবে। বিনিয়োগকারীরা এই সভার সিদ্ধান্তের দিকে বিশেষ নজর রাখছেন।
মিউচুয়াল ফান্ডগুলোর দৈনিক এনএভি: বাজারমূল্য বনাম ক্রয়মূল্য
১৪ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে লেনদেন শেষে প্রকাশিত তথ্যে দেখা যায়, অধিকাংশ মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিটপ্রতি এনএভি এখনো ফেস ভ্যালু ১০ টাকার নিচে বাজারমূল্যে অবস্থান করছে, তবে ক্রয়মূল্য ভিত্তিতে বেশিরভাগ ফান্ডই উল্লেখযোগ্যভাবে উচ্চ এনএভি ধরে রেখেছে।
উদাহরণস্বরূপ-
SEMLFBSLGF–এর বাজারমূল্যভিত্তিক এনএভি ছিল ৯.৩৯ টাকা, যেখানে ক্রয়মূল্যে এনএভি দাঁড়িয়েছে ১১.২৭ টাকা।
SEMLIBBLSF জানিয়েছে বাজারদরে এনএভি ৯.৫৯ টাকা, আর ক্রয়মূল্যে ১১.৭৪ টাকা।
RELIANCE1 ফান্ডের বাজারমূল্যভিত্তিক এনএভি ১০.৭১ টাকা, যা ফেস ভ্যালুর ওপরে অবস্থান করছে।
বড় তহবিলগুলোর সম্পদ পরিস্থিতি
বৃহৎ তহবিলগুলোর মধ্যে GRAMEENS2–এর বাজারমূল্যভিত্তিক এনএভি ছিল ১৫.৮৪ টাকা, যা তালিকাভুক্ত ফান্ডগুলোর মধ্যে অন্যতম সর্বোচ্চ। এই ফান্ডটির মোট নিট সম্পদ বাজারমূল্যে প্রায় ২,৮৮৮ কোটি টাকা এবং ক্রয়মূল্যে প্রায় ১,৯৫৩ কোটি টাকা।
অন্যদিকে-
FBFIF–এর মোট নিট সম্পদ বাজারমূল্যে প্রায় ৫,৪৯৩ কোটি টাকা,
TRUSTB1MF–এর বাজারমূল্যভিত্তিক নিট সম্পদ প্রায় ১,৯৮৫ কোটি টাকা,
POPULAR1MF–এর মোট নিট সম্পদ বাজারমূল্যে ২,১১২ কোটি টাকার বেশি।
ডিসকাউন্টে থাকা ফান্ডগুলোর চিত্র
অনেক ফান্ড এখনো গভীর ডিসকাউন্টে লেনদেন হচ্ছে। যেমন-
1JANATAMF–এর বাজারদর এনএভি ৬.০৩ টাকা,
EBL1STMF–এর এনএভি ৬.৩২ টাকা,
PHPMF1–এর বাজারদর এনএভি নেমে এসেছে ৬.৮৪ টাকা।
এগুলোতে ক্রয়মূল্য ভিত্তিতে এনএভি দ্বিগুণের কাছাকাছি থাকলেও বাজারে বিনিয়োগকারীদের আস্থার ঘাটতি স্পষ্ট।
বিশ্লেষকদের মতে, ফান্ডগুলোর ক্রয়মূল্য ও বাজারমূল্যের মধ্যে বড় ব্যবধান বিনিয়োগকারীদের জন্য দীর্ঘমেয়াদি সুযোগ তৈরি করতে পারে। তবে সুদের হার, সামষ্টিক অর্থনৈতিক চাপ এবং বাজারের তারল্য সংকটের কারণে স্বল্পমেয়াদে এই ডিসকাউন্ট অব্যাহত থাকতে পারে।
-রাফসান
রেকর্ড ডেট শেষে সরকারি বন্ড ও দুই কোম্পানীর লেনদেন শুরু
Dhaka Stock Exchange–এ তালিকাভুক্ত একাধিক দীর্ঘমেয়াদি বাংলাদেশ গভর্নমেন্ট ট্রেজারি বন্ড (BGTB) এবং দুইটি কোম্পানির শেয়ারের ক্ষেত্রে রেকর্ড ডেট–পরবর্তী লেনদেন পুনরায় শুরুর ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। ঘোষণাগুলো বাজারে তারল্য ও বিনিয়োগকারীদের কার্যক্রম স্বাভাবিক করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্রে জানা গেছে, নির্ধারিত রেকর্ড ডেট শেষ হওয়ার পর আগামী ১৮ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে এসব সরকারি সিকিউরিটিজ এবং শেয়ারে পুনরায় স্বাভাবিক লেনদেন চালু হবে।
১৫ বছর মেয়াদি সরকারি বন্ডে লেনদেন পুনরায় চালু
১৮ জুলাই ২০২৭ মেয়াদে পরিশোধযোগ্য ১৫ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ গভর্নমেন্ট ট্রেজারি বন্ড, যার ট্রেডিং কোড TB15Y0727, সেটির লেনদেন রেকর্ড ডেট শেষে ১৮ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে পুনরায় শুরু হবে। দীর্ঘমেয়াদি নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে এই বন্ডটি প্রাতিষ্ঠানিক ও রক্ষণশীল বিনিয়োগকারীদের কাছে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।
একই দিনে ১৮ জানুয়ারি ২০২৭ মেয়াদে পরিশোধযোগ্য আরেকটি ১৫ বছর মেয়াদি সরকারি ট্রেজারি বন্ড TB15Y0127–এর লেনদেনও আবার চালু হবে। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, একসঙ্গে একাধিক দীর্ঘমেয়াদি বন্ডের লেনদেন চালু হওয়ায় বন্ড মার্কেটে স্বাভাবিক গতি ফিরে আসবে।
১০ বছর মেয়াদি বন্ডেও ফিরছে লেনদেন
সরকারি ঋণপত্র বাজারে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ আপডেট হলো TB10Y0127 ট্রেডিং কোডভুক্ত ১০ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ গভর্নমেন্ট ট্রেজারি বন্ড। ১৮ জানুয়ারি ২০২৭ মেয়াদে পরিশোধযোগ্য এই বন্ডটির লেনদেনও রেকর্ড ডেট শেষে ১৮ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে পুনরায় শুরু হবে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, মধ্যমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি উভয় ধরনের বন্ডে একযোগে লেনদেন শুরু হওয়ায় বিনিয়োগকারীরা তাদের ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা ও পোর্টফোলিও বৈচিত্র্যকরণ আরও কার্যকরভাবে করতে পারবেন।
২০২৮ মেয়াদি ১৫ বছর বন্ডেও সবুজ সংকেত
১৬ জানুয়ারি ২০২৮ মেয়াদে পরিশোধযোগ্য ১৫ বছর মেয়াদি BGTB, যার ট্রেডিং কোড TB15Y0128, সেটির ক্ষেত্রেও একই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী এই বন্ডটির লেনদেন ১৮ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে পুনরায় চালু হচ্ছে।
বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, দীর্ঘ সময়ের ব্যবধানে পরিশোধযোগ্য এসব সরকারি বন্ডে লেনদেন পুনরায় শুরু হওয়া রাষ্ট্রীয় ঋণ ব্যবস্থাপনা ও সেকেন্ডারি মার্কেটের জন্য ইতিবাচক সংকেত।
দুটি কোম্পানির শেয়ারেও লেনদেন পুনরারম্ভ
শুধু সরকারি বন্ড নয়, একই সঙ্গে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত দুইটি কোম্পানির শেয়ারের লেনদেনও রেকর্ড ডেট শেষে পুনরায় চালু হচ্ছে।
রেকর্ড ডেট সম্পন্ন হওয়ার পর ICICL–এর শেয়ারের লেনদেন ১৮ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে পুনরায় শুরু হবে। বিনিয়োগকারীরা আবার স্বাভাবিকভাবে কোম্পানিটির শেয়ার কেনাবেচা করতে পারবেন।
একইভাবে, তালিকাভুক্ত টেক্সটাইল খাতের কোম্পানি AL-HAJTEX–এর শেয়ারেও একই দিনে লেনদেন চালু হচ্ছে। ফলে সংশ্লিষ্ট খাতের বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, রেকর্ড ডেট–পরবর্তী সময়ে একসঙ্গে সরকারি বন্ড ও শেয়ারের লেনদেন পুনরায় চালু হওয়া বাজারের স্বাভাবিক প্রবাহ বজায় রাখতে সহায়ক। এটি বিনিয়োগকারীদের আস্থা পুনর্গঠন এবং তারল্য বৃদ্ধিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
বিশেষ করে যেসব বিনিয়োগকারী নিরাপদ ফিক্সড ইনকাম উৎস হিসেবে সরকারি বন্ডে এবং দীর্ঘমেয়াদি রিটার্নের জন্য শেয়ারে বিনিয়োগ করেন, তাদের জন্য এই ঘোষণা সময়োপযোগী ও গুরুত্বপূর্ণ।
-রাফসান
সরকারি বন্ড বাজারে স্থগিতাদেশ ও ডিলিস্টিং একসঙ্গে
Dhaka Stock Exchange–এ তালিকাভুক্ত দুইটি ১০ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ গভর্নমেন্ট ট্রেজারি বন্ড (BGTB)–কে কেন্দ্র করে বিনিয়োগকারীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। ঘোষণাগুলো মূলত রেকর্ড ডেট সংক্রান্ত লেনদেন স্থগিতাদেশ এবং একটি বন্ডের মেয়াদপূর্তি–জনিত ডিলিস্টিংয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত।
সরকারি বন্ড বাজারে বিনিয়োগকারীদের আস্থা, স্থিতিশীলতা এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এ ধরনের সিদ্ধান্তকে নিয়মিত প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে দেখা হয়। বিশেষ করে দীর্ঘমেয়াদি বন্ডে যারা নিরাপদ ও নির্ধারিত আয়ের ওপর নির্ভর করেন, তাদের জন্য এসব ঘোষণা সময়োপযোগী ও তাৎপর্যপূর্ণ।
TB10Y0726: রেকর্ড ডেট উপলক্ষে সাময়িক লেনদেন বন্ধ
২০ জুলাই ২০২৬ মেয়াদে পরিশোধযোগ্য ১০ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ গভর্নমেন্ট ট্রেজারি বন্ড, যার ট্রেডিং কোড TB10Y0726, সেটির ক্ষেত্রে রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ১৯ জানুয়ারি ২০২৬। এই রেকর্ড ডেটকে কেন্দ্র করে বন্ডটির লেনদেন সাময়িকভাবে স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, রেকর্ড ডেটের আগের দিন অর্থাৎ ১৮ জানুয়ারি ২০২৬ এবং রেকর্ড ডেটের দিন ১৯ জানুয়ারি ২০২৬ উভয় দিনই এই সরকারি সিকিউরিটিজে কোনো ধরনের লেনদেন হবে না। এর মাধ্যমে কুপন সুবিধা ও মালিকানা নির্ধারণের প্রক্রিয়াকে সুশৃঙ্খল রাখা হয়।
তবে বিনিয়োগকারীদের জন্য ইতিবাচক দিক হলো, এই স্থগিতাদেশ সম্পূর্ণ অস্থায়ী। নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী ২০ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে TB10Y0726 পুনরায় স্বাভাবিকভাবে লেনদেনে ফিরে আসবে এবং বাজারে আগের মতোই ক্রয়-বিক্রয় কার্যক্রম চালু থাকবে।
TB10Y0126: মেয়াদপূর্তির পর ডিএসই থেকে স্থায়ী ডিলিস্টিং
অন্যদিকে, ২০ জানুয়ারি ২০২৬ মেয়াদে পরিশোধযোগ্য ১০ বছর মেয়াদি আরেকটি সরকারি ট্রেজারি বন্ড TB10Y0126–এর ক্ষেত্রেও একইভাবে ১৮ ও ১৯ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে লেনদেন স্থগিত থাকবে। এই স্থগিতাদেশও রেকর্ড ডেট সংক্রান্ত নিয়মিত প্রক্রিয়ার অংশ।
তবে TB10Y0126–এর ক্ষেত্রে একটি মৌলিক পার্থক্য রয়েছে। সংশ্লিষ্ট বন্ডটির মেয়াদ সম্পূর্ণ হওয়ায় ২০ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে এটি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ থেকে স্থায়ীভাবে ডিলিস্ট করা হবে। অর্থাৎ উক্ত তারিখের পর এই বন্ডে আর কোনো ধরনের লেনদেন বা বাজার কার্যক্রম থাকবে না।
ডিলিস্টিংয়ের মাধ্যমে বন্ডটির জীবনচক্র আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হবে এবং বিনিয়োগকারীরা নির্ধারিত বিধি অনুযায়ী তাদের মূলধন ও প্রাপ্য সুবিধা গ্রহণ করবেন।
কেন গুরুত্বপূর্ণ এই ঘোষণা
বিশ্লেষকদের মতে, সরকারি ট্রেজারি বন্ডে রেকর্ড ডেটের আগে ও পরে লেনদেন স্থগিত থাকা একটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত নিয়ম। এর মূল উদ্দেশ্য হলো প্রকৃত মালিকদের কুপন সুবিধা নিশ্চিত করা এবং বাজারে বিভ্রান্তি দূর করা।
একই সঙ্গে মেয়াদপূর্তি–জনিত ডিলিস্টিং বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ স্মরণ করিয়ে দেয় যে, দীর্ঘমেয়াদি নিরাপদ বিনিয়োগ হলেও সরকারি বন্ডের একটি নির্দিষ্ট জীবনকাল রয়েছে। সেই মেয়াদ শেষ হলে বিনিয়োগ কৌশল নতুন করে সাজানো প্রয়োজন।
-রাফসান
বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষায় ডিএসইর আইনি সতর্কতা
শেয়ারবাজারে গুজব, ভুয়া তথ্য ও বিভ্রান্তিকর প্রচারণা রোধে বিনিয়োগকারীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সচেতনতামূলক বার্তা দিয়েছে Dhaka Stock Exchange পিএলসি। ডিএসই স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, তাদের নাম বা লোগো ব্যবহার করে কোনো ধরনের গুজব বা অনুমাননির্ভর তথ্য প্রচার করা হলে তা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে।
ডিএসইর পক্ষ থেকে জানানো হয়, যদি কেউ ডিএসইর প্যাটেন্ট, নাম বা পরিচিতি ব্যবহার করে গুজবভিত্তিক তথ্য ছড়িয়ে বিনিয়োগকারীদের বিভ্রান্ত করে, তাহলে তার বিরুদ্ধে কপিরাইট আইন, ২০০০ অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। একই সঙ্গে এ ধরনের কর্মকাণ্ডকে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ অর্ডিন্যান্স, ১৯৬৯-এর ১৭ ধারার অধীনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হবে।
সচেতনতামূলক বার্তায় আরও বলা হয়েছে, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ কোনো ধরনের বাজারসংক্রান্ত তথ্য বা ডেটা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করে না। ফলে ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, ভাইবার, লিংকডইনসহ যেকোনো অননুমোদিত প্ল্যাটফর্মে প্রকাশিত শেয়ারবাজারসংক্রান্ত তথ্যের ওপর নির্ভর না করার জন্য বিনিয়োগকারীদের প্রতি জোরালো আহ্বান জানানো হয়েছে।
ডিএসই কর্তৃপক্ষের মতে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া অনেক তথ্যই যাচাইহীন, গুজবনির্ভর বা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হতে পারে, যা বিনিয়োগকারীদের আর্থিক ক্ষতির ঝুঁকিতে ফেলতে পারে। এ ধরনের তথ্য বিশ্বাস করে বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত নিলে বাজারে অস্থিরতা তৈরি হওয়ার পাশাপাশি ব্যক্তিগত বিনিয়োগ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
-রাফসান
বিনিয়োগকারী অভিযোগে ডিজিটাল সমাধান জোরদার ডিএসইর
শেয়ারবাজারে বিনিয়োগকারীদের অধিকার সুরক্ষা ও অভিযোগ নিষ্পত্তি প্রক্রিয়া আরও সহজ করতে নতুন করে নির্দেশনা দিয়েছে Dhaka Stock Exchange পিএলসি। ডিএসই জানিয়েছে, বিনিয়োগকারীরা এখন থেকে ব্রোকারেজ হাউস ও তালিকাভুক্ত কোম্পানির বিরুদ্ধে তাদের অভিযোগ অনলাইনে দাখিল করতে পারবেন।
ডিএসইর প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ট্রেক (TREC) হোল্ডার কোম্পানি অর্থাৎ ব্রোকার ও মার্চেন্ট ব্যাংক, পাশাপাশি তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজের ইস্যুকারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ থাকলে তা Customer Complaint Address Module (CCAM) এর মাধ্যমে দাখিল করতে হবে।
ডিএসই কর্তৃপক্ষ জানায়, বিনিয়োগকারীদের অভিযোগ গ্রহণ ও নিষ্পত্তির পুরো প্রক্রিয়াকে ভার্চুয়াল ও স্বচ্ছ করার লক্ষ্যে এই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এর ফলে সরাসরি উপস্থিত হয়ে অভিযোগ জানানো ছাড়াই ঘরে বসে নির্ধারিত অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে অভিযোগ দাখিল করা সম্ভব হবে।
এই অভিযোগ ব্যবস্থাপনা সিস্টেমটি পরিচালিত হচ্ছে সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেডের আওতাধীন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে। বিনিয়োগকারীদের জন্য নির্ধারিত অভিযোগ দাখিলের ঠিকানাটি হলো সিসিএএম লিংক, যেখানে প্রয়োজনীয় তথ্য সংযুক্ত করে অভিযোগ জমা দেওয়া যাবে।
ডিএসই সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সিসিএএম ব্যবহারের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের অভিযোগ দ্রুত ট্র্যাক করা, যাচাই করা এবং নিষ্পত্তির সময়সীমা নির্ধারণ করা সহজ হবে। এতে শেয়ারবাজারে জবাবদিহিতা বাড়বে এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থাও আরও শক্তিশালী হবে।
ডিএসই বিনিয়োগকারীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে, কোনো ধরনের আর্থিক অনিয়ম, লেনদেনসংক্রান্ত জটিলতা বা নিয়ম লঙ্ঘনের অভিযোগ থাকলে নির্ধারিত সিসিএএম প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে তা আনুষ্ঠানিকভাবে জানাতে, যাতে দ্রুত ও প্রাতিষ্ঠানিকভাবে সমাধান সম্ভব হয়।
সূত্রঃ ডিএসই
ডিএসই পরিদর্শন/ডোমিনেজ চালু, অন্য চার কোম্পানির কারখানা বন্ধ
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ পিএলসি (ডিএসই) তালিকাভুক্ত কয়েকটি কোম্পানির কারখানা পরিদর্শনের মাধ্যমে তাদের বর্তমান কার্যক্রমের অবস্থা তুলে ধরেছে। সাম্প্রতিক এই পরিদর্শনে দেখা গেছে, কিছু প্রতিষ্ঠানে আংশিক উৎপাদন চালু থাকলেও অধিকাংশ কোম্পানির কারখানা সম্পূর্ণভাবে বন্ধ রয়েছে, যা বিনিয়োগকারীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করে।
ডোমিনেজ স্টিলের এক ইউনিট চালু, আরেকটি বন্ধ
ডিএসইর একটি পরিদর্শন দল ২০২৫ সালের ৩ ও ৪ নভেম্বর ডোমিনেজ স্টিল বিল্ডিং সিস্টেমস লিমিটেডের কারখানা পরিদর্শন করে। এ সময় আশুলিয়া, সাভার এলাকায় অবস্থিত কারখানা ইউনিটটি কার্যক্রমে সচল অবস্থায় পাওয়া যায়। তবে একই প্রতিষ্ঠানের নরসিংদীর পলাশ এলাকার ইউনিটটি পরিদর্শনকালে সম্পূর্ণ বন্ধ অবস্থায় ছিল বলে জানানো হয়েছে।
প্যাসিফিক ডেনিমসের কারখানা বন্ধ অবস্থায়
ডিএসইর আরেকটি পরিদর্শন দল ২০২৫ সালের ২২ অক্টোবর প্যাসিফিক ডেনিমস লিমিটেডের কারখানা ঘুরে দেখে। পরিদর্শনে প্রতিষ্ঠানটির কারখানায় কোনো ধরনের উৎপাদন কার্যক্রম চলমান পাওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ওই সময় কারখানাটি পুরোপুরি বন্ধ ছিল।
আরামিট সিমেন্টে উৎপাদন কার্যক্রম স্থগিত
আরামিট সিমেন্ট লিমিটেডের কারখানা পরিদর্শনে গিয়ে ডিএসই দেখতে পায় যে, ২০২৫ সালের ২২ জুলাই প্রতিষ্ঠানটির উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ ছিল। পরিদর্শন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, কারখানায় সে সময় কোনো অপারেশনাল কার্যক্রম চলছিল না।
নুরানি ডাইং অ্যান্ড সুয়েটারেও একই চিত্র
২০২৫ সালের ২১ জুলাই নুরানি ডাইং অ্যান্ড সুয়েটার লিমিটেডের কারখানা পরিদর্শন করে ডিএসইর দল। সেখানে গিয়ে দেখা যায়, প্রতিষ্ঠানটির উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে এবং কারখানা সচল নয়।
আরএসআরএম স্টিলের উৎপাদন বন্ধ থাকার তথ্য
রাতানপুর স্টিল রি-রোলিং মিলস লিমিটেড (আরএসআরএম স্টিল)-এর কারখানা ডিএসই ২০২৫ সালের ২০ জুলাই পরিদর্শন করে। ওই পরিদর্শনে কোম্পানিটির উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।
ডিএসইর এই ধারাবাহিক কারখানা পরিদর্শন প্রতিবেদনে শিল্পখাতের বাস্তব কার্যক্রম সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাচ্ছে। যেখানে একটি কোম্পানির একটি ইউনিট চালু থাকলেও অন্য ইউনিট বন্ধ, সেখানে একাধিক প্রতিষ্ঠানের সম্পূর্ণ উৎপাদন বন্ধ থাকা বিনিয়োগ ঝুঁকি, আর্থিক সক্ষমতা এবং ভবিষ্যৎ ব্যবসা পরিকল্পনা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এসব তথ্য বিনিয়োগকারীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, কারখানার বাস্তব উৎপাদন পরিস্থিতি কোম্পানির আয়ের ধারাবাহিকতা ও শেয়ারের ভবিষ্যৎ মূল্য নির্ধারণে বড় ভূমিকা রাখে। ফলে সংশ্লিষ্ট শেয়ারগুলোর ক্ষেত্রে বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে এই পরিদর্শন প্রতিবেদন বিবেচনায় রাখা জরুরি বলে মনে করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা।
-রাফসান
পাঠকের মতামত:
- ১৫ জানুয়ারি পূর্ণাঙ্গ শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- ১৫ জানুয়ারি দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ১৫ জানুয়ারির শীর্ষ ১০ দরবৃদ্ধির তালিকা
- ৫০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা
- দরিদ্র পরিবারে মাসে ৪৫৪০ টাকা দেওয়ার প্রস্তাব
- ভোটপ্রক্রিয়া বিতর্কিত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে একটি পক্ষ: মির্জা আব্বাস
- ২০২৬ সালের রমজান ও ঈদ নিয়ে সম্ভাব্য সময়সূচি
- ৩০টির বেশি মিউচুয়াল ফান্ডের এনএভি প্রকাশ, কোথায় সুযোগ
- রেকর্ড ডেট শেষে সরকারি বন্ড ও দুই কোম্পানীর লেনদেন শুরু
- সরকারি বন্ড বাজারে স্থগিতাদেশ ও ডিলিস্টিং একসঙ্গে
- "এবার আর লক্ষ্যভ্রষ্ট হবে না" ট্রাম্পকে গুলি করা নিয়ে ইরানের বার্তা
- ড. ইউনূস ও তারেক রহমানের বৈঠক আজ, কী আলোচনা হতে যাচ্ছে
- ভোটার তথ্য বিক্রি করে কোটি টাকা আয়, ইসির কর্মী গ্রেফতার
- ওয়াশিংটনের নতুন সমরকৌশলে কাঁপছে মধ্যপ্রাচ্য: যুদ্ধের মেঘ কি তবে সুদূরপ্রসারী?
- ঢাকায় যেদিন হতে যাচ্ছে ‘গণমাধ্যম সম্মিলন ২০২৬’
- জেনে নিন টাকার বিপরীতে আজকের বৈশ্বিক মুদ্রার বিনিময় হার
- নাগরিক ভোটের প্রকৃত প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করবে গণভোট: আলী রীয়াজ
- মশা তাড়াতে গিয়ে রোগ ডেকে আনছেন না তো? সতর্ক হোন এখনই
- একীভূত পাঁচ ব্যাংকের আমানতে দুই বছর মুনাফা স্থগিত
- দামী ক্রিমের চেয়ে ১০ গুণ বেশি ফল দেবে ঘরোয়া রূপচর্চা!
- একাধিক স্ত্রী গোপন, পটুয়াখালীতে ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ
- অসহায় জনগণের আর্তনাদ: সংবিধানের ‘মালিক’ এখন গ্যাস ও চালের বাজারে জিম্মি
- বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষায় ডিএসইর আইনি সতর্কতা
- সিলেটে ১৩০টি গ্যাস সিলিন্ডার জব্দ
- বাকেরগঞ্জে পোষা বিড়ালকে কুপিয়ে জখম: বিচার চেয়ে থানায় গৃহবধূ
- বিনিয়োগকারী অভিযোগে ডিজিটাল সমাধান জোরদার ডিএসইর
- ডিএসই পরিদর্শন/ডোমিনেজ চালু, অন্য চার কোম্পানির কারখানা বন্ধ
- টাকা ফেরত দাও: বিসিবি পরিচালকের মন্তব্যে উত্তাল দেশের ক্রিকেট অঙ্গন
- আজকের স্বর্ণের দাম: ১৫ জানুয়ারি ২০২৬
- আগামী ২৪ ঘণ্টায় ইরানে মার্কিন হামলা? খাদের কিনারায় মধ্যপ্রাচ্যের শান্তি
- জেনে নিন আজকের আবহাওয়ার হালচাল
- আজকের নামাজের সময়সূচি: ১৫ জানুয়ারি ২০২৬
- আজ রাজধানীর যেসব এলাকায় মার্কেট ও দোকানপাট বন্ধ
- অনিশ্চয়তায় অভিবাসনের স্বপ্ন: বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের নাগরিকদের ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত
- স্কটল্যান্ডে বাংলাদেশের নতুন কনসাল জেনারেলের সম্মানে সিলেট প্রেসক্লাবে রাজকীয় আয়োজন
- আজ ঢাকায় কোথায় কোন কর্মসূচি, দেখে নিন এক নজরে
- বাহরাইনের মানামায় বিএনপির নতুন পথচলা: ঘটা করে ঘোষণা হলো নতুন কমিটি
- সুস্থ জীবনের চাবিকাঠি কি রাতের খাবারের সময়েই লুকিয়ে? যা বলছেন পুষ্টিবিদরা
- মহাকাশের নিস্তব্ধতা ভেঙে রঙিন শকওয়েভ: অরিগা নক্ষত্রমণ্ডলে বিরল আবিষ্কার
- মেজাজ খিটখিটে আর অনিদ্রা? চিনির বদলে মধুই হতে পারে আপনার সমাধান
- অন-অ্যারাইভাল ভিসা স্থগিত ঘোষণা
- গণভোটই হবে ফ্যাসিবাদ ঠেকানোর প্রধান হাতিয়ার: আলী রীয়াজ
- বাথরুমে একা থাকলেও কি সতর ঢাকা জরুরি? যা বলছে ইসলাম
- যুদ্ধের মেঘ মধ্যপ্রাচ্যে: ইরান ত্যাগের নির্দেশ দিল একাধিক দেশ
- মাগুরার মানুষের জন্য সাকিবের নতুন বার্তা, ফিরতে চান পুরনো অবস্থানে
- বিগ ব্যাশে অভিষেক আসরেই রিশাদের রেকর্ড শিকার
- গাজা মিশনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ ও সরকারের শর্ত: যা বললেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
- বিশ্ববাজারে রেকর্ড ভাঙা উত্থান: সর্বোচ্চ উচ্চতায় সোনা ও রুপা
- জমি রেজিস্ট্রিতে বড় পরিবর্তন: মুক্তি মিলছে দীর্ঘদিনের ভোগান্তি থেকে
- সিলেট উইমেন্স মেডিকেলে ঠোঁট ও তালু কাটা রোগীদের বিনামূল্যে প্লাস্টিক সার্জারি শুরু
- এসএসসি পরীক্ষায় বড় পরিবর্তন, চূড়ান্ত কেন্দ্র তালিকা প্রকাশ
- এক চড়, দশ হাজার টাকা, আর চিরকালের নত মেরুদণ্ড
- ওষুধের দরে বড় চমক! এবার ২৯৫টি ওষুধের দাম বেঁধে দিল অন্তর্বর্তী সরকার
- বাহরাইনের মানামায় বিএনপির নতুন পথচলা: ঘটা করে ঘোষণা হলো নতুন কমিটি
- ডিভিডেন্ড পরিশোধে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা তিন প্রতিষ্ঠানের
- ডলারের আধিপত্য ও তেলের নিয়ন্ত্রণ: ট্রাম্পের শুল্কের রাজনীতিতে কাঁপছে বিশ্ববাজার
- শীতে এলপিজির হাহাকার রুখতে বড় পদক্ষেপ নিল সরকার
- আজ ঢাকায় বন্ধ থাকবে যেসব মার্কেট ও দর্শনীয় স্থান
- আজ ঢাকায় কোথায় কোন কর্মসূচি, দেখে নিন এক নজরে
- কোরআন ও হাদিসে জুমার নামাজের গুরুত্ব ও ফজিলত
- দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে মাউশির চিঠি, নেপথ্যে কী
- নবম পে-স্কেলে সর্বনিম্ন বেতন নিয়ে তিন প্রস্তাব
- ১২ জানুয়ারি ডিএসইতে দরপতনের শীর্ষ ১০ কোম্পানি
- আজকের আবহাওয়া আপডেট: কোথায় কতটা শীত
- আজ নামাজের সময়সূচি ও সূর্যাস্ত








